কবীর চৌধুরী

নতুন শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে

জুন ১৩, ২০১০
ছবি. মুস্তাফিজ মামুন

ছবি. মুস্তাফিজ মামুন

সরকার নতুন শিক্ষানীতি মন্ত্রীসভায় পাস করেছে। কিন্তু কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে? আসল কথাই হলো এখন বাস্তবায়ন করা। বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারকে উদ্যোগী হতে হবে। এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে অর্থায়ন। সরকারকে এ ব্যাপারে উদারভাবে এগিয়ে আসতে হবে। কোনো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দাবি করেছে যাতে বাজেটের পঁচিশভাগ শিক্ষাখাতে দেওয়া হয়। না হলে অন্তত ২০ ভাগও যদি এ খাতে দেয়া হয় তা হলেও অন্তত একটা বড় কাজ হবে। এটা একটা দিক।

অন্যদিকে, মাদ্রাসার কথা মনে রেখে বলা হচ্ছে একমুখী শিক্ষা হতে হবে অর্থাৎ বাংলা মাধ্যম হতে হবে। ক্লাশ এইট পর্যন্ত হতে হবে। আরেকটা জিনিস সরকার খুব পরিষ্কার করে বলছেন না, সেটা বলা দরকার। সেটা হচ্ছে ইংরেজী মাধ্যম স্কুলগুলো সম্পর্কে। আমার মতে, ইংরেজী স্কুলগুলো ইংরেজী মাধ্যম হিসেবে নয়, বাংলা মাধ্যম হিসেবেই থাকতে হবে। তবে ইংরেজী তারা বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পড়াতে পারে–এতে কোনো বাধা থাকা উচিৎ নয়।

আরও কতগুলো জিনিসের ওপর জোর দেয়া হয়েছে এই শিক্ষানীতিতে, যেমন বাংলাদেশ স্টাডিজ, মুক্তিযুদ্ধের বিষয়গুলো থাকতে হবে। নৈতিক শিক্ষা থাকতে হবে। ধর্ম শিক্ষাগত ব্যাপারে প্রচুর হৈ চৈ হয়েছিলো। সরকার একটা বিষয়ে একমত হয়েছে যে স্কুলে প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ধর্মশিক্ষা দেওয়া হবে না। তবে নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে ধর্মীয় বিষয় যতটুকু সম্ভব আসবে। নামাজ রোজা পূজা অর্চনা এগুলো স্কুলে শেখানোর দরকার নেই। মাদ্রাসায় এগুলো শেখানো যেতে পারে, তবে মূল জিনিসগুলো শেখানোর পরে। মূল জিনিস হিসেবে জোর দেওয়া হচ্ছে বাংলা, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, অসাম্প্রদায়িক চিন্তা। এর পরে তারা যদি কোরান হাদিস পড়াতে চান তাহলে পড়াতে পারেন। এখন এই শিক্ষানীতির ফলে অনেকেই বলতে পারেন, আমাদের দেশে এমনিতেই প্রাথমিক স্কুলে পঞ্চম শ্রেণীতে ওঠার আগেই অনেক শিশু শিক্ষার প্রবাহ থেকে ঝরে পড়ে।


শিক্ষা-আইনটা হলে যেটা সুবিধা তা হলো যদি কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নীতিমালার বাইরে ইংরেজি মাধ্যম বা মাদ্রাসায় আরবী উর্দু ভাষার নীতিমালা বহির্ভূত কোনো কার্যক্রম চালাতে থাকে সে ক্ষেত্রে তাদেরকে আইনের আওতায় শাস্তি দেওয়া সম্ভব হবে।

এখন অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত প্রলম্বিত করার ফলে ঝরে পড়ার সংখ্যা আরও বাড়বে কিনা, এক্ষেত্রে সরকারের হয়তো কিছু করণীয় আছে। তবে তার চেয়ে বেশি করণীয় হচ্ছে সমাজের। বেসরকারী সংস্থাগুলো এক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে পারে। বৃটিশ আমলে তো প্রাথমিক শিক্ষার কাজটা সমাজকর্মীরা করতো। গ্রামের লোকরা বা সমাজপতিরা করতো। আমাদের সময়ে এই প্রবণতা অনেকটা কমে গেছে। আরেকটি কথা, অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত যেহেতু অবৈতনিক হবে, ফলে ভর্তি ফি, মাসিক বেতন এসব আর অভিভাবকদের বহন করতে হবে না।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে বাস্তবায়নের আইন। এটার উপর আমি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে চাই। শিক্ষা-আইন হওয়া দরকার। সব দেশে এটা নেই। তবে কোনো কোনো দেশে এটা আছে। শিক্ষা-আইনটা হলে যেটা সুবিধা তা হলো যদি কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নীতিমালার বাইরে ইংরেজী মাধ্যম বা মাদ্রাসায় আরবী উর্দু ভাষার নীতিমালা বহির্ভূত কোনো কার্যক্রম চালাতে থাকে সে ক্ষেত্রে তাদেরকে আইনের আওতায় শাস্তি দেওয়া সম্ভব হবে। এই নতুন শিক্ষানীতি বাস্তবায়িত হলে একটা বড় কাজ হবে।

