Feature Img

mahbub-fআমার প্রথম হাটা বাবা-মায়ের অনেকগুলো সুখের স্মৃতির মাঝে একটি। সময়ের সাথে সাথে সেই হাঁটতে শেখা আমি এই নগরে অনেকের মতোই পথচারী। একজন ব্যক্তি আরাম, স্বাচ্ছন্দ্য ও শারিরীক কষ্ট কমাতে গাড়ী ব্যবহার করে, লিফট ব্যবহার করে। আমি পথচারী হাটতে হাটতে ক্লান্ত হয়ে পড়ি, কষ্ট হয়, হাতে বোঝা থাকে তাই কষ্ট এড়াতে পর্বত সমান ফুটওভার ব্রিজ না ডিঙ্গিয়ে সমতলে রাস্তা পারাপার করি।

পথচারীদের সুবিধার কথা বিবেচনা না করে, গত ১ নভেম্বর ২০১০ থেকে পথচারীদের ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহারে বাধ্য করতে জেল প্রদানের ঘোষণা করা হয়েছিল। পথচারীদের প্রতি এধরনের মানসিকতা সত্যিই বিস্ময়ের। একজন ব্যক্তি শারীরিক পরিশ্রম কমাতে গাড়ীতে বসে এসি চালিয়ে দিব্যি চলে যাচ্ছে রাস্তা দিয়ে, তার কোন কষ্ট নেই। আমি পথচারী কষ্ট কমাতে স্বাচ্ছন্দ্যে সেই একই রাস্তা দিয়ে পায়ে হেটে সমতলে যেতে চাইলে জেল। আমার নিরাপদ যাওয়ার জন্য জেব্রা ক্রসিং মুছে দিয়ে তৈরি হয়েছে পর্বত সমান ফুটওভারব্রিজ। আমি মানুষ, আমি পথচারী, এটা কি আমার অপরাধ? তাই হলে কি যন্ত্রদানব গাড়ীর চেয়ে আমার মূল্য কম?

ডিসিসির ওয়েব সাইটে বলা হয়েছে, গাড়ীর নিরবচ্ছিন্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে পথচারীদের জন্য ফুটওভার ব্রিজ। বিআরটিএর তথ্য অনুসারে প্রতিদিন প্রায় ১৮৫টি গাড়ী ঢাকার রাস্তায় নামছে। বর্তমানে ব্যক্তিগত গাড়ীর সংখ্যা প্রায় ২ লক্ষ ১০ হাজার, যা মাত্র ২% মানুষের। অথচ ঢাকা শহরের প্রায় পঁচানব্বই শতাংশ মানুষ হাঁটা, পাবলিক বাস, সাইকেল এবং রিকশাসহ অন্যান্য গণপরিবহনে যাতায়াত করছে। যার অধিকাংশ পায়ে হেটে চলাচল করে থাকে। নগরে মাত্র ২% মানুষের যাতায়াতের বাহনকে সুবিধা প্রদানের জন্য ৯৫% মানুষের যাতায়াতকে উপেক্ষা করা যুক্তিসংগত নয়।

ব্যক্তিগত গাড়ীর সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহারে বাধ্য করা বা বাধ্য করতে জেলের মাধ্যমে পথচারীদের অপরাধী হিসেবে পরিণত করার পরিকল্পনা, বাংলাদেশ সংবিধানের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার অনুচ্ছেদ-১১, কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি অনুচ্ছেদ ১৪, সুযোগের সমতা অনুচ্ছেদ-১৯ (১) (২), আইনের দৃষ্টিতে সমতা অনুচ্ছেদ-২৭, জবরদস্তি শ্রম নিষিদ্ধকরণ অনুচ্ছেদ ৩৪ (১), চলাফেরার স্বাধীনতা অনুচ্ছেদ-৩৬ এর পরিপন্থী।

গুটিকয়েক মানুষের সুবিধা নিশ্চিত করতে গিয়ে প্রাইভেট কারকে প্রাধান্য দেওয়ায় এক দিকে যেমন সৃষ্টি হচ্ছে যানজট, অপর দিক অধিকাংশ মানুষ দূর্ভোগের শিকার হচ্ছে। এইচডিআরসি এর গবেষনায় দেখা যায় ঢাকা শহরের ৭৬ শতাংশ যাতায়াত ৫ কিমি এর নীচে যার মধ্যে আবার অর্ধেক ২ কিলোমিটারের মধ্যে চলাচল করে। এই দূরত্বে হেটে যাতায়াত করা সম্ভব। কিন্তু ঢাকায় হাঁটা-পথের বর্তমান দূরবস্থা সকলেরই জানা। ঢাকা শহরে পরিবহন সংক্রান্ত নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়নে “পথচারী প্রধান নীতি” বলা হলেও তা কাগজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

