পৌর নির্বাচন-২০১৫ মূলত ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও সংসদের বাইরে থাকা বিএনপির লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। যদিও এক তৃতীয়াংশ দলীয় (শুধু মেয়র) ও দুই তৃতীয়াংশ (সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর) নির্দলীয় ভোট হচ্ছে।

বহুকাঙ্ক্ষিত ও আলোচিত দশম সংসদ সংসদ নির্বাচনের দু’বছরের মাথায় স্থানীয় সরকারের পৌরসভায় দলভিত্তিক ভোটের আয়োজন হল। এতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা যাছা্ইয়ের পথও প্রশস্ত হয়েছে।

পাশাপাশি নাশকতা ও সহিংসতার জন্যে সমালোচনায় থাকা বিএনপি গত দু’বছরের কর্মকাণ্ড ‘ভুলিয়ে’ দিয়ে রাজনীতিতে ‘ইতিবাচক’ অবস্থান তুলে ধরার জন্যে মরিয়া রয়েছে। সে ক্ষেত্রে ভোটের মাঠে থেকে এ সুযোগে তাদের জনপ্রিয়তাও ভোটারের কাছ থেকে আদায় করার সুযোগ পেয়েছে।

সংসদের তিনশ’ আসনে সাড়ে ৯ কোটি ভোটার রয়েছে। তবে পৌরসভার ২৩৪ টি এলাকায় রয়েছে মাত্র ৭১ লাখ ভোটার। ১৩ গুণ বেশি ভোটারের সংসদ নির্বাচনে অংশ না নিয়ে ভুলের মাশুল গুনতে হচ্ছে বিএনপিকে। এরপর উপজেলা পরিষদ, সংসদের উপ-নির্বাচন ও সর্বশেষ ৬০ লাখের বেশি ভোটারের ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে দল-সমর্থিত প্রার্থী দিয়েও সংসদে না থাকা ও জনসমর্থন থাকার বিষয়টি প্রমাণ করা যায়নি বিএনপির।

মাত্র আট মাস আগের সিটি নির্বাচনের ভোটের দুপুরে নিজেদের প্রার্থীদের সরিয়ে দেওয়ার ঘোষণায় বরং উল্টো ফল হয়েছে। ভোটের রাজনীতিতে অনেকটা সুযোগ-বঞ্চিত থেকে নাশকতা-সহিংসতার তীরে বিদ্ধ থেকেছে দলটি। দলের প্রার্থী ও সমর্থকরা ছিল নির্বাচনী ডামাডোলের অপেক্ষায়, যাতে অতীত ভুলে যাওয়ার ছুতো খুঁজছে তারা। দু’বছরে বিএনপি’র এমন হালে ঘুরে নতুন জোয়ার আনল দলভিত্তিক পৌর নির্বাচন।

Election - 1

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের হঠাৎ করে দলীয়ভাবে ভোট করার ‘সিদ্ধান্ত’ রাজনীতিতে নতুন মাত্রা দিয়েছে। সব দলকে স্থানীয় পর্যাায়ের নেতাদের রাজনীতিতে আরও সম্পৃক্ত করা ও উন্নয়নের ভূমিকার কথাও যুক্তি দিয়ে তুলে ধরা হয়। দেশের পৌরসভার ইতিহাসে শুধু নয়, স্থানীয় সরকারে দলভিত্তিক ভোটের এমন আবহ যেনো পুরো নির্বাচনী হাওয়ার পালে ঝড় তুলে। তবে সমালোচনাও রয়েছে ‘মিশ্র’ পদ্ধতির এ ভোট নিয়ে।

সব ক্ষেত্রে ভোটের হাওয়া এলেও প্রধান দু’দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি যেন জনপ্রিয়তা যাচাই কিংবা মাঠে থাকার লড়াইয়ে মর্যনদার মাপাকাঠি হিসেবে নিয়েছে ‘ছোট্ট পরিসরের’ এ নির্বাচনকে। ২২২ টি পৌরসভায় দুই দলের প্রার্থীও রয়েছে মুখোমুখি। অবশ্য ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ পৌর ভোটে ২ শতাধিক নৌকা প্রতীকে প্রার্থী জয়ের আভাস দিচ্ছে। বিএনপিও বলছে, ৮০ শতাংশ ভোট তাদের পক্ষে পড়বে।

