Feature Img

ছবি. শিল্পী বড়ুয়া
ছবি. শিল্পী বড়ুয়া
জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব হলো বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং শিল্প ও বিদ্যুৎসহ জনগণের স্বার্থে তার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা। জনগণ এই মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছেন তাদের স্বার্থ দেখার জন্য, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবার জন্য। কিন্তু গত প্রায় দুই দশকে সরকার পরিবর্তিত হলেও এই মন্ত্রণালয়ের দেশবিরোধী ভূমিকার কোন পরিবর্তন হয়নি। তারা একের পর এক যেসব চুক্তি এবং যেসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে লাভবান হয়েছে কতিপয় বিদেশি বহুজাতিক কোম্পানি এবং দেশি কিছু গোষ্ঠী। কিন্তু দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও জাতীয় নিরাপত্তা ক্রমেই আরও বেশি বেশি হুমকির মুখে পড়েছে।

তাদের এই ভূমিকার সাম্প্রতিক উদাহরণ হচ্ছে গত মে মাসের প্রথমদিকে সান্টোস ও হেলিবার্টনের সঙ্গে তৃতীয় পক্ষের কাছে গ্যাস বিক্রির চুক্তি এবং কনকোফিলিপস-এর সাথে সাগরের গ্যাস ব্লক নিয়ে চুক্তির আয়োজন। সরকার দেশের গ্যাস সঙ্কটকে পুঁজি করে দেশের জন্য আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের দিকে গেছে। তারা জাতীয় সংস্থাগুলোকে পর্যাপ্ত বাজেট দেয়নি। বিদেশি কোম্পানিগুলো নিজেদের দরকষাকষির শক্তি বাড়াতে অযথাই কালক্ষেপণ করেছে। আমরা বিভিন্ন সময়ে বিদ্যমান গ্যাস সংকট সমাধানের পথ দেখিয়েছি। বলেছি, দেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ান। পুরাতন এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া কূপগুলো মেরামত করুন। বিবিয়ানা থেকে মজুতের তুলনায় বেশি গ্যাস উত্তোলন করতে দেয়া হচ্ছে শেভরনকে, বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হচ্ছে না। নীতিগত জায়গা ঠিক থাকলে, প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি নবায়ন করলে এই সমস্যা মোকাবিলা করে অনেক আগেই গ্যাস সংকট সমাধান করা যেতো।

কিন্তু সরকার সেই পথে যায়নি। সরকার সমস্যাকে জিইয়ে রেখেছে এবং এখন জাতিকে আরো বড় সমস্যার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। টিকিয়ে রাখা এই গ্যাস সঙ্কটের অজুহাত দিয়ে ‌‌‘তৃতীয় পক্ষের কাছে গ্যাস বিক্রির চুক্তি’র কারণে অস্ট্রেলীয় কোম্পানি সান্টোস ও মার্কিন কোম্পানি হেলিবার্টন এখন যেকোনো দামে তৃতীয় পক্ষের কাছে গ্যাস বিক্রি করতে পারবে। বাংলাদেশ যেখানে ২৫ টাকায় প্রতি হাজার ঘনফুট গ্যাস যোগান দিতে পারে, সেখানে উৎপাদন বণ্টন চুক্তির কারণে বিদেশি কোম্পানির কাছ থেকে এমনিতেই গড়ে ২৫০-৩০০ টাকা দিয়ে কিনতে হয়। এই তৃতীয় পক্ষের কাছে গ্যাস বিক্রির চুক্তির বলে এই সীমাও আর থাকবে না। বহুজাতিক কোম্পানিগুলো ৭ থেকে ৯ ডলার বা ৫০০-৭০০ টাকাতেও গ্যাস বিক্রির সুযোগ পাবে। অর্থাৎ উৎপাদন বণ্টন চুক্তির (পিএসসি) কারণে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানের তুলনায় যেখানে প্রথমে ১০ থেকে ৩০ গুণ বেশি দামে এতদিন বিদেশি কোম্পানির কাছ থেকে আমাদের নিজেদের গ্যাস কিনতে হ’ত সেখানে উপরোক্ত চুক্তির কারণে এখন কিনতে হবে ৫০-১০০ গুণ বেশি দামে। যে দাম দিয়ে আমাদের নিজেদের গ্যাস আমাদেরই কিনতে হবে তা মায়ানমার বা কাতার থেকে গ্যাস আমদানির মতোই ব্যয়বহুল হবে। দেশের বিদ্যুৎ প্লান্ট বা সার কারখানা হয় গ্যাসের অভাবে অচল থাকবে নয়তো এরকম ভয়াবহ দামে গ্যাস কিনতে গিয়ে গ্যাস বিদ্যুৎসহ সব কিছুর দাম বাড়বে। গ্যাস ও বিদ্যুতের অব্যাহত দামবৃদ্ধি এবং তার ফলে জনগণের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির পেছনে এসব চুক্তি অন্যতম কারণ। সামনে তার চাপ আরও বাড়বে।