মানুষ যতক্ষণ হাটতে পারে ততক্ষণই সুস্থ। হেটে চলাচলকারীরা যাতায়াতের সাথে ব্যায়ামের সুবিধাও পাচ্ছেন। মানুষকে হাটাতে বাধ্য করার প্রয়োজন নেই, উপযোগী পরিবেশ পেলে অনেকেই হাটতে উৎসাহী হবেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সুস্থ থাকতে এবং শরীরের অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণে প্রতিদিন কমপক্ষে ত্রিশ মিনিট থেকে এক ঘন্টা হাটা প্রয়োজন। নিয়মিত হাটার ফলে হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়, উচ্চরক্তচাপ এবং ৩০ ভাগ হাইপারটেনশনের ঝুঁকি হ্রাস পায়, স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় ২৫ ভাগ ও কোলন এবং বৃহদন্তের ক্যান্সারের সম্ভাবনাও কমে, মন ভালো থাকে, বিষন্নতা কমায় ৪৭ শতাংশ এবং দীর্ঘমেয়াদি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়, হাড়ের ঘনত্ব বাড়ে, ক্ষয় কম হয়, জোড়াগুলো থাকে সুস্থ এবং ঝুঁকি কমে বাতের ব্যাথার, পরিবেশ দূষণ, অপরাধ, যানজট হ্রাস পায়, সামাজিক সম্পর্ক বৃদ্ধি পায়।

দিন দিন উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, স্ট্রোক, শাসতন্ত্রের দীর্ঘমেয়াদী রোগ, এবং ক্যান্সার এর মতো অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। বিশ্বে অসংক্রামক রোগে মোট মৃত্যুর ৬০ ভাগের জন্য দায়ী এ সকল রোগ, যার মধ্যে ৮০ ভাগ মুত্যু হয় আমাদের দেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে। এ সকল রোগের প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত প্রয়োজনীয় শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে প্রতিরোধ সম্ভব। প্রতিদিনের যাতায়াতে হেঁটে চলাচল করলে এই সুবিধা পাওয়া যাবে।

সকাল বেলা ঢাকা শহরের কিছু রাস্তায় দাড়ালে দেখা যায়, হেটে চলা মানুষের জনস্রোত। এ সকল রাস্তায় দাড়ালে হাটতে হবে না এমনিতেই মানুষের স্রোতে এক স্থান হতে অন্য স্থানে চলে যেতে হয়। এটি অধিকাংশ স্বল্প আয়ের মানুষের যাতায়াতের চিত্র। অপরদিকে সকাল-বিকাল শহরের বিভিন্নশ্রেণীর পেশার মানুষ হৃদরোগ, অতিরিক্ত মোটা হওয়া, স্ট্রোকসহ নানা সমস্যা হতে মুক্তি পেতে মাঠ পার্কগুলোতে হাটেন। অথচ পরিবেশ দূষণ, যানজট সৃষ্টিকারী গাড়ীর সুবিধার জন্য হাজার কোটি টাকার অবকাঠামো করা হচ্ছে। পরিবেশ দূষণ, যানজট, অবকঠামো খরচ বৃদ্ধি না করা পথচারীদের অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা সত্যিই বিস্ময়ের।

এক সময় ঢাকা শহরের প্রতিটি রাস্তায় হেটে পারাপারের জন্য জ্রেবা ক্রসিং ছিল। কিন্তু পথচারী অগ্রাধিকার দেওয়ার নামে মাত্র কয়েক বছরে এ সকল জেব্রা ক্রসিং তুলে দিয়ে স্থাপন করা হয়েছে ফুটওভার ব্রিজ। পর্বত সমান উচু এই ফুটওভার ব্রিজ কিভাবে পথচারী সহায়ক কার্যক্রম হয় তা বোধগম্য নয়। ফুটওভার ব্রিজ মানুষ কেন ব্যবহার করে না তা কি কখনো ভেবে দেখেছেন কেউ? ফুটওভার ব্রিজ প্রায় দুই/তিনতলা ভবনের সমান উচু, যা অতিক্রম করা খুবই কষ্টসাধ্য কাজ। মানুষ একটা নির্দ্দিষ্ট দূরত্ব হাটার পর এই উচ্চতা পাড়ি দিতে শারিরীকভাবে সমর্থ নয়। এছাড়া অসুস্থ, বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী, হৃদরোগী, গর্ভবতী মহিলা, শিশু, মালামালসহ পথচারীর জন্য এই উচ্চতা পাড়ি দেওয়া স্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ এবং অসম্ভব একটি ব্যাপার। আর ঢাকা শহরের ফুটওভার ব্রিজ পাড়ি দিতে অনেকদূর পথ অতিরিক্ত হাঁটতে হয়।

