Feature Img

khalekuzzaman_e_fকর্মসূত্রে দীর্ঘকাল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থানকালে দেশের এই আবাসিক বিদ্যালয়টির প্রতি যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে তা ঠিক যেকোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার ফলে গড়ে ওঠা সম্পর্কের মতো নয়। গত শতকের সত্তুর দশকের শুরুতেই যাত্রা আরম্ভ করে এই বিশ্ববিদ্যালয়। ওই একই দশকের শেষার্ধ্বে প্রভাষক হিসেবে আমিও যোগ দিই এবং টানা ছ বছর ক্যাম্পাসেই বাস করি। সে সময় ছেলেদের দুটো এবং মেয়েদের একটা আবাসিক হলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো সাকুল্যে এক হাজার কি বারশো। ছাত্রদের সঙ্গে বয়সের ব্যবধান কম থাকায় তাদের সঙ্গে যুবক শিক্ষকদের সম্পর্কও ছিলো বন্ধুর মতই।

রাজনৈতিক সহিংসতা যে একেবারে ছিলো না তা নয়, এখনকার এই ভয়াবহ মাত্রা সে যুগে মোটামুটি অকল্পনীয়ই ছিলো। পড়াশোনার পাশাপাশি ছাত্ররা কবিতা আবৃত্তি, লেখালেখি, গানবাজনা, নাট্যোৎসব, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ইত্যাদি নানা কাজে দারুণ উদ্দীপনার সঙ্গে অংশ নিত। ক্লাশের ভেতরে বাইরে ওদের নিয়ে আমারও কাটতো বেশিরভাগ সময়। একে তো জাহাঙ্গীরনগরের অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্য গাছপালা, মানুষে-কাটা এবং প্রাকৃতিক জলাশয়, পাখ-পাখালি আর উঁচু নিচু রাঙামাটির পথ–সর্বোপরি পছন্দের পেশা, মনে হতো যেন আনন্দলোকেই বাস করছি, যেন আশীষের পথেই চলেছি। একাশিয়া তরু ঢাকা দীর্ঘ পথে বসন্তের জ্যোৎস্না ঢালা রাতে এক কবি আর প্রয়াত নাট্যকারের সঙ্গে গভীর রাত পর্যন্ত প্রসঙ্গ থেকে প্রসঙ্গান্তরে আলাপ করতে করতে বেড়ানোর যে দৃশ্য আজো চোখের মণিকোঠায় অনপনেয় রঙে আঁকা আছে তা বার বার এলোমেলো হয়ে যায় যখন সংবাদপত্রের কাঁধে চড়ে কফিনের মতো ভেসে আসে জাহাঙ্গীরনগরের দু একটা দুঃসংবাদ। এরপর বেশ কয়েক বছর দেশের বাইরে কাটিয়ে নব্বইয়ের শুরুতে যখন ফের জাহাঙ্গীরনগরে এসে যোগ দিই ততদিনে আমার সেই স্বপ্নলোক অনেকাংশেই বিলীন হয়েছে। ছাত্র সংখ্যা বেড়েছে কয়েক গুণ, সেই সঙ্গে বেড়েছে রাজনীতির প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ। ছাত্র শিক্ষক সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে প্রচন্ড রকম এবং এক ধরনের দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে ছাত্র এবং তাদের জ্ঞানদাতা শিক্ষকদের মধ্যে। এক সময় তো এমন হলো, শিক্ষকরাজনীতি ওই সম্পর্ককে এমন তিক্ততার পর্যায়ে নিয়ে গেল যে বিক্ষুব্ধ ছাত্র কর্তৃক শিক্ষক প্রহৃত হওয়ার মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনাও ঘটলো।

