Feature Img

m-a-arafat.jpg-fআঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে পৃথিবীর বহু দেশ এগিয়ে গিয়েছে। আমরাও এগিয়ে যেতে চাই। আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব। পৃথিবীর কিছু কিছু দেশ প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ এবং সেই সম্পদ ব্যবহার করে অর্থনীতিতে উন্নয়ন ঘটিয়েছে। কিছু কিছু দেশ আছে যারা ভৌগলিক অবস্থানগত বিশেষ সুবিধা ভোগ করে এবং তা ব্যবহার করে তাদের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে।

ইউরোপের বহু দেশ আছে যারা তাদের ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে সমুদ্রপথে সরাসরি প্রবেশের সুবিধা থেকে বঞ্চিত। ইংরেজিতে এই দেশগুলোকে বলা হয় ল্যান্ড লক্ড কান্ট্রি। এই দেশগুলো বৈদেশিক বাণিজ্য পরিচালনার ক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডসের সমুদ্র বন্দরের উপর নির্ভরশীল। অন্যান্য দেশগুলোকে নেদারল্যান্ডস নিজের সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করতে দিয়ে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।

সেন্ট্রাল এশিয়ার পাঁচটি দেশ যারা পূর্বের সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত ছিল তারা ইরানের পোর্ট বন্দর আব্বাস ব্যবহার করে। এই দেশগুলোকে ট্রানজিট প্রদানের মাধ্যমে এবং তার পোর্ট ব্যবহার করতে দেয়ার বিনিময়ে ইরানও বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। আফ্রিকান ইউনিয়নও একে অপরের সাথে ট্রানজিটের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করেছে।

নেপাল, ভুটান এবং নর্থ ইস্ট ইন্ডিয়া তাদের ব্যবসা বাণিজ্য প্রসার ঘটানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উপর নির্ভরশীল ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে। ভৌগোলিক অবস্থানগত সুবিধা যেটি বাংলাদেশের আছে তার পূর্ণ সদ্বব্যবহার আমরা করিনি। আজকে সময় এসেছে বাংলাদেশের এই ভৌগোলিক অবস্থানগত সুবিধাকে ব্যবহার করে এদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে আরো বেগবান করার।

পটভূমি
ট্রানজিট বিষয়টি নিয়ে কোনো বিতর্কের অবকাশ নেই।এই বিষয়ে ২০০৪ সালের ইসলামাবাদ সার্ক সম্মেলনে ইতোমধ্যেই নৈতিকভাবে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। পরে সার্ক সেক্রেটেরিয়েটকে দ্বায়িত্ব দেয়া হয়েছিল এর বহুমুখী কাঠামোটি কেমন হবে তা নির্ধারণ করার জন্য। এই বিষয়টিও চূড়ান্ত হয়ে যায় ২০০৬ সালের মধ্যেই এবং পুরো বিষয়টি অনুমোদন পায় ২০০৭ সালে। এছাড়াও এশিয়ান হাইওয়ে এবং ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ে ইতোমধ্যে নীতিগতভাবে ট্রানজিটের বিষয়ে অনুমোদন দিয়ে রেখেছে।

যৌক্তিকতা
মংলা পোর্ট-এর পুরো অবকাঠামোর ২০ শতাংশও ব্যবহার হয় না । চট্টগ্রাম পোর্টও পুরোপুরি ব্যবহৃত হয় না। ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ঘটলে চট্টগ্রাম পোর্টের ধারণ ক্ষমতা আরও বাড়ানো সম্ভব, যা হয়তো যথেষ্ঠ কাজের অভাবে অব্যবহৃত থেকে যাবে। এমনকি আমাদের রেলওয়েরও অবকাঠামোর বহুলাংশ অব্যবহৃত থেকে যায়। ট্রানজিট দেয়ার ফলে এই অব্যবহৃত ধারণক্ষমতার (Capacity) পূর্ণ ব্যবহার এবং আরও উপার্জনের সুযোগ তৈরি হবে। একই সাথে আমাদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ধারণক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজনও পড়বে কারণ ট্রানজিট দেয়ার ফলে যে পরিমাণ ট্রাফিক চলাচলের সম্ভাবনা তৈরি হবে তা আমাদের বর্তমান যে অবকাঠামোগত অবস্থা আছে তা পূর্ণাঙ্গভাবে ধারণ করতে পারবে না।

বাণিজ্যিক লাভ
ট্রানজিট দেয়ার মাধ্যমে প্রতি টনে আমরা একটি সার্ভিস চার্জ আদায় করবো। ইউ এন এসকেপ (ESCAP)-এর সাবেক চেয়ারম্যান ড. এম রহমতুল্লাহর মতে ভারতের মালামাল এখন কোলকাতা থেকে চিকেন নেক দিয়ে আগরতলায় পৌঁছাতে প্রতি টনে ১০০ ডলার খরচ হয় যা কিনা বাংলাদেশের ট্রানজিট পথ দিয়ে ৬০ ডলার খরচ পরবে। ড. এম রহমতুল্লাহ আরও বলেছেন, সেক্ষেত্রে ভারতের প্রতি টনে ৪০ ডলার খরচ বাঁচবে। কোন কোন ক্ষেত্রে এই খরচ ৮০ শতাংশ পর্যন্ত বাঁচতে পারে। কাজেই আমরা ভারতের কাছ থেকে একটি বড় অংকের সার্ভিস চার্জ আদায় করতে পারবো। গবেষনায় দেখা যায় প্রথম ৫ বছরে হয়তো ১০ শতাংশের বেশি ট্রাফিক চলাচল করতে পারবে না কিন্তু তাতেই আমাদের ২৫০ মিলিয়ন ডলার আয় হবে। কিন্তু ষষ্ঠতম বছর থেকে যখন ট্রাফিক বাড়তে থাকবে যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়নের ফলে সেক্ষেত্রে আমরা পুরো ট্রাফিক পেতে পারবো এবং আমাদের জাতীয় আয় অনেক বেড়ে যাবে।

শুধুমাত্র নর্থ ইস্ট ইন্ডিয়াই নয়, পশ্চিম বঙ্গ এবং উড়িষ্যাও বাংলাদেশের উপর নির্ভরশীল হয়ে পরবে। মংলাপোর্টও চট্টগ্রাম পোর্টের মত ব্যস্ত বন্দরে পরিণত হবে। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার সিঙ্গাপুরে পরিণত হবার একটি সম্ভাবনা তৈরি হবে।

ঋণটি কেন প্রযোজন ছিল ?
Asian Development Bank (ADB)-এর গবেষণায় দেখা যায় পুরোপুরি অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য ২৪ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে । এখন ধরা যাক আমরা মাত্র শুরু করলাম ১ মিলিয়ন ডলার ঋণ নিয়ে। আমাদের এখন যে অবকাঠামো আছে তাতে ট্রানজিট দেয়ার পরে যে পরিমাণ ট্রাফিক চলাচলের সম্ভাবনা তৈরি হবে তার ১০ শতাংশ ট্রাফিক নেয়াও সম্ভব হবে না। ঢাকায় প্রবেশের উদ্দেশ্যে যে কন্টেইনারগুলো চট্টগ্রাম থেকে আসে তার ৮/৯ শতাংশ ট্রেনে আসে বাকিগুলো খুলে ট্রাকে আনতে হয়। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম আমাদের ডাবল ট্র্যাক লাইন না থাকার কারণে ট্রাকের সাহায্যে মালামাল বহন করতে হয়। কাজেই ঋণের টাকা আমাদের অবকাঠামো উন্নয়নের কাজে লাগাতে হবে।

