Rohingya - 333

প্রতিবেশি দেশ শুধু ভারত নয়– আমাদের তিনপাশে ভারত আর সাগর বলে আমরা আরেক পাশটা ভুলে যাই। ধর্মীয় পরিচয়ে হিন্দু বলে আমাকে ভারতের দালাল নামে সম্বোধন করা দেশপ্রেমীদের কাছে একটা প্রশ্ন রাখি, আমাদের আরেক পাশে যে দেশ, যার নাম বার্মা, বার্মা থেকে মিয়ানমার, তার বেলায় আপনারা এমন চুপ থাকেন কেন?

জন্মেছি চট্টগ্রামে। আমাদের জীবন ও জীবনপ্রবাহে তখনকার বার্মার নাম ও নানা বিষয় ছিল অনিবার্য। বাংলাদেশের আর কোনো এলাকায় বার্মা যাওয়া নিয়ে গান আছে বলে শুনিনি। অথচ বিখ্যাত গায়িকা শেফালী ঘোষের সুবিখ্যাত গান, “ও শ্যাম, রেঙ্গুম ন যাইও” এখনও মানুষের মুখে মুখে ঘুরে বেড়ায়। রেঙ্গুম মানে রেঙ্গুন। তখন বার্মা সোনার জন্য প্রসিদ্ধ। তার খ্যাতি ছিল কাঠগাছ বনজ সম্পদের কারণে। উপার্জনপ্রত্যাশী বাঙালি সেখানে যেত। কেউ কেউ আর ফিরে আসত না। বলা হত, বার্মিজ মহিলাদের আকর্ষণ আর প্রেম নাকি দুর্নিবার। সে আকর্ষণে বিয়ে করে ফেলা মানুষ তাদের প্রেমিকা বা বৌকে ভুলে থাকত বলেই এই গানের এমন কথা।

ছেলেবেলায় ছড়া শুনতাম:

এক্কানা মনার গুরগুরি ঠ্যাং
কেন মনা রেঙ্গুন গেল
হাতের বাঁশী ফেলাই গেল
মা বাপেরে কাঁন্দাই গেল।

যার মানে ছোট্ট ময়না ছোট ছোট পায়ে দূরের রেঙ্গুনে গিয়ে আর আসে না। সেই রেঙ্গুনের মানুষ থাকত আমাদের শহরে। আমাদের মাসীমা নামে পরিচিত সাদা পোশাকের এক মহিলাকে দেখলেই আমরা পালাতাম। তিনি আমাদের বার্মিজ মাসী। বিয়ে করে বাংলাদেশে চট্টগ্রামে থেকে গিয়েছিলেন। পালাতাম এই কারণে যে, তিনি হাতে যে ব্যাগটি নিয়ে আসতেন তার ভেতর থাকত টিকা আর ইনেজকশন। সেই সুমুধুর দিনগুলো যেমন অতীত, তেমনি মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কও আজ জটিল।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে এখন আর রাখঢাকের জায়গা নেই। একটি জাতিগোষ্ঠীকে নির্মুলের চক্রান্ত যেমন অসহনীয় তেমনি আপন জান বাঁচানোও ফরজ। আজ যা লিখব তাতে কথিত সমঝোতা বা মিনমিন করার সুযোগ নেই। গোড়াতেই বলি, বাংলাদেশের যে কোনো এলাকার মানুষের চাইতে আমরাই এদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতম। চট্টগ্রামের লাগোয়া অঞ্চলে বসবাসকারী এই রাখাইন বা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে পরিচয় দীর্ঘকালের। আপনি যদি কক্সবাজার যান নিশ্চয়ই জানবেন সেখানকার সান্ধ্য বাজারের দোকানগুলোর বেশিরভাগ চালায় এদের চেহারার মানুষেরা। কর্মঠ মহিলারা সন্ধ্যার পর কাজ করে। পুরুষরা বাড়িতে বাচ্চা রাখে কিংবা ঘুরে বেড়ায়। এই মানুষেরা আমাদের।

কিন্তু আজ যারা দলে দলে ঢুকছে তাদেরকে আপন করার নামে যে ষড়যন্ত্র আর রাজনীতি সেটা আমাদের নয়। আগেই বলেছি, আমরা শেফালী ঘোষের গান শুনে বড় হওয়া মানুষ, যেখানে “ও শ্যাম, রেঙ্গুম ন যাইও” বলে আর্তি করা হয়েছে। এখন পরিবর্তিত বিশ্বে রাজনীতি সব পাল্টে দিয়েছে। এখন ‘রেঙ্গুমের শ্যামরা’ দলে দলে ভিড় করছেন এদেশে–প্রাণ বাঁচাতে– অপরাজনীতি আর জাতিগত সহিংসতার শিকার হয়ে।

সিডনিতেও প্রচুর রোহিঙ্গা রয়েছেন। এরা নৌপথে পালিয়ে আসা মানুষ। এদের মুষ্টিমেয় কজন ছাড়া বাকিরা না কোনো কাজে আগ্রহী, না তাদের রয়েছে কোনো স্কিল। এখানকার ক্যামপ্সী এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে এদের যে ঝগড়া ও মারমুখী মনোভাব দেখেছি তা দেখলে আপনার এই ভাব বা আবেগ উধাও হয়ে যাবে। বলে রাখি, আমাকে শরণার্থীবিরোধী ভাবলে ভুল করবেন। একটি জাতিগোষ্ঠীকে নির্মুল করার বিষয়টি আমি কখনও সমর্খন করতে পারি না। তাদের ওপর বর্বরোচিত আক্রমণের বিরুদ্ধে আমরা। কিন্তু যারা করছে তাদের সঙ্গে লড়াই করার মতো বা তাদের সঙ্গে ঝগড়ায় যাবার মতো জায়গায় নেই বাংলাদেশ।

আপনি বিশ্বরাজনীতি মানবেন না, বৈশ্বিক অবস্থান বুঝবেন না, খালি ধর্মের জিকির তুলে আবেগে বুক ভাসাবেন তাতে কী লাভ হবে? রোহিঙ্গাদের কী সমস্যা বা কেন তারা আজ নির্যাতিত সে আলোচনায় যাব না। কিন্তু কোনো দেশের অভ্যন্তরীন সমস্যা যদি আমাদের বুকে এসে লাগে রুখে দাঁড়ানোর বিকল্প কোথায়?

