pexels-photo (Woman) - 111

পবিত্র ঈদের দিন সকালের ঘটনা। মেয়েটার মা পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। সে সারারাত মায়ের সেবা করে হাসপাতাল থেকে দশমিনায় বাসায় ফিরছিল। ভাড়ায় চালিত এক মোটরসাইকেলে উঠেছিল। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মোটরসাইকেলটি মিলঘড় এলাকার বটতলার সানু মৃধার বাড়ির কাছে পৌঁছালে ৪ দুর্বৃত্ত চলন্ত মোটরসাইকেলের গতি রোধ করে ড্রাইভারকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পাঠিয়ে দেয় এবং মেয়েটির মুখ চেপে কাছেই একটি পরিত্যক্ত ভিটায় নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পাঠক, আবারও ভালো করে পড়ুন, পবিত্র ঈদের দিন সকালে এ ঘটনা ঘটেছে যখন বিশ্বাসী মুসলমান ঈদের জামাত ও কোরবানি নিয়ে ব্যস্ত থাকেন!

যখন বনানীর রেইনট্রি হোটেলে জন্মদিনের দাওয়াতের নাম করে একটি মেয়েকে ধর্ষণ করা হল তখনও শুনেছি, মেয়েটারই দোষ, রাতবিরেতে বেরোয় কেন? রংপুর থেকে ফেরার পথে রূপা নামে যে মেয়েটিকে চলন্ত বাসে ধর্ষণ করা হল, সেখানেও এক কথা– নিজের নিরাপত্তার কথা নিজেকেই ভাবতে হয়। বিপদের আশঙ্কা আছে জেনেও মেয়েটা একা বাসে গেল কেন? থার্টি ফাস্ট নাইটে বাঁধন নামক মেয়েটির ওপর যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে কিছু পুরুষ হামলে পড়েছিল তখনও শুনেছি, মেয়েরা কেন মধ্যরাতে আমোদ করতে যাবে! পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে দিনেদুপুরে টিএসএসসিতে যখন মেয়েরা নাজেহাল হল তখনও সাবধানীরা যুক্তি দিয়েছে, দিনকাল খারাপ, মেয়েদের একটু সমঝে চলা দরকার!

সবখানে একই যুক্তি, একই কথা– মেয়েদেরই দোষ। ওরা পর্দা করে না। ‘উগ্র’ পোশাক পরে। ‘উচ্ছৃঙ্খল’ চলাফেরা করে। ধর্ম মানে না। আদব মানে না। তাই ওরা পুরুষদের লালসার শিকার হয়। এসব ব্যাপার নিয়ে অনেকের সঙ্গেই তর্ক হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কেউ পুরুষের তেমন কোনো দোষ খুঁজে পায় না। সব আলোচনার শেষ কথা হল– দোষ মেয়েদেরই! কেউ একজন তো উত্তেজিত হয়ে বলেছিলেন, সুন্দরবনের জঙ্গলে তুমি শিস দিয়ে ঘুরবে আর বাঘে ধরলে বলবে বাঘের চরিত্র খারাপ!

এসব দেখেশুনে মনে হয় আমরা চিন্তা-চেতনায় ক্রমেই যেন ছয়শ বছর আগে ফিরে যাচ্ছি! সবচেয়ে বেশি বিতর্ক হয়েছিল বনানীর রেইনট্রি হোটেলের ঘটনাটির পর। আমার ‘শিক্ষিত’ বন্ধুরা পর্যন্ত রুষ্ট গলায় বলেছে, মেয়েটি অত রাতে হোটেলে যাবে কেন? তার বাপ-মাই-বা কেন তাকে রাতের বেলা পার্টিতে যেতে দিয়েছিলেন? অত্যন্ত সঙ্গত প্রশ্ন। এসব ক্ষেত্রে যুক্তিবুদ্ধি লোপ পেয়ে যায়। মাথা কাজ করে না। তখন মনে হয়, ‘নারীবিরোধী’ মানুষগুলোই ঠিক কথা বলছেন।

হিটলার না-হয় ইহুদিদের সাবাড় করেছেন, ইহুদিরা কি তাদের কাজেকর্মে হিটলারকে প্ররোচিত করেনি? বনানীকাণ্ডের সেই শিক্ষার্থী কিংবা টাঙ্গাইলে চলন্তবাসে ধর্ষণের শিকার হওয়া মেয়েটি, কিংবা দশমিনার সেই হতভাগী কি জানত না, সমাজে থাকতে গেলে নিজের সম্মান বাঁচিয়ে, সরে-সরে, এড়িয়ে চলতে হয়? সে শেখেনি, বুক-মুখ লুকিয়ে চোখ নিচু করে সমাজে চলতে হয়? মেয়ে হয়ে ঘুরবে ফিরবে আর পুরুষগুলোর মনে কাম-লালসা জাগবে না? বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষের যুক্তি-চেতনা-আচরণ বর্তমানে এই স্তরে এসে ঠেকেছে।

মেয়েদের পোশাক নিয়ে আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষেরই রয়েছে ব্যাপক আপত্তি। মেয়েদের মিনিস্কার্ট-জিন্স-মোবাইল-ফেসবুক নিয়ে সুদৃঢ় আপত্তি জানান শিক্ষিত মানুষজন পর্যন্ত। তাদের ভাষায়: সারাক্ষণ বেলেল্লাপনা করে বেড়াবে, ছেলেদের সঙ্গে ঢলাঢলি করবে, উত্তেজনা উসকে দেবে, তারপর সে ঝাঁপিয়ে পড়লে ‘নারীবাদী’ যুক্তি দিয়ে সাফাই গাইবে, এ তো সততার অপমান।

সাধারণ লোকও এখন দেখি শিক্ষিত-আধুনিক মেয়েকে চড় কষানোর পক্ষে। জীবনে যত অধর্ম, ঘুষ-দুর্নীতি-মেয়েদের প্রতি কামার্ত মনোভাব পোষণ করুক না কেন, মেয়েদের প্রসঙ্গ এলেই সবাই ‘ধার্মিক’ বনে যায়। এ ক্ষেত্রে ধর্ম হল, হিজাব এবং ঘরে বসে থাকা। মেয়েদের কাজ হল, ঘরের কাজ করা, পরিবারের লোকজনের সেবা করা।

 

pexels-photo (Woman) - 222
সে শেখেনি, বুক-মুখ লুকিয়ে চোখ নিচু করে সমাজে চলতে হয়?

 

তাদের যুক্তিমতে, যে মেয়েরা নিজের সমীচীন-ধর্ম ভুলে, আধুনিকতার নামে বাইরে চলাফেরা করে, পছন্দের পোশাক পরে, তারা যেন নম্রতার, লাজুকতার বিরুদ্ধে একটা জেহাদ নিয়ে এসেছে। বিপদ যেন শুধু এদেরই হয়। যে মেয়েরা বিকেল পাঁচটার মধ্যে বাড়ি ফিরে এসেছে, যে মেয়েরা দলবেঁধে কলেজ যাচ্ছে ও দলবেঁধে ফিরছে (এবং দলে ছেলে ঢুকতে দেয়নি), যারা চুপচাপ সন্ধে থেকে ঘরে বসে টিভি দেখছে, তারা কি ধর্ষণের শিকার হচ্ছে না? পরিবারের সদস্যদের হাতেই কি একজন নারী নিরাপদ? ঘরে? শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে? যে দেশে শিশুদেরও ধর্ষণ করা হয়, সে দেশে এসব যুক্তি কি অপযুক্তি নয়?

