Old High Court Building - 111

ষোড়শ সংশোধনীর উপজীব্য বিষয় ছিল, সংসদ কর্তৃক বিচার বিভাগীয় সদস্যগণের অসদাচারণ নিয়ন্ত্রণে অভিশংসনের ক্ষমতা প্রয়োগ। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় অপরিবর্তনীয় রেখে একই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে, বিষয়টি অসাংবিধানিক। অন্যতম মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে যে, যদি বিচারবিভাগীয় সদস্যগণের অসদাচারণ নিয়ন্ত্রণে সংসদ অভিশংসনের ক্ষমতা প্রয়োগ করে তবে তা সংবিধানের আদি ভিত্তি, যেমন ক্ষমতার বিভাজন-নীতি, আইনের শাসননীতি এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা-নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে দাঁড়াবে। রায়ে আরেকটি বিষয়ের অবতারণা করা হয়েছে, আর তা হল, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের আলোকে বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সাংসদদের হাতে থাকা বিচার বিভাগ মোটেও প্রত্যাশিত বলে মনে করে না।

ষোড়শ সংশোধনী মামলার রায়ের ২৮১-২৮২ পৃষ্ঠায় মাননীয় প্রধান বিচারপতি জনাব সুরেন্দ্র কুমার সিনহা লিখেছেন:

We find no infirmity in the views taken by the High Court Division on construction of article 70; and that in view of article 70, the members of Parliament must toe the party line in case of removal of any Judges of the Supreme Court. Consequently, the Judges will be left at the mercy of the party high command. We find no wrong in taking the above view.

অর্থাৎ মাননীয় প্রধান বিচারপতি লিখেছেন:

“৭০ অনুচ্ছেদের ব্যাখ্যায় হাই কোর্ট বিভাগ যে মর্মাথ গ্রহণ করেছে আমরা তাতে অযৌক্তিকতা দেখি না এবং সেদিক থেকে দেখতে গেলে বলা যায় যে, সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের তাদের পদ থেকে অপসারণের ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যগণ নিঃসন্দেহে তাদের নিজস্ব রাজনৈতিক দলের হুকুম তামিল করতে বাধ্য থাকবেন। ফলশ্রুতিতে বিচারকগণ তাদের পদরক্ষার জন্য প্রতিটি মুহূর্তে রাজনৈতিক দলের উচ্চস্থানীয় নেতৃত্বের দয়ার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বেন। আমাদের এরূপ সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়াতে মোটেও ভুল নেই।”

এছাড়াও ষোড়শ সংশোধনী মামলার রায়ের ২৮৪ পৃষ্ঠায় মাননীয় প্রধান বিচারপতি জনাব সুরেন্দ্র কুমার সিনহা লিখেছেন:

We are of the view that in presence of article 70, it is difficult for a member of Parliament to form an opinion independently ignoring the directions given by the party high command of the political party in power.

অর্থাৎ মাননীয় প্রধান বিচারপতি লিখেছেন:

“সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের উপস্থিতিতে ক্ষমতাসীন দলের রাজনৈতিক উর্ধ্বতন নেতৃত্বের নির্দেশনা উপেক্ষা করে একজন সংসদ সদস্যের পক্ষে কখনও স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশের সুযোগ থাকে না।”

ষোড়শ সংশোধনী বাতিল মামলায় আরও তিনজন মাননীয় বিচারপতি সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের অবতারণা করেছেন। রায়ের ৪২২ পৃষ্ঠায় মাননীয় বিচারপতি জনাব মো. আব্দুল ওয়াহাব মিয়া লিখেছেন:

… the risk of impeachment highly politicized will be even more prominent in the current political context of Bangladesh, especially due to the effect of article 70 of the constitution…

 

 

এছাড়া রায়ের ৫৪৯ পৃষ্ঠায় মাননীয় বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন হুবহু অনেকটা একই ভাষায় মাননীয় বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহাব মিয়ার লেখনীর পুনরাবৃত্তি করেছেন:

… the risk of impeachment being highly political will be even more prominent in the current political context of Bangladesh, especially due to the effect of Article 70 of the constitution of Bangladesh.

এখানে লক্ষ্যণীয় বিষয় হল, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে মাননীয় বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহাব মিয়া (৪৪২-৪৪৩ পৃষ্ঠার) এবং মাননীয় বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন (৫৪৯-৫৫০ পৃষ্ঠায়) নিজ নিজ রায়ে কাকতালীয়ভাবে (!) হুবহু একই ভাষা ব্যবহার করেছেন, যদিও ভাষাগত দিক থেকে মাননীয় বিচারপতি জনাব সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের বাক্যসমগ্র ব্যাকরণগতভাবে অধিকতর শুদ্ধ।

ষোড়শ সংশোধনী মামলার রায়ের ৭৯৩ পৃষ্ঠায় মাননীয় বিচারপতি মীর্জা হুসেইন হায়দার লিখেছেন:

The removal process of a Judge of the higher judiciary as laid down in the impugned 16th amendment will render insecurity in the mind of the judges thereby creating opportunity to undermine the independence of judiciary making this organ vulnerable and jeopardizing the rule of law which will create opportunity for creating political influence and pressure upon them specially when Article 70 of the Constitution is subsisting. So long Article 70 is there the independent wish of a member of the Parliament in respect of casting vote freely does not exist.

অর্থাৎ মাননীয় বিচারপতি মীর্জা হুসেইন হায়দার লিখেছেন:

“উচ্চ আদালতের বিচারক অপসারণের যে প্রক্রিয়া বিচার্য ষোড়শ সংশোধনীতে বিধৃত করা হয়েছে তা বিচারপতিগণের মনোজগতে নিরাপত্তাহীনতার সৃষ্টি করবে; এতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এছাড়া যেহেতু ৭০ অনুচ্ছেদ সংবিধানে উপস্থিত রয়েছে সেহেতু এর ফলে বিচার বিভাগের উপর রাজনৈতিক প্রভাব এবং চাপ প্রয়োগ করার সুযোগ তৈরি হবে। সুতরাং যতদিন ৭০ অনুচ্ছেদ বহাল থাকবে ততদিন একজন সংসদ সদস্য কখনও সংসদে ভোট প্রদান করার ক্ষেত্রে স্বাধীন নন।”

ষোড়শ সংশোধনীর রায়ে মাননীয় বিচারপতি মুহাম্মাদ ইম্মান আলী এবং মাননীয় বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকি সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে নিয়ে কোনো প্রকার পর্যবেক্ষণ উল্লেখ করেননি। যেহেতু মাননীয় বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা পৃথক রায় না লিখে মাননীয় প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সঙ্গে সহমত প্রকাশ করেছেন, সেহেতু আমরা ধরে নিতে পারি যে, আপিল বিভাগের মোট সাতজন মাননীয় বিচারকের মধ্যে পাঁচজন মাননীয় বিচারক সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে বিরূপ পর্যবেক্ষণ প্রদান করেছেন।

আমরা সবাই জানি যে, বর্তমানে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়েরকৃত একটি রিট পিটিশনের শুনানি হাইকোর্টে চলছে। এ অবস্থায় বিচারাধীন একটি বিষয়ে আপিল বিভাগের মাননীয় বিচারপতিগণের যে কোনো মন্তব্য হাইকোর্টে চলমান রিট পিটিশনের রায় প্রভাবান্বিত করতে বাধ্য। কেননা সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী–

“আপিল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভাগের জন্য… অবশ্যপালনীয় হইবে।”

যদি তাই হয়, তবে হাইকোর্ট বিভাগে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে বিচারাধীন বিষয়ে পর্যবেক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে, ষোড়শ সংশোধনী বাতিল মামলায় আপিল বিভাগ বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর আক্রমণ করেছে। এখন আপিল ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে আপিল বিভাগের পর্যবেক্ষণ মাথায় রেখে হাইকোর্ট বিভাগ কতটা স্বাধীনভাবে তাদের বিচারিক কাজ সম্পন্ন করবে?

এভাবে বিচার বিভাগ নিজেই যখন নিজেদের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করবে তখন তার সাংবিধানিক দায়ভার কে নেবে?