ঋণের টাকা ব্যবহার করে যে প্রকল্পগুলো নেয়া হচ্ছে তার একটি তালিকা সরকার প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় আমরা ১৪টি প্রকল্প দেখতে পাই। এর মধ্য প্রকল্প ০২: অর্থাৎ, আশুগঞ্জ ও অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার নৌ-বন্দর স্থাপন, প্রকল্প ১০: অর্থাৎ, সরাইল – ব্রাক্ষনবাড়িয়া – সুলতানপুর – চিনইর – আখাউড়া – সেনারবাদি- হলবন্দর সংযোগ সড়ক উন্নয়ন এবং প্রকল্প ১২: অর্থাৎ, রামগড় – সাবরুম- হলবন্দর সংযোগ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প। এই তিনটি প্রকল্প আমাদের পূর্বেকার কোন জাতীয় মহাপরিকল্পনার অন্তর্গত ছিল না। তবে হিসেব করে দেখা গেছে ট্রানজিটকে কেন্দ্র করে ১ মিলিয়ন টন বা তার বেশি কার্গো হ্যান্ডেলিং করলে এই বিনিয়োগগুলো বাংলাদেশের জন্য লাভজনক হবে।

আরও একটি প্রকল্প(প্রকল্প-১৩) যেটি 400 KV Grid বাংলাদেশের ভেড়ামারা এবং ভারতের বহরমপুরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করবে এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ আমদানির সুযোগ পাবে। এক্ষেত্রে যেটি বলা হয় যে এই টাকা খরচ করে বাংলাদেশ নিজেই বিদ্যুৎ প্লান্ট বসাতে পারে। তাহলে কেন ভারতের সাথে Inter Connecting Grid স্থাপন করার প্রয়োজন পরলো। এখানে মনে রাখতে হবে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সমস্যা বিদ্যুৎ প্লান্টের অভাবের জন্য নয়, বরং গ্যাসের ঘাটতিই এর মূল কারণ। আমরা ইতোমধ্যেই জানি যে গ্যাসের অভাবে ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ প্লান্ট অব্যবহৃত হয়ে আছে। ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানী করলে আমাদের কাঁচামাল নিয়ে চিন্তা করতে হবে না, সরাসরি আমরা বিদ্যুৎই পেয়ে যাবো।

এখন আসা যাক বাকি সব প্রকল্পগুলোর ব্যাপারে। বাকি প্রকল্পগুলো অর্থাৎ ১,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯,১১,১৪ এই ১০টি প্রকল্পের সবগুলোই আমাদের রেলওয়ে মহাপরিকল্পনা, অভ্যন্তরীণ নৌ-যোগাযোগ মহাপরিকল্পনা, এবং STP বা Strategic Transport Plan of Dhaka City এই সকল জাতীয় মহাপরিকল্পনাগুলোর অন্তর্ভুক্ত বহু আগে থেকেই ছিল। উল্লেখ্য মহাপরিকল্পনাগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায় পুরো যে অবকাঠামোগত উন্নয়ন হবে এই ঋণের টাকা খরচ করে তার ৯০ শতাংশই ব্যবহৃত হবে বাংলাদেশের নিজস্ব ট্রাফিক চলাচলে । মাত্র ১০ শতাংশ ব্যবহার করবে ভারতীয় ট্রাফিক যার বিনিময়ে আমরা মোটা অংকের সার্ভিস চার্জ নিবো।

এই বিষয়গুলি নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে গবেষণা হয়েছে। ড. মোর্শেদ, গবেষক, BIDS, এই বিষয়টি নিয়ে বিস্তর গবেষণা করেছেন এবং বাংলাদেশের বাণিজ্যিক লাভের বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। সি পি ডি এবং SACEPS – South Asian Centre for Policy Study ( কাঠমন্ডুতে অবস্থিত)-এর যৌথ গবেষণার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে। এই গবেষণাটি Asian Development Bank (ADB) অর্থায়নে পরিচালিত হয়েছে। এখান থেকে দেখা যায় বাংলাদেশের সুনির্দিষ্ট বাণিজ্যিক লাভ হবে এক বিলিয়ন ডলার। গত ২০ মে ২০১০ বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে Asian Development Bank (ADB) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভায় এই প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন।

যোগাযোগ এবং ট্রানজিট চুক্তি নিয়ে আমরা যে রাজনীতির চর্চা দেখেছি তা বাংলাদেশের জন্য কল্যাণকর নয়। দেশ এবং জাতির স্বার্থে আমাদের রাজনীতি আরও পরিশীলিত এবং ভবিষ্যৎমুখী হওয়া প্রযোজন । সাধারণ মানুষের স্পর্শকাতর বিষয়গুলোকে রাজনীতিতে ব্যবহার/অপব্যবহার করে, মানুষকে বিভ্রান্ত করে দলগত এবং গোষ্ঠীগত স্বার্থ হাসিলের রাজনীতি বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।

ভারতবিরোধী রাজনীতির চর্চা এ ভূখন্ডে নতুন নয়। শের-এ-বাংলা এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, ভাষানী থেকে শুরু করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পর্যন্ত সকল দেশপ্রেমিক জাতীয় নেতাদের নিয়ে পাকিস্তানী আমলে দক্ষিণ ধারার রাজনীতির ধারক বাহকরা ভারতবিরোধী কুৎসা রটনার সাথে প্রত্যক্ষভাবে সম্পৃক্ত ছিল। সেই সময়কার পত্রপত্রিকা ঘেটে দেখলে সহজেই এর প্রমান মিলবে। দুঃখজনক হলেও সত্য স্বাধীন বাংলাদেশেও এই একই ধারার রাজনীতি এখনও চলছে।

আমরা সূক্ষ্মভাবে বিশ্লেষণ করে দেখলে বুঝতে পারবো এই ধারার রাজনীতির ফলে বাংলাদেশ এবং জাতীয় স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং কিছু অসাধু রাজনীতিক এবং ধর্ম ব্যবসায়ীরা দেশের সাধারণ মানুষকে বোকা বানিয়ে তাদের গোষ্ঠীগত স্বার্থ ঠিকই হাতিয়ে নেয়। ট্রানজিটকে কেন্দ্র করে যে দুটি বিষয় নিয়ে রাজনীতির মাঠ গরম করার চেষ্টা করা হয়েছে তার একটি হলো কেন বাংলাদেশ ভারতের বেসরকারী প্রতিষ্ঠান Exim Bank-এর কাছ থেকে ঋণ নিলো। আর একটি হলো ঋণটি কেন Supplier`s Credit হিসেবে নেয়া হয়েছে। আরও বলা হয়েছে ঋণটিতে সুদের হার অনেক বেশি যা কিনা ১.৭৫ শতাংশ। এই দাবীগুলির সবগুলি অসত্য। Exim Bank ভারতের কোন বেসরকারী প্রতিষ্ঠান নয়। এবং বাংলাদেশ এর আগে বহুবার বহু দেশের Exim Bank-এর কাছ থেকে ঋণ নিয়েছে। দুটি উদাহরণের মাধ্যমে এই প্রশ্নগুলির যৌক্তিকতার অসারতার প্রমাণ দেয়া যাবে।