 

Rohingya - 444
বিশ্বরাজনীতি মানবেন না, বৈশ্বিক অবস্থান বুঝবেন না, খালি ধর্মের জিকির তুলে আবেগে বুক ভাসাবেন তাতে কী লাভ হবে?

 

প্রয়াত জিয়ার আমলে প্রথমে সমস্যাটি শুরু হলেও তখনকার প্রশাসন সেদিকে নজর দেয়নি। মিনি পাকিস্তান বানানোর স্বপ্নে বিভোর নেতারা এসব নিয়ে ভাবতেন না। এরপর এরশাদের সেনাশাসনে ইচ্ছেমতো ঢুকে পড়া রোহিঙ্গারা তাদের সেইফ হেভেন বানায় আমাদের দেশকে। তখন আমি সে এলাকায় কাজ করতাম। নিজে দেখেছি টেকনাফ থেকে রামু অব্দি বিশাল এলাকা জুড়ে গড়ে ওঠা ক্যাম্প আর শরণার্থী-বসতি। কালক্রমে সেগুলো হয়ে ওঠে মাদক আর অস্ত্রের আখড়া। যারা জানেন তারা বিশ্বাস করেন রামুর সহিংসতায় এদের জড়িত থাকার কথা। শ শ বছর ধরে একসঙ্গে বসবাসরত বাংলাদেশি মুসলমান ও বৌদ্ধদের মধ্যে যে ঘটনা ঘটেনি, এরা তাই করে দুনিয়ার কাছে আমাদের কলঙ্কিত করে ফেলেছিল। সেই দাগ মোছার আগেই আবার শুরু হয়েছে শরণার্থীর স্রোত। এখন আমরা কী করব?

বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ এখন আর আগের ভূমিকায় নেই। তার উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা বহু দেশের জন্য উদাহরণ। তার গায়ে লেগেছে নতুন হাওয়া। এই বদলে যাওয়া দেশের চেহারা প্রতিবেশিদের ভালো লাগার কথা নয়। ভারতের নেতারা স্বাভাবিকভাবেই নিজের সমস্যা ও স্বার্থের বাইরে পা ফেলবেন না। ঘটনা শুরুর পরপরই নরেন্দ্র মোদি মিয়ানমারে ছুটে গিয়েছেন। দেখলাম, টুইট বার্তায় সেখানকার বাগান নামের শহরে আনন্দিত চেহারার ছবি দিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। পাকিস্তানও নাকি বসবে রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের সঙ্গে। আমেরিকা বরাবর দ্বৈত ভূমিকা পালন করছে। একদিকে বাংলাদেশের পিঠ চাপড়ে বলছে, ভালো কাজ করছে– অন্যদিকে মিয়ানমারের সঙ্গে তার অস্ত্র-ব্যবসা আর মদদও চলছে সমানতালে। চীন মিয়ানমারকে ঘাঁটাবে না। তাহলে বাকি থাকল কে?

এই পরিবেশে আপনি বা আপনারা যারা বাংলাদেশের সরকারকে ভয়াবহ বাস্তবতায় ঠেলে দিতে উস্কানি দিচ্ছেন তাদের মনে কি আসলে দেশপ্রেম আছে? সব জায়গায় খালি ধর্ম। আরবে ইয়েমেনে মুসলমানরা মুসলমানদের মারছে– একেকটি আরব দেশ আরেকটি দেশের জন্য টাইম বোমা যেন। তখন আপনারা কিছু বলেন না কেন?

এখন নিরীহ বাংলাদেশের ঘাড়ে দায় পড়েছে রোহিঙ্গাদের ভেতরে এনে জামাই-আদরে আপ্যায়ন করার। পরিস্থিতি কতটা খারাপ হলে সরকারকে বিবৃতি দিয়ে বলতে হয় যে, রোহিঙ্গাদের বিয়ে করা যাবে না। বিয়ের জন্য বা তাদের বিয়ে করে যারা দেশে রাখতে ঈমানি দায়িত্ব পালন করছে তারা কি নিজেদের মেয়ে বা বোনকে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে বিয়ে দেবেন? এসব ফালতু বিকৃতির মানে নেই।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একাই সামলান সব। তাঁর সরকারের ওপর মানুষের যেটুকু বিশ্বাস বা আস্থা সেটা তাঁর কারণে অটুট। তাঁকে এই কঠিন সমস্যা মোকাবেলায় সময় দিতে হবে। এখন এটি শাঁখের করাত। রোহিঙ্গাদের ঢোকা বন্ধ করলে বা আশ্রয় না দিলে আম-ভোটাররা বিএনপি ও জামায়াতের মদদে আরও বিগড়ে যাবে। আরেক দিকে এদের স্থায়ীভাবে ঢুকতে দেওয়া একদিকে যেমন অবৈধ, অন্যদিকে আওয়ামী লীগের রাজনীতি ও প্রগতির পথে দেশের এগিয়ে চলার পথে আত্মহত্যার সামিল।

যারা চাটগাঁর লোক তারা খুব ভালো জানেন এদের পথভ্রষ্ট কিশোর-তরুণেরা মাদকে নিমজ্জিত। মাদক ও ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত এরা। আওয়ামী লীগের বহু নামকরা নেতা বা তাদের সাঙ্গপাঙ্গরা এই ব্যবসায় রোহিঙ্গারা যুক্ত বলে এদের ঢুকতে দিতে ও এদের নিয়ে নোংরা রাজনীতি করতে আগ্রহী। টেকনাফের সেই বিখ্যাত ইয়াবা বদি এখন কোথায়?

