Feature Img

Rafida Ahmed Bonyaএকটু একটু করে বেঁচে ওঠার চেষ্টা করছি প্রতিদিন। শরীরের ক্ষত তাকিয়ে থাকে আমার দিকে, জীবনের ক্ষত নিয়ে ভাবার ইচ্ছে হয় না এখনও। একটু একটু করে গড়ে তোলা বহু বছরের জীবনটা ফেলে এসেছি ঢাকার বই মেলার ফুটপাতে। মাঝরাতে ঘুম ভেঙ্গে চোখের সামনে দেখতে পাই ফুটপাতের উপর পড়ে থাকা অভিজিতের রক্তাক্ত দেহ। ভরদুপুরের নিস্তব্ধতায় শুনতে পাই হাসপাতালে আমার পাশেই শুইয়ে রাখা ক্ষতবিক্ষত অর্ধচেতন অভিজিতের মুখ থেকে ভেসে আসা অস্ফুট আওয়াজ। ডাক্তার যখন আমার কপালের, মাথার চাপাতির কোপগুলোর সেলাই খোলে, তখনও আঁতকে উঠি। বুড়ো আঙুলহীন বাম হাতটা দেখে প্রায়শ চমকেও উঠি। আয়নায় নিজের চেহারাটাও ঠিকমতো চিনতে পারি না আর।

আহত মস্তিষ্ক উত্তর খোঁজে, খোঁজে কারণ আর পারম্পর্য। তারপর বুকের খুব গভীরের সেই অপূরণীয় শূণ্যতা থেকে জন্ম নিতে থাকে এক অদ্ভূত অনুভূতি। চোখে ভাসতে থাকে মানুষের চেহারায় মনুষ্যেতর সেই প্রাণিদের কথা, যারা ঢাকার রাজপথে উন্মুক্ত চাপাতি হাতে বেরিয়ে আসে অন্ধকার মধ্যযুগীয় মূল্যবোধের গুহা থেকে, যাদের হুঙ্কারে ক্রমশ আজ চাপা পড়ে যাচ্ছে সভ্যতার স্বর।

লেখাটা লিখতে লিখতেই দেখলাম ঢাকা শহরে আবারও নাকি চাপাতির উল্লাসে ফেটে পড়েছে তাদের বিজয়গর্জন। এক মাস যেতে না যেতেই তারা আবার অভিজিতের হত্যা উদযাপন করেছে আরেকটি হত্যা দিয়ে। বাংলার মাটি ভিজতেই থাকে ধর্মোন্মাদ কূপমণ্ডূকদের নবীন উল্লাসে।

কিন্তু ইতিহাস ও বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী হিসেবে তারপরই মনে পড়ে যায় সে কথা, তোমরা তো সব সময় ছিলে। তোমাদের মতো ধর্মোন্মাদ অপশক্তিগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেই এগিয়েছে মানবসভ্যতা। তোমাদের মতো হায়েনার দল সব সময় প্রগতিকে খুবলে খুবলে খাওয়ার চেষ্টা করেছে। বুদ্ধিবৃত্তি, বিজ্ঞানমনস্কতা, প্রগতিশীল শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি, সবই তোমাদের আতঙ্কিত করেছে যুগে যুগে। তোমরাই তো প্রতিবার জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রগতি আটকাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছ। কিন্তু সামান্য কলমের আঁচড়ে তোমাদের কাঁচের ঘর হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে। তোমাদের দুর্বল ধর্মবিশ্বাস মুক্তচিন্তার হাওয়ায় নড়ে ওঠে। তলোয়ার নিয়ে, চাপাতি নিয়ে ছুটে আস, কল্লা ফেলেই শুধু তোমাদের ঈমানরক্ষা হয়।

তোমরা তো সব সময় ছিলে…

হাইপেশিয়ার শরীরের মাংস তোমরাই চিরে চিরে উঠিয়েছিলে। অসংখ্য নির্দোষ ‘ডাইনি’ পুড়িয়েছ তোমরা। সতীদাহে মেতেছ। ব্রুনোকে আগুনে পুড়িয়ে দানবীয় আনন্দ পেয়েছ। কূপমণ্ডূকের মতো গ্যালিলিওকে শাস্তি দিয়ে স্বস্তির ঢেঁকু্র তুলে ভেবেছ, এই বুঝি পৃথিবীর ঘোরা চিরতরে বন্ধ করে দিতে সক্ষম হলে!

অভিজিৎ হাইপেশিয়াকে নিয়ে একটা লেখা লিখেছিল অনেক আগে। সামান্য অক্ষরজ্ঞান থাকলে পড়ে দেখ, দেড় হাজার বছর আগের ধর্মোন্মাদ ফ্যানাটিকদের সঙ্গে আজকের তোমাদের কোনো পার্থক্য নেই। সময়, পটভূমি ও অস্ত্র একটু বদলে দিলে তোমাদের নিজেদের চেহারাই দেখবে ওদের মধ্যে। হাজার বছরেও কাল, দেশ, ধর্ম, জাতিনির্বিশেষে তোমাদের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

‘‘একাত্তরে বাঙালি বুদ্ধিজীবী হত্যার মতোই সিরিল (পোপ-পূর্ববর্তী সময়ে আলেকজান্দ্রিয়ার ক্রিশ্চান ধর্মগুরু) যেমনভবে বেছে বেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘নব্যতান্ত্রিক’ নিও-প্লেটোনিস্টদের ধরে ধরে হত্যার মহোৎসবে মত্ত ছিলেন, এমনই এক দিন কর্মস্থলে যাওয়ার পথে হাইপেশিয়া মৌলবাদী আক্রোশের শিকার হলেন, অনেকটা আজকের দিনের হুমায়ুন আজাদের মতোই। তবে হাইপেশিয়ার ক্ষেত্রে বীভৎসতা ছিল আরও ব্যাপক। হাইপেশিয়া-হত্যার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ পাওয়া যায় পনের শতকে সক্রেটিস স্কলাসটিকাসের রচনা হতে:

‘পিটার নামের এক আক্রোশী ব্যক্তি অনেক দিন ধরেই তক্কে তক্কে ছিল। শেষমেষ সে হাইপেশিয়াকে কোনো এক জায়গা থেকে ফিরবার পথে কব্জা করে ফেলে। সে তার দলবল নিয়ে হাইপেশিয়াকে তাঁর ঘোড়ার গাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে কেসারিয়াম (Caesarium) নামের একটি চার্চে নিয়ে যায়। সেখানে তারা হাইপেশিয়ার কাপড়-চোপড় খুলে একেবারে নগ্ন করে ফেলে। তারপর ধারালো অস্ত্রের সাহায্যে তাঁর চামড়া চেঁছে ফেলে, তাঁর শরীরের মাংস চিরে ফেলে। আর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার আগ পর্যন্ত হাইপেশিয়ার উপর তাদের অকথ্য অত্যাচার চলতে থাকে। এখানেই শেষ নয়, মারা যাবার পর হাইপেশিয়ার মৃতদেহ টুকরো টুকরো করে সিনারন (Cinaron) নামের একটি জায়গায় জড়ো করা হয় আর তারপর পুড়িয়ে তা ছাই করে দেওয়া হয়।’

হাইপেশিয়াকে হত্যা করা হয় ৪১৫ ক্রিস্টাব্দের মার্চ মাসে। হাইপেশিয়ার হত্যাকারীদের তালিকায় ছিল মূলত সিরিলের জেরুজালেমের চার্চের প্যারাবোলানস, মৌলবাদী সন্ন্যাসী, নিটৃয়ান খ্রিস্টীয় ধর্মবাদীরা।’’

ভুল করেও ভেব না যে, আমরা ভাবছি তোমরা শুধু ইতিহাসের পাতা জুড়েই আবদ্ধ হয়ে আছ। তোমরা যে এই একুশ শতকে আরও শক্তিশালী হয়ে আহত হিংস্র পশুর মতো দক্ষযজ্ঞে লিপ্ত হয়েছ, সেটা ইচ্ছে করলেও কারও চোখ এড়াতে পারবে না। ঈমানরক্ষার জন্য আইসিসের জল্লাদেরা যখন কল্লা কাটে, বিধর্মী মেয়েদের যৌনদাসী হতে বাধ্য করে, বোকো হারাম যখন কয়েকশ তরুণীকে উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে মধ্যযুগীয় বাজারদরে বিক্রি করে বা তালিবানরা যখন নিস্পাপ স্কুলছাত্রদের উপর গণহত্যা চালায়, তখনও আমরা দেখতে পাই, তোমরা আগেও যেমন ছিলে, এখন তেমনি আছ।

বিশ্বজুড়ে তোমাদের ক্ষমতাধর পৃষ্ঠপোষকদেরও আমরা চিনি, যারা যুগে যুগে তোমাদের টিকে থাকতে সাহায্য করেছে, ধর্মের ব্যবসা থেকে মুনাফা লুটেছে। তোমাদের মূর্খতা, কূপমণ্ডূকতা এবং পাশবিক নিষ্ঠুরতার নমুনা তো সারাক্ষণ চারপাশেই দেখেছি; এবার নিজের জীবনেও দেখলাম।

