শীতলক্ষ্যার কূলঘেঁষা, শাল-গজারির বনে ঘেরা, লাল মাটিতে পথ আঁকা, নিটোল সবুজ গ্রাম দরদরিয়ায়, ভরা শ্রাবণের এক দিবাগত রাতে, ১৯২৫ সালের ২৩ জুলাই, বৃহস্পতিবার, তাজউদ্দীন আহমদ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বেঁচে থাকলে আজ নব্বই বছরে পদার্পণ করতেন। কিন্তু মাত্র অর্ধশত বছরের জীবনেই তিনি সম্পন্ন করেছেন শত বছরের যুগান্তকারী কর্ম। বাংলাদেশ নামের এক স্বাধীন রাষ্ট্রের অভ্যুদয়ে ও নবজাত রাষ্ট্রগঠনে তিনি যে অনন্য ও অসাধারণ অবদান রেখেছেন তা যুগ যুগ ধরেই বিশ্বের স্বাধীনতাকামী জাতির জন্যে হতে পারে দিকদর্শন ও অপার সম্ভাবনার বাতিঘর।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রেরণা ও প্রতীক। পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে, তাজউদ্দীন আহমদ, এক নির্মোহ সাধকের অধ্যবসায় নিয়ে সেই প্রেরণা এক সাফল্যমণ্ডিত মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার মধ্য দিয়ে বাস্তবায়ন করেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদকে যদি এক বাক্যে সংজ্ঞায়িত করতে হয় তাহলে বলা যায়, তিনি ছিলেন এক দুর্দান্ত প্রকৃতির ন্যায়নিষ্ঠ, নির্ভীক, দূরদর্শী ও স্বাধীনচেতা মানুষ। নিজেকে আড়ালে রেখেও কোনো কৃতিত্ব দাবি না করে বিশাল মাপের কাজগুলি অসাধারণ দক্ষতা, বিচক্ষণতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে যেমন করে সম্পন্ন করতেন তার জুড়ি মেলা ভার।

 

বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে, তাজউদ্দীন আহমদ, এক নির্মোহ সাধকের অধ্যবসায় নিয়ে সেই প্রেরণা এক সাফল্যমণ্ডিত মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার মধ্য দিয়ে বাস্তবায়ন করেন

 

তাঁর চরিত্রর ঐ বিরল গুণাবলীরই সার্থক প্রকাশ ঘটে ১৯৭১ সালের চরম প্রতিকূল সময়ের আবর্তে– মুক্তিযুদ্ধের যজ্ঞপীঠে। তাজউদ্দীন আহমদকে না জানলে তাই বাংলাদেশের জন্মকথা– মুক্তিযুদ্ধর ইতিহাস জানাও হবে অসম্পূর্ণ।

১৯৭১ সালের ৩০ মার্চ, শ্রান্ত, অনাহারে ক্লিষ্ট তাজউদ্দীন আহমদ ও তাঁর দুর্গম যাত্রাপথের সাথী ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলামকে কুষ্টিয়ার সীমান্ত হতে ভারতে স্বাগত জানিয়েছিলেন ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান, আই জি গোলোক মজুমদার। পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মৃত্যু-তালিকাভুক্ত তাজউদ্দীন আহমদ ঐ শঙ্কাকুল অবস্থায়ও নিজ দেশের মর্যাদার প্রসঙ্গে ছিলেন সজাগ ও অবিচল। তিনি ও ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম গোলোক মজুমদারকে বলেছিলেন যে, এক স্বাধীন রাষ্ট্রের প্রতিনিধি রূপে তাঁদেরকে যোগ্য মর্যাদায় গ্রহণ করলে পরেই তাঁরা ভারতে আশ্রয় নেবার কথা ভাবতে পারেন।

গোলোক মজুমদার সেই কথা রেখেছিলেন। তিনি তাঁর ঊর্ধ্বতন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর প্রধান রুস্তমজীর মাধ্যমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে তাজউদ্দীন আহমদের সাক্ষাতের ব্যবস্থা (৪ এপ্রিল, ১৯৭১) করিয়ে দিয়েছিলেন। বাংলাদেশ সরকার গঠনে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করেছিলেন।

