Delwar Hossain Sayeedi - 1.png

এই লেখা তৈরির আগে গণমাধ্যমে পরিচিত বেশ কজন সাংবাদিককে ফোন করেছিলাম। খুব কমন একটা জিজ্ঞাসা নিয়ে: “দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর নাকি একটা অডিও টেপ এসেছে বাজারে?”

“আরে, আপনি জানেন না! কেলেংকারি ঘটনা!… বিভিন্ন মহিলার সঙ্গে সাঈদীর ফোনালাপের রেকর্ডিং… শুনলে হাসতে হাসতে মরে যাবেন… ইউটিউবে পাবেন… অনলাইনে সার্চ দিলেই তো লিংক মিলে… ইত্যাদি ইত্যাদি।”

কয়েকজন সহৃদয় সাংবাদিক আমাকে লিংক এমনকি অডিও ক্লিপ মেইল পর্যন্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এই সরল জিজ্ঞাসার একটি উদ্দেশ্য ছিল। দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর একটা টেপ বাজারে এসেছে। যেখানে বিদেশি যে কোনো যৌন কেলেংকারির লাইন বাই-লাইন আমাদের পত্রিকাগুলো ছাপায়, ট্যাবলয়েডগুলো যেখানে কোনো ধর্ষণের খবর উত্তেজক মোড়কে পরিবেশন করে, সেখানে এই নীরবতা যথেষ্ট বিস্ময় জাগায়। ফেসবুক-ব্লগ যেখানে এই বিষয় নিয়ে সোচ্চার সেখানে মূলধারার পত্রিকাগুলোর এই নীরবতা রহস্যজনকও বটে। সাংবাদিকরা জানেন কিন্তু খবরটা ছাড়ছেন না!

অথচ সাম্প্রতিক সময়েই ঠিক উল্টোটা আমরা দেখেছি। যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারকের সঙ্গে একজন বিদেশি আইন উপদেষ্টার স্কাইপি আলাপনের রেকর্ডিং আমাদের পত্রিকাগুলো ফলাও করে ছাপিয়েছে। প্রতিদিন সম্পূরক খবর এসেছে যাকে আমরা ফলোআপ বলি। কিন্তু এখন এই নীরবতার মানে কী? স্কাইপিতে কারও ব্যক্তিগত কথোপকথন গোপনে সংগ্রহ করে প্রকাশ নিঃসন্দেহে ব্যক্তি গোপনীয়তার মারাত্মক লঙ্ঘন। কিন্তু পত্রিকাগুলো সে এথিকসের ধার ধারেনি। ৮ টাকার পত্রিকাও দুই টাকার পত্রিকার মানে নামতে দ্বিধা করেনি সে সংলাপের রসালো এবং হাইলাইটেড পরিবেশনায়। মোটের ওপর খবর এসেছে প্রতিটি পত্রিকাতেই।

সেই তারা কেন নীরব? কেন নীরব সরকারপক্ষের বলে চিহ্নিত হওয়া মিডিয়াগুলো?

 

Document 2

 

প্রসঙ্গত বলতেই হয়, স্কাইপি কেলেংকারিতে সংশ্লিষ্ট বিচারক শুধু পদত্যাগই করেননি, সেই সঙ্গে স্থগিত হয়ে আছে বহুলপ্রতীক্ষিত একটি রায়। সেই রায় দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর যুদ্ধাপরাধের অভিযোগের বিচারের মামলার রায়। আমাদের স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি যখন সোল্লাসে এই কেলেংকারি উদযাপন করছে, সংশ্লিষ্ট সম্পাদকের জন্য নোবেল পুরস্কার দাবি করছে, তার মধ্যেই এই টেপ বাজারে এসেছে। কিন্তু এক যাত্রায় এই ভিন্ন ফলের মানে কী?

এটা তো বলার অপেক্ষা রাখে না যে, যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত দল জামায়াতে ইসলামীর যাবতীয় বাজি সাঈদীর ওপরেই। কারণ গোলাম আযম কিংবা নিজামীদের যেমন সরাসরি পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে দলীয়ভাবে সেই তুলনায় সাঈদী একটু পিছিয়ে। সে যুদ্ধাপরাধ করেছে নিজের উদ্যোগে, জামায়াতের হয়ে নয়। পরে সে জামায়াতে যোগ দিয়েছে, নিজেকে তাদের আইকন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সারাদেশে জামায়াতের পক্ষে যেটুকু গণসমর্থন সেটুকু এই সাঈদীর সৌজন্যেই। তাই সাঈদীর রায় হলে জামায়াত ও ছাত্র শিবির সারাদেশে আগুন জ্বালানোর জন্য কিছু অরাজনৈতিক লোককেও সঙ্গে পাবে যারা সাঈদীর ভক্ত।

কিন্তু এই টেপ তা ভণ্ডুল করে দিতে পারে। বিভিন্ন দেশ থেকে সাঈদীকে রক্ষা করতে তার ভক্তকুল যে কোটি কোটি টাকা অনুদান হিসেবে পাঠাচ্ছে তা মুহূর্তেই থেমে যাবে। কোনো প্রমাণিত লম্পটের সঙ্গে ইসলামকে গুলিয়ে পাপের ভাগিদার হতে চাইবে কোন ঈমানদার!

অনলাইনে টেপগুলো ছাড়ার পর প্রাথমিকভাবে সাঈদী-ভক্তদের প্রতিক্রিয়া ছিল এইগুলো বানোয়াট– অভিনয় করে, সফটওয়্যার ব্যবহার করে বানানো। স্কাইপি কেলেঙ্কারির সময় যেটা তাদের একবারও মনে হয়নি সেই সন্দেহটাই এবার বেশ তীব্রভাবে জানান দিয়েছে। এমনকি বাংলালিকস নামে যে সংগঠনটি এসব টেপ ভুয়া প্রমাণ করতে পারলে এক লক্ষ ডলার পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছে, তাদের অনলাইন ঠিকানা এবং মেইলিং এড্রেস দিয়েছে– সেটাও আমলে নিচ্ছে না তারা। আমার ছবি দিয়ে সেখানে বাড়তি টেক্সট জুড়ে দেওয়া হয়েছে যে, আমি নাকি সাঈদীর অডিও টেপ সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরি করে বাজারে ছেড়েছি।

এইরকম একটা ঘৃণ্য ও মিথ্যে অভিযোগের মাধ্যমে আমার ও আমার পরিবারকে যে নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ফেলে দেওয়া হল তার দায় কে নেবে? কাল বা পরশু আমাকে হত্যা করা হলে, তারপর ধামাচাপা পড়ে যাবে এই কেলেংকারি? আমি মিথ্যা অভিযোগে বলির পাঠা হয়ে আমৃত্য এক কলংক বয়ে বেড়াব। আমি প্রয়োজনে আদালতে যাব এই অন্যায় অভিযোগের প্রতিকার খুঁজতে, নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।

কিন্তু তার আগে জানতে হবে সংবাদমাধ্যমের এই নীরবতার উৎস কী। কোন অদৃশ্য হাতজোড়া তাদের মুখচাপা দিয়ে রেখেছে? ট্রাইব্যুনালে যে যুদ্ধাপরাধের বিচার হচ্ছে তার মধ্যে অভিযুক্তদের একটা বড় অংশ বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। এদের অর্ধেকেরও বেশি সাংবাদিক ছিলেন। তাদের পরিচিতি দিয়ে ঢাকা প্রেস ক্লাবের বাইরে একটা বড়সড় স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে। আফসোস, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাতেও ছিলেন একজন সাংবাদিক।

বর্তমান প্রজন্মের সাংবাদিকরা সেই নিহতদের বিচারের চেয়ে মনে হয় অভিযুক্তকে রেহাই দিতে বেশি মরিয়া। তাদের আচরণ সেই নির্দেশনাই দিচ্ছে। তারা দায়িত্ব পালন করছেন না। টেপটি সত্য কিংবা ভুয়া এই বিচারের ভার পাঠকের উপর ছেড়ে দিয়ে তাদের অন্তত এর প্রকাশের খবরটি অন্তত জানানো উচিত জনগণকে।

আমার অবিচুয়ারির জন্য অপেক্ষা করাটা উচিত হবে না।

অমি রহমান পিয়ালব্লগার, অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট

১১১ Responses -- “সাঈদীগেট এবং সংবাদমাধ্যমের বিস্ময়কর নীরবতা”

  1. সুজা মালিথা

    সাঈদী চোরা রাজাকার
    শোন সবে ঘটনা মজার
    আল্লাহর নামে নাম তার
    আল্লামা মহা বাটপার।
    জেলখানায় আছে আরাম
    যেথায় ছিল বড় গোলাম
    সরকার এক ফাঁকিবাজ
    দেখেনা রাজাকারের সাজ
    সকাল দুপুর সব রাজাকার
    গুনছে দিন কতক বার
    জেল হোক বাহির হোক আর
    ফাঁসি হোক, আসবে দিন আবার।

    Reply
  2. Ahmed Azam

    এই কথাগুলো সময়মতো প্রত্রিকায় প্রকাশ পেলে অন্তত এতজন নিরীহ মানুষকে (শিবির/জামায়াত বাদে যারা মারা গেছেন) জীবন দিতে হত না। এর কিছু দায়ভার কি সংবাদ মাধ্যমগুলোর উপর বর্তায় না?

