pexels-photo - 11000

১.

আগস্ট মাসটি মনে হয় সত্যিই বাংলাদেশের জন্যে অশুভ একটা মাস। কীভাবে কীভাবে জানি এই মাসটিতে শুধু মনখারাপ করা ঘটনা ঘটতে থাকে। দুঃসময় নিশ্চয়ই এক সময় কেটে যাবে। তারপরও যখন ঠিক এই সময়টির ভেতর দিয়ে যেতে হয় তখন মন খারাপ হয়ে যায়।

শুরু হয়েছে বন্যা দিয়ে। বিস্তীর্ণ এলাকা বন্যার পানিতে ডুবে গেল। মাঠে-ঘাটে পানি, স্কুলে পানি, বাড়ির ভেতর পানি। আমরা যারা পুরো সময়টা শুকনো মাটিতে কাটিয়েছি তারা নিশ্চয়ই কল্পনাও করতে পারি না পানিতে ডুবে যাওয়া এলাকায় দিনরাত চব্বিশ ঘণ্টা সময় কাটাতে কেমন লাগে। নিঃম্বাস বন্ধ করে বসে আছি কখন বন্যার পানি পুরোপুরি নেমে যাবে, দেশের মানুষ আবার আগের জীবনে ফিরে যাবে।

শুধু যে নদীর পানির ঢলে বন্যা হয়েছে তা নয়, ঢাকা শহরের অনেক জায়গা জলাবদ্ধতার কারণে পানিতে ডুবে আছে। মানুষজন সেই পানি ভেঙে যাতায়াত করছে, ধরেই নিয়েছে এটাই জীবন। যারা থাকে তারা গরিব মানুষ, সাধারণ মানুষ– তাই তাদের কণ্ঠস্বর খুব বেশিদূর যেতে পারে না। তারা মেনেই নিয়েছে এভাবেই বেঁচে থাকতে হবে।

প্রতি বছরই বন্যার একটা সময় আসে এবং প্রতি বছরই আমি এক ধরনের বিস্ময় নিয়ে চিন্তা করি কোনো একটি রহস্যময় কারণে আমাদের বাংলা ভাষায় ‘বন্যা’ শব্দটি কিন্তু নেতিবাচক নয়। যদি এটা নেতিবাচক শব্দ হত তাহলে আমাদের দেশের বাবা-মায়েরা কিন্তু তাদের মেয়েদের নাম কখনও বন্যা রাখতেন না! কখনও কোনো মানুষের নাম খরা, ভূমিকম্প বা ঘূর্ণিঝড় হতে দেখিনি। কিন্তু বন্যা নামটি যথেষ্ট জনপ্রিয় এবং মিষ্টি একটি নাম।

মনে হয় এই দেশের মানুষ বন্যার পানিতে বেঁচে থাকার পদ্ধতি বহু বছর থেকে জানে। ব্যাপারটি টের পাওয়া গেছে টেক্সাসের বন্যা দেখে। আমাদের দেশের পত্রপত্রিকার সাদা চামড়ার মানুষের জন্যে মায়া মনে হয় একটু বেশি। তাই দেশে বসে টেক্সাসের বন্যার খুঁটিনাটি আমরা জেনে গেছি। দেশটি যে এরকম দুর্যোগ সামলাতে পারে না সেটি খুবই স্পষ্ট। যে বিষয়টি আমার চোখে আলাদাভাবে পড়েছে সেটি হচ্ছে বন্যাকালীন কারফিউ। সেই দেশে বন্যার পানিতে ঘরবাড়ি ছেড়ে যাওয়ার পর মানুষজন বাড়িঘর লুট করতে শুরু করল এবং সেটা বন্ধ করার জন্যে কারফিউ জারি করতে হল।

বন্যার সময় আমাদের দেশে হাজারো রকমের সমস্যা হয়। কিন্তু বাড়িঘর রক্ষা করার জন্যে কারফিউ দিতে হয় সেটি কখনও শুনিনি।

আমেরিকার জন্যে এটি অবশ্যি নূতন কিছু নয়। একবার নিউ ইয়র্ক শহরে কয়েক ঘণ্টার জন্যে ব্ল্যাকআউট হয়েছিল। তখন পুরো শহর লুটপাট হয়ে গিয়েছিল। আমাদের দেশে ব্ল্যাকআউট নিত্তনৈমিত্তিক ঘটনা। ভাগ্যিস, আমরা এখনও আমেরিকান কায়দা-কানুনে দিন কাটাতে শিখিনি।

 

Flood - 11000
মনে হয় এই দেশের মানুষ বন্যার পানিতে বেঁচে থাকার পদ্ধতি বহু বছর থেকে জানে

 

২.