আমার মাথার চাপাতির কোপগুলো এখনও পুরোপুরি সারেনি। আঙুলবিহীন হাতটা এখনও অবাক করে। আর অভিজিতের নিথর হয়ে পড়ে থাকা দেহটা তো চোখের সামনে ভেসেই থাকে। আর তখনই বুঝতে পারি– না, তোমাদেরকে ঘৃণাও করি না আমি, করতে পারি না। বড্ড অরুচি হয় তোমাদের মতো অমানুষদের ঘৃণা করতে। একজন মানুষকে ঘৃণা করার জন্য তাদের মধ্যে যতটুকু মনুষ্যত্ব অবশিষ্ট থাকতে হয়, তার কণাটুকুও নেই তোমাদের মধ্যে। তোমরা আমার ঘৃণারও যোগ্য নও।

অভিজিৎ, আমি, বাবু এবং বর্তমান ও ইতিহাসের পাতা জুড়ে ছড়িয়ে থাকা আমাদের মতো হাজারো মানুষেরা তোমাদের অপকর্মেরই সাক্ষী। তোমাদেরকে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে ছুঁড়ে ফেলার সময় মানবসভ্যতা এই বর্বর উন্মাদনা দেখে ঘৃণায় শিউরে উঠবে, এ থেকেই সামনে এগিয়ে যাবার প্রতিজ্ঞা নেবে।

|| দুই ||

এবার একটু অন্য প্রসঙ্গে আসি। মাঝে মাঝে ভেবে অবাক হই যে, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এ প্রসঙ্গে আমরা এখনও একটা শব্দও শুনলাম না। যে দেশের ‘ন্যাচারালাইজড’ নাগরিক আমরা সে সরকার যতটুকু বলল, আমাদের জন্ম নেওয়া দেশের সরকার তার ধারেকাছেও কিছু বলল না, ভয়ে সিঁটকে থাকল! বলুন তো, আপনাদের ভয়টা কোথায়? নাকি এ শুধুই রাজনীতির খেলা?

অভিজিতের বাবাকে নাকি লুকিয়ে লুকিয়ে ফোন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দেখা করেছিলেন কয়েক জন মন্ত্রী। সে খবর যেন গোপন থাকে, সে বিষয়ে সতর্কতাও নিয়েছিলেন তাঁরা। আমরা জন্মেছি যে দেশে– বড় হয়েছি যে দেশে– দেশের বাইরে এসে ভালো চাকরি, গাড়ি, বাড়ি নিয়ে শুধু স্বাচ্ছন্দ্যে থাকার চিন্তা না করে লেখালেখি করেছি যে দেশের জন্য– বারবার ফিরে এসেছি যে দেশের মায়ায়– সে দেশের সরকারের কি কিছুই বলার ছিল না?

বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মিডিয়া, ব্লগগুলো তীব্র প্রতিবাদ করেছে; অভিজিৎ রায়ের লেখাগুলো অনুবাদ এবং পুনঃপ্রচারে নেমেছে অনেকগুলো প্ল্যাটফর্ম। দেশের বিভিন্ন শহরে, আর দেশের বাইরে লন্ডন, ওয়াশিংটন ডিসি, ফ্লোরিডা, টরন্টো, নিউইয়র্ক, বার্লিন, সিডনিতে মানববন্ধন থেকে শুরু অসংখ্য প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। অথচ বই মেলায় লোকে লোকারণ্য, আলোকিত ‘নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার’ মধ্যে অভিজিতের মতো একজন লেখককে কুপিয়ে কুপিয়ে মারা হল, তার প্রতিবাদ জানিয়ে একটা কথাও কি বের হতে পারল না আপনাদের মুখ থেকে? অথচ আপনারাই আপনাদের ধর্মোন্মাদ বন্ধুদের দাবিতে নাস্তিক ব্লগারদের ধরে ধরে জেলে পুরেছিলেন। তাদের ধরে জেলে পুড়তে যে তৎপরতা দেখিয়েছিলেন তার কণাটুকুও তো চোখে পড়ল না আজ!

অনেক সময় মৌনতাই অনেক কিছু বলে দেয়। আমরা কি ধরে নেব যে, অভিজিৎ বা বাবুর হত্যার পেছনে, আমাকে কোপানোর পেছনে, আপনাদেরও প্রচ্ছন্ন সম্মতি আছে? কলমের বিরুদ্ধে চাপাতির আঘাতই আপনারা এখন দেশের সংস্কৃতি হিসেবে মেনে নিতে বলছেন?

এক মাস চলে গেল। শুরুতে তদন্তের যাও-বা কিছুটা তাগিদ দেখলাম, তা আস্তে আস্তে মিইয়ে গেল। আপনাদের কাছ থেকে সহানুভূতি আশা করি না আমরা; সমর্থনের আশা তো বাদ দিয়েছি সেই কোন কালেই। আপনাদের ভোটের রাজনীতি করতে হয়, মন জুগিয়ে চলতে হয় কত ধরনের অপশক্তির, সেটা তো আমরা বুঝি। কিন্তু আপনাদের নিশ্চুপতার কারণটাও বড্ড জানতে ইচ্ছে করে।

বাংলাদেশে ধর্মীয় মৌলবাদ যে ধীরে ধীরে আঁটি গেড়ে বসেছে, তার খবর তো আমরা সবাই জানি। তাদের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে দেশবিদেশ জুড়ে কারা কাজ করছে তাও অজানা নয়। অভিজিতের হত্যা একজন দুজন লোকের হাতে হয়নি। এর পিছনে সংগঠিত ইসলামি মৌলবাদী সন্ত্রাসী দলের হাত রয়েছে, তার প্রমাণ আমরা সঙ্গে সঙ্গেই পেয়েছি। না হলে এত তাড়াতাড়ি ‘আনসার বাংলা ৭’এর মতো দল হত্যার দায়িত্ব স্বীকার করতে পারত না। এদের যদি সমূলে উৎপাটন করার ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে আমাদের ভবিষ্যৎ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, সেটা কি ভেবে দেখা দরকার নয় এখন? আইসিস, বোকো হারাম, আল-কায়েদার পথে জাতিকে ঠেলে দেওয়াটাই কি ভবিতব্য?

|| তিন ||

মানব সভ্যতা যখন আজ মঙ্গলগ্রহে বসতি বানানোর স্বপ্ন দেখছে, তখন আমরা মধ্যযুগীয় ‘উদ্ভট এক উটের পিঠে চড়ে’ পিছনের দিকে যাত্রা শুরু করেছি। ক্ষমতাশালীরা সব সময় প্রগতির গলা চেপে ধরার অস্ত্র হিসেবে ধর্ম ও ধর্মীয় মৌলবাদ লালন করেছে। তারা জয়ীও হয়েছে কখনও কখনও। কিন্তু যত সময় লাগুক না কেন, মানবসভ্যতা তাকে হারিয়ে দিয়ে আবার এগিয়ে গিয়েছে।

অভিজিৎ শুধু লেখালেখি করেনি, দেশে মুক্তবুদ্ধিচর্চার এক দৃঢ় প্ল্যাটফর্ম তৈরির চেষ্টাও করে গেছে আজীবন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কাবেরী গায়েন আমাকে এক ব্যক্তিগত ম্যাসেজে লিখেছেন, ‘‘জানি, লেখার প্রতিবাদে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে মারাটাই এখন আমাদের দেশের আইনি সংস্কৃতিতে পরিণত হয়ে গিয়েছে। তবে অভিজিতের মৃত্যুর পর একজন নাস্তিক এবং মুক্তবুদ্ধিচর্চাকারীর পক্ষে দাঁড়ানোর ব্যাপারে আমাদের যে ট্যাবুটা ছিল তা ভেঙ্গে পড়েছে। চারদিকে মানুষ সোচ্চার হয়ে উঠেছে। প্রতিদিনই প্রায় এ নিয়ে লেখালেখি, মিটিং, মিছিল চলছে।’’

অভিজিতকে কুপিয়ে হত্যার বিনিময়ে এই অর্জন কতটা যুক্তিযুক্ত সে বিতর্কে না গিয়েই বলছি, সমাজ সরলরেখায় এগোয় না, কখনও হোঁচট খেয়ে, কখনও হাঁটি হাঁটি পা পা করে, কখনও-বা জনগণের প্রবল শক্তিতে বলিয়ান হয়ে তীব্রগতিতে সামনে এগিয়ে চলে। আজ অগুণতি অন্যায়, হত্যা, অরাজকতা, দুর্নীতি দেখতে দেখতে যে মানুষেরা মনুষ্যত্বহীন হয়ে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে ফুটপাতে পড়ে থাকা চাপাতিতে কুপানো নিথর শরীরের দিকে, সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসার কথাও ভাবতে পারে না, তারাই হয়তো একদিন জাগবে। ইতিহাস বলে, আমরাও এগুব; তবে দুপা আগানোর আগে আর কত পা পিছাতে হবে, সেটা হয়তো সময়েই বলে দেবে।

