Feature Img

Dr.-Md.-Jafar-Iqbal3পরশু দিন আমাকে একটা মেয়ে ফোন করেছে, সে এইচএসসি পরীক্ষার্থী। মেয়েটি খুবই বিচলিত; কারণ সে জানতে পেরেছে পদার্থ বিজ্ঞানের প্রশ্ন ফাঁস হয়ে গেছে। মেয়েটি বলল, ‌‌‌ ‌“আমরা এত কষ্ট করে পড়াশোনা করি আর কিছু মানুষ বাজার থেকে প্রশ্ন কিনে এনে পরীক্ষা দেয়! পরীক্ষায় ভালো করে, ভালো জায়গায় সুযোগ পায়! তাহলে এটাই কি নিয়ম, এই দেশটা দুবৃর্ত্তদের? আমরা কিছু না?”

আমি মেয়েটাকে সান্ত্বনা দিলাম। বললাম, “শিক্ষামন্ত্রী যেটা বলেছেন সেটাই নিশ্চয়ই সত্যি। আসলে প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে বলে ঠোকা দিয়ে কিছু ছাত্রছাত্রীকে ঠকিয়ে কিছু মানুষ টাকা কামিয়ে নেয়। পরীক্ষা হয়ে যাবার পর সেই প্রশ্নটি দেখিয়ে হইচই করে।”

মেয়েটি বলল, “আমার কাছে যে প্রশ্ন আছে আমি আপনাকে এখনই পাঠিয়ে দিই। দুদিন পর পরীক্ষা হয়ে গেলে আপনি মিলিয়ে নেবেন।”

P_3

আমি বললাম, ‘‘ঠিক আছে।’’

মেয়েটি সঙ্গে সঙ্গে আমাকে হাতে লেখা কিছু প্রশ্ন পাঠিয়ে দিল।

আজকে পরীক্ষা ছিল। সকাল থেকে আমি মনে মনে দোয়া করছি যেন প্রশ্নগুলো মিলে না যায়। আমি মেয়েটিকে বলতে পারব, “দেখেছ, আসলে প্রশ্ন ফাঁস হয় না।”

দুপুরে মেয়েটি ফোন করে জানিয়েছে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন মিলে গেছে, আমাকে এক কপি প্রশ্ন পাঠিয়েছে।

আমি পরীক্ষার প্রশ্ন আর দুদিন আগে পাওয়া হাতে লেখা প্রশ্ন একসঙ্গে করে দিয়ে দিচ্ছি, কেউ বিশ্বাস না করলে নিজের চোখে দেখতে পাবেন। আমার ই-মেইলের তারিখ আর সময়টিও যুক্ত করে দিলাম। মেয়েটির ই-মেইল অ্যাড্রেস সরিয়ে দিলাম যেন সে আবার উটকো ঝামেলায় না পড়ে।

মেয়েটি আমাকে বলেছে, ‌‌‌‌‌‌“স্যার, কিছু একটা করেন।”

কেউ কি আমাকে বলতে পারবে আমি কী করব? এই দেশের তরুণ ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করে আমাদের দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, আমরা সেটা নিয়ে কত স্বপ্ন দেখি। আমাদের ছেলেমেয়েরা এই স্বপ্ন ধারণ করে লেখাপড়া করে। তারপর দেখা যায় এই দেশের সরকার একটা পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা দিতে পারে না। আমি বিশ্বাস করতে রাজি নই যে আন্তরিকভাবে চাইলে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো সমস্যা হওয়া সম্ভব।

আমি যে মেয়েটির কথা বলেছি সে আমাকে ফোন করার আগে পাগলের মতো সব জায়গায় ফোন করে তার অভিজ্ঞতাটি জানাতে চেষ্টা করেছে, কেউ শুনতে রাজি হয়নি।

P_4

একটি সমস্যা না দেখার ভান করলেই কি সমস্যাটা মিটে যায়? সমস্যা মিটাতে চাইলে সেটাকে সবার আগে স্বীকার করতে হয়। দেশের সর্বোচ্চ মহল এই সমস্যাটা স্বীকার করতেই রাজি নয়। তাহলে সমস্যাটার সমাধান হবে কেমন করে?

এই দেশের ছেলেমেয়েদের আমরা নূতন জীবনের স্বপ্ন দেখাতে চাই। ভয়ংকরভাবে শুদ্ধ এই হতাশ ছেলেমেয়েগুলোকে আমরা কেমন করে স্বপ্ন দেখাব?

কেউ কি আমাকে বলবেন?

মুহম্মদ জাফর ইকবাল: লেখক ও অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

মুহম্মদ জাফর ইকবাললেখক ও অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৯ Responses -- “কেউ কি আমাকে বলবেন?”

  1. আসিফ রাব্বানী

    সরকার প্রশ্নফাস বন্ধ করবে না । কারন সরকার নিজেই এর সাথে জড়িত । শিক্ষাক্ষেত্রে সর্বত্র অনিয়ম আর দূর্নীতি চলছে । আমার এক বন্ধ কলেজের সব পরীক্ষায় ফেল করত । আর এখন সে মেডিকেল স্টুডেন্ট ।

    Reply
  2. syed goffar

    প্রশ্ন ফাঁস হবার পেছনে যাদের হাত আছে তারা টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছিল… সেই টাকা তো তাদের তুলতে হবে!

    যে সরকার চাইলে ৭ দিনের মধ্যে এসব ধরা সম্ভব, কিন্ত তারা সেটা চায় না। দেশের সরকার একটা প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা দিতে অপারগ তারা পুরো দেশকে কীভাবে …!

    পাশের হার ১০০% হলে কি সরকারের কোনো ক্রেডিট? পাশের হার ২৫% হলে তাতে কি সরকারের দোষ?

    Reply
  3. Hasibul Hasan

    চিন্তা করবেন না। কারণ যারা এই কুকর্মের মূল কর্তা, তারা সার্টিফিকেট এক্সামের পর আর কোথাও চান্সই পাবে না।

    Reply
  4. Md. Rahman

    প্রিয় জাফর ইকবাল স্যার,

    আপনি যদি এসব মূল্যবান মম্তব্যগুলো দেখে থাকেন, আপনাকে বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ করছি, এগুলোর নিচে মন্তব্য করার জন্য। এগুলোর কিছুই ওভারলুক বা ইগনোর করা উচিত নয়

    Reply
  5. trn111

    “পাশের হার ১০০% হলে কি সরকারের কোনো ক্রেডিট? আগে যে ২৫% পাশ করত তাতে কি কেউ সরকারকে দোষ দিত?”

