Feature Img

Anwara-Syed-haq-2ষোলই ডিসেম্বর বিজয় দিবসকে আমরা এখন সহজ দৃষ্টিতে দেখতে চাই ! রক্ত এবং অশ্র“ দিয়ে অর্জন করা এই দিবসটিকে কেন আমরা এভাবে এখন দেখবো তার কারণ আছে , আর সেটা হল যে আমাদের জাতির জীবনে কোন অর্জনই বিনা রক্তপাতে অর্জিত হয়নি । কি ভাষা আন্দোলন , কি ছয় দফা , কি উনসত্তরের গনআন্দোলন , কি জাতিয় নির্বাচনে নিরুঙ্কশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর নিজ দেশের স্বাধিকার এবং সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা , এমনকি স্বাধীনতা অর্জনের পরেও স্বৈরশাসক উৎখাতের জন্য অকাতরে জীবনদান, এরকম একটার পর একটা অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বাঙালিকে রক্ত দিতে হয়েছে । বিনা রক্তপাতে, বিনা মাশুলে বিগত পঞ্চাশ বছরে সে একটা সরিষা পরিমাণ দ্রব্যও হাতে পায়নি।

আবার একথাও বলতে দ্বিধা নেই যে , প্রতি বছর বিজয় আমাদের কাছে নতুন ধরণের এক বার্তা নিয়ে এসে হাজির হয়। নতুন চেতনায় আমাদের সমৃদ্ধ করে। আমাদের জাতীয় চেতনার সাইকির ভেতরে বিজয়ের ঢাক দ্রিম দ্রিম করে শব্দ করে , আমাদের উল্লসিত করে , আমাদের আত্মঅহমিকার ভেতরে বিজয়ের রেণু তার সুগন্ধ ছড়িয়ে দেয়। গণতন্ত্রের দাবী , ভাষার দাবী , স্বাধিকার এবং স্বাধীনতার দাবী ও অঙ্গীকার আমাদের সাহসী করে তোলে । আমরা বলিষ্ঠ হই । আমরা আমাদের সংস্কৃতিকে আঁকড়ে ধরে পাড়ি দিই গভীর নির্জন পথ । আমরা বাঙালি হই এবং যত বাঙালি হই , ততই আমরা বৈশ্বিক হয়ে উঠি ।

পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রটি আমাদের দেশ থেকে বিতাড়িত হবার আগে আমাদের অনেক ক্ষতি করে গেছে । আমাদের পণ্য রফতানী করে তারা তাদের পশ্চিম পাকিস্তানে গড়ে তুলেছিল সৌধের পাহাড় , সমৃদ্ধির তোরণ , আত্মঅহংকারের ঢিবি । সরকারি সূত্রেই আমরা জানতে পারি উনিশশো আটচল্লিশ থেকে উনিশশো উনসত্তরের ভেতরে পূর্বপাকিস্তান থেকে তাদের নিজ দেশ পশ্চিম পাকিস্তানে স্থনান্তরিত করেছিল ছয় পয়েন্ট দুই দশমিক বিলিয়ন ডলার । পূর্ব পাকিস্তানীদের তারা সম্পূর্ণ নিঃশ্ব করেও মনে শান্তি পায়নি , প্রতিবাদী পূর্ব পাকিস্তানী তথা বাংলাদেশীদের রক্ত পান করার জন্যে তারা হয়ে উঠেছিল ড্রাকুলার মত হণ্যে । তারা ভাষার প্রশ্নে বাঙালিকে পদানত করার চেষ্টা করেছিল , তারা পাকে প্রকারে বাঙালিদের বোঝাতে চেষ্টা করেছিল যে জাতের প্রশ্নে পশ্চিম পাকিস্তানীরই সুপিরিয়র । তারা সংখ্যায় সংখ্যালঘিষ্ঠ হলেও বোলচাল , ভাবভঙ্গী , কৃষ্টি সভ্যতায় বাঙালিদের চেয়ে উন্নত । সুতরাং বাঙালিদের উচিত তাদের অনুসরণ করা । সামরিক বাহিনী , ক্রীড়া , ব্যবসা , এসবে তারা বড় দক্ষ , সুতরাং বাঙালিরা তাদের মুখাপেক্ষি হয়ে থাকবে এটাই স্বাভাবিক । বাঙালির ক্রমাগত বিদ্রোহী ভাবে তারা বড়ই বিরক্ত হয়ে উঠেছিল । ভীরু বাঙালির ভাবসাব তাদের পছন্দ হয়নি । তারা পঁচিশে মার্চ , বৃহস্পতিবার , উনিশশো একাত্তরে রাতের অন্ধকারে কাপুরুষের মত ঝাঁপিয়ে পড়েছিল নিরীহ নিরস্ত্র ঘুমন্ত বাঙালির ওপর । জ্বালিয়ে দিয়েছিল ঘরে ঘরে আগুন । আগুনে পুড়ে যাবার আগে প্রাণ বাঁচাতে বাঙালি বেরোতে চেয়েছিল ঘরের বাইরে । কিন্তু বাইরে ওঁৎ পেতে বসে ছিল পাকিস্তানী মিলিটারি জান্তা এবং তাদের সহচর ও দোসর বিশ্বাসঘাতক বিহারির দল । তারা গুলি করে মেরেছিল তাদের । তারা গর্ভবতী মেয়ের পেট ফুঁড়ে দিয়েছিল বেয়োনেট দিয়ে । তারা দুগ্ধবতী সদ্য মা হওয়া নারীর স্তন কেটে ঝুলিয়ে দিয়েছিল বেয়োনেটের মাথায় এবং বীর দর্পে মিছিল করেছিল মানুষদের দেখিয়ে ।

