Feature Img

Leena Pervin‘নিরপেক্ষ’ শব্দটির অর্থ আমি ঠিক নির্ধারণ করতে পারি না। তবে সাদা চোখে যা বুঝি তা হচ্ছে, কোনো নির্দিষ্ট পক্ষ অবলম্বন না করে সঠিক বেঠিক বিবেচনা করা। আবার কারও কারও মতে, নিরপেক্ষতা হচ্ছে সত্যের পক্ষ নেওয়া। ‘সত্য’ শব্দটির নির্দিষ্ট সংজ্ঞা নেই। এটি খুবই আপেক্ষিক। একজনের কাছে যা সত্য অন্যজনের কাছে তা নাও হতে পারে। আবার আজকের দিনের জন্য যা সত্য আগামীতে তা পাল্টেও যেতে পারে। তাই সত্যের কোনো ইউনিভার্সাল সংজ্ঞা কেউ দিতে পেরেছেন কিনা জানি না।

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট, সর্বোপরি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে নিরপেক্ষ থাকার অবকাশ আছে বলে মনে করি না। বিশ্বের অন্য দেশগুলির ইতিহাস আর বাংলাদেশের ইতিহাসের একটা মৌলিক পার্থক্য হচ্ছে, এই দেশটি অনেকগুলি রক্তক্ষয়ী লড়াই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে। লড়াই করে পেয়েছে তার ভাষার অধিকার, লাখো মানুষের রক্তের বিনিময়ে পেয়েছে তার স্বাধীনতা ও সার্বভৌম পরিচয়। তাই এখানে আছে শত্রুমিত্রের লড়াই। বাইরের শত্রুকে পরাজিত করে দেশটি ছিনিয়ে এনেছে স্বাধীনতা ও আত্মপরিচয়। কিন্তু রয়ে গেছে তার ভিতরের পরিচিত ও অপরিচিত শত্রু।

একজনের কাছে যা সত্য অন্যজনের কাছে তা নাও হতে পারে
একজনের কাছে যা সত্য অন্যজনের কাছে তা নাও হতে পারে

আর ঠিক এই ঐতিহাসিক কারণেই বাংলাদেশে নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখা মানে একটি সুবিধাবাদী অবস্থান, একটি সুরক্ষিত আসন যেখানে আপনাকে কোনো পক্ষকেই অখুশি বা খুশি করার চিন্তা থাকে না, ক্ষমতার রদবদলে নিজের সুবিধাজনক অবস্থানের পরিবর্তনের ঝুঁকি থাকে না। তবে আমি মনে করি, এই মুহূর্তে ঠিক যখন বাংলাদেশ তার চিহ্নিত শত্রুদের বিরুদ্ধে একের পর এক বিচারকার্যক্রম শুরু করেছে, যেখানে মুক্তিযুদ্ধ হয়ে উঠেছে আমাদের পরিচয়ের একমাত্র মাপকাঠি, তখন কেমন করে একজন নাগরিক নিরপেক্ষ থাকতে পারে?

এই মুহূর্তে দেশ দুটি পক্ষে বিভক্ত এবং তা পরিষ্কার। এর মাঝে কোনো প্রকার ‘যদি’, ‘কিন্তু’ থাকতে পারে না। হয় আপনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আর না হয় দেশের শত্রুদের পক্ষে। এর মাঝে যারা থাকতে চায় তারাই হচ্ছে সেই তথাকথিত ‘নিরপেক্ষ’ লেবাসধারী গ্রুপ; অন্য কথায় বিশেষ সুবিধাজনক অবস্থানে থাকা দল।

এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে একজন বাংলাদেশি সে যেই পেশাতেই থাকুন না কেন, তাকে নির্ধারণ করতে হবে তিনি কী চান এবং নিজের অবস্থান আসলে কী। আর এই সঠিক পক্ষটি নির্ধারণ করতে পারলেই, আমি মনে করি, এই বর্তমান বাস্তবতায় আপনি নির্ধারণ করতে পারবেন আপনার পেশাগত নৈতিকতা, বস্তুনিষ্ঠতা, জবাবদিহিতা এবং সার্বিক অর্থে নিরাপত্তা। আপনাকে নির্ধারণ করতে হবে আপনার কথা বা অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আপনি কাকে শক্তিশালী করতে চান? আপনার এই সঠিক পক্ষটি বেছে নেওয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক বা রাজনৈতিক অগ্রগতির সিদ্ধান্ত। সেই সঠিক পক্ষ হচ্ছে দেশের পক্ষ।

সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পেয়েছিলাম যেখানে আলোচ্য বিষয়ের মূল অংশ ছিল বস্তুনিষ্ঠতা, জেন্ডার সমতা ও নিরাপত্তা। মূল আলোচক তার কী পেপার উপস্থাপনের সময় যে দিকটিতে গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তা হচ্ছে পেশাদারিত্বের জায়গায়, বিশেষ করে কেউ যখন এমন একটি পেশায় যুক্ত থাকেন যেখানে আপনার অবস্থান হতে হবে এমন যেন আপনার মতামত সেখানে প্রতিফলিত না হয়, খেয়াল রাখতে হবে আপনার সংবাদটি যেন কোনো বিশেষ পক্ষের দিকে চলে না যায়। কিন্তু আমার প্রশ্ন হচ্ছে, এ রকম অবস্থান কীভাবে আপনি রক্ষা করে চলবেন? তাত্ত্বিকভাবে হয়তো তিনি একদম সঠিকভাবেই বলেছেন অথবা বহির্বিশ্বের বিবেচনায় হয়তো তিনি ভুল কিছু বলেননি। কিন্তু এখানে এটিও দেখতে হবে বাংলাদেশের বাস্তবতার সঙ্গে কি অন্য কোনো বাস্তবতা তুলনায় আসে? ঐ যে আমার লেখার প্রথমেই বলেছি, বাংলাদেশ পৃথিবীর বুকে একটি অনন্য দেশ যার একটি বিশাল লড়াই সংগ্রামের ইতিহাস রয়েছে যেখানে এখনও বাংলাদেশের পক্ষ বিপক্ষ বলে দুটি গ্রুপ রয়েছে।

ধরে নিলাম, আপনি একজন সাংবাদিক এবং সাংবাদিকতার দর্শন অনুযায়ী আপনাকে হতে হতে বস্তুনিষ্ঠ। তার মানে, আপনাকে হতে হবে সমাজের আয়না যেখানে আপনার নিজের রঙ লাগানোর সুযোগ থাকবে না। কিন্তু একজন মানুষ হিসেবে, একটি দেশের নাগরিক হিসেবে আপনি কি কোনো না কোনো মতের বা পক্ষের নন? আপনি যখন ভোট দেন তখন কি নিরপেক্ষ বলে কোনো ব্যালট থাকে? থাকে না। তার মানে, আপনিও কোনো না কোনো মত ও পথের অনুসারী। আর একজন সামাজিক মানুষ হিসেবে আপনিও কিন্তু সমাজে ঘটে যাওয়া ঘটনায় ব্যক্তিগত অনুভূতি প্রকাশ করেন; ভালোলাগা মন্দলাগা অন্যের সঙ্গে শেয়ার করতে পছন্দ করেন। আপনিও চান আপনি যে দর্শনে বিশ্বাস করেন সমাজে সেই দর্শনের অনুসারীর সংখ্যা বাড়ুক। আপনিও প্রভাবিত করতে চান।

একজন মানুষ হিসেবে, একটি দেশের নাগরিক হিসেবে আপনি কি কোনো না কোনো মতের বা পক্ষের নন
একজন মানুষ হিসেবে, একটি দেশের নাগরিক হিসেবে আপনি কি কোনো না কোনো মতের বা পক্ষের নন

আপনি চান আর না চান, আপনি কোনো না কোনো পক্ষ অবলম্বন করেই নিজেকে প্রকাশ করতে চান। বাংলাদেশের মতো দেশের নাগরিকদের কোনোভাবেই নিরপেক্ষ থাকার অবকাশ নেই। তবে হ্যাঁ, আপনাকে দেখতে হবে, আপনার মতের দ্বারা যেন সমাজে কোনো নেতিবাচক প্রভাব গড়ে না ওঠে, আপনি যে মতটি প্রকাশ করতে চাচ্ছেন তার দ্বারা সমাজে কোন ধারার শক্তিকে আপনি উৎসাহিত করছেন।