    Reply
  6. rafiqul

    আমাদের এই সুযোগ নেওয়া উচিত। ডিজিটাল যুগে পরীক্ষা এমনই হওয়া উচিত।

    Reply
  7. Kabir

    স্যার, সরকার চাইলে ৭ দিনের মধ্যে এসব ধরা সম্ভব, কিন্ত তারা সেটা চায় না…

    Reply
  8. Isha Mia

    যে দেশের সরকার একটা প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা দিতে অপারগ তারা পুরো দেশকে কীভাবে নিরাপত্তা দিবে!

    Reply
  9. rakib

    প্রশ্ন ফাঁস হবার পেছনে যাদের হাত আছে তারা টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছিল… সেই টাকা তো তাদের তুলতে হবে….

    Reply
  10. রবিন

    আমাদের দেশে শিক্ষা মানে ভালো রেজাল্ট করা। আপনি যদি ভালো রেজাল্ট না করেন, ভালো চাকরি পাবেন না। আর ভালো চাকরি না পেলে বেশি টাকা আয় করতে পারবেন না।

    এই কথাটি ছেলেমেয়েদের ছোটবেলা থেকে শিখিয়ে দেওয়া হয়। আপনি কোনো একটা বিষয়ে কতটা ভালো জানলেন তা বিবেচনার বিষয় নয়, আপনি কত বেশি গ্রেড পেয়েছেন সেটা বর ব্যাপার।

    এমন অবস্থায় এই ধরনের ঘটনা ঘটা স্বাভাবিক। আপনি প্রশ্ন ফাঁসকারীদের ধরলেন, শাস্তি দিলেন, এতে কোনো লাভ নেই। কারণ চাহিদা আছে বলে যোগান আছে। প্রশ্ন কেনার লোক আছে বলেই ফাঁসকারীরা প্রশ্ন ফাস করে…

    Reply
  11. shuvo

    আমি এবারের এইচএসসি পরীক্ষার্থী হিসেবে একটা কথা জানাতে চাই। এমসিকিউ কোয়েশ্চেনের অ্যানসারগুলো অনেকে পরীক্ষা চলাকালীন মোবাইলে পেয়ে যায়। হলরুমে বসে মোবাইলে দেখে দেখে অ্যানসার করে তারা।

    স্যার-ম্যাডামরা কী বলবেন! কেন্দ্র তাদের টাকা দিয়ে কেনা!!!

    Reply
  12. জাজাফী

    আমরাই আমাদের জাতিকে অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছি আর স্বপ্ন দেখছি আলোকিত বাংলাদেশের। লজ্জা লজ্জা!!!

    যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে এই প্রশ্ন ফাঁসকারীদের বিরুদ্ধে।

    দরকার হলে পড়াশোনা ছেড়ে দিতে হবে….

    Reply
  13. Md. Muhosin

    শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের কাছে দয়া করে এটা পাঠিয়ে দিন। তিনিই সেই লোক যিনি আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করছেন।

    Reply
  14. Mohammad Moin uddin

    যে দেশে লেখাপড়ারই দাম নেই, সেখানে এটা কোনো সমস্যা নয়!

    লেখাপড়া করে যে, গাড়ি ঘোড়া চড়ে (কিন্তু চালায়) সে…..

    Reply
  15. Md. Amirul Islam

    স্যার, আপনি আজকে যা নিয়ে লিখতে বসেছেন তা নতুন কিছু নয়। প্রশ্নপত্র ফাঁস এখন খুব স্বাভাবিক ব্যাপার!

    আমি আপনাকে শুধু এটুকু বলব, আজ থেকে আর গণিত অলিম্পিয়াড নয়, আপনার অধ্যাপনা নয়, কোনো সেমিনারে বক্তৃতা নয়, যারা প্রশ্নপত্র ফাঁস করে জাতিকে অন্ধকারে নিয়ে যাচ্ছে তাদের ব্যাপারে কী করণীয় তাই নিয়ে ভাবুন।

    রংপুরের ভিন্ন জগৎ পিকনিক স্পটে প্রায় ২৫০ জন প্রশ্নপত্র ক্রেতা ও বিক্রেতা পুলিশের কাছে হাতেনাতে ধরার পরও কেন অপধাধীরা কোনো শাস্তির আওতায় এল না তা নিয়ে ভাবুন। কেন পিএসসির চেয়ারম্যানসহ অন্যান্য সদস্যরা রাতারাতি কোটিপতি বনে যা তা নিয়ে ভাবুন। কেন বিজি প্রেসের কর্মচারিরা কোটিপতি হয়ে যান তা নিয়ে ভাবুন। কেন অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা যাচ্ছে না তা নিয়ে ভাবুন।

    একাত্তরের বুদ্ধিজীবীদের যারা হত্যা করেছিল তাদের থেকে এই প্রশ্নপত্র ফাঁসচক্র অনেক রড় অপরাধ করেছে কিনা তা নিয়ে ভাবুন। প্রশ্নপত্র ফাঁস-সংক্রান্ত সমস্ত খবর সংগ্রহ করুন এবং গবেষণা করুন।

    বাংলাদেশকে বাচাঁন, প্লিজ…

    Reply
    • R. Masud

      তা বাপু, তুমি স্যারকে ভাবতে বলছ কেন? তোমার মাথা কি খালি নাকি!

      এই সমস্যাগুলো তুমি, আমি আর ওরা মিলেই করে। এর প্রতিকারও তুমি, আমি আর ওরা মিলেই করতে হবে।

      অন্য আরেকজনকে সমস্যা দূর করতে অনুরোধ করা হল বেয়াদবি।

      Reply
    • trn111

      “কেন পিএসসির চেয়ারম্যানসহ অন্যান্য সদস্যরা রাতারাতি কোটিপতি বনে যা তা নিয়ে ভাবুন।”

      — ভাবুন,ভাবুন,ভাবুন প্লিজ। সর্ষের ভেতরে ভূত থাকলে কিছুই হবে না।

      কিছুই হবে না জানি, তবুও ভাবুন, ভাবুন, ভাবুন…।

      Reply
    • Isha Mia

      আওয়ামীদের আমলে এমন কোনো পরীক্ষা হয়নি যার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি।

      নির্লজ্জ!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

      Reply
      • সৈয়দ আলী

        সঠিক শব্দটি হবে নির্লজ্জতা, নির্লজ্জ নয়, জনাব R. Masud।

  16. Kibria Zahid Mamun

    ধুতুরা গাছ লাগাইয়া ফল অাশা করবেন পাকা ফজলি মিষ্টি আম, তা কী করে হবে!!!

