Feature Img

সজীব ওয়াজেদ জয়দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন যখন এসে গেছে, এমন সময় খুব হতাশা নিয়েই বলতে হয়, বিরোধী দলের নির্বাচন বর্জন ও তাদের দাবিগুলির আসল কারণ আমাদের জানা। পুড়ে যাওয়া লাশের সারি আর একের পর এক বোমাবাজির ভেতর দিয়ে ওরা ওদের দাবিগুলোর জানান দিয়েছে। কিন্তু আজ রাজনীতির এই উত্তপ্ত প্রসঙ্গগুলি সরিয়ে আপনাকে একটা প্রশ্ন করতে চাই।

আজ আপনারা কি পাঁচ বছর আগের চেয়ে ভালো নেই? আজ দেশটা কি পাঁচ বছর আগের চেয়ে ভালো নয়? উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তবে তা আপনা থেকে হয়নি। একটা ভালো সরকার যদি না থাকত তাহলে বিদ্যুৎ কেন্দ্র, বিদ্যালয়, রাস্তাঘাট কিছুই তৈরি হত না। অর্থনীতির ব্যবস্থাপনা ভালো না হলে আপনাদের রোজগার বাড়তে পারত না। একটা শক্তিশালী সরকার না থাকলে আপনার সন্তানের স্কুলের পথটি সন্ত্রাসী বোমার ত্রাস থেকে মুক্ত থাকত না। শেখ হাসিনা ছাড়া যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তিও দেওয়া যেত না।

তবু আমাদের বিরোধী দল শেষ পর্যন্ত শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে নাছোড়বান্দা আচরণ করেছে। যুক্তি দেওয়া হয়েছিল, আমরা তো খালেদা জিয়ার অধীনে নির্বাচনে যেতাম না। আমি এর জবাবে অন্যান্য টাউন হলের সভায় যা বলেছি তাই বলব। ধরুন, আপনার বাড়িতে কেউ এল, আপনি তাকে ঢুকতেও দিলেন আর সে আপনাকে লুট করে চলে গেল। কয়েক বছর পরে সে আবার এল, ক্ষমা চাইল, আপনি তাকে আবার ঢুকতে দিলেন এবং সে আবারও ডাকাতি করল। এখন সে-ই যদি তৃতীয়বার আসে, ক্ষমা চায়, তাহলে কি আপনারা তাকে আবারও সুযোগ দেবেন?

খালেদা জিয়া যে দুইবার ক্ষমতায় গেছেন নির্বাচনে কারচুপি করেছেন। তিনি একবারের জন্যও কোনো অবাধ সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচন সম্পাদন করেননি। একজন সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ তাহলে কী করে খালেদা জিয়ার অধীনে নির্বাচনে যেতে চাইবে?

শেখ হাসিনা জীবনে একটা নির্বাচনেও কারচুপির আশ্রয় নেননি। এই আমলেও ছয় হাজারের বেশি নির্বাচন হয়েছে যেগুলোর একটার বিরুদ্ধেও কোনো অভিযোগ খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাহলে কী করে এই দুজনের তুলনা দেওয়া হয়? খালেদা জিয়া প্রত্যেকবার ভোটচুরি করেছেন বলে শেখ হাসিনাও করবেন– এটা একেবারেই অযৌক্তিক!

যদিও কোনো নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষকের পক্ষে এই দাবি করা সম্ভব হয়নি যে আসন্ন নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে না, সুশীল সমাজের কতিপয় সদস্য এবং বিদেশি কূটনীতিকদের কেউ কেউ বলেছেন এটা গ্রহণযোগ্য হবে না। এটা বিরোধী দলকে নির্বাচনের বিপক্ষে ভেটো দেওয়ার সুযোগ করে দেয়।

দীর্ঘমেয়াদে এর অর্থ দাঁড়াবে এই যে ভবিষ্যতে একটা নির্বাচন যতই অবাধ ও সুষ্ঠ হোক না কেন, কোনো একটা বিরোধী দলের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার মর্জি না হলেই ওই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা বিনষ্ট হবে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া তাহলে কোথায় গিয়ে ঠেকবে? ভবিষ্যতে তো তাহলে নির্বাচনে হারের সম্ভাবনা দেখলেই কোনো দল বেঁকে বসে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নষ্ট করে দিতে পারে-– যে চেষ্টা আজ বিএনপি করছে।

আজকের সংকটের গোড়ায় রয়েছে এই সত্য। আমি বিভিন্ন বিদেশি কূটনীতিককে দুই বছর আগেও এই আশঙ্কা জানিয়েছিলাম যে বিএনপি যদি পাঁচ বছরের শেষে মনে করে তারা জিতবে না, তারা নির্বাচন বয়কট করবে। হয়েছেও ঠিক তাই। কেউ কি সত্যিই বিশ্বাস করেন আমাদের সরকারের এত সব সাফল্য আর বিপরীতে বিএনপির লাগাতার জ্বালাও-পোড়াও, সাধারণ মানুষের ওপর হামলার পরও বিএনপির নির্বাচন জেতার সুযোগ রয়েছে? আর বিএনপি যদি বিশ্বাস করে তারা জিতবে তাহলে প্রমাণ করে দেখাক না্।

গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার আজ একটাই রাস্তা-– বেরিয়ে আসুন, ভোট দিন। এটা এখনকার পরিস্থিতি আর রাজনীতি দুয়েরই উন্নতি ঘটাবে। ব্যাখ্যা দিচ্ছি।

রাজনীতি ও রাজনীতিবিদদের নিয়ে সবসময়ই একটা সমালোচনার ধারা চলে আসছে। কিন্তু এর ফলে কী হচ্ছে? একজন সংসদ সদস্য যখন অনেক ভালো কাজও করেন, তাকে অপরাধীর পর্যায়ে টেনে নামানো হয়। এতে লাভ কার হয় বলুন তো? ও্ই ভালো ব্যক্তিটির অসৎ প্রতিদ্বন্দ্বীরা যারা নিজেদের আখের গোছাতে ক্ষমতায় যেতে মরিয়া। আর এ কারণেই নেতিবাচক প্রচারগুলো চলতে পারে, এতে ওদেরই লাভ।

এতে সৎ রাজনীতিবিদদেরও নিরুৎসাহী করে দেওয়া হয়। ঘাম ঝরিয়ে শত ভালো কাজ করার পরেও কপালে গালমন্দ জুটলে তারাও এক পর্যায়ে হাল ছেড়ে দেন। এতে আপনারা কেবল এমন প্রার্থীই পান যারা মনে করেন তারা এক মেয়াদের বেশি সুযোগ পাবেন না, যতই হাড়ভাঙা খাটুনি খাটুন, তাদের নামিয়ে দেওয়া হবে। তারা নির্বাচিত হলে কী করবেন? তারা মন দেবেন ওই এক মেয়াদে নিজের আখের গোছাতে। কে কত খারাপ হতে পারেন সেই প্রতিযোগিতা হবে।

এটা ঠেকানোর একটাই উপায়-– ভোট দিন। বিএনপি ও সুশীল সমাজের একাংশের রাজনীতিবিদদের খাটো করার নিরন্তর চেষ্টার পরও এই নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ নেতিবাচক প্রচার মোকাবেলায় সাফল্য পেয়েছে। বিএনপির জন্য আর কোনো কৌশল ছিল না। তাই তারা নিবার্চনকে বিতর্কিত করে তোলার জন্য এটা বয়কটের রাস্তা বেছে নেয়। তাদের এই চাল যদি সাফল্য পায় তবে আমাদের গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ অন্ধকার।

ভোট দেওয়ার মাধ্যমে আসলে আপনারা এটা পরিষ্কারভাবে জানান দেবেন যে আপনার সবার ওপরে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে ঠাঁই দেন। যে দলটা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়েছে, আপনাদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে, তাদের ভোট দেওয়ার মাধ্যমে আপনারা ভালো রাজনীতিবিদদের পুরস্কৃত করবেন।

আপনারা যদি এটা করতে পারেন তাহলে বিরোধীরা ভাবতে বাধ্য হবে যে তাদের কূটকৌশলে আর কাজ হবে না। তারা একসময় অনুধাবন করবে নির্বাচিত হওয়ার একমাত্র উপায় হচ্ছে ভোটারদের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়া এবং নির্বাচিত হওয়ার পরে সেগুলো পালন করা।

ঠিক এই কারণে ভোট দেওয়াটা এত গুরুত্বপূর্ণ। এটা সত্য যে দল বা প্রার্থীর ক্ষেত্রে খুব বেশি বাছাইয়ের সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু এর চেয়ে বড় কতগুলো বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনাদের। আপনারা কি যে কোনো মূল্যে গণতন্ত্রের পাশে দাঁড়াবেন, নাকি দাঁড়াবেন না? ভালো রাজনীতিবিদেরা কি সচল থাকবেন, নাকি থাকবেন না? রাজনীতির উন্নতি ঘটবে, নাকি রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংঘাত চলতে থাকবে?