অন্যদিকে, জাতীয় পর্যায়ে স্বৈরাচারের পতনের আন্দোলনে রাজনৈতিক দলগুলো যেহেতু ছাত্রদের ওপরই ছিলো বেশি নির্ভরশীল, সেজন্য রাজনৈতিক নেতৃত্ব যেমন ছাত্রদের প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে, তেমনি ছাত্রনেতৃত্বও এই দুর্বলতার সুযোগ নিতে থাকে পুরোমাত্রায়। দুর্ভাগ্যক্রমে এই সময় একটি হলের ওয়ার্ডেন এবং পরে প্রভোস্ট নিযুক্ত হওয়ায় ছাত্র রাজনীতি এবং এর ভেতরের কদর্য রূপ দেখার আমার সুযোগ ঘটে। ইতিমধ্যে ছাত্র শিবিরের তান্ডবে ছাত্রদলের একটি ছেলেও খুন হয়েছে এবং সেজন্য সাধারণ ছাত্ররা ক্যাম্পাসে শিবিরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের কিছুটা পিছিয়ে থাকা স্থানীয় জনগোষ্ঠিতে আস্তানা গেড়ে শিবির মাঝে মাঝেই গেরিলা কায়দায় এসে ছাত্রাবাসে আক্রমণও করতে শুরু করেছে এবং এতেও লাঠিসোটা চাপাতির সঙ্গে সীমিত আকারে আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার হয়েছে। এখন, একজন তরুণের হাতে যখন স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ওঠে তখন তার আচরণ এবং সামগ্রিক অবয়বই যায় পাল্টে। মুখগহ্বরের নোলা তখন কাজ করে ট্রিগারের মতো এবং মুখ থেকে দমকে দমকে সেই ট্রিগার ঠেলে দেয় কথার কার্তুজ। এই তরুণের চোখে তখন সবাই শত্রু কিংবা সামনে হাঁটু গেড়ে বসা শত্রুপক্ষেরই কোনো কৃপাপ্রার্থী। কার সাধ্য তখন তাকে সামলায়? রাজনৈতিক যোগাযোগের সূত্রেই এইসব অস্ত্রের মোটামুটি একটা নিয়মিত চালান অব্যাহত থাকতো ছাত্রাবাসের দলীয় ক্যাডারদের মধ্যে।

তবে হ্যাঁ, অস্ত্রের চেয়েও শক্তিশালী ও আকর্ষণীয় আরেকটি যে উপসর্গ এ সময় ছাত্ররাজনীতিকে উন্মুক্ত মচ্ছবে রূপান্তরিত করে তা হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন নির্মাণ কাজের বখরা থেকে পাওয়া অর্থ। শুধু যে ঠিকাদারের কাছেই মোটা অঙ্কের চাঁদা আদায় হতো তা নয়, রাতের বেলা আরিচা রোডে ট্রাক থামিয়ে অর্থ উপার্জন (যা ডাকাতি ছাড়া আর কিছু নয়) কিংবা পথচারীদের সর্বস্ব ছিনতাই করা ইত্যাদি কাজও নিয়মিত চলতো বলে শোনা গেছে।

এজন্য মাঝে মাঝে আমার শখের পেশার প্রতিই জন্মাতো প্রচণ্ড বিতৃষ্ণা। কাদের পড়াই আমরা? দিনের বেলা যে ছেলেটি কিংবা ছাত্র রাজনীতির পান্ডা বা কর্মীটি পেছনের বেঞ্চে বসে অন্যমনস্ক হয়ে তাকিয়ে আছে সে-ই কি রাতের বেলা আরেক মূর্তিতে আবির্ভূত হয়ে ঢাকা-আরিচা সড়কে ট্রাকে ডাকাতি করে? এইসব সত্য এবং কখনো কখনো হয়তো গুজবের টানাপোড়েনে, বিশ্বাস অবিশ্বাসের দোলাচলে যখন প্রভোস্টের দায়িত্ব ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে, তখন একটি ঘটনায় ছাত্র রাজনীতির উঠতি নেতৃত্বের একটি কদর্য চেহারা খুব কাছে থেকে দেখার দুর্ভাগ্য আমার হয়।