গ্যাস খাতে এখনই বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কারণে ভর্তুকি দেয়া হয় দুই হাজার কোটি টাকারও বেশি। এখনকার চুক্তিগুলো এই পরিমাণ আরও বাড়াবে। নিজেরা করলে এর এক-দশমাংশ দিয়ে একই পরিমাণ গ্যাস পাওয়া সম্ভব ছিল। ঝুঁকি হিসাব করেই এটা সম্ভব ছিল। তাতে গ্যাস, বিদ্যুৎ সহজপ্রাপ্য ও সুলভ দুটোই হতো। বাপেক্সকে তার অর্জিত টাকা নিজের উন্নয়নে খরচের অনুমতি দেয়া হলে সে অত্যন্ত দক্ষ ও সক্ষম একটি আন্তর্জাতিক মানের জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠতে পারতো। জাতীয় সংস্থার মাধ্যমে যদি ‘সুনেত্র’ (সুনামগঞ্জ-নেত্রকোনা) গ্যাস কূপ উন্নয়ন করা হয় তাহলে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের আশু কোন সম্ভাবনা থাকবে না। বাংলাদেশের মালিকানায় গ্যাস উত্তোলনের জন্য যে গবেষক ও যন্ত্রপাতি দরকার তা জাতীয় সংস্থাকে দেওয়া হলে বর্তমান জ্বালানি বাজেটের অর্ধেক বরাদ্দে জ্বালানি খাতের টেকসই উন্নয়ন করা সম্ভব।

বিদেশি কোম্পানির দেশীয় মুখপাত্ররা সবসময়ই বলেন, ‘আমাদের দক্ষতার অভাব রয়েছে’। অথচ আমরা দেখেছি বহুজাতিক অক্সিডেন্টাল আর নাইকো মিলে মাগুরছড়া আর টেংরাটিলার প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস নষ্ট করেছে। আমরা শেভরন ও নাইকোর কাছে এই ধ্বংসযজ্ঞের জন্য যে পরিমাণ টাকা পাই তার বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এই অর্থ আদায় করবার জন্যও কোন উদ্যোগ কোন সরকার নেয়নি। সরকারের কাছে এরাই হচ্ছে দক্ষ। আর সরকারের কাছে অদক্ষ হলো বাপেক্স; যারা কখনো এরকম কিছু ঘটায়নি। দক্ষতা আকাশ থেকে পড়ে না, তার জন্য প্রয়োজনীয় নীতি ও ব্যবস্থা নিতে হয়। সুযোগ দিতে হয়। ভিশন ও অঙ্গীকার থাকতে হয়।

আর্থিক রক্তক্ষরণ, ধ্বংসযজ্ঞ এবং অর্থনৈতিক বোঝার এসব চিত্র থাকা সত্ত্বেও ৮০ ভাগ রপ্তানিমুখী চুক্তির মাধ্যমে কনোকোফিলিপস-এর হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে সমুদ্রের গ্যাস ব্লক। এই কোম্পানির আছে বহু দুর্ঘটনার রেকর্ড । সম্ভবত সেকারণেই দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণের বিষয়টি কনোকোফিলিপসের সাথে চুক্তিতে যতটা সম্ভব অস্বচ্ছ করা হয়েছে। বলা হচ্ছে পুঁজির অভাব। কত বিনিয়োগ করবে তারা? পাঁচ বছরে ১১০ মিলিয়ন ডলার বা ৭৭০ কোটি টাকা। এই টাকা বাংলাদেশের অর্থনীতির আয়তনের তুলনায় তুচ্ছ। এক বছরে এমপি আমলাদের জন্য সরকারি গাড়ি কেনার বাজেটই এর চাইতে বেশি। অথচ খোড়া যুক্তি দিয়ে সমুদ্রের সম্পদ তুলে দেয়া হচ্ছে এই মার্কিনী কোম্পানির হাতে। শতকরা ৮০ ভাগের মালিকানা তাদের, এই গ্যাস তারা এলএনজির মাধ্যমে রফতানি করতে পারবে– এই অধিকারও চুক্তিতে দেয়া আছে। দুর্ঘটনার দায় থেকেও তাদের বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

