Dhaka University  - 111

১৫ আগস্ট বাংলাদেশের জন্য এক শোকাবহ দিন। পঁচাত্তরের এই দিনের প্রথম প্রহরে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে সপরিবারে হত্যা করা হয় জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানকে। শিশুপুত্র রাসেল, সারাজীবনের অনুপ্রেরণাদায়িনী সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব এবং পরিবারের অন্য সকল সদস্যসহ ঘাতকের নির্মম বুলেটে নিহত হন তিনি। বিদেশে অবস্থানের কারণে বেঁচে যান তাঁর দুই কন্যা, শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।

তাঁর মৃত্যু ছিল বিশ্বাসের মৃত্যু। কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন কোনো বাঙালি তাঁকে হত্যা করতে পারে না। হত্যাকারীদের অনেকেই ছিল তাঁর পূর্বপরিচিত, স্নেহভাজন। ৩২ নম্বর বাড়িতে তাদের ছিল নিত্য আসা-যাওয়া। কী নির্মম এই হত্যাকারীরা। যে দরজা দিয়ে তারা স্নেহের অন্বেষণে প্রবেশ করেছে বহুবার, সেই একই দরজা দিয়ে প্রবেশ করেছে হত্যাকারী হয়ে!

হত্যাকারীর বন্দুকের মুখে অবিচল ছিলেন বঙ্গবন্ধু, যেমনটি তিনি ছিলেন পঁচিশে মার্চের রাতে। সেনাপ্রধান শফিউল্লাহর কাপুরুষোচিত পরামর্শে কান না দিয়ে প্রত্যয়দীপ্ত ব্যক্তিত্বে তিনি এগিয়ে যান ঘাতকদের দিকে। একজন ঘাতক বন্দুক লুকিয়ে ফেলে এই বিশাল ব্যক্তিত্বের সামনে। অপর ঘাতকের নির্বোধ বুলেটের ঝাঁক বিদ্ধ করে বঙ্গবন্ধুর শরীর। সিঁড়িতে লুটিয়ে পড়েন তিনি– এক মুহূর্ত বেশি বাঁচার আকাঙ্ক্ষার ভঙ্গিতে নয়, হতাশা আর বেদনার ভঙ্গিতে।

এ বেদনা নিজেকে নিয়ে নয়, তাঁর মানুষদের নিয়ে। এ হতাশা এক মহাযাত্রায় তাদের অভিভাবকহীন ফেলে যাওয়ার হতাশা। মহাপ্রস্থানের পথেও তিনি বেদনার চোখে পেছন ফিরে তাকিয়েছেন তাঁর সাত কোটি মানুষের দিকে। সিঁড়িতে পড়ে থাকা তাঁর পবিত্র শবদেহের দিকে তাকালে এমনই মনে হয়।

১৫ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে চিরকাল এক রক্তাক্ত অধ্যায় হয়ে থাকবে। জাতির পিতার নির্মম হত্যাযজ্ঞের দিন হিসেবে সমগ্র জাতির শোকের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শোক ও বেদনা আরও বেশি। কারণ সেদিন বঙ্গবন্ধুর আসার কথা ছিল এখানে। উপলক্ষ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভোকেশন। দেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে সনদ বিতরণ করার কথা ছিল তাঁর। এটাই ছিল স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম কনভোকেশন। ঘাতকের নির্মম বুলেট থামিয়ে দিল বাংলাদেশকে। স্তব্ধ হয়ে গেল শ্রাবণের বৃষ্টি। এই বারিধারা কোথায় ধুয়ে নিয়ে যাবে বঙ্গবন্ধুর রক্তস্রোত!

