Feature Img
মারুফ মল্লিক । নাজিব জামান
মারুফ মল্লিক । নাজিব জামান

আড়িয়াল বিল। দেশে এখন যে কয়েকটি শব্দ কম বেশি আলোচনার মধ্যে আছে তার মধ্যে এটি একটি। এখানে একটি অত্যাধুনিক বিমানবন্দর হবে। যতদুর জানি একটি স্যাটেলাইট শহরও হবে। কিন্তু আমাদের দেশের বিদ্যমান বিমান বন্দরটিকে আরও আধুনিকায়নের উদ্যাগ না নিয়েই প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে আলোচিত আড়িয়াল বিলে বিমান বন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে সরকার। এর পক্ষে বিপক্ষে অনেক কথা হচ্ছে। স্থানীয় জনসাধারণ প্রথমে এর বিরোধিতা করে বিক্ষোভ করেছে। বার্তা সংস্থা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর তথ্য অনুসারে সে বিক্ষোভে প্রায় ৩০ হাজার স্থানীয় অধিবাসী অংশ নিয়েছিল। পরে বিমানবন্দর নির্মাণের পক্ষে আবার মানববন্ধনও হয়েছে। সরকারের একজন মন্ত্রীও সম্প্রতি বুকের রক্তের বিনিময়ে বিমানবন্দর নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন। আমরা ভাষা আন্দোলনের জন্য বুকের রক্ত দিয়েছিলাম। রক্ত দিয়েছিলাম ৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধে। নুর হোসেন, ডা. মিলনসহ অনেকেই স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে রক্ত দিয়েছেন। এবার বিমান বন্দরের জন্য বুকের রক্ত দেওয়ার ঘোষণা এল।

গত কয়েক দশক ধরেই আমাদের রাষ্ট্র্রযন্ত্র এবং তার রাজনৈতিক ও পুঁজিবাদী স্বার্থান্বেষী মহল উন্নয়নের নামে একে একে গলা টিপে মেরে ফেলছে রাজধানীর আশপাশের সব নদী, বিল, জলাশয়। সারাদেশেই মোটামুটি একই অবস্থা। সারাদেশেই দখলের মহোৎসব চলছে।  হারিয়ে যাচ্ছে জলাভূমি। এ পরিস্থিতিতে আমাদের সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমাদের আরও একটি বিমান বন্দর লাগবে। এবং সেটি কিনা নির্মাণ করা হবে একটি বিল ভরাট করে। সেটা যে কোন মূল্যেই হোক আর যে কোনও উপায়েই হোক। তার জন্য আমরা বুকের রক্ত দিয়ে দিবো। তাতে করে হাজার মানুষের ঘর উজার হোক, পাখির আবাস হারিয়ে যাক। হারিয়ে যাক মাছের বিচরণ ক্ষেত্র। এখানে আমাদের একটি বিমান বন্দর হতেই হবে। আমরা হয়তোবা আড়িয়াল বিলে মাছরাঙ্গার পাখা জাপটানো আর দেখবো না। দেখবো, সেখানে বড় বড় বিমান  উঠানামা করছে।

ইতিমধ্যেই রাজধানীর জলাশয়গুলোর সঙ্গে সঙ্গে উন্মুক্ত ভূমি একে একে দখল করে নিচ্ছে ভূমিদস্যুরা যেটি আগেই বলেছি। ভূমিদস্যুদের তালিকায় সর্বশেষ যুক্ত হয়েছে সেনাবাহিনীর নামও। আমরা রূপগঞ্জে জনসাধারণের প্রতিরোধও দেখেছি। এর সঙ্গে শেষ সংযোজন হচ্ছে আড়িয়াল বিল। এটিকে আর রেহাই দেওয়া যাবে না। এখানে বিমান বন্দর করতে হবে। এটিকে গলাটিপে হত্যা করা হচ্ছে। এটি একটি জলাশল এবং এক ফসলী জমি। এবং অর্থনৈতিক অবস্থার উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত হয়েছে এখানে বিমান বন্দর স্থাপনই সবচেয়ে কার্যকরী। এর সঙ্গে আর কোনও আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট এবং পরিবেশগত ঝুঁকিগুলো কোনও রকম পর্যালোচনা না করে এতবড় সিদ্ধান্ত নেওয়া কীভাবে সম্ভব তা আমার মত সাধারণ মানুষের বোধগম্য নয়। যেখানে বৈশ্বিক আবহাওয়া পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় হুমকির মুখে আমরা সেখানে আমরা নিজেরাই দেশের পরিবেশকে ক্ষুদ্র পুঁজিবাদী স্বার্থের লক্ষ্যে আরও নাজুক পরিস্থিতির মধ্যে ঠেলে দিচ্ছি।

দোহার, নবাবপুর ও শ্রীনগরের আড়িয়াল বিলের স্থানীয় জনসাধারণের ভাষ্য অনুসারে শুধুমাত্র এ বিলের উপর নির্ভর করে জীবন ধারণ করছে কয়েক লাখ মৎসজীবি ও কৃষিজীবী। কর্তৃপক্ষ তাদের বিশ্লেষণে বলেছেন এ বিমান বন্দর স্থাপিত হলে একটি অর্থনৈতিক “হাব” এ পরিণত হবে। অনেক লোকের কর্মসংস্থান হবে। তবে স্থানীয় জনসাধারণের ভাগ্যের পরিবর্তন কতটা হবে সে প্রশ্ন ভবিষ্যতের জন্য রইল। সরকারের দেওয়া ধারণা অনুসারে এটি হবে উন্নত প্রযুক্তির একটি বিমান বন্দর। সেখানে প্রযুক্তিগত শিক্ষায় দক্ষ ব্যাক্তিরাই সুযোগ পাবেন। হয়তোবা এতে দেশের অর্থনীতিতে কিছুটা ভূমিকা রাখতে পারে।