বলা হচ্ছে, তারা আগে পেট্রোবাংলাকে অফার করবে, কিন্তু নিজেরা পাইপলাইন তৈরি করে ভূখণ্ডে আনার চাইতে বিদেশ থেকে আমদানি করাই বেশি যুক্তিযুক্ত দেখানো হবে তখন। বলা হচ্ছে কনকোফিলিপস মেজারমেন্ট পয়েন্ট পর্যন্ত গ্যাস পৌঁছে দেবে। কিন্তু চুক্তিতে মেজারমেন্ট পয়েন্ট কোথায় হবে এটা সুনির্দিষ্ট করা নাই। পরে দেখা যাবে মেজারমেন্ট পয়েন্ট সাগরের মাঝখানে। চুক্তিতে ফাঁক থাকলে তা তাদের পক্ষেই যাবে। কারণ মন্ত্রণালয়, পেট্রোবাংলার শীর্ষ কর্মকর্তা, ও কনসালট্যান্টরা বারবার প্রমাণ করছেন তারা কতিপয় গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করতেই জান কোরবান করছেন। তারা আমাদের জন্য গুপ্তঘাতক।

আসলে বহুজাতিক কোম্পানির স্বার্থ এবং আমাদের জাতীয় প্রয়োজন কখনোই এক হতে পারে না। তাদের দরকার যত তাড়াতাড়ি ও যত বেশি সম্ভব গ্যাস উত্তোলন করে তা বিক্রি করে উচ্চ মুনাফা নিশ্চিত করা, সেজন্যেই তারা রফতানির বিধানসহ গ্যাস বা কয়লা নিয়ে চুক্তিতে আগ্রহী। আর আমাদের দরকার, প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস তুলে যতদিন সম্ভব তার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা। সেজন্যই জাতীয় মালিকানা ও জাতীয় সক্ষমতার প্রশ্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

যে কাজ বিদেশি প্রতিষ্ঠানের জনসংযোগ কর্মকর্তাদের করার কথা এখন তা করছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এবং কতিপয় কনসালট্যান্ট। বিদেশি প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ দেখার কারণে তাদের পক্ষে এটা বোঝা অসম্ভব হচ্ছে যে, বিদেশি কোম্পানির মালিকানায় সীমিত নবায়নযোগ্য জ্বালানিসম্পদ রপ্তানির সুযোগ থাকা মানেই দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য চরম নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করা। বহুদেশ এই পথে আজ চরম সংকটে। অনেকে বলছেন, রপ্তানির বিধান না রাখলে বিদেশি কোম্পানি আসবে না। যা না রাখলে তারা আসবে না – তা তারা করবে না, এটা আমাদের বিশ্বাস করতে হবে? তাহলে খনিজ সম্পদ রফতানি নিষিদ্ধকরণ আইন প্রণয়ন করতে বাধা কোথায়?

সবমিলিয়ে কনোকোফিলিপস-এর সঙ্গে পিএসসি ২০০৮ এর অধীনে সমুদ্রের গ্যাস ব্লক নিয়ে যে চুক্তি করতে যাচ্ছে সরকার, তার কারণে ভয়াবহ একটি পর্বে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। চুক্তির দলিলেই বলা হচ্ছে বাংলাদেশ কোনভাবেই ২০ ভাগের বেশি পাবে না। সেটাও সমুদ্র বক্ষ থেকে ভূসীমায় আনতে গেলে বাংলাদেশকে ব্যয়বহুল অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে। তরলায়িত করে(এলএনজি) কনোকোফিলিপস এই গ্যাস রফতানি করতে পারবে। এর পরিণতি হল গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট সত্ত্বেও বাংলাদেশের শতভাগ গ্যাসই পাচার হবে বিদেশে। সমুদ্রের বিশাল সম্পদসহ অন্যান্য ব্লকগুলোও ক্রমে এ ধরনের চুক্তির অধীনে বিভিন্ন বিদেশি কোম্পানির হাতে চলে যাবে। সমুদ্রসীমা এখনও নির্ধারিত হয়নি। ভারত আমাদের সীমার একাংশ দাবি করে রেখেছে, বাকি অংশ যাচ্ছে মার্কিনীদের হাতে। মার্কিন কোম্পানির নিরাপত্তার অজুহাতে মার্কিনী নৌ-বাহিনীর কর্তৃত্ব স্থাপিত হবে বঙ্গোপসাগরে। জ্বালানি ও জাতীয় নিরাপত্তা দুটোই বিপর্যস্ত হবে।
১৫ জুন ২০১১