ভোটের আগের দিন আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করে গেছেন। ক্ষমতাসীন দল বলছে, তাদের প্রতি বিমাতাসূলভ আচরণ করেছে ইসি। দলের সাংসদরা প্রচারে যেতে না পারায় লেভেল-প্লেয়িং ফিল্ড এভাবে হতে পারে না। অথচ বিএনপির সাবেক মন্ত্রী, সাংসদ, উপরাষ্ট্রপতি প্রচারে গেছেন অবাধে। তবু বিএনপি বলেছে, ক্ষমতসীনদের অন্তর্কোন্দলে বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষ হয়েছে। সুষ্ঠু ভোট ও সঠিক ফলাফল নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।

ওদিকে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, দু’দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখাতেই পৌর ভোট ঘিরে উত্তাপ দেখানো হচ্ছে। কার্যত এ ভোটের ফল নিয়ে কোনোভাবে সংসদের ভোটে অনুপস্থিতির খেসারত দিতে পারবে না বিএনপি। শুধু সমর্থকদের চাঙ্গা করতেই এ মনোভাব। কারণ, ভোটের হিসাবে জনপ্রিয়তার নিয়ামক হবে না পৌর ভোট। গত উপজেলা বা তিন সিটি নির্বাচনে বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থীদের শেষ মুহূর্তে দুরে থাকা বা ভোট কম পাওয়া নিয়েও প্রভাব পড়েনি কারও ওপর। এখন দেখার পালা, জনরায়ের সঠিক প্রতিফলন হয় কি না।

এত কিছুর জন্য যখন বছর শেষে মানুষ অপেক্ষা করছে, তখন নির্বাচন আয়োজনকারী সংস্থাটি কতটুকু অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ করতে পেরেছে, তাও মূল্যায়ন করবে তারা।

স্থানীয় সরকারের নির্বাচন হলেও দলীয় প্রতীকে ভোট হওয়ায় ভোটের প্রচার থেকে প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার জন্যে দলের অংশগ্রহণও ছিল শুরু থেকেই। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের জন্য বিষয়টি ছিল বেশ চ্যালেঞ্জের। বিশেষ করে তাড়াহুড়োর এ নির্বাচন ঘিরে সাংবিধানিক সংস্থাটিকে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। সমালোচনারও শুনতে হয়েছে বেশি। অথচ কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন এ কমিশন তাদের মেয়াদের অন্য সব নির্বাচনের চেয়ে বিধি-লঙ্ঘন ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থেকেছে।

এবারের প্রধান সমস্যা হয়েছে, দ্রুত আইন সংশোধন ও তাড়াহুড়ো করে সংশোধিত বিধিমালা প্রণয়ন নিয়ে। নির্বাচন বিধিমালা ও আচরণ বিধিমালা জারির পরদিন, ২৪ নভেম্বর তফসিল ঘোষণা করতে হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে। এ অবস্থায় ভোটে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরির বিষয়টি যথাযথ না হওয়ার বিষয়টি ধরা পড়েছে সবখানে।

ক্ষমতাসীন দলীয় সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচন (কোনো উপ-নির্বাচন নয়) করার অভিজ্ঞতা রয়েছে বর্তমান ইসির। দশম সংসদ নির্বাচনের আগে এ নিয়ে অনেক বিশ্লেষণ করে আচরণবিধিও করার সুযোগ পেয়েছে সংস্থাটি। তবে দলীয় সরকারের অধীনে দলীয় স্থানীয় নির্বাচন করার অভিজ্ঞতা এই প্রথম।

১২ অক্টোবর মন্ত্রিসভায় দলভিত্তিক পৌর নির্বাচন করার বিষয়ে আইন সংশোধনের খসড়া অনুমোদনের পরই প্রথম আঁচ পায় ইসি এ ব্যবস্থায় ভোট করতে হবে তাদের। এরই মধ্যে অধ্যাদেশ প্রণয়ন, তা বাতিল করে সংসদে আবার সংশোধন বিল। এরপর শুধু মেয়র পদে দলীয় ভোট করার জন্যে বিল সংশোধন, অতপর সংশোধন আইন পাস। ২১ নভেম্বর এ সংশোধনের গেজেট হয়। ২২ নভেম্বর গেজেট হাতে নিয়ে বিধিমালা সংশোধনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠায় সন্ধ্যায়। পরদিনও আইন মন্ত্রণালয়ে ইসির আইন কর্মকর্তারা বসে থেকে ভেটিংয়ের কাজ সারে।

