Feature Img

Rainer-f112বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও কিছু মানুষ নিজ লিঙ্গের মানুষকে যৌনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেন। আপনি ভাবতে পারেন ভালোবাসা তো ভালোবাসাই- কিন্তু বিষয়টা কি এত সহজ?

২০০১ সালে নেদারল্যান্ড প্রথম সমলিঙ্গের বিয়েকে আইনগত বৈধতা দেওয়ার পর তাদের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করেছে আরও দশটি জাতি। ২০১১ সালে জাতিসংঘের হিউম্যান রাইটস কাউন্সিল ঐতিহাসিক একটি সনদ পাশ করে যেখানে আন্তঃসরকার বডি ‘‘এ মর্মে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যে, গোটা বিশ্বে যৌনজীবনের ভিন্নতা ও লৈঙ্গিক পরিচিতির জন্য কিছু মানুষকে বৈষম্য ও সহিংসতার শিকার হতে হচ্ছে।’’

জাতিসংঘের মহাসচিব পরিষদকে বলেছেন যেন এটি ‘‘কর্মক্ষেত্র, বিদ্যালয় ও হাসপাতালগুলোতে বিস্তৃত পক্ষপাতিত্ব এবং যৌন আক্রমণসহ সব ধরনের সহিংস আক্রমণের’’ বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়’’; তিনি এ প্রসঙ্গে এ সত্যও তুলে ধরেছেন যে, সমকামী নারী-পুরুষদের বন্দী, নির্যাতন ও হত্যা করা হচ্ছে; এটা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।

বাংলাদেশে যারা সমলিঙ্গের মানুষের সঙ্গে সম্পর্কে আগ্রহী তাদের আইনগত দিক থেকে বৈষম্যের শিকার হতে হচ্ছে; তাদের সামাজিক গ্রহণযোগ্যতাও একবারে নেই। বাংলাদেশ এ রকম গুটিকয়েক দেশের অন্যতম যেখানে রাষ্ট্র শুধু সমলিঙ্গের মানুষদের মধ্যেকার যৌন সম্পর্কের অস্তিত্ব অস্বীকারই করে না, বরং একে শাস্তিযোগ্য বিষয় বলে মনে করে; এ ক্ষেত্রে আইনের প্রসঙ্গটি অস্পষ্ট।

তবে অনেকেই জানেন না যে, বাংলাদেশে সমকামী পুরষের অধিকার আন্দোলনটি গত কযেক বছরে অনেক এগিয়েছে। সামান্য হলেও উল্লেখযোগ্য কিছু বিজয় অর্জিত হয়েছে। কয়েক সপ্তাহ আগে, ২৯ এপ্রিল জেনেভায় অনুষ্ঠিত ইউনিভার্সাল পিরিয়ডিক রিভিউতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপুমণি বলেছেন লেসবিয়ান, গে, বাইসেক্সুয়াল ও ট্রান্সজেন্ডার মানুষদের (সংক্ষেপে এলজিবিটি) অধিকার সংরক্ষণের স্বীকৃতিদানের কথা; সাংবিধানিকভাবে তাদের সমঅধিকার ও স্বাধীনতা থাকার কথাও বলেন তিনি; একে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির ক্ষে্ত্রে একটি তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন বলা যেতে পারে।

কয়েক মাস আগে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বন্ধু ওয়েলফেয়ার সোসাইটির একটি অনুষ্ঠানে ঘোষণা দেন যে, জাতীয় আইন কমিশনের সহায়তায় তার কমিশন একটি আইনের খসড়া তৈরির কাজ করছে যেটি ব্যক্তির যৌনজীবনের কারণে তার প্রতি বৈষম্য নিষিদ্ধ করবে। গত বছর আরও তিনজন শান্তিতে নোবেলবিজয়ীর সঙ্গে ড. মুহাম্মদ ইউনূস একটি বিবৃতি দেন যেখানে সমলিঙ্গের মানুষদের আইনগত বৈধতা প্রদানের কথা বলা হয়েছে।

আইনের কথা বাদ দিলেও, সমকামীদের ব্যাপারে বাস্তবে যে সব বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয় তার বড় কারণ প্রেজুডিস ও এ সংক্রান্ত তথ্যের অভাব। বাংলাদেশ লিবারেল ফোরাম ও বয়েস অব বাংলাদেশের মতো কিছু সংগঠন এসব ঘাটতি পূরণে কাজ করছে এবং জনগণকে সচেতন করতে শিক্ষামূলক প্রচারাভিযান শুরু করেছে। তারা একটি ব্রোসিউর বের করেছে যেখানে আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল এসোসিয়েশনের কিছু ম্যাটেরিয়াল আছে যার কিছু কিছু, আমার মতে, এখানে পুনঃপ্রকাশ করা যেতে পারে।

যৌনপ্রবৃত্তি কী

যৌনপ্রবৃত্তি বলতে বোঝায় পুরুষ, নারী, উভয়লিঙ্গের প্রতি পারস্পরিক আবেগ, প্রণয় এবং অথবা যৌনআকর্ষণজনিত এক স্থায়ী সম্পর্কাবস্থা। এ প্রবৃত্তির একটি প্রান্তে কেউ কেউ শুধুমাত্র বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ বোধ করে, আর অপর প্রান্তে কেউ কেউ শুধুমাত্র সমলিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ বোধ করে। তবে সাধারণত যৌনপ্রবৃত্তিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়: বিপরীতকামিতা (বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ), সমকামিতা (সমলিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ) এবং উভকামিতা (উভয় লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ)।

একজন ব্যক্তি কীভাবে বুঝবে সে সমকামী বা উভকামী

যখন জানবার তখনই জানা যাবে। এটা জানতে কিছুটা সময় লাগতে পারে এবং এ জন্য তাড়াহুড়ো করার কিছু নেই। মূল আকর্ষণটি প্রাপ্তবয়ষ্কদের যৌনপ্রবৃত্তির ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং সেটা সাধারণত শিশুকালের মধ্যবর্তী সময় থেকে শুরু করে কৈশোরের শুরুর দিক থেকেই অনুভূত হয়।

এখানে বলা যায় যে, ভিন্ন ভিন্ন সমকামী বা উভকামীদের ক্ষেত্রে তাদের যৌনপ্রবৃত্তির বিষয়ে বেশ ভিন্নরকম অভিজ্ঞতা হয়ে থাকে। কোনো কোনো মানুষ কারও সঙ্গে প্রকৃত সম্পর্ক স্থাপনের অনেক আগে থেকেই বুঝতে পারেন যে তারা সমকামী ও উভকামী। কেউ কেউ তাদের যৌনপ্রবৃত্তি জানবার বা বুঝবার আগেই অন্যদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করে। আবার কোনো কোনো মানুষ নিজেদের যৌনপ্রবৃত্তি সম্পর্কে প্রকৃতপক্ষে সুনির্দিষ্টভাবে না জেনেই যৌনসম্পর্কে লিপ্ত হয়।

এখানে একটা কথা বলতে হয় যে, সংস্কার ও বৈষম্যের ফলে অনেকের পক্ষেই নিজেদের যৌনপ্রবৃত্তি ও পরিচিতি তুলে ধরা বা প্রকাশ করা কষ্টকর হয়ে পড়ে। তারা বলতে পারে না যে, তারা সমকামী বা উভকামী। ফলে তাদের প্রকৃত পরিচিতি প্রকাশিত হওয়ার বিষয়টি বিলম্বিত বা সময়সাপেক্ষ হয়ে পড়ে।

কী কারণে একেকজন ব্যক্তির যৌনপ্রবৃত্তি একেক রকম হয়

বিজ্ঞানীরা কখনওই একমত হয়ে বলতে পারেননি যে, কী কারণে একজন ব্যক্তি বিপরীতকামী, সমকামী এবং উভকামী হয়ে থাকে বা ওইসব যৌনপ্রবৃত্তি ধারণ করে থাকে। অনেকেই মনে করেন যে, এ ক্ষেত্রে প্রকৃতি ও পরিবেশ উভয়েই একটি জটিল ভূমিকা পালন করে থাকে। মানুষ তাদের ত্বকের রং যেমন বাছাই করতে পারে না, ঠিক তেমনি যৌনপ্রবৃত্তি নির্ধারণ করার ক্ষেত্রেও তার ভূমিকা সীমিত।

সংস্কার ও বৈষম্য বিপরীতকামী, সমকামী এবং উভকামী মানুষদের ক্ষেত্রে কী ভূমিকা পালন করে

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যে সকল সমকামী বা উভকামী ব্যক্তি প্রকাশ্যে নিজেদের পরিচয় দিয়ে থাকে, তারা অনেকই সংস্কারজনিত ঘৃণা, বৈষম্যমূলক আচরণ এবং সহিংসতার শিকার হয়ে থাকে। অনেকেই তাদের স্কুলে, বিশ্ববিদ্যালযে এবং কর্মক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হয়। তাদের স্বাস্থ্যসেবা ও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করা হয় এবং পরিবারের সদস্য ও বন্ধু-বান্ধবদের কাছ থেকে তেমন সমর্থন পায় না।

ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলের রেখে যাওয়া ১৮৬০ সালে প্রণীত দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা অনুসারে একই লিঙ্গের দুজন মানুষের যৌনসঙ্গম যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ। এর ফলে খুব কমসংখ্যক মানুষই তাদের যৌনপ্রবৃত্তির কথা প্রকাশ করে থাকে বা করতে পারে। এর ফলে অধিকাংশ মানুষই গোপনীয়তা ও মিথ্যার জীবন বেছে নিতে বাধ্য হয়। এতে তাদের জীবনাচরণ নৈতিকতাবিরুদ্ধ হয় এবং গোঁড়ামির শিকার হয়।

বিপরীত লিঙ্গের সঙ্গে বিয়ে নারীদের জন্য নির্বাণপ্রাপ্তি বলে ধরে নেওয়া হয়। তাই নারী সমকামীদের ক্ষেত্রে সমাজে সহনশীলতার মাত্রা একেবারেই কম।

সংস্কার ও বৈষম্য একজন ব্যক্তির মানসিক অবস্থার ওপর কী প্রভাব ফেলে

সমকামভীতি বাংলাদেশে ব্যাপক আকার ধারণ করে আছে এবং তা সমকামীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও ভালো থাকার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে যখন তা তাদের যৌনপ্রবৃত্তি গোপন রাখতে বা তাকে অস্বীকার করতে বাধ্য করে। সংস্কার, বৈষম্য ও সহিংসতা সমকামীদের ওপর প্রচণ্ড মানসিক চাপ সৃষ্টি করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান মজুমদার ও অন্যান্যদের এক গবেষণায় দেখা যায় যে, বাংলাদেশের শতকরা ৪৭ ভাগ ‘সমকামী পুরুষ’ অন্তত একবার আত্মহত্যা করার কথা ভেবেছে।

সমকামী এবং উভকামী মানুষদের বিরুদ্ধে বৈষম্য ও সহিংসতা রোধ করতে কী করা যায়

সমকামী ও উভকামী মানুষ তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে নিজেদের যৌনপ্রবৃত্তি প্রকাশ করতে পারে। আর যে বিপরীতকামী মানুষেরা সহযোগিতা করতে চায় তারা সমকামী ও উভকামী মানুষদের জানার চেষ্টা করতে পারে এবং একই সঙ্গে এ জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ত সংগঠনগুলোতে কাজ করতে পারে।

সমকামিতা কি মানসিক ব্যাধি, অক্ষমতা, অপ্রাকৃতিক বা অস্বাভাবিক

না। সমকামী এবং উভকামী প্রবৃত্তি কোনো ব্যাধি নয়। কয়েক দশক ধরে গবেষণা ও ক্লিনিকের অভিজ্ঞতার ফলে প্রধান প্রধান স্বাস্থ্য ও মনোস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলো সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে, এসব প্রবৃত্তি মানুষদের স্বাভাবিক অভিজ্ঞতারই প্রতিনিধিত্বমূলক। নারী ও পুরুষের মধ্যেকার সম্পর্কের মতোই সমলিঙ্গীয় সম্পর্কও স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৯০ সালে মানসিক রোগের তালিকা থেকে সমকামীতাকে বাদ দিয়ে দিয়েছে।

চিকিৎসার মাধ্যমে যৌনপ্রবৃত্তি পরিবর্তন কি সম্ভব

সমকামী বা উভকামী হওয়াটা সম্পূর্ণরূপে স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর। এটা কোনোপ্রকার অসুস্থতা নয় এবং তাই এ জন্য চিকিৎসারও দরকার নেই। আজ পর্যন্ত কোনো বৈজ্ঞানিক গবেষণা দিযে এটা প্রমাণ করা যায়নি যে, থেরাপির সাহায্যে যৌনপ্রবৃত্তি পরিবর্তনের বিষয়টি নিরাপদ বা কার্যকর।উপরন্তু, এসব চিকিৎসার প্রয়াস সমকামীদের সম্পর্কে প্রচলিত ধারণাগুলো আরও জোরদার করে এবং তাদের জন্য প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে।

সমকামিতা কি পাশ্চাত্যের ধারণা

না। সমকামিতা প্রত্যেকটি সমাজ ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। এমনকি অন্যান্য প্রাণিদের মধ্যেও এর উপস্থিতি দেখা যায়। বিশ্বের বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে যে, প্রতি ১০০ মানুষের মধ্যে ১ থেকে ১০ জন সমলিঙ্গের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে থাকে। প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্য, মোঘল চিত্রকর্ম ও অন্যান্য সাক্ষ্যপ্রমাণ থেকে দেখা যায় যে, ইতিহাসের আদিকাল থেকেই ভারতীয় উপমহাদেশে সমকামিতা বিরাজমান ছিল।

সাংস্কৃতিক বা ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সমকামীদের প্রতি বৈষম্য কি সমর্থনযোগ্য

সাংস্কৃতিক বা ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে যেমন বর্ণবাদ ও লিঙ্গবৈষম্য সমর্থন করা যায় না, তেমনি সমকামীদের প্রতি বৈষম্যের অবকাশ নেই। সমকামী বা উভকামী মানুষদের হয়রানি করা, তাদের অধিকার ও মর্যাদা অস্বীকার করা অথবা আইনের কাছে অভিযুক্ত করা ইত্যাদি কোনো ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন নয়, বরং এগুলো অনৈতিক ও অমানবিক।

‘Coming Out’ বা ‘আত্মপ্রকাশ’ দিয়ে কী বোঝায়, এটা গুরুত্বপূর্ণ কেন

অন্যের কাছে নিজেকে সমকামী বা উভকামী বলে পরিচয় দেওয়াকে বলা যেতে পারে Coming Out বা আত্মপ্রকাশ। অনেকের জন্য এটি একটি উল্লেখযোগ্য মানসিক পদক্ষেপ। যে সমকামী বা উভকামী নারী পুরুষরা মনে করেন যে, তাদের যৌনপ্রবৃত্তি গোপন রাখা দরকার তারা প্রায়শই মানসিক উদ্বেগে ভোগেন। অথচ যারা তাদের পরিচয় নিয়ে অনেক খোলামেলা তাদের ক্ষেত্রে সমস্যাটা কম।

তবে আপনি তখনই আত্মপ্রকাশ করবেন যখন আপনি সেটা করতে চান এবং তার জন্য আপনি প্রস্তুত। যদিও আপনি আশা করতে পারেন যে আপনার বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারের সদস্যরা আপনাকে সমর্থন দেবে, অনেক সময় হয় তার উল্টো। আপনি যদি অর্থনৈতিক দিক থেকে আপনার বাবা-মার উপর নির্ভরশীল হয়ে থাকেন, তাহলে তাদের কাছে আত্মপ্রকাশ করার আগে অপেক্ষা করাই ভালো। এমনটি হতে পারে যে তাদের বিদ্রুপাত্মক প্রতিক্রিয়ার কারণে আপনাকে বাড়ি ছাড়তে হচ্ছে, বিপরীত লিঙ্গের কাউকে জোরপূর্বক বিয়ে করতে হচ্ছে, অথবা অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকারক মনোচিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

যখন নিজেকে প্রকাশ করবেন, তখন এমন একজনকে দিয়ে শুরু করবেন যার উপর আপনি ভরসা রাখতে পারেন। সমকামী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করাটা জীবনের সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোর একটি। কিন্তু তা আবার জীবনের সবচেয়ে ফলপ্রসূও হতে পারে। নিজেকে প্রকাশ করে আপনি আপনার এবং অন্যান্য সকল নারী-পুরুষ সমকামী ও উভকামীদের আত্মমর্যাদা নিশ্চিত করতে সহায়ক হচ্ছেন।

সমকামিতা কি পাপ

ইহুদিধর্ম, খ্রিষ্টধর্ম এবং ইসলামধর্মে প্রথাগতভাবে সমলিঙ্গীয় যৌনআচরণকে পাপ বলে গণ্য করা হত। হিন্দুধর্ম, বৌদ্ধধর্ম, জৈন এবং শিখধর্মে সমকামিতা সম্পর্কিত অনুশাসন যথেষ্ট পরিষ্কার নয় এবং এসব ধর্মেও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা এ ব্যাপারে বিভিন্ন মত পোষণ করে থাকেন। বর্তমানে সকল ধর্মেরই কিছু কিছু নেতারা ক্রমশ সমকামিতাকে মেনে নিচ্ছেন, এমনকি সমকামী বিয়েকেও অনুমোদন করছেন। প্রগতিশীল মুসলমান বিদ্বজনদের মধ্যে কেউ কেউ সমকামিতাকে (সমলিঙ্গীয় ভালোবাসা) নিন্দা না করে এর প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করেছেন। বহু বাংলাদেশি সমকামী ও উভকামী আছেন যারা নিজেদের ধর্মীয় অনুশাসনের সঙ্গে যৌনপ্রবৃত্তির বিরোধ খুঁজে পান না।

রেইনার এবার্ট : যুক্তরাষ্ট্রের রাইস ইউনিভার্সিটির দর্শনের ছাত্র, বাংলাদেশ লিবারাল ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং অক্সফোর্ড সেন্টার ফর অ্যানিমেল ইথিক্স-এর এসোসিয়েট ফেলো।

রেইনার এবার্টরাইস ইউনিভার্সিটির দর্শন বিভাগের পিএইচডি পদপ্রার্থী এবং অক্সফোর্ড প্রাণিনীতিশাস্ত্র সেন্টারের সহযোগী ফেলো

২৩০ Responses -- “সমকামিতা : ধারণা বনাম বাস্তবতা”

  1. শাহজাহান সানু

    বিকৃত মস্তিস্কের কিছু নোংরা লোক মানবজাতির মধ্যে এই পাপাচার ছড়িয়ে দেওয়ার এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে। মানুষের স্বাভাবিক জীবন ব্যবস্থা ধ্বংস করে পশ্চিমা এইডস দ্রুত ছড়িয়ে দেওয়ার এক নতুন ষড়যন্ত্র। মোসাদের নতুন সাংস্কৃতিক আগ্রাসন। সভ্যতা ধ্বংস ও বিনষ্টের ভয়ংকার ষড়যন্ত্র।

    Reply
  2. নামহীন

    আপনাদের তর্ক-বিতর্কের ফলাফল: “যে লাউ, সেই কদু!” 😀

    ‘প্রকৃত’ মুসলমানদেরকে বলছি ……. ধর্মের দোহাই আর কতদিন দেবেন? আল্লাহ আপনাকে চিন্তা-ভাবনা করার জন্য যেই বস্তুটা দিয়েছেন, সেটাকে কি পচিয়ে গোবর বানিয়ে ফেলেছেন নাকি? 😛

    পৃথিবীর সকলে সমকামী নয় … সুতরাং মানবজাতি নিশ্চিহ্ন কেন হবে, বিষয়টা ঠিক বুঝলাম না! :/

    এখানে … শুধু ‘অধিকার’ এর কথা বলা হয়েছে মাত্র, আর কিছু নয়! সিম্পলি ভেবে দেখুন …. আপনি নিজে যদি সমকামী হতেন, তাহলে আপনার নিজস্ব অভিমত কী হত??