আনু মুহাম্মদ: শিক্ষক, অর্থনীতিবিদ, গবেষক এবং তেল-গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব ।

৩১ Responses -- “তেল-গ্যাস নিয়ে আত্মঘাতী চুক্তি”

  1. ইউসুফ মামুন

    এনার্জি কমিশনের ২ জন মেম্বার সহ একটি বিদেশী সংস্থার সদস্য হিসাবে আনুমানিক বছর দেড়েক আগে ডিএমপি কমিশনারের সাথে তার মিটিং রুমে বসার সৌভাগ্য হয়েছিল। মিটিং এর শুরুতে পরিচয় পর্বের পর ডি এম পি কমিশনার এনার্জি কমিশনের মেম্বারদের কাছে প্রশ্ন করেন, আনু মোহাম্মদ যা করছে – তা কী? লোকটা কি আসলে ভাল কিছু করছে? উত্তরে একজন মেম্বার, বিস্তারিত একটা লেকচার দিলেন, যেখানে তিনি বললেন এনার্জি কেন একটা দেশের জন্য গুরুত্বপুর্ন এবং এর স্ট্রাটেজিক রিজার্ভ, ব্যবহার ইত্যাদি। কিন্তু তিনি আনু মোহাম্মদের আন্দোলনের পক্ষে বা বিপক্ষে সরাসরি কিছু বললেন না। কমিশনার মহোদয় আরো ডাইরেক্ট প্রশ্ন করলেন, আনু মোহাম্মদ কি ঠিক কাজ করছেন? এনার্জি কমিশনের ভদ্রলোক আরো লম্বা সময় নিয়ে বক্তব্য দিলেন, রীতিমত একাডেমিক একটা কমপ্লিট লেকচার, কিন্তু পুলিশ কমিশনারের উত্তর সরাসরি দিলেন না – যদিও তার লেকচারের মধ্যে তা ছিল।
    ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের এই যদি বোধোদয় হয় – তবে কবে নাগাদ আমাদের দেশের মানুষ সচেতন হবে – কবে আমরা বুঝব দেশের সম্পদ মানে আমার সম্পদ, দেশের সন্মান মানে আমার সন্মান, দেশের শ্রদ্ধেয় ব্যাক্তিত্ব মানে আমার নিজের বাবা, মামা, চাচার মত কিছু একটা?

    একটা দেশকে কন্ট্রোল করতে হলে ঐ দেশকে দুটো ভাগে ভাগ করতেই হবে এবং বিবাদমান পক্ষের মধ্যে চিরস্থায়ী শত্রুতা সৃষ্টি করতে হবে। বাংলাদেশে সেটা এমনভাবে করা হয়েছে – যে এটা প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে পৌছেছে। সো এ দেশকে ট্রাকে আনা সম্ভব না।

    Reply
  2. ahadul islam

    প্রফিট গ্যাসের ৮০% যদি বাংলাদেশ পায়, তাহলে তো তা মোট গ্যাসের ৩৬% হয়। ২০% র বেশি বাংলাদেশ পাবে না, তাহলে বাকি ১৬% কোথায় যাবে? আমার এক বন্ধু বলছে তা নাকি এল এন জি আকারে দেয়া হবে, ১৫,৫,১ এ নাকি সেটা বলা আছে…আমি বুঝতে পারছি না। এছাড়া সে বলছে আমাদের নিরাপত্তার জন্য ভারতকে চুপ রাখার জন্য নাকি আমেরিকাকে দরকার। প্লিজ আমাকে দয়া করে উত্তর দিবেন, আমি এতদিন এটার বিরুদ্ধে ছিলাম কিন্তু এখন আমি বুঝতে পারছিনা।

    Reply
  3. Alam

    তেল-গ্যাস-আন্দোলনের কথার রাজা ,
    নিজেরা যখন একটা সুই বানাইতে পারে না
    তাদের কি , কথা বলার অধিকার থাকে ?
    আমার দেশে এখন মেধার চেয়ে চাকচিক্য বেশি।

