প্রবীণ কবি ও বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মজহার সম্প্রতি একটি টকশোযোগে (একুশে টিভি, ২৮ অক্টোবর রাত) কিছু কথা বলিয়াছেন যাহাতে দেশের বুদ্ধিজীবী–বিশেষ সাংবাদিক–সমাজ আপত্তি জানাইয়াছেন। তিনি নিজেও প্রকারান্তরে স্বীকার করিয়াছেন যাহা তিনি বলিয়াছেন তাহা বলাটা উচিত কাজ হয় নাই। ব্যাখ্যা দিয়াছেন তিনি যাহা বলিয়াছিলেন তাহা নিছক কথার কথা বা রেটরিক। যাহা একজনের কাছে কথার কথা তাহা অন্যের গায়ে ঢিল আকারে পড়িতে পারে–এই সত্যটা উপকথা আকারেও সমাজে বিরাজ করে। তিনি পরোক্ষে হইলেও এই সত্য স্বীকার করিয়াছেন। তাহাতে তিনি সাধুবাদ পাইবেন।

গত ২রা নবেম্বর একটি দৈনিক পত্রিকাযোগে (দৈনিক যুগান্তর) তিনি আমার মতো এক নগণ্য ব্যক্তিকে আক্রমণ করিয়া বসিয়াছেন। অভিযোগ করিয়াছেন আমি তাঁহার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ আনিয়া তাঁহাকে হত্যা করিতে চাহিয়াছি। তিনি যে উষ্ণ হইয়াছেন তাহাতে আর সন্দেহ কি! আমি পরিষ্কার অক্ষরে বলিয়া রাখিতেছি আমি তাঁহাকে হত্যা করিতে চাহি না, তাঁহাকে কেহ হত্যা করুক তাহাও চাহি না। প্রার্থনা করি তিনি চিরায়ুষ্মান হউন।

আমি অতীতে যেখানে প্রয়োজন তাঁহার সমালোচনা করিয়াছি। সমালোচনাই করিয়াছি, বোমা মারি নাই। কর্তৃত্বের বল কিম্বা গায়ের জোর ফলাই নাই। ওয়াকেবহাল সকলেই জানেন আমি যুক্তি প্রয়োগ করিয়াছি। আমার সমালোচনাকে তিনি নিছক ‘গালিগালাজ’ বলিতেছেন। আমার সমালোচনা ভুল হইতে পারে। কিন্তু আমি সমালোচনার হাতিয়ারকে কখনোই হাতিয়ারের সমালোচনা দিয়া দায় সারি নাই। ফরহাদ মজহার নিঃসন্দেহে আমার বক্তব্য পছন্দ করেন নাই। কিন্তু একই সাথে সেই বক্তব্যের আলোচনা করা তিনি প্রয়োজনও মনে করেন নাই। আমাকে তিনি হেয় করিয়াছেন।

একাত্তর টিভি আমাকে জিজ্ঞাসা করিয়াছিলেন আগের দিন একুশে টিভির অনুষ্ঠানে ফরহাদ মজহার যাহা বলিয়াছেন তাহার বিষয়ে আমার বক্তব্য কি? আমি বলিয়াছিলাম ফরহাদ মজহার শিশুও নহেন, পাগলও নহেন সুতরাং তিনি যাহা বলিয়াছেন তাহার দায় তাঁহাকেই লইতে হইবে। গণতন্ত্রে বাক-স্বাধীনতা একটি মৌলিক অধিকার বলিয়া স্বীকৃতি পাইয়াছে। মনে রাখিতে হইবে এই স্বাধীনতা অবাধ বা অসীম নহে। আমার বাক-স্বাধীনতার সীমা অন্য নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা হরণ করিবার সুবিধা পর্যন্ত প্রসারিত হইতে পারে না। একালের উদারনৈতিক বা স্বাধীনতা ব্যবসায়ী গণতন্ত্রের সংজ্ঞার মধ্যেই এই সীমার কথা বলা আছে। বাংলাদেশের বর্তমান সংবিধানের ৩৯(২) অনুচ্ছেদের দোহাই দিয়া আমি এই বক্তব্য সমর্থন করিয়াছিলাম।

কথাটা পরিষ্কার করিবার জন্য আরও দুই কথা বলিতে আমি বাধ্য হইয়াছিলাম। যাহাকে বলা হয় ‘চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা’ তাহার কিন্তু কোন সীমা নাই। বাংলাদেশের হাল সংবিধানের ৩৯(১) অনুচ্ছেদ এই প্রস্তাবেরই প্রকাশ। বিপরীত বিচারে দেখা যায়, বাক স্বাধীনতা বা সংবাদপত্রের স্বাধীনতা প্রভৃতি মৌলিক অধিকার নানান সীমার মধ্যে বাঁধা থাকে। এই প্রসঙ্গেই কথা ওঠে বাক-স্বাধীনতার অপব্যবহার বা সীমালঙ্ঘন শুদ্ধ অপর নাগরিকের বিরুদ্ধে কৃত অপরাধ এমন নহে। এই অপরাধ গোটা জাতি বা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধেও সংঘটিত হইতে পারে। ফরহাদ মজহার গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে পটকা (বা ককটেল) মারা পর্যাপ্ত নহে মনে করেন। গণমাধ্যমে হামলা পরিচালনা পাবলিক অর্ডার বা রাষ্ট্রীয় শান্তিভঙ্গের শামিল। ইহার অর্থ রাষ্ট্রদ্রোহিতা বটে। দেশের প্রায় সকল মানুষই তাঁহার এই বক্তব্যের নিন্দা করিয়াছেন। বলিয়াছেন এই বক্তব্য বেপরোয়া, এই বক্তব্য দুর্ভাগ্যজনক। আমিও বলিয়াছি। কারণ অন্যায়কে অন্যায় বলিতেই হইবে। দুর্ভাগ্যের মধ্যে তিনি আমাকেই যাহাকে বলে ‘চিহ্নিত’ করিয়াছেন। হামলার ‘টার্গেট’ করিয়াছেন।

