Feature Img
ছবি. নাসিরুল ইসলাম
ছবি. নাসিরুল ইসলাম

সিরাজগঞ্জের সইদাবাদ একটি লোকালয়। ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গ যাওয়ার রেললাইন গেছে এর ভিতর দিয়ে। পাশে যমুনা সেতু থেকে রাজপথ বের হয়ে রেললাইনের পাশাপাশি গেছে। একটি নিরিবিলি ভাবনাহীন লোকালয়। কিন্তু প্রধান বিরোধী দল বিএনপি সেখানে একটা জনসভা করবে। রেললাইন থেকে মাত্র বিশ গজ দূরে। এর মধ্যে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার র্নিবাচিত বিএনপি চেয়্যারম্যান সানাউল্লাহ্ নূর বাবু নৃশংসভাবে রাস্তার ওপরেই খুন হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীর মুখ থেকে জানা যায়, যারা বাবুর মিছিলে হামলা করেছিল তারা সরকারি দল সমর্থিত নেতা-কর্মী ছিল। সংবাদ-চিত্র এবং টিভি চ্যানেলে ভিডিও চিত্র একই কথা বলছে।
বাবুর নিহত হওয়া খুবই দুর্ভাগ্যজনক। তবে রাজনীতিতে প্রতিহিংসার একটা শক্ত জায়গা আছে। বাবুর মৃত্যু বড়াইগঞ্জ উপজেলার আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র দীর্ঘদিনের প্রতিহিংসার রাজনীতির একটি মর্মান্তিক ফলাফল। রাজনীতিতে সুযোগসন্ধানও একটি বড় উপায়। বাবুর মৃত্যু জীবনানন্দের বনলতা সেনের নাটোরে বিনপি’র রাজনীতির বিস্তর ক্ষতি করেছে। বিএনপি এটাকে ইস্যু করতে চায়। রাজনীতিতে ইস্যু না থাকলে ইস্যু তৈরি করতে হয়। প্রতিপক্ষের হাতে দলীয় নেতা বা কর্মীর মৃত্যু হলে ইস্যুটা আপনাআপনি হাতে এসে যায়।

সিরাজগঞ্জ থেকে নাটোর কাছাকাছি। সিরাজগঞ্জে জনসভা হলে নাটোরেও তার উত্তাপ লাগবে। বাবুর মৃত্যুকে ইস্যু করে খই ফোটানো যাবে। এরকম একটি রাজনৈতিক ‘সদিচ্ছা’ বিরোধী দলের ছিল। আমাদের দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা ঈর্ষণীয়ভাবে জনপ্রিয়। তাঁদের জনসভায় লক্ষ লক্ষ লোকের সমাবেশ হয়। সেদিনও সইদাবাদের মাঠে মানুষ জমে গেল বিরোধী দলের নেত্রী পৌঁছার বহু আগেই। রেলরাস্তার পাশে জনসভা। আমজনতার মনস্তত্ত্ব কাজ করল। রেলরাস্তা অধিকার করে তারা বসল। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচলিত অভ্যাসও কাজ করল। শহরের রাজপথে তারা সভা করার নামে রাস্তা দখল করে। যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। যানজটের লম্বা সারি পড়ে। কোন এ্যাম্বুলেন্সের ভিতর কোন রোগীর অবস্থা আশংকাজনক থাকলে তিনি যানজটে আটকে পড়ে অক্কাও যেতে পারেন।

