তেরশ চল্লিশ খ্রিস্টাব্দের কথা। প্লেগের আক্রমণে ইউরোপে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ২৫ কোটি মানুষ। আর সারা পৃথিবীতে কত মানুষ মারা গেছেন তার সঠিক হিসাব পাওয়া দুস্কর। এই মৃত্যু ‘কালো মৃত্যু’ বলে খ্যাত। নির্মম মৃত্যুর এই মহামারীর কারণ ছিল ইঁদুর।

প্রাচীনকালে এমনিভাবে নানা সভ্যতা বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার মতো বুঝি আধুনিক যুগেও আমাদের সভ্যতার বিলুপ্তি হবে! সেদিন কি আর দেরিও নেই! আমাদের খাদ্য-ব্যবসায়ীরা যেভাবে কোমর বেঁধে লেগেছেন জাতিকে ধ্বংসের ‘সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা’ হাতে নিয়ে, তাতে নিরাশাবাদী হবারই কথা। মনে হওয়াই স্বাভাবিক যে, বাঙালি জাতিও ডাইনোসরের মতো বিলুপ্ত প্রজাতিতে পরিণত হবার জন্য প্রহর গুণছে মাত্র।

 

বাংলাদেশে আয়োডিনজনিত রোগের ঘটনা মাত্রাতিরিক্তভাবে বেড়ে গেছে

 

নিজে পুষ্টিবিদ হলেও কখনও এ বিষয়ে লিখি না। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে আমার উচিত কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলা। আমার বন্ধুরা এ নিয়ে অনেক পীড়াপিড়ি, অনুযোগ ইত্যাদি করেন। আমার কাজ হচ্ছে ক্রনিক ডিজিজ (দীর্ঘমেয়াদী রোগ) নিয়ে। গত কয়েক বছর ধরে লক্ষ্য করছি যে, বাংলাদেশে আয়োডিনজনিত রোগের ঘটনা মাত্রাতিরিক্তভাবে বেড়ে গেছে। আমার খুব সন্দেহ হল (এটা আসলে বহু বছর সাংবাদিকতা করার ফল)।

তাই বাংলাদেশ থেকে সব রকমের লবণ কেনালাম। এর কিছু ইংল্যান্ডে আনালাম আর কিছু বাংলাদেশে রেখেই পরীক্ষা করানোর উদ্যোগ নিলাম। যা ভেবেছিলাম তাই। কোনো একটি ব্র্যান্ডের লবণেও আয়োডিন নেই, যদিও প্যাকেটের গায়ে লেখা আছে ‘আয়োডিনযুক্ত’ শব্দবন্ধ।

প্রতিটি ব্র্যান্ডের শুধু একটি করে প্যাকেট পরীক্ষা করে আসলে এ সিদ্ধান্তে কখনও-ই ‍উপনীত হওয়া যায় না যে, বাংলাদেশের কোনো লবণেই আয়োডিন নেই, তাই এ নিবন্ধে ব্র্যান্ডগুলোর নাম উহ্য রাখলাম। কিন্তু এটি অবশ্যই উদ্বেগজনক একটি বিষয়। আরও ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে এ বিষয়ে নিশ্চিত হবার উদ্যোগ নিতে পারেন বাংলাদেশের পুষ্টিবিদ ও গবেষকরা।

সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল, এক প্যাকেট লবণে আয়োডিন যুক্ত করতে খরচ হয় মাত্র ২৫ পয়সা। এই ২৫ পয়সা বাঁচানোর লোভে একটি জাতিকে কীভাবে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন কিছু ব্যবসায়ী, তা বলছি এখন।

আয়োডিন নামক খনিজ লবণটি বিলুপ্ত এক সভ্যতার মতো নিজেই এখন জাদুঘরে ঠাঁই নিয়েছে

আয়োডিনকে বলা হয় ‘ট্রেস মিনারেল’। একজন পরিণত বয়সের মানুষের দিনে ১৫০ মাইক্রোগ্রাম আয়োডিনের প্রয়োজন। তার মানে হল, এটি আমাদের শরীরে খুব সামান্য পরিমাণে দরকার হয় (আমার দ্বিমত আছে; কেন তা পরে বলছি)। সারা পৃথিবীতে দুই বিলিয়ন মানুষ, অর্থাৎ পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশই আয়োডিনের অভাবে ভুগছেন। খোদ আমেরিকাতেই শতকরা ৭২ শতাংশ মানুষ আয়োডিন ঘাটতিতে আছেন। ইংল্যান্ডে এ হার ৫০ শতাংশ। বাংলাদেশে কত কোটি মানুষ আয়োডিনের অভাবে ভুগছেন তার কোনো পরিসংখ্যান রয়েছে কিনা আমার জানা নেই।

প্রশ্ন হল, পৃথিবীজুড়ে এত বিশাল সংখ্যক মানুষ কেন আয়োডিনের অভাবে জর্জরিত। উত্তরটি হল, আয়োডিন নামক খনিজ লবণটি বিলুপ্ত এক সভ্যতার মতো নিজেই এখন জাদুঘরে ঠাঁই নিয়েছে। আয়োডিনের একমাত্র উৎস হল মাটি ও সমুদ্র। প্রাকৃতিক বিপর্যয়, মাটিতে মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক পদার্থ ইত্যাদি কারণে মাটি থেকে আয়োডিন বিতাড়িত। আর সমুদ্রে আয়োডিন থাকলেও এর পানিতে রয়েছে পারদ ও আর্সেনিকের মতো ভয়াবহ সব উপাদান।

আয়োডিন পাওয়ার সহজ উপায় হল সামুদ্রিক শৈবাল, সী কেল্প, সামুদ্রিক মাছ, চিংড়ি জাতীয় মাছ, দুধ, ডিম, আলু। কিন্তু যেহেতু মাটিতে আয়োডিন নেই, তাই প্রাণিজ এবং উদ্ভিজ খাবার থেকে আয়োডিন পাবার সম্ভাবনা খুব কম।

এই কারণেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আদেশে সারা পৃথিবীতে ১২০ টি দেশে খাবারের সঙ্গে লবণ যোগ করা হয়, বাংলাদেশ যার অন্যতম। বাংলাদেশে ১৯৮৯ সাল থেকে খাবারের লবণের সঙ্গে আয়োডিন যোগ করার কাজটি শুরু হয়। খাবারে কৃত্রিমভাবে আয়োডিন যুক্ত করা না হলে আয়োডিন পাবার আর কোনো উপায় বাংলাদেশে নেই।

