Feature Img

Abed_Khan(1)প্রায় প্রতি বছর আগস্ট-সেপ্টেম্বরে কানাডার টরন্টোতে যাই ছেলের কাছে। প্রভূত ধারকর্জ হয় বটে, কিন্তু একমাত্র সন্তানের জন্যে এই আনন্দময় বিলাসিতা আমরা করিই। এবার যেহেতু তাদের সংসারে ‘স্বপ্ন’ যুক্ত হয়েছে, তাই এবারকার টরন্টোগমন অধিকতর উত্তেজনাকর ও অনন্য– একথা আগেও লিখেছি।

আমার ব্যক্তিগত আনন্দ-বেদনার দায় পাঠকের ওপর চাপাতে চাই না এটা সত্যি, কিন্তু করব কী, আবেগ যে রুখতে পারি না! পাঠক ক্ষমা করবেন।

এবার কানাডায় থাকার সময় কানাডারই কোনো এক সংবাদপত্রে পড়লাম এক মার্কিন কূটনীতিক গিয়েছেন লন্ডনের কোনো এক স্থানে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্যে। সেই মার্কিন দূত তারেক রহমানের কাছ থেকে শুনতে চেয়েছিলেন এবার যদি বিএনপিকে ক্ষমতায় বসানোর ব্যবস্থা করা হয় তাহলে কী হবে তার দলের কার্যক্রম!

মোটামুটি গোটা চারেক প্রশ্ন করা হয়েছিল। উত্তর বেরিয়ে এসেছে সম্ভবত এ রকম। প্রথম, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে জঙ্গিবাদকে প্রশ্রয় দেবে কি না। উত্তর- না। দ্বিতীয়, প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিএনপি সুসম্পর্ক রাখবে কি না। উত্তর– হ্যাঁ। তৃতীয়, সুশাসন নিশ্চিত করবে কি না। উত্তর– হ্যাঁ। চতুর্থ, প্রতিহিংসা বা প্রতিশোধমূলক কোনো কাজ করবে কি না। এই প্রশ্নের কোনো উত্তর মেলেনি।

জানি না মার্কিন দূত কথিত সাক্ষাৎকারে সন্তুষ্ট হয়েছেন কি না, কিংবা কতখানি হিসেব-নিকেশ করেছেন বাংলাদেশের রাজনীতির বিষয়টি। তবে শেষ প্রশ্নটিতে উত্তরদাতার নীরবতা কিংবা এড়িয়ে যাওয়ার ভেতর দিয়ে আবার ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশে বিএনপির ভবিষ্যৎ চরিত্র কেমন হতে পারে– তার একটা আভাস পাওয়া যায়। ওই একটি নিরুত্তর উত্তরই পূর্ববর্তী তিনটি প্রশ্নের সঠিক ও সত্য উত্তর।

প্রিয় পাঠক, এ কথা বলছি, কারণ প্রতিহিংসা এবং প্রতিশোধের স্পৃহা জামায়াত-বিএনপি-হেফাজতদের থাকবেই। একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের তথা মানবতাবিরোধীদের বিচার হবে, কঠোর দণ্ড হবে, আর জামায়াত-বিএনপি সুবোধ বালকের মতো আচরণ করবে তা কি কখনও কল্পনা করা যায়?

দ্বিতীয়ত, বাহ্যিকভাবে কিংবা একটি প্রভাবশালী দৈনিকের জরিপে বিএনপিকে ভোটের দিক থেকে যত জনপ্রিয় দেখানো হোক না কেন, বাস্তব চিত্রটি হচ্ছে বিএনপি নিয়ন্ত্রিত এবং পরিচালিত হয় জামায়াত দ্বারা। বিএনপির কোনো আন্দোলন, কোনো কর্মসূচি সফল হয় না সেখানে জামায়াতের ক্যাডার না থাকলে। জামায়াতের বিপুল অস্ত্র এবং অর্থভাণ্ডার বিএনপির চলার পথের পাথেয়।

জামায়াতকে সামলানোর কোনো ক্ষমতা কিংবা ইচ্ছে বিএনপির থাকবে না। কারণ কোনো ক্যাডারভিত্তিক সংগঠন যদি জঙ্গি কিংবা বৈদেশিক অর্থ ও অস্ত্র দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত হয়, তাহলে তাকে প্রেম দিয়ে বশীভূত করা যায় না।

তৃতীয়ত, বিএনপির প্রাণপ্রিয় সহযাত্রী জামায়াত এবং জঙ্গিবাদের লক্ষ্য হল উপমহাদেশকে চরম অস্থিরতার আবর্তে নিক্ষেপ করা। এ ক্ষেত্রে তার প্রধান প্রতিপক্ষ ধর্মনিরপেক্ষ ভারত। এজন্য উপমহাদেশের ধর্মান্ধ সংগঠনগুলো এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে তারা সখ্যতার সূত্রে গ্রথিত করেছে। বাংলাদেশে প্রকাশ্য রাজনৈতিক সংগঠক হিসেবে বিএনপি এই দর্শনের বিশ্বস্ত মিত্র।

অতএব বিএনপির স্বনির্বাচিত নেতা যতই বলুন না কেন যে, তার দল প্রতিবেশিদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখবে তা কদাচ সম্ভব নয়। বিএনপি নেত্রীর বহুল আলোচিত ভারত সফরে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি এবং প্রত্যাবর্তনের পরপরই সম্পূর্ণ বিপরীত আচরণ, ভূমিকা এবং বাক্যবাণ এর প্রকৃষ্ট প্রমাণ।

চতুর্থত, প্রতিহিংসা এবং প্রতিশোধপরায়ণতা যদি পরিপূর্ণভাবে বিরাজমান থাকে তাহলে সুশাসন কীভাবে নিশ্চিত হবে? অতএব অনিবার্যভাবে বাংলাদেশ জঙ্গিবাদের উর্বর ভূমিতে পরিণত হবেই।

কাজেই যে মার্কিন দূত বিশাল রাস্তা পাড়ি দিয়ে লন্ডনের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে হাসিনা সরকারের বিকল্প খুঁজতে এক বিকৃত রাজনীতির দ্বারস্থ হয়েছেন, তাহলে তাকে এ কথা বলতেই হবে যে তিনি প্রবল ভ্রান্তিবিলাসিতায় নিমজ্জিত আছেন।

২.

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই। একের পর এক ভুল কিংবা স্বার্থপরায়ণ নীতি তাকে বিশ্বদানবে পরিণত করেছে। সেই চল্লিশের দশকের শেষার্ধ থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রান্ত পররাষ্ট্রনীতি তাকে ক্রমশ নিঃসঙ্গ ও শক্তিহীন করে তুলছে। যতই সে নিঃসঙ্গ হচ্ছে, ততই সে যুদ্ধবাজ হয়ে উঠছে। আবার যতই সে যুদ্ধবাজ হচ্ছে, ততই সে বিবিধ ভ্রান্তির জালের জড়িয়ে পড়ছে।

বারংবার সে ভুল মিত্রই অন্বেষণ করেছে। মরুভূমি যেমন সবুজ প্রান্তরের দিকে হাত বাড়াতে গেলেই সেই সবুজ প্রান্তরও মরুময় হয়ে যায়, ঠিক তেমনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও যেদিকেই হাত বাড়িয়েছে সেই দিকই ভস্মীভূত হয়েছে। এশিয়া, আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকাসহ সর্বত্র তো একই চিত্র।

নিজের দেশে গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী হলেও অন্য দেশের গণতান্ত্রিক এবং মানবিক ব্যবস্থা তছনছ করে দিতে অপরিসীম দক্ষতা এই দেশটির। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে যে বন্ধু হিসেবে পেয়ে উল্লসিত হয়েছে, তাকেই ভোগ করতে হয়েছে মর্মান্তিক পরিণতি। ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, কোরিয়া, ইরান, ইরাক, লিবিয়া, আফগানিস্তান, পাকিস্তান– কোথায় নয়?

ইতিহাসের এই কথাটি তো সবাই জানেন। ভিয়েতনামের স্বৈরশাসক ছিলেন নগো দিন দিয়েম। আর তার ভ্রাতা নগো দিন নু ছিলেন মার্কিন আশ্রিত। শেষ পর্যন্ত তাদের প্রাণ দিতে হল। পালিয়ে বাঁচলেন নগো দিন নুর স্ত্রী মাদাম নু। তিনি জাপানে গিয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছিলেন, ‘‘আমেরিকা যার বন্ধু তার আর শত্রুর দরকার হয় না।’’

এই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সৃষ্টি করেছে লাদেন আর আল কায়দা। পৃথিবীটাকে পরিণত করেছে সন্ত্রাসের চারণক্ষেত্রে। আবার সেই সন্ত্রাস বন্ধ করার জন্য তৈরি করেছে পাল্টা নতুন সন্ত্রাস। মার্কিন অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হচ্ছে অস্ত্রব্যবসা। এই ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে না পারলে ধস নামবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে।

সেজন্যই চাই যুদ্ধ, চাই নতুন নতুন যুদ্ধক্ষেত্র। সে জন্য মানুষ যদি মরে, মরুক। ঐতিহ্য, ইতিহাস, পুরাকীর্তি সব যদি ধ্বংস হয়, যদি লুঠ হয় ব্যাবিলন, যদি আক্রান্ত হয় পিরামিড-স্ফিংস, হোক। তবু যুদ্ধ চাই– চাই নতুন নতুন রণক্ষেত্র– চাই তৈলভাণ্ডার– চাই জওয়াহিরি-কারজাই– চাই গোলাম আজম-নিজামী-তারেক।

সে জন্যই লন্ডনের গোপন বৈঠক এত জরুরি!

