Feature Img

robaet-fপ্রিয় পাঠক, আপনারা জানেন বাংলাদেশে গেলো কয়েক বছরে সড়ক দুর্ঘটনা জ্যামিতিক হারে বেড়েছে। প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনায় আমরা হারাচ্ছি প্রিয়জনদের। একটি মৃত্যু একটি পরিবারের সারা জীবনের কান্না। কোনো কোনো মৃত্যু পুরো দেশের জন্যই অপূরণীয় ক্ষতি। গত ১৩ আগস্ট মানিকগঞ্জের মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় খ্যাতিমান চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ, বাংলাদেশের আধুনিক সম্প্রচার সাংবাদিকতার অন্যতম পথিকৃৎ মিশুক মুনীরসহ পাঁচ জন নিহত হন। এর আগে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪০ জন শিশু নিহত হয়। আমরা মনে করি এগুলো নিছক দুর্ঘটনা নয়। সড়ক ও পরিবহন খাতে দীর্ঘ অব্যবস্থাপনা, সীমাহীন দুর্নীতি, চালকের প্রশিক্ষণের অভাব, অবৈধ পন্থায় গাড়ি চালনার লাইসেন্স প্রাপ্তি, ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচলের অনুমতি, সড়ক-বিভাজক না থাকা, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে বিদ্যমান আইনের দুর্বলতা, ত্রুটিপূর্ণ ও অবৈজ্ঞানিক সড়ক নির্মাণ এবং সর্বোপরি কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতার অভাব আজকের বাংলাদেশকে পৃথিবীর অন্যতম প্রধান সড়ক দুর্ঘটনাকবলিত রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। তাই, আমাদের প্রতীতি, বাংলাদেশে দুর্ঘটনার নামে আসলে প্রতিদিন সড়কে নিরীহ মানুষ হত্যা করা হচ্ছে। স্কুল পড়ুয়া শিশু থেকে বিশ্ব বরেণ্য চলচ্চিত্রকার কেউ-ই এই হত্যাযজ্ঞ থেকে রেহাই পাচ্ছে না। আমরা যে কেউ যেকোনো দিন এর নির্মম শিকার হয়ে যেতে পারি; কেবল নিহত নয়, ফি বছর সড়ক দুর্ঘটনায় আরো কয়েক হাজার মানুষকে স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্বের জীবন বয়ে বেড়াতে হয়।

আমরা মনে করি যেকোনো সভ্য রাষ্ট্রের জন্য এটা লজ্জার। কোনো বিবেকবান মানুষই এ অবস্থা মেনে নিতে পারে না। আমরাও পারি নি। একান্তই বিবেকের তাড়নায় গড়ে তুলেছি ছাত্র-শিক্ষক-পেশাজীবী-জনতার সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক সংগঠন। আমরা এ রাষ্ট্রে স্বাভাবিক মৃত্যুর নিশ্চয়তা চাই। এ লক্ষ্যে গত ২৪ আগস্ট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আমরা একটি প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করেছিলাম। সারা দেশের অসংখ্য মানুষের কাছ থেকে সংবাদপত্র, রেডিও, টেলিভিশন, ফেসবুক, ই-মেইল ও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েছি। তাঁরা বিভিন্নভাবে আমাদের আন্দোলনে সংহতি জানিয়েছেন। তাঁদের সমর্থন আমাদের কাজ ও দায়িত্বকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে; এ লেখার মাধ্যমে মাধ্যমে তাঁদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি এবং সেই দায়িত্বের প্রতি অনুগত ও সংবেদনশীল থাকার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।

