Feature Img

Shamim Ahmedশিরোনামটি খুব নিষ্ঠুর শোনাচ্ছে। কিন্তু এটাই কি আমাদের আজকের সময়ের নির্মম বাস্তবতা নয়? সপ্তাহ খানেক আগের এক সন্ধ্যায় গাড়ি চালিয়ে ফিরছিলাম উত্তরা থেকে। রাস্তায় প্রচুর জ্যাম, ইজতেমার কারণেই কিনা কে জানে। আমার ছোটখাট গাড়িটিতে বিবিসির খবর শুনছি। দেশের খবর, বিদেশের খবর। নতুন বিচারপতি শপথ নিয়েছেন। বেলজিয়ামে ইসলামি জঙ্গি নিহত; প্যারিসে উত্তেজনা; নাইজেরিয়ায় জাতিগত দাঙ্গায় মুসলমান খুন; জার্মানিতে ইসলামের উত্থানের প্রতিবাদে একত্রিত হচ্ছে নব্য নাৎসিরা। কত খবর; কত তার রকম; কত না চিন্তারই জন্ম দেয়!

আগের রাতে বৃষ্টি হয়েছে। একটু গরম লাগছিল। ভাবলাম, এসি চালু করবার দরকার নেই, জানালাটা হালকা করে খুলে দিই। খবর শেষ। সাহানা বাজপেয়ীর রবীন্দ্রসংগীত ছেড়ে দিলা– ‘‘তোমার খোলা হাওয়া, লাগিয়ে পালে’’– অদ্ভুত ভালো লাগছিল। কিন্তু হোটেল রিজেন্সির কাছে আসতে না আসতেই তীব্র জ্যাম। ডান পাশে একটা কাভার্ড ভ্যান। বাম পাশে যাত্রীবাহী বাস। সামনে প্রাইভেট কার।

এটাই কি আমাদের আজকের সময়ের নির্মম বাস্তবতা নয়
এটাই কি আমাদের আজকের সময়ের নির্মম বাস্তবতা নয়

হঠাৎ করেই অস্বস্তি শুরু হল। প্রতিদিন সন্ধ্যায় শহরটা অনিরাপদ হয়ে যায় আমাদের জন্য। শহরের নানা প্রান্তে একযোগে পেট্রোল বোমার হামলা হয়। বাস পোড়ে; গাড়ি পোড়ে; কাভার্ড ভ্যান পোড়ে; আর সঙ্গে পোড়ে মানুষ। নারী-পুরুষ-শিশু; অফিস-ফেরত লোক; হাসপাতালে যাবার সময় সাধারণ মানুষ; স্কুলের রাস্তায় শিক্ষার্থী– আরও কত পথে কত কী‘

পরের দিন পত্রিকায় পোড়া লাশের ছবি আসে, মনে হয় এইচবিওতে ‘মমি’ মুভিটা দেখছি। অস্থির লাগে। এইসব চিন্তা করতে করতে গাড়ির জানালা তুলে দিই। এসিটা ছেড়ে দিই অন্যমনস্কভাবেই, মনে হয় একটা ফায়ার ডিস্টিংগুইসার কিনতে হবে সহসা। গাড়িতে আগুন লাগলে শুধু তা নেভাতে না, বরং নিজে গাড়ি থেকে নেমে পালানোর একটু সুযোগ তৈরি করে নেবার জন্য।

বেশ ক’দিন হয়ে গেল শহরটা ভালো নেই, দেশটা ভালো নেই। ৫ জানুয়ারি বিএনপিকে সমাবেশ করতে দিল না সরকার। বিএনপি আন্দোলনের ডাক দিল। যদিও অনেকেই বলছেন, আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন সাংবাদিকরা। বেগম জিয়ার মুখ দিয়ে জোর করেই তারা বলিয়ে নিয়েছেন অনির্দিষ্টকালের অবরোধের কথা; হতে পারে। কিন্তু দেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, দু’বারের বিরোধী দলীয় নেত্রী যদি সাংবাদিকদের প্ররোচনায় আন্দোলনের ডাক দেন, তার দায় কিন্তু তাকেই নিতে হবে।

বেগম জিয়া কেন এই মানুষ হত্যার আন্দোলনে নামলেন তা তিনিই বলতে পারবেন। আন্দোলনের জন্য ভালো সময় হল তখন, যখন সরকার দুর্বল থাকে, বিপদে থাকে। গত এক বছরের মধ্যে আওয়ামী লীগ সরকার সম্ভবত এই সময়টাতেই সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে আছে। অর্থনীতি শক্তপোক্ত, পদ্মা সেতুর কাজ এগিয়ে যাচ্ছে, বড় কোনো দুর্নীতির অভিযোগ নেই, আন্তর্জাতিক মহল সরকারকে বলা যায় মেনেই নিয়েছে, সামনে মধ্যম আয়ের দেশ হতে যাচ্ছি আমরা, এমতাবস্থায় আন্দোলন– অনেকের মতো আমার কাছেও পুরোপুরি অপরিপক্ক মনে হয়েছে।