যুগান্তরে প্রকাশিত লেখায় ফরহাদ মজহার বলিতেছেন ‘গণমাধ্যমের সমালোচনা করলে সেটা কিভাবে রাষ্ট্রদ্রোহিতা হয় সেই পা-িত্য বোঝার ক্ষমতা আমার নাই’। তিনি এখানে সত্য কথা বলেন নাই। গণমাধ্যমের সমালোচনা করিলে রাষ্ট্রদ্রোহিতা হইবে কেন? কেহ তো সেই কথা বলে নাই। গণমাধ্যম বা গণমাধ্যম কর্মীর উপরে বোমা ছুঁড়িলে দুই ধরনের অন্যায় হয়। ইহাতে যাহাকে মারা হইতেছে তাহার বাঁচিবার অধিকার হরণ হয়। আর দুই নম্বরে ইহাতে ‘নৈরাজ্য’ সৃষ্টি হয়। সমালোচনার হাতিয়ারের জায়গায় ফরহাদ মজহার হাতিয়ারের সমালোচনা প্রয়োগ করিতে বলিয়াছেন। বোমা মারিতে উস্কানি দিয়াছেন। ইহাতেও যদি অপরাধ না হইয়া থাকে তবে আমার কোন বক্তব্য থাকিতে পারে না। তিনি আবারও কথার হেরফের করিতেছেন। মানুষ মাত্রেই ভুল করিতে পারে। তিনি ভুল স্বীকার করিলেই পারেন। ক্ষমা চাহিবার অধিকার তাঁহারও আছে।

কিন্তু একটা প্রশ্ন থাকিয়া যায়। ‘গণমাধ্যম’ কোন পদার্থ? তাহার মালিকানার প্রশ্নটি অবশ্যই অবান্তর নহে। কিন্তু আমরা কথা বলিতেছি গণমাধ্যমের কর্মী ও তাহাদের কর্তব্য লইয়া। যুদ্ধক্ষেত্রেও দূত, সাংবাদিক আর চিকিৎসক অবধ্য। যাহারা তাঁহাদিগকে বধ্য মনে করেন তাহারা সভ্যতার সামান্য নিয়ম লঙ্ঘন করেন। কবি ফরহাদ মজহার যদি সেই ধরণের কাজে উস্কানি না দিয়া থাকেন তবে তাঁহার কোন অপরাধই হয় নাই। কিন্তু কোটি দর্শক যাহা দেখিয়াছেন ও শুনিয়াছেন তাহাতে অপরোক্ষে প্রকাশ হইয়াছে তিনি কয়েকটি গণমাধ্যমকে পরিষ্কার ভাষায় ‘সন্ত্রাসী’ বলিয়াছেন। তাহার ভাষা ছিল বেপরোয়া, দায়িত্বজ্ঞানহীন। এখন তিনি বলিতেছেন, উহা ছিল কথার কথা, রেটরিক।

রেটরিক প্রয়োগের অধিকার তাঁহার যদি থাকে, অন্যের থাকিবে না কেন? তিনি লিখিয়াছেন ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতার শাস্তি মৃত্যুদ-’। এই কথাও অর্ধসত্যের একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ। কে না জানে পরাধীন যুগে কবি কাজী নজরুল ইসলামকে বিদেশি দখলদার রাষ্ট্র এক বৎসরের সশ্রম কারাদ- দিয়াছিল। অপরাধ ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতা’। বলা নিষ্প্রয়োজন রাষ্ট্রদ্রোহিতার শাস্তি নানা প্রকার হইতে পারে। মৃত্যুদ-ও অকল্পনীয় নহে। প্রশ্নটা হইতেছে জবাবদিহিতার। শাস্তির নয়। জবাব পাইবার অধিকার আছে আমাদের। কারণ তিনিই আমাদের হত্যা করিবার প্ররোচনা দিয়াছেন। আমরা দিই নাই। রাষ্ট্র বলিতে রাজনৈতিকভাবে সংঘবদ্ধ ‘জনগোষ্ঠী’– বা আজকালকার ভাষায় ‘জাতি’– বুঝায়। নিঃসন্দেহে এই পা-িত্য বুঝার ক্ষমতা তাঁহার আছে। আর যদি না থাকে তবে তিনি ক্ষমার যোগ্য। কেননা অবুঝ লোকের কোন অপরাধ নাই।

ফরহাদ মজহার যে বিদিশা হইয়াছেন–মানে দিশা হারাইয়াছেন–তাহার আরেক প্রমাণ দেখুন। তিনি আমাকে ‘রাজসাক্ষী’ বলিয়াছেন। ‘রাজসাক্ষী’ কাহাকে বলে? যাহারা একযোগে অপরাধ করে তাহাদের কেহ যদি সহযোগীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়া নিজের অপরাধের দ- মওকুফ করাইয়া লয় তাহাকেই লোকে ‘এপ্রুবার’ বা রাজসাক্ষী বলে। এমনই এতদিন জানিতাম। এখন তিনি শিক্ষা দিতেছেন ‘টেলিভিশন টকশোর বরাতে রাজসাক্ষী’ হওয়া যায়! নাকি তিনি প্রকারান্তরে আমাকেও ‘অপরাধী’ বলিতেছেন!

বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মজহার আমার বাক্য ছাড়াইয়া গিয়াছেন। প্রায় বর্ণবাদী ভাষায় আমাকে আমার ‘মুখভঙ্গির মধ্যে’ আবিষ্কার করিয়াছেন তিনি। আমার সমালোচনাকে বিচার না বলিয়া তিনি রাজসাক্ষীর জবানবন্দী ঠাওরাইয়াছেন। বলিয়াছেন আমি তাঁহাকে ‘গালিগালাজ’ করিয়াছি, শাস্তি দিতে চাহিয়াছি। তাঁহার লেখায় সকলেই পড়িয়াছেন এই কথাগুলি: ‘টিভিতে তার মুখভঙ্গির মধ্যে আমাকে রাষ্ট্রের নিপীড়নমূলক যন্ত্রের দ্বারা শাস্তি দেয়ার জিঘাংসা দেখে আমি বিস্মিত হয়েছি। তার চোখে-মুখে যে হিংস্রতা ও প্রতিহিংসাপরায়ণতা ফুটে উঠেছে তাতে আমি অবাক না হয়ে পারিনি।’

এই কথাগুলি পড়িয়া আমার ধারণা হইয়াছে তিনি আমার বাক্য কানে শোনেন নাই, চোখ ও মুখের ভঙ্গি দেখিয়াছেন মাত্র। এহেন হিতাহিতজ্ঞানশূন্যতা কাহারও জন্য কল্যাণকর নহে।

কবি ফরহাদ মজহারকে আমি চিনি আজ কম করিয়া হইলেও ছত্রিশ বছর হইবে। তাঁহার মনীষা ও কবিত্বের তারিফ আমি করিয়াছি বহুবার। যেখানে প্রয়োজন সমালোচনা করিয়াছি। তিনি কোনদিন জওয়াব দেওয়ার দরকার বোধ করেন নাই। না দিবার অধিকার তাঁহার আছে। কিন্তু তাঁহার রাজনীতির সহিত–বিশেষ করিয়া বর্তমানে তিনি যে রাজনীতির দিকে আগাইতেছেন–তাহার সহিত আমার ভিন্নমত আছে। বিশেষ করিয়া গত ২০০৫ সালে তিনি যখন জে.এম.বি. নামক রাজনৈতিক আন্দোলনের সমর্থনে কিছু লেখা লিখিলেন তখন আমি তাঁহার সংস্রব পরিপূর্ণভাবে ত্যাগ করি। সম্প্রতি তিনি যুদ্ধাপরাধের বিচার লইয়া দেশে যে আন্দোলন চলিতেছে তাহার বিরোধিতা করিলে আমি নিরব থাকাটা আর সমীচীন মনে করি নাই।

এই লেখায় আর নতুন কথা তুলিতে চাহি না। যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবিতে শাহবাগে সমবেত তরুণ-তরুণীদের দাবিকে নস্যাৎ করিয়া তিনি একাধিকবার বলিয়াছেন ইহারা ‘পাবলিক লিঞ্চিং’ চাহিতেছে। অথচ শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ অপরাধীদের বিচারের দাবি ছাড়া আর কোন দাবির মতো দাবিই তোলে নাই। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে ফরহাদ মজহার এখন যে অবস্থান নিতেছেন তাহা–সংক্ষেপে বলিতে–বিস্ময়কর। যেন ফুলের শয্যায় বসিয়া দেশটা স্বাধীন হইয়াছে।

মুক্তিযুদ্ধের পর পর প্রকাশিত একটি কবিতার বইয়ের উৎসর্গপত্রে কবি ফরহাদ মজহার লিখিয়াছেলেন, ‘রাখিস মা এ দাসরে মনে/ কেউ কি এমন রক্ত ঢালে!’ আর যাঁহারা এই রক্তপাত করিয়াছিলেন আজ তাঁহাদেরই গাত্ররক্ষার জন্য তিনি ‘ইসলামের নৈতিক ও দার্শনিক আদর্শ’ আবিষ্কার করিতেছেন। এই দুঃখ রাখিবার পাত্র কোথায় পাই!