    মাঝে চার জন আমেরিকান ক্রিশ্চিয়ান সাংবাদিক এসেছিল। তারা যাবার সময় ধর্ম চেঞ্জ করে চলে গেছে। ৯০% মুসলিম ১০০% করাপটেড= বাংলাদেশ। শুক্রবারে জুম্মার নামাজে দাঁড়ানোর জায়গা পাওয়া যায় না কিন্তু এদেশের মানুষের সবচেয়ে বড় বিদ্যা চুরি বিদ্যা।

    এর চেয়ে যদি খারাপ হত, তাই শুকরিয়া করি আসুন। যদি স্কুলই না থাকত, তখন বলতাম– প্রশ্ন ফাঁস হোক, তবু স্কুল থাকুক!

    রোজ কিয়ামতের আগ পর্যন্ত এ দেশ এমন করেই চলবে। আল্লাহ পাক দয়াপরবশ হয়ে যদি ইমাম মেহেদীকে পাঠিয়ে দেন এই দেশে, তাহলে মনে একটু আশা করা যায় ।

    Reply
    • trn111

      “শুক্রবারে জুম্মার নামাজে দাঁড়ানোর জায়গা পাওয়া যায় না কিন্তু এদেশের মানুষের সবচেয়ে বড় বিদ্যা চুরি বিদ্যা।”

      Reply
  17. চয়ন

    ছোটবেলা থেকেই ভয়ংকর রকমভাবে যে কোনোভাবে ‘প্রথম হওয়া’র প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়ে বড় হয় এদেশের ছাত্রছাত্রীরা। কারিকুলামের বইপত্রের লেখা ছাড়া নৈতিক কোনো বিষয়ে স্কুল-কলেজে শিক্ষাদানের ব্যাপার নেই বললেই চলে। প্রতি বছর এই দেশ থেকে শত শত মেধাবী শিক্ষার্থী ভালো ভালো বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চলে যায়। যাদের অনেকেই আর দেশে ফেরে না। শেষ পর্যন্ত দেশে থাকছে কারা? শিক্ষাসহ আরও বড় বড় ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেয় যেসব মন্ত্রীরা, তাদেরই-বা যোগ্যতা কতটুকু?

    আমরা বড় বড় কথাই বলি শুধু। জাতিগত কোনো মৌলিক গুণ আমাদের আছে কি? যে দেশে ‘দেশপ্রেম’ দেখানোটাও একটা বাণিজ্যের পর্যায়ে চলে গেছে, সেই দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে চিন্তা করার মানুষ ক’জন আছে?

    হাজারের বেশি শ্রমিক মারা যাওয়ার পর যেখানে কারও কোনো দায়বদ্ধতা থাকে না, প্রশ্নপত্র ফাঁস তো সেখানে খুবই তুচ্ছ ঘটনা! তার চেয়ে বরং সবাই প্রবাসী শ্রমিক হয়ে যাই।

    লেখাপড়া করে বড় হওয়া সব জাতির জন্য নয়। যেই দেশের সরকার আর তাদের সব ‘ব্যবস্থা’ নিয়ে বিদেশি বন্ধুদের সঙ্গে হতাশ হয়ে তামাশা করা ছাড়া আর কিছু বলার মুখ থাকে না, সেই দেশের সরকারকে, রাজনৈতিক নীতিনির্ধারক আর তাদের সমর্থকদের জন্য মনের একেবারে গভীর থেকে ঘৃণা ছাড়া আর কিছু বের হয় না।

    Reply
  18. Mahabub Alam

    ‘‘নকল করিও না, বই দেখে লেখ, আমরা না হয় প্রশ্নপত্র দেখে পরীক্ষা দিলাম, নকল তো আর করতে হল না।”

    প্রশ্নপত্র ফাঁস দুঃখজনক।

    Reply
  19. Rana

    প্রিয় স্যার,

    আমি আপনার ফোন নং দুই মাস ধরে খুঁজে পাচ্ছি না। অনেক বড় মানুষের কাছে আপনার ফোন নং আছে, তাদের কাছে চাইলে তারা দেন না।

    আর এইচএসসি লেভেলের একটি মেয়ে আপনার ফোন নং পেল আর আপনাকে ফোন দিল!

    Reply
  20. সৈয়দ আলী

    আমি যুগপৎ আনন্দিত ও ব্যথিত। আনন্দিত এ কারণে যে, ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল এই সরকারের শাসনাধীন বিষয়ের ভয়াবহ আচরণের অন্তত একটি স্বীকার করে নিয়েছেন এবং কোনো যুক্তি দিয়ে একে গ্রহণযোগ্য করার প্রয়াস পাননি।

    আর আমি দুঃখিত যে, সরকারপ্রধান কুপিত হতে পারেন সে আশঙ্কায় প্রশ্ন ফাঁসের দায় শিক্ষামন্ত্রীকে দিয়ে তাঁকে পদত্যাগ করার দাবি জানাননি।

    Reply
  21. মোহাম্মদ সবুজুর রহমান

    প্রিয় স্যার,

    আসসালামু আলাইকুম।

    একটি দেশের শিক্ষাও যখন রাজনীতির মধ্যে প্রবেশ করে, তখন সে দেশ পতিত হয় অতল গহবরে। দেশে নকলের বদলে এখন এক নতুন বিষয় চালু হয়েছে; তা হল প্রশ্নফাঁস। যার সঙ্গে জড়িত বিজি প্রেসের অসাধু কর্মকর্তারা….

    Reply
  22. Mahbub

    মাছের পচন শুরু হয় মাথা থেকে। শুধু প্রশ্নপত্রই নয়, এখন এমন কোনো ক্ষেত্রই নেই যেখানে অনিয়ম হচ্ছে না। কিছুদিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বলেছেন, কোনো একটি দলের ছাত্রদের পরীক্ষা না নিয়ে চাকরি দিয়ে দিতে!

    এর প্রক্রিয়া কোথাও কোথাও শুরুও হয়ে গেছে। আপনি লেখাপড়া করবেন, যোগ্যতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে কর্মজীবনে যাবেন– এসব কিছু এখন স্বপ্ন হয়ে যাচ্ছে। দেখুন সংসদ কীভাবে গঠিত হয়েছে।

    শিক্ষামন্ত্রীর কথা বলছেন। উনি কাকে কী বলবেন? উনি যদি নীতিবান লোক হতেন তাহলে এ ধরনের সরকারে থাকার কথা ছিল না, এ রকম সংসদের সদস্যপদ নিতেন না। যারা নিজেরাই যেনতেনভাবে সবকিছু পেতে চান তারা জাতিকে কী দিবেন?

    জাতি এভাবে রসাতলে যাচ্ছে, আর আমাদের যাদের কিছু বলার দরকার তারা গণভবনে পিঠাপুলি খাচ্ছেন। চারিদিক থেকে পচনের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। চোখ বন্ধ করে থাকলে কি প্রলয় বন্ধ থাকে?