আন্তর্জাতিক রাজনীতি, দেশজ রাজনীতি ও উন্নয়ন কোনোটাই আসলে আমাদের এই ঢালাও আশ্রয়দান সমর্থন করে না। সব কিছুর ওপরে পরিণাম বা ফলাফল। এদের পরিণাম কী? মিয়নমারকে যারা চেনেন তারা জানেন রোহিঙ্গারা সেখানে ফেরত যেতে পারবে না। তাই যদি হয়, এদের ভরনপোষণ ও চাকরি দেবে কে? যারা আবেগে এদের জন্য মিছিল করে স্লেঅগান দিচ্ছেন ‘ইসলামি সমাজ চাই’, তাদের কাছে এর উত্তর আছে?

পরিস্থিতি আসলে এটাই যে, বাংলাদেশের ওপর এক অমানবিক সমস্যা ও দুর্গতি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। যারা রোহিঙ্গাদের সম্প্রদায়গত পরিচয়ে আকুল হচ্ছেন তাদের বলি, একাত্তরে আমি নিজে কলকাতায় শরণার্থী-বিরোধী মিছিল দেখেছি। যতদিন তারা জেনেছিল আমরা ফিরে যাব, আমাদের ভয়ের চোখে দেখত তারা। আমরা এমন কি মহান আর উদার হলাম যে সব দায় আমাদেরই নিতে হবে?

রোহিঙ্গা সমস্যা যদি এই এলাকায় আরেকটি কাশ্মীর বা ফিলিস্তান সমস্যার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে তাতে বাংলাদেশের সংকট বাড়বে বৈ কমবে না। আজ আওয়ামী লীগ– কাল যে-ই আসুক সরকারে– তাদের কাছে এই সমস্যা হবে বিষফোঁড়া। আপাতত তাদের জান বাঁচাতে তাদের আশ্রয় দেওয়ার কাজটি করতে হবে। কিন্তু সঙ্গে জানা চাই এর পরিণামের কথা। আন্তর্জাতিক ও মানবিক সব সংগঠন, সংস্থা আর জাতিসংঘের মতো প্রতিষ্ঠানের কাছে যাবার পাশাপাশি বাংলাদেশকে এখন শক্ত হতেই হবে। আসলে দেশ ও জনগণের উচিৎ আগে নিজেদের ভবিষ্যত ও আগামী দিন নিরাপদ রাখা। মানবিকতার প্রশ্নে কারও মায়াকান্না, কারও বিরোধিতা বা কারও সমর্থনে কিছুই আসে যায় না। সমস্যা যার ঘাড়ে সেই জানে এই বোঝা কত কঠিন।

বাংলাদেশ, তুমি মানবিক হবার পাশাপাশি সমস্যা সমাধানে কঠোর হবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

অজয় দাশগুপ্তকলামিস্ট।

৫৯ Responses -- “ও শ্যাম, রেঙ্গুম ন যাইও”

  1. muzibur Rahman

    It is not PM Sheikh Hasina’s duty to use telescope to see how one state is behaving with its citizen.So, she denied to provide shelter to the ruhingas first. But while the human beings are brutally suffering in front of her, She (daugter of Bangabandhu) could not keep her refrained from humanitarian behavior(for which no doubt she is an specialised). So, she invited the capable human beings to come forward with the help for the distresses.

    Please do not be inhumane to criticize one.

    Reply
  2. নাদিয়া পারভীন

    আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া গাছের পাতাও নড়ে না। রোহিঙ্গারা যে অবস্থার মধ্যে পড়েছে, তা নিশ্চয়ই আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের আদেশেই ঘটেছে। লুত নবীর দুরাবস্থার কথা স্মরণ করুন। ফেরাউনের কথা স্মরণ করুন। যারা রোহিঙ্গাদের দুরাবস্থার জন্য মায়ানমারের বৌদ্ধদের দোষ দিচ্ছে, তারা নালায়েক অবিশ্বাসী সুযোগসন্ধানী মাত্র। রোহিঙ্গারা নিশ্চয়ই এমন কোন অপরাধ করেছে যার জন্য আল্লাহ তাদেরকে এই পরীক্ষার মধ্যে ফেলে দিয়েছেন। যারা এর বিরোধীতা করবে তারা আল্লাহর ইচ্ছার বিরোধীতা করবে।

    Reply
  3. কবির

    তিনি কয়েকদিন আগেও সাগরে ভেসে আসা রোহিঙ্গাদের দূর দূর করে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আজ হঠাৎ তিনি এত উদার! কারণত অবশ্যই আছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারের গনহত্যাকারী শাসকদের পাশে দাড়িয়েছে। সামনে নির্বাচন, দেশের মানুষের সেন্টিমেন্ট বলে কথা আছেনা?

    Reply
  4. মানিক হায়দার

    বিবিসি এই প্রশ্ন করে কীভাবে? রোহিংগা পুরুষদের যে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে এই সত্য কথাটা কি বিবিসিকে নতুন করে বলে দিতে হবে?

    Reply
  5. সাঈফ রফিক

    সেই পুরান কথাটাই বলতে হচ্ছে যেটা USA president Nixon বলেছিল,”শান্তিতে থাকার কথা সেই বলতে পারে যার শক্তি আছে”।কাজেই শান্তি এবং সস্তিতে থাকতে হলে অবসসই শক্তি অরজন করতে হবে। আওয়ামি বুদ্ধিজিবিরা কিন্তু সবসময় এর বিপরিত অবস্থানে থাক্ত।অরা কখনও চাইতনা বাংলাদেশ সামরিক শক্তি অরজন করুক।

    Reply
  6. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    বাংলাদেশকে বাচতে হলে ইন্ডিয়াকে ছাডতে হবে। অন্যথায় কয়েক বছরের মধ্যে ইন্ডিয়া বাংলাদেশকে ধ্বংস করে দেবে।

    Reply
  7. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    ভারতের সাথে আওয়ামীলীগের ঘষাঘষির ফল পাচ্ছে বাংলাদেশ,প্রতিরক্ষা চুক্তি করে চীনের সাপোর্ট হারিয়েছে বাংলাদেশ, আর চীর ছাড়া রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান রুপকথার গল্পের মতো।