আগস্ট মাসের মনখারাপ করা বড় ঘটনাটি সবাই জানে। রূপা নামের একটা কলেজছাত্রীকে বাসের ভেতর ড্রাইভার, কন্ডাক্টর, হেল্পার সবাই মিলে গণধর্ষণ করে এক ধরনের পৈচাশিক নিষ্ঠুরতায় হত্যা করেছে। প্রথম যেদিন খবরটি পত্রিকায় বের হয়েছে আমি দেখেও না দেখার ভান করে চোখ সরিয়ে নিয়েছি। আমি দুর্বল প্রকৃতির মানুষ, এই ধরনের খবরগুলো আমি সহ্য করতে পারি না। তাই সেগুলো থেকে চোখ সরিয়ে নিয়ে নিজেকে রক্ষা করতে চাই। কিন্তু মানুষ উটপাখি নয় যে, বালুর ভেতর মুখ গুঁজে রাখলেই পৃথিবীর সব নিষ্ঠুরতা থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারবে। তাই ধীরে ধীর আমাকেও রূপা নামের এই অল্পবয়সী কলেজছাত্রীর ঘটনাটি জানতে হয়েছে।

ঘটনাটি জেনেছি, কিন্তু যারা ঘটনাটি ঘটিয়েছে তারা কেমন করে এ ধরনের একটি ঘটনা ঘটাতে পারে সেই বিষয়টি কোনোভাবেই বুঝতে পারি না। বিচ্ছিন্নভাবে একজন বা দুইজন মানুষ যারা বিকৃত এক ধরনের মানসিকতা নিয়ে মানসিক রোগী হিসেবে বড় হয়েছে, তারা কোনো ধরনের অপরাধবোধ ছাড়াই এ রকম ভয়ংকর ঘটনা ঘটাতে পারে, কিংবা ঘটিয়ে আনন্দ পায় সেটা আমরা জানি। কিন্তু একেবারেই পারিবারিক কয়েকজন মানুষ মিলে এই ধরনের নিষ্ঠুরতা করতে পারে সেটা আমি কিছুতেই বুঝাতে পারি না।

তবে কি আমাদের মেনে নিতে হবে এরকম ঘটনা সব সময় ঘটছে এবং যারা ঘটাচ্ছে তারা বেশিরভাগ সময়েই পার পেয়ে যাচ্ছে– তাই সমাজের এক শ্রেণির মানুষ এটাকে খুবই সহজ-স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে মেনে নিয়েছে? আমরা শুধুমাত্র একটি দুটি ঘটনার কথা জানি। তাই সমাজের আসল ছবিটি আমাদের চোখের আড়ালে রয়ে গেছে। যেগুলোর কথা পত্রপত্রিকায় আসে সেগুলোরও কি বিচার হয়? অপরাধী শাস্তি পায়?

এই দেশে অনেক বড় আলোড়িত ঘটনা ঘটছে। তনু হত্যাকাণ্ড ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে ঘটেছিল বলে কি কখনও তনুর হত্যাকারীর বিচার হবে না?

আমাদের ডিকশনারিতে গণধর্ষণ শব্দটি ছিল না (কী কুৎসিত একটি শব্দ, লিখতে গিয়ে কলম সরতে চায় না)। আমরা শুধু পাকিস্তানে এই ঘটনা ঘটার খবর পেতাম এবং শুনে হতবাক হয়ে যেতাম। কীভাবে কীভাবে জানি এই ঘটনাটি বাংলাদেশেও ঘটতে শুরু করেছে, এখন এটি একটি নিত্তনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।। দিল্লিতে একটা বাসের ভেতরে একটি মেয়েকে এভাবে ধর্ষণ করে হত্যা করেছিল। ঠিক তার পরপরই আমাদের দেশের বাসে এই ধরনের ঘটনা ঘটতে শুরু করল। নৃশংসতা কী অনুকরণ করতে হয়? এটা কি একটা শেখার বিষয়? মনোবিজ্ঞানীরা কি এটা নিয়ে গবেষণা করে বিষয়গুলো আমাদের বোঝাতে পারবেন?

আজকাল খবরের কাগজগুলো খোলা যায় না। মনে হয় পুরো খবরের কাগজটাই বুঝি ধর্ষণের খবর দিয়ে বোঝাই। ছাত্রলীগ কিংবা যুবলীগের নেতাদের ধর্ষণ, নানার নাতনিকে ধর্ষণ, ঈদের দিনে আনন্দোৎসবে ধর্ষণ, বান্ধবীকে ধর্ষণ, স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে ধর্ষণ, কমবয়সী শিশুকে ধর্ষণ– শুধুমাত্র খবরের শিরোনাম পড়েই একজন মানুষ অসুস্থ হয়ে যাবে।

আমি মনোবিজ্ঞান বা সমাজবিজ্ঞানের মানুষ নই। তাই বিচ্ছিন্ন একজন মানুষ বা একটি সমাজ কীভাবে অন্যায় করে কিংবা অন্যায় প্রতিহত করে সেটা জানি না। কিন্তু কিছু বিষয় সব সময়েই আমাকে বিভ্রান্ত করে এসেছে। আমি একবার এক মসজিদে ঈদের নামাজ পড়তে গিয়েছি। নামাজশেষে ইমাম দোয়া করতে করতে এক সময় বললেন, যারা সামিল হয়েছে তাদের সবার ‘গোনাহ্’ যেন ‘সওয়াবে’ পরিণত করে দেওয়া হয়।