১৪ আগস্ট রাত পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং ডাকসুর নেতারা ব্যস্ত ছিলেন কনভোকেশনের আয়োজন ও সাজসজ্জায়। রাতের কোনো এক সময় তৎকালীন ডাকসু ভিপি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম সদ্যবিবাহিত শেখ কামালকে বলেছিলেন বাসায় চলে যেতে। সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র শেখ কামাল মৌখিক পরীক্ষা শেষ করে এমএ ক্লাসের ফলাফলের জন্য দিন গুনছিলেন। সেলিম পরে দুঃখ করে বলেছিলেন, তিনি যদি সেদিন শেখ কামালকে বাসায় যেতে না বলতেন তাহলে হয়তো তিনি বেঁচে যেতেন।

বঙ্গবন্ধু সেদিন ক্যম্পাসে এলে যে কজন শিশুর তাঁকে ফুল দিয়ে বরণ করার কথা ছিল তাদের মধ্যে শেখ রাসেলেরও থাকার কথা। আহা! ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র রাসেল ছিল ঘাতকদের নির্মমতার সর্বশেষ শিকার।

 

Sheikh Russel - 111
ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র রাসেল ছিল ঘাতকদের নির্মমতার সর্বশেষ শিকার

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র অধ্যাপকদের বরাতে জানা যায় যে, তৎকালীন উপাচার্য আবদুল মতিন চৌধুরী যখন কনভোকেশনের জন্য বঙ্গবন্ধুকে দাওয়াত দিতে যান তখন তিনি বিনয়ের সঙ্গে বলেছিলেন, তাঁকে বাদ দিয়ে কোনো জ্ঞানীগুণী ব্যক্তিকে দিয়ে সনদ বিতরণের কাজটি করতে। বঙ্গবন্ধু নিজেকে সাধারণ শিক্ষিত লোক মনে করতেন। উপাচার্য মতিন চৌধুরীও বিনয়ের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করিয়ে দেন যে, দেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনিই চ্যান্সেলর এবং সমাবর্তন তাঁর উপস্থিতি ছাড়া হতে পারে না।

উপাচার্য চৌধুরীর সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর সম্পর্ক ছিল পারস্পরিক শ্রদ্ধার ও হৃদ্যতার। বয়সে তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধুর চেয়ে ছোট। প্রথম পরিচয়ের দিন থেকেই বঙ্গবন্ধু অধ্যাপক চৌধুরীকে ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করতেন। শিক্ষিতজনদের প্রতি বঙ্গবন্ধুর সম্মানবোধ ছিল উচ্চ। দুজনের প্রথম সরাসরি পরিচয় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী আবদুল মতিনের করাচির বাসায়, ১৯৬৯ সালে। প্রকৌশলী মতিন জানিয়েছেন, বঙ্গবন্ধু আরও কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতাসহ তাঁর করাচির বাসায় এসেছিলেন। সেখানে প্রফেসর মতিন চৌধুরীসহ তাঁর আরও কজন বন্ধু উপস্থিত ছিলেন। বঙ্গবন্ধু প্রফেসর মতিন চৌধুরীকে ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করে অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে আলাপ শুরু করেন।

অধ্যাপক আবদুল মতিন চৌধুরী মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানে বন্দি ছিলেন। ১৯৭৩ সালে দেশে ফিরে এলে বঙ্গবন্ধু তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব প্রদান করেন। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে, বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর এই অসাধারণ উদারহৃদয় বঙ্গবন্ধুভক্ত শিক্ষককে কারাগারে নিক্ষেপ করে জিয়াউর রহমানের সামরিক সরকার। স্বাধীন বাংলাদেশে কোনো উপাচার্যের কারাগারে যাওয়ার ঘটনা এই প্রথম।

যে কনভোকেশন বঙ্গবন্ধুর হৃদয়বিদারক হত্যাকাণ্ডে স্থগিত হয়ে গেল, সেটির ব্যয় নির্বাহের জন্য অন্য খাত থেকে কিছু অর্থ খরচ করেছিলেন অধ্যাপক মতিন। সেটা তিনি করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের অনুমতি সাপেক্ষেই। এ রকম একটি সাধারণ বিষয় সরকারি অর্থের তছরুপ হিসেবে গণ্য করে সামরিক ট্রাইব্যুনালে বিচারের আয়োজন করা হয় উপাচার্য মতিন চৌধুরীর। দণ্ড দিয়ে তাঁকে কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়। অনেকেই মনে করেন যে, অর্থ এখানে বড় বিষয় ছিল না, বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালোবাসাই উপাচার্য অধ্যাপক মতিন চৌধুরীকে কারাগারে নিক্ষেপের মূল কারণ।