৩.

একটা রব তুলে দেওয়া হয়েছে যে, ২৫ অক্টোবরের পর দেশে ভয়াবহ কিছু একটা ঘটে যাবে। মানুষকে কতখানি প্যানিকি করে দেওয়া যায়, তার অবিরাম চেষ্টা চলছে যেন। এখানে ওখানে চলছে চোরাগোপ্তা হামলা। আক্রান্ত হচ্ছে আইনশৃঙ্খলারক্ষা বাহিনী। আক্রান্ত হচ্ছে প্রগতিশীল তরুণ। লাঞ্ছিত হচ্ছে ফতোয়াবাজ ধর্মান্ধদের বিপন্ন শিকার নারীসমাজ।

বিরোধী দলের নেত্রী হুমকি দিচ্ছেন দেশ অচল করে দেওয়ার। দাবি তুলেছেন মানবতাবিরোধী স্বাধীনতার শত্রুদের মুক্ত করার। নির্দ্বিধায় উচ্চারিত হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী মন্ত্র। জিকির তোলা হচ্ছে গৃহযুদ্ধের।

তার মানে পরিষ্কার। প্রচারণার সন্ত্রাস ছড়িয়ে দেওয়া। ব্যাপক মিথ্যাচার দিয়ে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে দেওয়া। মাসের পর মাস সংসদ বর্জন করে সংসদ নির্বাচনের জন্য হাস্যকর আন্দোলনের আবহ তৈরি করা। উগ্র ধর্মব্যবসায়ীদের উন্মুক্ত কৃপাণ হাতে গণতন্ত্রের ময়দান লণ্ডভণ্ড করার অবারিত সুযোগ সৃষ্টি করা।

কী হবে ২৫ অক্টোবর কিংবা তার পর? কিছুই হবে না। এতদিন যা হচ্ছিল, তাই-ই হবে। হরতাল, বোমাহামলা, গাড়ি পোড়ানো, মানুষকে জ্যান্ত পুড়িয়ে অঙ্গার বানিয়ে দেওয়া– এর বাইরে আর কী হতে পারে?

আর মানুষ যদি রাস্তায় নামেন– বোমাবাজদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে গাড়ি বের করেন, দোকানপাট-হাটবাজার খোলা রাখেন, তাহলে তো কিছুই হবে না।

তাই এখন দরকার শুধু সাহসী মানুষের।

লেখক : সাংবাদিক, প্রকাশিতব্য দৈনিক জাগরণ-এর সম্পাদক

আবেদ খানসম্পাদক ও প্রকাশক, দৈনিক জাগরণ

৪১ Responses -- “এখন দরকার শুধু সাহসী মানুষ”

  1. Mr.Coy

    বিকারগ্রস্ত সরকার – দুষ্ট রাজনীতি.