‘তাড়াহুড়ো’র এ নির্বাচনের জন্য পরদিন বিধিমালার সংশোধিত গেজেট করে ২৪ নভেম্বর তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। ভোট করার বাধ্যবাধকতা থেকে সরে দাঁড়ায়নি ইসি। এমন তাড়াহুড়োর মধ্যেও দলভিত্তিক নতুনভাবে ভোট করার চ্যালেঞ্জটি নিয়েছে নির্বাচন আয়োজনকারী সংস্থাটি।

আইন সংশোধনের পুরো প্রক্রিয়ার বিলম্বটি আর কারও মাথায় নেই, এখন যে ভোটের সময়। অভিযোগ নিয়ে দৌঁড় দিতে হবে নির্বাচন কমিশনে। তাদেরকেই সব অভিযোগের নিষ্পত্তি করতে হবে, না হলে সমালোচনার তীর্যক তীর ছোঁড়া হবে সাংবিধানিক সংস্থাটির দিকে।

এমন তাড়াহুড়োয় কী অসুবিধা করেছে ইসি যাতে সংস্থাটির দুর্বলতা চোখে পড়ছে সব দল ও প্রার্থীর কাছে? সবার জন্যে সমান সুযোগ তৈরি করাটাই ছিল আচরণবিধি সংশোধনের অন্যতম উদ্দেশ্য। আইন সংশোধনের সময় সংসদেও এ নিয়ে সমালোচনা এল। ওই সময় যেহেতু পার হয়ে গেছে, ইসিকেই করতে হবে বাকি কাজ।

ভোটের প্রচারে অন্তত সাংসদরা যেতে পারবে কিনা, তা নিয়ে ইসিতেই মতদ্বৈধতা দেখা দেয়। নির্বাচন কমিশন তাদের প্রচারে যাওয়ার সুযোগ দিতে চেয়েছিল, অধ্যাদেশের আলোকে সংশোধন প্রস্তাবে আইন মন্ত্রণালয় ভেটিংয়ে তা বাদ দেয়। পরে আবার সাংসদদের প্রচারে না যাওয়ার বিধান রেখে ইসি প্রস্তাব পাঠালে ভেটিংয়ে চূড়ান্ত হয় তা। নির্বাচন কশিন এ নিয়ে কোনো আলোচনা, পর্যায়লোচনা বা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সুযোগই পায়নি। ইসির কোনো অসুবিধা হবে কিনা তা ভাবার যেন কেউ নেই।

দলভিত্তিক এত প্রার্থীর ব্যালট পেপার স্বল্প সময়ে ছাপানোর সক্ষমতা কতটুকু, সাংসদদের প্রচারে যেতে দিলে কী হবে, না দিলে কী হবে, তা ভাবার সময় মাত্র ২৪ ঘণ্টা কিংবা ভোট পেছানোর মতো পরিস্থিতি রয়েছে কিনা কিংবা ভোটের জন্য ৩৬ দিন সময় দিলে যথেষ্ট কিনা, ভোটে এক দিনে হবে না একাধিক দিনে হবে, সবই ঠিক রেখে কাজ করতে হচ্ছে ইসিকে।

দলভিত্তিক পৌর নির্বাচন করতে গিয়ে একসঙ্গে দু’শতাধিক পৌর এলাকা না হয়ে কিছু পৌরসভার ভোট নিয়ে ‘এক্সপেরিমেন্ট’ করারও সুযোগ পেল না সংস্থাটি। দলীয় সরকারের অধীনে দলভিত্তিক স্থানীয় নির্বাচন হওয়ায় স্থানীয় দলীয় শীর্ষনেতাদের ভূমিকা থাকে বেশি। দলের জেলা সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদকই নীতি-নির্ধারণী ভূমিকা রাখে। তারা যদি সাংসদও হয়ে থাকেন, তাদের ভোটের প্রচারে যাওয়ার সুযোগ থাকেনি। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দল জাতীয় পার্টি, সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি এ নিয়ে ইসির কাছে দাবিও জানান।