পূর্ব পাকিস্তানে নিযুক্ত তখনকার এক প্রত্যক্ষদর্শী বিদেশী কূটনীতিকের ভাষায় ‘‘ কোন সন্দেহ নেই যে পূর্ব পাকিস্তানে বিপুল ধ্বংসলীলা চালানো হয়েছে । আক্ষরিক অর্থেই এটি একটি রক্তস্নান । পাক মিলিটারিদের হৃদয় বলতে কিছু নেই । … এবং কাদের ওপর এরকম ধ্বংসলীলা চালানো হয়েছে ? তারাই যারা পূর্ব পাকিস্তানী , সেই পূর্ব পাকিস্তানী যারা উপমহাদেশের সবচেয়ে অহিংস , বিনয়ী এবং নম্র কৃষক , চাকুরিজীবি এবং ব্যবসায়ী হিসাবে বিদেশীদের কাছে পরিচিত ’’ । বিশ্বব্যাংক টিমের প্রতিবেদনে বলা হয় ‘‘ যেন নিউক্লিয়ার আক্রমনের পরবর্তী এক সকাল ’’ ‘‘ ট্যাংক বিধ্বস্ত রাজারবাগ পুলিশ ফাঁড়ি , যেখানে একহাজার জন বন্দী বাঙালি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রাণপনে যুদ্ধ করেছে পাকিস্তানী মিলিটারির ট্যাংক এবং মেশিনগানের সঙ্গে , তারা এখনো পড়ে আছে মৃতের ধ্বংসস্তুপ হয়ে । ’’ ‘‘ অগনিত লাশ নদীতে , কুয়ায় আর ডোবায় পচে ফুলে উঠেছে । ’’ ‘‘ সমস্ত জায়গায় বাঙালিদের ভেতরে এখন দেখা যাচ্ছে গভীর ভীতি ও প্রচন্ড ঘৃণা ’’ । ‘‘ অসংখ্য চিঠি হোটেল ইন্টাকন্টিনেন্টাল এ সাংবাদিকদের চিঠির বাকসে এসে জমা হচ্ছে , যেখানে বর্ণনা করা হয়েছে পাকমিলিটারির নির্মম ধ্বংস লীলার । ’’ ‘‘ একজন বাঙালি কূটনীতিবিদ বলেছেন , এটা একটা তিক্ত প্রতিরোধ সংগ্রামে পরিণত হবে । হয়ত ভিয়েতনামের চেয়েও খারাপ হবে অবস্থা । তবু পরিণামে আমাদেরই জয় আসবে ’’ ।