আড়িয়াল বিলের জলাভূমি কত প্রজাতির পাখির আবাসস্থল সে সম্পর্কে আমাদের সুনিশ্চিত ধারণা নেই। তবে পরিবেশবাদীরা হয়তোবা বলতে  পারবেন। ইতিমধ্যে সরকার বলেছেন এখানে বেশি মানুষের আবাস নেই। কারও খুব বেশি ক্ষতি হবে না। কিন্তু মাননীয় সরকার কি জানেন শুধু মানুষই নন অন্য প্রাণীদেরও বেঁচে থাকার অধিকার আছে। আরও একটি শঙ্কা কাজ করছে, সেটি হচ্ছে যদি এ জলাভূমি বন্ধ করা হয়, তাহলে বর্ষার অতিরিক্ত পানির চাপের গতি পরিবর্তিত হয়ে আশপাশের স্থানীয় এলাকা প্লাবিত হতে পারে।

কিছু বিকল্প প্রস্তাবনা

সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার এ অর্থ দিয়ে বিকল্প কিছু উদ্যোগ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারে। সরাসরি বা হুট করেই আড়িয়াল বিলে বিমানবন্দর নির্মাণের বিরোধিতা করছি না। এর প্রয়োজনীয়তার দিকগুলো নিয়ে ভাবতে হবে। দেশের বিদ্যমান অন্যান্য সমস্যাগুলোর সঙ্গে ৫০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এটি নির্মাণ কতটা যৌক্তিক সে বিষয়েও ভেবে দেখা উচিত।

আমরা জানি আমাদের দেশের অনেক সমস্যা আছে। এরপরও দেশ এগিয়ে চলছে এবং আরও এগিয়ে যাবে। আমরা আশাবাদী। এই ৫০ হাজার কোটি টাকা দিয়ে এসব অনেক সমস্যারই কিছুটা সমধান সম্ভব। তাহলে দেশ আরও এগিয়ে যাবে। আমরা মনে করি বিমানবন্দরের টাকা দিয়ে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের কিছু গুরুতর সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে। বেকারত্ব দূর করে দারিদ্র বিমোচনে সহায়ক হতে পারে। দেশের হতদরিদ্র মানুষ উন্নত চিকিৎসার সুযোগ পাবে। যা থেকে দেশ ও জাতি বিমানবন্দরের চেয়ে বেশি উপকৃত হবে। তাই আমাদের মনে হয় এত টাকা ব্যয়ে একটি বিমানবন্দর নির্মাণ বিলাসী পদক্ষেপ ছাড়া আর কিছুই নয়।

দেশের প্রায় ১৭/১৮ কোটি মানুষের সবাই বিদেশে যাবে না। এটি সম্ভবও না। অল্প কিছু মানুষ বিদেশে যায়। এদের জন্য এত টাকা ব্যয়ে নতুন বিমানবন্দর নির্মাণের যৌক্তিকতা নেই। অনেকেই এক্ষেত্রে থাইল্যান্ড বা মালয়েশিয়ার কথা উদাহরণ হিসেবে বলতে পারেন। কিন্ত থাইল্যান্ড বা মালয়েশিয়ার ফেলানীরা অভাবের কারণে প্রতিবেশী দেশে কাজ শেষে ফেরার পথে বুলেটে মুত্যুবরণ করে, ৪/৫ ঘণ্টা কাঁটাতারে ঝুলে থাকে না।

বিমানবন্দর না করে ওই টাকা দিয়ে কিছু উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে যা দেশের ও জনসাধারণের জন্য ভবিষ্যতে অর্থ ও মঙ্গল দুই আনবে। অনেকেই বলে থাকেন আমাদের শিক্ষার মান কমে আসছে। এটি আর নতুন কিছু নয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন দেশে প্রতিটি জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে। না, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের প্রতিটি জেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজন নেই। উন্নত দেশগুলোর দিকে যদি তাকাই তাহলে আমরা দেখতে পাবো এমন অনেক শহর আছে যে শহরে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় আছে। কিন্তু এরপরও ওই শহরের সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে না। দেশের প্রতিটি জেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে একটি করে মানসম্পন্ন অত্যাধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা যেতে পারে। যেখানে প্রাথমিক পর্যায় থেকে কলেজ পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষা দেয়া হবে। যে প্রতিষ্ঠানে দেশের মেধাবীদের উপযুক্ত বেতন দিয়ে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে। শুধু সাধারণ শিক্ষা নয় এখানে কারিগরি শিক্ষা দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের আধুনিক বিজ্ঞান প্রযুক্তির জ্ঞান দেওয়া হবে। সর্বোপরি কমপ্লিট-এডুকেশন দেওয়া হবে। এখান থেকে বের হওয়ার পর একজন শিক্ষার্থী দেশের সম্পদে পরিণত হবে। সে এরপর আর উচ্চ শিক্ষা নিক আর নিক। সে দেশের ইতিহাস ঐতিহ্য সম্পর্কে জ্ঞাত থাকবে। সাহিত্য ও সংস্থৃতিতে তার অবস্থান থাকবে। সে দেশের ফুটবল কিংবদন্তি সালাউদ্দিনের নাম জানবে। সে জাদুকর সামাদের কথা জানবে। আবার সে হাসন রাজা বা লালন শাহের কথাও জানবে। আমার ধারণা বাংলাদেশের অধিকাংশ স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা হয়ত ভালোভাবে এসব জানে না।