সিদ্ধান্ত আপনার। আমার মন বলে আপনি যাচ্ছেন ভোট দিতে।

সজীব ওয়াজেদ: তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও রাজনৈতিক কর্মী।

১৪০ Responses -- “সিদ্ধান্ত আপনার”

  1. শুভ্র

    দেশের যখন এতই উন্নতি হয়েছে তখন যে আমেরিকাকে সারাক্ষণ গালাগালি করে আপনার দলের লোকেরা, সে দেশ ছেড়ে ‘সোনার বাংলায়’ চলে আসেন না কেন? দেশের মানুষ আর আগের মতো বোকা নেই… যারা তাদেরকে বোকা মনে করে, তারাই আসল বোকা! নিরপেক্ষ নির্বাচন দিলেই টের পাবেন…

    Reply
  2. ashraful alam

    জনাব জয়,

    বিডিনিউজে যেন আপনাকে মাঝে মাঝে পাই। মনে রাখবেন দেশের শিক্ষিত তরুণদের একটা খুব বড় অংশ এখন এই ইন্টারেকটিভ মাধ্যমে সক্রিয়। নিজেকে যথার্থভাবে তুলে ধরার একটা ভালো মাধ্যম এটা। মাঝে মাঝে লিখুন এবং মতবিনিময়ের মাধ্যমে সমসাময়িক চিত্র বুঝে নিন এবং জনগণকে সঠিক তথ্যসহ নিজের চিন্তা-ভাবনা জানিয়ে দিন। সঠিকভাবে হ্যান্ডল করলে আপনার জনপ্রিয়তা মজবুত হবে, সন্দেহ নেই।

    আপনি লিখেছেন–

    “আজ আপনারা কি পাঁচ বছর আগের চেয়ে ভালো নেই? আজ দেশটা কি পাঁচ বছর আগের চেয়ে ভালো নয়? উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তবে তা আপনা থেকে হয়নি। একটা ভালো সরকার যদি না থাকত তাহলে বিদ্যুৎ কেন্দ্র, বিদ্যালয়, রাস্তাঘাট কিছুই তৈরি হত না। অর্থনীতির ব্যবস্থাপনা ভালো না হলে আপনাদের রোজগার বাড়তে পারত না। একটা শক্তিশালী সরকার না থাকলে আপনার সন্তানের স্কুলের পথটি সন্ত্রাসী বোমার ত্রাস থেকে মুক্ত থাকত না। শেখ হাসিনা ছাড়া যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তিও দেওয়া যেত না।”

    একশ ভাগ সত্যি বলেছেন, কিন্তু এটা মানতেই হবে যে, গত ৫ বছরে আওয়ামী লীগ ২০০৮-এ পাওয়া জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে।

    কিন্তু কেন?

    এই প্রশ্নের সম্ভাব্য উত্তর আমি দেব। তার আগে পৃথিবীর ইতিহাসের একটা পরম সত্যকাহিনী শুনুন–

    মহাবীর আলেকজান্ডার যুদ্ধজয়ের পর মহান দার্শনিক প্লেটোর নিকট গেলেন এবং বললেন, ‘আমি আপনার জন্য কী করতে পারি?’ প্লেটো বললেনঃ ‘আপনি আমার জন্য শুধু একটা কাজই করতে পারেন আর তা হল একটু সরে দাঁড়ান যাতে আমি সূর্যের আলোটা পেতে পারি।’

    বাংলাদেশের অবস্থা এই মূহুর্তে একই রকম। স্কুলছাত্র, গরীব শহরবাসী, গ্রামের কৃষক, গার্মেন্ট শ্রমিক-মালিক সবাই এখন রাজনীতিবিদদেরকে একটু সরে দাঁড়াতে বলছেন (এবং সাহায্য ছাড়াই চলতে পারবেন বলে মনে করছেন দেশের জনগণ)।

    আপনি হয়তো ভাবছেন ওদেরকে আমরাই (আওয়ামী লীগ বা সরকারি জোট) উন্নতি দিয়েছি এবং ফলে সাহায্য ছাড়াই তারা চলতে পারছে।

    আপনার এই ধারণাটিও মোটামুটি সত্য, কিন্তু সর্বাংশে নয়।

    বাংলাদেশে এখন জনহয়রানি চরমে উঠেছে। বিরোধী দলের অবরোধ, পুলিশের বাড়াবাড়ি-দুর্নীতি, আমলাদের লালফিতা, রাস্তায় যানজট, ফুটপাথে বেদখলকারীদের উৎপাতে হাঁটার রাস্তা বন্ধ, লাইনে দাঁড়িয়ে রেলের টিকেট না পাওয়া, সঠিক রাস্তায় বেকারদের চাকরি লাভের সুযোগ না থাকা এর কয়েকটি মাত্র উদাহরণ। দেশের বিপুল উন্নতির পাশাপাশি জনহয়রানির মহা উন্নতি হয়ে গেছে। আর এসব বন্ধ করতে যা কিছু করার আছে, তার শতভাগ দায়িত্ব কেবল সরকারের, আর কারও কিছু করার তেমন ক্ষমতা আছে কি?

    আগামীতে এই দিকগুলোর দিকে তীক্ষ্ণ নজর দিয়ে সফলভাবে দেশ চালাতে হবে এবং এর কোনো বিকল্প আছে কি?

    গত ৫ বছরে সরকারি দলের নেতা-কর্মীদের বিত্ত-বৈভবের তথ্য এখন কে না জানে!

    বিএনপি ভুল সিদ্ধান্তের কারণে হেরেছে আর আগামীতে ভালুক-চাষীর গল্পের মতো যে কোনো পরিস্থিতিতেই নির্বাচনে যাবে এবং ওই সু্যোগ কাজে লাগিয়ে জনগণ আওয়ামী লীগের ব্যর্থতার জবাব দিলে আর কিছু করার থাকবে কি?

    Reply
  3. md. rafiqul haque

    এই দেশটাকে দুর্নীতিমুক্ত দেখতে চাই। চাই সব দলের কাছে গ্রহণযোগ্য ও সবার অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। একজন নাগরিক হিসেবে আমি বিএনপি না আওয়ামী লীগ করি সেটা বড় ব্যাপার নয়। আমার পরিচয় আমি বাংলাদেশি। বাংলাদেশে নির্বাচন একটি উৎসবের মতো, এটা সিলেকশন নয়। সেটা না হলে দিন দিন দেশের অবস্থা খারাপই হতে থাকবে।

    সর্বোপরি, দেশটাকে আমি একটি শান্তিপূর্ণ ‘সোনার বাংলা’ হিসেবে দেখতে চাই। সর্বশক্তিমান আল্লাহ আমাদের সাহায্য না করলে পুরো জাতি ধ্বংস হয়ে যাবে।

    Reply
  4. Upom

    জয় ভাই, আমি আপনাকে personally চিনি না। তবে একটা কথা বলতে চাই, আপনার বিবেক কী বলে? আজ দেশটা কোথায় দাঁড়িয়ে?

    যদি ভাই আপনার আম্মুর কথা শুনে বিবেচনা করেন তাহলে থাক। পারলে নিজে সোনার বাংলার মাটিতে পা রেখে বাস্তবতা দেখুন।

    Reply
    • mahbub

      ভাই, আপনি তো সোনার বাংলায় থেকেই কথা বলছেন, আপনাকে কিছু প্রশ্ন:

      ১. খালেদা জিয়াকে যখন আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হলো তখন তিনি কেন গেলেন না?

      ২. সর্বপ্রথম যখন অন্তবর্তীকালীন সরকারের সদস্যের ব্যাপারে প্রস্তাব বিএনপি থেকে দেওয়া হয়, তখন তারা কোনো প্রকার হোম ওয়ার্ক না করেই কেন দিয়েছিলেন?

      ৩. তারানকোর প্রস্তাব অনুযায়ী পর্যাপ্ত জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক উপস্থিতিতে নির্বাচনে অংশ নিলে বিএনপির কি খুব ক্ষতি হত?

      ৪. নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, পূর্বের মতো এখন নির্বাচনে বড় ধরনের কারচুপি বা ফলাফল পরিবর্তন প্রায় অসম্ভব। এ সত্য কথাটি কেউ বলতে সাহস পায় না কেন?

      Reply
  5. Kuddus

    জি ভাই, জনগণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজকের ভোটার উপস্থিতি দেখছেন না? সময় এখনও ফুরিয়ে যায়নি, দেশকে বাঁচান, দলকে বাঁচান।

    Reply
  6. বাঙ্গালী খান ছাব

    নির্বাচন এককেন্দ্রিক, অস্বীকার করার উপায় নেই! তবে বিএনপিকে প্রধানমন্ত্রী সংলাপের জন্য ডাকলেন, তিনি এলেন না। পরবর্তীতে খালেদা জিয়া কি কোনো কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছেন? অন্তত লোকদেখানো হলেও!

    ম্যাডাম দুই তত্ত্বাবধায়ক মিলে এক তত্ত্বাবধায়কের যে থিওরি দিয়েছেন তা নিমিষেই বাতিলের পর আর কোনো থিওরি না দিয়ে তিনি জঙ্গিদের সঙ্গে মিলে পেট্রোল বোমা দিয়ে মানুষকে জীবন্ত দগ্ধ করা শুরু করলেন!

    এটা কী ধরনের রাজনীতি তিনি করছেন? ওনাকে কখনও নির্বাচনে না আনলে আমরা খুশি হব! যারা জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারতে পারে, তাদের এই রাজকীয় বাংলায় রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই!

    Reply
  7. red

    আমাদের উচিত কালকের নির্বাচন বর্জন করা। তা না হলে এই দুর্নীতির হাত থেকে এই দেশকে বাঁচানো যাবে না।

    Reply
  8. সঞ্জয়

    আপনি বিরোধী দল কেন বলছেন? দেশে বিরোধী দল থাকে শুধুমাত্র রাজনৈতিক আদর্শের বিরোধী হিসেবে। তার মানেই ওরা দেশবিরোধী নয়। এই বিশেষ দল তো দেশের মানুষ, গরুছাগল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সবকিছুর বিরোধী। দেশের মানুষ সব বুঝে।

    আপনার দলের উচ্ছিষ্টগুলো পরবর্তীতে দেখতে চাই না। পাশের দেশে আম আদমি পার্টি শুধু একটা কারণেই এত প্রিয় হয়ে গেল। আশা করি বুঝবেন।

    একাত্তরের অপরাধীদের আর দেখতে চাই না …

    Reply
  9. ferdous

    বিএনপি নিষ্ঠুর, রাজাকারের দোসর ও রক্ষাকারী। দুর্নীতিবাজও বটে। লুটপাট-খুন-গুপ্তহত্যা ওদের ধর্ম। হিন্দুদের বাড়িঘর লুট, পূর্ণিমাদের ধর্ষণ, গির্জায় বোমা হামলা, বৌদ্ধবিহার পোড়ানো তাদের আমলে হয়েছে। হাইকমিশনের উপর বোমা হামলা, হযরত শাহজালালের (রহ:) মাজারে বোমা হামলা, বাংলা ভাই সৃষ্টি, সারাদেশে একযোগে বোমা হামলা, বিরোধী দলীয় এমপিদের হত্যা, বিরোধী নেত্রীর উপর হামলা– তাদেরই কীর্তি।

    হাওয়া ভবন, দশট্রাক অস্ত্র, মদের লাইসেন্স প্রদান, জেট ফুয়েলের বদলে কেরোসিন– ভুলে যাইনি এসব দুর্নীতির গল্প। ডেসটিনি, যুবক, আদমজী জুট মিল, মহাখালী ফ্লাইওভার, গম, এতিমখানা, বিদুতের খাম্বা, টেলিটক, সিমেন্সের নিকট থেকে চাঁদা, মালয়েশিয়ায় অর্থপ্রেরণ, রেল, ওরিয়ন ব্যাংকসহ ছয়টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক খেয়ে ফেলা– তাদেরই কীর্তি।

    আসুন সবাই মিলে এ জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করি। সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে নৌকা মার্কায় ভোট দিই।

    ৫ জানুয়ারী, ২০১৪ ভোট কেন্দ্রে যাব, নৌকা মার্কায় ভোট দিব….

