Feature Img

nazrul--jpg১.
ইংল্যান্ড, সাউথ আফ্রিকা, অষ্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নিউজিল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, কেনিয়া- আইসিসির এই সদস্যরাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে পাকিস্তানের বন্ধুতা থাকুক বা না থাকুক, অন্তত শত্রুতা নেই বলেই জানি। শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট দল পাকিস্তানে গিয়ে একবার আক্রান্ত হয়েছে আর ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের একটা রেষারেষি আছে, এটুকু ধরে নিলেও শত্রুতার ব্যাপারটা নেই। অন্তত এই দেশগুলোর কোনো একটাতেও পাকিস্তান গণহত্যা চালায়নি, ৩০ লক্ষ মানুষ খুন করেনি, লাখ লাখ মা বোনকে ধর্ষন করেনি, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যার নীল নকশা তৈরি করেনি, দেশের অভ্যন্তরে তাবেদার বাহিনী তৈরি করে রেখে আসেনি যারা ষড়যন্ত্রের জাল বুনে যুগের পর যুগ ধরে দেশটিকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রাখবে, প্রজন্মের পর প্রজন্মকে জাতির গৌরবের ইতিহাস ভুলে মিথ্যে ইতিহাস শেখানোর চেষ্টা করবে।

এই কাজগুলো পাকিস্তান অন্য কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে করেনি, করেছে একমাত্র বাংলাদেশের সঙ্গে।

ক্রিকেট বিশ্বে পাকিস্তান আজ বড্ড অসহায়, সেই (না)পাকিস্তানে কোনো ক্রিকেটার খেলতে যেতে রাজী হয় না, সেই অভিশপ্ত দেশে কোনো রাষ্ট্র তাদের গৌরবের ক্রিকেট দলকে পাঠাতে রাজী হয় না, সেই বর্বর মাটিতে পা রাখতে চায় না কোনো আম্পায়ার, কোনো অফিসিয়াল। এই যখন অবস্থা, তখন পাকিস্তানের প্রতি সদয় বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিলো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড! অন্য ক্রিকেট জাতিগুলো যেখানে পাকিস্তানে খেলতে যাচ্ছে না, সেই পাকিস্তানে বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমকে পাঠাতে উঠে পড়ে লেগেছে বিসিবি!

কেন?
২.
ক্রিকেট বাংলাদেশে এখন শুধু একটি খেলা না, এর সঙ্গে মিশে গেছে একটি জাতির, ষোলো কোটি মানুষের আশা আকাঙ্খা, আনন্দ বেদনা সবকিছু। এই জাতির হাসি কান্না হীরে পান্না সবই এখন ক্রিকেট টিমকে ঘিরে, সাকিব তামিমদের ঘিরে। এই গর্বের ধনকে আমরা কোথায় আগলে রাখবো পরম মমতায়, তা না করে আমরা তাদের পাঠিয়ে দিচ্ছি পাকিস্তানে, যেখানে আত্মঘাতী বোমা হামলা ও জঙ্গী হামলার ঘটনা নিত্যনৈমিত্তিক। যেখানে এই ২০১২ সালেই জঙ্গী হামলায় মৃতের সংখ্যা প্রায় ছয় হাজার। সর্বশেষ সফরকারী শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল যেখানে সন্ত্রাসী হামলার শিকার। সেই ভয়ঙ্করতম বর্বর মাটিতে আমরা মুশফিক বাহিনীকে পাঠাচ্ছি!

আবারো প্রশ্ন: কেন?
৩.
বিসিবি এবং পিসিবি গলা মিলিয়ে বলছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের এই পাকিস্তান সফর নিরাপদ। সর্বোচ্চ নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিয়েছে পিসিবি।

কথা হচ্ছে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা আসলে কতটুকু ‘নিরাপদ’? আজকের(২২-১২-২০১২) পত্রিকা খুললেই দেখা যাবে এক আত্মঘাতী বোমা হামলায় তাদের দেশের কোন এক মন্ত্রীসহ ৯ জন নিহত হয়েছে। বছরের পর বছর ধরে পাকিস্তানে এরকমটাই কালচার হয়ে গেছে। সর্বোচ্চ নিরাপত্তাধারী বেনজীর ভূট্টোকে তারা রক্ষা করতে পারেনি। এতো যে বীর তাদের সেনাবাহিনী, দুবছর আগে সেই সেনা দপ্তরেই হয়েছে জঙ্গী হামলা, ১০ জন নিহত হয়েছে।

পাকিস্তানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা কাগজের দেয়ালের মতোই ঠুনকো। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নিরাপত্তার জন্য একে যথেষ্ট মানবো কেন?