    Reply
  8. নাজমুল হোসাইন

    পোপ ফ্রান্সিস বললেন এই বিশ্বের মুসলিম দুই প্রকারের যুদ্ধ করছে। প্রথম যুদ্ধ নিজেদের পিড়ীত প্রমাণ করার, দ্বিতীয় যুদ্ধ বিচার পাওয়ার। প্রথম যুদ্ধে তারা কিছু হলেও এগিয়ে যায়, কিন্তু দ্বিতীয় যুদ্ধে আজ পর্যন্ত তারা সাফল্য লাভ করতে পারেনি। ফিলিস্তীন, মায়নামার, সিরিয়া, ইরাকে লক্ষ লক্ষ মুসলিমকে নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছে, অথচ আশ্চর্যের বিষয় উল্টে মুসলিমদেরই সন্ত্রাসবাদী বলা হচ্ছে!

    Reply
  9. রিয়াদ

    মিয়ানমার বাংলাদেশকে পাত্তা না দেয়ার অনেক কারণ আছে। বড় শক্তিগুলি তাদের নিজেদের স্বার্থে আমাদেরকে বাহ্যিকভাবে বন্ধু বুঝাতে চাইলেও আমাদের অভ্যন্তরীণ দুর্বলতার সুযোগে ঠিকই তাদের স্বার্থ আদায় করে নিয়ে আমাদের সব দিকে ক্ষতি ছাড়া সামান্যও উপকার করেনি এবং ভবিষ্যতেও না।

    Reply
  10. রিয়াদ

    যখন কোন মুসলিম হাজার নির্যাতনের শিকার হয়ে একবার প্রতিবাদ করে তখন এটাকে বলা হয় মৌলবাদ, জঙ্গীবাদ, টেররিস্ট!!! আর দিন রাত মিডিয়াতে বিশ্বের বুদ্ধিজীবীরা গণতন্ত্র জপে মুখে ফেনা তুলে ! বিশ্বের বুদ্ধিজীবীদের বলতে চাই সন্ত্রাসের সংজ্ঞা, মৌলবাদ, জঙ্গীবাদ, টেররিস্ট এর সংজ্ঞা মায়ের পেট থেকে আরেকবার জন্ম নিয়ে নতুন করে শিখে নিতে হবে।

    Reply
  11. রিয়াদ

    মায়ানমা‌রে যে বর্বরতা হ‌চ্ছে, গনহত্যা হ‌চ্ছে, রো‌হিঙ্গা মুস‌লিমরা যে নির্যা‌তিত হচ্ছে, মান‌বিক সংক‌টে প‌ড়ে‌ছে, এক‌টি জা‌তি‌গোষ্ঠী‌কে নি‌শ্চিন্ন ক‌রে ফেলা হ‌চ্ছে, তা খুব জোরা‌লো স্পষ্ট হ‌য়ে উঠ‌লো অং সান সু চি’র জা‌তিসংঘ সাধারণ অ‌ধি‌বেশ‌নে যোগ না দেয়ার মধ্যদি‌য়ে। কারণ সেখা‌নে তি‌নি বিশ্ব নেতা‌দের এবং প্রত্যক্ষদর্শী সাংবা‌দিক‌দের তো‌পের মু‌খে পড়‌বেন। যেখা‌নে তি‌নি অার সাফাই গাইবার কোনসেু‌যোগ থাক‌বেনা।

    Reply
  12. রিয়াদ

    সামাজিক গণমাধ্যমে ‘বড় ছেলে’ নামে একটি নাটক নিয়ে ব্যাপক আলোচনা। আমি দেখিনি। তাই মন্তব্য করতে পারছি না। তবে নাটকের বড় ছেলের চেয়েও বাস্তবের বড় ছেলের দায়িত্ব অনেক বেশি। দেখুন রাখাইন থেকে পালিয়ে আসা এই রোহিঙ্গা পরিবারটির বড় ছেলের ছবি। অত ছোট কাঁধ বহন করছে কত বড় দায়িত্ব! শ্রদ্ধায় আমার মাথা নুয়ে আসে। টেকনাফ সীমান্তে প্রতিদিন রচিত হচ্ছে মানবিকতার এমন হাজার গল্প। সিনেমার গল্পের মত এই ছেলেটি যদি বড় হয়ে মিয়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে, আপনারা নিশ্চয়ই তাকে সন্ত্রাসী বলে গুলি করে মেরে ফেলবে।

    Reply
  13. রিয়াদ

    আরো বলে নোবেল! কালকে সেখানে গিয়ে মায়াকান্নার কি দারকার ছিল! মানবতার ত্রাণও কি রাজনীতির নোংরা ফাঁদে! আপনারা যা পারবে না তা বিএনপি করে দেখাবে। ভয় পান কিসে? বাতাসে পাতার স্পন্দনকেও ভুমিকম্প মনে হয়?
    [বিঃ দ্রঃ মায়ানমারের নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের মাঝে বিতরণের বিএনপি’র ত্রাণবাহী ২২টি গাড়ি আটকে রেখেছে পুলিশ।]

    Reply
  14. রিয়াদ

    বি,এন,পির নাম শুনলেই আ,লীগের নেতা কর্মিদের মধ্যে হ্মমতা হারানোর ভয় কাজ করে তাই ভয়ে ভিত হয়ে মানুষিক রুগীর মতো বি,এন,পির সব কাজেই বাধা দিচ্ছে,

    Reply
  15. রিয়াদ

    সরকারের উচিত ছিলো নিরাপত্তা দিয়ে ২২ ট্রাক ত্রান ক্ষুদার্ত রোহিংগাদের হাতে তুলে দিতে বি এন পি নেতাকর্মীদের সহায়তা করা,আর তা না করে ত্রান বাহী গাড়ীগুলো পথে আটকে দিয়ে নিজেদেরই দূর্নাম কুড়াচ্ছে।জনগন কিন্তু এসব ব্যাপার মোটেও ভালো চোখে দেখেনা।

    Reply
  16. রিয়াদ

    বিবিসি এখনও একবার ও,বলেনি যে,বৌদ্ধরা সন্ত্রাসী।যদি একটা বৌদ্ধকে এখন বাংলদেশের কেউ হত্যা করে,তখন বিবিসি বলবে,এইটা সন্ত্রাসীর কাজ।

    Reply
  17. aslam

    আপনার লেখায় অসংখ্যবার উল্লেখ করেছেন- আপনি রোহিঙ্গা গণহত্যার পক্ষেে না। কেন পাঠককে আপনি বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছেন – আপনি গণহত্যার পক্ষে না?