আমি রীতিমতো চমকে উঠলাম। কারণ সত্যিই যদি একদিন শুধুমাত্র দোয়া করে জীবনের সব পাপ পূণ্যে পাল্টে দেওয়া যায়, তাহলে সেটা কি মানুষকে অন্যায় করতে প্রলুব্ধ করবে না? সারাজীবন খুন-জখম চুরি-চামারি অত্যাচার-অনাচার ধর্ষণ করে জীবনের শেষ প্রান্তে কোনো একটা প্রক্রিয়ায় যদি তার সব পাপ পূণ্যে পরিণত করে ফেলা যায় সেটি নিশ্চয়ই অনেক পূণ্যলাভের সবচেয়ে শর্টকাট পদ্ধতি।

ধর্মের এই ব্যাখ্যা সমাজের কত গভীরে কত ব্যাপকভাবে প্রবেশ করেছে আমি জানি না। সেটি এই দেশের মানুষের চিন্তা-ভাবনার জগৎ কীভাবে প্রভাবিত করেছে সে সম্পর্কেও আমার কোনো ধারণা নেই।

(আমি অবশ্যি পারিবারিকভাবে ধর্মের অনেক সুন্দর এবং মানবিক একটা ব্যাখ্যা শুনে বড় হয়েছি। আমি জেনে এসেছি প্রত্যেক মানুষের উপর খোদার একটা হক আছে এবং মানুষেরও একটা হক আছে। খোদার হক পালন না করলে, খোদার কাছে কান্নাকাটি করে মাপ চাইলে খোদা চাইলে মাপ করে দিতেও পারেন। কিন্তু মানুষের হক পালন না করলে সেই মানুষটি যতক্ষণ পর্যন্ত মাপ না করবে ততক্ষণ কোনো মুক্তি নেই। ধর্মের এই ব্যাখ্যাতে সারাজীবন পাপ করে শেষ বয়সে সব পাপকে পূণ্যে পাল্টে দেওয়া কিংবা পাপ মুছে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই!)

যারা রূপা মেয়েটির উপর এই নৃশংসা অত্যাচার করেছে তাদের সবাইকে ধরা হয়েছে। মানুষগুলোর বাবা-মায়েরাও তীব্র অপরাধবোধে ভুগছেন। বলেছেন, তাদের সত্যিকারের শাস্তি হওয়া উচিৎ। তাদের কী শাস্তি হবে আমরা জানি না। আইনের ফাঁক-ফোকর দিয়ে বের হয়ে যাবে কী না সেটাও আমরা জানি না। ছাত্রলীগের ছেলেরা প্রকাশ্যে টেলিভিশন ক্যামেরার সামনে বিশ্বজিতকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। তারপরও যারা ধরা পড়েছে তাদের ফাঁসির আদেশ মওকুফ হয়ে গেছে। কয়েক বছরের ভেতরেই তারা নিশ্চয়ই আরও বড় নেতা হিসেবে বের হয়ে আসবে!

কাজেই রূপার হত্যাকারী এই মানুষগুলোর ভবিষ্যৎ কী আমরা জানি না। জেল-হাজতে বসে বসে তারা কী ভাবে, তাদের বিবেক দংশন করে কী না কিংবা কোনো রকম অপরাধবোধে ভুগে কী না সে সম্পর্কে আমি কিছু জানি না, কিন্তু অনুমানও করতে পারি না। কিন্তু মৃত্যুর পূর্বমুহূর্তে রূপার মনে কী ভাবনা কাজ করেছিল, সেটি আমরা কল্পনা করতে পারি। কমবয়সী এই মেয়েটির বুকের ভেতর নিশ্চয়ই ছিল গভীর হতাশা এবং এই বিশাল পৃথিবীর উপর তীব্র অভিমান। এই দেশ, এই রাষ্ট্রযন্ত্র, এই সমাজ কোনো কিছু তাকে রক্ষা করতে পারল না! কী ভয়ংকর একটি কষ্টে আর যন্ত্রণা নিয়ে তাকে পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হল।

আমি সেই কষ্টটুকুর কথা কল্পনাও করতে পারি না।

৩.

 

Rohingya - 24100
এই রোহিঙ্গাদের মৃত্যুর উপত্যকায় ফিরিয়ে না দিয়ে মানবিক কারণে বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে দেখে আমি একটুখানি শান্তি পাচ্ছি

 

আগস্ট মাসের আরও একটি মনখারাপ করা ঘটনা হচ্ছে, আমাদের পাশের দেশ মায়ানমারে রোহিঙ্গাদের উপর অত্যাচার। রোহিঙ্গা চরমপন্থীরা পুলিশ মিলিটারি ক্যাম্প আক্রমণ করার পর তার প্রতিশোধ নেওয়া হচ্ছে সাধারণ রোহিঙ্গা মানুষদের উপর। বাংলাদেশে পাঁচ লক্ষ থেকে বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী হিসেবে এক দশক থেকে বেশি সময় ধরে বসবাস করছে। গত কয়েক দিনে রোহিঙ্গাদের উপর রীতিমতো গণহত্যা শুরু হওয়ার পর প্রায় দেড় লক্ষ রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচানোর জন্যে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে ছুটে এসেছে।

এটি অনেক বড় একটি ঘটনা। সারা পৃথিবীতে এটা নিয়ে তোলপাড় হচ্ছে। আমরা জানি এসব নিয়ে তোলপাড় হয়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কিছু হয় না। রোহিঙ্গাদের নিয়েও হইচই হবে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কেউ আর দায়িত্ব নেবে না– এই অসহায় মানুষগুলোকে অসহায়ভাবে এই দেশে মানবেতর জীবন কাটাতে হবে। একাত্তরের পর বিহারিরা পাকিস্তানের নাগরিক হিসেবে কত যুগ জেনেভা ক্যাম্পে কাটিয়ে দিয়েছে, মনে আছে?