    ভয় পাওয়ার কিছু নেই ,পৃথিবীর গরিব দেশকে এভাবেই
    শুরু করতে হয় ।

    Reply
  4. ফাতেমা বেগম

    আমি এসএম বাশেরের সাথে একমত। শক্তির অভাব। কিন্তু বিরোধী দল কি সত্যিকারের বন্ধু হবে কখনো? শেষ পর্যন্ত কি তারা এক নয়? বিরোধী দলকে যথেষ্ট সুবিধা না দিয়ে কি সরকার নির্বিঘ্নে কোন চুক্তি করতে পারে? প্রথমত সরকার, এবং তারপর বিরোধী দল যদি তাদের ভূমিকা স্বচ্ছ রাখতেন, আনু মুহাম্মদের দীর্ঘদিনের সংগ্রাম ও এই প্রতিবেদনের প্রয়োজনীয়তাই তৈরি হতো না। বরঞ্চ আমার মনে হয় শক্তি বাড়াতে বন্ধু করা দরকার তাদেরকে যারা দেশের অর্থনীতিতে শক্তিশালী ভূমিকা রাখছেন। যাদের পরিশ্রম থেকে বাংলাদেশের বৈদেশিক মূদ্রা অর্জিত হয়। তাদের দিক থেকে সঙ্ঘবদ্ধ চাপ কি সরকারকে দেশবিরোধী চুক্তি করতে বাধা দিতে পারে? তাদের অর্জিত অর্থের অর্থপূর্ন মূল্যায়নের স্বার্থে? সবখানেই অবশ্য রাজনীতির খেলা চলে। আনু মুহাম্মদ এবং তার সাথে প্রত্যক্ষ সংগ্রমে যারা আছেন তারা বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের স্বার্থ নিয়ে ভেবে যাচ্ছেন কিন্তু আমরা কতজন কমপক্ষে সেটা অন্তত অনুভব করতে পারছি? সামষ্টিক অনুভব একটি বিরাট চেতনা। বিষয়টি জানার, বুঝার যথেষ্ট সুযোগ থাকার পরও বাংলাদেশের অনেক মানুষ, দেশে এবং বাইরে, নিজের বিষয় বলে ভাবছেন না। আমরা পরোক্ষভাবে কি সরকারকে এই জনস্বার্থবিরোধী কাজগুলিতে সাহায্য করছি না?

    Reply
  5. parvin rahaman

    deser proyojone kono andolon nei sob nijer nijer danda sob doli eki rokom…. deser sompod bachnor jonno asun amra sadaron manus ra onoson kormosuchi dai ………………

    Reply
  6. নাজমুল হাসান

    আমরা বাঙালিরা আর কবে সজাগ হব? স্যারকে ধন্যবাদ বিষয়টি আরো পরিস্কার করে আমাদের জানানোর জন্য ।

    Reply
  7. shahmeraz

    স্যার, আপনার লেখা আমাদের অনেক কিছু পরিস্কার করে বলে দিচ্ছে- কতখানি বিপদের মধ্য দিয়ে আমরা যাচ্ছি আর আমাদের ভবিষ্যত গড়ছি। শুধু আজ ১৭ই জুন, প্রথম আলোর প্রথম পৃষ্ঠা দেখলেই দেশের এই ঘোরতর বিপদ দেখে গা শিউরে উঠেছে। এত লেখালেখি, এত সমালোচনা সত্ত্বেও চুক্তি ঠিকই করে ফেলল সরকার। স্যার, আমরা সাধারন মানুষ যেন জীবন বাঁচাতে বরাবর ব্যাস্ত থাকি এবং অন্য কিছু নিয়ে যেন চিন্তা করার সুযোগ না পাই সে জন্যই এই সকল ব্যবস্থাঃ-
    ১। জীবন যাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিকরন
    ২। কিছু বিশেষ ইস্যু নিয়ে জনগনকে ব্যস্ত রাখা; যেমন- যুদ্ধপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া, শেয়ার বাজার ইত্যাদি।
    ৩। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়ে কিছু নাটক
    ৪। প্রধান বিরোধী দল

    এই সকল কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে প্রতিটি সরকারই গত বিশ বছর(এই বিশ বছরের কথা আমি বলতে পারি)ধরে দেশ নিয়ে যা করছে আর তার আড়ালে যা করছে তা সত্যিই ইদুর বেড়াল খেলা ছাড়া আর কিছুই না।

    স্যার, সাধারণ জনগন এমনিতেই “বুদ্ধি কম বোঝে বেশী” তার উপর আবার “আবেগপ্রবন”। কাকে রেখে যে কাকে ভোট দিয়ে সরকার করবে তারই এখন ঠিক নাই। আমাদের কেন ভালো কোন নেতা নাই স্যার? যাকে বিশ্বাস করা যায়?