    Reply
    • তালহা

      “প্রকৃত’ মুসলমানদেরকে বলছি ……. ধর্মের দোহাই আর কতদিন দেবেন? আল্লাহ আপনাকে চিন্তা-ভাবনা করার জন্য যেই বস্তুটা দিয়েছেন, সেটাকে কি পচিয়ে গোবর বানিয়ে ফেলেছেন নাকি?

      আমার তো মনে হয় আল্লাহ আপনাকে চিন্তা-ভাবনা করার জন্য যেই বস্তুটা দিয়েছেন, সেটাকে আপনি পচিয়ে গোবর বানিয়ে ফেলেছেন। আপনার মাথার প্রবলেম আছে। অতি দ্রুত ডাক্তারের
      সঙ্গে ‌যোগাযোগ করুন।

      Reply
  3. মোহামেদ এস রহমান

    সমকামিতা ন্যায় না অন্যায়, সে বিচারে আমি যাব না। তবে যারা এর সমর্থক তাদের কাছে একটা প্রশ্ন করতে চাই যে, যদি সব মানুষ (লিঙ্গভেদে) সমকামী হয়ে যায় তাহলে কি মানদজাতি দুনিয়া থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে না? কীভাবে জন্ম নিবে মানবসন্তান?

    Reply
    • সায়ন অন্তিম

      প্রথম কথা হল, পৃথিবীর সব মানুষ কখনওই সমকামী হবে না। কারণ সবাই এ ধরনের মানসিক অবস্থা নিয়ে জন্মায় না। তাই এই ভয় করাটা উচিত নয়। একজন সমকামী যেমন তার নিজের জেন্ডার আচরণের স্বীকৃতি চান তেমনি একজন বিষমকামী মানুষও তার নিজস্বতায় বিশ্বাসী।

      এভাবে চিন্তা করুন, পৃথিবীতে অধিকাংশ মানুষ ‘ডানহাতি’ (যারা ডান হাতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন)। অল্পসংখ্যক মানুষ বাঁহাতি। বাঁহাতিদের সংখ্যা অল্প বলে তারা ‘প্রকৃতিবিরুদ্ধ’ বা ‘অস্বাভাবিক’ নন। এটা তাদের শারিরীক গঠনগত একটি বৈশিষ্ট্য মাত্র। এখানে আপনি কি এমন প্রশ্ন করতে পারেন যে পৃথিবীর সব মানুষ যদি বাঁহাতি হয়ে যায় তাহলে কী হবে?

      এটি যুক্তিযুক্ত কোনো প্রশ্ন নয়। কারণ অধিকাংশ ডানহাতি আর কিছু মানুষ বাঁহাতি হবে এটাই পরিসংখ্যান বলে।

      মানুষ সমকামীদের মেনে নিতে ভয় পান। কারণ তারা মনে করেন এতে সমাজের অধঃপতন হবে। কিন্তু বাস্তবে সমকামীদের সংখ্যা এতই অল্প যে তাদেরকে তাদের মতো চলতে দিলে সমাজে তেমন কোনো প্রভাবই পড়ার কথা নয়।

      Reply
  4. বাংগাল

    লেখক,

    অনুগ্রহ করে সমকামিতার সপক্ষে আরও জোরালো সব যুক্তি তুলে ধরুন আপনার পরবর্তী লেখায়। সমকামিতা, উভকামিতা ইত্যাদির পক্ষে আরও যত মহারথীদের অমূল্য বাণী আছে তা আপনার পরবর্তী লেখায় কোট করুন। আপনি যদি সমকামী জাতি হিসেবে বাঙালি জাতিকে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড় করাতে পারেন তবেই না আপনার মহাবিদ্যা সার্থক হবে। আপনার লেখার বিরোধিতাকারীদের মুণ্ডুপাত করার জন্য আমরা তো রয়েছি-ই, কী বলেন?

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      আপনার এ ব্যাঙ্গাত্মক মন্তব্য অপ্রয়োজনীয়। লেখক বাঙালি জাতিকে সমকামী হিসেবে বিশ্বের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করেননি। বরং বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যে সকল সমকামী আছেন তাদের কথাই তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।

      Reply
  5. মনিরুল ইসলাম

    যখন জঙ্গলে বসবাসকারী কিছু মানুষ ছোট ছোট পোশাক পরে বা পোশাক ছাড়াই বন্য জীবজন্তুর মতো আচরণ করে তখন আমরা এ সভ্য আলোঝলমলে সমাজে বসবাসকারীরা তাদের বলি জংলি, কারণ ওদের পোশাক আর আচরণ আমাদের সমাজের সঙ্গে একেবারেই মিল খায় না।

    আবার যখন আমাদের এ সভ্য সমাজের কিছু মানুষ ওদের অনুরূপ ছোট ছোট পোশাক পরে আর অসভ্য আচরণে মত্ত থাকে তখন আমাদের মধ্যে কিছু প্রগতিশীল মানুষ এদের অতিআধুনিক বলে বাহবা দিতে থাকেন। মজার ব্যাপার হল, প্রগতিশীলরাই যুগে যুগে অসভ্যদের থেকে সভ্য সমাজকে আলাদা করলেন, আবার ওই অসভ্য জীবনযাপন সভ্য সমাজে ঢুকতে দেখে এটাকে অতিআধুনিকতা বলে প্রচার শুরু করে দিলেন! কোন্ সমাজ সভ্য আর কোন্ সমাজ অসভ্য এটা যেহেতু বরাবরই বিচার হয়েছে সমাজের ওই প্রগতিশীল চিন্তাভাবনার উপর ভিত্তি করে, সেহেতু উনারাই বিচার করবেন সবকিছু!

    এভাবেই সমকামিতা একটা অতিআধুনিক ও প্রগতিশীল চিন্তারূপেই আমাদের সভ্য সমাজে যোগ হতে যাচ্ছে। আমরা বরাবরের মতো একেও সাদরে গ্রহণ করে নেব যদিও কিছুটা সময় লাগতে পারে কিছু ধর্মান্ধ, পিছিয়ে পড়ে থাকা অসভ্য মানুষের জন্য!

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      ব্যাপারটা এত জটিল নয়। পৃথিবীর সবখানের মতো বাংলাদেশেও শতকরা ১ থেকে ১০ ভাগ মানুষ সমকামী। এদের অধিকার আছে মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার এবং সমলিঙ্গের কারও সঙ্গে মানসিক ও যৌন সম্পর্ক স্থাপন করার।

      এদের অধিকার আছে পরিবার, বন্ধু-বান্ধবদের কাছে লাঞ্ছিত না হওয়ার এবং রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত না হওয়ার।

      Reply
  6. শাহ্‌ নেওয়াজ

    মুসলমান বিদ্বজনদের নামসহ উল্লেখ করুন দয়া করে।

    Reply
  7. আদিম দেবতা

    জোচ্চুরিটা হল LGBT ডেফিনেশনে। Tran-sexual রা জন্মসূত্রেই tran-sexual. কিন্তু সমকামিতা এবং উভকামিতা- দুটোই জেনেবুঝে নেওয়া সিদ্ধান্ত- ধর্ষণের মতো। সমকামিতা-উভকামিতা জন্মসুত্রে পাওয়া নয়।

    এ পুরো ইস্যুর উদ্দেশ্য হল সমাজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন পরিবারকে undermine করা। এ প্রোপাগান্ডার মূল লক্ষ্য আমরা নই, বরং আমাদের সন্তান এবং পরবর্তী প্রজন্ম।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      সমকামিতা এবং উভকামিতা কখনই কারও জেনে-বুঝে নেওয়া সিদ্ধান্ত নয়। আপনার কথাটি সত্যিই আপত্তিকর। আপনিই বলুন, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের কাছে এত লাঞ্ছিত হতে হবে জেনে কে নিজের সমকামিতা প্রকাশ করবে? আপনি পারবেন ইচ্ছা করলে সমকামী হয়ে যেতে? রূপান্তকামীদের মতো সমকামী ও উভকামীরাও জন্মগতভাবে সেভাবে সৃষ্টি।

      যেহেতু পৃথিবীর সবখানের মতো বাংলাদেশেও শতকরা ১ থেকে ১০ ভাগ মানুষ সমকামী, সেহেতু সমাজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন পরিবারকে আপনি যেভাবে বোঝেন, তাকে হেয় করা হচ্ছে না।

      আর আপনার সন্তান এবং পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে যারা বিষমকামী তাদের তো কোনো ব্যাপারই না এটা।

      Reply
  8. mk

    লেখক বিভিন্ন ধর্মে সমকামিতা অনুচ্ছেদে ঢালাওভাবে ‘অস্পষ্ট’ বা অনুশাসন যথেষ্ট পরিষ্কার নয় বলে বোঝালেন, তাতে বোঝা যায় আসলে হয়তো উনি কোনো ধর্মই পালন করেন না অথবা কখনও ধর্ম নিয়ে বিস্তারিত পড়াশুনাই করেননি!

    একে যারা স্বাভাবিক ও আমাদের সামাজিক ও ধর্মীয় সংস্কারের ভিতরে বৈধতা দেওয়ার দাবি করেন তাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী তা জানতে হবে।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      প্রকৃত উদ্দেশ্য একটাই। পৃথিবীর সবখানের মতো বাংলাদেশেও শতকরা ১ থেকে ১০ ভাগ মানুষ সমকামী। এদের অধিকার আছে মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার এবং সমলিঙ্গের কারও সঙ্গে মানসিক ও যৌন সম্পর্ক স্থাপন করার। এদের অধিকার আছে পরিবার, বন্ধু-বান্ধবদের কাছে লাঞ্ছিত না হওয়ার এবং রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত না হওয়ার।

      Reply
  9. rashel

    আইনে এর স্বীকৃতি দেওয়া যায় না। ধারণাটি নারী ও পুরুষের মধ্যে বৈষম্য তৈরি করছে। সভ্য সমাজ এটা চিন্তাও করতে পারে না।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      যে সকল দেশে সমকামীদের অধিকার অগ্রসর হয়েছে, সে সকল দেশে নারীদের অধিকার তারও আগে অগ্রসর হয়েছে। কাজেই এখানে নারী ও পুরুষের মধ্যে বৈষম্য তৈরি হওয়ার প্রশ্নই আসে না।

      Reply
  10. Sopno Tori

    মানববংশ ধ্বংস করার জন্য যে সকল চিন্তাচেতনার উদ্ভব ঘটানো হয়েছে তার মধ্যে সমকামিতা একটি উচ্চমানের ধারণা। কিছু মানুষ জন্মগতভাবে সমকামী হয় এ ধারণার পিছনে বৈজ্ঞানিক কোনো প্রমাণিত থিউরি কার্যকর নেই। তবু কিছু লোক এর পক্ষে জোরালো প্রচারণা চালিয়ে সমকামীদের কর্মকাণ্ডের পক্ষে মাঠে নেমেছেন এ অজুহাতে যে, তাদের যৌনঅধিকার রক্ষা করতে হবে।

    এদের ভাবটা এমন যেন কয়েকজন চোরের চুরির অধিকার রক্ষা করতে রাস্তার লাইটপোষ্টের সকল বাতি নিভিয়ে দেওয়ার আন্দোলন করা হচ্ছে। অথচ গোটা কয়েক চোরের অনৈতিক এবং বিকৃত চিন্তার অধিকারের স্বীকৃতি দিতে গিয়ে মানবসভ্যতার অধিকার পদদলিত করতে তাদের বিবেকে বাধে না। তারা একবারের জন্যও ভাবে না যে, আমার পিতামাতা যদি ধর্মের সেই অমিয় বাণীটি বহন করে তাদের জীবন সুশৃঙ্খল না করতেন তাহলে আমার জন্ম নেওয়াটাই অসম্ভব ছিল। এ সাধারণ কথাটুকু বোঝার জন্য যে বিশুদ্ধ জ্ঞান দরকার সেটাও বোধহয় তথাকথিত এ সকল প্রগতিশীলদের নেই।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      সমগ্র পৃথিবীতে পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে শতকরা ১ থেকে ১০ ভাগ মানুষ সমকামী। তাই এখানে মানববংশ ধ্বংস হওয়ার প্রশ্নই উঠে না। সে সকল মানুষ সমকামী তারা সেভাবে জন্মগ্রহণ করে কিনা সেটা অন্তর্জাল ঘেঁটে দেখে নিন। যারা এদের সমর্থনে মাঠে নেমেছেন বলে জানাচ্ছেন, তারা শুধু তাদের যৌনাধিকার নয়, মানবাধিকারও রক্ষা করার কথা বলছেন।

      সমকামীদের অধিকার এবং চোরের চুরি কীভাবে এক জিনিস হল? চোর চুরি করতে গিয়ে মানুষের ক্ষতি করছে। কিন্তু প্রাপ্তবয়ষ্ক সমকামীদের মাঝে পারষ্পারিক সন্মতিতে সমলিঙ্গীয় যৌনমিলনে কারও কোনো ক্ষতি হচ্ছে না।

      আপনার জন্ম নিতে পারার সৌভাগ্যের সঙ্গে সমকামীদের অধিকারের কোনো সম্পর্ক নেই।

      Reply
  11. Kamal

    জন্মগতভাবে সমকামী হওয়া নিজের আয়ত্তের বাইরর। তবে সমকামী জীবনযাপন করা অন্য বিষয়। দেশে প্রচলিত আইন, ধর্মীয় অনুশাসন, সামাজিক মূল্যবোধ ইত্যাদি অনেক কিছুই বিবেচনায় রেখে সামনের দিকে এগুতে হবে। যা খুশি তা করা তো সভ্যতা নয়।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      যার যেভাবে জন্ম, অথবা অন্যদের ক্ষতি সাধন না করে যে যেভাবে বাস করতে চায়, তাকে সেভাবে বাস করতে দেওয়াটাই সভ্যতার নিদর্শন।

      Reply
  12. মোঃ ছোয়াদরুল আমিন

    ইসলামী শরীয়াতের উৎস হল কুরআনুল কারীম ও সহীহ হাদিস। ইসলাম সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতে চলে না। ইসলামে যেটা হালাল (বৈধ) এবং যেটা হারাম (অবৈধ), সেটা কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকেই নির্ধারিত। কোনো অবস্থাতেই ইসলামী বিধিনিষেধ কুরআন ও হাদিসের পরিপন্থী হতে পারে না।

    আর তাই পৃথিবীর ৯৯% মানুষ সমকামী হয়ে গেলেও কিংবা ৯৯% মুসলিম (!) সমকামিতা সমর্থন করলেও ইসলামী শরীয়ত একে ঘৃণাভরে নিন্দিত করা ও কঠোর নিষেধাজ্ঞার অবস্থান থেকে সরে এসে সেটাকে অনুমোদন দেবে না (সেটা সম্ভবও নয়)। লেখকের মন্তব্য তার একান্তই নিজস্ব।

    সমকামী যৌনাচারকে ইসলামী অনুমোদন দেওয়ার যে যুক্তিগুলো তিনি উপস্থাপন করেছেন তা নিতান্তই শিশুসুলভ বালখিল্যতা। আর যে সত্যটি এখানে অত্যন্ত সুস্পষ্ট তা হল ইসলাম সম্পর্কে লেখকের চরম অজ্ঞতা।

    রেইনার এবার্টের এ লেখা পড়ে মুসলিম ভাই-বোনদের বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। সর্বোপরি, আপনি যদি ইসলাম জানতে বা শিখতে চান, তাহলে শিখবেন আলোকিত-সংস্কারমুক্ত-সত্যসন্ধানী-বিজ্ঞ আলেমদের কাছ থেকে।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      সমকামীদের ব্যাপারে ইসলাম ধর্ম কী বলেছে এ নিয়ে এখনও গবেষণা চলছে পশ্চিমে, সমকামিতা নিয়ে অধ্যয়নরত মানুষদের মধ্যে।

      কাজেই এ নিয়ে একবাক্যে কথা বলার অবকাশ নেই।

      Reply
      • মোঃ ছোয়াদরুল আমিন

        সূরা আনকাবূতের প্রথম ৩০ আয়াতে আল্লাহ বর্ণনা করেছেন লূত (আঃ) এর জাতিকে যাদের লূত (আঃ) নিষেধ করেছিলেন এই জঘন্য অপকর্ম থেকে বিরত থাকার জন্য; তাদেরকে আল্লাহর আযাবের ব্যাপারে সতর্কও করেছিলেন লূত (আঃ)। নবীর আহবানে সাড়া না দেবার কারণে আল্লাহ তাদের নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছিলেন।

        ইসলামে সমকামিতা নিঃসন্দেহে নিষিদ্ধ এবং ঘৃণিত।

      • যাযাবর

        নিজের চরিত্র এভাবে প্রকাশ করতে নেই! পশ্চিমা বিশ্ব করবে ইসলাম নিয়ে গবেষণা! আপনাদের জ্ঞানের বহর দেখে খুবই প্রীত হই!!!