কেউ বলছে, নিজেকে রক্ষার কৌশলগুলো তুমি নিজে বুঝে নেবে না? কেউ তর্ক করছে, প্রশাসন কেন মেয়েদের রক্ষা করবে? আরে, তুমি প্রত্যহ দেশের ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি কলা দেখাবে, কিছুতে ঘরোয়া-সুশীলা হবে না, আর বিপদে পড়লে অমনি দেশের প্রশাসনের শরণ নেবে? এটা হয় নাকি? কেউ বলছে, ছেলেরা কেন নিজেদের সংযত করবে না? আত্মসংবরণের দায় কেন তাদের নেই?

এমন এক আলোচনায় একজন সরকারি চাকুরের মুখে শুনেছিলাম আরও আজব কথা। তার ভাষায়: “কী মুশকিল, এ তো ছেলেদের শরীরধর্ম। তার হরমোন নিঃসরণ তো তার হাতে নেই। কোনো ছেলেই ইচ্ছে করে ধর্ষণ করে না। আপ্রাণ চেষ্টা করে না-করার। কিন্তু ডায়েটিংএর প্রতিজ্ঞা শেষ অবধি কজন রাখতে পারে? কজন সামনে রগরগে ফুচকা দেখেও মুখ নিচু করে তেত্তিরিশের নামতা জপতে পারে?”

পাল্টা বলেছিলাম: “মেয়েরা কি ফুচকা? ভোগ্যবস্তু? সেক্স অবজেক্ট?”

তার উত্তর: “আলবাত। ভোগ্যবস্তু বলেই তো তাদের নিয়ে রাশি রাশি গান, কোটি কোটি ক্যানভাসে ভাস্কর্যে তাদের নগ্নতা ডিটেলসহ ঝলমল, সাহিত্যে ফিল্মে তাদের রূপের উন্মোচন, স্তব। কালিদাসেও তাই, পর্নোগ্রাফিতেও। সামান্য শিল্পবোধ থাকলেই বোঝা যায়, মেয়েরা ভোগ্য, তাই এক্সট্রা ছোঁকছোঁকের যোগ্য।”

এসব শুনে শুনে নিজেরও মত একটু একটু করে পাল্টে যাচ্ছে। আসলেই মেয়েরা আর ছেলেরা সমান নয়। সাম্য একটা অনুচিত ধারণা। দুনিয়াকে শক্তি দেখিয়ে অধিকার করা দিগ্বিজয়ী পুরুষ। আর ন্যাকা, অবগুণ্ঠিত, চব্বিশ বাই সাত ধর্ষণের ভয়ে কাঁপতে থাকা নারী সমান? সোজা কথা, মেয়েরা দেহে আনফিট– মনে কাঁদুনে– আর রূপের পুঁটুলি ভোগের রসগোল্লা। তাই তাদের নিরাপত্তার জন্যেই, সস্নেহ উদ্বেগে, ছলছল মমতায়, ছেলেরা তাদের ঘরের মধ্যে ঠুসে দিয়েছে। দিয়েছে বলেই এ দেশ এত জন অসামান্য সন্তান পেয়েছে। কারণ তাদের মায়েরা, সন্তানদের আয়ার ঘাড়ে ফেলে ড্যাংডেঙিয়ে অফিস করতে বেরিয়ে পড়েনি। সন্ধেয় বাড়ি ফিরে ছেলের হাতে একটা চিপস আর আর দুটো চুমু দিয়ে মোবাইল-ফেসবুক নিয়ে বসেনি। তারা সারা দিন বাড়িতে থেকে, প্রাণ দিয়ে বাচ্চা মানুষ করেছে। এই দায়িত্ব পেয়ে রোমে রোমে অনুভব করেছে, তারা মায়ের জাত।

অকল্পনীয় মহান দেশ এই বাংলাদেশ, যা কতকগুলো ভোগ্যবস্তুকে অলৌকিক সম্মান দিয়েছে, বেদি গড়ে তার ওপর তাদের প্রতিষ্ঠা করেছে। মেয়েরা অবশ্যই স্বামীর সঙ্গে রাত্রিবিলাসে অনাগ্রহী হলে তাদের কিলিয়ে কাঁঠাল পাকানো হবে, কিন্তু তারপরই ফের তাদের ঘেঁটি ধরে বেদিতে চড়িয়ে দেওয়া হবে। কারণ বাচ্চার ভিজে কাঁথা পরিষ্কার করবে দেবীর জাত, মায়ের জাত। তাই পুরুষরা যদি-বা বখে যেতে পারে, অলস হতে পারে, শরীর খারাপ হতে পারে, নারীদের তা হওয়া চলবে না। কারণ তারা সন্তান গড়ে তুলবে। সমাজের সেরা মূল্যবোধগুলো ভাবী নাগরিকদের মধ্যে বুনে দেবে। সন্তান যদি দেখে মা বাইরে কাজ করে অসময়ে বাড়ি ফিরছে, তাহলে সেই সন্তান সুকুমার বৃত্তি আয়ত্ত করবে কীভাবে, কার কাছে?

মেয়েদের প্রতি এই অশেষ শ্রদ্ধার জন্যই তাদের কাছে আমাদের পুরুষেরা মহাকাব্যিক আত্মনিয়ন্ত্রণ, আত্মশৃঙ্খলা দাবি করে। শিক্ষক যেমন মদ খেয়ে ক্লাসে পড়াতে পারেন না, নারীও তেমন নিজের আনন্দে অগ্রাধিকার দিয়ে জীবনযাপন করতে পারে না। তাকে নিজেকে বঞ্চিত করে যেতে হবে ক্রমাগত, যাতে এক কণা পাপ, এক ছটাক কালিও তার চরিত্রে না লাগতে পারে। সন্তান যখন দেখবে নিরন্তর আত্মত্যাগের মধ্যে দিয়ে মা-খালা-ফুফু-চাচী-আন্টি হয়ে উঠছেন শুদ্ধ ও স্বেচ্ছা-অবরুদ্ধ, তাঁরা স্বাধীনতার আলোর দিকে মথের মতো ফড়ফড়িয়ে ধাবিত হচ্ছেন না, তখনই তার মাথা এঁদের প্রতি শ্রদ্ধায় নুয়ে আসবে।

অধিকার আর স্বাধীনতা দিয়ে কী হবে? রাস্তায় বেরিয়ে কী হবে? আয়-রোজগার-উপার্জন দিয়ে কী হবে? বিপদ বাড়বে। মেয়েদের না-খেয়ে থাকার, সংযমের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। তাহলে নিজের ঘরে, নিজের সংসারে, চার দেওয়ালের মধ্যে, স্বামী সন্তান নিয়ে, অনেক মর্যাদা শান্তি ও নিরাপত্তায় বাঁচা যাবে। দেশের কাণ্ডারীরা এই বাংলাদেশই গড়ে তুলতে চান। শান্তির নীড়। তাতে কেন ধরবে চিড়?