    Reply
  3. এত বচনের দরকার কি?
    ছোটবেলায় কিছু ক্যানভাসার দেখেছি অবিকল সাইদির মত কথা/ওয়াজ করতে।

    Reply
  4. জিয়া চৌধুরী

    কারও কণ্ঠস্বর নকল করার মত সফটওয়ার আবিস্কার বা তৈরী হয়েছে এরকম কোন কথা শুনিনি। বিশেষ করে যেখানে নতুন কোন এপস বা সফটওয়ার আবিস্কারের সাথে সাথে ইন্টারনেটের মাধ্যমে দেশ বিদেশে ছড়িয়ে যাচ্ছে। একটি বা দুটি টেপ হলে না হয় বুঝতাম। যেখানে সেক্স টেপ ছাড়াও পারিবারিক আলাপ প্রকাশ পেয়েছে সেখানে স্পষ্ট বোঝা যায় এসব বানানো নয়। যারা সন্দেহ পোষন করছেন তারা সবগুলো টেপ শুনে তারপর মন্তব্য করুন। একাত্তরের কুখ্যাত দেইল্যা রাজাকার এরকম সেক্সফোনকল করবে তাতে আমি আশ্চর্য্য হইনি। সে করতেই পারে। কিন্তু যারা সাঈদীকে পীর মেনে নিলর্জ্জ ভাবে তাকে ধোয়া তুলসীপাতা প্রমাণে ব্যস্ত তারা স্কাইপি বিষয়ে একবারও প্রতিবাদ করেননি। প্রমান চাননি এগুলা আসল নাকি বানানো। চোরের মায়ের বড় গলা একেই বলে।

    সাঈদী সমর্থকরা টেবিলে দুই পা মেলে দিয়ে শুয়ে থাক। লইট্ট্যা মাছ খেয়ে আমরা আসতেছি। একদিকে পান আর আরেকদিকে মেশিন চলবে– কথা দিলাম।

    Reply
  5. তারেক

    আমি তিনটি টেপ শুনেছি। সাঈদীকেও দেখেছি তার কথাও শুনেছি।

    ঘটনা, বর্ননা কোনভাবেই মেকী নয়।

    বরং খুবই সাবলীল এবং স্বাভাবিক।

    এটা বানোয়াট হওয়া সম্ভব নয়।

    যারা এটাকে বানোয়াট বলবে তারাও সাঈদীর মত লম্পট।

    Reply
  6. Tuhin

    জামাত ও শিবিরের লোকদের ব্রেন ওয়াশ করা। ওরা কিছুতেই মানবে না। কিন্তু সাধারন জনগনের কি মাথা খারাপ হল যে তারা ওদের যুক্তি বিশ্বাস করে। সাইদী কি মানুষ না? ওর কি সেক্স নেই?

    Reply
  7. হাসান

    যারা সাইদিকে জানেন, তার অতীত জানেন, তাদের কাছে ঘটনাটি অস্বাভাবিক নয়। সাইদি একজন মুখোশ পরা ধর্ম ব্যবসায়ী, এটা প্রমানিত। পশ্চিমা মিডিয়া যেমন ইহুদিদের দখলে, আমাদের মিডিয়াও তেমনই জামাতিদের প্রভাবে নত হয়ে পড়েছে বোঝা যাচ্ছে। আরিফের কার্টুনের কথা মনে পড়ে যায়। ওই ঘটনা স্মরণ রেখেই সম্ভবত কোন মিডিয়া গোঁড়া ধর্মীয় মৌলবাদীদের আক্রশের ভয়ে এই ঘটনা নিয়ে উচ্চবাচ্চ করতে সাহস পায়নি। হতে পারে এই টেপটি এই সময়ে প্রকাশ করা স্কাইপি গেট এর কাউন্টার। কিন্তু সেটা এই প্রমান করে না যে এইটা মিথ্যা। যারা এটাকে সফটওয়্যার এর কারসাজী বলে উড়িয়ে দিতে চাইছেন, তারা হয় আদপেই গো মূর্খ/অন্ধ ভক্ত, অথবা ভয়ানক ধুরন্ধর জামাতের এজেন্ট। তারা এটা চান না যে সাইদির প্রতি মানুষের বিশ্বাস নষ্ট হয়ে যাক। কারন সেক্ষেত্রে এই সব ভেড়ার চর্ম পরিহত ধর্মব্যবসায়ি নেকড়ে দের মুখোশ ও খুলে যাবে।
    সবার প্রতি ওপেন চ্যালেঞ্জ রইল, আমরা জানি বর্তমান জামাতের ভেতরেই অনেক প্রতিভাবান বিশেষজ্ঞ আছেন, আপনারা এভাবে সফটওয়্যার কারসাজী করে শেখ হাসিনা অথবা খালেদাজিয়া অথবা অমি পিয়ালের কণ্ঠ নকল করে একটা অডিও ছাড়ুন। আমরা বিশ্বাস করব যে সাইদির কণ্ঠ ভুয়া ছিল।

    Reply
  8. আমীন আল রশীদ

    সাঈদীর ফোনালাপ শুনে মনে হলো এই লোক অত্যন্ত নিম্নরুচির, কদাকার। অবশ্য মোবাইল ফোনে অনেকেই এরকম কথাবার্তা বলেন। সেটা একদমই ব্যক্তিপর্যায়ে। এখন প্রশ্ন হলো, এই রেকর্ডের সঙ্গে যুদ্ধপরাধের বিচারের তো কোনো সম্পর্ক নাই। ওই ফোনালাপে দেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ ইত্যাদি বিষয় নিয়েও কোনো কথা নাই। যা আছে তা হলো কিছু আদিরস। সেক্ষেত্রে সংবাদপত্রগুলো ওই ফোনালাপ হুবহু যদিও ছাপেও, তা বিচার প্রক্রিয়ায় কী ধরণের প্রভাব ফেলবে? একটা লাভ হতে পারে এরকম যে, যারা সাঈদীর ভক্ত, ভাবে যে আল্লাওয়ালা,
    এই লুচ্চার সম্পর্কে তাদের ধারণা কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে; এটা ঠিক।

    Reply
  9. ম্যানিলা নিশি

    “আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে মোটা অংকের টাকা আমি আজকে তুলে নিব”….

    মোবাইলে আমার এ ব্যাক্তিগত আলাপন ফাঁস হয়ে সন্ত্রাসীদের হাতে চলে যাবে না- এ নিশ্চয়তা কি মোবাইল অপারেটররা কি আমাদের দিতে পারেন?

    সাঈদীর ফাঁস হয়ে যাওয়া মোবাইল-কথোপকথন ছড়িয়ে পড়ার বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিষয়টি নিয়ে কেউ কি ভাবছেন?

    Reply
  10. Abdul khaleque

    উপরের ব্যক্তিকে বলছি…

    ভাই, দেশ অবশ্যই ঠিক আছে কিন্তু দেশের মানুষগুলো এখন খারাপ হয়ে গেছে।

    Reply
  11. jaman

    নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির কণ্ঠস্বর আরেকজনের মতো করার কোনো প্রযুক্তি বিশ্বে এখনও নেই। ভয়েস চেঞ্জার অপশনের মাধ্যমে পিচ কমিয়ে বা বাড়িয়ে কোনো কণ্ঠকে মেয়েলি বা পুরুষালি বা হিজড়েদের মতো করা যায়। এটা ব্যবহার করা হয় কারও কণ্ঠ যেন শনাক্ত করা না যায় সেজন্য। কিন্তু নির্দিষ্ট একজনের কণ্ঠকে তা করা সম্ভব নয়। এমন যদি করা যেত তাহলে বিশ্বের খ্যাতনামা অভিনেতা-গায়কদের কণ্ঠস্বর বিকৃত করে অনেক কিছুই করা হত।

    Reply
  12. সামছুল আলম

    টেলিফোনের যে কথোপকথনটি ইন্টারনেটে প্রকাশ পেয়েছে সেটি যে দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর সে বিষয়ে একটি ঘটনার কথা বলতে চাই। ব্যক্তিগতভাবে এ নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই।

    তার একটি ওয়াজ অনুষ্ঠানে আমার উপস্থিত থাকার সুযোগ হয়েছিলে। আমি তখন স্কুলপড়ুয়া। সে সময় মাওলানা হাবিবুর রহমান যুক্তিবাদী আর দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর ওয়াজ মাহফিলে বেশ জনসমাগম হত। বাবা আমার হাত ধরে তার ওয়াজে নিয়ে গেলেন। সেখানে ওয়াজে নারী প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে যা বললেন, তাতে বাবা তাৎক্ষণিকভাবে আমাকে নিয়ে উঠে এলেন আর বলতে লাগলেন, ‘এ লোক মাওলানা হয় কী করে? এ লোকের তো কোনো যোগ্যতাই নেই ওয়াজ করার। মাওলানারা হবেন ভদ্র, কথাবার্তায় বিনয়ী।’

    উনি সেদিন কী বলেছিলেন? হাজারো মানুষের সামনে বলছিলেন, ‘‘শহরের মেয়েলোকগুলো শাড়ি পরে নাভির ছিদ্র বের করে যেভাবে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যায়, এদের বাধা না দিলে তো দুদিন পর আরও একটু নিচের ছিদ্র বের করে হাঁটবে’’ ( অশ্লীল বাক্যটি লেখার জন্যে দুঃখিত)।

    এরপর কি বাবাকে দোষ দেওয়া যায়? একটু বড় হয়ে বন্ধু-সম্পর্কীয় এক মাওলানার কাছে বিষয়টা উল্লেখ করেছিলাম। সে যুক্তি দিল, রাত-বিরাতে ওয়াজে আসা লোকগুলোকে জাগিয়ে রাখতেই এভাবে অনেকে ওয়াজ করে থাকে!!!

