Feature Img

muntasir-f1জামায়াতে ইসলামীর কর্মীরা ইদানিং সারাদেশে শক্তির মহড়া দিচ্ছে। পুলিশ সদস্যদের পর্যন্ত বেধড়ক পিটিয়ে ওরা বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। জামায়াতের এ সব কাজকর্মে আমি খুবই আনন্দিত। কারণ দলটি সবসময়ই ফ্যাসিবাদী। পাকিস্তান আমলে কাদিয়ানিদের সঙ্গে দাঙ্গা লাগিয়ে ওদের হত্যা করার জন্য জামায়াত দোষী সাব্যস্ত হয়েছিল। ওদের দলনেতা মওদুদীর তখন ফাঁসির আদেশ হয়েছিল। সৌদী আরবের হস্তক্ষেপে ওরা বেঁচে গিয়েছিল। মওদুদী নিজেও ওভাবেই প্রাণে বেঁচেছেন। এরপর এল একাত্তর। এবারও একইভাবে ফ্যাসিবাদী ভূমিকা নিল দলটি। এ যাত্রাও ওরা বাঁচল সৌদী আরবেরই হস্তক্ষেপে।

বঙ্গবন্ধু-হত্যার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে পরিবর্তন এল, তার ধারাবাহিকতায় জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এলেন। সবাই জানেন তিনি কীভাবে জামায়াতে ইসলামীকে পুনর্বাসিত করেছিলেন। অনেকেই বলেন, তিনি ‘মুক্তিযোদ্ধা,’ স্বাধীনতার ঘোষক।’ কিন্তু একটি বিষয় স্পষ্ট যে তিনি যদি একাত্তরে সত্যিকার স্বতঃস্ফুর্ততার সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে যেতেন বা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতি যদি তাঁর সত্যিকারের ভালবাসা থাকত তবে এ দেশে জামায়াতকে পুনর্বাসিত করার কাজটা করতে পারতেন না। সবাই জানেন, ১৯৭৮ সালে পাকিস্তানের পাসপোর্ট নিয়ে গোলাম আজম বাংলাদেশে আসেন। এর পরের বছর থেকে এ দেশে জামায়াতের রাজনীতি আবার শুরু হয়।

পরে তো জানা গেছে যে, জিয়া আসলে ‘পাকিস্তানপন্থী’ ছিলেন। যে ঘোষণাটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কর্মীরা লিখে দিয়েছিলেন সেটি তিনি পশ্চাদপসারণ করার মুহূর্তে পাঠ করেছিলেন। এভাবে তিনি হয়ে গিয়েছেন ‘মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক!’

এরই ফলে পরবর্তীতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রভাবশালী হয়ে ওঠা জিয়াউর রহমান মৌলবাদী শক্তির পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছেন। একই কাজ করেছেন তার উত্তরসূরী আরেক সেনাশাসক এইচ এম এরশাদ। এই দুই শাসনামলে বাংলাদেশে মৌলবাদী শক্তি পূর্ণ পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছে। আমাদের সামরিক শাসক ও সেনাবাহিনী মৌলবাদকে এ দেশের মাটিতে শেকড় গাড়তে সাহায্য করেছে সবসময়ই।

এই জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে সবাই কখনও না-কখনও কাজ করেছে। প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ দু’ভাবেই। বিএনপি, জাতীয় পার্টি তো বটেই- এমনকী আওয়ামী লীগও ওদের ব্যাপারে নমনীয়তা দেখিয়েছে। রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম রেখে দিয়েছে তারা। এভাবে জামায়াতের উপকার হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত জামায়াতকে নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। আজকে তারা বলছে বিধি সংশোধন না করলে জামায়াতের নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ নেই। আগের নির্বাচন কমিশনের যারা আজ বড়-বড় কথা বলেন, তারা এ কাজ করতে পারেননি বা চাননি। নির্মূল কমিটির পক্ষ থেকে প্রয়াত কবীর চৌধুরীসহ আমরা ক’জন এবং সেক্টর কমাণ্ডারস ফোরামের নেতারা তখনকার নির্বাচন কমিশনকে বলেছিলাম যে বিধি অনুযায়ী এ দেশে জামায়াতের নির্বাচন করার কোনও সুযোগ নেই। ওরা মিটিমিটি হেসেছেন আমাদের কথা শুনে। তারপর অবৈধভাবে জামায়াতকে নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ দিয়েছেন।

আমি আজ অবাক হয়ে দেখি, এমনকী মিডিয়া পর্যন্ত জামায়াতের পক্ষে কোনো না-কোনোভাবে কাজ করছে। খুব কষ্টও পাই যখন দেখি যে, জামায়াতের নেতাদের ‘ভি-চিহ্নিত’ হাতের ছবি মিডিয়াতে প্রকাশিত হচ্ছে। পত্রিকায় ছাপা হচ্ছে, টেলিভিশনে দেখাচ্ছে। বিচারাধীন এই নেতাদের সবাই বয়োবৃদ্ধ। পলিশের কাঁধে ভর দিয়ে তারা আদালতে আসেন। মিডিয়াতে তাদের এ ধরনের ছবিগুলো প্রকাশিত হলে অনেকের মনে ভিন্ন অনুভূতি তৈরি হতে পারে। মনে হতে পারে যে এ বৃদ্ধদের এভাবে টানাহেঁচড়া করা হচ্ছে কেন! তাদের ভি-চিহ্নিত হাতের ছবি প্রকাশ করা কি খুব জরুরি? তাতেও কি মিডিয়া ওই ঘৃণিত শক্তিকে ‘বিজয়ী’ হিসেবে তুলে ধরছে না?

আমাদের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে দেখুন। সেখানে মাদ্রাসা থেকে পাশ-করা শিক্ষার্থীদের পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া হচ্ছে। দাখিল-কামিল পরীক্ষায় একজন শিক্ষার্থী ১০০ তে ১০০ বা ৯০ পেয়ে পাশ করছে। ওদিকে সাধারণ স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা এসএসসি-এইচএসসিতে পাচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ নম্বর। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির ক্ষেত্রে যেহেতু ভর্তিপরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের পাশাপাশি এসএসসি-এইচএসসিতে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়, তাই ওরা পিছিয়ে পড়ছে। এখন মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদগুলোতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা বেশি হারে ভর্তি হচ্ছে। আগামীতে এদের সংখ্যা আরও বাড়বে।

আমরা বলছি, হয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে পাবলিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত ফলাফলের গুরুত্ব কমিয়ে দিতে হবে- নয়তো পাবলিক পরীক্ষার নম্বর বাদ দিয়ে শুধু ভর্তিপরীক্ষার ভিত্তিতে একজন শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ দিতে হবে। কীভাবে কলেজ থেকে আর মাদ্রাসা থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন সমান হতে পারে?