তুরিন আফরোজপ্রসিকিউটর, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল

৯৬ Responses -- “ষোড়শ সংশোধনী মামলার রায়: ৭০ অনুচ্ছেদ কথকতা”

  1. mohammad ali

    D R SIR, U HV. PUBLISHED MANY PEOPLES’ COMMENTS. MOST PEOPLE R PARTY SUPPORTERS & HAVE NO IDEA ABOUT LAW. I THINK A JUSTICE’S VERDICT CAN B COMMENTED BY A JUSTICE, OR REPUTED LAWERS ONLY . OUR PEOPLE HAVE NO KNOWLEDGE ABOUT LAW BUT CRITICISE JUSTICES THANKS . MD.ALI, QATAR.

    Reply
  2. Tofazzal Hossain

    আমি তুরিন আফরোজ সম্পর্কে বলি নি। যারা তাঁর লেখা সম্পর্কে comments করেছেন তাঁদের সম্পর্কে বলেছি।

    Reply
  3. Tofazzal Hossain

    যারা দুটি শব্দও ঠিকমতো শুদ্ধ করে লিখতে পারে না তারাও মতামত দেয় আইন বিষয়ে। সাহস আছে। মোগল পাঠান হদ্দ হলো, ফার্সি পড়ে তাঁতি – এই হল অবস্থা।

    Reply
  4. MD WASIM SARDER MASUM

    Ami mone kori bisar poti right. bisar vibag sadin na thakle dese su sason asbe ki vabe. se jodi kothay kono vul kore khoma chaibe. but ray ok . bangladesher jonogoner jonno.

    Reply
  5. মিজান-উর-রহমান

    আইন বিষয়ে কোন জ্ঞান নাই। সোজা কথা সহজ ভাবে বুঝি। অনেক দাম দিয়ে কেনা এই বাংলাদেশ। সেই দেশের স্থপতির রক্তে যাদের হাত রাঙ্গানো তাদের সাথে কোন বিষয়েই আপোষ হতে পারে না। বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে সিনহার রায়ের পর্যবেক্ষনে যদি আপত্তিকর কিছু থেকে থাকে তবে তা ক্ষমার অযোগ্য এবং এই শেষ সময়ে কেন তিনি অতি উৎসাহী ? এটাকি গ্রীক নগ্ন-নারী মূর্তি অপসারণের ফলে রাগ-বিরাগে ফলাফল !!

    Reply
    • রিপন চাক

      আপনি রায়ের কোথায় বঙ্গবন্ধু কে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য দেখলেন? মূল কথা হল ‍সংসদ সদস্যদের হাতে অভিশংসনের ক্ষমতা না থাকার প্রেক্ষিতে , এই সব মিথ্যাচার করা হচ্ছে।

      Reply
  6. shahriaf

    আমার কাছে সত্য হলো এটা কোন প্রজাতন্ত্রী দেশ না এটা একটা দুমুখো রাজতন্ত্রীয় দেশ। আর দেশ সেটা তো ছিলো বঙ্গবন্ধুর বা জিয়ার, বর্তমানে তাদের উত্তরসূরিদের। উত্তরসূরিরা তা ভাগ করে দিছেন তাদের পিছনে সারাদিন পাম্পার নিয়ে পড়ে থাকা নেতাদের। আর জনগণ? ” সে তো হা হা হা “।
    বিসিএস সরকারি চাকরি পাবার ব্যাবস্থা না হয়ে রাজনীতি করার সার্টিফিকেট হলে ভালো হতো, এতে একটু হলেও পরিবর্ত হবার কথা। লোকে বলে না, মুর্খ বন্ধু থেকে শিক্ষিত শত্রুও ভালো।

    Reply
  7. আলম সাজ্জী

    প্রধান বিচারপতির সুদীর্ঘ রায় কোনদিন পড়ে দেখার সুযোগ হবে না আমার।আর এ রায়ের ফলে বাংলাদেশের জনগন,বিরোধি দল,সরকারি দল কারা কতটুকু লাভবান বা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন সে জটিল অঙ্কও মিলাতে যাব না।আমি শুধু এতটুকু ভেবেই খুশি যে,দেশরত্নরা এমন একজনকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিলেন যার জন্য উনাদেরকে অনেকে গোল্ডেন A+দিয়েছিলেন।অথচ আজ তাদের সেই প্রিয় লোকটার দেয়া রায় মেনে নিতে কত কষ্ট।

    Reply
  8. iqbal ahmed

    পর্যবেক্ষণ আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় সম্রাটের পড়নে কোনো কাপড় নাই ? কারণ পর্যবেক্ষেন দেখিয়ে দেয় যে বাংলাদেশের ইতিহাস, সংবিধান, গণতন্ত্র, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, মালিকানা, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংস্কৃতি সবকে কিভাবে একচ্ছত্রভাবে সম্পূর্ণ আওয়ামীকরণ ও আওয়ামীকরণ করা হয়েছে ? কারণ এটা দেখিয়ে দেয় বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে কিভাবে হত্যা করে একদলীয় স্বৈরশাসন কায়েম করেছে ?

    Reply
  9. iqbal ahmed

    খমতা ছারা মানে মৃত্যু কে ডেকে নেয়া।ঠিক বুঝেছেন। সিনহাকে পদে বসিয়ে সরকার পাগলপ্রায়,,

    Reply
  10. সাঈফ রফিক

    এসব নোংরা রাজনীতি আর কতো করবেন…. রায়ে আপনার লাভ হলে রাতা রাতি উনি মূক্তিযোদ্ধা হয়ে যাই… আর রায়ে আপনার লাভ না হলে সে হয়ে যাই রেজাকার….. রেজাকার রেজাকার বলে আর কতো রাজনীতি পয়দা লূটবেন

    Reply
  11. সাব্বির আহমেদ

    আওয়ামী লীগ যতই অপরাধ করুক না কেন বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের দোহায় দিয়ে সবখানে পার পেতে চায়। আসলে যারা বিএনপি করে তারাও(হয়ত কিছু মানুষ ছাড়া) বঙ্গবন্ধুকে ভালবাসে। দেশ স্বাধীন হয়েছিল যাতে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় আওয়ামীলীগই সেই গণতন্ত্রকে হত্যা করল। বিচার বিভাগকেও নিজেদের স্বার্থে ব্যবহারের প্রয়াসও এখন লক্ষ্যনীয়। সবকিছু নিজেদের কব্জায় নিয়ে দমন পীড়নের রাজনীতি প্রতিষ্ঠায় তারা ব্যস্ত। যা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী।আপনারাই এখন দেশের সবচেয়ে বড় রাজাকার।কারণ রাজার চেয়ারে বসে শোষণের রাজনীতি কায়েম করতে চান।

    Reply
  12. তপন চক্রবর্তী

    ওদের সাথে কি আমাদের তুলনা হয় ্ আমরা বিনা ভোটে চেয়ার দরে রাখি ৃআর ভোটের দিন দশ টা সময় ভোট শেষ করি ৃ আর রাতে বিচারে আগে পুলিশ দিয়ে মানুষ মারি আর সামরিক দের মতো আমরা অন্য কেউ মিছিল সমাবেশ সয্য করতে পারিনা আর তো আমরা মহা সুখে মা বোনদের ধষণ করি ৃযার বিচার আমরা করি না আর তো আমরা নিজের ফাসী হাওয়া লোকদের ছেড়ে দি আমরা তাহলে কোন দেশ টা সাথে তুলনা করলে আপনি সুখে তাকবেন

    Reply
  13. তপন চক্রবর্তী

    ভাগ্য কি আছে সে ভাবনাতে শংকিত সবাই কেননা অপহরন, গুম, খুনের রাজ্যে সাধারন অসাধারন সবাই সমান। রাত পোহালে কোন সংবাদ শুনতে হবে জনিনা, তবে সিনহা বাবুর ডরহীন সিদান্তের প্রসংসা অবশ্যই করতে হবে স্যলুট !