এই রোহিঙ্গাদের মৃত্যুর উপত্যকায় ফিরিয়ে না দিয়ে মানবিক কারণে বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে দেখে আমি একটুখানি শান্তি পাচ্ছি। আমি কিছুতেই ১৯৭১এর ঘটনা ভুলতে পারি না। এই দেশের প্রায় এক কোটি মানুষ শরণার্থী হিসেবে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল। যদি ভারতবর্ষ তখন আমাদের আশ্রয় না দিত তাহলে আমাদের কী হত? ১৯৭১ সালে আগরতলার মোট জনসংখ্যা থেকে বাংলাদেশের শরণার্থীর সংখ্যা বেশি ছিল।

সেই কৃতজ্ঞতাবোধ থেকে মৃত্যুভয়ে কাতর অসহায় মানুষদের একটুখানি আশ্রয় দেওয়া অনেকখানি বড় কাজ। মানুষ হিসেবে অন্য মানুষদের জন্যে সেটা যদি না করি তাহলে কেমন করে হবে?

যে নোবেল কমিটি মায়নামারের জননেত্রী অং সান সুচিকে শান্তির জন্যে নোবেল পুরস্কার দিয়েছিলেন এখন তারা মাথা চাপড়াচ্ছেন কী না সেটি আমার খুব জানার ইচ্ছা করে।

ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল লেখক ও অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

৪০ Responses -- “কয়েকটি মনখারাপ করা ঘটনা”

  1. himukala

    There are 4% Muslims, 3% Christians and 2% Hindus in Myanmar. Why the majority Buddhists are only against Muslim Rohingas? And this problem is everywhere. Muslims need to be friendly and bring the majority into confidence and that will bring a true solution where all can live together in peace.

    Reply
  2. amidesh

    অধ্যাপক জাফর ইকবাল নিজেদের বিষয়েই ভুল বলেছেন। তিনি রোহিঙ্গাদের সাথে বাঙালীদের যে তুলনা দিয়েছেন সেটা শুধু ভুল নয় আমার চোখে অন্যায়।একজন অধ্যাপক যে কোন বিষয় বর্ননা করার সময় স্হান কাল পাত্র এবং অবশ্বই উদ্যেশ্ব সন্মন্ধে বললতে হয়। তিনি বলেছন –
    .
    এই রোহিঙ্গাদের মৃত্যুর উপত্যকায় ফিরিয়ে না দিয়ে মানবিক কারণে বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে দেখে আমি একটুখানি শান্তি পাচ্ছি। আমি কিছুতেই ১৯৭১এর ঘটনা ভুলতে পারি না। এই দেশের প্রায় এক কোটি মানুষ শরণার্থী হিসেবে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল। যদি ভারতবর্ষ তখন আমাদের আশ্রয় না দিত তাহলে আমাদের কী হত? ১৯৭১ সালে আগরতলার মোট জনসংখ্যা থেকে বাংলাদেশের শরণার্থীর সংখ্যা বেশি ছিল।
    .
    আমার কথা হলো – আমরা রিফুজি হয়েছিলাম দেশের স্বাধীনতার জন্য।আমরা কিশোর তরুন যুবক সহ সামর্থবানেরা যুদ্ধ করছিলাম। মহিলা শিশু বয়স্কদের ক্ষনিকের রিফুজি হতে হয়েছিলো।আমাদের উদ্যেশ্ব ছিলো
    দশ স্বাধীন করা ও ক্ষনিকের রিফুজি পরিবার বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা।কিন্তু রোহিঙ্গা রিফুজদের উদ্যেশ্বই হলো মিয়ানমার ত্যাগ করা এবং খুবসহজেই আঞ্চলিক ভাষাগত সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশের নাগরিক হওয়া অতপর সুযোগ বুঝে পৃথিবীতে ছরিয়ে পরা।তাই আমি বলতে চাচ্ছি রোহিঙ্গাদের সাথে নিজেদের তুলনা দেয়া ঠিক নয়।

    Reply
  3. MS. Khan

    সব কিছুই একটু আধটু পড়ি, মন ভারাক্রান্ত হয়, অন্তরে কষ্ট অনুভব করি, কিন্তু কোন সমাধানতো পাইনা। যারা সমাধান দিতে পারবেন তারাতো স্বার্থের মায়াজালে আবদ্ধ।