মনে রাখতে হবে, নূতন বাংলাদেশকে হয়ে উঠতে হবে প্রাচীন বাংলাদেশ। কারণ সেই বাংলাদেশেই ছিল রাক্ষস-খোক্কস, পান্তাবুড়ি, ডাইনি বুড়ি, পক্ষীরাজ ঘোড়া, বন-জঙ্গল। যেখানে আর কিছু ছিল না ছিল, শুধু শান্তি আর শান্তি! ভূত-পরী-দেও-দানবের দুনিয়ায় আমরা প্রত্যাবর্তন করতে চাই। মোবাইল ছু৭ড়ে ফেলে দিয়ে সুর করে আমরা কেবলই ধর্মীয় সঙ্গীত গাইব। সেই সঙ্গীত শুনে মেয়েরা-মোয়েরা অন্তপুর থেকে কেবল চোখ মুছবেন। একটু-আধটু পরিবর্তন করে সেই মধ্যযুগ ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব নিয়েছেন আমাদের হর্তাকর্তাবিধাতা পুরুষকুল। সেই যুগে প্রবেশ করলে নারীবাদও আর থাকবে না, নারীবাদীরা ট্যাঁ-টুঁ করে পুরুষকুলের জ্বালা বাড়াবে না।

এখন অপেক্ষা কেবল সেই সুদিনের!

চিররঞ্জন সরকারকলামিস্ট।

৫৩ Responses -- “মানলাম দোষটা মেয়েদেরই!”

  1. sultana razia

    সুলতানা রাজিয়া,
    স্বাধীনতা কী? কিভাবে একজন মানুষ পূর্ণ স্বাধীনতা পায়?সেটা কিভাবে ভোগ করতে হয়? ধর্ম কি মানুষকে শৃংখলিত করেছে? কিভাবে? এই প্রশ্নগুলো সব সময় আমার মাথায় ঘুরপাক খায়। ছোটবেলায় একটি গল্পে পড়েছিলাম,একদিন মা বাড়ি থেকে বাইরে বের হবার সময় ছেলেকে বললেন ,ঘরে দুটো আম রাখা আছে ,একটা যেন সে খায় আরেকটা যেন তাদের কাজের মেয়ে পুটুকে দেয়। একসময় ছেলেটির খিদে পায় সে ঘরে রাখা আম দুটো হাতে নেয় । কিন্তু সে দেখতে পায় ওগুলোর একটি ভালো অপরটি একটু পচে গেছে। সে ভাবলো পচা আমটিই নাহয় পুটুকে দেয়া যাক। ঐ মুহূর্তে তার আবার স্কুলের শিক্ষকের কথা মনে পড়ে, যিনি বলেছিলেন “স্বাধীনতা মানে যা ইচ্ছা তা করা নয়।তোমার কোনো কাজের জন্য যদি অন্য কেউ ক্ষতিগ্রস্থ হয় বা সেটার জন্য কষ্ট পায় তবে তুমি স্বাধীনতার পূর্ণ ব্যবহার করলে না। স্বাধীনতা হলো সকলের প্রতি সমান আচরণ ,সকলের প্রতি সম্মান এবং ভালো পথে চলা” এরপর ছেলেটি তার হাতের ভালো আমটি পুটুকে দিয়ে পচা আমটিই নিজের জন্য রাখে। গল্প শেষ। মানুষ স্বাধীনতা চায়। নারীও মানুষ, তার জন্য আবার আলাদা শব্দ নারী স্বাধীনতা। সৃস্টিকর্তা কি নারীকে দুনিয়ায় পাঠানোর সময় গায়ে -পায়ে শিকল পড়িয়ে পাঠিয়েছেন? তবে কেন আলাদা বাবে নারী স্বাধীনতার প্রশ্ন আসে। নারী স্বাধীন, জন্মগতভাবেই স্বাধীন। সে লেখাপড়া করবে, চাকরি করবে, বাসে চড়বে, বিমানে চড়বে, পাহাড়ে -পর্বতে চড়বে, মহাকাশে যাবে, বিজ্ঞানী হবে, ডাক্তার,ইঞ্জিনিয়ার ,উকিল হবে। সব কিছু অর্জনের মতো প্রজ্ঞা মহান আল্লাহ্ তায়ালা তার মাঝে দিয়েছেন। এখন শুধু দরকার আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। আমরা প্রযুক্তির দিকে িএগিয়ে গেছি, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে ঠিকই কিন্তু আমাদের নারীর প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন হয়নি। আধুনিক উন্নত রাষ্ট্র তাদের রুচীর বহিপ্রকাশ যেভাবে ঘটায় সেটাকে কিছুকতেই আমি রুচীকর বলে মেনে নিতে পারিনা।সে সব দেশের চলচিত্র গুলোতে নারীকে সব সময় ভোগ্য বস্ত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। যে নারী যত বেশী নগ্ন হতে পারে যত অশ্লীল হতে পারে তার হাত পুরস্কার তত আগে উঠে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে কোন সাইট ওপেন করলেই আগেই দেখা যাবে নারীর নগ্ন দেহ পরে অন্য সংবাদ। দেখলে মনে হয় নারীর এই দেহটাই যেন পৃথিবীর মধ্যে মুখ্য অন্যগুলো গৌণ। কেন এমন হবে। আর নারীরাই বা কেমন? এগুলো বিষয় নিয়ে লিখে কূল পাওয়া যাবেনা বিতর্কও শেষ হবেনা । ডিম আগে না মুরগী আগে এসব গবেষণা যেমন অবান্তর তেমনি মেয়েদের দোষ না ছেলেদের দোষ এসব নিয়ে বিতর্ক না করে নিজেদের মানসিকতা পরিবর্তন করাটাই ভালো। আর হ্যাঁ স্বাধীনতার প্রকৃত মর্ম উপলব্ধি করাটাও জরুরী। আর ধর্মীয় অনুশাসন তো অবশ্যই দরকার।

    Reply
    • অবনী হালদার

      ইতিহাস বলে পৃথিবীর আদিতে আজকের মত ধর্ম ছিল না । আর যারা নিজেরা নিজেদের খাবার উৎপাদন করে খায না তারা কখনই কোন বস্তু মজুত করে না । প্রকৃতি থেকে সংগৃহিত খাবার ক্ষিদে পেলে যেন তেন প্রকারেন অর্জন করে , আর তা দিয়ে ক্ষুন্নি বৃত্তি করে । সমাজের ভিত্তি নাবদল হলে উপরি কাঠামো বদলান অসম্ভব ।আদিতি যা ছিল না আগামীতেও তা থাকবে না । তা সে ধর্মই হোক আর মস্তানই হোক ।

      Reply
  2. ষহাগ

    পাল্টা বলেছিলাম: “মেয়েরা কি ফুচকা? ভোগ্যবস্তু? সেক্স অবজেক্ট?” হা মেয়েরা ভোগের বস্তু। হয় বস ভোগ করে, না হয় টিচার ভোগ করে, না হয় চেম্বারে ডাক্তার ভোগ করে, না হয় বড় নেতা ভোগ করে, না হলে ট্রাক ড্রাইভার ভোগ করে। ভগের বস্তু বলেই তো সবাই হা করে থাকে।
    আমাদের দেশের লোক বিভিন্ন ভাবে যে অশ্লীল ছবি দেখে তাতে সবায় ভাবে মেয়েরা ভোগের বস্তু তায় এই অশ্লীল ছবি দেখার পড়ে যখন নিজেকে কন্ট্রোল করতে না পারে তখন যা পায় তায় ভোগ করে।

    Reply
  3. ABSIDDIQUE

    No need of statistics of any country. Better kill the rapist and burn it instantly in front of the public.. This can solve the problems and people should take some laws in their hand. Otherwise no solution in Bangladesh.