যেখানে দুই মিনিটে একজন মানুষ সড়ক পার হতে পারতো, সেখানে সড়কের অনেকখানি ঘুরে ফুটওভার ব্রিজ দিয়ে পার হতে যেমন অধিক পরিশ্রম হচ্ছে আবার সময়ও বেশি লাগছে। যারা ফুটওভার ব্রিজ তৈরির পরামর্শ দিয়ে থাকেন তাদের জন্য একটি অনুরোধ, ঘরে বা গাড়ীতে বসে পরিকল্পনা না করে, একজন সাধারণ মানুষের মতো নিয়মিত হেটে পরীক্ষা করে দেখুন, আপনি নিজে ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করতে পারেন কি না? যদি পারেন তাহলেই ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের সুপারিশ করুন। যদি অধিকাংশ মানুষের জন্য পরিকল্পনা না করে, নিজ ও ধনীদের ব্যক্তিগত বাহনের যাতায়াত সুবিধা নিশ্চিত করতে চান, তবে একথা প্রাসঙ্গিক নয়।

বাংলাদেশে প্রচুর মানুষ আর্থরাইটিস ও হৃদরোগ সংক্রান্ত সমস্যায় ভোগেন। শারীরিক প্রতিবন্ধীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য। যাদের মধ্যে অনেকেই হেটে যাতায়াত করেন। তারা কিভাবে এই পর্বত অতিক্রম করবে? আসলে যারা এই ফুটওভার ব্রিজের পরিকল্পনা করেন তারা হয়তো শৌখিন পথচারী। ঘরে বসে ও গাড়ীতে চড়ে পরিকল্পনা করতে করতে তারা সাধারণ মানুষের হাটতে কি কষ্ট হয় তা ভুলে গেছেন। সাধারণ মানুষের যাতায়াত সুবিধা নিশ্চিত করা তাদের মাথাব্যাথা নয়। নিশ্চিত করতে হবে গাড়ীর চলাচল।

এ শহরে যেখানে অধিকাংশ মানুষ হেটে চলাচল করে তাদের জন্য জ্রেব্রা ক্রসিং বৃদ্ধি না করে কেনই বা পর্বত সমান ফুটওভার ব্রিজ তৈরি করা হচ্ছে যা সত্যিই বিস্ময়ের বিষয়। বিদ্যমান ফুটওভারব্রিজগুলো যখন মানুষ ব্যবহার করছে না, তখন নতুন নতুন ফুটওভারব্রিজ তৈরির কোন যুক্তিকতা নেই। তথাপিও নতুন নতুন তৈরি হচ্ছে ফুটওভার ব্রিজ। কিছু স্থানে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার লোকদের দিয়ে ব্রিজে উঠতে বাধ্য করানো হচ্ছে । ফুটওভার ব্রিজের স্থানে ব্যারিকেড তৈরি করা হচ্ছে যাতে মানুষ যত্রতত্র দিয়ে পারাপার না হতে পারে। এ প্রক্রিয়া জনগনের জন্য আরামদায়ক ও সুবিধাজনক নয়। কতিপয় ব্যক্তি মানুষের সুবিধা ও মতামত বিবেচনা না করে এ সকল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। যা হাটা-মানুষের প্রতি উপহাস বা অবহেলা হিসেবে প্রতীয়মান হয়। রাষ্ট্রীয় কোষাগারের অর্থে সরকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অধিকাংশ মানুষের সুবিধার প্রতি অবহেলা অসংবিধানিক ও অগণতান্ত্রিক।

অবকাঠামোগত পরিবেশ মানুষের মনের উপর প্রভাব ফেলে তাই হাঁটার জন্য সুন্দর, মনোমুগ্ধকর আর প্রাকৃতিক পরিবেশ তৈরী করতে হবে। ফুটপাত এমনভাবে তৈরি করতে হবে একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিও যেন নির্বিঘ্নে সাড়া শহরে চলাচল করতে পারে। উন্নত দেশের অভিজ্ঞতার আলোকে বলা যায়, সড়কে সমতলে পারাপারের ব্যবস্থা থাকবে। ফুটপাত চওড়া ও সমতল হওয়া প্রয়োজন। ফুটপাতে গাছের ছায়া এবং রাতে আলোর ব্যবস্থা থাকবে, পথচারীদের আকর্ষণ ও নিরাপত্তা দিতে হকারদের নিয়ন্ত্রিতভাবে বসার ব্যবস্থা থাকবে, রাখা যেতে পারে শৌচাগার, পাবলিক বাসের স্ট্যান্ড, পথচারীদের বসার জন্য একটু ব্যবস্থা। শব্দ দূষণ, বায়ু দূষণ ও বেপরোয়া গাড়ীচালনা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। ফুটপাতে গাড়ী পার্কিং নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি ডাস্টবিনগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন।

