Feature Img

এম এম আকাশ
এম এম আকাশ
রানা প্লাজার ট্র্যাজিডি নিয়ে অনেক লেখা, অনেক সেমিনার, অনেক বিবৃতি, পাল্টা-বিবৃতি, অনেক মিছিল, পাল্টা-মিছিল দেশে-বিদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখন সময় হয়েছে এর একটি গ্রহণযোগ্য ইতি টানার। মহামান্য হাইকোর্ট নির্দেশিত ‘রানা প্লাজা দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ’ কমিটির অধীনে একটি উপ-কমিটির প্রধান হিসেবে কাজ করতে গিয়ে আমার যে অভিজ্ঞতা হয়েছে তা তুলে ধরে সেই লক্ষ্যে কিছু প্রস্তাবনা পেশই এই লেখার উদ্দেশ্য।

গত বছরের একটি সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ছিল রানা প্লাজা দুর্ঘটনা। বিশ্বে কোনো একক দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যার বিচারে শুধু নয়, শ্রমজীবী মানুষের প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও লোভের বিচারেও এটি ছিল এক অনন্য হৃদয়বিদারক ঘটনা। সেদিন যে দুর্ভাগা শ্রমিকরা কারখানায় কাজ করতে ঢুকেছিলেন, তারা প্রথমে সেখানে ঢুকতে চাননি। তাদের সন্দেহ ছিল যে এই ভবনটা যে কোনো সময় ধসে পড়তে পারে।

কিন্তু ভবনের মালিক ও ভেতরে অবস্থিত চারটি কারখানার মালিকদের কাছে দ্রুত অর্ডারের সাপ্লাই নিশ্চিত করাই ছিল প্রধান বিষয়। এতে তাদের মুনাফা নিশ্চিত হবে ঠিকই কিন্তু প্রাণিহত্যার ঝুঁকি যে থেকে গেল সেটা নিয়ে তাদের কোনো চিন্তা ছিল না। সুতরাং তারা সেদিন প্রাণ হাতে নিয়ে কাজে যোগ দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে এ কথাও প্রকাশিত হয়েছে যে, সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসমূহ দুর্ঘটনার আগে এ দালান পরিদর্শনে এসেছিলেন কিন্তু যথাযথ প্রতিব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।

রানা প্লাজা দুর্ঘটনার সেই ভয়ানক চিত্র
রানা প্লাজা দুর্ঘটনার সেই ভয়ানক চিত্র

এ কারণেই আজ অনেকে মনে করেন, ‘এনাফ ইজ এনাফ’। এইসব উদাসীন লোভী লোকদের শাস্তি দিতে হবে এবং তাদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করে নিতে হবে। কারণ সমগ্র বিশ্বকে আজ একটি সিগন্যাল দেওয়া প্রয়োজন; সেটি হচ্ছে– প্রাণের বিনিময়ে মুনাফা উপার্জন চলবে না।

তবে কেউ কেউ বলতে পারেন, এই শিল্প বাংলাদেশে ৪৪ লাখ শ্রমিকের চাকরির নিশ্চয়তা দিচ্ছে, ২৪ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় সৃষ্টি করছে। বিশ্বের তুলা উৎপাদনকারী দেশ না হওয়া সত্ত্বেও, বাংলাদেশ দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক সরবরাহকারীর মর্যাদা অর্জন করেছে। সামনে রয়েছে অবারিত বিপুল সম্ভাবনা। সুতরাং এই মালিকরা যদি নিয়ন্ত্রিত হওয়ার ভয়ে বিনিয়োগই বন্ধ করে দেন তাহলে কী হবে? এ আশংকা আসলে কতটুকু সত্য?

আমরা জানি, বাংলাদেশের বিদ্যমান পোশাক শিল্পের ইতিহাস কমবেশি ত্রিশ কী পঁয়ত্রিশ বছরের। এই সময়ে একটি শিল্পের এ রকম উল্কাসদৃশ অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে সস্তাশ্রমসহ কতগুলো বিশেষ সুবিধা এবং নিয়ন্ত্রণহীন বিকাশের সুযোগ থাকার দরুণ। যেমন ধরুন, ভাড়া করা বাসাবাড়িতে ছোট্ট একটি মেশিন বসিয়ে একটি পোশাক শিল্পের যাত্রা শুরু হয়েছে, সেটা শিল্পের ষ্ট্যার্ন্ডাড আইনে কখনও অনুমোদনযোগ্য ছিল না। পরবর্তী ধাপে এটা ‘শেয়ারড বিল্ডিঙে’ পরিণত হয়েছে। রানা প্লাজাতেও একই রকমভাবে চার-চারটি ফ্যাক্টরি একই বিল্ডিংয়ে ভাড়া নিয়ে চালু ছিল।