তাজউদ্দীন আহমদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে যেয়ে তিনি ও তাঁর মতো অনেকেই আবিস্কার করেছিলেন এক বিশ্বমাপের নেতাকে; প্রথম বাংলাদেশ সরকারের রূপকার ও সংগঠক, মুক্তিযুদ্ধের পরিচালক ও প্রধানমন্ত্রীর পদবি ও পদের চাইতেও আকাশছোঁয়া মানবিক চেতনা ও আত্মমর্যাদাবোধসম্পন্ন এক বিনম্র মানুষকে; সাধারণের ভিড়ে এক অসাধারণকে।

তাজউদ্দীন আহমদ গোলোক মজুমদারকে বলেছিলেন ভারত যদি সার্বভৌম রাষ্ট্র রূপে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি না দেয় তিনি রিফিউজি ক্যাম্পে চলে যাবেন এবং সেখান থেকেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করবেন। ইন্দিরা গান্ধীকে বলেছিলেন স্বীকৃতি ব্যতীত সার্বভৌমত্বের বন্ধুত্ব হয় না। তাঁরা যৌথ চুক্তি করেছিলেন যে, স্বীকৃতির পরেই ভারতীয় সহায়ক বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে এবং যেদিন বাংলাদেশ সরকার মনে করবে সহায়ক বাহিনীর দেশে থাকবার প্রয়োজন নেই, সেদিনই ভারতীয় বাহিনী প্রত্যাহার করা হবে। ১৯৭১ সালের ঐ চুক্তি অনুসারেই ১৯৭২ সালের মার্চ মাসে ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রত্যাহার হয়।

ভিন্ন রাষ্ট্রে আশ্রয় ও তার সহযোগিতা গ্রহণের পরেও প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের মর্যাদা ও স্বাধীনতা রক্ষায় তাজউদ্দীন আহমদের দূরদর্শী পদক্ষেপ ও বিচক্ষণতা বাংলাদেশের ইতিহাসের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। যুদ্ধবিধ্বস্ত নবজাত বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী হিসেবেও তিনি প্রতিনিয়ত লড়েছেন বাংলাদেশকে পরনির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত করে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও বৈষম্যমুক্ত রূপে গড়ে তুলতে।

 

ভিন্ন রাষ্ট্রে আশ্রয় সহযোগিতা গ্রহণের পরেও প্রিয় মাতৃভূমির মর্যাদা রক্ষায় তাজউদ্দীনের দূরদর্শী পদক্ষেপ ইতিহাসের গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়

 

তাজউদ্দীন আহমদেরই সমবয়সী গোলোক মজুমদার (জন্ম ৮ জুলাই, ১৯২৫), যিনি নিজেও ছিলেন এক অসাধারণ গুণী, বিনম্র, ইতিহাস-চিহ্নিত ব্যক্তিত্ব এবং বাংলাদেশের দুঃসময়ের বন্ধু। এ বছর তাঁর নব্বইতম জন্মবার্ষিকীর মাত্র দুদিন আগেই, ৬ জুলাই চলে গেলেন অমর্ত্যলোকে। তাঁর সঙ্গে শেষ দেখা ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে, কলকাতায়। সে সময় ‘তাজউদ্দীন আহমদ নেতা ও পিতা’ বইটির জন্যেও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে তিনি আমাকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছিলেন। বইটি প্রকাশ হবার পর তিনি বইটি পড়ে তাজউদ্দীন আহমদ সম্পর্কে তাঁর সৃতিচারণা ও অভিব্যক্তি নিজ হাতে লিখে তাঁর কন্যার মাধ্যমে আমাকে পাঠিয়েছিলেন যা ছিল ব্যক্তিগত এবং ঐতিহাসিক আঙ্গিকে এক পরম পাওয়া। তাঁর লেখা থেকে উদ্ধৃতি দেওয়া হল:

