Feature Img

dina-fআমাদের দেশের সামাজিক পরিস্থিতিতে নারীরা বিভিন্নভাবে বৈষম্য ও শোষণের শিকার। বাংলাদেশ ১৯৮৪ সনে সিডও(CEDAW) বা The Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination against Women-এর গুরুত্ব অনুধাবন করে নারীর ক্ষমতায়নের উদ্দেশ্যে সিডওকে গ্রহণ করে। তবে সিডও কনভেনশনে নারীর প্রতি বৈষম্যকে পারিবারিক সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অসমতা হিসেবে দেখা হয়। বাংলাদেশ এতে সম্মতি প্রদান করলেও আমরা কি এর সঠিক বাস্তবায়নের কাছাকাছি পৌঁছেছি?

বাংলাদেশের সংবিধানে সামাজিক জীবনের সকল ক্ষেত্রে নারীর সম-অধিকার স্বীকৃত আছে। কর্মক্ষেত্রেও সম অধিকার প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ আইএলও(ILO) বা International Labour Organization কনভেনশন স্বাক্ষর করে । জাতিসংঘ ১৯৭৬ সনের ১৮ই ডিসেম্বর নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য নির্মূলের লক্ষ্যে একটি কনভেনশন সিডও গ্রহণ করে। নারীর সমঅবস্থান ও অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে সর্বপ্রকার সহিংসতা দূরীকরণ, মাতৃত্ব অধিকার, আইন ও রাজনৈতিক অধিকার রক্ষার্থে এটি করা হয়। সিডও অনুসারে নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে আইন থাকলেও তার সঠিক বাস্তবায়ন বাংলাদেশে অনেক ক্ষেত্রেই হয় না। তাই কর্মক্ষেত্রে উচ্চ পদবীর ক্ষেত্রেও যদি নারী পুরুষের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করা যেত তবে সামাজিক উন্নয়নেও সফলতার সুফল পেত বাংলাদেশ। এদেশে যেখানে ৮০ শতাংশ নারী দারিদ্রের মাঝে বসবাস করছে, সেখানে নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্ব যে কেউ অনায়াসে স্বীকার করবে। নারীর কাজ করার প্রবণতা দরিদ্র শ্রেণীর মধ্যে বেশি দেখা যায়, কেননা তারা পেটের দায়ে দারিদ্রের চাপে কোন কিছুর তার ধার ধারে না।

বাংলাদেশের শিল্প ও কৃষি ক্ষেত্রে প্রায় ৯০ শতাংশ নারী নিয়োজিত আছে। কিন্তু কৃষিখাতে নিয়োজিত নারীর মধ্যে প্রায় ৯৪.৮ শতাংশ নারীই বিনাশ্রমে কাজ করে। অন্যদিকে শিল্পখাতেও নারী পুরুষের চেয়ে কম মজুরি পেয়ে থাকে। একইভাবে উচ্চ পদে নারী সদস্য কম নিয়োগ ও সরকারী চাকুরীতেও অল্প সংখ্যক নারী সদস্য নিয়োগ করা হয়।