এ কথাও সবাই মানেন যে, বাংলাদেশে জমি খুবই ব্যয়বহুল ও দুষ্প্রাপ্য। সুতরাং শেয়ারড বিল্ডিঙের বিকাশ হরাইজোন্টালি (আনুভূমিকভাবে) সম্ভব ছিল না। স্বাভাবিকভাবেই এর বিকাশ হয়েছে উল্লম্বিকভাবে (ভার্টিক্যালি)। বাড়তি ভাড়ার লোভে পড়ে বাড়ির মালিকও একের পর এক তলার সংখ্যা বাড়িয়ে গেছেন!

এছাড়াও পোশাক শিল্পের একটি অত্যাবশকীয় যন্ত্র হচ্ছে কাপড় শুকানোর যন্ত্র। একটি বড় কাপড় শুকানোর যন্ত্র বিপুল মাত্রার কম্পন সৃষ্টি করে এবং দীর্ঘদিন এই কম্পনের শিকার হলে একটি সুসংবদ্ধ দালানও ক্রমশ দুর্ঘটনাপ্রবণ হয়ে পড়ে। আমরা এও জানি বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহ মোকাবেলা করার জন্য পোশাক শিল্পের মালিকরা প্রাইভেট জেনারেটর বসিয়েছেন। এই জেনারেটরের কম্পনও বিল্ডিঙের দুর্ঘটনা প্রবণতা বৃদ্ধি করে।

সুতরাং এ কথা ঠিক, যত নিরাপত্তা আইন বলয়ই আমরা তৈরি করি না কেন, যত নিয়ম-কানুনই তৈরি করি না কেন, তা ফাঁকি দেওয়ার স্বাভাবিক বিষয়গত একটি প্রবণতা পোশাক শিল্প মালিকদের মধ্যে প্রথমদিকে হয়তো থাকবে। ধরা যাক, আমরা কঠিন কঠিন নিয়ম-কানুন তৈরি করলাম। সেগুলো কার্যকর করতে গেলে পরে বিপুল পরিমাণ খরচের প্রয়োজন হয়। সেগুলো বহন করা কি ছোট ও মাঝারি কারখানার মালিকদের পক্ষে সম্ভব হবে?

এ কথা সহজেই অনুমেয় যে, এই ধরনের প্রথম প্রজন্মের পুঁজিপতিরা পুঁজির অভাবের কারণে একবারে বিপুল বিনিয়োগে সমর্থ নয়। সুতরাং বাস্তব সমাধানটা কী হতে পারে? যাতে লাঠিও ভাঙবে না কিন্তু সাপও মরবে!

ইতিহাসের অন্যতম মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় স্বজনহারাদের আহাজারি
ইতিহাসের অন্যতম মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় স্বজনহারাদের আহাজারি

আমি প্রস্তাব করছি, সরকার বর্তমানে যে উৎস কর সংগ্রহ করেন পোশাক শিল্প খাত থেকে, সেটার অংশবিশেষ সেই সব মালিকদের ‘ম্যাচিং গ্র্রান্ট’ বা ‘বিনাসুদে ঋণ’ হিসেবে প্রদান করুন যারা শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ কর্মস্থল তৈরির লক্ষ্যে বিনিয়োগ করতে সম্মত ও প্রস্তুত রয়েছেন। এর অর্থ দাঁড়াবে এই, ছোট ও মাঝারি কারখানাগুলো যদি প্রথমে নিজেদের খরচে নিরাপত্তা ঝুঁকি কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ নিষ্পন্ন করে, তাহলেই তাদের সেই ক্যাশ ইনসেনটিভ দেওয়া হবে। বড় কারখানার মালিকদের কারখানাগুলো যেহেতু কমবেশি কমপ্লায়েন্ট, সেহেতু সেখানে কোনো ক্যাশ ইনসেনটিভের প্রয়োজন নেই।