কিন্তু শুধু প্রতিরোধ নয় , শুধু পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর মার ঠেকানো নয় , পঁচিশে মার্চের পরপরই বাংলাদেশের এই নিরীহ জনগণের ভেতরে যে স্বতঃস্ফূর্ত চেতনা , সমর্থন , উত্তেজনা এবং স্বাধীনতা স্পৃহা দেখা দিয়েছিল তা ইতোপূর্বে কোনদিন বাংলার ইতিহাসে দেখা দেয়নি । একবার যখন তার নিস্পাপ শরীর থেকে অন্যায়ভাবে রক্ত ঝরানো হয়েছে , তখন সে আর রক্তের ভয়ে ঘরের ভেতরে পালিয়ে থাকেনি । সেও তুলে নিয়েছিল তার আনাড়ি হাতে অস্ত্র । তার আগে সে বন্দুক কীভাবে হাতে ধরতে হয় জানত না , মাটি থেকে বা অস্ত্রাগার থেকে কীভাবে আগ্নেয়াস্ত্র কায়দা করে তুলতে হয় জানত না , তার হাতে ছিল অস্ত্র একটি বেমানান বস্তু , কারণ সে ছিল শান্তিপ্রিয় এক জাতির প্রতিভূ । কিন্তু সময় , পরিবেশ এবং জাতীয় সংকট করে তুলেছিল তাকে অকুতোভয় । বোবা বাঙালি , অন্ধ বাঙালি , খঞ্জ বাঙালি , বাড়ির লজ্জাশীলা গৃহবধূ কেউ সেদিন অস্ত্র হাতে তুলে নিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেনি । কারণ ইতোপূর্বে ভদ্র মানুষের মত , গণতান্ত্রিক আলোচনায় সমস্যা সমাধানে বিশ্বাসী মানুষের মত , দিনের পর দিন আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের প্রয়াসে আগ্রহী মানুষের মত সব প্রত্রিয়া তার মাঠে মারা গিয়েছিল । উল্টে পাকিস্তানী শাসকেরা অতিশয় অন্যায়ভাবে বাঙালির ভালোমানুষীকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়েছিল ।

তবে বাঙালিরা যে প্রয়োজন হলে অস্ত্র হাতে তুলে নিতে পারে , তার প্রমাণ এর আগেই উনিশশো সাত চল্লিশ সালে একেবারে দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া বৃটিশরাজ টের পেয়েছিল । বাংলার বিপ্লবী ছেলেরা তাদের নাভিশ্বাস তুলে দিয়েছিল । বাংলার সূর্যসেন , ক্ষুদিরাম , বাঘা যতীন , অনন্ত সিং , বাংলার মেয়ে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার বৃটিশকে তাদের সাহসিকতার সামনাসামনি করে ফেলেছিল । নড়িয়ে দিয়েছিল তাদের সাম্রাজ্যের ভিত । ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল তার সাইকির গভীর প্রত্যয়ে । বৃটিশ এই ধাক্কা বেশিদিন নিতে পারেনি । আবার বাংলা না ছাড়ার লোভও সম্বরণ করতে পারেনি । আর সেই কারণেই বৃটিশ রাজ তার রাজধানী উনিশশো এগারো সালে কোলকাতা থেকে সরিয়ে সুদূর দিল্লিতে পিছিয়ে নিয়ে গিয়েছিল । মনে হয় এখবর পাকিস্তানী মিলিটারি সরকারের জানা ছিলনা । থাকলে তারা আমাদের দেশ আক্রমণ করার আগে দ্বিতীয়বার চিন্তা করত ।

পঁচিশে মার্চের পরের ইতিহাস অভূতপূর্ব । উনিশে এপ্রিল , উনিশশ একাত্তর টাইম ম্যাগাজিনে লেখা হল , ‘‘ পূর্ব পাকিস্তানে একটি আগ্নেয়যুদ্ধের উদ্ভব হইয়াছে । বাঙালি শহরবাসী এবং কৃষকেরা আশি হাজার পশ্চিম পাকিস্তানী পেশাদার সৈনিকের আক্রমণ প্রতিহত করিয়াছে ’’ ।

কিন্তু না , টাইম পত্রিকা যাই লিখুক , এত সহজে পশ্চিম পাকিস্তানীদের হটানো যায়নি । এর জন্যে বাঙালি জাতিকে প্রচন্ড মাশুল দিতে হয়েছে । কারফিউ দিয়ে পাকিস্তানী মিলিটারি বাঙালি হত্যা করেছে । মৃতদেহে ভরে ফেলেছে এই সোনার দেশ । নর নারী , শিশু , বৃদ্ধ , বালিকার লাশ পড়ে থেকেছে রাস্তায় , ড্রেনে , খালে , বিলে , নর্দমায় , কালভার্টের নিচে । বিশেষ করে তরণ তাজা রক্তে দেশের মাটি ভিজে থকথকে হয়ে এসেছে । না , এত সহজে বিজয় অর্জিত হয়নি । গৃহছাড়া কোটি মানুষের বুকভাঙা কান্নায় ভারী হয়েছিল বাতাস , মায়ের বুক থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল পুত্রকে , স্ত্রীর বুক থেকে স্বামীকে , বাবার বুক থেকে কন্যাকে । না , এত সহজে বিজয় অর্জিত হয়নি । বিজয়কে ছিনিয়ে আনতে হয়েছে বিবেকহীন বর্বরদের হাত থেকে । যুদ্ধ করে ছিনিয়ে আনতে হয়েছে বিজয় । বীরত্বের সাথে ছিনিয়ে আনতে হয়েছে বিজয় । তাদের আটানব্বই হাজার সৈন্যকে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে অর্জিত হয়েছে বিজয় ।