বাংলাদেশের ত্রিসীমানা হইতে দখলদার পাকিস্তানের শেষ সৈনিকটি যেদিন অপসারিত হইয়াছিল সে দিনই বাংলাদেশ স্বাধীন হইয়াছিল–একথা আমরা একদিন ভাবিয়াছিলাম। আজ স্বীকার করিয়া বলিতে হইবে–আমরা ভুল ভাবিয়াছিলাম। দেশকে সত্য সত্য স্বাধীন করিতে হইলে পাকিস্তানী যুগের বিভেদমূলক ‘কদর্য’ সাম্প্রদায়িক মানসিকতাও অপসারিত করিতে হইবে।

দেখা যাইতেছে দেশ স্বাধীন করার সংগ্রাম আজও শেষ হয় নাই। বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মজহার এখন সাম্প্রদায়িক বিভেদের দার্শনিক আদর্শ প্রচার করিতেছেন। বোমা মারার নৈতিকতাকে তিনি ইসলামের নামে জাহির করিয়া খোদ ইসলামেরই অমর্যাদা করিতেছেন।

ঢাকা
৫ নভেম্বর ২০১৩

সলিমুল্লাহ খানপ্রাবন্ধিক ও অনুবাদক

৩৮ Responses -- “ফরহাদ মজহারের বোমা অথবা রেটরিক প্রসঙ্গে”

  1. Md Abdul Mannan

    সংবাদমাধ্যমে যারা কাজ করেন তারা কি ফেরেশতা? এরা কত মিথ্যাকে সত্য আর সত্যকে মিথ্যা বানায় যা আমরা খালি চোখে দেখি।

    আজকের ‘যুগান্তর’-এ ইসলামী ব্যাংক সংক্রান্ত রিপোর্টিটি দেখুন না, কত বড় মিথ্যাচার! কিন্তু আমরা সাধারণ মানুষেরা এর জবাব দিতে পারি না।

    ফরহাদ মজহার কিছুটা দিতে পেরেছেন বলেই তিনি আজ দোষী হয়ে গেছেন। সাহস করে সত্য কথা বললে এ দেশে মুক্তিযোদ্ধাও রাজাকার হয়ে যায়।

    হলুদ সাংবাদিকতার কথা তো আপনারাই বলেন …

    Reply
  2. অ্যাডভোকেট এবিএম শাহজাহান

    অনেকদিন পর আপনার লেখা পড়লাম স্যার। পড়ে খুবই ভালো লাগল। পড়ার সময় মনে হল যেন আপনি ঠিক সেই আগের মতোন করে ক্লাসে পড়াচ্ছেন।

    আপনি দীর্ঘজীবী হোন স্যার।

    Reply
  3. Fotik chan

    ফরহাদ মজহার সবসময় নির্যাতিতের পক্ষে ছিলেন, এখনও আছেন। তাকে যারা অপ্রকৃতস্থ বলে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন, তারা নিজেরাও জানেন এটা শোষকের ভাষা। দলমতের উর্ধ্বে উঠে মজহার নির্যাতিতের পক্ষে সবসময় কথা বলে যাবেন, সেই প্রত্যাশাই করি।

    Reply
  4. ফয়সাল

    বেদনাদায়ক হলেও সত্য যে এখানে একজন বুদ্ধিজীবী ক্ষমতাসীনদের পক্ষে আরেকজন ক্ষমতাসীনদের বিপক্ষে। আর আমাদের দেশে ক্ষমতাসীনরা হয় অত্যাচারী, জুলুমবাজ। সুবিধাবাদী হলে তো সবারই ক্ষমতাসীনদের পক্ষ নেওয়ার কথা।

    যারা মুক্তিযুদ্ধে কাধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছেন তাদের মধ্যে স্বাধীনতার পক্ষ-বিপক্ষ তৈরি করে বুদ্ধিজীবীরা নিজেদের আয়-উপার্জনের বাবস্থা করেন, সেই সঙ্গে বিদেশি শকুনেরাও আমাদের এই পচে যাওয়া দেশ, সমাজ, মানুষকে খুবলে খুবলে খেতে এগিয়ে আসে …

    Reply
    • abdus salam

      আপনি সুনির্দিষ্ট কোনো পয়েন্ট দিন যেখানে লেখক সলিমুল্লাহ খান ভুল তথ্যটি দিয়েছেন? সঠিক তথ্য দিতে গিয়ে সরকারের পক্ষে চলে গেলে তিনি কি আর লিখতে পারবেন না? আর বিরোধী দলের সমর্থকরা যা খুশি তাই করে গণতন্ত্র করবেন?

      Reply
  5. মোল্লা বাহাউদ্দিন

    আমার প্রণাম গ্রহণ কর হে প্রাবন্ধিক তোমার অভূতপূর্ব লেখার জন্য।

    রাজনৈতিক লেখা পড়ার ধৈর্য় থাকে না এই অবস্থা আমার। আজ্ এই লেখা পড়ে মনে হল একজন মানুষ অকারণে আরেকজনকে আক্রমণ করে কয়েকটি কারণে। তার মাঝে একটি হল যদি সে তার কাছে পরাজিত হয়ে থাকে। আর এক যদি সে বুঝতে পারে অপর লোকটি সুনাম কুড়িয়ে প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। অথবা সে যদি হয় পাগল।

    ফরহাদ মজহারের কথাবার্তায় মনে হয় সে অনেক আগেই পাগল হয়ে গেছে। তাকে রাজাকারের সঙ্গে বিচার করলেই পাঠক খুশি হবে।

    Reply
  6. আনিস হক

    এই ফরহাদ মজহারের মতো সুবিধাবাদী বুদ্ধিজীবীদের ইন্ধন না পেলে মৌলবাদীদের উন্মাদনা এত বেড়ে উঠতে পারত না। তবে একসময় ইতিহাসের আস্তাকুঁড়েই স্থান হবে এদের।