    Reply
  10. Rashed

    প্রিয় জয় ভাই,

    আপনাকে দুটি প্রশ্ন–

    ১. আপনি তো কখনও বাংলাদেশের রাজনীতি করেননি… তাহলে এত কনফিডেন্স পাচ্ছেন কোথা থেকে? বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের সয্গে মিশে তারপর এই বক্তব্য দিলে কি ভালো হত না?

    ২. আপনার মা (শেখ হাসিনা)-র ‘গণতন্ত্রের মানসকন্যা’ উপাধির কী হবে?

    Reply
  11. Dr. Raihan

    লেখাটা চমৎকার।

    যুদ্ধাপরাধীদের বিচার অবশ্যই দরকার। কিন্তু এটা করতে গিয়ে হাজার হাজার নিরীহ লোক মারা যাচ্ছে, জামাতের হরতালের ফলে, আপনারা তাদের রক্ষা করতে পারলেন না। এসব নিরীহ মানুষের জন্য আল্লঅহর কাছে আপনাদের জবাব দিতে হবে।

    Reply
    • Dr. Sobhan

      ভারতের পণ্যে ভরা দেশ। এত এত ভারতীয় চ্যানেল কেন দেশে?

      আমরা ভারত, পাকিস্তান দুটোকেই ঘৃণা করি। ভারতের মুভি আমাদের দেখার দরকার নেই। ভারতে কেন আমরা আমাদের দেশের চ্যানেল প্রচার করাতে পারি না?

      Reply
  12. jack21

    শেয়ার বাজারের লাখো মানুষকে নিঃস্ব করেছেন? খুনী শামীম ওসমানকে সমর্থন দিয়েছেন? ২৪ ঘণ্টায় সাগর-রুনীর খুনীদের ধরতে পারলেন না? লীগের সব এমপিরাই তো বহুগুণ সম্পত্তির মালিক হয়ে গেছেন (সবার স্ত্রী একসঙ্গে এত ধনী হলেন কীভাবে? নেতারা সব মাছ ধরে কোটিপতি হয়েছেন, জেলেরা কী করলেন?)

    গীতা রানী তো মুখের উপর জবাব দিয়েছেন, বুঝতে পারেননি? ডেমু ট্রেনের খরচ কত পড়ল হিসেব আছে কার কাছে? রাজধানী ছেয়ে গেছে পদ্মা-আবুলের প্রতিষ্ঠিত স্কুল-কলেজের ছবিতে? সাহারা খাতুনের কী করতে পেরেছেন বলার মুখ আছে আপনাদের?

    Reply
    • Shanto

      ভাই, দোষগুলো খুব সহজে ধরা যায় কিন্তু ভালো কাজ কি তাই বলে করেনি? হাজার রকম ভালো কাজের মধ্যে দুএকটি মন্দ কাজ থাকবে এটাই নিয়ম।

      মূল কথা, দেশাত্মবোধ যতটা আওয়ামী লীগের আছে ততটা বিএনপির নেই। আর দেশাত্মবোধ না থাকলে দেশের উন্নয়ন করবে কী করে!

      Reply
  13. jajabor

    যে যাই বলুন এথনও মন্দের ভালো আওয়ামী লীগ। অন্তত এরা জঙ্গীবাদকে প্রশয় দেয় না। আর দুর্নীতির সূচক কিছুটা হলেও কমেছে।

    এই দেশে আর এর চেয়ে বেশি কী-ই-বা প্রত্যাশা করতে পারেন?

    Reply
    • jolkona

      আরে ভাই, জঙ্গীবাদকে প্রশ্রয় দিবে কীভাবে, তারা তো নিজেরাই জঙ্গীবাদ!

      আর আপনি তো মনে হয় সেনা কাম্পে থাকেন অথবা চোখ বন্ধ করে থাকেন, তাই কিছু দেখেন না। আমি নিজেই প্রমাণ,
      আওয়ামী লীগ কি পারে আর কীভাবে অন্যের উপর দোষ চাপায়।

      Reply
  14. Dr.A.H.M.Zehadul Karim

    সজীব ওয়াজেদ জয়ের লেখা আমি ব্যক্তিগতভাবে আমি পছন্দ করি তার কনভিন্সিং ক্ষমতার জন্য। জাতি ও রাষ্ট্রের নানা ইস্যুতে তার লেখা চালিয়ে যাওয়া উচিত। তাতে তার অনুভূতি ও স্টেটসম্যানশিপ কোয়ালিটির প্রকাশ হবে। তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে তিনি অন্য রাজনীতিবিদদের মতো নন যাদের মূল টার্গেট থাকে টাকা বানানো।

    আল্লাহ তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সব গুণ দিয়ে সমৃদ্ধ করুন।

    Reply
  15. hafiz

    ভাই, আপনারা তো মুক্তিযোদ্ধা তৈরির মেশিন। কুষ্টিয়ার জামাত নেতা আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজাকার থেকে মুক্তিযোদ্ধা হয়ে গেল!

    Reply
  16. মোকা।ঃরিমুল ইসলাম

    আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে সমর্থন করি এবং দলটিকে নিয়ে গর্বও করি।

    Reply
  17. abu bakor

    জয় বাংলা।

    আওয়ামী লীগ আরও দুবার ক্ষমতায় থাকলে এদেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। অতএব নৌকা মার্কায় ভোট দিন।

    Reply
  18. Dr. Milton Biswas

    আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় থাকতেই হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। দেশ এগিয়ে যাবে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। জয় বাংলা।

    Reply
  19. mamun

    সিনেমা দেখার সময় তিন ঘণ্টা কখন চলে যায় বলতেই পারি না, সূর্যমামার আলো যখন চোখে লাগে বুঝি সিনেমার ঘটনাপ্রবাহ!

    Reply
    • jolkona

      এতদিন তো ৩ ঘণ্টার সিনেমা দেখেছেন, এবার আসুন ৫ বছরের সিনেমা দেখুন….. বুঝতেই পারবেন না…

      Reply
  20. Hasem, New York

    আওয়ামী লীগ নেত্রীর ছেলে হিসেবে আপনার সব কথাই ঠিক।

    আমার প্রশ্ন হল, যদি আপনাদের এত বিশ্বাস যে বিএনপি জিতবে না, তাহলে কেন নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে সরকারের এত ভয়? কেন বিরোধী দলকে কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না? যদি কোনো নেতা কথা বলেন তাকে বন্দি করা হচ্ছে? এরশাদ সাহেবকে হ্সপিটালে আর বেগম জিয়াকে ঘরে বন্দি করে রাখা হয়েছে!

    আমি কোনো রাজনীতি করি না। একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমার প্রশ্ন– দেশে কি এখন গণতন্ত্র আছে????????

    Reply
  21. nasim

    জয় যখন রাজনীতিতে এলেন, আমি ভেবেছিলাম এখানে একটা পরিবর্তন আসবে। কারণ তিনি ভিন্ন পরিবেশে বড় হয়েছেন। কিন্তু এটাই আমাদের নিয়তি যে, যে ক্ষমতায় যায়, সেই সেটা চিরকালের মতো চায়। তাই মি. জয়ও অন্যদের চেয়ে ভিন্ন নন।

    তিনি যখন বলেন যে, দেশের জনগণ আগের চেয়ে এখন অনেক ভালো আছে, তখন আমি অসুস্থ বোধ করি। তিনি কোন দুনিয়ায় বাস করছেন ভেবে অবাক হই। আমরা বাইরে থাকি, কিন্তু বাংলাদেশে যারা থাকেন তাদের সবাইকে জিজ্ঞেস করলে একই উত্তর পাই– ‘‘যেন দোজখে বাস করছি আমরা।’’

    জনগণের কাছে যে ওয়াদা করেছেন সেটা বাদ দিয়ে রাজনীতিবিদরা সবাই চান নিজেদের স্বার্থ উদ্ধার করতে।

    Reply
  22. Abdus Satter

    আমি প্রথম ব্যক্তি সুমনের সঙ্গে কিছু অ্যাড করতে চাই। বিশ্বজিৎকে প্রকাশ্য হত্যা, পেট্রোল বোমা বানাতে গিয়ে ছাত্রলীগের লোকজন বিস্ফোরিত, মালয়েশিয়ায় মানুষ পাঠানোর জন্য ইন্টারনেট নাটক, ভোটের সময় এরশাদ গ্রেফতার, সকল বিরোধী দলের লোককে আটকে রেখে নির্বাচন, সোহেল তাজের পদত্যাগ, সংখ্যালঘুদের বাড়িতে আগুন লাগাতে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার, বগুড়া আওয়ামী লীগ কর্তৃক সংখ্যালঘুদের প্রতিমা ভাঙচুর, ইচ্ছামতো সংবিধান তৈরি ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি– এসবই আওয়ামী লীগের সাফল্য। তাই আমরা দেশের মানুষ ভালো আছি।

    এটা কি নির্বাচন যে ভোট দিতে যাব? এটা তো পুতুল খেলা। আওয়ামী লীগ দেশের মানুষকে নিয়ে পুতুল খেলতে পারে কিন্তু জনগণ আপনাদের পুতুল হতে চায় না। তাই আপনাদের ভোট আপনারা দিন। দেখে-শুনে-বুঝে আওয়ামী লীগকেই দিন।

    Reply
  23. novel

    হুম! সিদ্ধান্ত আমার বুঝলাম। আমার এলাকায় তো ভোটই হচ্ছে না! দিব কেমনে? আর যারা দিবে তারাও তো প্রতীক পাবে না ভোট দিতে। আর ‘না’ ভোটটাও তো বাদ দিলেন। তো বুঝা গেল কী!