রাজনৈতিক সভা করার নামে পথযাত্রী ও সাধারণ মানুষকে কষ্ট দেবার এ সামাজিক রীতি আমরা ভালোবাসি। আমরা চাই এ রীতি বজায় থাকুক। একই মনস্তত্ত্ব কাজ করল সইদাবাদের সভার বেলায়ও। দলের কেউই এ লোকগুলোকে রেলরাস্তার ওপর বসতে মানা করল না। শহরের রাস্তায় রিকশাওয়ালারা চলন্ত বাসের সামনে বেমক্কা চাকা ঘুরিয়ে ডান দিকে বা বাম দিকে মোড় নেয়। কারণ বাসতো তাকে আর ডলে যাবে না। ব্রেক কষে থামতে বাধ্য হবে। এ নিশ্চিন্তিবোধ থেকে রিকশাওয়ালারা ঐ সাহসটা করে। ঐ ধরনের সাহস ঢাকার পথচারীরাও করে। তারা ফুটব্রিজ ব্যবহার করতে পছন্দ করে না। তারা রাস্তার ওপর লাফ দিয়ে চলন্ত গাড়ির সামনে রাস্তা পার হতে পছন্দ করে। ঐ সাহস দেখানোর মধ্যে একটা থ্রিল আছে। আটপৌরে জীবনে কে না একটু উত্তেজনা চায়! ঠিক এই নিশ্চিন্তিবোধ নিয়ে রেলরাস্তা অধিকার করে জনসভার লোকজন বসেছিল। যে ট্রেনই আসুক, থামতে বাধ্য হবে। ছোটবেলায় সার্কাসে আমাদের শিশুদের একটি প্রিয় খেলা ছিল কূপের ভিতর মোটর সাইকেল চালনা দেখা। দেখতাম, কিন্তু ভয় লাগত।

হঠাৎ যদি মোটর সাইকেল ওপরে ছিটকে বের হয়ে আসে! সমাজের শতকরা নব্বইজন লোক যখন আলাদা আলাদা থাকে তখন এভাবে তারা সতর্ক চিন্তা করে। প্রতিটি কাজের অগ্রপশ্চাত নিয়ে ভাবে। বিপদে পা দেয় না। রেল রাস্তায় কদাপি বসে। কিন্তু একই মানুষ যখন জনসভায় একত্র হয় তখন তাদের ব্যক্তিগত ভয়-ডরগুলো সমষ্টিগত সাহসে পরিণত হয়। তারা তখন রেলরাস্তায় বসে যেতে ভয় পায় না।

এ কান্ডটাই তারা করল ঐদিন সইদাবাদে বিরোধী দলের নেত্রীর জনসভায়। তবে তিনি জনসভায় পৌঁছার ঘন্টা দু’য়েক আগেই সেখানে পৌঁছে গেল “দ্রুতযান এক্সপ্রেস”। উত্তরবঙ্গে দ্রুতগামী মেইল ট্রেনের মধ্যে সবচেয়ে আশরাফী বাহন। ইঞ্জিনের চালক হিসেবে বসেছিলেন আসিরউদ্দিন এবং তাঁর সহকারী রাজ গোবিন্দ। তাঁরা ঢাকার দিকে যাত্রী নিয়ে যাচ্ছিলেন, এগারটি বগিসহ। হঠাৎ সইদাবাদের লেভেল ক্রসিং পার হলে তাঁর চোখে পড়ল রেলরাস্তার ওপর অনেক লোক বসে আছে। এরকম গণজমায়েত সাধারণত রেলরাস্তার ওপর হয় না। হলেও পূর্ববর্তী স্টেশন পার হবার সময় সিগন্যালের মাধ্যমে তাঁর সেটা জানার কথা। দ্রুতগামী ট্রেনের গতি হঠাৎ বন্ধও করা যায় না। তাই তিনি বারবার হুইশেল দিতে লাগলেন।

কিন্তু জনসভায় নেত্রী আসার আগে আবহাওয়া তাতিয়ে তোলার জন্য স্থানীয় নেতারা মাইকে জোরালো গলাবাজী করে যাচ্ছিলেন। মাইকের আওয়াজের তলায় হুইশেলের শব্দ চাপা পড়ে গেল। লোকগুলো শুনল না। অথবা ট্রেন থেমে যাবে মনে করে তারা  সরে গেল না হয়তবা। কিছু লোক হয়ত সরল, কিছু সরল না। যন্ত্রদানব এসে পড়ল তাদের ওপর। ঘটাং ঘটাং। মুহূর্তে লোহার চাকার নীচে কাটা পড়ে গেল ছয় থেকে সাতজন লোক। অদৃষ্টবাদীরা বলবেন, ঐভাবে তাদের মৃত্যুটা নির্দিষ্ট ছিল। জাতীয় পত্রিকাগুলির সম্পাদকীয় বলবে বিরোধী দলেরও দোষ, সরকারি দলেরও দোষ। বিরোধী দল বলবে, এটা দুর্ঘটনা নয়, সরকারের ষড়যন্ত্র। সরকারি দল বলবে বিরোধী দলের ইস্যু তৈরি করার জন্য লাশ দরকার। সেজন্য রেল রাস্তার গা ঘেঁষে জনসভার আয়োজন করা।
তারপর রেলের কাহিনীটিও কম ট্র্যাজিক না। ট্রেন থেমে গেল হঠাৎ এঞ্জিনের বাষ্পাধারে কী একটা ছিঁড়ে যাওয়ায়। তখন জনসভার উত্তেজিত লোকেরা চালক এবং উপ-চালককে মেরে ফেলার জন্য মারধর করল। তাঁরা গুরুতর আহত হলেন। তবে স্থানীয় কিছু সাহসী যুবকের হস্তক্ষেপে তাঁরা প্রাণে রক্ষা পান। জনতা এখানে থামল না। তারা ট্রেনের যাত্রীদেরকে নামিয়ে দিল। নামানোর সময় তাদেরকে লুটও করল।

