Feature Img

shafik-rehman111111(আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ওবামার পোষা কুকুর বো এবং বাংলাদেশের নেড়িকুকুরের টেলিসংলাপের অনুলিপি)
স্থান : ওয়াশিংটন ও ঢাকা
কাল : মঙ্গলবার ৮ মার্চ ২০১১

নেড়িকুকুর : আপনাকে এই অসময়ে ফোন করার জন্য আগেই ক্ষমা চাইছি। আমি খুব সমস্যায় পড়ে আপনাকে ফোন করছি। আপনার উপদেশ আমার এখনি দরকার। আমি আপনার মূল্যবান সময়ের কিছুটা ভিক্ষা করছি।

বো (BO) : আমি আপনার বন্ধু। অবশ্যই আপনি আমাকে যে কোনো সময়ে ফোন করতেই পারেন। ইংরেজিতে কথা আছে এ ফ্রেন্ড ইন নিড, ইজ এ ফ্রেন্ড ইনডিড (A friend in need, is a friend indeed)। প্রয়োজনের সময়ে যিনি বন্ধু হন, তিনিই তো আসল বন্ধু। আমি চেষ্টা করবো আপনাকে সাহায্য করতে। সমস্যাটা কী?

নেড়িকুকুর : থ্যাংক ইউ সো মাচ। আপনি তো জানেন আমি বাংলাদেশে কুকুর ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছি। বাংলাদেশে কতো কোটি মানুষ আছে তার সঠিক হিসাব এই মুহূর্তে দেয়া কঠিন। ঠিক তেমনই বাংলাদেশে কতো কোটি কুকুর আছে সেটা বলাও কঠিন। তবে আছে অন্তত দুই কোটি নেড়িকুকুর। তাদের মধ্যে ৮৩ লক্ষ হয়েছে কুকুর ব্যাংকের সদস্য এবং সারা দেশ জুড়ে আমাদের কুকুর ব্যাংকের শাখার সংখ্যা এখন ২,৫০০-র কিছু বেশি।

বো : হ্যাঁ। এসব আমি জানি। কুকুর ব্যাংক এখন গ্রামীণ ব্যাংকের প্রায় সমান। হোয়াইট হাউসে বস আর হিলারিআন্টি প্রায়ই ড. ইউনূসের গ্রামীণ ব্যাংকের কথা বলেন। পাশাপাশি আপনার কুকুর ব্যাংকের কথাও তখন তারা বলেন। এ সবই আমি শুনি। সেদিন বস বললেন, মাইক্রোক্রেডিট সামিট ক্যামপেইন বা ক্ষুদ্রঋণ শীর্ষ আন্দোলনের একটি রির্পোটের মতে ২০০৯-এ বিশ্বের ৬৪ কোটি মানুষ ক্ষুদ্রঋণের ফলে লাভবান হয়েছেন। মাইক্রোক্রেডিট সামিট ক্যামপেইনের এখন লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ২০১৫-র মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে গরিব সাড়ে সতের কোটি পরিবারের মধ্যে পৌছানো। তখন বস এটাও বললেন, আমেরিকাতে সাড়ে ছয় কোটি কুকুর আছে এবং তাদের জন্য বাংলাদেশের কুকুর ব্যাংকের মতোই একটা ব্যাংক করা উচিত। ২৭% আমেরিকান তাদের উইলে কুকুরের কথা বলে যান। আমেরিকার ৮৩% মানুষ তাদের কুকুরের জন্য নিজের জীবনের ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত। তাই আমেরিকান ভোটারদের কাছে কুকুর ব্যাংক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ বসকে আরো পপুলার করবে।

নেড়িকুকুর : আমরা জানি প্রেসিডেন্ট ওবামা’র প্রয়াত মা, ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্পের একজন গুনগ্রাহী ছিলেন। আমরা জানি প্রেসিডেন্ট নিজেও ড. ইউনূসের গুনগ্রাহী। অতি সম্প্রতি তাকে আমেরিকার সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক নিজের হাতে পরিয়ে দিয়ে সম্মানিত করেছেন। কিন্তু আমি জানতাম না তিনি কুকুর ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতেও আগ্রহী।
বো : কুকুরদের খুব ভালোবাসেন বস। তাই তিনি তার দুই মেয়েকে কথা দিয়েছিলেন হোয়াইট হাউসে গেলে তিনি তাদের একটি কুকুর গিফট দেবেন। আর সেই সুবাদেই তো আমার এখানে আসা এবং থাকা। বস আমাকে এতই ভালোবাসেন যে তিনি নিজের নামের দুটি আদ্যক্ষর দিয়ে আমার নাম রেখেছেন। বারাক (Barack)-এর বি (B) এবং ওবামা (Obama)-র ও (O)। BO বা বো!

নেড়িকুকুর : আমি নেড়িকুকুর। আমাদের কোনো নাম নেই বাংলাদেশে।
বো : কিন্তু আপনি বাংলাদেশের নেড়িকুকুরদের জন্য যে কাজ করেছেন সেটা আজ বিশ্ববাসী নিজেদের দেশে অনুকরণে আগ্রহী। এটা তো অসাধারণ সাফল্য। আপনার কোনো নাম নেই, তাতে কি? আপনি নোবেল প্রাইজ পাবেন। তখন আপনিই হবেন নিজের দেশে সবচেয়ে পরিচিত প্রাণী এবং বিদেশেও সবচেয়ে পরিচিত বাংলাদেশী।
নেড়িকুকুর : এই সম্ভাবনা আছে টের পেয়েই তো আপনাকে ফোন করেছি। ড. ইউনূসের মর্মান্তিক অভিজ্ঞতা থেকে আমি বুঝতে পেরেছি নোবেল প্রাইজ পেলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও তার আমেরিকা নিবাসী পুত্রের ঈর্ষার শিকার হতে পারি আমি। লন্ডনের প্রভাবশালী সাপ্তাহিক দি ইকনমিস্ট ২ মার্চের সংখ্যায় লিখেছে, গত তিন মাস ধরে বিভিন্ন মিডিয়ায় ড. ইউনূসকে অপদস্থ করতে যেসব কিছু বলা হচ্ছিল এবং তার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকার যেভাবে মামলা করছিল, তারই চূড়ান্ত পরিণতি হচ্ছে, ৩০ বছর আগে তারই গড়া ব্যাংক থেকে তাকে সরিয়ে দেয়া।

প্রবন্ধটির মতে, গত নভেম্বরে নরওয়ের জাতীয় টেলিভিশনে ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র সম্প্রচারিত হওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশ সরকার ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লাগে। প্রামাণ্য চিত্রে দাবি করা হয়েছিল, ১৫ বছর আগে গ্রামীণ ব্যাংকের লাখ লাখ ডলার হাওয়া হয়ে গেছে।
প্রবন্ধে বলা হয় কোনো সন্দেহ নেই, নরওয়ে সরকার পরিচালিত তদন্তে দেখা গেছে প্রামাণ্যচিত্রের সেই অভিযোগ ভিত্তিহীন। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সতর্কতার সঙ্গে রাজনৈতিক ডামাডোল পিটিয়ে ড. ইউনূসকে হেনস্থা করার প্রেক্ষাপট নির্মাণ করেন।
ইকনমিস্টের রিপোর্টে বলা হয়, চৌদ্দ বছর আগে শেখ হাসিনা যখন প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হন, তখন ড. ইউনূসের ব্যাপারে তিনি অতটা কঠোর ছিলেন না। ১৯৯৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধানদের ক্ষুদ্রঋণ শীর্ষ সম্মেলনের কো-চেয়ারম্যান হিসেবে শেখ হাসিনা বলেছিলেন, “আমরা বাংলাদেশে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার গড়া গ্রামীণ ব্যাংকের অসাধারণ কার্যক্রমে গর্বিত।”