    Reply
  7. ronald dcosta

    খুবই সত্য ও দুঃখজনক যে দেশের বেশিরভাগ পণ্ডিত ও বুদ্ধিজীবী কীসের তাড়নায় যেন তাদের বিবেক ও দায় বিক্রি করে সস্তা কথা বলে এই শান্তিপ্রিয় ও সংগ্রামী জাতিকে হেয় করার দুঃসাহস দেখায়। ছি! ছি! কী লজ্জার ব্যাপার। একদিন এই হিতাহিতজ্ঞানশূন্য পাপীদের বিচার এ দেশের ভবিষ্যত প্রজন্মই করবে।

    যশ, খ্যাতি যা সহজেই অর্জন করা যায় তা সহজেই মিলিযেও যায়। কিন্তু সম্মান যা শত চেষ্টার পরও পাওয়া যায় না তা যদি একবার হারিয়ে ফেলি তবে তাকে কী কখনও, কোনোভাবে ফিরে পাওয়া যায়? এ কি কখনও সম্ভব?

    জনাব মজাহার দেশের কথা, জাতির কথা চিন্তা না করে নিজের স্বার্থকেই বড় করে দেখে জাতির বিবেকে আঘাত করেছেন যা ক্ষমারও অযোগ্য। তবু তাকে জাতি ক্ষমা করবে যদি তিনি বিবেকের দংশনে দায় নিতে চান মাথা পেতে।

    পরিশেষে সাবলীল, সহজবোধ্য, পঠনযোগ্য গতানুগতিক সমালোচনা থেকে একটু ভিন্ন কোমল-কঠোর সমালোচনা করে এ ধরনের নর্দমার কীটদের প্রলেপ দেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই জনাব সল্লিমুল্লাহ খান সাহেবকে।

    Reply
  8. R. Masud

    আজ এমন একখান ক্লাসিক লেখা দেখলাম, তাতে নুতন করে শিখলাম, ফুল দিয়ে পিটিয়েও প্রখর বেদনা দেওয়া যায়। শুধু শুধু শুধুই প্রণাম, মাথাটা আধা ইঞ্চি ঝুঁকালাম তোমার পদমূলের দিকে। আগামী দিনেও তোমার ক্লাসিক লেখার আশায় রইলাম যা শুধু বাঙ্গালির মাথা উঁচু করতে সাহস যোগায়।

    আবারও প্রণাম জনাব সলিমুল্লাহ খানকে।

    Reply
  9. Jainal

    যে ফরহাদ মজহার বাংলা ভাইদের শিষ্য তাকে নিয়ে এত কথা কেন?

    অনেকেই অনেক কথা লিখছেন, রাষ্ট্রদ্রোহিতা যদি হয়ে থাকে তবে সরকার মামলা করছে না কেন?

    অন্যজন চৌধুরীসহ মিডিয়া নেতারা যে দাবি উঠালেন সরকার কর্ণপাত করছে না। আমরা শুধু লেখালেখি করে এই জ্ঞানপাপীকে আরও জনপ্রিয় করছি। নর্দমার কীট নিয়ে বেশি বলা কি উচিত?

    Reply
  10. Prodip

    ফরহাদ একজন অপ্রকৃতিস্থ মানুষ। তিনি এখন বেসামাল। অগত্যা আত্মাহুতি দেবেন
    মৌলবাদীদের যুপকাষ্ঠে।

    Reply
  11. মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান

    ফরাসী বিপ্লবের পেছনে দার্শনিকদের অবদান ছিল। বাংলাদেশে গণতন্ত্রের নামে সবকিছুর উপর সরকারি নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে ফরহাদ মজহারের মতো দার্শনিক যে ভূমিকা পালন করতে পারতেন তা না করে উল্টো জঙ্গিবাদকেই উস্কে দিচ্ছেন! দুঃখজনক।

    অথচ মজহারের লেখনি, পাণ্ডিত্য সাধারণ মানুষকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফিরিয়ে নিতে পারত। কাদের জাগাতে গিয়ে কাদের জাগিয়ে তুললেন– সেটি বোঝার ক্ষমতাও তিনি হারিয়ে ফেলেছেন।

    দুর্ভাগ্য! এ মুহূর্তে যে টর্চলাইটখানা জাতির জন্য অত্যন্ত জরুরি ছিল তা আমরা হারিয়ে ফেলেছি। তিনি আহমদ ছফা।

    Reply
  12. Hassan

    আমরা ফরহাদ মজহার চাই না, আবার আভিজিতও চাই না। এই দুই দলই এক রকম … বুদ্ধিবৃত্তিক পাপী ….