রাজনৈতিক কারণে বিএনপি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। আওয়ামী লীগও এটা চালু রেখেছে। এটা খুব আত্মঘাতী একটা ব্যাপার হয়ে গেছে। এই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের বেশিরভাগই জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য ধর্মভিত্তিক দলের সদস্য। ফলে এরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ‘বড় একটা মাদ্রাসা’ বানিয়ে ফেলছে। এর জন্য দায়ী আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষগুলো।

দুঃখের বিষয়, এখন আমাদের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ কোনো কিছু গভীরে গিয়ে তলিয়ে দেখতে চায় না। কর্মকর্তারা এখানে-ওখানে আলোচনায় যাওয়া আর সই-স্বাক্ষর দেওয়ার মধ্যেই কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রেখেছেন।

এ সব নিয়ে বারবার বলা হচ্ছে। আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে বলছি, এ সব ব্যবস্থা পাল্টান। আগামীতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নৈরাজ্য আরও বাড়লে এর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষগুলোর পাশাপাশি তারাও দায়ী হবেন। সৈয়দ আলী আহসান ১৯৭২ সালে বলেছিলেন, ‘এ দেশে মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধ করে দেওয়া উচিত।’ তখন তিনি সাহস করে এ কথা বলতে পেরেছিলেন। যদি তাঁর কথা শোনা হত তবে আজ দেশের শিক্ষাব্যবস্থার এ দশা হত না।

আমি বলব, এ বিষয়ে আদালতও আমাদের প্রতি সুবিচার করছেন না। আমরা তো আদালত কীভাবে চলবে তা বলে দিই না। তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কী করবে না-করবে তা বিশ্ববিদ্যালয়েরই সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত। এ ব্যাপারে আদালত আমাদের ওপর কিছু চাপিয়ে দিতে পারেন না। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা রিকোয়ারমেন্ট আছে। সেটা বিবেচনা করা উচিত। আমরা কী বলতে চাচ্ছি সেটা ওদের শোনা উচিত। তারা কেন বলেন না যে, এক দেশে পাঁচ রকম শিক্ষা ব্যবস্থা থাকতে পারে না!

মানবাধিকারের কথা যদি বলতে হয়, জামায়াতে ইসলামীর মানবাধিকার কি আমাদের মানতে হবে? আর যদি তর্কের খাতিরে ওভাবে ধরেই নিই, তবে তো বিশ্ববিদ্যালয়ে যে কেউ-ই ভর্তি হওয়ার দাবি করতে পারে। বাছাই কেন করব আমরা?

আমাদের রাজনীতিতে-সমাজে এভাবে জামায়াত-পোষণের ফল হচ্ছে এটাই যে, এখন জামায়াত সদস্যরা পুলিশের অস্ত্র কেড়ে নিয়ে তাদের পেটাচ্ছে। রাস্তায আহত হয়ে পড়ে থাকা পুলিশকে মারধর করছে- এ সব আমাদের দেখতে হচ্ছে। আমি এ লেখার শুরুতে বলেছিলাম, জামায়াতের এ সব কাজকর্ম দেখে আমি আনন্দিত। কথাটির ব্যাখ্যা দিচ্ছি। ওদের কাজকর্ম দেখে আশা করি এখন সবাই বুঝতে পারবেন জামায়াত আসলে কী ছিল, আছে বা থাকবে। আর এটাই আমার খুশির কারণ।

এখনকার তরুণ জামায়াত-কর্মীদের দেখে চেনার উপায় নেই যে ওরা জামায়াত। এটাই আমার কাছে সবচেয়ে ভয়ানক বলে মনে হয়। এ যুগের বাচ্চা-জামায়াতীরা রাসুলের সুন্নত মেনে টুপি-দাঁড়ি রাখে না। ইসলামী পোশাক বা পাঞ্জাবি পরে না। তাদের অভিহিত ‘নাসারাদের’ মতো জিন্সের প্যান্ট বা শার্ট পরে। দাঁড়ি-গোঁফ কামায়। কাঁধে ব্যাগ ঝোলায়। প্রযুক্তিতেও দক্ষ ওরা। সর্বোপরি, একাত্তরের কথা জেনেও ওরা এই দলের রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছে। তাই ওরা হবে একাত্তরের জামায়াতের চেয়েও অনেক-অনেক বেশি ভয়ানক।

দেথতে পাচ্ছি, এতদিনে নড়েচড়ে বসেছেন সবাই। জামায়াতের রাজনীতি নিয়ে কথাবার্তা হচ্ছে। দেখা যাক কী হয়। আমি শুধু একটা কথাই বুঝি। যে যে ভাষা বোঝে তার সঙ্গে সে ভাষায় কথা বলতে হয়। জামায়াত যদি নাশকতাকে পলিসি হিসেবে নেয় তবে তার সঙ্গে সেভাবেই ট্রিট করতে হবে। জামায়াতীরা ভদ্র ভাষা বোঝে না।

বঙ্গবন্ধু সাহস করেছিলেন। নিষিদ্ধ করেছিলেন জামায়াতের রাজনীতি। দালাল আইনে বিচার করেছিলেন কিছু স্বাধীনতা-বিরোধীর। গোলাম আজমসহ কিছু চিহ্নিত জামায়াতী নেতা ও যুদ্ধাপরাধীর নাগরিকত্বও বাতিল করা হয়েছিল। এমন সাহস করার মতো নেতা বর্তমান আওয়ামী লীগে নেই কেন এ প্রশ্ন আমাকে অনেকেই করেছেন। আমি এর উত্তরে একটা কথাই বলব, এই আওয়ামী লীগ সেই আওয়ামী লীগ নয়। এখানে নানা ধরনের লোক আছেন। এই নেতারা নানা সময়ে নানাভাবে সমঝোতা করেছেন, করে যাচ্ছেন। এই নেতাদের কোনো প্রতিশ্রুতি নেই। আর যে সমাজে সবাই দু’নম্বরী কাজে ব্যস্ত সেখানে নেতাদের কাছে বেশি কিছু আশা করা ঠিক নয়। তাদের পক্ষে বঙ্গবন্ধু বা জাতীয় চার নেতা হওয়া সম্ভব নয়।

আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে তো একা সবকিছু করা সম্ভব নয়। আমরা চেয়েছিলাম যুদ্ধাপরাধীদের একটা রাজনৈতিক বিচার হোক। এই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার-প্রক্রিয়া শুরু করার সাহস দেখিয়েছেন শেখ হাসিনা। এ জন্য আমরা মনে করি, তিনি ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবেন।