এবার আসা যাক এই বিলুপ্তপ্রায় আয়োডিন আমাদের শরীরের জন্য কতটা প্রয়োজনীয় সে প্রসঙ্গে। আমেরিকার এক বিজ্ঞানী কয়েকজন গর্ভবতী মহিলাকে অতিরিক্ত পরিমাণে আয়োডিন খেতে দিয়েছিলেন। তাদের গর্ভের শিশুদের জন্মের এক বছরের মাথায় দেখা গেল, তাদের আই কিউ সাধারণ শিশুদের তুলনায় পাঁচগুণ বেশি। এর কারণ হল গর্ভস্থ শিশুর বুদ্ধি বিকাশে আয়োডিনের ভূমিকা অনন্য। আয়োডিনের অভাবে শিশু হাবাগোবা বা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী হতে পারে। তাছাড়া আয়োডিনের অভাবে শিশুর শারীরিক বিকাশ সুসম্পন্ন হয় না এবং শিশু শারীরিকভাবে খর্বাকৃতিও হতে পারে।

এজন্যই গর্ভবতী হবার পরিকল্পনা করা নারীদের উচিত হবে শরীরে আয়োডিন ঘাটতি থাকলে তা দূর করা। গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস বেশি করে আয়োডিনযুক্ত খাবার খেতে হয়। কারণ গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তনের কারণে ৭০ শতাংশ আয়োডিন শরীর থেকে নিঃসৃত হয়ে যায়। মায়ের শরীরে আয়োডিনের অভাব হলে গর্ভপাত ও স্টিল বার্থের (গর্ভাবস্থায় শিশুর মৃত্যু) আশঙ্কা বাড়ে। বর্তমানে শিশুদের অটিজম এবং অ্যাটেনসন ডেফিসিট, হাইপার অ্যাকটিভ বিহেভিয়ার এবং লার্নিং ডিসঅ্যাবিলিটির কারণ হিসেবে আয়োডিনের ঘাটতিকে দায়ী করা হচ্ছে।

 

সমুদ্রে আয়োডিন থাকলেও এর পানিতে রয়েছে পারদ ও আর্সেনিকের মতো ভয়াবহ সব উপাদান

 

ইদানিং খুব শোনা যায় থাইরয়েডের সমস্যার কথা। থাইরয়েড হল এমন একটি রোগ, ডায়াবেটিসের মতো যেটি একবার হলে সারাজীবন এর হাত থেকে মুক্তি নেই। আমাদের মেটাবলিজম এবং শরীরের কাজ করার ক্ষমতা নির্ভর করে থাইরয়েড হরমোনের ওপর। আর আয়োডিন ছাড়া থাইরয়েড হরমোন তৈরি হয় না।

যদি হাইপো-থাইরয়েড একবার হয়, তাহলে হরমোন সাপ্লিমেন্ট নিতে হবে ঔষধের মাধ্যমে। এ সময় মেটাবলিজমের পরিমাণ খুব কম হয় বলে দ্রুত ওজন বেড়ে যায়। বাংলাদেশে কিছু ডাক্তারের মাঝে প্রবণতা দেখেছি যে, হাইপো-থাইরয়েডের রোগীকে প্রথমেই ১০০ মিলিগ্রাম ঔষধ খেতে দেন। এটি রোগীর জন্য খুব ক্ষতিকর।

প্রথমত, রোগীর শরীর এক ধাক্কায় এত বিশাল পরিমাণ হরমোনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারে না। দ্বিতীয় কারণটি আরও ভয়াবহ। গবেষণায় দেখা গেছে যে, মাত্রাতিরিক্ত ডোজের কারণে হাইপো-থাইরয়েড রূপান্তরিত হয় হাইপার-থাইরয়েডে। অর্থাৎ প্রয়োজনের অতিরিক্ত থাইরয়েড হরমোন তৈরি করতে শুরু করে।

বাংলাদেশে কয়েকজন গাইনি ডাক্তারকে দেখেছি যারা থাইরয়েডের রোগী গর্ভবতী মাকে গর্ভধারণের পরপরই থাইরয়েডের ঔষধ বন্ধ করতে পরামর্শ দিয়েছেন। অথচ এই সময় মা ও গর্ভস্থ শিশু দুজনেরই বেশি পরিমাণে হরমোন গ্রহণ প্রয়োজন। নয়তো শিশুটি জন্ম নেবে থাইরয়েডের রোগী হিসেবে।

এবার আসা যাক ক্যান্সারের কথায়। আয়োডিনের কাজ হল শরীরে ক্যান্সার সেল কন্ট্রোল করা। ব্রেস্ট ক্যন্সার, ওভারিয়ান ক্যান্সার, পেটের ক্যান্সার এবং পুরুষের প্রোস্টেট ক্যান্সারের জন্য আয়োডিন ঘাটতিকে দায়ী করা হচ্ছে। এছাড়া মহিলাদের ব্রেস্ট এবং ওভারিতে সিস্ট ও ফাইব্রয়েডের কারণও হল আয়োডিন ঘাটতি।

শরীরে থাইরয়েড হরমোনের অভাব হলে কোষ্ঠকাঠিন্য হয়। এর ফলে শরীরে বিষাক্ত পদার্থ জমতে থাকে এবং লিভারের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। লিভারের কাজ হল ইস্ট্রোজেন প্রসেস করা। লিভার সে ক্ষমতা হারায় বলে শরীরে ইস্ট্রোজেনের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং ক্যান্সার ও সিস্ট তৈরি করে। ড. জেফরি অতিরিক্ত আয়োডিন যোগ করে ব্রেস্ট এবং পেটের ফাইব্রয়েড ভালো করেছেন।

শরীরে থাইরয়েড এবং আয়োডিনের অভাব হলে হাতে-পায়ে প্রচুর ব্যথা হয়। কেননা আয়োডিনের অভাবে ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়াম রক্ত থেকে চামড়ায় যেতে বিঘ্ন ঘটে। ফলে হাড়ের ওপর এর বিরূপ প্রভাব পড়ে। এছাড়া যাদের গলব্লাডারের সমস্যা আছে তাদের শরীরেও আয়োডিনের ঘাটতি দেখা দেয়। যাদের পায়ে ব্যথা, অলস লাগে, ঘন ঘন সর্দি বা ইনফেকশন হচ্ছে, চিন্তা করতে সময় লাগে অনেক, প্রচুর পরিমাণে চুল পড়ছে, গলগণ্ড দেখা দিয়েছে, তারা দয়া করে থাইরয়েড চেক করিয়ে নেন।

এছাড়া টুথপেস্ট থেকে যে ফ্লোরাইড এবং এয়ার কুলারের পানি থেকে যে ক্লোরিন পাওয়া যায় তা আয়োডিন ব্লক করে দেয়। ফলে আয়োডিন শরীরে শোষিত হয় না। আয়োডিন এমন একটি মিনারেল যার অভাবে সারা শরীরের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে প্রভাব পড়ে। শরীরে আয়োডিন ও থাইরয়েডের ঘাটতি আছে কিনা তা জানার জন্য TSH, T3 ,T4 এর মাত্রা পরীক্ষা করা হয়। আবার প্রস্রাবেও আয়োডিনের মাত্রা পরীক্ষা করা যায়।