অথবা ওই টাকা দিয়ে দেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান খোলা যেতে পারে। বিদেশে শ্রমবাজার ধরার জন্য এখানে জনশক্তি তৈরি করা হবে। যেহেতু রেমিট্যান্স আমাদের আয়ের অন্যতম উৎস। তাই এ খাতের জন্য আমাদের বিশেষ পরিকল্পনা নিতে হবে। দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান কোনও ভাবেই দেশের অভ্যন্তরে করা সম্ভব নয়। এর জন্য যে বিশাল কর্মসূচি ও বরাদ্দ দরকার তা আমাদের আর্থসামাজিক অবস্থার প্রেক্ষিতে বাস্তবসম্মত নয়। তাই বিভিন্ন দেশে সর্বোচ্চ কতজন শ্রমিক পাঠানো যায় দক্ষ হিসেবে সে বিষয়ে আমাদের নজর দেওয়া উচিত। জেলা পর্যায়ে এসব বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে বিদেশে দক্ষ শ্রমিক পাঠানোর জন্য বিভিন্ন ভাষা থেকে শুরু করে বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়া যেতে পারে। আমরা জানি পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোসহ বেশ কয়েকটি উন্নত দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ধীরগতির হওয়ায় ওই সব দেশে সহসাই জনশক্তির ঘাটতি দেখা দেবে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দেশ এ ঘাটতি মোকাবেলায় কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।  ডেনমার্ক স্কিলড ওয়ার্কারদের গ্রিন কার্ড কর্মর্সূচির আওতায় দক্ষ শ্রমিকদের সে দেশে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। অস্ট্রিয়া এ বিষয়ে ঘোষণা দিয়েছে যে এ বছরই তারা এ ধরনের কর্মসূচি শুরু করতে পারে। জার্মানীও এ নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে বলে তাদের শ্রমমন্ত্রী সম্প্রতি জানিয়েছেন। আমরা দক্ষজনবল তৈরি করে এ বিশাল শ্রমবাজার ধরতে পারি। তাহলে আমাদের দেশ থেকে কাউকে গলাকাটা পাসপোর্টে ইউরোপে আসতে হবে না। অমানবিক কষ্টের শিকার হতে হবে না। এসব প্রতিষ্ঠানে কারিগরি বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ শেষে শুধু বিদেশেই নয় দেশেও উন্নয়নেরও অংশিদার হওয়া যাবে। কী বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে তা বিভিন্ন দেশের শ্রমবাজারের পরিস্থিতি ও চাহিদার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা যেতে পারে। যতদূর জানা যায়, বর্তমানে কানাডাতে সেবিকা পেশার জনশক্তির চাহিদা রয়েছে। এসব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এ বিষয়ে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি প্রদান করা যেতে পারে।

এছাড়া ওই টাকা দিয়ে দেশের ন্যূনতম পুরাতন বিভাগীয় শহরগুলোতে সম্ভব হলে নতুন বিভাগীয় শহরে একটি করে টারশিয়ারি পর্যায়ের উন্নত অত্যাধুনিক হাসপাতাল ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান করা যেতে পারে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলেই দেখা যায় দেশের একমাত্র উচ্চমানের এ সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাসপাতালটিতে মানুষের ভিড়। কেউ হয়ত একটি শয্যার জন্য মাসের পর মাস অপেক্ষা ঘুর করছেন। কিন্তু পাচ্ছেন না। আবার স্থানীয় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও এ চিকিৎসা সম্ভব না। একটি বিমানবন্দরের চেয়ে এ ধরনের ৫/৬টি আধুনিক হাসপাতাল থেকে দেশের জনসাধারণ অনেক বেশি সুবিধা পাবে। টাকার হিসেবে এর মূল্যায়ণ করা যাবে না। এছাড়া বিদেশে রোগীদের যাওয়া কমে আসলে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে। উপরন্ত আমরা যদি উন্নত সেবা দিয়ে বিদেশী রোগীদের আকর্ষণ করতে পারি তাহলে বৈদেশিক মুদ্রার আয় বাড়বে, পর্যটন শিল্পেরও বিকাশ ঘটবে।

আমাদের সর্বশেষ প্রস্তাবটি সাম্প্রতিক একটি মর্মান্তিক বিষয়ে নিয়ে। ভারত সীমান্তে ফেলানীর ঝুলন্ত লাশ আমরা পত্রিকার মাধ্যমে সবাই দেখেছি। এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই যে ফেলানী অবৈধভাবে ভারতে গিয়ে সীমানা আইন লঙ্ঘন করেছে। কিন্তু বিএসএফ যা করেছে তা সরাসরি মানবাধিকারের লঙ্ঘন। যাই হোক আমাদের আলোচ্য বিষয় কেন ফেলানী বা তার মতো সীমান্তবর্তী মানুষ এভাবে ভারতে যায়। উত্তর খুব সহজ। অভাব। ড. ইউনূসের ক্ষুদ্রঋণ তাদের অভাব দূর করতে পারেনি বা সেখানে পৌঁছেনি। এজন্যই তারা ভারতে যায়। বিভিন্ন পণ্যের চোরাচালানে জড়িত থাকে। মাঝে মাঝে বিএসএফ-এর গুলিতে মারা পরে। আমরা মনে করি নতুন বিমানবন্দরের টাকা দিয়ে সীমান্তবর্তী মানুষদের জন্য ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ‘অ্যাকটিভ লেবার মার্কেট পলিসি’র মতো কর্মসূচি গ্রহণ করে তাদের শ্রম বাজারে প্রবেশ করিয়ে দারিদ্র ও অভাব দূর করা যেতে পারে। এতে নিরপরাধ মানুষের জীবন রক্ষা হবে। দারিদ্র বিমোচনও হবে।

বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয়ে একটি নতুন বিমানবন্দর না করে উল্লেখিত বিষয়গুলো ভেবে দেখা যেতে পারে। আর বিমানবন্দরের পাশেই যে একটি স্যাটেলাইট শহর গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে তা না করে গাজিপুরে একটি আইটি ভিলেজ করার জন্য যে জমি বছরের পর বছর ধরে পরে আছে সেটি দ্রুত বাস্তবায়ন করা উচিত। যদি ইতিমধ্যেই এটি বাস্তবায়িত না হয়ে থাকে।
মারুফ মল্লিক:সুইডেনে উচ্চতর পড়াশুনা করছেন।
নাজিব জামান: সুইডেনে পাবলিক হেলথে এম এ করছেন।

মারুফ মল্লিকজার্মানির বন বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি শিক্ষার্থী

৪২ Responses -- “আড়িয়াল বিলে আর দেখা যাবে না মাছরাঙার পাখা ঝাপটানো”

  1. Md. Ziaul Monsur

    I highly appreciate your writings on Arial Bil. I don’t understand whats suddenly made the govt. to take a decision to build up an airport in Bangladesh. The existing international airport (formerly known as Zia Int Airport)at Dhaka has reportedly been remained unutilized for more than 60% of its capacity. And many countries in the world has no such an airport like the Zia International Airport. If necessary govt. could easily expand the Zia International Airport by acquiring the land around it at only the one fifth expense estimated for the proposed new airport at Arial Bil.
    However, there are lot number of airports in Bangladesh which are remained no use for many years(except Sylhet and Chittangong. While our poor country suffers from different essential development and unfulfilled fundamental needs then building up an airport is quite unnecessary. It is the waste of money and will create various problems for us as well as burden for the nation.

    Reply
  2. ALAMGIR

    Please think about our Next Generation. What will be happened after 20 years. Let the Government do it. Name is not important. it can be another Name like HSJ International Airport, Terminal-2 or any. I am requesting to the Committee to check place to Daudkandi,Comilla, Near Gomati Creek or B.Baria Distinct Near Dhaka-Sylhet Hi way.

    Thanks,
    Alamgir

    Reply
  3. Jamil Razib

    As a Citizen of Bangladesh I request or beg to our PM(HASINA)…please change your decision to build one more airport anywhere in BD now. This project will cost more than 45 thousand cores BDT. Its not a good time to invest money on this project. PLEASE Do something else for nation. Otherwise people gonna punish Awmileg like BNP,2008. Invest money on transportation, Electricity or in rural development.

    Reply
  4. মুরাদ-পি.পি

    এক বিমান বন্দরের নাম জিয়া, অতএব আরেকটির নাম হতে হবে বঙ্গবন্ধু, (অবশ্যই জিয়াকে পরিবর্তন করে নয়, কারন সামনে তারা ক্ষমতায় আসলে আবার নাম পরিবর্তন করে দিবে )তাই নতুন একটা দরকার যেটার নাম পরিবর্তন করতে পারবে না কারণ আমরা তো জিয়ার নাম পরিবর্তন করে বঙ্গবন্ধুর করি নি, এটা আ-লিগের প্রেস্টিজ ইস্যু , ম্যাডাম আপনি আমারে মন্ত্রিত্ব দিয়েছেন প্রতিদান হিসেবে এর জন্য রক্ত হলেও দিব । ম্যাডাম সারাদেশের লোক আমাদের ভোট দিয়েছে, আমরা যা বলব তাই হবে। কিছু লোক বিরোধিতা করবেই- এরা ম্যাডাম বিরোধি দলের টাকা খাওয়া লোক অথবা স্বাধীনতা বিরোধীদের টাকা খাওয়া লোক, আমরা বিরোধী দলে থাকতে যেরকম জনগনকে উষ্কে দেই এইরকম, এদের সায়েষ্তা করা কোন ব্যাপার না। এই জন্য বিরোধীদলের এ্যকটিভ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলাও দেওয়া যাবে, আর ষ্হানীয় কয়েক গ্রামের কয়েক হাজার লোকদের বিরুদ্ধে মামলা দিলে তারা কাছেও ভিরতে পারবে না। (আমাদের এরশাদ চাচাও মনে মনে নিয়্যত করিতেছে, আমি ক্ষমতায় গেলে আমার নামেও একটা বিমান বন্দর হইবে, এই জন্য একটি জায়গা দেখতে হবে) আমরা জনগনও এজন্য আতংকে আছি, কবে আবার গৃহহীন হয়ে পরি এজন্য।

    Reply
  5. harry

    The writer has no long term vision or any knowledge about urban development and its widening effect. Being in engineering field in USA, here are my technical comment on the issue(not from political views):

    1. The current Dhaka International Airport(lets not mention name as it will change every 5 yrs)and its surrounding is such that a drastic growth of its capacity is not possible at all. Only thing that can be done on this airport is to improve secondary features (called logistics improvement). So, those who questions need for another airport is not fully aware of technical side of it.
    2. Now, where will be the second airport? A fair discussion. But most importantly, it is also not well thought-out ahead of time in terms of sustainability, then it will also become obsolete in 20 years. our poor country can’t afford that. Before building the airport, we need master plan of traffic management around it.
    So dear people who love Bangladesh, please set aside emotion/politics in every issue. but give a more sensible thought and find out whether this is really good or we can do better.
    Hope all understands.