    আরেকটা বিষয় লক্ষ্য করে দেখবেন, সাঈদী ওয়াজে নারী প্রসঙ্গ আনতে যতটা জোশ পায় অন্য কোনো বিষয়ে সেটা পায় না।

    Reply
    • Rohan Chowdhury

      সামছুল আলম ভাই,
      সত্য স্বীকার করার জন্য ধন্নবাদ।
      সাইদী মেয়ে মানুষের প্রসঙ্গে জোশ পায় আর অন্যরা অন্য ধর্মকে গালাগালি তে জোশ পায়।
      মিথ্যা বলা – পরনিন্দা করা ( গিবত করা ) – অন্নের ক্ষতি করা, এই তিনটা জিনিস না করলে জীবনে কোনদিন ওয়াজ না শুনেও আল্লাহকে খুশি রাখা যাবে বলে মনে করি।

      Reply
  13. Rahman

    যারা প্রযুক্তি সম্পর্কে খোঁজখবর রাখেন তারা সবাই জানেন যে কারও ফেসবুক বা স্কাইপ হ্যাক করা গেলেও মোবাইলের কথা হ্যাক করা যায় না। আর এটি যে সফটওয়্যারের মাধ্যমে করা হয়েছে তা দেশের সবাই আগেই বুঝে গেছে। যদি আপনাদের হাতে থাকা রেকর্ডিং সত্য হয়ে থাকে তাহলে এতদিন তা প্রকাশ করেননি কেন? জিয়াউদ্দিনের স্কাইপ-আলাপ প্রকাশের পর কেন এটি প্রকাশ করলেন? স্কাইপ-হ্যাক নিয়ে কেউ সফটওয়ার-তত্ত্বের অবতারণা করেননি। কারণ, প্রযুক্তিবিদরা জানেন যে, এধরনের হ্যাক কোনো ব্যপার নয়।

    কিন্তু মোবাইল-রেকর্ডিং হ্যাক-এর মতো বিষয় নয়।

    Reply
    • Rashid

      “কিন্তু মোবাইল-রেকর্ডিং হ্যাক-এর মতো বিষয় নয়।“

      জানি না ড. রাগিব হাসান “প্রযুক্তি সম্পর্কে খোঁজখবর রাখেন” কিনা! তবে এটুকু জানি উনি University of Alabama at Birmingham তে Computer & Information Sciences বিভাগের শিক্ষক। উনার গবেষণার বিষয় কম্পিউটারের নিরাপত্তা।

      আর ফোনালাপ কবে রেকর্ড করা হয়েছে আর কোন প্রেক্ষিতে প্রচার করা হয়েছে তা বিবেচনায় এনে এটিকে ভুয়া বলা কতটুকু যুক্তিযুক্ত? মেনে নিলাম যারা এটি ছেড়েছে তারা স্কাইপ-সংলাপকে কাউন্টার দেওয়ার জন্য ছেড়েছে। কিন্ত নিজে কানে শুনে যেটিকে আপনি নিজেও সাঈদীর কণ্ঠ মনে করছেন- সফটওয়্যারতত্ত্ব, এডিটিংতত্ত্ব ইত্যাদি দিয়ে নিজেকে প্রবোধ দিচ্ছেন মাত্র! ব্যাপারটি সাঈদী বা জামায়াতে ইসলামীর প্রতি আপনাদের অন্ধবিশ্বাস থেকেই আসছে।

      Reply
    • Jaladhi

      মোবাইলের কথা হ্যাক এর মতো বিষয় নয় । যাক, এবার একজন সত্যিকার এক্সপার্ট পাওয়া গেল !!!

      Reply
    • kishor choudhury

      মোবাইল ফোনালাপ হ্যাক হচ্ছে। সিম ক্লোনিং এর মাধ্যমে ভারতে মোবাইল ফোন হ্যাকিং এর ঘটনার শিকার হয়েছে ভারতের বিএসএনএল। এ জন্য তারা বিজ্ঞাপন দিয়ে গ্রাহকদের সতর্কও করেছে। বাংলাদেশেও সিম ক্লোনিং হচ্ছে না তার প্রমাণ কি? রহমানেক অন্ধ সাঈদী ভক্ত মনে হচ্ছে! সাঈদী তার ওয়াজ মাহফিলে এয ধরনের নোংরা, অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করেন তাতে করে তার পক্ষে ফোনে এ ধরনের লাম্পট্য করা খুবই মানানসই।

      Reply
    • কাজের কথা

      কে বলেছে আপনাকে মোবাইল এর কথা হ্যাক করা যায় না? গাঁজা খাইয়া ঘুমান নাকি? চোখ খুইলা চারপাশ দেখেন, প্রযুক্তি এখন অনেক এগিয়েছে।

      Reply
    • রফিকুন্নবী নয়ন

      মোবাইলে কথা হ্যাক করা যায়না কিন্তু রেকর্ড তো করা যায়, তাইনা? ফোন কোম্পানির লোক ইচ্ছা করলেই তো রেকর্ড করতে পারে। মানুষকে এত বোকা ভাবেন কেন?

      Reply
    • MD HRIDOY ISLAM

      আমি প্রযুক্তি সম্বন্ধে খুব খেয়াল রাখি। আমি জানি মোবাইলের কথা হ্যাক করা যায় কিন্তু সেটা বেশ জটিল পদ্ধতি। তবে খুব সহজে যেটা করা যায় সেটা হল রেকর্ড করা এবং সাঈদীর কথা এই ভাবেই লিক হয়েছে।

      এতদিন কেন প্রকাশ হয়নি সেই প্রশ্ণ এখানে অবান্তর। এখন হয়েছে সেটাই বড় কথা।

      Reply
  14. মো. মনির উদ্দিন

    এ অপকর্মে সাময়িক সময়ের জন্য হলেও বিভ্রান্ত হতাম যদি স্কাইপ-কেলেঙ্কারির আগে তা করা হত। কিন্তু কুকর্মটা দেরিতে সম্পাদিত হওয়ায় এর অসদুদ্দেশ্য আঁচ করতে কোনো অসুবিধা হচ্ছে না। নিশ্চিত থাকুন, কোনো বিবেকবান মানুষ তা আর গ্রহণ করবে না। এছাড়া এটা নতুন কিছু নয়, এর আগেও সাঈদীর জনপ্রিয়তায় ধস নামাতে তার নাম নিয়ে আরেকটি নাটক সাজানো হয়েছিল, কোনো লাভ হয়নি।

    Reply
    • MD HRIDOY ISLAM

      যুক্তিটা বড় বেশী হাস্যকর হয়ে গেল না? এখন যদি সাঈদী খুনও করে তাহলেও তাকে দোষ দেয়া যাবেনা? তারমানে স্কাইপ আলাপ ফাঁসের পর সাঈদীর যা কিছু জানা যাবে সব মিথ্যা?

      Reply
  15. এমদাদ

    এটা যে স্কাইপ-অপকর্মকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পরিকল্পিতভাবে তৈরি করা হয়েছে তা সহজেই বোঝা যায়। তাই বলছি, শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করবেন না।

    Reply
    • রফিকুন্নবী নয়ন

      অপকর্ম বলতে কি বোঝাতে চাচ্ছেন? স্কাইপের কথোপকথন থেকে কি এমন কোন তথ্য পাওয়া গেছে যেটাকে অপকর্ম বলা যেতে পারে?

      Reply
  16. শাহজাহান সানু

    স্কাইপ-কেলেঙ্কারিকে ধামাচাপা দেওয়ার ব্যর্থ প্রয়াস। ২০০৯ সালের ফোনালাপ কেন স্কাইপ-কেলেঙ্কারির পর প্রকাশ করা হল?

    “আমার ছবি দিয়ে সেখানে বাড়তি টেক্সট জুড়ে দেওয়া হয়েছে যে আমি নাকি সাঈদীর অডিও টেপ সফটওয়ারের মাধ্যমে তৈরি করে বাজারে ছেড়েছি।”

    – লেখকের কথাটি প্রমাণ করে “ঠাকুর ঘরে কে রে? আমি কলা খাইনি।”

    Reply
    • MD HRIDOY ISLAM

      এমন তো হতেই পারে যে ফোনালাপ কারও কাছে রাখা ছিল কিন্তু সে ফাঁস করেনি। তার কাছ থেকে এখন কোন ভাবে যে ফাঁস করেছে তার হাতে এসেছে। স্কাইপের ঘটনার পর তার হাতে এসেছে বলেই এই ঘটনার পর প্রকাশিত হয়েছে।

      আর ফোনালাপ স্কাইপ ঘটনার পর বা আগে যখনই প্রকাশিত হোক না কেন মূল বিষয় হল এটা প্রকাশ পেয়েছে এবং সবাই সাঈদী সাহেবের চরিত্র সম্পর্কে জানতে পেরেছে।

      Reply
  17. মোঃ আলী আজম

    সাঈদীর একাত্তরের ভূমিকাতেই বোঝা যায় সে কী। তাকে নতুন করে চেনার দরকার হয় না।

    Reply
  18. লিও নেল

    ১০০ ভাগ সত্য কোনো সন্দেহ নেই। সেক্স-টেপ ছাড়া অন্যান্য রেকর্ডগুলো শুনলেও এটা একদম পানির মতো পরিষ্কার হয়ে যায় এটাই আল্লামা সাঈদী। যারা একে নকল বলে দাবি করছেন, তারা স্রেফ জ্ঞানপাপী ছাড়া আর কিছুই নন।

    আল্লাহ আপনাদের হেদায়েত করুন! আর সংবাদপত্রগুলোর নিরবতার তীব্র ধিক্কার জানাই।

    Reply
  19. আহমেদ ফাহাদ

    আমাদের মিডিয়াগুলো এক বিচিত্র প্রাণির মতো আচরণে বিশ্বাসী। কেন জানি কিছু কিছু মুহুর্তে তারা অধিকতর প্রমাণের অজুহাত দেন। গত সপ্তাহে এক সংবাদিকদের সঙ্গে কথা হচ্ছিল এ নিয়ে। তার অভিব্যক্তি ছিল এরকম- ‘সাঈদীর মতো মানুষ এমনটি করতে পারে! বিশ্বাস হয় না!’ অথচ তিনি এমন একটি জাতীয় দৈনিকে কাজ করেন যেখানে থেকে এমন মন্তব্য প্রদান তার জন্য চরম শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আমি থ মেরে গেলাম। বলে কী! সাঈদীকে তারা কি দেবতা ভাবে। লোকচক্ষুর আড়ালে এরা কত খারাপ হতে পারে তা বিশ্বাস করা সত্যিই দায়। এখনও সময় আছে, গণমাধ্যমগুলোকে সোচ্চার ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাচ্ছি।