    বাংলাদেশে আজ সভ্যতার সংকট দেখা দিয়েছে চরম ভাবে। স্বাধীনতার ৪২ বছর পরেও দেশটার একটা প্রতিষ্টানিক রুপ গড়ে উটে নাই যাতে আমরা দেশটাকে আধুনিক রাষ্ট হিসাবে দাবী করতে পারি।
    আইন-আদালত , পুলিশ , প্রশাসন সবকিছু যেন ব্যাক্তি বিশেষের ইচ্ছা অনিচ্ছার উপর নির্ভর করে চলছে , মনে হয় দেশটাতে বিধিবদ্ধ কোন সংবিধান নাই, যেটা সবার উপর সমান ভাবে প্রয়োগ করা যায়। মাঝে মধ্যে এমনও দেখা যায়, এখানে চোরকে শাস্তি না দিয়ে যে চোর ধরেছে তাকেই শাস্তি দেয়া হয় । আইনে বলা হয়েছে বিনা অনুমতিতে অন্যের আংগিনায় ঢুকা অপরাধ। অনুমতি না নিয়ে অন্যের আংগিনায় ঢুকে চোর ধরার কারনে চোরের আগে, যে চোর ধরেছে তাকেই শাস্তি ভোগ করতে হয় ! যে দেশে একজন পুলিশ বিরুধী দলের চীফহুইপকে রাস্তায় পেঠানোর জন্য পুরুস্কৃত হয়, যে দেশে একজন মন্ত্রী ঘরে ঘরে গিয়ে বিরুধী দলের কর্মী সমর্থককে হত্যা করার আদেশ দেয় , যে দেশে এক জন বিচারক হত্যাকান্ডের আদেশে অন্যায়ের কোন কিছু দেখতে পায় না , সে দেশটার আইন শ্রিংখলা পরিস্তিতি যে কোথায় গিয়ে ঠেকতে পারে তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। আইয়ামে জাহেলিয়াতের যুগে কে বা কার আদেশে কতটা খুন , ধর্ষণ হয়েছে তার উপর ভিত্তি করে মানুষকে শ্রদ্ধা – সম্মান করা হত। মনে হচ্ছে বাংলাদেশেও এই যুগের আগমনী বার্তা শুরু হয়ে গেছে। দেশের সরকারের মন্ত্রী এমপি লিডাররা নিজেদের যোগ্যতার প্রমান দিতে খুন , রাহাজানি , হত্যার আদেশ দিচ্ছেন আর ক্যাডাররা নিজেদের নেতা হওয়ার যোগ্যতার জানান দিতে খুন, রাহাজানি, হত্যাকান্ডের মত জঘন্যতম ঘটনা ঘটাচ্ছে নিরবিগ্নে। এমন প্রতিযোগিতায় বিরুধী দল ও যে হাত গুটিয়ে বসে আছে তা আর বলা যায় না। সাবেক জা:বি: ছাত্রলীগ সভাপতি মানিক ধর্ষণের সেঞ্চুরি উদযাপন করেছিল বাজি ফুটিয়ে, মিল্কির হত্যাকারী তারেক নাকি নিজ হাতে ৩৮টা খুন করে ঢাকা যুবলীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছিল। চঞ্চল, সাগর থেকে নিয়ে যুবলীগ আর ছাত্রলীগ এর প্রতিটি পদে যাদের বসানো হয়েছে তারা যে সেই সব অভিগ্যতা অর্জন করেই পদ পেয়েছ , পত্র-পত্রিকার খবর পড়লে তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা।
    ভাবতে অবাক লাগে কি করে মন্ত্রী, এম,পি আর নেতা-নেত্রীদের উতসাহে মধ্যযুগীয় কায়দায় দেশজুড়ে শুরু হয় খুন, গুম, রাহাজানি আর হত্যাকান্ডের প্রতিযোগিতা । এহেন দুর্যোগময় পরিস্তিতিতে বাংলাদেশের আইন শৃংখলা পরিস্তিতি যে একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা । দেশটা আজ সাধারন মানুশের পক্ষে বসবাসের একেবারেই অনুপযোগী। চারিদিকে শুধু লাশের লিলা খেলা ,মৃত্যু ভয় প্রতি নিয়ত মানুষকে তাড়িয়ে বেড়ায়, যেখানে : রাস্তায় লাশ ,মাঠে লাশ, ঘাঠে লাশ, নদিতে লাশ, নর্দমায়ও লাশ। নিজের ঘরে থাকলে ও যেমন লাশ হতে হয় , তেমনি রাস্তায় বেরুলে ও লাশ বনতে হয়, দেশটা যেন আজ একটা লাশের ভাগারে পরিনত হয়েছে। অভাগা জনগন আজ খুন, রাহাজানি আর হত্যা নামক দুধারী তলোয়ারের আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত। এক দিকে সরকার বলে দিয়েছে “তারা কারো বেডরুমে জান মালের নিরাপত্তা বিধান করতে পারবেনা,” আরেক দিকে অন্য কোথাও যে মানুশের জান মালের নিরাপত্তা বিধান করেছে তার কোন উদাহরণ ও নাই। প্রতিদিন পুকামাকড়ের মত মানুষ মরছে, লাশ হচ্ছে, গুম হচ্ছে: ভয়াবহ এই সাইকল দেখে মানুষ আজ আতনকিত ? সবার মনে আজ একটাই প্রশ্ন, কেন এই হত্যা কান্ড? কেন এই খুনাখুনি? সরকার যদি কারো জীবনের নিরাপত্তা বিধান করতে না পারে , তাহলে জনগন যাবে কোথায়, জনগনের জান মালের নিরাপত্তা কে দেবে?
    আগে একটা হত্যা কান্ড ঘটলে সমস্ত বাংলাদেশ স্তব্ধ হয়ে যেত, এখন আর তা হয়না। অবস্তাদৃষ্টে মনে হচ্ছে জাতির কাছে হত্যা কান্ড এখন একটা মামুলী বিষয়ে পরিনত হয়েছে। বিগত পাচ বছরে
    বাংলাদেশে যে সব হত্যাকান্ড ঘটেছে তাতে নিহতের তালিকা করতে গেলে এত লম্বা হবে যে, যে কোন বিদেশীর পক্ষে মনে হতে পারে এটা কোন শহরের জিবীত মানুশের তালিকা, বেওয়ারিশ লাশের কথা বাদইবা দিলাম।
    প্রতিটি হত্যাকান্ড নিয়েতো আর বিচার বিশ্লেষন করা সম্ভব নয় তবে এমন কিছু হত্যাকান্ড আছে যে গুলো নিয়ে বিচার বিশ্লেষন করলে হত্যা কান্ডের মোটিভ এবং এর ক্রম বৃদ্ধি সম্পর্কে মোটামুটি একটা ধারনা পাওয়া যেতে পারে । যেমন আর্মি হত্যাকান্ড , সাগর-রুনীর হত্যাকান্ড, নাটুরের উপজেলা চেয়ারম্যান বাবু হত্যাকান্ড , পাহাড়ি সেলিম হত্যাকান্ড , নরসিংদীর মেয়র লোকমান হত্যাকান্ড , পুরান ঢাকার বিশ্বজিত হত্যাকান্ড, যুবলীগ নেতা মিল্কি হত্যা কান্ড , ঐশী কর্তৃক বাবা- মার হত্যাকান্ড , ফটিকছড়ির হত্যাকান্ড এবং শাপলা চত্বরের হত্যাকান্ড। প্রতিটা হত্যা কান্ডের বিশ্লেষন করলে এর কারন আর একেকটা সিকুয়েন্স খুজে পাওয়া যায়। যেমন ওয়ান – ইলিভেন না ঘটলে পিলখানা ট্রাজেডি হতনা, ফটিকছড়ি না ঘঠলে শাপলা চত্তরে হত্যাকান্ড ঘটতনা । আর কিছু কিছু হত্যা কান্ড আছে যে গুলো মনে হতে পারে কপিকেটের কাজ , যেমন পাহাড়ী সেলিমের হত্যা কান্ড নাঠুরের বাবু হত্যা কান্ডের অনুকরণ ।
    (১)ওয়ান-ইলিভেনের প্রতিশোধ পিলখানায়:
    পাচ বছর আগে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার পর পরই লাশের মেলা শুরু হয়েছিল ঢাকা বিডি আর কেম্প থেকে । সেনাবাহিনীকে দিয়ে, নালা-নর্দমা, ডাস্টবিন আর গর্তের ভিতর থেকে সেই যে লাশ উদ্ধার করা শুরু হয়েছিল, আজও সেই দারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। পিলখানায় সেনাবাহিনীর ৫৭ জন অফিসার সহ মোট ৭৪ জনকে হত্যা করা হয়েছিল একই দিনে ,একই সাথে । কোন যুদ্ধ্যে ও সেনাবাহিনীর এত অফিসার একই সাথে মারা যাবার রেকর্ড নাই। মাঝে মধ্যে বিভিন্ন দেশে দেখা যায় বিদ্রোহী নানান বাহিনী কর্তৃক সেনাবাহিনী আক্রান্ত হতে কিন্তু কোন ধরনের বিদ্রোহী বাহিনী ছাড়াই বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর এতগুলো অফিসার নিহতের ঘটনা সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেয়ার মত। সরকারী তদন্তে প্রথমে এই হত্যাকান্ডের জন্য ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক, সালাউদ্দিন কাদের চউধুরীর মত মানুশদের কাজ বলে চুংগা ফুকানো হলেও শেষ পর্যন্ত বি,ডি,আরের ডাল-ভাতকেই দুষারুপ করা হল। চুড়ান্ত রিপোর্টে বলা হল ডাল-ভাত প্রকল্পে বিক্রির লাভের ২টাকা বি,ডি,আরের জোয়ানরা না পাওয়ার জন্যই এই হত্যা কান্ড সগঘটিত করিয়াছে । মনে হয় এই হত্যা কান্ডের ফলশ্রুতিতে তারা লাভের ২টাকা পেয়ে নিজেদের ধন্য করে ফেলেছে ? কে দিল সেই দুই টাকা – রিপোর্টে কিন্তু এ সব কিছুই বলা হল না।
    সংবাদ মাধ্যম থেকে জানা যায় ২৫ শে ফেব্রুয়ারি ২০০৯ সালে বি,ডি,আর সপ্তাহ উপলক্ষে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্তিত থাকার কথা ছিল। বি,ডি,আর প্রধান শাকিল আহমদ প্রধান অতিথির আগমন উপলক্ষে সবকিছুর তদারকি করতে সেদিন সকালে বিডিয়ার দরবার হলে হাজিরার মাধ্যমে দরবার কাজ শুরু করেন।বিনা নোটিশে প্রধান মন্ত্রির পরিবর্তে সেলিম রেজা নামক এক সিপাহির নেত্রীত্বে কতিপয় সিহাপীসহ বহিরাগত সন্ত্রাসীরা বি,ডি,আর দরবার হলে সর্বময় শক্তি নিয়ে প্রবেশ করে, এক এক করে সকল অফিসারদের হত্যা করে। শেখ হাসিনা যে সেদিন বি,ডি,আর দরবার হলে আসবেন না সেটা বি,ডি,আর প্রধানকেও কেউ জানায়নি। এর সপ্তাহ খানেক পুরবে আর্মির চৌকশ অফিসারদের বি,ডি,আরে বাধ্যতামুলক ভাবে ট্রান্সফার করা হয়। সারা বাংলাদেশের র‍্যাবের প্রধান গুলজার আহমদকে বাধ্যতামুলক বদলী হিসাবে সিলেট বি,ডি,আরের দায়িত্ব দেয়ার কারন খুজে পাওয়া মসকিল হত, যদি না বিডি,আর মিউটিনির পর তার জ্বলা-পুড়া দেহটাকে উদ্ধার না করা যেত। তাকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে মনে হয় ঘাতকরা তার উপরই বেশী ক্ষেপা ছিল।

