National flag - 30

দৃশ্যপট: এক

আমি খুব বেশি ধার্মিক নই, তবে অবশ্যই ধর্মভীরু। এবার উলান বাটোর থেকে রওনা হবার আগের রাতে জিনিসপত্র গুছাতে গিয়ে হঠাৎ দেখি পাসপোর্ট হাওয়া। বিদেশে পাসপোর্ট হারানোর বিড়ম্বনা যে কী তা ভালোই জানা আছে। বছর তিনেক আগে অ্যামসটারডামে যাবার পথে ইস্তাম্বুল বিমানবন্দরে পাসপোর্ট হারিয়ে ৩৬ ঘণ্টা আটকে ছিলাম। যথেষ্ট আর্থিক এবং সেই সঙ্গে মানসিক ভোগান্তির পর ইস্তাম্বুলের বাংলাদেশ কনসুলেট আন্তরিক সহায়তায় একটা ট্রাভেল ডকুমেন্ট যোগাড় করে সেবার দেশে ফিরেছিলাম।

উলান বাটোরে আমাদের দূতাবাস নেই। সবচেয়ে কাছের বাংলাদেশ দূতাবাস বেইজিংয়ে। টেনশনে ঘাম ঝরছে। জিনিসপত্র, সুটকেস, ডাস্টবিন সব ওলট-পালট করছি। হঠাৎ মনে পড়ল সন্ধ্যায় আমার ন্যাসভ্যাক গবেষক ডা. ফজলে আকবরের রুমে বেশ কিছুক্ষণ আড্ডা দিয়েছিলাম। মনে আছে মানিব্যাগটা পকেট থেকে গড়িয়ে সোফায় পড়েছিল।

রাত তখন যথেষ্ট। ডা. ফজলে আকবরের ফিরতি ফ্লাইট অনেক সকালে। তবু তাঁকে ফোনে ঘুম থেকে তুললাম। দরদর করে ঘামছি আর জোরে জোরে পড়ে চলেছি ‘ইন্নালিল্লাহি… … রাজিউন’। ইস্তাবুলের ঘটনার পর আম্মা শিখিয়েছিলেন কোনো কিছু হারিয়ে গেলে এই দোয়া পড়তে, তাতে নাকি হারানো জিনিস ফিরে পাওয়া যায়। ফোনের অন্য প্রান্ত থেকে ডা, আকবরের কথায় শান্তি ফিরে এল মনে। পাসপোর্ট পাওয়া গেছে। আমি যে সোফাটায় বসেছিলাম সেটারই গদির নিচে। মনে হল, ইস, যদি ইস্তাবুলের ঘটনার সময় দোয়াটা জানতাম তাহলে সেখানে এতটা বিড়ম্বনা পোয়াতে হত না।

দৃশ্যপট: দুই

প্রিয় ছোটভাই মিলু। গণজাগরণ মঞ্চের তুখোড় সংগঠক। ছিলেন শহীদজননী জাহানারা ইমামের গণআদালতের সঙ্গেও। গণআদালতে গোলাম আযমের রায়ের দিন পুলিশের সঙ্গে ইটপাটকেল বিনিয়ম করতে গিয়ে তৎকালীন পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পিতাকে শেষবারের মতো দেখতে যেতে পারেননি। চ্যাম্পিয়ন ট্রফির ফাইনালের পর ফেসবুকে কক্সবাজারের এক বাংলাদেশবিরোধীর স্ক্রিনশট শেয়ার করে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। সে দেশবিরোধী লিখেছে:

“আজ আমাগো পশ্চিম পাকিস্তান জিতে যাচ্ছে। আমরা সকল পূর্ব পাকিস্তান তাদের প্রতি সাধুবাদ।”

পাকিস্তানের বিজয়ে সবার উচ্ছ্বাসের প্রকাশ অবশ্য এরকম নির্লজ্জ নয়। যেমন একজন সিনিয়র মেডিসিন বিশেষজ্ঞ তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে যোগ্যতর দল হিসেবে পাকিস্তানের বিজয়ে একজন ক্রিকেটামোদী হিসেবে তার সন্তুষ্ট হওয়ার যৌক্তিকতা প্রমাণের চেষ্টা করেছেন এমনটা দেখেছি।

দৈনিক মানবকন্ঠের সম্পাদক আনিস আলমগীর উদার মানুষ। ফেসবুকে লিখেছেন:

This not love for Hussain but hatred to Yazeed.