পোষাক-শিল্পে বর্তমানে যদিও ৮০-৯০ শতাংশ অংশগ্রহণ দেখি নারীর । তারপরও নারী ও পুরুষের চাকুরীতে পদোন্নতির ক্ষেত্রে বৈষম্য দেখা যায়। কেননা নারীকর্মী সেক্ষেত্রে কেবল অপারেটর লেবেলই বেশি দেখা যায়। অথচ সুপারভাইজার লেবেলে অন্য চিত্র, সেখানে পুরুষের অংশগ্রহণই বেশি। তাই অনেক ক্ষেত্রে নারী শ্রমিকদের দাবী-দাওয়া মালিক শ্রেণীর কাছে যাবার আগেই তা পুরুষ সুপারভাইজার দ্বারা প্রভাবিত হয়। গার্মেন্টস শ্রমিক অসন্তোষের ক্ষেত্রে শ্রমিক-মালিক সম্পর্কে যে বিরাট ব্যবধান রয়েছে, তার কারণ হচ্ছে সুপারভাইজার পদগুলো পুরুষ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। তাই বলা যায়, নারীর ক্ষমতায়নের যে চিত্র গার্মেন্টস ক্ষুদ্রঋন ব্যবস্থায় দেখানো হয়, তা আসলে ক্ষমতায়নের সঠিক রূপ নয়, বরং পুরুষ-কর্মী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নারী আরো বেশি নির্যাতনের শিকার । আর তাই বুঝে না বুঝে তারা অনেক সময় আন্দোলনেও জড়িয়ে পরে । কিন্তু তারা বুঝতে পারে না, পরবর্তীতে তাদের কী ক্ষতি হতে পারে । পুরুষ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত কর্মক্ষেত্রে নারী তার দাবী দাওয়াগুলো মালিকের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরতে পারে না আর তুলে ধরলেও কেউ তা শোনে না। তাই যখন তখন শ্রমিক ছাঁটাইও হয়ে থাকে এ শিল্প-কারখানাগুলোতে । গার্মেন্টস শ্রমিকদের উপর করা আমার একটি গবেষণায় একটি কেস ষ্টাডি ছিল। এক প্রাক্তন নারী শ্রমিক আক্ষেপ করে বলেছিল, সুপারভাইজার তাকে ছুটি চাওয়ার অপরাধে চাকুরি থেকে ছাঁটাই করে দিয়েছিল । গ্রামে তার মা মৃত্যু পথযাত্রী, কিন্তু তাকে দেখতে যাওয়ার জন্য ছুটি চাইলেও তা তার কপালে জোটেনি। বরং জুটেছে চাকুরিচ্যুতি।

আমাদের অধিকাংশ স্বল্প শিক্ষিত নারী মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহণের পর অনেক ক্ষেত্রে তাদের ঘরে বসে থাকার প্রবণতা দেখা যায়, ধর্মান্ধতা, পারিবারিক মর্যাদা, এবং স্বামী বা শ্বশুর বাড়ির চাপে । কিন্তু এ সব নারী যদি শিল্প ক্ষেত্রে, অফিস আদালতে, সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে এবং ব্যবসা বাণিজ্যে কাজ করার সুযোগ পেত তবে কর্মক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যেত। অন্যদিকে, সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে দেখা যায় নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়ন মাত্র ১০ শতাংশ পূর্ণ হওয়া থেকেও আমরা বহু দূরে। অথচ এই অংশগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল ৩০ শতাংশ, যদি আমরা সিডও নীতিটি মেনে চলি।

উন্নত দেশগুলোতেও নারীর উচ্চ পদে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কিছুটা বাধা রয়েছে। কিন্তু সেখানে যেমন-সুপারভাইজার, এক্সজিকিউটিভ, রিসিপসনিস্ট, রেস্টুরেন্ট কর্মী–এ ধরনের কাজে প্রচুর নারী শ্রমিক নিয়োগ করা হয়। সেখানে তাই নিম্ন-মধ্যবিত্ত মানুষজন এদেশের মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্তের মত আর্থিক টানাপড়েন এতটা সহ্য করে না। আমাদের সমাজে দেখা যায় একজন মানুষ আয় করে এবং পুরো ৮-১০ জন সদস্যের পরিবারটি তার উপর নির্ভর করে চলে। নারীর ক্ষমতায়নে সরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যদি ২০% নারীর নিয়োগ দেওয়া হত, তাহলে নারীর নির্যাতনের মাত্রা যেমন কমতো তেমনি অর্থনীতির চাকাও গতিশীল হতো।