আপনারা জানেন যেকোনো সভ্য রাষ্ট্রে দুর্ঘটনা ঘটলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তা ব্যক্তি তাঁর দায় স্বীকার করে নিজ পদ থেকে সরে দাঁড়ান। আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মৌল বৈশিষ্ট্য হলো প্রশাসনের সর্বত্র জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করা; দুঃখজনক যে সড়ক ও পরিবহন খাতে দীর্ঘ অব্যবস্থাপনার কারণে বাংলাদেশে দিনের পর দিন সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষ নিহত হচ্ছে, কিন্তু আজ পর্যন্ত এর কোনো প্রতিকার প্রতিবিধান বা দায় স্বীকারের কোনো নজির স্থাপিত হয়নি। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তা ব্যক্তিদের সবাই কেবল একে অন্যের কাঁধে দোষ চাপানোর নিম্ন্ সাংস্কৃতিক রুচির পরিচয়ই দিয়ে গেছেন। এ অভিযোগ থেকে বর্তমান বা অতীতের কোনো সরকারই মুক্ত নন। আমরা মনে করি এ অবস্থা চলতে দেওয়া যায় না; আমাদের আন্দোলনের মাধ্যমে এ অবস্থাকে আমরা তাই চ্যালেঞ্জ করতে চেয়েছি। এ জন্য আমরা ২৪ আগস্ট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের প্রতিবাদ সমাবেশে উচ্চকিত হয়েছিলাম এই বলে যে, তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনীর নিহত হওয়ার ঘটনার দায় রাষ্ট্রকে স্বীকার করতে হবে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের প্রধান দাবি ছিল আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে পদচ্যুত করতে হবে।

আমরা মনে করি, দায়িত্ব ও জবাবদিহিতার বোধ থেকে মর্যাদাবান মানুষেরা তাঁদের দায় স্বীকার করে পদত্যাগ করেন, বিশ্বে এর নজীর প্রচুর; কিন্তু দুর্ঘটনার পর কয়েক দিন পেরিয়ে গেলেও যোগাযোগ মন্ত্রী পদত্যাগ করেননি, তাই আমরা নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে যোগাযোগ মন্ত্রীর পদচ্যুতির দাবি তুলেছিলাম এবং আশা করেছিলাম এর মাধ্যমে রাষ্ট্রে জবাবদিহিতার একটি কাঠামো তৈরির শুভ সূচনা হবে। শহীদ মিনারের সমাবেশ থেকে আমরা কর্মসূচি হিসেবে ঘোষণা করেছিলাম, যদি ৩১ আগস্টের মধ্যে যোগাযোগমন্ত্রীকে পদচ্যুত করা না হয় তবে ঈদের দিন শহীদ মিনারের পাদদেশে দুপুর ১২:৩০ থেকে বিকেল ৪:৩০ পর্যন্ত আমরা প্রতিবাদী অবস্থান নেব এবং আমাদের দাবি তুলে ধরব।

শহীদ মিনার এ  দেশের মানুষের অসাম্প্রদায়িক, ধর্মনিরপেক্ষ ও প্রতিবাদী চেতনার প্রতীক। এ জন্য প্রতিবাদের স্থান হিসেবে আমরা শহীদ মিনারকে বেছে নিয়েছি। শহীদ মিনারে আমরা কোনো ঈদ-উৎসব করছি না বরং মহাসড়কগুলোর অব্যবস্থাপনার কারণে অনেক মানুষ যারা এবার ঈদে বাড়ি ফিরতে পারেন নি, মিলিত হতে পারেন নি পরিবার পরিজনদের সঙ্গে, ঈদের উৎসব বর্জন করে শহীদ মিনারে প্রতিবাদের মাধ্যমে তাদের প্রতি আমাদের সহমর্মিতা জানাবো। ঈদের উৎসব বর্জন করে শহীদ মিনারে আমরা প্রতিবাদী অবস্থান নেব। প্রতিবাদী গান, কবিতা ও বক্তৃতার মাধ্যমে আমাদের দাবি ও অবস্থান তুলে ধরবো। এ পর্যায়ে সরকারের কাছে আমাদের দাবিসমূহ পুনর্ব্যক্ত করছি :