এত প্রয়োজনীয় যে আয়োডিন তা যদি পাওয়া না যায় তাহলে একজন ব্যক্তি, তার পরিবার এবং গোটা জাতির ওপর কী প্রভাব পড়তে পারে তা ভাবলেও শিউরে উঠতে হয়। আরও অনেক পুষ্টিবিদের মতো আমার কথা হল, এত প্রয়োজনীয় একটি উপাদান ট্রেস উপাদান হতেই পারে না। প্রতিদিন কমপক্ষে এক থেকে তিন মিলিগ্রাম আয়োডিন প্রয়োজন শরীরের সবগুলো কাজ ঠিকমতো করার জন্য।

 

থাইরয়েড হল এমন একটি রোগ, ডায়াবেটিসের মতো যেটি একবার হলে সারাজীবন এর হাত থেকে মুক্তি নেই

 

শুধুমাত্র আয়োডিনের অভাব হলেই লিভার ও কিডনির ওপর অনেক বেশি চাপ পড়ে। লিভার ও কিডনি হল শরীরের ছাকনি, এ দুটো সমস্ত বিষাক্ত পদার্থ শরীর থেকে বের করে দেয়। আর লিভার সমস্ত উপাদানগুলোকে প্রক্রিয়াজত করে এবং ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় করে রাখে।

শরীরে বিষাক্ত পদার্থের পরিমাণ যত বাড়বে লিভারের কাজ তত বেড়ে যাবে, ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়বে, কিডনি ও লিভার ড্যামেজের শঙ্কা বাড়বে। অতিরিক্ত চাপ পড়ে গেলে লিভার তার ফাংশন বন্ধ করে দেয় বা কাজ করতে অস্বীকৃতি জানায়। আর তখনই ঘটে দুর্ঘটনা।

তাহলে আয়োডিন পাবার সহজ উপায় কী হতে পারে? সহজ উত্তর হল, সাপ্লিমেন্ট নিতে হবে। কেননা যে পরিমাণ আয়োডিন শরীরে প্রয়োজন তা পূরণ করতে হলে দিনে কমপক্ষে ছয়টি ডিম খেতে হবে। বাংলাদেশে ডিমে আয়োডিন না থাকারই কথা। তিন চামচ সী কেল্পও খাওয়া যেতে পরে। সামুদ্রিক এই শৈবালটি বাংলাদেশে পাওয়া যায় না।

তাই বাংলাদেশ সরকার, সায়েন্স ল্যাবরেটরি এবং ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলোর কাছে আবেদন করছি, তিন মিলিগ্রাম আয়োডিন বা আয়োডাইড-সম্পন্ন সাপ্লিমেন্ট অতি দ্রুত বাজারে ছাড়ার জন্য। আর লবণ কোম্পানিগুলোর কাছে আবেদন হল, দয়া করে লবণে আয়োডিন যোগ করুন। একটি জাতিকে বুদ্ধিহীন নির্জীব করে মেরে ফেলার অধিকার আপনাদের নেই।

যদিও খাবারের লবণে আয়োডিন যুক্ত করার ধারণাটির সঙ্গে আমি একমত নই। তার প্রধান কারণ হল লবনের সোডিয়াম ৬ মিলিগ্রামের বেশি হলে তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর যা এক চামচ লবণ থেকেই পাওয়া যায়। কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমাণ আয়োডিন পেতে হলে কয়েক চা চামচ আয়োডিনযুক্ত লবণ খেতে হবে।

একজন পুষ্টিবিদ হিসেবে আমার জন্য খুব কঠিন হয়ে পড়ে মানুষকে লবণ খেতে বলা। আর তাছাড়া রান্না করার সময়ও লবণের আয়োডিন উড়ে চলে যায়। লবণ যদি খোলা জায়গায় রেখে দেওয়া হয় তাহলেও আয়োডিন হারিয়ে যেতে পারে। কিন্তু সরকার বা খাদ্য কোম্পানিগুলো যদি পাউরুটি, দই বা চালে আয়োডিন যোগ করে, তাহলে মানুষ খুব সহজেই আয়োডিন পেতে পারে।

সবার আগে সরকারকে মনিটরিং সেল গঠন করে খাবারে আয়োডিন যোগ করা নিশ্চিত করতে হবে। নয়তো মহামারীর খড়গ নিয়ে বাঙালি জাতির ধ্বংস রোখার ক্ষমতা আর কারও থাকবে না। তাই স্বাস্থ্য ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে আবেদন করছি যেন বিশেষ একটি কমিটি গঠন করে খাবারের লবণে আয়োডিন যোগ নিশ্চিত করা হয়। আপনারা চিংড়ি, গলদা চিংড়ি, লইট্টা মাছ খাওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দেন। হোমিওপ্যাথি দোকানে গিয়ে খোঁজ করে দেখতে পারেন।

তবে খোলা আয়োডিন খাওয়ার পরামর্শ দানও যুক্তিযুক্ত নয়, এটা শরীরের জন্য অনুপযোগী। খাবার ছাড়াও চামড়ার মাধ্যমে আয়োডিন গ্রহণ করা সম্ভব। কিন্তু বাংলাদেশে আয়োডিনযুক্ত ক্রিম বা লোশন পাওয়া যায় কিনা আমার জানা নেই। যদি পাওয়া না যায় তাহলে আয়োডিন ঘাটতি পূরণ করতে বাণিজ্যিকভাবে এর উৎপাদনও শুরু করা যেতে পারে।

 

পাউরুটি, দই বা চালে আয়োডিন যোগ করা হলে মানুষ খুব সহজেই আয়োডিন পেতে পারে

 

গত বছর আমার সাংবাদিক বন্ধু নাজনীনের পাঁচ বছরের মেয়ে চন্দ্রমুখী লিভারের রোগে মারা গেছে। নাজনীন আমাকে চন্দ্রর রিপোর্ট পাঠিয়েছিলেন। তার রিপোর্টটি পড়ে আমি আঁতকে উঠেছিলাম। আমি জানতাম আর একটি অ্যাটাকও ওই পাঁচ বছরের শিশুটি নিতে পারবে না। হয়েছেও তাই। নাজনীনকে সাবধান করেছিলাম। কিন্তু তিনিই-বা কী করতে পারতেন!

