Feature Img

monaem-f1ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে বিতর্ক আবার নতুন করে জমে উঠেছে। তার পক্ষে-বিপক্ষে নানা ধরনের বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে। তবে এক-এগারোর অনুঘটক এবং বেনিফিশিয়ারি হিসেবে যারা পরিচিত পেয়েছেন তারা যেমন ড. কামাল হোসেন, মির্জা আজিজুল হক, হোসেন জিল্লুর রহমান অথবা আমলা হিসেবে বিভিন্ন সরকারের আমলে সুবিধাভোগী এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টার তকমাআঁটা ড. আকবর আলী খান, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ যেভাবে ড. ইউনূসের পক্ষে নেমেছেন তাতে যে-কারোই মনে হতে পারে ‘ডাল মে কুছ কালা হায়।’ তাছাড়া দেশের একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি দৈনিক ড. ইউনূসের মুখপত্র হিসেবে কাজ করছে বললে বাড়িয়ে বলা হয় না। এই দুটি পত্রিকার ভূমিকা দেখে যে কারো এটা মনে হওয়াই স্বাভাবিক যে, ড. ইউনূস নিজে তার পক্ষে যতটা না সাফাই গাইতে পারেন, এই দুই পত্রিকা তার চেয়েও একডিগ্রি এগিয়ে থাকতে পছন্দ করে। এমন দৃষ্টিকটূ পক্ষপাতমূলক প্রচারণা চালিয়ে এই পত্রিকা দুটি কি ড. ইউনূসের মর্যাদা উঁচু করছে না-কি তার সম্পর্কে মানুষের মনে সন্দেহ-অবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলছে, সে প্রশ্ন করাই যেতে পারে।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বড় কীর্তি গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা। গরিব মানুষেরও ঋণ পাওয়ার অধিকার আছে– এই ধারণাকে বাস্তবে রূপায়িত করার জন্য তিনি গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন। বলা হয়ে থাকে, ড. ইউনূস উদ্ভাবনী উপায়ে ভূমিহীন দরিদ্র নারীদের ক্ষমতায়ন করেছেন। গ্রামীণ ব্যাংকের মডেল পৃথিবীর অনেক দেশই অনুসরণ করছে। এই ব্যাংক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি অনেক সম্মান ও মর্যাদা অর্জন করেছেন। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান থেকে শুরু করে রাজা-রাণীদের সঙ্গেও তিনি পরিচিতি ও ঘনিষ্ঠতা অর্জন করেছেন। ড. ইউনূস এবং তার গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন। নিঃসন্দেহে এটা বাংলাদেশের জন্য এক ‘বড়’ সম্মান। অর্থনীতিতে না দিয়ে তাকে কেন শান্তিতে নোবেল দেওয়া হলো– এই প্রশ্ন তখন স্বভাবতই উঠেছিল। শান্তিতে নোবেল সব সময় কৃতিমানদের দেওয়া হয়েছে, তা নয়। মনে করা হয় পুঁজিবাদী দুনিয়ার স্বার্থরক্ষাকারী কাউকে কাউকে বিশেষ ‘ইনাম’ হিসেবে শান্তিতে নোবেল দেওয়া হয়। বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত ও খ্যাতনামা শান্তিবাদী রাজনীতিবিদ মহাত্মা গান্ধীকে শান্তিতে নোবেল দেওয়া হয়নি। দেওয়া হয়েছে সমরবাদী মার্কিন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিনজারকে, দেওয়া হয়েছে ইজরাইলের বিতর্কিত প্রধানমন্ত্রীকে। ড. ইউনূস এবং গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে কোনো বিশেষ বিবেচনায় নোবেল পেয়েছেন কি-না সে প্রশ্ন না তুলেও বলা যায়, নোবেল পাওয়ার পর তার আচার-আচরণ অন্য নোবেল বিজয়ীদের মতো দেখা যাচ্ছে না। এই বড় পুরস্কার তাকে বিনয়ী না করে অহঙ্কারী করে তুলেছে বলেই অনেকের কাছে মনে হচ্ছে।

নোবেল প্রাইজ পাওয়ার পর ড. ইউনূস তার সম্মান ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন হতে পারে এমন কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত হবেন না– এটাই ছিল স্বাভাবিক এবং প্রত্যাশিত। কিন্তু তিনি কী করলেন? নোবেল পাওয়ার আনন্দে আত্মহারা হয়ে তিনি ভাবলেন, এখন দেশের রাষ্ট্রক্ষমতাটাও তার চাই। এমন স্বপ্ন যে-কোনো নাগরিকেরই থাকতে পারে। ড. ইউনূস যেহেতু দেশে-বিদেশে যথেষ্ট পরিচিত, সেহেতু রাষ্ট্রক্ষমতায় বসার ইচ্ছা তার জাগতেই পারে। কিন্তু ক্ষমতায় যেতে হলে স্বাভাবিক যে রাজনৈতিক প্রক্রিয়া সেটা অনুসরণ না করে তিনি শর্টকার্ট পথে হাঁটতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলেন।

বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত এক-এগারোর সময় যখন রাজনীতি থেকে শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে (প্রকৃত পক্ষে শেখ হাসিনাকে) মাইনাস করার চক্রান্ত হয়, তখন চরম সুবিধাবাদী ও সুযোগসন্ধানী নীতি অনুসরণ করে সামরিক কর্তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় রাজনৈতিক দল গঠনের উদ্যোগ নেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সামরিক কর্তাদের ক্রীড়নক হয়ে একজন নোবেল বিজয়ী রাজনৈতিক দল গঠন করতে নামবেন– এটা কি দেশের মানুষকে খুব উৎসাহিত করার মতো ঘটনা? হাসিনা-খালেদাকে গ্রেফতার করে রাজনীতির মাঠ ফাঁকা করে দিয়ে যারা ড. ইউনূসকে দিয়ে ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চেয়েছিলেন, তারা শেষ পর্যন্ত সফল হননি। রাজনীতিতে স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির কড়া সমালোচক ড. ইউনূস তার ছোট ভাইকে সঙ্গে নিয়ে রাজনৈতিক দল গঠন করতে গিয়ে ডিগবাজি খেয়েছেন গোড়াতেই। রাজনীতিবিদদের সমালোচনা করা যত সহজ, রাজনীতি করা বা রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠা যে ততো সহজ নয়, এটা ড. ইউনূস হাড়ে হাড়ে টের পেয়ে কেটে পড়েছেন। নোবেল জয়ী হওয়ার কারণে দেশের মানুষ তাকে রাজনীতিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্বাগত জানায়নি। এখান থেকে শিক্ষণীয় বিষয় হলো, নোবেল পেলেই সব কিছু পাওয়ার বা হওয়ার ছাড়পত্র পাওয়া যায় না। এই যে রাজনীতিতে নামতে গিয়ে ড. ইউনূস পিছু হটলেন, সে জন্য কি কোনোভাবে শেখ হাসিনা দায়ী?