    আমরা সবাই ঘুমিয়ে থাকি আর সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাক…

    Reply
    • trn111

      “মাছের পচন শুরু হয় মাথা থেকে। শুধু প্রশ্নপত্রই নয়, এখন এমন কোনো ক্ষেত্রই নেই যেখানে অনিয়ম হচ্ছে না।”

      Reply
  23. R. Masud

    স্যার, আমার কাছে এর পারফেক্ট জবাব আছে।

    অতি বিনয়ের সঙ্গে বলছি, এর মূল কারণ আপনি এবং আপনার মতো শিক্ষক গং।

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনটা অন্যায় আর কোনটা অন্যায় নয় তা সঠিকভাবে শিক্ষা দেওয়া হয় না বলেই এই সব শিক্ষিত লোকগুলো উটকো টাকার জন্য এই সব কাজ করে। আমার এই অভিযোগ যদি ভুল হয়, তাহলে নিচের আপনার উদ্ধৃতিটুকুও কি ভুল নয়–

    “… তারপর দেখা যায় এই দেশের সরকার একটা পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা দিতে পারে না। আমি বিশ্বাস করতে রাজি নই যে আন্তরিকভাবে চাইলে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো সমস্যা হওয়া সম্ভব।…”

    বেয়াদবি হচ্ছে তবুও বলছি, সব ব্যাপারেই যদি সরকার এটা করতে পারে না, অইটা দেয় না তাই হয় না/পারি না এই সবই তো হল ‘ওজর’। ব্যর্থ লোকদের মুখে সচরাচর কহা বচন মাত্র।

    আমার আপনার কি কোনো দায় নেই!!!

    কাকে বসাবেন ওই পোস্টে যে এগুলো কন্ট্রোল করবে, যাকেই দিন না কেন, তিনিও তো আপনার আরেকজন ছাত্র মাত্র। সেও একই কাজই করবে।

    আপনি নিজেই যদি কন্ট্রোল করার পোস্টে বসেন, বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন প্রশ্ন ফাঁস বন্ধ হবে??

    Reply
  24. Subhaditya Mistry

    এভাবে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়ার পরও এরা সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা না করে সরাসরি অস্বীকার করে বা পাশ কাটিয়ে যায়।

    আমি মনে করি, এই দায় এড়ানো বন্ধ না করলে কোনো সমস‌্যারই কখনও সুরাহা হবে না।

    Reply
  25. হায়দার

    আসলে আমরা কী-ই-বা করতে পারি! যারা এসব দুর্বৃত্তায়নের পথ রূদ্ধ করবে তারা শিক্ষা-দীক্ষা নিয়ে এত ভাবেন না। তবে দিনরাত ভাবে শুধু কীভাবে অন্যের পকেটের টাকা নিজের পকেটে বা অন্যের সম্পদ ছিনিয়ে নিজের সম্পদের সঙ্গে যোগ করবে…

    Reply
  26. মোহাম্মদ শাহেদআল কাইয়ুম

    শিক্ষার ব্যাপারে আসলে কোনো ছাড় দেওয়া চলে না। ঐতিহাসিকভাবে মীরজাফরের নাম আমরা ঘৃণার সঙ্গে উচ্চারণ করি। কারণ ছোট থেকে জেনে এসেছি, মীরজাফর জিনিসটা খারাপ। কেবল এই কারণে মিথ্যাকে সবাই ঘৃণা না করলেও বেশিরভাগ মানুষই করে।

    আমাদের মধ্যে “শিক্ষার বেলায় ছাড় নাই, শিক্ষা নিয়ে টাকা কামাই” অথবা “ভেজাল শিক্ষা সব নষ্টের মূল” এই রকম কিছু কথা যদি ছেলে-বুড়ো সবার মধ্যে গেঁথে দেওয়া যায়, তাহলে কিছু একটা হবে।

    হয়তো দ্রত হবে না, কিন্তু হবে।

    Reply
  27. IMAM HOSSAIN

    স্যার মনে হয় অনেক দেরি করে ফেলেছেন। কারণ আমরা অনেক আগে থেকেই দেখে এসেছি, প্রাইমারি স্কুলের অ্যাডমিশসন টেস্ট থেকে শুরু করে এমন কোনো এক্সাম নেই যার কোয়েশ্চেন আউট হয় না।

    কিন্তু এটা নিয়ে কেউ কোনোদিন কথা বলে না। এটা আমাদের জন্য অনেক দুর্ভাগ্য যে আমাদের দেশে স্বচ্ছতা বা জবাবাদিহিতা বলতে আর কিছু রইল না। আমরা যারা অনেক কষ্ট করে অনার্স বা মাস্টার্স পাশ করে দেশের বাইরে যেতে বাধ্য হচ্ছি, তাদের কথা কেউ কোনোদিন ভাবে না। যার টাকা আছে, পলিটিক্যাল পাওয়ার আছে, তার সব আছে। বাকিরা তো মানুষ হিসেবে গণ্যই হয় না।

    ভাবতে খুব কষ্ট হয় আমরা দিন দিন কোথায় যাচ্ছি! সামনের দিকে নাকি পেছনের দিকে???

    Reply
  28. দারাশিকো

    স্যার, আপনি কেন বললেন, “শিক্ষামন্ত্রী যেটা বলেছেন সেটাই নিশ্চয়ই সত্যি। আসলে প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে বলে ঠোকা দিয়ে কিছু ছাত্রছাত্রীকে ঠকিয়ে কিছু মানুষ টাকা কামিয়ে নেয়। পরীক্ষা হয়ে যাবার পর সেই প্রশ্নটি দেখিয়ে হইচই করে।”

    আপনি কি বিশ্বাস করেন না যে, প্রশ্ন ফাঁস হয়! শুধু এইচএসসি নয়, পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি, বিসিএসসহ সকল চাকুরীর প্রশ্ন ফাঁস হয়। এমনকি স্কুল পর্যায়ের প্রশ্নও ফাঁস হয়। পত্রিকার পাতা পর্যন্ত পৌছাতে পারে না কেবল।

    আপনি নিজে প্রশ্ন হাতে না পাওয়া পর্যন্ত বিশ্বাস করেননি, কিছু লিখেননিও। শিক্ষামন্ত্রীর হাতে তো এখন পর্যন্ত ফাঁস হওয়া প্রশ্ন পৌছেনি। উনি কি এত সহজে বিশ্বাস করবেন?