    আসলে আপনার মতো আমাদের চারপাশে হাজারো মানুষ আছে যারা প্রকাশ্যেই মিয়ানমারের গণহত্যায় আত্মতুষ্ট। কারণ ভারত এ গণহত্যায় মিয়ানমারকে পূর্ণ সমর্থন দিয়েছে। মোদীজী দ্রুত গিয়ে মিসেস সুকির সঙ্গে বৈঠক করে মিয়ানামারের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন।
    ১৯৭১ সালেও এরাই পাকিস্তানী বাহিনীর গণহত্যায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছিলো এরাই।

    Reply
  18. শারমিন

    নির্যাতিত রোহিঙ্গা হিন্দুরা যে বাংলাদেশে পালিয়ে আসল, এদের কথা কেউ বলছে না। কি আশ্চর্য??

    Reply
  19. মোঃ হেলাল উদ্দিন

    দাদা, আগে ইতিহাস জানুন তার পর লিখুন। বিস্তারিত না হয় নাই লিখলাম। লিখলাম না মানে আপনার লেখার ওপরে কোন মন্তব্য করে সময় নষ্ট করতে ইচ্ছে হলনা।

    Reply
  20. সৈকত

    একপাল গরুর মধ্যে একটি গরু হালচাষে অপারগ হলে প্রতিটি গরু কি অপারগ? বাহ! মানুষ চেনার ভাল উপায়.. ২-৩জন রোহিঙ্গা চুরি-ডাকাতি করবে তাই বলে সকলকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিবেন.. রোহিঙ্গা নারীদের বিয়ে করা বীঙালিদের জন্য নিষিদ্ধ কিন্তু তারা যে প্রতিনিয়ত বাঙালি দ্বারা ধর্ষন হচ্ছে,অনেককে অপহরন করে পতিতালয়ে বিক্রি করছে তা কি গ্রহনযোগ্য…

    চেতনার ডালি নিয়ে জন্মগ্রহন করা বুদ্ধিজীবীরা কেন রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের সামরিক সাহায্যের জন্য কথা বলে না… তারা কি এদের বেলায় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ভুলে যায়… আপনাদের বাংলাদেশের বর্ডার পর্যন্ত মানবিকতা রোহিঙ্গাদের জন্য দরকার নেই.. তারা ঠিক সময়ে,সসম্মানে নিজেদের দেশে চলে যাবে….

    Reply
  21. পাশা

    তুরষ্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগানের স্ত্রী এবং দেশটির কয়েকজন মন্ত্রী বাংলাদেশে এসে রোহিঙ্গা শরনার্থীদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেছেন। এটাই মানবতা, এটাই উদারতা।
    অন্যদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারের গনহত্যাকারী শাসকদের পাশে দাড়িয়েছেন। এটা অমানবিকতা, এটাই সংখ্যালঘুদের প্রতি বিদ্বেষ! এই নির্জলা সত্যি কথাটা যাদের বুঝতে অসুবিধা হয়-তাদের হৃদয়, মস্তিস্ক, অনুভূতি সবকিছু বিষাক্ত হয়ে গেছে সম্ভবত।

    Reply
    • ইরফান

      ত্রাণের পরিমাণ জানা থাকলে এত বড় কথা বলতেন না।উদারতা, মানবতা বলে বেহুশ হবার মত কিছুই নেই এখানে। তুর্কিদের প্রস্তাবিত ত্রাণের পরিমাণ ১০০০০ টন ।আর এবারে বাংলাদেশে প্রবেশ করা রোহিঙ্গার সংখ্যা হল ৪,৫০,০০০-৫,০০,০০০ জন। রোহিঙ্গাদের এই ত্রাণ ভাগ করে দিলে হয় মাথাপিছু হয় ১৮-২০ কেজি। কয়দিন চলবে এতে? এরপর কে পালবে এদের? একটু হুশ রাখলেই হয়।

      Reply
  22. কামরুল হাসান

    নিজের দেশের মানুষের বুকে সহজেই গুলি চালানো যায়, অন্যদেশের মাস্তানীর সামান্য জবাব দেয়া যায় না?

    Reply
  23. সুজন

    এমন একটা কারন দেখিয়ে সমুলে একটা জাতিকে এই আধুনিক যুগে নির্মমভাবে হত্যা করা কি মানুষের কাজ?আর এর জন্য দায়ী সরকার ই।সেখানে দশম শ্রেণীর উপরে শিক্ষার কোন ব্যবস্হা ছিল না।আর শহরের বাইরে যাওয়ার অনুমতি রোহিঙ্গাদের ছিল না।বিয়ে করতে হলে অনুমতি নিতে হত সরকারের।নাগরিকত্ব নেই,সম্পদের মালিকানা নেই। এ যেন নিজ দেশে কারাবন্দী।যারা এসব মানুষকে দোষ দিচ্ছেন একবার ভাবুন কি অন্যায় যুগের পর যুগ সহ্য করছে?এখানে পার্বত্য সন্ত্রাসী গ্রেফতার হলেও প্রতিবাদ হয় !