অন্যদিকে, বিবেকবান মানুষরাই যে শুধু বুঝতে পারছেন না তা নয়, বরং আমার মতো নাদান বান্দারাও কীভাবে বুঝবে যে ক্ষমতাসীন সরকার এত শক্তিশালী অবস্থানে থেকেও কেন বিএনপিকে একটা মামুলি জনসভা করতে দিল না। বেগম জিয়া গত এক বছরে জনসভা করেছেন ১৪টা; তার সবগুলো মিলেও এক লক্ষ মানুষের সমাগম হয়েছে কিনা সন্দেহ আছে। এই সভাগুলোর একটিতেও এমন কোনো বক্তব্য আসেনি যা সাধারণ মানুষকে আলোড়িত করেছে, আলোকিত করেছে। সাদামাটা জনসভা বলতে যা বোঝায় তাই আর কী। এই এক বছরে বিএনপি রাজনৈতিকভাবে কোনো অবস্থানই তৈরি করতে পারেনি। আওয়ামী লীগ ছিল অত্যন্ত নিরাপদ অবস্থানে। এমতাবস্থায় যেচে পড়ে বিএনপিকে সমাবেশ করতে না দিয়ে বেগম জিয়াকে অং সান সুচির অবস্থানে নেবার রাস্তা তৈরি করে দেবার সিদ্ধান্ত যে কতটা আত্মঘাতী তা বুঝবার জন্য নিঃসন্দেহে রকেট সায়েন্টিস্ট হওয়ার প্রয়োজন হয় না।

যেচে পড়ে বিএনপিকে সমাবেশ করতে না দিয়ে বেগম জিয়াকে অং সান সুচির অবস্থানে নেবার রাস্তা তৈরি করে দেবার সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী
যেচে পড়ে বিএনপিকে সমাবেশ করতে না দিয়ে বেগম জিয়াকে অং সান সুচির অবস্থানে নেবার রাস্তা তৈরি করে দেবার সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী

অফিসে, বন্ধুদের আড্ডায়, চায়ের দোকানে সবখানে একটাই প্রশ্ন– এরপর কী হবে, এ অবস্থার কবে শেষ হবে? আমি একজনকেও বলতে শুনিনি যে, তারা বিশ্বাস করেন এসব করে আওয়ামী লীগকে দিয়ে একটি মধ্যবর্তী নির্বাচন করানো যাবে। সবার আশঙ্কা, দেশ আরও সহিংসতার দিকে যাবে, গত বছর দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে থাকবার পরে এবার আবার লাগাম ছাড়াবে। আরও মানুষ পুড়বে, মরবে, সরকার আরও উন্নাসিক এবং আক্রমণাত্মক হবে, বিরোধী দলের প্রতি দমন-পীড়ন বাড়বে। এরপর আবার সব নিস্তেজ হয়ে কিছুদিনের জন্য শীতনিদ্রা।

মানুষ শান্তিতে নেই। ঘর থেকে বের হতে টেনশন, ফিরতে টেনশন। বাচ্চাকে স্কুলে পাঠিয়ে ঘরে বসে বাবা-মায়ের প্রতীক্ষা– জীবন থমকে গেছে। সরকারকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ করতে বিএনপির এই সহিংস আন্দোলনে মানুষ মরছে, বিএনপি রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হচ্ছে, জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে। দু’টি শীর্ষস্থানীয় ইংরেজি দৈনিকের গত এক বছরের জরিপে দেখা গেছে, সরকারের জনপ্রিয়তা বাড়ছে এবং বিএনপি জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে। মানুষকে পুড়িয়ে, জান-মালের ক্ষতি করে ক্ষমতায় যাবার দিন যে শেষ হয়ে গেছে তা বিএনপি কবে বুঝবে কে জানে!