“তাজউদ্দীন সাহেবের সঙ্গে আমার পরিচয় একাত্তরের সেই রক্তঝরা মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকে। স্থিরচিত্ত স্বল্পভাষী এই মানুষটির ব্যক্তিত্ব ছিল অসাধারণ। তাঁর সত্যনিষ্ঠা ও স্বার্থত্যাগ সব রকম ষড়যন্ত্র ও প্রতিকূলতা কাটিয়ে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা সম্ভব করেছিল– যার নাম বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর প্রতি তাঁর আস্থা ও আনুগত্য ছিল অকপট ও অবিচল…। বইটিতে কোনো অত্যুক্তি নেই, নেই কোনো উচ্ছাস। প্রতিটি ছত্রে তাজউদ্দীন সাহেবের উজ্জ্বল উপস্থিতি অনুভব করি।”

‘তাজউদ্দীন আহমদ নেতা ও পিতা’ বইটির জন্যেও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে তিনি আমাকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছিলেন

১৯৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ডের পরদিন, বাইশ বছরের তরুণ রাজনৈতিক কর্মী ও শিক্ষার্থী শোকাহত তাজউদ্দীন দিনলিপির পাতায় লিখেছিলেন:

“সূর্য অস্তমিত হোল এবং অস্তমিত হোল মানবতার পথের দিশারী আলোকবর্তিকা। তাহলে কি অন্ধকার নেমে এল? আলো এবং অন্ধকার। অন্ধকার এবং আলো।… মেঘাছন্ন আকাশ। তারপরে তো সূর্যের কিরণ। ক্ষীণতনু নতুন চন্দ্র। কিন্তু তারপরে তো আনন্দময় পূর্ণচন্দ্রের আবির্ভাব। হতাশার শেষ তো আশাতে।…

যে মানুষটির শোকে আজ আমরা মুহ্যমান, সে মানুষটি তো অন্ধকারের দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে আলোতে পৌঁছেছিলেন। তাঁকেও তো অন্ধকারে আলোর অন্বেষণে উদ্বিগ্ন হতে হয়েছে। অথচ কী বিস্ময়! তিনি নিজেই তো ছিলেন একটি আলোকবর্তিকা। আলোককে কি তুমি ধ্বংস করতে পার? আলোর কনিকা আমাদের কাছ থেকে বহু দূরে অবস্থিত হতে পারে। কিন্তু তাতে কী? ধ্রুবতারার দূরত্ব অকল্পনীয়। কিন্তু বিজন মেরুতে অভিযানকারীর সেই তো একমাত্র দিকনির্ধারক। যুগ থেকে যুগে।”

দিনলিপিটি লেখার সময় তরুণ তাজউদ্দীন জানতেন না যে, একদিন তাঁর কাঁধে ন্যস্ত হবে বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার দায়িত্ব। ঘাতকের গুলিতে প্রাণদান করে তিনিও অমরত্ব লাভ করবেন। রূপান্তরিত হবেন পথনির্ধারক আলোকবর্তিকায়।

আমার সুগভীর বিশ্বাসের কথাটি আবারও উল্লেখ করি। বাংলাদেশ একদিন তার নিজস্ব প্রয়োজনেই খুঁজে নেবে তাজউদ্দীনকে। তাঁর জ্যোতির্ময় জীবনধারার অনির্বাণ আলোয় শিশুরা খুঁজে পাবে মুক্তির পথ।

তাজউদ্দীন আহমদের নব্বইতম জন্মদিনে ছড়িয়ে দিলাম অজস্র শুভেচ্ছা। লক্ষ তারার দীপ্তিময় অভিবাদন।

আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া

সহায়ক গ্রন্থ:

১. সিমিন হোসেন রিমি সম্পাদিত ‘তাজউদ্দীন আহমদের ডায়েরি ১৯৪৭-৪৮’

[প্রতিভাস প্রকাশনা]

২. সিমিন হোসেন রিমি সম্পাদিত ‘তাজউদ্দীন আহমদ ইতিহাসের পাতা থেকে’

[প্রতিভাস প্রকাশনা]

৩. শারমিন আহমদ, ‘তাজউদ্দীন আহমদ নেতা ও পিতা’

[ঐতিহ্য প্রকাশনা]

শারমিন আহমদশিক্ষাবিদ ও বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের জ্যেষ্ঠ কন্যা