এ দেশে খাবারের মাধ্যমে প্রতিমুহূর্তে বিষ খাওয়ানো হচ্ছে শিশুকে, গর্ভবতী মহিলাকে। খাবার না খেয়ে আমরা ফরমালিন, আর্সেনিক, ক্রোমিয়ামের মতো বিষ খাচ্ছি প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে। চন্দ্রমুখীর বাবা-মায়েদের তাই এ ব্যবস্থার কাছে জিম্মি হয়ে সন্তান হারানোর ভয়াবহ যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকতে হয়।

ইদানিং দেখছি রোগী ভালো না হলে মানুষ ডাক্তারদের উপর চড়াও হচ্ছেন। কিন্তু একটু ভাবুন তো আসলে কার উপর প্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রয়োজন? ক্যান্সার, স্ট্রোক বা ব্রেইন টিউমার হবার কারণগুলো আগে রুখুন। আর কতদিন বিষ খাবেন বা আপনাদের সন্তানের মুখে তুলে দেবেন? খাবার থেকে ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ দূর করার জন্য আন্দোলন করতে হবে। তাহলেই যদি কিছু রক্ষা হয়।

আমাদের অসাধু ব্যবসায়ীদের জন্য কিছু শিক্ষামূলক কোর্স চালু করা প্রয়োজন, যেন তারা এসব বিষাক্ত উপাদানের ক্ষতিকারক দিকগুলো সম্পর্কে জানতে পারেন। প্রত্যেক মানুষ যেন খাবার সম্পর্কে সচেতন হোন। খাবারে আয়োডিন যোগ করুন। এত তাড়াতাড়ি প্রত্নতাত্ত্বিক সভ্যতায় পরিণত হবার হাত থেকে নিজেকে ও পরিবারকে বাঁচান। সুস্থ থাকুন, সুস্থ জাতি গড়ে তুলুন।

শাহমিকা আগুনলেখক, সাংবাদিক ও পুষ্টিবিদ

৭২ Responses -- “জাতিকে ধ্বংস করার সহজ উপায় আর কী হতে পারে”

  1. ASM Hasanuzzaman

    An extraordinary fact finding witting. We the people of this land virtually uneducated, lacked the knowledge to live healthy. Requesting the writer to continue her endeavour to educate this nation. Thanks for writing.

    Reply
  2. Enamul Khair

    It’s scary news for us, today morning I tasted two types of salt in my house and I was scared no iodine in those brand. We everybody know iodine taste is very easy. We need only piece of lemon and pressuring into above the salt. If your salt colors changed into purple color then you sure your salt is iodized or color is as same as salt color then it has no iodine. Whatever it is I was shocked to watch this result.

    Reply
  3. মোহাম্মদ আব্দুস সালাম

    অনেক তথ্য সমৃদ্ধ লেখা,সরকার চলমান সময়ে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত।

    Reply
    • জুয়েল

      আপনি যেভাবে লবন পরীক্ষা করেছেন, সেভাবে যে খাবারগুলোর কথা (ডিম, চীংড়ি ইত্যাদি) বলেছেন তা একটু পরীক্ষা করে জাতিকে আর একটু উপকৃত করবেন কি ?

      Reply
  4. mayeen ahmed

    অনেক কিছু জানতে পারলাম। আয়োডিন এতো গুরুত্ব পূর্ণ উপাদান তা জানা ছিলনা। এমন সাবলীল লেখা আগে পাইনি। ধন্যবাদ আপনাকে।
    ঠিকই বলেছেন সবার আগে আমাদের সচেতনটা দরকার আর তার সাথে খাবার থেকে ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ দূর করার জন্য আন্দোলন করতে হবে।

    Reply
  5. Md. Alamgir kabir

    “গত কয়েক বছর ধরে লক্ষ্য করছি যে, বাংলাদেশে আয়োডিনজনিত রোগের ঘটনা মাত্রাতিরিক্তভাবে বেড়ে গেছে।”

    Please justify this sentence with proper reference.

    Reply
  6. Md. Giljer Ahmmed

    If that then what about 50 to 60 MT KIO3 used by industries in each year???
    Only ACI is consuming average 8-10 MT of KIO3 to produce iodized salt in a year, which ensuing 100000 MT of properly iodized salt in every year.
    Moreover we have more than 10 large scale salt industries in Bangladesh who are supplying properly iodized salt in market, which covering 40-50% of salt demand by the country. Also we have many medium and small scale salt industries which are maintaining iodine level properly.
    I believe some dishonest producers are mixing less or no iodine, some fake branded salt is available in the market which may not contain iodine but, he didn’t find iodine in any salt sample!!!!! How funny, NMS-2011 (national micronutrient status) survey have shown that 58% salt from household is properly iodized and 81%salt sample contains minimum level of iodine (more than 5 ppm).
    Again my information to the writer, please be informed that regular production level monitoring is done by BSCIC under the Ministry of Industries.

    I will suggest please use packet salt, and if possible consume branded iodized salt.

    Reply
  7. Mominul Islam

    Outstanding piece of writing. Goto bosor government folmuler formalin karbaid check korar jonno machine analo, enquiery cell korlo seta bodhoy sarthok hoyese karon ebar formalin/karbaid mukto folmul amra khassi mone hoy, karon ebar aar ager moto esob kotha sona jasse na…

    Reply
  8. গোলাম রব্বানী

    চমৎকার একটা বিষয় তুলে ধরেছেন। এখন কথা হলো যারা জেগে ঘুমায় তাদেরকে জাগাবেন কিভাবে। বর্তমানে আমাদের দেশে জাগ্রত বিবেকের বড়ই অভাব। আমাদের দেশেরে ব্যবসায়ী বলেন রাজনীতিক বলেন মুনাফা ছাড়া আর কিছুই বুঝেনা।

    Reply
  9. Mahmudul Hasan Sabuz

    আগামী এক দশকের মধ্যে আমাদের দেশে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসাবে দেখা দিবে
    ১ঃ সুপেয় পানি,
    ২ঃ বিষ মুক্ত খাবার,
    ৩ঃ মশা

    Reply
  10. Md. Shihab Uddin

    Bangladesh govt. ai sob dike nojor deoyar time ni. tara to busy ase churi chamari korte. upor theke ai sob osadhu businessman der upor pressure create korle ora baddho hobe ayodin add korte.

    Reply
  11. Md. Abbas Uddin

    এটা দেখভালের জন্য সরকারের একটা দপ্তর আছে তারা কি করে?