    Reply
  14. Mijanur Rahman

    এই খুনি নুর হোসেন মানেই আওয়ামীলীগ, ধর্ষক তুফান মানে যুবলীগ, আর চাপাতি বদরুল মানেই ছাত্রলীগ

    Reply
  15. প্রতীক বর্ধন

    আওয়ামীলীগ বাংলাদেশেরর গণতন্ত্রকে এমনভাবে নাপাক করছে যে একে ১০০ বার ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুইয়ে দিলেও ছাপ হবে না…

    Reply
  16. পারভেজ সোহেল

    এখন জনগনের কথা বলতেছেন কেন!! ঐদিন জনগনের ভোটে নির্বাচিত হতেন তাহলে জনগন আজ তা বিচার করত।সেদিন জনগনকে লাতি মেরে অবৈধ ভাবে ক্কমতায় বসলেন এবং জনগনের টাকা কে লুটপাট করলেন। ১০ বৎসরে জনগনের জন্য কি করলেন? জনগন আওমীলীগ এবং বি এন পি বুঝে না। জনগন চায় তাদের মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা।

    Reply
  17. অনুপম হক

    যে আদালতের দোহাই দিয়ে খমতা আকড়িয়ে রেখেছেন.সেই আদালতের রায় যখন আপনাদের মনপুত না হয় তখন আপনি সহ সকল চামচাদের লেলিয়ে দিয়েছেন আদালতের বিরুধ্যে.মনে রাখবেন খুব শীঘ্রই সরকার আপনি এবং বিনা ভোটের সংসদ অবৈধ ঘোষনা করে রায় আসছে।।

    Reply
  18. অথর্ব নাথ

    অপেক্ষা আছি কবে যে সত্যি টা মুখ থেকে বাহির হয়ে আসে,যে মানবতার অপরাধে যাদের ফাসিঁ বা সাজাঁ দিছে তা ওনার ক্ষমতার বলে এবং রাজনৈতিক মত বেধের কারণেই তা করছে,,,,

    Reply
  19. অথর্ব নাথ

    পাকিস্থান একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র হতে পারে কিন্তু পরিতাপের বিষয় আপনার হাতে বাংলাদেশের গণতন্ত্র তার চেয়েও ব্যর্থ হয়ে পড়েছে। অবাক লাগে পাকিস্থানের মত একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রের সুপ্রিমকোর্ট যেখানে একজন নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করে নজির সৃষ্টি করতে পারে সেখানে কিছু সত্য বলার অপরাধে আপনারা প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে যেভাবে জিহাদ ঘোষণা করেছেন তাতে সুপ্রিমকোর্টের যেটুকু সম্মান, স্বাধীনতা ছিল তাও ধূলয় মিশে গেছে।
    প্রধান বিচারপতি যথার্থই আক্ষেপ প্রকাশ করে পাকিস্থানের সাম্প্রতিক বিচার বিভাগের স্বাধীনতার দিকে ইংগিত করেছেন। আমরা আসলেই অনেক দূরে আছি একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র থেকে!

    Reply
  20. Nazim Uddin

    সত্য সব সময় তিতা লাগে উনাদের কাছে… অবৈধ ক্ষমতা দখলে রাখতে কতই না কিছু করলেন… জনগনকে বাদ দিয়ে প্রশাসন, আইন আদালত, বিচারক সবি দলীয় করন করলেন… কিন্তু শেষ রক্ষা বুঝি আর হচ্ছে না… প্রধান বিচারপতি যখনি ষোডস সংসধনি বাতিল করলেন তখনি উনাদের পেট মোচড শুরু হয়ে গেছে.. অবৈধ ক্ষমতা হারানোর ভয়ে এখন মন্ত্রী এমপি পাগলের প্রলাপ বকছেন.. এখন তাদেরকে লাগিয়ে নিজেও শুরু করে দিলেন..!!! ক্ষমতার লোভ এত মিষ্টি আপনারা ছাডা কেউ বলতে পারবে না… প্রধান বিচারপতি আগে ছিল নয়নের মনি আর রায়ের পর হয়ে গেল হারামি… এই হচ্ছে আপনাদের কালচার… ক্ষমতার জন্য নোংরামির যত নিছে নামা যায় আপনারা তা করে দেখাচ্ছেন…

    Reply
  21. নাসির

    সংবিধান কে কখন চেন্জ করছে, কারটা বহাল আছে বা নাই এসকল দুচা দুচি বাদ দেন। আমি আওয়ামী, বিএনপি বা জামায়াত চিনি না। আমি চিনি গনপ্রজাতন্রী বাংলাদেশ কে। আমি স্বাধীন আমি এটাই জানি। আমি আপনার চাকর বা দাস নই। সো যেই বলবে গনতন্ত্রের কথা, যে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে আমি তাকেই সাপোর্ট করি। সো ফালতু আলাপ বাদ দেন। হয় আমাদের গনতন্ত্রের সঠিক রাস্তা দেখান, নাহলে রাস্তা ছাড়েন,,,

    Reply
  22. নাসির

    প্রধান বিচারপতি মহোদয় কিন্তু পাকিস্তানকে দেখিয়ে কোন হুমকি স্বরুপ কিছু বলেন নি,,উনি আওয়ামী নেতাদের অযুক্তিক হুমকি ধমকি ও সমালোচনার বিষয়ে বলেছেন,,পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে আদালত অযোগ্য ঘোষণার পরে তার কোন কর্মী বা জনগণ বিচারবিভাগ নিয়ে কোন সমালোচনা করে নি,,

    Reply
  23. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    হ্যা বর্তমানে প্রধান বিচারপতি প্রেসিডেন্ট থেকেও বড় তা প্রকাশ পেয়েছে। এর প্রধান কারণ হচ্ছে প্রেসিডেন্ট বিচারপতিকে যখন নিয়োগ দিয়েছিলেন এবং প্রেসিডেন্ট যে সংবিধানের অধীনস্থ ছিলেন ঐ সংবিধানটা প্রধান বিচারপতি অবৈধ ঘোষণা করার ফলে উনার আগে যে ক্ষমতা ছিল বর্তমানে প্রধান বিচারপতি থেকে কমে গিয়েছে। বর্তমানে সরকারের প্রধান সমস্যা হচ্ছে 153 জন মন্ত্রী যেহেতু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ছিলেন, প্রধান বিচারপতি চাইলে সংবিধানটা অবৈধ ঘোষণা করার পাশাপাশি বর্তমান সংসদ অবৈধ ঘোষণা করতে পারেন। মজার বিষয় হচ্ছে প্রধান বিচারপতি নিরপেক্ষ হওয়া সত্বেও সরকার প্রধান বিচারপতি কে মানুষের কাছে এমন ভাবে উপস্থাপন করতে চান শুধুমাত্র জামাত শিবিরের লোক বলতে বাকি রয়ে গেছে।

    Reply
  24. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    এই রায়ের পর আইনমন্ত্রী/অ্যাটর্নি পাকিদের উদাহরণ দিলেন যে, এটা পাকিস্তান না চাইলেই বিচারপতি অনেক কিছু পারেন? উনারাই তো পাকিদের উদাহরণ আগে টানলেন, এর উত্তরে তো ওই পাকি উদাহরণই আসে,নাকি? দল বিবেচনায় নিয়োগ পেয়েছেন এই কথাও এক মন্ত্রী বললেন, এখন সবকিছু দলীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য না করলেই শপথ ভঙ্গ হয়ে যাবে আর দিনের পর দিন সাংবিধানিক প্রতিটি প্রতিষ্ঠানগুলোতে দলীয় লোক নিয়োগ দিয়ে যে দেশের শাসন/বিচার/গনতন্ত্রকে প্রভাবিত করে এইদেশের মানুষের অধিকার তথা, স্বাধীনতার চেতনাকে হত্যা করা হচ্ছে সেটা কি শপথ ভঙ্গ করে না?

    Reply
  25. মহিউদ্দিন

    কথাগুলো শুনে এটা মনে হলো বাংলাদেশের প্রত্যেকটা নাগরিক আস্ত গাধা!!
    না হলে উনি কি করে এইসব কথা বলতে পারেন??
    জনগনের দোহাই দিয়ে প্রতিটা কথা বলেন,,অথছ তাদের ভোটের অধিকার নিজেই কেড়ে নিয়েছেন!!!
    স্বাধিনতার ৪৬ বছর পর একটা মানুষ পেলাম যে কিনা আইনের শাষন কায়েমের কথা বলে তাকেই দুষমন বানিয়ে দিলেন???
    আমি না শুদু,, আমার দ্বারনা দেশের 90% মানুষের মনের কথাগুলো বিচারপতি বলেছেন!!
    এমনই একজন বিচারপতি এই মহুর্তে দেশে প্রয়জন ছিলো!! যে ১ দিন বেছে থাকলেও বাঙালী হাজার বছর মনে রাখবে!!