    Reply
    • trn111

      শিক্ষামন্ত্রীর হাতে তো এখন পর্যন্ত ফাঁস হওয়া প্রশ্ন পৌঁছেনি। উনি কি এত সহজে বিশ্বাস করবেন?

      Reply
  29. Md.Iran Hossain

    স্যার, কী লিখব খুঁজে পাচ্ছি না। কারণ আমিও ওই মেয়েটির মতো হতাশ। দুঃখে-কষ্টে স্যার স্টাডি বাদ দিয়ে জব নিয়েছি (যদিও আমি ওই রকম জবের এক্সামে অ্যাটেন্ড করিনি, চারদিকের সিচুয়েশন বুঝে ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছি)।

    স্যার, এখন মেধার কোনো মূল্য নেই। মূল্য আছে শুধু লবিং আর টাকার। কিছু অসাধু মানুষের জন্য পুরো জাতিকে পুড়তে হচ্ছে। আমাদের জনপ্রনিধিদের মূল সমস্যা হল উনারা দুধে ধোয়া তুলসী পাতা। উনারা কিছু জানেন না মানলাম, না-ও জানতে পারেন, কিন্তু দুয়েকটা ঘটনা ঘটার পরে ইফেকটিভ কোনো ব্যবস্থা নিক, তাহলেও তো সমাধান হত।

    আসলে উনারা এমন যে না পারেন প্রটেকশন দিতে, না পারেন সমাধান দিতে (আন্তরিকতা থাকলে শতভাগ সম্ভব ছিল, কিন্তু ব্যবস্থা নেন না যদি পজিশন ছুটে যায়)।

    স্যার, বর্তমানে শুধু ঘুষ ছাড়া চাকরি হয় না (হয় না বললে ভুল হবে, ৫ পারসেন্ট যেটা খুবই নগণ্য)। চাকরি না হোক, ইন্ডাস্ট্রিগুলো এক্সপান্ড করুক। নতুন নতুন কর্মসংস্থান করুক। তাহলেই বাঁচা যায়।

    স্যার, কী বলব, করাপশন শুনতে শুনতে টায়ার্ড, স্পিচলেস!

    ও হ্যাঁ, আরেকটা কথা স্যার। ভুল স্বীকার করলে লজ্জা বা ছোট হওয়ার কিছু নেই, বরং সম্মান বাড়ে। ফেরি ডোবার ঘটনায় দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের কথা বলছি। আদৌ কি উনি এর দায়িত্বে ছিলেন? তারপরও নিজের বিবেকের তাড়নায় কাজটা করেছেন।

    Reply
  30. আহসান হাবীব

    যে দেশের মানুষ খারাপ সে দেশের প্রশাসনও খারাপ হবে এটাই বাঞ্ছনীয়। আসলে আমাদের মানুষদের আগে বদলাতে হবে, নয়তো পুরো জাতি আমরা ধ্বংস হয়ে যাব। জানতাম ‘ভবিষ্যতের ভাবনা ভাবাই জ্ঞানীর কাজ’। এখন দেখি ‘বর্তমানের ভাবনা ভাবাই সকলের কাজ’।

    কী হচ্ছে আমাদের এই সুন্দর দেশটায়…??? আমাদের তরুণ সমাজ দেখে দেখে/হাতে-কলমে শিখছে দুর্নীতি। কিচ্ছু কি করার নেই…??? আমরা কি দেখব আমাদের এই দেশটা একদিন দুর্নীতিতে সেরা হোক??? তখন সেই সেরা হওয়াতেই আমরা কি গর্ববোধ করব…???

    ভাবতে অবাক লাগে আমাদের বর্তমান প্রজন্ম কিচ্ছু না শিখে দেশের জন্য কতটুকুই-বা করতে পারবে! আমরা এভাবে মেধা হারিয়ে ফেলছি, হারিয়ে ফেলছি সুস্থ সুন্দর সৃজনশীল জ্ঞানী জাতি হবার সুযোগ। একসময় ধান্দাবাজরাই শাসন করবে এ দেশ, মূর্খরাই শিখাবে সকলকে। কী অদ্ভুত!

    আসুন আমরা সবাই মিলে ভালো কিছু একটা করার চেষ্টা করি, যাতে আমাদের দেশটা একটুখানি হলেও পূর্ণতা পায়। আমরাই পারি বদলে দিতে। আসুন না একটু চেষ্টা করি।

    Reply
    • R. Masud

      ধ্বংস হয়ে যাওয়াটা একটু বেশি বলা হয়ে গেল। এসব কারণেই যদি সব ধ্বংস হত তাহলে আরও অনেক অনেক বছর আগেই আমরা ধ্বংস হয়ে যেতাম। অন্তত যেদিন থেকে ধর্মব্যবসায়ীরা ধর্মের নামে জাহান্নামি কাজ (যেমন ধরুন জাতীয়তার উপরে ধর্মের স্থান) শুরু করেছিল, এই অঞ্চলে তার কিছুদিন পরেই– তা দুই তিন শত বছর আগে।

      প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়াটা তো তার তুলনায় ডাল-ভাত। ধ্বংস না হলেও খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে আমাদের চলতে হবে, এতে কোনো ভুল নেই তা বলা যায়।

      Reply
  31. চৌধুরী সাকিব

    আপনার প্রতিটি পোস্ট আমি আগে নিয়মিত পড়তাম এবং আমার পেজে কপি করে পোস্ট করতাম। কিন্তু এখন আগ্রহটা হারিয়ে ফেলছি। কারণ এসব পোস্ট দিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনো পরিবর্তন হয়নি। আর মনে হচ্ছে না পরিবর্তন হবে!

    Reply
  32. Z. Abdullah

    এর কারণ সঠিক লোক সঠিক জায়গায় নেই। প্রশাসন পুরো কলাপস করেছে। খুব সামান্য সংখ্যক শিক্ষিত লোক দিয়ে দেশ চলতে পারে না। আমরা দৌড়াচ্ছি না, ক্র্যাচে ভর দিয়ে হাঁটছি!

    এটা জাতীয় সমস্যা, কিন্তু কেউ নেই যে এর সমাধান করবে। আসল মেধা সব দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে। মেধাশূন্য লোকেরা আমাদের শাসন করছে, টাকা বানাচ্ছে। নেতারা কেবল টাকার পেছনে দৌড়ান। তাদের লোভের শেষ নেই! আরও চান, আরও! তারা মরবেন না– এখানেই থাকবেন, টাকা বানাতে। এই তাদের জীবনের একমাত্র ফিলোসফি। এর বাইরে ভাবতে পারেন না তারা।

    তাই আমাদের জাতির ভাগ্যকে রাডারবিহীন নৌকায় তুলে দেওয়া ছাড়া গতি কী???