তার মানে, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে জেতার পর ভারতীয় অধিনায়কের বাগাড়ম্বরের পরিণতি এটি। বিনয়ের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করি। বরং চ্যানেল একাত্তরের সৈয়দ ইশতিয়াক রেজার মতো বলব,

“আমি সবকিছুতেই পাকিস্তানের বিপক্ষে। আর যখন পাকিস্তানের বিরোধিতা করি তখন আমি রাজনীতি করি না– ইতিহাসের কথা বলি।”

দৃশ্যপট: তিন

উলান বাটোর থেকে দেশে ফেরার রুট ছিল বেইজিং, তারপর গুয়াংজু হয়ে ঢাকা। বেইজিংয়ের ইমিগ্রেশন পার হয়ে লাগেজ নিয়ে টার্মিনাল চেঞ্জ করতে হয়। মাঝে প্রায় মিনিট বিশেকের বাস জার্নি। বাসে একজন বন্ধুবৎসল চীনা ভাঙা ভাঙা ইংরেজিতে জানতে চাইল আমার দেশ কোথায়। বাংলাদেশ বলাতে সে মহাখুশি। চীনারা নাকি বাংলাদেশিদের ভাই বলে মনে করে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় তারাও সহযাত্রী। কথা শুনে মনটা বেশ ভালো হয়ে গেল। ভুলে গেলাম দশ মিনিট আগে কী ঘটেছিল।

গ্রিন চ্যানেল দিয়ে কাস্টমস পার হচ্ছি। হঠাৎ সামনে হাজির কাস্টমস কর্মকর্তা। পাসপোর্ট দেখে ফেরত দিয়ে দিচ্ছিলেন। হঠাৎ কী মনে পড়তে জানতে চাইলেন, “মুসলিম?”

‘হ্যাঁ’ বলতেই আর যায় কোথায়। মনে হল সাত রাজার ধন পেয়েছেন। একপাশে আলাদা করে নিয়ে সুটকেস ওলট-পালটের এক মহোৎব শুরু হল। এই উৎসবে যোগ দিলেন আরও দুয়েকজন কর্মকর্তা। মনে পড়ল উলান বাটোরে আমি এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় লিভার এসোসিয়েশনের যে কনফারেন্সে আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে যোগ দিয়েছিলম তার অ্যাবস্ট্রাক্ট বইয়ে আমার ছবি ছাপা হয়েছিল। সহযোগী অধ্যাপকের নামের আগে সেই ছবিতে অধ্যাপক জুড়ে দিয়ে উলান বাটোরের সংগঠকরা সম্ভবত নিজেদের কনফারেন্সের সম্মান বৃদ্ধি করেছেন।

মনে পড়তেই ছবিটা বের করে তাদের দেখালাম। কাজও হল জাদুর মতো। একে আমি চিকিৎসক, তার উপর অধ্যাপক– যেন সাক্ষাৎ ফেরেশতা তাদের সামনে দাঁড়িয়ে। বারবার সামনে ঝুঁকে দুঃখ প্রকাশ করছেন। একজন আমার সুটকেস গুছানোয় ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। বেচারাদের অবস্থা দেখে একটু চিন্তায় পড়লাম। যেভাবে তারা ঝুঁকে ঝুঁকে সরি বলছেন, নির্ঘাত রাতে প্রত্যেককে ব্যথার ট্যাবলেট খেতে হবে।

তারপরই মনে হল, কী বিচিত্রই না আমরা আর কী প্রবল আমাদের পাকিস্তানপ্রেম! ভিরাট কোহলির একটা কথার ছুতায় আমরা ভুলে যাই তিন লাখ ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর দুঃসহ স্মৃতি– নুজহাত-শমী-শাওন-তৌহিদ-তন্ময়-নটো-শোভনদের মতো আরও ত্রিশ লক্ষ শহীদসন্তানের প্রিয়জন হারানোর অব্যক্ত যাতনা। হলি আর্টিজানে আমরা ইসলামকে কলঙ্কিত করি আর আবার ওই ইসলামেরই জিকির তুলে ‘পূর্ব পকিস্তানি’ হিসেবে পাকিস্তানের জয়ে উল্লসিত হই কিংবা যোগ্যতর দল হিসেবে তাদের জয়ে আনান্দিত হওয়ার যৌক্তিকতা ব্যখ্যা করি।