২০০৬ সালে খালেদা জিয়ার সরকার চায়না সরকারের সাথে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের একটি ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর করেন । এই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী সুদের হার ছিল ২.৬ শতাংশ যেটি ৫ বছরে পরিশোধযোগ্য। এই ঋণের টাকা চায়নার Exim Bank থেকে অবমুক্ত হওয়ার কথা। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় পুনঃআলোচনার মাধ্যমে এই ঋণের অর্থকে ভাগ করে ২১১ মিলিয়ন ডলার Teletalk-এর জন্য এবং ১৮৯ মিলিয়ন BTCL-এর জন্য বরাদ্দ করা হয়। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে চীনা সরকারের সাথে আবার পুনঃআলোচনার মাধ্যমে এই ঋণটির সুদের হার ২.৬ থেকে ১.৮ শতাংশ নামিয়ে আনে এবং পরিশোধের মেয়াদ ৫ বছর থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত বাড়িয়ে নেয়।

বাংলাদেশ এ পর্যন্ত ২১টি দেশ এবং এজেন্সী এর কাছ থেকে Supplier`s Credit নিয়েছে। এর মধ্যে চায়নার কাছ থেকে ২০ বার, ভারতের কাছ থেকে ১৮ বার, রাশিয়ার কাছ থেকে ১০ বার, এবং নেদারল্যান্ডস-এর কাছ থেকে ৮ বার Supplier`s Credit নেয়ার রেকর্ড বাংলাদেশের আছে।

এছাড়াও বাংলাদেশ যখনই কোন ঋণ নিয়েছে অন্য কোন দেশের কাছ থেকে তার বেশির ভাগই ওই দেশগুলির কোন না কোন ব্যাংক বা সংস্থার মাধ্যমে ঋণ প্রদান করা হয়েছে। যেমন জাপানের JBIC- Japan Bank for International Cooperation-এর কাছ থেকে বাংলাদেশ সরকার বহুবার ঋণ নিয়েছে। কাজেই এটি একটি সাধারণ অনুশীলনের মধ্যে পরে।

আমরা মনে করি বাংলাদেশের রাজনীতি বাংলাদেশের স্বার্থেই হওয়া উচিত। দেশবিরোধী রাজনীতির মাধ্যমে দেশের মানুষকে বোকা বানিয়ে নিজস্ব স্বার্থসিদ্ধির জন্য দেশকে ক্ষতি করার রাজনীতি পরিহার করা উচিত।

মোহাম্মদ এ আরাফাত : শিক্ষক, ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ।

৬২ Responses -- “যোগাযোগ, ট্রানজিট চুক্তি ও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এর প্রভাব”

  1. মাহফুজুর রহমান

    ধন্যবাদ মি. আরাফাত সাহেব তথ্যমূলক একটি লেখা উপহার দেয়ার জন্য। ভারতের সাথে আমাদের অনেক স্বার্থ রয়েছে। ভারতেও ঠিক তাই। ভারতের বিশাল বাজারে আমাদের ছোট অর্থনীতির দেশের বাণিজ্য ঘাটতি থাকাই স্বাভাবিক আর ট্রানজিটের ফলে বাংলাদেশও পারে কিছুটা লাভবান হতে। তবে একটা বিষয় নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন। বাংলাদেশ ভারত চীন ও মায়ানমারকে নিয়ে যে বিআইসিএম ফোরাম গঠিত হয়েছিলো ১৯৯০ এর দশকে তা কিন্তু আর এগোচ্ছেনা। যদিও ২০১৩ সালে একটি মোটর শোভাযাত্রার মাধ্যমে সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়েছিলো। কিন্তু সে পর্যন্তই শেষ। সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরে তিনি বাংলাদেশ, ভারত, ভূটান ও নেপালকে নিয়ে নতুন উপআঞ্চলিক জোট বিআইবিএন এর কথা বলেছেন। হঠাৎ করে বিসিআইএম বন্ধ রেখে বিআইবিএন কেন? তা কি খেয়াল করেছেন ? যদিও ভারত উপরে উপরে চীনের সাথে ভালো সম্পর্কের অভিনয় করে, কিন্তু ভেতরে ভেতরে এশিয়ায় ভারত তার নিজের বলয় বৃদ্ধি করার জন্য মরিয়া। আর এজন্য সে ছোট রাষ্ট্রগুলো নিয়ে চীনের বাইরে নিজের একটি বলয় তৈরী করছে। যার প্রমান সম্প্রতি চীন সফরের পরই মোদি যান মঙ্গোলিয়া সফর করেন।
    ভারত তার বলয় সৃষ্টি বা চীনের সাথে প্রতিদ্বন্ধিতা করলে আমাদের কোন সমস্যা থাকার কথা নয়। কিন্তু আমরা গরিব রাষ্ট্র আমাদের সবার সাথেই ভালো সম্পর্ক বজায় রেখে চলতে হয়। তাই এক দেশের সাথে এমনভাবে সম্পর্কে জড়ানো ঠিক নয় যেন অন্য দেশ নাখোশ হয়। চীনের সাথে আমাদের আমদানি বাণিজ্য রয়েছে। তাছাড়া দেশের বিভিন্ন বড় বড় প্রজেক্টেও চী বিনিয়োগ করছে। অধিকন্তু চীন আমাদের রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করেনা। অতএব চীনকে বাদ দিয়ে শুধুমাত্র ভারতের আকা ছকে সম্পর্ক আগালে দেশের নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীর স্বার্থ হাসিল হতে পারে কিন্তু সামগ্রিক স্বার্থ হাসিল হবেনা।
    আরেকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ, তাহলো বর্তমানে ভারত তার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোকে পণ্য সরবরাহে অধিক খরচ পড়ে বিধায় এই অঞ্চলে বাংলাদেশী পণ্যের বাজার তৈরী হচ্ছে। কিন্তু ভারত ট্রানজিট পেয়ে গেলে এই অঞ্চলে নিশ্চয়ই বাংলাদেশ তার বাজার হারাবে। এটা ঠিক যে বহুপাক্ষিক সংযোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ভূটান এবং নেপালের বাজারে প্রবেশের সুযোগ পাবে। কিন্তু নেপাল ও ভূটানের বাজার ভারতের দখলে রয়েছে। ভারতের সাথে প্রতিযোগিতা করে বাংলাদেশ এই দুই বাজারে কতটুকু সুবিধা করতে পারবে তা গবেষণার বিষয়। কেননা ভারতের বিশাল উৎপাদন খাত এবং ভূটান ও নেপালের সাথে নৈকট্য বাংলাদেশকে এই দুই বাজারে অসম প্রতিযোগিতার মুখোমুখি করবে। তাই ট্রানজিট এর মাশুল এমন হওয়া উচিত যার মাধ্যমে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বাজার হারানো জনিত ক্ষতি বাংলাদেশ পুষিয়ে নিতে পারে।
    তাই আবেগ নিয়ে নয় বরং যথাযথ চিন্তুা ও জাতীয় স্বার্থের কথা মাথায় রেখেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

    Reply
  2. Hasan Khan

    ট্রানজিট বা কোরিডোরের বিষয়টা দিল্লির সঙ্গে নেপাল আর ভুটানসহ উত্তর পুর্বাঞ্চলীয় রাজ্য গুলোর প্রতিটির সক্ষমতা বিবেচনা করে আলাদাভাবে নির্ধারন করতে হবে । বাংলাদেশের উচিত হবে দিল্লির শাসনে থাকা অবস্থাতেও পিছিয়ে পরা ঐ রাজ্য গুলোর প্রতি অপেক্ষাকৃত দায়িত্বশীল আচরন করা ; তাতে ঐ রাজ্যগুলোর পাশাপাশি দির্ঘমেয়াদে সমগ্র ভারত আর বাংলাদেশও যথেষ্ট লাভবান হবে । উদাহরন হিসেবে আমরা ঐ রাজ্যগুলোর সাথে পর্যটন টাই আপের সুযোগ পেতে পারি, ঐ এলাকার জলবিদ্যুত আমাদের ভবিষ্যত নিরাপদ পাওয়ার হাউস হতে পারে; এছাড়া আরো বেশ কিছু সুবিধা আমরা বের করে আনতে পারবো যা আমাদের দেয়া এখনকার সুবিধার চেয়ে কম হবে না ।