    Reply
  4. Sabidul Alam

    সকল জাগাতে মানবতার জয় হোক ! সবার উপরে মানুষ সত্য ! আমরা যেন প্রতিবাদী হই রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিরুদ্ধে শুধু মাত্র মুসলমান বলেই নয় , বরং মানুষ বলে I সেখানে মানবতার চরম হানি I আমরা যেন ভবিষ্যতে অন্য ধর্মের নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কথা ভুলে না যাই I

    Reply
    • কামাল পাশা

      আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে স্থায়ী বন্ধু বা শত্রু বলে কিছুই নেই। প্রত্যেক রাষ্ট্রের কাছেই তার জাতীয় স্বার্থ সবার আগে। চীন মায়ানমারের অকৃত্রিম বন্ধু। তাদের বন্ধুত্ব দীর্ঘদিনের। ধর্মীয় বিশ্বাসের দিক থেকেও তারা এক। তাছাড়া মায়ানমারে রয়েছে চীনের বিপুল বিনিয়োগ। সুতরাং বাংলাদেশ-মায়ানমার সমস্যার ক্ষেত্রে চীন মায়ানমারকেই সমর্থন দেবে এটা পরিষ্কার। কিন্তু ভারত? বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দল তো ভারতকে সবচেয়ে বড় বন্ধুরাষ্ট্র মনে করে। ভারতের সাথে আমাদের গোপন সামরিক চুক্তিও রয়েছে (যে চুক্তির ব্যাপারে দেশের জনগন কিছুই জানে না)। কিন্তু এতো বড় বন্ধু হয়েও ভারত এটা কী ধরনের আচরণ করলো? যে মুহূর্তে বাংলাদেশ একটি সংকটের মধ্যে পতিত হলো এমনকি মায়ামারের সাথে অনেকটা সংঘাতের পরিস্থতি তৈরি হলো সেসময়ে নরেন্দ্র মোদী মায়ানমারের সমালোচনা করা তো দূরের কথা উল্টা তিনি সুচির সাথে দেখা করতে গেলেন, একসাথে বসে সুরা পান করলেন, খোশগল্প করলেন কিন্তু রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে মুখটি পর্যন্ত খুললেন না। এটা বন্ধু হিসেবে বাংলাদেশের গালে চপেটাঘাতের মতোই।

      Reply
  5. সেলিম ইমরান

    স্যার,

    আপনি লিখেছেনঃ
    এই দেশে অনেক বড় আলোড়িত ঘটনা ঘটছে। তনু হত্যাকাণ্ড ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে ঘটেছিল বলে কি কখনও তনুর হত্যাকারীর বিচার হবে না?

    আমার উত্তরঃ
    হয়তো হবে, কারণ- বিডিআর বিদ্রোহে সেনাবাহিনীর যে ক্ষতি হয়েছিল তা অবর্ণনীয়। যারা জানেন নিরীহ আর্মি অফিসারদের মধ্যে কিছু দূর্নীতিবাজও ছিল – তারা বুঝতে পারেন কেনই বা এমন নৃশংস ঘটনা ঘটেছিল পিলখানায়। কারো কাম্য ছিল না – কিন্তু সত্য ঘটনা হচ্ছে একটা নৃশংস ঘটনা ঘটেছিল পিলখানায়। নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে। একটা কথা আছে দূর্ঘটনা ঘটে পাপের প্রায়শ্চিত্য হিসেবে। যাই হোক আমরা কেউ কামনা করিনা এমন কিছু হোক। তবে তনু হত্যার বিচার না হলে এই নির্মমতার প্রায়শ্চিত্য কোন একদিন হবে, হয়তো আমরা জানিনা তা কিভাবে হবে !!!

    Reply
  6. কামাল পাশা

    যে বাবা তার সন্তানকে পুড়তে দেথেছে, যে স্বামী তার স্ত্রীকে ধর্ষিত হতে দেখেছে, যে সন্তান তার বাবা মাকে জীবন্ত পুড়তে দেখেছে সে যখন দেখল বিশ্ব মোড়লরা উল্টো সাধারণ রোহিঙ্গাদেরই সন্ত্রাসী বলছে তখন সে জঙ্গী হলো নাকি অন্য কিছু হলো এসব নিয়ে বিবিসির ভুয়া খবর পরিবেশনের দরকার নেই।

    Reply
  7. আকবরঊদ্দিন

    ভারত বাংলাদেশকে সমর্থন করবে না কারন ভারতের সেভেন সিস্টারের সিমান্ত ঘেষা হচ্ছে চিন ও মায়ানমার এমনিতেই নাগালেন্ড মিজোরাম ত্রিপুরা সহ প্রতিটা রাজ্যেই বিদ্রহ লেগেই থাকে যা পুজি করে চিন নর্থইস্টকে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করে নিতে পারে.সে জন্য ভারত মায়ানমারকে সমর্থন দিবে বাংলাদেশের বিপক্ষ হবে.