  13. উত্তরা

    এবার্টের লেখা আমার ভালো লাগে না। আর সমকামিতা তো এখনও বিতর্কিত বিষয়।

    তারপরও বলব, সমকামিতা যে প্রকৃতির অঙ্গ, জন্মসূত্রে পাওয়া এতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে এবার্টের সঙ্গে একমত হলাম না। আইনগতভাবে এসব চাপিয়ে দেওয়া যায় না। আগে সামাজিক ঘৃণা, ভয় ও বিতৃষ্ণা দূর করতে হবে।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      সামাজিক ঘৃণা, ভয় ও বিতৃষ্ণা দূর করার উদ্দেশ্যেই লেখক এই অভিমতটি প্রকাশ করেছেন।

      Reply
  14. Ahmed Azad khan

    আমার দুর্ভাগ্য যে এরকম একটি লেখা পড়লাম। আমি সৌভাগ্যবান যে আমার কমিউনিটির ( মুসলিম উম্মাহ) কেউ এটা সাপোর্ট করবে না।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      আপনার দুর্ভাগ্য হবে কেন? আপনার কি মনে হয় আপনি সমকামী হয়ে জন্মগ্রহণ করেছেন? মুসলিম উম্মাহ কি ভাবল না ভাবল তা নিয়ে সমকামীদের সবসময় চিন্তা করার অবকাশ নেই।

      Reply
  15. বাংগাল

    জীবিকার সুবাদে ১৯৯০ থেকে নিয়মিত বিরতি দিয়ে ২০১০ পর্যন্ত সুইজারল্যান্ডের একটি ফ্রেঞ্চ ভাষাভাষী শহরে বসবাস করেছি। কর্মক্ষেত্রে সর্বাধিক সংখ্যক সমকামী (গে এবং লেসবিয়ান) এবং উভকামী সহকর্মী পাওয়ার সুবাদে খুব কাছে থেকে ওদের পর্যবেক্ষণ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে। সমকামী সন্তানদের বাবা-মায়ের অনুভূতি এবং নিদারুণ হতাশা নিবিড়ভাবে অনুভব করার অভিজ্ঞতাও আমার চেয়ে কারও বেশি থাকলে আমাকে জানাবেন।

    দীর্ঘ অভিজ্ঞতার ঝুড়ি থেকে বলছি, অনেক তরুণ সমকামী সন্তানের বাবা-মা তাদের সন্তানদের মনোরোগ বিশেষজ্ঞের নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে এনেছেন। অনেক সমকামী ছেলেমেয়েদের দেখেছি চিকিৎসা নিয়ে পরবর্তীতে বিপরীত লিঙ্গের বন্ধু বা বান্ধবী নিয়ে সুস্থ্ জীবনে অভ্যস্ত হতে। অনেককে বলতে শুনেছি, “জ্যা শঞ্জে লা ভি, মাতওন জ ভিভ মা ভি তখ্রে হখো।” অর্থাৎ, আমি আমার জীবনধারা পরিবর্তন করেছি এবং সুখী জীবনযাপন করছি।

    উপরের আমার এ বাস্তব অভিজ্ঞতার সঙ্গে লেখকের লেখার এ অংশটুকুর সত্যতা ধোপে টিকবে না। লেখক লিখেছেন,
    “চিকিৎসার মাধ্যমে যৌনপ্রবৃত্তি পরিবর্তন কি সম্ভব : সমকামী বা উভকামী হওয়াটা সম্পূর্ণরূপে স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর। এটা কোনোপ্রকার অসুস্থতা নয় এবং তাই এ জন্য চিকিৎসারও দরকার নেই। আজ পর্যন্ত কোনো বৈজ্ঞানিক গবেষণা দিযে এটা প্রমাণ করা যায়নি যে, থেরাপির সাহায্যে যৌনপ্রবৃত্তি পরিবর্তনের বিষয়টি নিরাপদ বা কার্যকর। উপরন্তু, এসব চিকিৎসার প্রয়াস সমকামীদের সম্পর্কে প্রচলিত ধারণাগুলো আরও জোরদার করে এবং তাদের জন্য প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে ।”

    লেখকের জ্ঞাতার্থে, Lausanne hospital “CHUV” এ সমকামিতা রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসার জন্য একটি কাউন্সেলিং বিভাগ রয়েছে। সমকামিতা অবশ্যই একটি আরোগ্য-উপযোগী ব্যাধি যে কারণে হাসপাতালে এর চিকিৎসা এবং উপশম দুই-ই হচ্ছে। Lausanne শহরের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গে এবং লেসবিয়ান যুগলের সঙ্গে এবং ওদের ‘কম্যুনিটির’ অনেকের সঙ্গে দীর্ঘ পরিচয়ের সূত্রে অনেক সময় বলেছিও যে তোমরা মানসিক বিকারগ্রস্ত। অনেকেই মাথা ঝাঁকিয়ে সম্মতি জানিয়েছে।

    হঠাৎ রেইনার এবার্ট সাহেব সমকামিতার মতো একটি ঘৃণ্য বিষয়ের প্রচারে মনোনিবেশ করতে এত শ্রম ব্যয় করলেন, উদাহরণ হিসেবে এ ঘৃণ্যকর্মের পক্ষে যুক্তি দেখাতে গিয়ে আমাদের সকলের প্রাতঃস্মরণীয় নোবেল লরিয়েটের সমর্থন থাকাটাও উল্লেখ করতে ভুললেন না।

    পরিশেষে লেখকের প্রতি আমার একটা খোলামেলা প্রশ্ন, আপনি নিজে সমকামী কিনা এ বিষয়ে আমার কিঞ্চিত সন্দেহ আছে, কিন্তু আপনার সন্তান যদি গে বা লেসবিয়ান হয় তাহলে আপনি ব্যপারটি কীভাবে নিবেন?

    সনির্বন্ধ অনুরোধ লেখকের প্রতি, দয়া করে সমাজহিতকর কোনো কিছু মাথায় থাকলে লিখুন। নয়তো সমাজে অনিষ্ট হয় এমন লেখালেখি করে বিখ্যাত (!) হওয়ার চেষ্টা ছেড়ে দিন।
    আপনার মানসিক স্বাস্থ্য কামনা করি।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      বাংগাল ভাই,

      আপনার এ লেখা সত্যিই সাংঘাতিক আপত্তিকর। মনোরোগ বিশেষজ্ঞের নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে যে সমকামীদের বিষমকামী করে ফেলা যায় না তা সকল গবেষণা থেকেই দেখা গেছে। নিশ্চয়ই আপনি সুইজারল্যান্ডের একটি রক্ষণশীল শহরে বাস করেছেন যেখানে সমকামী বা উভকামীরা নিজেদের আসল পরিচয় গোপন রাখার জন্য প্রচণ্ড চাপের মধ্যে ছিল এবং আপনার নিজের ধর্ম ও সংষ্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আপনাকে মিথ্যা কথা বলেছে। বাবা-মাকে খুশি করার জন্য বাংলাদেশি সমকামীদের মতো তাদের মধ্যেও হয়তো কাউকে বিপরীত লিঙ্গের একজনকে বিয়ে করতে হয়েছে।

      এ সকল বিয়ে সম্পূর্ণ অর্থহীন এবং তা দুজনেরই সুখ ও শান্তি ধ্বংস করে ফেলে।

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      বাংগাল ভাই,

      আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে লেখক নিজে সমকামী নন। বরং তিনি একজন বাঙালি নারীকে বিয়ে করেছেন। আর বলাই বাহুল্য যে তাদের ভবিষ্যৎ সন্তানদের মধ্যে কেউ যদি সমকামী হয় তাহলে তারা দুজনেই খুব সুন্দরভাবে তা মেনে নেবেন। আমার আরেকটি মন্ত্যব্যে আমার বাকি কথাগুলো পড়লে খুশি হব।

      Reply
    • মনি

      সমাজে সবাই এখনও অজ্ঞতার কারণে সমকামিতাকে শতভাগ স্বাভাবিক বলে মেনে নিতে পারছে না। ফলে এর একটা প্রতিফলন অনেক কিছুতে পড়তে পারে।

      Reply
  16. rayhan

    সত্যকে গ্রহণ করার মতো মানসিকতা একজনেরও নেই। জাতি ধ্বংস হয় কীভাবে আমি বুঝি না। সবাইকে সমকামী হতে কে বলেছে? যারা বিপরীতকামী তারা তো আছেই বংশবিস্তার করার জন্য। আর যে সব দেশ বৈধতা দিয়েছে তারা সবাই গাধা আর বেকুব না যে কিছু না ভেবেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শুধুমাত্র আমরা এ জাতিকে রক্ষার দায় নিয়ে বসে আছি। মধ্যপ্রাচ্যে কিছু দেশে এখনও পশুদের সঙ্গে সেক্সের অনুমতি আছে। তাই বলে কি পৃথিবীর সব দেশ তাই অনুসরণ করছে???

    এর চেয়ে বিকৃত যৌনাচার আমাদের দেশে কেউ কি করে না?? যারা ৩ বছর বয়সের বাচ্চার সঙ্গে সেক্স করে তারা খুব ভালো কাজ করছে আর যারা সমকামী তারাই হয়ে গেল বিকৃত! জেনা করাও তো ইসলামে নিষিদ্ধ, তার মানে আমাদের দেশে কি কেউ জেনা করছে না?? জেনা যদি আমরা গ্রহণ করে নিতে পারি তাহলে সমকামিতাকে কেন পারব না?? অনেক অবৈধ ব্যাপার আমাদের দেশে হচ্ছে, সেটা নিয়ে কারও মাথাব্যথা নেই, সব সমস্যা সমকামীদের নিয়ে।

    Reply
  17. আব্দুল্লাহ ইবনে রাফসান

    ন্যাচারালাস্টিক ব্যাখ্যা দিতে গেলে সমস্যা আছে। পশু-পাখির সঙ্গে তুলনা করে আচরণের গ্রহণযোগ্যতা যদি দিতে হয় তাহলে অজাচার, ধর্ষণ বা ক্যানিবালিজমকেও ন্যাচারালাস্টিক বলা যায়। খুনীর খুন করারও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে। হয়তো খুনী খুন করার প্রবণতা নিয়েই জন্মায়। খুনীর জিন আবিষ্কার কি খুনকে বৈধতা দিবে?

    এ ধরনের ব্যাখ্যা গ্রহণ করলে রাস্তাঘাটে ঘনিষ্ঠ পরিজনের সঙ্গে মিউচুয়াল কনসেন্টে সঙ্গমেরও বৈধতা দেওয়া সম্ভব। সমকামিতা কোনোভাবেই স্বাভাবিক যৌনাচরণ নয়, যদি স্বাভাবিক বা নৈতিকতার বিচারে উপরের কাজগুলোও গ্রহণযোগ্য না হয়।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      খুনীর খুন করারও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে? এর চেয়ে হাস্যকর আর কিছু নেই। তাও আবার সেই প্রবণতা নিয়ে? অজাচার, ধর্ষণ ও নরমাংসভক্ষণপ্রথা, এগুলো মানুষের চরম ক্ষতি করে। তাছাড়া পারস্পরিক অনুমতি নিয়ে পারিবারিক যৌনমিলনের নজির বা প্রবণতা বিরল। তাই এ যুক্তিও হাস্যকর। কিন্তু সমকামী হয়ে জন্মগ্রহণ করে পারষ্পরিক সন্মতিতে একসঙ্গে বসবাসে কারও ক্ষতি হচ্ছে না।

      Reply
  18. rahi

    এখানে বেশিরভাগ সমাজ ও ধর্মরক্ষকদের হাউকাউ দেখে মনে হল, হোমোফোবিয়াই হেমোসেক্মুয়ালিটির প্রথম চিহ্ন! দুঃখের সঙ্গে কথাটা বলতে হচ্ছে। সবাই এত সিরিয়াস একটা ছোট ব্যাপার নিয়ে! কে কার সঙ্গে যৌনজীবন যাপন করবে তার ওপর ভিত্তি করে ভালোমন্দ নির্ধারণ করতে হবে?

    Reply
  19. mamun

    এটাই তথাকথিত আধুনিকতা! এত বাগাড়ম্বর না করে বলুন- আমরা প্রগতিশীলতার নামে নীতি-নৈতিকতা, হাজার বছরের সামাজিকবোধ, ধর্মবোধ, বিধাতার চিরকালীন নিয়ম পায়ে ঠেলে আমাদের লালসা চরিতার্থ করব!

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      আপনি কি স্বীকার করছেন যে সমকামিতা আপনার বিভিন্ন লালসার মধ্যে একটি? লেখাটি পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যারা সমকামী বা উভকামী আছেন, তাদের অধিকার নিয়ে লেখা।

      আপনি যদি সমকামী না হয়ে থাকেন তাহলে আপনার চিন্তার কোনো কারণ নেই।

      Reply
  20. shamim

    মি. রেইনার এবার্ট,

    ইসলাম নিয়ে আপনার যে মন্তব্য তার উত্তর–

    ইসলাম এমন একটি ধর্ম যার মূল ভিত্তি পবিত্র আল কুরআন। আল কুরআনে ১০০০ এরও বেশি বিজ্ঞান-বিষয়ক তথ্য আছে যা কেউই ভুল প্রমাণ করতে পারেনি, পারবেও না ইনশাল্লাহ। এ ব্যাপারে কুরআনেই চ্যালেঞ্জ জানানো আছে। কিন্তু বৈজ্ঞানিক বিভিন্ন তত্ব/তথ্য/গবেষণা ও তার ফলাফল বিভিন্ন সময়ের ব্যবধানে কোনো কোনোটি ভুলও প্রমাণিত হয়েছে। বৈজ্ঞানিক বিভিন্ত তত্ব/তথ্য/গবেষণা ও তার ফলাফল আজ যেটি সঠিক প্রমাণিত হচ্ছে বা হয়েছে, কাল সেটি আবার ভুল প্রমাণিত হয়েছে/হচ্ছে এরকম ভুরি ভুরি প্রমাণ আমরা জানি।

    আমরা জানি কোনো বিষয়ে যুক্তিযু্ক্ত/গবেষণালব্ধ জ্ঞানই বিজ্ঞান। অয়ৌক্তিক কোনো কিছুকে আমরা সচরাচর মেনে নিই না বা ভুল বলে থাকি। যেহেতু আল কুরআনের কোনো বিষয়ই অয়ৌক্তিক নয় বা কেউ ভুল প্রমাণ করতে পারেনি (অবশ্য আপাতদৃষ্টিতে আপনার মতো কারও কারও কাছে দুয়েকটি বিষয় অয়ৌক্তিক মনে হতে পারে) কথাটি আবার রিপিট করছি, এ ব্যাপারে কুরআনেই ভুল প্রমাণের জন্য চ্যালেঞ্জ জানানো আছে।

    আর বিজ্ঞানের অনেক বিষয় যেগুলো এখন প্রমাণিত হচ্ছে, আল কুরআেন ১৪০০ বছর আগেই সুস্পষ্ট বর্ণনা দেওয়া আছে। ফলে আল-কুরআন বিজ্ঞানের চেয়ে বিজ্ঞানময় নয় কি?

    Reply
  21. Nadeem Haider

    অনেকেই মন্তব্য করেছেন যে, এটা সত্য নয়। আমি বাংলাদেশি মুসলিম পরিবারে জন্ম নিয়েছি। কোনো খ্রিস্টান পরিবারে জন্ম নিলে নিশ্চয়ই খ্রিস্টান হতাম। আর সেটাই হত স্বাভাবিক।

    সমকামিতা জীবনের অংশ। সারাবিশ্বে তারা নিজেদের মতো জগত তৈরি করেছে। বাংলাদেশের একজন সমকামী হিসেবে আমি জানি এখানে সমকামীদের অনেক সমস্যা। আমি তাই এখন দেশের বাইরে থাকি।

    এদেশে সমকামীরা সবসময় পুলিশ বা সমাজের হাতে নিগৃহীত হওয়ার ভয়ে থাকে। সরকারের উচিত তাদের নিরাপত্তা ও অধিকারের ব্যাপারে শিগগির সিদ্ধান্ত নেওয়া। কারণ অনেকেই বুঝতে পারেন তারা সমকামী কিন্তু সমাজের ভয়ে বাই-সেক্সুয়াল জীবনযাপন করেন।

    Reply
  22. Rajeeb

    সবার মতামত পড়লাম। ঘুরেফিরে সেই একই কথাবার্তা… অস্বাভাবিক, ধর্মবিরুদ্ধ, বংশবৃদ্ধি, আরও কত হাবিজাবি। বুঝলাম না এরা কি আর্টিকেল না পড়ে শুধু হেডলাইন দেখেই কমেন্ট করসে কিনা। সারারাত রামায়ণ শুনে সকালে সীতা কার বাপ টাইপ ঘটনা।

    আর্টিকেলটা সোজাসাপ্টা বলেছে WHO সমকামিতাকে আর অস্বাভাবিক, মানসিক বিকৃতি বলে মনে করে না এবং সারা বিশ্বের সব বাঘা বাঘা researcher, psychologist, scientists সবাই তা মেনে নিয়েছে। এখন আর এটা কোনো ডিবেট নয়। ডিবেট হচ্ছে মানুষের যৌনপ্রবৃত্তি কেন বিভিন্ন রকম হয় সেটা। পড়াশুনা না করে কেন যে বাঙালি তর্ক করতে আসে!

    আর পুরুষতান্ত্রিক সমাজের so called পুরুষরা তাদের মনের মতো কিছু না হলেই ধর্মকে টেনে আনে। নারীঅধিকার বলি আর মতপ্রকাশের স্বাধীনতা… পৌরূষের আঁতে ঘা লাগলেই ধর্ম আসে। Corruption, poverty, জোচ্চুরি, প্রতারণা, মানুষের অধিকার হরণ করা, অন্যকে চুষে সম্পদের পাহাড় বানানো… এসব ক্ষেত্রে আর ধর্ম আসে না। বাংলাদেশই মনে হয় পৃথিবীর একমাত্র দেশ যেখানে ধর্মের নাম করে ধর্মকেই প্রতিনিয়ত ধর্ষণ করা হয়। সেলুকাস!

    আল্লাহ আপনাদের সহায় হোন।

    Reply
  23. তোতা

    মানুষ কাজ করে উপার্জন করে। কিন্তু কিছু মানুষ চুরি, ডাকাতি বা অবৈধ কাজ করে জীবনযাপন করে। এরা হল খারাপ মানুষ, বিকৃত মানুষ, যাদের সরল পথ ভালো লাগে না। সমকামিতা কোনো মানসিক রোগ নয়, এটা অপরাধ এবং এ জন্য অবশ্যই শাস্তির বিধান থাকতে হবে। প্রাকৃতিক নিয়মের বিপরীতে গেলে অবশ্যই সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। প্রকৃতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে মানুষ আর যে কাজে মানুষের অস্তিত্ব নষ্ট হওয়ার আশংকা আছে তা প্রকৃতি কখনও-ই মেনে নেবে না। আর এ ধরনের মানসিকতা যাতে তৈরি না হয় সে জন্য প্রকৃতি খুব কঠিন সিদ্ধান্ত নেবে। নতুবা মানবসভ্যতা এতদিন টিকে থাকত না।

    প্রকৃতি যে এ বিষয়ে খুব কঠোর তার প্রমাণ হচ্ছে লুত (আ:) এর জাতির ধ্বংস। সে জাতির পুরুষেরা নারীর সঙ্গে যৌনক্রিয়া করার চেয়ে পুরুষে-পুরুষে রতিক্রিয়া করতে অধিক আগ্রহী ছিল।
    আল কোরআনের বিভিন্ন সুরায় কওমে লুতের বর্ণনা রয়েছে। সুরা আরাফের ৮০ থেকে ৮৪ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন: “আর লুতকে আমি নবী বানিয়ে প্রেরণ করেছি। তারপর স্মরণ করো যখন সে নিজ জাতির লোকদেরকে বলল, তোমরা কি এতদূর নির্লজ্জ হয়ে গেছ যে, তোমরা এমন সব নির্লজ্জতার কাজ করছ, যা তোমাদের পূর্বে পৃথিবীর কেউ করেনি। তোমরা স্ত্রীলোকদের ত্যাগ করে পুরুষদের দ্বারা নিজেদের যৌনইচ্ছা পূরণ করে নিচ্ছ। প্রকৃতপক্ষে তোমরা একেবারেই সীমালংঘনকারী জাতি। কিন্তু তার জাতির লোকদের জবাব এ ছাড়া আর কিছুই ছিল না যে, বের করে দাও এ লোকদের তাদের নিজেদের জনপদ হতে, এরা নিজেদের বড় পবিত্র বলে দাবি করে। শেষ পর্যন্ত লুত ও তার ঘরের লোকদের, তার স্ত্রী ব্যতিত যে পছন্দের লোকদের সঙ্গে রয়ে গিয়েছিল, বেছে বের করে নিলাম। সে জাতির লোকদের উপর এক প্রচণ্ড বৃষ্টি বর্ষণ করলাম। এরপর দেখ ওদের সে অপরাধী লোকদের কী পরিণাম হল।’’

    কওমে লুতের শেষ পরিণতি ছিল এটাই যে, প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্প এবং কঙ্করবর্ষণের ফলে সেখানে গোটা জনপদ উলট-পালট হয়ে যায়। পবিত্র কোরআনে এ ঘটনার বর্ণনার উদ্দেশ্য হল মানবজাতিকে সতর্ক করে দেওয়া। শুধু কওমে লুত নয়, যে কোন সম্প্রদায়, ব্যক্তি বা জাতি পাপের নির্দিষ্ট সীমানা অতিক্রম করবে, বিকৃতির তলানিতে গিয়ে ঠেকবে, তাদেরও পরিণতি হবে কওমে লুতের অনুরুপ।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      অনেক গবেষকরা এখন বলছেন যে কওমে লুতের ঘটনা পুরুষধর্ষণ সংক্রান্ত। পারষ্পরিক সন্মতিতে দুই পুরুষের মধ্যেকার যৌন আচরণ সংক্রান্ত নয়।

      Reply
  24. আরাধ্য

    অন্য ধর্মে কাকাতো, মামাতো, ফুফাতো ভাইবোনের মধ্যে যৌনসম্পর্ক ব্যাভিচার হিসেবে ধরা হয়, বিয়ে তো দূরের কথা। ইসলামে কাকাতো, মামাতো, ফুফাতো ভাইবোনের মধ্যে বিয়ে জায়েজ। কিন্তু অন্যরা এ ধরনের বিয়েকে বিকৃত অসভ্য ধর্মীয় সংস্কৃতি হিসেবে মানে।

    সমকামিতা হচ্ছে রক্তের সম্পর্কের বাইরে সমলিঙ্গের দুই পুরুষ অথবা মহিলার পবিত্র ভালোবাসার সম্পর্ক। সুতরাং এর বিরোধিতা কিছু লোক যে কীভাবে করে তাই বুঝি না!