    অমি রহমান পিয়ালদাকে শুভেচ্ছা।

    Reply
  20. অলিউর রহমান

    দেখুন জনাব পিয়াল, এ রসালাপ সাঈদী গ্রেফতার হওয়ার আগের এবং আইনশৃংখলা রক্ষাবাহিনীর (ডিবি) ধারণকৃত। স্কাইপ-সংলাপের পর সেটিকে কাউন্টার দেওয়ার জন্যই এর প্রকাশ। পুলিশের ধারণকৃত এসব কথোপকথন যে সরকারের ছত্রচ্ছায়াতেই হচ্ছে, তা বলা বাহুল্য। এ কারণেই বোধকরি এটিকে তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।

    তাছাড়া রুচির ব্যাপারও আছে। মনে করুন এমন একজন, যিনি হয়তো ইন্টারনেটে একটি প্রাপ্তবয়ষ্কদের সাইটের এডমিন, তার কাছে এটি স্কাইপ-কথোপকথনের মতো জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর ইস্যু মনে হতে পারে। তাই বলে সাধারণ লোক অথবা সংবাদপত্র-সংশ্লিষ্ট মানুষেরও যে তেমন মনে হবে, তার তো কোন মানে নেই।

    Reply
  21. Irfan

    সাঈদীর ভয়েস রেকর্ডের নামে যা করা হয়েছে তা একদম নিম্নমানের একটি কৌশল।

    দেশের সব সাধারণ মানুষের মতো আমিও জানতে চাই, এ মহামূল্যবান (!) কথোপকথনগুলো এতদিন কেন লুকিয়ে রেখেছিলেন? কেন স্কাইপ-কথোপকথন ফাঁস হওয়ার পর এগুলো বের হল?

    Reply
  22. সিডাটিভ হিপনোটিক্স

    স্কাইপ-কথোপকথন যখন বের হল তখন তো কেউ বলল না যে এটা বিচারকের নিজের গলা নয়। তখন কোথায় গেল আপনাদের সফটওয়ার-তত্ত্ব? সংবাদপত্রগুলো তো তা ফলাও করে ছেপেও দিল।

    সত্যিই মির্জা আব্বাস, কী বিচিত্র এই দেশ!!!

    Reply
  23. সুচিন্তক

    যেহেতু সাঈদী আকাম স্বীকার করে নিচ্ছে না তাই আমার কিছু তথ্য জানা দরকার আছে।

    ১) ফোনসেক্সের সাক্ষী, অংশগ্রহণকারী নারীদের নাম-পরিচয় চাই। ভিকটিমের নাম ছাড়া মামলা কীভাবে হবে? এখানে কথা আসবে, তারা নাম-পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক। আচ্ছা, তাহলে টেপটি প্রকাশ করল কে? সাঈদী নিশ্চয়ই নয়!

    ২) হ্যাকিং করল কে? ফোন-ট্যাপিং নেট-হ্যাকিং নয় যে, যে কেউ এটা করতে পারবে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে যেকোনো কম্পিউটার বিশ্বব্যাপী সংযুক্ত থাকে। তাই নিরাপত্তার দুর্বলতা দিয়ে অনেকেই অনুপ্রবেশ করতে পারে কিন্তু ফোন একটি প্রাইভেট নেটওয়ার্ক। এখানে হ্যাকিং বা অনুপ্রবেশ করতে হলে সে নেটয়ার্কের মধ্যে থাকতে হবে যার জন্য বিশেষ যন্ত্র দরকার। এ যন্ত্র অনেক দামি এবং আমদানি নিষিদ্ধ। তাই ফোন-হ্যাকিং বা ট্যাপিং করতে পারে বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অথবা ফোন কোম্পানি। এরা তো তথ্য পাচার করবে না।

    ধরে নিলাম তারা তথ্য পাচার করেছে। আমার জানা মতে, মোবাইল ডাটাবেসে কলার, রিসিভার নম্বর, তাদের সেটের আইএমই নম্বর, কলিং টাইম, কল ডিউরেশন, কোন বেস ষ্টেশন ব্যবহার করা হয়েছে সব রেকর্ড থাকে। কিন্তু তারা সাধারণত কথোপকথন রেকর্ড করে না বিশেষ নির্দেশনা ছাড়া। ধরে নিলাম, সাঈদীর ফোনকল রেকর্ড করা হয়েছে। আপনি যেহেতু এ গোপনীয় রেকর্ড পেয়েছেন- সঙ্গে কলার, রিসিভার নম্বর, তাদের সেটের আইএমই নম্বর, কলিং টাইম, কল ডিউরেশন, কোন বেস ষ্টেশন ব্যবহার করা হয়েছে এ তথ্যগুলো দিয়ে বাধিত করবেন।

    ৩) জেলে বসে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ। তাহলে এ টেপ নিশ্চয় সাঈদীর জেলে যাওয়ার আগের ঘটনা। এ ঘটনা কেন এতদিন পর বের হল?

    ৪) ভিনদেশি ইকোনমিস্ট পত্রিকা, আমাদের দেশের আমার দেশ-এর মতো পত্রিকা স্কাইপ-আলাপ প্রকাশে এগিয়ে এল কারণ এর পক্ষে প্রমাণ ছিল। কিন্তু এ ঘটনা প্রকাশে কোনো পত্রিকা এগিয়ে আসছে না, কারণ কী?

    ব্বি দ্রঃ ভয়েস চেঞ্জার দিয়ে ভিন্ন আওয়াজ বানানো যায়, এটা নতুন কিছু নয়। অনেক সফটওয়্যার আছে, যারা ইচ্ছুক তারা গুগল করলেই পাবেন।

    Reply
    • অাতিক

      ভয়েজ চেঞ্জার দিয়ে ভয়েস বানানো যায়- এ তথ্য আপনি কোথায় পেলেন? আপনি নিজে না হয় সাঈদীর কণ্ঠ বানিয়ে দেখান- তারপর আমার বিশ্বাস করতে কোনো আপত্তি থাকবে না।

      Reply
    • রুদ্র

      “আপনি যেহেতু এ গোপনীয় রেকর্ড পেয়েছেন- সঙ্গে কলার, রিসিভার নম্বর, তাদের সেটের আইএমই নম্বর, কলিং টাইম, কল ডিউরেশন, কোন বেস ষ্টেশন ব্যবহার করা হয়েছে এ তথ্যগুলো দিয়ে বাধিত করবেন।”

      জনাব সুচিন্তক, লেখক কি একবারও দাবি করেছেন যে তিনি এ গোপনীয় রেকর্ডগুলো পেয়েছেন?? একটু চিন্তা করে জবাব দিন…

      Reply
  24. সায়েরা

    আপনার কথাগুলো যেন আমদেরই মনের কথা। অডিওগুলো সত্য বলেই বাংলা লিকস পুরস্কার ঘোষণা করার মতো সাহস দেখিয়েছে। তবুও আমাদের সংবাদপত্রগুলোর মন ভরাতে পারল না।

    ধিক্কার জানাই !!!!

    Reply
  25. শাকিল

    সাঈদীর টেপটা “ভয়েস চেঞ্জার” দিয়ে বানানো, সেটা স্পষ্ট। অবশ্যই আমার চেয়ে আপনি ভালোই জানেন, বিজ্ঞানের যুগে সেটা অসম্ভব নয়।

    শুধুমাত্র দুটো উদাহরণ নিন – ১। একসময় কথিত সাইদী মহিলাটিকে বলছেন- আমি কাবা ঘর ধরে বলছি……… তার মানে উনি কাবার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। কথা হল কাবা ঘরের সামনে এত নিরব তো থাকার কথা নয়।

    ২। ৩ঃ৩৩ সেকেন্ড মনে হয় ক্লিপটি। একজন মানুষ কাবা ঘর ধরে প্রায় চার মিনিট মোবাইল ফোনে আলাপ করছেন, কতটা হাস্যকর। যেখানে হাজার হাজার মানুষ ঘরটি একটু ছোঁয়ার জন্য আকুল সেখানে একজন মানুষ ৪ মিনিট সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন, তাও মোবাইলে কথা বলতে বলতে- এটাও সম্ভব!