একদিন সকাল বেলা অফিসে গিয়ে শুনি যে একজন স্কুটার ড্রাইভার কোনো এক ছাত্রনেতার টাকা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করায় তাকে মারধর করে হলের গেস্টরুমে আটকে রাখা হয়েছে। যা বলা হলো তা এরকম: আগের রাতে ঢাকা থেকে দুজন ছাত্র স্কুটার ভাড়া করে প্রায় কুড়ি মাইল দূরের এই ক্যাম্পাসে আসে। ওরা ভাড়া দেওয়ার জন্যে টাকা বার করতেই নাকি স্কুটার ড্রাইভার চাকু দেখিয়ে ওদের মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এই অপরাধে তাকে বেশ উত্তম মধ্যম দিয়ে ঘরে বন্দি করে রাখা হয়েছে। অতিথি কক্ষে গিয়ে দেখি লুঙ্গিপরা লোকটা মেঝেতে বসে আছে সামনে একটা বন রুটি আর কলা। বড় বড় লাল চোখে সে আমার দিকে তাকায়, কোনো কথা বলে না, আত্মপক্ষ সমর্থন কিংবা অভিযোগ কোনোটাই সে করে না। সে সময় খবর পেয়ে তার বোরখাপরা স্ত্রী এবং চার বছরের আধা ন্যাংটো একটা ছেলেও এসে হাজির। ছেলেটার নাক দিয়ে যথারীতি জিনিসপত্র ঝরছে। ওদের কান্নাকাটি পেছনে ফেলে যখন অফিসে গিয়ে বসি তখনো আমার বদ্ধ ধারণা যে ঘটনাটা সত্যি এবং স্কুটার ড্রাইভারটা দোষী। আসলে ছিনতাই এর চেষ্টা হয়েছিলো ঠিকই কিন্তু কুশীলবদের ভূমিকা ছিলো সম্পূর্ণ ভিন্ন। ড্রাইভারকে ভাড়া না দিয়েই ছাত্র দুজন হলে ঢুকতে চাইলে সে আপত্তি জানায় এবং তাতেই ঘটে বিপত্তি। একটি সাজানো নাটক তৈরি করে তাকে মারপিট করে আটকে রাখা হয়। কোত্থেকে একটা চাকুও জোগাড় হয়ে যায় এবং সেই চাকু দেখিয়েই নাকি স্কুটার চালক ছাত্রনেতাদের টাকা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেছিলো। এমন দাবিও করা হয় ছাত্রনেতৃত্বের পক্ষ থেকে।

ইতিমধ্যে নাটক দ্রুত পরিণতির দিকে এগিয়ে চলে। আমরা প্রভোস্ট, ওয়ার্ডেন, হাউস টিউটর, এমনকি স্বয়ং উপাচার্য ও প্রক্টরও লোকটিকে ছাত্রনেতাদের খপ্পর থেকে ছাড়িয়ে নিতে পারি না। ওদের এক কথা স্কুটার মালিককে আসতে হবে। এরপর শোনা যায় মালিকের কাছে ইতিমধ্যেই হাজার চল্লিশেক টাকা “ক্ষতিপূরণ” চাওয়া হয়েছে। মালিকও কম ঘুঘু নয়, টাকা দেওয়া দূরের কথা, সে ওদিকে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। এবং দুদিন পর তখনকার ছাত্রদলের সভাপতি এসে হাজির হয়ে ধমক দিলে ওরা বিনা বাক্য ব্যয়ে ড্রাইভারকে মুক্তি দেয়। আমরা ওদের এতো বছরের এতগুলো শিক্ষাগুরু দুদিন ধরে নানাভাবে চেষ্টা করেও কিছু করতে পারি না, অথচ ওদের রাজনৈতিক গুরুর জন্য কাজটা কয়েক মিনিটের ব্যাপার মাত্র। এতে প্রমাণিত হয় যে বইপত্রের শিক্ষা কিংবা শিক্ষক নয়, রাজনীতির যে খুঁটির সঙ্গে ওরা বাঁধা সেই খুঁটিই খুব শক্ত এবং ওরা তড়পায় ওই খুঁটির জোরেই।