    ঐ দরিদ্র রাজ্যগুলোকে বাংলাদেশের দেয়া ট্রান্জিট সুবিধাটা আপাতত অপেক্ষাকৃত ধনী একটি দেশের সাহায্য হিসেবে বিবেচনা করা উচিত হবে, যেমন আমরা অন্যান্ন ধনী দেশগুলো থেকে পেয়েছি । তবে ঐ ছাড়টা যেন অবশ্যই শুধু ঐ রাজ্য গুলো পায় ; পক্ষান্তরে পুর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর জন্য কঠিন বানিজ্যিক চুক্তি করতে হবে । প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলারের যে বানিজ্য ঘাটতি রয়েছে তার পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব করে, তা কড়ায় গন্ডায় উসুল করতে হবে । কারন ঐ ৩ বিলিয়ন ডলারের অর্ধেক আমরা চাইলেই ছাটাই করে দিতে পারি । আমরা পিড়িতের ঐ দেড় বিলিয়ন ডলারও দেবো, তারপরেও তারা আমাদের মানুষ পাখির মতো মারবে, বিদ্যুত-পাট-গার্মেন্টস-কৃষি ইত্যাদি গুরুত্বপুর্ন খাতে ম্যাল-মেকানিজম খাটাবে, বঙ্গোপসাগরে গ্যাস ক্ষেত্রসহ জলসিমা-স্থলসিমা দখলের পাঁয়তাড়াও করবে, তা চলবে না । নগদও দেবো আবার বৈদেশিক বানিজ্য আর স্থাবর সম্পদ-সম্পত্তিও চুরি করবে-ঠ্যাক দেবে, তা চলবে না ।

    Reply
  3. iqbal hossain

    sir arafat, eigulo to govt. minister der mukhe onek sunci,aponi jodi notun kicu janen tobe r ekta article likhte paren.r india to amader porom bondhu protim rastro,tahole keno indian govt. tader BSF ke border e manush marte nished kortece na???tara jodi eto valoi(!!!!!!!!!!) hoy tobe tara je kotha dia kotha rakhbe tar guarantee ki aponi diben????????

    Reply
  4. আরিফ আহমেদ

    বাংলাদেশ আসলে ভৌগলিকভাবে এমন এক জায়গায় অবস্থিত যেখান থেকে ভারতের উপর বেশ খানিকটা নির্ভর করতে হয়। কিন্তু ভারত তার সম্রাজ্যবাদী নীতির(নেহেরু থিয়েরী) উপর বদ্ধমূল। পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর প্রতি দাদাগিরি দৃষ্টিভঙ্গি প্রকট। ভারত সাগরের পানি যে ভূমি স্পর্শ করেছে, ভারত সেখানে তারা ছায়া সম্রাজ্য স্থাপনের চেষ্টা করেছে। যার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাংলাদেশকেও তারা তাবেদারী রাষ্ট্র ভেবে থাকে। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকেও তারা মুখ্যমন্ত্রী ভাবার সাহস করে। কিন্তু আমাদেরও ভাবতে হবে। অন্যান্য দেশ দিন দিন যেখানে উন্নতি করছে, বাস্তব অর্থে আমরা তা পারছি না। তার কারণ, biologically আমরা হুজুগে আর কলহপ্রিয়। স্বাধীনতা পরবর্তী আমরা ভাল কোন নেতৃত্ব পাই নি। যাদেরকে ভাল নেতৃত্ব বলে দাবি করি তারাও আসলে ব্যাক্তিগত স্বার্থের উর্দ্ধে উঠতে পারেন নি। ৪০% নিম্ন বিত্ত মানুষের স্বার্থকে বাদ দিয়ে আমাদের টক শো, সংসদের কার্যদিবসের আলোচনা হয় বাড়ি থেকে উচ্ছেদ, নাম বদলানোর মত কিছু অভিজাত ইস্যু নিয়ে। আমি সব সরকারের কথাই বলছি। একটি দেশ কিভাবে বাঁচবে তা অনেকাংশে নির্ভর করে যারা দেশটি চালায় তাদের উপর। আমাদের দুর্ভাগ্য আমরা তেমন কোন নেতৃত্ব পাইনি। পৃথিবীর বহু দেশেই ট্রানজিট ব্যবস্থা আছে। একাবিংশ শতব্দীতে আঞ্চলিক সহযোগিতার প্রয়োজনটাও বড় হয়ে দেখা দিচ্ছে। এবং এর ফলে উন্নতিও হচ্ছে। যার উত্তম উদাহরণ ইউরোপীয় ইউনিয়ন। একটা বিষয় ভাবার আছে। তা হল এ ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রনের মত নেতৃত্বও ওইসব দেশে আছে। কিন্তু আমাদের!!! নেতৃত্ব নেই, যেসব লোক এগুলো দেখাশুনো করবে তাদের সততা এমনকি যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন আছে। আর একটি বিষয় বড় করে ভাবার আছে। তা হল ওখানে ভারতের মত নীরব আগ্রাসী প্রতিবেশী নেই। তবে বৃহৎ জনগোষ্ঠীর জীবন ধারনের মান উন্নয়নের জন্য, এমনকি টিকিয়ে রাখতে গেলে কিছু কিছু আত্নরম্ভিতা আমাদের ছাড়তেই হবে। উন্নয়নের জন্য সবাইকেও আরও পজিটিভলি ভাবতে হবে।

    Reply
  5. Rizwan-ul Huq Anando

    ব্যক্তি আরাফতের বিরুদ্ধে আমাদের কথা যত কম বলা যায় ভালো । তার একটা নিজস্ব মতামত থাকতে পারে । কিন্তু একটা মজার ব্যাপার কি কেউ লক্ষ্য করেছেন ? আমি নিয়মিত bdnews24 ভিসিট করি । অনেক লেখা পড়ি ।কিন্তু এই লেখাটি নিয়ে যতটা মানুষের মতামত, সমালোচনা ও বিতর্ক দেখেছি, অন্য কোনো লেখা নিয়ে কিন্তু দেখিনি । কেন ? বাংলাদেশের মানুষ যে ভারতকে কতটা ভালবাসে (!?!) তার চাক্ষুষ প্রমান ।

    আমি মি. মাসুদের সাথে একমত যে ভারতীয় রাজনীতিবিদের কাছে আমাদের রাজনীতিবিদরা শিশু মাত্র । দুগ্ধ-পোষ্য শিশুরও অধম । ভারতীয়রা তাদের স্বার্থ দেখবে । তারা চিন্তা করবে কীভাবে ফ্রী তে transit পাওয়া যায়, কীভাবে airtel -এর মাধ্যমে সেভেন সিস্টার্স-এ tele-transit পাওয়া যায়, কীভাবে চট্রগ্রাম বন্দর গ্রাস করা যায়, কীভাবে তিন বিঘা করিডোর রাখা যায়, কীভাবে ফারাক্কা, টিপাইমুখ, সুবনশিরিতে বাধ দিয়ে পানিতে মারা যায়, কীভাবে কাটা তারের বেড়া দিয়ে জন্তু-জানোয়ারের মত একটা দেশের মানুষকে আটকে রাখা যায় . . . এটা তারা করবেই। তাদের চিন্তা, চেতনা, মননে এগুলো অমোচনীয় কালিতে লেখা ।