    Reply
  26. হাশিম

    প্রধান বিচারপতি কোনক্রমেই পাকিস্হানের সাথে তুলনা করেন নাই।তিঁনি সেদিন এটর্নী জেনারেল কে বলেছেন,সুপ্রীম কোর্টের রায়ের পর্যবেক্ষনের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে সরকারী দলের মন্ত্রী ও বিভিন্ন নেতা যেভাবে ও যে ভাষায় কথা বলেছেন,পাকিস্হানের সুপ্রীম কোর্টের রায়ে নাওয়াজ শরীফ পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেও সেখানে এত সমালোচনা হয়নি।

    Reply
  27. হাবিবুর রহমান

    বিনা ভোটে ক্ষমতায়. আছেন বলেই হুমকি দেবার সাহস পেয়েছে । তারপরও সবাই মেনে নিত যদি দেশে ভয়াবহ দুঃশাসন লুটপাট. না চলতো !!

    Reply
  28. সোহেল রানা

    আহ, কি স্বাধীন আমাদের বিচার বিভাগ!!! নিজামী, সাইদি, কাদের মোল্লা, কামারুজ্জামান,গোলাম আযম দের রায় গুলো কি নিরপেক্ষই না ছিলো!!! জন্ম আমার ধন্য মাগো জন্মেছি হাসিনার এই দেশে!!!

    Reply
  29. মোঃ ইসার

    আওয়ামীলীগ নেতারা তো রিমান্ডের আগেই সব সত্যি প্রকাশ করে দিচ্ছেন!

    প্রমান হলো উনারা রাজনৈতিক বিবেচনায় বিচারপতি নিয়োগ দেন, তবে বিবেচনা অনুযায়ী স্বার্থ না পেলে রাজাকার বানিয়ে দেন!

    Reply
  30. সুমন

    জানামতে, লেখক একটি ট্রাইবুনালের প্রসিকিউটর এবং জনগনের করের টাকায় সরকারি বেতনভুক। তিনি তার পর্যবেক্ষণ আদালতে বলতে পারেন অথবা সরকারকে নোট দিতে পারেন। কিন্তু এভাবে পাবলিকলি বলে তার চুক্তি ভঙ্গ করেছেন বলে মনে হচ্ছে…
    আদালতের রায়ের পর্যবেক্ষণ স্বাভাবিক নিয়মেই এসেছে। হাইকোর্ট এই পর্যবেক্ষণকে রেফারেন্স হিসেবে নিতেই পারে, যদি তা প্রাসঙ্গিক মনে করে। এর নজিরও খুব বিরল নয়। এখানে হাইকোর্ট এর স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হলো কোথায়!
    আমজনতাকে আর হাইকোর্ট না দেখিয়ে নিজের আসল কাজে মনোনিবেশ করুন…

    Reply
    • সাইফ উজ্জল

      হাইকোর্টের বিচারকেরা একটি রায়দিবেন। আর সেই রায় যদি ষোড়শ সংশোধনী মামলার পর্যবেক্ষণের সাথে সাংঘর্ষিক হয়, তাহলে ঐ রায়ের বিপক্ষে আপিল করলে সেখানে ষোড়শ সংশোধনী মামলার পর্যবেক্ষণ অগ্রাধিকার পাবে। এটা হাইকোর্টের বিচারকেরা জানেন!।

      Reply
  31. ফারুক হোসেন

    যারা ইয়াবার গডফাদার,
    যারা শেয়ারবাজার লুটেরা,
    যারা ভুমি দখলকারি,
    যারা ব্যাংক লূটকারি,
    তারাই তাদের মন মতো বিচারক বাদ দিবেন!!!আহা কি সুন্ধর কথা পরান ভরে যায় সবার।।।।

    Reply
  32. musafir

    ইতিহাস বড় কঠিন ও নির্মম । আপনারাও ক্ষমা পাবেননা । পাকিস্তানের লোকরা মানুষ আার বাংলাদেশের মানুষ কি জন্তু জানোয়ার ? এটা হতেও পারে কারন বিগত ৭ বছরে স্বাধীনতা যুদ্ধে যে পরিমান ধর্ষন, গুম, খুন হয়েছে শুনেছি, তার চেয়ে বেশী ধর্ষন, গুম, খুন হয়েছে, কিন্তু বিচার হয়নি । আর এদেশটা আপনাদের পৈতৃক সম্পত্তি নয় । আপনারা যা মনে চায় করবেন । বা এদেশটা ভারতও নয়, যে নানাবাড়ী । যেমন খুশি তেমন করবেন আপনারা । মানুষকে অসহায় করে ফেলেছেন ।

    Reply
  33. নেওয়াজ

    এ দেশের মানুষ ওদের থেকে অনেক বেশী রাজনৈতিক সচেতন । বিনা ভোটে রাইফেল দিয়ে দেশ যেভাবে চলছে এটাকে জনগনের সরকার বলা যাবে না ।

    Reply
  34. ইবনে সাজিদ

    বাংলাদেশ পাকিস্তান নয় ঠিক আছে।পাকিস্তানের মত দেশে আদালতের বিরুদ্ধে সরকার কোন মন্তব্য করার সাহস করে নাই এবং পদত্যাগে বাধ্য হয়েছে।বাংলাদেশে আদালতের বিরুদ্ধে সমাবেশ হয়।এখন বিরোধীদল যদি আদালতের বিরুদ্ধে কিছু করত হাজার হাজার আদালত অবমাননার মামলা হত।

    Reply
  35. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    এটা বাংলাদেশ বলেই একটা বিচারাধীন বিষয় নিয়ে আপনার দলের আইনজীবীরা প্রধান বিচারপতির চেম্বারে সাক্ষাত, আপনি বাসায় গিয়ে ভুরিভোজ সহ সাক্ষাত করতে পারেন । প্রধানমন্ত্রী সহ আপনারা রাষ্ট্রপতির সাথেও একই বিষয়ে কথা বলতে পারেন । মাঠে ময়দানে বিচারাঙ্গন ও বিচারপতি সম্পর্কে মিথ্যা আর অশোভন ভাষায় বক্তব্য বিবৃতি দিয়ে চলছেন । এটা বাংলাদেশ বলেই আপনাদের এসব অপকর্মেও আদালত অবমাননা হয় না ! যে জনগণের দোহাই দিচ্ছেন, সেই জনগণ রায়ের প্রতিক্রিয়ায় অন্দরে মিষ্টি মুখ করছে, বাহিরে পারে না শুধু আপনার ঠেঙ্গারে বাহিনীর ভয়ে ।

    Reply
  36. babor ali

    জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর বিচারকার্য নিয়েও অনেক কথা বলেছেন। দুর্বল সাক্ষী থাকার পরও সরকারের নির্দেশে মীর কাসেম আলীর আপিল ও রিভিউ খারিজ করে দেন। তখনো তিনি আওয়ামী লীগের কাছে একজন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী বিচারপতি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

    কিন্তু, সর্বশেষ একটি রায় আওয়ামী লীগের বিপক্ষে যাওয়ার কারণেই সেই সুরেন্দ্র কুমার সিনহাই হয়ে গেলেন স্বাধীনতা বিরোধী। শান্তি কমিটির সদস্য। তাকে নিয়ে আজ অস্বস্তিতে দিন কাটছে সরকারের।

    Reply
  37. Kapasia Huq

    সেই ‘প্রিয়’ সিনহা যেভাবে এই ‘অপ্রিয়’ সিনহা হলেন

    বিচারপতি অপসারণ সংক্রান্ত সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় ও বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণ নিয়ে চরম অস্বস্তিতে দিন কাটছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের একক নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে, এ কথাটি প্রতিষ্ঠিত করতে আওয়ামী লীগের ৪৫ বছর সময় লেগেছে। এ জন্য তারা উচ্চ আদালতের স্মরণাপন্ন হয়ে একটি আইনও পাস করিয়েছেন। আর ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের পর্যবেক্ষণে প্রধান বিচারপতি বলছেন কারো একক নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয়নি। এরপর ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে একদলীয় সংসদ গঠনের পর থেকেই এনিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের লোকজন। বিগত ৪ বছর ধরেই প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন নিয়ে সরকারকে দেশি ও আন্তর্জাতিক মহলের কথা শুনতে হচ্ছে। এরই মধ্যে আদালতের রায়ে সংসদকে অকার্যকর বলায় চরম বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে সরকার।

    এখন সরকারের মন্ত্রী-এমপি ও সরকারদলীয় নেতাদের যত রাগ, ক্ষোভ ও অভিযোগ সবই প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার ওপর। কারণ, একটি রায়েই তিনি সরকারের সব কিছু উলটপালট করে দিয়েছেন।

    Reply
  38. আকবর

    আমাদের দেশ পাকিস্তান হবে কেন? আমাদের দেশ সব সম্ভবের দেশ । এখানের জোর যার দেশ তারঁ। ঠিক বলছিনা ?