    Reply
    • Md. Ziaul Monsur

      At present more than 60 percent of the capacity of Zia International Airport at Dhaka remains unutilized. It is operating since 1985, it means for more than 25 years (1985 to 2011) it has used its 40 percent of total capacity. Hence, if you consider the trend of growth then you could estimate the necessity of building up an another airport is how much essential so early. Trend shows that necessity of building up a new airport could be delayed for at least 12 years. Therefore, this plan should be suspended for now. New plan could be revived after 12 years.

      Reply
  6. Shariar

    Thanks Bro….If our Govt. had a knowledge like u ……

    But the matter is that who will read ur article?? and who will evaluate and valuate ur article…… our politicians!!! or our legendary peoples (Shushil Shawmaj)!! oh! ah!! They r the main EVIL of Bangla………. They have many logic according to their site……..But the question is that if their logic (FALTOO) really works then we would become a happiest and richest country in this earth after our independent……

    Again, election will come……….and our innocent people will VOTE them again with a great hope……..and again and again they will b elected( if ur vote counted or not) and suck our blood with different ways………If u look closely this phenomenon, it is repeating after every election….. They gave many fruitful words b4 elected and when they get the Chair, they just KICK us……….

    We should change at first. Our people should change their mentality at first. They should grow up with knowledge to judge about RIGHT & WRONG….. Otherwise our future generation will suffer a lot ………Cause these devils are already prepare to cut down their legs.

    Now about Arial Bill, Did the Govt. take any action to ask the people at first b4 initiating such step? Cause the people have that Right to know.
    They (Govt.) always say about DEMOCRACY? Is this a real DEMOCRACY Practice??!! Aee DESH-ta karor Nijer Shampotti !!???

    One Minister said already that he will give out his own blood to build the AIRPORT…………Rather than he would have said “I will sacrifice myself to build a peaceful nation”…………….. Hai-re Kopal!! Adow keo bolbay kina??

    Reply
  7. imon

    Dear Authors, thanks for this informative article. The current govt has an insatiable appetite for new projects. What the country need is existing system to work. We neglected the Railway, people in Dhaka and other major cities dont get adequate public transport, the Zia/shahjalal airport operates much lower than its capacity, the deficit in basic infrastructure is mounting. Instead of addressing the basic problem with regards to infrastructure, the govt is interested in mega projects.

    This bill board based politics ignores poor people’s livelihood, defy environmental consequences, inter Alia. Moreover, the bigger the project, the more scope for corruption.

    Shahid

    Reply
  8. yousef

    Thinking of building a airport in arial bill is not a bad idea. We have to think 100 years forward. If we would have thought our old Tejgaon air port is enough and it is simply wastease of money, then we wouldn’t have our new air port.

    If we think that hybrid rice and GM food is disaster for the people ( this may be), then half of our population would have died by this time. Our food production increased to 6 fold since 1971 due to this hybrid rice.
    We should not have tunnel vision. We can’t afford to think all the time about environment and GH effects. We have to think out of box.
    Let our expert provide us honest expert opinion, what is good for the people.
    To you people MACH RANGA pakhi is an object of poetry, to a poor farmer of Arial Bill it is a delicious food to quench his hunger!!!!

    Reply
  9. mahabub

    নতুন বিমানবণ্দর করার প্রয়োজনীয়তা আছে। কিন্তু সে ব্যাপারে সরকারের উচিৎ খোলামেলা কথা বলা। প্রপাগান্ডার বিপরীতে সুস্পষ্ট তথ্য সুন্দরভাবে জনগনকে বুঝিয়ে বলা। কারন প্রপাগান্ডা তো হচ্ছেই।

    আড়িয়ালবিল রক্ষায় যে জন্য আন্দোলন করা হচ্ছে তা আসলে মাঠগরম করার, এই নবাবগন্জ দোহারে আরো বহু ছোট বড় বিল রয়েছে যেগুলো এখন রিয়েল এস্টেট কোম্পানীর দখলে। রাস্তায় চললে দেখা যায় মাঠের মাঝখানে বড় বড় সাইনবোর্ড দুই পায়ে দাঁড়িয়ে আছে, দুরবীন দিয়ে দেখতে হয়। ওসব যায়গায় আর রক্ত দেয়া আন্দোলন হয়না।

    আমার জান্তে সাধ হয়, ২০ বছর আগে আড়িয়াল বিলের আয়তন কত ছিল, এখন কত? এবং নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি ঢাকার অদূরে এই আড়িয়াল বিলে নিকট ভবিষ্যৎ পরিণতি কী হবে যদি শেষ পর্যন্ত বিমানবন্দর নাও হয়। কারন এসব দেখেছি। আসলে গরীবের সেন্টিমেন্ট আর ধর্ম নিয়ে স্বার্থের রাজনীতি করা যায় সহজেই।

    নামে বঙ্গবন্ধু সেজন্যই কেউ কেউ সুড়সুড়ি দিয়ে মাঠ গরম করার চেষ্টা করেছেন আর কিছু সর্বজান্তা সুশীল নিজেদের প্রমানের চেষ্টা করে এটাকে সংঘর্ষের পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

    Reply
  10. মশিউর রহমান খান

    বাংলাদেশের রাজনীতি কেমন ঘৃণ্যতর হচ্ছে প্রতিদিন। যেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে তার বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হলো শুধুমাত্র ক্যান্টনম্যান্টের স্বার্থ ও নিরাপত্তার কথা ভেবে সেখানে এই সরকারই আবার শুধুমাত্র বঙ্গবন্ধুর নামে বিমানবন্দর করার জন্য মরিয়া হয়ে আড়িয়াল বিল এলাকায় জনগনের মুখোমুখি হচ্ছে প্রতিদিন।