প্রবন্ধে বলা হয়েছে, ড. ইউনূস বিশ্বকে এটা দেখিয়ে দিয়েছেন ক্ষুদ্রঋণের সুবিধা নিয়েও দরিদ্ররা আয় বাড়ানোর সামর্থ্য রাখে। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের ভাগ্য পাল্টে দিতে পারে। দরিদ্রদের ক্ষুদ্রঋণ সহায়তা প্রকল্প বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সম্প্রসারণ ঘটেছে মূলত গ্রামীণ ব্যাংকের সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে।
ইকনমিস্ট লিখেছে, সুতরাং যে কেউ এটা আশা করতে পারেন, এই শীর্ষ সম্মেলনের ৯ বছর (২০০৬-এ) পর যখন ড. ইউনূস শান্তিতে নোবেল পেলেন, তখন শেখ হাসিনাও তার ওপর সন্তুষ্ট থাকবেন। কিন্তু আসলে তা হয়নি। কারণ শেখ হাসিনা ড. ইউনূসের নোবেল প্রাপ্তির বহু আগ থেকে মনে করছিলেন তিনিই শান্তিতে এই পদক পাওয়ার যোগ্য। ক্ষুদ্রঋণ চালুর জন্য ড. ইউনূস শান্তিতে নোবেল পেতে পারেন না। বরং তিনি ১৯৯৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে যে শান্তি চুক্তি করেছিলেন, তার জন্য তাকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেয়া উচিত ছিল। তবে এ কাজে বিশ্বের নানা প্রান্তে তিনি সিনিয়র আমলাদের লবিইং করতে পাঠিয়েও সফল হননি।
ইকনমিস্টের ভাষায়, কিন্তু নোবেল প্রাপ্তির মাধ্যমে ড. ইউনূস হঠাৎ করেই প্রধানমন্ত্রীর বাবা শেখ মুজিবুর রহমানের চেয়েও বিখ্যাত হয়ে যান। যারা শেখ হাসিনাকে খুব কাছ থেকে জানেন, তাদের মতে, এটা মেনে নেয়া শেখ হাসিনার পক্ষে তেতো ওষুধ গেলার চেয়েও কঠিন হয়ে দাড়ায়।

ওই ম্যাগাজিনে বলা হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানসিক অসন্তুষ্টি সরাসরি ব্যক্তিগত বিরোধে রূপ নেয়, নোবেল পাওয়ার পাঁচ মাস পর ড. ইউনূস রাজনৈতিক দল গঠনের ঘোষণা দেন। সেনাসমর্থিত কেয়ারটেকার সরকারের শাসন আমলে ড. ইউনূস এ ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেনানায়করা আশা করেছিলেন, দেশটির রাজনীতি থেকে শেখ হাসিনা এবং বেগম খালেদা জিয়াকে সরিয়ে দেয়া সম্ভব। কিন্তু তারা মাইনাস-টু- ফর্মুলা বাংলাদেশী জনগণকে গেলাতে পারেননি। ড. ইউনূস রাজনৈতিক অঙ্গনে বিদ্যমান দুর্নীতির জঞ্জাল সরাতে প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলোর ব্যর্থতা চিরতরে উচ্ছেদ করার পদক্ষেপ নিতে আগ্রহী ছিলেন।

ইকনমিস্টে লেখা হয়েছে, ড. ইউনূসের অভিপ্রায় যা-ই হোক না, রাজনীতিতে তার নাক গলানোর এই উদ্যোগকে শেখ হাসিনা নিজের ও তার দলের জন্য হুমকি হিসেবে দেখেছেন। ইকনমিস্টের মতে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ একজন সিনিয়র আমলা বলেন, তিনি (শেখ হাসিনা) মনে করলেন ড. ইউনূস (তার মতে) সেনাবাহিনীর তৎপরতার সঙ্গে জড়িত এবং তাকে রাজনীতি থেকে অপসারণের চেষ্টা করছেন। এ কারণে সেনাবাহিনীর পরিকল্পনা ড. ইউনূসের পরিকল্পনাও বটে।
প্রবন্ধে আরো বলা হয়, বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখন দাবি করছে, ১৯৯৯ সাল থেকে ড. ইউনূস অবৈধভাবে গ্রামীণ ব্যাংক ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা এমডি’র পদ দখল করে আছেন। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের যুক্তি হচ্ছে গ্রামীণ বাংক পরিচালনা পরিষদ ড. ইউনূসের পুনর্নিয়োগ অনুমোদন করেনি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম জহিরের উদ্ধৃতি দিয়ে ইকনমিস্ট বলেছে, বাংলাদেশ ব্যাংক খুব ভালো করেই জানতো ড. ইউনূস সঠিকভাবেই গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি পদে আছেন। তার ভাষায়, বাংলাদেশ ব্যাংক যখন এতদিন ধরেই তাকে ওই পদে থাকতে দিয়েছে, তাতে ইউনূসের পদে থাকার ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের যে সম্মতি ছিল, তা আমরা ধরেই নিতে পারি।

ইকনমিস্টের আশঙ্কা, সরকারের প্রসঙ্গ এলেই বাংলাদেশের আদালতগুলো ক্রমান্বয়ে সরকারের মুখপানে চেয়ে থাকতে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছে। তাই ড. ইউনূসকে তার পদে ফিরিয়ে দেয়ার রায় দিতে হলে খুবই সাহসী কোনো বিচারপতির প্রয়োজন রয়েছে।

ইকনমিস্ট আরও লিখেছে, সম্ভবত পুরো ঘটনার সবচেয়ে বিস্ময়কর দিক হচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংকের পদ থেকে ড. ইউনূসকে সরাতে বাংলাদেশ সরকার তার আন্তর্জাতিক সুনামকে কতোটা ঝুঁকিতে ফেলতে আগ্রহী হবে। ড. ইউনূসকে অপসারণের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার কতটুকু লাভবান হবে তা অনুমান করা কঠিন। যদি সরকার এ পদক্ষেপে জিতে যায়, তাহলে গ্রামীণ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নিতে আগ্রহী হবে এবং এ ব্যাংকটাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করবে।

ড. ইউনূসের এই অভিজ্ঞতা থেকে আমি বুঝেছি নোবেল প্রাইজ পেলে আমারও একই অবস্থা হবে। সেদিন পড়লাম এই প্রথম নোবেল প্রাইজ কমিটি জানিয়েছেন পরবর্তী শান্তি পুরস্কারের জন্য কারা মনোনীত হয়েছেন। এদের মধ্যে উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ-এরও নাম আছে। আমি শুনেছি, আমার নামও আসতে পারে। প্লিজ, বো, বসকে বলেন, হিলারিআন্টিকে বলেন, আমার নাম যেন কিছুতেই না আসে। নোবেল প্রাইজ পেলে এখন হয়তো রাশিয়ান সাহিত্যিক আলেকজান্দার শোলঝেনেৎসিন এবং ইরানী আইনজীবী শিরিন এবাদি-র মতো নির্বাসনে থাকতে হবে। অথবা চায়নিজ শান্তিবাদী লিউ জিয়াওবো-র মতো জেলে থাকতে হবে। আমি সুন্দরভাবে আমার পদ ছেড়ে দিতে চাই। আমার বয়সও তো হয়েছে।

বো : আপনার কথাগুলো এবং দি ইকনমিস্টের রিপোর্ট খুব মনোযোগ দিয়ে শুনলাম। দেখুন, ড. ইউনূস সাধারণ মানুষ নন। তিনি একজন সৃজনশীল মানুষ। আপনিও সাধারণ নেড়িকুকুর নন। আপনি একজন সৃজনশীল প্রাণী। সৃজনশীল মানুষ বা প্রাণীর কোনো রিটায়ারমেন্ট এইজ বা অবসর নেয়ার বয়স থাকে না। তারা যতোদিন পর্যন্ত সৃষ্টি করতে পারেন, কাজ করতে পারেন, ততোদিন পর্যন্তই নিজ পদে থাকতে পারেন। নোবেল বিজয়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি নিজের গড়া প্রতিষ্ঠান শান্তিনিকেতন থেকে রিটায়ার করেছিলেন? করেন নি। এখানেই গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি ইউনূসের সঙ্গে বাংলাদেশের অন্য সব ব্যাংকের এমডিদের বিরাট তফাৎ।
নেড়িকুকুর : এসব যুক্তি কি এই বিচার বিভাগ মানবে? ১৬ জানুয়ারি ২০১১-তে আন্টিহিলারি তো বাংলাদেশের প্রধামন্ত্রীকে বলেই দিয়েছিলেন, ‘বর্তমান সরকার যে বিচার বিভাগকে সাজিয়েছে সেটা সর্বজনবিদিত। আমেরিকা সেটা জেনে গেছে।’ সুতরাং কোনো যুক্তি দেখিয়ে লাভ হবে না।