এর আগে বহুবার শিক্ষানীতি হয়েছে, অষ্টম বা দশম শ্রেণী পর্যন্ত হয়েছে। তাতে আসলে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। দিক-নির্দেশনার দিক থেকে কুদরত-এ খুদার শিক্ষানীতি খুব ভালো ছিলো। আনন্দের ব্যাপার এই যে ওই শিক্ষানীতিতে আমিও একজন সদস্য সচিব ছিলাম এক বছরের জন্য। এই  শিক্ষানীতি প্রণয়নে অনেকেই এগিয়ে এসেছেন। যেমন অর্থায়নের কথা বলছিলাম। এবারের শিক্ষানীতিতে কো-চেয়ারম্যান ছিলেন ড. খলীকুজ্জামান। তিনি যেহেতু অর্থনীতিবিদ ফলে তিনি অর্থায়নের ব্যাপারটা গুরুত্বের সাথে দেখবেন।

Tags:

WARNING: Any unauthorised use or reproduction of bdnews24.com content for commercial purposes is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to legal action.
| | More
 -------------------------------------------------------------------------
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর নিজস্ব। bdnews24.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে bdnews24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)

-------------------------------------------------------------------------

১২ প্রতিক্রিয়া - “ নতুন শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে ”

  1. Minhaz on আগস্ট ২৬, ২০১১ at ১২:৫৮ অপরাহ্ণ

    সম্প্রতি বাংলাদেশের যা হাল এখন আপনার বক্তব্য শুনতে মন চায়। প্লিজ কিছু বলুন।

  2. সুমন on আগস্ট ১৬, ২০১০ at ৫:৪১ পুর্বাহ্ন

    ধর্ম মানে কিচছু না। কারন কোনো ধর্ম মানুষকে কিছু দিতে পারলো না আজ পর্যন্ত। সব গরিবের অপর।

  3. Md. Monirul Hoque on জুন ১৬, ২০১০ at ১২:১৯ অপরাহ্ণ

    ধর্মীয় শিক্ষা এমন একটা শিক্ষা যা পরিবার থেকে শুরু করতে হয়। এটা প্রত্যেক ধর্মের বেলায় প্রযোজ্য। দুঃখজনক হলেও সত্য আজকাল বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার পাতায় কিছু লোক বিবৃতি দিয়ে ধর্ম শিক্ষাকে অনাবশ্যক শিক্ষা হিসেবে চালানোর চেষ্টা করে এবং কেউ ধর্মের কথা বললে তাকে উগ্রবাদী, জঙ্গীবাদী, ধর্ম ব্যবসায়ী ইত্যাদি বলে আখ্যায়িত করে থাকে। আমরা এই সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসতে পারলেই আমাদের শিক্ষা নীতি সফল হবে।

  4. সৈয়দ আলি on জুন ১৬, ২০১০ at ৮:০৩ পুর্বাহ্ন

    Kamal U. Ahmed,মাদ্রাসায় যৌন অপরাধ সম্পর্কে ধারনা আছে? সেখানে তো প্রথম থেকেই ধর্ম ছাড়া আর কিছুই শেখানো হয়না, তাহলে?