সড়ক পরাপারে নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য চলাচল নিশ্চিত করতে ঢাকার সকল রাস্তায় নির্দ্দিষ্ট বিরতিতে পথচারী পারাপারের চাহিদা নিরূপন সাপেক্ষে জেব্রা ক্রসিং তৈরি, জেব্রা ক্রসিংয়ের পূর্বে সতর্কতামূলক সাইন স্থাপন, জেব্রা ক্রসিংগুলোতে গাড়ী গতি ধীর করতে এবং পথচারীদের অগ্রাধিকার দিতে চালকদের সচেতন করা, জেব্রা ক্রসিংয়ের পূর্বে গাড়ি থামানোর ব্যবস্থা, শহরে গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ করাসহ নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।

তবে সর্বোপরি ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহারে বাধ্য করতে জেল জরিমানা প্রদানের মতো পরিকল্পনা বা মানসিকতা পরিবর্তন করা প্রয়োজন। গুটি কয়েক ব্যক্তির জন্য অধিকাংশ মানুষের সুবিধাকে অগ্রায্য করার মতো পরিকল্পনা বা কার্যক্রম জনমনে সরকার ও মন্ত্রণালয় বিষয়ে বিরূপ প্রভাব ফেলে। “পথচারী প্রধান নীতি” অনুসারে পথচারীদের অগ্রাধিকার প্রধান করা প্রয়োজন।

পথচারীদের অপরাধী হিসেবে না দেখে, হাটাকে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। কারণ হেটেচলা মানুষগুলো জায়গা কম দখল করে, পরিবেশ দূষণ, শব্দদূষণ, বায়ুদূষণ করে না, তাদের জন্য ফ্লাইওভার, এলিভেটর এক্সপেসওয়ে বা পার্কিং প্রয়োজন হয় না।

৪৬ Responses -- “আমি পথচারী, অপরাধী নই!”

  1. Afsana Koli

    ভাল লিখেছেন। প্রানের মায়া সবারই আছে তবুও মানুষ ফুটওভার ব্রিজে ওঠে না কেন সেই ব্যাখ্যাটা পরিষ্কার হয়েছে।

    Reply
  2. ড. এম. এ ওবায়দুল্লাহ

    আমার মনে হয়, এই পত্রিকায় এ নাগাদ যে আলোচনা হয়েছে এবং যেসব মতামত দেওয়া হয়েছে তার একটি প্রতিলিপি সড়কে ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণকারি কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা উচিত। ধন্যবাদ।

    Reply
  3. Syed Saiful Alam

    প্রাণবন্ত শহরের জন্য হাঁটার উপযোগী পরিবেশ প্রয়োজন

    মানুষের দৈনন্দিন জীবন-যাত্রায় যাতায়াত ব্যবস্থা খুবই জরুরী। আমাদের দেশে বিশেষ করে ঢাকা শহরের যাতায়াত সুবিধা নিশ্চিত করতে গিয়ে সুস্থ-স্বাভাবিক জীবন-যাপনের মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি অবহেলিত হচ্ছে।

    শহরের পরিবহন পরিকল্পনায় যান্ত্রিক যানবাহনকে সর্বাধিক প্রাধান্য দিয়ে প্রয়োজনে কিংবা অপ্রয়োজনে নগরবাসীকে যান্ত্রিক যানবাহনের উপর নির্ভরশীল করে তোলা হচ্ছে। একারনেই হাঁটার বিষয়টি একদিকে যেমন গুরুত্ব পাচ্ছে না, অপরদিকে মানুষ হাঁটার সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে। এ জন্য দায়ী ফুটপাত এবং রাস্তায় চলাচলের প্রতিকুল পরিবেশ। যে কোন দূরত্বে যাতায়াত করতে যান্ত্রিক যানবাহনের ব্যবহার বেড়ে চলছে প্রতিনিয়ত। শহরে বাড়তি যানবাহনের জন্য তৈরি হচ্ছে যানজট, বাড়ছে জ্বালানী নির্ভরতা, বায়ূদূষণ, শব্দদূষণ। গাছ কেটে, ফুটপাত ভেঙ্গে প্রশস্ত করা হচ্ছে রাস্তা, নির্মাণ করা হচ্ছে ফ্লাইওভার। এসব কারণে দিনে দিনে বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে নগরী। এই অবস্থার পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন হাঁটার উপযোগী পরিবেশ গড়ে তোলা। যেখানে মানুষ নগর জীবনের ব্যস্ততার সাথে তাল মিলিয়েই হাঁটার প্রতি আগ্রহী হবে।