এই প্রশ্নটা এ জন্যই করা হচ্ছে যে, আজকাল তার ভক্ত-সমর্থকরা বলছেন যে, গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতি বর্তমান সরকারের আচরণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এক-এগারোর পর ড. ইউনূস রাজনৈতিক দল গঠন করতে চেয়েছিলেন বলে বর্তমান প্রধনমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার প্রতি অখুশি। যদি তাই হয়, তবে সেটা কি খুব অন্যায্য? এক-এগারোর পর সামরিক কর্তাদের মদদে ড. ইউনূস দল গঠন করতে নামায় শেখ হাসিনার তো তার প্রতি অখুশি হওয়াটাই স্বাভাবিক। শেখ হাসিনা রাজনীতি করেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম করেছেন। দেশে গণতন্ত্রকে বিপন্ন করার কাজে যাদের ভূমিকা বড় সেই সামরিক কর্তাদের আশীর্বাদ নিয়ে ড. ইউনূস রাজনীতিতে নামতে চাইবেন আর শেখ হাসিনা তাকে অভিনন্দন জানিয়ে উদ্বাহু নৃত্য করবে– এটা যারা আশা করেন, তারা আহাম্মক। দুঃখের ব্যাপার, তারা যে আহাম্মক সেটা তারা বোঝেন না বলেই তারা হাসিনার সমালোচনা করে ড. ইউনূসের প্রশংসা করেন।

ড. ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৮৩ সালে একটি সামরিক অধ্যাদেশের মাধ্যমে এই ব্যাংক প্রতিষ্ঠা লাভ করে। শুরুতে গ্রামীণ ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ছিল ৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের ছিল ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং ঋণ গ্রহীতাদের ১ কোটি ২০ লাখ টাকা। ২০১০ সালের হিসাবমতে গ্রামীণ ব্যাংকের সম্পদ ও সম্পত্তির পরিমাণ হচ্ছে ১২ হাজার ৫৩৯ কোটি ৬৯ লাখ ৫৮ হাজার টাকা। এখন এর পরিমাণ হয়তো আরো বেড়েছে। নিশ্চয়ই ড. ইউনূসের শ্রম ও মেধা এই প্রতিষ্ঠানটিকে আজকের অবস্থায় এনে দাঁড় করিয়েছে। দরিদ্র অসহায় নারীদের ভাগ্যোন্নয়ন বা ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকের ২০ তলা একটি আলীশান ভবন হয়েছে রাজধানীর মিরপুরে, এটা কি কম বড় সাফল্য! তবে যাদের বিন্দু বিন্দু সঞ্চয়ের জামানতে গ্রামীণ ব্যাংকের তহবিল ফুলেফেঁপে উঠেছে, তাদের ভাগ্যের সত্যিকার অর্থে কতটা উন্নতি হয়েছে, সেটা নিয়ে বিতর্ক আছে। ক্ষুদ্রঋণ দরিদ্র নারীদের দারিদ্র্যমুক্ত করে ক্ষমতায়িত করছে, না তাদের ঋণজালে বেঁধে শৃঙ্খলিত করছে– সে প্রশ্নের সহজ জবাব নেই। ড. ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে দেশে দেশে এত হৈচৈ, অথচ গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্যরা এই ব্যাংক থেকে ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে কতটা উপকৃত হয়েছেন, তাদের অবস্থা ও অবস্থানের সত্যিকার অর্থে কী পরিবর্তন হয়েছে তার কোনো বিশ্বাসযোগ্য গবেষণা আজ পর্যন্ত হয়েছে কি? ড. ইউনূস উদ্যোগী হয়ে কেন এই কাজটি করেন নি? গ্রামীণ ব্যাংকের যে লাখ লাখ সুবিধাভোগীর কথা বলা হয় তাদের ঋণ সুবিধা নেওয়ার আগে-পরের অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য কি পাওয়া যায়?

ড. ইউনূসের পক্ষ নিয়ে যারা বলছেন এবং লিখছেন তাদের মূল কথা হলো, তার মতো একজন মর্যাদাবান মানুষের পেছনে লেগে সরকার বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করেছে। প্রশ্ন হচ্ছে, সরকার ড. ইউনূসের পেছনে লেগেছে, না ড. ইউনূস সরকারের পেছনে লেগেছেন? ড. ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের বেতনভুক্ত এমডি ছিলেন। তার নিজের কোনো বিনিয়োগ নেই। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তিনি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা এমডির দায়িত্বে ছিলেন। বিধি অনুযায়ী ৬০ বছর বয়সে তার অবসরে যাওয়ার কথা। কিন্তু তিনি তা করেননি। ২০১১ সালে তার অবসরের বয়সসীমা ১১ বছর পেরিয়ে যাওয়ার পর তার ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে থাকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই বছরেরই মার্চে বাংলাদেশ ব্যাংক তাকে এমডি পদ থেকে অব্যাহতি দেয়। তাকে অব্যাহতি দেয়ার ব্যাপারটিকে একটি ইস্যুতে পরিণত করে তিনি দেশে-বিদেশে তার পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে সচেষ্ট হন। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে আদালতে যান। উচ্চ আদালতও তার পক্ষে রায় দেননি। অথচ এ নিয়ে তিনি প্রচারণা অব্যাহত রাখেন। একজন নোবেল বিজয়ীর পক্ষে এটা কতটা সমীচীন হয়েছে সে প্রশ্ন না তুলে যারা সরকারকে দোষারোপ করছেন, তারা একদেশদর্শী, তারা বুঝতে চান না যে দেশে-বিদেশে মর্যাদার অধিকারী হয়েছেন বলেই তার আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া অপ্রয়োজনীয় হয়ে যায়নি। নোবেল বিজয়ীর জন্য কোনো দেশে নিশ্চয়ই বিশেষ কোনো আইন তৈরি করা হয় না।

ড. ইউনূস না থাকলে গ্রামীণ ব্যাংক ধ্বংস হয়ে যাবে বলে যারা চিৎকার করছেন তাদের বালখিল্যপনা দেখে করুণা হয়। ড. ইউনূস কেমন ব্যবস্থাপক যিনি দুই যুগ ধরে একটি প্রতিষ্ঠান চালালেন, অথচ তার কোনো বিকল্প তৈরি করলেন না? কর্তৃত্ব কুক্ষিগত করে রাখা কি সৎগুণের মধ্যে পড়ে? তিনি তো অমরত্ব নিয়ে পৃথিবীতে আসেননি, জীবনের স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী তাকে একদিন পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হবে, সেদিন তাহলে কী হবে? ড. মুহম্মদ ইব্রাহিমের প্রতিষ্ঠিত বারডেম হাসপাতাল কী তার মৃত্যুর পর ভালোভাবে চলছে না? প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই প্রতিষ্ঠান থেকে চিকিৎসাসেবা লাভ করছেন। এই প্রতিষ্ঠানের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে সরকার কি কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে? গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে ড. ইউনূসের এত শঙ্কা কেন? তিনি নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন বলেই তাকে আমৃত্যু গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি পদে রাখতে হবে? ওটা তো একটি চাকরি। চাকরির বয়সমীমা তিনি মানবেন না? এটা হয় কখনো, কোনো দেশে?
পশ্চিমা দুনিয়ায় ড. ইউনূসের এত কদর কেন– এই প্রশ্ন করায় একজন সমাজ সচেতন আমার অনুজপ্রতীম এক বন্ধু কৌতূহলোদ্দীপক এক ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছেন, পশ্চিমা তথা পুঁজিবাদী দুনিয়া ড. ইউনূসের কাছে কৃতজ্ঞ এ কারণে যে তিনি এমন একটি পন্থা উদ্ভাবন করেছেন যার মাধ্যমে হতদরিদ্র মানুষকেও শোষণ করা যাচ্ছে। ক্ষুদ্রঋণ ব্যবস্থা চালু করার মাধ্যমে যাদের কিছুই নেই, যারা একেবারেই সহায় সম্বলহীন, তাদেরও শোষণের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। আগে এটা সম্ভব ছিল না। তাদের রিলিফ দেওয়া ছাড়া তাদের কাছ থেকে পাওয়ার কিছু ছিল না। ইউরোপ-আমেরিকার কোন অর্থনীতিবিদ-গবেষক-পণ্ডিত শোষণের এ ধরনের অভিনব পদ্ধতির কথা ভাবতে পারেননি। ড. ইউনূস গরিবকে তার অবস্থা পরিবর্তনের জন্য সহায়তার নামে অল্প সামান্য টাকা ঋণ দিয়ে তা থেকে মাত্রাতিরিক্ত সুদ নিয়ে অবিরাম শোষণের যে প্রক্রিয়া চালু করেছেন তাতে পুঁজিবাদী ব্যবস্থার রক্ষকরা তাজ্জব বনে গেছেন বলেই ড. ইউনূসকে নিয়ে তাদের এত মাতামাতি। এই ব্যাখ্যাটি কি তাচ্ছিল্য করে উড়িয়ে দেওয়ার মতো?

গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্যদের কাছ থেকে জামানত গ্রহণ, ঋণদান প্রক্রিয়া, সুদের হার ইত্যাদি পর্যালোচনা করলে দেখা যায় এটা এক মারাত্মক দুষ্টচক্র। এর মধ্যে একবার ঢুকলে বের হওয়া কঠিন। গ্রামীণ ব্যাংকের উচ্চ সুদের হার নিয়ে অনেক সমালোচনা আছে। গ্রামীণ ব্যাংকের অভ্যন্তরে অনিয়ম-অব্যবস্থার অভিযোগও নতুন নয়। ড. ইউনূস যদি তার সম্মানের দিকটি নিজে থেকে বিবেচনায় নিয়ে গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার বিষয়টি নিশ্চিত করতেন, তাহলে সেটাই হতো উত্তম। কিন্তু অনিয়ম দূর করার জন্য নিজে তো উদ্যোগ নেনই নি, উল্টো সরকার একটি তদন্ত কমিশন গঠন করায় তিনি তাতে বাগড়া দিচ্ছেন। বিদেশি মুরুব্বিদের শরণাপন্ন হয়ে সরকারের ওপর চাপ দিচ্ছেন অনিয়ম-অব্যবস্থা নিয়ে তদন্ত বন্ধ করার জন্য। সরকারি পদক্ষেপের কারণে যদি সত্যি গ্রামীণ ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে এর সুবিধাভোগীরাই তো প্রথম প্রতিবাদ করবে। ড. ইউনূস আগ বাড়িয়ে কেন বাধা দিচ্ছেন?

বলা হয়ে থাকে, ৮৪ লাখ ঋণ গ্রহীতা গ্রামীণ ব্যাংকের শেয়ার হোল্ডার এবং তারাই ব্যাংকটির মালিক। প্রশ্ন হচ্ছে, এই শেয়ারহোল্ডারদের ডিভিডেন্ট বা লভ্যাংশ দেওয়া হয় কি? যতদূর জানা যায়, কাউকেই কোনো লভ্যাংশ দেওয়া হয় না। তারা নামমাত্র মালিক। ব্যাংকের সুযোগ-সুবিধা সবই ড. ইউনূস ভোগ করেন। যুগ্ম সচিবের পদমর্যাদায় এমডি পদে চাকরি করে তিনি কত সম্পদের মালিক হয়েছেন, তার ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে কত টাকা আছে, এই টাকা তিনি কী ভাবে আয় করেছেন, এর জন্য আয়কর দিয়েছেন কি-না সে সব জানার অধিকার যেমন এই ব্যাংকের ঋণ গ্রহীতাদের আছে, তেমনি আছে সরকারেরও। গ্রামীণ ব্যাংকের সুনাম ব্যবহার করে গ্রামীণ নামের যে অসংখ্য (৫৪টি) কোম্পানি গড়ে তুলেছেন সে সবের টাকা কোথা থেকে এসেছে, এগুলোর প্রকৃত মালিক কারা তা জানতে চাওয়া সরকারের অপরাধ হতে পারে না। কোনো কোনো পণ্ডিত-বিশেষজ্ঞ এমন উদ্ভট কথাও বলছেন যে, গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে তদন্তে আপত্তি ছিল না, যদি তা উদ্দেশ্যমূলক না হতো। সরকার অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে এসব করছে। সরকার অনিয়ম-অব্যবস্থা তদন্ত করতে চাইছে ‘অসৎ’ উদ্দেশ্য নিয়ে আর ড. ইউনূস অনিয়ম-অব্যবস্থা করেছেন ‘সৎ’ উদ্দেশ্য নিয়ে? এ-সব যারা বলেন এবং বিশ্বাস করেন, তারা জ্ঞানপাপী, এদের থেকে সাবধান থাকাই ভালো।
১০ আগস্ট ২০১২

মোনায়েম সরকার:প্রাবন্ধিক, গবেষক ও রাজনৈতিক কর্মী।

৮৬ প্রতিক্রিয়া -- “ড. ইউনূস : পথ-প্রদর্শক না শোষক?”

  1. Danial 02, September 2012

    ‌‌বাক-স্বাধীনতার অর্থ এই নয় যে, না জেনে যাকে ইচ্ছা তাকেই অপমান করা। আপনার লেখা পড়ে মনে হয়েছে গ্রামীণ ব্যাংক সম্পর্কে নূন্যতম তথ্যও আপনার জানা নেই। অত্যন্ত পরশ্রীকাতর ও নিম্নমানের চিন্তায় আক্রান্ত আপনি। সে কারণেই এমন একটা বিভ্রান্তিমূলক জঘন্য লেখা লিখতে পেরেছেন। মনে হয় না আপনার মধ্যে কোনও পরিবর্তন আসবে। তবু দোয়া করি আপনার এবং আপনার নেত্রীর মধ্যে যেন শুভবুদ্ধির উদয় হয়।

    জবাব
  2. tapan

    ডঃ ইউনূসের গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে যদি মানুষের এত মঙ্গল হয় তা হলে দেশে এত গরীব মানুষ এখন আছে কেন? সত্যিকার অর্থে ক্ষুদ্রঋণে ভাগ্যের পরিবর্তন হত তা হলে এ দেশের প্রতিটি মানুষের বাড়িতে পাকা ঘর থাকত। রাস্তাঘাটে এত ফকির-মিসকিন থাকত না।

    কাজেই যারা উনার পক্ষে সাফাই গান তারা জ্ঞানপাপী ছাড়া আর কিছু নন!!!