  5. শাহজামাল on জুন ১৫, ২০১০ at ১:২০ অপরাহ্ণ

    শিক্ষানীতি বাস্তবায়নই বড় কথা, কিন্তু বাস্তবায়ন কীভাবে হবে? যারা নীতি প্রণয়ন করেছেন, বাস্তবায়ন কৌশল ঠিক করার জন্য তারাই যোগ্য ব্যক্তি। সবাই অর্থায়ন বাড়ানোর কথা বলে (সম্ভবত দরিদ্র দেশে এর চেয়ে সহজ কোন সমাধান কারো চোখে পড়ে না) কিন্তু কোন খাতে বাড়াতে হবে, কতটুকু বাড়াতে হবে, কেন বাড়াতে হবে, বাড়ালে লাভ কী হবে, বর্তমান অর্থায়নের ঘাটতিগুলো কী কী এবং তার কারণে কী কী সমস্যা হচ্ছে – এসব বিষয়ে কেউ কি বলতে পারবেন? এ বিষয়ে বলার জন্য গবেষণার প্রয়োজন। আমি সন্দিহান বাস্তবায়ন কৌশল ঠিক করার জন্য কোন গবেষণা করা হয়েছে কি না বা আদৌ করা হবে কি না। আমাদের সিদ্ধান্তুগুলো নেওয়া হয় সাধারণত ধারণা থেকে। যার হাতে ক্ষমতা তার ধারণা প্রাধান্য পায়। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তিকৃত শিশুদের দুই-তৃতীয়াংশই ৫ বছরের প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার আগেই ঝড়ে পড়ে। প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার পরও এক-তৃতীয়াংশ শিক্ষার্থী সাক্ষরতা দক্ষতা অর্জন করতে পারে না, সেই বাস্তবতায় আমাদের উচিত ছিল শিক্ষার্থীদের ঝড়ে পড়া রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া। মূল সমস্যা হল, যারা প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করছে আর যারা করছে না, তাদের মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য কি তৈরি হচ্ছে? শিক্ষাকে সবার জন্য লাভজনক করে তুলতে হবে। শিক্ষার জন্য আমাদের যে বিনিয়োগ তা থেকে কীভাবে রিটার্ন পাচ্ছি তা পরিষ্কার হতে হবে। অর্থাৎ স্কুল এমনভাবে শিক্ষার্থীদেরকে গড়ে তুলবে যাতে সবাই স্কুলে যেতে আগ্রহী হয়, মনে করে যে স্কুলে না গেলে ক্ষতি হয়ে যাবে। মানুষকে আগ্রহী করতে না পারলে জোর করে স্কুলে আনলেও কোন লাভ হবে না তা ইতোমধ্যে ব্যাপকভাবে ঝড়ে পড়ার হারের মাধ্যমে প্রমাণিত হযেছে। এসব বাস্তবতা পাশ কাটিয়ে হঠৎ প্রাথমিক শিক্ষা ৮ বছর মেয়াদী করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানের ৫ বছর মেয়াদী প্রাথমিক শিক্ক্ষায় কী সমস্যা হচ্ছিল তার কোন গবেষণাভিত্তিক ফলাফল কি কেউ বের করেছেন? যদি না করে থাকে তবে বুঝতে হবে, আলাদা প্রমাণ করার জন্য কিছু বড় বড় প্রস্তাবই করা হয়েছে। সত্যিকারের সমস্যার দিকে নজর তেমন দেওয়া হয় নি।

  6. গৌতম on জুন ১৪, ২০১০ at ১২:২৮ অপরাহ্ণ

    লেখাটা পড়ে একটু হতাশ হলাম। সরকার প্রস্তাবিত শিক্ষানীতি কীভাবে বাস্তবাযন করবে, সে ব্যাপারে কোনো ধরনের আলোচনা বা দিকনির্দেশনা দেখছি না। এ নিয়ে কোনো উন্মুক্ত আলোচনা বা লেখালেখিও নেই। বেশ কিছুদিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে এই শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটির সদস্য ড. ছিদ্দিকুর রহমান শিক্ষানীতির বাস্তবায়ন সম্পর্কে একটা ধারণাপত্র উপস্থাপন করেছিলেন। অন্য কারো কাছ থেকে এ ব্যাপারে কিছু শোনা যায় নি। আপনি যেহেতু এই কমিটির প্রধান- আশা করেছিলাম আপনিই হয়তো এ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানাতে পারবেন। যেহেতু শিক্ষানীতি প্রণয়ন করেছেন, সেহেতু এর বাস্তবায়নের দিকগুলোও আপনারা চিন্তা করেছেন। সেটুকু জানতে আমরা আগ্রহী ।

  7. Kamal U. Ahmed on জুন ১৪, ২০১০ at ১১:৩১ পুর্বাহ্ন

    ধর্মশিক্ষা না থাকার কারণে আমাদের নৈতিক অধঃপতন ১০০% সত্য, কারণ যারা ইভ টিজিং বা অন্যান্য অসামাজিক কাজ করছে, তাদের এই ধর্মশিক্ষা নেই। তাই প্রথম ক্লাস থেকেই ধর্মশিক্ষা থাকা জরুরী।