আপনি চাইলেই মনগড়া কোনো বক্তব্য রাখতে পারেন না বা ছড়িয়ে দিতে পারেন না; কারণ আপনার একটি দায়িত্বশীলতা অবশ্যই থাকতে হবে। বিশেষ করে আপনি যখন একটি বৃহত্তর গোষ্ঠীকে প্রভাবিত করে এমন কিছু করতে যাচ্ছেন, তখন অবশ্যই আপনাকে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। একে বলে পেশাদারিত্ব বা জবাবদিহিতা। শব্দটি আপনাকে অনেক কিছু থেকে বেঁধে রাখে। জবাবদিহিতা থাকলে আপনি চাইলেই যা ইচ্ছা তা করে ফেলতে পারেন না।

অনেকে বলে থাকেন, আমি স্বাধীন নাগরিক, তাই চাইলেই আমার যে কোনো মত প্রকাশ করতে পারি, চাইলেই যা করলে আমি সুখ পাব তা করতে পারি। আর এখানেই প্রয়োজন জবাবদিহিতার। একটি ছোট শব্দ, কিন্তু ওজন অনেক বেশি। স্বাধীনতা মানে আমি যা চাইলাম তা করা নয়। স্বাধীনতা মানে দায়িত্বশীলভাবে নিজেকে প্রকাশ, অন্যের অধিকার হরণ না করে নিজের অধিকারের চর্চা। আজকের এই সময়ে আমাদের দেশে সমাজের প্রতিটা ক্ষেত্রে জবাবদিহিতার খুব বেশি প্রয়োজন। বাংলাদেশে এ মুহূর্তে বা সামনে যারা রাজনীতি করবেন বা করছেন তাদেরও এই ধারায় ফিরে আসতে হবে যার প্রমাণ কিন্তু আমরা সাম্প্রতিক সময়গুলিতে দেখেছি।

খুব সূক্ষ্মভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, আমাদের দেশের রাজনীতিতে এক ধরনের গুণগত পরিবর্তন আসছে। রাজনীতিবিদরা এখন আর তাদের পেশিশক্তির বদৌলতে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না, দিনশেষে তাকে জনতার আদালতে ধরা দিতে হচ্ছে। যিনিই রাজনীতিতে আসবেন বলে ভাবছেন তাকে প্রমাণ করতে হচ্ছে তিনি দেশকে কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবেন, শুধু মুখে বললেই এখন আর জনগণকে যে কোনো কিছু তারা খাওয়াতে পারছেন না। সবার আগে তাকে নির্ধারণ করতে হচ্ছে, তিনি কি মুক্তিযুদ্ধের ধারার মানুষ নাকি বাংলাদেশের অস্তিত্ব তার কাছে বিপদজনক? কয়েক বছর আগেও এসব আমাদের চিন্তার বাইরে ছিল। কারণ আমাদের এই প্রজন্ম এখন অনেক বেশি সচেতন, দেশপ্রেমিক ও দেশের স্বার্থে আপোষহীন।

বাংলাদেশের মতো দেশের নাগরিকদের কোনোভাবেই নিরপেক্ষ থাকার অবকাশ নেই
বাংলাদেশের মতো দেশের নাগরিকদের কোনোভাবেই নিরপেক্ষ থাকার অবকাশ নেই

আজকে সময় এসেছে আমরা নাগরিকরা কোন পক্ষের হব তা ভাবার, আমি আমার মত কীভাবে প্রকাশ করব, কীভাবে আমি একটি সংবাদ প্রচার ও প্রসারে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিব। এই মুহূর্তে বাংলাদেশে প্রয়োজন দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সঠিক পক্ষ অবলম্বনকারীদের যৌথ অবস্থান। নিরপেক্ষতার আড়ালে সুবিধাবাদীদের দলে নাম লিখানোর দিন মনে হয় আর নেই। সোজা লাইনে আসতে হবে আমাদের। মাঝামাঝির স্থান নেই।

তাই আসুন, নিরপেক্ষ নই, সঠিক পক্ষ বেছে নিই এবং সে পথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাই। জয়ের ধারা বাঁচিয়ে রাখি নিরন্তর। জনতার জয় অনিবার্য।