আমার সারাজীবনের অমীমাংসিত বিস্ময় এই যে, সেই সামরিক ট্রাইব্যুনালে অধ্যাপক মতিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন প্রখ্যাত পণ্ডিত সর্বজনশ্রদ্ধেয় অধ্যাপক আহমদ শরীফ। শরীফকে সবসময় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোক বলে জেনে এসেছি। আজীবন সেক্যুলার এই অধ্যাপক মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস নিতেন, ইয়াহিয়ার সামরিক সরকারকে দেখানোর জন্য। যদিও ক্লাস করার মতো কোনো শিক্ষার্থী তখন ক্যাম্পাসে ছিল না।

পরে তিনি বলেছিলেন, পরিবারের চাপে ও জীবন রক্ষার তাগিদে তিনি এটা করতেন। মুক্তিযোদ্ধা ছাত্র এবং শিক্ষকরা তাঁর এই ব্যাখ্যা গ্রহণ করেছেন। কিন্তু অধ্যাপক মতিনের বিরুদ্ধে তাঁর সাক্ষ্যদানের প্রসঙ্গে প্রশ্ন জাগে মনে, জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসনের সময়ও কি তাঁর জীবনাশঙ্কা ছিল?

বঙ্গবন্ধুর বিদেহী আত্মার কাছে নতমস্তকে দাঁড়িয়ে বলি, আপনার সারাজীবনের ত্যাগ আর রক্তের ঋণ আমরা শোধ করতে পারিনি। যে কোনো মুল্যে আপনার রক্তের ঋণ শোধ করবই। রক্তের ঋণ শোধ করা ছাড়া রক্তের উত্তরাধিকার হওয়া যায় না। আমরা শুধু বাংলাদেশ পাইনি, আপনাকে আরও বেশি পেয়েছি। এই পলিমাটির বদ্বীপ হয়তো একদিন ভাঙনে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। আমাদের কোনো ভূমি থাকবে না। আমরা বাস করব নৌকায়। তারপরও আমরা আমাদের তখনকার সংগ্রামের দিনগুলোতে আপনাকে স্মরণ করব।

আমরা বলব, আমাদের একজন নেতা ছিলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি আমাদের সংগ্রাম করতে শিখিয়েছেন, স্বাধীনতা শিখিয়েছেন।

জহিরুল হক মজুমদারঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক।

১২ Responses -- “একটি রক্তমাখা স্থগিত কনভোকেশন এবং একজন বঙ্গবন্ধু”

  1. মিজান-উর-রহমান

    লেখককে তাঁর অসাধারন এই লেখাটির জন্য শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

    Reply
  2. মিজান-উর-রহমান

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাহসী বন্ধু কে বলছি : আজকের দিনে এটাই সত্য এবং বাস্তব যে, নারায়নগঞ্জে সাত খুণনর বিচার হয়েছে। সেখানে বর্ত মান সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রীর জামাতাও রেহাই পায় নাই; তারও ফাঁসির আদেশ হয়েছে। সুতরাং আর আবোল তাবোল বলার সুযোগ নেই কিন্তু।

    Reply
  3. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যা করার পর, কর্নেল তাহেরের মন্তব্য ছিল;
    ‘ওরা বড় রকমের একটা ভুল করেছে। শেখ মুজিবকে কবর দিতে এ্যালাও করা ঠিক হয়নি। এখনতো সেখানে মাজার হবে। উচিৎ ছিল লাশটা বঙ্গোপসাগরে ফেলা দেওয়া।’
    একজন মুক্তিযোদ্ধার মুখে মাত্র ৪ বছরের মাথায় মুক্তি আন্দোলনের সর্বোচ্চ নেতার ব্যপারে এরকম দৃষ্টিভঙ্গি কি কেবলি রাজনীতিগত? ক্ষমতার লড়াই? আদর্শিক? এই প্রশ্নগুলোই তরুণ প্রজন্মের অধ্যয়ন জরুরী।মর্সিয়া ক্রন্দন করে কোন লাভ নেই।কাউকে নায়ক বা ভিলেনও বানানোর দরকার নেই, কেননা আমরা জানি কে নায়ক আর কে ভিলেন।আমাদের দরকার ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে আগানো।