    Reply
  4. আইরিন ইরা

    চিররঞ্জন সরকার, আপনার মুল্যবান পোস্টটির জন্য ধন্যবাদ । কিন্তু বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ আবার সৌদিআরব, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, আমেরিকা, জাপান ঘুরে আসছে কি না ! ধর্মীয় কুসংস্কার যতদিন না যাবে, ততদিন ধর্ষণের মূলোৎপাটন করা প্রায় অসম্ভব।
    একটা মেয়ে, সে মানুষ। আর মানুষ হিসেবেই তার লেখাপড়া করা, বাইরের পৃথিবী দেখার অধিকার আছে। দুই হাজার বছর আগের আইন দিয়া মেয়েদের আর বাঁধতে পারবেন না। সুতরাং নিজেরা বদলান। মানুষ হন। মেয়েদের তেতুঁল, মধু আর গণিমতের মাল ভাবা বন্ধ করেন।
    ধর্ষণের শাস্তি কোন দেশে কেমন সেই সম্পর্কে সৌদিপ্রিয় ভাইদের একটু জ্ঞান দিতে চাই –
    চীন – মেডিকেল পরীক্ষায় ধর্ষণ প্রমাণিত হলে সাথে সাথে মৃত্যুদণ্ড।
    পোল্যান্ড – বুনো শুয়োরের খাঁচায় ফেলে মৃত্যুদণ্ড।
    মালয়শিয়া – মৃত্যুদণ্ড।
    আমেরিকা – ৩০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড।
    রাশিয়া – ২০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড।
    মঙ্গোলিয়া – ধর্ষিতার পরিবারের হাত দিয়ে প্রতিশোধমূলক মৃত্যুদন্ড।
    সৌদি আরব – আগে লাগব ধর্ষণের চাইরজন সাক্ষী।
    পাকিস্তান – আগে লাগব ধর্ষণের সাতজন সাক্ষী।
    বউয়ের বাচ্চা হওয়ার সময় কি পুরুষ ডাক্তারের কাছে লইয়া যান আগে? মহিলা ডাক্তাররা পুরুষ ডাক্তারের লগে পড়ালেখা কইরাই ডাক্তার হয়। ভারতের মত বড় দেশের রাষ্ট্রপতি কিন্তু মহিলা। সে শাড়ি পইরা থাকে, পর্দা কইরা ঘরে বইসা থাকে না। জার্মানির রাষ্ট্রপ্রধান কিন্তু মহিলা। জার্মানী আমেরিকার পা চাটা সৌদির চাইয়া ম্যালা উন্নত। জার্মানির রাষ্ট্রপ্রধান সৌদিতে তার পোশাক স্কার্ট পইরাই আসছে। সে কিন্তু সৌদি বা তার দেশে ধর্ষণের শিকার হয় নাই। আমাগো দেশের ক্ষমতাসীন নারীগো উদাহরণ নাই দিলাম। স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের (সিপিএ) নির্বাহী কমিটির চেয়ারপারসন নির্বাচিত হয়েছেন। বাংলাদেশের প্রথম ন্যানো স্যাটেলাইট বানাইতে তিনজনের দলে একজন মেয়ে আছে। ওয়াসফিয়া নাজরীন প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে সাত মহাদেশের সর্বোচ্চ চূড়ায় আরোহণ করছে ।
    মেয়েদের আপনাগো পুরুষতান্ত্রিক শান্তির (!) ধর্ম দিয়া আর বোরখা পরাইয়া ঘরে আটকাইতে পারবেন না।
    শিক্ষিত হন, মানুষ হন।

    Reply
    • Pritm

      My parents used to work at Saudia Arabia.
      Me and my friend (both were young BD Boy kids then, during 99’s) were almost bottom banged is Saudi. You know what I mean ?

      The predators were local arab teenagers, they took us to roof and showed knife and their **** asking us to undress. Luckily I survived from being victim tricking the guy but my friend didn’t.

      Ya ! Let me tell you something :

      NOTHING WILL CHANGE UNLESS MISFORTUNE OF PEOPLE CHANGES, Not Law Not Religion Not Culture Not Anything will Save.

      Sad Thing is Misfortune will never go away, not in near future or far future !

      No One Will Protect You, Unless you Learn To Protect Yourself, Fight, Kill if Necessary, Some People Looks Like Human But They Are Just Animals/Insects . Kill Them, Don’t Hope and Wait For Law and Justice. JUST YOURSELF !

      Lastly :
      USA : Rape is Common, even in Prison
      Japan : Stalking + Kill is Common
      UK : Basterds make up 40% population
      No Country is Heaven, Be Real ! And Law is a Joke, Rapists don’t care about Law, Because they are almost always sure Law is not going to Catch them,

      DEFEND YOURSELF, LEARN TO FIGHT !

      Reply
      • Pritm

        After Thought : Rapist Rape Because of Low Self Esteem, want to feel empowered and want victim to feel fear.

        It’s just a hopeless beast lusting over flesh !
        Choto belai dekhtam chor dhora porle lok-jon oitare pitaiya maira felto, apnera 500-1000 jon alakai-alakai anti rapist alliance form koren, tarpor rapist ke follow koren, then kill him to death !

    • Qudrate Khoda

      Excellent!
      Irin has passed the most interesting, incisive, and ironic comments on this article.
      I remain hopeful because of the voices of the Irins.
      However, we need millions of Irins who would one day transform our poor and parochial Bangladesh into a safe corridor for our mothers, sisters, girls, and so on and so forth.
      Please keep up the good work.

      Please keep up the good work.

      Reply
  5. Md Minor Hossain

    ধর্মের নাম করবেনা। ইসলাম নারীকে দিয়েছে সর্বোচ্চ মর্যাদা, যা আর কোন ধর্ম দিতে পারেনি পারবে ও না। ইসলাম বলেছে জ্ঞান অর্জনের জন্য সূদুর চীন দেশে যাও( এখানে নারী পুরুষ আলাদা করে কিছু বলা হয় নি)। ইসলাম বলেছে পর্দা কর কিন্তু ঘরে বসে থাকতে বলেনি। ধর্ম নিয়ে বারাবারি করতে ও নিষেধ করেছে ইসলাম ধর্ম ই। সুতরাং ইসলাম ধর্ম ই একমাত্র মানবতার ধর্ম যেখানে সর্বদা মানবাধিকার সংরক্ষিত থাকে।আপনি আলকুরান ও আলহাদিস এর আইন মত (ভুল ব্যাখা ছাড়া) দেশ পরিচালনা করেন। জনগনের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করেন। অন্ধ বিশ্বাস সৃষ্টি কারীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসেন। সব ঠিক হয়ে যাবে।

    Reply
    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      ধন্যবাদ মনির সাহেব। এরকম একটি মন্তব্যই আশা করছিলাম। ইসলাম ধর্ম নারীকে গৃহবন্দী করে রাখার কথা বলেনি। আমরা পুরুষরা যদি নারীর সম্ভ্রমের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকি তাহলে কোন সমস্যা হবার কথা নয়। ধর্মের নামে যারা অধর্ম করে বেড়ায় তারা আমাদের বিবেচ্য বিষয় নয়।

      Reply
  6. Abdul Motin

    অধিকার আর স্বাধীনতা দিয়ে কী হবে? রাস্তায় বেরিয়ে কী হবে? আয়-রোজগার-উপার্জন দিয়ে কী হবে? বিপদ বাড়বে। মেয়েদের না-খেয়ে থাকার, সংযমের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। তাহলে নিজের ঘরে, নিজের সংসারে, চার দেওয়ালের মধ্যে, স্বামী সন্তান নিয়ে, অনেক মর্যাদা শান্তি ও নিরাপত্তায় বাঁচা যাবে। দেশের কাণ্ডারীরা এই বাংলাদেশই গড়ে তুলতে চান। শান্তির নীড়। তাতে কেন ধরবে চিড়? ~~~সেই সঙ্গীত শুনে মেয়েরা-মোয়েরা অন্তপুর থেকে কেবল চোখ মুছবেন।~~~এর দাঁরা আপনি কি বুঝাতে চান ?