    হাঁটার পরিবেশ তৈরিতে অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি অন্যান্য পরিবহনের ব্যবহার, সার্বিক পরিবেশ, সামাজিক সমস্যাগুলোর প্রতি গুরুত্ব প্রদান না করা হলে, মানুষ হাঁটতে উৎসাহী হবে না। হাঁটার পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে পার্ক/খোলা জায়গা, জ্বালানিমুক্ত যানের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং যান্ত্রিকযান বিশেষ করে প্রাইভেট গাড়ীর ব্যবহার হ্রাস, পথচারীদের সামাজিক ও মানসিক দৃষ্টিভঙ্গি, ফুটপাতের বিদ্যমান সমস্যা ও সুবিধাগুলো চিহ্নিতসহ নানা ধরণে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

    Reply
  4. Syed Saiful Alam

    ইমারত নিমার্ণ বিধিমালাসহ সিটি করপোরেশন, রাজউক থেকে শুরু করে সকল প্রতিষ্ঠানই আইন করে প্রতিটি স্থাপনার সঙ্গে প্রাইভেট কারের জন্য বাধ্যতামূলক পার্কিং প্লেস তৈরি করার বিধান করেছে।

    কিন্তু এ শহরে জীবনের প্রয়োজনীয় গাছের জন্য একটুখানিক মাটি পাওয়া কঠিন। প্রতি ইঞ্চি ইঞ্চি জায়গা ইট, সুরকি দখল করে নিচ্ছে। সবচেয়ে প্রিয় সন্তানকে বাসায় একটু খেলার স্থান দিবে তাও সম্ভব নয় । কিন্তু প্রাইভেট কার !!!

    এভাবে প্রাইভেট কারকে স্থান দিতে থাকলে একদিন মানুষ পুরোপুরি গাড়ির দাস হয়ে পড়বে। এইভাবে ধারাবাহিকতায় চলতে থাকলে গাড়িকে স্থান দিতে শহর থেকে মানুষ বের করে দিতে হবে।

    Reply
  5. কিশোয়ার লায়লা

    ড। ওবায়দুল্লাহ সাহেব
    হ্যাঁ। আমি আপনার সাথে একমত যে পথচারীদের প্রাধান্য প্রায় সব দেশেই। আমারো প্রায় দুই ডজন দেশ ঘুরার সৌভাগ্য হয়েছে। কিন্তু আমি কোথাও দেখিনি, পথচারীরা রাস্তার যেকোন জায়গা দিয়ে হঠাৎ করে দৌঁড় দিয়ে পার হয়! এটা বোধ হয় শুধু বাংলাদেশে সম্ভব। পথচারীদের জন্য আলাদা সিগন্যাল পর্যন্ত আছে সব দেশে। তাই ধাবমান গাড়ি গতি রোধ করতে বাধ্য থাকে। কিন্তু গোটা রাস্তার সব জায়গা দিয়ে পথচারীরা পারাপার করলে ধাবমান গাড়ির পক্ষে গতি রোধ করা সম্ভব নয়। পথচারীদের জন্য নির্দিষ্ট একটি জায়গা বা সিগন্যাল থাকবে। তখনই গাড়ি গতি কমাতে পারবে।

    ধন্যবাদ।

    Reply
    • Dr M A Obaydullah

      ধন্যবাদ আপনাকে, কিশোয়ার লায়লা, আপনার মন্তব্যের জন্য। তবে একথা অশ্বীকার করার উপায় নেই যে, পথচারিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা-সংবলিত যে আইন সরকার প্রবর্তন করেছেন তা নিসন্দেহে বাস্তবসম্মত আইন নয়। যাহোক, আমার মনে হয় এখানকার রাস্তার মান খুবই খারাপ এবং রাস্তার পরিমাণের তুলনায় যন্ত্রযানের সংখ্যা অনেক বেশী। এর প্রধান কারণ, সরকারি পরিবহণ সেবার অত্যন্ত অপ্রতুলতা – প্রকৃতপক্ষে শূন্যতা। আর একারণে এই হযবরল অবস্থা।