    (২)বড়ধরনের খবর ধামাচাপা দিতে:
    বাংলাদেশের প্রথম সারির সাংবাদিক দম্পতী সাগর -রুনীকে নিজ ঘরে অবুঝ সন্তানের সম্মুখে হত্যা করা হল। চব্বিশঘণ্টা নিরাপত্তার দায়িত্বে যেখানে দাড়োয়ান নিয়োজিত, চোরি ডাকাতিই যেখানে অকল্পনীয় , সেখানে দু-দুটা হত্যাকান্ড ঘটিয়ে হত্যাকারীরা নিরভিগ্নে চলে গেল কিভাবে? বাসা থেকে টাকা পয়সা সোনা দানা কোন কিছুই খোয়া যায় নাই শুধু মাত্র লেপটপ ছাড়া! এই লেপটপে হয়তো এমন কোন কিছু ছিল যা প্রকাশিত হলে অন্য কারো বড় ধরন এর ক্ষতির কারন হতে পারত। এই হত্যাকান্ডের বিচার হওয়াতো দুরে থাক ন্যুনতম হত্যাকারীর নামটা পর্যন্ত ও সরকার প্রকাশ পারেনি । অথচ তারা বার বার বলেছে যে হত্যাকারীর পরিচয় সম্পর্কে তারা নিশ্চিত হয়েছে। আর এদিকে আশ্চর্যের সাথে লক্ষ্য করা গেল যে, কোন ধরনের ফিংগার প্রিন্ট ছাড়া, অপরাধীর ডি,এন ,এ সিম্পল না রেখেই মরদেহকে সমাহিত করা হয়েছে। এর মানেটা কি? মনে হতে বিচিত্র কি যে, ডেলিবারেটলী ক্রাইম সিনকে ধ্বংস করা হয়েছে যাতে ক্রিমিনালকে কখনও কেউ খুজে না পেতে পারে।
    সাগর -রুনীর হত্যাকান্ড আর পিলখানায় অার্মি হত্যাকান্ড ধরন আর ফলাফল দেখলে কারো মনে হতে পারে হত্যা কান্ড দুটি একই সুতায় গাথা। ডেলিবারেটলীই হত্যাকান্ডের কারন আর হত্যাকারীকে আড়াল করা হচ্ছে। এসব হত্যাকান্ডের তথ্য উদঘাটন আর বিচারের প্রতি সরকারের উদাসীনতায় সাধারণ মানুষ সরকারের দিকে যদি সন্দেহের তীর ছুড়ে মারে তাতে কারো বলার কিছু থাকবেনা।
    (৩) যোগ্যতার প্রমান দিতে:
    পুরান ঢাকার বিশ্বজতের হত্যাকান্ডটাকে একটা আনফরচুনেট ইভেন্ট: রং প্লেসে , রং টাইমে, রং পারসনের উপস্তিতি বলে আখ্যায়িত করা যেতে পারে। এ হত্যাকান্ডে শিকারের যায়গায় যদি বিশ্বজিত না হয়ে অন্য কোন মুসলমান যুবক হত, টেনে টুনে তাকে যদি কোন মতে জামাত শিবিরের সাথে সংশ্লিষ্ট দেখানো যেত, তাহলে এক হত্যা কান্ডেই হত্যাকারীরা লাইম লাইটে চলে আসতে পারত । নিজেদের ফেরোসাসনেস তারা যে ভাবে টিভি ক্যামেরার সম্মুখে ফুটিয়ে তুলেছে, প্রতিটি ছেদে-কুপে যেভাবে তারা নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছে তাতে করে তাদের আর পিছন ফিরে তাকাতে হতনা ,এক লাফেই তারা ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে অনায়াসেই স্তান করে নিত। লন্ডন আমেরিকায় যেভাবে রাজনীতিবিদের যোগ্যতার প্রমান দিতে বলা হয় অক্সফোর্ড , হাভার্ড , ইয়াল , কলম্বিয়া গ্রাজুয়েট , টিক তেমনি বাংলাদেশে রাজনীতিবিদের জোগ্যতার প্রমান দিতে বলা হয় তিনি কতটা মার্ডার কেইসের আসামী, কত বছর জেল খেটেছেন , এই সব। শামীম ওসমান, জয়নাল হাজারী আর লক্ষিপুরের তাহের মত অনেকেই অগনীত হত্যা,খুন আর রাহাজানির মাধ্যমে কিংবদন্তির মহা নায়ক নামে শুভা পাচ্ছেন জনসাধারনের মুখে মুখে । এদের ফুট স্টেপ অনুসরন করে হাজারো রাজনৈতিক কর্মী নিজেদেরকেও কিংবদন্তির মহাকারিগর হিসাবে গড়ে তুলতে প্রান পন চেষ্টায় রত। কপালের ফেরে ভুল যায়গায় কুপানোর ফলে কিংবদন্তির মহানায়ক না হয়ে ক্রিমিনাল হয়ে আজ পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে বিশ্বজিতের হত্যাকারীদেরকে।
    আর অন্য সব হত্যাকান্ডের সাকসেসফুল পরিনতিতে হত্যাকারী তার উপযুক্ত সম্মান অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে । যেমন নাটুরের উপজেলা চেয়ারম্যান বাবুকে হত্যাকান্ডের মাধ্যমে নিজের যোগ্যতার প্রমান দিয়ে হত্যাকারী নিজেই চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে। আর এদিকে উপজেলা চেয়ারম্যান পাহাড়ি সেলিমকে হত্যা করে কোথাকার কোন অজ পাড়াগায়ের মফিজ একদিনেই সারা বাংলাদেশে পরিচিত হয়ে গেছে। পাহাড়ি সেলিমের ভ্যাকেন্ট সিটের সেই যে এক মাত্র উপযুক্ত দাবী দার তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা।
    (৪)অন্যের অগ্রগতিকে রুখে দিতে:
    জনপ্রিয়তা কারো কারো জন্য ম্রিত্যুর কারন হয়ে দাড়ায়। যেমন
    নরসিংদীর মেয়র লোকমান জনসেবার মাধ্যমে এত বেশী জনপ্রিয় হয়ে উটছিলেন যে, স্বয়ং নিজ পার্টির এম,পি-মন্ত্রীরও তার কাছে হেরে যাবার ভয়ে অস্তির হয়ে উটেছিলেন। এই অস্তিরতা থেকেই যে তাকে হত্যা করা হয়েছে এটা সবাই মনে করেন । টিক তেমনটি করা হয়েছিল বিএনপির আমলে চিটাগাং এর বিশিষ্ট ব্যাবসায়ীর জামাল উদ্দিন সাহেবের বেলায়ও । এসব হত্যাকান্ড ঘটানো হয়েছে নিজের রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে। প্রতিনিয়ত হত্যাকান্ডের মাধ্যমে প্রতিপক্ষের রাজনৈতিক অগ্রগতিকে রুখে দেয় হয় এভাবেই।
    (৫) ঘুলা পানিতে মাছ শিকার :
    ত্বকীর হত্যা কান্ড, সুরকার ইমতিয়াজ বুলবুলের ভাইয়ের হত্যাকান্ডসহ অনেক হত্যাকান্ডের খুনিরা সরকারের কান্ডগ্যানহীন বক্তৃতা বিব্রিতির সুযোগ নিয়েছে মাত্র। যা কিছুই ঘটে-যেখানেই ঘটে, সব দুর্ঘটনার জন্য জামাত শিবির কে দায়ী করা সরকারের একটা বাতিক হয়ে দাড়িয়েছে। রানাপ্লাজার মত দশ তলা একটা বিল্ডিং ধ্বসে পরার কারনও যদি সরকার মনে করে এই জামাত শিবিরের নাড়াচাড়া, তাহলে দু-চার জন মানুষ হত্যা করে জামাত শিবিরের ঘাঢ়ে চাপিয়ে দিলে সরকার মনে করবে এটাও ওদের কাজ, এই মনস্তত্ত্বকে কাজে লাগিয়ে শামীম ওসমানের মত ক্রিমিনালেরা প্রতিপক্ষকে ঘায়েলে করতে ত্বকীর মত মেধাবী তরুনকে হত্যা করতে পিছপা হচ্ছে না । উদোর পিন্ডি বুধুর গাঢ়ে চাপানোর মুক্ষম সুযোগটা নিচ্ছে তারা।
    (৬) সামাজিক অবক্ষয়:
    ঐশী কর্তৃক বাবা-মা হত্যাকান্ডটাকে আমাদের নৈতিক অবক্ষয়ের চুড়ান্ত পরিনতি বলা যেতে পারে। সন্তানের ভবিষ্যতের চিন্তায় উদ্বিগ্ন বাবা-মা রা তাদের ছেলে মেয়েদের দেশের ট্রাডিশনাল স্কুলে না দিয়ে, লন্ডন এমেরিকার নাম-গন্ধ আছে এমন স্কুলে লাখ লাখ টাকা খরচ করে পড়তে দেন , আর যখন দেখেন ভাত মাছের বদলে পিজা -বার্গার-সেন্ডউইচ খেতে পছন্দ করে, ভেবে খুশী হোন যে তাদের সন্তানেরা পুরুদস্তুর ইউরুপীয়-এমেরিকানদের মত স্মার্ট বনে গেছে ।