আসলে ক্ষমতা যতই ক্ষণস্থায়ী এবং হাস্যকর হোক, ক্ষমতাধারীর মনে তা খুব তীব্র উত্তেজক প্রভাব ফেলে। এই উত্তেজনার বশে তরুণ মন ধরাকে সরা জ্ঞান করে, তার সামনে তখন থাকে দু ধরনের মানুষ এক, শত্রু যাকে নিশ্চিহ্ন করতে হবে; দুই, কৃপাপ্রার্থী পরাজিত শত্রু। এই একই উত্তেজনা আবার কামবর্দ্ধকও বটে। ক্ষমতার উত্তেজনার সঙ্গে যৌন উত্তেজনারও একটি নিবিড় সম্পর্ক মনস্তাত্বিকরা খুঁজে পান। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র নেতৃত্বে এই ব্যাপারটিও নব্বইয়ের দশকে বেশ সাড়া জাগিয়ে তা দেশের সীমানা পার হয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও নাড়া দিয়েছিলো। সে সময় এক ছাত্রনেতা ঘটা করে তার শততম ধর্ষন ক্রিয়া উদযাপন করেছিলো।

সম্প্রতি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যে গোলাগুলি, হল দখল, চারতলা থেকে ছুঁড়ে ফেলা, সবুজ ঘাসের বিছানায় অচেতন হয়ে বিক্ষিপ্তভাবে শুয়ে থাকার ঘটনা ঘটলো তা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়, ছাত্ররাজনীতির একটা ধারাবাহিক উত্তরাধিকার। এই উত্তরাধিকার কর্কটরোগাক্রান্ত এবং সবার স্বার্থেই একে উৎপাটন করতে হবে। ছাত্ররা যত খুশি রাজনীতি করুক কিন্তু সেটা তারা করবে দেশের সচেতন শিক্ষিত সমাজের অংশ হিসেবে, ছাত্র হিসেবে নয়, নয় কোন রাজনৈতিক দলের অঙ্গ সংগঠনের সদস্য হিসেবে। এজন্য প্রথমেই প্রয়োজন খুঁটিতে বাঁধা দড়িটাকে সরিয়ে ফেলা। কিন্তু সরাবেটা কে? বর্তমান সরকার যেহেতু মৌখিকভাবে তাদের অসংগঠনকে পরিত্যাজ্য ঘোষণা করেছে এবং সংসদেও তাদের বিপুল সংখ্যাধিক্য। এই সুযোগে একটা আইন করে কি লেজুড়বৃত্তির ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করা যায় না? লেজুড়বৃত্তির রাজনীতির বিকল্প হিসেবে যে রাজনীতি বিশ্ববিদ্যালগুলোতে চালু হতে পারে তা হলো বিষয় কিংবা কর্মকান্ডভিত্তিক বিভিন্ন সংগঠনের রাজনীতি। এই সব সংগঠন হবে বহুলাংশে স্বায়ত্বশাসিত, এদের প্রত্যেকের জন্য থাকবে প্রয়োজন মাফিক অর্থ বরাদ্দ; এদের পরিচালনা কমিটি হবে নির্বাচনের মাধ্যমে কিংবা সর্ব সম্মতি ক্রমে, এবং প্রত্যেক সংগঠনের পরামর্শক হিসেবে থাকবেন একজন শিক্ষক। এই সব সংগঠন হতে পারে বিচিত্র বিষয়ক, যেমন সমাজসেবা, সংস্কৃতি, রাজনৈতিক পর্যালোচনা, কম্পিউটার, বিজ্ঞান, নাটক, সিনেমা, আলোকচিত্র ইত্যাদি। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং ছাত্রদের বিষয়ে পরামর্শদানের কিংবা হলের ব্যবস্থাপনায় সীমিত আকারে অংশগ্রহণের জন্যও সংগঠন থাকতে পারে। পড়াশোনাকে মুখ্য ভূমিকায় রেখে লেখাপড়ার বাইরে ছাত্রদের এইসব কার্যক্রমে নিয়োজিত রাখলে তারা মোটামুটি দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে ছাত্রত্ব শেষ করে কর্মজীবনে প্রবেশ করতে পারবে। আমার এক স্বনামধন্য শিক্ষক বলতেন বিশ্ববিদ্যালয়ে যে হারে গোলাগুলি, মারপিট হয় তাতে একজন ছাত্র কোনো রকমে বেঁচে জীবন নিয়ে পার হতে পারলেও সেশন জটের কারণে যৌবন নিয়ে বেরুতে পারে না। খুঁটির রাজনীতি যদি উৎপাটন করা যায় তাহলে সে তার জীবন যৌবন জয় নিয়েই বেরুতে পারবে কারণ তখন ভর্তি-বাণিজ্য, টেন্ডারবাজী, চাঁদাবাজী, ফেরেববাজী ইত্যাদির রাজনীতি উৎপাঠিত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেবে। ছাত্রত্বের সঙ্গে এই “বাজী” প্রত্যয় নিতান্তই বেমানান। একমাত্র রাজনৈতিক নেতৃত্বের সদিচ্ছা ও শুভ বুদ্ধির জয় হলে এবং শিক্ষক নেতৃত্বেও তা সঞ্চারিত হলে ছাত্র সমাজ এই নষ্ট প্রত্যয় থেকে মুক্ত হতে পারে।