    জবাব
  3. Ratan Roy

    লেখাটি পড়লাম। কয়েকটি ব্যাপারে লেখেকর সঙ্গে একমত হতে পারলেও বেশিভাগ ক্ষেত্রে একমত হতে পারলাম না। রাজনীতি করার অধিকার সবার আছে। দেশের এক সংকটময় সময়ে ডঃ ইউনুস জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে রাজনীতিতে পদার্পণ করতে চেয়েছিলেন। এটি দোষের কিছু নহে। তিনি ব্যর্থ হয়েছিলেন, তা হতেই পারেন। এতে শেখ হাসিনা অখুশি হওয়ার কোনও কারণ আছে বলে মনে করি না। বরং তাঁর খুশি হওয়ার কারণ আছে। নোবেল পেয়েছিলেন বলে তিনি সব ক্ষেত্রে সফলতার পরিচয় দেবেন এ আশা করা যায় না।
    গ্রামীণ ব্যাংক যাদের জামানত ছাড়া ঋণ দেয় তারা একেবারেই প্রান্তিক জনগোষ্ঠী। অন্য কোনও ব্যংক তাদের কখনও ঋণ দেবে না। আর কেউ যদি ঋণ নিয়ে পরিশোধ না করে থাকেন তাহলে তাকে তো সমস্যার মুখে পড়তেই হবে। কারণ যারা এ ব্যাংক থেকে ঋণ নেন তারা তো এমনিতেই নিঃস্ব। যতদুর জানি তাদের ঋণ দেওয়া হয় নিদিষ্ট কর্মমূখী প্রকল্পে।

    ডঃ ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা এবং গ্রামীণ ব্যংকের প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে এমডি পদে আছেন। সুতরাং তার অবর্তমানে গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে তিনি শঙ্কা প্রকাশ করতেই পারেন। লেখক তাকেঁ একজন বেতনভূক্ত কর্মচারী বলেছেন। তিনি কি শুধুই একজন বেতনভূক্ত কর্মচারী? অথচ লেখক নিজেই বলেছেন- “ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বড় কীর্তি গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা। গরিব মানুষেরও ঋণ পাওয়ার অধিকার আছে– এই ধারণাকে বাস্তবে রূপায়িত করার জন্য তিনি গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন। বলা হয়ে থাকে, ড. ইউনূস উদ্ভাবনী উপায়ে ভূমিহীন দরিদ্র নারীদের ক্ষমতায়ন করেছেন। গ্রামীণ ব্যাংকের মডেল পৃথিবীর অনেক দেশই অনুসরণ করছে।” তাহলে ড. ইউনূসকে একজন বেতনভূক্ত কর্মচারী বলা কতটুকু যুক্তিসঙ্গত?

    নোবেল পুরস্কার ড. ইউনূসকে অহঙ্কারী করে তুলতেই পারে। আর ড. ইউনূসের নোবেলপ্রাপ্তিতে এ দেশের সাধারণ লোক হিসেবে আমারাও যথেষ্ট অহংকার বোধ করছি। এতে লেখকের আহাজারির কিছু নেই। আর তাঁর নোবেল পুরস্কার শান্তিতে প্রাপ্তিই যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত। যেখানে দারিদ্রের কষাঘাতে নূন আনতে পানতা ফুরায়, সেখানে শান্তি কীভাবে আসে বোধগম্য নহে। ক্ষুদ্রঋণ দিয়ে ড. ইউনূস দরিদ্র জনগণের মাঝে শান্তি আনার জন্য একটু হলেও চেষ্টা করেছেন। লেখক কীভাবে বুঝবেন যে, পাঁচ/দশ হাজার টাকা কৃষিঋণ পাওয়ার জন্য ঘুষ দেওয়ার পরও কৃষককে কীভাবে হেনস্থা হতে হয়!

    জবাব
  4. MANJU

    উনার নাম ও শিরোনাম দেখে বুঝেছি উনি সরকারের লোক। উনি শুধু ড. ইউনূসের সমালোচনা করেননি, আকবর আলী খানসহ আরও অনেকের সমালোচনা করেছেন। যাদের সমালোচনা তিনি করেছেন তাদের নখের সমান যোগ্যতা কি তার আছে?

    সরকারের মনে রাখা উচিত, একসময় এই সব মোসোহেবী ভালো লাগলেও এরা দুঃসময়ের বন্ধু নয়, সুসময়ের মধুখেকো!!!!

    জবাব
  5. Mizan Khan

    কেউ কেউ বলছেন ড. ইউনূস অনেক উচ্চতায় উঠে গেছেন। ইবলিস শয়তানও অনেক উচ্চতায় ছিল। ফেরাউন-নমরুদও তো অনেক উচ্চতায় উঠেছিল…

    জবাব
  6. Mizan Khan

    সকল পাঠক এবং মন্তব্যকারীদের ধন্যবাদ, এটলিস্ট লেখাটা পড়ার জন্য। মন্তব্যগুলো দেখে আফসোস হল, বাঙালি এখনও হুজুগে বাঙালিই রয়ে গেল। এক লোক একটা নোবেল পেল আর জাতির মাথা কিনে ফেলল! কিছু লোক আবার না বুঝে তালি বাজাতে লাগল।

    ড. ইউনূস গরীব মানুষের কী চরম সর্বনাশ করে গেছেন, যে প্রক্রিয়া এখনও চালু আছে – সেটি এই ওয়েবসাইটে বসে অনুধাবন করা সম্ভব নয়। সুতরাং একটা সুদখোরকে সমর্থন করা আর জাতির সঙ্গে বেইমানি করা সমান কথা। আমি উপরের সকল মন্তব্যকারীকে গ্রামে যেতে অনুরোধ করছি, গ্রামীণ ব্যাংকের সুদে-জর্জরিত ভিটে-মাটি ছেড়ে পালিয়ে বাঁচা শত শত পরিবারের আহাজারি শোনাব।

    লাখো পরিবারে অশান্তির আগুন জ্বালিয়ে তিনি পান শান্তির জন্য পুরস্কার!

    আর সেটিকেই বাহবা দিই আমরা না বুঝে!!!

    জবাব
  7. sanju

    যারা গ্রামীণ এবং ব্রাক ব্যাংকের কাজের সঙ্গে জড়িত নন. শুধু দূর থেকে এদের কাজ দেখে বাহবা দেন, তাদের কাছে লেখাটি পক্ষপাতদুষ্ট মনে হতে পারে কিন্তু এটাই সত্য।

    জবাব
  8. Sharif

    জনাব মোনায়েম সরকারের লেখাটা পড়া যে সময়ের অপচয় ছাড়া আর কিছু হবে না সেটা শুরুতেই বুঝেছিলাম, তবু পড়লাম। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সবারই আছে, তবে একেবারেই বস্তাপচা আবর্জনা ছোঁড়াছুড়ির স্বাধীনতা থাকা ঠিক কি না তা আপনারা ভেবে দেখবেন। এ ধরনের একজন দলীয় লোকের লেখা ছাপানো পাঠকের সময়ের অপচয় করা ছাড়া আর কিছু না।

    জনাব মোনায়েম সরকার (নামটাও লাগসই), আপনার কাছে আরেকটা লেখা চাই। সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা হোটেল শাখা থেকে হাজার কোটি টাকা লোপাটের ওপর, শে য়ার বাজারে লাষ লাখ মানুষকে পথে বসানোর ওপর। ও হ্যাঁ, গ্রামীণ ব্যাংক তো এখন ‘সুদখোর’ ইউনূসের বদলে সুদবিরোধী সরকারের হাতে। তাহলে কি এখন আপনার গ্রামীণ ব্যাংক থেকে সুদবিহীন ঋণ দেবেন মানুষকে? সরকারের অধীন সমস্ত ব্যাংকও কি এখন থেকে ঋণের জন্য এক পয়সাও সুদ নেবে না?