এর ফলে একই সঙ্গে পোশাক শিল্পের মালিকদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ উপকৃত হবেন এবং এখন যেভাবে রাঘব বোয়ালেরা ছোট মালিকদের গ্রাস করতে উদ্যত হয়েছেন, তা কিছুটা সংযত হবে। সরকারের উচিত দুর্বলকে সাহায্য করা, সবল পুঁজিপতিদের যাদের প্রয়োজন নেই তাদেরকে নয়।

রানা প্লাজার ঘটনাটি অবশ্য সম্পূর্ণ একটি অদ্বিতীয় ঘটনা। কিন্তু এখানকার মালিকরাও ছিলেন ছোট বা মাঝারি স্তরের মালিক। সাব-কন্ট্রাক্টের মাধ্যমে তারা বড় কাজ হাতে নিয়েছিলেন। সেখানে তারা তাড়াহুড়ো করেছিলেন এবং লোভ সামলাতে সক্ষম হননি। সুতরাং সেখানে এবার যে ক্ষতিপূরণের মাত্রা নির্ধারিত হয়েছে, সেটি শুধু এখানকার জন্যই প্রযোজ্য। এখানে কি কোনো ভর্তুকির প্রয়োজন রয়েছে বিশেষত যদি তাদের কাছে প্রয়োজনীয় অর্থের (যার মোট পরিমাণ ৩০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে!) সংকুলান না হয় তাহলে কী হবে?

তারপরও আমি বলব, ইতোমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে রানা প্লাজা দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রচুর অর্থ জমা হয়েছে। তাছাড়া আমরা শুনতে পাচ্ছি বিদেশি ক্রেতারা বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে এগিয়ে এসেছেন। এই দুই ধরনের অর্থ যোগ করলে ক্ষতিপূরণের যে হিসেব ক্ষতিপূরণ কমিটি নির্ধারণ করেছে তা অনায়াসে বাস্তবায়ন সম্ভব। এমনকি উদ্বৃত্ত থেকে যেতে পারে।

তবে আমার মতে, যারা শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে, তাদের কিছুটা শাস্তিও হওয়া উচিত। সেটা আর্থিক হোক বা অন্য কোনো রূপে হোক, তা হওয়া উচিত। তবে এটি নির্ধারণের দায়িত্ব ক্ষতিপূরণ কমিটির নয়, মহামান্য হাইর্কোটের। সে বিষয়ে তাই আমি আর কিছু বলব না।

কিন্তু আমি অবাক হয়েছি এটা দেখে যে, বিজিএমইএ-র বর্তমান নেতৃবৃন্দ এই ক্ষতিপূরণ প্রস্তাবের বিষয়ে অস্বাভাবিক তীব্র প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করেছেন। যেহেতু তাদের কোনো ব্যয়ভার বহন ভবিষ্যত সম্পর্কে আশংকা থেকে উদ্ভূত হয়েছে। ভবিষতে এরূপ দুর্ঘটনা যে ঘটবে না তা হলফ করে বলা যায় না। ক্ষতিপূরণের এই বিধান যদি হাইকোর্ট একবার গ্রহণ করে ফেলে, তখন সেই দৃষ্টান্ত দেখিয়ে ভবিষ্যতে দুর্ঘটনা-কবলিত কারখানা মালিকদের কাছ থেকে এই টাকা বাধ্যতামূলকভাবে আদায় করা হবে– এটাই তাদের ভাবনা।

আহতদের জন্য ক্ষতিপূরণের নির্ধারিত অংক কি খুব বেশি
আহতদের জন্য ক্ষতিপূরণের নির্ধারিত অংক কি খুব বেশি

আমি সবিনয়ে তাদের বলতে চাই, প্রাণের মূল্য পনের লাখ টাকা মোটেও বেশি কিছু নয়। আপনারা প্রচলিত শ্রম আইন অনুযায়ী যেটা দিতে চাচ্ছেন (মাত্র ১ লাখ টাকা), তা বর্তমান বাস্তবতায় কোনোমতেই গ্রহণযোগ্য নয়। ২৪ বিলিয়ন ডলারের শিল্পের মালিকদের জন্য এই ক্ষতিপূরণের হার বিশ্ববাসী গ্রহণ করবে না। আপনাদের বৈশ্বিক ভাবমূর্তি এতে মোটেও উজ্জ্বল হবে না।

ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নের সঙ্গে এটা খাপ খায় না। capacity নেই এ কথা সত্য হলেও ক্ষতিপূরণের মাত্রা নিয়ে প্রশ্ন না তুলে বিজিএমইএ-র অবস্থান হওয়া উচিত ছিল ক্ষতিপূরণের উৎসগুলো নিয়ে বিকল্প প্রস্তাবের অবতারণা করা। সেটা হলে আমরা বুঝতাম তাদের mind set কিছুটা হলেও বদলে গেছে।

শ্রম আইনের দোহাই দিয়ে একটি অযৌক্তিক ক্ষতিপূরণের জন্য চাপাচাপি করাটা মোটেই তাদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেনি। বিকল্প প্রস্তাব কী হতে পারে সে সম্পর্কে আমি আমার এই লেখার প্রথমেই ইঙ্গিত দিয়েছি। তবে আবারও আমি বলব, এই শিল্প এখন আর নাবালক শিল্প নয়। তাই স্যালাইন দিয়ে, ভর্তুকি দিয়ে, সুযোগ-সুবিধা দিয়ে তাকে উৎসাহিত করার পর্যায় আমরা অতিক্রম করেছি। এখনও যদি আমরা তাকে শিশু শিল্পের মতো বাড়তি সুযোগ-সুবিধা দিই, তাহলে এটি কোনোদিনই আর প্রাপ্তবয়স্ক হবে না। সে পরিণত হবে দামড়া শিশুতে যা মোটেও কাম্য নয়।

এ রকম কথা বাজারে শোনা যায়, রানা প্লাজার দুর্ঘটনা ঘটেছে কোনো ব্যক্তির দোষে নয়, সেদিন হরতাল ছিল বলে হরতালকারীরা ভবন ধরে নাড়াচাড়া দেওয়াতে ওটা ঘটেছে! একজন আমাকে বলেছেন, কেউ কেউ চেয়েছিলেন যে, আবহাওয়া দপ্তরকে দিয়ে একটি স্থানীয় ভূমিকম্পের গল্প ফাঁদতে!

এই সব প্রবণতা যখন সমাজে থাকে, খুন-হত্যা-জখম করে ক্ষমতাসীনরা যখন টাকার জোরে পার পেয়ে যায়, তখন অসহায় শ্রমিকদের পাশে কে দাঁড়াবে? কেনই-বা মানুষ ধনিক শ্রেণিকে বিশ্বাস করবে? কেনই-বা মানুষ রাষ্ট্রের প্রতি আস্থা রাখবে?

খুব শিগগিরই ‘ক্ষতিপূরণ কমিটি’র রিপোর্টটি কোর্টের কাছে জমা দেওয়া হবে। আজ ন্যায়বিচার সম্পন্ন করে আমরা আমাদের দেশের মানুষকে একটা নতুন বার্তা দেওয়ার সুযোগ পেয়েছি। সেই সুযোগ আমরা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আজ উজ্জ্বল করব। বিজিএমইএ-র ভাবমূর্তিও তাতেই উজ্জ্বল হবে, অন্য কোনোভাবে নয়।

ড. এম এম আকাশ: অর্থনীতিবিদ; অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

এম এম আকাশঅধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Responses -- “রানা প্লাজা ট্র্যাজিডি: ক্ষতিপূরণের এই অংক কি খুব বেশি”

  1. সৈয়দ আলী

    অর্থনীতির শিক্ষক হিসেবে আপনার তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও পরামর্শ খুবই মূল্যবান। কিন্তু বাংলাদেশে মুৎসুদ্দি পুঁজিবাদ নিছক লুণ্ঠনের এক দানব। যেখানে ওরা নিজের কর্মী/কর্মকর্তাদের বাজার মূল্যের চেয়ে কম বেতন-ভাতা দিয়ে নিজেদের বিলাস-ব্যসনে ব্যয় করে, সেখানে আমি বিশ্বাস করি না যে ওরা তাদের হাত উপুড় করবে।

    এ কথাও মনে রাখা দরকার, তারাই এখন সরকার এবং তাদের দেওয়া চাঁদাতেই আমাদের বিশাল নেতাদের জীবিকা নির্বাহ এবং বিদেশে অর্থের স্তূপ তৈরি হয়। পুতুপুতু করে, গীত গেয়ে কোনো সমস্যার সমাধান হবে না।

    হিংস্র সমাজ বিপ্লবেই এর সমাধান …..

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—