    Reply
  25. gowrab chowdhury ( গৌরব )

    বাংলাদেশে দুজন সমলিঙ্গের মানুষ একে অপরকে ভালোবাসতে পারবেন না, কিন্তু একজন পুরুষ বিয়ের নামে কমপক্ষে চার চারটা বিয়ে করতে পারবেন! দুজন প্রেমিক-প্রেমিকা জনসম্মুখে চুমো খেতে পারবেন না অথচ পুরুষরা পথেঘাটে দিব্যি প্রাকৃতিক কাজ করতে পারবেন! ৪০-৫০ বছরের পুরুষ বিয়ের কথা বলে ৮ বছরের শিশুকে প্রতিনিয়ত ধর্ষণ করতে পারবে! মুক্তিযোদ্ধারা রাজাকারের লাথি খেয়ে ভিক্ষা করবেন আর রাজাকারেরা হবে মন্ত্রী! ভিন্নধর্মের মানুষের উপাসনালয়, বাড়ি ভেঙে আগুন দিয়ে ছাই করে দেওয়া যায়, কিন্তু বছর পেরিয়ে গেলেও কাউকে বিচারের সম্মুখীন করা যাবে না!

    ওদিকে ফেসবুকে অ্যান্টি-ইসলাম পিক-পোষ্টে লাইক-কমেন্ট করার অভিযোগে সংখ্যালঘু যুবকদের জেল খাটতে হবে অন্ধকার প্রকোষ্ঠে! যে দেশ যত দরিদ্র সে দেশ তত ধর্মান্ধ ও মূর্খ।

    কমেন্টে আজকের কিছু সংকীর্ণমনা শকুনের সমকামী বিদ্বেষ দেখে তাই মনে হল। সমকামী ভালোবাসা শতভাগ স্বাভাবিক, বিজ্ঞানসম্মত ও প্রাকৃতিক তা বিশ্বে ডাক্তার ও বৈজ্ঞানিক দ্ধারা প্রমাণিত। তাই এখানে বিতর্কের অবকাশ নেই।

    সারা দুনিয়ার সব উন্নত সভ্যদেশে সমকামী বিয়ে বৈধ হয়েছে। সভ্যতা ও মানবতার খাতিরে বাংলাদেশে আজ হোক অথবা কাল, সমকামীদের স্বীকৃতি দিতেই হবে।

    Reply
  26. রাশেদ সরকার

    লেখক রেইনার এবার্ট যুক্তরাষ্ট্রের রাইস ইউনিভার্সিটির দর্শনের ছাত্র, অক্সফোর্ড সেন্টার ফর অ্যানিমেল ইথিক্স-এর এসোসিয়েট ফেলো কিন্তু মজার বিষয় হল যে, তিনি বাংলাদেশ লিবারাল ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য! ভদ্রলোক এ বিষয়ে কেন আমাদের ‘সচেতন’ করতে এলেন!

    এসবই একসূত্রে গাঁথা। এদেশের হাজার বছরের সংস্কৃতিবিরোধী একটি প্রপাগাণ্ডার অংশ এটি।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      এদেশের হাজার বছরের সংস্কৃতিতে সমকামিতা বিরাজমান ছিল, তবে তা ছিল বিচক্ষণতার আড়ালে। লেখক বাংলাদেশের সংস্কৃতি বদলাতে আসেননি। বরং পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যারা সমকামী বা উভকামী আছেন, তাদের অধিকার নিয়ে কথা বলেছেন।

      Reply
  27. Fazlur Rahman

    ভালো জিনিসটি সবার জন্য ভালো। সমকামিতা ভালো হলে পৃথিবীতে একশ বছর পর আর মানুষ থাকবে না।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      সম্পূর্ণ বাজে কথা। পৃথিবীর প্রায় দশ শতাংশ মানুষ সমকামী। এর চেয়ে বেশি নয়। তাই মানবসভ্যতা ধ্বংস হওয়ার প্রশ্নই আসে না। তাছাড়া এভাবেই প্রকৃতি জনসংখার উপর কিছুটা নজর রাখছে যার আরেকটি উদাহরণ হচ্ছে যেসব বিষমকামী দম্পতির সন্তান হয় না।

      Reply
    • মনি

      আপনাকে কে বলল যে শতভাগ মানুষ সমকামী হবে? শুধু কিছুসংখ্যক মানুষ সমকামী হয়ে জন্মগ্রহণ করে। তাতে পৃথিবীর কিছুমাত্র ক্ষতি হবে না, বরং জনসংখ্যাবৃদ্ধির উর্ধ্বগতিতে ভারসাম্য এলে পৃথিবীর তাতে লাভই হবে।

      Reply
  28. নিলয় সরকার

    পৃথিবীতে মানুষের জন্ম যে শুধু ক্যাজুয়াল সেক্সের মাধ্যমেই হবে এ ধারণা এক হাজার বছর পর হাস্যকর মনে হতে পারে। সুতরাং সমকামিতার ফলে যে পৃথিবীতে মনুষ্যপ্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে যাবে এ বিষয়র সঙ্গে আমি একমত হতে পারছি না। আর পৃথিবীর সবারই সমকামী হওয়ার সম্ভাবনাও গ্রহণযোগ্য নয়।

    অনেকেই বলছেন ধর্মে এটা নিষিদ্ধ এবং একে বৈধতা দেওয়া আর চুরি-ডাকাতি, পশুকামিতা, শিশুকামিতা, ধর্ষণ এগুলোকে বৈধতা দেওয়া একই কথা।

    সমকামিতা ইসলাম ধর্মে নিষিদ্ধ এটাকে এ এক কথাতেই ফুলস্টপ করে দেওয়া যায়। এটাও বলা যেতে পারে এটাতে অনেক স্বাস্থঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু কাউকে মারধর করে তার সম্পদ দখল করা অথবা না জানিয়ে কারও অর্থ চুরি করে তাকে বিপদে ফেলা আর পরষ্পরের সম্মতির মাধ্যমে দুজন সমলিঙ্গের মানুষের মাঝে যৌনসম্পর্ক স্থাপন করা কীভাবে এক হল বুঝতে পারছি না।

    অন্যদিকে একটা পশুর সঙ্গে বা শিশুর সঙ্গে যৌনসম্পর্ক করতে হলে স্বেচ্ছাচারিভাবে ও জোরপূর্বক করতে হবে। কিন্তু সমকামিতায় কোনোভাবেই বলপ্রয়োগের বিষয়টি নেই। আর যদি থাকে তাহলে সেটা বিপরীতকামিতাতেও আছে।

    #*আমি মনে করি একজন মানষের শয্যাসঙ্গী কে হবে সেটা একান্তই তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। কারণ আমি নিশ্চয়ই চাইব না যে আমার বউ কে হবে সেটা দেশের আইন আমার উপর জোর করে চাপিয়ে দিক।

    #এখানে বলে রাখা ভালো যে আমাদের দেশের বেশিরভাগ আইনই ধর্মীয়ভাবে বৈধ নয়।
    (যেমন তালাক দিয়ে পুনরায় বিয়ের ব্যাপারটা সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী)

    # সুতরাং আমি বলব কোনো বিষয়ে নিজের মত প্রকাশ করতে চাইলে একটু সুন্দর ও নিরপেক্ষভাবে প্রকাশ করতে চেষ্টা করূন। অযথাই অপ্রাসঙ্গিক কিছু বিষয়কে অন্য একটা বিষয়ের সঙ্গে জুড়ে দিবেন না।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      আপনার সুন্দর অভিমতের ধন্যবাদ। তবে সমকামিতা ইসলাম ধর্মে নিষিদ্ধ, একে এ এক কথাতেই ফুলস্টপ করে দেওয়া যায় না। লেখক সেটাই তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।

      Reply
  29. একজন

    সবার মন্তব্য পড়ে মনে হল, এ লেখার আরও দরকার আছে আমাদের দেশে।

    ভাই, কাউকে জোর করে সমকামী বানানো সম্ভব নয়। যে সমকামী তার জন্য এ যৌনাচার স্বাস্থ্যকর বলা হয়েছে। আপনি সমকামী না হোন, তাই বলে একে অস্বাভাবিক ভাববেন কেন? আপনার মতো না হলে সেটা অস্বাভাবিক হয়ে গেল? আমার-আপনার আশেপাশেই যে প্রচুর সমকামী আছে, সেটা কি জানেন? মন্তব্য করার আগে এটা নিয়ে রিসার্চ জার্নাল পড়ুন, তারপর বলুন।

    ধর্মে সমকামিতা নিষিদ্ধ। আবার ধর্মে বলা আছে পৃথিবী নয়, সূর্য ঘুরে। বিজ্ঞান বলে, পৃথিবী ঘুরে। আপনি কোনটা বিশ্বাস করবেন?

    Reply
  30. mjoy

    সমকামিতা ও উভকামিতা দুটোই বিকৃতরুচির মানুষের অবৈজ্ঞানিক চিন্তাধারা। মানবপ্রজাতিকে ধ্বংস এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয় সৃষ্টির জন্যই ঘৃণিত লোকদের এ ষড়যন্ত্র।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      কয়েক দশক ধরে গবেষণা ও ক্লিনিকের অভিজ্ঞতার ফলে প্রধান প্রধান স্বাস্থ্য ও মনোস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলো সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে, এসব প্রবৃত্তি মানুষদের স্বাভাবিক অভিজ্ঞতারই প্রতিনিধিত্বমূলক। নারী ও পুরুষের মধ্যেকার সম্পর্কের মতোই সমলিঙ্গীয় সম্পর্কও স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৯০ সালে মানসিক রোগের তালিকা থেকে সমকামিতা বাদ দিয়েছে। পৃথিবীর প্রায় দশ শতাংশ মানুষ সমকামী, এর চেয়ে বেশি নয়। তাই মানবসভ্যতা ধ্বংস হওয়ার প্রশ্নই আসে না। তাছাড়া এভাবেই প্রকৃতি জনসংখার উপর কিছুটা নজর রাখছে যার আরেকটি উদাহরণ হচ্ছে যেসব বিষমকামী দম্পতির সন্তান হয় না।

      Reply
  31. Rashed

    যে সমকামী সমকামিতা তার যৌনক্ষুধা নিবৃত্ত করে। স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশের অধিকার সবার আছে। তাই একে সমর্থন করা উচিত বলে মনে করি।

    Reply
  32. নিয়াজ মোর্শেদ

    বিজ্ঞান দিয়ে কি নিজ ধর্মের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে হবে? ধর্ম তো নিজের বিশ্বাস। যদি বিজ্ঞান দিয়ে ধর্মর অস্তিত্ব প্রমাণ করতে হয় তবে বিজ্ঞান দিয়েই ধর্মকে অস্বীকার করা যায়। সমকামীকে কোনো ধর্ম স্বীকার করেনি যদি সঠিক হয় তবে ‘গেলমান’ শব্দর অর্থ কী? আর সমাজে কিছু মানুষ যদি সমকামী হয় তবে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের তাতে অসুবিধা কী? কোনো অসুবিধাই থাকার কথা নয়।

    কারণ সেভাবে দেখলে, একজন খ্রিস্টানের কাছে তার ধর্মই একমাত্র ধর্ম; বাকি ইসলাম, হিন্দু, বৌদ্ধ, ঈহুদিসহ অন্যান্য ধর্মর কোনো অস্তিত্ব নেই; এসব ধর্মের মানুষরা ভুলপথে যাচ্ছে! আবার আমাদের ধর্মবিশ্বাস মতে, অন্যান্য ধর্মের অনুসারীদের পুরো জীবনব্যবস্থা ‘অবৈধ’। অন্যভাবে বলা যায় তাদের ‘বিয়ে’ বৈধ নয়। (আমি মুসলিম, তাই ইসলামকে উদাহরণ হিসেবেই ধরি। ভিন্নধর্মীদের বিয়ে ইসলামি রীতি মেনে হয়নি। তাই তাদের বিয়ে অবৈধ।) আর বিয়ে যখন বৈধ নয় তখন তাদের সন্তানরাও ‘অবৈধ’ বা জারজ।

    সুতরা আমাদের চারপাশে এত জারজ সন্তান রয়েছে তাতে আমাদের কি কোনো অসুবিধা হচ্ছে? ভিন্নধর্মের মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে কোনো সমস্যা হচ্ছে কি? নিশ্চয়ই নয়। ঠিক সেরকম সমকামিতা তো কোনো ক্ষতি করছে না। হিন্দু মৌলবাদী, মুসলিম মৌলবাদী, দাঙ্গাবাজরা সমাজের যেমন ক্ষতি করছে এরা সেরকম ক্ষতি করছে কি? হিমালয় পর্বত জয় কি অর্থনৈতিকভাবে আমাদের লাভবান করছে? তারপরও প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষ হিমালয় জয় করছে।

    সমকামিতা স্বাভাবিক প্রবৃত্তি। এ কারণেই ধর্মে একে বারণ করা হয়েছে। অস্বীকার করা হয়নি। অস্তিত্ব ছিল, আছে, থাকবে বলেই সাজা। ধর্মের আবির্ভাবের সময় বিদ্যুৎ আবিস্কার হয়নি বলে নরকে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে সাজা দেওয়ার কথা বলা হয়নি।

    Reply
  33. shuvo

    অনেকের কথা পড়লাম। বেশিরভাগই নেগেটিভ। কিন্তু আপনারা কি জানেন, দেশে এদের সংখ্যা কত? ফেসবুকে সার্চ দিন। নতুন এক জগতের দেখা পাবেন। এ জগতটাই বাস্তব। সমাজের দৃষ্টিতে এটা নৈতিক না-ও হতে পারে। ধর্মের চোখেও নয়। কিন্তু বাংলাদেশে সমকামীদের সংখ্যা দেখে আপনিও অবাক হবেন। সমাজ বা আইনের সহায়তায় ওদের শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারবেন কিন্তু তাদের আবেগ দমন করতে পারবেন না।

    কারণ এটা প্রাকৃতিক। পৃথিবীর সব সমাজ, সভ্যতা ও সময়ের জন্য এটা সত্য।

    Reply
  34. Liton

    আমি সমকামিতা সমর্থন করি না অথচ গত ৩ বছর ধরে সুইডেনে থাকি। এখানে অনেক সমকামী ছেলেমেয়ে থাকে। আমাদের দেশের মতো এত অশান্তি নেই। জনগণ শান্তিতে বসবাস করছে। আমাদের দেশের ভণ্ড-ধর্মান্ধ মানুষগুলো সবকিছুকে ধর্মের জালে বাঁধে, কারণ প্রকৃত ধ্যান-ধারণা নেই সমাজ সম্পর্কে। খালি তেনা পেচান!

    “মানবিক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং মানবিক সম্পর্কে বিশ্বাসী মানুষকে এর পক্ষে দাঁড়াতে হবে।”

    সমর্থন করলাম।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      তিন বছর সুইডেনে থেকেও আপনার তেমন লাভ হয়েছে বলে মনে হচ্ছে না।

      Reply
    • Razia Sultana

      দেশে যেখানে গরিবের উপর অত্যাচার, নির্যাতন. অবর্ণনীয় দুর্দশা হয়ে যাচ্ছে সে ব্যপারে কারও কোনো নিয়মের পরিবর্তন-পরিবর্ধন নেই, কোনো সংবিধান নেই, সংস্কার নেই, গরিব-ধনী বৈষম্যের বেলায় কোনো বিধান নেই। সেসব বিষয়ে কারও কোনো পদক্ষেপ নেই, আর সমকামী- উভকামীদের নিয়ে যত মাতামাতি! আল্লাহ এদের হেদায়েত করুন।

      Reply
  35. Md. Yeasin Miraz

    আল্লাহ তা’লা সমকামিতার কারণে কওমে লুতকে ধ্বংস করেছেন উল্টো করে মাটিচাপা দিয়ে যা বর্তমানে ‘মৃত সাগর’ নামে পরিচিত।

    Reply
    • উত্তরা

      লু’ত এর কওম অতিথিদের সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে তাদের ধর্ষণ করত, সে কারণে তাদের মাটিচাপা দেওয়া হয়। স্বেচ্ছায় মিলিত হওয়া বা কাউকে ভালোবাসা কি ধর্ষণের সমতুল্য হল?

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      এ ঘটনা যথেষ্ট যাচাই করে বলা সম্ভব নয়।

      Reply
  36. mezbah

    স্যার,

    আপনার লেখার বিষয়বস্তু সামাজিক, শারীরবৃত্তিয়, ক্লিনিক্যাল ও ধর্মীয় দিক থেকে পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য।

    Reply
  37. ম্যানিলা নিশি

    ব্যক্তি যেমন তার জন্মের জন্য নিজে দায়ী নয়, তেমনই জন্মগতভাবে কেউ সমকামী হলে তাকে তার যৌনচাহিদা সমজাতীয়দের সঙ্গে পূরণ করা থেকে নিবৃত করারও কোনো কারণ দেখি না।

    তবে লেখক যেভাবে সমকামিতার গুণগান গেয়েছেন সেটা অবশ্যই আপত্তিকর। কৌতূহলবশে মাদকের নেশায় জড়িয়ে যাওয়ার মতো এ লেখা পড়ে স্বাভাবিক ছেলেমেয়েরাও সমকামিতায় জড়িয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে লেখক যখন বলেন….”সমকামী বা উভকামী হওয়াটা সম্পূর্ণরূপে স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর।”

    Reply
    • জাহিদ

      নারী বা পুরূষের বিকল্প হিসেবে সমকাম কখনও কেউ বেছে নিতে বাধ্য হলেও বা এমনকি সাময়িক উত্তেজনা বা কৌতূহলের কারণে কেউ কখনও সমলিঙ্গের সঙ্গী বেছে নিলে তার যৌনপ্রবত্তি বা সেক্সুয়ালিটি স্থায়ীভাবে পরিবর্তিত হয়ে যায় কি? আমার তো তা মনে হয় না।

      Reply
    • Mehedi

      বোন মানিলা নিশি,

      আমি মনে করি যে জন্মগতভাবে কেউ সমকামী হলে তাকে তার যৌনচাহিদা সমজাতীয়দের সঙ্গে পূরণ করা থেকে নিবৃত করা উচিত। তার চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

      Reply
    • gowrab chowdhury

      অবশ্যই সমকামিতা সম্পূর্ণরূপে স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর। কারণ এটা মেডিক্যাল সায়েন্সে প্রমাণিত, একজন সমকামী হিসেবে বড় প্রমাণ আমি নিজে।

      নেশার সঙ্গে সমকামিতা গুলিয়ে আপনার মন্তব্যর গুরুত্ব হারিয়ে ফেলেছেন।

      Reply
    • উত্তরা

      সমকামিতা যার স্বভাবে নেই সে খামোখা এতে জড়াতেই যাবে কেন? আর জড়ালেও সেটা নিন্দনীয় হতে পারে, কিন্তু নেশার মতো অপ্রতিরোধ্য হবে তা ভাবছেন কেন?

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      আপনার প্রথম অনুচ্ছেদের সঙ্গে দ্বিতীয়টির সামঞ্জস্য নেই। “স্বাভাবিক ছেলেমেয়েরা” কখনও-ই সমকামিতায় জড়িয়ে যেতে পারে না। সেটা তাদের স্বভাবের আওতায় নেই। যারা সমকামী হয়ে জন্মগ্রহণ করে এটা কেবল তাদেরই বেলায় প্রযোজ্য। মাদকের মতো এটা কোনো নেশা নয়।

      Reply
      • ম্যানিলা নিশি

        পারিবারিক পরিবেশ থেকে দীর্ঘদিন দূরে অবস্থান করার সঙ্গে আমাদের দেশের সমকামিতার একটি যোগসূত্র থাকার কথা ধারণা করা হয়। হোস্টেল, মেস বা মাদ্রাসায় অবস্থানকারীরা এ আওতায় পড়েন। বলা হয় এরা সমকামিতার ঝুঁকিতে রয়েছে, যদিও খুব অল্পসংখ্যক ছেলেমেয়েকেই পরবর্তীতে সম কিংবা উভকামী হয়ে উঠতে দেখা যায় (সঠিক পরিসংখ্যান দিতে পারব না) এবং এর সঙ্গে জন্মগতভাবে সমকামী হয়ে ওঠার কোনো সম্পর্ক নাই।

        আমার ভয়টা এদের নিয়েই!