      Reply
  6. Nath

    কি আর লিখব। আসলে যিনি লিখেছেন, তিনি তার মতো করে লিখেছেন। আসলে তার কথা এক দিক থেকে ঠিক আছে, আবার অন্ন দিক থেকে নেই। আমাদের দেশের শত্করা ৯০ ভাগ লোক আইন মেনে চলেন না। বাইরের দেশের সাথে আমার দেশের তুল্না করে কোনো লাভ নেই। কারন বাইরের দেশের লোকেরা আইনকে শ্রধা করে, কিন্তু আমাদের দেশে,,,,,,,,। যাই হোক না কেন আমাদের আগে নিজেদের সচেতণ হতে হবে আর আইনের প্রতি শ্রধাশীল হতে হবে। তাহলে আর এই সকল সমস্সা থাকবে না।

    Reply
    • Syed Mahbubul Alam

      মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ… আমাদের আইনগুলো তৈরির প্রক্রিয়ায় জনগনকে সম্পৃক্ত করা হয না। কোন আইনের ক্ষেত্রেই জনগনের মতামত নেয়া হয় না। উপনিবেশিক মনমানসিকতার মাধ্যমে আইন তৈরি হয় জনগনকে দাবাতে বা চাপাতে। তাই আইন মানার প্রতি মানুষের উদাসীনতা। আমাদের যে সকল আইন রয়েছে সে সকল আইনগুলো বিট্রিশ আমলে। তাদের চিন্তা ছিল মানুষকে দমিয়ে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করা। আর আমাদের দেশের মানুষের অভ্যাস সেই সকল নিয়ম ভংগ করা বা প্রতিবার করা। সেই সকল আইন বা মানসিকতা দিয়ে যদি বাস্তবায়নের চিন্তা করা হয় তা যুগপোযোগী নয়।

      Reply
  7. হুলো বিড়াল

    যাদের অনেক তাড়া, তারা ওভারব্রীজ ব্যবহার না করে, এর নিচ দিয়ে ই পার হবে, মাঝখান থেকে ফয়দা লুটবে ট্রাফিক পুলিশ। দেশের ট্রাফিক পুলিশদের আরেকটা ইনকাম সোর্স বানানো হলো আর কি। যার সময়ের অনেক দাম,প্রয়োজনে সে কি ট্রাফিক পুলিশকে কিছু ঊৎকোচ দিয়ে ওভার ব্রীজের নিচ দিয়ে পার হতে দ্বিধাবোধ করেবে????

    Reply
    • Syed Mahbubul Alam

      ট্রাফিক পুলিশ বলেন আর পুলিশ বলেন। আমাদেরই সংস্থা। তাই দোষ চাপিয়ে লাভ নেই। যদি জেব্রা ক্রসিং ব্যবস্থা করে দেয় তবে মানুষ এই পথদিয়েই চলাচল করবে… তাতে অনিয়মত হবে না। সমস্যা হচ্ছে মানুষের সুবিধা বিবেচনা না করে ফুটওভার ব্রিজ দিয়ে যেতে চাপিয়ে দেয়া হচ্চে। এটাই একটি অনিয়িমত। একটি অনিয়ম আরো অনিয়মের জন্ম দেবো তাই স্বাভাবিক।

      Reply
  8. iftekhar

    লেখার বিষয় বস্তু অপ্রাসংগিক। যদিও একথা ঠিক যে বাংলাদেশে হাটা চলার সুন্দর ব্যবস্থা নেই।

    আমাদের দেশে প্রতিদিন য্ত দূরঘ্টনা হ্য়, তা পৃথিবির আর কোথাও হয় কিনা যথেষ্ট চিন্তার বিষয়। পৃথিবির অনেক দেশেই, ব্যস্ত রাস্তাতে পথচারিদের পারাপারের জন্য রা্স্তার নিচ দিয়ে সুরংগো করা আছে। আমি নিজেও একজন পথচারি, সুতরাং জীবনের নিরাপত্তার খাতিরে ওভার ব্রিজ ব্যবহার না করার যুক্তি আমার কাছে অযোক্তিক এবং দূরবোধ্য। লজ্জার বিষয় হলো, পুলিশকে দিয়ে আমাদের নিয়্ম মানতে বলতে হ্য়। কিন্তু আমাদের তো উচিত নিজ দায়িত্তেই নিয়্ম মেনে চলা।

    Reply
    • Syed Mahbubul Alam

      লেখার বিষয় বস্তু কেন অপ্রাসংঙ্গিক তা বলেননি। আমাদের দেশকে এত ছোট করে দেখার কিছু নেই। পৃথিবীর অনেক দেশ আছে যাদের রোড এক্সসিডেন্ট আমাদের থেকে বেশি। যত রোড বাড়বে দূঘর্টনা তত বাড়বে। দুরবতী যাতায়াতের ক্ষেত্রে রেলকে অগ্রাধিকার প্রদান করা প্রয়োজন। কেন মানুষ ওভার ব্রিজ পার হয় না তা আমি যুক্তি দিয়েছি। হাটাকে একটি যাতায়াতের মোড হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে।