    Reply
  24. জাকির

    নিরীহ রোহিঙ্গারা যাতে শান্তিতে পালাতে না পারে তার জন্য সীমান্তে মাইন পেতে রেখেছে।আর পশ্চিমি বিশ্ব যারা নিজেদের সভ্য বলে দাবি করে তারা অসভ্যর মতো মিয়ানমার কে সমর্থন দিয়ে চলেছে।।।

    Reply
  25. আখতার

    এ কি চেহারা তথাকথিত অহিংসার প্রতিভূদের! এই কি তাদের ‘জীবহত্যা মহাপাপ’ দর্শন? নিশ্চুপ কেন বৌদ্ধ ধর্মগুরুরা? দায়সারা বিবৃতিতে কি সমাধান হবে?

    Reply
  26. নুরুজ্জামান

    বোদ্ধ ধর্ম নাকি মানবতার ধর্ম।তারা বলে “অহিংসাই পরম ধর্ম”কিন্তু বাস্তবতা হলো: অন্য ধর্মের মানুষের প্রতি ঘৃনা,হিংসাই তাদের প্রধান ধর্ম।পৃথিবীর সবচেয়ে নির্যাতিতা রহিঙ্গামুসলিম এতই নির্যাতিতা যে বেচে থাকার মৌলিক অধিকারটুকও পায় না ধর্মিয় অধিকার তো অনেক দূরে।এরা এমন বর্বর নির্যাতক দেশ যে সেখানে কনো মানবাধিকার কর্মী,কনো মিডিয়া কর্মী বা কনো আন্তরর্জাতি সংস্থাকে প্রবেশ করতে দেয়া হয় না।এটা কেমন মানবতা?যুগযুগ ধরে বসবাস করে এসে নাগরিকত্ব পায়ারো অধিকার রাখে না।নিজ জন্মভুমি ছেরে পালিয়ে যেতে হয় জিবন বাচাতে। আমার প্রশ্ন বিশ্বমানবতার কাছে, এই চরম নির্যাতিতা মানুষদের পাশে দাড়ানোর কেউ নেই!!!

    Reply
  27. নুর আহমদ

    নির্যাতন যখন চরমে তখন প্রতিবাদ করলেই বলবে জঙ্গি,,,কোথায় আজ মানবাধিকার সংস্থা গুলো??? কাকে দিয়ে দিছিল তার নোবেল?

    Reply
  28. Affab Haq

    মিয়ানমারের রাখাইনে জাতিসংঘের “শান্তিরক্ষী বাহিনী” পাঠানো হোক। সবার উচিত এই দাবী তোলা।

    Reply
  29. হায়দার চৌধুরী

    মিয়ারমারের রোহিঙ্গাদের ওপর নির্মম নির্যাতন এটা পরিষ্কার করে দিয়েছে যে গোটা বিশ্বের অমুসলিম শক্তি আজ মুসলমানদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ। বর্তমানে বৌদ্ধ ও হিন্দু মুসলমানের সবচেয়ে বড় শত্রু।

    Reply
  30. রায়হান

    অবশেষে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাছিনা রোহিঙ্গাদের দেখতে গলেন, তাদের দুঃখ কষ্ট দেখে অঝরে কাঁদলেন…..

    Reply
  31. রনজেন চাঙমা

    শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা দের অধিকার এনে দিক, উনাকে নোবেল পুরষ্কার দেওয়া হোক, সুচির টা ফিরিয়ে নিয়ে।

    Reply
  32. রোমান

    পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই সংখ্যাগুরুরা সংখ্যার জোরে ছোট জাতি গোষ্ঠীর উপর অত্যাচার চালায়। মিয়ানমারের উগ্র বৌদ্ধরা বাংলাদেশের মুসলিমদের কাছে জঘন্য, কিন্তু তাদের দেশের মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয়। অন্যদিকে ভারতের ক্ষেত্রেই বিজেপি, আর এর এস মুসলিমদের কাছে জঘন্য,কিন্তু তাদের দেশের মানুষের কাছে জনপ্রিয়।

    Reply
  33. Syed Moniruzzaman

    অজয় দাশ গুপ্ত ঠিক কি বুঝাতে চাইলেন বুঝলাম না। আপনি একদিকে বলছেন এই অত্যাচার নির্যাতনকে আপনি সমর্থন করেন না আবার অপরদিকে আপনি রোহিঙ্গাদের প্রতি সহানুভুতি দেখানোকে ভালো চোখে দেখছেন না কারণ তারা মাদকাসক্ত আর কাজে অনাগ্রহী। তাহলে করনীয় কি? তাদেরকে ঠেলে নিজ দেশে পাঠিয়ে দেওয়া, যেটা আমাদের তথাকথিত বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্রটি কখনই চাইবেনা। আপনি কি বলতে চাইছেন যে শিশুটি একজন রোহিঙ্গা মায়ের কোল জুড়ে মাত্র আসল সে একজন সন্ত্রাসী। সিডনিতে আমিও অনেক রোহিঙ্গাকে দেখি এবং এদের অনেককেই আমি দেখেছি কাজ কর্ম করছে এবং ভাল আয় করছে। ল্যাকেম্বাতে রোহিঙ্গাদের চালিত ব্যবসাও আছে। একটি জনগোষ্ঠী যারা কোনোদিন শিক্ষার আলো পায়নি, চিকিৎসা ছিল না, সামাজিক নিরাপত্তা ছিল না, বার্মিজ সেনাদের দ্বারা অত্যাচার নিপীড়ন আর ধর্ষণ ছিল নিত্যদিনের ব্যাপার, আপনি তাদের কাছ থেকে কি আসা করেন?