        ”সমকামী বা উভকামী হওয়াটা সম্পূর্ণরূপে স্বাভাবিক ওস্বাস্থ্যকর।” -লেখকের এ বক্তব্য সমকামিতার ঝুঁকিতে থাকা ওই গোষ্ঠীর মাঝে ছড়িয়ে গেলে সমকামিতা বাড়বে বৈ কমবে না।

        সমকামিতা কাম্য নয়, তবে যে নীতি ব্যক্তির জন্মগত অধিকার খর্ব করে সেটাও সমর্থন করি না।

      • রিয়াজ ওসমানী

        “পারিবারিক পরিবেশ থেকে দীর্ঘদিন দূরে অবস্থান করার সঙ্গে আমাদের দেশের সমকামিতার একটি যোগসূত্র থাকার কথা ধারণা করা হয়।”

        ধারণাটি ভুল। হোস্টেল, মেস বা মাদ্রাসায় অবস্থান করলেই সমকামিতার ঝুঁকি বেড়ে যায় না। কেউ কেউ খেলাচ্ছলে বা ভিন্নস্বাদের বা প্রথমবারের মতো যৌন অভিজ্ঞতা পেতে চায় হয়তো। কিন্ত তা হয় স্বল্পসময়ের জন্য। যারা প্রবৃত্তিগতভাবে বিষমকামী, তারা সে পরিবেশ থেকে বের হয়ে আসার পর আর সে আচরণে লিপ্ত থাকে না।

        কাজেই আপনার কাউকে নিয়ে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই।

  38. Babu

    এসব প্যাঁচাল বাদ দিয়ে সঠিক পথে আসুন। শুধু যৌনজীবন নয়, প্রত্যেকটি কাজে নিজ নিজ ধর্ম অনুসরণ করুন। জীবনে কোনো সমস্যা থাকবে না।

    Reply
    • উত্তরা

      সমকামিতা কোনো ‘সমস্যা’ নয়। ধর্মপালনকারী সমকামী ব্যক্তি প্রচুর আছেন।

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      যারা সমকামী হয়ে জন্মগ্রহণ করেছে, তারা যদি আত্মপ্রকাশ করে আরেক সমকামী ভালোবাসার পাত্র বা পাত্রী খুঁজে নেয় এবং মানুষের উপকার করে সুন্দর জীবনযাপন করে তাহলে সে ঠিক পথই অনুসরণ করছে।

      Reply
  39. Jony

    যেখানে প্রাপ্তবয়স্ক সবার যৌনতার সুযোগ নিশ্চিত হয়নি সেখানে সমকামিতার কথা ভাবেন কীভাবে?

    Reply
    • ম্যানিলা নিশি

      আপনার কি মনে হয় সমকামীরা আজীবন অপ্রাপ্তবয়স্কই থেকে যায়, নাকি জন্মগতভাবে যারা সমকামী তাদের মানুষ ভাবতে চান না?

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      একটি আধুনিক সমাজে বিষমগামী, সমকামী ও উভকামী সকল প্রাপ্তবয়স্কদেরই যৌনতার সুযোগ নিশ্চিত হওয়া উচিত।

      Reply
  40. Md. Mahbubul Haque

    রাষ্ট্রের চেয়ে সমাজ বড়। একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব সকল প্রকার অসামাজিক কর্মকাণ্ডের ইতি ঘটানো। সমকামিতাকে প্রোমোট করে রাষ্ট কল্যাণের চেয়ে অকল্যাণ আর অসামাজিকতাকে প্রশ্রয় দিবে। ধর্মীয় মূল্যবোধ ব্যতিরেকে শুধু স্বাভাবিক জীবনাচরণের জন্যও সকলের সমকামিতাকে ঘৃণা করা উচিত।

    Reply
    • উত্তরা

      সমকামিতা কীভাবে রাষ্ট্রের বা সমাজের ক্ষতি করবে? সমকামীরা তো রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকে না। আর স্বাভাবিক জীবনযাপনের পথেই বা এটা বাধা হবে কেন? সুযোগ দিলে অনেকেই বিবাহিত দম্পতির মতো একত্রে সুখদুঃখে একসঙ্গে থাকতে চাইবেন। এর ফলে বাকিদের মতো সমকামীদেরও স্বাভাবিক জীবন নিশ্চিত হবে। ভালো থাকার অধিকার সবার আছে।

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      সমকামী হয়ে জন্মগ্রহণ করে পারষ্পরিক সন্মতিতে সঙ্গোপনে সমলিঙ্গীয় মিলন কখনও-ই অসামাজিক কর্মকাণ্ড হতে পারে না। রাষ্ট্রের দায়িত্ব সেটি প্রচারে সহায়তা না করে বরং সমকামীরা যেন কোনো প্রকার বৈষম্যের শিকার না হয় সে উদ্দেশে আইন পাশ করা এবং সে সকল আইন প্রয়োগ করা। ধর্মীয় মূল্যবোধের কারণে যে সমকামিতা ঘৃণা করার তেমন যুক্তি নেই, লেখক তা সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন।

      Reply
  41. অভিষেক সোম

    আমি যতখন ক্লাস নাইনে পড়ি। জামালপুরের এক গ্রামের স্কুলে। সেখানে এইডস নিয়ে একটা ক্লাস হয়েছিল ইউএন-এর সহযোগিতায়। কারণ তাদের ধারণা আমরা গ্রামের স্কুলেই সেক্স করা শুরু করি। অথচ এখন প্রমাণিত যে, ট্রাকড্রাইভার ও প্রবাসীদে্র মতো কিছু নির্দিষ্ট পেশাজীবী মানুষই ঝুঁকিপূর্ণ যৌনাচারে লিপ্ত। তারাই আবার এখানে ঘোলাপানিতে মাছ শিকার করতে চাচ্ছে।

    মনে রাখবেন, আমাদের দেশের মানুষের সামাজিক মূল্যবোধ অনেক উঁচু। বিদেশিরা তথাকথিত প্রগতিশীল চিন্তাভাবনা দিয়ে তা টলাতে পারবে না।

    Reply
    • উত্তরা

      সমকামিতা সবখানেই দেখা যেতে পারে। বিশেষ কোনো উচ্চ বা নিম্নবিত্তে এটা সীমাবদ্ধ নয়। এটা বৈদেশিক আমদানিও নয়।

      এইডস যে কারও হতে পারে, শুধু সমকামীদের নয়। কাজেই সবার জানার দরকার আছে।

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      এইডস কনডমবিহীন যৌনমিলনে ছড়াতে পারে। সেটা বিষমকামীদের বেলায়ও প্রযোজ্য, সমকামীদের বেলায়ও। তাই এইডস কখনও-ই শুধু সমকামীদের ব্যাপার নয়। বরং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ট্রাকচালকরাই সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ তারা অনেক সময়ে পতিতালয়ে গিয়ে কনডমবিহীন যৌনমিলন করে এইডসে আক্রান্ত হয়ে পরে বাড়ি ফিরে নিজের স্ত্রীকে আক্রান্ত করে ফেলে।

      Reply
  42. শোয়েব মুহাম্মাদ

    সমকামিতা অবশ্যই একটি মানসিক ব্যাধি। এটা প্রকৃতিবিরুদ্ধ কাজ। এর ফলে মানবসভ্যতা ধ্বংস হতে পারে। এর পক্ষে যুক্তিগুলো গ্রহণযোগ্য নয়।

    Reply
    • উত্তরা

      ইসলাম বলতে আপনি কী বোঝাচ্ছেন তার উপর নির্ভর করে। খুব আস্তে আস্তে হলেও, ইসলাম নিয়ে পড়াশোনা করা অনেক ব্যক্তিই এ ব্যাপারে মত পাল্টাচ্ছেন। তবে আগেকার দিনের আলেমরা তা করেননি। আপনি যদি আলেমদের কথা বলেন তাহলে লেখকের বক্তব্য ঠিক আছে। আর যদি কোরানের কথা বলেন, তাহলে কোরানে কী বলা আছে তা নিয়ে বিভিন্ন বিতর্ক আছে। ব্যক্তির মানসিকতার ওপর তার বোঝা বা না-বোঝা অনেকখানি নির্ভর করে।

      Reply
    • উত্তরা

      মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা বহুবছর আগেই সমকামিতাকে ব্যাধির তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। আর এটা মানবসভ্যতাকে ধ্বংস করবে কীভাবে? সমাজ সমকামিতা মেনে নিলে কি সবাই সমকামী হয়ে যাবে না কি???

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      সম্পূর্ণ বাজে কথা। পৃথিবীর প্রায় দশ শতাংশ মানুষ সমকামী। এর চেয়ে বেশি নয়। তাই মানবসভ্যতা ধ্বংস হওয়ার প্রশ্নই আসে না। তাছাড়া এভাবেই প্রকৃতি জনসংখার উপর কিছুটা নজর রাখছে যার আরেকটি উদাহরণ হচ্ছে যেসব বিষমকামী দম্পতির বাচ্চা হয় না।

      Reply
    • দেশ প্রেমিক

      কয়েক দশক ধরে গবেষণা ও ক্লিনিকের অভিজ্ঞতার ফলে প্রধান প্রধান স্বাস্থ্য ও মনোস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলো সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে, এসব প্রবৃত্তি মানুষদের স্বাভাবিক অভিজ্ঞতারই প্রতিনিধিত্বমূলক। নারী ও পুরুষের মধ্যেকার সম্পর্কের মতোই সমলিঙ্গীয় সম্পর্কও স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৯০ সালে মানসিক রোগের তালিকা থেকে সমকামিতাকে বাদ দিয়েছে।

      Reply
  43. Nizam

    আপনি ধর্মীয় আনুশাসন বর্ণনা করার ক্ষেত্রে পাঠকদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। জানার চেষ্টা করেননি যে এ ব্যাপারে ইসলামের বিধান কী। এটা ইসলামে হারাম, কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।

    Reply
    • Mehedi

      ভাই নিজাম, আপনি একদম ঠিক বলেছেন। আপনার সঙ্গে একমত। সমকামিতা প্রত্যেক ধর্মেই নিষিদ্ধ।

      Reply
    • উত্তরা

      মানুষের স্বভাব হচ্ছে যা কিছু নিজের কাছে খারাপ মনে হয়, সেসবকিছুকে তেমন কোন পড়াশোনা ছাড়াই ‘হারাম’ বলে দাবী করা। ভাই, মুসলিম সমকামীরা এসব নিয়ে প্রচুর মাথা ঘামিয়েছে, এখন দুয়েকজন ইমামও আছেন যারা সমবিয়ে পড়ান। আপনার কাছে খারাপ হলেই আল্লাহর কাছে খারাপ হয়ে যায় না।

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      লেখক খুব ভালোভাবে গবেষণা করেই এ ব্যাপারে ধর্মীয় অনুশাসনের বর্ণনা দিয়েছেন। যেটুকু গবেষণা বাংলাদেশের অধিকাংশ মৌলবীও করেন না।

      Reply
  44. atik

    মিথ্যা বলা, অপরের সম্পদ দখল করাও তো একটা সাধারণ টেনডেনসি। তাই বলে কি এগুলো কখনও বৈধ হতে পারে? রাবিশ যুক্তি!

    Reply
    • রসি

      ভাইয়া, আপনার সঙ্গে একমত হতে পারলাম না। মিথ্যা বলা, চুরি করা কেউ জন্মগতভাবে শিখে আসে না। কিন্তু সমকামিতা মানুষ জন্মগতভাবেই পায়।
      (আমি কেবল সমকামিতার কথা বলছি এখানে, রুপান্তরকামিতা নয়)

      Reply
    • উত্তরা

      মিথ্যা বলা, সম্পদ দখল এগুলো অপরের ক্ষতি করে বলে অবৈধ। সমকামিতা কারও ক্ষতি করে না। বরং সমাজের ঘৃণা ও বিতৃষ্ণা সমকামী ব্যক্তিদের বিষণ্ণতা, আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেয় বা তাদের সরাসরি শারিরীক বা মানসিক আঘাত দেওয়ার রাস্তা তৈরি করে দেয়। ওটাই বরং বেশি ক্ষতিকর।

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      মিথ্যা বলা, অপরের সম্পদ দখল করা, এগুলো মানুষের ক্ষতি করে। কিন্তু সমকামী হয়ে জন্মগ্রহণ করে পারষ্পরিক সন্মতিতে সমলিঙ্গীয় মিলনে কারও কোনো ক্ষতি হচ্ছে না। পার্থক্যটা এখানেই।

      Reply
      • অলিভার

        ক্ষতি হচ্ছে না কথাটি কি এত সহজেই বলা চলে? এটি সামাজিক ব্যবস্থার মূলে আঘাত হানছে। মানুষের স্বাভাবিক আচরণ এটা নয়। কোনো ক্লিনিকাল স্টাডিই এখন পর্যন্ত এ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি যে সমকামিতা জন্মগত। কিছু স্টাডি আছে যা ধারণা দিয়েছে যে কৈশোর থেকে মানুষ এ ধরনের যৌনাচারে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। দু বছরের বাচ্চা যৌনআচরণের কী বোঝে?

        সমকামিতা একটি বৈকল্যমাত্র। সুস্থ পরিবেশে থাকলে এদেরও বিপরীতমুখী করা সম্ভব এবং হয়েছেও। তবে ট্রান্সজেন্ডারদের নিয়ে আলোচনা চলতে পারে, কারণ তাদের অস্বাভাবিক শারীরিক গঠন। ইসলাম সবসময় এদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়ার কথা বলেছে। কিন্তু সমকামিতাকে এদের সঙ্গে জড়িয়ে ফেললে চলবে না।

      • রিয়াজ ওসমানী

        শিশু ও পরিণতদের ধর্ষণ, শিশুপ্রহার ও নারীনির্যাতন, ঘুষ, চুরি-ডাকাতি এগুলো সামাজিক ব্যবস্থার মূলে আঘাত হানে। সমকামী হয়ে জন্মগ্রহণ করে পারষ্পরিক সন্মতিতে সমলিঙ্গীয় মিলনে তা হচ্ছে না। আর যারা সমকামী, তাদের কাছে সমলিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ বোধ করা এবং তাদের সঙ্গেই সম্পর্ক স্থাপন করা স্বাভাবিক আচরণ।

        আমি বিশ্বাস করি যে সমকামীদের জন্ম সেভাবেই। তবে আমি জানি কিছু গবেষকরা বলছেন যে, জন্ম এবং আদি শৈশবের পরিবেশ উভয়ের কারণে কেউ সমকামী হতে পারে। সেটা যদি সত্য হয়েও থাকে, আমেরিকাতে প্রচুর গবেষণায় দেখা গেছে যে কখনও কোনো সমকামীকে কোনো রকম চিকিৎসা দিয়ে বদলানো যায়নি। এটা এখন সবখানে স্বীকৃত।

        রূপান্তরকামীদের প্রতি আপনার সহানুভূতির কথা জেনে ভালো লাগল। আশা করি সমকামী ও উভকামীদের প্রতিও আপনার মনে সহানুভূতি জাগবে।

  45. Mahmud

    এখানে লেখক উল্লেখ করেছেন যে ইসলাম ধর্মে সমকামিতাকে আগে পাপ বলে মনে করত। তার অর্থ এই দাঁড়ায় যে এখন সমকামিতা ইসলাম সমর্থন করে! আমি একজন মুসলমান। আজ পর্যন্তু এমন কিছু আমার ধর্মে খুঁজে পাইনি যেখানে সমকামিতা ইসলাম সমর্থন করে।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      সত্যিকার অর্থে ইসলাম ধর্ম সমকামিতা সম্পর্কে তেমন কিছু বলেনি। লেখক সেটাই তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।

      Reply
      • মারুফ

        সূরা আ’রাফের ৮০-৮৪ আয়াত দেখুন। সমকামিতা ইসলাম কী পরিমাণ ঘৃণা করে বুঝতে পারবেন। শুধু শুধু ‘সত্যিকার অর্থে’, ‘‘লেখক খুব ভালোভাবে গবেষণা করেই এ ব্যাপারে ধর্মীয় অনুশাসনের বর্ণনা দিয়েছেন” এসব কথা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত না করার অনুরোধ রইল।

      • রিয়াজ ওসমানী

        অনেক গবেষকরা এখন বলছেন যে, এ ঘটনা পুরুষধর্ষণ নিয়ে। পারষ্পরিক সন্মতিতে যৌনআচরণ নিয়ে নয়।

  46. reedwan

    কিছু ইনফরমেশন নিয়ে সন্দেহ আছে, দীপুমনি কবে কী বলেছেন তা প্রমাণ করা দরকার।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      দীপুমনি কী বলেছেন তা স্পষ্ট করেই নথিভুক্ত করা আছে। ভালোভাবে দেখে নিন।

      Reply
  47. রিজভি আহমেদ

    এটা বাংলাদেশ। আর আমাদের প্রধান ধর্ম ইসলাম। কোনো কিছু লেখার আগে চিন্তা করা উচিত কী লিখছি, কেন লিখছি, কাদের জন্য লিখছি। আমাকে বলুন তো, সমকামিতা যারা করে তারা মানসিকভাবে কতটা সুস্থ?

    আমরা চাই না আমাদের দেশে এমন কিছু হোক। আমরা এমনিতে অনেক সমস্যার ভেতর দিয়ে সময় পার করছি। আবার এর জন্য যে কী সমস্যা হবে, তা আপনার ধারণার বাইরে।

    Reply
    • উত্তরা

      ইসলামের সঙ্গে সমকামিতার কোনো বিরোধ আছে কিনা সেটা নিয়ে আজকাল তর্ক হচ্ছে। পৃথিবীতে প্রচুর সমকামী মুসলিম আছেন যারা একইসঙ্গে ধার্মিক ও নিজ পছন্দের ব্যাক্তির সঙ্গে সংসারী। ব্যাপারটাকে যতটা ভয়ানক ও অসুস্থ মনে করছেন তার প্রায় পুরোটাই অজ্ঞতাবশত।

      Reply
    • Sehjad

      বাংলাদেশ মুসলিম দেশ, খুব ভালো কথা। কিন্তু মুসলিম হিসেবে কোন মহান কাজ সবাই করছে? ইসলাম ধর্মে বলা আছে, ঘুষখোর কোনোদিন বেহেশতে যেতে পারবে না। এমনিভাবে একটা একটা করে যত খারাপ বিশেষণ আছে তার সবগুলোর শাস্তিই জাহান্নাম। আর বাঙালি হিসেবে ক’ হাজারে কয’জন বেহেশতে যাবে, তা গুণলে আমাদের লজ্জাই পেতে হবে। কাজেই বাংলাদেশ মুসলিম দেশ বলে আর লজ্জা দিবেন না।

      জন্মগতভাবে কেউ চোর বা পুলিশ হতে পারে না, কিন্তু একজন মানুষ জিনের কারণে যৌন ভিন্নতা পেতে পারে, এটাতে যে এই বৈষম্য নিয়ে জন্ম নিল তার কতটুকু অপরাধ?