    Reply
  33. মোহাম্মাদ শাফিকুল আলম রাজন

    যে দেশে ভোট ডাকাতি করে নিয়ে যায়, আপনারা চুপ থাকেন, সেখানে আবার কীসের প্রতিকার? আপনারা কার কাছে বিচার চাইবেন?

    Reply
  34. Qazi Manzur

    যারা জাতির মেরুদণ্ডে আঘাত করছে, তাদের কেন খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে না?

    Reply
  35. Faizul

    শিক্ষামন্ত্রী শুধু বড় বড় লেকচার দিতে পারবেন। কারা জড়িত, কীভাবে প্রশ্ন ফাঁস হয়, তা বের করা অত্যন্ত সহজ। এ সহজ কাজটিই করতে পারেন না তাঁরা।

    Reply
    • R. Masud

      তা বাপু, বাতলে দাও না সেই অত্যন্ত সহজ বের করার পদ্ধতি। তোমার বাতলে দেওয়া পদ্ধতিটা কাকে দিয়ে প্রয়োগ করাবে? কোথায় পাবে সেই সেইন্টকে (ফেরেশতা)।

      গগন থেকে টেনে আনবে!!!

      Reply
  36. Qazi Manzur

    সরকারের সদিচ্ছা থাকলে যে কোনো অপরাধীকে খুঁজে বের করা সম্ভব। এর প্রমাণ আমরা পেয়েছি, পাচ্ছি।

    … তাহলে যারা জাতির মেরুদণ্ডে আঘাত করছে, তাদের কেন খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে না?

    Reply
  37. আবদুস সালাম

    স্যার, একজন শিক্ষক হয়েও শিক্ষাব্যবস্থার একটা দুর্বলতা সময়োচিতভাবে তুলে ধরার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

    যদি তথ্যপ্রযুক্তির যথার্থ প্রয়োগ করে পরীক্ষার হলেই প্রশ্নপত্র তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হত, তাহলে এসব সমস্যা আর থাকার কথা নয়। সরকার এবং শিক্ষকরা আরও আগেই যথেষ্ট উদ্যোগী হতে পারতেন। এটা তারা করেননি কেন বুঝতে পারছি না।

    তাই আমার মতে, ইন্টারনেটের এই যুগে প্রশ্ন ফাঁসের জন্য শতকরা আশি ভাগ সরকার আর তার কর্মচারীরা এবং বিশ ভাগ শিক্ষকরা দায়ী।

    আমি প্রস্তাব করছি–

    প্রশ্ন প্রণয়নকারী, প্রস্তুতকারী এবং বিতরণকারীরা পরীক্ষার এক ঘণ্টা আগে থেকে সুনিয়ন্ত্রিত স্থানে একত্র হয়ে ঘণ্টা পড়ার ৪০ মিনিট আগে থেকে কাজ শুরু করে সর্বোচ্চ ১৫ মিনিটে প্রশ্ন ইমেইলের মাধ্যমে তৈরি করে পরবর্তী ২৫ মিনিটে নিজ নিজ পরীক্ষা কেন্দ্রে কম্পিউটার প্রিন্টার ও ফটোকপিয়ার দ্বারা পরীক্ষার্থীদের বসিয়ে রেখে মুদ্রণ ও বিতরণ করতে পারেন।

    এই ব্যবস্থায় মাত্র একটি প্রশ্ন একজন শিক্ষককে রচনা করতে দিলে তিনি আগেই তৈরি করা তাঁর প্রশ্নটি ইমেইলের মাধ্যমে উপরোক্ত ১৫ মিনিটের শুরুতে নির্ধারিত শিক্ষকমণ্ডলীর নিকট প্রেরণ করবেন এবং পরবর্তী ধাপেও ইমেইলের মাধ্যমে সমন্বিত প্রশ্নপত্র নির্ধারিত শিক্ষকমণ্ডলী চুড়ান্ত করবেন। যা একই ইমেইলে একাধিক ঠিকানায় প্রেরণের পদ্ধতিতে অথবা গোপনীয় ওয়েব লিঙ্কে পোস্টিং-এর মাধ্যমে পরীক্ষার হলে সংরক্ষিত কম্পিউটারে হলে দায়িত্বরত শিক্ষকদের নিকট প্রেরিত হবে।

    সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশের সাফল্যের দাবি করছে, অথচ কেন এ ধরনের সহজ পথে যাচ্ছে না?

    আর শিক্ষকমণ্ডলী যদি যথার্থই ছাত্রদের পড়ান এবং আত্মবিশ্বাস তৈরি করে দেন, তাহলে ছাত্রছাত্রীদের আতঙ্কিত হবার তেমন কিছু আছে কি?

    Reply
  38. sharif

    যদ্দুর জানি, আপনি এই সরকারের শিক্ষানীতি প্রণয়নের একজন প্রভাবশালী সদস্য। প্রশ্নপত্র ফাঁস সেই নীতির কোনো ইমপ্লিমেন্টেশন হতে পারে!

    Reply
  39. Mohandro

    স্যার, আপনি সরাসরি শিক্ষা মন্ত্রণালয় বরাবর চিঠি লিখেন। তারা যদি এটা আমলে নেয়, তবে হয়তো এটি বন্ধ হতে পারে।

    এছাড়া আর কোনো কার্যকারী সমাধান দেখছি না।

    Reply
  40. muhib

    আফ্সোস!!!

    পাশের হার ১০০% হলে কি সরকারের কোনো ক্রেডিট? আগে যে ২৫% পাশ করত তাতে কি কেউ সরকারকে দোষ দিত?

    আমাদের দেশের অনেক সমস্যা, কিন্তু বেসিক কিছু কাজ যা আমাদের অবশ্যই করতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে তাও কি আমরা করতে পারব না?

    Reply
  41. কান্টি টুটুল

    প্রশ্নপত্র ফাঁস প্রসঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিভঙ্গি দু’রকম হতে পারে ….

    ১. যে কোনো উপায়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ করা;

    ২. ফাঁস হয়ে যাওয়া প্রশ্নপত্র যাতে প্রমাণসহ বিভিন্ন মিডিয়া, প্রচার মাধ্যমে প্রকাশ না পায় তার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে আজকের (২৮ এপ্রিল ‘১৪) ‘প্রথম আলো’ যে খবরটি ছেপেছে সেটি রীতিমতো উদ্বেগজনক; কারণ তারা উপরে উল্লিখিত দ্বিতীয় পন্থাটিই বেছে নিয়েছেন বলে প্রতিসমান হয়!

    প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতরা কি এতটাই ক্ষমতাবান যে প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ করার চাইতে ফাঁস হয়ে যাওয়া প্রশ্নপত্র যাতে প্রচার না পায় সেদিকে স্বয়ং শিক্ষামন্ত্রী মহোদয় এখন নজর দিচ্ছেন?