মাকসুদা সুলতানালেখক ও গবেষক।

১৩ Responses -- “নারীর ক্ষমতায়ন: খাতায় আছে গোয়ালে নেই”

  1. Ababil Yeamin

    বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নের প্রধান সমস্যা, নারীরা নিজেদেরকে নিজেরাই ভোগ্যপণ্যের বেশী কিছু ভাবতে না পারা। আর যারা কথা বলেন তারা যতটা না বিষয়টা নিয়ে নৈতিক তাগিদ অনুভব করেন তার চেয়ে অনেক বেশী ভাড়াটে। তৃতীয় সমস্যা হচ্ছে সমস্যার স্বরূপ চিত্রায়নে ব্যর্থতা, একই কারণে সমাধানের ধারণাও বক্র। চতুর্থ সমস্যা পুরুষ নির্ভরতা সমাধানের চিন্তা। পঞ্চম কারণ হচ্ছে যারা নারী আন্দোলনের সাথে জড়িত তাদের বেশীর ভাগই ভুক্তভোগী নারীদের দলভুক্ত নন। ষষ্ঠ সমস্যা হচ্ছে, সংস্কারের চেয়ে নারীদের নিজেদের ভোগবাদী মানসিকতা।

    নারীর ক্ষমতায়নের জন্য নারীদের মুক্ত বিহঙ্গ হবার বাসনা ত্যাগ করতে হবে। একাজে পুরুষকে প্রতিপক্ষ নয় বরং সহযোগী হিসেবে নিতে হবে। সেই সাথে একজন নারীকেই সবার আগে অন্য নারীর মূল্যায়ন করতে হবে। নিজেরা নিজেদের মূল্যায়ন না করলে পুরুষরা তাদের ডেকে ডেকে মূল্যায়ন করবে এমনটা ভাবা আর বোকার স্বর্গে বসবাস করা একই কথা। নারীর ক্ষমতায়ন মানে আপেল কেটে নারী পুরুষের মধ্যে ভাগাভাগি করা নয়। নারীর ক্ষমতায়নের জন্য সবার আগে দরকার নারীর শিক্ষা। এর পর দরকার তার কর্মসংস্থানের জন্য পৃথক শিক্ষাব্যবস্থা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ। তারপর দরকার তার শারীরিক সংবেদনশীলতা ও ঝুঁকিপূর্ণ জীবন যাপনের জন্য পুরুষের চেয়ে উন্নত চিকিৎসাব্যবস্থা। সন্তান ধারণের ঝুঁকি ও তার লালন পালনের দায়িত্ব নেযায় জন্য শুধুই ৬ মাসের ছুটি নয়, এর সাথে থাকতে হবে ঝুঁকিভাতা, চিকিৎসাভাতা ও অতিরিক্ত ভরণ পোষণ ভাতার ব্যবস্থা।

    এর মাধ্যমে নারীকে দাঁড়ানোর একটা প্লাটফর্ম তৈরি করে দিতে হবে। নারীরা দাঁড়াতে পারলে তারাই তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবে। পুরুষদের বুঝাতে হবে নারীর ক্ষমতায়ন শুধু নারীর জন্য নয়,সমগ্র মানব জাতীর কল্যাণেই।

    Reply
  2. রণি শিকদার

    20 শতাংশ চাকুরি নারী নির্যাতন বন্ধে কোনো ভূমিকা রাখবে না। যদি না নারী পুরুষের পাশবিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন হয়। বাংলাদেশের যৌথ পরিবারগুলো ভেঙ্গে যাওয়ার কারণেই নারী নির্যাতন বেড়েছে। কারণ আগে সংসারের মুরাব্বিরা ছোটখাটো বিষয়গুলো মীমাংসা করতেন। এখন ওইসব ছোটখাটো ঘটনা থেকেই স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পুহ্জিভূত ক্ষোভ থেকে বড় ঘটনার জন্ম দেয়।

    Reply
  3. SM BASHER

    আপা, যেখানে দেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলের নেত্রী নারী, তারপরেও আপনি নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে মাতামাতি করছেন কেন?