    আপনারা আমাদের থেকে অনেক ভালো বোঝেন সব কিছু, আমাদের একটু পথ বাতলে দিন। কিছু আশা দেখান। দেশের রাজনীতির যা অবস্থা তাতে কোন ছেলে মেয়ে পড়ালেখা শিখে ডাক্তার – ইঞ্জিনিয়ার বা আর যা কিছুই হোক রাজনীতিবিদ হতে কেউ চায় না আর চাইবেও না। আমাদের এইসকল বিপদ থেকে উত্তরনের পথ একদিনে তো আর হবে না তবুও আপনারা অনেক জ্ঞ্যানী শিক্ষিত ব্যাক্তিদের উপর এই দায়িত্ব এমনিতেই এসে যায় কিছু করার, কিছু আশা জাগানোর, সচেতন করার। আপনাদের উপর অনেক আশা স্যার। জানিনা এই মতামত আপনি পড়ছেন কিনা, তারপরও আশায় বুক বেঁধে আছি ভালো কিছু শোনার, দেখার।

    স্বশ্রদ্ধ সালাম।

    Reply
  8. রণি শিকদার

    দেশীয় সম্পদ বিক্রি করে বিদেশে যারা আখের গোছাচ্ছে, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাদের কখনো ক্ষমা করবে না। ইতিহাস একদিন এদের বিচারের মুখামুখি দাড় করাবে। অবাক হয়ে যাই যখন চুক্তির বিষয় নিয়ে জ্বালানী উপদেষ্টা সাংবাদিক সমাজকে পড়তে বলেন! তাকে বিনয়ের সাথে বলতে চাই, সরকারের অদক্ষতা ও সীমাবদ্ধতার দোষ অন্য কারো উপর দিলে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা হবে মাত্র।

    Reply
  9. kishor chaudhury

    যে যায় লংকায়, সেই হয় রাবন। বিরোধীদলে থাকলে মুখে দেশপ্রেম, মানবতা। আর সরকারে গেলেই দেশের সম্পদ বিদেশীদের হাতে তুলে দিয়ে কমিশণ খেতে ভাল লাগে, বিনা বিচারে মানুষ মারতে ভাল লাগে, নিরীহ কিশোরকে অপরাধী প্রমাণ করতে ইচ্ছে করে। পুলিশ-ব্যার দিয়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার উৎসব শুরু হয়। আওয়ামীলীগ-বিএনপি দু’টোরই এক অবস্থা। আওয়ামী-বিএনপি যেই ক্ষমতায় থাকুক দেশ চালায় একটি নষ্ট চক্র। শেখ হাসিনা কিংবা বেগম জিয়া পর্দার উপরে প্রধানমন্ত্রী থাকেন, পেছনে থাকে কিছু বিদেশী দালাল, অমানবিক, পাষন্ড উপদেষ্টা। জানি না, আনু মুহম্মদের মত ভাল মানুষরা এই নষ্টচক্রের বিরুদ্ধে কতদিন লড়াই করতে পারবেন!

    Reply
  10. atiq

    sir
    amar to mone hoi…amra sada chamra dekhlai ak doroner polok bod kori…i mean english-a kotha koytase shunle e obak hoye jai, sir sob goro sagol sob goro sagol.

    amra ase apnar shate…aro lekhen…

    Reply
  11. Md. Anwarul Kabir

    কনকো-ফিলিপসের সাথে এ চুক্তি দেশের জনগণের সাথে ক্ষমতাসীন সরকারের প্রতারণা। মাশুল দিতে হবে জনগণকে..

    এ চুক্তির বিরূদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।

    Reply
  12. Taz

    There is no government for the people but it is of the people. There is no one to predict the upcoming energy crisis but a lot to load their own briefcase. I am not a pessimist but I am quite hopeless because the present government has no care to the shouts against PSC.

    Reply
  13. Dr Moshiul Alam Bhuyain

    ami govment er ei dicision ke ninda janai…..eta desh er jonno khub e kharap…..ekjon socheton bangladeshi citizen hisabe eta mana mane nijer sathe baimani kora….. aj sokoler e bisho e ek sathe mile andolon korte hobe…

    Reply
  14. হারুন আল নাসিফ

    মি মুহিত বলেন, প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো দেশের সম্পদ দেশেই থাকবে, এটা বাইরে চলে যাবে এমন আশঙ্কার কোনও ভিত্তি নেই৻

    পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান ড: হোসেন মনসুরও বলেন, দেশের কোনও কোনও মহল এই চুক্তি নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে – কিন্তু তাদের বক্তব্যে কোনও যুক্তি নেই৻

    Reply
  15. SM BASHER

    স্যার, আপনাদের সাহস আছে কিন্তু শক্তির অভাব।
    তাই আপনারা বিরোধী দলগুলোকে সাথে নিয়ে দুর্বার
    আন্দোলন গড়ে তুলুন ।
    আমরা ১৬ কোটি মানুষ
    আপনাদের সাথে আছি।