    Reply
  42. razzaq

    স্যার, বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী প্রথম প্রথম বেশ চমক দেখিয়েছেন। এখন সন্দেহ হয়, শুধুমাত্র এ প্লাসের সংখ্যা বেশি দেখানোর জন্য আর বাহবা কুড়াবার (!) জন্য তিনি নিজে এই ধরনের ঘৃণ্য কাজে মদদ দিচ্ছেন কিনা!

    Reply
  43. অরণী

    O god….

    আগে জানতাম মেডিকেল পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়, বিসিএসের হয়– এখন দেখি এসএসসি, এইচএসসি এসব পরীক্ষার প্রশ্নও ফাঁস হয়!!! সামনে কোনো একদিন ক্লাস টু বা থ্রির কোনো বাচ্চা বলে বসবে, ‘‘আম্মু, পড়ে কী করব, আমাকে প্রশ্ন কিনে দাও!’’

    কোথায় যাচ্ছি আমরা??? ঠিক কোথায় গেলে আমরা থামব? আর ঠিক কতটা নিচে নামব আমরা? এই ছোট্ট শিশুগুলো কী শিখবে?

    শিক্ষা নিয়ে এইসব খেলার পরিণতি কতটা ভয়ানক হতে পারে সেটা কি যারা এই কাজগুলো করে তাদের একবারের জন্যও মনে হয় না?

    আমাদের দেশে কেউ অপরাধ করলে তার দায়ভার কাউকেই নিতে দেখিনি। দক্ষিণ কোরিয়ায় ফেরিডুবিতে শত শত মৃত্যুর ফলে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেন; কারণ তারা মনে করেন যে, দায়ভার তাদের। একটা জাহাজ ডুবে যাওয়ার পেছনে নিশ্চয়ই প্রধানমন্ত্রীর কোনো হাত ছিল না। তারপরও সেই দুর্ঘটনার জন্য তিনি লজ্জিত হয়েই পদত্যাগ করেছেন।

    আর আমাদের দেশে এ রকম বা এর চেয়েও অনেক ভয়ানক অপরাধ করে চলেছে কিছু স্বার্থপর জঘন্য মানসিকতার মানুষ, তাদের কোনো শাস্তি হয় না। প্রকাশ্যে এদের স্বীকারোক্তি চাই, চরম শাস্তি চাই।

    আজ আমি শিক্ষামন্ত্রী হলে লজ্জায় মরে যেতাম! একটা ছোট্ট শিশুর কাছে আমি যখন আমার দায়বদ্ধতা রক্ষা করতে পারি না তখন গোটা জাতিকে আমি কী দিব?

    রাষ্ট্রক্ষমতায় যারা আছেন আমরা আপনাদের কাছ থেকে খুব বেশি কিছু আশা করি না। শুধু একটুখানি দায়িত্ববোধ, মনুষ্যত্ব, দায়বদ্ধতা আশা করি। আমরা জানি, সবাই রাতারাতি সৎ হয়ে যাবে না। কিন্তু সীমাহীন অরাজকতা, দুর্নীতি মানুষ খুব বেশিদিন সহ্য করে না। আর এই অল্প কিছুদিনের কর্মকাণ্ডের জন্যই আমরা বার বার পিছিয়ে পড়ি, বছরের পর বছর।

    Reply
  44. আতিকুর রহমান(ARB Mollick)

    কী আর করা, দেশের এই অবস্থা চলতে থাকলে, বিজ্ঞান বিষয়ে কেউ আর পড়তে চাইবে না।
    তাই আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরির্তন করা দরকার। আর এই একই সঙ্গে পরীক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তন করা দরকার। পরীক্ষা হবে গবেষণাধর্মী।

    বস্তাপচা পদ্ধতি বাদ দিন, না হলে সামনে এর চেয়ে বেশি খারাপ হবে। কারণ কেউ না পড়ে প্রযুক্তির যন্ত্রপাতির মাধ্যমে পরীক্ষা দিবে।

    তাই এখনই সময়….

    Reply
  45. kamrun Nahar

    সত্যি তো, এই ছেলেমেয়েগুলোকে আমরা কীভাবে স্বপ্ন দেখাব?

    আসুন সবাই মিলে সমাধানের পথ বের করি।

    Reply
  46. jack

    তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে এই সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে। বাংলাদেশ সরকারের এই সদিচ্ছাটুকু থাকলে হয়!

    Reply
  47. আনসার মামুন

    খুব খারাপ লাগে যখন দেখি দেশের শিক্ষাবিদগণ সরকারের চামচামি করেন!

    Reply
  48. রুবায়েত

    প্রশ্নফাঁস কি চেতনা ফিল্টারে আটকায়? আটকায় না। তাহলে অসুবিধা কী?

    Reply
  49. Erfanul Karim Sazzad

    স্যার, লেখাটি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। এ তো গেল বোর্ড এক্সামের কথা। যারা চাকরির এক্সাম দিচ্ছে, তাদের অবস্থা আরও করুণ। প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে, আবার টাকার লেনদেনও হচ্ছে!!!

    তবে আমরা যারা আপনাদের মতো সাদাসিধে থাকতে চাই, একটা ছোটখাট চাকরির জন্য এক্সাম দিই যাতে মা-বাবাকে অন্তত তিনবেলা খাওয়াতে পারি, তাদের অবস্থাটা একবার ভাবুন।

    ভাবছিলাম আত্মহত্যা করব কিন্ত যাদের কথা ভেবে এক্সাম দিচ্ছি, তাদের কী অবস্থা হবে তা ভেবে আর পারি না। আসলেই কি এই জন্য দেশটা স্বাধীন করেছিল আমাদের শ্রেষ্ঠ সন্তানেরা???

    Reply
    • rakib

      আমি একমত। অনিয়ম আর দুর্নীতির জন্য এক্জামে টিকেও জব পাই না, বারবার। লেখাপড়া শিখেও বাবা-মাকে সেবা করতে পারছি না। এই মানসিক যন্ত্রণা কি দূর হবার নয়???