৪.
বিপদটা সেখানে আসলে আরো তীব্র। এই সংক্ষিপ্ত সফর শেষে বাংলাদেশ দল যদি নিরাপদে দেশে ফিরে আসে, সেটা হবে ‘পাকিস্তানে ক্রিকেট দল পাঠানো নিরাপদ’ এই সার্টিফিকেট দিয়ে আসার মতো একটা ব্যাপার। যেই সার্টিফিকেটের জন্য পিসিবি এবং পাকিস্তান সরকার এখন মরিয়া হয়ে উঠেছে। যেই সার্টিফিকেট দেখিয়ে পিসিবি আইসিসি এবং অন্য ক্রিকেট জাতিগুলোকে নিজেদের বর্বর ভূমিতে আমন্ত্রণ জানানোর স্বপ্ন দেখছে। হয়তো বাংলাদেশের দেওয়া এই সার্টিফিকেট দেখে অন্য দেশগুলো পাকিস্তানে দল পাঠাতে আগ্রহও দেখাবে। কিন্তু এর পর যদি কোনো দল আবার আক্রান্ত হয়, সেই দায় কি ‘পাকিস্তান নিরাপদ’ সার্টিফিকেট প্রদানকারী বিসিবি নেবে?

৫.
পাকিস্তানে ক্রিকেট দল পাঠানোর সঙ্গে অন্য দেশগুলোর যেখানে শুধু নিরাপত্তাই ইস্যু, বাংলাদেশ সেখানে অবশ্যই উল্লেখযোগ্য ব্যতিক্রম। পাকিস্তান আর বাংলাদেশের মধ্যে এখনো অনেক হিসাব বাকী আছে।

হিসাবের খাতাটা বছরের পর বছর ধরে বন্ধ ছিলো নানা কারনেই। কিন্তু আজ ৪১ বছর পর হলেও সেই হিসাবের খাতা আবার খুলেছে, বিশেষ করে বাংলাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া সামনে আসার পর থেকে। এখন তাই নতুন করেই ভাবতে হবে। শুধু নিরাপত্তার প্রশ্নে নয়, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের প্রতিবাদী অবস্থানটাও এখন স্পষ্ট করতে হবে। ডি-এইট সম্মেলনে যোগ না দিয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে প্রতিবাদের ধারা শুরু করেছেন বলে মনে করি, সেই পতাকা বয়ে নিয়ে যেতে হবে আমাদেরকেই। পাকিস্তানের সঙ্গে আগ বাড়িয়ে বন্ধুতা দেখানোর কোনো দায় আমাদের নেই, এমনকি পাকিস্তানকে ‘নিরাপদ রাষ্ট্র’ প্রমাণ করার কোনো দায়ও আমাদের নেই। আমাদের দায় আছে পাকিস্তানকে বর্জন করার, সর্বক্ষেত্রে।

৬.
অতএব বিসিবির কাছে অনুরোধ, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পাকিস্তান সফর বাতিল করুন।

নজরুল ইসলাম: ব্লগার, চলচ্চিত্রকর্মী।

৩১ প্রতিক্রিয়া -- “যেতে পারি, কিন্তু কেন যাবো?”

  1. সাজেদ

    প্রধানমন্ত্রী তো সব বুঝেন আর জানেন। তিনি কেন নিরব আছেন? তাঁর এখনই এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা উচিত।

    জবাব
  2. সাত্তার

    বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের পাকিস্তান সফরের ব্যাপারে সবার মতামতের প্রতি আমার শ্রদ্ধা। পাকিস্তানের ব্যাপারে এ জাতিকে চিরকালই ভেবেচিন্তে কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। একাত্তরে এদেশকে মেধাশূন্য করতে জাতির সূর্যসন্তানদের যেভাবে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছিল পাকিস্তানের সরকার ও তার এদেশীয় দোসররা- তা দীর্ঘ ৪০ বছরেও পূরণ হয়নি। রাইজিং টাইগারদের পাকিস্তানিরা ঠিকই ঘৃণা ও হিংসার দৃষ্টিতে দেখে আসছে অনেক আগে থেকে। তাই এ শত্রুকে কোনোভাবেই বন্ধু ভাবার অবকাশ নেই।