    ড্যান্স পার্টির নামে এরা বিভিন্ন হোটেলে-বারে সময় কাটিয়ে গভীর রাতে বাড়ী ফেরে, নিত্য নতুন ফ্যাশন আর পানাহারের নামে এরা যে নানাবিধ মরনাসক্তি মাদক আর ড্রাগে আসক্ত হচ্ছে এদিকে বাবা মা কোন খেয়ালই রাখেন না। ভাবখানা এমন যেন নামী-দামী স্কুলে ভর্তি হয়ে ইউরোপী আর আমেরিকানদের মত ঘোরা ফেরা করলেই এক একজন আইনস্টাইন আর প্লেটো হওয়া যায়। ছেলে মেয়েকে শিক্ষিত করে গড়ে তোলার জন্য অভিবাভাবকেরা এই যে কাড়ি কাড়ি টাকা খরচ করছেন হিসাব করলে দেখা যাবে বাংলাদেশের এক জন চাকুরীজিবী বাবা-মার পক্ষে কোন ভাবেই এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব নয়। তার মানেটা হল সন্তানের পিছনে যে টাকা খরছ হচ্ছে তার বেশীর ভাগই অবৈধ । অবৈধ উপায়ে অর্জিত টাকার পরিনতি কখনও ভাল হতে পারে না। দুহাতে ঘুষ কামাইয়ের টাকা ছেলে মেয়ের পিছনে ঢেলে যারা মনে করেন তাদের সন্তানদের শ্রেষ্ঠ মানব সন্তান করে গড়ে তুলবেন তাদের ভুলে গেলে চলবেনা যে খারাপ উপাদান দিয়ে কখনও ভাল কিছু তইরী করা যায় না । আতর তইরী করতে হলে গোলাপই ব্যাবহার করতে হয় । ধুতরার ফুলে কখনও আওতর হয় না। অন্যের পকেটের টাকা পয়সা কেড়ে ,বাড়ী-গাড়ী আর ব্যাংক ব্যালেন্সের মাধ্যমে যারা মনে করেন ,তাদের এবং তাদের সন্তান সন্ততির জন্য অনাবিল ভবিষ্যতের নীড় রচনা করেছেন তারা অযথাই মায়া মরিচিকার পিছনে ছুটছেন। বাস্তবতা হল, ইয়াবা আর হেরুইনের ব্যাবসায়ীর কাছ থেকে নেয়া ঘুষের টাকা অফিসারের আলমারিতে ঢুকে একদিকে আর অন্যদিকে তার ছেলে মেয়েরা আলমিরার লক খুলে টাকা-পয়সা চুরি করে ইয়াবা আর হেরুইন ফুকায়। এই যে অবৈধ টাকা, এটা যদি আলমিরাতে না ঢুকত তাহলে ছেলে মেয়ে চুরি করে ইয়াবা আর হেরুইন খাওয়ার চিন্তা ও করত না। অসৎ অফিসার তার লোভের পাপে খাল কেটে কুমির নিয়ে এসে নিজেই নিজের ধ্বংসের পথ রচনা করে থাকে । যে ছেলে মেয়ে তার বাবা মাকে কথায় কথায় মিথ্যা বলতে দেখেছে তার কাছে মিথ্যা বলাটাই বেস্ট পলিসি মনে হতে পারে। যে ছেলে মেয়ে তার বাবা মাকে দেখেছে অন্যকে টরচারিং করতে টাকা পয়সার জন্য সে যে তার বাবা মাকে যে টরচারিং করবেনা টাকা পয়সার জন্য এ গ্যারান্টি তো আর কেউ দিতে পারবেনা। চোরের ছেলে চোর হবে এটাইতো জগতের রীতি। যে বাবা মার কাছে নীতিনিইতিকতার বালাই নাই তার পক্ষে ছেলে মেয়েকে নীতি নইতিকতার বয়ান দেয়া সম্ভব নয়। যে বাড়ী যে গাড়ি যে ব্যাংক ব্যালেন্স অবৈধ ভাবে ছেলে মেয়ের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে গড়ে তোলা হয়েছে, এ গুলই এক সময় গলার কাটা হয়ে সুখ শান্তি কেড়ে নিবে, এমন কি জীবন ও, এটাইত বাস্তবতা।
    মোটকথা :
    আমাদের উপরোক্ত পয়েন্ট গুলোর বিশ্লেষন থেকে একটা জিনিষ পরিষ্কার হয়েছে , বিগত পাচ বছরে দেশে যে সব হত্যাকান্ড ঘটেছে তার কোনটি ঘটেছে সরকারের ছত্রছায়ায় প্রতিশোধ নিতে , কোনটি দুর্নীতিকে ধামাচাপা দিতে, কোনটি ঘটেছে যোগ্যতার প্রমান দিতে, অন্যের অগ্রগতি রুখে দিতে, আইনের শাষনের অবনতিতে ঘোলাপানিতে মাছ শিকা করতে। আর পারিবারিক এবং সামাজিক অবক্ষয়ের কারনেও বেশ কিছু হত্যাকান্ড ঘটেছে । এ সব হত্যাকান্ডের জন্য আমাদের রাজনৈতিক আর সামাজিক অবক্ষয়ই বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে দায়ী । অর্থনৈতিক অথবা মানষিক বিকারগ্রস্ততার কারনে হত্যাকান্ডের নজীর এদেশে খুবই কম। দেশ আজ সব নষ্টের হুতা আমাদের বিকারগ্রস্ত সরকার ও তাদের দিকভ্রষ্ট রাজনীতির বেড়াজালে বন্দী। এরা রাজনীতিটাকে জন সেবা হিসাবে না দেখে , ব্যাবসা হিসাবে বিবেচনা করে, যেন তেন উপায়ে বড়লোক হওয়ার সিঁড়ি মনে করে।
    বাংলাদেশে আজ অব্দি যত সরকার এসেছে তাদের সবার-ই পূর্ববর্তী সরকারের রেখে যাওয়া রেকর্ড ভাংগার প্রতিযোগিতায় ব্যাস্ত থাকতে দেখা যায়। এ প্রতিযোগিতা সব দেশের সব সরকারের সময়ই-ই হয়ে থাকে, যেমন ভাল কাজের মধ্যে হয় , তেমনি খারাপ কাজেও হয় , কিন্তু বাংলাদেশের শাষকদের মধ্যে কোন দিন ভাল কাজের প্রতিযোগিতা হয়েছে বলে তেমন কোন রেকর্ড নাই! বাংলাদেশের শাষন ক্ষমতায় যে-ই যাক না কেন, তার দৃষ্টি থাকে বিগত সেশনে যে বা যারা শাষন ক্ষমতায় ছিল , খারাপ কাজে তার সকল রেকর্ড অতিক্রম করা। কৃষি খাত,রেমিটেন্স আর গার্মেন্টস শিল্পই বাংলাদেশের একমাত্র বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের উতস। এই উতসে সরকারের কোন অবদান না থাকলেও , তাদের মধ্যে হাস্যকর ভাবে বাকযুদ্ধ লেগেই আছে এই বলে যে, কার সময় কত বেশী বিদেশী রেমিটেন্স এসেছে, বন্যা -খরা ছাড়াই কার সময় কতটা কৃষি পন্য উতপাদিত হয়েছে….. । দেশে ভাল কাজের কোন প্রতিযোগিতা হয়না কোন দিনই , কারন কোন সরকারেরই দেশের ভাল করার কোন ইচ্ছে থাকে না। তাদের ইচ্ছে থাকে যে পাচ বছর ক্ষমতায় আছে : নিজের, দলীয় করমি, আত্মীয়-স্বজন , বন্ধু- বান্ধব সবাইকে সুযোগ করে দেওয়া যাতে তাড়াতাড়ি বড়লোক হওয়া যায়। বড়লোক হওয়ার আশায় ছাত্র-ছাত্রিরা পড়ালিখা বাদ দিয়ে রাজনীতিবিদদের পিছে পিছে দৌড়ায়। আর পলিটিক্স এর নামে ওই সব রাজনীতিবিদরা খুন খারাপি, চুরি ডাকাতি, ধর্ষণ, লুন্টন, চাদাবাজি,টেন্ডারবাজী, মুক্তিপণের জন্য কিডন্যাপ, জমি দখল বাড়ী দখল করে থাকে। দেশের আইন আদালতে এই সব জঘন্যতম অপরাধ করার পরেও শুধুমাত্র সরকারি দল করার কারনে তাদের কোন রুপ শাস্তি ভোগ করতে হয়না।

    মাত্রাতিরিক্ত অন্যায় করার কারনে কারো-কারো মাঝে-মধ্যে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ফাসির আদেশ হলেও প্রেসিডেন্টের সাধারণ ক্ষমার মাধ্যমে ছাড়া পেয়ে -তারা ফিরে আসে, নব উদ্যমে, নতুন শক্তিতে । এতে করে এক দিকে যেমন অপরাধীর আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় নিজের শক্তি সম্পর্কে , আর অন্যদিকে সাধারণ মানুশের কাছে একটা বার্তা আসে, “সরকারি দল করলেই যা ইচ্ছে তাই করা যায়।” অবাক বিশ্ময়ে মানুষ শুধু চেয়ে চেয়ে দেখে, চোখের সামন দিয়ে এরা কিভাবে তরতর করে কোটিপতি বনে যাচ্ছে! যারা একদিন রিক্সা টেম্পুর ড্রাইভার ছিল, চুরি-চামারী আর অন্যের দান-দক্ষিনায় দিনযাপন করতো, শুধুমাত্র সরকারি দল করার কারনে তারা সুর সুর করে বড়লোক হয়ে যায়, তখন বুদ্ধিমান মানুষের পক্ষে এই ট্রেন্ডে নিজেকে শপে না দেয়া আত্মহত্যার সামিল । অন্যের বাসা-বাড়ি, যায়গা-জমি দখল, খুন ,হত্যা লুন্টন, মুক্তিপণ আদায় এই সব যদি একজন সরকারি দলের কর্মির কাছে আইনত ভাবে বৈধ হয়, তখন সামাজিক ভাবেও অন্যের সম্পদ কেড়ে নিয়ে বড়লোক হওয়ার বইধতা প্রতিষ্টিত হয়। ব্রিটিশ আমলে জমিধারদের কেউ কেউ নাকি চাইলে প্রজা হত্যা করতে পারত। তখন এটা আইনগত ভাবে সিদ্ধ ছিল এবং এটার সংখ্যা দিয়ে জমিধারদের ক্ষমতা আর স্ট্যাটাস বুঝানো হত। জলদস্যুতাও আগেকার দিনে অনেক দেশের বৈধ আয়ের একটা উতস ছিল। অবস্তা দৃষ্টে মনে হচ্ছে বাংলাদেশেও আইনগত ভাবে সরকারি দলের কর্মিদের জন্য অন্যের বাসা-বাড়ি, যায়গা-জমি দখল, খুন-খারাপি, হত্যা-লুন্টন, মুক্তিপণ আদায়ের মত দশ্যুতাতারও বৈধতা প্রতিষ্টিত হয়েছে বলে।

    টেন্ডারবাজী আর চাদাবাজির মাধ্যমে অনেক পূর্ব থেকেই সরকারি দলের নেতা-কর্মীরা টাকা-পয়সা কামাই করলেও এখনকার মত এতটা অপেন সিক্রেট ছিলনা। কথিত আছে, চারদলীয় জোটের শাষন আমলে ঢাকায় একটা হাওয়া ভবন ছিল, যারাই এর সাথে কানেক্টেড ছিল, তারা উপরি মালপানি কামাইয়ের মাধ্যমে বড়লোক হওয়ার সুযোগ পেত। সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে সেই হাওয়া ভবন লুপ্ত হইলেও এখন গোটা বাংলাদেশটাই নতুন নতুন হাওয়া ভবনে ভরে গেছে। এখন জেলায়-জেলায় ,থানায়-থানায় ,স্কুল-কলেজে এমনকি বংগভবনেও হাওয়া ভবনের শাখা খোলা হয়ে গেছে! পদ্মাসেতুটা কিন্তু ছোট খাট কোন হাওয়া ভবনের কারনে উচ্ছন্নে যায়নি, “দেশ প্রেমিকদের” মত বড় বড় রাঘব-বোয়ালদের খোলা হাওয়া ভবনের কারনে উচ্ছন্নে গেছে।