জামায়াতের সাম্প্রতিক কার্যকলাপের পেছনে বেশ ক’টি কারণ থাকতে পারে। তারা এর মাধ্যমে কয়েকটি ‘বাণী’ দিতে চাচ্ছে। প্রথমত, যুদ্ধাপরাধের বিচার জামায়াত বা বিএনপি কেউ হতে দিতে চাইবে না। শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের কয়েকজনের বিচার প্রায় শেষের পথে। ট্রাইব্যুনালের রায় নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই। তবে আমরা আশা করছি, ডিসেম্বরের মধ্যেই কয়েকজনের ব্যাপারে রায় হয়ে যাবে। এ পরিস্থিতিতে জামায়াতের একাংশ ক্ষুব্ধ হযে উঠতে পারে।

দ্বিতীয়ত, নির্বাচন আসছে। সঙ্গত কারণেই জামায়াত শক্তির মহড়া দিচ্ছে। তারা দেখাতে চাচ্ছে যে, তারা একটি শক্তি। তারা এর মাধ্যমে বোঝাতে চাচ্ছে তারা যেভাবে চাইবে সেভাবে সবকিছু হতে হবে। বলতে চাচ্ছে- চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্রের মতো পরাশক্তিগুলো তাদের সমর্থন করছে। তারা তখনই নির্বাচনে অংশ নিতে চাইবে যখন তারা ভাববে যে তারা বিজয়ী হবে।

তৃতীয়ত, সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন করে তারা বুঝিয়ে দিল যে, তাদের কথামতো চলতে হবে। চতুর্থত, পুলিশকে যেভাবে তারা পেটাতে পারছে তাতে সুশীল সমাজ বা বুদ্ধিজীবীদের জন্যও এটা একটা সতর্কবার্তা।

অনেকে বলছেন, বিএনপি-জামায়াতের জুটি ভেঙ্গে যাচ্ছে। আমি বলব, বিএনপি সবসময় জামাতের পাশে ছিল। এখনও আছে। বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের তো খুব বেশি পার্থক্য নেই। বিএপির লোকেরা সাফারি পরেন। আর পুরনো জামায়াতীরা ইসলামী পোশাক পরেন। এই তো?

বিএনপির নেত্রী খালেদা জিয়া সম্প্রতি ভারত সফর করে এসেছেন। এ দলটি সবসময় বলে এসেছে যে, ভারতের সঙ্গে তারা ‘নতজানু’ পররাষ্ট্রনীতি মেনে চলে না। এখন এ দল যদি ভারতের কাছে নতজানু হয়ে যায়, তাদের ভাষায়- ‘ভারতপন্থী’ বা ‘ভারতের এজেন্ট’ হয়ে ওঠে- তাতেও জামায়াতের কোনো সমস্যা নেই। মজার বিষয় হল, জামায়াতের পত্রিকা দৈনিক সংগ্রামে প্রবন্ধ লেখা হচ্ছে এ সব বিষয়ে। তার লিখছে, ভারতের সঙ্গে আমাদের যে ‘মধুর সম্পর্ক’ এটা ধরে রাখতে হবে। এটা নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না!

আমাদের সুশীল সমাজের লোকেরা এখন এতটাই সুশীল হয়ে গেছেন যে শুধু উপদেশ দিয়ে বেড়াচ্ছেন। আমি মনে করি, একজন তখনই উপদেশ দিতে পারবেন যখন তিনি নিজে কাজটি করে ফেলবেন। অনেকেই বলছেন যে, আওযামী লীগ এটা পারল না ওটা পারল না। কিন্তু কী পারেনি সেটা তো বলছেন না। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় ছিল। তারা কী করেছে জাতি সেটা দেখেছে। অনেকেই হয়তো ভুলে গেছেন সে সব দিনের কথা। জামায়াত আবার তাদের এখনকার কার্যকলাপ দিয়ে বুঝিয়ে দিল, তারা কী করতে পারে। আমাদের তাই সাদাকে সাদা কালোকে কালো বলতে হবে।

আমি মনে করি, এ পরিস্থিতিতে আমাদের সবার ভেবে দেখার সময় হয়েছে যে এ দেশে জামায়াতকে রাজনীতি করতে দেওয়া ঠিক হবে কিনা। এমনকী যারা জামায়াতকে সমর্থন দেবে, তাদেরও এ দেশে রাজনীতি করতে দেওয়া উচিত নয়। আমরা এদের প্রতিরোধ করব, রুখে দেব, এটাই আমাদের প্রতিশ্রুতি হওয়া উচিত।

মুনতাসীর মামুন : অধ্যাপক, লেখক ও গবেষক।

মুনতাসীর মামুনলেখক ও গবেষক

৭১ প্রতিক্রিয়া -- “ফ্যাসিবাদী জামায়াতকে যে-কারণে নিষিদ্ধ করা উচিত”

  1. Md Mokhlesur Rahman

    “..এই আওয়ামী লীগ সেই আওয়ামী লীগ নয়। এখানে নানা ধরনের লোক আছেন। এই নেতারা নানা সময়ে নানাভাবে সমঝোতা করেছেন, করে যাচ্ছেন। এই নেতাদের কোনো প্রতিশ্রুতি নেই। আর যে সমাজে সবাই দু’নম্বরী কাজে ব্যস্ত সেখানে নেতাদের কাছে বেশি কিছু আশা করা ঠিক নয়। তাদের পক্ষে বঙ্গবন্ধু বা জাতীয় চার নেতা হওয়া সম্ভব নয়।”

    -উচিত উক্তি।

    জবাব
  2. ভাইজান

    বুঝতে পারিনি লেখায় “আমরা” শব্দটা দিয়ে আপনি কাদের বুঝাতে চেয়েছেন? এই আমরা কি এমন-কেউ যারা ফেলানির লাশ নিয়ে কথা বলে? এই আমরা কি এমন-কেউ যারা রামুর সহিংসতার দায়ভার এড়াতে পারে? এই আমরা কি এমন-কেউ যারা বিডিআর-হত্যাকন্ডকে বর্বরতা বলে? এই আমরা কি এমন-কেউ যারা এদেশের মানুষের কৃষ্টি-কালচারকে সম্মান করে বিদেশিদের আগ্রাসন থেকে বাঁচাতে কাজ করে?