২১ প্রতিক্রিয়া -- “ছাত্ররাজনীতি: বাগানের সাপ”

  1. kader

    ‘৭১ এ দেশ স্বাধীনতা এল অনেক রক্তের বিনিময়ে।সাথে এল পেন্ডোরার বাক্স। ডালা হাল্কাভাবে আট্কানো চিল।গদিনশীনদের কারসাজিতে প্রবল প্রতাপ সহ্কারে অব্মুক্ত হল ভেতরের জীবানুগুলো।কিচু মানুষ সব স্বাধীনতা পেয়ে গেল।তারা সব কিচু লুটে নিতে লাগল।অল্প কিচুদিনের মাঝে খূন,ধরষন,
    রাহাজানীতে ভরে গেল দেশ।মূল্যবোধের অবখ্ষ্য় হল, কলুষিত হল সামাজিক পরিবেশ,সবকিচুতে ঢুকিয়ে দেয়া হল রাজনীতি,দূষনে ভরে গেল শিষ্খাণঙগন। লেখাপড়া পাটে গেল,শুরু হল অস্ত্রবাজি।’৭৪ এ ঢাকা ভারসিটির সাত খূন চিরকালের ক্ল্নংক তিলক হয়ে থাকল দেশের ললাটে।ধিক রাজ্নীতি!থুক দেই।

    জবাব
  2. Kissor

    Thank you sir. But Sir, my question is if few teacher’s didnt or dont inspire and give back to the student politicians then would we face the present situation.. how the students give much time in politics and how they passed in their exams???? Still now, few teachers use them for their benefits and by this, in one sense they transfer into the pawn of that leaders.

    My last word is, as a teacher, u must agree that the teachers are mostly responsible for the present situation because if u wanted u could prevent it. For example: We can look at BUET and Khulna University.