বন্যা আহমেদ: ব্লগার।

বন্যা আহমেদমুক্তমনা লেখক; আমেরিকার ক্রেডিট ইন্ডাস্ট্রিতে সিনিয়র ডিরেক্টর ও ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসে ভিজিটিং স্কলার হিসেবে কর্মরত

১১১ Responses -- “তোমাদের ঘৃণা করতেও ঘৃণা হয় আমার”

  1. ashik

    ইসলামের প্রথমদিক অর্থাৎ রাসূল (স)এর জীবদ্দশা ও পরবর্তী চার খলীফার কর্মপ্রণালীর সঠিক ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ করলে আজ পর্যন্ত কেউ বলে না যে আজ আমরা মানুষের জন্য যা কিছু কল্যাণকর চিন্তা করতে পারছি তার কোনটি তাদের কর্মপরিধির বাইরে ছিল। তাদের পরিশ্রম ও মানুষকে মানুষ হিসেবে সর্বোচ্চ মর্যাদা দেয়ার কারণে তারা এমন সভ্যতা তৈরী করতে পেরেছিলেন, ইতিহাস সাক্ষী, জ্ঞান চর্চা এমন পর্যায়ে যেতে পেরেছিল যা আজ আমরা কল্পনায়ও সাহস করি না। তাই আজকের বিশ্বে সবার আগে মুসলমানরা সেই সাথে অন্যরা সরাসরি সেই প্রাথমিক যুগের কর্মপরিধি অনুসরণ করে তাহলে আমরা উত্তরণের আশা করতে পারি,আশার কথা এইযে, সেই ইসলাম এখনও বিলীন হয়নি।তার প্রকৃত অনুসন্ধান ও চর্চার দায়িত্ব সবার আগে আমাদেরই

    Reply
  2. Prabal Kumar Basu

    Apnar lekhata pore chitkaar kore kende uthte chailam prothome . Taarpor chup kore gelam . Onekkhaon bose aachi. Na amra ektuo egoi ni. Rajneeti r lokra shunteo pae na. Tobu manob sabhyota egie chole ei koekjon chintasheel manushder udyogei,

    Reply
  3. Azizul Malik

    Even though every Faith claims to be the real one,others are fake and shall be taken care of by “the god”.But they are very much united, about safe keeping of each others social space and against the secularism.Just for an example, If any body wants to rent a room in a church for a different religious event,the fees are discounted,be it a muslim or hindu thing.So,religions are unitedly dragging the society to the apocalyptic end of humanity.Religions instruct not to question,but to follow.Curiosity and inquisitiveness is considered as anti-religion.Please be aware of religion.

    Reply
  4. amitabha kar

    Though pen is mightier than sword, only pen can not suppress the sword. Mao Ze Dong said ” If you want to get rid of weapon, first you’ve to take up weapon” The international forces of reaction are hand in glove with fundamentalist terrorism. Both the peaceful and militant movement against these reactionary forces can only create red terror in the minds of the fundamentalists. the answer of the white terror is red terror.

    Reply
  5. Masud miah UAE-RAK

    Islam is peace.The hole Islam is not terrorist.Some pepole are terrorist he can be any religion.You belive to Allah or not that is your persona matter but nobody kill to you.Allah will give punishment after death.you can not criticize to other religion.Fredom is not meanings you can do anything and it is the wrong.If you bed treat to other you will get bed result.The earth is like as mirror.If you show salam your reflection will show salam and if you show stick your reflection will show the stick.

    Reply
  6. Rasheda Khan

    সবাই বলে, এমন কি আমি নিজেও অনেক সময় হতাশ হয়ে যাই যে ফেইসবুক, ব্লগ আর বিভিন্ন জায়াগায় কথা বলে শব্দ আর বাক্যের আস্ফালন ছাড়া আমরা আর কিছুই করতে পারি না।
    কিন্তু আর কি করবো এটা বলতে পারবেন কি? কোনো খোঁচা দেওয়া প্রশ্ন নয়, সত্যি সত্যি জানতে চাচ্ছি।
    কলমই যেখানে আমাদের হাতিয়ার,
    এই সোস্যাল এবং প্রিন্টিং মিডিয়াগুলোই যখন আমাদের যুদ্ধক্ষেত্র আর
    প্রচলিত সমাজ ব্যাবস্থাকে প্রশ্ন করাই যখন আমাদের এই যুদ্ধ চালিয়ে যাবার চালিকা শক্তি
    ….তখন অন্য কোন প্রথায় আমরা লড়তে পারি একটু বলবেন কি?

    my heart bleeds with you Bonnya Ahmed

    Reply
  7. Sankar Mukherjee

    কাপুরুষরা শুধু বাক্তি মানুষের দেহকে আঘাত করতে পারে, প্রগতিশীল চিন্তা , ,ভাবধারা ,কে মোকাবিলা করতে তারা ইতিহাসে বারে বারে এই পন্থা অবলম্বন করেছে , কিন্তু এই ভাবে তার বিজায় রোখা যাবে না, কিন্তু এই লড়াই এর আপোষহীন সৈনিক হিসেবে তোমাদের প্রতি সহমরমিতা না জানালে নিজেকে অপরাধী হিসেবে ধরব

    Reply
  8. রানা ঠাকুর

    “ধর্ম, সে যে বর্ম সম সহনশীল, তাকে কি ভাই ভাঙ্গতে পারে ছোঁয়া ছুঁইয়ের ছোট্ট ঢিল।
    যে জাত ধর্ম ঠুনকো এতো, আজ নয় কাল ভাঙ্গবে সে তো
    যাক না সে জাত জাহান্নামে, রইবে মানুষ – নেই পরোয়া…” কাজী নজরুল ইসলাম

    আমি নিরোপেক্ষ নই, কিন্তু আমি ধর্মনিরোপেক্ষ।
    আমি অভিজিৎ, রাজীব, ওয়াশিক, হুমায়ুন আজাদ-দের পক্ষে, আমি মানুষের পক্ষে।
    আমি “মানুষের চেহারায় মনুষ্যেতর সেই প্রাণিদের” বিপক্কে, মানবেতর-কুপমুন্ডুকদ-ধর্মান্ধ ঘাতকদের বিপক্ষে।
    আমি পক্ষপাত দুষ্ট, আমি বাংলাদেশের পক্ষে, ৭২-এর সংবিধানের পক্ষে।

    Reply
  9. kaji

    Rajib morar por apnara bollen ei gula tar lekha na. Avijit morar por mukto Mona blog bondho. ei holo apnader bakshadhinota ar ar biggan chorchar nomuna ja nijerai prokash korte lozza pan.

    Reply
  10. সৌম্য

    বন্যা এ লড়াই শুধু রাজীব, অভিজিৎ, ওয়াশিকুর বা আপনার নয়… এ লড়াই এপার-ওপার দুই বাংলার সমস্ত প্রগতিশীল মানুষের। আপনার শূন্যতা হয়ত আমরা ভাগ করে নিতে সত্যিই পারবনা, কিন্তু এই লড়াই আমাদের থামবে না। মুক্ত মনের মৃত্যু নেই… ভালো থাকবেন কমরেড।

    Reply
  11. পার্থ চ্যাটার্জ্জী

    2011 সালের পর থেকে বাংলাদেশের মতো পশ্চিমবঙ্গেও হিন্দু ধর্মান্ধের দাপাদাপি বাড়ছে ৷ অভিজিৎ, ওয়াশিকুর, জ্যোতি বসুদের সংখ্যায় অারও অারও বেশী প্রয়োজন হয়ে পড়েছে ৷ ধর্মই শ্রেণীশত্রুদের চিনতে দেয় না ৷ সোচ্চারে বলার সময় এসে গিয়েছে অামরা নাস্তিক ৷

    Reply
  12. তন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়

    আবেগই মানুষকে মনুষ্যপদবাচ্য করেছে। মানব-সভ্যতার ইতিহাসে পৃথিবীতে ধর্মান্ধ মানুষের কোন অবদান নেই, বরং, এই জাতের মানুষরা যুগে যুগে পৃথিবীতে যুগিয়েছে ধ্বংসের উপাদান। এরা মানবসভ্যতার শত্রু। সভ্য সমাজে এরা ঘৃণা, লজ্জা ও বিবিমিষার পাত্র। এদের বিচ্ছিন্ন ও নিশ্চিহ্ন করাটাই মানব সমাজের অবশ্যকরণীয় কর্তব্য হওয়া প্রয়োজন।

    Reply
  13. রঙধনু

    আমিও বিশ্বাস করিনা মহাবিশ্বের একজন সৃষ্টিকর্তার প্রয়োজন আছে! এবং বিশ্বাসিদের শ্রদ্ধা করি। পারস্পরিক গালাগালির পরিণামে অন্ধ এবং অত্যধিক আলোকিত ব্যক্তিদের দ্বন্দে (যুদ্ধে) হত্যাকান্ড দু পক্ষেরই সিমাহীন ক্ষতির কারণ হচ্ছে। এরপরও বলি আমরা ব্যর্থ বরাবরের মত…….মুক্তমনের পরিচয় দিতে। সরি অভিজিত এবং আশিকুর এবং রাজিব! সরি তাদের জন্য যারা ব্লগ না চিনেও ব্লগার হত্যা করছে! আমরা পারছিনা তোমাদের আলোকিত করতে!
    পৃথিযীটা চরমপন্থিদের হাতে এখনও! এ প্রবৃত্তি বড় ভয়াবহ! এর শেষ দরকার!