২৯ Responses -- “নিরপেক্ষ নাকি সঠিক পক্ষ”

  1. আজিজুল

    নিরপেক্ষতা বলতে কিছুই নেই। যারা বলে নিরপেক্ষ তারা মিথ্যা বলে। কারন তাদের মনের মধ্যেখানে যেকোন এক পক্ষেরে জন্য সফট কর্নার অবশ্যই থাকে হয়ত মুখে না বলার চেষ্টা করে।
    আবার অনেক সময় আমরা নিজেকে নিরপেক্ষ বলে কোন এক পক্ষের নিয়ম-রীতি-নীতিকে ছোট করার চেষ্টা করি। নিরপেক্ষ বলতে কি আমি কখনও এধর্মের নিয়ম কানুন পালন করব, আবার কখনও ঐধর্মের নিয়ম-কানুন পালন করব।
    বলা যেতে পারে আমি অমুক ধর্মের কিন্তু অন্য ধর্মের লোকেরা আমার দ্বারা কোন কষ্ট পাবে না, তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সকল কিছুই করার চেষ্টা করা হবে। তাদের প্রতি কোন অবিচার করা হবে না।

    Reply
    • আজিজুল

      সঠিক পক্ষ বলতে কোনটা? আমি বলছি আমারটা সঠিক পক্ষ। আবার আপনি বলছেন আপনারটা সঠিক পক্ষ। তাই যার যার পক্ষই তার তার কাছে সঠিক বলে মনে হয়।

      Reply
  2. তালুকদার অপূর্ব দেব

    লিনা দি,
    এই লেখাটা পড়ে আপনার সাথে আমারা পরিচয়। আমাদের অনেক সময় ঠিক না বেশিরভাগ সময় লেখক ও পাঠকের মধ্যে সম্পর্ক মিলিয়ে যায়, বোধ করি পরচিয়ের প্রারম্ভিকতাই মনে থাকে না বা আমরা রাখিও না! সে অর্থে এই চমৎকার লেখাটা পড়বার সুযোগ দেবার নিমিত্তে অন্তত কিছুকাল এই সম্পর্ক সুনিবিড় থাকবে। আপনার লেখায় মতামত দেবার মত যথেষ্ঠ পরিপূর্ণ আমি নই, তাই সেদিকে গেলাম না। তবে, সাদা চোখে বেশ ভাল লাগল। অসাধরণ এক বিষয়ে আপনি লিখছেন, সত্যিই অসাধরণ। ভাল থাকবেন।
    অপূর্ব

    Reply
  3. R. Masud

    একটা সত্যি কথা বলি, লিখাটা পড়া শুরু করার আগে, লেখিকার ছবি খান খুব মনযোগ দিয়ে দেখে নিয়েছিলাম।
    কারন স্বার্থপরের মত বলছি, আমার নিজের প্রতি নিজের একটা বিশ্বাস জন্মে গেছে যে, চেহারা আর চোখ দেখেই আমি একজন মানুষ কতখানি ভাল/খারাপ, আর তার বুদ্ধির পরিমান কতটুকু মোটামুটি বুঝতে পারি।
    জনাবা লীনা পারভীন কে দেখে প্রথমে যতটুকু ভেবেছিলাম, লিখাটা পড়া শেষ করে বুঝলাম তার চাইতে অনেক বেশী সুন্ধরী (ভাল, বুদ্ধিমতী)তিনি । এক কথায় ফ্যেবুলাস—
    আরও আরও লিখা পড়ার জন্য অপেক্ষায় থাকলাম।

    Reply
  4. Pothik

    নিরপেক্ষ নই, সঠিক পক্ষ বেছে নিই এবং সে পথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাই। জয়ের ধারা বাঁচিয়ে রাখি নিরন্তর। জনতার জয় অনিবার্য।

    You are right.
    Opinion is always biased but which one is correct and which one is wrong. It depends on the time, space and evolving trend. In Bangladeshi perspective with religion, education system, family and social environment and unethical values practiced by the influential, the right view and opinion are difficult to proper, but the younger section of the society are coming out of this. They will come more and more in the future.