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      আপনি চান বা না চান, এটা স্বীকার করতেই হবে যে বাংলাদেশে সমকামী আছেন এবং তারা মানসিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ।

      Reply
  48. শেখ রাসেল

    রেইনার এবার্ট,

    ইসলাম এমন একটি ধর্ম যা সঠিক বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব দ্বারা প্রমাণিত। আপনি যে কথা বলছেন তা কি বিজ্ঞান সমর্থন করে? অবশ্যই না।

    Reply
    • উত্তরা

      সমকামিতার বৈজ্ঞানিকতা নিয়ে প্রচুর রিসার্চ হচ্ছে। বিজ্ঞান সমর্থন করে না বলে কোথায় শুনলেন/পড়লেন?

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      অবশ্যই বিজ্ঞান সেটা সমর্থন করে। মেডিকেল সায়েন্স প্রমাণ করেছে যে সমকামিতা কিছু কিছু মানুষদের মধ্যে একটি স্বাভাবিক যৌনতার বিকাশ। কিন্তু কোনো ধর্মই বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব দ্বারা প্রমাণিত নয়। ধর্ম কেবল মানুষদের একটি প্রবল বিশ্বাসের প্রতিফলন।

      Reply
  49. Durvaga

    প্রগতিশীল মুসলমান!!! ইহারা কোন প্রজাতির প্রাণি??? আমার মস্তিষ্ক আপনার মতো প্রখর নয়। একটু পরিষ্কার করে বলবেন কি? অনেকেই ওই প্রজাতির প্রাণিদের সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন। শ্রদ্ধেয় লেখক, আমরা আপনার মতামত চাই।

    Reply
    • Mehedi

      ভাই, এই তথাকথিত ‘প্রগতিশীল মুসলমান’ আসলে ‘মোনাফেক’ এবং আমাদের নবী (সা.) হাজারবার বলেছেন এদের ব্যাপরে সাবধান থাকতে।

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      প্রগতিশীল মুসলমান তারাই যারা মৌলবীদের এক কথায় ওঠাবসা করে না, বরং নিজে গবেষণা করে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে নিজের অভিমত তৈরি করে এবং যুগের তালে কীভাবে সেটাকে নিজের জীবনে অন্তর্ভুক্ত করতে পারে সে দিকে লক্ষ্য রাখে। অন্য মানুষের জীবন সম্পর্কে বিবেচনা সৃষ্টিকর্তার উপরেই রেখে দেয় তারা।

      Reply
  50. Arif

    রাজু আহমেদ ভাইয়ের উত্তরটা খুবই ভালো হয়েছে।

    রাজু আহমেদ ভাই বলেছেন…..

    ‘‘এরপর কীসের বৈধতার দাবি করা হবে? বাকি থাকল incest sex বা পারিবারিক যৌনতা যা এক কথায় পরিবাবের সকল সদস্যদের মধ্যে অবাধ যৌন সম্পর্ককে বুঝায়। দ্বিতীয়ত, পশুদের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক। পৃথিবীর অনেক স্থানে এরূপ যৌনতা দেখা যায়।

    বারবার দাবি করে অযথা সময় নষ্ট না করে একেবারে সব দাবি পেশ করুন। আপনাদের দাবির সপক্ষে অনেক নামিদামি গবেষকের সার্টিফিকেট পাবেন, কোনো অসুবিধা হবে না।’’

    অসাধারণ!

    Reply
    • উত্তরা

      ইনসেস্ট ও বিস্টিয়ালিটি দুটাই আপত্তিজনক। সমাজে ইনসেস্টের প্রচলন পারিবারিক সম্পর্কসংক্রান্ত মানসিকতার পরিবর্তন ঘটিয়ে দেবে। এর ফলে পৃথিবীর সব পারিবারিক সম্পর্কই তার সৌন্দর্য হারাবে যেটি কাম্য নয়। অপরপক্ষে, সমকামিতা্র স্বীকৃতি পৃথিবীর সব সমলিঙ্গের মানুষের সম্পর্কের ক্ষেত্রে কুপ্রভাব ফেলবে না, বরং সামাজের চাপে সমকামিতার যে বিকৃত প্রকাশ ঘটে তা বন্ধ করার মাধ্যমে সমাজকে আরও সুন্দর করে তুলবে।

      তাছাড়া কেউ ইনসেস্ট করার মানসিকতা নিয়ে জন্মায় না, কিন্তু সমকামিতা জন্মগত।

      মানুষে মানুষে ভালোবাসার সঙ্গে নির্বাক, ভিন্ন বুদ্ধিমত্তার পশুপাখির তুলনা হয় না। পশুর সঙ্গে যা কিছু করা হয় তা হবে জোরপূর্বক। দুজন মানুষের পারষ্পরিক বোঝাপড়ার সঙ্গে তার তুলনা করার কোনো মানেই হয় না।

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      সমকামীদের সমান অধিকার দাবির কারণ পৃথিবীর প্রায় দশ শতাংশ মানুষ সমকামী। পারস্পরিক অনুমতি নিয়ে পারিবারিক যৌনমিলনের নজির বা প্রবণতা বিরল। তাই এ যুক্তি হাস্যকর।

      পশুদের সঙ্গে যৌনসম্পর্ক পশুকে ধর্ষণ করার সামিল যা অমানবিক। প্রাপ্তবয়স্ক সমকামীদের পারষ্পরিক সন্মতিতে মিলনে সে রকম কোনো হাস্যকর বা অমানবিক ব্যাপার নেই।

      Reply
  51. তমাল

    চোর, ডাকাত, ইভটিজাররা যা করে তাদেরও কিন্তু যুক্তি থাকে। এসব ফালতু যুক্তিতে কি মুক্তি আছে?

    Reply
    • gowrab chowdhury ( গৌরব )

      আপনার কাছ থেকে আর কী আশা করা যায়? নিজের বিষমকামিতাকে কি চোর-ইভটিজারের সঙ্গে তুলনা করবেন যে সমকামিতাকে করছেন? মাদ্রাসা ছেড়ে নেট ইউস করলে এমনি হয়!

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      চোর, ডাকাত ও ইভটিজাররা মানুষের চরম ক্ষতি করে। প্রাপ্তবয়স্ক সমকামীদের পারষ্পরিক সন্মতিতে সমলিঙ্গীয় সম্পর্কে কারও কোনো ক্ষতি হয় না।

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      কেন? বাংলাদেশে কি সমকামীরা নেই? তাদের কি সমান মর্যাদা ও অধিকার নেই? তাদের কি ভালবাসার অধিকার নেই? তাদের কি যৌন চাহিদা মেটানোর অধিকার নেই?

      Reply
  52. শাকিল কোরাইশী

    লেখক বলেছেন …
    “প্রগতিশীল মুসলমান বিদ্বজনদের মধ্যে কেউ কেউ সমকামিতাকে (সমলিঙ্গীয় ভালোবাসা) নিন্দা না করে এর প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করেছেন। বহু বাংলাদেশি সমকামী ও উভকামী আছেন যারা নিজেদের ধর্মীয় অনুশাসনের সঙ্গে যৌনপ্রবৃত্তির বিরোধ খুঁজে পান না।”

    আপনি কি আমাদের বিশ্বাস নিয়ে রসিকতা করেন? ইসলাম ধর্মে এটা সম্পূর্ণ হারাম। মুসলমান নামের আগে ‘প্রগতিশীল’ শব্দটি যুক্ত করে আপনি যে বিতর্কের সৃষ্টি করতে চান, তা আমরা ভালোই বুঝি।

    Reply
  53. Pratim

    ধর্মের কারণে মানুষ যে তার স্বাভাবিক বিচারবুদ্ধি হারিয়ে ফেলে, তার প্রমাণ উপরের কথাগুলো৷ এটা এখন প্রমাণিত সত্য যে সমকামিতা একটি অতিসাধারণ প্রবৃত্তি৷ এখানে ধর্ম কী বলল না বলল তাতে কিছু যায় আসে না৷ ইতিহাস প্রমাণ, বিজ্ঞান তার সত্য নিয়ে এগিয়ে যাবে৷ আর ধর্ম তার অজ্ঞানতা আড়াল করবে এবং হারিয়ে যাবে৷ তাছাড়া শিশুপরিচারক প্রথার কথা তো কিছু ‍কিছু ধর্মগ্রন্থে আছে৷ সেটা বরং শিশুনির্যাতনের উদাহরণ৷

    Reply
    • gowrab chowdhury ( গৌরব )

      অসাধারণ বলেছেন।

      যারা এখানে ধর্মের বুলি মেরে সমকামী বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে তারা ধর্মের নামে অপকর্ম করে যাচ্ছে। এসব ভণ্ডদের জন্য দেশ এগুতে পারে না। কতদিন আর ধর্মান্ধরা এসব অপকর্ম করবে? তাই ওদের মুখোশ এখন একটু একটু করে খুলছে।

      Reply
    • Kochi

      ইসলাম যৌনজীবনসহ জীবনের সবকিছু নিয়েই সঠিক ও পূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়েছে। তাই এ নিয়ে বিতর্কের অবকাশ নেই।

      Reply
      • রিয়াজ ওসমানী

        তা কতখানি কোরান শরীফ থেকে এসেছে আর কতখানি বানোয়াট হাদিস থেকে এসেছে সেখানে যথেষ্ট বিতর্কের অবকাশ আছে।

  54. Fahad Bin Doha

    প্রথমেই বলব বাংলাদেশ একটি মুসলিম দেশ নয়, মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেই কোনো দেশকে মুসলিম দেশ বলা যায় না।

    Reply
  55. toowkir

    ‘প্রগতিশীল মুসলমান’ বলতে কী বোঝাতে চাচ্ছেন? মুসলিম তো মুসলিমই।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      প্রগতিশীল মুসলমান তারাই যারা মৌলবীদের কথায় ওঠাবসা করে না, বরং নিজে গবেষণা করে ইসলাম সম্পর্কে নিজের অভিমত তৈরি করে এবং যুগের তালে কীভাবে সেটাকে নিজের জীবনে অন্তর্ভুক্ত করতে পারে সে দিকে লক্ষ্য রাখে। অন্য মানুষের জীবন সম্পর্কে বিবেচনা সৃষ্টিকর্তার উপরেই রেখে দেয় তারা।

      Reply
  56. Md. Hasebur Rahman

    সমকামিতা সত্যিকারভাবে একটি সাইকোলজিক্যাল ডিসঅর্ডার।

    Reply
    • gowrab chowdhury ( গৌরব )

      আপনি মেন্টাল ডিসঅর্ডারে ভুগছেন জনাব, না হলে সমকামিতা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক বলে বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন, সেখানে আপনি পণ্ডিতি করতে এলেন কীভাবে?

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      মনোবিজ্ঞান ইতোমধ্যে নির্ধারণ করেছে যে সমকামিতা কোনো মানসিক ব্যাধি নয়। তবে এ যৌনপ্রবণতা শুধু অল্পকিছু মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ।

      Reply
  57. Arif Ahmed

    লেখাটি তথ্যবহুল সন্দেহ নেই। ব্যক্তিগতভাবে আমি একজন উভকামী। কিন্তু পরে বুঝতে পেরেছি এ ধরণের যৌনতায় বংশবিস্তার হবে না। মানবজাতি বিলীন হয়ে যাবে। তাই পারিবারিক ও সামাজিক চাপে একজন নারীকে বিয়ে করে বংশবিস্তার করেছি।

    আমাদের দেশে ছেলেমেয়েদের অবাধ মেলামেশার সুযোগ না থাকায় ওরা বাধ্য হয়ে সমকামী হয় বলে আমার ধারণা। আবার পাশ্চাত্যে এ সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অনেকেই সমকামী হয়, ‘ডিফারেন্ট টেস্ট’ লাভের জন্য। সামাজিক অথবা পারিবারিক বাধ্যবাধকতা না থাকায় পাশ্চাত্যে সমকামীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি।

    আমি মানুষের অধিকারে বিশ্বাস করি। মানুষের যৌনানুভূতি একান্তই নিজস্ব, তাকে সম্মান করি। কারও সেক্সুয়াল ওরিয়েন্টেশনের কারণে তাকে হেয় করা বা অবমূল্যায়ন করা একেবারেই অনুচিত। আমাদের বাঙালি সমাজ মানুষের গোপন যৌনতার ব্যাপারে যথেষ্ট উদার। বাঙালি মানসিকতাকে আমি সম্মান করি। আর যৌনতাকে ধর্মীয় মোড়কে আনাটা বাড়াবাড়ি বলেই মনে করি। আমার ধারণা- সংখ্যার বিচারে মাদ্রাসাছাত্রদের মধ্যে সমকামিতা অনেক বেশি। আবার তারা মেয়েদের ব্যাপারেও সমান আগ্রহী। শুধু সামাজিক বাধ্যবাধকতার কারণে তারা মুখ খুলতে চায় না।

    সম্প্রতি কারাগারে বন্দী সাকা চৌধুরীর কথাই ভাবুন না! পাশ্চাত্য হলে এ ঘটনায় তাকে নিয়ে হইচই পড়ে যেতো। কিন্তু বাংলাদেশে এটা অনেকেই মেনে নিয়েছেন।

    আমি একজন পীরের আস্তানায় দেখেছি- তরুণদের দিয়ে যুবক অথবা মধ্যবয়স্কদের শরীর টেপানো হয়। অতঃপর যৌনতা! পুরনো ঢাকার বনগ্রামে একটি হিন্দু মন্দিরে রাতে ভিড় জমান যুবক বোহেমিয়ান ব্যবসায়ীরা। আমিও একদিন সেখানে গেছি। রাতে মন্দিরের কক্ষগুলোতে একই রকম হাত-পা টেপানোর ব্যবস্থা আছে। এটা দোষের কিছু নয়। এটা ‘ক্যাজুয়াল সেক্স’ এবং এ ধরনের সেক্স দুনিয়ার সর্বত্র চালু আছে। এ অধিকার সবাই ভোগ করেন।

    করাচীতে প্রকাশ্যে তেলের বোতল নিয়ে তরুণ ছোকরারা দিনে দুপুরে ঘুরে বেড়ায়। প্রাপ্তবয়স্করা এদের ম্যাসেজে নবযৌবন ফিরে পান। ইউটিউবে আছে, দেখে নিতে পারেন।

    Reply
    • উত্তরা

      আপনি নিজে উভকামী বলে ভিন্নকামী সম্পর্কে জড়াতে পেরেছেন, কিন্তু সবাই তো তা মন থেকে করতে পারে না। যারা উভকামী নয়, শুধুই সমকামী, তাদের কী হবে? যারা এক্সপেরিমেন্টের জন্য যৌনতায় লিপ্ত হয় তাদের কথা আলাদা। কিন্তু বেশিরভাগ সমকামী এবং অনেক উভকামী মানুষই স্ব-লিঙ্গীয় ব্যক্তির প্রেমে পড়েন, আকর্ষণবোধ করেন, সংসার বা সম্পর্ক করতে চান। নিজে তো সংসার করছেন, সুখে আছেন, তাহলে অন্যদের বঞ্চিত করতে চাচ্ছেন কেন?

      আর অল্প কজন মানুষ স্ব-স্ব পছন্দের মানুষের সঙ্গে থাকতে পারলে মানবজাতি বিলীন হয়ে যাবে?? কেন? এদের কারণে কি ভিন্নকামীরাও ভালোবাসা ভুলে যাবে নাকি?

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      আমাদের দেশে ছেলেমেয়েদের অবাধ মেলামেশার সুযোগ না থাকায় কেউ কেউ নিজেদের মাঝে কখনও কখনও সমলিঙ্গীয় আচরণ করে থাকে বৈকি। কিন্তু তা যৌবনে পদার্পণের পর কিছু সময়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। পরে তারা বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ বোধ করতে থাকে।

      এখন পর্যন্ত পাশ্চাত্যে সমকামীদের আক্রমণ করা হয়, এমনকি খুনও করা হয়। কাজেই সেখানকার সমকামীরা আসলে বিষমকামী, মানে যারা একটু ভিন্নস্বাদের যৌনঅভিজ্ঞতা পেতে চায়- এমন ভাবা অবাস্তব।

      Reply
  58. শাম্বত স্বপন

    আসুন আমরা প্রকাশ্যে চুরি, দুর্নীতি, মদ খাওয়া ইত্যাদি সমর্থন করি। আর আসুন আমরা বিপরীত লিঙ্গে বিয়ে না করে সমলিঙ্গে বিয়ে করি, তাহলে আগামী ১০০ বছরে এ জাতি আর থাকবে না!

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      সমকামিতার ফলে মানবজাতি বিলীন হয়ে যাওয়ার কোনো কারণ নেই, কারণ সমলিঙ্গীয় যৌনপ্রবৃত্তি অল্পকিছু মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ।

      Reply
    • রসি

      চুরি, দুর্নীতির সঙ্গে সমকামিতার মিল কেন করছেন বুঝতে পারলাম না!!! সমকামিতা মানুষ জন্মগতভাবে লাভ করে। এর উপর পারিপার্শ্বিক সংস্কৃতির প্রভাব নেই। আর এখানে এ দাবি করা হচ্ছে না যে, সবাই সমলিঙ্গের সঙ্গে বিয়ে করুন- কেবল যারা সমকামী, যারা কিনা তাদের সমলিঙ্গের মানুষের সঙ্গে বিয়েতে আবদ্ধ হতে চায় তাদের যেন এ সুযোগ দেওয়া হয় তাই বলা হচ্ছে।

      (আমি কেবল সমকামিতার কথা বলছি এখানে, রুপান্তরকামিতা নয়)

      Reply
  59. জহুর আলী

    মুসলমান অর্থ বোধকরি ‘খালি আমরাই সঠিক, আমাদের ধর্মের যা বিধান, যা আমাদের কিতাব বলে তাই সবার মানতে হবে।’ এ বোধ খালি হেফাজতের নয়, আপাতদৃষ্টিতে অনেক প্রগতিশীলেরও। যে সমকামী, তার জন্মই ওভাবে হয়েছে। অবশ্যই সে মুসলিম হতে পারে না, তাই কিতাবের বাণী দিয়ে তাকে যাচাই করা হাস্যকর। সভ্যতার প্রথম পাঠ পরমতসহিষ্ণুতা- আপনার দৃষ্টিতে অন্যরকম কিছু দৃষ্টিগোচর হলেই যদি পিষে ফেলার বাসনা হ্য় তাহলে বাহ্যিকভাবে না হলেও মনে মনে নিজেকে হেফাজতের দলে ভিড়িয়ে নিন।

    Reply
    • রাহাত

      মুসলমান না বললেন, কিন্তু ধর্ম কী জিজ্ঞেস করলে তো ঠিকই মুসলিম বলবেন। শুধু শুধু হেফাজতকে দোষ দিচ্ছেন কেন? নিজের অবস্থান আমাদের নিজের কাছেই পরিষ্কার নয়।

      Reply
    • মু.শহীদ

      এ আলোচনার সঙ্গে হেফাজতের সম্পর্কটা কোথায়?

      আপনার ভাষায় অন্তত দুটো বিষয় স্পষ্ট হল। এক, যারা (হতে পারে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, মুসলিম) ধর্মীয় অনুশাসনে বিশ্বাসী তারা সকলেই হেফাজত! দুই, নিজেকে হেফাজতের দলে না ভিড়িয়ে বিশুদ্ধ হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, খ্রিস্টান, মুসলিম ইত্যাদি দাবি করা যাবে না। কারণ এসব ধর্মের কোনটিই সমকামিতার বৈধতা দেয় না!

      Reply
      • রিয়াজ ওসমানী

        হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের ইতিহাসে সমকামিতার উদাহরণ প্রচুর। খ্রিস্টান, মুসলিম ও ইহুদি ধর্মে এ ব্যাপারে অনুশাসন স্পষ্ট নয়।

  60. শান্ত

    সমকামিতা কীভাবে স্বাভাবিক যৌনাচার হয় এটা আমার কাছে বোধগম্য নয়। একে আইনগত বৈধতা দিলে সমাজে শৃঙ্খলা বলে কিছু থাকবে না। কিছুদিন পর দেখা যাবে পাবলিক প্লেসে চুম্বনের জন্যও বৈধতার দাবি তোলা হচ্ছে!