    Reply
  14. Barid Tarafdar

    The sad part is many more like Rajib, Abhijit will be killed. The secular liberals are scattered individuals and therefore are easy prey. But things have improved in the sense that the Pak army killed in hordes; now it is done in singles. No I don’t see any hope of protection for this tiny, important group.

    Reply
  15. অনন্ত আখন্দ

    মত প্রকাশের জন্য জীবন হারানো নতুন নয় অবশ্যই। কিনতু কোনো মৃত্যুই বৃথা যায় না।
    দেখুন মুক্তচিন্তার দলও বাড়ছে। দশ বিশ নাহলে একশ বছর পরে হলেও একদিন এই সংগঠিত
    ধর্মগুলোর স্থান হবে ইতিহাসের আস্তাকুরে।
    আপনি শীঘ্র সুস্হ হয়ে উঠুন এই কামনা করি।

    Reply
  16. ট্রোজান

    অভিজিত দা’র এভাবে হারিয়ে যাওয়ার কষ্ট আপনার সাথে অভিজিত দা’র সত্যের আলোয় আলোকিত প্রতিটি মানুষের। আপনি লড়াই চালিয়ে যান আপু, আলো আসবেই।

    Reply
  17. মামুন রেজা

    চাপাতির চাইতে কলমের শক্তি অনেক বেশি শক্তিশালী।
    কলমের যুদ্ধ চলুক আর তাতে যেন ঘুনে ধরা সমাজের মাথা ছিন্নভিন্ন হয়ে লুটেপুটে মাটিতে গড়াগড়ি খায়।

    Reply
  18. মশিউর রহমান

    আমি আসলে একটু কনফিউজড , অভিজিৎকে কেন হত্যা করা হয়েছিল । বিজ্ঞান বিষয়ক লেখার জন্য নাকি ধর্মীয় বিষয় নিয়ে কটূক্তি করার জন্য । আসলে আমরা সাধারন মানুষ এইগুলো দেখতে চাই না । আমরা চাইনা আপনারা ধর্মীয় বিষয়গুলো নিয়ে কটূক্তি করেন । আমরা আপনাদের মৃত্যু , রক্তারক্তি এগুলোও দেখতে চাইনা । সমাজে ভিন্নমত থাকবেই । সবার উচিৎ সবাইকে সম্মান দেখিয়ে চলা ।

    Reply
      • বাবু

        উল্লেখিত ব্যক্তিদের কি কারণে হত্যা করা হল তার পক্ষপাতহীন ব্যাখ্যা জানতে চাচ্ছি।তাদের কোন কথাগুলো ধর্মে আঘাত করেছিল তা জানতে খুব ইচ্ছে হচ্ছে

      • মোহাম্মদ এনামুল হক

        অভিজিত এর কোন লেখা গুলা বাস্তবে প্রমান করার মত যোগ্যতা রাখে তার উদাহরণ কি দিতে পারবেন?

    • রাগীব

      কটুক্তি আর অযৌক্তিকতাকে যৌক্তিকতার আলোকে বিশ্লেষণ করা এক নয়। এক শ্রেণির ধর্ম ব্যবসায়ী যখন অনর্গল অবৈজ্ঞানিক, অযৌক্তিক মতামত প্রচার করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে, মানুষ হত্যায় অনুপ্রাণিত করে, অন্য ধর্মের উপর আঘাত হানে– তাদের বিরুদ্ধে সত্য উচ্চারণ করাটা কটুক্তি নয়। কেউ যদি ধর্মের কোনো অপব্যাখ্যা দিয়েও থাকে সেক্ষেত্রে সঠিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করে তা বাতিল করাটাই যৌক্তিক…..কিন্তু তা না করে কেউ যদি ভিন্ন মতাবলিম্বীকে চাপাতি দিযে কুপিয়ে হত্যা করে তখন বুঝে নিতে হয় ওই ভিন্ন মতটাই সঠিক। সত্য স্বীকার করার মতো সৎসাহসের অভাবে তারা কাপুরুষোচিত হত্যার পথ বেছে নিয়েছে।

      Reply
      • মোহাম্মদ এনামুল হক

        কটুক্তি আর অযৌক্তিকতাকে যৌক্তিকতার আলোকে বিশ্লেষণ করা এক নয়। অভিজিত এর মত ধর্ম ব্যবসায়ী যখন অনর্গল অবৈজ্ঞানিক, অযৌক্তিক এবং মিথ্যা মতামত প্রচার করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে, মানুষের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য অনুপ্রাণিত করে, অন্য ধর্মের উপর আঘাত হানে– তাদের বিরুদ্ধে সঠিখ বিচার করাটা কেন বৈধ নয়? কেউ যদি ধর্মের কোনো অপব্যাখ্যা দিয়েও থাকে সেক্ষেত্রে সঠিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করে তা বাতিল করাটাই যৌক্তিক কিন্তু অভিজিত এর মত কাপুরুষ যাদের কিনা ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে নাম কামাইতে চাই , তাদের কে বারবার বোঝানো শর্তেও তারা কিছু স্বার্থবাজ এর সাহায্যে নিয়মিত একই কাজ করছিল ..তাই অভিজিত এর মত লোকদের চাপাতি দিয়ে না কুপিয়ে , দিবালোকে সবার সামনে শিরচ্ছেদ করাটাই যুক্তিযুক্ত ছিল.

    • mostafa kamal

      Lধর্মকে নিয়ে সমালোচনা , জিজ্ঞাষা, মতানৈক্য বা কটুক্তি করলেই যদি ধর্মের মৃত্যু ঘটে সেটা কি কোন ধর্ম ?

      Reply
      • মোহাম্মদ এনামুল হক

        সমালোচনা করার পূর্বে আলোচনা করতে হয়, আলোচনা করতে গেলেই মতানৈক্য সৃষ্টি হয় তার কারণ হলো না জানা, তাই আলোচনা করার পূর্বে জানতে হয় আর জানতে হলে জিজ্ঞাসা করতে হয়, তাই না জেনে না বুঝে ভুল-ভাল বলে কটুক্তি করলে এই ভাবেই খেসারত দিতে হয়.

  19. এম.আকাশ

    অন্ধকার সরণী ধরে শেষ হবে এই পাথ চলা… আসবে যেন সেই সকাল জীবনেরই গল্প বলা।

    Reply
  20. তাজ

    অভিজিতের কর্মময় জীবনের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা। শুধু লেখালেখিই নয়, তর্ক-বিতর্কের যে কোন পর্যায়েই সহজাত সৌজন্য বজায় রাখার সর্বোত্তম উদাহরণ মুক্তমনার কমেন্টস্ট্রিমগুলো- পাঠকরা আবার দেখতে পারেন।বন্যার জন্য সতত শুভকামনা। এই অসাড় সময়ে আমাদের অসংখ্য মনের কথা এভাবে প্রকাশ করতে পারার মতো কঠিন কাজ কম হয়। আপনার শক্তিমতী কিবোর্ডের দীর্ঘায়ু কামনা করি।

    অক্ষরের জবাব অক্ষরে, এবং শুধুমাত্র অক্ষরেই হোক। চাপাতির প্ররোচনার দায় অক্ষরকে দেয়ার উন্মাদ সিদ্ধান্তের অপরাধ থেকে মুক্ত হোক মানুষ। “অনুভুতিতে আঘাত”-মার্কা বায়বীয় বুলি থেকে মুক্ত হোক রাষ্ট্রের আইন। ফ্যাক্ট আর ওপিনিয়নের পার্থক্য নিজে বোঝার জ্ঞান এবং আমজনতাকে বোঝানোর সুমতি হোক আইনপ্রণেতাদের। শুভ শক্তি, সুস্থ বুদ্ধি ও মুক্ত চিন্তার জয় হোক।

    Reply
  21. Mahmuda Chowdhury

    বন্যার হৃদয়গ্রাহি লেখাটা পড়ে আত্মদহন হচ্ছে।
    পুরান একটা সংলাপ বলতে ইচ্ছে হচছে-‘ ক গোলাপী ক’ একটা কথা ক।’

    Reply
  22. মামুন

    বন্যা, আপনার অমিত প্রান শক্তি আর ইস্পাত কঠিন মনোবল দেখে বার বার মুগ্ধ হচ্ছি।আপনার কাছ থেকে বাংলাস্থানের আম জনতা, সব ধরনের আতেল বুদ্ধিজীবী ও স্নত্রাসী রাষ্ট্রের ক্ষম তাধররা যেন মাফ চেয়ে অতিসত্তর বাংলার আকাশের নক্ষত্র অভিজিৎ হত্যাকারীদের বিচারের কাঠগড়ায় হাজির করে কঠিন শাস্তি প্রদান করে সেই আশাই করছি।
    জয়তু বন্যা এবং আমরা আপনাদের পাশে আছি।