    Reply
  5. Fazlul Haq

    মানুষের চিন্তা চেতনায় যা কিছু ধারণ করে তার দুটো রূপ থাকে — ১। চুড়ান্ত ( absolute) ও ২। আপেক্ষিক(relative)। বস্তু জগতের সব কিছুই আপেক্ষিক ও পরিবর্তনশীল। বস্তু জগত থেকে বিচ্ছিন্ন যা টাইম ও স্পেসের বাইরে এবং যার অস্তিত্ব শুধু কল্পলোকে সেটাকে এবসলুট ভাবা যেতে পারে। কিন্তু সময় ও পরিবেশের প্রেক্ষিতে মানুষের চিন্তা চেতনার বিবর্তনের সাথে সেটারও পরিবর্তন হয়। মানুষের দর্শন যেমন পরিবর্তনশীল।
    বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা মানব সমাজ ও ইতিহাসের বিষয়। এখানে পক্ষ বিপক্ষ থাকা স্বাভাবিক এবং যে পক্ষ বিজয়ী হবে সে পক্ষ ও তাদের মত টিকে থাকবে। কোন পক্ষ বিজয়ী হবে তার উপর বাংলাদেশের স্বাধীনতা টিকে থাকা নির্ভর করবে। এ বিষয়ে নিরপেক্ষতার কোন স্থান নেই।

    Reply
  6. sayeed h Khan

    ভাল লিখেছেন। আসলেই নিরপেক্ষ বলে কিছু নেই। বাংলাদেশের সবাইকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষেই হুওয়া উচিৎ। কিন্তু বর্তমানে এদেশে এক শ্রেণীর লোক হরহামেশাই চোখে পড়ে। এরা হচ্ছে পাকিস্তানী বাঙালী। আর এরাই আমাদের এই দেশটার বারোটা বাজাচ্ছে।

    Reply
  7. Anwar A. Khan

    Ms. Nina Parvin:

    Jononi, khub sundor likechen!

    Your subject-matter is of great significance. I have read your column with keen interest. Yes, it is right path we should keep on, not the so-called neutral one. You deserve great appreciation from us all. So, everyone should join me in giving her a round of applause and a big thank you.

    Congrats to Mom!!

    Ciao for the time being! And with fond affection.

    Sincerely,

    Khan

    Reply
  8. Jamiul

    ..
    চমৎকার উপলব্ধি,,,সময় যত এগুচ্ছে আর্দশের লড়াই তীব্রতর হচ্ছে,,,সময় এসেছে সাদাকে সাদা আর কালোকে কালো বলার এবং নিরপেক্ষতার লেবাসধারীদের চিহ্নিত করার,,,,,

    লেখকে ধন্যবাদ,,,,

    Reply
  9. রাজীব

    আপনার লেখাটা ভাল লাগল। কিন্তু সমস্যা কি জানেন? বাংলাদেশে বহু মানুষ আছে যারা মুক্তিযুদ্ধকেই সঠিক বলে মনে করে না। তারা মনে করে মুসলমান-মুসলমান ভাই ভাই। ভারত ষড়যন্ত্র করে এই দুই ভাইয়ের মধ্যে সম্পর্ক খারাপ করেছিল এবং যার ফলশ্রুতিতে মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। তাদের চোখে শেখ মুজিব ভারতের দালাল, মুসলমানদের শত্রু।

    এর সমাধান কি?

    Reply
  10. তায়েফ আহমাদ

    “‘সত্য’ শব্দটির নির্দিষ্ট সংজ্ঞা নেই। এটি খুবই আপেক্ষিক। একজনের কাছে যা সত্য অন্যজনের কাছে তা নাও হতে পারে। আবার আজকের দিনের জন্য যা সত্য আগামীতে তা পাল্টেও যেতে পারে।”
    আমার আজকাল ব্যক্তিগতভাবে এদেশের তথাকথিত ‘শিক্ষিত’, ‘সুশীল’ ও ‘আধুনিক’ লোকজনের সাধারন জ্ঞান (Common Sense) ও বিদ্যা-বুদ্ধির লেভেল দেখে ভীষণ বিবমিষা জাগে।
    ‘সঠিক’ জিনিসটা আসলে কী বস্তু? এটি কি ‘সত্য’ হতে বহুদূরের আলাদা কোন বস্তু? নির্দিষ্ট সংজ্ঞাবিহীন ‘সত্য’ যদি আপেক্ষিক হয়, ব্যক্তিনির্ভর হয় কিংবা কালনির্ভর হয়; তবে, সঠিক বলে কোন কিছুর অস্তিত্ব এ নশ্বর জগতে থাকে কীনা?! এটি বোঝার মত বা বোঝানোর মত সাবালকত্ব যদি নাই থাকে, তাহলে, শুধুমাত্র নিজের মস্তিষ্কপ্রসূত ধারনা নিয়ে বাগাড়ম্বর করতে কলম-কীবোর্ড না চালানোই শ্রেয়।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—