বো : দেখুন, ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার ঈর্ষার যে দুটি কারণ দি ইকনমিস্ট দিয়েছে, তা আংশিক বিশ্লেষণ মাত্র। ইকনমিস্ট বলেছে, শেখ হাসিনা ঈর্ষাপরায়ন কারণ এক. তিনি নিজে নোবেল পুরস্কার চান এবং দুই. নোবেল প্রাপ্তির ফলে প্রধামন্ত্রীর পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের চেয়েও বেশি বিখ্যাত হয়ে যান ড. ইউনূস। কিন্তু এটা পূর্ণ বিশ্লেষণ নয়। এছাড়া অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আজ বলেছেন, নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া উচিত ছিল শেখ হাসিনা ও সন্তু লারমা-র।
নেড়িকুকুর : পূর্ণ বিশ্লেষণ কি তাহলে?
বো : ডিজিটাল বাংলাদেশ উপহার দেয়ার অঙ্গীকার করে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসেছিলেন। কিন্তু গত দুই বছরে ব্যক্তিগত কয়েকটি এজেন্ডা পূরণ করা ছাড়া তিনি সফল হননি। ফলে জনতা যে এখন তার এবং তার দলের বিরুদ্ধে চলে গেছে সেটা শেখ হাসিনা বোঝেন। গতকাল ৭ মার্চে শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণের রেকর্ডটি রাজধানীর কোথাও আগের দুই বছরের মতো বাজতে শোনা যায়নি। এটাতেও বোঝা যায় প্রধামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা কতোটা নিম্নমুখী। এই পরিস্থিতিতে বর্তমান এবং আর তিন বছর পরে বাংলাদেশে যে সাধারণ নির্বাচন হবে সে বিষয়ে আমার বস আর হিলারিআন্টি ওয়াশিংটনে স্টেট ডিপার্টমেন্ট এবং ঢাকায় আমেরিকান দূতাবাসের মতামতের পাশাপাশি, আরেকটি নির্ভরযোগ্য মতামতের সোর্স রূপে ড. ইউনূসকে ব্যবহার করতে পারেন। ইউনূসের এই ইউনিক পজিশনই তার সম্পর্কে শেখ হাসিনার দুশ্চিন্তার সবচেয়ে বড় কারণ। শেখ হাসিনা জানেন, যদিও ওয়াশিংটনে স্থায়ীভাবে থেকে তার ছেলে জয় সেখানে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন, তবুও সেটা আমেরিকান প্রশাসনের কাছে খুব গ্রহণযোগ্য হবে না। অন্যদিকে আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী, হিলারিআন্টির সঙ্গে ড. ইউনূসের সম্পর্ক পারিবারিক এবং অনেক বছরের। আন্টির সঙ্গে ইউনুসের সম্পর্ক সরাসরি। অন্য কোনো দেশে ইউনূসের সমান রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক মাপের কোনো ব্যক্তির সঙ্গে হিলারিআন্টির এমন সম্পর্ক নেই বলে মনে করেন শেখ হাসিনা। ইউনূসের এই অসাধারণত্বই ইউনূসের সমস্যার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। তাই আওয়ামী লীগের অবস্থান যতোই দুর্বল হবে, ইউনূসকে দেশ থেকে তাড়ানোর প্রচেষ্টা ততোই জোরালো হবে। আপনার তো কোনো রাজনৈতিক অভিলাষ নেই। নোবেল প্রাইজ পেলেও ইউনূসের মতো আপনার সমস্যা হবে কেন?
নেড়িকুকুর : তা নেই। আমি ইউনূসের মতো কোনো দল গঠনের ঘোষণা কখনোই দেইনি। তাছাড়া ওয়ান-ইলেভেনের পরে আমিই সর্বপ্রথম বলেছিলাম তিন উদ্দীন, ইয়াজউদ্দীন, ফখরুউদ্দীন, মঈনউদ্দীন মাইনাস হয়ে যাবেন এবং দুই নেত্রী প্লাস হয়ে যাবেন। পরবর্তীতে আমার ভবিষ্যদ্বানী সত্য হয়েছে। আমি নিজে কখনো প্লাস-মাইনাসের রাজনীতিতে যেতে চাইনি। যাইনি। কিন্তু তবুও সমস্যা হতে পারে।
বো : কেন?
নেড়িকুকুর : কারণ ঠিক গ্রামীণ ব্যাংকের মতোই আমার কুকুর ব্যাংকে সদস্যদের জমাকৃত সঞ্চয় এখন ৫,০০০ কোটি টাকা। আমাকে পদচ্যুত করে এই টাকাটা সরকার দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করতে পারে।
বো : ইমপসিবল। অসম্ভব।
নেড়িকুকুর : না। সম্ভব। গতকালই দৈনিক ইত্তেফাকে খবর বেরিয়েছে, “গ্রামীণ অর্থনীতিকে গতিশীল করতে এবং সাধারণ মানুষকে মহাজন ও সুদখোরদের খপ্পর থেকে রক্ষার লক্ষ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় মাথাপিছু সর্বোচ্চ ত্রিশ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” অনেকের আশংকা গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ড. ইউনূসকে সরিয়ে দেয়ার পর এই ব্যাংকের তাবৎ টাকা আগামী নির্বাচনের আগে এভাবেই বিলি করা হতে পারে। আর এই আশংকা যদি সত্যে পরিণত হয় তাহলে সরকার পরবর্তী পদক্ষেপে আমাকে তাড়িয়ে কুকুর ব্যাংকের টাকাও তাদের দলের স্বার্থসিদ্ধিতে ব্যবহার করবে। তখন কি হবে? আমি কোথায় যাবো? মানুষ নির্বাসনে যেতে পারে এবং যায়। কোনো কুকুর কি কোনোদিন নির্বাসনে যেতে পেরেছে? তখন কি আপনি আমার ভিসার ব্যবস্থা করতে পারবেন?
বো : হুম। এদিকটা আমি ভেবে দেখিনি।
নেড়িকুকুর : বাংলাদেশে এখন এক ব্যক্তির বন্দনা, এক নেত্রীর শাসন এবং এক পরিবারের সুসময় চলছে। তারাই মুখ্য। আর সবাই গৌন। মানুষের যখন এই অবস্থা তখন নেড়িকুকুরদের অবস্থা যে আরো কতো অসহায় সেটা বুঝে নিন। এছাড়া আমার অবস্থা আরো কৃটিকাল। কুকুরবাহিনী গোয়েন্দা সংস্থা বা ডগ ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডগএফআই বা DoGFI) নামে একটি বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থা, যাদের দায়িত্ব হলো দেশের সব কুকুরদের ওপর নজরদারি করা, তারা আমাকেও কোনো মামলায় ফেলে দেয়ার সুযোগ খুঁজছে।
বো : বুঝলাম। তাহলে আপনি নোবেল প্রাইজ চান না। কুকুর ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা এমডি পদেও থাকতে চান না।
নেড়িকুকুর : আগে চাইতাম। এখন আর নয়। ড. ইউনূসের অভিজ্ঞতা থেকে আমি বুঝতে পেরেছি, নোবেল প্রাইজ জীবনকে দেয় সুইডিশ ক্রোনার ও বিশ্ব খ্যাতি। কিন্তু নিজেরই গড়া প্রতিষ্ঠান থেকে পদচ্যুতকে দেয় কি? তাকে দেয় দাহ। যে আগুন আলো দেয় না, অথচ দহন করে, সেই দীপ্তিহীন অগ্নির নির্দয় দহনে পলে পলে দগ্ধ হবেন আওয়ামী লীগ সম্পর্কে জ্ঞানহীন হতভাগ্য ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আমি নেড়িকুকুর। আমি জানি আওয়ামী লীগ কী জিনিস। আমি ড. ইউনূসের পরিণতি বরণ করতে চাই না। তাই আমি নোবেল প্রাইজ চাই না। কুকুর ব্যাংকেও থাকতে চাই না।