কিন্তু এটি সরকারের দায়িত্ব যে তারা সহিংসতা থেকে বাঁচাবে সাধারণ মানুষকে। প্রতিদিন দশ-বার জন মানুষ মারা পড়বে, কোটি কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হবে, আর সরকারের উচ্চপদস্থ মানুষজন বলবেন, আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে, কিন্তু আদতে কিছু করবেন না, সেটি আমাদের মেনে নেবার কোনো কারণ নেই। একটি আগুন ধরবার ঘটনাও পুলিশ ঠেকাতে পারবে না, কাউকে গ্রেফতার করতে পারবে না, এটি কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না। সে ক্ষেত্রে ঘটনার সঙ্গে পুলিশ কিংবা সরকারের সম্পৃক্ততার কথা যদি কারও মনে দানা বাঁধে তবে তার দায়ও সরকারের।

ক্ষমতায় থাকার আর ক্ষমতায় যাবার এই অশ্লীষ প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ক্লান্ত মানুষ। আমরা অবরোধ, হরতাল চাই না। মানুষ মারার এই খেলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা দেখতে চাই, দেখতে চাই একটি মধ্যম-আয়ের বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে তর তর করে– খুন-জখম-জিঘাংসা ছেড়ে– এতটুকুই।

খুব বেশি চাওয়া কি আমাদের?

শামীম আহমেদ: উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

১১ Responses -- “কে কীভাবে মরবে আজ”

  1. DR. SIRAJ

    CONSTRUCTIVE+AUTHENTIC +TRUTH
    What is disturbing or not understood that everyone = DCCI/TV Channel rep/Journalists/Economist or other special personalities/prominent figures passing the bugs or same comments on the basis of most recent incidents of political situation which causes massive destruction/vandalizing/killing innocent people .

    THEIR COMMON COMMENTS: Terrorism+ malicious vandalism + killing and politics can’t run together or are not acceptable———- etc which is really rubbish or wasting time, is it solving the burning problems? Either those comments refer or indicate to what?

    They suppose take initiate as a mediator united form & bound those parties are involve the problems and mention specific date/time, venue+ agenda to be discussed : no hippocras, hide & seek , it seems no one is confident or not telling the truth but why—–?

    Reply
  2. ইয়ািছির আরাফাত

    লেখক নিজেকে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন। কিন্তু উনাকে সাহিত্যিক ও দুই জোটের সুবিধাভোগী অথবা না বুঝে তাদের পক্ষে বলার মতো তখাকথিত ছোট বুদ্ধিজীবি বলে মনে হলো।
    উনার বক্তব্য ,
    ”বেগম জিয়া গত এক বছরে জনসভা করেছেন ১৪টা; তার সবগুলো মিলেও এক লক্ষ মানুষের সমাগম হয়েছে কিনা সন্দেহ আছে।”
    ক্ন্তি আমার এক কলিগ পারিবারিক ভাবে আওয়ামী সমর্থক(যা বিএনপির ক্ষেত্রেও প্রযোয্য)যিনি কুমিল্লার বসিন্দা। কিছিুদিন আগে খালেদা জিয়ার কুমিল্লার জনসভার দিন ঢাক আসছিলেন তার মুখের কথা লক্ষ লক্ষ লোকের সমাগম হয়েছে সকাল বেলা থেকেই যদিও জনসভা ছিল বিকালে।
    আমি বিএনপি আওয়ামী জোটকে ঘৃনা করি তার সাথে করি বর্তমান শাসন ব্যবস্থাকে যে ব্যবস্থা হাসিনা খালেদার মতো শাসক তৈরি করে। এখনও সময় আছে এই শাসকগোষ্টিকে ও শাসন ব্যবস্থাকে সরিয়ে মুসলিম-অমুসলিম নির্ভিশেষে সকলের ‍আস্থার রাজনীতি ও সেই খলিফা উমরের (রা:)এর মতো শাসক ও তার শাসন ব্যবস্থার মতো শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করা। যিনি বলেছেন,” ফোরাতের তীরে একটি বকরীও যদি পানি না পেয়ে মারা যায় তাহলে অামি উমর এর জন্য জবাব দিতে বাধ্য থাকব”

    Reply
  3. রিপন হালদার

    “কে কিভাবে মরবে আজ” শিরোনামটি একটু অপ্রাসঙ্গিক মনে হলেও এটা হচ্ছে আমাদের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের বর্তমান হালচাল। আমরা যারা বিজ্ঞজন, সাহিত্যিক, বিশেষজ্ঞ রয়েছি তাদের মস্তিস্কে এধরণের কথা কেমন যেন মিলছে না।আমাদের রাজনীতিকদের মধ্যে এখন আর স্বাভাবিক বিষয়গুলো নাই, তাঁরা স্বাভাবিকতা পছন্দ করে না। তাদের সারা জীবনে অরজিত শিক্ষাগুলোকে কেমন যেন পশুদের ন্যায় হয়ে যাচ্ছে।এটা কি শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য ? আমরা যারা অধ্যয়নরত আছি আমরাতো নিজেকে পরিপক্ক এবং পূর্ণ সুস্থ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলার জন্য সংগ্রাম করছি এবং নিজেদের জ্ঞানকে জাগ্রত করার জন্য বিভিন্ন বই-পুস্তক পড়ছি।
    কিন্তু আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্য শুনলে কেমন যেন মেলাতে পারিনা।তারা তো উচ্চশিক্ষিত এবং উচ্চব্যক্তিত্ব সম্পন্ন।তারা কি উচ্চশিক্ষায় এধরণের অমানবিক কাজ কিভাবে করতে হয় তা শিখেছে ?