    Reply
  39. আকবরঊদ্দিন

    নেয়বিচার আর নিতির কথা হলে বিশ্বের যেকোন দেশের উদাহরন দেওয়াযেতে পারে, আপনারা খায়রুল হক কে দিয়ে চুপিচুপি বাকশাল কায়েম করবেন রকিব মার্কা ভিনা ভোটে ক্ষমতায় বসে জনগনের মাথায় লবন মরিচ রেখে বড়ই খাবেন আর বাকিরাকি বসে বসে বিচি গোনবে নাকি।

    Reply
  40. KOUSAR ISLAM

    হাইকোর্ট বিভাগ আপিল বিভাগের পর্যবেক্ষণ মাথায় রেখে বিচারিক কাজ সম্পন্ন করবেন ।

    Reply
  41. ABSIDDIQUE

    Mind that Bangladesh and Pakistan are not same. Who appoints Judges of the Supreme Court? Do not appoint Judges from so called “OKIL’. None of the supporters of 16th amendment ever told about the appointment of Judges and their qualification. Only criticizes about 70 article of the constitution. If 70 article is withdrawn, then there will be one Govt. in the morning and another in the evening. Banglais characters are not so pure. Even one Barrister who acted as Amicus cury of the supreme court took money from us for a case but did not participate as he got more money from another case. But never returned the money. How is that character or morality of the so called Barrister as he acted as Friend of supreme court. In Pakistan, Army is behind the supreme court. Army wants and Pakistan supreme acted accordingly. It is Bangladesh, please remember. Thanks

    Reply
  42. কারিমুল

    বাংলাদেশের সবাই এখন আইনের বিশেষজ্ঞ হয়ে গেছে । এর থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার উপায় কি? সবচেয়ে ভাল হয় যারা মন্তব্য করেছেন তাদের জাতীয় বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে দেয়া হোক । সবচেয়ে বেশী ভাল হবে মন্তব্যকারি সকল ভদ্র মহাশয়কে জাতীয় গণপরিষদ সদস্য হিসাবে ক্ষমতা দিয়ে নতুন করে আর একটা সংবিধান রচনা করুক । আর তা না পারলে সবাই কে পাবনা পাঠিয়ে দেয়া হোক । ওরে জ্ঞনীরা মা ছাড়া যেমন সন্তান জন্ম হয় না তেমনি বাহাত্তুরে সংবিধান কেউ চ্যালেঞ্জ অথবা তার মৌলিকতত্ব নিয়ে কেউ প্রশ্নও করতে পারবেনা ।

    Reply
  43. প্রকাশ

    পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট সেদেশের প্রধানমন্ত্রীকে অযোগ্য ঘোষণা করলেও সেখানে কোনও আলোচনা-সমালোচনা হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপরতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। তিনি বলেন, ‘আমরা বিচার বিভাগ ধৈর্য ধরছি, যথেষ্ট ধৈর্য ধরছি।আজকে একজন কলামিস্টের লেখা পড়েছি। সেখানে ধৈর্যের কথা বলা আছে। পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট প্রধানমন্ত্রীকে অযোগ্য করেছেন। সেখানে কিছুই (আলোচনা-সমালোচনা) হয়নি। আমাদের আরও পরিপক্কতা দরকার।’

    Reply
  44. বকুল

    মেকি গণতন্ত্কে মেকি গণতন্ত্র বলবো না তো কি বলবো ? ভূয়াকে ভূয়াই বলতে হবে, ভেজালকে ভেজাল, জালিয়াতিকে জালিয়াতি।

    Reply
  45. বকুল

    প্রধান বিচারপতি তো ঠিকই বলেছেন “মেকি গণতন্ত্র”
    আমাদের দেশে যা চলছে তাকে গণতন্ত্র বলার আগে গণতন্ত্রের সংজ্ঞা পাল্টাতে হবে ! বাংলাদেশে গনতন্ত্র অাছে কিন্তু গনতন্ত্রের চর্চা নেই! বৈধতার সংকট নেই কিন্তু নৈতিকতার সংকটে দেশ নিমজ্জিত। এক কথায়- প্রধান বিচারপতিই সঠিক।

    Reply
  46. বিপ্লব

    প্রধান বিচারপতি ঠিক রায় দিয়েছেন।যখন উনি রাজাকারদের ফাঁসির রায় দিয়েছিল তখন আ লীগ বলেছিল এটা ঐতিহাসিক রায়।আর এখন যে রায় দেওয়া হয়েছে সেটার জন্য বলা হচ্ছে লজ্জা জনক রায়।বিচারপতি কি সরকারের এজেন্ট হয়ে কাজ করবে।

    Reply
  47. বিপ্লব

    ষোড়শ সংশোধনী প্রধান বিচার পতীর রায়, উহা বাংলাদেশের সর্বচচ আদালতের রায়, তার পর যদি আপিলের যায়গা না থাকে, তবে এই রায় দেশ প্রমিক সকল জনতার শীরোধার্য, মানতেই হবে, আর যদি আপিলের যায়গা থাকে তবে প্রয়জনে আপিল করা যেতে পারে। হুমকি ধমকি মত অমতের কি আছে।

    Reply
  48. বেলায়েত হোসেন

    যখন এই বিচারপতি কথিত যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে
    দিলো মৃত্যুদণ্ড দিল, তখন আপনারা খুশিতে মিষ্টি বিলিয়েছেন, আর
    যখন আপনাদের বিরুদ্ধে রায় গেল তখন হয়ে
    গেলো ধৃষ্টতা। এই রায়ে প্রজাতন্ত্রের মালিক
    জনগন খুশি। সাতজন বিচারক চিন্তা ভাবনা করে রায়টি
    দিয়েছেন। সংসদকে
    অপরিপক্ব বলা হয়েছে। কারণ এখানে বিল পাশ কিংবা জনকল্যাণমূলক কাজের
    পরিবর্তে পরনিন্দা-চর্চা আর গান-বাজনার আসর বসে। আপনাদের মত অবৈধ সাংসদদের ক্ষমতায় থাকার ম্যান্ডেট নাই।

    Reply
  49. জাকির

    সরকারের উপর থেকে নীচ পর্যন্ত সবই চোর এবং দুর্নীতিগ্রস্থ, ক্যান্সার হলে যেমন বাঁচার সম্ভাবনা কমে যায়, তেমনি এ সরকারের আয়ুও বেশী আছে বলে মনে হয় না। এ সরকার আর বেশী দিন ক্ষমতায় থাকলে দেশে নীতি নৈতিকতা বলতে কিছুই থাকবে না, কারন সরকার নিজেই একটা অবৈধ ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে আছে।

    Reply
  50. জাভেদ হুসেন

    দেশের আইন ও বিচার বিভাগের প্রতি কতটুকু অবজ্ঞা থাকলে আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এবং যোগাযোগ ও সেতু মন্ত্রী মাননীয় প্রধান বিচারপতির বাসভবনে যেতে পারেন। গায়ের জোরে কাজ করার প্র্যাকটিস ওনারা এতটাই করেছেন যে, কোন কিছুই আর তারা তোয়াক্কা করছেন না। মাননীয় প্রধান বিচারপতির বাসায় যাওয়ার অর্থই হল বিচার ব্যবস্থার উপর হস্তক্ষেপ করা। আল্লাহ জালেমদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করুন।

    Reply
  51. জিন্নুরাইন

    এক সাগর রক্তের বিনিময় বাংলার স্বাধীনতা অানল যারা, অামরা তুমাদের ভূলব না,অামার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো ২১শে ফেব্রুয়ারি অামি কি ভূলিতে পারি,এই কথাগলো বাংলার ১৭কোটি জনগনের রক্তের বিনিময় তৈরী, সত লোকের খুব অভাব,অামরা দিনরাত পরিশ্রম করে দেশটা সুন্দর করতে চাই,সেখানে কেন রাজনিতি হবে সার্থপর, সেখানে কেন দায়িত্ববানদের দায়িত্ববোধ বলতে কিছু থাকবেনা,প্রশাসন কেন অাইনকে পকেটে ভরবে,অাদালত কেন সুবিচার নিশ্চিত করবে না,অসৎ লোকেরা কেন রাজনিতি করবে,অামরা যুদ্ধ করেছিলাম নিপিড়িত অত্যাচারীদের বিরুদ্ধে একটা অনালোকিত মানচিত্র গঠনে,স্বাধীনতার ৪৩বছর পার হলে ও দেশ কেন দুর্নিয়তি মুক্ত গণতন্ত্রীক সরকার পায়নি,যদি একটি বার পূর্ণ মোয়াদি সত সাহসী দুর্রনিতি মুক্ত অভিজ্ঞ কোন গণতন্ত্রীক সরকার দেশ পরিচালনা করত,তাহলে ৪৩বছর পার হয়ে যেত না,অামাদের বাপ দাদার মরার অাগে হয়তো দেখে যেতে পারতেন একটি উন্নত দেশ,বিচার বিভাগের পূর্ন স্বাধীনতা না থাকলে সাধারন জনগন সুবিচার পাবে না,গণতন্ত্র মারা যাবে!