    আমার দুঃখ হয় কতিপয় অকালকুষ্মান্ড রাজনীতিবিদের আকাশ কুসুম কল্পনা দেখে । বন্যায় দেশ একেবারে ভেসে যাবে । যারা তিন বিঘা জমি একটা দেশ থেকে ব্যাবস্থা করতে পারে না, তারা কী পান করে / খেয়ে এইসব আকাশ কুসুম কল্পনা করে আর জনগণকে স্বপ্ন (নাকি ভূগোল) দেখায়, বুঝি না ।

    কথায় কথায় ইউরোপ, আমেরিকার কথা টেনে আনা কাজের কথা নয় । কয়েক শতাব্দীর সংঘর্ষ আর দুটো বিশ্বযুদ্ধের পর তারা বুঝেছে যে যোগাযোগের মুল্য কত । তারপরও তাদের সমস্যা এখনো যায়নি । এক অভিন্ন মুদ্রা ইউরোকেই অনেক ইউরোপিয়ান দেশ মানে না I সুতরাং ভারতের ব্যাপারে কথা বলার সময় এই অঞ্চলের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিচার করে কথা বলা উচিত I আমাদের জাতীয় মানসে যে ভারত-ভীতি তা অযাচিত, অহেতুক না । গুলি করে মানুষ মারবেন আর আশা করবেন গোলাপ ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করা হবে, এটা কোন ধরনের যুক্তি । ভারতের গত-শতাব্দীর ইতিহাস অনেক নির্মম I তাদের নিজের দেশেই মানুষের জীবনকে যে ভাবে তারা নিস্পেষণ করে (কাশ্মির, পাঞ্জাব, অসম, ওড়িশা, মাওবাদী, নকশাল . . .) সেখানে আমাদের মত নেড়া মাথার দেশের তো কথায় নাই । তারউপর ভারতের আজকের কুটনৈতিক হরিহর আত্মা হলো ইসরাইলের মত একটা বর্বর, গুন্ডা দেশ । যার বন্ধু এরকম মাস্তান তার নিজের রাষ্ট্রনৈতিক চরিত্র যে মধুর মত পবিত্র হবে না এটা জানা কথা । এতকিছু জেনে, বুঝে, দেখে (সাথে গুলিও খেয়ে) যদি কেউ খাল কেটে কুমির আনে, তবে ‘হা হতম্মি’ !!!

    তবে এই লেখার একটা ইতিবাচক দিক আছে। আরাফাত সাহেবকে অনেকে চিনলো কিন্তু । আরাফাত সাহেবের কল্যাণ কামনা করছি ।

    Reply
  6. Jamil Hayder

    আরাফাত সাহেব, কস্ট করে রচনা লেখার জন্য ধন্যবাদ। সাধারন মানুষের আবেগকে জানার চেস্টা করবেন ।আশা করি পরের লেখাটা আরও ভাল হবে।

    Reply
  7. ekabir

    (মোহাম্মদ এ আরাফাত)ট্রানজিট দেয়ার মাধ্যমে প্রতি টনে আমরা একটি সার্ভিস চার্জ আদায় করবো।

    কিন্তু কথা হচ্ছে দাদা বাবুরা তো সার্ভিস চার্জ ছাড়াই ট্রানজিট চায়।
    আমরা কি পারবো সার্ভিস চার্জ আদায় করতে?

    Reply
  8. হানিফ

    আপনার লেখা পড়ে অবাক হই নি । চ্যানেল আই এর তৃতীয় মাত্রা অনুষ্ঠানে আপনি বলেছিলেন আলীগ নেতারা কখনও জামাতের সাথে এক টেবিলে বসে মিটিং করেন নাই । অথচ ৯১-৯৬ সালে তারা এক সাথে আন্দোলন করেছে,অনেক মিটিং করেছে । এই সহজ বিষয়টি যেখানে আপনি জানেন না, সেখানে আপনার দেশ নিয়ে ভাবনা আদার ব্যাপারি হয়ে জাহাজের খবর নেওয়ার মত ।

    Reply
  9. masud

    I was going through the comments. Its pleasing to know the majority is against the views of the writer. I strongly agree to the readears that when the opponent is India we will have to think twice. Our politicians and diplomats are like children to the Indian counterparts. Moreover, we have to think how far these people are true to their commitment. It seems that they have changed their loyalty and i will not be surprised if i come to know that they are paid agents.

    Reply
    • Hasan Khan

      আরে ভাই, পশ্চিম বাংলা আর দিল্লির মহল বিশেষও তো চাইছে যে বাংলাদেশ ট্টান্জিট-কোরিডোর না দিক । কারন ওরা টন প্রতি যে ১০০ ডলার পায় সেটা ওরা পুরোটা নিজেরাই নিতে চায় । ওরা তো পুর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর স্বার্থ দেখেনা ; শুধু নিজেদের পাতে ঝোল টানার ধান্ধা করে, যেমন বাংলাদেশের সাথে করে । আর বিএনপিসহ ওদের বাংলাদেশি এজেন্টরা আপনাদের কাছে ভারত বিরোধিতার ভান করে আসলে ওদের পার্পাজই সার্ভ করে । বাংলাদেশি-ভারতীয় ঐ স্বার্থান্বেষি মহলের ধান্ধাবাজি প্রশ্রয় না দিয়ে, মাথাটা একটু খাটিয়ে বাংলাদেশ, ভুটান, নেপাল আর পুর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর স্বার্থ নিয়ে একটু ভাবুন, দেখবেন ভারতের স্বার্থপরতা হটিয়ে দেয়া যাবে । ভারতে স্বার্থান্বেষি ঐ মহল ছাড়াও ট্রান্জিট-কোরিডোরের জন্য পিছিয়ে পরা এই অঞ্চলের উন্নয়নমুলক সংহতির জন্য ফেভারেবলরাও আছে ; দ্বিপাক্ষিক এই সব কুটকৌশল মোকাবিলায় তাদের সাহায্যও পাওয়া যাবে ।