    আর আমাদের কর্মকর্তারা টাকা খেয়ে পাকিস্তানে টিম পাঠালে তারাও যুদ্ধাপরাধীদের মতোই ঘৃণ্য কাজ করবেন। কারন একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীরা এভাবেই পাকিস্তানিদের সহায়তা করেছিল।

    জবাব
    • আমীর ইমতিয়াজ

      দারুণ মতামত সাত্তার ভাই-এর। আশা করি কর্তাদের এবার ভেবেচিন্তে ‘না’ বলাই উচিত। যুদ্ধপরাধীদের মতো বিচার হবে ক্রিকেট-কর্তাদের। ক্ষমতার জোরে সব তোয়াক্কা না করার ফল ভোগ করছে নিজামী, গো-আযম, সাইদীরা। সেটা মনে রাখা দরকার।

      জবাব
  3. বিশ্বজিৎ রায়

    যারা দেশের সোনার সন্তানদের মৃত্যুকূপে পাঠাতে এতটুকু শঙ্কিত হয় না তাদের দেশপ্রেম প্রশ্নবিদ্ধ।

    জবাব
  4. Ashek Mahmud

    পাকিস্তান মোটেও নিরাপদ দেশ নয়। যারা নিজেদের জনগণকেই নিরাপত্তা দিতে পারে না তারা আমাদের ক্রিকেটারদের কী করে নিরাপত্তা দেবে? এ সফর বাতিল করতে ক্রিকেট বোর্ডকে অনুরোধ জানাচ্ছি।

    জবাব
  5. তন্ময়

    অবশেষে ক্রিকেট নিয়েও রাজনীতি !!!!!!!!!! কিছুই বলার নাইরে ভাই। কপালে লিখা থাকলে মরণ যেকোনো জায়গাতেই হতে পারে।

    জবাব
    • নজরুল ইসলাম

      ক্রিকেট বিশ্বের কোনো দেশই পাকিস্তানে জাতীয় বা কোনো পর্যায়ের দলই পাঠাচ্ছে না এখন, তাতে কোনো দেশের ক্রিকেটই গভীর সংকটে পড়ে যায়নি।

      জবাব
  6. অনূঢ়া অবন্তী

    ডি-এইট সম্মেলনে যোগ না দিয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে প্রতিবাদের ধারা শুরু করেছেন বলে মনে করি, সে পতাকা বয়ে নিয়ে যেতে হবে আমাদেরই।

    লেখাটা ভালো লাগল। যথেষ্ট যুগোপযোগী ও সময়োচিত একটি ভাবনা।

    জবাব
  7. প্রথম সকাল

    লোটাস কামাল যে আইসিসি’র পদ পাওয়ার জন্য আমাদের ছেলেদের বেচে দিয়ে এসেছে- তার এখন কী হবে?

    জবাব
      • Hakim Ullah

        আপনার নিজের মত অন্যের ওপর চাপাতে চাচ্ছেন কেন? সবারই নিজস্ব ভাবনা-চিন্তা আছে। অন্যদের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা রাখুন।

    • আমীর ইমতিয়াজ

      ভাই জসিম, তুমি যদি একাত্তরে বাঙালিদের উপর পাকিস্তানিদের বর্বরতাকে স্মরণ করতে পারতে তাহলে বিষয়টা শুধু খেলার মধ্যে রাখতে পারতে না। Smartly বক্তব্য দেওয়ার যোগ্যতাকে তুমি দায়িত্বহীনতার সঙ্গে মিলিয়ে ফেলেছ। তুমি কি মনে করতে পার শুধুমাত্র বর্ণবাদী অপবাদের কারণে কত বছর দক্ষিণ আফ্রিকাকে সারাবিশ্ব ক্রিকেট-জগতে নিষিদ্ধ করে রেখেছিল?