    Reply
  52. জিন্নুরাইন

    আমি পাঠকদের অনুভূতি এবং মতের সাথে সম্পূর্ন একমত। সরকারের সর্বগ্রাসী দুর্নীতি যেভাবে আমাদের সমাজকে ক্ষত বিক্ষত করছে, তাতে সাধারন লোক দিশেহারা, আপনি চাকুরি খুঁজতে যাবেন আওয়ামী লীগের সার্টিফিকেট লাগবে তার উপর মোটা অঙ্কের ঘুষতো আছেই। সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলি কিছু চোর বাটপারের দখলে, ঢাকা ওয়াসায় তাকসিম এ খান নামক এক চোর প্রধানমন্ত্রীর দোহাই দিয়ে আজ প্রায় ১০(দশ) বৎসর যাবৎ এমডি পদে বহাল আছে, কোন নিয়ম কানুনের তোয়াক্কা করে না সে, সরকার দুর্নীতির সুবিধার জন্য নিয়ম বহির্ভূতভাবে একের পর এক তাকে এক্সটেনশন দিয়ে যাচ্ছে, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেও নাকি কোন লাভ হয় না, কারন সে নাকি প্রধানমন্ত্রীর খুব আস্থাভাজন লোক। দেশের সর্বত্রই আজ প্রায় একই অবস্থা, এর প্রধান কারন দেশে জনপ্রতিনিধিত্বমূলক ও কার্যকর সংসদ ও সরকার নেই।

    Reply
  53. সাজ্জী

    শিয়ালের মত একশ বছর বাঁচার চেয়ে সিংহের মত এক বছর বাঁচাও শ্রেয়।
    মাননীয় প্রধান বিচারপতি আপনি আপনার ন্যায়নীতিতে অটুট থাকেন।
    আপনার এই আপোষহীন নীতি আমাদের সিংহের মত বাঁচার অনুপ্রেরনা যোগাবে……..

    Reply
  54. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    মাননীয় প্রধান বিচারপতি আপনি দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং বিচারক সহ সর্বত্র সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় জাতির প্রকৃত অভিভাবক হয়ে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে ন্যায় সঙ্গত এবং যুক্তিযুক্ত ভাবে যে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রদান করেছেন তাতে দেশের ১৭ কোটি জনগণ আপনার প্রতি সন্তুষ্ট। জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পরা দেশপ্রেমহীন ক্ষমতা লোভী রাজনৈতিক স্বার্থবাদী রাজনৈতিক নেতাদের চাপে দেশপ্রেম এবং ন্যায় নীতিবোধ বিকিয়ে দিতে তাদের কাছে নতি স্বীকার করবেন না এটাই আপনার কাছে জাতি আশা করে। আপনি কোন নিদিষ্ট রাজনৈতিক দল, ধর্ম, বর্ণ এবং গোত্রের না; আপনি সমগ্র বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক দল, ধর্ম, বর্ণ এবং গোত্রের মানুষের।
    সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে সময়ে যখন রাজনৈতিক নেতারা যেভাবে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছিল ঠিক তখনই দেশমাতৃকার টানে কোথা থেকে শহীদ জিয়া এসে স্বাধীনতার ঘোষণার পাশাপাশি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়ে অভিভাবকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন; ঠিক একই ভাবে যখন রাজনৈতিক দলগুলো ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছিল ঠিক তখনই আপনি দেশমাতৃকায় অভিভাবকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন বলে আমরা দেশবাসী আপনার কাছে কৃতজ্ঞ বলে আমরা আশা করি আপনি দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ অটুট থাকবেন এবং কারো কাছে নতি স্বীকার করবেন না।

    Reply
  55. হাসান মুয়াজ

    আওয়ামীরা কতটা অগণতান্ত্রিক অসৎ স্বৈরাচারী বাকশালী এই রায়ে তাদের আসল ছোহারা বেরিয়ে আসে। সিনার এতদিন ভালো ছিলো হঠাৎ এখন কেন এত তিতা হৈইলো?

    Reply
  56. মানিক হায়দার

    আপনাদের কথাবার্তা ও প্রধান বিচারপতিকে রাজাকারে ভূষিত করা এসবে দেশের বোকা জনগণও কম অবাক হননি !

    Reply
  57. Annonymous

    Impeachment for proven ‘misconduct or misdemeanor’…….. it’s a long process. The case for impeachment would come up for the consideration of the House after the due process has been followed. How is Article 70 going to affect the process?

    Reply
    • Dhuasha

      Impeachment for proven ‘misconduct or misdemeanor’……..is not dependent entirely on the parliament. The scope of Parliament is limited to ask/propose for consideration. It is really not the parliament who takes the final decision on impeachment. I am pretty sure that Article 70 alone can not impact or affect the process.

      The other thing is the judgment could have waited till the judgment of article 70 which is under review in court already. This would have helped to avoid interference in the sub-judiciary matter.

      Reply
      • annonymous

        You are right. The Pakistani Suupreme Court formed a Joint Investigation Team to investigate allegation against the PM. The JIT comprised of members from the Army and ISI !!!

  58. zhir

    amar mone hoy amader judgesgon Pakistani Supreme court k onusoron korte cheyecen. sekhane supreme court sarajibon military generalder sartho dekhe eseche. mone rakha dorkar Bangladesh r Pakistan ak jinis noy..obadhe MP kena bechar moto kodorjo bishoy porihar korara janna article 70 er cheye valo kono babostha hote parena…kono bicharpoti ainer urdhe noy…jonogon MP der nirbachito korece..tader hatei impeachment power thakte hobe.

    Reply
  59. নুহু মিয়া

    আমরা সাধারণ মানুশেরা কিভাভে জিতবো? এই ধরসন নিপিড়ন? বিচারহিনতা প্রায়ান্ধকার বহু জুগের সমস্যা! একটুমাত্র উত্তরণ চাই। ধন্যবাদ সবাইকে।

    Reply
  60. E A Bari

    It is clear now that we are under duel rule. As a simple citizen of this country I am very much worried that this tag-of-war between two of the most important institutions of our democracy may lead to anarchy! May Allah save the nation.

    Reply
  61. Rafique Bhuiyan M.D.

    They are corrupt judges. So they are very affraid after retiredment ,ll be faced anti corruption organization investigation .So they dickered them self Suprime and above the constitution .

    Reply
  62. ইরফান

    মতামত প্রদানকারী লেখিকা সুপ্রীম কোর্টের একজন বিজ্ঞ আইনজীবি এবং একটি ট্রাইবুনালের প্রসিকিউটর। আইন বিষয়ে উনি লক্ষ কোটি সাধারণ মানুষের চেয়ে পারদর্শী, বিশেষজ্ঞ জ্ঞান রাখেন তাই স্বাভাবিক। সেই ক্ষেত্রে আইনের উৎস হিসেবে নজির বা উচ্চ আদালতের রায়ের গুরুত্বও উনার অজানা থাকার কথা নয়। যেখানে বিশ্বজুড়ে এটি একটা স্বীকৃত আইনের উৎস, এবং সেই ক্ষেত্রে বিশ্বজুড়েই বিচারবিভাগের দ্বারা বিচারবিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হয়! এবং তাও আবার বাধ্যকরী রূপে মেনে নেয়া হয়!