      Reply
  9. অভিজিত সাহা

    আপনার লেখার পক্ষে অথবা বিপক্ষে বলবনা, শুধুমাত্র নিয়ম মেনে চল্লে গাড়ীর যাত্রী বা পথচারি সবাই রাজপথ ব্যবহার করতে পারত। কোন ধরনের ফুট ওভারব্রীজ এর প্রয়োজন পরত না। আমাদের আইন মেনে চলার মানষিকতা থাকতে হবে। না হলে জেল জরমানা করে কোনই ফল হবে না।

    Reply
    • Syed Mahbubul Alam

      ভাই এ দেশ আমাদের… আমাদেরই চেষ্টা করতে হবে দেশকে এগিয়ে নিতে। আমরা যদি নিজেরে স্বার্থ না দেখি কেউ দেখবে না। এ দেশে পৃথিবীর আর্দশ দেশগুলোর মধ্যে একটি হবে…এটা আমার বিশ্বাস

      Reply
  10. মারুফ রহমান

    আমাদের চলমান ক্ষয়িষ্ণু সমাজ ব্যবস্থায় কেউ কেউ আপনার এই লেখার বিরোধিতা করবেন এটাই স্বাভাবিক, আবার সঙ্গেও পাবেন অনেককেই। আপনার চিন্তা এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রচেষ্টায় পাশে আছি।

    Reply
    • জাহাঙ্গীর আলম

      জেব্রাক্রসিং সঠিকভাবে ব্যবহার করার বন্দোবস্ত করলে/অটো ট্রাফিক সিগন্যাল সিস্টেম কার্যকর করলে একদিকে যেমন ফুটওভার ব্রীজ তৈরীর কোটি কোটি টাকা বাচঁবে অন্যদিকে যাদের জন্য (বৃদ্ধ, অসুস্থ, প্রতিবন্ধী, ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত পথচারী)গগণচুম্বি ঐ ফুটওভার ব্রীজ আরোহন করা অসম্ভব তাদের জন্য প্রকৃতই উপকার হবে। পৃথিবীর উন্নত কোন দেশে এরকম গগণচুম্বি ফুটওভার ব্রীজ নেই তারা জেব্রাক্রসিং ব্যবহার করে রাস্তা পাপাপার হয়।

      Reply
  11. বিপ্লব

    ভাই সৈয়দ মাহবুবুল আলম আপনার লেখাটি অনেক বড়। তাই সবটুকু পড়ার ধৈর্য্য পেলাম না। তবে বুঝতে পারছি আপনি মূখ্য কে গৌণ আর গৌণ কে মূখ্য ভাবতে ভালবাসেন।ভাই আপনি যদি আপনার প্রখর মেধা আর সময় কে জনগনের কিংবা গাড়ি চালকদের যেসব অসচেতনতার কারনে রাস্তাঘাটে যানজটের সৃষ্টি হয় তার পিছনে ব্যয় করেন তা অনেক বেশি ফলপ্রসূ হবে।

    Reply
    • Syed Mahbubul Alam

      ভাই… যানজটের বিষয় নিয়েও লিখি… মানুষের হাটার জন্য ভাল ব্যবস্থা করা হলে যানবাহনের উপর চাপ কমবে… যেমন ধানমন্ডি অনেক মানুষ নুন্যতম দুরত্বে তাদের সন্তানকে গাড়ীতে করে স্কুলে নিয়ে আসে। স্কুলে আসা গাড়ীগুলো ঢাকা যানজটের কারণ। আপনার পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ। মূখ্য বা গৌন তা অপেক্ষা আমি বিবেচনা করি মানুষ ও যন্ত্রের অধিকার… মানুষের অধিকার থাকলে তা যত ছোট হোক তা বলি।

      Reply
  12. Dr. Mohammad Abul Hasan

    An excellent analytical work.I do appreciate from my core of heart.One thing I would like to mention that the analyst has made a link between walking and health very perfectly.He rightly mentioned about overbridge but what about underpass.He focused on Dhaka but what about other cities i.e.Chittagong, Sylhet, Barishal, Khulna, Rangpur and Rajshahi.I feel unhappy when I cant walk.But whom to tell this where nobody cares for others’ comfort specially, for women and children,who are vulnerable.I hope Tahin’s good endeavour would make us aware to make room for padestran.