৮ মার্চ ২০১১

আমেরিকান কুকুর বিষয়ক তথ্য সূত্র :
লস এঞ্জেলেস টাইমস ২০.০৮.০৪ (কুকুরের সংখ্যা)
মায়ামি হেরাল্ড ১৫.০১.০৩ (কুকুর বিষয়ক উইল)
ইউএসএ টুডে ১৫.০৩.৯৯ (কুকুরের জন্য ঝুঁকি)

শফিক রেহমান : লেখক, সম্পাদক ও জনপ্রিয়  টিভি অনুষ্ঠান উপস্থাপক।

শফিক রেহমানসাংবাদিক, কলামিস্ট

১১৩ Responses -- “ড. ইউনূসকে সরানোর আসল কারণ: নেড়িকুকুরের টেলি-সংলাপ”

  1. Jahangir

    প্রবন্ধটা আমার খুবই ভাল লেগেছে । আওয়ামী দুঃশাসন থেকে বাঁচার জন্য জনমত সৃষ্টিতে আরো ভাল কিছু চাই।

    Reply
  2. Shahab Chanchal

    ড. ইউনূসকে সরানোর আসল কারণ: নেড়িকুকুরের টেলি-সংলাপ –
    শফিক রেহমানের নেড়িকুকুরের টেলি-সংলাপ – ড. ইউনূসকে সরানোর আসল কারণ সম্পর্কে তার কাল্পনিক এবং স্বভাবসুলভ লেখা আর কানাডা থেকে প্রকাশিত বেঙ্গলি টাইমস এর ১০ই মার্চ ২০১১ এর নজরুল মিন্টোর একটি অহংকারের গল্প পড়ে আমার মন্তব্য ছিল নিম্নরূপ আর সফিক রেহমানের নেড়িকুকুরের টেলি-সংলাপের মন্তব্য নিঃপ্রয়োজন। নজরুল মিন্টোর “একটি অহংকারের গল্প” খুবই তাৎপর্যপুর্ন লেখা এবং সময়োপযোগীও এই লেখাটা হৃদয় স্পর্শ করা একটা লেখা।আপনাদের অনুরোধ করবো সময়োপযোগী এই লেখাটার প্রতি দৃষ্ঠিপাত করতে।
    একটু লক্ষ্য করুন গ্রামীণ ব্যাংকের ডঃ ইউনূসের আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামার নোবেল পুরষ্কার, এর একটি হচ্ছে তৃতীয় বিশ্বের গরীবের অর্থ লুট করার আধুনিক ফন্দি সহজ সরল মানুষের চোখে ধুলো দিয়ে কৌশলে তাদের সর্বস্ব হাতিয়ে নিতে একজন ইউনূসকে নোবেল দেয়া দরকার ছিল তাই শান্তি নাম ধরে তাকে নোবেল দেয়া, অন্যটি মুসলিম বিশ্বের আর কালো সম্প্রদায়ের মানুষের আই ওয়াস মাত্র।ওবামা এমন কী কাজ করলেন যার জন্য শান্তিতে তাকে নোবেল প্রদান করা? এই দুই জনকে শান্তিতে নোবেল দেয়ার জন্য নোবেল কমিটি ১০০% প্রেসারে ছিলেন পাওয়ার মাফিয়াদের কাছে আর নতুবা পাওয়ার শেয়ারে অংশিদার ছিলেন বিশ্ব শাসকদের যা একটু গভীরে গেলে আপনার কাছে আয়নার মত পরিষ্কার হয়ে যাবে অথবা সময় আপনাআপনি বলে দেবে। আমাদের মনে রাখতে হবে কবিগুরু রবী ঠাকুর আর অর্থনীতিবিদ অর্মত্য সেনের পাওয়া নোবেল আর ইউনূস/ওবামার নোবেল এক নয়।
    শাহাব চঞ্চল, লন্ডন।

    Reply
  3. শামসুল আলম

    কোনো কিছু গড়তে না জানলেও ভাঙ্গতে জানে- এটাই বোধ হয় বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য শেষ কথা!!
    ডঃ ইউনূস সংক্রান্ত জটিলতা যেভাবে আন্তর্জাতিকতা পেয়েছে এবং গ্রামীণ ব্যাংক তথা লক্ষ লক্ষ নারীর জীবন জীবিকার ওপর আঘাত করতে উদ্যত, এটা জাতির জন্য একটা বড় দুঃসংবাদ বয়ে আনবে। এটা নিয়ে ভাবার যথেষ্ট কারণ রয়েছে, যদিও গদিনশিনরা নির্বিকার।

    Reply
  4. Dr Monica Chowdhury

    HE is always against Sheikh Hasina. He also support Tareque. If Tareque got a NOBEL prize, he is the first person to write a story praising how great he is. He might say, Tareque is more popular than Sheikh Mujib. Hasina made a big mistake not giving him the land that he wanted to sell out and grab the money. He is the first person who published khaleda’s academic marksheet and we knew from his writing that She ( khaleda) failed in Matric exams. and he loves tareque and coco and established a huge media building at LOVE ROAD. now he is doing a job as a speech writer of Khaleda zia. Two things he does as a writer, one: writing speech for khaleda and Two: curse hasina in his writing. Good luck with it.

    Reply
  5. Iftheker Mohammad

    জনাব রেহমান বলবেন কি সরকার কোথায় কয়টা মামলা ইউনূসের বিরুদ্ধে করেছে?

    আপনার লেখা থেকে কোট করছি,

    //লন্ডনের প্রভাবশালী সাপ্তাহিক দি ইকনমিস্ট ২ মার্চের সংখ্যায় লিখেছে, গত তিন মাস ধরে বিভিন্ন মিডিয়ায় ড. ইউনূসকে অপদস্থ করতে যেসব কিছু বলা হচ্ছিল এবং তার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকার যেভাবে মামলা করছিল, তারই চূড়ান্ত পরিণতি হচ্ছে, ৩০ বছর আগে তারই গড়া ব্যাংক থেকে তাকে সরিয়ে দেয়া।//

    সরকার যে ইউনূসের বিরুদ্ধে কোন মামলা করেনি তা গাধা এবং সারমেয় প্রজাতির প্রানীরা ছাড়া সবাই জানেন। এইসব শ্রেফ অপপ্রচার।

    বরং নিজেকে আইনের উর্দ্ধে মনে করে পেইড লবি দিয়ে ইউনূস যা করছেন তা অত্যন্ত লজ্জাজনক ও গর্হিত।

    Reply
  6. alimulrazi

    ২ টাকা দিয়ে যায় যায় দিনের নেশাটা শুরু করেছিলাম । কিনতু যখন একটা সময়ে দেখলাম জামাতিদের হাতেও যায় যায় দিন তখন নেশাটা ছুটে যায় আর তখনই বুঝতে পেরেছিলাম ওটার
    দিন শেষ। এরশাদের বিরুদ্দে একদার কলম সৈনিক দিলেন এক মহা ডিগবাজী আশ্রয় নিলেন এক গোলাপী আঁচলের নিচে। ঊনার ভাষণ মুসাবিদা করে আর পকেটে লাল গোলাপ নিয়ে ঘুরে দিন এখন ভালই কাটে ।স্যাটায়ারে হাসিনাকে এক হাত নিতে গিয়ে ইউনুস এবং নোবেলকে অবমূল্যায়ন করা হল নাকি? অবশ্য উনার নামেই কিছু দিওয়ানা আছে । উনি যাই লিখেন আহা কি মরি মরি। মিলুক আর না মিলুক/

    Reply
  7. amir khosru

    once I heard a story that a frog wanted to be as large as bull, it tried to swell more and more and eventually embraced a tragic consequence, who knows to what tragedy our honorable prime minister is heading ……………………….