এক. আমাদের প্রধান দাবি ৩১ আগস্টের মধ্যে যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে পদচ্যুত করতে হবে।
দুই. অবৈধ লাইসেন্স প্রাপ্তির প্রক্রিয়া বন্ধ করতে হবে।
তিন. সড়ক ও পরিবহন সেক্টরের দুর্নীতি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
চার. গণপরিবহন ব্যবস্থায় দ্রুত শৃংখলা ফিরিয়ে আনতে হবে।
পাঁচ. সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে বিদ্যমান আইনটি কঠোর করতে হবে।
ছয়. চালকদের জন্য যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।
সাত. সড়ক ও পরিবহনসহ প্রশাসনের সবস্তরে কার্যকর জবাবদিহিতার কাঠামো প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

আমরা সরকার বা কারও প্রতিপক্ষ নই। আমরা দেশের সাধারণ নাগরিক। এই দেশের রাজনীতিবিদেরা ঘুমিয়ে আছেন। আমরা তাঁদের ঘুম ভাঙাতে চাই। এ কারণেই আমরা ঈদের দিন শহীদ মিনারে গিয়ে প্রতিবাদী অবস্থান নেব। ৩১ আগস্টের এখনও কয়েক ঘন্টা বাকি, এর মধ্যে যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে পদচ্যুত না করা হলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশে দুপুর ১২:৩০ থেকে বিকেল ৪:৩০ পর্যন্ত প্রতিবাদী অবস্থান পালন করব এবং দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আমাদের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করব। সড়কে মানুষ হত্যা বন্ধে সর্বস্তরের জনতাকে প্রতিবাদী অবস্থানে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।


রোবায়েত ফেরদৌস
: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক।

২৮ Responses -- “যোগাযোগ মন্ত্রীর পদচ্যুতি: কেন ঈদের দিন শহীদ মিনারে প্রতিবাদী অবস্থান”

  1. roky

    এই দেশে বেশির ভাগ মানুষই মুক্তি চায়। কিন্তু এই মুক্তিপাগল মানুষগুলো বন্দি হয়ে আছে কিছু নষ্ট জ্ঞানপাপী মানুষের মেধার কাছে। তারা নিজেরা কিছু করবে না। আবার কেউ কিছু করলে তাতে বাধা দিবে।

    Reply
  2. জাফর ইদ্রিস

    কখনও হাট বাজারে কিছু কিনতে কি যান না ? আমজনতার হৃদয়ের কান্না শুনতে কি পান না। অস্বাভাবিক মৃত্যু বন্ধ হোক এটা কি চান না ? মহা সড়কের বেহাল অবস্থা দেখতে কি পান না ? বিচার বহির্ভূত মৃত্যুর খবর শুনতে কি পান না ? প্রতিরোধে দুর্বার আন্দোলন আপনি কি চান না ? গণ পিটুনি বন্ধ হোক আপনি কি চান না ?
    স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টিটা আপনি কি চান না ?তবে অবশ্যই এর প্রতিবাদ হওয়ার উচিৎ এবং আমাদের জাতীয় উৎসবকে পরিহার করে জাতির পবিত্র মিনার স্বাধীনতার প্রতীক শহীদ মিনারেই হওয়া উচিৎ। ধন্যবাদ

    Reply
  3. dewanbaghi

    ঘুরে ফিরে বিষয়টি ঐ একই হলো। শহীদ মিনারের মুসলমানী। প্রতিবাদ করতে সঠিক জায়্গায় গেলেই তো হয়।

    Reply
  4. Asad

    কতটা না ভেবে কর্মসূচি নেয়া হয়েছে দেখুন, মন্ত্রীর পদত্যাগের আলটিমেটামের সময় সীমা ৩১ আগস্ট। ৩১ আগস্টেই ঈদ। ঈদের মূল দিনে তারা আর বসতে পারবে না।