    Reply
  12. সজল আহমেদ

    অতীব গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা! ধন্যবাদ দিলে কম হয়ে যায়।

    Reply
  13. রিফানুল বান্না

    সত্যিই এমনটা হয়ে থাকলে তা অবশ্যই শাস্তিযোগ্য অপরাধ আপনি তথ্য প্রমাণ সহ মামলা করুন (করা উচিৎ) যদি আপনি নিশ্চিত হয়ে থাকেন।

    Reply
  14. bdspice

    দুঃখজনক বিষয় যে এতগুলো প্রয়োজনীয় মন্তবে লেখিকার কোন সাড়া নেই।

    Reply
  15. Zaqir Hossan

    এক দলা ভাত চটকে সেই ভাতের সাথে অর্ধেকটা পরিমান লেবুর রস মিশান। সেই মিশ্রনের উপর লবন দিলে সেই লবন যদি বেগুনী রঙ ধারন করে তবে বুঝবেন সেই লবনে আয়োডিন মিশ্রিত আছে।

    আমি আমার বাসায় থাকা মোল্লার লবনে, আর দোকান থেকে পরীক্ষার উদ্যেশ্যে আনা এসিআই লবনে আয়োডিনের অস্তিত্ব পেলাম।

    লেখিকার দাবী মতন লবনে আয়োডিন মিশ্রিত না থাকলে প্রচুর স্বাস্থ্যগত সমস্যা নিয়ে মানুষের দেখা পাওয়ার কথা। দেশে গলগন্ড বা ঘ্যাগ রোগী বলতে গেলে বিলুপ্তপ্রায়। বামুন শিশুও কম জন্মায়। এগুলো বিগত সরকারগুলোর আয়োডিন নিয়ে সাবধানতারই প্রমান।

    লেখিকা লবন ছাড়া অন্যান্য খাবারের সাথে আয়োডিন মেশানোর কথা বলেছেন কিন্তু অনেক গবেষনায় লবনকেই বেছে নেয়া হয়েছিলো কারন লবন খাওয়ার আগে ধোয়া হয়না আর সব জিনিসের সাথেই লবন খাওয়া হয়। শহুরে জীবনে লবন বাড়তি সমস্যা হলেও পরিশ্রমি মানুষের কাছে এখনও লবন পানির মতনই মূল্যবান।

    লেখিকা কিছু অতিরঞ্জন করেছেন। চালে আয়োডিন মিশালে সেই চাল ধোয়া হলে আয়োডিনও ধুয়ে যাবে। অন্য খাদ্য উপাদানেও তাই। উনি বিষেশজ্ঞ হয়েও এরকম বিষয়ে জানেন না তা মানা যায় না।

    উনি গনহারে যেরকম সব লবন সম্পর্কে অভিযোগ করলেন সেটিও সঠিক নয় মোটেই।

    Reply
    • S A Rana

      আমি আজকে বাসায় এসি আই লবন লেবু দিয়ে পরীক্ষা করলাম। লবন এর কালার পরিবর্তন হয়নি। অল্প একটু হয়েছে যা চোখে পরার মতন না, তাই আমি কোন বিদেশি লবন খুজছি।

      Reply
  16. ইলিয়াস অাহমেদ

    ধর্মীয় নীতি নৈতিকতাবোধকে অার ক্ষীণদৃষ্টিতে দেখা যাবে না । বড় দাগে গুরুত্ব দিতে হবে । অসাধুতা কি শিক্ষামূলক কোর্সে সারিয়ে যাবে? যেভাবে অন্যায়-নীতিবিরোধী, স্বার্থপরতা-অাত্মকেন্দ্রিকতা বাড়ছে কবে যে কী হয়ে যায় !

    Reply
  17. মামুনুর রশীদ মামুন, দরবস্ত, জৈন্তাপুর, সিলেট।

    ধন্যবাদ লেখিকাকে, এরকম গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়ে তথ্যবহুল লেখানির জন্য …, আচ্ছা আমরা তাহলে কিভাবে সহজে আয়োডিন পেতে পারি? বাংলাদেশে কি ফার্মেসীতে আয়োডিন পাওয়া যায়? খোলা আয়োডিন কি নেয়া যায়? সবচেয়ে ভালো হয় সত্যিকার অর্থে আয়োডিনযুক্ত কোন লবণ বা খাবার যা বাজারে পাওয়া যায় তার নাম বলে দিলে।

    Reply
  18. মামুনুর রশীদ মামুন, দরবস্ত, জৈন্তাপুর, সিলেট।

    আয়োডিনের অভাবে যে এতগুলো ভয়ঙ্কর রোগ হতে পারে আগে জানা ছিল না। ধন্যবাদ লেখককে, এত গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়ে এরকম একটি তথ্যবহুল লেখানির জন্য …, আচ্ছা আমরা তাহলে কিভাবে সহজে আয়োডিন পেতে পারি? বাংলাদেশে কি ফার্মেসীতে আয়োডিন পাওয়া যায়? খোলা আয়োডিন কি নেয়া যায়? সবচেয়ে ভালো হয় সত্যিকার অর্থে আয়োডিনযুক্ত কোন লবণ বা খাবার যা বাজারে পাওয়া যায় তার নাম বলে দিলে।

    Reply
  19. Syed Rubel

    অনেক সুন্দর একটি তথ্য জ্ঞানের আর্টিকেল। লেখককে ধন্যবাদ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য।

    Reply
  20. Nazmul Ahsan

    আপনি আমাকে ব্র্যান্ড এর নামগুলো দিন, আমি এদের নামে মামলা করে দিই। তারপর দেখি আয়োডিন ছাড়া কতদিন ব্যবসা করতে পারে।