    জবাব
  3. tuhintushar

    লেখককে ধন্যবাদ।

    সংবিধান লঙ্ঘন করে কন্ডিশন থাকা সত্ত্বেও মাদ্রাসা-ছাত্রদের সব সাবজেক্ট দেওয়া হচ্ছে না। আমার প্রশ্ন, এটা কি শিক্ষার মান নষ্ট করে না? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সারির দশটি বিষয়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের প্রবেশের সুযোগ বন্ধ আছে এখনও। আবার যে-সাবজেক্টগুলো তারা পাচ্ছে তাতেও অযৌক্তিকভাবে শর্ত বাড়ানো হয়েছে। সাধারণ ইতিহাসে ইংরেজিতে ১৫ শর্ত করা হয়েছে। এতে একজন মাদ্রাসা-ছাত্র এক হাজার সিরিয়াল হয়েও ভালো সাবজেক্ট পাবে না। অন্যদিকে স্কুল-কলেজের ছাত্ররা তিন হাজার হয়েও ভালো সাবজেক্ট পাচ্ছে।

    আরেকটি কথা, মা্দ্রাসায় পড়া মানেই শিবির করা নয়। স্কুল-কলেজের ছাত্ররা কি শিবির করে না?

    জবাব
  4. sa

    স্যার, আপনাকে অনেক খুঁজেছি, প্রথমে কেন সেটা বলে নিই-
    ১) লরেন্স লিফসুলজ-এর ‘বাংলাদেশ আন ফিনিশড রেভূ্লেশন’ বইটার অনুবাদ বের করা খুব দরকার এখন, আগামী বইমেলার আগেই। সেটা আপনি খুব ভালো করতে পারতেন। এটা করা এখন ফরজ হয়ে গেছে। না হলে নতুন প্রজন্ম ভুলই জানবে, জামায়াত-বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের পার্থক্য জানবে না।

    ২) আরেকটি বই আছে, এটাও অনুবাদ করা জরূরী। সিআইয়ের প্রোপাগাণ্ডার জবাব দিতে হবে তথ্য দিয়ে।

    আপনার লেখা নিয়ে-
    বরাবরের মতোই অসাধারণ, ১৭৫৭ সালে সিরাজদৌলার পক্ষে কথা বলার মতো হয়তো কাউকে পাওয়া যেত না, তখন তার পক্ষে কথা বলা যেমন সবদিক দিয়েই কঠিন ছিল, এখনও তেমন আপনার পক্ষে অবিচল থাকাটা কঠিন।

    মিডিয়াতে কোনো রকম ব্যতিক্রম ছাড়া যুদ্ধপরাধের বিচার নিয়ে প্রত্যেকটি রিপোর্টে সাঈদির কোরান হাতে নেয়া, গো-আযমকে কোলে করে কোর্টে নেয়া, প্রতিবার ছাপানো হয় কথনও ভুল করেও এটা বাদ দেওয়া হয় না। এতে সেন্টিমেন্ট ওদের পক্ষে যায়।

    অথচ ৭১ এর গণত্যার ছবি, তাদের সংগ্রাম পত্রিকার কাটিং- এ সব কিন্তু একই সঙ্গে দেখানো হয় না।

    কেন ?

    আর প্রথম আলোসহ সবগুলো পত্রিকা ও টিভি চ্যানেলে এদের বিরূদ্ধে কোনো প্রতিবেদন (মানে ৭১ এ তারা কে কী করেছে) ছাপা হয় না। কেন তাদের কি কোনো দাযিত্ব নেই ?

    জবাব
  5. lokman

    মি. নাজিম পাশা, আপনি কোন মাদ্রাসার ছাত্র? আপনার মতো অথর্ব তো আর একটা পাওয়া মুশকিল হবে।

    জবাব
  6. দেশপ্রেমিক

    প্রশ্ন হল, লেখাটি কীসের বিরোধিতা করে? জামায়াত না মাদ্রাসা শিক্ষার? বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমি জামায়াতকে নিষ্ক্রিয় করার পক্ষে যা মুনতাসির মামুনের লেখায় প্রচন্তভাবে অনুপস্থিত। একটা জায়গায় মুনতাসির সাহেব ধন্যবাদ পাবেন তাঁর দীর্ঘ আন্দোলন ও গণসচেতনতামূলক প্রচারণা জামায়াত আর মৌলবাদীতার বিরুদ্ধে বলে। কিন্তু তাঁর লেখা পড়ে কেবলমাত্র একটি ভাবধারা বা আর্দশের সন্ধান পাওয়া যায় যাদের ইতিহাস বাংলাদেশে সবসময় গণতান্ত্রিক ছিল না বা নেই।

    মাদ্র্রাসা-শিক্ষা কোনো সমস্যা নয়। সমস্যা শিক্ষাটা কতটুকু যুগোপযোগী বা কারা এই মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে তা নিয়ে। সাধারণত গ্রামের গরীব, অশিক্ষিত পরিবারের সন্তানেরা মাদ্রাসা-শিক্ষায় বেশি যায় যা ধর্মের প্রতি আর্কষণ থেকে যতটা না তার চেয়ে বেশি অর্থনৈতিক কারণে। বর্তমানে যারা জামায়াতের বা ছাত্রশিবিরের নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্ত তাদের কতজন মাদ্রাসা থেকে এসেছে তা বিবেচনার বিষয়। জামায়াতকে দূর করা দরকার, তবে তার সঙ্গে মাদ্রাসা-শিক্ষাকে যুগোপযোগী করে তোলাও দরকার যাতে সমাজের উপরের বা মধ্যম অংশও এতে যুক্ত হয়।

    এ বিষয়ে জনাব মামুনের একটি সুন্দর লেখা আশা করছি।

    জবাব
  7. Anis Sabeth

    হায়! কী এক দুর্ভাগা দেশে বাস করি আমরা। রাজনৈতিক নেতা ও বুদ্ধিজীবীরা ব্যক্তি বা গোষ্ঠী-স্বার্থকে বড় করে দেখেন। দেশের কথা কেউ ভাবেন না।

    জবাব
  8. শরিফ

    বিশ্বের অনেক দেশেই ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল আছে। বাংলাদেশে থাকলে সমস্যা কী?

    জামায়াত ছাড়াও দেশে অনেক ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল আছে। ওই সব দল খারাপ কিছু করেনি। আর তাই সব ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা ঠিক হবে না ।

    জবাব
    • Mohiuddin

      ইসলামকে রাষ্টধর্ম হিসেবে চান না আপনারা, এটাই আপনাদের সব মতামতে উঠে আসে। ইসলামিক দল, আলেম-উলামা এবং মাদ্রাসাছাত্রদের ঘৃণা করেন আপনারা। যারা এখনও উনাদের চিনতে পারেননি তারা চেনার চেষ্টা করুন।

      জবাব
  9. হাসান

    আপনার লেখা পড়ে মনে হল… জামায়ত নিয়ে আপনার যতটা না আপত্তি তার চেয়ে বেশি মাদ্রাসা-শিক্ষার্থীদের নিয়ে!