    দাবি করেছেন তারা কারও প্রতিপক্ষ নয়। আশ্চর্য!যোগাযোগমন্ত্রী, ভুয়া ড্রাইভিং লাইসেন্সধারী বা সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার বর্তমান অবস্থার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কি তারা নন? শুধু সরকার নয়, চলতি সরকারি নীতিরও তারা বিরোধিতা করছেন। সংসদে প্রধানমন্ত্রী বর্তমান নীতির ব্যাখ্যা দিয়েছেন। বলেছেন, খাদ্য ও বিদ্যুৎকে তারা প্রাধান্য দিতে গিয়ে সড়কের জন্য বরাদ্দ কমিয়েছিলেন। এথন তারা তড়িঘড়ি বরাদ্দ দিচ্ছেন।

    তবে লক্ষ্য করার বিষয় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী সফরে আসার আগেই কিন্তু এই ঘটনা ঘটলো। সড়ক দুর্ঘটনায় শ্রদ্ধেয় তারেক ও মিশুকের মৃত্যুর কথা বলা হলেও আড়াল করা হয়েছে পরিবহন ধর্মঘটকে। যদিও সারা দেশে যোগযোগ ব্যবস্থা নিয়ে হৈচৈয়ে ঐ ধর্মঘট তাৎপর্যপূর্ণ আন্দোলনকারীরা কি বুঝতে পারছেন এই সড়কের বেহাল দশার সঙ্গে আসন্ন বাংলাদেশ-ভারত সমঝোতার সম্পর্ক কোথায়?

    আর একটি কথা, আলোচ্য সড়ক দুর্ঘটনার একটি তদন্ত রিপোর্ট সরকার প্রকাশ করেছে। সেটির কোনো প্রতিবাদ না করে একে সরকারি হত্যাকাণ্ড বলে দায় স্বীকারের কথাই বা বলা হচ্ছে কেন!

    তবে সড়ক যে বেহাল সে কথা শেখ হাসিনা মানেন। মন্ত্রীর পদত্যাগ করার দাবি না মানলেও স্বীকার করেছেন সরকারের ‘ছোটখাট’ ভুলের কথাও। ব্যবস্থাও নেবেন আশ্বাস দিয়েছেন। এতে বিরোধিতা নমনীয় হয়ে পড়ার কথা। ঈদ ঠিক কবে হবে এটা যেমন কর্মসূচি নির্ধারণে ঠিকমত ভাবা হয়নি তেমননি এদিকটাও বিক্ষুব্ধরা ভাবছেন কি? এই আবুলকে সহ্য যে করা কঠিন তা কে না বোঝে, খালি হাসে। তবু আন্দোলকারীদের কৌশল নিয়ে ভাবতে অনুরোধ করি।

    Reply
  5. সুমন

    এই দেশের রাজনীতিবিদেরা ঘুমিয়ে আছেন। আমরা তাঁদের ঘুম ভাঙাতে চাই।—- এই কথার সাথে দ্বিমত পোষণ করছি। রাজনীতিক নামধারী ব্যক্তিরা কেউ ঘুমিয়ে নেই। তারা সবসময় নিজেদের ও পরিবারসহ আত্মীয়-স্বজন সবার সম্পদের পাহাড় গড়তে সদা ব্যস্ত। নিজেদের অর্থ-সম্পদ গড়ার ব্যাপারে তারা টনটনে সজাগ। তাদের কোনো মাথা নেই সাধারণ মানুষের জন্য।
    সুতরাং কথাটা বলতে হবে এভাবে “এই দেশের রাজনীতিবিদেরা দুর্নীতি-লুটপাট-দখলবাজিতে ব্যস্ত আছেন। আমরা তাদের প্রতিহত করতে চাই।”

    আর একটা কথা, শুধু যোগাযোগ মন্ত্রী নয় সব ব্যর্থ, দুর্নীতিবাজ মন্ত্রী, নেতা-নেত্রীর বিরুদ্ধে এমন প্রতিবাদ কর্মসূচি চাই।