    চমৎকার হাইকোর্ট দেখালেন উচ্চ আদালতের বিজ্ঞ আইনজীবি!

    Reply
  63. নাজমুল হোসাইন

    রায়ের বিরুদ্ধে না হয় রিভিউ করল, কিন্তু জনতার আদালতে এ ক্ষমতালোভী, প্রতারক আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে যে গণজাগরণ ইতেমধ্যো তৈরি হয়েছে সেটা কীভাবে বন্ধ করবে?

    Reply
  64. নাহিদ খান

    এই রায়ের ফলে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ এমনিতেই অবৈধ হয়ে গেছে। বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়েরকৃত রিট পিটিশনের আর শুনানি না করে হাইকোর্ট “৭০ অনুচ্ছেদ অবৈধ” বলে রায় দিয়ে দিলেই ভালো হয়। এই রায়ের ফলে বিচার বিভাগ নিজেদের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করার কোন প্রশ্নই উঠে না।

    Reply
  65. মাসুদ মোস্তফা

    আওয়ামী লীগের ক্ষতি হবে এমন কোনো আইন তারা রাখবে না, তারপর বলবে আমরা কোর্টকে শ্রদ্ধা করি, আইনকে শ্রদ্ধা করি। কারণ এটা তাদের ব্যবহারের আইন, তাই তারা শ্রদ্ধা করে।

    Reply
  66. সুবল চাকমা

    এখন নিশ্চিত যে সরকারের বিরুদ্ধে ও সরকারের কাজে আর কেউ কথা বলবে না। ভিশন ২০৪১ নিশ্চিত। রিভিওতে রায়টা পরিবর্তন হবে তা ১০০% নিশ্চিত। এখন শুধু আফ্রিকান শাসন বাকি। যেভাবে চালাবে সবাইকে সেভাবেই চলতে হবে নইলে পুলিশতো আছেই গুম করে দেওয়ার জন্য।

    Reply
  67. সিরাজ

    সিরাজ পাটওয়ারী সরকার উচচআদালত নিয়ে যে তামাশা করার চেষ্টা করছে—তা তাঁদের জন্য ক্ষতিকর মানুষ প্রতিবাদ করতে পারছে না সত্য কিন্তু অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে—-ভবিষ্যতে ভালো ফলাফল আশা করা যায় না—–

    Reply
  68. তোফায়েল

    রায় নি‌য়ে রাজ‌নিতী না ক‌রে সবাই কে অাদাল‌তের প্র‌তি সন্মান দেখা‌নো উ‌চিত ।তা‌তে দেশ সন্মা‌তিত হ‌বে।রা‌য়ের পর্য‌বেখ‌ন বাস্ত‌বা‌য়িত হ‌লে বঙগবন্ধু সোনার বাংলা বাস্তবা‌য়িত হ‌বে।‌ #রায় নি‌য়ে সা‌বেক বিচার প‌তি খায়রুল হ‌কের বক্ত‌ব্যের ব্যাখ্যা চাওয়া উ‌চিত।

    Reply
  69. মোশাররফ

    এই রায় নিয়ে সরকার বা সরকারি লোক যে কথা বলছেন, তাতে মনে হচ্ছে , সরকারের স্বাস নিতে খুব কষ্ট হচ্ছে। এই দেশ টাকে নিজের পৈত্তৃক সম্পত্তি মনে করতেছে।

    Reply
  70. azadur

    আমরা সরকার থেকে এ শিক্ষা পেলাম যে, কারো কোর্টের রায় অপছন্দ হলেই জজ,অথবা বিচারপতির বাসায় মিস্ঠি নিয়ে গেলেই এর সমাধান হবে । আর এটাই জনগন শিখছে । পরবর্তীতে সবাই এটাই করবে ।

    Reply
  71. Badrul Alam

    এ রায়ে অগণতান্ত্রীক অশুভ শক্তির পরাজয় হয়েছে,যারা ক্ষমতা কুক্ষিগত করার জন্য,পিউর ফেয়ার,নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে বিনা ভোটে চাল চতুরতায় ক্ষমতায় থাকতে চায় তাদের জন্য একটা চপেটাঘাত।

    Reply
  72. রোমান

    এই প্রথম
    কোন প্রধান বিচারপতি সরকারের গ্রাস থেকে
    বেরিয়ে নিজের হ্যাডাম দেখিয়েছেন।

    Reply
  73. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    এ রায়ে আওয়মিলীগ পরাজিত।যারা মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে, স্বাধীনতার কথা বলে, আইনের শাসনের কথা বলে তারাই মুক্তিযুদ্ধ,স্বাধিনতা,আইন মানেনা । আমরা এ প্রজন্ম কি দেখছি, এসব সব ভূয়া মিথ্যা আওয়ামিলীগের একটা সীমা থাকার দরকার।প্রধান বিচারপ্রতিকে হুমকি ধুমকি পরবর্তিতে তার সাথে দেখা করা হাস্যকার, আসলে এরা বেয়াদব,! জাতি জেনেছে আবার ক্ষমতায় আসার জন্য অনেকটা তৎপর মরিয়া হয়ে উঠেছে।অতপর অবশ্যই হারাবে আওয়ামিলীগ।আবার রিভিউ করবে কেউ বলে বিচারপতি অবসরে গেলে, কেউ বলে ৩০ দিনের মধ্যে আ হা রে কি অস্তির, বেচারা রা টেনশনে।আজ হোক কাল হোক প্রতিশোধের আগুনে জ্বলেপুড়ে ছারখার হবে আওয়ামিলীগ।

    Reply
  74. ABSIDDIQUE

    Explanation of T.Afropz is acceptable. Every body is telling about 16th amendment and about 70 article of constitution. Who appoints Judges and what was their qualification. Why Judges are appointed from pleader that is OKIL? Nobody tells anything about that. Rather criticizing the qualification of MP. Stop appointment of Judges from OKIL. In Butan, if some body wants to be MP, He or she must be graduate. Why not in Bangladesh the qualification of MP must be graduate as education is 70 %. Better suggest in this way so that Tofan Or Matin Sarker can not be formed. Thanks.

    Reply
  75. পাপড়ি কাউছার

    পাকিস্তানি সুপ্রিম কোর্ট প্রধানমন্ত্রী কে বিচার করেছে, এই দেশে কি সম্ভব

    Reply
    • Stupid-Buster

      The way supreme court of Pakistan removed its PM – was that correct?
      Many expert proved that Pakistan supreme court has a key in its back which is only controlled by Paki-Army.
      Do you want to have the same key in the back of Bangladesh supreme court?

      Reply
      • Annonymous

        The Supreme Court of Pakistan formed a six-member Joint Investigation Team (JIT) comprising of members from the civilian institution as well as from the military intelligence and ISI to investigate the allegation against the Prime Minister ……… this is the rule of law and independence of judiciary in Pakistan ?????

    • আন্দালিব

      নওয়াজ শরীফ তো পদত্যাগ করলেন।আর এই রায় যদি বাংলাদেশে হত এতক্ষনে বিচারপতি ‘গুম’ হয়ে যেত।

      Reply
  76. কামাল পাশা

    ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাকি বলেছেন: “দিল্লির সঙ্গে গভীর সম্পর্ক ঢাকা এখন উপভোগ করছে”।
    ক্ষমতা, সুবিধা, পুরস্কার আর অর্থ পেয়ে এখানকার অল্প কিছু মানুষ এটি হয়তো উপভোগ করছে। কিন্তু বাকী ৯৯ শতাংশ মানুষ এই সম্পর্কের ধরনাটাকে বরং ঘৃণা করছে।

    Reply
  77. কবির

    খায়রুল হক তত্ত্বাবধায়কের “তত্ত্বাবধায়ক সরকার অবৈধ ও অসাংবিধানিক কিন্তু আরও দুটার্ম এ রকম সরকারের অধীনে নির্বাচন করা যেতে পারে” – রায় দিল। অথচ সব এ্যামিকাস কিউরিগন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষে মতামত ব্যাক্ত করছিলেন। অন্যদিকে উনার জাজমেন্টি সর্বসম্মত ছিলনা, মেজরিটিতে হয়েছে। উনার এই জাজমেন্টকে ভিত্তি ধরে হাসিনা এগিয়ে গেল নিজের শাসন ব্যবস্থাকে পাকাপোক্ত করতে। ফলাফল হল- খায়রুল হক আইন কমিশনের প্রধান হল, হাসিনার শাসন ব্যবস্থা দীর্ঘায়িত হল, গনতন্ত্র নির্বাসনে গেল, ভোট ছাড়া সরকার গঠনের প্রয়জনীয় সাংসদ নির্বাচনের পনের দিন আগে নির্বাচিত হয়ে বসে থাকলেন, আগুনে পুড়ে ছাড়কার হল দেশের জনগন ও সম্পদ, গোপন হত্যার শীকার হল বিরোধী নেতা কর্মীরা, হাজার হাজার মানুষ কারাগারের অন্ধ প্রকোষ্টে নিক্ষিপ্ত হল, জবাবদিহীতা বন্ধ হল, দূর্বল সরকার প্রতিষ্টা হল-ফলে বিদেশীদের দাপট দেশে প্রতিষ্টিত হল, ঘরে ঘরে কথিত হাওয়া ভবন তৈরী হয়ে দূর্নীতি প্রাতিষ্টানিক রূপ পেল।
    যার এক রায়ে এতকিছু হল, তিনি প্রজাতন্ত্র নিয়ে কথা বলে- একটি সর্বসম্মত রায়ের বিরুদ্ধে। সত্যিই সেলুকাস, বিচিত্র এই দেশ!