    Reply
  23. বাংগাল

    আপনি সহানুভূতি আশা করতেই পারেন দেশের মানুষের কাছে , সরকারের কাছে । কিন্তু “দেড়হাজার বছর আগের ধর্মোন্মাদ ফ্যানাটিক” আপনাদের মাথায় হাতুড়িপেটা করছে যতক্ষণ , ততক্ষন আপনি ভুল যায়গায় সহানুভূতি হাতড়ে বেড়াবেন । স্বাভাবিক বুদ্ধিজ্ঞান সম্পন্ন দেশের সকল মানুষ চায় অভিজিত হত্যার হোতাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হোক । কিন্তু উস্কানিমূলক লেখা লিখে এটা আশা করবেননা যে দেশের প্রধানমন্ত্রী ” লুকিয়ে লুকিয়ে ” না করে সাংবাদিক ডেকে কাছে বসিয়ে আপনাদের কাছে ফোন করবে।

    Reply
  24. Paul

    বন্যা ;
    তোমার পরবর্তী লেখা পড়ার জন্য অধীর অগ্রোহে থাকব. লিখে যাও বন্যা বেগে।
    মানুষের জন্য লেখা অন্ধ দের আলো দেবে।

    Reply
  25. সাইদুর রহমান শাহীন

    রাজিব,অভিজিৎ কিংবা ওয়াশিকুর যেই হোক না কেন, যেই সমস্ত আস্তিকেরা নাস্তিকতার দোহাই দিয়ে এই মানুষগুলিকে হত্যা করছে, তারা বা তাদের ধর্মজ্ঞান সম্পর্কে কতটুকু ধারনা আছে এ বাপারেও যথেস্ট সন্দেহ আছে, এ্র্ই সমস্ত আস্তিকেরা ধর্মকে ব্যবহার করে কুলষিত করছে শান্তির ধর্ম ইসলামকে। 1971 সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে 30 লক্ষ শহীদের আত্নত্যাগের বিনিময়ে যে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটির জন্ম হয়েছিল তা এখন জঙ্গীবাদের চারনভূমি। গতকাল কোন এক পত্রিকাতে দেখলাম আরও 84 জন ঐসমস্ত জঙ্গীদের হিটলিস্টে আছে। যে কোন সময় তারাও শিকার হতে পারেন হামলার। মুখস্থ নির্ভর হাফেজিয়া মাদ্রাসার ৯৮% শিক্ষার্থী নিম্নবিত্ত অথবা এতিম। আধুনিক শিক্ষার ব্যয় নির্বাহ করতে না পারা, জাগতিক দুঃখ দুর্দশার তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে পরকালের অফুরন্ত সুখের আশায় তারা আধুনিক সুযোগ সুবিধাহীন এই শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি আগ্রহী হয়। যেখানে সরকারের কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। কোন সার্বজনীন পাঠ্যসূচী নেই। ওয়াশিকুর বাবুকে খুন করে পালিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরাপড়া দুই মাদ্রাসা ছাত্র আরিফুল ও জিকরুল্লার শিকারোক্তি অনুযায়ী কাকে কেন খুন করা হচ্ছে, এমনকি তারা কোথায় কি লিখছে তাও জানতোনা,ছবি হাতে দিয়ে এবং বাসার ঠিকানা বলে দিয়ে বলা হয়েছে ধর্মের অবমাননা করেছেে একে মেরে ফেলতে হবে। আর তারা মেরে ফেলল। তারা জানেনা ব্লগ কি, তারা জানে শুধু ব্লগার হত্যা করা।

    Reply
    • রাগীব

      রাজীবকে হত্যা করেছিল নর্থ-সাউথ ইউনিভার্সিটির কয়েক জন ছাত্র, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হত্যার পিছনে ওই বিশ্ববিদ্যালযেরই শিক্ষক জড়িত—- তারা নিম্নবিত্তও নয় এতিমও নয়। মুখস্থ নির্ভর কাওমি মাদ্রাসার ছাত্রও নয়…………….কাজেই সহজ কোনো সমিকরণে উপণিত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

      Reply
  26. Paul

    অসামান্য লেখা, বন্যা ; লেখা চালিয়ে যাও বন্যা বেগে।
    মানুষের জন্য লেখা অন্ধ দের আলো

    Reply
  27. মোহাম্মদ এনামুল হক

    অভিজিত যেই পথে ছিল বা যে উদ্দেশ্য সফল করতে চেয়েছিল , ইনশাল্লাহ সেই চেষ্টা কখনই সফল হবে না ,
    মুক্তমনা বা সুস্থমনা যেটাই হতে চান না কেন , তার আগে মুক্ত ভাবে অথবা সুস্থভাবে চিন্তা করুন প্রমান সহকারে , তারপর কথা বলুন , এছাড়া যা বলবেন সেটা কিন্তু প্রলাপমনা হবে.

    Reply
  28. রাখাল রাহা

    সেদিনের পর থেকে বাংলাদেশে যত হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, যত বিচারহীনতা অব্যাহত আছে এর সবগুলোর সাথে প্রধানমন্ত্রীর ‘কারো বেডরুমের নিরাপত্তা দিতে পারবো না’ এই উক্তির কম-বেশী প্রভাব রয়েছে।

    ঈশ্বর আপনাকে শোক কাটিয়ে ওঠার শক্তি দিন।

    Reply
  29. অনির্বাণ

    বন্যা’দি – কি লিখব আপনার লেখায় বুঝে পাচ্ছিনা – শুধু বলব আপনাদের মত মানুষেরাই আমাদের বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা !
    আপনি শারীরিক সুস্থ হয়ে উঠুন শিগগির এই কামনা করি – আর অনুরোধ করব আমেরিকায় থেকে আপনার লেখা চালিয়ে যাবার ! বাংলাদেশে আর নয় ! তবু প্রার্থনা করব একদিন সেই সুদিন আসবে যেদিন ওই ২১শে বইমেলা চত্ত্বরেই মাথা উঁচু করে হাঁটবেন আপনি !

    Reply
  30. পলাশ মাহমুদ

    বাংলাদেশে এক শ্রেণীর ধর্মান্ধ রয়েছে। নানা সময়ে আমরা তাদের মুখোষ দেখি। কিন্তু অভিজিৎ রায়কে কারা হত্যা করেছে সেটি সরকারের সব প্রশাসন মিলেও উদ্ধার করতে পারে নি। আপনি কি মনে করেন সরকারের পক্ষে এটা উদ্ধার করা সম্ভব নয়?
    বাংলাদেশে জঙ্গীগোষ্টি বলতে আমরা যাদের জানি তারা কোন না কোনভাবে আমাদেরে দ্বারাই লালিত হয়। তাহলে আপনি কাকে ঘৃণা করবেন? আমাদের উচিৎ আগে নিজেদের চরিত্র ঠিক করা। তাহলে অভিজিৎরা হারিয়ে যাবে না।

    Reply
  31. sayeed h Khan

    আমাদের ছেলেমেয়েদের জন্য একটি মুক্ত আকাশের প্রত্যাশা কি আমরা কোরতে পারি না ?

    Reply
  32. mohammed Hossain

    কারও এমন পরিনতি দু্্্রখজনক। কিছু বিষয় পরিষ্কার করা উচিত। মৌলবাদী – কেউ যদি একজন স্রষ্ঠাকে বিশ্বাস করে, তার মনোনীত বিধানকে বিশ্বাস করে। একজন প্রকৃত মুসলমান অবশ্যই মৌলবাদী এবং তার হাত ও মুখ থেকে অন্যরা নিরাপদ থাকে। তাই মৌলবাদী বলার আগে ভাবুন কাকে বলছেন। ধর্মীয় যৌগবাদী/নাস্তিকগন অন্য ধর্ম (মুসলিম/হিন্দু/খ্রষ্ঠান/ইত্যাদি) সম্পের্ক মন্তবে যত্নবান হউন। সন্ত্রাস, সন্ত্রাসীর কাজ,ধর্ম বিশ্বাসীর কাজ নয়। যারা ফ্যসাদ করে, তাদের “জংগীবাদী” বলুন “মৌলবাদী” নয়। অার ধর্ম ও বিজ্ঞান মোটেও সাংঘর্ষিক নয়, অন্তত ইসলামে।

    Reply
  33. আহমেদ বাবলু

    কাটিয়ে উঠুন মনের ক্ষত। চলমান থাক চিন্তার লড়াই………।

    Reply
  34. R. Masud

    “ধর্মান্ধ মৌলবাদী মুসলিমদের ঘৃণা করতেও ঘৃণা হয় আমার”
    এটাই হোক আমাদের এই কালের জিকির—