    এমন আরও অনেক আছে। খুঁজলে পাবেন।

    ক্লিপটির নির্দিষ্ট উৎস নেই। মা-বাবাছাড়া ক্লিপ। গ্রহণযোগ্য কোনো সুত্র কেউ দিতে পারেনি। তাই এটি সাংবাদিকদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। স্কাইপ-সংলাপ আড়াল করতে আরও কয়েক হাজার ক্লিপ বের করলেও লাভ হবে না।

    Reply
    • Jaladhi

      কেউ একজন বলছে যে সে কাবাঘর ধরে কথা বলছে, তার অর্থ এ নয় যে সত্যিই কাবাঘর ধরে কথা বলছে। লোকে বিভিন্ন কথায় অমুক ছুঁয়ে বা তমুক ছুঁয়ে শপথের কথা বলে- তার অর্থ এ নয় যে সে সে মুহুর্তে সত্যিই সেটা ছুঁয়ে আছে। এগুলো একটা কথার কথাও হতে পারে।

      Reply
    • শয়ন

      সাধারণ বাঙ্গালি হিসেবে সত্যি টাই জানতে চাই । খালেদার সঙ্গে হাসিনার একটা কাল্পনিক কথোপকথনের একটি উদাহরণ প্রকাশ হইলেই তো সাইদীর এটা থেমে যাবে ।কিন্তু সেধরনের কোন কথোপকথন এখনও কেন…………………………!!!!!!!.. শিবিরের এই নিরবতা কেন ।

      Reply
  26. আববাছ ছাদেক

    “এটা তো বলার অপেক্ষা রাখে না যে, যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত দল জামায়াতে ইসলামীর যাবতীয় বাজি সাঈদীর ওপরই। কারণ গোলাম আযম বা নিজামীদের যেমন সরাসরি পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে- দলীয়ভাবে সে তুলনায় সাঈদী একটু পিছিয়ে। সে যুদ্ধাপরাধ করেছে নিজের উদ্যোগে, জামায়াতের হয়ে নয়, পরে সে জামায়াতে যোগ দিয়েছে, নিজেকে তাদের আইকন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সারাদেশে জামাতের পক্ষে যেটুকু গণসমর্থন সেটুকু সাঈদীর সৌজন্যেই। তাই সাঈদীর বিরুদ্ধে রায় হলে জামায়াত ও ছাত্র শিবির সারাদেশে আগুন জ্বালানোর জন্য কিছু অরাজনৈতিক লোককেও সঙ্গে পাবে যারা সাঈদীর ভক্ত। কিন্তু এ টেপ তা ভণ্ডুল করে দিতে পারে। বিভিন্ন দেশ থেকে সাঈদীকে রক্ষা করতে তার ভক্তকুল যে কোটি কোটি টাকা অনুদান হিসেবে পাঠাচ্ছে তা মুহুর্তেই থেমে যাবে। কোনো প্রমাণিত লম্পটের সঙ্গে ইসলামকে গুলিয়ে পাপের ভাগীদার হতে চাইবে কোন ঈমানদার!”—-

    লেখার এ অংশতেই লেখককে সন্দেহ করার মতো পয়েন্ট আছে!!!

    টেপগুলোর সঙ্গে যদি কোনো ইমেইল ঠিকানা থাকত তাহলে সন্দেহ থাকত না এবং কোনো পত্রিকা ছাপতেও দ্বিধা করত না।

    Reply
  27. A.R Rahman

    অডিও এডিটিং সফটওয়্যারের একজন এক্সপার্ট হিসেবে আমি জানি, কণ্ঠের পিচ বদলে ফেলা সহজ। শুধু তাই নয়, প্রায় একই রকম কণ্ঠ তৈরি করাও সম্ভব। তাছাড়া যে কারও কণ্ঠের স্টাইল নকল করা তো খুব সহজ। ফরিদপুরে আমি এমন একজনের দেখা পেয়েছিরাম যার কণ্ঠ পুরোপুরি শেখ মুজিবুর রহমানের মতো।

    যাহোক, এখন একজন সাঈদীর অনুরূপ কণ্ঠের মালিক পাওয়া গেল! আমার অনুরোধ, প্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত এটা বিশ্বাস করবেন না। আমরা জানি, এদেশে কত মিথ্যা বলা হয়। শুধুমাত্র বিশ্বজিত হতা প্রসঙ্গে যেসব মিথ্যা চালাচালি হয়েছে সেটা চিন্তা করুন।

    Reply
    • সৈয়দ আলী

      অডিও প্রিন্টের নাম শুনেছেন? তা ভয়েস-নির্ভর নয়, ভয়েসের বৈশিষ্ট্য নির্ভর। এ বৈশিষ্ট্য আমাদের সাধারণ কানে ধরা না পড়লেও অডিও-সিনথেসিস করে তা প্রিন্ট করা যায়।

      Reply
    • স্যাম

      এক্সপার্ট সাহেব, ৫ লাইন না লিখে আপনার যেকোনো একটা বাক্য মাজহারুল ইসলাম (হা-ভাই খ্যাত) এর কণ্ঠে বানিয়ে এখানে শেয়ার করুন- ল্যাঠা চুকে যাবে। মাসখানেক সময় দেওয়া হল- আশা করি আপনার এতদিন লাগবে না!

      Reply
    • অাতিক

      কেমন প্রমাণ পেলে বিশ্বাস করব জনাব? বোঝাই যাচ্ছে- মোবাইল কোম্পানির কেউ এসব কথোপকথন ধারণ করেছে। যে ধারণ করেছে সে কি এটা স্বীকার করবে? কখনও-ই করবে না। তাহলে?

      অডিওগুলো শুনলে যে কেউ বুঝবে যে এগুলো মোটেই বানানো নয়।

      Reply
  28. হুমায়ূন কবীর

    আজ মিডিয়াগুলো সত্যটা প্রকাশ করুক আর কাল জামায়াত বিএনপির লেজ ধরে ক্ষমতায় এসে ওই মিডিয়া বন্ধ করে দিক। মূলত এ ভয়ে ভীত হয়ে সবাই নিরব ভূমিকা পালন করছে। “কিছু সত্য মাঝে মাঝে চেপে যেতে হয়” এ নীতিতে কাজ করছে মিডিয়াগুলো আপাতত। আমার মনে হয় ব্যাপারটা ধামাচাপা দিয়ে রাখা ঠিক হবে না। কারণ মুখোশধারী শত্রুদের দ্বারাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় সমাজ।

    আর যারা ব্যাপারটিকে কণ্ঠের নকল, কণ্ঠের অনুকরণ বলে মুখে ফেনা তুলছেন, তারা একটু শিখিয়ে দিবেন তো কীভাবে কণ্ঠ নকল করতে হয়!

    মাইকেল জ্যাকসনের কণ্ঠটা নকল করতে মন চায়।

    Reply
    • অাতিক

      এটা কি বললেন ভাই! গুগলে সার্চ দিলেই নাকি পাওয়া যায়। আপনার আর আমার মতো লোকই শুধু খুঁজে পাচ্ছে না। জামায়াত-শিবিরের সবাই পাচ্ছে যে!

      Reply
  29. Jayed Ullash

    সাঈদীর রসালাপ ভদ্র সমাজে প্রকাশযোগ্য নয়। অন্যপক্ষে দুজন সম্মানিত আইনজ্ঞ বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ট্রাইব্যুনাল বিষয়ে আলোচনা করেছেন- সেখানে একবিন্দু অশ্লীলতা ছিল না। উনাদের আলোচনার যতটুকু শোনা গেছে তার পুরাটাই দুজন বয়স্ক ভদ্রলোকের বিষয়ভিত্তিক লজিকাল ডিসকোর্স। ন্যায়সঙ্গত কারণেই এ রেকর্ডিংকে ট্রাইব্যুনাল ‘ইললিগাল’ বলেছে। জিয়াউদ্দিন সাহেবকে তলব করে ট্রাইব্যুনাল এ-ও জানান দিল যে, তারা বিষয়টা বিচারিক কাজের আওতায় আমলে নিলেন। এটা প্রমাণ করে ট্রাইব্যুনাল ফেয়ার ট্রায়াল করতে বদ্ধপরিকর।

    জনার অমি পিয়াল কোন বিচারে আসামীর ফোনে রসালাপকে বিচারিক আওতায় আসা আলাপের সঙ্গে তুলনা করলেন বুঝলাম না। ব্লগীয় হানাহানি ব্লগে করেন। কিন্তু বিচারকদের ও বিচারকার্যের অবমাননা করবেন না।

    Reply
  30. Onindo

    পিয়াল সাহেব,

    আপনার পুরো লেখার সঙ্গে একমত পোষণ করছি কিন্ত হেডলাইনের সঙ্গে দ্বিমত আছে। ‘ওয়াটার গেট’ কেলেঙ্কারির সঙ্গে একে মেলানো ঠিক হবে না।

    Reply
  31. কান্টি টুটুল

    আসলেই কি সংবাদমাধ্যমের নিরবতা বিস্ময়কর? অবশ্যই নয়।

    স্কাইপ-কেলেঙ্কারিতে সংশ্লিষ্ট বিচারক বিচার্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন যেটি জনস্বার্থের বিরুদ্ধে যায়। সংবাদমাধ্যমগুলো এ দৃষ্টিকোণ থেকেই খবরটি ছেপেছে এবং পরিণতিতে সংশ্লিষ্ট বিচারক পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন।
    পক্ষান্তরে, সাঈদীর সম্ভাব্য পরকীয়ার সঙ্গে জনস্বার্থের সংশ্লিষ্টতা নেই, তাই সংবাদমাধ্যমগুলো এটি চেপে গিয়েছে।

    এ প্রসঙ্গে লেখকের বিস্ময় প্রকাশ করাটাই আমার কাছে বিস্ময়কর বলে মনে হচ্ছে!

    Reply
    • মোস্তফা

      ধর্মব্যবসায়ীদের মুখোশ খুলে দেওয়া মিডিয়ার কাজ নয় কি? ধর্মব্যবসা কীভাবে জনস্বার্থের পক্ষে হয়? সাঈদী যা করেছে তা হল ধর্মের মুখোশের আড়ালে ব্যাভিচার। সাঈদীর অ্যাকাউন্টে শত শত কোটি টাকা কোথা থেকে আসে…? এগুলো অনুস্বন্ধান কেন করা হবে না?

      আপনার বিশ্ময় দেখে আমিও বিস্মিত!