    ‘সিদ্ধান্ত’ আপনাদেরই থাকল। আমরা কোথায় নিতে পারলাম?

    Reply
  24. rafiq

    একজন দুবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না এই নিয়ম করেন, তাহলেই সব বদলে যাবে…. ভেবে দেখুন….

    Reply
  25. ashis

    ভালো লিখেছেন। আপনার মতো মেধাসম্পন্ন, সৎ এবং যোগ্য ব্যক্তির দেশের হাল ধরা দরকার।

    Reply
  26. manush

    Development if any occurred for none of the government initiatives since independence…none of the regulatory body or ruling party has any credit for advancement of the country…it is progressing in its own way and by people…not by any party or government…government or opposition parties …they do not care about development of this country…they only care about power and growing money and making people poor or kill them……Yet for Independence of Bangladesh…Sheikh Mujur Rahman had a big role but think what would happen if he became elected at that tie as head of this part of Pakistan(of that time)..would he urge for independence!matter to think!…and about Ziaur Rahman…would he ever think to become a President of this country…I doubt would there be any Bangladesh!…why it happened(Bangladesh)…..! because of people…always because of people…but at least Sheikh Mujibur Rahman and Ziaur Rahman had some motive of developing this country..but their back bitters…(party people and followers) made everything as part of their greed..it is continuing…as those back bitters could not full fill their need..they killed Mujib and Zia…and they inside every political and non political parties of the country…and they are killing people and making money..still….So, there is no reason for you or other half of politics of you to try to justify anything or take credit of.

    Reply
  27. skmizan

    জনগণের প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, যতক্ষণ পর্যন্ত না ৬০ ভাগ জনতা সুশিক্ষিত হচ্ছে ততক্ষণ এদেশের সুস্থ রাজনীতি বারবার হোঁচট খাবে। সবার আগে প্রয়োজন শিক্ষার মান উন্নয়ন।

    এই নির্বাচনের পর শক্তহাতে, প্রয়োজনে যতক্ষণ সম্ভব সুস্থধারার রাজনৈতিক চর্চা না হচ্ছে ততদিন ক্ষমতায় থাকতে হবে আওয়ামী লীগকে। দেশের উন্নয়নপ্রত্যাশী ও প্রগতিশীল মানসিকতার নেতৃত্বকে মূল্যায়ন করতে হবে।

    জয় বাংলা।

    Reply
    • tuhin islam

      একেবারে সত্যি কথা বলেছেন; এছাড়া আর কোনো পথ নেই বাংলাদেশকে বাঁচানোর।

      Reply
  28. মো: নিয়ামুল হক দেওয়ান

    এই নির্বাচন প্রহসনের নির্বাচন। এই নির্বাচন দেশে ও বিদেশে গ্রহণযোগ্য হবে না….

    Reply
  29. abu eusuf mia

    বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে হলে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতেই হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। আর দল বেঁধে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটটি নৌকা মার্কায় দিতে হবে।

    আসুন প্রাণভরে আবার গাই… জয় বাংলা, বাংলার জয়।

    Reply
  30. শাহজাহান সানু

    যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে ৯৬ সালে দূর্বার আন্দোলন করেছিলেন, কলমের এক খোঁচায় তা বাতিল করলেন কেন? পদ্মা সেতু দূনীতি, হল-মার্ক কেলেংকারি, সোনালী ব্যাংক কেলেংকারি, ফেলানি হত্যা, কুইক রেন্টাল বিদ্যুতের নামে লুটপাট, এমপিদের সম্পদের ৮,০০০ ভাগ উন্নয়ন, ডেসটিনির মাধ্যমে অর্থপাচার– এসব কথাও আমাদের মনে আছে….

    Reply
    • jajabor

      একই বাসে সবাই উঠলেও সবার গন্তব্য কি একই হয়? সেবার ক্ষমতাসীন সরকারের বিরুদ্ধে অনেকই ছিল। তেমনি জামাতও ছিল। একই সিনেমা হলে আপনার সঙ্গে অনেকেই সিনেমা দেখে। তো আপনি কি বলতে পারেন যে সবাইকে নিয়ে আপনি সিনেমা হলে গিয়েছিলেন?

      তেল আর পানি কথনও এক হয় না।

      Reply
    • saiful

      ভাইজান, আপনি কি সব সমস্যার সমাধান একেবারে চান? তাহলে তো পৃথিবীতে অন্যায় বলে কোনো শব্দই থাকত না। আপনি যে সমস্যাগুলির কথা বলেছেন সেগুলো তো সরকার ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেনি। বরং বিচার করেছে, বিচারের উদযোগ নিয়েছে।

      জয় ভাই যে কথাগুলি বলেছেন সেগুলো কি আপনি অস্বীকার করতে পারবেন? আপনি কি ওই সকল সুবিধা ভোগ করছেন না?

      দয়া করে বিবেকের কাছে প্রশ্ন করুন– সে কী উত্তর দেয় দেখুন।

      Reply
  31. অভি

    আমাদের আরেকটিবার আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনা দরকার শুধুমাত্র যুদ্ধাপরাধীদের সমুলে ধ্বংস করে দেশটাকে আরেকবার মুক্ত করার জন্য….

    Reply
  32. kajol

    হায়রে মুসলিম!

    বঙ্গবন্ধু নয়, মুসলিমদের আদর্শ হওয়া উচিত মহানবী (স)! এরা আবার দোয়া করে শেখ হাসিনার জন্য!!! ইসলামের জ্ঞান না থাকলে যা হয় আর কী।

    যান, কোরআন-হাদিস স্টাডি করেন যদি মুসলিম হয়ে থাকেন। দেখুন মুসলিমদের সর্বাবস্থায় আদর্শ কে হওয়া উচিত। নয়তো ওপারে গিয়ে টের পাবেন। কিন্তু তখন আর সুযোগ থাকবে না!

    আল্লাহ আমাদের সকলকে হেদায়াত দিন। আমীন।

    Reply
    • tuhin islam

      ধর্ম-ব্যবসায়ী মুর্দাবাদ। আপনারা বরং পরকালে গিয়ে রাজনীতি করুন; আমাদেরকে রেহাই দিন দয়া করে।

      Reply
  33. Proshanto Kumar saha

    প্রথমে আপনার জন্য শুভেচ্ছা।

    মূল কথায় আসা যাক। এক) মানুষ যেখানে প্রত্যাশা করে সেখানেই হতাশ হওয়ার সুযোগ থাকে। মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল, বঙ্গবন্ধুর দল, ধর্মনিরপেক্ষ (পুরোপুরি নয়) দল আওয়ামী লীগের কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। তাই একটু ঘাটতি থাকলেই সমালোচনা করতে দেরি করে না।

    দুই) যারা দেশে সহিংসতা করছে তাদের সাধারণ মানুয় ঘৃণা করছে, কিন্তু সরকার এখানে ব্যর্থ যে সবকিছু সামাল দিয়ে জনগণের নিরাপত্তা এবং স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে পারল না!

    তিন) এমপি এবং মন্ত্রীদের কারণে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন সর্বোচ্চ ক্ষতিগ্রস্ত। আর তাই বিরোধী পক্ষ এত বাড়াবাড়ি এবং সহিংসতা চালাতে পেরেছে। এই দল ঠিক না করলে সাধারণ মানুষ এবং আওয়ামী লীগ উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হবে দীর্ঘসময়ের জন্য।

    চার) আপনাদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রচার হয়নি। কারণ হাতেগোনা কয়েকজন ব্যক্তি কাজ করে গেছেন নিরবে আর বেশিরভাগ এমপি এবং তার নব্য চাটুকারগণ নিরবে পুকুর চুরি করেছে। তাদের জনগণের মুখোমুখি হওয়ার সাহস নেই। তাই তারা ঢাকায় থাকেন, এলাকাতে এলেও চাটুকারদের বাইরে কারও সঙ্গে কথা বলেন না। ক্ষতি হচ্ছে কার? ওই এমপির না দলের? ভেবে দেখুন!

    পরিশেষে বলব, এখনও সময় আছে, আগাছা ছেঁটে ফেলুন, আপনাদের ভালো কাজগুলো প্রচার করুন বেশি করে। যে সকল ভুল হয়েছে তা স্বীকার করুন, সংগঠন শক্তিশালী করুন। সাধারণ মানুষ আপনাদের কাছে অনেক বেশি প্রত্যাশা করে। অন্তত যতদিন শেখ হাসিনা বেঁচে আছেন।

    আপনাকে, আপনার পরিবারকে শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ।

    Reply
    • Eng.Mostafa Al Hossain

      এখনও সময় আছে, আগাছা ছেঁটে ফেলুন, আপনাদের ভালো কাজগুলো প্রচার করুন বেশি করে। যে সকল ভুল হয়েছে তা স্বীকার করুন, সংগঠন শক্তিশালী করুন। সাধারণ মানুষ আপনাদের কাছে অনেক বেশি প্রত্যাশা করে। অন্তত যতদিন শেখ হাসিনা বেঁচে আছেন।

      Reply
  34. nurulislamchowdhury

    মৌলবাদ বাংলার দুশমন। আগাছামুক্ত বাংলাদেশ চাই। মিথ্যাচারের কবল থেকে আল্লাহ পাক বাংলাদেশকে মুক্ত করুন। জাতি একাত্তরের মতো শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হোক। জয আমাদের হবেই।

    সজীব ওয়াজেদ জয় প্রজ্ঞাবান। তার ভবিষ্যত নেতৃত্বে বাংলাদেশ শক্তিশালী দেশে পরিণত হোক।

    Reply
  35. মশিউর রহমান

    আপনারা অবশ্যই কিছু ভালো কাজ করেছেন তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ, আপনার উপ্সম্পাদকীয় পড়ে কেউ কেউ বিরুপ মন্তব্য করেছেন। এই কাজটা অন্য কেউ হলে করা যেত কিনা আমার সন্দেহ আছে। তবে ১৫৪ টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়া, এটা কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না।

    আপনারা জাতীয় পার্টিকে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার সুযোগ দিতেন, তাহলে আজকে এই সমালোচনা করা যেত না।

    Reply
  36. ISAMATI

    খুব ভালো লাগল লেখাটি পড়ে… আমাদের এখন দরকার সুস্থ রাজনীতি, আর সুস্থ রাজনীতির জন‌্য প্রয়োজন শিক্ষিত নেতা।

    Reply
  37. আলিফ মুহাম্মদ খান

    জয় বাবু, আপনি কি বলতে পারেন… যুক্তির জোর আর জোরের যুক্তির মধ্যে পার্থক্ষ্য কী?