    Reply
  4. Mohammad Alauddin

    ইসলামের নীতি বিধান মেনে চললে এবং নারীদের ইসলাম যে অধিকার দিয়েছে তা বুঝতে পারলে নারী অধিকার নিয়ে বাড়াবারির প্রয়োজন আছে বলে মনে হয়না। অধিক ইসলামী জ্ঞান অর্জন আবশ্যক।

    Reply
  5. Ahmed Firoze

    মাকসুদা সুলতানা আপনাকে,
    নারীর ক্ষমতায়ন : খাতায় আছে গোয়ালে নেই– এই বিতর্ক চিরায়ত। বরং আমরা খুব সহজেই স্বীকার করে নিতে পারি : পুরুষতান্ত্রিক সমাজে ধর্ম-প্রবক্তা পুরুষ; সংবিধান রচয়িতা পুরুষ এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় পৃথিবীর বহু দেশে নারী নেতৃত্ব থাকলেও, তারাও পুরুষপ্রবর্তিত মতাদর্শের বাইরে কতটুকুই-বা যেতে পারছে। এসব কারণে নারী-পুরুষ বিভেদ না করে, প্রথমে মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি বা প্রতিষ্ঠা পাওয়া জরুরি। আর তা সম্ভব হলে, ব্যক্তির প্রতি ব্যক্তির শ্রদ্ধার জায়গাটি নিশ্চিত হয়। শ্রদ্ধা বা সম্মানের জায়গাটি নিশ্চিত হলে সমাজে বা রাষ্ট্রে নারী-পুরুষ একত্রে কাজ করবার প্রথম ধাপটি উৎরিয়ে যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, শিক্ষার অভাব নারীকে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পুরুষতান্ত্রিক বেড়ে ওঠায় পিছিয়ে রেখেছে। এর থেকে উত্তরণের পথ একটিই, শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে নারীকে আরো সচেতন হতে হবে এবং শিক্ষা গ্রহণে আরো আগ্রহী হয়ে উঠতে হবে। এর জন্য পরিবার থেকেই উৎসাহ বেশি আশা দরকার। তা ছাড়া পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় বাস্তবতার কারণেই নারীকে কিছুটা কৌশলী হওয়া জরুরি। স্থান কাল পাত্র সম্পর্কে তাঁকে আরো বেশি যত্নবান হওয়া দরকার। আমি বা আপনি প্রথমত এবং শেষপর্যন্ত মানুষ- এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয়। সে জন্য বাক্যবিনিময় ও আলাপচারিতায় আমরা আরো যতবেশি সতর্ক হবো ততোই পরবর্তী প্রজন্মের জন্য মঙ্গল। এ জন্য আমাদের আরো বেশি এগিয়ে আশা দরকার। পরিবারের ছোট ভাই-বোন (বড়রা-সহ), আত্মীয়-স্বজন, এমনকি পরিচিতমহলেও সৎচর্চার জায়গাটি আরো বেশি নিশ্চিত করা আবশ্যক। পাশাপাশি আমরা যেন আমাদের চারপাশকে আরো বেশি সুন্দর করে গড়ে তুলতে নিবেদিত হই, সে বিষয়ে সচেতন থাকা খুবই জরুরি। চারপাশ বলতে বিশেষত আমাদের বসবাসসংশ্লিষ্ট মানুষকেই বোঝাতে চেয়েছি। তার পরেও আপনার লেখাটি নতুন করে ভাবনার জায়গাগুলো তৈরি করেছে। সে জন্য আপনাকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা। ভালো থাকবেন সবসময়…