      Reply
  10. Ershad Mazumder

    দক্ষিন এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতার জন্যেইতো সার্ক গঠণ করা হয়েছিল। কই, সেই ফোরামতো কার্যকরী হয়নি। কারণ কী? প্রতিবেশী অন্য রাষ্ট্রকে জিজ্ঞাসা করুন। আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট খুবই ফলপ্রসূ ও কার্যকর। চীন জাপানের সাথে ভারতের বাণিজ্য সম্পর্ক খুবই ভাল। কারণ চীন ও জাপান দর কষাকষির ব্যাপারে চীন ও জাপান ভারতের চেয়ে একধাপ এগিয়ে। কথা একেবারেই সাফ। ভাই, আমার বললে ব্যবসা করবো, না হয় অন্য বাজার দেখবো। পাকিন্তানও এই ব্যাপারে কম যায়না। শক্ত দর কষাকষি করে পাকিস্তান ভারতের সাথে ব্যবসা করে।
    চীনের সাথে বাংলাদেশের ব্যবসা কম নয়। বরং দিন দিন বাড়ছে। চীনা জিনিষের দাম কম বলেই বাজার দখল করে নিচ্ছে। ভারতীয় পণ্য চীনা পণ্যের সাথে মান ও দামে টিকে না। এ হলো খোলা বাজারের নীতি। আবার ভারতীয় যান বাহনের সাথে চীনা যান বাহন পারছেনা। জাপানী গাড়ির সাথে চীনা ভারতীয় গাড়ি পারছেনা। এ হলো খোলা বাজারের নীতি। ট্রানজিট করিডোর কানেকটিভিটি সবই ভারতের স্বার্থে। এতে বাংলাদেশের কোন লাভ নেই। এজন্যে কোন অংক কষার দরকার নেই। আমার কাছে মনে হয় এটা পয়সার অভাবে নিজের থাকার জায়গা সাবলেট দেয়া। ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর সাথে বাংলাদেশের ব্যবসা বাণিজ্যের সুযোগ বেশী। ওই অঞ্চলের সাথে আমাদের মুক্ত বাণিজ্যাঞ্চল খুললেইতো সমস্যা চুকে যায়। থার্ড কান্ট্রি বাণিজ্যের মাধ্যমে আমরা ওই অঞ্চলের চাহিদা পুরণ করতে পারি। আমরা তাদের জন্যে আমদানী করে তাদের পৌঁছে দেবো। তাহলে ট্রানজিট করিডোর কানেকটিভিটির প্রয়োজন কোথায়?
    নেপালের সাথে বাংলাদেশের সড়ক যোগাযোগের পথ দেয়ার কথা বলে ভারত ৩০ বছর বসে আছে। তিনবিঘা দিবে বলে আর দেয়নি। নিয়মিত গংগার পাণি দিবে বলে আজও দিচ্ছেনা। ভারত কোন কোন খাতে বা বিষয়ে বাংলাদেশের সাথে সদয় ব্যবহার করেছে এক এক করে উল্লেখ করে বলুনতো?

    Reply
      • Ershad Mazumder

        Dear Majumder Shaheb thanks for your reaction. In 1960 Sino-Us relationship was bitter. China use to say US is a paper tiger. During this last 50 years China made tremendous progress economically and militarily. China became a socialist state after dethroning their king from power in 1949. We became free from British rule in 1947. Pakistan ruled us for 23 years up to 1971 December. It is now almost 40 years free Bangladesh is being ruled by our politicians.Our economic and military progress is very little or poor. Because our leaders do not have any long term vision with a long term program . Our leaders/parties are fighting each other instead of fighting poverty, illiteracy. Our economic growth/GDP is still less than 6 per cent. But we need a growth at a rate of 8 to 10 per cent. China’s growth is more than 10 per cent and India is 8 per cent. Our growth is poor, because our investment is very poor. Our establishment/running expenses are much more than development expenditure. Why not think about Malayasia,South Korea, Singapore, Taiwan? How could these countries made so much of progress within 20/25 years. I feel,their political parties are not fighting against each other.

  11. Tareq

    In the article we are only measuring the trade not relationship. Our trade relations with other countries are based on mutual respect except India. Though you can start a mutual respective relation if the other party is agree to keep it up. But there is no sign of that in the present memorandum of understanding. There are many instances in the world where a powerful country like US is respecting neighbouring country like Mexico (they are sharing electricity that are generated high in the stream that is situated within US territory).

    Reply
  12. তায়েফ আহমাদ

    এতো ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে থিওরী না কপচিয়ে সোজা কথায় বলুন, এ থেকে বাংলাদেশের কয় টাকা রাজস্ব আসবে?

    Reply
  13. নাম নাই

    আমি একটা জিনিষ বুঝিনা এসব লিখার উদ্দেশ্য কী? দুই চারটা রিপোর্ট একত্র করে লিখার কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে? আমারা যারা ইন্টারনেট ব্যাবহার করি দুই ক্লিকে এডিবি কিংবা বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট সংগ্রহ করতে পারি। মোহাম্মদ এ আরাফাত যা লিখেছেন গত ছয় মাসের পত্রিকায় অনেকে এগুলো বহুবার বিশ্লেষন করেছেন। একজন ইউনিভার্সিটি শিক্ষক যদি এরকম লিখা প্রকাশ করে– আমার ভয় হয় –তাঁর ছাত্ররা তার থেকে কী শিখবে। আপনি শিক্ষক, আপনাকে একটাই পরামর্শ রাজনীতি থেকে দূরে থাকুন।

    Reply
  14. Jaheed

    মি. আরাফাত তবে বিশ্ববিদ্যালয়েও পড়ান! বিটিভি নামক সরকার মর্দনকারী তথাকথিত আলোচনা অনুষ্ঠানে তার তৈলাক্ত উপস্থাপনা দেখে ভাবতাম এ আবার কোন ভ্রমর। যাই হোক, তার এ লেখা আর সরকারের মন্ত্রিদের বক্তৃতা-বিবৃতির মধ্যে বিন্দুমাত্র দূরত্ব খুঁজে পেলাম না।

    Reply
  15. NARAYAN

    India will use the transit if and when it benefits them. As simple as that. India will not use the transit to benefit Bangladesh. It is absolutely correct that Indian political and business tactics are for the benefit of India.
    When BNP-JI will be in power challange India to a duel. Nobody will prevent that.

    Reply
    • WOW_BNP

      Narayan, of course, India will use the transit when it benefits them plus at the same time it will benefit Bangladesh. I don’t see anything wrong with it. And do you think only India would be the only country be using the transit Bhutan, Nepal also will be part of it even China is talking about getting connected with the highway through Mayanmar.

      Reply
  16. Afzal Hossain

    Mr Arafat, Thank you for writing the article. We all want to be benefited from transit. But the problem is our big brother India has already declared that it wouldn’t pay anything for transit. The government seems to be very weak in negotiating this issue with India in order to get the due share of the country. It is our ill fate that our Government doesn’t behave like that of an independent and sovereign state when it deals with it so called freindly neighbour India.We expect that enlightened and educated peoples like you should come forward with bold voice to uphold Bangladesh and its people and their interest. Thank you.
    Afzal Hossain

    Reply
  17. Mohammad Abdus Salam

    দাদা, আমি কিন্ত ভারতবিরোধী না । আমাদের অর্থনীতির জন্য ভারতের প্রয়োজন । তাই বলে দাদাদের কথায় কান ধরে উঠবসা করব, ফ্রি ট্রানজিট দেব , সীমান্তে মানুয মেরে কাটা তারের বেড়ায় ঝুলিয়ে রাখবে ।

    এটা কি আপনি সমর্থন করেবন ?