    মাদ্রাসা থেকে যে ছেলেটা ভালো রেজাল্ট করে সে সাধারণ কলেজে পড়ুয়া একই রেজাল্ট করা ছাত্রদের চেয়ে কিছুটা হলেও বেশি মেধাবী। কারণ কলেজের ছেলেরা যেখানে দুটো ভাষা পড়ে এবং অধিকাংশই দ্বিতীয় ভাষার পরীক্ষায় ফেল করে- সেখানে সমবয়সী মাদ্রাসার ছেলেদের তিনটি ভাষা আয়ত্ত করতে হয়।

    ছোট একটা পরিসংখ্যান দিই।
    আমরা দাখিলের ব্যাচের ৮৪ জন ছাত্র ছিলাম। তার মধ্যে একজন বুয়েটে, একজন মেডিকেলে, ২২ জন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, ৯ জন শাহজালালে এবং ৩ জন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছি।

    জবাব
    • শাহিদ

      বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়লেই শিক্ষা গ্রহণ করা যায় না। মাদ্রাসা-শিক্ষা মনে যে সংকীর্ণতা সৃষ্টি করে তা দূর করা কঠিন….

      জবাব
  10. Zaman

    জামায়াত-শিবির যদি ৯৬ সালের মতো আওয়ামী লীগের সঙ্গেই জোটবদ্ধ থাকত তাহলে আর এত কথা উঠত না।

    জবাব
  11. রাজু

    লেখাটি পক্ষপাতদুষ্ট। আমাদের দেশের বড় সমস্যাগুলো হল দুর্নীতি, ঘুষ, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, রাহাজানি, চাঁদাবাজি, নারীনির্যাতন। আমরা সবাই কম-বেশি এ সবের ভুক্তভোগী। এ সব যারা ঘটায় তাদের কতজন মাদ্রাসা-শিক্ষায় শিক্ষিত?

    জবাব
    • রেজয়ান

      মুনতাসীর মামুন@ এর লেখাটি পড়ে হাসলাম 🙂 । আর ভাবলাম – হায়রে অতি শিক্ষিত মানব। আমার মনে হয় আপনার মধ্যে মাদ্রাসা বিদ্বেষ ব্যাপক। অসাম্প্রদায়িক -এর কথা বলে আর কত কাল এইভাবে বাংলার মাটি হতে ইসলাম এর মতাদর্শ দূর করার ফন্দি আঁটবেন ???????

      জবাব
  12. মামুন

    আপনার চোখে শুধু জমায়াত-শিবিরের বিশৃংখলা চোখে পড়তে পারে, আমাদের চোখে আরও অনেক কিছু পড়ে। কেননা আমরা আমজনতা ক্ষমতার রূটি-হালুয়ার ভাগ পাই না। জমায়াত-শিবিরের এই বিশৃংখলতার হেতু আমাদের অজানা নয়। আমরাও তাদের এই অপকর্ম ঘৃণা করি। তবে তাদের এই অপকর্ম আপনার মতো আমাদের আনন্দ নয় বরং কষ্ট দেয়।

    জবাব
  13. শাহজাহান সানু

    জামায়াত নেতাদের যুদ্ধাপরাধের সাক্ষ্য দিতে গিয়ে ডিফেন্স আইনজীবীদের জেরার মুখে আপনাকে যে অসহায় অবস্থায় দেখলাম তাতে মনে হয় আপনাদের কথায় জামায়াতকে নিষিদ্ধ করা হবে না।

    জবাব
  14. মামুন আহমেদ

    শ্রদ্ধেয় মুনতাসির মামুন একজন নামিদামি ব্যক্তি। উনার প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই কিছু কথা বলছি-

    ১) মাদ্রাসা শিক্ষা কেন বন্ধ হবে সেটা ঠিক বুঝতে পারলাম না। মাদ্রাসা একটা শিক্ষাব্যবস্থা, পৃথিবীর অনেক দেশেই এ ব্যবস্থা আছে। আমেরিকার ক্যাথলিক স্কুলগুলো তো আমাদের দেশের মাদ্রাসার মতোই। আমার জানতে ইচ্ছা করে, ধর্মশিক্ষা কি পাপ?

    ২)”পরে তো জানা গেছে যে, জিয়া আসলে ‘পাকিস্তানপন্থী’ ছিলেন। যে ঘোষণাটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কর্মীরা লিখে দিয়েছিলেন সেটি তিনি পশ্চাদপসারণ করার মুহূর্তে পাঠ করেছিলেন। এভাবে তিনি হয়ে গিয়েছেন ‘মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক!’”

    ইতিহাম বলে, জিয়া কিন্তু যুদ্ধ করেছেন যুদ্ধক্ষত্রেই, ‘জেড ফোর্সের’ দায়িত্ত্বে ছিলেন তিনি। শেখ মুজিবুর রহমান নিজেই জিয়াকে ‘বীর-উত্তম’ উপাধি দিয়েছেন।

    জবাব
  15. কাজী মাহবুব হাসান

    ধর্ম ও ধর্ম-সংক্রান্ত রাজনীতির সরাসরি বিরোধী অবস্থান থেকেই বলছি, বাংলাদেশে পরিবারতান্ত্রিক এবং অনেক রকম রাজনীতিই তো নিষিদ্ধ করা উচিত। আপনারা একটা পুরো প্রজন্ম দেশ নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছেন, নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থানও সুবিধা-নির্ভর। দয়া করে নিজেদের কাছে সৎ হোন, এবং প্রজ্ঞাটা ব্যবহার করে এমন কিছু লিখুন যেখানে কারও তোষণ-নির্ভর অ্যাপোলজিস্টের দায়িত্ব পালন করতে হবে না।

    ধর্মীয় রাজনীতির স্বরূপটা ভালো করে দেখুন, জাতিকে ব্যাখ্যা করে যান। আপনি নিজেও জানেন কোনো কিছু নিষিদ্ধ করলেই শেষ হয়ে যায় না; ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে কত যুদ্ধ হয়েছে সেটা তো আপনি ভালো করেই জানেন, সে যুদ্ধের ভিতটা রচনা করুন।

    জবাব
  16. আবাবিল

    লেখাটি স্ব-বিরোধিতায় পূর্ণ। আসল সমস্যা হচ্ছে, আমরা অনেকেই জন্মান্ধ। দেশের প্রকৃত সমস্যা চিহ্নিত করতে পারছি না। আমরা শুধুই লুটতারাজকে অবারিত করার লক্ষ্যে প্রতিপক্ষ খুঁজছি। কথায় আছে, চোর বাছতে গাঁও উজাড়। এভাবে কোনো সমস্যার সমাধান হবে না।