    আমরা বাঙালি জাতি কিউট একটা জাতি… সবই বুঝি। মাতৃভাষার জন্য বুকে গুলি খাওয়া জাতি আমরা। বাঙালিদের ইতিহাসের সবচাইতে জঘন্য অধ্যায় এই সরকারের….

    Reply
  38. ফরহাদ

    ১. রেকর্ড সংখ্যক বিদেশে কর্মসংস্হান। প্রায় ২৪ লক্ষ মানুষের বিদেশ গমন।

    ২. ২০০৮ সালে দৈনিক গ্যাস উৎপাদন ছিল ১৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এখন ২৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট। আগামী ৫ মাসে দৈনিক আরও ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট যোগ হবে।

    ৩. দারিদ্রতার হার ৪২% থেকে এখন ৩০% ।

    ৪. সীমান্ত হত্যা বছরে ১৬০ থেকে ২০১৩ সালে মাত্র ২৩ জনে নেমে আসা।

    আর এখানে যারা বিএনপির সমর্থনে কথা বলছেন তারা কি দয়া করে বলবেন ২০০১-২০০৬ মেয়াদে বিএনপি সরকারের নেওয়া উল্লেখ করার মতো মাত্র দুটি মেগা প্রজেক্টের নাম?

    Reply
  39. Md. Moshiur Rahman

    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘লালসালু’ উপন্যাসের একটি কোটেশন মনে পড়েছে। ‘‘ধান থাকলে কী হবে যদি জীবনই না থাকে।’’

    প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্রকে হত্যা করছেন। বিএনপির যেমন জামাতকে ত্যাগ করা জরুরি, আওয়ামী লীগের তেমন ভারতকে ত্যাগ করা প্রয়োজন….

    Reply
  40. Md. Jahidul Islam

    সিদ্ধান্ত আমার, কিন্তু আমার এলাকায় তো কোনো নির্বাচনই হচ্ছে না। তাহলে? দয়া করে উত্তর দিন….

    Reply
  41. padma

    চিরন্তন সত্য হচ্ছে, যে সরকার ক্ষমতায় থাকে তার জনপ্রিয়তা বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে অবশ্যই হ্রাস পায়। তবে আসল সত্য হচ্ছে বাংলাদেশে কোনো দলই ধোয়া তুলসী পাতা নয়। এখানে বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে মন্দের ভালো কে, বিশেষ করে দ্রব্যমূল্য ও বিদ্যুতের দিক থেকে অনেকাংশে নিরাপদ।

    যুদ্ধাপরাধীর বিষয়টি না বললেই নয়। যদিও সেটি সাধারণ জনগণের মৌলিক চাহিদা নয় তবুও সেটি অবশ্যই করতে হবে। বিশ্বজিৎ হত্যা, হিন্দুদের বাড়ি-মন্দির পুড়িয়ে দেওয়া, রামুর মতো জঘন্য ঘটনার আমি নিন্দা জানাই। দুঃখজনক সত্য হচ্ছে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, সুবিচার দিতে সরকার পুরোপুরিই ব্যর্থ। সেজন্য আমি বর্তমান সরকারের তীব্র নিন্দা জানাই।

    মাঝে মাঝে ইচ্ছা হয় আমাদের সব রাজনীতিবিদদের যদি…. কোনো রাজনীতিবিদই সাধারণ জনগণের সুহৃদ নয়।

    Reply
  42. jashim

    যাই বলা হোক না কেন, সরকার ভালো কাজ করেছে! দেশের অনেক ক্ষতি হচ্ছে, বিনা কারণে মানুষ মরছে… দেশটা পচে যাচ্ছে….

    Reply
  43. Abdul Haque

    আমরা সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট)-এর নতুন ভোটার।আমরা য়ারা এই প্রথম ভোটার হলাম কিন্তু আমাদের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া হল কেন? আমরা কাকে ভোট দিব বলবেন কি?

    Reply
  44. আবির

    আমি দুটি উন্নয়নের সুবিধা পাচ্ছি… বিনামূল্যে ৰই এবং লোডশেডিংমুক্ত পরিবেশ।

    Reply
  45. সুমন

    উন্নয়নের লিস্ট আমি একটু দিই।

    যেমন– শেয়ার বাজারের উন্নয়ন, পদ্মা সেতু উন্নয়ন, হল-মার্ক কেলেংকারি উন্নয়ন, বিসমিল্লাহ গ্রুপের কেলেংকারি উন্নয়ন, রামুর ঘটনা উন্নয়ন, তিস্তা চুক্তি উন্নয়ন, ফেলানি হত্যা উন্নয়ন, আওয়ামী মামলা প্রত্যাহারের উন্নয়ন, কুইক রেন্টাল বিদ্যুত উন্নয়ন, মাছের ব্যবসা আর জমি থেকে মন্ত্রীদের আয়ের উন্নয়ন, গণতন্ত্রের উন্নয়ন, ভোলা আর কিশোরগঞ্জে উপনির্বাচনের মতো উন্নয়ন, সুপ্রিমকোর্টে চেতনা দণ্ড প্রদর্শন উন্নয়ন–

    আরও অনেক উন্নয়ন হয়েছে…..

    Reply
    • MD HRIDOY ISLAM

      হল-মার্ক কেলেঙ্কারির সঙ্গে সরকারের সংশ্লিষ্টতা কোথায়? এই ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি দিয়েছে সরকার, অথচ আজ আপনারা সরকারের ঘাড়েই দোষ চাপাচ্ছেন। সরকার কিন্তু চাইলেই পুরো ব্যাপারটা ধামাচাপা দিতে পারত, কিন্তু সেটা করেনি। চোর ধরার পুরস্কার হিসেবে যদি আমরা সরকারকেই চোর বানিয়ে দিই তাহলে ভবিষ্যতে আর কেউ চোর ধরায় আগ্রহ দেখাবে না।

      কথায় কথায় আমরা পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির কথা বলি। যে প্রকল্প শুরুই হয়নি, এক পয়সাও ছাড় হয়নি, সেখানে দুর্নীতিটা কীভাবে হয় সেটা আপনারাই ভালো বলতে পারবেন। দুর্নীতির চক্রান্তের একটা অভিযোগ উঠেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত কানাডার পুলিশের তদন্তে সরকারের কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। তাহলে কেন এই মিথ্যাচার?

      কথায় কথায় ফেলানি হত্যার কথা বলাও আরেকটা ফ্যাশন। যারা বলে তারা একবার হিসেব করে দেখে না এই সরকারের পাঁচ বছরে সীমান্তে হত্যা প্রায় শুন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। যেখানে বিগত জোট সরকারের সময় গড়ে প্রতি বছরে ৩০ জন করে সীমান্তে মারা গেছে।

      তিস্তা চুক্তি হয়নি মমতা বন্দোপাধ্যায়ের জন্য। এর দায়ও কি সরকারের???

      Reply
    • tuhin islam

      জনাব সুমন,

      আপনার বক্তব্য পড়ে মনে হয় আপনি উন্নত বিশ্বের কোনো অতিসভ্য দেশে বাস করেন; সেজন্য বাংলাদেশের সবকিছু এত উন্নতমানের সঙ্গে তুলনা করছেন। আমরা যারা নিজদেশে বাস করি তারা হাড়ে হাড়ে জানি সজীবের মতামত কতখানি সত্য আর বাস্তবসম্মত। আমরা ২০০১–২০০৬ সময়ের সরকার-সমর্থিত দেশব্যাপী সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদের উত্থান আর রাজপুত্রের গগনচুম্বী দুর্নীতির প্রত্যক্ষদর্শী। দেশের অর্থনীতি আর সমাজের অভূতপূর্ব অধঃপতনেরও আমরা চরম ভুক্তভোগী।

      আপনার আবগতির জন্য সহৃদয় দুজন মতামত প্রদানকারীর করা তালিকা (যেটি যারপরনাই অসম্পূর্ণ) আবারও উল্লেখ/সংকলিত করলাম:

      ১. দেশে এখন লোডশেডিং হয় না; দশ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন;

      ২. মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি: মাথাপিছু আয় ২০০৮ সালে ছিল ৫০০ ডলার, এখন ৯৮০ ডলার;

      ৩. বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সাড়ে ১৮ বিলিয়ন ডলার;

      ৪. মূল্যস্ফীতি ২০০৮ সালে সাড়ে ১১ শতাংশ, এখন ৭ শতাংশ;

      ৫. খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পুর্ণ, বর্তমানে মোট খাদ্য উৎপাদনের ৩০ শতাংশ উদ্বৃত্ত থাকে;

      ৬. ইন্টারনেটের মূল্য কমানো হয়েছে; ২০০৮ সালে প্রতি গিগাবাইট ব্যান্ডউইদের দাম ছিল ৭০০০০ টাকা, এখন ৭০০০ টাকা। এর সঙ্গে ওয়াইম্যাক্স, থ্রিজি চালু করা হয়েছে;