অথচ যে চিকিৎসক পরিচয়ের কারণে চীনা কাস্টমস কর্মকর্তারা আমার সামনে বিনয়াবনত, সেই চিকিৎকদেরই আমরা পেটাই কারণে-অকারণে, ইচ্ছামতো, সকাল-বিকাল!

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন ফেসবুকে লিখেছেন, তিনি ‘বাংলাদেশের দালাল’। একদম সহমত। এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয়। আমাদের সেই বাঙালির দরকার নেই যারা মদের পেয়ালায় ঝড় তোলে, কিন্তু শূকরের মাংস খায় না। আমার বিবেচনায় এরা যে চতুষ্পদটির মাংস খায় না তার চেয়ে নিকৃষ্টতর। রোহিঙ্গাদের নয়, এদের বরং ছেড়ে দিয়ে আসা উচিৎ বঙ্গোপসাগরের কোনো প্রত্যন্ত দ্বীপে। কারণ তাদের পাকিস্তানি পিতারাও তাদের গ্রহণ করবে না।

মামুন-আল-মাহতাবসহযোগী অধ্যাপক, লিভার বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

২৪ Responses -- “ধর্ম যার যার ও ব্যাখ্যাটা আমার”

  1. Wahid Anwar

    Couple of days back I was returning home from Dhaka by train, I had a sit of sleeping coach, so after a while I got myself a bit sleepy, eyes closed. All on a sudden I woke up with very loudly speaking Hindi by 2people walking by the corridor of the cabin. I was quite surprised and asked one passenger who are they? He rather questioned me,” are you very new in Silk City? This is a very common here everyday”.
    I had no experience of living under Pakistani government, all I knew about the 47-71 time only by reading articles or documentary. But thereafter the pathetic and shocking experiences I had to and still have to gather is India dominating, neglecting us, captarize each in everywhere in our socio-economic sectors. That’s why Virat Kohli dare to show his tongue to Mushfiq,…

    Reply
  2. Mukul Mia Talukder

    এটাই ছিল মদিনাসনদ এর মুলকথা। আমাদের নবিকে আমরা ভুলে গেছি।

    Reply
  3. মোস্তফা

    বলতে পারেন ধর্ম তো অশান্তি-রক্তপাতও ঘটিয়েছে অনেক। হ্যাঁ, সেটা হয়েছে ধর্মের অপব্যবহারের কারণে। তার চেয়েও বেশি রক্তপাত হয়েছে হালের গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্রের নামে।
    ধর্মের স্থলাভিষিক্ত হতে চাচ্ছে যে মতবাদ, তাকে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ধর্মের চাইতেও অনেক বেশি কার্যকরী হতে হবে। সেটা যেহেতু গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, একনায়কতন্ত্র দিয়ে সম্ভব হচ্ছে না কাজেই ধর্মকে বিতাড়িত করার চিন্তা না করাই উত্তম।
    তার মানে কি ধর্মের নামে চলমান যত পশ্চাদপদতা, অসহিষ্ণুতা ও অন্যায়কেই স্বীকার করে নিতে হবে? সে কথা বলছি না। প্রকৃত ধর্ম বুঝতে হবে। যেটা ধারণ করে মানবসমাজ উপকৃত হবে সেটাই ধর্ম। মানুষের ধর্ম হচ্ছে সত্যকে ধারণ করা, ন্যায়ের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থেকে অন্যায়ের মোকাবেলা করা। ধর্ম ঐক্য শেখায়, ভ্রাতৃত্ব শেখায়, মানবতা শেখায়, ত্যাগ শেখায়। এই মৌলিক শিক্ষাগুলোই মূল ধর্ম। বাকি যে আনুষ্ঠানিকতা, আচার-প্রথা, রীতি-নীতি, ওসব মানুষের আত্মিক ও মানসিক পরিশুদ্ধি অর্জনের পদ্ধতিমাত্র। সেই আচার-প্রথার অতি বাড়াবাড়ি দেখে ভ্রমটাকে রুখতে গিয়ে আমরা যেন সত্যের প্রবেশপথও রুদ্ধ করে না ফেলি।