    জিনিসটা তো পৃথিবীর ইকোসিস্টেম-এর বিরোধী, এটা বিজ্ঞানসম্মত হয় কীভাবে? সমকামিতা বিকৃত যৌনাচার ছাড়া আর কিছু নয়।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      যেখানে প্রাণিজগতে সমকামিতার বিশাল বিস্তার রয়েছে সেখানে মানুষের মাঝে সমলিঙ্গীয় যৌনআচরণ কীভাবে অস্বাভাবিক বলে বিবেচিত হতে পারে?

      তাছাড়া এ প্রবৃত্তি তো অল্পকিছু মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ। এতে সমাজে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হতে পারে না। আর সকলের জন্য প্রকাশ্যে চুম্বনের অধিকার একটি পরিণত সমাজের লক্ষণ।

      Reply
  61. মাহি খান

    সমকামিতা কোনো অস্বাভাবিক বিষয় কিনা এর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হল, ডাজ ইট ওয়ার্থ? আমি সিগমুন্ড ফ্রয়েডের সঙ্গে একমত। আমরা সমকামি হই বা না হই, পুরুষ এবং নারী উভয় জাতির মাঝে যে অর্গানটি কমন তা যে শারীরিক আনন্দ দিতে সক্ষম এটা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। সুতরাং সমকামিতার বিষয়টির মূল বিষয় হল অর্গান।

    আমি মনে করি যে কোনো মানুষ সমকামিতার পর্যায়ে টার্ন করতে পারে যেমন ভাত নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় না রাখলে তা পচে খাবারের অযোগ্য হয়ে যায় সেভাবে। কোনো মানুষ কোন কোন সামাজিক বা পারিবারিক পরিণতিতে সমকামী হয়ে উঠবে সে বিষয় লেখায় এড়ানো হয়েছে। যে কোনো কিছু ‘প্রয়োজন’এবং ‘ভালো লাগে’ এভাবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে, সে ক্ষেত্রে সমকামিতাকে কেউ মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে একান্তই ব্যক্তিগতভাবে অনুমতি দিতে পারে যা ভোটের মতো বিষয়। যেমন আমার বন্ধু কোকেন খায়, না দিলে আত্মহত্যা করবে যা আমি চাচ্ছি না।

    কিন্তু একজন সত্যান্বেষী হিসেবে আমি সমকামিতার মাঝে কোনো প্রগতি খুঁজে পাইনি। এটা ক্রিয়েটিভ কিছু নয়। প্রবৃত্তিগতভাবে মানুষ ক্রিয়েটিভ কাজ করতে ভালোবাসে, এর ব্যত্যয় ঘটে না। সোজা ভাষায়, এটা একটা ইকোলজিকাল ইমব্যলেন্স যেটা মেরু অঞ্চলের ভাল্লুকের একোলজিকাল ইমব্যলেন্সের মতো।

    মানুষ হিসেবে এটা ভাবার প্রয়োজন নেই যে সমকামিতা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত একটা কালচার যা এক জাতি আরেক জাতির উপর চাপিয়ে দিতে যাচ্ছে। এ নিয়ে পৃথিবীর সবাই চিন্তিত। ইস্যুটির ক্ষেত্রে কোনো জাতি বা দেশবিভাজন করা হাস্যকর।

    এটা ভুলে গেলে চলবে না যে অতিরিক্ত কার্বন উৎপাদনের মাধ্যমে আমরা যেমন নিজেদের পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছি ঠিক তেমনি সমকামিতার মতো একটি বিষয় কীভাবে ভারসাম্য নষ্ট করছে তা দুভাবে বোঝা যেতে পারে- (১) নিজে বা পারিবারিকভাবে যার অভিজ্ঞতা আছে যে সমকামিতা কীভাবে মানুষের অস্তিত্বের ভারসাম্য নাড়িয়ে দিতে পারে (২) জ্ঞান ও তথ্যের সমন্বয়ে পূর্বানুমান।

    Reply
    • উত্তরা

      নিজেকে সত্যান্বেষী দাবি করছেন, অথচ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন কিছু কথা লিখেছেন ছদ্ম ‘একাডেমিক’ স্বরে। শুনুন, এসব নিয়ে যথেষ্ট রিসার্চ ও লেখালিখি হয়েছে ও হচ্ছে। সত্যিই জানার ইচ্ছা থাকলে আরও পড়ুন। আধাখেচড়া জ্ঞানের সঙ্গে নিজের পূর্বধারণা মিশিয়ে জগাখিচুড়ি করবেন না।

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      সমকামিতাকে আপনি যেভাবে পঁচা ভাতের সঙ্গে তুলনা করেছেন তা সত্যিই আপত্তিকর। প্রবৃত্তিগতভাবে মানুষ ক্রিয়েটিভ কাজ করতে ভালোবাসে বইকি। সে জন্য দেখা যায় যে পৃথিবীর অনেক সঙ্গীতবিদ, চিত্রকর, ভাস্কর্যকারী, বিজ্ঞানী, দার্শনিক, বিদ্যাপরিষদ সদস্য, অধ্যাপক, ইতিহাসবিদ, গায়ক, নাটুয়া এসকল মানুষ সমকামী।

      Reply
  62. মাহি খান

    মানুষ প্রকৃতপক্ষে উভকামী; পুরুষের মধ্যে একজন নারী, নারীর মধ্যে একজন পুরুষ বাস করে।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      তবে এটা একটা দাঁড়িপাল্লার মতো। কেউ একদিকে বেশি দোলে, কেউ আরেকদিকে।

      Reply
  63. অর্ণব

    অনেক ছদ্ম-মনস্তত্ববিদকেই মনস্তত্ব বিষয়ে গভীর ধারণা পোষণ করতে দেখা গেল। তাদের সকলকেই আমি মনস্তত্বের একখানা অথেনটিক বই খুলে পড়ার অনুরোধ জানাব। একটি জনপুঞ্জে গড়ে ১ থেকে ১০ পার্সেন্ট লোক সমকামী। এটা হচ্ছে স্ট্যাটিসটিকস। অনেকে সামাজিক কুপমণ্ডুকতার কারণে এ তথ্য চেপে যেতে পারেন। কিন্তু এ স্ট্যাটিসটিকস শতভাগ সত্য।

    লেখাটা ভালো লাগল। সমাজের সবচেয়ে কোণঠাসা এবং সবচেয়ে সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে কারও না কারও বলা উচিত।

    Reply
  64. বাপ্পি

    মি. রেইনার এবার্ট

    আপনার পুরো লেখা দুবার পড়লাম। চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে বোঝাতে চেয়েছেন যে ব্যাপারটা ‘সম্পূর্ণরূপে স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর’ এবং আমাদের এটা মেনে নেওয়া উচিত। ইটস আ গ্রেট আইডিয়া।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      আশা করছি যে আপনি আসলেই তা বিশ্বাস করছেন। তবে যারা সমকামী, তাদের প্রতি সহনশীল হোন এবং তাদের প্রতি সবরকম বৈষম্যমূলক আচরণ থেকে বিরত থাকুন।

      Reply
  65. nadim

    মুক্তচিন্তা, আধুনিকতা আর অধিকারের নামে হাজার বছরের পুরোনো নারী-পুরুষের মধ্যেকার বৈবাহিক সম্পর্কের রীতি এখন অনেকটাই হুমকির মুখে। জানি অনেকেই বলবেন, সমকামিতার সামাজিক প্রতিষ্ঠা মানেই প্রচলিত রীতির বিপক্ষে দাঁড়ানো নয়। সেটাও সত্য বটে, কিন্তু আমাদের ভূলে গেলে চলবে না প্রচলিত রীতির মধ্যে দিয়েই সকল সমকামী নারী বা পুরুষের আগমন হয়েছে পৃথিবীতে।

    যেদিন সমকামীরা সাধারণ নারী-পুরুষের বৈবাহিক সম্পর্কের মতো করে নতুন জীবনের আগমন ঘটাতে সক্ষম হবে কেবল সেদিনই একে সামাজিক স্বীকৃতি দেওয়া হোক।

    Reply
    • মনি

      মানুষ যৌনকর্ম করে শুধু বংশবিস্তারের জন্য, এ ভ্রান্ত ধারণা থেকে বেরিয়ে আসা দরকার।

      Reply
  66. Faisal

    ধন্যবাদ লেখাটির জন্য। মূলধারার বাংলা পত্রিকাগুলোর কোথাও সমকামীদের অধিকার নিয়ে কোনো লেখা পড়েছি বলে মনে হয় না। সময় হয়েছে এখন এ নিয়ে বলার। তাই আবারও ধন্যবাদ।

    Reply
  67. মু.শহীদ

    স্যার,

    আপনি কয়েকটি অপরিহার্য বিষয় এড়িয়ে গেছেন। আমি মনে করি বিষয়গুলো উল্লেখ করলে আপনার লেখাটি আরও শিক্ষণীয় হত। যেমন, সমকামিতার ফসল কী হবে? ঘোড়া, কুকুর, গরু, সাপ, গাছপালা ইত্যাদিকে যৌনসঙ্গী করার প্রবৃত্তি কোন কামিতায় পড়ে? আপনি বিভিন্ন ধর্মের রেফারেন্স দিয়ে বললেন, কোনো ধর্মে সমকামিতার অবৈধতা স্পষ্ট বলা নেই- বলুন কোন ধর্মে একে স্পষ্ট বৈধতা দেওয়া হয়েছে?

    বিষয়গুলো সকল পাঠকের জানার অধিকার আছে।

    Reply
    • Abdul Wazid

      আপনাকে দাঁতভাঙ্গা জবাবের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। একেবারে খাঁটি উত্তর দিয়েছেন।

      Reply
    • উত্তরা

      সমকামিতার ফসল হবে কিছু মানুষের সুখে সংসার করা নিজের পছন্দের ব্যক্তির সঙ্গে। সমাজের চাপ থেকে মুক্ত হওয়ার কারণে তাদের মানসিক অবস্থারও উন্নতি হবে, তাদের যৌনতা অবরুদ্ধ থেকে বিকৃতির রূপ নেবে না। এ সব ফসলের আশা করা অন্যায় নয়।

      গাছপালার কথা তো শুনিনি, ঘোড়া-কুকুরকামীরা যদি অধিকারের দাবি জানাতে আসে, তখন তাদের সঙ্গে তর্ক হবে। একজন প্রাপ্তবয়ষ্ক মানুষ স্বেচ্ছায় সজ্ঞানে (অধিকাংশ ক্ষেত্রে, সম্মান ও ভালোবাসার সঙ্গে) আরেকজনের সঙ্গে সম্পর্ক করতে চায় বলেই তাকে কুকুরকামীর সঙ্গে তুলনা করতে হবে?

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      ঘোড়া, কুকুর, গরু, সাপ, গাছপালা ইত্যাদিকে যৌনসঙ্গী করার প্রবৃত্তি কার কাছ থেকে এসেছে বলে আমাদের জানা নেই। কাজেই এ উদ্ভট প্রশ্নের মানে নেই। সবাই কি ধর্মে যা বলা আছে শুধু তাই করে বেড়ায়? আপনার মতে তাহলে আর কেউ বিড়ি-সিগারেট খেত না বা সিনেমা দেখত না। ধর্মে যা নিষেশ আছে বলে মানুষ মনে করে শুধু সেগুলো থেকেই মানুষ বিরত থাকার চেষ্টা করে।

      লেখক বোঝাতে চেয়েছেন যে ধর্মীয় অনুশাসন অনুযায়ী সমকামিতা সম্পর্কে আমাদের ধারণা স্পষ্ট নয়। কাজেই যারা সমকামী তাদের প্রতি বৈষম্যমুলক আচরণ অনুচিত।

      Reply
    • শাহ্‌ নেওয়াজ

      দাঁতভাঙ্গা জবাব দিলেন বলে আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। একেবারে খাঁটি উত্তর দিয়েছেন।

      Reply
  68. Bangladeshi

    যারা সমকামিতা সমর্থন করেন তারা আরও একটি যুক্তি দেখাতে পারেন। চোর যে চুরি করে বা ডাকাত করে ডাকাতি, বা যারা সিরিয়াল কিলার সেগুলো তাদের ‘প্রকৃতি’! আমরা মুসলিম জাতি, এ ধরনের মতবাদ গ্রহণ করতে পারি না।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      এরকম অযৌক্তিক কথা সত্যিই পীড়াদায়ক। প্রাপ্তবয়স্ক সমকামীদের পারষ্পরিক সন্মতিতে মিলনে কারও কোনো ক্ষতি হয় না- যেমনটি হয় চোর, ডাকাত বা সিরিয়াল হত্যাকারী দ্বারা। তাছাড়া আপনি কি বলতে পারেন যে চোর বা ডাকাতদের ওভাবেই জন্ম হয়েছে?কিন্তু পৃথিবীর অল্পকিছু সংখ্যক মানুষের জন্মই সমকামী হয়ে, কাজেই তাদের মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

      Reply
  69. আলোকন

    “ইহুদিধর্ম, খ্রিষ্টধর্ম এবং ইসলামধর্মে প্রথাগতভাবে সমলিঙ্গীয় যৌনআচরণকে পাপ বলে গণ্য করা হত।”

    আগে পাপ বলে গণ্য করা হত। এখন কি করা হয় না?

    “প্রগতিশীল মুসলমান বিদ্বজনদের মধ্যে কেউ কেউ সমকামিতাকে (সমলিঙ্গীয় ভালোবাসা) নিন্দা না করে এর প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করেছেন।”

    মুসলমান মুসলমানই। প্রগতিশীল মুসলমান আবার কোন প্রাণির নাম? যে মুসলমান নিজ ধর্মের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে সমকামিতা সমর্থন করে, সে আবার মুসলমান থাকে কী করে? মদ খাওয়া, নারীকে পণ্য হিসেবে ব্যবহার করা, সমকামিতা সমর্থন করা ও অবাধ যৌনাচারে বিশ্বাসী হলেই ‘প্রগতিশীল’ মুসলমান!

    দরকার নেই এমন ‘প্রগতিশীল’ মুসলমানের।

    “বহু বাংলাদেশি সমকামী ও উভকামী আছেন যারা নিজেদের ধর্মীয় অনুশাসনের সঙ্গে যৌনপ্রবৃত্তির বিরোধ খুঁজে পান না।”

    চোরও তো নিজের ধর্মীয় অনুশাসনের সঙ্গে চুরি করার বিরোধ খুঁজে পায় না। নারীনির্যাতনকারীও পায় না। খুনিও নয়।

    তাই বলে কি চুরি, নারীনির্যাতন আর খুন করা সিদ্ধ হয়ে যাবে?

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      প্রগতিশীল মুসলমান তারাই যারা মৌলবীদের কথায় ওঠাবসা করে না, বরং নিজে গবেষণা করে ইসলাম সম্পর্কে নিজের অভিমত তৈরি করে এবং যুগের তালে কীভাবে সেটাকে নিজের জীবনে অন্তর্ভুক্ত করতে পারে সে দিকে লক্ষ্য রাখে। অন্য মানুষের জীবন সম্পর্কে বিবেচনা সৃষ্টিকর্তার উপরেই রেখে দেয় তারা। প্রাপ্তবয়স্ক সমকামীদের পারষ্পরিক সন্মতিতে মিলনে কারও কোনো ক্ষতি হয় না- যেমনটি হয় চোর, নারীনির্যাতনকারী ও খুনী দ্বারা।

      তাছাড়া আপনি কি বলতে পারেন যে চোর বা খুনীদের ওভাবেই জন্ম হয়েছে? কিন্তু পৃথিবীর অল্পকিছু সংখ্যক মানুষের জন্মই সমকামী হয়ে, কাজেই তাদের মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

      Reply
  70. no

    প্রগতিশীল মুসলমান বিদ্বজনদের মধ্যে কেউ কেউ সমকামিতার (সমলিঙ্গীয় ভালোবাসা) নিন্দা না করে এর প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করেছেন। পারলে তাদের নাম উল্লেখ করেন, জাতি তাদের চিনতে চায়।

    ইসলাম সম্পর্কে অযথা মিথ্যা অপবাদ দিবেন না…..

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      মুসলমান বিদ্বজনদের নাম শুনতে চান? ওমীদ সাফি। গুগলে দেখে নিন তিনি কে!!

      Reply
  71. Mizan

    রাষ্ট্রীয়ভাবে সমকামীদের সমর্থন বা স্বীকৃতি দেওয়া মানে রাষ্ট্রকে ধংসের দিকে নিয়ে যা্ওয়া। সারা দুনিয়ার সব মানুষের এর বিরুদ্ধে বলা উচিত।

    Reply
    • শামীম

      তাহলে যেসব রাষ্ট্র এর স্বীকৃতি দিয়েছে তারা ধংস হচ্ছে না কেন? তারা তো দেখি সবচেয়ে উন্নত দেশ!

      Reply
      • মোহাইমিন

        ধ্বংস কি সঙ্গে সঙ্গেই হয়? তথাকথিত প্রগতিশীল দেশের মানুষজন কি খুব মানসিক শান্তিতে আছে?

      • উত্তরা

        ও আচ্ছা, আমাদের দেশের মানুষ বিশাল শান্তিতে আছে!

      • দেশ প্রেমিক

        আপনারা যারা প্রগতিশীল নন তারা খুব শান্তিতে আছেন?

      • মনি

        এমন কোনো স্বীকৃত তথ্য আছে কি যে প্রগতিশীল দেশের লোকের চেয়ে প্রগতিহীন দেশের লোকেরা বেশি মানসিক শান্তিতে আছে? নাকি এ প্রগতিহীন দেশের লোকদের এমনভাবে ভাবাটা মানসিক সান্তনা পেতে সাহায্য করে।

      • রিয়াজ ওসমানী

        শান্তি এক জিনিস আর ধ্বংস আরেক জিনিস। প্রসঙ্গ পাল্টাছেন কেন?

  72. মনি

    শারীরিক ও প্রকৃতিগত কারণে একজন সমকামী হতে পারে, এটা মানুষের সম্পূর্ণ স্বাভাবিক জৈবিক আচরণ, বৈজ্ঞানিকভাবেও এটা প্রমাণিত। মানুষের জন্মগত প্রবৃত্তির উপর ধর্ম বা সমাজ কারও-ই হাত নেই, বা বলা যেতে পারে ধর্ম বা সমাজের কোনো অনুশাসনের মাধ্যমে মানুষের জন্মগত প্রবৃত্তি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

    বিপরীতগামীর মতোই সমকামী হওয়া একজন মানুষের জন্য খুবই স্বাভাবিক, এ সত্য সমাজের সবার অনুধাবন করা দরকার। সমাজের মঙ্গলের জন্যই মানুষের স্বাভাবিক আচরণের স্বীকৃতির প্রয়োজন আছে।

    Reply
  73. আবু বকর

    অবাস্তব উপায়ে বেশি খেতে গিয়ে শেষে বাংলাদেশে ইসলামি শাসন আসার পথ তৈরি করছেন।

    রাজু আহমেদের কথাটি যদি এক কান দিয়ে ঢুকিয়ে আরেক কান দিয়ে বের না করে দেন তাহলে তাই যথেষ্ট।

    Reply
  74. আ-আল মামুন

    লেখাটি যৌনতাভিত্তিক লিঙ্গীয় বিভাজনের ভুল তত্ত্বভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। যে রাজনীতি ও জিসকার্সিভ সিফটগুলো যৌনতার সীমা টেনে মানুষকে নারী ও পুরুষ বর্গে বিভাজিত করে ফেলেছিল এবং করে রাখে, তার ইতিহাস অনেক পুরনো। গ্রিক দর্শনের তথাকথিত স্বর্ণযুগে প্লেটো-সক্রেটিসরা এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছিলেন, তারা যৌনতাভিত্তিক লিঙ্গীয় বিভাজনহীন পূর্ববর্তী যুগের অবাধ ব্যবস্থা অস্বীকার করেছিলেন- যৌনতা নিয়ে রাজনীতির ট্র্যাজিডির সূত্রপাত তখন থেকেই। যৌনতা নিয়ে সবচেয়ে বেশি ভেবেছেন যিনি, যিনি সাইকো-অ্যানালিসিসের জনক সেই ফ্রয়েডও একসময় স্বীকার করেছিলেন- মানুষ প্রকৃতপক্ষে উভকামী; পুরুষের মধ্যে একজন নারী, নারীর মধ্যে একজন পুরুষ বাস করে।

    বিস্তারিত আলাপে যাচ্ছি না। তবে বলতে চাই আপনারা যারা মহৎ উদ্দেশ্যে সমকামিতা-উভকামিতা নিয়ে লেখালেখি করেন, সমাজের সংস্কার কাটাতে চান, একটু ভালোমতো লেখাপড়া করে নেবেন দয়া করে।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      এতটুকু বলতে চাই যে লেখক যথেষ্ট গবেষণা করেই লেখাটি লিখেছেন।

      Reply
  75. জুয়েল তাজিম

    দুয়েকদিন আগে পত্রিকায় দেখলাম পাকিস্তানের সমকামী দুই মুসলিম নারী বিয়ে করলেন। অনেক সমকামী তো এর আগে বিয়ে করেছেন, কিন্তু এরা পাকিস্তানি হওয়ায় এদের নামের আগে ‘মুসলিম’ শব্দটি ব্যবহার করে কি একটা অদৃশ্য মেসেজ দেওয়ার চেষ্টা কা হল?