    Reply
  13. ইফেল

    কাগজের (টাকার) বিনিময়ে তিনি (ফরহাদ মজহার) তাহার মগজ বিক্রি করিয়াছেন। তিনি এখন আরও অনেক কিছুই বলিবেন যাহা আমাদিগের গাত্রজ্বলনের উদ্রেক ঘটাইবে। আমরা বরং মানিয়া লই এই ভাবিয়া যে, “পাগলে কী না বলে, ছাগলে কী না খায়”– কেননা এখানেই তাহার পাগলামির শেষ নহে …

    Reply
  14. বিধান রিবেরু

    মুক্তিযোদ্ধাদের যারা সন্ত্রাসী ও যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাওয়াকে যারা ফ্যাসিবাদ মনে করেন তাদের দলে পড়েন ফরহাদ মজহার। বলা বাহুল্য নয় যে, সেই দলে যুদ্ধাপরাধী ও রাজাকাররাই রয়েছেন। এমনকি ফরহাদ মজহারের প্রিয় সম্পাদক মাহমুদুর রহমানও সেই দলভুক্ত। যখন ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ব্লগারদের নিয়ে কুৎসা রটাচ্ছিল, মজহার সাহেব তখন ওই একই পত্রিকায় কলাম লিখেছেন। ‘আমার দেশ’ পত্রিকা তখন ব্লগার মানেই নাস্তিক– এহেন অবৈজ্ঞানিক তত্ত্ব প্রচারে তৎপর। মজহার তখন তো টুঁ শব্দটিও উচ্চারণ করেননি?

    সলিমুল্লাহ খান যথার্থ বলেছেন, মজহার শিশু নন, পাগলও নন। আমি বলব, তিনি জ্ঞানপাপী ও সুযোগসন্ধানী।

    সলিমুল্লাহ খানকে অসংখ্য ধন্যবাদ, এই অবজেকটিভ লেখাটির জন্য। তাঁর লেখায় মজহারের সত্য চরিত্র উন্মোচিত।

    Reply
  15. ফরহাদ

    মজহার যেদিন পাকিস্তানি হানাদারদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদেরও গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত করেছিল সেদিন থেকে মজহারের উপর থেকে সমস্ত শ্রদ্ধা-ভক্তি উঠে গিয়েছে। বর্তমান মজহার আর দশটা ঘৃণ্য মৌলবাদীদের থেকে আলাদা কিছু নয়।

    Reply
  16. শরিফ

    “একদা মার্ক্সপাঠের ভূমিকা লেখা ফরহাদ মজহার এখন সাম্প্রদায়িক রাজনীতির ভূমিকা লিখছেন। অধঃপতন আর কাকে বলে।”

    — অধঃপতন নাকি অনুধাবন?

    Reply
  17. অভিজিৎ

    ফরহাদ মজহারের ম্যালা জ্ঞান। জ্ঞান তার গা, হাত, পা, মাথা দিয়ে চুয়ায় চুয়ায় পড়ে। এক্কেরে জ্ঞানী জৈল সিং হয়ে গেছেন উনি! মার্কিসজম, ফ্যাসিজম, আল্লামা সাইদীজম থিকা শুরু করে এমন কোনো বিষয় নাই যে তিনি জ্ঞান বিতরণে অক্ষম।

    উনি রবীন্দ্রনাথের উপর ক্ষ্যাপা। কারণ ‘মালাউন কবি’ এতকিছু নিয়ে লিখেছে কিন্তু উনার নবীরে নিয়ে তেমন কিছু লেখে নাই। উনি একখান কিতাব লিখেছেন ‘রক্তের দাগ মুছে রবীন্দ্রপাঠ’। তা তার রবীন্দ্রপাঠ যে কত বিশাল সেটা তার বইয়ের ৬০ নম্বর পৃষ্ঠা খুললেই দেখা যায়। রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ মজহার রবীন্দ্রনাথের বাপের নাম লিখেছেন ‘দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর’। বলেছেন– ‘যদি তিনি বাপের নামে নিজের পরিচয় দেন তখন সেটা বিধাতার ব্যাপার হতে পারে, কারণ দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছেলে হয়ে তিনি যে পয়দা হবেন সেটা বিধাতার সাথে চুক্তি করে আসননি …’

    রবীন্দ্রনাথের বাপের নাম তো জানতাম মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ, আর দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর আছিল রবিঠাকুরের ভাই। তবে মজহার যখন রক্তের দাগ মুছে জিগির পারছে, হতেও পারে, কে জানে। জেনেটিক্সের আর লালনপ্রিয় বরবাদের যুগ। ঝি-এর পেটে মায়ের জন্ম হলে, ভাইয়ের পেটেও বাপের জন্ম হতে পারে।

    বিজ্ঞানী জামাল নজরুল ইসলাম মারা যাওয়ার পর বরবাদ দৈনিক ইত্তেফাকে একটা মর্মস্পর্শী একটা লেখা লিখেছিলেন– ‘অসামান্য বিজ্ঞানী জামাল নজরুল ইসলাম’ । সেখানে সত্যেন বোসকে নিয়ে একটা বিরাট তথ্য দিয়েছেন উনি, যেটা দেখে আমি চেয়ার থিকা উল্টিয়ে পড়েছিলাম প্রায়।

    উনি বলেছেন -‘”ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সত্যেন বোস আইনস্টাইনের আপেক্ষিক তত্ত্ব শুধরে দিয়েছিলেন। ” এই কথা শুনলে প্রয়াত সত্যেন বোস শ্মশানঘাট থেকে এসে ফরহাদকে থাবড়া মারত না? বাছা মার্ক্সিজম-ফ্যাসিজম করবে কর, তা বলে জামাল নজরুল ইসলাম, সত্যেন বোস, জামাল নজরুল, আইনস্টাইনেও তোমার লম্বা নাকটা সাঁধাতে হবে? বিজ্ঞান আর সত্যেন বোসকে না হয় সাকা স্টাইলে ধর্ষণ নাই করলেন, মজহার সাব!