    Reply
  18. ashfak

    ২৪বিলিয়ন ডলারের উন্নয়নের প্লাণের বিপরীতে যে কয়টা টাকা ধার নিয়ে লম্ফঝম্ফ করছে দেশি বাবুরা তাদের যে আল্লাহ কি মাটি দিয়ে বানিয়েছেন তিনিই জানেন! একটা ব্যাপার যেখানে দেশের সকল সাধারণ মানুষের মনে সন্দেহ জোগার করল তা প্রশাসনের অইসব অথর্বদের মাথায় আসে নাই কেন? ধরুন, আপনার বাড়ির ঠিক মাঝখান দিয়া একটা ধণী লোকের বাসায় যাওয়ার পথ করে দিলে তার বড় গাড়িটা সহজেই বের হয়ে যেতে পারে এবং তার ব্যাবসার কাজেরও কিছু উপকার হয়! সে আপনাকে বলল যে কিছু টাকা ধার নিয়ে আপনার বর্তমান বাড়িটা ভেঙ্গে অন্যত্র করতে এবং এতে আপনার অনেক লাভ হবে। স্বপ্ন দেখতে লাগ্লেন যে আপনার বাড়িটা আপনার কাছে একটা সোনার ডিম পাড়া মুরগি হিসেবে এসেছে!আপ্নি নতুন বাড়ি করতে পারছেন,বাহ! মাথাটা না খাটিয়ে কি আপনি রাজি হয়ে যাবেন? নাকি যদি রাজি হন তো নিজের পুরো সুবিধা হিসেব নিকেশ করে তারপর রাজি হবেন?
    ভারতসহ অন্যান্য দেশ বাংলাদেশের সাথে আঞ্চলিক সহযোগিতার ভিত্তিতে যা করতে চাচ্ছে এবং আপনি যেই ভৌতিক তত্ত্ব দিলেন তার মধ্যে কি বাংলাদেশ নিজস্ব কোন দাবী ও উপকারিতা আদায় করে নিতে পারছে?
    আপনি যখন আপনার সাইজের ডাবল কোন লোকের সাথে একই রিকশাতে ভ্রমণ করবেন তখন যদি আপনি শুধুমাত্র রিকশা ভাড়া অর্ধেক দিতে হবে তার স্বপ্ন দেখেন তো আপনি দেখবেন যে রিক্সায় বসারই জায়গা পাচ্ছেন না! ভ্রমণের আনন্দ কি নিবেন? গলায় কাটা হয়ে যাবে!

    Reply
  19. Hanif

    আরাফাত সাহেবের লেখায় নতুন কিছু নেই। পুরানো কথার পুনরাবৃত্তি মাত্র। এত দুর্বল লেখা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন শিক্ষকের কাছ থেকে আশা করা যায় না।

    Reply
  20. Mohammad Nazmul Hossain khan

    These are old stories, eveybody knows that with the cooperation of neighbouring countries, there is a economic benefit. But ,if the coountry is India , then you have to think twice . You can see the recent contracts with india. In every contracts , there are huge conditions and it is tough to make negotiations with india. So, you have to analysis a lot , why people are anti-Indian in Bangladesh. You will get a lot of references from the history and incidents. So, I am not agree with you. Your way of logical conclusion would not motivate people to make those relation with India.

    Reply
  21. Md. Golam Shahriar Majumder

    Very good and logical writing… We should put our differences aside and be united at the national issues. I hope everyone would have a comment, logical comment rather than attacking & political comment…

    Reply
  22. মেটামোর

    কিন্তু কথা হচ্ছে দাদা বাবুরা তো সার্ভিস চার্জ ছাড়াই ট্রানজিট চায়। এখন আপনি কীভাবে তাদের কাছ থেকে জোর করে চার্জ নেবেন। সে সামর্থ্য কি আমাদের আছে।

    Reply
  23. Asit Kumar

    Do you know the Indians ideology for the subcontinent? Do you have any idea of Imperialist India after 1947? Do u have any emperical evidence that supports your argument? It seems you have learnt to elaborate false argument like India. Dont think people are less wise than you. It seems your opinion likes to prove Bangladesh will get more by Transit as you told it will expand trade of BD-with North, West Bengal, Orissa. Do you have any idea of Indian tariff and non-tariff barriers to Bd commodities? Do u think India is willing to take transit only for Benefiting Bd? You seem live in the fools pardise.

    Reply
    • Md. Golam Shahriar Majumder

      No country sees others benefit rather than it’s own benefit. India and Pakistan has the worst rivalry in this area but still when it comes to the business and economy, they act smart & put there stupid egos aside to make the clear cut connectivity. India imports gas from Iran using Pakistan’s transit and Pakistan is getting a huge amount of transit money. Do u think it’s only benefiting India or Pakistan??

      Reply
  24. 2shar

    সরকারতো ট্রানজিট চুক্তির বিষয়টি জনসম্মুখে প্রকাশ করছেনা, ট্রানজিটের ফলে আমাদের কী কী সুবিধা হবে না হবে ইত্যাদি। পত্রিকায় প্রকাশ, ট্রানজিটের জন্য অবকাঠামো তৈরির জন্য যাবতীয় ব্যয় ভারত থেকে আনা হবে উচ্চ সুদে এবং ট্রানজিটের জন্য তারা কোন ভাড়া প্রদান করবে না। আবার বিদ্যুত স্থাপনের জন্যও একই শর্ত, শত শত কোটি টাকা ঋণ আনা হবে উচ্চ সুদে, আবার তাদের নিজের দেশের ভিতরের রাস্তা নির্মাণের জন্য যে খরচ হবে তাও বাংলাদেশকে বহন করতে হবে, সরকার ট্রানজিট বিষয়টি জনসম্মুখে প্রকাশ করেনা কেন?

    Reply
  25. Asif

    বিষয় এটা না, ট্রানজিট প্রয়োজনীয় কি অপ্রয়োজনীয়, বিষয় এটাঃ আওয়ামীলীগ এটা চাচ্ছে; তাই এক দল এটাকে প্রতিষ্ঠিত করতে উঠে পড়ে লেগেছে।

    বলতে পারেন, ভারত আর কি কি পেলে শেষ পর্যন্ত বলবে, আর কিছু চাই না?

    Reply
  26. Ghazi Saluddin

    How much do you know Indian political and business tactics? Don’t compare Europe with out subcontinent. India already declared that it will not pay any thing for its transit to its other part of the country. You are getting loan from India to build the proper roads for transit.But why? You follow up Indian policy before taking any decision. Until now you had never been getting any advantage in business with India. Bangladesh people will never accept these by any means.

    Reply
    • Md. Golam Shahriar Majumder

      Jokhon World Bank, ADB or China theke high interst-e (every govt.) loan ney, tokhon to kaoke kono kotha bolte dekhi na; India’r name shunlei desh prem (for political fayda) bere jay oneker…

      Reply
  27. Ershad Mazumder

    ধন্যবাদ প্রিয় আরাফাত সাহেব। আপনার নিবন্ধে বর্ণিত চিন্তা খুবই ভাল এবং আকর্ষণীয়। কিন্তু বাস্তব তার বিপরীত। মহান ভারতের সাথে প্রতিবেশী কোন দেশটির সম্পর্ক ভাল তা আপনি আমার চেয়ে ভাল জানেন।৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানের পরাজয়ের পর শ্রদ্ধেয় ইন্দিরা গান্ধী ভারতের পার্লামেন্টে বলেছিলেন, ‘হাজার সাল কি বদলা লিয়া’। এত বছর পরেও আমি বুঝতে পারলাম না তিনি কিসের বদলা নিয়েছিলেন। ভারত কয়েক যুগ ধরে শ্রীলংকার বিদ্রোহী তামিলদের সমর্থন ও সহযোগিতা দিয়ে গৃহযুদ্ধকে জিইয়ে রেখেছিল। নেপাল আর ভুটানকে তাবেদার রাস্ট্র বানিয়ে রেখেছে। ৪৭ সাল থেকে পাকিস্তানের সাথে বৈরিতা চালিয়ে যাচ্ছে। পর পর কয়েকটা যুদ্ধ করেছে। নিজ দেশের মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে যাচ্ছে যুগের পর যুগ। জাতিসংঘের গণভোটের প্রস্তাব ৬০ বছরে মানেনি। উল্টো কাশ্মীরে কয়েক লাখ সৈন্য মোতায়েন করেছে। চীনের দাবীকৃত অরুণাচল দখল করে রেখেছে। উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে নাগরিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বাধিয়ে রেখেছে।
    বাংলাদেশ সীমান্তে নিয়মিত মানুষ হত্যা করে চলেছে। আমার কথাগুলো মিথ্যা কিনা আপনিই বলুন। দয়া করে ভাববেন না আমি অকারনে ভারতের বিরোধিতা করছি। ক্রেতা বিক্রেতা বা পার্টনারশীপের ভিতর সবচেয়ে বড় জিনিষ হলো আস্থা ও বিশ্বাস। দয়া করে দুই পক্ষের ভিতর আস্থা ও বিশ্বাস প্রতিস্ঠা করার ব্যাপারে সহযোগিতা করুন।

    Reply
    • Asif

      Amazing!