    Reply
  21. শাহ্ আলম

    মোটা দাগে একটা তথ্যবহুল লেখা। এমন একটা গুরুতর সমস্যা বিষয়ে আলোকপত করে ভালো করেছেন। কিন্তু, লেখক নিজেই কবুল করেছেন যে, আয়োডিনের সমস্যাটি কেবলমাত্র বাংলাদেশের নয় বরং বৈশ্বিক। তাাই, যদি হয়, তবে কেবল বাংগালী জাতি ( তা আবার ভারতের বাংগালীিরাও) ধ্বংস হবে? বাংলাদেশের অসাধু ব্যবসায়ীদের সাধু বানানোর জন্য পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু, বাঘ কি মাংস খাওয়া ছাড়তে পার? তাছাড়া, বাংলাদেশের সরকার ও ব্যবসায়ীরা প্রদত্ত শুপারিশ কার্য করী করলে ভারতের বাংগালীিরা ধ্বংসের কবল হতে রেহাই পাবে কি করে? এছাড়া, ব্যবসা মাত্রই অসাধু নয়? পুঁজি হচ্ছে অপরিশোধিত শ্রম তাই, পুঁজি হচ্ছে শোষণের ফল। তাই, পুঁজিপতি মাত্রই শোষক। আর শোষক মানেই অসাধু। সমগ্র দুনিয়ার কৃষি ও খাদ্যে বিনিয়োজিত পুঁজিপতিরা যদি লেখকের কথিত সাধু না হয় তবে কি বাংলাদেশের কৃষি ও খাদ্য আয়োডিন যুক্ত হবে? বাংলাদেশের কৃষিতে ব্যবহৃত বীজ, সার, কীট নাশক ইত্যাদি কি কেবলই বাংলাদেশে উৎপাদিত? খোদ আমেরিকায় ২৭ মিলিয়ন হাইপোথাইওরাডিজেমর রোগী আছে- যে রোগ দৃশ্যত তেমন কোনো ক্ষতিকর নয়, তবে লেখক ঠিক ভাবেই উল্লেখ করেছেন যে, এটি একটি ভয়াবহ রোগ। অথচ, এই রোগের চিকিৎসকও বাংলাদেশে কম। যারা আছেন তারা কেবল ডয়াবেটিক ডাইটের একটা তালিকা রোগীর হাতে ধরিয়ে দিয়ে দায়িত্ব শেষ করেণ, কিন্তু এই রোগের রোগী কি কি সব্জি খেতে পারবেন আর কি কি খেতে পারবেন না, তার বিবরণ লিখে দিতে শুনিনি। এক্ষে্ত্রে চিকিৎসা ব্যবস্থা খুবই দুর্বল। এমনকি, প্রদত্ত ঔষধে সাইড এফেক্ট হলে কি ধরণের ব্যবস্থা নিতে হবে বা থাইওরাইড হরমোন বৃদ্ধির জন্য আর কি ঔষধ রোগী খেতে পারেন, তাও নির্ণয় করতে দেখিনি, একান্ত ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায়। শেষত, শোষণ যুক্ত পুঁজিতন্ত্রী ব্যবস্থার বিলোপ সাধন করে একটি নতুন তথা পুঁজিমুক্ত, শোষণ মুক্ত সমাজ কায়েম না হলে এই সমস্যা সহ বিদ্যমান আরো অনেক সমস্যার সমাধান হবে না। উল্লেখ্য, শোষণহীন সমাজ কৃষি খাদ্য হতে মুক্ত হবে। মানব দেহের জ্বালানী সমস্যা রাসায়নিকভাবে সমাধান করবে।

    Reply
  22. আমিনুর রহমান

    লবন থেকে যদি আয়োডিন চলে যায় ,তাহলে চাল থেকে কেন উড়ে যাবেনা । লবন থেকে চাল বেশি খোলা থাকে ।

    Reply
    • Zaqir Hossan

      চাল রান্নার আগে ধোয়াও হয়। লবন ধোয়া হয়না আর প্রায় সব খাবারের সাথেই খাওয়া যায়। লবনকে অনেক ভেবে চিন্তেই বেছে নেয়া হয়েছিলো। লেখিকার এটি না জানার কথাও নয়।

      Reply
  23. সুলতাস উল আলম

    অনেক তথ্য সমৃদ্ব লেখা। অসংখ্য ধন্যবাধ।

    Reply
  24. হারুন

    আমরা যতক্ষন কোরআন ও হাদীসের নৈতিকতা কে মানদন্ড হিসাবে গ্রহণ না করবো ততোক্ষন আমাদের দ্বারা মানুষ তথা পৃথিবীর জন্য মঙ্গলজনক কিছু করা সম্ভব হবেনা। কারন গাছের গোড়া কেটে আগায় যত পানি দেইনা কেন তা উদ্দেশ্য কে বাচাতে পারে না। এখন যে কথা বলার জন্য এই ভুমিকা সে কথা বলি- পৃথিবীতে খৃস্টানরা খৃস্টান, ইহুদীরা ইহুদী, হিন্দুরা হিন্দু, বৌদ্ধরা বৌদ্ধ। তারা তাদের ধর্মীয় নেতাদের আদর্শ ও নীতি কথার যে টুকু অবশিস্ট আছে তাই মেনে তাদের নিজেদের সমাজ কে পরিবার কে একটা স্থিতিশীল ও অর্থনৈতিক ভাবে উন্নত অবস্থা ব্যাবস্থা উপহার দিয়েছে। এবার মুসলমানদের দিকে তাকান সৌদিরা মুসলমান তাদের ঘরের ভিতরে এক রুপ বাহিরে আর এক রুপ, ইরানিরা শিয়া, ইরাকিরা শিয়া ছুন্নি আল কায়দা, সিরিয়রা সিরিয় কুর্দি আইএস, আফগানরা তালেবান, পাকিস্থানিরা মূর্খ গাদ্দার বঙ্গালীরা ধর্ম নিরপেক্ষ আওয়ামী বিএনপি জামাত হেফাজত ইনু মিনু পীর পন্থী তাবলিগ কত ফেরকা। যেখানে তাদের জন্য দুটি মাত্র রশি। কি ভাবে তাদের লবনে আয়ওডিন থাকবে? আমি সমগ্র মসলিম দেশের জন্য একটি ফর্মূলা দিচ্ছি- শিয়া সুন্নি তালেবান আল কায়দা আইএস কুর্দি জামাতি তাবলিগী সব ভেদাভেদ ভুলে যান, প্রতিটি মুসলিম দেশ থেকে ভোটের মাধ্যমে তিন জন করে ইসলামী চিন্তাবিদ নির্বাচন করুন, তাদের কে ওআইসি তে পার্লামেন্ট দেন সেখানে তারা কোরআন হাদীসের আলোকে প্রতি বছর দুই তিনটি করে সার্বজনিন আইন তৈরী করুক যা প্রত্যেক মুলিম রাষ্ট্রে কে অভিন্ন ভাবে পালন করতে হবে। এভাবে মুসলমানদের মাঝে ফেরকা কমিয়ে এনে তাদেরকে পুনঃরায় এক জাতিতে পরিনত করতে পারলে আবারো তাদের মাধ্যমে মানব জাতি তথা পৃথিবীর কল্যাণ করা সম্ভব।

    Reply
    • Shahnaz Ferdous

      সুন্দর একটি লেখায় এই ওয়াজ মাহফিল না করলেও চলত। হাজার বছর আগের নীতি নৈতিকতা আধুনিক মানুষের উপর চাপাতে চাওয়াটা অসুস্থতা।

      Reply
  25. হারুন

    প্রথমে লেখক কে ধন্যবাদ। এক দুধ বিক্রেতা রাতের আধারে দুধে পানি মিশাচ্ছেন আর তার কিশরী মেয়ে নিষেধ করছেন এই বলে যে, আল্লাহ তোমার কর্ম দেখছেন। এই বিশ্বাস, মুল্যবোধ, শিক্ষা, নৈতিকতা বোধ থেকে আমরা যত দুরে যাব! আমাদের জীবন, জীবনের গ্যারান্টি ততো বিপদ সংকুল ও ———————!