    Reply
  16. mehedy hasan

    পানির দরে আমাদের সম্পদ অপরকে বিলিয়ে দেয়ার চাইতে আমরা আমাদের মাটির নিচের সম্পদ মাটির নিচে রেখে দেয়া বেশি নিরাপদ মনে করি। কোনদিন যদি এদেশের শাসনভার কোন দেশপ্রেমিকের হাতে পরে সেদিন তারা এ সম্পদ দেশের মানুষের কল্যানে ব্যবহার করবে। কারো মধ্যে ন্যূনতম দেশপ্রেম থাকলে সে বর্তমান ও অতীতের এসব আত্মঘাতী চুক্তির বিরোধিতা না করে পারেনা। জনাব আনু মুহম্মদের এ জাতীয় লেখা মানুষের মনে দ্রোহের চেতনা উস্কে দেয়ার কাজ করবে বলে বিশ্বাস করি। মানুষকে সচেতন হতে সহায়তা করবে। যে সচেতনতা ছাড়া কোন জাতি টিকে থাতকে পারেনা। আসুন সবাই সচেতন হই রায় দুর্লভ, মীর জাফর আর ক্লাইভদের বিরুদ্ধে।

    Reply
  17. মোহাম্মদ আবায়ে দ্বীন সালেহ

    শ্রদ্ধেয় স্যার,আপনাকে বিনম্র শ্রদ্ধা ও অভিনন্দন জানাই। আসলে জাতি হিসেবে আমরা এমনই। সম্ভবতঃ স্বজাতির সাথে বেঈমানির এত উদাহরণ পৃথিবীর আর অন্য কোন জাতির নেই। ঐতিহাসিকভাবেই এরকম বেঈমান ‘মীর জাফর’রা এদেশের সম্পদ বিদেশী বেনিয়াদের হাতে তুলে দিয়েছে, এখনও দিচ্ছে। এদেশের জনগণ আগেও এর কোন বিহিত করতে পারেনি, এবারও পারবেনা। বরং যারা এর প্রতিবাদ করবে তারাই নিগ্রহ আর অত্যাচারের শিকার হবে। জাতির পক্ষ থেকে আমি, আপনি ও আপনার সহযোদ্ধাদের সাথে সংহতি ও একাত্মতা ঘোষণা করছি এবং করজোরে আপনাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এজন্য যে, আমরা জাতির এ বীর সন্তানদের শারীরিক লাঞ্ছনা ও নিগ্রহের কোন প্রতিকার করতে পারিনি। আজ কোথায় সেই তথাকথিত সুশীল সমাজ যারা প্রায়ই দেশের জন্য কুম্ভীরাশ্রু ফেলে। এদেশের একজন মানুষ হিসেবে প্রায়ই আমরা হতাশ হই, হীনম্মন্যতায় ভুগী,কিন্তু যখন আপনাদের মত মানুষদের দিকে তাকাই, তখন আশার আলো দেখতে পাই, এদেশের একজন হিসেবে গর্বে বুকটা ভরে যায় এই ভেবে যে,আমি সেই দেশের একজন যে দেশে আনু মোহাম্মদেরা আছেন। এদেশে জনগণের জন্য যারা লোকদেখানো আহাজারি করে,তারা কখনই জনগণের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেনি,করছেনা,করবেওনা; তারপরও এদেশ টিকে থাকবে, এদেশের মানুষ স্বপ্ন দেখবে, যতদিন এদেশের মায়েরা আনু মোহাম্মদদের জন্ম দিয়ে যাবে। আপনাদের মত দেশপ্রেমিক,বীরযোদ্ধাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে অচিড়েই এদেশের মুক্তিকামী সাধারণ মানুষ আরেকটি মুক্তিযুদ্ধে ঝপিয়ে পড়বে। সেই প্রতিরোধ যুদ্ধের অকুতোভয় অধিনায়ক হিসেবে আপনার সাফল্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

    Reply
  18. WASIM UDDIN

    কনকো-ফিলিপসের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর
    ঢাকা, জুন ১৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- বঙ্গোপসাগরের দুটি ব্লকের গ্যাস উত্তোলনে কনকো-ফিলিপসের সঙ্গে উৎপাদন-বণ্টন চুক্তি করছে সরকার।

    বৃহস্পতিবার বেলা দেড়টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে পেট্রোসেন্টারে এ চুক্তি হয় বলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান হোসেন মনসুর।

    পেট্রোবাংলার পক্ষে এই চুক্তিতে সই করেন সংস্থার সচিব ইমাম হোসেন। সরকার পক্ষে ছিলেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব এ কে এম মহিউদ্দিন। আর কনকো ফিলপসের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট (এশিয়া প্যাসিফিক) উইলিয়াম ল্যাফলারেনদে এই চুক্তিতে সই করেন।