    এ জন্য সবার আগে আমাদের দেশে দরকার একজন “চেঞ্জমেকার”। সেই সঙ্গে এ দেশের জনগণকে সুশিক্ষিত করে গড়ে তোলা দরকার। তাদের মানবসম্পদে পরিণত করে স্বাধীনতার অর্থকে রূপদান করা দরকার। সে লক্ষ্যে কাজ কোথায়? যারা মুখে ভালো ভালো কথা বলছেন, তারা কারও অপকর্মকে আড়াল করার জন্যই সচেষ্ট।

    জবাব
  17. polash

    আমরা রাজনীতি চাই না, শান্তি চাই। এ দেশে ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা হোক তা চাই। দেশকে যে ভালোবাসে না তাকে শাস্তি পেতে হবে সে যে-ই হোক।

    জবাব
  18. musa

    জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার আগে একবার ভেবে দেখুন তা করলে দেশের কত % মানুষ নিষিদ্ধ হবে।

    জবাব
  19. Shibly

    বাংলাদেশের মানুষ এত বোকা নয়। এ দেশের মানুষ ধর্মান্ধ নয়, আবার নাস্তিকও নয়, ধর্মপ্রাণ।

    জবাব
  20. Fazlul Hoque

    গত চার বছরে এই সরকার বিরোধীদের রাস্তায় নামতে দেয়নি। ক্যাম্পাস, হাসপাতাল, পার্লামেন্ট সব জায়গায় বিরোধীদের কোনঠাসা করেছে। আপনি কি হলমার্ক, সোনালী ব্যাংক, পদ্মা সেতু, স্টক মার্কেটের কেলেঙ্কারি নিয়ে কখনও কথা বলেছেন?
    আপনি জ্ঞানী মানুষ। আপনাকে শ্রদ্ধা করি। দয়া করে সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিয়ে কথা বলুন।

    জবাব
  21. Bitter Truth

    জামাতের সন্ত্রাস যদি আমরা এ মুহুর্তে বন্ধ করতে ব্যর্থ হই, তবে ভবিষ্যতে আমাদের জনগণকে অনেক মূল্য দিতে হবে। আমাদের সার্বভৌমত্ব, সংস্কৃতি, প্রথা, ইতিহাস সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাবে…

    জবাব
  22. সৈয়দ আলী

    একই কর্ম করে জিয়া কেন ইতিহাসের ভিলেন আর এরশাদ কেন জোটের সঙ্গী, এ প্রশ্নেরও জবাব চাই যে!!

    জবাব
  23. সৈয়দ আলী

    আরেকবার ঝালমুড়ি খেয়ে, ফটোঅপ করে তারপরে জামাতকে নিষিদ্ধ করা হোক, প্লিজ। শিগগিরই ইলেকশন হবে তো, তাই ৪% ভোট আর চাচার দোয়ার জরুরি প্রয়োজন!

    জবাব
  24. সোনামনি

    একাত্তর-পরবর্তী মুক্তিযোদ্ধারাই মূলত জামায়াত-শিবির বা বিএনপিকে নিয়ে এ রকম মন্তব্য করে খাকেন। তারা বরাবর ৭১-এর যুদ্ধাপরাধের বিচার না চেয়ে নিজেদের রাজনৈতিক ও আদর্শিক প্রতিপক্ষকে যুদ্ধাপরাধী বানিয়ে বিচার করতে চান।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলেরও একই অবস্থা। তারা তাদের ভাষায় ক্ষমতায় গেলে ৭১-এর যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিষয়টি কীভাবে সমাধান করবেন তা কথনও খোলাসা করে বলেন না।

    জবাব
  25. Mahmud Hossain

    মাথাব্যথার জন্য মাথা কেটে ফেলা তো সমাধান নয়। গণতান্ত্রিক উপায়ে এর সমাধান দরকার যাতে এ দেশে পাকিস্তান বা আফগানিস্তানের মতো পারিস্থিতির উদ্ভব না হয়।

    জবাব
  26. solim ullah

    স্যার, আপনি জ্ঞানী মানুষ, ভালো মানুষ। ভালো শিক্ষকও বটেন। তবে আপনার এই মা্দ্রাসা-বিরোধী লেখা পড়ে কোনো মন্তব্য করার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। মাদ্রাসা শিক্ষা না থাকলে মওলানা তৈরি হবে কীভাবে???

    জবাব
  27. mostafa al mamun

    আপনার লেখাটা পড়ে ভালো লাগল। কিন্তু আমি দাখিল পাস করে কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছি। এরপর ইংরেজিতে স্নাতক সম্মান শ্রেণিতে ভর্তি হই। এটা শেষ করে বর্তমানে ব্যাংকে চাকরি করছি। আমার দাখিল পড়ার উদ্দেশ্য ছিল ইসলামের মূল জিনিসগুলো জানা। কিন্তু আপনি যেভাবে মাদ্রাসা ছাত্রদের দোষারোপ করলেন তাতে খুব দুঃখ পেলাম। মাদ্রাসা ও জামায়াত দুটো সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিস।

    আপনার কাছে জানতে চাই, আমি মাদ্রাসায় পড়েছি বলে কি আমার চাকরি পাওয়ার অধিকার নেই? আমি ব্যক্তিগতভাবে বর্তমানে কোনো দলে বিশ্বাসী নই। মাদ্রাসা ছাত্ররা বরং উভয় বিষয়ে ভালো করছে। কারণ তারা স্কুলের ভালো ছাত্রদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে চাকরি বা বিসিএস-এর মতো পরীক্ষাগুলোতে টিকে থাকে।

    অতএব আপনার এ ধারণা পরিবর্তন করে নতুন করে ভাবার জন্য সবিনয় অনুরোধ জানালাম।

    জবাব
  28. হানিফ উদ্দিন

    আপনারা জামায়াতের বিরোধিতা করে জামায়াতের কয়েকশো কোটি টাকার প্রচার ইতোমধ্যে করে দিয়েছেন…..