      Reply
      • কান্টি টুটুল

        সাঈদীর বিষয়টি আমি বাংলাদেশের একজন নাগরিকের ব্যক্তিগত ফোনালাপে সম্ভাব্য পরকীয়ার দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেছি, জনস্বার্থ-সংশ্লিষ্ট না হওয়ায় যেটি প্রকাশ করার কোনো নৈতিক বা আইনগত ভিত্তি নেই।

        আপনি চাইলে বিষয়টিকে একজন ধর্মব্যবসায়ীর দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতেই পারেন, তবে আপনার অবস্থানের সপক্ষে যথেষ্ট যৌক্তিক ভিত্তি থাকতে হবে- যেটি মিডিয়ার হাতে এ মুহুর্তে নেই।

      • Jaladhi

        ”আপনি চাইলে বিষয়টিকে একজন ধর্মব্যবসায়ীর দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতেই পারেন, তবে আপনার অবস্থানের সপক্ষে যথেষ্ট যৌক্তিক ভিত্তি থাকতে হবে- যেটি মিডিয়ার হাতে এ মুহুর্তে নেই।”

        এই কথার মানে কী ভাই? সাঈদী ধর্মপ্রচার করে না? ধর্মীয় রাজনীতি করে না?

        জনগণের কাছে এ সংবাদের মূল্য আছে। যেহেতু অনেক মানুষ সাঈদীর কথায় প্রভাবিত হয়, সুতরাং মানুষের কাছে এটা জানার গুরুত্ব আছে যে কাকে দিয়ে তারা প্রভাবিত হচ্ছে।

    • অাতিক

      কিছুদিন আগে কণ্ঠশিল্পী আরেফিন রুমীর পরকীয়া এবং দ্বিতীয় বিয়ের খবর পত্রিকায় এসেছিল। সেটাও কিন্তু ব্যক্তিগত ব্যাপার ছিল। সে খবরের সঙ্গে জনস্বার্থের কতটুকু সংশ্লিষ্টতা ছিল বলবেন কি?

      যিনি সারাদেশ ঘুরে মানুষকে ধর্মের কথা বলে বেড়ান, জনস্বার্থের সংশ্লিষ্টতা তার ব্যাপারে যথেষ্টই আছে।

      Reply
  32. রুবেল হাসান

    ধন্যবাদ আপনাকে। দেশবাসীর মতো আমি নিজেও গণমাধ্যমের নিরবতা দেখে অবাক! শুধু প্রথম আলো কেন, কোনো পত্রিকাই বিষয়টি পাঠকদের সামনে আনেনি! আরও অবাক হচ্ছি আমার চারপাশের মানুষের নিরবতা দেখে! তাদের দৃষ্টিতে এটা যেন কোনো নিষিদ্ধ বিষয়; আলাপ-আলোচনার বাইরে। সবার বোঝা উচিত এটা কোনো সাধারণ মানুষের লিক হওয়া সেক্স-ক্লিপ নয়, এটা এমন এক ভণ্ডের ভণ্ডামির মুখোশ যা খুলে ফেলা দেশ-জাতি-সমাজ-ধর্ম সবার স্বার্থে উচিত।

    আরও মনে রাখতে হবে, এ ভণ্ড মানুষটিই বছরের পর বছর লাখ লাখ সহজ-সরল ধর্মভীরু মানুষকে দীক্ষা দিয়েছে এবং এখনও অনেক লোক তার রেকর্ডকৃত ওয়াজ-মাহফিলের বয়ান শুনে বিভ্রান্ত হচ্ছে। আমাদের মিডিয়া কি সেসব মানুষকে এ ভণ্ডের হাত থেকে রক্ষা করাকে তাদের দায়িত্ব মনে করে না????

    Reply
    • অাতিক

      আমারও একই প্রশ্ন-

      আরও মনে রাখতে হবে, এ ভণ্ড মানুষটিই বছরের পর বছর লাখ লাখ সহজ-সরল ধর্মভীরু মানুষকে দীক্ষা দিয়েছে এবং এখনও অনেক লোক তার রেকর্ডকৃত ওয়াজ-মাহফিলের বয়ান শুনে বিভ্রান্ত হচ্ছে। আমাদের মিডিয়া কি সেসব মানুষকে এ ভণ্ডের হাত থেকে রক্ষা করা তাদের দায়িত্ব মনে করে না????

      Reply
  33. সোনামনি

    বাহ অমি রহমান পিয়াল, কী সুন্দর আপনার কথা, কী আপনার অনুভূতি। নিজের কথায় নিজে ধরা খেলেন। বুঝিয়ে দিলেন, স্কাইপ-কেলেঙ্কারি ঢাকার জন্যই সাঈদীগেট! কাকতালীয়ভাবে সাঈদীগেটটা সাইবার জগতে এল স্কাইপগেটের পর।

    ৩০ লাখ মানুষ তাদের জীবন বিলিয়ে দিয়েছে একটি অপরাধহীন স্বাধীন দেশের প্রত্যয়ে। জীবন-মৃত্যুর মিথটা কী আমি জানি না, তবে ৩০ লাখ শহীদ আবার যদি ফিরে আসার সুযোগ পান, তবে কী হবে সেটা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন।

    Reply
  34. amin

    জানি না কী ব্যাপার, তবে মনে হয় একটা ‘কিন্তু’ আছে। বর্তমান ডিডিটাল যুগে অসম্ভব কিছুই নয়!

    Reply
  35. মোঃ শরীফ হোসেন

    পিয়াল ভাই, ফেসবুকে এ টেপের সঙ্গে আপনার সংশ্লিষ্টতা নিয়ে প্রচারণা দেখে আপনার নিরাপত্তা নিয়ে আসলেই চিন্তিত। জামায়াত-শিবির আপনার উপর ক্ষিপ্ত, তাই এটা তাদের বাহানা মাত্র।

    ভালো থাকুন, সাবধানে থাকুন।

    Reply
  36. আহমাদ আব্দুল্লাহ

    জনকন্ঠ পত্রিকা এ দায় এড়াতে পারে না। অবিলম্বে জনকন্ঠের প্রথম পাতায় খবরটা ছবিসহ ছাপানোর জোর দাবি জানাচ্ছি।

    Reply
    • Abdul khaleque

      আপনার এ দাবি জনকন্ঠ পরিবারের কাছে মোটেই গুরুত্ব পাবে না, কারণ তারা জিনিসটা খুব ভালোভাবেই বোঝে ……………

      Reply
  37. Faruk

    বিভিন্ন সূত্র থেকে আমরা জেনেছি, এটা ভুয়া অডিও। মিডিয়ার উচিত নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করা। বিডিনিউজকে আমি পছন্দ করি, জানি তারা সত্য প্রকাশ করে। তাই আশা করব, বিষযটির সত্যতা তারা যাচাই করে নেবে।

    Reply
  38. Abdullah Al Numan

    পত্রিকাওয়ালাদের ঈমান ছুটে যাবে, এজন্য কেউ ফলাও করে প্রচার করেনি। ঈমান বলে কথা, সরকারপক্ষের বা বিপক্ষের মিডিয়া দিয়ে কী হবে?

    Reply
  39. লিয়াকত আলী

    আমি সাঈদীর টেপ শুনেছি। আমার বিশ্বাস, এটি তার গলা। সাঈদীর চরিত্রগত দোষ আছে, চট্রগ্রামের অনেকে জানে। ১৯৭৬ সালের পর সাঈদী কিছুদিন চট্রগ্রামে ছিল। তখন কিছু ঘটনা অনেকে জানত।

    Reply
  40. ইয়ামিন

    মা, বৌ আর ঝি এই তিনটি শব্দের উচ্চারণে যেমন পার্থক্য আছে তেমনি পার্থক্য আছে এদের অর্থের। মা জন্মদাত্রী, স্ত্রী সহধর্মীনী আর ঝি হচ্ছে বাড়ির চাকরানি। এরা তিনজনই মহিলা বটে তবে কেউ কারও সমার্থক বা পরিপূরক নয়।

    কথাগুলো বলতে হল অগত্যায়। আহমেদ জিয়াউদ্দিন আর বিচারপতি নিজামুল হকের কথোপকথনের মধ্যদিয়ে আমাদের রাষ্ট্রীয় চরিত্র আর বিচার বিভাগের স্বাধীনতার চিত্র ফুটে উঠেছে। এটা আমাদের জাতির উচ্চতার মাপ নির্ধারণ করে দিয়েছে। অন্যদিকে দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর সম্পর্কে কথিত ইউটিউবের বিষয় কারও ব্যক্তিগত আলাপ। এটা সঠিক হলে এক বা দুজন ব্যক্তিকে কেবল মাপা যায়, জাতিকে নয়। তবে সমস্যা হচ্ছে, এ দুয়ের পার্থক্য করতে না পারা। আর সন্দেহ হচ্ছে এধরনের অখাদ্য গায়ে পড়ে গোটা জাতিকে গেলানোর চেষ্টা নিয়ে!