    Reply
  8. মাসুদ

    Mr. Rehman,

    Don’t try to become a linguistic by writing such funny story. I think, in your whole story u insult Dr. Yunus and Nobel committee. But u should analyze your profile first then try do for others. Who are you? I think u will get your answer if you analyze ur past activities and also the daily newspaper in the recent past years.

    Reply
  9. nahid

    look noble prize is now a pure political thing. why did Mr. Yasir arafat and israil’s prime minister got Noble? or Shirin Ibadi of Iran ? pure politcal. even Dr. Yunus got that with big lobbing of America or i can say of Hilary. but he was rewarded for economics could be perfect , but for peace?

    Reply
    • Iftheker Mohammad

      আমি আপনার সাথে সম্পূর্ণ একমত। কিছু পা চাটা লোকের কাছে ইউনুচ যেন ভগবান!

      এইসব সুশীলেরা পরিবারতন্ত্রকে গালাগাল করে, তারা মাইনাস টু ফর্মুলাকেও সমর্থন করে। খালেদা ও হাসিনাকে তারা একনায়ক বলে। তারা বলে যে একক ব্যক্তি নির্ভর দল হলো আওয়ালী লীগ বা বিএনপি। কিন্তু ইউনূসের বিষয়টা তাদের জন্য আলাদা। ইউনূসের অব্যাহতিকে তারা বলে এইভাবে যে, ইউনূস না থাকলে গ্রামীন ব্যাংক থাকবে না। হায়রে সুশীলের ব্যক্তি পূজা !!

      Reply
  10. Kazi Zahidul Islam

    Mr. Rehman,
    do u know the thinking of people about you? Everyone knows WHO you are.
    U HAVE no RIGHT TO say LIKE THIS.

    LEARN TO HONOR FOUNDER OF BANGLADESH AND OTHER. THEN PEOPLE WILL HONOR YOU.

    Reply
  11. Dr.Ziaul Abedin

    Some one protest against so such stupid practices in the country.
    Some has courage who can express,Mr.Rahman is the one of them,I salute him.

    Some one has certified that only one can get the Noble prize in Bangaldesh.Who has such quality to certify for noble prize, I think ,he can also propose his name also.
    What kind of wrong did Mr.Yunus ?
    We all are angels ?

    It is just personal jelous.After 50 years Dr.Yunus will survive in the mind of whole population of the world.
    What fate is waiting for other people.

    Great Socrates is remembered after 2000 years.I don’t know the name who were against him.
    It is just current crisis.History will take the right thing in time.
    Don’t worry Dr.Yunus.People are with you.

    I request Mr.S.Rahman, please keep on writing.We like your writings & presentations.

    Reply
  12. badal

    Mr. Rahman, in the name of neri kutta I think u mean Fazle Hasan Abed, BRCK, but it is realy unexpected that like Fazle Hasan Abed u use neri kutta. Please honor people properly otherwise u will be dishonored in every where in ur life.

    Reply
  13. ZH

    A bunch of BD fellows in NYC are thinking to raise fund for buying a nobel prize for the most powerful person in our planet, who is trying to ruin the image Dr. Yunus.

    Reply
  14. NIPU

    পুরানো কথাই মনে আসছে বারবার…………………যে দেশে গুনের কদর নেই সে দেশে গুনী জন্মাতে পারে না……

    Reply
  15. Noman

    আমাদের ভাগ্য খুব খারাপ যে খালেদা জিয়া এখন রাজনৈতিক কারণে গরীবের রক্তচোষক ইউনূসের পক্ষে কথা বলছেন…তার অর্থমন্ত্রী ও অর্থ বিষয়ে খালেদা জিয়া’র চেয়ে অনেক যোগ্য প্রয়াত সাইফুর রহমান এ বিষয়ে সরব ছিলেন।…আমার কাছে হাসিনা আর খালেদাকে একই মনে হয়। আপনাকে শিক্ষিত মনে করতাম…কিন্তু আপনি রাজনৈতিক দর্শনের উপরে উঠতে পারেন নি।
    ক্ষুদ্র ঋণ বাংলাদেশের মত পৃথিবীর কোন দেশে এত বেশি নাই…ক্ষুদ্র ঋণ পরিচালনা করে এমন পৃথিবীর ১০টির মাঝে ৫টি বাংলাদেশের, এ হিসাবে আমাদের তো দারিদ্র থাকারই কথা না…ক্ষুদ্র ঋণ মানুষকে ঋণগ্রস্ত করে কিভাবে, তা আপনার জানারও কথা না। আপনি তো মানুষের সঙ্গে মেশেন না। গরীব মানুষতো আপনার মত সুবিধাবাদীর কাছে মানুষই না।
    জাতি হিসাবে আমাদের দুর্ভাগ্য, আমরা খালেদা আর হাসিনা’র চাটুকারিতা থেকে বেরুতে পারি নি। এরা ভাল কাজ করলেও চাটুকাররা প্রশংসা করতে করতে মুখে ফেনা তুলে ফেলে। আর খারাপ করলেও সেটার প্রশংসা ও যুক্তি তুলে ধরতে ধরতে ক্লান্তি বোধ করে না। যদিও বিষয়টা আইনের হাতে এখন, তবু সরকারের এ কাজটির প্রশংসা খালেদারও করা উচিত ছিল। কারণ গত তত্বাবধায়ক সরকারের সময় হাসিনার চেয়ে শতগুণ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত খালেদা।

    যে ইসলামী দলগুলো আজীবন ইউনূস ও এনজিওদের বিরুদ্ধে কথা বলে গেছে, রাজনৈতিক কারণে তারাও আজ ইউনূসের দরিদ্র রক্তচোষার পক্ষে।

    Reply
  16. তাইফ

    “নোবেল প্রাপ্তির মাধ্যমে ড. ইউনূস হঠাৎ করেই প্রধানমন্ত্রীর বাবা শেখ মুজিবুর রহমানের চেয়েও বিখ্যাত হয়ে যান।” যদিও আমি আওয়ামিলীগ এর Supporter অথবা কর্মী কোনটিই নই। কিন্তু এই কথাটি Economist অথবা তার চেয়েও জনপ্রিয় কোন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হলেও আমি মেনে নিতে পারবোনা। দুঃখিত Mr. Shafiq Rehman! একজন বাঙ্গালী হিসেবে বলছি.. বঙ্গবন্ধুর জায়গায় আমি কাওকেই দেখতে পাইনা।
    ধন্যবাদ

    Reply
  17. শাকিল হোসাইন

    জনাব শফিক রেহমান, আপনি এ সরকারের বিরূদ্ধে লিখে লিখে যে অবস্থান নিয়েছেন, আপনি সহি-সালামতে টিকতে পারবেন তো? দেখেন! পক্ষে লিখলে নিশ্চিত একটা টিভি চ্যানেলের মালিক হয়ে যেতেন। যেমন হয়েছেন অনেকেই এ সরকারের আমলে! একজন সাংবাদিকের বাক-স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা খর্ব না হোক, এ কামনা করছি।

    Reply
  18. শাহীন

    এই আশংকা যদি সত্যে পরিণত হয় তাহলে সরকার পরবর্তী পদক্ষেপে আমাকে তাড়িয়ে কুকুর ব্যাংকের টাকাও তাদের দলের স্বার্থসিদ্ধিতে ব্যবহার করবে।

    লেখার উপরোক্ত অংশটুকুর কথা বলছি……কুকুর ব্যাংকের টাকা মানে কুকুররা টাকা জমিয়েছে। তারা টাকা পেলো কোথায়, জমিয়ে কী করবে? রুপকার্থে কুকুর শব্দটির ব্যবহারে আমার কোন সমস্যা নেই। টাকা পয়সাকে এর সাথে জড়িয়ে মানুষকে বিশেষ করে মুহাম্মদ ইউনূসকে সরাসরি কুকুর বলা হয়ে গেলো না?