    এখন এই হাজার হাজার হাওয়া ভবনীয় দুর্নীতির সাথে যোগ হয়েছে অন্যের যায়গা-জমি বাড়ী-ঘর ,ব্যাবসা-বানিজ্য দখল ,লুটতরাজ, কিডন্যাপ আর হত্যাকান্ডের মত জঘন্যতম কাজ এবং এই কাজ গুলো করলে কোন শাস্তি হয়না উপরন্তু এই গুলো করলে বড়লোক হওয়া যায় তাড়াতাড়ি। ইন্সটেন্ট বড়লোক হওয়ার এই ধারা আজ আইনসিদ্ধ বলে সমাজে প্রতিষ্টিত হয়েছে। সাধারণ জনগনের এই যে ধারনা সরকারি করলেই চৌদ্দ খুন মাপ হয়ে যায়, এটা আমাদের সমাজ ব্যাবস্তাকে ধ্বংস করে দিয়েছে ।

    বাংলাদেশে কঠিন সামাজিক বন্ধন অটুট থাকার কারনে আগেকার দিনে শহরের পাড়া মহল্লায়, গ্রামে গঞ্জে কোন সমস্যা হলে মোরব্বীরা তার সমাধান দিতেন। থানা পুলিশতো দুরের কথা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এর কাছে পর্যন্ত অভিযোগ নিয়ে যাওয়ার দরকার হতোনা।

    তখনকার দিনে বাংলাদেশে পুলিশের সংখ্যা হাতে গুনা থাকার পরও রাত বিরাতে বাইরে যেতে মানুষ ভয় পেত না কারন সামাজিক বন্ধন আর পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবুধ মানুষকে নিরাপত্তা দিত। সমাজ মানুষকে খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখত। সময়ের সাথে তাল মিলাতে গিয়ে সামাজিক মুল্যবোধের অবক্ষয় চুড়ান্ত আকাড় ধারন করেছে। সামাজিক বন্ধন ভেংগে পড়েছে। পাড়া মহল্লার মোরব্বীকে মানাতো দুরের কথা নিজের বাপকেও অনেকে মান্য করেনা। এমন পরিস্তিতিতে
    পুলিশের সংখ্যা বেড়ে কয়েক হাজার গুন হলেও মানুষের জান মালের নিরাপত্তা শুন্যের কোঠায় গিয়ে দাড়িয়েছে। শান্তি শৃংখলার দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশও আজ কাল রাজনৈতিক কর্মিদের পথ অনুসরন করে সহজে বড়লোক হওয়ার জন্য সব ধরনের বাজে কাজ ,এমন কি খুন খারাপি করতেও পিছপা হয়না।
    দেশের সামাজিক বন্ধনটাকে এখনকার শাসক শ্রেনী বিচার ব্যাবস্তা ধ্বংসের মাধ্যমে মানবিক মুল্যবোধের অবক্ষয়ের ঘটিয়ে একেবারে দুলিশ্যাত করে দিয়েছেন । মানুষ দেখছে, হত্যাকান্ড সংঘটিত করলেও শাস্তি হয়না , আর শাস্তি হলেও সরকারি দল করার কারনে প্রেসিডেন্টের সাধারন ক্ষমার বদৌলতে ফাসির আসামীও মুক্ত হয়ে যায় । তাইতো দেখা যায়, যে কেউ কারো সাথে বিরুধ হলেই তাকে , এমনকি তার স্কুল পড়ুয়া সন্তানকেও হত্যা করতে পিছপা হয়না , হত্যাকান্ডটাই যেন এখন -যে কোন সমস্যার সহজ সমাধান হয়ে গেছে। আজকাল বড়লোক হওয়ার সহজ রেসিপি হচ্ছে, সরকারি দলে যোগ দিয়ে, হত্যা খুন খারাপি জবর দখলের মাধ্যমে অন্যের সম্পত্তি করায়ত্ত করা। এখন ব্যাংক লুট, মার্কেট ডাকাতি করতে গিয়ে কোথাও ডাকাত ধরা পরেনা, যারা ধরা খায় দেখা যাবে তারা সরকারী দলের যুবক, ছাত্র অথবা মোরব্বী পার্টির লিডার। বিরুধী দলেরও কেউ কেউ মাঝে মধ্যে এদের সাথে যোগ দিয়ে থাকে। এটাই এখনকার দিনের রাজনৈতিক ট্রেন্ড হয়ে দাড়িয়েছে। সবার একটাই চাওয়া যে করেই হোক তাড়াতাড়ি বড় লোক হতে হবে। কোন ধরনের চাকুরী বাকুরী না করে ,ছাত্র অবস্তায় এখন অনেকেই শুধু মাত্র রাজনীতি করে কোটিপতি বনে যায়। নীতি-অনীতির মধ্যে কোন তফাৎ না থাকায়,বিগত পাচ বছরে পুরো দেশটাই পরিনত হয়েছে বিরাট একটা কেয়াসে।

    Reply
  2. সুমন

    আবেদ সাহেব কি কখনও কোথাও “আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালে ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছে কি মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় বসেছে” তার কোনো আলাপ-আলোচনা করেছেন? আবেদ সাহেব কি কখনও কোথাও আওয়ামী লীগের প্রতিহিংসার রাজনীতি, যথা, বিরোধী দলীয় নেত্রীকে তার উনত্রিশ বছর ধরে বাস করা গৃহ থেকে উচ্ছেদ, সর্বত্র জিয়ার নামে স্থাপনার নাম পরিবর্তন, পাঁচ বছর ধরে বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের হত্যা, গুম এবং জেল দেওয়া– এসবের কোনো প্রতিবাদ করেছেন কখনও?

    তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের প্রতিবাদ কখনও করেছেন কি? আমার তা জানা নেই। না কি জনগণ কী চায় তা আপনাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়? আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে আপনাদের কপাল খোলে সেটাই বড় কথা– আমরা জনগণ তো সব গরু গাধা!

    Reply
    • nuhash

      বিএনপির রাজনীতিবিদদের দোষের তুলনায় আওয়ামী লীগারদের দোষ এক ফোঁটা শিশির ….

      Reply
  3. Ibu_USA

    আবার লগি বৈঠা… ইউ গাই রিয়েলি ডিসগাস্টিং…

    এখনও মনে আছে ২০০৬ সালে আওয়ামী লীগ কী করেছিল। লগি-বৈঠা দিয়ে কতজনকে মারা হয়েছিল।

    দয়া করে বন্ধ করুন এসব …..

    Reply
  4. Masud Khan

    বিকৃত রাজনীতির ধারক-বাহক হচ্ছে আওয়ামী লীগ! আর বিকৃত মন এবং চিন্তা-ভাবনার ধারক-বাহক হচ্ছে কিছু দলদাসরা!

    Reply
    • M Islam

      ‘কিচেন রুল’ প্রতিরোধ করতে সাহসী লোকদের দরকার। ইন্টেলিজন্ট আবেদ খান ‘অবোধ’ খানে পরিণত হয়েছেন। উনারা সবকিছুতে জামাত দেখেন! এমনকি কেয়ারটেকার সরকারের মধ্যেও …

      Reply
  5. Ami

    আমি অবাক হই এসব বুদ্ধিমান মানুষ কীভাবে লজিক আর যুক্তি ছাড়া কথা বলেন! নিজেদের সম্মান নিজেরাই নষ্ট করতে চাচ্ছেন।

    Reply
  6. kamal

    এই আর্টিকেলের সঙ্গে একমত। আমরা যা চাই সেটাই নির্বাচন করা উচিত। যেভাবে দেখতে চাই ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে সেটাই করব।

    Reply
  7. শুভ

    তারেকের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে ও হচ্ছে তা যদি আপনার সঙ্গে করা হত তাহলে কি আপনি মার্কিন রাষ্ট্রদূতের চতুর্থ প্রশ্নের উত্তর না-বোধক দিতেন? তারেক যদি না-বোধক উত্তর দিতেন তাও আপনার নিকট বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হত না এবং এটাই সত্য। কারণ তারেকরা সংকীর্ণ রাজনীতিবিদ। ব্যক্তিগত লাঞ্ছনা বা অপমান ভুলে যাওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব নয়।

    Reply
  8. মাসউদুল গনি

    যেখান সরকার একতরফা নির্বাচন করার জন্য সবকিছু তৈরি করে রেখেছে, সেখানে উনি এসছেন ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে সবখানে বিএনপি-জামায়াত খুঁজতে!

    Reply
  9. লুব্ধক

    এটাকে বলা হয় নির্লজ্জ চাটুকারিতা। চালিয়ে যান ব্রাদার! আপনাদেরই হবে!