    Reply
  8. আকবরঊদ্দিন

    মায়ানমারে মুসলমানদের ওপর চাপিয়ে দেয়া গণহত্যা জায়েজ করতে রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী ও জঙ্গি হিসাবে প্রমানে অান্তর্জাতিক চক্রান্ত শুরু হয়েছে।

    Reply
  9. আকবরঊদ্দিন

    এভাবেই তোমরা পশ্চিমারা রোহিঙ্গা তথা পুরো মুসলিম বিশ্বের অধিকার আন্দোলনে কালিমা লিপ্ত করছ।হোক সেটা রোহিঙ্গা, হোক সেটা কাশ্মীর অথবা ফিলিস্তিন। আর কিছু তথাকথিত মুস্লিম লিডার তাদের গদি রক্ষার্থে এসব দুশমনের তোষামোদি করে চলছে!

    Reply
  10. Badrul Alam Chowdhury

    পাকিস্তান আমাদের জনগণের উপর হামলা চালিয়েছিল, বীর বাংগালি মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে তাদেরকে প্রতিহত করে এ দেশ স্বাধীন করেছিল। আজ আরাকানের মানুষ সরকারিভাবে নির্যাতিত, সুতরাং তাদেরও অধিকার আছে সে দেশের সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার। আর এ ধরণের মুক্তিযুদ্ধকে বাংলাদেশের মানুষ সবসময়ই সাপোর্ট করে এবং করবে ইনশাআল্লাহ। কারণ আমরাও এমন পরিস্থিতির শিকার হয়েছিলাম তাই আমরা সকল মুক্তিকামী মানুষের ভাষা বুঝি।

    Reply
  11. রহমান লিমন

    বিবিসি বাংলা দিনদিন একটা ফালতু মিডিয়ায় পরিণত হচ্ছে,মুসলমানরা নির্যাতনের মুখে কোন পতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলে,তাদেরকে জিহাদি জঙ্গি ও সন্ত্রাসীর কালিমা লিপন করে বিশ্ব দরবারে মুসলমানদের ভাবমূর্তি কুণ্ন করে।

    Reply
  12. রহমান লিমন

    এখন যদি বাংলাদেশের যেসব বৌদ্ধ আছে তাদের একটু খোঁচা দিয়ে দেখেন, সারা পৃথিবী খেপে যাবে। আমার মনে হয় সামান্য খোঁচা দিয়ে টেস্ট করলে মিয়ানমারে গণহত্যা বন্ধ হবে। ভারতীয় নিউজে রোহিঙ্গাদের নামে জঙ্গি রোহিঙ্গা প্রচারণা করা হয়। বৌদ্ধ হিন্দু ইহুদী যদি একাত্র হতে পারে, মুসলিম রাষ্ট্রের মুরুব্বীরা একাত্র হতে পারবেনা কেন!?

    Reply
    • স্বাধীন

      আপনার মন্তব্য সাম্প্রদায়িক আক্রমনের সামিল। আপনার আর মায়ানমারের বৌদ্ধদের মধ্যে পার্থক্য কি? সিরিয়া, লিবিয়া সহ অনেক মুসলিম রাষ্ট্রের পরিনতির জন্য আপনার মত লোকের মনমানসিকতাই দায়ী।

      Reply
  13. সাঈফ রফিক

    রোহিঙ্গারা মুসলিম বলেই বিশ্ব অন্ধ। অন্য কোন ধর্মের অনুসারী হলে মায়ানমার এখন বিধ্বস্ত নগরীতে পরিণত হতো।

    Reply
  14. সুজন চক্রবর্তী

    মোদি সরকার মিয়ানমারে গিয়ে সব বিষয় আলোচনা করতে পারল কিন্ত রোহিঙ্গাদের বিষয় কিছুই বললো না কেন?? আমি একজন ভারতি হিসেবে এর তৃব্রনিন্দা জানাই

    Reply
  15. জাভেদ হুসেন

    পশ্চিম কখনোই তেল-গ্যাসের বিরুদ্ধে যায় নি। এবারও যাবে না। মায়ানমারের পেছনে সরবে বা নীরবে থাকার জন্য যথেষ্ট উপকরণ রয়েছে। আর দুর্বল ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বাংলাদেশের সমর্থনে কেন তারা থাকবে? তারা পররাষ্ট্র নীতি অনুযায়ী চলে। আমরা তো চলি পার্টি লিডারের হুইম অনুযায়ী। গণহত্যায় অন্তত একটি নোবেল পুরষ্কার প্রবর্তনের সুযোগতো রয়েছে, সুচিকে আরো একটি পুরষ্কার দিয়ে নোবেল কমিটি প্রমান করতে পারে তারা শান্তির পাশাপাশি গণহত্যায়ও পুরষ্কার দেয়!
    পাদটীকা-বৌদ্ধ ভিক্ষুগণ সদা প্রচার করে থাকেন “অহিংসা পরম ধর্ম।” “জীব হত্যা মহাপাপ!” বস্তুতপক্ষে, কোনো ধর্মই এতোটা নির্দয় নয়, নির্দয় যতোটা ধার্মিক পদবাচ্যগণ আর কতকাল এভাবে চলবে।।।।।।