      ৭. বিভিন্ন সরকারি কাজে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার করা, অনলাইনে পাসপোর্ট, মোবাইলের মাধ্যমে বিসিএসসহ বিভিন্ন পরীক্ষার আবেদন ও ফি দেওয়ার ব্যবস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য মোবাইলের মাধ্যমে আবেদনের ব্যবস্থা করা; ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত তথ্যপ্রযুক্তির সম্প্রসারণ;

      ৮. যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি– ঢাকা শহরে বিশাল বড় আকারের দুটি ফ্লাইওভার, একটি ছোট ফ্লাইওভার, হাতিরঝিলের মতো বড় আকারের প্রকল্প;

      ৯. সারাদেশের ভাঙা রাস্তাঘাটের মেরামত;

      ১০. বিআরটিসির ৮০০ নতুন বাস চালু;

      ১১. বেশ কয়েকটি নতুন ট্রেন চালু, স্বল্পদূরত্বে কম্যুটার ট্রেন সার্ভিস চালু;

      ১২. একশত ভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে ৪টি বিসিএস পরীক্ষা সম্পাদন;

      ১৩. সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন ১০০ ভাগ বৃদ্ধি করা, নারীদের জন্য মাতৃত্বকালীন ছুটি ৬ মাস করা। মহার্ঘ ভাতা ২০ শতাংশ বৃদ্ধি করা;

      ১৪. ৩ দফায় সারের মূল্য হ্রাস করা, সঠিক সময়ে কৃষকের কাছে সার পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা;

      ১৫. বিনামূল্যে বই বিতরণ [আজকের কাগজগুলোয় এদের নিষ্পাপ উচ্ছসিত হাঁসিমাখা মুখগুলো একবার দেখুন; এই দেশের জন্য আপনার দরদ যদি ইতিমধ্যে দলীয় অপরাজনীতির কল্যানে কলুষিত না হয়ে থাকে, তাহলে বর্তমানের মন্দের ভালো সরকারকে সমর্থন করতে আপনার বিবেক কোন সমস্যা করবে বলে মনে হয় না]

      ১৬. ৪০ হাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ;

      ১৭. কৃষিতে ভর্তুকি বৃদ্ধি;

      ১৮. জামাত-শিবির নিষিদ্ধকরণ-এর লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহন;

      ১৯. যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং রায় কার্যকরণ;

      ২০. সৃজনশীল পদ্ধতিতে শিক্ষা ব্যবস্থার প্রচলন;

      ২১. অভিন্ন শিক্ষা পদ্ধতি চালু;

      ২২. সমুদ্রসীমা জয়।

      এখন এটা আপনার সিদ্ধান্ত। আপনি কি বর্তমান উন্নয়নের ধারা– সেটা পর্যাপ্ত হতে না পারে, কিন্তু এ যাবৎ সর্বোৎকৃষ্ট– সেটা বজায় রাখতে চান, নাকি বাংলাদেশকে সেই অন্ধকার সময়ে ঠেলে দিতে চান।

      ধন্যবাদ।

      Reply
    • Kibria Zahid Mamun

      এইসব উন্নয়ন লিখেন না, বিডিনিউজ আপনার কমেন্ট আপলোড করবে না। ওনারা আবার ওনাদের কিনা!

      Reply
    • Sayed, MF

      দেশে যে বহুমাত্রিক উন্নয়ন হয়েছে তা কি কোনো বিরোধী শক্তি অস্বীকার করতে পারবেন? পারবেন না। তবুও তারা এসব করে যাচ্ছেন, কারণ তাদের আছে ঈর্ষা ও বিদ্বেষ। কিন্তু কাজ হবে কি? সারা দুনিয়া জানে আমরা কোথায় ছিলাম এবং কোথায় এসেছি আর কোথায় চাচ্ছি।

      যদি এভাবে অশান্তি সৃষ্টি করে জনগণকে কষ্ট দেওয়া হয় তবে তার ফল কি একটা রাজনৈতিক দলের জন্য মঙ্গলজনক হবে? কিছু চাটুকার নেত্রীকে ভুল বুঝিয়ে রাজপথের রাজনীতি চালু রেখেছেন। যদি শান্তিপূর্ণ রাজনীতি করতেন তবে মনে হয় ভবিষ্যত ফলাফল আরও ভালো হতে পারত।

      Reply
    • Tanvir

      বর্তমান সরকারের আমলে দলীয় নেতা-কর্মী ছাড়া কারও তেমন উন্নতি হয়নি। সাধারণ মানুষের হতাশা কোনোদিন দূর হবে না।

      Reply
  46. mohammed mafiz uddin

    বিউটিফুল!!!

    এই জিপসি ম্যানকে ভালো লেগেছে। এগিয়ে আসুন ব্রাদার। আমাদের পলিটিক্যাল ডাইনেস্টিতে স্বাগতম।

    Reply
  47. polash

    আপনার কথায় আস্থা রেখে ভোট দিচ্ছি। আশা করি উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাথবেন।

    Reply
  48. আফজাল

    দেশ এবং দেশের মানুষের উন্নয়নের জন্য বর্তমান সরকারের উদ্যোগ প্রশংসার দাবিদার৷ কিন্তু দেশের রাজনৈতিক অবস্থার উন্নয়নের জন্য আপনাদের কি কোনো দায় নেই?

    Reply
    • MD HRIDOY ISLAM

      দায় অবশ্যই আছে এবং সেই দায়ের জন্য বিএনপিকে বার বার আলোচনায় ডাকা হয়েছে। কিন্তু জামাত ছেড়ে বিএনপি আসতে রাজি হয়নি।

      বিএনপির না আসার দায় পুরোপুরি বিএনপির, কখনওই সরকারের নয়।

      Reply
  49. zahid

    আপনার কথা সবই বুঝলাম। কিন্তু জনগণের নিরাপত্তা দিতে সরকার ব্যর্থ। হরতাল-অবরোধে দেশের অর্থনীতি বিপর্যস্ত। আমাদের অপঘাতে মৃত্যু হলে আপনারা কোনো দলই দায়ভার নেবেন না, আমাদের ঘরে খাবার না থাকলে আপনারা তো খাবার দিবেন না, অথচ সবাই বড় বড় কথা বলবেন এটা কি ঠিক?

    আপনি যদি জানতেন বিরোধী দল নির্বাচনে আসবে না, গণ্ডগোল করবে, তাহলে সরকারকে কেন বলেননি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে? কেন সাধারণ মানুষ মৃত্যুবরণ করবে আপনাদের রেষারেষির কারণে???

    আপনারা দুই দল ঢাল-তলোয়ার নিয়ে পলাশীর প্রান্তরের মতো কোনো প্রান্তর ঠিক করেন। যুদ্ধে যে জিতবে আমরা তাকেই রাজা মানব। এমনিতেই দেশে গণতন্ত্র বলে তো কিছু নেই। আছে গণতন্ত্রের নামে ‘রাজতন্ত্র’।

    সুতরাং মানুষের জানমালের নিরাপত্তা সফলভাবে প্রদান করুন, তারপর মানুষ আপনাদের কাছে আসবে, প্রচারণার প্রয়োজন হবে না।

    Reply
  50. salim

    আমার কাছে লেখাটি এক্সিলেন্ট মনে হয়েছে। আমার ধারণা, আপনি শুধু একজন জেন্টেল পারসোনালিটি নন, সত্যিকারের ম্যাচিউরড মেধা ও খাঁটি রাজনীতিবিদের গুণাবলী রয়েছে আপনার মধ্যে।

    এ ধরনের পারসোনালিটি আমাদের আরও দরকার। লেখককে সশ্রদ্ধ অভিনন্দন।

    Reply
  51. Hossain khan

    আমরা পাঁচ বছর আগের তুলনায় অনেক খারাপ আছি। কীভাবে ভালো থাকি? কারণ দেশের মানুষ সব জিম্মি আওয়ামী লীগের হাতে। আপনারা যা মনে করেন দেশের মানুষ তা মনে করে না…..

    Reply
    • মোয়াজ্জেম হোসেন

      আপনার মতো কজন বিএনপি-জামাত বাদে সবাই বলবে ভালো আছি, উন্নয়ন হয়েছে….

      Reply
    • MD HRIDOY ISLAM

      দেশের মানুষ তাহলে কী মনে করে? বিএনপির সময়ে ভালো ছিলাম? নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পেয়ে ভালো নেই, তাহলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৬ ঘণ্টা লোডশেডিং ভালো ছিল?

      Reply
  52. কান্টি টুটুল

    জনগনের অংশগ্রহন কিংবা শক্তিশালি বিরোধীদল ছাড়া গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় না। আমাদের দুর্ভাগ্য আসন্ন সংসদ নির্বাচনে এই দুটি উপাদান ভোটকেন্দ্র থেকে দূরে অবস্থান করছে।

    দেশকে বাকশালী শাসন হতে দূরে রাখা আজ সকলের দায়িত্ব হওয়া উচিত।

    Reply
  53. Sohel Rana

    এগিয়ে যান। ইনশাল্লাহ জনগণ সঠিক সিদ্ধান্ত নিবে।

    আমরা আপনার মায়ের জন্য দোয়া করছি।

    Reply
  54. এনামুল হক ভূরুঙ্গামারী কুড়িগ্রাম

    আমাদের সবাইকে সচেতন নাগরিক হিসেবে সঠিক স্থানে তোট দিতে হবে….