      Impressed!

      ভারত হচ্ছে পৃথিবীর একমাত্ত্র দেশ যার সাথে তার কোন প্রতিবেশির এতোটুকু সুসম্পর্ক নেই।

      মুক্তিযুদ্ধের পর আমরা ভারতের কাছ থেকে কবে এতোটুকু শ্রদ্ধার আচরণ পেয়েছি?
      আর মুক্তিযুদ্ধে কি ভারত আমাদের প্রতি দরদ দেখিয়ে সহায়তা করেছিল, নাকি পাকিস্তান ভাঙ্গার আগ্রহে করেছিল?

      অনেক ধন্যবাদ এরশাদ সাহেব।

      Reply
    • selim

      “ক্রেতা বিক্রেতা বা পার্টনারশীপের ভিতর সবচেয়ে বড় জিনিষ হলো আস্থা ও বিশ্বাস।”
      amader market-e eto indian jinish…tahole to astha valo thakar kotha…
      somvoboto astha ar biswaser ovabtar mul karon apnader moto kisu lok uvoy deshei obosthan korche.

      Reply
  28. Zubair Chowdhury

    Mr. Arafat you and many like minded of you are talking / writing about Anti Indian political scenario in Bangladesh.

    One thing many Bangladeshis do not understand “ why you people are so silent against Anti Bangladeshi stands of India”

    There are tale that RAW are spending huge amount in Bangladesh by paying their Puppets in BD not to say any things against India.

    Are you one of them ? Many guesses soo ………………….

    Reply
    • Mohammad A. Arafat

      unfortunately we guess a lot. don’t do much of honest/objective research to know about an issue or a person. To answer your question, let me frankly say it, my first and foremost priority is Bangladesh and things that I say based on true information and try to be fair.

      The question that you posed, why the so called ‘YOU PEOPLE’ are silent about India’s anti Bangladesh stands, let me also clarify this, I don’t know about other people but as far as I am concerned, I have been pro Bangladesh and only pro fairness thought…. Everything that I wrote in my article was to benefit Bangladesh… You might not have noticed some other articles of mine, if you did you wouldn’t say this…. and you know, this is the problem with us…

      I wrote another article about India’s cultural aggression into Bangladesh which came in Prothom Alo. Please read the article and that will clearly tell you what my stand is and also will clearly give your answer.

      Reply
      • Ershad Mazumder

        Dear Arafat. Thanks for reaction. Do not drag the issue towards pro & anti India. Simple thing is we shall have to protect our political and economic interests 100 percent. Set your mind 100 percent for the interest of Bangladesh.If you are poor in your mind and soul no one can protect your interests.
        You can gain a lot economically if you surrender your political right honour and dignity. Just think why Mayanmar is having a very strong ties with China instead of very close neigbour India. Why North Korea strongly ignoring the threat from USA? It is only because China is with North Korea. Why Israel has become a great threat for all middle eastern countries including Palestine. Why Europe and USA has created a state like Israel in 1948 occupying territories of Palestine? Why China has become global political power instead of Japan.Japan is much richer than China?
        Dear Arafat, please tell me why we fought against Pakistan in 1971? Is it for economic freedom or political freedom? No, it was for political freedom and for a free homeland known as BANGLADESH. I am sure you are a political being and understand what is business and what is freedom.

      • Obaidur Rahman

        Can you forget that China took side to Pakistan in 1971 against Bangladesh?

        All countries look at their own best interest. Unfortunately, Bangladeshi govt (both AL and BNP) officials are not competent enough to deal with the Indians. Whatever party comes, Bangladesh become India’s economical colony.

        India made sure that Bangladesh cannot turn back from the treaty for transit by approving the loan. Transit should not be viewed only about the economical gain. But also should be resolving the political and bi-lateral issues. Unfortunately, AL govt has failed very badly to use the transit as a bergaining tool to address the unresolved issues. Where BNP-Jamat did not make any attempt to resolve those issues in their terms.

        When AL govt signed the transit contract with India, they did not want it to be discussed in the parliament. So, when BNP came in the parliament, Sheikh Hasina started talking about where Zia’s grave is, to redirect the attention of BNP to something else and they were fool enough to be trapped. It was not un-expected from BNP where a party did not attend the parliament for few front seats which is not legitimate for them.

      • Obaidur Rahman

        One more comment about why we are separated from Pakistan? For economical or for political reason?

        We formed Pakistan because we thought Muslims (both Bengali and Urdu speaking people) will control the politics and which will lead us to economic prosperity.

        However, we saw that they tried to impose their language, draining money from east to west, not giving our political right.

        If we look at the six point demand by Shaikh Mujib, 3 are directly involved with economy. Depriving of those all issues (both political and economical) lead us to the fight for freedom.

        Look at how the Indian province are tied together. There’s a lot of disagreement between North and South of India. Still, there is a common interest and understanding about being united, becoming strong in politically and economically, they are staying together with their big cultural difference.

        So, I shall argue that Bangladesh sought for independence for both politically and economically.

      • Zubair Chowdhury

        Thank you Mr. Arafat for your reply.

        when we see a person like you are not vocal enough against India’s unfairness and injustice towards the Bangladesh, we can not accept it at all.

        Then what you have wrote “as far as I am concerned, I have been pro Bangladesh and only pro fairness thought…. Everything that I wrote in my article was to benefit Bangladesh…”

        Is that so ? but, is very hard to believe that.

        Pro Bangladesh ?

        In your Article you did not write any single sentence against India’s wishful dream as they asking transit facilities without any duty / fee / or whatever it is.

        Then, how should we believe that you are always pro Bangladesh ?

        Pro fairness ?

        In your Article, You did not write any single word about all those harsh terms and conditions will be applied in billion Dollar contract with India’s Exim Bank.

        How Bangladesh will benefit out of it ?

        In your Article, you did not write anything regarding, what our Finance Minister said “ Those whom are talking about duty or fee they all are foolish, in Transit, there will be no duty at all, instead, we will receive something !!“

        And, where all your pro fairness thoughts stand for ?

        Mr. Arafat, thank you once again.

        we are not so high class personality to go and attend the TV talk shows. But, we look and listen to who is saying what.

        What we want? we don’t want you to be Shere Bangla or Sheikh Mujib or Zia, neither we support Anti Indian politics.

        We want you people just to speak out the truth for the sake of the nation. So that our politician will open up their Minds and souls.

        Nothing more or less than that.

        Thanks to all

      • মেটামোর

        আপনি শুধু সাংস্কুতিক আগ্রাসনটা দেখলেন। ভারতীয় আগ্রাসন তো এখন সবকিছুতে। ভারতীয় আগ্রাসনের মুখে বাংলাদেশ এখন সীমান্তে কাটাতারের বেড়ায় ঝুলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—