    * আমরা প্রত্যেকেই নিজের ব্যাপারে সচেতন হই ~ তাহলে সব সুন্দর হবে।
    * সর্ব যুগের শ্রেষ্ঠ কথা, ধর্মীও নীতি অনুসরনে থাকবেনা কোন অনাচার, অশান্তি ।

    Reply
    • আইরিন ইরা

      ধর্মীয় নীতি অনুসরনে থাকবেনা কোন অনাচার, অশান্তি । কারণ পুরুষদের থাকবে স্ত্রীগণ এবং নিজ মালিকানাধীন দাসীগণ আর মহিলারা ঘরে বসে পর্দার আড়ালে স্বামীর মনোরন্জনে আত্ননিয়োগ করবে। তবেই না হবে শান্তিপূর্ণ ধর্ষণমুক্ত উন্নত দেশ !!!!!!

      Reply
  7. rodela

    এখন আর কিছুই লিখতে ইচ্ছে করে না। ক্রমাগত যখন না বলতে থাকি, পুরুষ বন্ধু জোর খাটায়। যেন জোর খাটিয়েই তাবদ সম্পর্কের ঝাল সে তুলে নেবে। কোন ভাবেই না শব্দের অর্থ তাকে বোঝানো যায় না।
    একটা মেয়ে সে বন্ধু হোক, প্রেমিকা বা স্ত্রী হোক, এমন কি প্রস্টিটিউট। না শব্দটার মানেই হচ্ছে -না। পুরুষদের এটা উপলব্ধি করতে হবে।

    Reply
    • খান হাসান

      যে আপনার না কে না বলে ১নতে পার না তাকে বন্ধু মানার কি দরকার। থাপ্পর দিয়ে বিদায় করুন। যদি স্বামী তারপর ও না তে ই থাকুন, শক্তি প্রয়োগ করলে পাল্টা শক্তি দেখান। আইন ত আছে আপনার প্রটেকশনের জন্য। নিজে সাহসী হোন, দেখবেন আপনার পাশে অনেকেই আসে

      Reply
  8. nazim

    আড়াই বছরের শিশু ধর্ষন কিংবা মা মেয়ের ন্যাড়া করা ছবি যেন বাংলার প্রতিচ্ছবি ৷
    ডাস্টবিনে নবজাতক কিংবা মৃত লাশের উপর মানুষের নৃত্য কি জাহেলী যুগেও কেউ দেখেছে?
    প্রযুক্তির অশ্লীলতার দুর্ঘন্ধ কি সেই অন্ধকার যুগে কেউ পেয়েছিল?
    ঐশির নির্মমতা কিংবা মায়ের হাতে সন্তান খুন, জাহেলিয়াতকেও হার মানায় ৷
    আমরা তো সে সময়কেই অতিক্রম করছি ৷
    যে পৃথিবীতে কেউ কাউকে বিশ্বাস করে না ৷ অনৈতিকতার প্রভাব দাম্পত্য জীবনেও পড়েছে৷
    শুধু ঢাকাতেই প্রতিদিন তালাক হচ্ছে ৫০-৬০ জন দম্পত্তি, মামলা চলছে পন্চাশ হাজার ( সুত্র, মানব জমিন) ৷
    ২০১৭ তেই ধর্ষনের নিউজ এসেছে প্রায় ৬০০ ৷
    উন্মুক্ত ভিনদেশি আকাশ সংস্কৃতি, ধর্মীয় শিক্ষার অনুপস্থিতি, পারিবারিক ও রাষ্ট্রীয় অব্যবস্থাপনা এসবের মুল কারন ৷

    Reply
  9. ইবনে সাজিদ

    কেউ #তুফানের কোনো খবর জানেন বা আপন জুয়েলার্সের??
    যাহোক গতকাল তো রুপা নামের একটা মেয়েকে #চলন্ত_বাসে করা হয়েছে ধর্ষন এবং হত্যা করা হয়ছে তাকে।
    কিছুদিন আগে অবশ্য স্কুলে ঢুকে #ম্যাডামকে করা হয়েছে ধর্ষন!
    এত ধর্ষক কি আগে ছিল বাংলাদেশে!!! ভারতীয় লেংটা সংস্কৃতি, বিচারহীনতা,রাজনীতির প্রভাব সবকিছু মিলে বাংলাদেশে ধর্ষনের দেশ হিসেবে রুপ নিচ্ছে!!!!

    Reply
  10. বিচারের বাণী

    আমি মনে করি রমজান আলী তার মেয়ে ফাতেমাকে
    নিয়ে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাপ দিয়ে ভালোই করেছে।রমজান আলী থানা থেকে গিয়েছিলো ক্ষমতাসীন দলের অফিসে বিচার চাইতে!! কিন্তু সে হয়তো জানতো না, তার ঠিক ১ সপ্তাহ আগেই মুন্সীগঞ্জে এই ক্ষমতাশীল দলেরই এক
    মেম্বার VGF কার্ডের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষন করেছে ফাতেমার বয়সী আরেকটি বাচ্চাকে!! মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের বিছানায় এখনো প্রচন্ড যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছে শিশুটি। খবর নিয়ে দেখতে পারেন। এটা জানতে পারলে হয়তো
    রমজান আলী আরো একবার সুইসাইড করতেন অতি দুঃখে। রমজান আলী আজ ইতিহাস হবার পথে……
    গত পরশু দিনের কাহিনী তো বলাই হয়নি আপনাদের!! রাজধানীর জুরাইনে ১১ বছরের একটি মেয়েকে স্কুল কক্ষে আটকে রেখে ৮ জন মিলে রাতভর ধর্ষন করেছে। মেয়েটির আত্মচিৎকার ৪ দেয়ালের বাইরে আসেনি ভালোই হয়েছে।
    বাইরে এলে রাষ্ট্র হয়তো তার সেই চিৎকার শুনেও হাততালি-ই
    দিতো। কিন্তু এভাবে আর কত? আর কত পূজা কিংবা ফাতেমারা ইতিহাস হবে?
    ফেভিকলের আঠাযুক্ত নরম গদির মানুষেরা মানবতাবাদী, প্রগতিশীল, সভ্য মানুষ। তাই তারা এসব আধুনিক সমাজের সামান্য দুষ্টামি বলে চালিয়ে দেয়।
    সুশীলেরাও আজ চুপ। চেতনাধারী অচেতনরা আজ অন্ধ। মানবতাবাদীমুক্তমনারা আজ বোবা। সমাজ ধংস হোক। নারী লাঞ্চিত হোক। শিশু ধর্ষিত হোক। রেল লাইনে কাটা পড়ে মরুক। তাতে তথাকথিত সুশীল চেতনাধারী মানবতাবাদীদের যেন কিছুই
    যায় আসে না! বিচারহীনতার সংস্কৃতি এখন স্বাভাবিক শব্দটির থেকেও বেশি অস্বাভাবিক হয়ে গেছে৷ অন্যায়ের প্রতিবাদ না করা একটা মেরুদন্ডহীন জাতিতে আমরা দিন দিন অভূতপূর্ব সাফল্য দেখাচ্ছি!! এদেশে…..সাঁওতাল ধর্ষিতা হলে সিনেমা হয়পাহাড়ি ধর্ষিতা হলে আন্দোলন হয়সংখ্যালঘু ধর্ষিতা হলে তুফান ওঠে
    মানবতাকর্মীদের ঠোঁটে। নায়ক-নায়িকা কেলেঙ্কারিতে মিডিয়ায় চলে তোলপাড়আর ফাতেমারা কচি বয়সে ধর্ষিতা হয়ে ঝরে যায়। আলীরা ন্যায় বিচারের অভাবে প্রাণ দেয় রেল লাইনে। বিচারের বাণী এদেশে যেন নিভৃতে কাঁদে।