      মুক্তিযোদ্ধা বাবার মুখের দিকে তাকালে অনেক প্রশ্ন মনের ভিতর উঁকি দেয়… হয়তো বাবারও তাই হয়…

      Reply
  50. মাহাবুব

    স্যার, আপনারা দেশের গুণী ব্যক্তি। আপনাদের উপদেশ দেওয়া সাজে না। তবে ফাঁস করা প্রশ্নপত্র, পরীক্ষায় নকল এইসব আসলে ডিজিটাল যুগে অচল। আমি মনে করি, এই দায় ফাঁসকারীর নয়– যারা এখনও এই রকম সেকেলে নিয়ম ধরে রাখছেন তাদের।

    সরকার যদি ‘ওপেন বুক’ করে দেয় তাহলে এই সব প্রশ্ন-ফাঁস হয়ে লাভ হবে না। প্রশ্নের উত্তর ৩ ঘণ্টা ধরে কলমপেষা কেরানির মতো না দিয়ে ১ঘণ্টা/১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট ধরে ইন্টারনেটে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা হলে, আমার মনে হয় পরীক্ষার ফলাফলটাও সঙ্গে সঙ্গে দেওয়া যাবে এবং ছাত্রজীবনের ২ মাস করে ৪ মাস (এসএসসি ও এইচএসসি) নষ্ট হবে না।

    সুতরাং স্যার, চোরের ভয়ে মাটিতে ভাত খেলে চোরের কিছুই যাবে আসবে না। সরকারের বাজেট নেই বলে এই রকম পরীক্ষার জন্য সেন্ট্রাল ডাটাবেস এবং কম্পিউটার দেওয়া যাবে না বলে বিবৃতি দেওয়া অর্থহীন। বিসিএস মেডিকেলসহ সকল রকম পরীক্ষা সিসকো বা মাইক্রোসফটের ভেন্ডর পরীক্ষার মতো করলে আর কিছু না হোক, পেটে কিছু বিদ্যা নিয়ে পাশ করতে হবে।

    এই মতামত সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত।

    Reply
  51. তৌফিক

    স্যার, কী বলব, খুবই খারাপ লাগে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই অবস্থা দেখলে।

    এ রকম যদি চলতে থাকে তাহলে আর কিছু দিন পর বাংলাদেশ ‘শিক্ষিত’ মূর্খের রাজ্যে পরিণত হবে!

    Reply
    • আপেল

      সকল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাতেই এ রকম ঘটনা ঘটছেই। এখন পাবলিক পরীক্ষাতেও…!!!
      আমার মনে হয়, সব কিছুর আগে পরীক্ষা-নিরীক্ষা কমিটিকে সৎ ও স্বশিক্ষিত হতে হবে। নইলে দেশ একসময় তার হাল সঠিকভাবে ধরার মানুষ খুঁজে পাবে না… সত্যিই বড়ই আফসোস হয় এইসব শুনলে।

      আমাদের সাধারণ ছাত্ররা গাধার মতো পড়বে, আর প্রতিযোগিতায় না পড়েই অন্যরা সব ভালো ভালো ফল পাবে …। কী দারুণ!!!

      প্রশ্নই যদি ফাঁস হবে, তাহলে দেশের সাধারণ জনগণের টাকা দিয়ে কেনই-বা তাদের বেতন দিব… লজিক কোথায়???

      Reply
  52. একজন হতাশ ছাত্র

    বললাম, “শিক্ষামন্ত্রী যেটা বলেছেন সেটাই নিশ্চয়ই সত্যি। আসলে প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে বলে ঠোকা দিয়ে কিছু ছাত্রছাত্রীকে ঠকিয়ে কিছু মানুষ টাকা কামিয়ে নেয়। পরীক্ষা হয়ে যাবার পর সেই প্রশ্নটি দেখিয়ে হই চই করে।”

    …… আপনি শিক্ষামন্ত্রীর কথা বিনাবাক্যে মেনে নেন আর মেয়েটিকে সান্ত্বনা দেন! অথচ গেল চার-পাঁচ দিন ধরেই অনলাইনে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন আর তা নিয়ে মন্ত্রীর চৌদ্দপুরুষ উদ্ধার করা হচ্ছে। আর আপনি মেয়েটিকে এ কথা বলছেন!

    Reply
  53. মোঃ সাইদুজ্জামান

    এখন তো মনে হচ্ছে ভবিষ্যতে এটাই স্বাভাবিক পরীক্ষা পদ্ধতি হতে চলেছে!!!

    এভাবে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নষ্ট করার মানে কী?

    Reply
  54. iqbal

    স্যার, শুধু এইচএসসি নয়, সব পাবলিক পরীক্ষা এবং চাকরির নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়!

    এই দেশ আর দেশ নেই…….

    Reply
  55. Monoar

    আপনারা রাজাকার নিয়ে ব্যস্ত। প্রশ্ন ফাঁস হলেই বা আপনাদের কী! সাধারণ মানুষ মরুকগে।

    দেশে শিক্ষাই আর থাকবে না…. পঞ্চম শ্রেণির প্রশ্নও ফাঁস হয়েছিল!

    Reply
  56. একরামূল রাব্বি

    এখন আমি চাইলে স্টুডেন্টের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারি। তুলতে পারি, কারণ আমি তো এখন ভালো অবস্থায় আছি। আমি কয়েক বছর আগেই পাশ করছি। কিন্তু যে ছেলেটার
    আগামীকাল সকালে পরীক্ষা সে কীভাবে প্রশ্ন পেয়ে মুখ ফিরাবে? তার ফ্রেন্ডরা প্রশ্ন পেয়ে ৯০ পাবে আর প্রশ্ন কঠিন হওয়ায় সে কষ্ট করে পরেও ৭০ পাবে তা কে মানবে। রেজাল্টের সময় তো তাকে নিয়েই মানুষ হাসবে। তাই মানুষের হাসি-তামাশা থেকে বাঁচতেই হোক আর ভালো রেজাল্টের জন্য হোক, স্টুডেন্ট প্রশ্ন পেলে নিবেই।

    প্রশ্ন ফাঁসের জন্য কাউকে ধরতে হলে আসল জায়গাতেই যেতে হবে। প্রশ্ন তৈরি, সংরক্ষণ, ডিস্ট্রিবিউট এসব কিছুর দায়িত্বে তো শিক্ষাবোর্ডই থাকে। তাহলে প্রশ্নটা বাইরে আসে কেমন করে? ওই শিক্ষাবোর্ডের কেউই তো বাইরে পাঠায়। তাই শিক্ষামন্ত্রী বেশি উচ্চবাচ্য না করে এদের খুঁজে বের করলেই পারেন।

    শিক্ষামন্ত্রীর সততার কথা তো শোনা যায়। কিন্তু এখন কাজের সময় তা না দেখাতে পারলে সমস্যা হয়ে যায় আর কী!!!

    Reply
      • নাজিম

        এরপরও কি শিক্ষামন্ত্রী বলবেন যে, প্রশ্ন ফাঁস হয় না! এটা কোনো ব্যাপার নয়! বাংলাদেশে এখন অহরহ হচ্ছে……

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—