    ঠিক সে ম্যাসেজ পাওয়া গেল এ লেখায়। বাংলাদেশের মতো মুসলিম রাষ্ট্রেও এ ঘৃণ্যকাজের বৈধতা চাওয়া হচ্ছে! আমাদের একটা বিষয় মনে রাখতে হবে যে মুসলমানের ঘরে জম্ম নিলেই মুসলিম হওয়া যায় না। মুসলমান হওয়ার জন্য দরকার কোরআন-সুন্নাহর অনুশাসন মেনে চলা। আমরা বর্তমানে এমন এক দেশে বসবাস করছি যেখানে বাইরের দেশ থেকে বড় বড় ডিগ্রির পাশাপাশি বিভিন্ন রকম বড় বড় সংস্কৃতিও আমদানি করা হচ্ছে। আমার মনে হয় যে বৈধতার কথা দাবি করা হচ্ছে এটা তারই ফসল।

    এ বিকৃত রুচির কাজকর্মের বৈধতার জন্য পশুপাখির জীবনব্যবস্থার উদাহরণ টানা হয়েছে। অবাক হচ্ছি আমরা দিন দিন প্রগতিশীলতার নামে কোনদিকে যাচ্ছি। আমরা পশু হয়ে যাচ্ছি, নাকি পশু হওয়ার বৈধতা চাচ্ছি! প্রগতিশীলতার নাম যদি বিকৃত যৌনাচার হয় তবে ধিক্কার জানাই তাকে।

    সামান্য ব্লগ ইস্যুতে আজকে বাংলাদেশের যে অবস্থা, অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বেঁধে গেল- আর এখন চাওয়া হচ্ছে বিকৃত যৌনতার ফ্রি লাইসেন্স! জানি না মানবাধিকারের নামে আর কী কী অধিকার চাওয়ার আছে? এরপর কীসের বৈধতার দাবি করা হবে?

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      ব্যাপারটা আসলে এত জটিল নয়। সবখানের মতো বাংলাদেশেও প্রায় দশ শতাংশ মানুষ সমকামী হয়ে জন্মগ্রহণ করেছে। এদের যৌনচাহিদা মেটানোর জন্য একই ধরনের কাউকে ভালোবাসা এবং সমাজ, পরিবার, স্কুল, কলেজ ও কর্মক্ষেত্রে বৈষম্যহীনতায় জীবনযাপন করার অধিকার আছে। এখানে কেউ কাউকে সমকামী হতে বলেনি বা উৎসাহ দেয়নি। কারণ তাতে কিছু বদলায় না। যে বিষমকামী সে বিষমকামী; যে সমকামী সে সমকামী; যে উভকামী সে উভকামী। বিষমকামী নারী ও পুরুষ পৃথিবী থেকে চলে যাচ্ছে না।

      এখানে বাইরে থেকে ভিন্নরকম সংস্কৃতি আমদানি করা হচ্ছে না।

      Reply
  76. শাহজাহান সানু

    সমকামিতা এবং উভকামিতা দুটোই বিকৃতরুচির মানুষের অবৈজ্ঞানিক চিন্তাধারা। মানবপ্রজাতিকে ধ্বংস এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয় সৃষ্টির জন্যই ঘৃণিত লোকদের এ ষড়যন্ত্র। এ সব অন্যায় ও অপকর্মের কারণেই পাশ্চাত্য সমাজ আজ আত্নঘাতী এইডস রোগে বিরান হতে চলেছে…

    Reply
  77. Ashraful

    এটা ইসলামে সম্পূর্ণভাবে হারাম। কাজেই বাদ দিন।

    Reply
    • boss

      সমকামিতার জন্য আল্লাহ্‌ এক জাতিকে সম্পূর্ণরূপে ধংস করেছিলেন, এখানে লেখক বলছেন, “প্রগতিশীল মুসলমান বিদ্বজনদের মধ্যে কেউ কেউ সমকামিতাকে (সমলিঙ্গীয় ভালোবাসা) নিন্দা না করে এর প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করেছেন।” ইসলাম ধর্ম ‘বিদ্বজনদের’ তৈরি ধর্ম নয়। এটা আল্লাহ্‌ পাকের দেওয়া বিধান। আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে যেমন বিধান ছিল আজও একই বিধান আছে।

      Reply
      • রিয়াজ ওসমানী

        “সমকামিতার জন্য আল্লাহ্‌ এক জাতিকে সম্পূর্ণরূপে ধংস করেছিলেন” – এ ঘটনা যথেষ্ট যাচাই করে বলা সম্ভব নয়।

    • রিয়াজ ওসমানী

      কেন বাদ দিব? লেখক খুব ভালোভাবে গবেষণা করেই এ ব্যাপারে ধর্মীয় আনুশাসনের বর্ণনা দিয়েছেন। যেটুকু গবেষণা বাংলাদেশের অধিকাংশ মৌলবীরাও করেননি।

      Reply
  78. প্রকৌশলী মো: মোবারক হোসেন

    পোস্টটা পড়ে খুব দুঃখ পেলাম এ কারণে যে আমাদের মধ্যে কিছু কিছু মানুষ নামের এখনও সেই আদিম যুগের পাহাড়ের বিভিন্ন গুহায় ও বনেজঙ্গলে থাকা অসভ্য যারা সভ্যতা কী জিনিস জানত না তাদের মতো মনোভাব ও দৃষ্টিভঙ্গি মনের মধ্যে পোষণ করছে। আপনারা যখন কোনো কিছুর উপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেন না ঠিক তখনই প্রকৃতি ও পরিবেশের দোহাই দিয়ে বলেন যে এটা প্রকৃতিগত। পুরুষ ও নারী দু জাতিকেই আল্লাহ পরষ্পরের উপর নির্ভরশীল করে পাঠিয়েছেন।

    আর বংশবিস্তারের জন্যই এদের মধ্যে একটা আকর্ষণ তৈরি করে দিয়েছেন যাকে আমরা সেক্স বলি। পৃথিবী থেকে কি নারীরা সব উঠে গেছে নাকি যে আপনাকে সমকামী হতে হবে। কেন? তাহলে তো নারীদের কোনো দরকারই ছিল না এ পৃথিবীতে। পুরুষ ও নারীর যৌন বিষয় নিয়ে একটু ভালোভাবে পড়ুন, তাহলে বুঝবেন যে বিপরীত লিঙ্গ কী ও কেন বানানো হয়েছে।

    সমকামিতা এক ধরনের অসভ্যতাই বলা যায়। কেননা আমরা এখন একটা সভ্য পৃথিবীতে আছি। ইসলামে প্রবেশ করেন। পবিত্র কুরআন শরিফই একমাত্র সমাধান যেখানে আপনি আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর পাবেন।

    এ পৃথিবীতে দুবার কেয়ামত হয়েছিল বলা যায় (মানে কঠিন গজব যাকে বলা যায়) যার একটি ছিল নূহ (আঃ)-এর আমলে। একটি জাতিকে পুরো ধংস করা হয়েছিল সমকামিতার জন্য যারা আল্লাহর নিষেধ সত্ত্বেও সমকামিতা করত।

    Reply
    • রসি

      ভাইয়া, আমি যতটুকু জানি সমকামী মানুষ জন্মগতভাবেই হয়। তাই জিজ্ঞেস করতে চাই, যারা জন্মগতভাবে সমকামী তাদের অধিকার নিয়ে আপনি কী বলবেন?

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      ব্যাপারটা আসলে এত জটিল নয়। সবখানের মতো বাংলাদেশেও প্রায় দশ শতাংশ মানুষ সমকামী হয়ে জন্মগ্রহণ করেছে এবং এদের যৌনচাহিদা মেটানোর অধিকার আছে, একই ধরনের কাউকে ভালোবাসার অধিকার আছে এবং সমাজ, পরিবার, স্কুল, কলেজ এবং কর্মক্ষেত্রে বৈষম্যহীনতায় জীবনযাপন করার অধিকার আছে। এখানে কেউ কাউকে সমকামী হতে বলেনি বা উৎসাহ দেয়নি। কারণ তাতে কোনো দিন কিছু বদলায় না। যে বিষমকামী সে বিষমকামী, যে সমকামী সে সমকামী, যে উভকামী, সে উভকামী। বিষমকামী নারী ও পুরুষ পৃথিবী থেকে চলে যাচ্ছে না।

      Reply
  79. mosarof

    সমকামিতার জন্য হযরত লুত (আ.)-এর কওম ধ্বংস হয়েছিল।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      এ ঘটনা যথেষ্ট যাচাই করে বলা সম্ভব নয়।

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      রুখে দাঁড়াতে পারবেন না। কারণ সবখানের মতো বাংলাদেশেও প্রায় দশ শতাংশ মানুষ সমকামী হয়ে জন্মগ্রহণ করেছে। এদের যৌনচাহিদা মেটানোর অধিকার আছে। একই ধরনের কাউকে ভালোবাসার অধিকার আছে। সমাজ, পরিবার, স্কুল, কলেজ এবং কর্মক্ষেত্রে বৈষম্যহীনতায় জীবনযাপন করার অধিকার আছে।

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      সত্যিকার অর্থে ইসলাম ধর্ম সমকামিতা সম্পর্কে তেমন কিছু বলেনি। লেখক সেটাই তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।

      Reply
  80. PINKY

    জাতি হিসেবে আমরা নিশ্চয়ই এইডস আমদানি করতে পারি না। আপনার দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সম্পূর্ণ ভিন্নমত।

    Reply
    • রসি

      সমকামিতা থেকে এইডস হয় না। অনিরাপদ যৌনআচরণই এইচআইভি সংক্রমণের কারণ, সেটা সমকামী-বিষমকামী সবারই হতে পারে।

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      এইডস কনডমবিহীন যৌনমিলনে ছড়াতে পারে। সেটা বিষমকামীদের বেলায়ও প্রযোজ্য, সমকামীদের বেলায় যেমন। তাই এইডস কখনও-ই শুধু সমকামীদের ব্যাপার নয়। বরং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ট্রাকচালকরাই সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ তারা অনেক সময়ে পতিতালয়ে গিয়ে কনডমবিহীন যৌনমিলন করে এইডসে আক্রান্ত হয়ে পরে বাড়ি ফিরে নিজের স্ত্রীকে আক্রান্ত করে ফেলে।

      Reply
  81. Tofazzal Hossain

    অবশ্যাই এটি একটি সাইকোলজিক্যাল ডিসঅর্ডার, স্বাভাবিক নয়।

    Reply
    • Sayem

      একদম ঠিক বলেছেন। এটা এক ধরনের মেন্টাল ডিসঅর্ডার।

      Reply
    • gowrab chowdhury

      পাবনা মানসিক হাসপাতাল থেকে মুক্তি পেলেন কবে? বিশ্বের সব বিজ্ঞানী ও ডাক্তার সমকামিতা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক বলে প্রমাণিত করেছে, আর আপনার মতো অল্পবিদ্যা ভয়ঙ্করী মূর্খের মতো মন্তব্য না করলেই নয়?

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      মনোবিজ্ঞান ইতোমধ্যে নির্ধারণ করেছে যে সমকামিতা মানসিক ব্যাধি নয়। তবে এ যৌনপ্রবণতা শুধু অল্পকিছু মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ।

      Reply
  82. jonogon

    ইসলাম সমকামিতা সমর্থন করে না। তাই মুসলিম কোনো দেশে একে আইন করে সমর্থনযোগ্য করা উচিত নয়। অন্য কোনো ধর্মেও একে সমর্থন করা হয় বলে শুনিনি।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      লেখক খুব ভালোভাবে গবেষণা করেই এ ব্যাপারে ধর্মীয় অনুশাসনের বর্ণনা দিয়েছেন। যেটুকু গবেষণা বাংলাদেশের অধিকাংশ মৌলবীরাও করেননি।

      Reply
  83. কান্টি টুটুল

    লেখক বলেছেন ….

    “সমকামী বা উভকামী হওয়াটা সম্পূর্ণরূপে স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর।”

    পৃথিবীর সকলেই “স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর” জীবনযাপন করবেন এতে নিশ্চয়ই কেউ দ্বিমত পোষণ করবেন না। যদি ধরে নিই পৃথিবীর ছয়শ কোটি মানুষের সকলেই সমকামী অর্থাৎ লেখকের ধারণায় “স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর” জীবনযাপন করছেন তাহলে পৃথিবী মানবশূন্য হতে কত সময় লাগবে? বড়জোড় দেড় থেকে দুশ বছর!

    এই হল লেখকের ধারণায় সম্পূর্ণরূপে “স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর” জীবনধারার পরিণতি! এ ধরনের বিভ্রান্তিকর, উদ্ভট, অদূরদর্শী বক্তব্য সরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানাই।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      আপনি লেখাটি ভালোভাবে পড়েননি। পৃথিবীর ছশো কোটি মানুষের সকলেই সমকামী নয়। কেবল প্রায় দশ শতাংশ। সবখানের মতো বাংলাদেশেও প্রায় দশ শতাংশ মানুষ সমকামী হয়ে জন্মগ্রহণ করেছে এবং এদের যৌনচাহিদা মেটানোর অধিকার আছে। একই ধরনের কাউকে তার ভালবাসার অধিকার আছে। আর আছে এবং সমাজ, পরিবার, স্কুল, কলেজ এবং কর্মক্ষেত্রে বৈষম্যহীনতায় জীবনযাপন করার অধিকার।

      Reply
      • কান্টি টুটুল

        আপনি সম্ভবত আমার মন্তব্যটি ঠিকভাবে অনুসরণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন!

        পৃথিবীর কত শতাংশ মানুষ সমকামী কিংবা তাদের ভালবাসার অধিকার আছে না নাই সেটি আমার মন্তব্যের বিষয়বস্তু নয়। সমকামী জীবনধারাকে লেখক যেভাবে সম্পূর্ণরূপে স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর জীবনধারা হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন আমি সেটির যৌক্তিক প্রতিবাদ করেছি মাত্র।

        আমি বিশ্বাস করি যে জীবনধারা পৃথিবীর সকল মানুষ চর্চা করলে এ পৃথিবী ক্রমশ মানবশূন্য হওয়ার দিকে এগিয়ে যায় তাকে আর যা-ই বলা হোক না কেন “সম্পূর্ণরূপে স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর” বলা যায় না।

  84. আফসার

    ডিলিঊশন একটি মানসিক সমস্যা। সমকামিতা প্রথমত এক ধরনের বিকৃত যৌনাচার এবং সেটিকে স্বাভাবিক মনে করা হচ্ছে এক ধরনের ডিলিঊশন। এর চিকিৎসা হওয়া অত্যন্ত জরুরি। আর সব উন্নত দেশের মতো আমাদের দেশেও এ রোগ দিন দিন বাড়ছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের আশু পদক্ষেপ জরুরি। তবে সামাজিক সচেতনতা এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ফলপ্রসূ।

    Reply
    • রসি

      ভাই, চিকিৎসা তখনই দরকার যদি এটা কোনো রোগ হত। এ কথা এখানে বার বার বলা হচ্ছে যে এটা রোগ নয়। আপনি যদি কোনো চিকিৎসার কথা শুনে থাকেন আমাদের জানান।

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      যারা সমকামী হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছে তাদের কাছে এটা অবশ্যই একটা স্বাভাবিক ব্যাপার। আপনার কাছে না হতে পারে, এর কারণ আপনি সমকামী নন। এ সামান্য যুক্তিটা বোঝাতে যে কেন এত কষ্ট হয় আমি বুঝি না। সামাজিক সচেতনতার অবশ্যই প্রয়োজন, তবে তা বাংলাদেশের সমকামীদের সমান অধিকার নিয়ে।

      Reply
  85. রাজু আহমেদ

    এরপর কীসের বৈধতার দাবি করা হবে? বাকি থাকল incest sex বা পারিবারিক যৌনতা যা এক কথায় পরিবাবের সকল সদস্যদের মধ্যে অবাধ যৌন সম্পর্ককে বুঝায়। দ্বিতীয়ত, পশুদের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক। পৃথিবীর অনেক স্থানে এরূপ যৌনতা দেখা যায়।

    বারবার দাবি করে অযথা সময় নষ্ট না করে একেবারে সব দাবি পেশ করুন। আপনাদের দাবির সপক্ষে অনেক নামিদামি গবেষকের সার্টিফিকেট পাবেন, কোনো অসুবিধা হবে না।

    Reply
      • rr

        আপনি সত্য কথাটা বলেছেন। সমকামিতা এক ধরনের মানসিক বিকার। একে বিজ্ঞান দিয়ে ব্যাখ্যা করা যাবে না।

    • Nizam

      পুরো একমত। উনারা এটাই চান, সবেমাত্র মাঠে নেমেছেন, বল ঠেলছেন।

      Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      সমকামীদের সমান অধিকার দাবির কারণ পৃথিবীর প্রায় দশ শতাংশ মানুষ সমকামী।

      পারস্পরিক অনুমতি নিয়ে পারিবারিক যৌনমিলনের নজির বা প্রবণতা বিরল। তাই এ যুক্তি হাস্যকর। পশুদের সঙ্গে যৌনসম্পর্ক পশুকে ধর্ষণ করার সামিল যা অমানবিক।

      Reply
  86. মামিনুর রহমান

    “প্রগতিশীল মুসলমান বিদ্বজনদের মধ্যে কেউ কেউ সমকামিতাকে (সমলিঙ্গীয় ভালোবাসা) নিন্দা না করে এর প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করেছেন। বহু বাংলাদেশি সমকামী ও উভকামী আছেন যারা নিজেদের ধর্মীয় অনুশাসনের সঙ্গে যৌনপ্রবৃত্তির বিরোধ খুঁজে পান না।”

    -বিষয়টা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করুন। মুসলমান বিদ্বজনদের নামসহ উল্লেখ করুন দয়া করে। মুসলমান মানে নামে মুসলমান নয় সেটাও আশা করি মনে রাখবেন।

    Reply
  87. অনিদহ অলি

    মানবিক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং মানবিক সম্পর্কে বিশ্বাসী মানুষকে এর পক্ষে দাঁড়াতে হবে।

    Reply
    • রিয়াজ ওসমানী

      মানবিক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং মানবিক সম্পর্কে বিশ্বাসী মানুষরাই সমাজের সকল সংখ্যালঘুদের সমান অধিকারে বিশ্বাসী।

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—