    Reply
  11. আরফিন আকাশ

    কথা হচ্ছে যে রাষ্ট্রে নিতীবিরুদ্ধ কাজের যোগ্য শাস্তি নেই তখন ধর্ষন কেবল শিশু থেকে ৮০ বছরের বুড়িও নিরাপদ নয়, আর ধর্ষনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে নিজেও ধর্ষিত হওয়াটাই আশ্চর্যজনক নয় স্বাভাবিক বিষয় বটে। বিচার দিলেন কিন্তু বাস্তবায়ন নাই ওই শাস্তির বিচারের কোনো ভিত্তিই নাই। দেশে ধর্ষন তো আমদানিই হচ্ছে সংস্কৃতি দ্বারা। ইতিহাস বলে,যে জাতির সংস্কৃতি পরিবর্তিত ক্রমান্বয়ে সে জাতির ধ্বংস অনিবার্যই অনিবার্য…বাঙ্গালরাও সে পথে এগোচ্ছে আপগ্রেড সিষ্টেমে বিকৃত সংস্কৃতি আমদানিইই নয় চর্চাও করছে ঘরে ঘরে….

    Reply
  12. নবাব ক্বাইয়্যূম

    বাংলাদেশ ভারতের সব সংস্কৃতি অনুসরণ করতেছে। eg চলন্ত বাসে ধর্ষন, ১৪ সালে ভারতে হয়, আর এখন প্রতিনিয়ত বাংলাদেশে হচ্ছে। এর আগে তো কখনো এমন হয়নি,,, গত কালকের খবর।বগুরার এক এলএলবি পড়োয়া মেয়ে কে ধর্ষন ও হত্যা করে টাংঙ্গাইল এর মহাসরকের পাশে বাস থেকে ফেলে দেয়া হয়। সেই ভারতের মেডিকেল এর এক ছাত্রীকে চলন্ত বাসে ধর্ষন করার পর থেকে এরকম অসংখ্য ঘটনা এখন আমাদের দেশে হচ্ছে।

    Reply
    • আইরিন ইরা

      ভারত কি টয়লেট থেইকা গু তুইলা খাইলে, বাংলাদেশও খায়? খায় না, তাই না? কিন্তু ভারতের অনুসরণে ধর্ষণ করতে পারে !!!
      ধর্ষণ একটা গর্হিত মানবতাবিরোধী অপরাধ। এটার জন্য দায়ী শুধু মানুষের নোংরা মানসিকতা।

      Reply
      • Sayed

        একটি গ্রাম্য প্রবাদ মনে পড়ে গেল “‍‍‌‌‌দেখাদেখি চাষ পাশাপাশি বাস”
        দেখে শেখা মানুষের একটা সহজাত প্রবৃত্তি, ভাল কিছু দেখেল ভাল কিছু শিখবে আর খারাপ কিছু দেখলে……

  13. সুজন

    মানুষের বিবেকের অধপতন কতটা সর্বব্যাপী হলে পাঁচজন ধর্ষক একই সাথে একই বাসে কাজ পেতে পারে?

    Reply
  14. মামুন মৃধা

    বাসের ড্রাইভাররা চরম মাত্রায় মাদকাশক্ত, ওরা দিনে ১৪ থেকে ১৮ ঘন্টা গাড়ি চালায় এবং ২৪ ঘন্টা নেশা করে। ওদের দারা সব ই সম্ভব। এর আগেও এমন খবর পরেছি।

    Reply
  15. বিপ্লব

    বর্তমানে ধর্ষনের যে ঘটনা গুলো হটছে, তার প্রতি ঘটনাই লোম হর্ষক । এবং তা বিরতি হীন ভাবে ঘটেই চলেছে ।পত্রিকার পাতা খোল্লেই এই ঘটনা গুলো চখে পড়ে ।দেশ উন্নতির দিকে এগুচ্ছে সেই সাথে তাল মিলিয়ে ধর্ষকরাও পিছিয়ে নেই বিগত এক/দুই মাসে যতগুলো ধর্ষনের ঘটনা সংঘটিত হয়েছে,ইতি পূর্বে কখনই তা হয়নি বলে আমার আন্দাজ । অপরাধ কারীরা দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি নাপেলে আগামীতে এন ব্যপকতা আরও জেমিতিক হারে বৃদ্ধির পাবে ।

    Reply
  16. মাহবুব আলম

    এক জন লোকের অধঃপতন মানা যায্ কিন্তু এত গুলো লোকের এক সওে্গ অধপতন কোনো ভাবে মানা যায্ না।
    এর সমাধান যেমন কঠোর হতে হবে তেমনি
    দীরঘ মেয়াদী সমাধানের কথা নতুন করে সবাইকে ভাবতে হবে।

    Reply
  17. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    যখন ভারতে বাসে গণ ধর্ষন হয়ছিলো..এর পর থেকে প্রায় অনেক দিন আমি বাসে উঠিনাই।এখনো একা কখনোই আমি বাসে উঠিনা..
    আমার এই ভয় দেখে আমার বান্ধুবি একটা বলছিলো আরে ধুর ওইটা ভারতে সম্ভব হয়ছে আমাদের দেশে এসব হবেনা.
    খুব কষ্ট পাচ্ছি। খুব মায়া লাগছে। কোটি কোটি মানুষের এই ছোট দেশে সে কতই না আহাজারি করেছে বাচার জন্য কেউ তার আর্তনাদ শোনেনি। তাকে নির্মম ভাবে হত্যা করেছে এই মানুষই। তাও কয়েকজন মানুষ যাদের নিজেদেরও ঘরে নারী জাতির কেউ না কেউ আছে। রুপা মরে গিয়ে বেঁচে গেছে। আমরা তো বেঁচে থেকেই মরে গেলাম। না আর ভাবতে পারছি না। একমাত্র সৃষ্টিকর্তাই ভালো জানেন।