    Reply
  34. Redwan Khan

    ”সেই রেঙ্গুনের মানুষ থাকত আমাদের শহরে। আমাদের মাসীমা নামে পরিচিত সাদা পোশাকের এক মহিলাকে দেখলেই আমরা পালাতাম। তিনি আমাদের বার্মিজ মাসী। বিয়ে করে বাংলাদেশে চট্টগ্রামে থেকে গিয়েছিলেন। পালাতাম এই কারণে যে, তিনি হাতে যে ব্যাগটি নিয়ে আসতেন তার ভেতর থাকত টিকা আর ইনেজকশন।”

    ভয় নেই রোহিঙ্গা উদ্বাস্তরা ব্যাগে করে ইনজেকশন নিয়ে আসে নাই। তাদের বরং ইনজেকশন (চিকিৎসা) ,সেবার বেশি প্রয়োজন।

    Reply
  35. মোঃ জহিরুল ইসলাম

    ধর্মীয় বিভাজন তুলবেন না, মানবেন না করতে করতেও তো দেখা যায় গোটা পৃথিবীই ধর্মীয়ভাবে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে। মুসলিম আর অমুসলিম। মুসলিমরা যেহেতু সভ্য মানুষ নয়, মানুষের জাতই নয় (আপনাদের মতে) তাই তাদের মানবাধিকার নিয়ে আপনাদের কোন মাথা ব্যথাও নেই। পার্বত্য চট্টগ্রামকে অস্থিতিশীল করেছে উপজাতী বৌদ্ধ সন্ত্রাসীরা। তাদের জন্য আপনাদের সহানুভূতি। রামুর বৌদ্ধদের জন্য আপনাদের সহানুভূতি। আর রোহিঙ্গারা আপনাদের চোখে সন্ত্রাসী। ১৯৭১ সালে বাঙলাদেশের মানুষও কি তবে সন্ত্রাসী নয়? আর ১৯৭১ সালে বাঙলাদেশের মানুষ সবাই ভারতে যায় নি, কিছু মানুষ তো এই আরাকানেও গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিল। আজ শুধুমাত্র মুসলিম বলে তাদের দুর্দিনে পাশে থাকা যাবে না?

    Reply
  36. Advocate Mohammad Hasan Al Shaif

    এদের মুষ্টিমেয় কজন ছাড়া বাকিরা না কোনো কাজে আগ্রহী, না তাদের রয়েছে কোনো স্কিল। এখানকার ক্যামপ্সী এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে এদের যে ঝগড়া ও মারমুখী মনোভাব দেখেছি তা দেখলে আপনার এই ভাব বা আবেগ উধাও হয়ে যাবে-কিভাবে এতো তাড়াতাড়ি একটা জনগোষ্ঠীকে জাজমেন্ট করে ফেললেন?ঝগড়া ও মারমুখী মনোভাবের লোকজনতো আমাদের দেশেও আছে,তার মানে আমরা সবাই কি একইরকম নাকি।আপনি বললেন ওরা কাজ করতে আগ্রহী না।ওদের লেখাপড়া সুযোগ নেই তাই চাকরী করার প্রশ্নই আসেনা।মূলত ওরা কৃষিজীবি।আমার কথা হলো কৃষিকাজ কি কোনোও কাজ না।নাকি কৃষিকাজ খুব সহজ কাজ,যেটা কাজের পর্যায়েই পড়েনা।প্লিজ এইরকম ওরস্যালাইন মার্কা লেখা লিখবেন না।লিখা এমন জিনিস না যে, এইখানে একমুঠ গুড়,এক চিমটি নুন আর আধ সের পানি দিলাম হয়ে গেলো।

    Reply
    • Vajo Hari

      I don’t think you read the article properly, The writer is saying it will take years to skill the
      Rohinga population as they do not have the proper skills. or if they have any these skills out obsolete or outdated.

      Reply
  37. Rasha

    Well written with logic. Now Bangladesh needs contingency plan and pressure to create international civil coalition including China and India.Canad already trying to be part of civil coalition No way to be looser to support war against Myanmar. People should be with Sheikh Hasina,no way to be emotional fool telling that it is religious issue,it is more Geo-political .

    Reply
    • Kamal Sarwar

      You cannot talk away serious human rights violations that have overwhelmingly hit the Muslim population and need to be addressed. Yet, you have to realize that not only one side is responsible for the triangular conflict in Rakhine state.

      Reply
  38. Redwan Khan

    নিরস্ত্র নিরপরাধ রোহিঙ্গা নারী, পুরুষ ও শিশুদের ওপর বার্মার সৈনিকদের বর্বর অত্যাচারের যে ভিডিওচিত্রগুলি আড়চোখে দেখলাম, তাতে প্রশ্ন জাগলো মনে, ১৯৭১ সালের পাক-সেনারা কি তুলনামূলকভাবে কম নিষ্ঠুর ছিলো?
    ১৯৭১ সালে পাকসেনাদের অত্যাচারের ভিডিও চিত্র ধারণ করা আজকের মতো সহজ ছিলো না বলে,
    আমার এমনটি মনে হতে পারে।

    আমি বিভিন্নসূত্রে ফেইসবুকে আপলোডকৃত মায়ানমারে ঘটতে থাকা নির্মমতার ভিডিওচিত্রগুলি আড়চোখে দেখেছি। ঐ রকমের মানব-পীড়নের দৃশ্য সোজা চোখে দেখার সাহস আমি সঞ্চয় করতে পারিনি।
    আমার পক্ষে মায়ানমারের রাজনেতিক নেতৃত্বের ঔদ্ধত্ব এবং তার বর্বর সেনাদের এই অবিশ্বাস্য অমানবিক আচরণ মেনে নেয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আমি ঘুমাতে পারছি না।

    আমি মনে করি, বাংলাদেশের পক্ষে বার্মা সরকারের যথেচ্ছাচারের নীরব দর্শক হয়ে সীমান্তে সীমাবদ্ধ থাকার সুযোগ নেই। শয়তানদের সমুচিত জবাব দেবার জন্য এখন আমাদের সীমান্ত অতিক্রম করার সময় এসেছে। মায়ানমারের সামরিক জান্তা ও শান্তির জন্য নোবেলজয়ী অশান্তি বেগমের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার কথা এখনই গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হোক। অনেক হয়েছে, আর নয়। – নির্মলেন্দু গুণ | ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ৫:১৪ অপরাহ্ন

    কবির সাথে সহমত পোষন করছি।

    Reply
  39. Redwan Khan

    সারা বিশ্ব মানবতা যেখানে এক মনোভাব প্রকাশ করছে সেখানে কিছু লোক ইব্রাহিম লোদীর ভূমিকায় অভিনয় করছে। জানিনা এদের কি ফায়দা ? হয়তো ব্যাতিক্রম কিছু উপস্থাপন করলে লাইম লাইট এ আসা যাবে।