    যেখানে আমার দেশের বর্তমান আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরটিই এখন্ও পুরোপুরি ব্যবহার করতে পারছিনা আমরা সেখানে আর নতুন বিমান বন্দর তৈরির কী প্রয়োজন। বিমানবন্দর সড়কে শুধুমাত্র এয়ারপোর্ট ব্যবহারের জন্য যদি ঘন্টার পর ঘন্টা লাইন থাকতো তাহলেও না হয় কথা ছিলো। আচ্ছা আড়িয়াল বিলে এয়ারপোর্ট হলে ঢাকা শহরের বর্তমান যানজট ও পরিকল্পনাহীনতার কোন্ও সমাধান আসবে? আওয়ামীলীগ কি ভয় পাচ্ছে যে আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় এসেই প্রথমে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নামটি বলবত রাখবে! তাই আগেভাগেই যদি একটি এয়ারপোর্ট বানিয়ে ফেলি তাহলে আর সমস্যা রইলো না। দলীয় চাটুকারদের কারণে আর ভয়াবহ লুটপাটের কারণে ৯৬-এর আওয়ামী সরকারের বিকল্প খুঁজতে মানুষ ২০০১ এ বিএনপিকে বেছে নিয়েছিলো। বিএনপির প্রতি ভালোবাসার কারণে নয়। তাই এখনও ভয় হয় আমাদের রাজনীতি ১/১১ থেকে কোন্ও কিছু শিক্ষা নিতে পারেনি ভেবে!

    বর্তমান সরকারকে কি কানে গরম পানি ঢুকিয়ে বলতে হবে যে ঢাকা শহরের অব্যাহত যানজট নিরসনের লক্ষ্যে মরিয়া হয়ে বিকল্প ব্যবস্থার কথা চিন্তা করে দ্রুত ব্যবস্থা নিন। এয়ারপোর্ট আগে নয় আগে দরকার বিকেন্দ্রীকরনের। বিভিন্ন জেলায় গুরুত্বপূর্ন বিভাগের অফিস আদালত ছড়িয়ে দিন। নতুবা ঢাকাকে শুধু বানিজ্যিক নগরী করে বিকল্প অন্য একটি জায়গায় রাজধানীর প্রস্তাবও ভেবে দেখার মতো।

    দেশের পরিক্ল্পনাগুলো দেশের রাজনীতিবিদদের মেধা ও রুচি অনুযায়ী দলীয় চিন্তায় বাস্তবায়িত হয়, দেশের মানুষের ভবিষ্যতের কথা ভেবে কিংবা বাংলাদেশের মানুষের সম্ভাবনার সাথে যোগসাজশে তৈরি হয় না । এটাই আজকে আমাদের বড়ো দুঃখ।

    Reply
  11. raju

    আড়িয়াল বিলে বিমানবন্দর দরকার নাকি একটি বিশেষ নামের বিমানবন্দর দরকার? শুধু মাত্র একটা নামের জন্য কতোগুলো জীবন দরকার এই সরকারের?

    Reply
  12. imran hasan

    thanks goes to the authors.
    now, several people will say several approach on the issue “ariol bil”. i just want to say one thing that just a “name(bongobondhu biman bondor)” will be flashed with my tax and i have to remain in load shedding in even late night in too hot summer season……shame.

    how do i protest this i don’t know………..shame again

    Reply
  13. কমল চন্দ্র তালুকদার

    মারুফ মল্লিক,নাজিব জামান ভাইকে ধন্যবাদ,

    আমার বাড়ী নবাবগঞ্জ, আমি জানি আমাদের এলাকার মানুষ কী সুখে-দুখে আছে। ঢাকার অতি কাছে থেকেও আমরা অনেক কিছু থেকে বঞ্চিত। সরকার আমাদের এলাকায় বিমানবন্দর এবং স্যাটেলাইট শহর র্নিমাণের যে পরিকল্পনা করেছে তাতে আমি একমত নই। আমি জানি বিমানবন্দর এবং স্যাটেলাইট শহর হলে আমাদের এলাকা অনেক উন্নত হবে কিন্তু যতটা উন্নত হবে তারচে ১০গুন বেশি দেশের ক্ষতি হবে। যেখানে একটি শহরে একটি বিমানবন্দরই যথেষ্ট সেখানে দেশের ক্ষতি করে আর একটি বিমানবন্দর র্নিমাণ করা দেশের জনগনের সাথে বেইমানি ছাড়া কিছুই না। এটা একটা দলের স্বার্থ ছাড়া কিছুই না, যারা নিজেদের,দলের,নামের স্বার্থ নিয়ে রাজনীতি করে তাদের কাছ থেকে কিছু আশা করা যায় না।

    এতদিন যাদের সমর্থন দিয়ে এসেছি সেই দলের এই কাজ কর্ম।

    Reply
  14. Shimul

    আড়িয়াল বিল সম্পর্কে পড়ে খুব কষ্ট পেলাম। ওনারা মুখে যেটা বলে টার উলটা করে। হাসিনা ও দিকে বিদেশে গেছেন পরিবেশ রক্ষা করার জন্যে আর এ দিকে ঠিক সে সময় উপুকুলের সব গাছ কেটে সাভার করছে টার দলের লোক।

    Reply
  15. কামরুল

    আড়িয়াল বিলে বিমানবন্দর দরকার নাকি একটি বিশেষ নামের বিমানবন্দর দরকার? শুধু মাত্র একটা নামের জন্য কতোগুলো জীবন দরকার এই সরকারের?

    Reply
  16. Nargis Banu

    Well written. There are thousands of other tasks that can be enlisted where the Govt should work to improve people’s life. But it’s not about working for people or developing country, its all about imbedding names. Because there is a fear that people might forget the late leaders’ name and their contributions(if any).

    I hope the Govt will understand the enviromental impacts before it’s too late.