    Reply
  18. মোস্তফা সরওয়ার

    সব শেষ কবে ধর্ষণ হত্যার বিচারের কথা শুনেছেন মনে পড়ে? আমার তো মনে পড়ে না? বাংলাদেশে সব শেষ কবে ধর্ষণের অপরাধে অপরাধীর ফাঁসি হয়েছে মনে পড়ে? মনে পড়ার কথা না।‌ যতদিন না পর্যন্ত দেশের এই বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূর না হবে ততদিন পর্যন্ত এমন ঘটনা অহরহ ঘটতেই থাকবে।

    Reply
  19. Md. Kamrul Hossain

    ১। আমার এক মেয়ে সহপাঠী আমাকে জিজ্ঞেস করল আমাকে কেমন দেখাচ্ছে, আমি বললাম ভালো না। সে বলল ঠিক করে বল কেমন দেখাচ্ছে, আমি আবার বললাম ভালো না। সে তো আমার পিছু ছাড়ে না। জোর করে আমাকে দিয়ে বলালো যে তাকে ভালো দেখাচ্ছে। ২। মেয়েরা কেন লিপস্টিক লাগায়, গয়না পরে, হাই হিল পরে, চুড়ি পরে, কেন পাতলা ওড়না পরে, কেন টাইট ড্রেস পরে? ৩। একবার কোন এক মেলায় গেলাম, জীবনে প্রথমবার। মেলার যখন .. .. .. .. .. যাত্রা/র‌্যালী শুরু হলো বড় বড় আপুরা বড় ভাইয়াদের সাথে যেভাবে শাড়ী পরা অবস্থায় ঢলাঢলি করছিল আমার পক্ষে দেখা সম্ভব হয় নাই, বড়ই কদর্য। তখন ক্লাস টেনে পড়তাম। আমি অদ্যাবধি সেই মেলায় আর যাই না। এই তিনটি পয়েন্টে আমি দেখলাম কিছু একটা তো আছে যা মেয়েরা ছেলেদের কাছে উপস্থাপন করতে চায়, আকর্ষনীয় হতে চায়, কমপ্লিমেন্ট শুনতে চায়। একবার একটা সুন্দরী মেয়ের পাশ দিয়ে মাথা নিচু করে চলে গেলাম, আমি শুনলাম সে আমাকে বলল রোবট। আজব। এখন আমি তাকে কতটুকু টিজ করলে সে খুশী হবে বুঝি না। টিজ না করলে বেজার হয়, টিজ করলে হয়তো বেশি হয়ে যায়। স্ট্যান্ডার্ড মাত্রা কতটুকু কিভাবে বুঝবো ? আর সারাদিন এইসব প্রদর্শনী মার্কা মেয়েদেরকে রাস্তা ঘাটে দেখলে তো মাথা খারাপ হবে। আমি জীবনে প্রথমবার রমনা পার্কে গেলাম। দেখি সব জোড়ায় জোড়ায় বসে আছে। কার হাত কোন দিক থেকে কোথায় গেছে বুঝতে পারছি না। আমি ধর্ষকদের পক্ষে বলছি না। বাসে যে মেয়েটাকে ধর্ষন করা হলো সে মেয়েতো চাকরিজীবি একটা মেয়ে, মানে দায়িত্বশীল মেয়ে। তার অপরাধ ছিল না। অপরাধ ছিল সেইসব মেয়েদের যাদেরকে রাস্তা ঘাটে, নাটক সিনেমায়, ফেসবুক টুইটারে দেখে এইসব নর পিচাশদের মাথা খারাপ হয়েছিল।

    Reply
    • ইলিয়াস

      প্রতিটা সংস্কৃতির কিছু নিজস্ব বৈশিষ্ট্য আছে। পশ্চিমা সংস্কৃতির বৈশিষ্ট্য হলো “নারী স্বাধীনতা”।
      নারী স্বাধীনতার কোন সর্বজনীন সংঙ্গা নাই। দেশভেদে এর সংঙ্গা পরিবর্তন হওয়া উচিৎ।
      পশ্চিমে “নারী স্বাধীনতা” এর যে রুপ তার অবশ্যম্ভাবী পরিনতি হলো “ধর্ষনকামীতা”।
      ধর্ষন প্রবনতার বিস্তারের কারনে ধর্ষন ও পশ্চিমা সংস্কৃতি সমর্থক শব্দে পরিনত হয়েছে। বিশ্বে সর্বাধিক ধর্ষন সংঘটিত দশটি দেশের তালিকা দেখলেই এই কথার যথার্থতা বোঝা যাবে।
      বিশ্বের সর্বোচ্চ Rape Crime সংঘটিত দেশসমুহ হলো
      ১. দক্ষিন আফ্রিকা। ৪০% নারী এর শিকার।
      ২. সুইডেন। প্রতি ৪ জনের ১ জন এর শিকার।
      ৩. আমেরিকা। প্রতি ৩ জনের ১ জন এর শিকার।
      ৪. ইংল্যান্ড। প্রতি ৫ জনের একজন এর শিকার।
      ৫. ভারত। প্রতি ২০ মিনিটে একজন এর শিকার।
      ৬. নিউজিল্যান্ড। প্রতি ২ ঘন্টায় একজন এর শিকার।
      ৭. কানাডা ও উত্তর আমেরিকা। প্রতি ৪ জনে ১ জন এর শিকার।
      ৮. অষ্ট্রেলিয়া। প্রতি ৬ জনের ১ জন শিকার।
      ৯. জিম্বাবুয়ে। প্রতি ৯০ মিনিটে ১ জন এর শিকার।
      ১০. ডেনমার্ক ও সুইডেন। ডেনমার্কে ৫২% এবং সুইডেনে ৪৭% নারী ধর্ষনের শিকার হন।
      লক্ষনিয় হলো, এই সব দেশে পরস্পরের সম্মতিতে অনাচার কোন অপরাধ না তারপরেও সেখানে এই মাত্রায় ধর্ষন সংঘটিত হয়।
      তারমানে হলো, পশ্চিমা সংস্কৃতি ও পশ্চিমা আদলের নারী স্বাধীনতা আর ধর্ষন চরিত্রগতভাবে একই চরিত্রের।
      তাই,
      দেশে যদি পশ্চিমা সংস্কৃতি ও পশ্চিমা আদলের নারী স্বাধীনতার প্রসার ঘটানো হয় তাহলে দেশে ধর্ষনের প্রদুর্ভাবও মেনে নিতে হবে।
      এখানে পরিস্কার জেনে রাখা উচিৎ যে, আমরাও নারী স্বাধীনতা চাই। নারী স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন করি। কিন্তু সেই নারী স্বাধীনতা পশ্চিমের তত্বে নির্মিত নারী স্বাধীনতা না। বরং এদেশের ইতিহাস-ঐহিত্যের পটভুমিতে নির্মিত নারী স্বাধীনতা।
      এখানে যুক্তি অবতারনা করে ধর্ষনকে হালকা করে দেখানোও আমার উদ্দেশ্য না।
      মুল উদ্দেশ্য হলো, জাতীকে সতর্ক করা।
      যারা এদেশে পশ্চিমা সংস্কৃতি আমদানীর চেষ্টা করে তারা আদতে দেশে ধর্ষন প্রসারের চেষ্টা করে।

      Reply
      • E A Bari

        I agree with Elias Shaheb. A point to add that rape cases are increasing throughout the world. There are many reasons behind this alarming increase. Not only women are being raped by men. We hear now and then males are being raped by women as well. One major reason is the spread of extreme pornography by the internet. It seems pornography is uncontrollable. It may just be controlled to a degree by the government of a country. We ask our government to look into this possibility.