    প্লিজ জানাবেন।

    জবাব
    • monir

      এক্সিলেন্ট শাওন। আমিও একই কথা ভাবছিলাম। মি. মোনায়েমের কাছ থেকে সোনালী ব্যাংক, স্টক মার্কেট, পদ্মা সেতু, আবুল হোসেন, সুরঞ্জিত বাবু ও তার ছেলে, লাভালিন ইত্যাদি ইস্যু নিয়ে সুন্দর সুন্দর আর্টিকেল পাব।

      প্লিজ, মোনায়েম সাহেব, এই সব বিষয়্রে দয়া করে একটু আলো ফেলুন!!!

      জবাব
  9. Mizan

    আপনার কলাম পড়ে আর সময় নষ্ট না করাই ভালো, শুরুর তিন বাক্যেই দেশের সম্মানিত মানুষদের প্রতি আপনার উগ্র অসম্মানজনক বিশেষণগুলো পড়ে ফেললাম যে….

    জবাব
  10. bimurto

    এই লেখক আওয়ামী ঘরানার কর্মী। তাঁর কাছ থেকে এ রকম পক্ষপাতদুষ্ট লেখাই আসবে। তাঁর যুক্তিগুলো নিতান্তই নিম্নশ্রেণীর এবং তার লেখাটি মোটামুটি পাঠ-অযোগ্য।

    জবাব
  11. মামুন

    সমাজ্রবাদ ও ঔপনোবেশিক প্রভাব থেকে আমরা এখনও মুক্ত হতে পারিনি যদিও আমরা স্বাধীন। যে সব সাম্রাজ্যবাদী দেশের নীতিনির্ধারকরা বিশ্বে নিজেদের সাম্রাজ্যবাদ বিস্তারের লক্ষ্যে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আগ্রাসী অভিযান চালাচ্ছে কীভাবে আমার দেশের কিছু বিবেকবান মানুষ সেই সব লোকের পক্ষে কথা বলেন?

    শান্তিতে নোবেল সবসময় কৃতিমানদের দেওয়া হয়েছে, তা নয়। মনে করা হয় পুঁজিবাদী দুনিয়ার স্বার্থরক্ষাকারী কাউকে কাউকে বিশেষ ‘ইনাম’ হিসেবে শান্তিতে নোবেল দেওয়া হয়। বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত ও খ্যাতনামা শান্তিবাদী রাজনীতিবিদ মহাত্মা গান্ধীকে শান্তিতে নোবেল দেওয়া হয়নি। দেওয়া হয়েছে সমরবাদী মার্কিন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জারকে, দেওয়া হয়েছে ইজরাইলের বিতর্কিত প্রধানমন্ত্রীকে।

    আর বিশেষ কিছু বলার নেই…..

    জবাব
  12. মামুন

    ‘‘ড. ইউনূস না থাকলে গ্রামীণ ব্যাংক ধ্বংস হয়ে যাবে বলে যারা চিৎকার করছেন তাদের বালখিল্যপনা দেখে করুণা হয়। ড. ইউনূস কেমন ব্যবস্থাপক যিনি দুই যুগ ধরে একটি প্রতিষ্ঠান চালালেন, অথচ তার কোনো বিকল্প তৈরি করলেন না? কর্তৃত্ব কুক্ষিগত করে রাখা কি সৎগুণের মধ্যে পড়ে? তিনি তো অমরত্ব নিয়ে পৃথিবীতে আসেননি, জীবনের স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী তাকে একদিন পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হবে, সেদিন তাহলে কী হবে? ড. মুহম্মদ ইব্রাহিমের প্রতিষ্ঠিত বারডেম হাসপাতাল কী তার মৃত্যুর পর ভালোভাবে চলছে না?’’

    খুব সুন্দর ও যুক্তিসঙ্গত মতামত বিশ্লেষণের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার এ লেখনির মাধ্যমে সে সব জ্ঞানপাপীরা মুখে কুলুপ আঁটবে।
    আবারও লেখককে ধন্যবাদ জানাই।

    জবাব
    • জামিল চৌধুরী

      আপনাদেরকে ধন্যবাদ যে এখনও বারডেমের সঙ্গে ড. ইব্রাহীমের সম্পর্ক রেখেছেন, কিন্তু ড. ইউনূসকে তো গ্রামীণ ব্যাংক থেকে একেবারে সরিয়েই দিতে চাইছেন…

      জবাব
  13. ALi

    ইনি আব্দুল গাফফার চৌধুরীর সাগরেদ (“আমরা কি ‘কালেকটিভ ম্যাডনেসে’ আক্রান্ত হয়েছি?” তে উল্লেখ আছে)। তার লেখার মতোই একদম পক্ষপাতদুষ্ট লেখা ..….

    জবাব
  14. Shondani

    এরশাদকে যদি রাজনীতির ফুটবল বলা হয়, তাহলে ইউনূসকে বলা যায় সাম্রাজ্যবাদের ফুটবল। পাঠকের মন্তব্য পড়ে মনে হয়, ইউনূসের আগে ও পরে আমাদের আর পরিচয় দেওয়ার মতো কিছু ছিল না এবং থাকবে না…..

    জবাব
  15. Shaidul

    আপনি কি জানেন দেশের কতজন মানুষের জীবন বা পরিবার আপনাদের মতো রাজনীতিবিদদের সরাসরি বা অপ্রত্যক্ষ কাজের জন্য ধ্বংস হয়ে গেছে?

    জবাব
  16. নাজমুল

    জনাব,

    ড. কামাল হোসেন, মির্জা আজিজুল হক, হোসেন জিল্লুর রহমান যদি ইউনূসের এজেন্ট হন, তাহলে আপনি কার এজেন্ট? জানাবেন….

    জবাব
  17. পারভেজ

    আগে ব্যাংক কেবল বিত্তবানদের টাকা শোষণ করত। ডঃ ইউনূস দেখালেন ভিখারির টাকাটা কীভাবে শোষণ করতে হয়। মৌলিকত্ব বটে!

    নোবেল পুরস্কারটা তাকে আরেকবার দেওয়া দরকার ।

    জবাব
  18. MA Razzaque

    পাকিস্তানের স্বৈরশাসক মোনায়েম খানের মোসাহেব ছিলেন মোনাযেম খান। তার কথা মনে পড়ল এই লেখাটা পড়ে….

    জবাব
  19. Foysol Ahmed

    আতা গাছে তোতা পাখি…
    সত্যি করে বলেন দেখি—

    নোবেল প্রাইজটা কার ছিল দরকার?
    আপনার… আপনার…..

    জবাব
  20. Fahima

    আপনার লেখা পড়ে হতাশ হলাম| ড. ইউনূস পথ-প্রদর্শক না শোষক না বুঝলেও আপনি একজন চাটুকার সেটা স্পষ্ট| প্রথমেই ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর নোবেল শান্তি পুরস্কার পাবার কথা বলে নোবেলের গ্রহণযোগ্যতাকে ছোট করলেন যাতে ড. ইউনূসকে হেয় করতে সুবিধা হয়| বাকি অংশটুকুও খুবই কৌশলে লেখা| রাজনীতি করার অধিকার সবার আছে- দেশটা কারও বাবা বা স্বামীর নয়| শেখ হাসিনা যদি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চান তাহলে নতুন দলকে স্বাগত জানানো উচিত| দেশের প্রেসিডেন্ট বা মিনিস্টার হতে বয়সসীমা নেই কিন্তু আমাদের নোবেলবিজয়ী একজন খ্যাতিমান মানুষকে আমরা টেনেহিঁচড়ে বয়সের দোহাই দিয়ে পদ থেকে সরালাম- কী বিচিত্র আমরা!