    Reply
  4. সোহানুর

    অনেককে দেখি পাকিস্তানের ব্যাপারে কিছু বললে ভারতের ব্যাপার টেনে আনে। আমি বুঝি না এটা করার কারণ কি। ভারত বর্তমানে সব থেকে বেশি ক্ষতি করছে আমাদের, এটা তো সত্য কিন্তু পাকিস্তানকে ভালোবাসার কারণ কি?? পাকিস্তান আমাদের জন্য কি করেছে ভাই? বরং তারা এখানো আমাদের পছন্দ করে না। তারা এখানো স্বীকার করে না আমাদের উপর নির্যাতনের ব্যাপারটা? না হয় আমরা তাদের অপছন্দ করা বন্ধ করলাম। আমরা ভালো বলে কিন্তু পছন্দ করার কি কোনো কারণ আছে???

    Reply
    • মাহবুব

      ৭১ পূর্ব যেমন পাকিরা বাংলাদেশের কোটি কোটি টাকা , কাঁচামাল ,স্বার্থ লুট করতো, আজ সেই পাকি ভূমিকায় ভারতও বাঙ্গালদেশকে হরণ করছে, লুট করছে, হস্তক্ষেপ করছে, অধিকার, কাঁচামাল, বাজার, বেবসা, খনিজ, লুট করছে , বাংলদেশেকে ভারতের ক্রেতা আর বাজার বানিয়ে রেখেছে, গণতন্ত্র হরণ করেছে !! ৭১ এর পাকিস্তান আজ বর্তমান ভারত !! ৭১ এ পাকিস্তান বাংলাদেশে অন্তত সুষ্ঠ ভোট হতে দিয়েছে, কিন্তু ভোটার ফলাফল ভোগ করতে দেয় নি !! বর্তমানের ভারত তার চেয়েও বেশি ভয়ংকর। তারা বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচনই করতে দেয় নি! সরাসরি তাদের পছন্দের স্বৈরাচারকে বসিয়েছে !!

      Reply
      • MNA MAHDI

        অনেক অনেক ধন্যবাদ মাহবুব সাহেব,
        ‘৭১ এর পাকিস্তানের চেয়ে ‘১৭ এর ভারত আমাদের অনেক বড় শত্রু । সীমান্তে বাংগালী হত্যা , তাদের দালালদের দিয়ে সম্পদ লুট , সুকনা মৌসুমী পানি আটকে রাখা আর এখন বর্ষার মৌসুমে বাঁধ খুলে দিয়ে বাংলাদেশে বন্যার প্রলয় সৃস্টি করা এসব যাদের চোখে পড়েনা এরা যুদ্ধাপরাধীদের চাইতে বাংলাদেশের মানুষের বড শত্রু ।

    • সুজন

      সবই তো দেখি হাই কোর্ট বলে দিচ্ছে: নাসিম
      রায়ের পর্যবেক্ষণে কিছু সত্য তুলে ধরা হয়েছে মাত্র, জনগণ এগুলো আগে থেকেই জানে, কোন নতুন তথ্য নয়, তবে উচ্চ আদালত যখন এসব সত্য প্রকাশ করেছে তখন শাসক দল বিচলিত, কারণ তাদের আসল চেহারা প্রকাশ হয়ে পড়েছে।

      Reply
  5. মঈনুল হাসান

    পাকিস্তান আমাদের মেরেছে একবার। আর ভারত আমাদের রক্ত চুশে খাচ্ছে সেই স্বাধীন হবার পর থেকেই। ভারত তার নিজ সার্থ ছাড়া বাংলা কে কিছু দেয় না,ভারতে নিজ সার্থ আগে রক্ষা করে।