    আর দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আপনাদের পরবর্তী কর্মসূচির অপেক্ষায় রইলাম। কোনোভাবেই যেন এই প্রতিবাদ কর্মসূচি পিছিয়ে না যায়,ব্যর্থ না হয়। সাধারণ মানুষ অনেক আশা নিয়ে এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিবে একটা পরিবর্তনের আশায়। কারণ এ দেশের রাজনীতিক নামধারীরা দেশটাকে রসাতলে নিয়ে গেছে।

    Reply
  6. মুহম্মদ জাহাঙ্গীর

    উদ্যোগ প্রশংসনীয় – নিঃসন্দেহে। মন্ত্রী পদত্যগ করলেই কাজ হবে তেমনটি ভাবার কোন কারণ নাই। কোন খানেই সিস্টেম নাই অথবা সিস্টেম অনুসারে কাজ হচ্ছে না। ভাল সিস্টেম দাড় করানো ও প্রতিষ্ঠাও কার্যকর করার মত প্রতিজ্ঞাবদ্ধ নেত্রিত্তৃ ও লোকবল দরকার। অজ্ঞতা ও দুর্নীতির বিরূদ্ধে সোচ্চার থাকা নাগরিক কর্তব্য।

    Reply
  7. সাইফুল ইসলাম

    আমাদের সৈয়দ আবুলের যে কবে বোদধয় হবে আল্লাহ মালুম…।

    Reply
  8. sajjad

    ভালো।
    কিন্তু শুধু সড়কে কেন, আইনের বাইরে মানুষ মারার কথা বলতে কি ভয় পান?
    মানুষ মরছে, সড়কে,বাড়িতে,থানায়,জেলে, না খেয়ে……
    এসব কে বলবে?

    Reply
  9. সপ্তক

    এই ঈদের দিনে কেউ যদি শহীদ মিনারে নামায পড়তে যায়, আপনি কী বাধা দেবেন? ভবিষ্যতেও যদি কেউ শহীদ মিনারকে কোন ধর্মীয় পরিচয়ে প্রতিবাদের স্থান হিসেবে নেয়,আপনি কী বাধা দেবেন? কোন ধর্মীয় অনুষ্টানকে এই প্রথম আপনারা শহীদ মিনারে অনুপ্রবেশ ঘটালেন|অন্য স্থান ছিলো এবং অন্য দিনও ছিলো? শহীদ মিনার অসাম্প্রদায়িক;ঈদ কী অসাম্প্রদায়িক? এটা একটা খারাপ উদাহরণ হয়ে থাকবে|

    Reply
    • জাফর ইদ্রিস

      প্রতিবাদের ক্ষেত্রে সাম্প্রদায়িকতার প্রশ্ন তোলাটা অবান্তর। সব কিছুতে ধর্ম আর সাম্প্রদায়িকতার ধুয়া তোলা হচ্ছে। প্রতিবাদ যে-কোন স্থানে হতে পারে, তবে শহীদ মিনার নির্ভরযোগ্য স্থান। ধন্যবাদ।

      Reply
    • sajjad

      নামাজ পড়তে যাবে কে? কিছু না জেনে লিখেন কেন?
      যাবার কথা দুপুরে, প্রতিবাদের কথা বলতে।

      Reply
  10. ইউক্যালিপ্টাস সীমানা

    কোনো আলোর আশা দেখছি না। তবুও আপনার উদ্দেশ্য সফল হউক, হবেও ইনশাল্লাহ্‌।

    Reply
  11. তো জা ম

    আমি সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যক্তিগত সুহৃদ তারেক মাসুদ ভাইকে হারিয়েছি ,সড়ক ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন চাই । এবং জনসচেতনা চাই । শুধু মন্ত্রীর পদত্যাগ নয়, এর সুষ্ঠু সমাধান চাই । কীভাবে এটা সম্ভব এটা খতিয়ে দেখার জন্য সরকারের সচেতন অংশটির সক্রিয় সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি ।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—