    Reply
  6. kunooz

    আমি জানি নারীর অধিকার ইসলাম দিয়া দিয়াছেন। কিন্তু আমরা তাহা মানিনা যার কারনে আমাদের এত সমস্যা হয়ে থাকে। আপনি যে মেয়ের ছুটির উদাহরন দিয়াছেন, ওই সুপারপাইজারের যদি ইসলামিক ঞ্জান থাকতো এবং সে যদি ইসলাম মানতো তাহলো এই সমস্যা হইতো না। তাই আমরা যারা বিভিন্ন লেখালেখি করে থাকি তারা যদি ইসলামে কী বলছে তাহা যদি লেখি তাহলে আমার মনে হয় বেশি উপকারে আসিবে। আর যদি আজেবাজে কথা বা ইহুদীদের বা কাফেরদের মত কথা বলি বা লেখালেখি করি তাতে কোন লাভ হবেনা.

    Reply
  7. Md. Mahbubul Haque

    মন্তব্য করা ঠিক হবে কিনা জানিনা তবে বাস্তবতা এই যে,বিভিন্ন শ্রমনির্ভর প্রতিষ্ঠান কিংবা কারখানায় নারী শ্রমিকদের নিয়োগ দেয়া হয় না। শুধু সিডো প্রদত্ত নীতিমালায় নয় দেশের সংবিধানে নারীদের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সম অধিকারের কথা বলা থাকলেও তা সুস্ঠুভাবে মেনে চলা কিংবা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয় নাই, হচ্ছে না এবং হবেও না। বাঙালী মুসলমানদের মানসিকতায় নারীদের পিছিয়ে রাখার সুপ্ত বাসনা সবসময়ই থেকেছিল এবং তা বিরাজমান। রাষ্ট্রীয়ভাবে বাস্তবায়নের সাথে সাথে আমাদের আদি ও আদিম মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাতে হবে । তবেই সমাজে নারীদের অবস্থান পরিবর্তন আশা করা যায়।

    Reply
  8. Uddin

    আচ্ছা মাকসুদা আপা বলবেন কি, সহকারী অধ্যাপক রুমানা মনজুর কেন নির্যাতিত হলেন তার প্রকৌশলী স্বামী হাসান সাঈদ সুমনের দ্বারা ? রুমানা মনজুর তো একজন সহকারী অধ্যাপক।

    Reply
    • Lezon

      absurd!!!!othikar ki karo pocket a thake j ta dea dete hobe? tagore says,”tumi jare niche felo se tomare badhibe j niche/poshcate rekhecho jare se tomare poshcate taniche.” egia jete hole nare purus melai agate hobe.oporad,onnay,onoytikota ek kotha na?boisommo positive o negative dui e hote pare.

      Reply
  9. Azim

    এক প্রাক্তন নারী শ্রমিক আক্ষেপ করে বলেছিল, সুপারভাইজার তাকে ছুটি চাওয়ার অপরাধে চাকুরি থেকে ছাঁটাই করে দিয়েছিল । গ্রামে তার মা মৃত্যু পথযাত্রী, কিন্তু তাকে দেখতে যাওয়ার জন্য ছুটি চাইলেও তা তার কপালে জোটেনি। বরং জুটেছে চাকুরিচ্যুতি।
    …………ওই সুপার ভাইজারের গর্ভধারীনি মায়ের প্রতি সম্ভবত কোন সহানুভূতি ছিলনা। তা না হলে অবলা এ মানবীকে কি চাকুরিচ্যুত করা সম্ভব….?
    মূলত প্রত্যন্ত গ্রামের নারীদের অবস্থা আরও করুণ, বরাবরই ধনী লোকেরা ব্যবহার করে তথা কাজে খেটিয়ে নেয়; পারিশ্রমিক দেয় নামমাত্র। এ ব্যাপারে সবাইর সোচ্চার হওয়া উচিত। আমাদের মনে রাখা দরকার একজন নারী কিন্তু গর্ভধারীনি মা, বোন, স্ত্রী। কাজেই সম্মান দিলে কমে না বরং সম্মানের পরিধি বৃদ্ধি পায়।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—