    Reply
    • এনামুল হক ভূরুঙ্গামারী কুড়িগ্রাম

      আমি সবাইকে সঠিক স্থানে ভোট দেত্তয়ার আহব্বান জানাচ্ছি ।

      Reply
  55. মাষ্টার পান্না

    ভাই, আমি সাধারণ জনগণ, রাজনীতি বুঝি না। আমি শুধু বুঝলাম–

    ১. আওয়ামী লীগের আমলে গত ৫ বছরে জিনিসপত্রের দাম আশি গুণ বেড়েছে।

    ২. সংসদের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার অপব্যবহার করে দলটি গণতন্ত্রকে হত্যা করছে। আর এই হত্যার মধ্য দিয়ে দেশের শান্তি, শৃংখলা, মানবধিকার, অর্থনীতি সবই ধ্বংস করা হয়েছে।

    Reply
    • ফরহাদ

      মাস্টার পান্না,

      পাঁচ বছর আগে আপনার বয়স কত ছিল জানি না, তবে আপনার স্মৃতিশক্তি ইচ্ছে করেই দুর্বল করে রেখেছেন মনে হয়। এই সরকার ক্ষমতা নেওয়ার সময় মোটা চালের দাম ছিল ৩৫ টাকা কেজি, এখন ৩০ টাকা। সয়াবিন ছিল ১২৩ টাকা লিটার, এখন ১২০ টাকা। ডাল ছিল ১১৫ টাকা কেজি, এখন ১১০ টাকা। রুই মাছ ঘিল ২২০ টাকা, এখন ২৫০। তরিতরকারি প্রায় সবকিছুই পাঁচ বছর আগের দামে।

      তবে বেড়েছে বাড়িভাড়া এবং যাতায়াত খরচ। কাপড়-চোপড়, জুতা আগের দামেই। অথচ আপনার আয় বেড়েছে গত পাঁচ বছরে প্রায় দ্বিগুণ।

      সবকিছু রাজনীতির চোখে না দেখে বাস্তব দৃষ্টিতে দেখুন…..

      Reply
      • GUDUN

        সুন্দর কথা। জানাশুনা থাকলেই শুধু সমালোচনা করা উচিত আমাদের। কাউকে আঘাত না করে….

    • MD HRIDOY ISLAM

      আওয়ামী লীগের আমলে গত পাঁচ বছরে জিনিসপত্রের দাম আশি গুণ বেড়েছে– এই কথার ভিত্তি কী? এটা পুরোপুরি মিথ্যাচার।

      গণতন্ত্র মানে যদি হয় রাজাকারের গাড়িতে পতাকা তুলে দেওয়া, তাহলে সেই গণতন্ত্র দরকার নেই।

      Reply
    • abdus salam

      আশি গুণ দাম বাড়ার পরেও আপনি বেঁচে আছেন! মাসিক খরচ এক হাজার টাকার জায়গায় আশি হাজার টাকা হয়েছে– আপনিও তাহলে অনেক কামিয়েছেন!!!

      ফলে আশি হাজার টাকা খরচ করেই বেঁচে আছেন!

      Reply
    • ratan

      খালেদা জিয়ার দিন শেষ। ইসলামি জনতা আজ শা-নতে ইসলাম, হেফাজতে ইসলাম, শানে-নজুল ইসলাম-এর দিকে চেয়ে আছে! বলছে, ওরা অরাজনৈতিক কিন্তু খারাপ রাজনীতি বেছে নিয়েছে….

      Reply
    • Socheton Nagorik

      ১. মানুষেরে আয় একশ আশি গুণ বেড়েছে।

      ২. দেশটাকে পাকিস্তান বানাতে দেয়নি।

      Reply
  56. মাহবুব

    ভোটারের ভোটাধিকার না থাকলে ভোট হয় না।

    বর্তমানে ১৫৩ আসনে ভোটের অধিকার সরকার জনগণের কাছ থেকে কেড়ে নিয়েছে। বিরোধী দল নির্বাচনে এলে সারা দেশে ভোটের প্রয়োজন হত না। কারণ দুই দল ভাগাভাগি করে দেশ চালানোর ফন্দিফিকির করেছিল। সাধারণভাবেই বলা যায় যে দেশে গণতন্ত্র বলতে কিছু নেই।

    আরেকটা কথা না বললেই নয়– আমরা সাধারণ মানুষ ভালো নেই। এই দুই দলের প্রধানরা দেশের মানুষের নিরাপত্তা দিতে পারছেন না। আমরা শান্তি চাই। সব দলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করে জনগনের মতপ্রকাশের সুযোগ ও ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হোক।

    Reply
    • MD HRIDOY ISLAM

      গণতন্ত্রের চেয়ে জনগণের ভালো থাকা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। মাহাথির মোহাম্মদ গণতান্ত্রিক ছিলেন না বলেই আজ মালয়েশিয়ার এত উন্নত অবস্থা।

      গণতন্ত্রের ধোয়া তুলে চোর-বাটপাড়-রাজাকারদের ক্ষমতায় দেখতে চাই না।

      Reply
  57. twin

    এবারের নির্বাচনটি হাস্যকর নির্বাচন হচ্ছে। জনগণ ইতোমধ্যেই এটি প্রত্যাখ্যান করেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও গ্রহণ করেনি।

    তাই এই নির্বাচনে ভোট দেওয়া আমার পক্ষে অসম্ভব।

    Reply
  58. M T ULLAH

    এ নির্বাচন ক্ষতি করছে স্বয়ং আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক চেতনার, ধ্বংস করছে রাজনীতিক কাঠামো যা খুবই হতাশাব্যঞ্জক।

    Reply
  59. sharif

    আজ আপনারা কি পাঁচ বছর আগের চেয়ে ভালো নেই? আজ দেশটা কি পাঁচ বছর আগের চেয়ে ভালো নয়?

    — উত্তর তো না… এখন কী বলবেন আপনারা?

    Reply
    • tigerbd

      তুলনামূলক বিচারে আপনাকে বলতে হবে কোন কোন ক্ষেত্রে আপনি খারাপ আছেন। তা না হলে আপনার বক্তব্য মূল্যহীন।

      Reply
  60. Farhad Hosen

    শেখ হাসিনার সরকার কখনওই নির্বাচনে কারচুপি করেনি। তারপরও বিরোধী দলের মনগড়া আশঙ্কা, আগামী নির্বাচনে দুর্নীতি করতে পারে, তাই শেখ হাসিনাকে এখনই পদত্যাগ করতে হবে।

    আগামীতে ক্যান্সার হতে পারে এই আশঙ্কায় আগেই কেমোথেরাপি দেওয়ার পরামর্শের মতো! ভবিষ্যতে অপরাধ করতে পারে এই জন্যে আগেই শাস্তি!

    বড়ই চমৎকার!!!

    Reply
  61. al-amin

    লেখাগুলি সবই বাস্তবসম্মত, তারপরও যদি জনগণ না বুঝে তাহলে কী আর করা।

    তারা ইচ্ছা করে চোর, বাটপাড় আর জঙ্গিদেরকে আশ্রয় দিবে এটা মেনে নেওয়া যায় না। রাজাকারদের আশ্রয়দানকারী দলকে আমাদের প্রত্যাখান করতে হবে সমাজের প্রতিটি জায়গা থেকে…..

    Reply
  62. এম এ আমিন খান

    হ্যাঁ, আপনি ঠিকই বলেছেন। জনগণকে আপনার এই কথাগুলো বোঝাতে হবে। কোনো অপশক্তির কাছে আমাদের মাথা নত করা চলবে না। দেশের স্বার্থেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

    জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

    Reply
  63. ফারুক

    আজ এমন দিন এসে পড়েছে, আপনাদের মতের বাইরে কেউ গেল তো তার জাত গেল! বিরোধী দলকে মানুষ যে কারণে ঘৃণা করে আজ আপনারাই তা করছেন। আপনাদের নেতারা আঙুল ফুলে কলাগাছ, আর যত দোষ নন্দঘোষের।

    তাই তো আমরা আম আদমির আজ পড়াশুনা শেষ, অথচ দেশে চাকরি নেই। আপনারা দেশের জন্য অনেক কাজ করেছেন, চেষ্টা করেছেন, যেটা বিরোধী দল থাকলে হত না, তা আমরাও জানি। কিন্তু শুধু আপনাদের এক গোঁড়ামির কারণে আজ সব ম্লান হতে বসেছে। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য অগ্রিম শুভেচ্ছা।

    জয় বাংলা। জয় (শুধুই) বঙ্গবন্ধু (আজকের আওয়ামী লীগকে নয়)।

    Reply
    • MD HRIDOY ISLAM

      দেশে চাকরি নেই এটা ভুল কথা। বেকারত্ব অনেক দিনের সমস্যা, পাঁচ বছরে এর সমাধান করা সম্ভব নয়। সরকার বেকারত্বের হার কমিয়েছে, এই চেষ্টা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে এটা শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে।

      Reply
  64. বঙ্গRakib

    বঙ্গবন্ধুর আদর্শে রাষ্ট্র যেভাবে ভালো চলে, দেশের উন্নতি হয়, দেশের মানুষের উন্নতি হয়– সেটাই আমরা চাই।

    Reply
  65. Shemul debnath

    আমরা সামনে এগুতে চেয়েছি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে যাতে জামাত-বিএনপির হাত থেকে বাঁচতে পারি।

    Reply
  66. bangali.bangladeshi

    মায়ের জন্য কাজ করা লক্ষ কাজের থেকেও উত্তম– তা দেখার ভার উপরওয়ালার। ইনশাল্লাহ।

    আর শপথ নিন কোনো গ্রেনেড মেরে বা বস্তাপচা বই লিখে ভ্রান্ত রাজনীতি এ দেশে চলবে না– ব্যস এতুটুকুই।

    আল্লাহ ভরসা।

    Reply
  67. Suman Talukder Akash

    প্রথমে আমার শ্রদ্ধামিশ্রিত ভালোবাসা নিবেন। আমার মন্তব্যটি পড়লে খুব খুশি হব। আপনার লেখাটা ভালো লাগল। ইদানিং কোনো আওয়ামী লীগ নেতা এমন যুক্তিবহ কথা বলেন না। শুধু উন্নয়ন আর জামায়াত-শিবির আর খালেদার নির্বাচন বর্জন নিয়ে কথায় ব্যস্ত। ফলে অধিকাংশ মানুষ মনে করে আমাদের সরকার ইসলামবিরোধী। তাতে তারা বিএনপির পক্ষে চলে যাচ্ছে।

    তবে এটা্ও সত্য যে, অনেক বাঙালি আবার নিজেকে মুসলমান পরিচয় দিয়ে মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে মনে মনে একাত্মতা প্রকাশ করেছে। তারা উগ্রবাদী মুসলমান হয়ে দেশকে অন্যান্য মুসলিম জঙ্গি দেশের মতো দেশে পরিণত করতে জামাত-হেফাজত নাম ধরেছে। স্বৈরাচারী শাসকের সৃষ্টি খালেদা জিয়া হচ্ছেন তাদের রাজনৈতিক আশ্রয়দাতা। আর জামাত হচ্ছে এদের অর্থের যোগানদাতা, যোদ্ধা ও অস্ত্র।