    Reply
    • বাঙাল

      বিচারপতি খায়রুল বিচার বিভাগকে দলিয় ও রাজনৈতিক করনের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। বিএনপি তত্বাবোধক সরকারের প্রধান হিসাবে প্রধানবিচারপতিকে বিধান রাখার সুযোগে বিচার বিভাগে জোট সরকার আমালে সব বিচারপাতি নিয়োগই রাজনৈতিক বিবেচনায় দেয়া হয়েছিল। যে কারনে আমাদের হাইকোর্টের একজন বিচারপতি আজ হেফাজতের লিফলেট তাদের সহকর্মিদের মধ্যে বিতরন করার মত কাজ করতে পেরেছেন। যদি তত্বাবোধক সরকারের বিধান বাতিল না হত তবে বিচারপাতি খায়রুল হকই পরবর্তি তত্বাবোধক সরকারের প্রধান হতেন। তিনি নিজেকে এই সেই পদ থেকে বঞ্চিত করে দেশের বৃহৎ স্বার্থে সঠিক রায় দিয়েছে। আর আপনার জানা উচিত তত্বাবোধক সরকারে বিধান হাইকোর্ট বাতিল করছিল। সেই রায়ের বিরুদ্ধে যখন আপিল হয়, তখন অাপিলেট ডিভিসনের শুনানিতে অন্যান্য বিচারকের মত, তৎকালিন প্রধানবিচারপতি খায়রুল হকও অংশগ্রহন করেন। যে বিষয় সঠিক ভাবে জানেন না সেই বিষয় নিয়ে মন্তব্য করবেন না। আর তত্বাবোধক সরকার ব্যবস্থার শালিনতা ছিনতাই করেছিল বিএনপি, – ২০০১ এ বিচারপাতি লতিফুর রহমান বিএনপি-জামাত জোটের পক্ষে যে ভাবে কাজ করেছিল, তা ছিল অসততা, নিলজ্জতা ও বেহায়াপনার চুরান্ত উদাহরন। ২০০১ সালের নির্বাচনের আগে ও পরে সংখ্যলঘু সম্প্রদায়ের উপর বিএনপি-জামাত জোট যে নারকিয় অত্যাচার হয়েছিল তা বিচারপাতি লতিফুর রহমানের প্রতক্ষ্য মদদে। তারপর ২০০৬ সালে প্রধান বিচারপতি কে এম হাসানকে প্রধান উপদেষ্টা করার লক্ষ্যে ওই সময় বিএনপি সরকার বিচারপতিদের অবসরের বয়স দুই বছর বাড়িয়ে দেয়। কে এম হাসান ছিলেন একসময় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা। তিনি বঙ্গবন্ধুর এক খুনির আত্মীয়। তারপর বিএনপি অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ এর অধিনে যে তত্বাবোধক সরকার গঠনের করায় তার কারনেই ১/১১ এর সৃষ্টি। এতোকিছুর পর আর তত্বাবোধক সরকার ব্যবস্থার যৌতিকতা থাকে না।

      Reply
  78. কৌশিক

    এবিএম খায়রুল হক ৫ম সংশোধনী বাতিল করার সময় সামরিক শাসকদের সব বিধান বাতিল করে শুধুমাত্র সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল রেখে দিয়েছিলেন।এটা মার্জনা করেছিলো।বিচারক অপসারণ ক্ষমতা সংসদকে দেয়নি।এখন অাবার এটার বিরুদ্ধে বলতেছে কেন!!!সরকার থেকে অারো কিছু পাওয়ার জন্য।

    Reply
  79. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    আদালত অবমাননা কারে কয়?

    ১. মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী-
    ‘এই রায় একটা ষড়যন্ত্রের অংশ।’ ‘সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার ঘোষনা।’ ‘আইনমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানানোর নির্দেশনা।’

    ২. স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন-
    ‘সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর রায়ের পর্যবেক্ষণে প্রধান বিচারপতি বঙ্গবন্ধুর প্রতি কটাক্ষ করার ‘ধৃষ্টতা’ দেখিয়েছেন।’ এ রায়ে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ব্যাপকভাবে অসাংবিধানিক ও অনৈতিক কথাবার্তার অবতারণা করেছেন মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘এমনকি রায়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়েও কটাক্ষ করতে দ্বিধা করেননি, আমরা ধিক্কার জানাই।’

    ৩. আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সংবাদ সম্মেলনে-
    ‘এ রায় আবেগ ও বিদ্বেষতাড়িত।’

    ৪. খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম-
    ‘প্রধান বিচারপতির অপসারণ দাবি। নইলে আগামী মাস থেকে তার অপসারণ দাবিতে টানা আন্দোলনের ঘোষণা।’ ‘মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের সঙ্গে আঁতাত করে বেশি দিন এই মসনদে থাকতে পারবেন না।’

    ৫. অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত-
    ‘আদালত যতবার ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করবে, আমরা ততবার সংসদে বিল পাস করব। তা আমরা অনবরত করতে থাকব। দেখি জুডিশিয়ারি কত দূর যায়।’
    ‘জুডিসিয়াল কন্ডিশন আনটলারেবল। সংসদের উপর তারা পোদ্দারি করবে। এদেরকে আমরা চাকরি দেই।’

    ৬. বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ-
    ‘যারা বর্তমানে বিচারকের আসনে বসেছেন, তারা ইম-ম্যাচিউরড।’

    ৭. স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম-
    ‘আদালতের হাত এত বড় লম্বা হয়নি যে সংসদ ছুঁতে পারে।’ ‘সংসদ নিয়ে ধৃষ্টতা দেখানোর অধিকার কারও নেই।’

    ৮. গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন-
    প্রধান বিচারপতিকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনি মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তির সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে যা বলছেন, তা ঠিক নয়। বাংলার মানুষ জানে, আপনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।’

    Reply
    • খন্দকার শওকত আলী

      Article 70 যদি উচ্চ আদালতে কর্তৃক বাতিল হয় তবে এদেশের সংসদ সদস্যগণ খুব বেশি স্বাধীন হতে পারে। কারন স্বাধীনতার বয়স যতই হোক না কেন আমাদের সংসদিয় Practice খুব একটি সুখকর নয় কেননা 75 পরে দেশ দীর্ঘদিন সামরিক শাষনে ছিল এবং তারপরে জনগনের নির্বাচিত সরকারের হাতে আসলেও শাসনের প্রকৃতি কিন্তু একইরকম দেখা যায় যদিও আওয়ামী চেষ্টা করেছিল কিন্তু সামরিক সরকার কর্মকাণ্ড অনেকটা জনগণকে অন্যায় প্রবণতা মূলক কাজে অভ্যস্ত করে ফেলেছে তাই হুট করে তা বন্ধ করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশ সরকার কিন্তু অর্থনৈতিক দিক দিয়ে কোন উন্নত দেশের সাথে তুলনীয় নয় তাই নুন আনতে পান্তা সুরাতের সংসারে যদি সংসদ সদস্যের দ্বারস্থ হতে হয় তবে সরকার প্রধান অসহায় হয়ে পড়তে পারে। তাই আরও কয়েক Term 70 article বলবত থাকা উচিত ।

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—