    Reply
  10. Nurul Amin

    উনি এর চেয়ে কী ভালো বলতে পারবেন! শুধু বিএনপি ক্ষমতায় গেলে জঙ্গিবাদ হয়, আর কোনো সময় হয় না। শুধু শুধু জামায়াত-শিবিরের নাম খারাপ করতেছেন, আওয়ামী লীগের চেয়ে খারাপ দল বাংলাদেশে আর একটাও নেই। যাদের কাছে মা-বোনের কোনো ইজ্জত নেই। কিছুদিন আগেও এক ছাত্রলীগের নেতার লিঙ্গ-কর্তন করেছেন বরিশালের এক মহিলা। যাদের ধর্ম হচ্ছে লুটপাট আর ত্রাস সৃষ্ট করা।

    আর প্রতিবেশি দেশের কথা বলতেছেন, ভারত আমাদের কী দিয়েছে, পাখির মতো গুলি করে মারে আমাদের দেশের মানুষকে। যা দুনিয়ার ইতিহাসে খুবই নজিরবিহীন। সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের দিকে আমি ভারতের নাম সবার আগে আসবে। আমার দেশে ৬% হিন্দু সম্প্রাদায় তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলি ঠিকমতো পালন করতেছে। কোনো রকম বাধাবিপত্তি ছাড়া।

    আর ভারতের আনুমানিক ২৫% মুসলিম (সরকারি হিসেবে) ঠিকমতো তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে পারে না। ভারতের অনেক অঞ্চল আছে যেখানে পশু কোরবানি দেবার অনুমতি নেই। আবার কিছু কিছু অঞ্চল আছে অনুমতি আছে, তবে শুধু ভেড়া বা ছাগল, তাও আবার গোপনে।

    কই তখন তো সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের নাম আসে না। আর আমাদের দেশে সামান্য কিছু হলে বলে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন হচ্ছে। আমার এলাকায় অনেক হিন্দু আছে, আমি তো দেখি না তাদের উপর কখনও নির্যাতন হচ্ছে।

    আমি এমনও দেখেছি, মসজিদে আযানও হচ্ছে, আবার মন্দিরে পুজাও হচ্ছে, তাও আবার মাইক বাজিয়ে। এই হচ্ছে আমাদের প্রতিবেশি দেশ যার কথা বুঝাতে চেয়েছেন লেখক।

    লেখক সাহেব, আপনাদের মন-মানসিকতা পরিবর্তন করেন। এই দেশটাকে আর ছোট করবেন না।

    Reply
    • Hasan Khan

      ফালতু সব একপেশে তথ্য দিলেন মি. নুরুল? বাংলাদেশে হিন্দু ৬%? আবার লিখেছেন– ‘আমি এমনও দেখেছি, মসজিদে আযানও হচ্ছে, আবার মন্দিরে পুজাও হচ্ছে, তাও আবার মাইক বাজিয়ে।’– এমনটা কি আপনি স্বপ্নে দেখেছেন? আপনি বাংলাদেশে নতুন? ভারতে কখনও গেছেন?

      ভারতের অনেক সমস্যা আছে, গালি দেওয়ার মতো অনেক কাজ করে, কিন্তু তার বাইরে অকারণ মিথ্যাচার করেন কেন? বলেছেন, ভারতে মুসলমান ২৫ শতাংশ। ব্র্যকেটে লিখেছেন সরকারি হিসেব। এই সরকারটা কি আপনার কাল্পনিক মন?

      একপেশে তথ্য ও মিথ্যাচার করার আগে মনে রাখবেন এটা অনলাইনের জগৎ, আপনি যা ইচ্ছে ভুলবাল বা মিথ্যা কথা লিখলেই পাঠক তা ছাগলের মতো খাবে না।

      Reply
  11. MANIRUL ISLAM

    জনাব আবেদ খানকে অ্যাপ্রিসিয়েট করব তার ওপরের লেখাটির জন্য। বাংলাদেশ ও এই এলাকার জন্য এটাই সত্য।

    আপনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ধন্যবাদ। এটা চালিয়ে যান …

    Reply
  12. Hasan Khan

    লেখাটায় খুব নতুন কিছু নেই। কিন্তু যা আছে তা অপ্রিয় সত্য। সেই দিক থেকে লেখাটা ধারালো, তীক্ষ। এই সত্য বার বার আমাদের সামনে তুলে ধরার জন্য আবেদ খানদের দরকার।

    খুব অবাক হলাম যখন দেখলাম, আমাদের দেশের বেশিরভাগ পাঠকেই কোনো না কোনো দলের পক্ষে কথা বলেন। আর যখন যার জোয়ার আসে (বা এসেছে বলে মনে করছে) তখন তাদের গাছেরটা খাওয়া ও তলারটা কুড়ানোর জন্য সবাই লাইন দেয় আগে আগে। পাঠকরাও তাই। আমাকেও হয়তো কোনো দলে ফেলার চেষ্টা করা হবে। ব্যাপারটা খুব দু:খজনক।

    ধন্যবাদ আবেদ খান। কেউ লেজুড়বৃত্তি বলুক, আর একপেশে বলুক, দেশের ভালোর জন্য, সবার মঙ্গলের জন্য আপনি এমন লেখা বারবার লিখে যান।

    Reply
    • শুভ

      হাসান সাহেব,

      পাঠকরা কীভাবে গাছেরটা ও তলারটা খায় আমি বুঝি না। কারণ তারা পদ-পদবি পাবার সম্ভাবনা থেকে যোজন যোজন দূরে থাকে সবসময়। খেলে বুদ্ধিজীবীরাই খান। আর খাওয়াটা আরও বেগবান করতে চাটুকারিতার প্রতিযোগিতায় নামেন।

      Reply
      • Hasan Khan

        জনাব শুভ,

        আপনি পাঠক বলতে কি এমন কোনো আজব চিড়িয়া বুঝেছেন, যারা কাজকর্ম, ধান্দা, রাজনীতি — কিছুই করে না, শুধু পত্রিকা পড়ে? প্রতিটি পাঠকই কিছু না কিছু করে বা করতে চেষ্টা করে। সাধু অসাধু, ভালো খারাপ, শুভ অশুভ, রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক– সবাই মিলেই পাঠক। তাদের নিজ নিজ ধান্দা থাকে।

        নাকি আপনি মনে করেন, আপনার নামের মতো খারাপ কিছু আপনার নেই?

      • শুভ

        হাসান সাহেব,

        ব্যক্তিগত আক্রমণ করাটা ভদ্রজনোচিত নয়। আর একটা কথাই শুধু বলব, মানুষ অন্যকে বিচার করে নিজেকে দিয়ে। আপনিও তাই করেছেন, অন্য সবাইকে আজব চিড়িয়া বলেছেন। এটাই আপনাদের আসল চেহারা….

  13. sagor

    জনাব,

    আমি কোনো রাজনীতি করি না। কিন্তু আপনার লেখাগুলা সম্পূর্ণ একপেশে। জামায়াত জঙ্গি তা মানলাম। কিন্তু ওদের তো কোনো নিরীহ মানুষকে নির্যাতন করতে আমরা দেখেনি। যাদের ক্ষতি করেছে ওরা কেউ ভালো নয়। ওরা সবাই সাধারণ মানুষের শত্রু।

    ওদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, ডাকাতির মামলা নেই। ওরা অনেকের উপকার করে এমন হাজারও প্রমাণ আছে প্রতিটি জেলায়। বিএনপি-আওয়ামী কর্মীরা বিনিময় ছাড়া কারও কোনো উপকারে আসে না। ওদের দ্বারা ক্ষতির পরিমাণ সবচাইতে বেশি।

    আসলে জঙ্গি মানে কী?

    মানুষ ভালো কোনো কাজ করলেই মনে হয় জঙ্গি হয়ে যাবে। এটা কেমন কথা বুঝি না। মানুষের চরিত্রের দিকে তাকালে অনেক কিছু অন্ধকার মনে হয়। জঙ্গি এইটা খারাপ শব্দ, কিন্তু আসল জঙ্গি কারা তা নিয়ে আমরা সন্দেহের মাঝে আছি।

    কোনো দলে রাজাকার থাকলে যদি জঙ্গি হয়, তাহলে সব দলে তো রাজাকার আছে , তারা কেন জঙ্গি হয় না? আসলে কোনটা সঠিক?