    সবশেষে আপনার একটা কথা- “ড. ইউনূস কেমন ব্যবস্থাপক যিনি দুই যুগ ধরে একটি প্রতিষ্ঠান চালালেন, অথচ তার কোনও বিকল্প তৈরি করলেন না? কর্তৃত্ব কুক্ষিগত করে রাখা কি সৎগুণের মধ্যে পড়ে?” এ

    এখানে আমার প্রশ্ন- আমাদের নেত্রীরাও বা কেন ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখেন? কেন দলের ভার অন্য কাউকে দেন না?

    জবাব
  21. Rafique

    এ সব যারা বলেন এবং বিশ্বাস করেন, তারা জ্ঞানপাপী। এদের থেকে সাবধান থাকাই ভালো। আপনার নিজের কথা বলেছেন নিশ্চয়ই ?

    জবাব
  22. sk Ziaur Rahman

    এই লোকটা একটা আজীবনের পরগাছা। ব্যক্তিগত এবং রাজনৈতিক জীবনে। তার নৈতিক চরিত্র নিয়ে সন্দেহ আছে। এই ভূতটা আওয়ামী লীগের ঘাড়ে চেপে বসা দানব।

    উনি কোনওদিন আওয়ামী করেননি। ছিলেন মণি সিংহের সিপিবি’র লোক। প্রথম যুক্ত হন বাকশাল করার সময়। দলের প্রবল আপত্তি সত্ত্বেও তাকে নেয়া হয় কেবল রাশিয়ার চাপে। পরে আর সিপিবি’তে ফেরেননি।

    তার একমাত্র ক্মমতা হচ্ছে তোষামোদি এবং সেটা করেই তিনি টিকে থাকবেন। গত নির্বাচনের সময় তিনি একটা কুকুরের মাথায় টুপি পরিয়ে বিরোধীপক্ষের বিপক্ষে মিছিলের পাঁয়তারা করছিলেন। হাসিনা জানতে পেরে একে দায়িত্ব থেকেই বের করে দেন। সে থেকেই আবার দলে ফিরতে চাচ্ছেন।

    বাংলা একাডেমি থেকে কয়েক লাখ টাকা নিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস লেখার নামে। না হয়েছে লেখা, না পাওয়া গেছে টাকার হিসাব।

    অধ্যাপক আকাশ বা অধ্যাপক আনু মুহাম্মদের কলামে গ্রামীণের সমালোচনা সাজে কিন্তু এই লোকের মুখে মানায় না।

    জবাব
  23. Soyeb Rahman

    লেখকের নাম ‘মোনায়েম সরকার’ না হয়ে ‘সরকারি মোনায়েম’ হওয়া দরকার ছিল।

    প্রথম ক’টি প্যারা পড়েই মনে হল, একটা ইঁদুর একটা হাতির চরিত্র ও সাফল্যের বিশ্লেষণ করছে……. এমন একটা লেখা নিয়ে আর খিছু বর্ণনা দেওয়ার ভাষা নেই আমার।

    জবাব
  24. ফুয়াদ

    জনাব আপনি যা লিখসেন তা দেখে মনে হয় এই প্রথম লেখা লিখতেসেন । যাহোক আর লিখবেন না ।

    জবাব
  25. মামুন

    নিশ্চয় যথেষ্ট জঘন্য লেখা । যেসব গবেষনার কথা বলেছেন, সেগুলো তো নিজেও করতে পারেন । লেখার মধ্যে ভূল তথ্যে ভরা । তবে এত কষ্ট করে এতগুলো কথা ( ড.ইউনুস বিরোধি ) লেখার জন্য আপনি সরকারের কাছ থেকে বড় কোন পুরষ্কার আশা করতেই পারেন । তবে আবারও বলছি লেখাটা যথেষ্ট জঘন্য ।

    জবাব
  26. Shah tufayel

    আমার মনে হচ্ছে বিষয়টা নিয়ে আমরা খুব বেশি কথা বলছি। বেশিরভাগ কথাই আবেগে ঠাসা। যুক্তির ধারেকাছেও নেই। এই আলোচনাটা চলতে পারে। তবে যৌক্তিকভাবে। তাহলেই সত্যিটাকে বের করা যাবে।

    জবাব
  27. সুমন,

    জঘন্য লেখা। দয়া করে আপনি আর লিখবেন না। আপনার লেখা পড়ে মনে হল সরকারের কাছের লোক।

    দেশের বহু মানুষ এখনও ড. ইউনূসকে দেশের ক্ষমতায় দেখতে চায়। প্রধানমন্ত্রীর পদটা নিশ্চয়েই খালেদা জিয়া বা শেখ হাসিনার পৈতৃক সম্পত্তি নয়। আমরা ভালো মানুষদেরই ক্ষমতায় দেখতে চাই।

    জবাব
    • rajib

      জামানত হারাবেন জেনেই ড. ইউনূস রাজনীতিতে আসেননি। তিনি অনেক চালাক। হয়তো এ দেশের মানুষ ভালো নয়, তাই তারা হাসিনা-খালেদাকেই ভোট দেয়। ড. ইউনূসের জন্য এ দেশের সাধারণ মানুষ একটা মিছিল পর্যন্ত করল না! যত কষ্ট যুক্তরাষ্ট্র নামক মুরুব্বির।

      মায়ের চেয়ে যখন মাসির দরদ বেশি হয়, তখন বুঝতে হয় ‘ডালমে কুছ কালা হ্যায়।’

      জবাব
  28. jamin

    বেশ খারাপ লাগল লেখাটি পড়ে। মানুষ যে কত বড় চাটুকার হতে পারে এটা পড়ে বোঝা যায়। যত পারো গান গাও, কিন্তু পরাজয় তোমাদের হবেই হবে।

    জবাব
  29. Dr R Khandoker

    মোনায়েম সাহেব, আপনার লেখা পড়ে মনটা খারাপ হয়ে গেল। যে দেশ গুণীজনের সন্মান দিতে জানে না, সে দেশে গুণীজন জন্মায় না। আপনার লেখা পক্ষপাতদুষ্ট। এগিয়ে যান, দেশের বারোটা বাজানোর জন্য আপনার মতো লোকের দরকার আছে।

    জবাব
  30. রব্বানী

    লেখাটার নাম দিয়েছেন একটা প্রশ্ন দিয়ে। যার উত্তর হচ্ছে, ড. ইউনূস একজন পথ-প্রদর্শক। ঠুনকো কিছু যুক্তি বা ভয় দেখিয়ে দিলেই মানুষ বাহবা দিবে সে দিন অনেক আগেই শেষ হয়েছে। ফলে লেখার ভিতর দিয়ে যে উত্তর আপনি আশা করেছেন তা দিতে পারলাম না।

    জবাব
  31. নাজমুল হক

    আপনার লেখাটি পড়ে অনেক কিছু জানলাম নতুন করে। আপনি জনাব ইউনূসকে নিয়ে সমালোচনা করেছেন। কিন্তু বলেননি ইউনূস সাহেব না থাকলে আমরা কীভাবে বহি:বিশ্বে নিজেদের জন্য কতটুকু অর্জন করতে পারব?