    অন্যদের মধ্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী এনামুল হক ও যুক্তরষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত জেমস এফ মরিয়ার্টি চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    অবশ্য কনকো-ফিলিপসের সঙ্গে এই চুক্তির প্রতিবাদে আগে থেকেই আন্দোলনে নামে তেল-গ্যাস খনিজ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি। পাশাপাশি একজন সংসদ সদস্য, কয়েকটি বাম দল ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা চুক্তির বিরোধিতা করে বক্তব্য ও বিবৃতি দেন।

    এই চুক্তির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে তেল-গ্যাস রক্ষা কমিটি গত মঙ্গলবার জ্বালানি মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের কর্মসূচি দিলেও পুলিশি বাধার কারণে তা পালন করতে পারেনি।

    Reply
  19. Md.Shariful Islam

    বাংগালি জাতি ঘুমাচেছ সার। দয়া করে এ জাতির ঘুম ভাঙানোর ব্যাবস্থা করুন। জাতি যদি এভাবে ঘুমাতে থাকে তাহলে এই দেশ এক্দিন বিক্রি হয়ে যাবে।

    Reply
  20. Ehsan

    Respected Sir,
    Thanks a lot for this piece. We’re so unfortunate that even can’t understand our betterment. It is not necessary to be an expert to understand this deal. Since you are trying to resist, and a part within the Government is so excited to commit the crime at once. Moreover, the opposition is playing the same role by keeping silence on the issue. What do we do? Please call for a resistance; we will fight back the thieves (Advisor, top level of PetroBangla etc.)

    Regards,

    Reply
  21. umme hasina jannatul ferdous

    যারা স্যারের এই লেখাটি পড়েছেন, আসুন, আমরা সবাই মিলে এই আত্মঘাতী চুক্তির বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলি। এই চুক্তি আমাদের দেশকে পিছিয়ে নিয়ে যাবে।

    Reply
  22. সৈয়দ আলী

    চমৎকার প্রতিবেদন। ধন্যবাদ অধ্যাপক আনু মুহম্মদ। দীর্ঘদিন ধরে সব সরকারের আমলেই আমাদের জ্বালাণীসম্পদ নিয়ে আপনার নিরলস পরিশ্রম দেশবাসীর দৃষ্টি আকর্ষন করেছে। তবে আপনার পরমর্শ যাদের গ্রহন করা প্রয়োজন ছিলো, তারা ভ্রুক্ষেপও করেনি। তাই আমি আপনার বক্ষ্যমান নিবন্ধের শিরোনামকে সঠিক মনে করি না। বরং বিশ্বাস করি প্রতিটি সরকার অত্যন্ত সচেতনভাবে দেশবিরোধী জ্বালাণী চুক্তিগুলো করেছে, সরকার ও আমলাতন্ত্রের সংশ্লিষ্ট অংশের কমিশনপ্রাপ্তি এবং একই সাথে বিদেশী পুঁজির দেশী দালালদের মাধ্যমে বিদেশী প্রভুদের সন্তুষ্ট রাখতে। তাই চুক্তিগুলো দেশবিরোধী এবং আত্মঘাতী হলেও যারা এই চুক্তিতে যুক্ত তাদের কাছে চুক্তিগুলোও আদৌ আত্মঘাতী নয় বরং নগদপ্রাপ্তির এবং গদি রক্ষার বিষয়।

    Reply
  23. Azim

    আসলে বহুজাতিক গ্যাস উত্তোলনকারী কোম্পানিগুলোর সাথে সরকারের গোপন আতাঁত রয়েছে- মনে হচ্ছে। না হলে দেশ ও দশের অবশ্যম্ভাবী উন্নয়নে এগিয়ে আসছেনা সরকার কেন..? এখানে অবশ্যই সরকার বিপুল অংকের অর্থের উপঢৌকন নিয়ে থাকে। বিদেশের দাস বানানোর হাত থেকে দেশ রক্ষার শপথ নিয়ে জনগণকে এর বিরুদ্ধে সোচ্ছার হতে এগুনো দরকার দৃঢ়তার সাথে।

    Reply
  24. WASIM UDDIN

    বাংলাদেশের তথাকথিত সুশীল-সমাজ এর পন্ডিতরা সব কোথায়? তারা কিছু বলে না কেন?বাংলাদেশ বিক্রি হয়ে গেলে তারপর বলবে? আপনার সাথে আমরা প্রবাসিরা একাত্মতা ঘোষণা করছি।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—