    তবে শেষ কথা আমরা আপনাদের মতো হতে চাই না। আমরা স্বাভাবিকভাবে এবং সুস্থ মন নিয়ে বাঁচতে চাই।

    Reply
  4. সৈয়দ আলি

    “প্রতিদিন দশ-বার জন মানুষ মারা পড়বে, কোটি কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হবে, আর সরকারের উচ্চপদস্থ মানুষজন বলবেন, আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে, কিন্তু আদতে কিছু করবেন না, সেটি আমাদের মেনে নেবার কোনো কারণ নেই।”- লাখ কথার এক কথা। বিএনপি-জামাত অশুভ, তাই বলে বিনা বাধায় তারা যা খুশি করবে তা হতে পারেনা।

    Reply
  5. Enayet Mowla

    Nobody wants to see people dying and we don’t want to die either. We find often the loss of our own family members, ordinary people who have to earn to feed their family, and many others who had nothing to do with politics. It is the responsibility of the Government to protect our lives but they have totally failed so far. I think it is time to remind the Govt., that there is neither time to think over it nor for a hesitation. A clear step must be taken to bring the situation to an end, but in case the Govt. cannot do it, they must invite the Army and a Martial Law. The people had enough.

    Reply
  6. রতন জ্যোতি

    বিএনপি ৫ জানুয়ারী নির্বাচন অংশ না নিয়ে বিষয়টাকে জটিল করে ফেলেছে। বাংলাদেশের রাজনীতি জটিল হয়ে গেছে দু দলের কাছেই এখন। যেনো আর মিলবার তীর অসীমতার দিকে। বাংলাদেশের রাজনীতিটা অনেকটা ক্ষমতা নির্ভর। রাজনীতিবিদদের মানবিকবোধ অনেকটা নেই বললেই চলে। তৎসঙ্গে প্রশাসণ দলীয়করণে আর অর্থের দাপটে টিকে থাকার চেষ্ঠা। সে পথ ধরেই আওয়ামী লীগ অনেকটাই মনে হয়, ভালো অবস্হানে, আপনার লেখার ভেতরেই আছে কিছুটা ইঙ্গিত আছে। বিএনপির সঙ্গে জাামাত থাকায়, সেই ৫ মে হেফাজতের সমাবেশের কথা চিন্তা করে সরকার সমাবেশটি করতে দেয়নি। নানা পদ্ধতিতে সরকার ঠেকিয়ে দিয়েছে। সমাবেশ না করতে দেয়ার ফল পেট্রল বোমায় অনাকাঙ্খিত মৃত্যু মানুষকে বিষিয়ে তুলতে পারে। গণমানুষ কী সরকারের বিরুদ্ধে যাবে না বিএনপির বিরুদ্ধে? মনেতো হয় না, সরকারের বিরুদ্ধে যাবে। বিএনপির অনির্দিষ্ঠ অবরোধ হয়তো দলটিকে মানুষের কাছে নানা প্রশ্নের সম্মূখীন করাবে। সরকারের বিরুদ্ধে কী নিতে পারবে জনগণকে বিএনপি যে পথ ধরে, যাদের নিয়ে আন্দোলন করছে?

    Reply
    • Jon don

      jonogon shorkerer biruddhei jabe. Jotoi ajuhat dekhan na keno ajke jodi hasina ke jonoshova korte na dito tahole ki hoto? hinta korte paren? Logi boithar nritto ki eto taratari bhule gelen? jokhon kono kisu likhben tokhon shob dik bibechonar bishoy guli mathai rekhei bolben.

      Reply
  7. wahid

    সরকারের দায়িত্ব যে তারা সহিংসতা থেকে বাঁচাবে সাধারণ মানুষকে। প্রতিদিন দশ-বার জন মানুষ মারা পড়বে, কোটি কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হবে, আর সরকারের উচ্চপদস্থ মানুষজন বলবেন, আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে, কিন্তু আদতে কিছু করবেন না, সেটি আমাদের মেনে নেবার কোনো কারণ নেই। একটি আগুন ধরবার ঘটনাও পুলিশ ঠেকাতে পারবে না, কাউকে গ্রেফতার করতে পারবে না, এটি কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না। সে ক্ষেত্রে ঘটনার সঙ্গে পুলিশ কিংবা সরকারের সম্পৃক্ততার কথা যদি কারও মনে দানা বাঁধে তবে তার দায়ও সরকারের।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—