    Reply
  16. নেওয়াজ

    আগে তারা মানুষ, তার পর ধর্ম। কোন ধর্মেই মানুষকে এইভাবে নৃশংসমূলক হত্যাকাণ্ডের কোন অধিকার দেওয়া হয় নাই😡😡 জাত-ধর্মের বিচার বাদ দিয়ে এই নষ্ট মহিলা মানুষ মারার হত্যাকাণ্ডে লিপ্ত রয়েছে । ধিক্কার জানাই ইন্ডিয়াকে এই হত্যাকাণ্ডের সমর্থন জানানোর জন্য । সূচীর বিচার হওয়া দরকার😡 অশান্তিতে নোবেল দেয়া হোক😡

    Reply
  17. নেওয়াজ

    সেনাবাহিনীর উপর সু চির সামান্যতম নিয়ন্ত্রন নেই, গনতন্ত্র ও মানবাধিকারের স্বপক্ষে তার পূর্বেকার ভুমিকা লোকদেখানো অভিনয়। রাষ্ট্র ক্ষমতায় উত্তোরনের কৌশলমাত্র। সু চি ব্যক্তিত্বহীন, একরোখা এবং মিথ্যাচারী। তার ব্যাক্তিক উদ্দেশ্য সাধন হয়েছে বলে স্বরূপে আবির্ভুত হয়েছ। অথবা সু চি সেনাবাহিনীর হাতের পুতুল। জেনারেলদের ভয়ে জীবন বাঁচাতে আপোষের পথ বেছে নিয়েছে। সু চি নোবেল শান্তির অমর্যাদা করেছে।

    Reply
  18. লোকনাথ ব্রম্মচারী

    মিঃ এসকে সিতেশ (SK Shitesh) , আমি হিন্দু হয়েও এই রকম চিন্তা করলাম না, আর আপনি রোহিঙ্গ্যা দের সন্ত্রাসী বানিয়ে দিলেন। অং সান সূচি এর মত কথা বললেন। যেখানে আমরা সংখ্যালঘু হিন্দুরা নিজেরাই সাম্প্রদায়িক সেখানে সংখ্যাগুরু মুসলিমদের সাম্প্রদায়িক বলা মানে ফায়দা লুটা।

    Reply
  19. SK Shitesh

    রোহিঙ্গাদের নিয়ে চিন্তার বিষয়ও আছে স্যর, কারণ তারা জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পরে আমাদেরই ক্ষতি করতে পারে।

    Reply
  20. Shakir

    >আমি অবশ্যি পারিবারিকভাবে ধর্মের অনেক সুন্দর এবং মানবিক একটা ব্যাখ্যা শুনে বড় হয়েছি। আমি জেনে এসেছি প্রত্যেক মানুষের উপর খোদার একটা হক আছে এবং মানুষেরও একটা হক আছে। খোদার হক পালন না করলে, খোদার কাছে কান্নাকাটি করে মাপ চাইলে খোদা চাইলে মাপ করে দিতেও পারেন। কিন্তু মানুষের হক পালন না করলে সেই মানুষটি যতক্ষণ পর্যন্ত মাপ না করবে ততক্ষণ কোনো মুক্তি নেই। ধর্মের এই ব্যাখ্যাতে সারাজীবন পাপ করে শেষ বয়সে সব পাপকে পূণ্যে পাল্টে দেওয়া কিংবা পাপ মুছে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই

    এটাই ১০০ ভাগ সঠিক ব্যাখ্যা। খোদার হক আর মানুষের হক দুটোই ইসলামের অবিচ্ছেদ্য অংশ। একটা বাদ দিয়ে অন্যটা করার কোনো সুযোগ নেই। আফসোস যে বর্তমানে বেশিরভাগ মুসলিম এটা জানে না বা জানলেও পাত্তা দেয় না।

    Reply
  21. বাংলাদেশী

    স্যার, উটপাখির মত মাথা গুঁজে রাখতে পারলেও বাঁচা যেত, নিজের বিবেকের কাছে কিছু প্রশ্নের উত্তর কম দিতে হত। কিন্তু তার তো উপায় নেই, প্রতিদিন এক বিডিনিউজেই যত অন্যায় অপরাধের খবর দেখি, তাতে বিবেক বলে আমাদের আদৌ কিছু বাকি আছে কিনা সন্দেহ হয়। নিজের চারপাশে অনেক কিছুই ঘটতে দেখি, কিন্তু কিছু বলার বা করার সাহস হয় না। মন-মানসিকতা দিনদিন কেমন যেন ভাবলেশহীন হয়ে যাচ্ছে। আজকাল জোম্বি নিয়ে অনেক ভিডিও গেইম বের হয়েছে, বেশ জনপ্রিয়। আমাদের অবস্হাও জোম্বির মতই মনে হয়।

    Reply
  22. সৈকত

    মিয়ানমারের রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা যদি চরমপন্থী হয়,তাহলে সেই সংগা অনুসারে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারাও সন্ত্রাসী হয়.. এক্সট্রিমিস্ট বৈাদ্ধ সন্ত্রাসীরা প্রতিদিন রোহিঙ্গা মহিলাদের গনধর্ষন করবে,তাদের জবাইকরবে,আর পুরুষরা কি বসে বসে আপনার মত দেখবে.. আর এসবের প্রতিবাদ করলেই চরমপন্থী, ভাগ্যিস ১৯৭১ সালের যুদ্ধে ভারতের আপনার মত বুদ্ধিজীবীরা ও হলুদ মিডিয়ারা মুক্তিবাহিনীকে সন্ত্রাসী বলেনি, নইলে এতদিন আগরতলার কোন শরণার্থী ক্যাম্পে মুদির দোকান নিয়ে বসতেন… জীব হত্যা মহাপাপ কিন্তু রোগিঙ্গা হত্যা পুন্য..