তারপর তারা একের পর এক বগিতে আগুন ধরিয়ে দিল। আগুনের লেলিহান শিখায় পুড়ে গেল ট্রেনের নারকেলের ছোবড়া আর প্লাস্টিকে ঢাকা বসার সিট, গলে গেল পিতল আর পাতলা লোহার পাত, ঠিক ইংরেজি এ্যাকশন ছবিতে যেরকম দৃশ্য দেখি। ট্রেনের পাওয়ার হাউজে আগুন ধরানো হলে এঞ্জিনসহ গোটা ট্রেনই পুড়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের বিপুল ক্ষতি করে দিল। রেল আমাদের জাতীয় সম্পদ, সেখানে ক্ষতির পরিমাণ এ পর্যন্ত পঁচিশ কোটি টাকা হিসাব করা হয়েছে। এঞ্জিনটাই কেনা হয়েছিল কোরিয়া থেকে পঁচিশ কোটি টাকা দিয়ে। অর্থাৎ মোট পঞ্চাশ কোটি টাকার ক্ষতি। মেরামত যদি সম্ভব হয়, শুধু মেরামতের সময় লাগবে চার মাস। সে পর্যন্ত রেল কর্তৃপক্ষ “দ্রুতযান”-কে আর রাস্তায় আনতে পারবে না। তা হলে?

এখন পত্র-পত্রিকায় এবং মানুষের মনে ঘুরেফিরে এ প্রশ্নটা আসছে: সাতটা লোকের জীবন গেল, এগারজন লোক গুরুতর আহত হল, পঞ্চাশ কোটি টাকার জাতীয় সম্পদ নষ্ট হল, এসবের দায়ভাগ কে নেবে?

কয়েকটা তদন্ত কমিটি হয়েছে। হয়ত ক্রমান্বয়ে বের হয়ে আসবে জনসভায় রেলরাস্তা আঁকড়ে ধরে বসে থাকার জন্য মাইকে কেউ উস্কানি দিয়েছিল কী না, কিংবা রেলের চালকদের দিক থেকে কোন অবহেলা ছিল কী না। আরো হাজার প্রশ্ন।

তবে আমার একটা ব্যক্তিগত প্রশ্ন আছে। আমি পেশায় একজন শিক্ষক। চাকরির অংশ হিসেবে আমাকে মাঝে মাঝে ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে শিক্ষাসফরে বের হতে হয়। তখন অভিভাবকেরা বলেন, দেখেন, কোন যেন দুর্ঘটনা না হয়। আমি বলি, দুর্ঘটনার ওপরতো আমার হাত নেই। ঘরের বাথরুমে যেমন মানুষ দুর্ঘটনায় পড়তে পারে, তেমনি সফরকালীন ভ্রমণেও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। হ্যাঁ, আমি ছাত্রছাত্রীদেরকে নিয়ে পর্যটন করার জন্য সুন্দরবন নিয়ে যেতে পারি, কিন্তু তাই বলে তো আমি ছাত্র-ছাত্রীদেরকে সুন্দরবনের বাঘের ঝোপের কাছে নিয়ে যাব না। সুন্দরবনে হঠাৎ নৌকা উল্টে গেলে সেটা দুর্ঘটনা হবে, কিন্তু বাঘের গুহার কাছে বসে পিকনিক করলে সেটা হবে কন্ট্রিবিউটরি বা অবদানমূলক দুর্ঘটনা। রেলরাস্তার পাশে জনসভা করা সেরকমই বিপজ্জনক এবং দায়িত্বহীন একটা কাজ বলে মনে হয়েছে।
বিরোধী দলের নেত্রী সিরাজগঞ্জের রেস্টহাউজে অপেক্ষা করছিলেন। তিনি পরে জনসভায় যান। এত বড় ঘটনার পরও সেদিন জনসভায় আগত লোকজন বিরোধী দলের নেত্রীর বক্তৃতা শোনার সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত হয় নি। সিরাজগঞ্জ ট্র্যাজেডির বিপরীতে এটাই একমাত্র সান্ত্বনার কথা।