    Reply
  19. গীতা দাস

    রম্য আদলে লেখাটি বাজে লেগেছে কুকুরকে চরিত্র হিসেবে সৃষ্টি করাতে।

    Reply
  20. bashar bhuiyan

    শফিক স্যারকে ধন্যবাদ । সমসাময়িক ও জরুরি একটি বিষয় নিয়ে লিখার জন্য । কিছু উদাহরন টেনে লিখাটা লিখেছেন ভালোই লেগেছে । আমি আরো আগে একটা কলামে ধারনা করে লিখেছিলাম শেখ হাসিনা এবং ইউনুছ সাহেবের ব্যক্তিগত বিরোধ মূলত নোবেল নিয়ে । বিষয়টা এখন দেখলাম সত্যিই হল । সবছেয়ে খারাপ লাগলো গত মাসে যখন দেখলাম ভারতীয় এক নোবেল জয়ীকে দিয়ে আমাদের বইমেলার ফিতা কাটা হলো । আর আমাদের নোবেল জয়ী ইউনূস সাহেব সেখানে দাওয়াতই পেলোনা। একজন প্রধানমন্ত্রী এতো হিংসাত্মক হয় কীভাবে আমার বোধগম্য নয় । “যখন ওনার মুখ থেকে শুনি হত্যার বিনিময়ে হত্যা” “ছাএলীগের ছেলেরা যুবলীগের ছেলেরা কি চুড়ি পরে বসে আছে নাকি” ? তারপর যখন শুনি শান্তিতে নোবেল পাওয়ার জন্য ওনার খায়েশ ছিল তখন খুবই লজ্জা হয় । আজকাল ওনার এবং ওনার পরিবারের সদস্যদের যেভাবে ভারত পুজা করতে দেখি মনে হয়না ওনারা বাংলাদেশের নাগরিক!”

    Reply
  21. Md. Golam Shahriar Majumder

    uni to ai america connection diei nobel paisen, ata to shobai jane… r onake Mujib er cheye boro bolen kon joggotai, kothay chilen apni shongram er shomoy??

    Reply
  22. Nazmul Hoda

    প্রিয় শফিক রেহমান,
    আমি আপনার একজন অন্ধ ভক্ত. আমি আপনার লেখা পড়ার সময় খুবই ভয়ে থাকি অতি উৎসাহী কিছু লেখবেন নাতো! কিন্তু বরাবরই আমার ধারনা ভুল হয়। আজও আপনার লেখা পড়লাম, ড. ইউনুস ইসু্তে বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষের যে মতামত তাই ফুটে উঠেছে এ লেখাতে।

    Reply
  23. জহির

    আপনি আমার একজন প্রিয় উপস্থাপক। আপনার এই সাহসী লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ এবং অভিন্দন।

    আমার তো সবসময় ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে বলি, কিন্তু আমার নিজেরা কেউ কখনো ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেই না।

    এরপর যে কার কপাল ফাটবে, তা আল্লাহ জানেন!!! আল্লাহ এই বে-রহমদেরকে হেদায়েত দান করুন-আমীন।

    Reply
  24. reza

    Nice writing Mr Rehman, keep it up. This BAL govt has no skills to run the country, and day by day they are proving that. Hasina’s mentality, foreign and finance minister’s talks are really funny and seem immature in politics.

    Reply
  25. harry

    I will not comment on Mr Rehman’s writing as we all know how his brain works. Anyway, the truth is Nobel Peace prize is always a political prize and Yunus got it via USA lobby. Thats is even more indisputable than the facts like “Human require Oxygen..”. Don’t believe it, fine. It is your call.

    Reply
  26. Najmul-Kyoto University

    Dear Shafiq Rehman sir,
    Would you mind to tell us, how we can success Minus Two formula? One hundred sixty million people of Bangladesh are crying to get relief from these political parties. We are expecting a mass people revolution like Arab World in Bangladesh.

    Reply
  27. Ahmed Afsar

    বুঝলাম,যায়যায়দিন সম্পাদক এটাই বুঝাতে চেয়েছেন,একটি কুকুরও যদি নোবেল পায়,তাহলে শেখ হাসিনা তাতে ঈর্ষাপরায়ন হবেন। কিন্তু এই বুঝানোর চেষ্টায় কি নোবেল পুরস্কার ও ড. ইউনূসকে অসম্মান করা হল না?
    মি.সম্পাদক, ইকনোমিস্টের বরাত দিয়ে বলতে চাইলেন,তা কি বিশ্বাসযোগ্য? পশ্চিমা সংবাদ মাধ্যম যা বলে তাই সঠিক-এই ধারণা থেকে কবে বের হয়ে আসবেন? ইউনেস্কো পশ্চিমা সংবাদ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করেত গেছিলো বলেই তো ১৯৮১ সালে আমেরিকা ইউনেস্কো থেকে পদত্যাগ করেছিল। জানি আপনারা যারা পশ্চিমের গুণে মুগ্ধ,তারা এসব মনে রাখবেন না।
    এক্ষণে আসল কথা বলি। আপনার লেখা নিয়ে আমার মন্তব্য দরকার নেই। যিনি দুই নেত্রীর একজনের ভাষণ লিখে দেন-এমন বুদ্ধজীবীর লেখার ওপর মন্তব্য আমার রুচিতে বাধে। বলতে পারেন, মতাদর্শগতভাবে মিললে বা টাকার বিনিময়ে কারো ভাষণ লিখেই দেওয়া যায়। কিন্ত ভোটের জন্য ধর্মীয় উন্মাদনা আর কুরুচিপূর্ণ ভারতবিরোধিতার যে ভাষণ আপনি লিখেন, তাতে আপনার রুচি নিয়ে আমার প্রশ্ন জাগে আর কি।

    Reply
  28. খালেদ সাইফুল্লাহ

    মঈনের কি অসম্ভব পতন! এখন সে নেড়ী কুত্তা!! তবে কুত্তা হলেও ধনী কুত্তা, এবং যেহেতু কুকুর স্বভাগতভাবে খুবই প্রভুভক্ত প্রানী, তাই সে তার প্রভুদের পক্ষে প্রচারণায় নেমেছে।

    Reply
  29. Robin

    মি:রেহমান আপনার পত্রিকার আমি একজন নিয়মিত পাঠক। কিন্তু নেড়িকুকুর শব্দটা শুনতে খারাপ শোনায়। এটার বদলে অন্য শব্দ ব্যবহার করা যায় কিনা তা কি একটু ভেবে দেখবেন?

    Reply
  30. জাফর ইদ্রিস

    যে কাজটি প্রধানমন্ত্রী ডঃ ইউনূসকে নিয়ে করছেন তাতে ওনার নিজের,দেশের অথবা জনগণের কারও মঙ্গল আসবে না,তবে অমঙ্গল অবশ্যই হবে। এই সহজ জিনিসটা তিনি বুঝতে না পারলে দেশ চালান কীভাবে ?

    Reply
  31. ahmed rahim chy

    ধন্যবাদ শফিক রেহমান আপনার দারুন লেখাটির জন্য, হাসিনা কোর্টকে যে নির্লজ্জ দলীয়করন করেছে এটা সারা বিশ্ববাসী জানে, তারপরও ড. ইউনূস কোর্টে গিয়ে, আমি মনে করি, ভাল কাজ করেছেন যাতে বিশ্ববাসী নিশ্চিত হয় তার এ দলীয়করনের ব্যাপারে।

    Reply
  32. Mamun

    Dear Sir

    Apnar choukosh lekhar jonnyo dhannaybad. Apnar lekhagulo valo lage shei shaptahik Jai Jai Din porar somoy thekei. Apnar ajker lekhai onek tothyo ache ja shadharon manush eri moddhey biswas kore.

    But I’m sure, jara biswas korle BAL thik moto desh chalate baddhyo hobe sei sob ondho BAL supporterra kohonoi biswas korbena.