    • Pritm

      I was also told Robot at University by one of the female student during a fair because I didn’t paid attention ( looking at her ) at all.

      I don’t pay attention to random beauty, it’s not worth my time, don’t waste and hope on a void function.

      ” NOBODY CAN GET EVERYTHING THEY WISH FOR”
      “LEARN TO LET GO AND STOP JUDGING PEOPLE”
      I try my best to follow these policies ……………

      Reply
  20. সেলিম ইমরান

    শিক্ষা-দীক্ষা’র প্রয়োজন অনস্বীকার্য্য। কিন্তু পাশাপাশি সমাজের চোখ কান খোলা রাখা, সংবাদপত্রসহ সকল মিডিয়া, ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে আরো বেশী বেশী সোচ্চার হতে হবে, তীব্র ঘৃণা জানাতে হবে ধর্ষকদের – লক্ষ্যনীয় যে মানুষ ক্রমেই সচেতন হচ্ছে-
    তবে,
    সবচেয়ে বেশী জরুরী কঠোর আইনী পদক্ষেপ, পুলিশী ব্যবস্থা (আমরা অত্যন্ত কৃতজ্ঞতার সাথে ইদানিং পুলিশ বাহিনীর তড়িৎ পদক্ষেপগুলো স্মরণ করাতে চাই সবাইকে) – অহেতুক বিলম্ব না করে বিচার করে দৃষ্টান্তমূলক শস্তির ব্যবস্থাও নিতে হবে।

    Reply
  21. মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী

    এত দিন দেখে এসেছি ভারতে হয় এমন। নিজের দেশকে সেই তুলনায় অনেক বেশি নিরাপদ মনে হত, আর আজ তা আমাদের দেশেই হচ্ছে।

    Reply
  22. নাছিম

    বাংলাদেশ এর বিচারবিহীন একটা রাস্ট্র হয়ে গেছে অবৈধ রা দেশ চালাচ্চে সরকার নিজেই জনগন কে ধর্ষন করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গেসে সে আবার কিসের বিচার করবে…

    Reply
  23. shahriaf

    ভাইরে ধর্ষণের বেলাই শুধু মনে হয় তা ধর্মে নিষেধ? মুসলমান হয়ে কিভাবে এ কাজ করলো তা কেবল ধর্ষণের বেলায়ই মনে পড়ে? বাকি বেলায় আমি মুক্তমনা, আমি আধুনিক, আমি নারী বাদী তাই তাদের বাইরে বের করার দায়িত্ব আমার, পর্দা না করলেও চলবে শুধু পুরুষ সংযত থাকবে, ধর্ষণের শাস্তি হবে আমাদের সংবিধান মোতাবেক ইসলামের ঠাঁই নেই। যত্তসব ঢং।

    Reply
  24. Redwan Khan

    প্রাচীন বাংলাদেশে কিন্তু এতো ধর্ষণ ছিলোনা. এই সাধারণ কথাটা কেন আমাদের বুঝে আসেনা? সৌদি আরবে ধর্ষণের হার আর আমাদের দেশের হার এক না. তাদের শরিয়া আইন যেমন আছে তেমন থার্ড থাড সিস্টেম ও আছে কই তারা তো প্রযুক্তিতে পিছিয়ে নেই .

    শুধু নারীকে রাস্তায় বেরকরলেই দেশের উন্নতি হয়না . রাস্তায় বের করলে এর ফফলাফল যে কতটা ভয়াবহ হয় তার দৃষ্টান্ত আমরা হরে হরে টের পাচ্ছি. মানুষের জ্ঞান বৃদ্ধির একটা মাধ্যম দেখে শিখা বা পূর্ব অভিজ্ঞতা . অভিজ্ঞতা বলে নারী রাস্তায় বের হওয়ার কারণে এতো রেইনট্রি, মেহেগুনি, শাল,সেগুন ইত্যাদি ঘটনার জন্ম হচ্ছে ….

    Reply
  25. বাবলু রহমান

    এ লেখাটি পড়ে ভাল লাগলো। লেখক কলামিস্ট চিররঞ্জন সরকারকে অভিনন্দন রইলো। লেখকের ইমেইল বা ফোন নাম্বার পেলে কথা বলার ইচ্ছা আছে। ধন্যবাদসহ, —-
    বাবলু রহমান। ফোন: ০১৭৯৬-৮৫৭৮৯২।

    Reply
  26. Ahmad Ali Palash

    Dear,

    1. You and me are not same being both are Man then how women will be the same as a Man ? woman may also have more power, fame, name than a Man.
    2. I am sure that, when you think about Marriage you must think of the beauty of the woman but a woman will consider the income power and wealth of a Man.
    3. What is the Phycology of Man and Women regarding Sex, is that same.?? Man are violent, why women are not ?? why man are crazy about sex ??
    4. Who is good Father or Mother to teach a child.???
    5. What history says regarding women ???

    Reply
  27. Md. Zahir Uddin

    আমার ব্যক্তিগত মতামত ধর্ষকদের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদন্ড। এখন একটা ছেলে যদি রাস্তায় খালি গায়ে হেটে যায় তাহলে তার খুব একটা সম্মানহানী হবে না, তবে একটা মেয়ে যদি খালি গায়ে হেটে যায় তাহলে তার সম্মান অবশিষ্ট থাকবে না। যার সম্মান বেশি তাকেইতো বেশী সাবধান হওয়া উচিত। সম্ভবত সকল মহান ধর্মেই মেয়েদেরকে বেশি সম্মানিত বলা হয়েছে।

    Reply
  28. Md. Jamal Murshid

    স্যার দোষটা প্রথমে পরিবারের, কারন তারা তাদের ছেলে মেয়েদেরকে বাস্তবমুখী শিক্ষা দিতে পারেননি। দ্বীতিয়ত একটা মেয়েকে বুঝতে হবে শুধু অামি অাধুনিক হলে হবে না যারা আমাকে দেখছে তারা আধুনিক কিনা। আর একটা কথা, আমরা আসলে ভালো হয়ে কাদের মতো হবো, মানে কোন উদাহরনকি আছে যে অমুক দেশে এমনটা হয় না, আমার মনে হয় অমুক দেশগুলোর অবস্থা আমাদের চেয়েও খারাপ। আর একটা জিনিস আগে বিদেশি নাটক সিনেমা বাদে আমাদের দেশীয় নাটক সিনেমা মোটামুটি ভদ্র ছিল অথবা খারাপ
    গুলোকে অশ্লীল বলা হতো, এখন তার চাইতেও খারাপ সিনেমা হয় নাটকে অহেতুক জাপটা জাপটি হয় কেউ একটা কথাও বলে না, ফেসবুকের কল্যানে সবকিছুই হাতের মুঠোয়। একটা কথা কি জানেন স্যার আমেরিকায় অনেক বেশী রেপ হয় কিন্তু তারা রিপোর্ট করে না, অভ্যাস হয়ে গেছে তো। স্যার এটা কলিযুগ, আমি আমার ছেলে মেয়েদের প্রতি অধিক যত্নশীল ও সাবধান হয়েছি, আপনিও যদি সবাইকে সাবধান হতে বলতেন তহলে ভালো হতো, হয়তো সবাই আপনার এই কথার সাথে একমত হবে।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—