এ অবস্থায় সংসদের বাইরে থাকা বিএনপি আলাদা সুযোগ পেয়েছে। তাদের কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতারা অবাধে ভোটের প্রচারে অংশ নিতে পেরেছেন। কিন্তু ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ অভিযোগও করেছে, বিএনপি’র প্রতি সদয় হতে গিয়ে আওয়ামী লীগের প্রতি নির্দয় হয়েছে ইসি। এটা সম-আচরণ নয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদও কথা দিয়েছেন, কোনো ধরনের ত্রুটি থাকলে এ নির্বাচনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আগামীতে তা সংশোধন করা হবে।

তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে ভোটের মাছে বাস্তবের নানা অসুবিধার পাশাপাশি নির্বাচনবিধিতেও ‘করণিক’ ও ‘সাংঘর্ষিক’ ত্রুটি থেকে গেছে। তা সংশোধনে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোও হয়েছে ইতোমধ্যে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনও সংসদে বলেছেন, কিছুটা দলীয় ও কিছুটা নির্দলীয় হওয়ায় যেসব অসুবিধা হলে, ত্রুটি হয়েছে আগামীতে তা সংশোধন করা হবে। এমন আশ্বাসের মাঝেও নির্বাচন কমিশনের কঠোর অবস্থানও দেখা গেছে অন্য নির্বাচনের চেয়ে।

সংখ্যাগত দিক থেকে ২৩৪ পৌরসভা হলেও ভোটার সংখ্যা বিবেচনায় নিলে তিন সিটি নির্বাচনের মতোই ভাবা যায়। সে বিবেচনায় হামলা-সংঘর্ষের ঘটনা মাত্র ডজন খানেক বলা যায়। তবে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি সবচেয়ে বেশি এসেছে গণমাধ্যমে।

মাঠ পর্যাষয়ের নির্বাহী হাকিমদের পাঠানো প্রতিবেদন এসেছে প্রায় ১৫০টি নির্বাচন কমিশনে। তাতে অধিকাংশেই তিন হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবে এত আচরণবিধি লঙ্ঘনের হিড়িক গণমাধ্যমে এল কী করে? অন্তত ১১৪টি অভিযোগের বিষয়ে খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পুলিশ সুপারকে। নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব পর্যবেক্ষক ছিল না। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের যে প্রতিবেদন তাও হবে প্রায় এক ডজন।

এ ক্ষেত্রে সাংসদ নিয়ে ইসির ‘সিদ্ধান্ত’টারই প্রভাব পড়েছে মাঠে। সাংসদরা কোনোভাবে মাঠে থাকার সুযোগ না পেয়ে যখনই প্রচারে গেছেন তখনই বিধি-লঙ্ঘণের টোপে পড়েছেন। যদিও ইসির তদন্তে এ ধরনের ঘটনার সত্যতা কম পেয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনও অন্তত সাতজন সাংসদকে সতর্ক ও শোকজ করেছে। ইতোমধ্যে দু’জন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সাত ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে ইসির উদ্যোগে কাজ হয়েছে বলেও দাবি করেছেন। তবে মারপিট-সংঘর্ষের বিষয়ে দলীয় অনুসারী ও তাদের সমর্থকদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্যে দলগুলোকে আহ্বানও জানিয়েছেন।

দলভিত্তিক পৌর নির্বাচন নিয়ে প্রথম অভিজ্ঞতার চ্যালেঞ্জ ইতোমধ্যে সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের কথায় ধরা পড়েছে। নির্বাচন কমিশনও সচিব মো. সিরাজুল ইসলামও বলেছেন, এ পর্যন্ত ভালোভাবে কেটেছে। বড় চ্যালেঞ্জটা ভোটের দিন। প্রথম অভিজ্ঞতা সুখকরভাবে সেরে বছর শেষ করতে চান তিনি।

দেশের ইতিহাসে গত ৯টি পৌরসভা নির্বাচন হয়েছে নির্দলীয়ভাবে। দশম পৌরসভা সাধারণ নির্বাচন হল দলীয় প্রতীকে। নানা শঙ্কার মধ্যে বছর শেষের এ ভোট সুষ্ঠু ও অবাধ করার বিষয়ে ইসির দৃঢ়তা কতটুকু কার্যকর হচ্ছে তা-ই এখন দেখার বিষয়।

মঈনুল হক চৌধুরীবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিবেদক।

Responses -- “বছর শেষের পরীক্ষায় ইসি”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—