    ফরহাদের পলিটিক্স নিইয়েই-বা কী বলা যায়? বেশ্যাকে তবু বিশ্বাস করা চলে, ফরহাদকে নয়। রুদ্রের মতো করেই বলতে হয়-–

    বেশ্যাকে তবু বিশ্বাস করা চলে
    বরবাদের ধমনী শিরায় সুবিধাবাদের পাপ
    বেশ্যাকে তবু বিশ্বাস করা চলে
    বুদ্ধিজীবীর রক্তে স্নায়ুতে সচেতন অপরাধ
    বেশ্যাকে তবু বিশ্বাস করা চলে
    জাতির তরুণ রক্তে পুষেছে নির্বীর্যের সাপ।

    আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে, ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট বাংলাদেশের সব জেলায় জঙ্গিরা বোমাবাজি করেছিলেন, তখন এই বরবাদ মজহার লুঙ্গি পরে প্রেসক্লাবে সভা করে এই সন্ত্রাসীগুলোকে ‘বিপ্লবী’ বলে আখ্যায়িত করে বলেছিলেন, ‘‘তারা তাদের মতো করে সমাজটাকে বদলাতে চায়।’’ সে সময় ভোরের কাগজ খুব সম্মুখসারির পত্রিকা ছিল। সেখানে আমি একটা কলাম লিখছিলাম ‘ফরহাদ মজহারের বিভ্রান্তি’ নামে। তখন ইউনিকোড ছিল না বলে নেটে সার্চ করলে পাওয়া যায় না। মুক্তমনার আর্কাইভে আছে লেখাটা, কেউ চাইলে দেখতে পারেন।

    শাহবাগ আন্দোলনের পর দুই এক দিন তিনি নিরব ছিলেন, কিন্তু অচিরেই নিজের মূর্তিতে আবির্ভূত হয়েছেন। সেই একই পিছলামি বজায় রেখেছেন। যাদবের তৈলাক্ত বাঁশের অঙ্কের মতো বাঁশের গা বাইয়া উঠছেন, আর নিজেকে সবার কাছে নামাচ্ছেন। মার্ক্সের তত্ত্ব কপচিয়ে জামাত-শিবিররে রক্ষার জন্য মাঠে নেমেছেন উনি। তার নির্লজ্জতা এমনই বেলাইনে চলে গিয়েছিল যে তার দীর্ঘদিনের সুহৃৎ আরেক মার্ক্স বুঝনেওয়ালা ফাহমিদুল হকও গিয়েছে বেঁকে। উনি না পাইরা একটা লেহা লিখছে পেপারে– ‘ফরহাদ মজহারের বুদ্ধিবৃত্তিক চালাকি’ নামে, নেটে পাওয়া যায় সেটাও।

    বাংলাদেশের দুর্ভাগ্য, বাংলাদেশে জন্মায় ফরহাদ মজহারের মতো বুদ্ধি আর কলমজীবীরা, যাদের আপাদমস্তক স্ববিরোধিতায় আক্রান্ত, যাদের মাথা থেকে উৎক্ষিপ্ত পুরীষ পরিবেশকে করে তুলছে বিষময়। ‘গণমাধ্যমে বোমা মারা উচিত’ বলে হুঙ্কার দিয়ে জেলে যাবার ভয়ে এখন ভিজা বেড়ালের মতো ত্যানা পেঁচিয়ে বলছেন সেটা নাকি ‘সেভাবে বলেননি’। ‘বোমা মার’ আর ‘উচিত’ এর পার্থক্য নাকি আমজনতাকে ‘বুঝতে হপে’।

    আমরা মূখ্যু-সুখ্যু মানুষ, ফরহাদীয় ‘রেটরিক’ কি বুঝতে পারি? এত বুঝেই না দেশের এই অবস্থা!

    Reply
  18. মো: জাহেদ হাসান

    অসাধারণ ও বিশ্লেষণধর্মী লেখা। মতপ্রকা্শের স্বাধীনতার সুযোগে ফরহাদ মজহারের মতো বুদ্ধিজীবীগণ যখন সহিংসতাকে উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছেন, ঠিক তার বিপরীতে সলিমুল্লাহ খানের সময়োপযোগী লেখা সত্যিই অসাধারণ।

    Reply
  19. Bipplab

    আসলে ফরহাদ মজহারের বুদ্ধির ধার কমে গেছে। কাজেই তার সমাজ, রাজনীতি, দর্শন এখন কোনো মানুষের কল্যাণে আসবে না। তার উচিত অবসর গ্রহণ করা আর সুন্দরবনে গিয়ে গাছ গণনা করা।

    প্রকৃতির মাঝে থাকলে হয়তো বুদ্ধি খুলে যেতে্ও পারে…

    Reply
    • karimul

      নবাবের সময় যেমন মীরজাফরের অভাব ছিল না, এখনও তেমন আছে। ফরহাদ মজহার মীরজাফরের অভাবটা পূর্ণ করছে আর কি!

      Reply
  20. alauddin

    ফরহাদ মজহারকে ‘বুদ্ধিজীবী’ বললে গুনাহ হবে। এরা আসলে আমাদের সমাজ-সংস্কৃতির লোক নয় ….