    • আরিফুর রহমান on জুন ১৪, ২০১০ at ৯:১০ অপরাহ্ণ

      নৈতিক অধঃপতনের সাথে ধর্মের কোনো সংযোগই নেই। এই মিথ্যেটা প্রচার করা হয়, ধর্মব্যবসায়ীদের দ্বারা, এক ধরনের বিজ্ঞাপন হিসেবে। ধর্মের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকা পরগাছাদের মুখ থেকেই এ কথাটা শোনা যায়। আর আমরা বিনা চিন্তায় এর প্রতিধ্বনি করি মাত্র। মূলত, মানুষের নৈতিকতা আসে তার শিক্ষা, পরিবার ও সমাজ থেকে।

      আলোচ্য প্রবন্ধে শিক্ষা ব্যবস্থায় যে নৈতিক শিক্ষার কথা বলা হয়েছে, তা যদি ঠিকমতো প্রয়োগ করা যায়, আগামী প্রজন্ম অবশ্যই সঠিক ভাবে বেড়ে উঠবে।

      • সৈয়দ আলি on জুন ১৮, ২০১০ at ৫:২১ অপরাহ্ণ

        অতি সত্য কথা আরিফ। বাংলাদেশে এখন সমস্যা হচ্ছে, লোকজন ডিগ্রী নিচ্ছে কিন্তু শিক্ষিত বা আধুনিক হচ্ছে না। একেকজনের কথায় মধ্যযুগীয় দুর্গন্ধ ভক ভক করে বেরোয়। পৃথিবীর সব ধর্মশিক্ষালয়ে ভয়াবহ অনৈতিকতা মৌরসী পাট্টা গেড়ে বসে আছে। অন্য ধর্মের গুরুরা আধুনিক ও নাগরিক শিক্ষায় আলোকিত বলে (আপনার কথা ধার করে বলি, সমাজ থেকে পাওয়া) তারা ধর্মকে রাষ্ট্র থেকে পৃথক করেছে এবং দৈনন্দিন জীবনে ধর্মকে একটি নিছক কর্মকান্ড হিসাবেই দেখছে। আর বাংলাদেশে সমাজ ও রাষ্ট্র চালায় আকাট মুর্খ, অনাধুনিক, অনৈতিক কাঠমোল্লা অথবা তাদের ভয়ে ভীত সামাজিক নেতারা। এই শিক্ষানীতির কথাই ধরুন। কবীর চৌধুরীর মতো বিশাল সেক্যুলার বুদ্ধিজীবি, নাহিদের মতো কমিউনিস্ট, জাফর ইকবালের মতো বিজ্ঞানী থাকার পরেও তাঁদের শিক্ষানীতিতে ধর্মনিরপেক্ষ শব্দটি উল্লেখ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাহলে, আর কী বাকি থাকে?

      • খান on আগস্ট ২, ২০১০ at ৭:২৭ অপরাহ্ণ

        আমি আপনার সাথে সম্পুর্ণ দ্বিমত পোষণ করছি মি: আরিফুর রহমান। নৈতিক অধঃপতনের সাথে ধর্মের কোনো সংযোগই নেই বলে যে মত আপনি দিয়েছেন তা পাশ্চ্াত্যেও বড় বেমানান। প্রতিটি ধর্মই মানুষকে বিভিন্নভাবে নৈতিকতার শিক্ষা দেয়। ইসলাম ধর্মে এ ব্যাপারে বিশেষভাবে এবং বিশদভাবে আলোকপাত করা আছে। এটা অস্বীকার করা চরম অন্যায়। ধর্ম নাম শুনলেই যেন আমরা অনেকে ব্যাতিব্যাস্ত হয়ে পরি এটাকে সমাজ বা রাষ্ট্র ব্যাবস্থা হতে বিচ্ছেদ করতে। কেন ? যুগে যুগে মানুষকে এই ধর্মই আলোর পথ দেখিয়েছে।

  8. রাজীব রহমান on জুন ১৪, ২০১০ at ৭:২৮ পুর্বাহ্ন

    অনেকগুলো শিক্ষানীতির কথা শুনেছি… তবে কতগুলো বাস্তবায়ন হয়েছে জানি না… বাস্তবায়ন হোক এবারেরটা তাই চাই…

মন্তব্য করুন

প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

Get Adobe Flash playerPlugin by wpburn.com wordpress themes

ফেসবুক লিংক

ট্যাগ

আর্কাইভ