      মনে হয় তোমার বয়স অল্প। তাই ক্ষমা পেতে পার এ ধরনের বক্তব্যের জন্য। তবে তার জন্য তোমাকে এখানে ভুল স্বীকার করে বক্তব্য দিতে হবে।

      জবাব
  8. রোমান

    বাংলাদেশ ক্রিকেট দল পাকিস্তানের মতো নরকে যাবে না এটাই শেষ কথা। বিসিবির বোঝা উচিত, যত তাড়াতাড়ি বুঝবে ততই মঙ্গল।

    জবাব
  9. ত্রিমাত্রিক কবি

    দরকারি লেখা নজরুল ভাই। প্রতিবাদ-লেখালেখি সবই তো হচ্ছে, এখন যাদের কানে ঢোকা দরকার, তাদের কানে ঢুকলেই হয়।

    জবাব
  10. কবির য়াহমদ

    পরাজিত যোদ্ধার মূল্য কি আছে ইতিহাসের কাছে? ব্যাপারটি তর্কসাপেক্ষ তবু সাহস করেই বলি- মূল্য নেই। এমনও হতে পারে কোনো কঠিন যুক্তির কাছে হার মেনেও বলতে পারি- হয়তো মূল্য আছে, তবে বর্তমান সময়ে আমরা কেউই পরাজয় মেনে নিতে রাজি নই।

    বলছিলাম, সম্পূর্ণ নিরাপত্তাহীন এক দেশে কীভাবে আমাদের ক্রিকেট দল পাঠাতে চায় বিসিবি! তাদের মনে কি সামান্যতম হলেও ক্রিকেটারদের প্রতি সহানুভূতি জাগে না? হতে পারে এ বিসিবি’র কর্তাব্যক্তিরা সাবেক সভাপতি লোটাস কামালের দাসখতকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চায়। কিন্তু এভাবে কেন? কেন ক্রিকেটারদের জীবন হুমকির মধ্যে ফেলে দিয়ে তাদের অন্যায় প্রতিশ্রুতি পালন করতে হবে? যদি অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু হয়ে যায় তখন কি দুঃখপ্রকাশ, শোকদিবস আর প্রেসনোট দিয়ে এ ক্ষত সারিয়ে ফেলা যাবে?

    আমাদের সাকিব-তামিমেরা কোনো কারখানায় তৈরি করা খেলোয়াড় নয় যে একবার কোনো কিছু হয়ে গেলে আরেকবার তৈরি করে দেওয়া যাবে! এই লোটাস কামাল, এই পাপন তাদের মূল শক্তি রাজনৈতিক। তারা রাজনৈতিক ক্ষমতায় বিসিবি’র হর্তাকর্তা! ওখানে সময়ে সময়ে মানুষ বদলায়; বদলাবে। আমরা হয়তো একে খুব বেশি গুরুত্বও দেব না কিন্তু আমাদের ক্রিকেটাররা যারা ইতোমধ্যেই আমাদের আবেগ আর ভালোবাসার মধ্যে মিশে গিয়ে হয়ে গেছে একান্ত সুহৃদ- তাদের কোনো কিছু হয়ে গেলে আমাদের হাহাকার করা ছাড়া উপায় কী আছে?

    মৃত্যুপুরী পাকিস্তান যেখানে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে পারছে না তাদের মন্ত্রীদেরও। আর সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা তো সেখানে একমাত্র অদৃষ্টের হাতে।

    আজ জেগেছে সিলেট, জেগেছে ঢাকা, জেগেছে চট্টগ্রাম, জাগছে বাংলাদেশ! যে তুমি দেশ আর ক্রিকেট ভালবাসো- সে তোমার দায় এবং দায়িত্ব আজ ক্রিকেট দলকে মৃত্যুপুরী পাকিস্তানে পাঠানোর সমূহ ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়ার!

    আমিও নেমেছি পথে; তুমি কি দেখতে পাচ্ছো আমাকে, শুনতে কি পাও আমার এ ডাক…

    জবাব
  11. জুন্নুনুর রহমান

    অবশ্যই যাওয়া উচিত নয়। আমার মতে, যদি সেখানে ক্রিকেটাররা শতভাগ নিরাপদ হয়ে থাকেন তাহলেও যাওয়া উচিত হবে না। বাংলাদেশ পাকিস্তানে যেতে পারে না।

    জবাব
  12. অমি রহমান পিয়াল

    ওই মৃত্যু-উপত্যকা ক্রিকেট-বান্ধব নয়, ক্রিকেটারদের উচিত হবে না বিশ্বের বাকি দেশগুলোর বিপরীত পথে হাঁটা…

    জবাব

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল অ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—