    Reply
  35. R. Masud

    বন্যা ছোট বোন আমার।
    ত্তোমার প্রতিটি কথা এমন রিজিড সত্যি যে,প্রতিটি কথাই যেন এক একটা প্রচণ্ড চগেটাগাত।
    বাংলাদেশ সরকারের সমালোচনা যা করেছ তাও ঠিক মোটেই ভুল নয়, শুধু এই মৌলবাদদের প্রতি হাসিনা সরকারের সমর্থন আছে তা বোধ হয় ঠি—
    এখানে রাজনীতি একটা ব্যাপার আছে, যেমন ধর, তোমার আজকের যেই বাসস্তান আমেরিকা, যেখানে প্রগতিশীল ধারা অতিব উচ্চ পর্যায়ের বলে সবাই বলবে, সেই সরকারও তো বাংলাদেশের জামাতকে সাপোট করে, যারা যেনোসাইড করেছিল বাংলাদেশে ১৯৭১ য়ে। সেই দেশের সেক্রেটারীঅভ এস্টেট বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে টেলেফোন করে কাদের মোল্লার ফাঁসী বন্দ করতে!!চার্লি চ্যাপলিনকে আমেরিকা থেকে বাইর করে দেওয়া হয়েছিল ,এই সব কথা নিয়ে কি তুমি আজ লিখতে পারবে?
    এটাই রাজনীতি—-
    আমিও তোমার কাতারে দাঁড়িয়ে উচ্চ গলায় বলি “

    Reply
  36. সাদেক মোহাম্মদ

    বিএনপি-জামাত-হেফাজত-আনসারুল্লাহ মিলে যা শুরু করেছে তাতে মনে হয় আলীগকে আরও ৫০ বছর ক্ষমতায় থাকার সুযোগ তারা করে দিতে বদ্ধপরিকর !
    হঠকারী-সন্ত্রাসী রাজনীতি ব্যর্থ হলে তার বেনেফিট পায় ক্ষমতাসীন দল – পৃথিবীর ইতিহাস তাই বলে, বাংলাদেশে সিরাজ সিকদার-জাসদ যে চরমপন্থী বা ভুল পদক্ষেপ নিয়েছিল তার বেনেফিট নিয়েছে প্রথমে বি এন পি এবং পরে অন্যরা, কিন্তু সিরাজ সিকদার বা জাসদ কি ফল/লাভ পেয়েছে?
    ভারতে শিখ স্বর্ণ মন্দির দাবীকারী আকালী দলের উগ্রপন্থী অংশ বা পশ্চিম বাংলার নক্সালপন্থীরা ভুল রাজনীতি করার ফলে কংরেস/বিজেপি বারবার ক্ষমতায় এসেছে আর তাঁদের (নক্সালসহ অন্যান্য চরমপন্থী) করেছে ঘরছাড়া !
    ধর্ম নিয়ে যারা ব্যবসা করে তারাই ধর্মের সবচেয়ে বেশী ক্ষতি করে কারণ বাড়াবাড়ি বা খুনাখুনির জন্য মানুষ ভুল বুঝে ধর্মকে, অথচ ধর্ম শেখায় সহজ-সরল পথে চলতে, অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে,নিয়মতান্ত্রিক পথে, প্রয়োজনে যুদ্ধ করতে তবে তা’ও রীতিনীতি মেনে –

    অথচ আমরা দেখি তালেবান বা আই এসের কাছে এসব কিছু নেই – তারা এমন সব কাজ করে (বিনা বিচারে খুন -ধর্ষন -অগ্নি সংযোগ) যা করেছিল একাত্তরে আমাদের এদেশের রাজাকার বা আজকের পেট্রোল-বোমাবাজরা!

    বাড়াবাড়ি দেখে যারা ধর্ম নিয়ে যথেষ্ট জ্ঞান রাখেনা তারা মনে করে ধর্মে এগুলো কোনভাবে জায়েজ করা আছে (আসলে যা মোটেও ঠিক নয়, কোন ধর্মের বিধানে এসবকে বৈধতা দেয়া হয়নি) এবং তারা নাস্তিকতার দিকে চলে যায় – তাহলে নাস্তিকতার প্রসারের জন্য এসব বিভ্রান্ত মৌলবাদীরা কি দায়ী নয়?

    Reply
    • mama kheko

      Bro think of Olama League first , the day we saw 64 district boom before that day hasina set with Olama League n you know who r the founder of JMB and what is the result of killing those JMB leader Bangladesh lost 57 army officer 80% of them was in same mission of killing JMB , so??? you leftist are open minded ?? even you are also part of Politics in the name of secularist,,

      Reply
  37. রকিবুল ইসলাম

    অভিজিতের অভাব পূরণ হবার নয়। তিনি যে কী মাপের মানুষ ছিলেন, বাংলাদেশ যে কী রত্ন হারালো তা কোনদিন দেশের মানুষ অনুধাবন করতে পারবে কিনা জানিনা। অনেকের অনুপ্রেরণার কেন্দ্রে ছিলেন অভিজিত রায়। আবার কবে কখন আমরা একজন অভিজিতকে পাব কে বলতে পারে। অসাধারণ লিখেছেন। আপনি লেখা চালিয়ে যাবেন অ-নে-ক অ-নে-ক দিন, এই প্রত্যাশা রইল।

    Reply
  38. Abul Kalam Azad

    অনেক বই পরেচেন বুঝলাম কিন্তু শেশ কবে ‌কোরান শরীফ পড়েছেন? পরকালের ভয় আছে?

    Reply
    • রাগীব

      আপনার তো পরকালের ভয় আছে তাই না, আপনি বেশি বেশি কোরআন পড়ুন, অন্যের ব্যাপারে নাক গলাতে আসেন কেন? যার যার হিসাব সেই সেই দেবে……….. আপনার মাথা ব্যথা হচ্ছে কেন?

      Reply
    • setu mohammad

      পরকাল নিজের নিজের। কোরান শরীফ যদি কেউ না পড়ে থাকেন তাতে তুমি প্রশ্ন তোলার কে? নিজের চরকায় তেল দাও, তাহলেই মহান রাব্বুল আলামিনের ক্ষমা লাভ করবে।

      আর উপদেশ দিতে পার, তবে প্রথমে ঘর থেকে শুরু কর এবং তোমার বাড়ির আসেপাশে পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর, দক্ষিণে ৪০ ঘর মানুষকে সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়াও যাতে কোনো মানুষ হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টন কষ্টে না থাকে।

      Reply
  39. Imon Chowdhooree

    আমি মনে করি, ধর্ম গ্রন্থগুলো নিয়ে খোলামেলা আলোচনার চর্চা বাড়ছে…

    Reply
  40. haba man

    When modern world dreams to go to mars spending billions at the same some hundred of miles apart african continent is dying from mass hunger.
    Yellow journalism to the max.

    Reply
  41. আমি তোমাদের কেউ নই

    “অভিজিৎ, আমি, বাবু এবং বর্তমান ও ইতিহাসের পাতা জুড়ে ছড়িয়ে থাকা আমাদের মতো হাজারো মানুষেরা তোমাদের অপকর্মেরই সাক্ষী। তোমাদেরকে ইতিহাসের আস্তাকুড়ে ছুড়ে ফেলার সময় মানবসভ্যতা এই বর্বর উন্মাদনা দেখে ঘৃণায় শিউরে উঠবে, এ থেকেই সামনে এগিয়ে যাবার প্রতিজ্ঞা নেবে।”

    সুনিশ্চিতভাবে বলতে পারি এটাই মৌলবাদীদের ভবিষ্যত। আমরা লিখে যাবই, কালি দিয়ে লিখতে না দিলে রক্ত দিয়ে লিখব।

    Reply
  42. রবীন আহসান

    যদি কোন হত্যার বিচার না হয় তবে সরকার নাস্তিক মারার লাইসেন্স দিতে পারে ! গুলি খরচ নয় ব্যবহার করতে হবে চাপাতি…

    Reply
  43. debankur das

    অসীম সাহসী তুমি বন্যা ..তোমাকে সেলাম ..কুর্নিশ..
    অভিজিতের অসমাপ্ত কাজ তুমি শেষ করবে..চালিয়ে যাবে..এই আশা ও বিশ্বাস রাখি…

    Reply
  44. Fanatic

    দেড়হাজার বছর আগে ধর্মোম্মাদ ফ্যানাটিক বলতে কাদের টার্গেট করলেন?
    বিজ্ঞানের ভর করে আপনারা যে চলছেন, সেই বিজ্ঞান কোথ্থেকে আসলো? বিজ্ঞান কি শুধু আপনারাই পড়েছেন? বাকীরা ডিম পেড়েছে।

    সহানুভূতি আপনার হারানোর জন্য।
    দেড়হাজার বছর আগে আপনার ভাষ্যমতে ওই ’ফ্যানাটিক’ না আসলে আজ পৃথিবীর অস্তিত্বই থাকতনা।
    যাই হোক… আল্লাহর কাছে পার্থনা করি। আপনাদের জ্ঞান আরো বাড়বে।
    আর অবস্যই অভিজিৎ, রাজীব ও ওসিকুর হত্যার বিচার করতে হবে।

    Reply
    • নাজমুল

      হাইপেশিয়াকে হত্যা করা হয় ৪১৫ ক্রিস্টাব্দের মার্চ মাসে।
      এবার আপনি চিন্তা করে দেখেন “দেড়হাজার বছর আগে ধর্মোম্মাদ ফ্যানাটিক বলতে কাদেরকে” বোঝানো হয়েছে।

      Reply
    • মূর্খ

      ১। বিজ্ঞান কোত্থেকে আসলো বলুন তো? আমারও জানতে ইচ্ছে করে।
      ২। দয়া করে গত দেড়হাজার বছরে এমন একটি ঘটনা বলুন, ‘ফ্যানাটিক’ না আসলে পৃথিবী-র অস্তিত্বই থাকত না। কসমোলজিকাল ইতিহাস খুব একটা জানা নেই।

      Reply
    • বাংলাদুনিয়া

      কূপমণ্ডূকের মতো গ্যালিলিওকে শাস্তি দিয়ে স্বস্তির ঢেঁকু্র তুলে ভেবেছ, এই বুঝি পৃথিবীর ঘোরা চিরতরে বন্ধ করে দিতে সক্ষম হলে!