এবং এরকম একটি বিজয় অর্জিত হয়েছে বলেই বাঙালি পৃথিবীর বুকে আজ একটি গর্বিত জাতি হিসাবে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে । কিন্তু গর্বিত হলেও সে দিশাহারা নয় । সে এই বিজয়কে সহজভাবে নিয়েছে বা নিতে চেষ্টা করেছে । কারণ এই বিজয়ের পরেও তার আছে আরও অন্য রকমের বিজয় । অন্য ধরণের বিজয় । ক্ষুধা দারিদ্র অশিক্ষা দমন করে সমুখে এগিয়ে যাওয়ার বিজয় ।

আমরা আমাদের বিজয় দিবসকে এখন তাই সহজ দৃষ্টিতে দেখতে চাই । কারণ আমাদের আরও রক্ত দেবার প্রয়োজন আছে । বিশ্বে নিজের দেশটিকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার জন্যে , দেশটিকে রাজাকার মুক্ত করার জন্যে , গরিবের অধিকার আদায়ের জন্যে , সংবিধানকে তার মূল জায়গায় ফিরিয়ে আনার জন্যে , দেশের স্বাধীনতা হত্যা করার ষড়যন্ত্রকারীদের উপযুক্ত শাস্তি বিধানের জন্যে , এখনও অনেক রক্ত দিতে হবে । তাছাড়াও দেশকে বিশ্বের আসনে সুপ্রতিষ্ঠা করার জন্যেও অনেক রক্তের প্রয়োজন । সে রক্তের নাম পরিশ্রম এবং মেধা । আমরা তাই আমাদের বিজয় দিবসটিকে সহজভাবে গ্রহণ করব । আমরা বাঁধভাঙা আনন্দ করব আমাদের স্বাধীনতা দিবসে । হাজার বছরের শৃঙ্খল মুক্ত করে বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে আমরা স্বাধীন সার্বভৌম একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিলাম । এই রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে আমরা আমাদের শরীরের রক্ত ঝরিয়েছিলাম । আমাদের সোনার ছেলেমেয়েরা আত্মাহুতি দিয়েছিল । রক্ত দিয়ে তারা লিখেছিল স্বাধীনতার নাম । যার ফলশ্র“তিতে অবশেষে বিজয় ।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে জড়িয়ে নেব এই বিজয় । আমাদের প্রতিদিনের নিঃশ্বাসের সাথে ভরে নেব এই বিজয়ের সুগন্ধ , আমরা আমাদের বিজয়কে সহজভাবে আমাদের জীবনে তুলে নেব । এই বিজয়ের ভেতরে আমরা তুলে নেব বাঙালির হাজার বছরের আত্মজিজ্ঞাসার অন্বেষণ , জাতি হিসাবে তার স্বকীয় চিন্তা ভাবনা।
৯/১২/১০ ঢাকা

Responses -- “বিজয় যেভাবে দেখতে চাই”

  1. abu eusuf mia

    তথ্যবহুল বাঙালির বীরত্বগাঁথা শাণিত লেখায় নিপুণভাবে তুলে আনায় শ্রদ্ধেয় লেখিকার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা।

    এ ধরনের বিস্তৃত লেখা বিদেশি কুটনীতিক, গবেষক, লেখক, সাংবাদিকের রেফারেন্স / ঊদ্ধৃতিসহ বেশি বেশি করে বিভিন্ন ব্লগে, নেটে, প্রচারযোগ্য সম্ভাব্য মাধ্যমে প্রকাশ করা নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থী-পাঠকের জন্য খুবই দরকার।

    Reply
  2. Mannan

    নব্য রাজাকারদের ভালো লাগবে না তাদের উপাস্য অসভ্য বর্বর পাকিদের পাশবিক ইতিহাস পড়তে। তবে নিয়তির পরিহাস, পাকিরা তাদের জঘন্য কুকর্মের শাস্তি এখন নিজের দেশে বসে কড়ায় গন্ডায় পাচ্ছে। এবং তাদের যে স্বভাবচরিত্র, তারা শাস্তি আরো পাবে।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—