    সাধারণ মানুষের মনের মাঝে এমন হাজারও প্রশ্ন আছে। যার কোনো উত্তর খুঁজে পাওয়া যায় না।

    Reply
    • abdus salam

      ৭১ সালে কারা পাকবাহিনীর হাতে মা-বোনদের তুলে দিয়েছিল? কারা সেদিন নিরীহ নিরস্ত্র মানুষ হত্যা করেছিল? আমি কোনো জামায়াতিকে দেখিনি সুদ-ঘুষ-হত্যা-ধর্ষণের বিরুদ্ধে একটা কথা বলতে। সারা দেশে ৭১ এবং তার পরের অনেক হত্যা-দুর্নীতির সঙ্গে জাময়াতিরা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত।

      আল্লাহ্‌র অশেষ রহমতে বিচার শুরু হয়েছে। যা বলতে হয় কোর্টে গিয়ে বলুন।

      Reply
  14. ronald dcosta

    ধন্যবাদ জনাব আবেদ খান সাহেবকে।

    এই খুবই সত্য কথা, সাহসী মানুষ যা পারে তা দেখে কাপুরুষরা ২৪ তারিখের পর রাস্তা থেকে পালাবে। সাহসী মানুষের ভয় নেই, ভয় শুধু ওই কাপুরুষদের।

    Reply
  15. লিয়াকত আলী

    জনাব আবেদ সাহেব,

    রাস্তায় নেমে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ার জন্য মানুষকে খুবই উসকানি দিচ্ছেন। অদ্ভূত লাগছে আমার কাছে। জানতাম আপনি একজন ভালো মানুষ। না, এখন বুঝতে পারছি আপনিও বদলে যাচ্ছেন। ভেবে দেখেন আপনি কোথায় ছিলেন, কোথায় নেমে যাচ্ছেন! ফরহাদ মাজহারদেরই সমগ্রোত্রীয় হয়ে গেলেন তো! ভালো ভালো, চালিয়ে যান।

    ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন।

    Reply
  16. Akash

    শুধু যুদ্ধাপরাধীর দোহাই দিয়ে তো আর সারা বাংলাদেশের দায়িত্ব্ দিয়ে দেওয়া যায় না। যুদ্ধাপরাধীর কথা বলে আর ভোট পাবে না।

    Reply
  17. ahmed

    আপনি সবসময় এক লাইন বেশি বুঝেন। ধন্যবাদ। শুধু দুইটা কথা মনে করিয়ে দিই। রমনা বটমূলে বোমা বিস্ফোরণ হয়েছিল কিন্তু আ. লীগের সময়। আর আগস্টের সারাদেশব্যাপী বোমা বিস্ফোরণের মূল নায়্ক ছিল শায়েখ আবদুর রহমান যিনি আবার নানক সাহেবের বোনের জামাই।

    Reply
    • abdus salam

      আপনার মতে, রমনা বটমূলের ঘটনা আওয়ামী লীগের সময়ে হয়েছিল, তাই আওয়ামী লীগ দায়ী! আবার ২১ শে আগস্ট (আইভি রহমানসহ ২৪ হত্যা) গ্রেনেড হামলা বিএনপির আমলে হলেও সেটার জন্য বিএনপি দায়ী নয়!

      ভালো ভালো। সুদ-ঘুষ-হত্যা-ধর্ষণের বিরুদ্ধে আপনারা কখনও সঠিকভাবে কথা বলবেন না….

      Reply
  18. মারুফ রহমান

    প্রথমত, খবরটি তিনি পড়েছেন “কানাডারই কোনো এক সংবাদপত্রে”– সংবাদপত্রের নামটি প্রকাশ করলে প্রতিবেদনটি গ্রহণযোগ্যতা পেত, পাঠকের বুঝতে সুবিধা হত যে এটি মনগড়া নয়।

    দ্বিতীয়ত, “মোটামুটি গোটা চারেক প্রশ্ন করা হয়েছিল। উত্তর বেরিয়ে এসেছে সম্ভবত এ রকম”– এ ক্ষেত্রে হাসি চাপানো মুশকিল। এই যদি আবেদ খান সাহেবের প্রতিবেদনের ভিত্তি হয় তবে তাঁর ভবিষ্যত উজ্জ্বল, অচিরেই তিনি আবদুল গাফফার চৌধুরী সাহেবকে ছাড়িয়ে যাবেন।

    সম্ভাব্য প্রশ্ন ও ততোধিক সম্ভাব্য উত্তরের উপর স্বনামধন্য সাংবাদিক জনাব আবেদ খান আটটি প্যারাগ্রাফ রচনা করেছেন। এবার বোধহয় সাংবাদিকের খোলস ছেড়ে আসার সময় হয়েছে। কারণ দলীয় কর্মী বা সমর্থক হিসেবে আপনার যে কোনো দলকে সমর্থন করার অধিকার আছে।

    বিএনপির অপশাসন, তাদের জামায়াতপ্রীতি আর তারেক রহমানের সীমাহীন বাড়াবাড়িই তার প্রিয় দলকে গত নির্বাচনে বিজয় এনে দিয়েছে। আবার অনুরূপ কারণে (শুধু চরিত্রের পরিবর্তন) আগামী নির্বাচনে তার প্রিয় দলের ভরাডুবির সমূহ সম্ভাবনা।

    উপসংহারে তিনি বলছেন, “তার মানে পরিষ্কার। প্রচারণার সন্ত্রাস ছড়িয়ে দেওয়া।”

    প্রকারান্তরে আপনাদের মতো কলমবাজরা কি তা-ই করছেন না?

    ধন্য আমাদের activist আর দলকানা সাহসী সাংবাদিক ভায়েরা।

    Reply
  19. moin uddin

    বিএনপি যদি জঙ্গিবাদ হয় তাহলে আওয়ামী লীগ কী লালন করে তা আমরা জানি। পতনের সময় মায়াকান্না আর সমীকরণ দেখিয়ে মনে হয় তেমন ফায়দা হবে না।

    Reply
  20. shahinur

    পিপীলিকার পাখা গজায় মরিবার তরে …. বিএনপি-জামায়াত ইতোমধ্যে প্রায় মৃত …… গ্রেট জব মি. আবেদ খান ….

    Reply
  21. ফরহাদ

    @বাংলাদেশি আওয়ামী লীগের চরম পতন হলে আপনার খুব খুশি লাগবে? একটি কথার উত্তর দিবেন?

    বর্তমানে বাংলাদেশে যেসব অসুবিধা আছে, বিএনপি ক্ষমতায় এলে তার একটিরও কি সমাধান হবে? যদি হয় একটু বুঝিয়ে দিবেন কীভাবে হবে। যে বিএনপি গত ২০০১-২০০৬ মেয়াদে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক, অবকাঠামোগত একটিও মেগা প্রজেক্ট করেনি, এবার করবে তার গ্যারান্টি দিতে পারবেন?

    Reply
  22. shakhawat nadim

    স্যার,

    আপনি পলিটিক্যালি-বায়াসড মানুষ এইটা জানি, কিন্তু এইভাবে লেজুড়বৃত্তি করা কি আপনার মতো এত বড় মানুষের সাজে???

    Reply
  23. Abu Sayed

    আবেদ খান সাহেবকে ধন্যবাদ তাঁর সময়উপযোগী লেখার জন্য।

    ১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা কী ছিল এবং ভবিষ্যতে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা কী হবে তা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ সালে, দৈনিক সংগ্রাম-এ প্রকাশিত একটি কলাম তুলে ধরছি।

    গোলাম আজম, ঢাকায় হোটেল এম্পায়ারে ঢাকা শহর জামায়াতের দেওয়া এক সংবর্ধনা সভায় বলেন–

    ”দেশের সাম্প্রতিক সংকট (১৯৭১ সালে) ও দুস্কৃতকারীদের (মুক্তিবাহিনী) ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপের ফলে যে সব পাকিস্তানি প্রাণ হারিয়েছেন তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি লোকই জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জড়িত। জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তান ও ইসলামকে এক ও অভিন্ন মনে করে। পাকিস্তান সারা বিশ্বমুসলিমের ঘর। কাজেই পাকিস্তান যদি না থাকে, তাহলে জামায়াতকর্মীরা দুনিয়ায় বেঁচে থাকার কোনো স্বার্থকতা মনে করে না। তাই জামায়াতের কর্মীরা জীবন বিপন্ন করে পাকিস্তানের অস্তিত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষার কাজ করে যাচ্ছে– রাজাকার, আলবদর এবং শান্তি কমিটির মাধ্যমে।’’

    Reply
  24. Ryan Ahmed

    যেখানে সরকার ও প্রধানমন্ত্রীপুত্র আমেরিকার সঙ্গে ভালো রিলেশন তৈরি করতে ট্রাই করছেন, এই সময় আবেদ সাহেব আমেরিকার প্রতি বিরূপ হয়ে গেলেন কেন?

    Reply
    • fare judgement

      আবেদ সাহেবের লেখাটা পড়ে মনে হল উনি মাটি খুঁড়ে দড়ি খুঁজতেছেন.. বোরিং রাইট আপ… নতুন কিছু নেই …..

      Reply
    • R. Masud

      পাগলের প্রলাপ– ধুর ছাই, কী বাজে কমেন্ট পড়লাম!

      স্বাধীনতার বিরোধী কারা? বিএনপি কিংবা জামায়াত নয়? আওয়ামী লীগের অধঃপতন???

      রাজনৈতিক দল হিসাবে অবশ্যই অনেক দোষ আওয়ামী লীগের আছে, অবশ্যই থাকবেও। কারণ বাঙালি দিয়েই তো ঘটনা, যেখানে তোমার মতো ছাগল আছে প্রচুর।
      তাই বলে বিএনপি কিংবা জামায়াতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের তুলনা!!!

      এই ভুল কর না বাপু—

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—