    জবাব
  29. কাজী মনিরুল ইসলাম

    আপনার লেখাটা পড়লাম। এর কিছু অংশ ভালো লাগল, কিছু অংশ খারাপ লাগছে। প্রথমত, আপনি সরাসরি মাদ্রাসাকে চিহ্নিত করেছেন, কিন্তু আপনি হয়তো জানেন না যে অনেক নামিদামি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সরাসরি জামায়াতের সঙ্গে জড়িত। দ্বিতীয়ত, আপনারা হলেন বিজ্ঞ মানুষ, আপনারা যদি ইতিহাস বিকৃত করে কথা বলেন, তাহলে আমাদের নেতারা যা বলেন ভালোই বলেন (কারণ তারা অধিকাংশই অশিক্ষিত)। তৃতীয়ত, জামায়াতকে বাদ দিতে হলে বড়ে দুই দলেরই সদিচ্ছা থাকা দরকার, যেটা কোনো দলেরই নেই। আর শেষ কথা হল, জিয়াউর রহমান সম্পর্কে আপনি যেটা বলেছেন সেটা সত্যি নয়। তরুণ সমাজ সেটা জানে। দয়া করে মানুষকে ভুল তথ্য দিবেন না।

    জবাব
  30. aftab

    মাদ্রাসা কেন বন্ধ করবে না এটার একটা ব্যাখ্যা দিন প্লিজ। কী কারণে আপনি মাদ্রাসার পক্ষে ফারুকুল ইসলাম???

    জবাব
    • হাসান

      যেহেতু এটা মুসলিম দেশ তাই ইসলামকে টিকিয়ে রাখতেই মাদ্রাসার ছাত্রদের সব জায়গায় পদচারণা দরকার….

      জবাব
      • hasnain

        কেন রে ভাই, ইসলাম কি আমাদের দ্বারা টিকছে না? নাকি টিকবে না? নিজের দায়িত্ব পরের উপর চাপাচ্ছেন কেন?

  31. কান্টি টুটুল

    আমরা সবাই জানি কীভাবে জামায়াতকে এ দেশে পুনর্বাসিত করা হয়েছে আর বাকশাল কায়েমের মাধ্যমে কীভাবে গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করা হয়েছে।

    আমরা বিশ্বাস করি কোনো মানুষই ভুলত্রুটির উর্ধ্বে নয়।

    জবাব
  32. রিদওয়ান

    বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা হল গাছে ওঠার মতো। এখন কে পারবে আর কে পারবে না তা আমরা জানি না। অভিন্ন প্রশ্নে যেখানে মাদ্রাসা ও কলেজ থেকে আসা শিক্ষার্থীদের ভর্তিপরীক্ষা নেয়া হয়, সেখানে এককভাবে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের দোষারোপ করা ঠিক নয়।

    যুদ্ধাপরাধ বলেন আর মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বলেন, সে অপরাধের বিচার আমিও চাই। তবে সেটা এক চোখ বন্ধ করে নয়।

    জবাব
  33. najmul

    একাত্তরের কথা জেনেও ওরা এই দলের রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছে। কিন্থু কেন??????
    ভাবার সময় হয়েছে…….

    দেশপ্রেমিকরা যখন টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি নিয়ে ব্যস্ত তখন বিকল্প কী??????

    জবাব
  34. স্বাধীনতা

    মুনতাসির মামুন সাহেব এমন কোনো কারণ দেখাতে পারেননি যে, যে কারণে জামায়াতকে নিষিদ্ধ করতে হবে। জামায়াত শক্তিশালী হচ্ছে, ইসলামী মনোভাবাপন্নরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে, তরুণ-প্রজন্ম জামায়াতের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে- এ সব তো জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার কোনো কারণ হতে পারে না। আর সাম্প্রতিক পুলিশ-জামায়াত সংঘর্ষকেও জামায়াতকে নিষিদ্ধের কারণ বলা যেতে পারে না। কারণ গত চার বছরে এর চেয়েও লক্ষগুণ বেশি সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়েছে ছাত্রলীগ সরাসরি পুলিশের ছত্রচ্ছায়ায়। পুলিশকে ধরে পিটানো, তাদের গাড়ি থেকে আসামী ছিনিয়ে নেয়া, এমনকী থানায়ও হামলা করেছে ছাত্রলীগ এবং তার সব ছবি এখনও ইন্টারনেটে পাওয়া যায়। তাই সন্ত্রাসের কারণ যদি নিষিদ্ধ করতে হয় তাহলে প্রথমেই করতে হবে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগকে। শুধু একবার নয়, গত চার বছরের তারা যে-পরিমাণ সন্ত্রাস করেছে তার কারণে কয়েক হাজারবার নিষিদ্ধ করতে হয় ছাত্রলীগকে।

    সন্ত্রাসের কারণে মুনতাসির মামুন কি ছাত্রলীগকে কখনও নিষিদ্ধ করার দাবি করেছিলেন? কখনও দেখিনি।

    তাহলে বোঝা যাচ্ছে যে, সন্ত্রাস বা অন্যকোনো কিছু জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার কারণ হতে পারে না। জামায়াতকে আদর্শিকভাবে মোকাবিলা করতে না পেরে যুদ্ধাপরাধের বিচার নামের মীমাংসিত বিষয় সামনে আনা হয়েছে। কিন্তু তাতে কি জামায়াত দূর্বল হয়ে যাবে?

    জবাব
    • ashraf

      এ দেশে এখন বিচার নামের প্রহসন চলছে। ক্ষমতা যার, বিচারব্যবস্থাও তার। জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার জন্য স্রেফ একটা নীল-নকশা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে সরকার। তাতে এক ঢিলে দুই পাখি মারা যাবে!

      জবাব
  35. anik

    ‘‘এই জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে সবাই কখনও না-কখনও কাজ করেছে। প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ দু’ভাবেই। বিএনপি, জাতীয় পার্টি তো বটেই- এমনকী আওয়ামী লীগও ওদের ব্যাপারে নমনীয়তা দেখিয়েছে। রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম রেখে দিয়েছে তারা। এভাবে জামায়াতের উপকার হয়েছে। অবাক হয়ে দেখি, এমনকী মিডিয়া পর্যন্ত জামায়াতের পক্ষে কোনো না-কোনোভাবে কাজ করছে।’’

    খুবই আকর্ষণীয় লেগেছে কথাটা।

    জবাব
  36. zahid

    আমার খুব জানতে ইচ্ছে করছে কেন এখনও এ দেশে জামায়াতে ইসলামী দলটির রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হচ্ছে না! বর্তমান সরকার কী করছেনা? সমস্যা কোথায়?