    Reply
  13. কিশোয়ার লায়লা

    আপনার লেখা পুরোটা আমি পড়িনি। কারন প্রথম দুই অনুচ্ছেদ পড়েই আমি অবাক হয়েছি। কারণ আপনি অযৌক্তিক কারণ দিয়ে শুরু করেছেন।
    ফুট ওভারব্রীজ দিয়ে রাস্তা পারাপার করলে শুধু যান চলাচল স্বাভাবিক হয় না। আপনার আমার মূল্যবান জীবন নিরাপদ হয়। এটা ঠিক যে ঢাকার রাস্তার জেব্রা ক্রসিং মুছে ফেলা হয়েছে। কিন্ত যখন ছিল, আদৌ কী আমরা জেব্রা ক্রসিং মেনে চলেছি? বা আবারো যদি জেব্রা ক্রসিং দেয়া হয়, আমরা কি মানবো?
    শারিরীকভাবে অক্ষম, বৃদ্ধ বা প্রতিবন্দ্বী ছাড়া আর কেউ কেন ফুট ওভারব্রীজ ব্যবহার করবে না?
    আপনি বাংলামোটর এ দেখেছেন? হাজার হাজার লোক ফুট ওভার ব্রীজের নীচ দিয়ে এমন একটা ব্যস্ত সড়ক পার হয়। কেন? নিজ বাসার পাঁচ/ছয় কিংবা সাত তলাতে কী ঐসমস্ত লোক প্রতিদিন ওঠানামা করে না? একটু কষ্টের জন্য জীবনকে কেন ঝুঁকির মধ্যে ফেলে?
    আমি তো মনে করি মাথার ওপর ব্রিজ রেখে যে সমস্ত লোক রাস্তা দিয়ে পার হয় তাদের শুধু জেল জরিমানা না, তাদের লাঠিপেটা করা উচিত।
    সমাজে দুরকম লোক অবশ্যই থাকবে। কেউ গাড়ি চড়বে। কেউ পায়ে হাঁটবে। আমি আর আপনি গাড়ি চড়তে পারবো না বলে যারা এসির হাওয়া খেয়ে রাস্তায় ঘুরে বেড়াবে তাদের দোষ দিতে পারবো না। আবেগ দিয়ে নগর জীবন চলে না। নিয়মের মধ্যে চলাই বোধ হয় নাগরিক জীবন। হ্যাঁ, আমাদের দরকার অন্যকিছু। অর্থাৎ, বেশি করে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট, শক্ত নিয়ম, সচেতনতা এবং নিয়ম মানার মানসিকতা। নিজের জীবনের মায়া থাকলে একটু নিয়ম মেনে দেখি না ভাই! ক্ষতি তো নাই। সবসময় সরকার আমাদের জন্য সব করবে তা কেন? আমরাও একটু করি।
    ধন্যবাদ

    Reply
    • Robin

      Just think about the old persons and those who’s physical conditions are not good enough to cross over the overbridge……!!
      U can’t support to punishment of jail or “Lathi-peta(beat with sticks)”. How can u think so?? horrible ….!!
      Shame on u “Kishor Laila”…..!!

      U should know Pedestrian have 1st priority every where in the world.

      Reply
    • Syed Mahbubul Alam

      ভাই যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং যানজট এই দুটি ভিন্ন বিষয়। আমাদের দেশে যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়নের কথা ভাবা হয় না। সমস্যার কারণ চিহ্নিত না করে সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়। যানজট এমন একটি বিষয়। হাটার অবস্থার অবনতি হলে ব্যক্তি পরিবহন বৃদ্ধি পাবে যা যানজটকে বৃদ্ধি করবে

      Reply
  14. সাজু

    ধন্যবাদ লেখককে।
    শ্রেণী বৈষ্যম্যের এই সমাজে সাধারণ মানুষের কথা কেউ ভাবেনা। রাষ্ট্র এখানে গাড়ীর মালিকদের কথাই ভাববে, আমাদের মতো মানুষের কথা নয়।

    Reply
    • Dr M A Obaydullah

      কী বিষয়ে আপনি একমত নন তা লিখে জানালে ভালো হয়। কারণ, সারা দুনিয়ার অর্ধেক ঘুরে দেখেছি সর্বত্র পথচারিদের অগ্রাধিকার। ১৯৮৬ সালে জার্মানির বার্লিন এবং রাশিয়ার লেনিনগ্রাদে গিয়ে দেখলাম এবং জানলাম য়ে, পথচারিরা রাস্তা পার হওয়া শুরু করলে ধাবমান যেকোন যান থেমে যেতে আইনত বাধ্য। এর অন্যথা হলে মোটরযান আইনে যান মালিকেরা দোষী সাব্যন্ত হবেন এবং জরিমানা দিতে বাধ্য হবেন। সুতরাং একথা স্বীকার করতেই হয় যে, আমাদের এখানে জারি বিভিন্ন কালো আইনের মধ্যে এটি একটি।

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—