    তাই জামাতকে ধ্বংস করে (সঠিক তালিকা তৈরি করুন, যোগানদাতাদের জরিমানা করুন), ধর্মকে গোঁড়ামি থেকে বের করে নিয়ে আসতে উপযুক্ত লোককে কাজে লাগান। মানুষের সামনে বলুন তাদের বর্বরতার কথা, সরকারের উন্নয়নের কথা, ধর্মের কথা (আওয়ামীপন্থী)। লীগকর্মীদের নিয়ে ঘন ঘন মিটিং করুন ও ট্রেনিং দিন, সুবিধা (অর্থ) বাড়ান।

    তার সঙ্গে গণমাধ্যমকে ইতিবাচক রাখতে চেষ্টা করুন, সেখানে জামাত-শিবিরের বর্বরতার চিত্র তুলে ধরুন। এগুলো আমার অনুরোধ।

    Reply
    • faruq ahmed

      আপনার কথাগুলো যদি আওয়ামী লীগ মানত তাহলে দলটাকে কেউ হারাতে পারত না। আমার মন বলছে এত ভালো যাদের স্ট্র্যাটিজি, তারা নিশ্চয়ই এই ব্যাপারগুলো মাথায় রেখেছে।

      Reply
  68. Modon

    কী কী সাফল্য তার একটি তালিকা হলে ভালো হত। আমার মস্তিষ্ক দুর্বল। খালি ভুলে যাই। এরপর যখন বলবেন একটু উল্লেখ করবেন। তাহলে মনে পড়ে যাবে।

    Reply
    • Shibu

      অর্জন তো সর্বত্র। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্দি, পার ক্যাপিটা ইনকাম বেড়ে যাওয়া, নারীউন্নয়ন, শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশাল উন্নয়ন, বছরের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেওয়া, তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়ন, প্রায় সব পরিবারেই সেলফোনের ব্যবহার, কোনো মানুষের অনাহারে না থাকা, বাংলাদেশ থেকে ‘মঙ্গা’ শব্দটি উঠে যাওয়া, নব্বই শতাংশ শিশুর শিক্ষালাভ, বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা, প্রায় সব মানুষের হাতে বিদ্যুৎ সুবিধা চলে যাওয়া, প্রতি মাসে ব্যাংক রিজার্ভের রেকর্ড করা। কী নেই?

      জানি আপনারা কাউন্টার দেবেন হলমার্ক, সোনালী ব্যাংক, শেয়ার মার্কেট এসব দিয়ে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, এসব কিছুর জন্য বিচারপ্রক্রিয়া চলছে।

      তাই শুধু ইতিবাচক দিক দেখুন। একে চলতে দিন, জামায়াতের আক্রমণের মতো কোনো ধরনের বিরতি ছাড়া, যাতে আমাদের উন্নয়নপ্রক্রিয়া ধ্বংস হয়ে না যায়।

      Reply
    • MD HRIDOY ISLAM

      # দেশে এখন লোডশেডিং হয় না;

      # মাথাপিছু আয় ২০০৮ সালে ছিল ৫০০ ডলার, এখন ৯৮০ ডলার;

      # বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সাড়ে ১৮ বিলিয়ন ডলার;

      # মূল্যস্ফীতি ২০০৮ সালে সাড়ে ১১ শতাংশ, এখন ৭ শতাংশ;

      # খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পুর্ণ, বর্তমানে মোট খাদ্য উৎপাদনের ৩০ শতাংশ উদ্বৃত্ত থাকে;

      # ইন্টারনেটের মূল্য কমানো হয়েছে; ২০০৮ সালে প্রতি গিগাবাইট ব্যান্ডউইদের দাম ছিল ৭০০০০ টাকা, এখন ৭০০০ টাকা। এর সঙ্গে ওয়াইম্যাক্স, থ্রিজি চালু করা হয়েছে;

      # বিভিন্ন সরকারি কাজে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার করা, অনলাইনে পাসপোর্ট, মোবাইলের মাধ্যমে বিসিএসসহ বিভিন্ন পরীক্ষার আবেদন ও ফি দেওয়ার ব্যবস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য মোবাইলের মাধ্যমে আবেদনের ব্যবস্থা করা;

      # যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি– ঢাকা শহরে বিশাল বড় আকারের দুটি ফ্লাইওভার, একটি ছোট ফ্লাইওভার, হাতিরঝিলের মতো বড় আকারের প্রকল্প;

      # সারাদেশের ভাঙা রাস্তাঘাটের মেরামত;

      # বিআরটিসির ৮০০ নতুন বাস চালু;

      # বেশ কয়েকটি নতুন ট্রেন চালু, স্বল্পদূরত্বে কম্যুটার ট্রেন সার্ভিস চালু;

      # ১০০ ভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে ৪টি বিসিএস পরীক্ষা সম্পাদন;

      # সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন ১০০ ভাগ বৃদ্ধি করা, নারীদের জন্য মাতৃত্বকালীন ছুটি ৬ মাস করা। মহার্ঘ ভাতা ২০ শতাংশ বৃদ্ধি করা;

      # ৩ দফায় সারের মূল্য হ্রাস করা, সঠিক সময়ে কৃষকের কাছে সার পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা;

      …. ঘুষ, দুর্নীতি, অনিয়ম ছিল এটা যেমন সত্য, তেমনি আওয়ামী লীগ অনেক কাজ করেছে এটাও সত্য। এখন সিদ্ধান্ত আপনার।

      Reply
      • MD HRIDOY ISLAM

        খাদ্য উৎপাদনে দেশ এখন স্বয়ংসম্পুর্ণ। বর্তমানে মোট খাদ্য উৎপাদনের ৩০ শতাংশ উদ্বৃত্ত থাকে….

      • Aminur

        ১ গিগাবাইট ইন্টারনেট খরচ ৫ বছর আগের মতোই রয়ে গেছে। তাতে সাধারণ মানুষের কী উপকার হয়েছে?

        সরকারি চাকরিতে মেধার ভিত্তিতে মাত্র ৪০ শতাংশকে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আবার এই ৪০ শতাংশও বিভিন্ন্ রাজনৈতিক নেতার জন্য বরাদ্দকৃত।

        সব জায়গায় শুধু দুর্নীতি।

    • অরুন রহমান

      ক. বিনামূল্যে বই বিতরণ;

      খ. ফ্লাইওভার নির্মাণ;

      গ. তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়ন;

      ঘ. ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন;

      ঙ. ৪০ হাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ;

      চ. কৃষিতে ভর্তুকি বৃদ্ধি;

      ছ. জামাত-শিবির নিষিদ্ধকরণ;

      জ. যুদ্ধাপারাধীদের বিচার;

      ঝ. মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি;

      ঞ. সৃজনশীল পদ্ধতিতে শিক্ষা ব্যবস্থার প্রচলন;

      ট. অভিন্ন শিক্ষা পদ্ধতি চালু;

      ঠ. সমুদ্রসীমা জয়।

      আমার মস্তিষ্ক দুর্বল হয়ে গেছে। তবে অনেক কিছু বাকি আছে যেগুলো করার খুব বেশি প্রয়োজন ছিল। পদ্মা সেতু, মেট্রো রেললাইন, ধর্মনিরপেক্ষতা, জলবিমান ব্যবস্থার উন্নতি, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি রোধ, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষাব্যবস্থা থেকে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক প্রভাব দূর করা, সরকারি মিল-কারখানাগুলো পুনরায় চালু করা, দলীয় সন্ত্রাসমুক্ত রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি, বিরোধী দলের সঙ্গে সমোঝতার মাধ্যমে বাংলাদেশ গড়া, জামাত-শিবিরকে পুরোপুরি নিউট্রালাইজ করা– আরও অনেক কিছু আশা করেছিলাম।

      Reply
    • পিয়াস চৌধুরী

      ১. খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা;

      ২. উত্তরবঙ্গের মঙ্গা নির্মূল;

      ৩. ১০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন;

      ৪. রাজধানীতে হাতিরঝিল ও একাধিক ফ্লাইওভার;

      ৫. বৈদেশিক রেমিটেন্স বৃদ্ধি;

      ৬. মালয়েশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে ৩ লাখ শ্রমিকের বৈধতা লাভ;

      ৭. স্কুলে পাঠ্যবই বিনামূল্যে বিতরণ, এ ক্ষেত্রে রেকর্ড সৃষ্টি;

      ৮. যুগোপযোগী শিক্ষানীতি প্রণয়ন।

      তাই উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিন।

      জয় বাংলা!

      Reply
      • Upom

        ভাই, আপনি যদি বাংলাদেশে বাস করেন তাহলে আর আমার কিছু বলার নেই। আপনি নিজে জানেন দেশের কী অবস্থা। সবকিছু নেতাজীদের পকেটে…..

  69. আকাশ

    উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে নৌকায় ভোট দিন!
    ৫ জানুয়ারি সারাদিন, নৌকায় ভোট দিন, স্বাধীনতা রক্ষার নির্বাচন- নৌকায় ভোট দিন!

    জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু!

    Reply
    • Toma Das

      খেয়াল করুন সাধারণের জন্য কী করেছেন–

      ক. ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত;

      খ. বিদু্তের দাম আট দফা বৃদ্ধি;

      গ. ‌দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি;

      ঘ. ভ্যাট, ট্যাক্স দ্বিগুণ। ২৫ টাকার স্ট্যাম্প ৫০, ১৫০ টাকার স্ট্যাম্প ৩০০;

      ঙ. শেয়ার বাজার থেকে যারা সংসার চালাত তাদের পেটে লাত্থি;

      চ. ভোটের অধিকার হরণ;

      ছ. নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ;

      জ. শান্তি দিতে ব্যর্থ।

      আজ যে মিথ্যাচার চলছে তার ফল পেতে হবে…‌

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—