    Etai Bangali jatir somossya. Ashole Chor kokhonoi na shune Dhormer kotha !!!

    Reply
  33. yousef

    Dr. Younus is another hamid karzai. next 1/11 he will show his real face and none other than BNP will be hard hitted.
    US use their puppet as a face tissue and throw them as toilet paper when job is finished.
    SADHU SABDAHAN!!!

    Reply
  34. polash

    এরপর কি ফজলে হাসান আবেদকে ব্রাক থেকে সরানো হবে?
    ওনার বয়সও তো মনে হয় ৬০ বছর পার হয়ে গেছে।

    Reply
  35. Ahmed

    Dear Mr. Mahfuz, আপনি কনটেক্সট চেন্জ করে ফেলছেন কেন? আগে বলা হয়েছে নোবেলের জন্য মনোনীত হয়েছেন, পড়ে বলা হয়েছে নোবেল প্রাইজ চাই না। তাতে কীভাবে সবাই অপমানিত হল?

    Reply
  36. Shakeel

    Rehman Sir,
    Last few days I was waiting for your article…And you didn’t disappoint me…
    I am little bit worried for you Sir… I believe that within a short period you will be inside a BAR! Don’t forget that our existing government can do anything they want.
    May Allah give you more strength to write.

    Reply
  37. mukta Sarawar

    “বাংলাদেশে এখন এক ব্যক্তির বন্দনা, এক নেত্রীর শাসন এবং এক পরিবারের সুসময় চলছে”, ভালোই বলেছেন।
    আমরা গত সরকারের সময় তাই দেখেছি-” জিয়ার বন্দনা, খালেদার শাসন এবং জিয়া পরিবারের (তারেক-কোকো) সুসময়।
    শান্তিতে নোবেল পেতে আমেরিকার দালালী যে করতে হয়, তা আমাদের জানানোর জন্য ধন্যবাদ।

    Reply
    • mike

      only some blind Awami buggers will not support your article Mr. Sahik Rehman. otherwise all general people will like Dr. Yunus who gave us new identity in the world.

      Reply
  38. Mohaammad Nasir Uddin

    I had deep love to Sheikh Hasina as She is a Daughter of sheikh Mujib but now i will not support her party never after removal Dr. Yunus from his bank, who is founder of this bank. it Has been proved She can do anything for sake of her benefits.

    Reply
  39. Catherine

    Mr. Rehman, Really I did not understand what did you mean. But you insulted Dr. Yunus, PM Sheikh Hasina and Nobel Award……..Is it fair !!!!!!!!If you do not know how to Honor the people so at least do not dishonor anybody…First of all, you should think…Who are you?..Try to analyze about you by yourself..

    Reply
  40. Khan Ekthiar

    যায় যায় দিনের হায় হায় রহমান
    দারুন গল্প সাজিয়েছেন।
    একেই বলে ইচ্চা অন্ধ।
    চালিয়ে যান-
    বি এন পি ক্ষমতায় এলে দেশিয় পুরস্কার অবধারিত।

    Reply
  41. SAM

    পরের ধনে পোদ্দারী করে সরকার মহান সাজতে চাইছে। তাদের লক্ষ্য হচ্ছে, গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ড. ইউনূসকে সরিয়ে দেয়ার পর এই ব্যাংকের তাবৎ টাকা আগামী নির্বাচনের আগে বিনা সূদে ঋণ হিসেবে বিলি করে ভোট কেনা। দৈনিক ইত্তেফাকে খবর বেরিয়েছে, “গ্রামীণ অর্থনীতিকে গতিশীল করতে এবং সাধারণ মানুষকে মহাজন ও সুদখোরদের খপ্পর থেকে রক্ষার লক্ষ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় মাথাপিছু সর্বোচ্চ ত্রিশ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” -এই টাকা আসবে গ্রামীণ ব্যাংকে সঞ্চিত আমানত থেকে।

    Reply
  42. Jahir

    Mr.Rehman
    You are absolutely right and lot of thanks to you for your marvellous writing.By this case govt.proved they are nothing doing for country they are doing only for their party & themselve.

    There is a Bangla probad – EKMAGHE SHITH JAYENA

    So there is no reason to think winter is coming for one time it will be recycling.So we have to wait & see.

    Reply
  43. এ.কে.এম. ওয়াহিদুজ্জামান এ্যাপোলো

    আপনার আগেই মাহবুবে আলম অকপটে গোপন সত্য কথাটা প্রকাশ করে দিয়েছেন। মামলা জেতার আনন্দে তিনি বলেছেন, “শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির নেতা সন্তু লারমাই যোগ্য। শান্তির জন্য এ দু’জনই ভূমিকা রেখেছেন। চুক্তি করে দেশের মানুষকে একটি রক্তক্ষয়ী সংঘাত থেকে রক্ষা করেছেন। শান্তি স্থাপনে তারা যে অবদান রেখেছেন, নোবেল পুরস্কার পাননি বলে তার যে স্বীকৃতি মিলবে না সেটা বলা যায় না। ….. মাদার তেরেসা ও নেলসন ম্যান্ডেলাও নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। কিন্তু পুরস্কার পেয়ে তারা প্রেসিডেন্ট হবার খায়েস দেখাননি। ”

    তার মানে দাঁড়ালো-
    ১। নোবেল পুরস্কার পাওয়াই ড. ইউনূসের অপরাধ। যোগ্যদের (!!) বাদ দিয়ে অযোগ্যকে নোবেল দিয়ে নোবেল ফাউণ্ডেশন যে ভুল করেছিলো উনারা ইউনূসকে অপমান করে তার “স্বীকৃতি” দিলেন।
    ২। প্রেসিডেণ্ট হবার খায়েস করার জন্যই (আল্লা মালুম ইউনূস সাহেবের এমন খায়েস হয়েছিলো কি না) উনি শাস্তি পেলেন।

    এখন আমেরিকার মান ভাঙ্গাতে সরকার কী কী দেশজ সম্পদ তাদের ভেট দেবে সেটাই দেখার বিষয়।

    Reply
  44. prince

    অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আজ বলেছেন, নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া উচিত ছিল শেখ হাসিনা ও সন্তু লারমা-র। হো হো…

    Reply
  45. sohel

    ভাল। তবে আরও বেশি জনকে ইনফরমেশনগলো দিতে পারলে হয়ত আলোচনাটাও আরো বেশি জমতো।

    Reply
  46. ওয়াচডগ

    দেশপ্রেমিক প্রবাসী ভাই ও বোনেরা।

    পৃথিবীর দেশে দেশে এখন স্বৈরতন্ত্র, রাজতন্ত্র ও পরিবারতন্ত্রের উচ্ছেদ চলছে। ২০, ৩০ আর ৪০ বছরের লুটেরা শাসনের জিঞ্জির ভেংগে বেরিয়ে আসছে সাহারা মরুভূমি হতে শুরু করে লোহিত সাগরের মানুষ। বেন আলী পালিয়েছে তিউনিশিয়া হতে, মিশরের হোসনি মোবারক নিজ গৃহে বন্দী, পায়ের তলা হতে মাটি সড়ে যাচ্ছে লিবিয়ার একনায়ক গাদ্দাফির। ইয়েমেন, ওমান আর সৌদি আরব পর্যন্ত পৌছে গেছে পরিবর্তনের সুনামি। ঠিক এমনি এক প্রেক্ষাপটে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে গভীর হতে গভীরতর হচ্ছে পারিবারিক স্বৈরশাসনের বিষাক্ত থাবা। পিতার নামে, স্বামীর নামে, চেতনার নামে, ইতিহাসের নামে পারিবারিক শাসনের বেড়ি গ্রাস করে নিচ্ছে গণতান্ত্রিক শাসনের ঐতিহ্য। পাশাপাশি সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে পচনের বীজ ঢুকিয়ে তার ফায়দা লুটছে বিশেষ দুটি পরিবার। রাষ্ট্রের সবগুলো গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে পারিবারিক সেবাদাস বানিয়ে দলিত মথিত করছে একদল পেশাজীবি লুটেরা। ওরা লুটছে আর আমরা লুণ্ঠিত হচ্ছি। লুণ্ঠিত অর্থে কেউ বৈজ্ঞানিক কেউবা মেহমান হয়ে আয়েশি জীবন কাটাচ্ছে সুদূর আমেরিকা আর ইউরোপে। কোত্থেকে আসছে আর কারা যোগান দিচ্ছে এসব অর্থ একবার ভেবে দেখেছেন কি? এই কি সে অর্থ নয় যা আপনার, আমার আর লাখ লাখ প্রবাসি বাংলাদেশির মাথার ঘাম পায়ে ফেলা কষ্টের ফসল? বিনিময়ে কী পাচ্ছি আমরা? হাজার হাজার বাংলাদেশি লিবিয়ার মরুভূমিতে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে। আর আমাদের কথিত গণতান্ত্রিক সরকার বলছে এদের ফিরিয়ে আনার মত যথেষ্ট অর্থ নেই তহবিলে। পিতার নামে ৫০ হাজার কোটি টাকার বিমান বন্দর বানাতে অর্থের কোন অভাব হয়না অথচ যাদের কারণে দেশের অর্থনীতি চালু থাকছে তাদের গন্য করা হচ্ছে উটকো ঝামেলা হিসাবে।