      Reply
    • Annonymas

      দেড় হাজার বলতে কোনো ধার্মিককে বোঝানো হয়নি। যারা পুড়িয়েছে তাদের বুঝানো হয়েছে।

      Reply
  45. বিপ্লব রহমান

    কিচ্ছু হবে না এসব লিখে। তার চেয়ে আসুন, জামাত-হেফাজতি বাংলায় দাবি জানাই, চাপাতিই হোক আমাদের রাষ্ট্রীয় প্রতীক! ভোটের মৌসুমে মদিনা সনদের মহিমা গাই। জিকির করি- জিও পাকিস্তান!

    Reply
  46. হাবিব

    এধরনের হত্যা আমি মানতে পারি না। তবে আমার মনে হয় যারা ব্লগে লিখে তাদের লেখায় যেন কেউ আঘাত না পায় কিম্বা কারো কথায় ধর্মের উস্কানী না থাকে সেই দিকে ব্লাগারদের একটু লক্ষ রাখা দরকার।

    Reply
    • হাসান

      আঘাত জিনিষটা রিলেটিভ বিষয়। আমি একটা ব্যাপারে মতামত জানালাম, যেটা আপনার বিশ্বাসের সাথে খাপ খেলোনা। আপনি যদি ইমোশানাল হন, তাতে মানসিক আঘাত পেতে পারেন। তদুপরি যদি আপনার জানার গণ্ডী সীমাবদ্ধ হয়, তবে তো কথাই নেই।

      Reply
  47. শমীক

    অক্ষম শুভেচ্ছা ছাড়া আর কিছুই দেবার নেই আপনাকে, বন্যা। অভিজিতকে আমি চিনতাম অনেকদিন আগে থেকে, সরাসরি পরিচয় ছিল না, চিনতাম ওর লেখার মাধ্যমে।

    থাক সে সব কথা। সুস্থ হয়ে উঠুন, এইটুকু ইচ্ছা প্রকাশ করি। অভিজিতের অসমাপ্ত কাজ যতটা পারেন, শেষ করুন। আমাদের এখন অনেক অনেক অভিজিতের দরকার, সমস্ত দেশেই।

    Reply
  48. এম এইচ বকুল

    মুক্তচিন্তার নামে যারা ধর্মের বিরুদ্ধে কথা বলে বা লিখে ধর্মনিরপেক্ষতার জিকির ‍তুলতে চায়, ধিক সেই মানুষদের।

    Reply
  49. রেহান

    এরা একজন অভিজিৎ’কে হত্যা করবে আর সেটা দেখে বিরক্তিতে আরও ১০ জন অভিজিতের সৃষ্টি হবে। যত বেশী কল্লা তারা ফেলবে, তত বেশী ঘৃণা আর বিতৃষ্ণার জন্ম দেবে মানুষের মনে, আর, তত বেশী লোক অন্ধকার ছেড়ে আলোর পথ ধরবে। কাপুরুষেরা এভাবেই নিজেদের বিলুপ্তি তরান্বিত করে।

    Reply
  50. iqbal hasnu

    শিখা গোষ্ঠী হতে আলো হাতে যে-আঁধারের যাত্রী চলছে সামনের দিকে তাকে থামানো যাবে না চাপাতি দিয়ে।
    দেশে বিরাজমান ধর্মাশ্রিত রাজনীতির মুখোশটা উন্মোচন করে দেওয়ার জন্য বন্যাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

    Reply
  51. সিরাজ

    আনঅফিসিয়ালি ফোন করা কি লুকিয়ে লুকিয়ে ফোন করা? নিজের ক্ষুদ্র দৃষ্টি দিয়ে সবকিছু দেখবেন না, তাতে শত্রুই উৎসাহিত হবে। প্রধানমন্ত্রী ভয়ও পান নি, লুকিয়ে লুকিয়ে ফোনও করেন নি, তিনি রাজনৈতিক বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বিষয়টাকে বৃহৎ রাজনীতিতে টেনে নিতে চান না। তাতে এক মেরুকরণ হবে যার ফল ভাল হবে না। এসব ক্ষেত্রে আমেরিকান পদ্ধতি কার্যকর, “সেটা হচ্ছে লিন এন্ড মিন” – প্রধানমন্ত্রী সেটাই হবেন আমরা বিশ্বাস করি।

    Reply
  52. তানিন

    যে দেশে নীতি-নৈতিকার চেয়ে ভোটই প্রধান সেখনে অভিজিত আর মাওলানা শফি এক কাতারেরই লোক|কেননা একজন তার ধর্মীয় মত প্রকাশ করতে পারছে না আর অন্যজন তার যুক্তি|জিতলো কে জিতবে কারা?সবসময় জিতবে সরকার|ফিল্ড আর সময় তৈরি করবে সরকার,সংখ্যায় কম তাই মরবে অভিজিতরা|এটাই হচ্ছে আরো হবে|

    Reply
  53. Dr Musa Ali

    অভিজিৎ বিজ্ঞান দিয়ে নাস্তিকতা প্রমান করতে চেয়েছেন যেটা কোন মতেই সম্ভব না। অভিজিৎ এর অনেক লেখাতেই চিন্তার খোরাক আছে কিন্তু অনেক বিভ্রান্তিও আছে যা তিনি নাস্তিকতা প্রমানে ব্যবহার করেছেন। আস্তিকতা বা নাস্তিকতা বিজ্ঞান দিয়ে প্রমান করা যায় না। খোদার অস্তিত্ব এবং বিশালতা বিজ্ঞানের সীমারেখার অনেক উর্ধে। যাহোক, প্রত্যেকেরই(সে নাস্তিক বা আস্তিক যেই হোন না কেন) শান্তিপুর্নভাবে মতামত প্রকাশের পুর্ন স্বাধীনতা রয়েছে যেটা বাংলাদেশে নিশ্চিত হওয়া অতি জরুরী। কাজেই জংগীদের ধরাই এখন সব শান্তিকামী মানুষের কাম্য হবে। ওসব জংগীরা মানবতার শত্রু, প্রকৃত ধার্মিকদেরও শত্রু। ওসব জংগীরাই শান্তির ধর্ম ইসলাম ধবংশ করছে ধীরে ধীরে।

    Reply
    • নাজমুল

      “খোদার অস্তিত্ব এবং বিশালতা বিজ্ঞানের সীমারেখার অনেক উর্ধে।”
      এটা আপনি কিভাবে জানলেন, তা জানতে আমার খুব কৌতূহল হচ্ছে।

      “একটা কিছু নেই” এটা প্রমাণ করার থেকে জরুরি হলো এটা প্রমাণ করা যে “তা আছে”, বিশেষ করে যখন আপনি প্রমাণ ছাড়ায় ধরে নিচ্ছেন যে তা আছে। নাস্তিকতা প্রমাণের বিষয় না। বরং এর উল্টোটাই প্রমাণের বিষয়।

      ঈশ্বরের অস্তিত্ব এখনো একটি দার্শনিক প্রশ্ন। আর বিজ্ঞান এব্যাপারে অজ্ঞেয়বাদী। মানে বিজ্ঞান যা জানে না, তার উত্তরে বলে যে “আমি জানি না”। সিম্পল স্বীকারোক্তি করে।

      কিন্তু আস্তিকেরা কেন জানি না এই অজ্ঞেয়বাদীদেরকেও নাস্তিক বলে।

      Reply
    • god of small things

      “খোদার অস্তিত্ব এবং বিশালতা বিজ্ঞানের সীমারেখার অনেক উর্ধে। ” — এইটা কি করিয়া প্রমান করিবেন???
      “আস্তিকতা বা নাস্তিকতা বিজ্ঞান দিয়ে প্রমান করা যায় না। “——– এইটা কি করিয়া প্রমান করিবেন???

      নাকি আপ্ নার কথাই শেষ কথা????
      যাই হউক, আপ নার “শান্তিপুর্নভাবে মতামত প্রকাশের পুর্ন স্বাধীনতা রয়েছে”।

      Reply
      • mama kheko

        what ever man innovate in science has come up from nature & it’s system , who set that system in nature. i agree “খোদার অস্তিত্ব এবং বিশালতা বিজ্ঞানের সীমারেখার অনেক উর্ধে। ” but they will not. and yes i don’t support killing people nor dont support the way নাস্তিক act in the name of Science. what ever science come up with is nothing beyond Religion and nature system which has calculative & logical explanation. yes some one is behind this system.