    জবাব
  3. Imtiaz Zulkarnain

    Sir, you have mentioned the name of Shibir & Chhatradol. Shibir is banned at JU. Don’t you think this is high time we are to ban Chhatraleague all over the country? Compare the history of Shibir & Chhatraleague impartially & say which one is better.Please don’t be blind.In fact,the indifferent mentality of so-called “sushil somaj(that includes you too)” to the harmful activities of BCL inspires them to carry on their terrorism.You are obviously doing injustice to Shibir.

    জবাব
  4. Maqsud

    The VC of the prime university of Bangladesh does not have a honours degree.I dont think anything will change till we abandon ‘DEMOCRACY’ in Bangladesh.The student involved with the autorickshaw affair is surely our future prime minister or at least a minister or MP. Do you know about the lifestyle of the Father of Our Nation when he was an emerging student leader in Baker Hostel in Calcutta and a volunnteer of student front of Muslim League?

    জবাব
  5. আশরাফ

    বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনার ব্যাপারটা আর একটু বারালে কেমন হয়? ছাত্ররা গবেষণাধর্মী কাজে ব্যাস্ত হয়ে থাকলে এইসব অপ্রত্যাশিত ঘটনা কমতেও পারে।

    জবাব
  6. বিভূতি ভূষণ মিত্র, সমকাল, অনলাইন সাংবাদিক

    ছাত্র রাজনীতি নিয়ে একজন শিক্ষকের এই সরব উপস্থিতি আমার ভাল লেগেছে। আশা করি ছাত্র ও শিক্ষক মহলে এই নিয়ে আরো অনেক আলাপ আলোচনা হবে। একই সাথে ছাত্র রাজনীতি কথাটা শুধুমাত্র ছাত্রকেন্দ্রিক বিষয় নয়, এখানে শিক্ষকদের বিরাট অংশের একটি যোগাযোগ আছে। ( বলা উচিত ছাত্র-শিক্ষক রাজনীতি ) আশা করি এই বিষয়টাও আলাপে উঠে আসবে।

    জবাব
  7. Ptasmia

    Without politics nothing can get in Bangladesh. Without political affiliation job is impossible. There is no example that a neutral person secured any high position in any strata in the country or society. Even the judges are appointed with political identity, academic result or professional experience has no value. when the PM deserve the present nasty student politics then how it possible to get rid of this curse?

    জবাব
  8. Md. Nazrul Islam Humayun

    First of all, all teachers should stop doing politics. I am agreed with you about student politics but I think all teacher should be united first and stop doing politics then automatically student will follow the path… Can you answer? A teacher is blindly doing politics to be a vice chancellor of the university!!! Can you find a vice chancellor who does not get the position without doing politics…? So, hope and believe that in future you will write about dark side of teacher politics…

    জবাব
  9. রহমাতুল আলম রনজু

    খালেকুজ্জামান স্যার বলেছেন- আইন করে লেজুড়বৃত্তির ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করা যায় না?
    আসলেই কি আইন করে লেজুরবৃত্তি বণ্ধ করা সম্ভব? সবাই লেজুরবৃত্তি করলে ছাত্রদের দোষ কি? দেশে তো মাঝি লীগ থেকে শুধূ ডাক্তার দল আছে। তাদের বেলায় কেন এরকম আইন হবে না।

    জবাব
  10. বদরুল আহসান

    আপনি বরং লেজুড়বৃত্তির শিক্ষক রাজনীতি বন্ধ করার জন্য আগে আহবান জানান, স্যার ।

    জবাব
  11. Rabbani

    এরকম অনেকেই লিখছেন আজকাল। কিন্তু যাদের পড়ার কথা, যারা মালাটা গলায় পরাতে পারেন; তারা কি আদৌ এই লেখা পড়বে বা আন্দোলিত হবে? হবেনা। এসব লিখে কোন কাজ হবে না। ক্ষমতায় কোন জ্ঞানী ব্যক্তি্ নেই, তারা জ্ঞানীকে থোড়াই কেয়ার করেন। ওদেরকে থামাতে গেলে খুব গভীরে যে গুটিকয়েক মাথা আছে, ওদেরকে সরিয়ে দিতে হবে। কাজটা আজ হোক কাল হোক হবেই। কিন্তু আপনাদের প্রজন্ম সেই সুখ উপলব্ধি করতে পারবেন কিনা জানিনা।যাইহোক গুটিকয়েক মানুষ পড়ল, কেউ কেউ দু’মিনিট ভাবলো, হয়ত এভাবেই একদিন বিপ্লব আসবে, খুব গহীন থেকে।