    Reply
  17. Mohammad Abdus Salam

    দয়া করে এমন বাজে সিদ্ধান্ত নেবেন না । দেশের টাকা এমন ব্যায় করে লাভ কী । লাভ তো শূধু দলের আর মন্তীর। এই জন্য কী ভোট দিছিলাম ?

    Reply
  18. bashar bhuiyan

    মারুফ এবং জামান ভাইকে ধন্যবাদ সমসাময়িক বিষয়টি নিয়ে লিখার জন্য । আমি জানিনা আমাদের এতো সমস্যা থাকতে যেমন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য , বিদ্যুত গ্যাসসহ মানুষের মৌলিক বিষয়গুলো যেখানে আমরা পূরণ করতে পারছিনা সেখানে বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য আমরা রক্ত দিতে যাব কেনো ? আসুন না রক্তগুলো দিয়ে মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরন করি । সরকারের ভালো উদদেশ্য থাকলে এই টাকাগুলো বিদ্যুত খাতে ব্যয় করে চিরদিনের জন্য বিদ্যুত সমস্যা সমাধান করি । আমাদের সরকার প্রধান যেখানে পরিবেশ বাচানোর কথা বলে এত আড নেয় সেখানে তিনি পরিবেশকে ধংষ করার ডিসিশান কীভাবে নেন আমার বোধগম্য নয় ? নাকি শুধুই একটি নামের জনই উৎসাহী মহলের চাপে করছেন ? আশা করি সরকারপ্রধান শুভবুদ্ধির দিবেন ।

    Reply
  19. Syed Mahbubul Alam

    বাংলাদেশ সংবিধান অনুসারে এ রাষ্ট্র-র মালিক জনগন। আমরা সকলেই প্রত্যাশা করি আমাদের নির্বাচিত সরকার আমাদের প্রত্যাশা অনুসারে কাজ করবে আমাদের জন্য। কিন্তু ব্যবসায়িকরা তাদের স্বার্থে ব্যবহার করে রাষ্ট্রযন্ত্র। অনেক অনেক অবকাঠামোর নজির আছে যা শুধুমাত্র ব্যবসায়িকরা তাদের প্রয়োজনে জরুরি বলে প্রমান করে তৈরি করে। অবকাঠামোগুলে যতটুকু না মানুষ ও দেশের প্রয়োজনে তৈরি হয় তার থেকে বেশি তৈরি হয় ব্যবয়ায়িক স্বার্থে। এখানে অর্থনীতি পরিবেশ মানুষের স্বার্থ স্থান পায় না। কোটিপতির সংখ্যা বাড়লেও দরিদ্র কমেনি, কমেনি মানুষের দুর্ভোগ। দেশের মানুষের নুন্যতম প্রয়োজন মেটাতে সরকার যখন ব্যস্ত তখন লাভের পর লাভের পাহাড় গড়ছে একটি শ্রেনী।

    গণতান্ত্রিক সরকার এবং প্রজ্ঞাবান রাজনীতিবিদগন মানুষের প্রত্যাশা বুঝে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। আজ রাস্ট্রযন্ত্র কতিপয় ব্যবসায়িক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের স্বার্থের নিকট জিম্মি। তাদের স্বার্থের কারণে পরিবেশ দুষণ হচ্ছে, নদী জলাধার দখল হচ্ছে।

    রাষ্ট্রযন্ত্র যেন ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর স্বার্থের নিকট জিম্মি না হয় তা নিশ্চিত করা সরকার ও রাজনেতিকদের দায়িত্ব। একবার মানুষরে মনে কথা শুনুন… হাজার বছরের জন্য মানুষরে মনে স্থান নেয়া সেই প্রজ্ঞাবান রাজনীতিবিদদের মতো আপনি হবেন। অর্থবান ও স্বার্থনেষীদের স্বার্থ রক্ষা করে মানুষের মনে স্থান পাওয়া যায় না।

    Reply
  20. mukta sarawar

    My hometown is Phulbari,Dinajpur.I have experienced anti-coal mining activities in Phulbari.I think BD government is going to face great problem what BNP govt. tasted in Phulbari.The govt. should respect the opinion of local people and talk with them.They should not take any step against the local people.
    ‘Somoy thakte sadhu sabdhan’

    Reply
  21. Fazlul Hoque Saikat

    মারুফ ও নাজিব
    ধন্যবাদ, চলমান দেশীয় সংকট নিয়ে পরামর্শমূলখ ও তথ্যসমৃদ্ধ লেখা পরিবেশনের জন্য।

    আমারও ধারণা, কৃষিঅর্থনীতিকে হুমকির মধ্যে ফেলে যন্ত্রদানবের কাছে মাথা নত করা ঠিক হবে না।
    আমাদের মতো দরিদ্রদের জন্য দরকার অগ্রগমণের পত-অন্বেষার দিকে মনোগোগী হওয়া। কোটি কোটি মানুষের মৌলিক প্রয়োজন ও দাবিকে প্রাধান্য দেওয়ার জন্য আমাদের রাজনীতিকে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা দরকার বলে আমি মনে করি।

    আর কতোদিন আমরা পিছিয়ে থাকবো! আর কতো ভুল করবো, তা কে জানে।

    কে কবে আমাদেরকে রাতের আধাঁর থেকে দিনের আলেঅয় নিয়ে যাবে? সে প্রশ্ন আজ নতুন করে সামনে দাঁড়িয়েছে।
    আজ কেবল ভাবতে হয়, রাজনৈতিক-সামাজিক-অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য আর কতো লড়তে হবে বাঙালিকে!