    Reply
  26. ROKON

    ধন্যবাদ ম্যাডাম। প্রশংসা করছি লেখাটির।

    আমরা বেঁচে আছি, কারণ আল্লাহ মহান।

    Reply
  27. ROKON

    আউটস্ট্যান্ডিং! আশা করি, সরকারি কর্তারা এ ব্যাপারে গভীর মনোযোগ দেবেন।

    Reply
  28. boss

    লবণওয়ালা তো তবু ভালো যে আয়োডিন দেয়নি, দুধওয়ালা, ফলওয়ালা যে ফরমালিন মেশায়! ওটা তো বিষ, খেয়ে আরও তাড়াতাড়ি মরব।

    😀

    খা বাঙালি খা… খাইতে খাইতে মর… জন্মই তোর মৃত্যুর জন্য…

    😀

    Reply
  29. মহসিন

    আমি ভাবছি যদি এ উপাদানটি সহযোগে খাবার সরবরাহে রাখাও যায়, তথাপি মানুষের চাহিদা অনুপাতে তা সম্ভব কি-না ?

    Reply
  30. Nobel

    এসবের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে শুরু করুন। হয়তো এটাই পথ অথবা আরও পথ রয়েছে, খুঁজে দেখতে হবে।

    নইলে আমাদের ভবিষ্যত খুব দ্রুত ধ্বংস হয়ে যাবে।

    Reply
  31. রেজাউল খান

    ভয়াবহ রকম চমৎকার লেখা। বিষয়টি ক্ষমতাসীন সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিরা জানেন। কিন্তু যেহেতু তাঁরা মুক্তবাজার থেকে মুক্তহস্তে দান-অনুদান গ্রহণ করছেন, সেহেতু বণিক সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়।

    অবশ্য তাঁদের অধিকাংশের খাদ্য-খাবার অতি উন্নতমানের। সন্তানেরা থাকে উন্নত দেশে। সামান্য অসুস্থ হলেই তাঁরা যান বিদেশে। সুতরাং তাঁদের জন্য এ্ই লেখার গুরুত্ব খুবই সামান্য।

    তবে সচেতন ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সংস্থা, প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে যদি প্রতিবাদ জানায়, রাস্তায় নেমে আন্দোলন করে, তাহলে হয়তো কিছুট প্রতিকার পাওয়া যাবে।

    Reply
  32. shahmika Agoon

    অনেক ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য। সচেতনতা তৈরি করতে চেষ্টা করুন। ওরা যাতে আমাদের প্রজন্মকে হত্যা করতে না পারে সে ব্যাপারে উদ্যোগ নিন। আমার ই-মেইল আইডি হল shahmika@gmail.com

    আজ আমিও আরও কিছু ব্রান্ড টেস্ট করলাম, কিন্তু আয়োডিন পেলাম না। যাদের কাছে আয়োডিন পরীক্ষার কিট নেই, তারা একটি সহজ উপায় বেছে নিতে পারেন।

    ১. একটা আলু স্লাইস করে কাটুন;

    ২. তাতে লবণ লাগান;

    ৩. ভালোভাবে মেশার জন্য দু-তিন মিনিট অপেক্ষা করুন;

    ৪. এবার তাতে লেবুর রস মেশান;

    ৫. যদি রঙ বদলে পার্পল (বেগুনাভ) হয়, তবে বুঝতে হবে যে লবণে আয়োডিন আছে;

    ৬. বেগুনাভ না হলে লবণে আয়োডিন নেই।

    Reply
    • Ahmed Abid

      শাহমিকা,
      আমার মা দীর্ঘদিন থাইরয়েড সমস্যায় ভুগছেন। আমি অসহায়ের মতো দেখছি তিনি ওষুধ খাচ্ছেন আর নানান টেস্ট করাচ্ছেন প্রতি মাসে। আমি কি আইনি সহায়তা পেতে পারি ?
      আবিদ

      Reply
  33. lablu

    সম্মানিত প্রধানমন্ত্রী,

    দয়া করে খাদ্যে বিষক্রিয়া সম্পর্কে কঠিন পদক্ষেপ নিন, জাতিকে রক্ষা করুন। নতুন প্রজন্মের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য এটা একটা বড় প্লাটফর্ম তৈরি করবে।

    জাতির পিতার মতো আপনারও কমান্ড দেবার ক্ষমতা থাকতে হবে। তাহলে এখন যেমন আপনি স্যালুট পাবেন, তেমনি ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছ থেকেও সম্মান পাবেন।

    Reply
  34. সাইদুল ইসলাম

    এ রকম বিষাক্ত খাবার থেকে পুরোপুরি রক্ষা না পাওয়া গেলেও কিছুটা রক্ষা পাওয়া যায়। ১ লিটার পানিতে ১ কাপ ভিনেগার মিশিয়ে ফরমালিনযুক্ত ফল বা রাসায়নিকযুক্ত ফল যদি ১৫-২০ মিনিট ডুবিয়ে রাখা যায় তাহলে ৮৫ শতাংশ ক্ষতিকর রাসায়নিক বা ফরমালিন থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

    Reply
  35. মনির

    আয়োডিনের অভাবে যে এতগুলো ভয়ঙ্কর রোগ হতে পারে আগে জানা ছিল না। ধন্যবাদ লেখককে, এত সুন্দর একটা পোস্ট দেবার জন্য …

    Reply
  36. Monir Sakrer

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কি অন্তত এই তিনটি সমস্যার সমাধানে কাজ করতে পারেন।

    বিষাক্ত খাদ্য, প্রশ্নপত্র ফাঁস, তারপর গুম, ফাইনালি হত্যা। এক একটা সমস্যা তার নিজস্ব priority নিয়ে আসছে!

    আমাদের এত বিশাল বাজেট দিয়ে কী হবে, মানুষ-ই যদি না বাঁচে? সমস্ত হাসপাতালে রোগীর লাইন, মানুষ (রোগী) ফ্লোরে পড়ে থাকে। আমি নিশ্চিত জানি এই দেশে নিরব ক্যানসার মহামারি চলছে! কোনো ক্যানসার হাসপাতালে সিট খালি পাওয়া যায় না। থেরাপির পর রোগীর জন্য রক্ত দেওয়ার অভিজ্ঞতা কোন যুবকটির নেই?