    হতে পারে মধ্যপ্রাচ্যের বাস্তবতা আমাদের চাইতে ভিন্ন। কিন্তু একটু গভীরে প্রবেশ করলে আমরা সহজেই বুঝতে পারব স্বৈরতন্ত্রের আসলে কোন দেশ নেই, পরিচয় নেই। ওরা সব দেশে সব কালে লুটেপুটে খায় আর রাষ্ট্রকে নিজের নিবন্ধিত সম্পত্তি হিসাবে গন্য করে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। ৪০ বছর হয়ে গেল আমাদের স্বাধীনতার। কী আমাদের প্রাপ্তি? হাসিনা, খালেদা, সজিব ওয়াজেদ জয় আর তারেক জিয়া? এদের আয়েশ নিশ্চিত করার জন্যেই কি এ দেশের লাখ লাখ মানুষ রক্ত দিয়েছিল?

    প্রবাসি ভাই-বোনেরা, দেশের ভাল-মন্দ নিয়ে কথা বলার অধিকার আমাদের সীমিত। আমাদের প্রতিবাদের সুযোগ নেই, প্রতিরোধের মাঠ নেই। তাই বলে আমরা কি নীরবে নিভৃতে যুগ যুগ ধরে এদের আয়েশের জন্য অর্থ যুগিয়ে যাব? সময় কি হয়নি কথা বলার? আসুন কথা বলি এবং নেত্রী আর দলকে বুঝতে দেই দেশ চালাতে গেলে আমাদের কথাও শুনতে হবে, আমাদের ভাষাও বুঝতে হবে।

    Reply
  47. shaila

    অকেদিন ধরেই ড. ইউনূসকে নিয়ে আওয়ামীলীগ যে খেলা খেলার প্লান করছিল তা প্রায় সব সচেতন বাংলাদেশীরা কম বেশি বুঝতে পারছিল এবং এখন চিন্তিত তাকে নিয়ে,তারপরও কেউ মুখ খোলার সাহস করছেনা পাছে জানটা যায়!ঠিক এমন সময় আপনার এই লেখা প্রাণে সাহস যোগাবার মতোই। ঠিক ভাষা খুঁজে পাচ্ছিনা আপনাকে ধন্যবাদ দেবার। শুধু দোয়া করি আপনার জন্য যাতে দেশের এই চরম বিপদের দিনে আপনি সুস্হ থেকে আমাদের সাহস দিতে পারেন এবং আপনাকে যেন আবারাও কোন বিপদে না ফেলা হয়।

    Reply
  48. dme maula

    আপনি শুধু নিজের কথাই ভাবলেন! জানি আপনি জননেতা নন- যে আমাদের কথা ভাবে, তারপরও কেন যেন মনে হলো আপনাকে দিয়ে হবে। আমরা যারা ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চা তাদের কী হবে? আওয়ামীলিগের সাধারণ সম্পাদক যখন মন্তব্য করেন ‍‍”বিষয়টি সম্মানজনকভাবে সমাধানের সুযোগ ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিজেই ‘নষ্ট’ করেছেন” তখন হাবিয়া জেঝখের আগুন অনেকেই মনে ধারণ কের।

    ঘুরেফিরে যারা প্রধানমন্ত্রী হন বিভিন্ন সময়ে তাদের বিষয়ভিত্তিক দুরদর্শিতায় আমরা শুধু মুগ্ধ না, হতবাক হই–তা হয়তো তারা জানলেও ঠিক উপলগ্ধি করতে পারেননি। যেমন আমার ডাক্তার বন্ধু ধুমপানে বিষপান জেনেও তা ছাড়ার প্রয়োজন উপলগ্ধি করতে পারেন নি।

    Reply
  49. fazlul huq

    sob kisur ekta shes ase.al er onachar julum ekdin shes hobe.karon sobar pith deale thakese.osadharon lakher jonno dhonnobad.apni nijeo prostut thaken.amar mone hoi apnake o hoito mahmudur rahman er moto same porinoti bohon korte hobe.

    Reply
    • Quazi Abdus Sobhan

      তা কেন ?স্যাটায়ার খুব ভাল হয়েছে। তবে আওয়ামিলিগ/হাসিনার দোষটা যেইভাবে দেখানো হয়েছে, ড. ইউনূসের ভুলের কথা সেই তুলনায় কিছুই বলা হয় নাই।

      Reply
  50. Santo Srabon

    অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আজ বলেছেন, নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া উচিত ছিল শেখ হাসিনা ও সন্তু লারমা-র।
    লজ্জা।

    Reply
  51. Mohammad Mahfuzur Rahman

    Mr. Rehman,
    I am always a fan of your pen- funny example (allegory) with strong implicit message. But I am embarrassed today at your analogy. Look at these lines:
    বো : আপনার কোনো নাম নেই, তাতে কি? আপনি নোবেল প্রাইজ পাবেন।…..
    বো : বুঝলাম। তাহলে আপনি নোবেল প্রাইজ চান না।…
    নেড়িকুকুর : আগে চাইতাম। এখন আর নয়। ….আমি ড. ইউনূসের পরিণতি বরণ করতে চাই না। তাই আমি নোবেল প্রাইজ চাই না।
    My understanding is that, this write up will simultaneously insult three parties- the nobel committee, Dr. Yunus and common people who still believe that nobel peace prize is the prestigious recognition of someone’s highest dedication to the society as a whole. You have strived to prove that, nobel for peace is awarded (or not awarded) only on how the Oval Office recommends for (or against) a certain candidate. I am really confused if you really wanted to honor or dishonor Dr. Yunus’s winning this highest honor. Will it be too much if I desire to have an explanation from you?

    Reply
    • Hafiz

      Mahfuz,

      Why you did not understand this easy language.
      Mr Shafique Rehman did not dishonor Novel committee or Dr Yunus.
      He just wrote what will be situation if any other person get this prize in Bangladesh.

      Reply
    • fazlul

      let me try to make u understand the situation.when a noble prize is awarded different organizations recommend persons from all over the world nothing is wrong with it.If oval court supports someone or thinks someone is a suitable candidate for the noble award,its not right to say why they are interfering with the job of noble award committee. that’s simply a proposal.it may b granted or may not.i don’t know how far i was able to clarify my point. thanks

      Reply
      • Mohammad Mahfuzur Rahman

        Dear Mr. Fazlul,

        By the way, I have no idea about oval court. I wonder if it does at all exists.

        FYI, Oval Office is the center of world’s politics and pressure, the office of the President of the United Sates.
        Thanks for your comments.

Trackbacks/Pingbacks

  1.  মুক্তাঙ্গন | আবারও সেই সুশীলসঙ্গীতানুষ্ঠান | অবিশ্রুত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—