    একটা উন্নত রাষ্ট্রের চরিত্র হচ্ছে অপরাধী যেই হোক সে রাষ্ট্র থেকে ন্যায়বিচার পাবে। এমনকী সে-ও জানতে পারবে তার প্রতি ন্যায়বিচার করা হয়েছে।

    Reply
  41. বিপ্লব রহমান

    সম্ভবত সাঈদীর ব্যক্তিগত (সেক্স) ফোনালাপের সংবাদমূল্য নেই, এ কারণেই দেশের কোনো গণমাধ্যম এটি সংবাদ হিসেবে প্রকাশ করেনি। এর সঙ্গে সাংবাদিকতার নৈতিকতাও জড়িত। পুরোপুরি সাংবাদিকতার নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে টুইটার-সংলাপ ফাঁসের পর গণমাধ্যমগুলো বোধহয় এ বিষয়ে আরও সচেতন। এছাড়া সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রতিটি গণমাধ্যমের নিজস্ব নীতি ও পাঠকরুচিরও বিষয় আছে।

    সব মিলিয়ে [“সব সত্য কথা সবসময় বলা যায় না”], গণমাধ্যমে এটিই হয়তো নির্মম বাস্তবতা।

    কিন্তু সামাজিক যোগাযোগের অন্তর্জালিক সাইটগুলোর এসব দায় নেই; তাই তারা সহজেই এসব বিষয় প্রকাশ করতে পারে। গণমাধ্যমের মতামত বা উপ-সম্পাদকীয় বিভাগে লেখকের নিজস্ব মতামতও প্রকাশ হতে বাধা নেই।

    ভাবনাটিকে উস্কে দেওয়ায় অরপি’কে সাধুবাদ। চলুক।

    Reply
    • Jaladhi

      জনগণের কাছে এ সংবাদের মূল্য আছে। যেহেতু অনেক মানুষ সাঈদীর কথায় প্রভাবিত হয়, সুতরাং মানুষের কাছে এটা জানার গুরুত্ব আছে যে কাকে দিয়ে তারা প্রভাবিত হচ্ছে। আর নীতি ও রুচির কথা ধরলে ধরতে হবে নায়ক-নায়িকাদের ব্যক্তিগত গোপন স্ক্যান্ডাল ছাপার কথাও- সত্যিকার সংবাদমূল্য নেই বরং এসবের।

      Reply
      • বিপ্লব রহমান

        @ Jaladhi,

        [“জনগণের কাছে এ সংবাদের মূল্য আছে। যেহেতু অনেক মানুষ সাঈদীর কথায় প্রভাবিত হয়, সুতরাং মানুষের কাছে এটা জানার গুরুত্ব আছে যে কাকে দিয়ে তারা প্রভাবিত হচ্ছে।”]

        আপনার মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, “জনগণের কাছে সংবাদ মূল্য” থাকলেই সব খবরই কিন্তু সংবাদ নয় [খুব খেয়াল করে], অনুগ্রহ করে আমার ওপরের মন্তব্যটুকু আরেকবার পড়ে দেখবেন কি?

        [“নীতি ও রুচির কথা ধরলে ধরতে হবে নায়ক-নায়িকাদের ব্যক্তিগত গোপন স্ক্যান্ডাল ছাপার কথাও- সত্যিকার সংবাদমূল্য নেই বরং এসবের।”]

        এ ক ম ত। সত্যিকার অর্থে এ সব একদমই সাংবাদিকতার নৈতিকাতা বিরোধী, সঠিক সাংবাদিকতার রুচি বিরোধী তো বটেই; ঠিক এ কারণেই মূলধারার গণমাধ্যমগুলো কখনোই এসব খবর প্রকাশ করে না।

        তবে “জনগণের কাছে সংবাদ মূল্য” বিচারে সস্তা জনপ্রিয়তা তথা বাজার কাটতির লোভে ট্যাবুলয়েড ও সিনে ম্যাগগুলো প্রায়ই নৈতিকতা ও রুচি বিসর্জন দিয়ে এসব চটুল খবর [?] প্রকাশ করে। পশ্চিমা বিশ্বে এ জন্য অবশ্য প্রায়ই তাদের উচ্চমূল্যের অর্থদণ্ড দিতে হয়। …

        বিতর্কের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

    • অাতিক

      জনগণের কাছে এ সংবাদের মূল্য আছে। যেহেতু অনেক মানুষ সাঈদীর কথায় প্রভাবিত হয়, সুতরাং মানুষের এটা জানা দরকার যে কার কথায় তারা প্রভাবিত হচ্ছে।

      Reply
  42. sadhu

    টেপটি বের হওয়ার পর আমার প্রথম জিজ্ঞাসা ছিল নিজের কাছে, এটা কি সম্ভব? উত্তর ছিল- হ্যাঁ, সাঈদী এটা করতেই পারে। স্কাইপ-কেলেঙ্কারির পর সাঈদীর বিরুদ্ধে চলমান বিচারপ্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার পর অডিওগুলো বের হওয়ায় মনে অন্য প্রশ্নও দেখা দিয়েছে। এটা বানোয়াট নয়তো? সেটাও হতে পারে।

    দুটো সম্ভাবনার ৫০/৫০ মাথায় নিয়ে আমি কয়েকটি অডিও শুনলাম। সাঈদীর কন্ঠ আমি খুব বেশি শুনিনি। রাস্তাঘাটে চলার পথে তার ওয়াজ শুনে তার কণ্ঠের সঙ্গে আমার যেটকু পরিচয়, তাতে অডিওগুলোর কণ্ঠ আমার কাছে সাঈদীর কণ্ঠ বলেই মনে হয়েছে। সাউন্ড টেকনোলজি আমি যতদূর বুঝি, এটা কোনো সফটওয়্যারে করা সম্ভব নয় বলেই মনে হয়।

    অডিওগুলো শুনতে শুনতে হঠাৎ একটা জিনিস স্ট্রাইক করল মাথায়। কোথাও-কোথাও একটি শব্দ অথবা কয়েকটি শব্দের পর মনে হয় যেন খুব সামান্য করে ‘পজ’ রয়েছে। এটা কি রেকর্ড টেকনোলজির দুর্বলতা? হতে পারে। যদি না হয়। তাহলে কি? এটা সাঈদীরই কণ্ঠ, ধরে নিয়েই ক্ষীণতর অন্য সম্ভাবনার খোঁজ করলাম আমি। অন্য সম্ভাবনা খোঁজার আরেকটি কারণ হচ্ছে- অডিওগুলোর সুনির্দিষ্ট কোনো সূত্র না থাকা সত্ত্বেও অনলাইনে যারা এর প্রচারক তারা বারবার বলছেন গোয়েন্দা সংস্থা এ কাজ করেছে।

    আমরা জানি গোয়েন্দা সংস্থা মাঝে-মাঝে এ ধরনের কাজ করেছে অতীতে। ওয়ান-ইলেভেনের সময় বিভিন্ন রাজনীতিকের ইন্টারোগেশনের সময়কার সিডি তারা সংবাদপত্রে ছাপাতে বাধ্য করেছে বলেও গুঞ্জন রয়েছে। এ ধরনের গোয়েন্দা সংশ্লিষ্টতা গুঞ্জনের সর্বশেষ উদাহরণ হচ্ছে, তাজরীন গার্মেন্টসে আগুন লাগার পরে ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে আগুন লাগানোর ভিডিওটি। এটি নাকি গোয়েন্দা সংস্থা বিভিন্ন মিডিয়াকে গিলিয়েছে। সাঈদীর অডিওর ক্ষেত্রে গোয়েন্দা সংস্থা কেন সরাসরি পত্রিকাগুলোকে এটা গেলাল না?

    সেজন্যই ক্ষীণতর অন্য সম্ভাবনার খোঁজ করতে গিয়েই জানলাম, বাজারে নাকি সাঈদীর কয়েকশ’ রকমের অডিও ক্যাসেট পাওয়া যায়। এ লোক গত ২০ বছর ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় রাষ্ট্রপরিচালনা থেকে শুরু করে যৌনমিলন- সব বিষয় নিয়ে ওয়াজ করেছে। এটা কি সম্ভব, ওই ক্যাসেটগুলো থেকে প্রয়োজনীয় শব্দগুলো বেছে বেছে পুনরায় ইচ্ছেমতো সাজিয়ে রেকর্ড করা হয়েছে? সম্ভব, খুব সম্ভব। সেক্ষেত্রে বাজারে সাউন্ড সফটওয়্যারগুলো সহায়ক হবে। শব্দ-বাক্য প্রয়োজনমতো বাড়ানো, কমানো ইত্যাদি করার ক্ষেত্রে। আর যদি প্রয়োজনীয় শব্দগুলো জুড়ে-জুড়ে সংলাপ তৈরি করে রেকর্ড করে সে সংলাপগুলোকে ফোনের একপ্রান্ত থেকে বাজানো হয় এবং অন্যপ্রান্তে কাঙ্খিত সংলাপ আরেকজন বলে এবং সে ফোনালাপ রেকর্ড করা হয়- তাহলে পুরো বিষয়টিকে একেবারেই নকল মনে হবে না।

    সাঈদীর ফোনালাপ বিশেষত সেক্স-রিলেটেড ফোনালাপগুলো কি এ প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়েছে? হতে পারে, আবার না-ও হতে পারে।

    Reply
    • Jaladhi

      প্রয়োজনীয় শব্দগুলো বেছে বেছে জুড়ে তৈরি করা সম্ভব যদি মানুষ ইঞ্জিনের মতো একঘেয়ে তালে কথা বলত। দুঃখজনক হলেও সত্য, মানুষ সেভাবে কথা বলে না। কথার পরিবেশ, মুডভেদে শব্দ-উচ্চারণের তারতম্য ঘটেই।

      Reply
      • shadhu

        যাতে মেশিনের মতো না শোনা যায়, সেজন্য অডিও সফটওয়্যারগুলো হেল্প করতে পারে। মুড পরিবর্তন করতে পারে। সারফেস সাউন্ড যোগ করতে পারে। প্রয়োজনীয় সম্পাদনার পর কথাগুলো মোবাইলের এক প্রান্ত থেকে শোনানো হলে স্বাভাবিকভাবে আরও সারফেস এবং এনভায়রনমেন্ট সাউন্ড পাওয়া যাবে এবং এ মোবাইল-কথোপকথনকে পুনরায় রেকর্ড করা হলে অনেকটাই নিখুঁত নতুন অডিও তৈরি করা সম্ভব।

        এক্ষেত্রে আমরা মনে করতে পারি, আমাদের দেশে হাবিব ওয়াহিদের প্রথম গানের অ্যালবামের কথা। বাংলাদেশে তিনিই প্রথম রেকর্ড করা গানে নানারকম ইফেক্ট যোগ করে অন্যরকম করে তুলেছেন। মানুষ জানতে পারল যে, রেকর্ড করা সাউন্ডে ইফেক্ট যোগ করে প্রকৃত কণ্ঠকেই পরিবর্তন করে ফেলা যায়।

      • Jaladhi

        ও, হাবিব তাহলে সাঈদীর কণ্ঠে গান গেয়েছিলেন? নাকি হাবিব হাবিবের কণ্ঠেই গান গেয়েছিলেন?