    • রাগীব

      নাস্তিকতা প্রমাণের তো কোনো প্রয়োজনই নেই। যেখানেই বিশ্বাস ভেঙে যায় সেখানেই নাস্তিক্য জন্ম নেয়। বিজ্ঞানের অগ্রগতির সাথে সাথে মানুষের অন্ধবিশ্বাস প্রতিনিয়তই ভাঙছে এবং নাস্তিক্য বিস্তার লাভ করছে….সেদিন আর দূরে নয় যখন ধর্মবিশ্বাস দিযে মানুষকে আর বেঁধে রাখা যাবে না।

      Reply
      • mama kheko

        Science behind your eye & its vision has logical and scientific explanation , who embedded that science & logic??? think now satellite can show what where we are and doing what same thing is written in religion 3000 years back which science is innovating now.

      • Bashar

        Religion does not have the problem – rather a quarter of the religious people have – if most of the people with rituals of any religion have nothing in them to be followed by others, that school of thought is questionable. Notwithstanding, it is not acceptable that one man will hurt the millions – at the same time, it is not acceptable that we will kill people without trial.

  54. তন্ময়

    অসাধারন আবেগ জাগানিয়া লেখা। স্যালুট। সরকারকে বলি অভিজিত হত্যার বিচার করুন, টালাবাহানা বন্ধ করুন। নাহলে ঐ মৌলবাদী প্রতিক্রিয়াশীলদের মত আপনারাও জায়গাও হবে ইতিহাসের আস্তাকুড়।

    Reply
  55. জয়ন্ত ভট্টাচার্য

    অন্ধকারের উৎস থেকে উত্সারিত আলো, সেই তো আমার ভালো। অসামান্য পবিত্র ক্রোধ!

    Reply
  56. হ্রদয়

    জীবনে প্রথমবার কোন ব্লগে কমেন্ট করছি, কেন করছি জানিনা কিন্তু কোথায় জেনো একটা ক্ষোভ জন্ম নিলো। এতোটুকু বলতে পারি, এক অভিজিৎ থেকে লক্ষ অভিজিৎ এর জন্ম শুধু সময়ের বেপার। বাংালি জাতি হার মানবার নয়। বন্যা আপু তুমিও একা নও।

    হ্রদয়, কানাডা

    Reply
  57. আসমা সুলতানা মিতা

    অভিজিৎ দা এর স্বপ্নকে আমাদের এমন জায়গায় নিয়ে যেতে হবে যে, একদিন সেই স্বপ্নের কাছে এদের নিজেদের অনেক ছোটো মনে হবে (যদিও বা তাদের সেই বোধ না থাকে , তবুও তারা এমনিতেই ছোটো হয়ে যাবে)। আমাদের কাজ চালিয়ে যেতে হবে, শত প্রতিকূলতার মাঝে । অভিজিৎ দা এর স্বপ্নকে আমাদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে । ওদের সবার জন্য সেটাই হবে একমাত্র ‘শাস্তি’ ।

    Reply
  58. DR BOD

    দুনিয়াতে বহকিছু আছে ভালবাসার সেগুলা নিয়া চর্চা করেন ঘৃনা নিয়া চর্চা ঘৃনাই বাড়ায়

    Reply
  59. গীতা দাস

    “সামান্য অক্ষরজ্ঞান থাকলে পড়ে দেখ, দেড় হাজার বছর আগের ধর্মোন্মাদ ফ্যানাটিকদের সঙ্গে আজকের তোমাদের কোনো পার্থক্য নেই।” দুঃখজনক হলো পার্থক্য নেই জেনে তারা আনন্দিত হয়।হ্যাঁ,তাদেরকে ঘৃণা করতেও ঘৃণা হয় আমার, আমাদের নূন্যতম বোধ সম্পন্ন সবার।

    Reply
    • বাংগাল

      আপনারা, গীতা দাসরা ঘৃণার বিষবাষ্প ছড়িয়ে ১৯৪৭, ১৯৬৪ সালের ধর্মীয় ফ্যাসাদ, রায়টের নতুন সংস্করণ শুরু করতে চাচ্ছেন? আপনারাই তো নিজেদের মুক্তমনা দাবি করেন, আপনাদের কুৎসিত কদর্য মানসিকতা দেখে “আপনাদেরকে ঘৃণা করতেও আমার ঘৃণা হয়”।

      যারা অপরের ধর্ম সহ্য করতে পারে না, তারা কী করে অপরের মত সহ্য করতে পারবে? এ কোন মুক্তমনা আপনি?

      Reply
    • Abdus Shukur

      তবুতো ভেদাভেদ থেকে গেছে, আইনের শাসন বলবৎ হওয়া উচিত, খুনীর সাজা হওয়া উচিত। সব মুসলিম দেশে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হউক, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে। ব্লগারদেরও আলোচনা অনেক সংযত হওয়া দরকার, তথাকথিত মুক্তমনাদের নিশানাতেও নানা গোলমাল, যাঁদের একযোগে সাধারন শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করার কথা তাঁরাই পরস্পর মারামারি করে মরছে, এ বড় বেদনার,বড় ভাবনার । জানিনা কোথায় সমাধান ??

      Reply
  60. Dayee e Islam

    আপনার লিখাটি সুন্দর হয়েছে। কিন্তু আপনি নিজেই যে মুক্তচিন্তার নামে ইসলামকে মন্দ বললেন তা কি ঠিক হয়েছে? আমাদের এ রকম মুক্তচিন্তার দরকার নেই…

    Reply
  61. নাজ চৌধুরী

    সমবেদনা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। ঘৃনা জাননোর মনও নেই. কিন্তু গতকালও আমি স্রষ্টার চোখে অশ্রু দেখেছি।

    Reply
  62. অভিষেক

    কী লিখবেন? কাদের জন্য লিখবেন? যাদেরকে ঘৃণা করতেও ঘৃণা হয়, তাদের জিগরি দোস্তদের জন্য? দেশটা আগাগোড়া পচে গেছে। বিডিনিউজ তাদের ফেসবুক পেজের যে পোস্টে এ লেখাটি শেয়ার করেছে, তার কমেন্ট সেকশনকে যদি ধরা যায় ছোট্ট একটা বাংলাদেশ, তবে বলতে হয় এদেশকে নিয়ে ভাবার সময় বোধহয় শেষ হয়ে গেছে। লিঙ্ক দিয়ে গেলাম, শান্তির ধর্মের অনুসারীরা দেখে জানাবেন এদেরকে মানুষ বানানোর দায়িত্বটা কাকে দেবেন। লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/bdnews24/posts/10155473039185601

    Reply
    • ট্রোজান

      একমত। পচে গেছে আগা গোড়া এই দেশের বেশিরভাগ মানুষের চিন্তা করার ক্ষমতা বেহেশতের হুরের কল্পনা আর হুযুরের দেখানো ভয়ের বাণীতে।

      Reply
    • বাংগাল

      ধর্মান্ধ মৌলবাদী হিন্দুদের ঘৃনা করতে ঘৃনা হয়না আপনার ? গীতা দাসদের ?

      Reply
  63. ধরিত্রী চৌধুরী

    একজন মানুষকে ঘৃণা করার জন্য তাদের মধ্যে যতটুকু মনুষ্যত্ব অবশিষ্ট থাকতে হয়, তার কণাটুকুও নেই তোমাদের মধ্যে। তোমরা আমার ঘৃণারও যোগ্য নও।
    ——একদম সত্যি! পশুর ভেতরের যে পশুত্বও সেও হার মানে এদের কাছে। যারা এদের লালন করছে এখন মসনদ ঠিক রাখবে আশায় তাদের অবস্থা ফ্রাঙ্কেস্টাইনের দানবের মত হবে নিশ্চিত।

    Reply
    • বাংগাল

      আবেগ তাড়িত হয়ে অনেক কথা বলা যায় । বাস্তব হচ্ছে ,কিছু বিপদ আছে যা জেনে বুঝে নিজেরা ডেকে এনে দোষারোপ করি মসনদের । এটা একদমই ঠিক নয় ।

      Reply
      • রাগীব

        মসনদকে রক্ষার জন্য আর কত খোড়া যুক্তি দেওয়া হবে? রাষ্ট্রের জনগণের জানমালের হেফাজতের দায়িত্ব রাষ্ট্রের। বিজ্ঞানভিত্তিক চিন্তা, মুক্তচিন্তা যদি বিপদ ডেকে আনা হয় তাহলে সরকারের উচিৎ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে তালেবানি রাষ্ট্র ব্যবস্থা চালু করা। ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে সত্য প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা।

      • mama kheko

        You are claiming you are right believer said they are right. can you Justify that?? in this solar system why there is a discipline on every thing & there is calculative explanation?? like why moon dont stop circling with earth?? why moon don’t crash with Mars?? why not this is happening?? it is because there is a system set behind every thing. and and it is not come up automatically?? who set the system ??? i know some scientist said man came from ape but why didnt we converted in something in last 2000 years naturally ??

  64. kobir

    আপনাদের মতাদর্শ আমি মোটেও পছন্দ করি না। কিন্তু তবু আপনার জন্য সান্তনা। এত সুখের জীবনটা পশুরা ধ্বংস করে দিল!

    ওদের বিচার চাই…

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—