    একটা কথা খুব মনে পড়ছে যখন হিলারি ক্লিনটন বাংলাদেশে এলেন, তখন কাছের লোক হিসেবে ডান পাশে রেখেছিলেন ড.ইউনূসকেই। সে সময় আমাদের মাননীয় পররাষ্টমন্ম্রী কোথায় ছিলেন? এটুকুই ‍জিজ্ঞাসা লেখকের কাছে।

    জবাব
  32. labonno

    লেখক কি পাঠকের কমেন্টসগুলো পাঠ করে আরেকটি লেখা ছাপানোর সাহস রাখেন? অবশ্য বাংলাদেশে কারা বেশি সাহসি তা সবাই জানে….

    জবাব
  33. russel

    লেখাটি পড়ে মন্তব্য না করে পারলাম না। আমার মতে ড. ইউনূসেরর সমালোচনা করে লেখা আজ পর্য়ন্ত সবচেয়ে আক্রমণাত্নক ও বায়াসড কলাম। খুবই একপেশে। ধন্যবাদ।

    জবাব
  34. Anisur Rahman

    ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে দুর্নীতির যে অভিযোগ আছে তার তদন্ত অবশ্যই করতে হবে। মোনায়েম সরকারের লেখাটি আরও নানা কারণে চোখ খুলে দিল। এখনও যারা ড. ইউনূস প্রসঙ্গে অন্ধ, তার মীর জাফরগিরি বুঝতে পারছেন না বা মানতে চাচ্ছেন না- তাদের বদরদ্দিন উমর বা আবদুল গাফফার চৌধুরীর লেখা পড়তে বলব।

    জবাব
  35. শফিক

    ড. ইউনূসের মতো বাঙালির গর্ব আর এই বাংলায় জন্ম নেবেন কবে কে জানে। আফসোস, তাকে এভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে। বড় ক্ষতি হয়ে গেল আমাদের….

    জবাব
  36. Shohel

    মোনায়েম সাহেব, আপনার বিচারের স্ট্যান্ডার্ড কী? লজ্জা লাগে যখন দেখি এখানে অনেকেরই নৈতিকতা নেই….

    জবাব
  37. shakhawat hossain

    উনাকে (মি: মোনায়েম) আমি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে এই সরকারের লোক মনে করি………. কারণ হাসিনার সরকার কাউকে সম্মান করে না এবং করতে চায়ও না। …..

    জবাব
  38. সুমন

    পুরাই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের তৈলবাজি। পড়ে সময় নষ্ট করা থেকে বিরত থাকুন ।

    জবাব
  39. Hira

    অন্ধ হলে তো প্রলয় বন্ধ হয় না। সময় এসেছে তার কর্মকান্ড পর্যালোচনা করা। তার সমস্ত কার্যক্রম সন্দেহের উদ্রেক করছে এটা পরিস্কার। আপনার লেখার জন্য ধন্যবাদ।

    জবাব
  40. Riaz

    আমরা লজ্জিত যে. ড. ইউনূস সাহেবের মতো একজনকে এভাবে অপমানিত করছি। কবে আমাদের বিবেক জাগ্রত হবে কে জান!!!

    জবাব
  41. shawfi

    প্রিয় লেখক,

    আমাদের এখনকার সব রাজনৈতিক নেতা জনগণের রক্ত চুষে খাচ্ছেন। তাই আপনাদের মতো রাজনীতিবিদদের দেশের জন্য কোনও প্রয়োজন নেই……….

    জবাব
  42. MD. TAJUL ISLAM

    ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের গর্ব। কারণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে ৫/১০ হাজার টাকা লোন কে দেবে? সরকারি ব্যাংক? হা হা হা …. ৬০/৭০ শতাংশ চলে যাবে স্যারদের বকশিশ বা খুশি করার জন্য। এই ব্যাংক বন্ধ হলে বর্তমান সরকারের লাভ। কারণ সহজ – লুটপাট। মুখে বলবে আমরা ভালো। জনগণ জানে তারা কত ভালো। তারেক জিয়ার মতো ভালো। নির্বাচনের আগে বড় বড় ভাষণ দেওয়া হয়েছিল, ‘‘ভাইও অর বেহনো, হাম এ কারেংগা ও কারেংগা।’’ বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন সত্যি কিন্তু সে স্বপ্ন আর বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। তাকে কিছু বিপথগামী সেনাসদস্যদের হাতে সপরিবারে জীবন দিতে হয়েছিল। আাবার শেখ হাসিনার চামচারা তাঁকে দিয়ে এ কী করাচ্ছেন? সামনে নির্বাচন। গ্রামীণ ব্যাংকের ৮০ লাখ (ভোটার ১.৫ কোটি) এবং ডেসটিনি গ্রুপের ৪৫ লাখ (ভোটার ২ কোটি) মোট ৩.৫ কোটি ভোটারই যথেষ্ট। এরা ভোট দিয়ে নৌকা ডুবিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

    শেষে দেখবেন খাল কেটে কুমির আনার মতো অবস্থা হবে।

    জবাব
    • alomgir

      ড. ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের লোক। এ দেশের কিছু লোক আবার তাকে বাঁচাতে তৎপর। সত্যিকারের সুদখোর ‘শাইলক’ তিনি।

      জবাব
  43. তপন

    জঘন্য লেখা। দয়া করে আপনি আর লিখবেন না। দেশের বহু মানুষ এখনও ড. ইউনূসকে দেশের ক্ষমতায় দেখতে চায়। প্রধানমন্ত্রীর পদটা নিশ্চয়েই খালেদা জিয়া বা শেখ হাসিনার পৈতৃক সম্পত্তি নয়। আমরা ভালো মানুষদেরই ক্ষমতায় দেখতে চাই।

    জবাব
  44. লিয়াকত আলী

    বাংলাদেশের মানুষ ড: ইউনূসের সঙ্গে আছে। আর দুর্নীতির অভিযোগে আপনার দলের প্রতি সমর্থন ত্যাগ করেছে….

    জবাব
  45. Dr Nasrin Rahman

    প্রিয় লেখক,

    আপনার বেশিরভাগ কথাই ভুল। গ্রামীণ ব্যাংক সম্পর্কে লেখার আগে কিছু পড়ে নেয়া উচিত ছিল আপনার।

    জবাব
  46. কথক

    কে বলে মোনায়েম শুধু পাকিস্তানের ছিল? বর্তমানে তো আওয়ামী লীগেরও একজন মোনায়েম আছেন…

    জবাব
  47. মহীন সরকার

    কতভাবে নিজেদের সম্মান নষ্ট করা যায় সেই প্রচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছি আমরা। ইউনূসকে নোবেল দেওয়াটা কী অন্যায়-ই না হয়েছে, তাই না? অমর্ত্য সেনকে নিয়ে এসে ইংরেজি-হিন্দি মেশানো বাংলা শুনে, তৃপ্তির ঢেকুর তুলতেই তো আমরা ভালোবাসি। ইউনূসের অনেক দোষ, কিন্তু যারা এই দোষ নিয়ে প্রবন্ধ রচনার খোরাক যোগাচ্ছেন, তারা কি একেবারেই নিদোর্ষ?