    Reply
  4. পাপড়ি কাউছার

    রক্ষীবাহিনীর উপপরিচালক আনোয়ারুল আলম এর বই ‘রক্ষীবাহিনীর সত্যমিথ্যা’তে তিনি বরিশালের ওই আনন্দ মিছিলের কারণটি লিখেছিলেন। তিনি লিখেছেন- বরিশালের নির্যাতনকারী আওয়ামীলীগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার খুশিতে তারা আনন্দ মিছিল করেছিল, বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার কারণে করে নাই।

    Reply
  5. Jesmin Sultana

    মনে করুন, ১ লোকের ছেলে-মেয়েরা সমাজে খুব নির্যাতন করে, তার জন্য কি আমরা ঐ লোকটাকে মেরে ফেলব? এটি কোনো আদিম সমাজেও কি কখনো ছিল?কোন বেকুব এই কাজকে মেনে নিবে? জি, আমরাই সেই বেকুব যারা বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার কারণে আওয়ামী লীগের নির্যাতনের হাত থেকে মুক্তি পেলাম ভেবে খুশি হই।

    Reply
    • Stupid-Buster

      মগজের তার গুলো উল্টোপাল্টা ভাবে পেঁচিয়ে গেলেই এমন কথা মুখ থেকে বের হয়!
      সুস্থহবার জন্য দোয়া রইল!!

      Reply
  6. babor ali

    প্রতিটি বাঙালির ভেতরে একজন মীর জাফর বা জগৎ শেঠ জেনেটিক্যালি বাস করে, আর করে একজন যাত্রার বিবেক, যে মাঝে মাঝে আবির্ভূত হয়ে হাক দেয় – ‘সব মীর জাফরের দল।’

    Reply
  7. শিশির ভট্টাচার্য্য

    এই লেখা ভূমিকাতেই শেষ হয়ে গেল। জনাব মজুমদারের কাছে আমরা পূর্ণাঙ্গ লেখা আশা করি।

    Reply
  8. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    আজকের দিনের সাথে যদি আমি তুলনা করি তাহলে দেখবেন- এই যে বগুড়ার তুফান সরকারের ঘটনা; তুফান সরকার কিন্তু আমাদের রাজনীতিতে ম্যাটার করে না, তবুও তার যে অপরাধ- সেই দায় কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর উপরই বর্তায়। গালিটা মানুষ তুফান সরকারের বদলে শেখ হাসিনাকেই বেশি দিচ্ছে। ওই সময়ও বিভিন্ন জায়গায় এই রকম শত শত হাজার হাজার তুফান সরকাররা ছিল এবং তাদের সবার দায় গিয়ে বঙ্গবন্ধুর উপরে পড়েছে।…বরিশাল শহরে সেদিন আনন্দ মিছিল হয়েছিল, কয়েক হাজার লোক সেখানে অংশ নিয়েছে। রক্ষীবাহিনীর উপপরিচালক আনোয়ারুল আলম এর বই ‘রক্ষীবাহিনীর সত্যমিথ্যা’তে তিনি বরিশালের ওই আনন্দ মিছিলের কারণটি লিখেছিলেন। তিনি লিখেছেন- বরিশালের নির্যাতনকারী আওয়ামীলীগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার খুশিতে তারা আনন্দ মিছিল করেছিল, বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার কারণে করে নাই। তার মানে আওয়ামীলীগের লোকরা এই পরিস্থিতি তৈরি করেছিল সারা দেশব্যাপী, যার জন্য মানুষ তাদের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছিল।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—