    াভিবাদন মারুফ মল্লিক ও নাজিব জামান। অভিনন্দন বিডিনিxজ টোয়েন্টিফোরডটকম।

    Reply
  22. সৈয়দ আলি

    এই লেখাটি আমার ভালো লেগেছে এটি একদেশদর্শী নয় বলে। প্রস্তাবিত বিমানবন্দর নিয়ে এই তোলপাড় নিয়ে আমর কিছু বক্তব্য আছে। তবে মূল বক্তব্যে যাওয়ার আগে আমি নিবন্ধকারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি, ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা যুদ্ধ ও স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে বুকের রক্ত ধেলে দেওয়ার পরে, একজন প্রতিমন্ত্রীর বিমান বন্দরের জন্য বুকের রক্ত ঢেলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতির বাইরে দায়িত্বশীল মানুষদের মধ্যে ভৈরবকে জেলা করার জন্য রক্ত ঢেলে দেয়ার প্রতিশ্রুতি আমাদের মহামান্য রাষ্ট্রপতিও করেছেন। সেই প্রতিশ্রুতিটি উল্লেখ করা উচিৎ ছিলো 🙂 যাহোক, মূল কথা হচ্ছে, পঞ্চাশ হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্পকে গ্রহণীয় করতে বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করা হচ্ছে এবং বলা হচ্ছে এই প্রকল্প দিয়ে বিপুল রাষ্ট্রীয় আয় হবে। তাই বলা নিয়ম। আসলে যেনতেন প্রকারে হোক, এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে কয়েক হাজার কোটি টাকার কমিশন বানিজ্য হবে আর তাতে অনেক মাননীয় মানুষের বিদেশি ব্যাঙ্ক একাউন্ট স্ফীত হবে। যেহেতু এই প্রকল্পে এখন বঙ্গবন্ধুর নামাঙ্কিত হয়েছে, এটি এখন শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চ্চ্যালেন্জে রুপ নিয়েছে, এবং অতএব, এই বিমানবন্দর হবেই। সাথে একথা মনে রাখা প্রয়োজন, যদিও বিশেষজ্ঞদের মতে ঢাকা বিমানবন্দরের পুরো ক্যাপাসিটি এখনও অব্যবহৃত এবং এটিকে আরো বিস্তৃত করা যাবে কিন্তু ইতিমধ্যেই ঐ বিমানবন্দরের ১৩০ একর ভূমি বিমান মন্ত্রনালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির স্বজন তথা বেনামে তাকে লিজ দেয়া হয়েছে। তাই ঢাকা বিমানবন্দর বিস্তৃত করার সুযোগ নেই। আপনারা অত্যন্ত আবেগের সাথে আড়িয়াল বিলের মাছরাঙ্গার কথা উল্লেখ করেছেন। ভাই, মাছরাঙ্গা কি খাওয়া যায়? কমিশন খাওয়া যায়।

    Reply
  23. rimon

    In sweden Arlanda is a nice example. quite far from Stockholm.. but very good communication. Our country is not as big as Sweden. i believe if we can utilize the capacity of Chittagong and Sylhet having good communication through train and road, we can use our existing resources. At the same time, with this 5000 corre tk, we can develop our train communication structure.

    Reply
  24. sobak

    শিরোনাম ভালো লাগলো না।

    কৌশলগত ভুল আছে। যদি বৃহৎ প্রপাগান্ডা চালানোর মতো মানসিক ক্ষমতা আপনাদের থাকে, তবে শিরোণাম ঠিক আছে।

    এ ধরনের শিরোণাম মানুষকে সাইকোলজিক্যাল ওয়াশ করে।

    Reply
  25. খন্দকার জিয়াউর রহমান

    আমরা এমন একটা দেশে বাস করি যে দেশে সাধারন মানুষ রাজনৈতিক দলগুলোর খেলার পুতুল। এরা মানুষের সরলতাকে পুজিঁ করে ক্ষমতায় আসে। কিন্তু ক্ষমতার উৎস জনগনকেই তারা ছুঁরে ফেলে তাদের নিজেদের আখের গোছাতে।
    আড়িয়াল বিল শষ্য ভান্ডার,মৎস ক্ষেত্র,অতিথি পাখির নিরাপদ আবাস।বিলের চার পাশের লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন জিবিকা নির্ভর করে এই বিলকে কেন্দ্র করে।উত্তরাঞ্চল থেকে হাজার হাজার দিনমজুর এখানে কাজ করতে আসে।বিমানবন্দর হলে এই সব খেটে খাওয়া মানুষ কোথায় গিয়ে দাড়াবে?
    এক মন্ত্রী বলেছেন আড়িয়াল বিলের মাটি হিরায় পরিনত হবে।কিন্তু কৃষক, দিনমজুর, জেলে এরা ফসল চায়,হিরা দিয়ে কী করবে?সোনার ডিম পাড়া রাজহাসের মত জমির ক্ষতি পূরন দিলে তা দিয়ে কৃষক কোথায় জমি পাবে, যেখানে আজ ভূমিদস্যুদের লখলে কৃষি জমি! এরা দাবি করে কোন বসতবাড়ি দখল করা হবে না। কিন্তু ঢাকা শহরের সব ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে যদি বলা হয় তোমরা ঢাকাতে থাক,কত জন লোক এখানে থাকবে? তেমনি যদি আড়িয়াল বিল কেই যদি ধ্বংস করা হয় তা হলে বিল পারের মানুষের এখানে থাকা না থাকা সমান কথা!
    সাধারণ মানুষকে নিঃস্ব করে, পরিবেশ বিপন্ন করে আড়িয়াল বিলে বিমানবন্দরের মত এমন আত্নঘাতী পরিকল্পনার বিরুদ্ধে সবার একান্ত সহযোগিতা কামনা করি।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—