    জবাব
  48. মাজহার অপু

    সমালোচনা লেখার জন্য তৈরি হতে গিয়ে শেষে দেখলাম…..

    মোনায়েম সরকার: প্রাবন্ধিক, গবেষক ও রাজনৈতিক কর্মী!!! ব্যাপারটা এখানেই পরিস্কার…

    জবাব
  49. khaled

    আপনি মোনায়েম সরকার। আপনাকে মোনায়েম খান ভাবা ভুল হবে। তেমনি নোবেলবিজয়ী ইউনূসকে নবী (নিষ্পাপ অর্থে বলছি) ইউনূস ভাবা ঠিক হবে না। তারপরও যদি কেউ না মানেন, খোঁজখবর চলুক। এর ভেতর দিয়ে সত্যটা বেরিয়ে আসুক। তাতে কারও বাধা দেওয়া উচিত নয়।

    জবাব
  50. Rony

    আমাদের দেশে জ্ঞানপাপীরা খুব সুন্দর করে সত্যকে মিথ্যাকে সত্য প্রমাণ করেন। যা-ই হোক, দেশের জনগণ কী বলেন সেটাই এখন দেখার বিষয়।

    জবাব
  51. সাইদুর রহমান চৌধুরী

    স্যার, আপনার কলাম পড়ে আর সময় নষ্ট না করাই ভালো, শুরুর তিন বাক্যেই দেশের সম্মানিত মানুষদের প্রতি আপনার উগ্র অসম্মানজনক বিশেষণগুলো পড়ে ফেললাম যে….

    জবাব
  52. আহমেদ ওয়াসি

    জনাব, আপনাকে স্বাগত জানাই সরকারের তোষামোদি করার জন্য। আপনার নামটিও ঐতিহাসিক। অনেক কিছুই মনে করিয়ে দেয়!!!

    যাই হোক, আপনি যা লিখেছেন তা হাসিনার কথার পুনরাবৃত্তি মাত্র। আসলে আপনাকে যথাযোগ্য মর্যাদা দিতে পারছি না, কারণ আপনার লেখা পড়ে মনটা বিগড়ে আছে ।

    জবাব
  53. sunny

    আপনার নামটা দেখে ধরেই নিয়েছিলাম আপনার এই লেখাটা শেখ হাসিনার কাজেরই কপি হবে। কয়েক লাইন পড়েই বুঝলাম কপি নয়, হাসিনার চেয়েও কয়েক গুণ বেশি। কথায় আছে না, ‘সূর্যের চেয়ে বালি গরম…’ আপনারও সেই অবস্থা। যাই হোক, যা বলেছেন তা নিয়ে আলাপ/আলোচনা হয়েছে অনেক। এগুলোর জবাবও অনেক দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আপনারা জেগে জেগে ঘুমালে আমরা সাধারণ জনগণ কি-ই-বা করতে পারি?

    থুতু উপরে ছুঁড়লে কোথায় পড়ে জানেন তো……..

    জবাব
  54. masud

    উনি যে উচ্চতায় উঠেছেন তা ধরে রাখতে চাইলে উনার মনে রাখা উচিত যে মধ্যপ্রাচ্যে যারা উন্নত বিশ্বের হাতের পুতুল ছিল তাদের পরিণতি মর্মান্তিক হয়েছে।

    জবাব
    • Hossain

      আমরা এমন একটা জাতি যারা অন্যের সাফল্য মেনে নিতে পারি না। ড. ইউনূসের বেলায় তা হয়েছেi স্টুপিড একটি লেখা!

      জবাব
  55. mehedi

    আপনাদের নির্লজ্জতা দেখে আমরা অত্যন্ত ব্যথিত, বিরক্ত। আপনাদের কাছে আমি ক্ষুদ্র মানুষ হয়ে শুধু একটি দাবি জানাচ্ছি, আপনারা ড. ইউনূসের চেয়ে একশত ভাগের একভাগ পরিমাণ একটি কাজ করে দেখান। আপনাদের আমরা পীর হিসাবে মানব। ঈর্ষান্বিত হয়ে পরের কাছে সামান্য প্রসাদ পাওয়ার জন্য দেশ ও জাতিকে আর কলঙ্কিত করবেন না। না হলে একসময় যে গর্জন উঠবে তা থামানোর সাধ্য আপনাদের হবে না। এখনই দেয়ালে কান পাতুন, কিছু শুনতে পান কিনা খেয়াল করে দেখুন।

    জবাব
  56. জুয়েল

    লেখাটা ভিত্তিহীন এবং একশত ভাগ প্রতারণামূলক। তিনি (লেখক) একজন রাজনীতিবিদ তাই লিখেছেন।

    জবাব
    • potol

      ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে লিখছেন আপনি? এর আগে নিজে তেমন কিছু করে নেন। আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে ড. ইউনূসকে পছন্দ করি না কিন্তু তার কাজ তো অনেক বড়। তার মতো কিছু করে নোবেল পুরষ্কারটা ঘুষ দিয়ে বাগিয়ে নিন দেখি।

      জানেন, সদ্যপ্রয়াত লেখক হুমায়ূন আহমেদ পর্যন্ত য. ইউনূসের সমারৈাচনা করতে চাননি। তিনি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় লোকদের একজন। কোয়ান্টাম কেমিস্ট্রিতে তার পিএইচ-ডি করা ছিল্।

      এখন আপনি যে তার সমালোচনা করছেন, আপনি তো সবার বিরুদ্ধে যাচ্ছেন, আপনি একটা ভাঁড়ে পরিণত হচ্ছেন….

      জবাব
    • Rashid

      পৃথিবিীতে এ সব ছাড়াও আরও কিছু আছে, হোরাশিও!

      এই লেখাতে ড. ইউনূসের পভার্টি বিজনেসের সুন্দর চিত্র উঠে এসেছে। ড. ইউনূস যে একজন খুব ভালো ব্যবসায়ী এতে কোনও সন্দেহ নেই। তিনি এই প্রবাদবাক্যকে প্রমাণ করেছেন, ‘প্রতারকরাই টিকে খাকে।’

      বাংলাদেশে এখন ধনীরা শুধু ধনী হচ্ছে। ইউনূসের নিজের পরিবারও ধনী। তার বাবা, ভাই, স্ত্রী, প্রথমপক্ষের কন্যা- এই পরিবারের সম্পদ গত ত্রিশ বছরে তিনশ’ গুণ বেড়েছে। ড. ইউনূস প্রয়াত মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের সেই প্রতারণামূলক মতবাদটাকেও সত্য প্রমাণ করেছেন, ‘যখন ধনীরা আরও ধনী হয়, তখন গরীব নানাভাবে উপকৃত হয়। যেমন, ধনীদের বুটপলিশ ইত্যাদি করে……’

      স্বচ্ছতার স্বার্থে ড. ইউনূসের পরিবারের সম্পদের তথ্য প্রকাশ করা উচিত।

      মি. জুয়েল, মোনাযেম সরকারের লেখার কোন কোন দিক নিয়ে আপত্তি তা লিখছেন না কেন? “লেখাটা ভিত্তিহীন এবং একশত ভাগ প্রতারণামূলক….’’ এই সব ভাষা ভাষা কথার কী দাম?

      জবাব

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল অ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—