    • অাতিক

      একেবারেই যুক্তিহীন কথা। বিভিন্ন অডিও থেকে শব্দ কেটে কথোপকথন বানানো সম্ভব নয়। কারণ-

      ১। এজন্য প্রথমেই সব অডিও থেকে নিখুঁতভাবে শব্দগুলোকে আলাদা করতে হবে যেটা সম্ভব নয়। কারণ একটা অডিও ফাইল থেকে কোনটা শব্দ আর কোনটা নয়েস- সে পার্থক্য করা খুব জটিল একটা কাজ। কোনোভাবে যদি সেটা করা যায় তাহলেও শব্দগুলোর টোন একরকম হবে না। কারণ মানুষ সবসময় এক টোনে কথা বলে না।

      ২‌। এর পরের কাজ হবে, আমি যে বাক্য বানাতে চাই তার শব্দগুলো আগের ধাপে আলাদা করা শব্দগুলো থেকে বাছাঁই করে পরস্পর জোড়া লাগানো। কয়েক লাখ শব্দ থেকে কয়েকটা শব্দ বাছাই করা অনেক সময়ের ব্যাপার। কারণ প্রতিটি শব্দ শুনে শুনে আলাদা করতে হবে। এ কাজ কম্পিউটার দিয়ে হবে না। কারণ কম্পিউটার কোনো শব্দের মানে বুঝে না, সে বড়জোর কম্পাঙ্ক হিসেব করে একটা ধারণা করতে পারে।

      ৩। কোনো অলৌকিক উপায়ে যদি কেউ বাক্য বানিয়ে ফেলতেও সমর্থ হয়, সবচেয়ে কঠিন কাজ হবে এ বাক্যের কনটেক্সট পরিবর্তন করা অর্থাৎ উচ্চারণের ভিন্নতা আনা। একই শব্দক্রমে গঠিত বাক্যের শব্দগুলোর উচ্চারণ কনটেক্সট-ভেদে এক এক রকম হবে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়-

      “আমি কী/কি করেছি” এই বাক্যটি এই তিনটি শব্দ দিয়েই গঠিত হয়েও ভিন্ন ভিন্ন ভাবে উচ্চারিত হতে পারে। যেমন –

      আমি কী করেছি? – নরম স্বরে প্রশ্নবোধক- কী করেছি সেটা জানতে চেয়ে।
      আমি কী করেছি? – রাগত স্বরে প্রশ্নবোধক- কী করেছি সেটা জানতে চেয়ে।
      আমি কি করেছি? – নরম স্বরে প্রশ্নবোধক- আমি করেছি কিনা সেটা জানতে চেয়ে।
      আমি কি করেছি? – রাগত স্বরে প্রশ্নবোধক- আমি করেছি কি না সেটা জানতে চেয়ে।
      আমি কী করেছি? … নরম স্বরে বর্ণনামূলক- আমি কিছু একটা করেছি, সেটার বর্ণনা দেওয়ার শুরুতে।

      এসব কাজ কিন্তু কম্পিউটার দিয়ে হবে না। কেউ যদি করতে পারেন তাহলে কম্পিউটার সায়েন্সের ইতিহাসে বিপ্লব হয়ে যেত।

      Reply
  43. আবদুল্লাহ আল মাহমুদ

    কী আর বলব? আপনি মনের কথাটিই বলেছেন। আমরা সব ব্যাপারেই লাফিয়ে উঠি, আবার নিজের সবচেয়ে বড় পরিচয়টি ধুলিসাৎ হয়ে গেলেও পাত্তা দিই না। পিয়াল ভাই, আপনাদেরই অনলাইনে দেওয়া আজকে বা গতকালকের একটি মন্তব্যে বুকটা ভেঙে গেল, ব্যাথায় ভরে গিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের সক্রিয় সমর্থক বড়জোর ১৫০০???? এ হচ্ছে আমাদের প্রকৃত অবস্থা!!!!!

    জামায়াত-শিবিরের প্রত্যেক সদস্য যেখানে ২৪ ঘন্টা পিসির সামনে নিজেদের চুম্বকের মতো আটকে রেখেছে, সেখানে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের কাউকে এগিয়ে আসতে দেখা যায় না। এর মানে এ নয় যে সব মিলিয়ে ১৫০০ জনই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায়, আর কেউ চায় না। চায় ১৬ কোটি মানুষই, কিন্তু সবাই ঘরের মধ্যে বসে আরামে গোঁফে তা দিচ্ছে। তবু আশা রাখি। রুগ্ন-জীর্ণ-কঙ্কালসার কিছু মানুষ অগণিত ঘৃণ্য জানোয়ার দৈত্যের সঙ্গে খালি হাতে যুদ্ধ করে একদিন স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল। তাই এই ১৫০০ মানুষই কয়েক লাখ জামায়াতি নরপশুর জন্য যথেষ্ট।

    শুধু অন্য অলস স্বার্থপর মানুষদের উদ্দেশে করুণা ও ব্যথাভরা দুয়েকটি দীর্ঘশ্বাস। আর কিছু নয়।

    Reply
  44. ধ্রুব

    পিয়াল ভাই, আজকালকার সাংবাদিকদের কাছ থেকে নৈতিকতা আশা করলেন নাকি? তাহলে আমাদের সময়ে “সত্য জানা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার” টাইপ ডায়লগ ঝেড়ে অনেক আগেই ফ্রন্ট পেজে লিখত যেমন করেছিল স্কাইপ নিয়ে!!!

    Reply
  45. মোহাম্মদ মুন্সী

    অমি রহমান পিয়াল সাহেবকে ধন্যবাদ। সবগুলো প্রিন্ট মিডিয়াতে সাঈদীর টেপগুলো নিয়ে খবর প্রকাশিত হোক। সে সঙ্গে আমরা সাঈদীর টেপগুলোর অডিও রেকর্ডিং ও ট্রান্সক্রিপ্ট সব অনলাইন মিডিয়া বিশেষ করে সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ এজেন্সি বিডিনিউজ২৪ডটকমে দেখতে চাই। জনতার আগ্রহের মূল্য কি দেবে বিডিনিউজ?

    অগ্রিম ধন্যবাদ।

    Reply
  46. Azad Abul Kalam

    জনাব অমি রহমান, সত্য বেশিদিন গোপন থাকে না। আর মিথ্যার কুহেলিকা দিয়েও সত্যকে আড়াল করে রাখা যায় না। এ টেপ যদি সত্য হয়ে থাকে আর তা জেনে-বুঝেও এদেশের পত্রিকাগুলো তা প্রকাশে বিরত থাকে, তা হলে বলতে হবে আপনার মতো একজন দেশপ্রেমিককে অবজ্ঞা করে এরা সবাই মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ভূমিকায় লিপ্ত হয়েছে।

    শুধু একটা কথাই বলতে পারি, আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়েত করুন। আর যারা অন্যায়, অপকর্ম ও প্রতারণায় লিপ্ত রয়েছে তাদের তওবা করার তওফিক দিন।

    Reply
  47. আড়াল

    আমাদের দেশের মস্তকে যে জামায়াত ভর করে আছে এ সহজ-সরল কথাটা লেখক বুঝলেন না কেন? বুয়েট-চুয়েট বলে কথা নয়, একটু খতিয়ে দেখুন- সচিবালয়ে কতজন অ্যাকটিভ জামায়াতি আছে। আশা রাখি, আপনার প্রশ্নের উত্তর আপনি পেয়ে যাবেন। হাসপাতাল, প্রশাসনসহ সব মস্তকেই ওদের আছর আছে। এজন্য শিবিরের তুলনা ওরাই। ক্লাসের ফার্স্টবয়দের দলে ভিড়িয়ে ওরা মস্তকে বসেছে। আর বিএনপি-আওয়ামী লীগ টোকাই দলে টেনে ককটেল ফুটিয়ে রাজনীতি করছে। একদিন ওরাই আসছে ক্ষমতায় এটাও সত্য।

    লেখাটির জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

    Reply
  48. Rashid

    পিয়াল ভাই, মনের কথা বলেছেন। একটি-দুটি পত্রিকা এ নিয়ে নিরব থাকলে প্রশ্নটা উঠত না। কিন্ত পত্রিকাগুলোর সিন্ডিকেটেড-নিরবতা খুবই চিন্তার কথা।

    আমি বুঝতে পারি না গণমাধ্যম এ লম্পটের স্বার্থরক্ষা করছে কীসের বিনিময়ে!

    Reply
  49. বাংগাল

    জনাব অমি রহমান পিয়াল

    আপনি লাখ-কোটি সংবাদপত্র পাঠকের মনের কথাটিই এ লেখার মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। আমাদের সবার প্রশ্ন একটাই, স্কাইপ-কথোপকথনের মতো সাঈদীর রগরগে সংলাপ পত্রিকাগুলো ধারাবাহিকভাবে ছাপছে না কাকে সন্তুষ্ট করতে?

    আমি প্রথম আলো কিনে পড়ি। প্রথম আলোকেই বলছি- আমি সাঈদীর ফোনসেক্স-সংলাপ ধারাবাহিকভাবে পড়তে চাই।

    জনাব অমি, ভালো থাকুন, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আপনাকে শয়তানদের কুদৃষ্টি থেকে হেফাজত করুন। আমিন ।

    Reply
  50. Manik

    হায়রে আমার দেশ! এমন দেশে বসবাস করি যে দেশে সত্য বলার মতো কেউ নেই বললেই চলে। কাকে বিশ্বাস করব আর কাকে করব না তা খুঁজে পাই না…।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—