    আমাদের বিদু্ৎ দরকার নেই; আমরা মোমবাতি, কুপি বাতি দিয়ে পড়ব।

    আমাদের রাস্তা দরকার নেই; আমরা পায়ে হেঁটে চলব।

    আমাদের এত বড় বড় বাহিনী; আর্মি, পুলিশ, বিজিপি, নৌবাহিনী, তাদেরকে নিয়ে হয়তো নতুন একটা RAB X গঠন করা যেতে পারে যারা শুধুমাত্র এই তিনটি মানবিক অধিকার নিশ্চিত করবে।

    নতুবা আমি ভবিষ্যদ্বাণী করে রাখলাম এই জাতির ধ্বংস সত্বর অনিবার্য। প্রথমে রুগ্ন শিশু, মেধাশূন্য জনবল, তারপর মৃত্যুপুরী। আমরা জানি, শুধু একজন নেতাই একটি জাতি তৈরি করে। আপনিও পারবেন।

    যেমনটি আপনার পিতা পেরেছিলেন…

    Reply
  37. হেলাল

    সুন্দর ও বাস্তবসম্মত তথ্য সবাইকে জানানোর জন্য কীভাবে যে আপনাকে ধন্যবাদ দেব তা বলার মতো নয়। এভাবে আরও একত্রিশটি সমস্যা আছে যা বর্তমান ও পরবর্তী জেনারেশনের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক।

    হ্যাঁ, আধুনিক যুগে খাদ্য-ঘাটতি পূরণ করার নামে পৃথিবীতে যা-ই করা হচ্ছে মূলত এমনিতেই খারাপ, অর্থাৎ কেমিক্যাল-মিশ্রিত যে কোনো কিছু। তারপরও বাঁচার জন্য সবাইকে খেতে হবেই, যার বিকল্প অন্য কিছুই নেই।

    আপনার মূল্যবান তথ্যে পেলাম, কিডনি, লিভার ইত্যাদি অসুখের কথা। ২০১২ সালের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বিগত যুগে গড়ে ১৭ শতাংশের বেশিসংখ্যক মানুষ ডায়াবেটিস, কিডনি বা লিভার পাথর, ক্যানসার ও চর্মরোগ জাতীয় জাতীয় অসুখে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং এর জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী আমাদের খাদ্যমান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পদ্ধতি (উদাহরণ হিসেবে চিংড়ি মাছ, ইসি দ্বারা যখন হুমকি আসে তখন সবাই দেখতে পেরেছেন)।

    সে হিসেবে রপ্তানি ছাড়া দেশের মানুষের খাদ্যের জন্য কী করা হবে এটা আমার বলার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। সে রকম নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য, যেমন চিনি বা ওই রকম আরও অনেক কিছু। সে জন্য লেসনের কথা বলতেই হয়, তিনি দুঃখের সঙ্গে বলেছিলেন, খাওয়ার মতো কিছুই নেই, স্বয়ং আমার সম্পূর্ণ শরীরটাই কেমিক্যালের তৈরি, তাই কেমিক্যাল-জাতীয় খাবার খেলে আমার অসুবিধা হবে না !

    আমাদের অবস্থা যেভাবে এগুচ্ছে, তাতে মনে হয় সারা দেশের সবাই কোনো একদিন তিনির কথাই বলতে হবে।

    ধন্যবাদ আবারও আপনাকে।

    Reply
  38. Ruhena B Laskar

    লেখাটা পড়ে খুবই ভালো লাগল।

    আমাদের চিকিৎসকদের এবং শিক্ষিত সমাজকে ভেজালের বিরুদ্ধে জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে। সেই সঙ্গে উপরে শাহমিকা আগুন যে পরামর্শ দিয়েছেন খাদ্য-ব্যবসায়ীদের ভেজালের ভয়াবহতা সম্পর্কে জ্ঞান দান করে তাদের খাদ্য বাজারজাত করতে হবে।

    যে কোনো উপায়েই হোক খাদ্যে ভেজাল বন্ধ করতেই হবে, এই মনোবৃত্তি নিয়ে সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে সবচাইতে বেশি কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

    Reply
  39. শামীমা ইয়াছমিন

    এমন গুরুতর ব্যাপার, অথচ আমরা সবাই চুপ করে আছি!!!

    দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে মনে করছি।

    Reply
  40. মো. রহমত উল্লাহ্‌

    ‘‘খাবার থেকে ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ দূর করার জন্য আন্দোলন করতে হবে।’’

    — এটি হচ্ছে আসল কথা। আপনিও যোগ দিন এই আন্দোলনে। অনেক ধন্যবাদ লেখাটির জন্য।

    Reply
  41. নবীন

    ধন্যবাদ, অসংখ্য ধন্যবাদ।

    আপনার এই তথ্য ‘শরীরে থাইরয়েড এবং আয়োডিনের অভাব হলে হাতে-পায়ে প্রচুর ব্যথা হয়’ আমাকে উপকৃত করেছে।

    সহজ এবং প্রাঞ্জল ভাষা ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যাপারটা বুঝিয়ে বলাতে আশা করি সকলে উপকৃত হবেন।

    আপনার লেখা যদি কোনো জাতীয় দৈনিক পত্রিকাতে ছাপানো যেত, তবে জনগণ আরও বেশি উপকৃত হত এবং সরকার তথা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা আরও বেশি দায়িত্ববান হতেন।

    Reply
  42. M A ALI

    খুব প্রয়োজনীয় একটা যুগান্তকারী প্রবন্ধ। মানুষ অন্য মানুষের কাছে কতভাবে যে জিম্মি হতে পারে!

    সৃষ্টিকর্তা তাদের শুভবুদ্ধির উদয়ে সহায়তা করুন। আর আমাদের ক্ষমা করুন, এই জালেমদের হাত থেকে জাতিকে উদ্ধার করুন।

    Reply
  43. Shafiqul

    আপনার তথ্যের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের এসব প্রতিরোধ করা উচিত। এ ধরনের আরও আরও তথ্য আমাদের জানান দয়া করে।

    আবারও ধন্যবাদ।

    Reply
  44. রাফি

    শ্রদ্ধেয় লেখিকা,

    আপনার কোনো ই-মেইল ঠিকানা বা অন্য কোনো যোগাযোগের মাধ্যম কি অনুগ্রহপূর্বক পেতে পারি পরামর্শের জন্য?

    Reply
  45. Ali Habib

    গুরুত্বপূর্ণ লেখা। সবার পড়া উচিত। অভিনন্দন।

    Reply
    • ফারুক

      হতাশার কথাই। কিন্তু এত হতাশ হবেন কেন? একটু সচেতন হলেই হল।

      দামি খাদ্য বাদ দিয়া কম দামি, লোক্যাল নানা রকম খাবার খাবেন। দেখবেন কত ভালো থাকা যায়।

      গবেষণার শেষ কই? আল্লাহ্‌ মানুষের জন্য সব বানিয়েছেন, একটু খুঁজতে হবে।

      তবে নিজের সর্বনাশ নিজে করলে সবই বরবাদ।

      Reply
  46. জিয়া চৌধুরী

    অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি লেখা। আমরা জ্ঞানী মানুষজনও জানি না আমাদের দেহের জন্য অত্যাবশ্যকীয় উপাদানগুলো আমরা কীভাবে পেতে পারি। আমাদের অসচেতনতা ও অজ্ঞতার কারণে আমাদের শরীরে বাসা বাঁধছে ভয়াবহ রোগ।

    আমরা রোগের কারণ ও এর পিছনে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে ডাক্তারদের দুষছি…

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—