    Reply
    • সেলিম ইমরান

      জনাব সৈকত, আপনি কোথায় পেলেন জাফর স্যার রোহিঙ্গা হত্যা সমর্থন করেছেন ?
      দয়া করে কোট করুন।
      আমি জানিনা বিডিনিউজ কেন সৈকত সাহেবদের এমন জঘন্য মিথ্যা কথা পাবলিশ করে ?

      Reply
      • সৈকত

        জনাব সেলিম সাহেব আপনে কি মন দিয়ে কমেন্টি পড়েছেন জানিনা.. আমি বলব আরেকবার পড়ুন.. আমি কই লিখেছি যে জাফর ইকবাল রোগিঙ্গা হত্যা সমর্থন করে, উনি তো ডাইরেক্ট ই বলেছেন যে রোহিঙ্গা বিদ্রাহীরা চরমপন্থি…. তাহলে কি দাড়ায়. একজন শিশু তার চোখের সামনে আপন বাবাকে হত্যা হতে দেখবে, একজন স্বামী তার চোখের সামনে তার স্ত্রীকে ধর্ষিত হতে দেখবে আর এর প্রতিবাদ করলেই চরমপন্থী,সন্ত্রাসী….. ব্যাখ্যা করুন…
        আগে চোখ দিয়ে লেখা পড়তে শিখুন,অযথা কাউকে মিথ্যাবাদী অপবাদ দিতে আসবেন না..

  23. Mahmudul Alam

    স্যার, শিরোনাম “মনখারাপ করা কয়েকটি ঘটনা” হলে কেমন হয়? মানে “কয়েকটি” শব্দটি ‘মনখারাপ’- এর আগে না দিয়ে ‘ঘটনা’র আগে দিলে?

    Reply
  24. Helal Ahmad

    সত্যিই রূপার ধর্ষণ-হত্যাকাণ্ড, রোহিঙ্গা সঙ্কট আর বন্যাজনিত দুর্যোগ মন খারাপের ই কারন।

    Reply
  25. সরকার জাবেদ ইকবাল

    স্যার, সংবাদ মাধ্যমগুলোতে প্রচারিত দু’একটি ঘটনা দেখেই চোখ বন্ধ করতে চান? তাহলে লোকচক্ষুর আড়ালে প্রতিদিন ঘরে ঘরে যেসব ঘটনা ঘটে চলেছে সেগুলো জানতে পারলে কি করতেন (বিশেষত শিশু ও নারী গৃহকর্মীদের সঙ্গে)? হয়তোবা অনেক আগেই সুইসাইড করতেন।

    Reply
  26. shahriaf

    “সেই কৃতজ্ঞতাবোধ থেকে মৃত্যুভয়ে কাতর অসহায় মানুষদের একটুখানি আশ্রয় দেওয়া অনেকখানি বড় কাজ। মানুষ হিসেবে অন্য মানুষদের জন্যে সেটা যদি না করি তাহলে কেমন করে হবে?”। অসম্ভবরকমের বাস্তব একটা লিখা । ছাত্র রাজনীতি যে কতটা অপ্রয়োজনীয় আর কতটা বিভৎস তা যারা কাছ থেকে দেখেছে শুধু তারাই জানে, সারাদিন সিগারেট রাত হলে ইয়াবা আর গাঁজা। দলগুলা ফায়দা নেবার জন্য শুধু শুধু ছাত্র গুলার জীবন আর ক্যাম্পাসে সাধারণ ছাত্রদের স্বাভাবিক চালচলন নষ্ট করছে।

    Reply
  27. Hossen Tarek

    শিক্ষা ব্যবস্থার সবচেয়ে দুর্বল তম বিষয় এবং জাতি ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস এবং পরীক্ষার হলে উত্তর সমাধান করে দেওয়া। সবাই এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ চায়। এর জন্য সরকারের সদিচ্ছার প্রয়োজন।

    Reply
  28. ফারুক প্রধান

    স্যার ছাত্রলীগকে আপনাদের মত কিছু বুদ্ধিজীবিরা ফ্রাঙ্কেনস্টাইন করে তুলেছেন নিজের সুবিধার জন্যে। এখন তারা “নারায়ে তাকবীর” নয় “জয় বাংলা” বাংলা বলেই যাবতীয় পাপ কাজে ঝাঁপিয়ে পরে। দুঃখজনক। আবার কিছু হলেই আওয়ামীলীগ বলে ছাত্রলীগ না, শিবিরের ছেলে ছাত্রলীগে ঢুকে পড়েছে। বাহ্ বাহ্ কি সুন্দর যুক্তি। বিশ্বজিৎ হত্যার বিচার থেকেই বুঝা যায়, খুন করেও রেহাই পাওয়া যায়।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—