    কিছু মানুষ স্বভাবত আলো দেখেনা, অন্ধকার পছন্দ করে। কেউ গ্লাসের পূর্ণতা দেখে আর কেউবা শূন্যতা খোঁজে। হজরত আলী (রাজি) বলেন যার সারমর্ম ” রাসূল সঃ তার সাবাহদের নিয়ে নামাজ পড়ছেন তখন (সিজদা দেখে) আলী রাজি এর পিতা আবু তালিব (যিনি ঈমান আনেনি) এসে জিজ্ঞাসা করলেন তুমি কি করছো। বললেন, রবের সামনে মাথা নত করছি। আবু তালিব বললো আমি এটা পসন্দ করিনা যে রবের সামনে আমার নিতম্ব উঁচু করা হবে। ” দেখার বিষয় যে মানুষ যখন সেজদা করে তখন তার সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ন অঙ্গ মাথা জমিনে লাগিয়ে নিজের হীনতা আর রবের বড়ত্ব প্রকাশ করে, আর কপট বিশ্বাসী আবু তালিবদের হয়তো সবচে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ তাদের নিতম্ব। তাই তারা অন্ধকার থেকে কখনো বের হতে পারেনা।

    ইসলামে আছে যদি কোনো কাফের মুসলমানের কাছে আশ্রয় চায় তখন যেন মুসলমনা তাকে নিরাপত্তা দেয়। আর রোহিঙ্গারা তো মুসলিম কেন তাদের দোষ খোজা হচ্ছে? যারা ইসলামের আলো খুঁজে পায়নি তাদের মধ্যে পূর্ণ মানবতা থাকতে পারেনা। তারা তো গরু রক্ষা করতে গিয়ে মানুষ মারবে। আমিষ খাবেনা নিরামিষভোজী হবে কিন্তু রক্ত মাংসের মানুষদের হত্যা করবে।

    Reply
    • saif

      “ইসলামে আছে যদি কোনো কাফের মুসলমানের কাছে আশ্রয় চায় তখন যেন মুসলমনা তাকে নিরাপত্তা দেয়। আর রোহিঙ্গারা তো মুসলিম কেন তাদের দোষ খোজা হচ্ছে? যারা ইসলামের আলো খুঁজে পায়নি তাদের মধ্যে পূর্ণ মানবতা থাকতে পারেনা। তারা তো গরু রক্ষা করতে গিয়ে মানুষ মারবে। আমিষ খাবেনা নিরামিষভোজী হবে কিন্তু রক্ত মাংসের মানুষদের হত্যা করবে।”——সত্যি অপূর্ব লেখা! লেখককে ধন্যবাদ ।

      Reply
  40. Redwan Khan

    রাখাইন থেকে রেঙ্গুন ৬৮৮.৮ কি মি। শেফালী বোস রেঙ্গুন না যাওয়ার কথা বলেছেন, জাতিগত ভাবে তারা বৌদ্ধ। তাদের খারাবি হয়তো শেফালী বোস আচ করতে পেরেছিলেন। কিন্তু আপনি গানের মেসেজ বুঝতে পারেননি। আর রাখাইন রাজ্যের বাসিন্দারা মুসলিম। বাংলাদেশে যারা উদ্বাস্তু হয়ে আসছে তারা নির্যাতিত মুসলিম , নির্যাতনকারী রেঙ্গুনের উল্লিখিত ‘শাম ‘ আপনি শাম আর মুসলিম কে এক করে ফেলছেন আর সাধারণ মানুষকে তথ্য ধোকা দিয়ে বেড়াচ্ছেন।

    যেখানে আদম আছে সেখানে ইবলিশ আছে , যেখানে সিরাজ-উদ-দৌলা আছে সেখানে মীরজাফর আছে, যেখেনে মুজিব আছে যেখানে ডালিম, মুস্তাক, ইত্যাদি আছে। কিন্তু আমাদের এদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।

    Reply
  41. E A Bari

    I agree with most of the things you have said Dada. However, religion is a factor too in this crisis. One cannot deny that. Do you think if the Ruhinga populace were predominantly Christian or Hindu would have become victims in such a tragic way?

    Reply
  42. Pritm

    You are right brother but

    1. We have our own problems
    2. We can’t/won’t go to war against them(I wish we should),
    3. Myanmar will never take Rahingas back
    4. US-INDIA-CHINA will do nothing,
    5. Millions people can’t be supported forever and over time some of them will become beggers, prostitutes, criminals, low wage workers and create pressure on economy and society.

    What option do we have ??? Any suggestions ??? You are pointing out the problems, suggest some solution. You Blog people are good at pointing issues but never good at suggesting how to deal those issues.

    Let me tell you something bro, All the Govs. in the world are playing terrorist-terrorist game, they call you terrorist if they don’t like you, you know who is the biggest terrorist in any country, the Gov. Itself is Always the Biggest Terrorist with all the Law, Society. Economy, (sometimes Religion), Power of People and Military backing it.

    It’s just a Mafia War Everywhere, the biggest Mafia Gang wants to eliminate all its opposing Gangs. Be it political or religious or economic !

    Lastly remember “MIGHT IS JUST” , the argue for GOOD or EVIL has no room for JUSTICE. We are Weak, We Can’t Fight so What Outsider say we Accept it !

    Reply
  43. কে এম মহসীন

    মিয়ানমার বলতে চাচ্ছে যে, “রোহিঙ্গারা নিজেদের বাড়িতে, ফসলে নিজেরা অগুন দিয়ে, নিজেদের হত্যা নির্যাতন করে তারপর অনিশ্চিত/বিপদে ভরা পথ ধরে বাংলাদেশে পালিয়ে যায় (যেখানে তাদের কিছুই নেই)।”……. যারা এই কথা বিশ্বাস করে তাদের স্থান পাগলা গারদে। আর যারা এই কথা বলে তাদের স্থান তো ………………,,।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—