    Reply
  21. prokash

    ফরহাদ মজহার জেএমবিকে মুক্তিযোদ্ধা বলিয়াছিলেন। তিনি কী-ই-না বলিতে পারেন অথবা লিখিতে পারেন…

    ‘আমাদের সময়’ পত্রিকা সেই খবর পরিবেশন করিয়াছিল। তিনি প্রতিবাদ করিয়া বলিয়াছিলেন যে তিনি সেই কথা বলেন নাই। শেষে তাহার প্রেসক্লাবের ওই বক্তৃতার অডিও হুবহু ছাপাইয়া দিয়াছিল। নাম ছিল মিলটন আনোয়ার।

    ফরহাদ মজহার আজকের জ্ঞানপাপী নহেন! অনেক আগে হইতেই তাহার এইসব ন্যাকড়াবাজি বিভিন্ন মজলিস মহলে প্রকাশিত হইয়াছে। তিনি আর ওই সব চাপা দিতে পারিবেন না।

    Reply
  22. Fazlul Haq

    জামাত-শিবির-রাজাকারদের টাকার কাছে যারা নিজের বিবেক বিক্রি করে দিয়েছে তাদের কাছে বাকস্বাধীনতা, চিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অর্থ ইবলিশপ্রদত্ত। সত্য ও ন্যায় তাদের বোধের সীমার বাইরে …

    Reply
    • HR

      Ratan,

      আপনি ভাই সলিমুল্লাহ খানকে ছাড়িয়ে গেলেন। একমাত্র আপনার লেখাতেই আমি আনন্দ পাইলাম। ভালো থাকবেন।

      Reply
      • বাংগাল

        আপনি ভাই রতন ভাইকেও ছাড়িয়ে গেলেন, আমি আরও বেশি আনন্দ পেলুম। মজহার বিষয়ক লেখালেখি বেশি হলে আমার এমনিতেই একটু বমির উদ্রেক হয়। আপনার লেখাটুকু এভোমিন ট্যাবলেটের কাজ করল!

        ভালো থাকবেন।

      • ইনসাফ আলী

        সলিমুল্লাহ খানের প্রার্থনা পূর্ণ হউক, ফরহাদ মজহার চিরাউষ্মান হইয়া আমাদের মনোরঞ্জন করিতে থাকুন।

        পণ্ডিতের মুর্খামি (মূর্খতা) তো বিলক্ষণ বিনোদনের উৎস!

  23. abdus salam

    একদা বাম (মতান্তরে নাস্তিক) আর অধুনা ধর্মব্যবসায়ীদের প্রেরণাদায়ক বুদ্ধিজীবীগণ কেন হঠাৎ সাংবাদিকদের আক্রমণপ্রয়াসী হলেন তা ধীরে ধীরে প্রণিধানযোগ্য হবে। তবে এই সময়ের মূল ইস্যু দুটি– নিরপেক্ষ নির্বাচন এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। জনাব ফরহাদ মজহার এখন কোন পক্ষ নিয়েছেন সবাই দেখছেন। আমাদের আফসোস একদা শোষণমুক্তির লড়াকু সৈনিকরা এখন তৎপর খুনি-ধর্ষকদের বাঁচাতে– এ লজ্জা আমরা রাখব কোথায়?

    Reply
    • মঞ্জুর মোর্শেদ

      ভণ্ডরা চিরকালই ভণ্ড। ফরহাদ মজহার সবসময়ই বাতিল, পতিতের দলে। তিনি কোনোকালেই শোষণমুক্তির লড়াকু সৈনিক ছিলেন না।

      তবে খেয়াল রাখতে হবে যে, তার সমালোচনা করতে গিয়ে প্রকৃত দেশপ্রেমিক যোদ্ধাদের যেন অবমূল্যায়ন না করা হয়।

      Reply
  24. Shiful Alam

    অসাধারণ যুক্তিপূর্ণ লেখা। আশা করি জনাব ফরহাদ মজহার সাহেব যুক্তির মাধ্যমে তার বক্তব্য উপস্থাপন করবেন, অস্ত্রের ভাষায় নয়।

    Reply
    • Raju

      জনাব,

      আপনি লিখেছেন– “বাংলাদেশের ত্রিসীমানা হইতে দখলদার পাকিস্তানের শেষ সৈনিকটি যেদিন অপসারিত হইয়াছিল সেই দিনই বাংলাদেশ স্বাধীন হইয়াছিল এই কথা আমরা একদিন ভাবিয়াছিলাম। আজ স্বীকার করিয়া বলিতে হইবে আমরা ভুল ভাবিয়াছিলাম। দেশকে সত্য সত্য স্বাধীন করিতে হইলে পাকিস্তানি যুগের বিভেদমূলক ‘কদর্য’ সাম্প্রদায়িক মানসিকতাও অপসারিত করিতে হইবে।”

      শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের ‘নাপাক’ সমর্থকদেরও বাংলা মায়ের কোল থেকে বিদায় দিতে হবে।

      Reply

Trackbacks/Pingbacks

  1.  ফরহাদ মজহারের বোমা অথবা রেটরিক প্রসঙ্গে | সলিমুল্লাহ খানের লেখা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—