১২ Responses -- “সিরাজগঞ্জ ট্র্যাজেডি”

  1. Hanif

    তিনি তার লেখায় সুনিপুনভাবে ঘটনার দায় বিএনপি’র ঘাড়ে চাপিয়ে গেলেন, এবং সরকারকে এর দায় থেকে রেহাই দিলেন। কিন্তু দেশের নিরপেক্ষ মানুষের মনে যে প্রশ্নগুলো প্রতি নিয়ত ঘুরে বেড়াচ্ছে তিনি এই সুলেখায় সে দিকে একবারও যাবার প্রয়োজন মনে করলেন না।
    বুঝলাম রেল লাইন থেকে মাত্র বিশ গজ দূরে বিএনপি জনসভা করে আইন লঙ্ঘন করেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, স্থানীয় প্রশাসন কি রেল লাইনের পাশে সভা না করার জন্য বিএনপিকে একবারও বারন করেছিল। আজকাল তো সরকার নানা বাহনায় বিরোধী দলের সভা পণ্ড করে দিচ্ছে, শিরাজগঞ্জে অন্তত বৈধ কারণে স্থানীয় প্রশাসন বিএনপিকে অন্যত্র সভা সরিয়ে নিতে বাধ্য করতে পারতো। তাহলেই তো এতগুলো মানুষের জীবণ যেতো না ,দেশের সম্পদও নষ্ট হতো না।
    ২- বাংলাদেশে যে কোন সড়ক দুর্ঘটনার পর অবশ্যই চালক গাড়ী থামায় না, বরং দ্রুত গতিতে গাড়ী চালিয়ে সে ভেগে যায়। সে দিন দ্রুতযান ট্রেনটি সাত জন মানুষ হত্যা করে, বিশাল জনসভার মধ্যে কেন দাড়িয়ে গেল ?এটা কারো বুঝতে অসুবিধা হয় না যে, সাত জন মানুষ হত্যার পর ট্রেনটি থেমে গেলে বাঙ্গালীর উন্নত কালচার অনুযায়ী অবশ্যই তারা ট্রেনে আগুন দিবে বা ভাংচুর করবে। কাজেই ট্রেন থেমে যাওয়াটা অবশ্যই রহস্য জনক। ট্রেনের দুই চালক জনরোষে পরেছিল বলে লেখক উল্লেখ করেছে, এটা স্বাভাবিক। তবে প্রশ্ন হচ্ছে যে সাহসী যুবকরা চালকদেরকে জনরোষ থেকে মুক্ত করলো তারা কারা ছিল?
    ৩-ট্রেনের দুই চালকের মধ্যে একজনের নাম লেখক রাজ গোবিন্দ উল্লেখ করেছেন। তার কি কোন রাজনৈতিক পরিচয় আছে কি না?
    এসব সহজ প্রশ্ন কিন্তু লেখক মহোদয় এড়িয়ে গেলেন।

    Reply
  2. Alam

    Dear Esha Khan, you are right, but you are missing out some points.
    BNP may not have permission at the place where they wanted to arrange the meeting, but it does not mean they will select the alternative place where the people (supporters) may fall in danger. This is called ‘contributory accident’.
    And..some people (supporters) some times are, unfortunately, BLIND and DEAF. That’s why they never think of the consequences and can’t see the losses of state property.

    Reply
  3. yousef

    Wonderful.
    Are we living in 21 centuary ? How irresponsible is our leaders that they arranged a big public meeting near a running railway track without any risk assessmsnt.
    We again welcome minus 2 formula to get rid of these junks. The fallout of cruel incidents are sometime blessing in disguise.
    Leadership with peanut brain can not built a country fir for 21 century.