Responses -- “তাজউদ্দীন আহমদ: জন্মদিনের অভিবাদন”

  1. nazmul

    কিছু মানুষের জন্ম হয় ত্যাগের জন্য। যাদের ত্যাগ কোটি কোটি মানুষ তথা দেশের আলো ছড়ায়। আসলে তারা এ পৃথিবীতে সকল মোহের ঊর্ধ্বের মানুষ ছিলেন। তারাই আসলে প্রকৃত মানবতাবাদী। আর তাদের মধ্যেই একজন তাজউদ্দীন আহমদ। আল্লাহ এই মহান নেতাকে বেহশেতবাসী করুক।

    Reply
    • kallol

      রাজনীতি নোংড়ামীতে ভরে গেছে। তুমি রেখে গেছ যোগ্য সন্তান। তুমি শহিদ হয়েছ ন্যায়নিষ্ঠ থেকেছ। যার শিক্ষা তোমার পরিবার আজও লালন করে। তাইতো তোমার ছেলে আমিত্ব, আদর্শ, কিছুই বিসর্জন না দিয়ে নিরবে প্রস্থান করল। ক্ষতি হল সাধারনের দেশ হারাল তার মানিককে। হাইরে আভাগা জাতি!

      Reply
  2. মোহাম্মদ শামীম রেজা

    জনাব তজউদ্দিন আহম্মেদ বেচে থাকবেন তার কমে। লক্ষ মানুষের মনিকোঠায়। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন তিনি থাকবেন আমাদের প্রেরোনা হয়ে। তার আত্তার মাগফেরাত কামনা করছি।

    Reply
  3. শেখ সাদ্দাম হোসেন

    তোমার মত নেতা পায় না। রাজনীতি নোংড়ামীতে ভরে গেছে। তুমি রেখে গেছ যোগ্য সন্তান। কিন্তু তোমার বাংলাদেশ তার সেবা বঞ্চিত। তুমি শহিদ হয়েছ ন্যায়নিষ্ঠ থেকেছ। যার শিক্ষা তোমার পরিবার আজও লালন করে। তাইতো তোমার ছেলে আমিত্ব, আদর্শ, কিছুই বিসর্জন না দিয়ে নিরবে প্রস্থান করল। ক্ষতি হল সাধারনের দেশ হারাল তার মানিককে। হাইরে আভাগা জাতি!

    Reply
  4. মোখলেছুর রহমান সুমন

    একজন মানুষ কতটুকু নিঃস্বার্থভাবে দেশের মানুষের জন্য রাজনীতি করতে পারেন, আমার মনে হয় এ ব্যাপারে তাজউদ্দীন আহমেদের চেয়ে বড় দৃষ্টান্ত এ দেশে আর কোনো রাজনীতিবিদ হতে পারেননি।। আমরা একালের ছেলেপুলে, এত বড় কথা বলা বেমানান শোনালেও সাহস করে বলছি, আমি যতটুকু পড়েছি, জেনেছি আর উপলব্ধি (অন্যদের সাথে পার্থক্যটা এখানেই হতে পারে) করতে পেরেছি, তাতে আমার কাছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চেয়ে তাজউদ্দিন আহমেদকে অধিক অনুসরণীয় মনে হয়েছে।
    মানুষের কল্যাণে নিবেদিত, নিঃস্বার্থ, মুক্তিকামী, সৎ, নেতার প্রতি অনুগত ইত্যাদি… তবে আমার কাছে একজন ব্যক্তিকে মাপার সবচেয়ে বড় মাপকাঠি নিরহংকার, দম্ভহীনতা।

    Reply
    • সৈয়দ আলি

      আপনার সৎ মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আমি সেকালের প্রবীন বলে ইতিহাসের অংশ হওয়ার গৌরব ভাগাভাগি করতে চাই। তাজউদ্দিন আহমদকে হেয় করার এবং মুক্তিযুদ্ধের দৃশ্যপট থেকে অবমূল্যায়িত করে অন্য কাউকে প্রোজ্জল করা হবে ইতিহাসের সাথে বেইমানী।

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—