    জবাব
  12. Sagor

    The author himself is not free from his political view. You have explicitly mentioned the name of Shibir and Chatr-dal, however you forgot to mention Chatr-league in this writing. Of cource Chatra-dal and Shibir did many wrong things before and they are no good example of student politics. What Chatr-league is doing is the worst of all time.

    জবাব
  13. মো: দানেশ মিয়া

    ষ্কুটার ড্রাইভারের এই করুন কাহিনী, ছাত্রদের ট্রাক ডাকাতি, ছাদ থেকে প্রতিপক্ষের ছাত্রদেরকে ফেলে দেওয়াসহ আরো নির্মম কাহিনী ছাত্র সংশ্লিষ্ট যারা আছেন, তারা বলতে পারবেন। আমিও একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। আমার বুকটা ফেটে যায় এই ভেবে যে, আমরা কি ভযাবহ অবস্থার দিকে এগুচ্ছি !!! যে ছাত্ররা দেশের ভবিষ্যৎ, যারা আইনের শাসনের কথা বলবে, যারা মানবতার সপক্ষে যুক্তি তুলে ধরবে, যাদের থেকে দেশের সাধারন মানুষ ভদ্রতা, সভ্যতা শিখবে, সে ছাত্র নামক কিছু পাষন্ড যখন ছাত্র রাজনীতি নামের ভয়ানক এক অপকৌশলের মাধ্যমে দেশের সমগ্র শিক্ষা ব্যবস্থাকে কলঙ্কিত করে দিচ্ছে, আমাদের দেশের সম্ভাবনাকে ব্যাহত করছে, সেই ছাত্ররাজনীতি আমাদের কেন দরকার? আমরা দেশের জন্য এত নীতি, এত আইন, এত কানুন তৈরি করতে পারি, আর এই ভয়ানক অপকৌশলকে আইন করে থামাতে পারছি না কেন? বর্তমান সরকার অনেক আশা আকাঙ্খার সরকার, জনগনের সরকার, মানবতার পক্ষের সরকার। ইতিমধ্যেই আমরা সরকারের অনেক সম্ভাবনাময় প্রচেষ্টা পর্যবেক্ষন করেছি। ষ্কুটার ড্রাইভারের এই করুন কাহিনী পড়ে আমার চোখে পানি এসেছে। জাহান্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাদ থেকে ছাত্রদেরকে ফেলে দেওয়ার ঘটনা যখন পত্রিকায় পড়ি, আমি সারাদিন কিছু করতে পারি নি। আমার শুধু মনে হয়েছে, সরকার কি এদের কাছে অসহায় ? একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এরকম ঘটনা কেমন করে ঘটতে পারে? বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আর সন্ত্রাসীদের মথ্যে পার্থক্য রইল কোথায়? বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বর্তমান এই সরকারকে অনুরোধ করবো যেন দ্রুত ছাত্ররাজনীতি নামের এই অপকৌশলকে থামানোর ব্যবস্থা করেন আর দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাঁচিয়ে তুলেন।

    জবাব
  14. Kazi

    I read your article .You have narrated the past. Why are you not asking your collegues to be united for the greater benefit of this country ? Why are they doing politics in favor of many different parties ? Why do they want power ? Is it really important to be a part of any party in Bangladesh for them? Teachers are responsible for this.Teachers are corrupted in Bangladesh .They should take this responsibility .

    জবাব

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল অ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—