    জবাব
  37. পথিক

    আপনারা জামায়াত-শিবিরের বিরোধিতা করতে পারেন। কিন্তু তাই বলে মাদ্রাসা-শিক্ষার বিরোধিতা করতে পারেন না। কারণ মাদ্রাসা-শিক্ষা যদি না থাকে তাহলে আমাদের জানাযা দেওয়ার মতো লোক খুঁজে পাওয়া যাবে না।

    জবাব
  38. পাশা

    জামায়াতের জন্য আর্টিকেল লিখতে গিয়ে কেন বিএনপির বিরুদ্ধে বিষোদ্বার করতে হল তা বোধগম্য হল না। শুরুটা একেবারে ধান ভানতে শিবের গিতের মতোই শোনাল। যার-যার দলের প্রতি টান থাকবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এ জাতীয় লেখায় যদি দলীয় টান কাজ করে তখন দলীয়করণটা স্পস্ট হয়ে উঠে।

    পরের প্যারায় আপনি লিখেছেন,”এই জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে সবাই কখনও না-কখনও কাজ করেছে। প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ দু’ভাবেই। বিএনপি, জাতীয় পার্টি তো বটেই- এমনকী আওয়ামী লীগও ওদের ব্যাপারে নমনীয়তা দেখিয়েছে। রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম রেখে দিয়েছে তারা। এভাবে জামায়াতের উপকার হয়েছে।””

    এখানে আপনি তথ্যগত ভুল করেছেন। কথাগুলো রাজনৈতিক মারপ্যাঁচের মতো মনে হল। জামায়াতের প্রতি লীগ লমনীয় ছিল রাষ্ট্রধর্ম নিয়ে। ব্যাপারটা এমন নয়। ব্যাপারটা একজোট হয়ে ক্ষমতায় যেতে চেয়েছিল। যে কাজটি পরে বিএনপি করেছে। যদি সে বার লীগ জয়ী হত তাহলে জামায়াতকে নিয়ে লীগই ক্ষমতায় যেত। এ সত্যগুলো আপনারা স্বীকার করেন না। আর এ জন্যই এ দেশে কোনো আন্দোলন বেগবান হয় না। জামায়াত আজ মহীরুহ উঠছে, এর জন্য কোনো দল কোনো অংশেই কম দায়ী নয়। জামায়াত যখন পুরো বুয়েট দখল করে বসে থাকে তখন লীগের ছেলেরা কমার্স পড়তে যায়। এটা জামায়াতের দোষ নয়। এ দোষ লীগের।

    আমাদের সুশীল সমাজ যদি এ সবে সময় ব্যয় না করে সত্যিকারভাবে জামায়াতের বিরুদ্ভে কাজ করতেন তবে দেশ এতদিনে রাজাকারমুক্ত হয়ে যেত।

    জবাব
  39. মো. ফারুকুল ইসলাম

    আপনার লেখাটা আমি পুরোপুরি পড়তে পারিনি। হয়তো ইচ্ছে করেই। আপনি তো সোজাসোজি মাদ্রাসা শিক্ষার বিরুদ্ধে। জামায়াতের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের দায় কেন মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা নেবে?
    মনে রাখবেন, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা এখন আর পিছিয়ে নেই।
    আপনি জামায়াতবিরোধী হতে পারেন কিন্তু মাদ্রাসাবিরোধী হওয়া ঠিক নয়।

    জবাব
      • hasnain

        একপেশে মন্তব্য করা ঠিক নয় । ভালো-মন্দ সব জায়গাতেই আছে। আর সিস্টেমে সমস্যা থাকলে সেটা শিক্ষার্থীদের উপর চাপানো যায় না।

    • atisha

      আপনি আর্টিকেলটি সম্পূর্ণভাবে পড়েননি কারণ আপনার বুদ্ধি মোটা। মাদ্রাসা এবং জামায়াতের রিক্রুটমেন্টের নীতির মধ্যেকার সংযোগটি বুঝতেিআপনি ব্যর্থ হয়েছেন। জামায়াতের ৫০ ভাগ সদস্য মাদ্রাসা থেকে আসে। আমি স্বীকার করি, সব মাদ্রাসা ছাত্রই ফ্যাসিস্ট হয় না্। তবু মা্দ্রাসা থেকে জামায়াতের রিক্রুটমেন্টের হার কিন্তু এখনও উদ্বেগজনক। যদি আমরা একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে জমায়াতকে থামতে না পারি তাহলে এই মা্দ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থাই এর কারণ হবে।

      কাজেই মি. ফকরুল ইসলাম, চোখ খুলে দেখুন…

      জবাব
    • poran

      মো. ফারুকুল ইসলাম @ ভাইজান, জামায়াতের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডটা কোথায়? নিজের চোখে দেখেছেন না দূরবিন দিযে দেখেছেন??? এক গালে থাপ্পর খেলে কি কেউ অন্য গাল পেতে দেয়???

      সরকারের পেটোয়া বাহিনী, চাপাতি লীগ, কুট্টা লীগ এরা যখন কাউকে অন্যায়ভাবে আঘাত করে, তারপরও চুপ করে বসে থাকতে হবে??

      জবাব
      • hasnain

        এক দল আইন হাতে নিলেই অন্য দলের আইন হাতে নেয়ার অধিকার জন্মায় না। যুক্তি ছাড়া যুক্তি দেওয়ার দরকার কী ভাই?

    • saimum

      মাদ্রাসার পরীক্ষাগুলোতে বেশি নম্বর দেওয়া হয় এটা আপনি কোথায় পেলেন কে জানে! আর মাদ্রাসার ছেলেরা গণহারে জামায়াত করে এটাও ভুল। তারেক মাসুদ, শওকত ওসমান থেকে শুরু করে অনেকেই মাদ্রাসায় পড়ে আধুনিক মনের মানুষ হয়েছেন। আবার আপনি জামায়াত-শিবিরের নেতাদের দিকে তাকান। এদের ক’জন মাদ্রাসায় পড়েছেন? গোলাম আজম থেকে শুরু করে অধুনা শিবিরের কমিটির দিকে তাকান- কত পারসেন্ট মাদ্রসার?

      বরং বলা যায় জামায়াত-শিবির মাদ্রাসার ছেলেদের ভয় পায়। কারণ তাদের সামনে ৫ পাতার কর্মী-সিলেবাসের ইসলামী বিদ্যা নিয়ে ভুল-ভাল কথা বলে পার পাওয়া যায় না। বাংলা ভাই কি মাদ্রাসায় পড়েছিল? কিছুদিন আগে আমেরিকাতে ধরা পড়া বাংলাদেশি তরুণ নাফিজ তো বড়লোক আর আধুনিক এক পরিবারের ভার্সিটি-পড়ুয়া ছাত্র!

      কারণে-অকারণে মাদ্রাসাকে গালি দিলে আপনি জামাতকেই প্রকারান্তরে সুযোগ করে দিবেন।

      জবাব
      • পারভেজ

        মাদ্রাসার ছাত্ররা খুবই খারাপ! তা ধর্ষণ-সেঞ্চুরির নায়ক মানিক যেন কোন মাদ্রাসার ছাত্র !!!! হলমার্কের তানভীর, পদ্মার আবুল …… ওরাও তো মাদ্রাসার ছাত্র !!!!!!! তাই না ????

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল অ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—