    Reply
  4. আবাবিল ইয়ামীন

    সাতটা লোকের জীবন গেল,এগারজন লোক গুরুতর আহত হল,পঞ্চাশ কোটি টাকার জাতীয় সম্পদ নষ্ট হল,এসবের দায়ভাগ কে নেবে?-কেন, জনগণ! এরা কি মরে শেষ হয়ে গেছে নাকি?

    জনগণ শুধু ভোট দিয়ে আমাদের নেতা নেত্রীদের ক্ষমতায় পাঠায়না, তাঁদের ক্ষমতায় থেকে জনগনের ভাগ্যোন্নয়নের দায়ও অর্পন করে। আর সেই লক্ষ্যে এসব কাজে যে টাকা খরচ হবে সেই ট্রেজারির চাবিটাও হাতে তুলে দিয়েছে।

    বিনিময়ে জনগণ এঁদের কাছে কি প্রত্যাশা করে? নিজেদের জানমালের নিরাপত্তা?-“এক্ষেত্রে কাজীর গরু কাগজে আছে গোয়ালে নেই” প্রবাদটির মত। রেল লাইনের ২০ গজ দূরে বিরোধীদল জনসভা করেই বা কি করে আর সরকার ক্ষমতায় থেকে তা করতেই বা দেয় কি করে? আর এতো বড় একটা দুর্ঘটনা ঘটে যাবার পর প্রতিকার বা পূনরাবৃত্তি রোধে ব্যবস্থা গ্রহনের পথে না এগিয়ে, পরস্পরের উপর দায় চাপানোর রাজনৈতিক কথা বার্তাই বা হয় কিভাবে? হায়রে অসভ্য বরবর দেশ!এদেশে রাজনীতির জন্যই কি জনগণ, জনগনের জন্য কিছুই নেই।

    Reply
  5. সীনা

    I just wonder how irresponsible our political parties and government are! It should be mandatory to check Health & Safety of the venue to organize such a public meeting. BNP and government both can’t ignore their responsibility for not considering the issue. How come BNP organized the meeting next to the Rail line-very dangerous! How come government did let them to do so! This is just ridiculous to blame to each other!!

    Reply
  6. sawkat al imran

    রেল লাইনের পাশে সমাবেশ অবশ্যই দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ। তারপরও কথা আছে,প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া কোন মহাসমাবেশ হতে পারেনা। প্রশাসনও কি মূর্খ? রেল কর্তৃপক্ষ কি জানত না যে সেখানে সমাবেশ আছে? যদি না জানে তাহলে করার কিছু নেই, তবে বিরোধী দলের নেত্রীর সমাবেশ রেল কর্তৃপক্ষ জানবেনা এটাও বড় মূর্খতা। আর যদি জেনে থাকে যে সেখানে সমাবেশ তাহলে রেলের গতি অবশ্যই কম হওয়া উচিত ছিল। নাকি মানুষ হত্যার জন্য পুরো ঘটনাটাই বানানো?

    Reply
  7. Esha khan

    Sir, why you passed the truth that

    1. BNP arranged assembly in a school field first not beside train station but govt supporter arranged their another assembly.

    2. BNP reported to train authority and they cleared them.

    After going through article it seems those who killed they did SUICIDE or they were BLIND or DEAF..

    Sir, come to logic and respect your profession.

    Reply
      • Esha khan

        Dear Yousef, BNP created issue but my question to you:

        1. RAB/Police was there, why they didn’t take action not to arrange meeting over there before accident? of course the meeting not arranged with in few hours.

        2. after this tragedy I asked several people but no one give me the answer. can you give me this answer please? those who died were they BLIND/DEAF and did they suicide?

        I WANT TO NOTE HERE “GOVT. IS TAKING ACTION ON BNP ACTIVIST WHO ARE LISTED BY AL ACTIVIST BUT THEY DIDN’T TAKE ACTION WHEN CHAIRMAN NUR KILLED, THEY DIDN’T TAKE ACTION AFTER PABNA EVENTS ….”

        Don’t feel I am a BNP supporter. I say I hate all parties of Bangladesh because all are bad but I can use my logic who are dangerous.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—