    Reply
  6. shahriaf

    সমর্থন যে কাউকেই করতে পারে। কই এক সময় তো দেশ ইংরেজদের হাতে বহু ধর্ষিত হইছে কিন্তু কোন কলামিস্টকে তো দেখলাম না ইংল্যান্ড নিন্দা করতে, বা ইংল্যান্ড বিরোধিতা করতে। আমার দাদার আমলে যারা ছিলো ঘৃণার পাত্র তারা আমাদের বাবার আমলে প্রিয়। আর যারা ছিলো বাবার আমলে ঘৃণিত তারা আমাদের জেনারেশনে প্রিয় হতেই পারে। পাকিস্তান সারাজীবন শত্রু কক্ষেই থাকবে আর ভারত যদি পুরু দেশ মরুভূমি বানিয়ে ফেলে তবুও বন্ধু মহলে এমন যুক্তি কেন? কোন একটা জেনারেশ যখন দেখে অন্য দেশ দ্বারা আমার দেশ কষ্ট পাচ্ছে তখন তারা সে দেশকে ঘৃণা করে। জাপান আর ইউ এস যদি এখন অত্যাধিক ঘনিষ্ঠ আচরণ করতে পারে তাহলে বাংলাদেশ আর পাকিস্তান করলে তাতে দোষ কিসের। আমি বিশ্বাস করি যখন ক্ষমতা আমার বাবার আমলের লোকদের হাত থেকে ফসকে যাবে তখন চিত্রটাও বদলে যাবে। কোরবানি আসলে একটাই চিৎকার ” আহারে প্রাণী গুলা হত্যা করতেছে “। গরুই শুধু প্রাণী, মাছ কোন প্রাণী না, আর গাছেরও প্রাণ নাই।

    Reply
    • stupid-buster

      জনাবের চিন্তা ভাবনা দেখে আমার জর জ্বর জ্বর লাগছে।
      জাপান আমেরিকার বন্ধু হয়েছে, কারন আমেরিকা জাপানকে দুনিয়ার ২য় অর্থনৈতিক পাওয়ার হয়াব্র রাস্তা বানিয়ে দিয়েছিল বলে- আসা করি কিছুটা হলেও বোধগম্য হবে —

      Reply
    • আলামিন

      দাদার শক্র ছিল ব্রিটিশ,বাবার শত্রু পাকিস্তান,আর আমার শত্রু ভারত।দাদা পেরেছে,বাবা পেরেছে,আমরাও পারব ইনশা আল্লাহ।

      Reply
  7. MONIR

    কোরবানীটা আমার আর পূজাটা তোমার,কিন্তু দেশটা সবার,এমন হলে কেমন হয়???

    Reply
  8. জাকির

    এখন সেকু মাকু রাম বাম বুদ্ধি পতিবন্দীরা বলবে কুরবানি উৎসব নয়
    উৎসব হচ্ছে বৈশাখী পুজা…

    Reply
  9. মাহতাব

    সেক্যুলার পাড়ার পান্তা ইলিশ উৎসব দেশের কোটি কোটি গরীব-কৃষক ও গ্রামীণ সমাজকে শামিল করে না। বরং ভয়ানক শ্রেণী বৈষম্য তৈরি করে। তাদের পান্তা-ইলিশ উৎসব গরীব-কৃষকদেরকে তাদের অর্থনৈতিক অসহায়ত্বের কথা নতুন করে মনে করিয়ে দেয়।
    কিন্তু ইসলামের ঈদুল ফিতরে ফিতরা-যাকাত ও নতুন কাপড় এবং ঈদুল আযহার কুরবানীর মাংস বিলানোর মধ্য দিয়ে সমাজের উঁচু-নীচু সবাইকে আনন্দোৎসবে একই কাতারে নিয়ে আসে। বরং গরীব, নিঃস্ব ও এতীমরা অন্ততঃ এই একটা দিন ভুলে থাকে যে, তারা সমাজ বিচ্ছিন্ন বা অসহায়।
    দেশের কোটি কোটি গরীব-বিত্তহীন-অসহায় মানুষ কেন একদিন ছেলেপুলেদের নিয়ে মজা করে খাবে ও আনন্দ করবে, এইটাই সেক্যুলারকুল সহ্য করতে পারছে না। সুতরাং গরীব-কৃষকদেরকেও বিত্তশালীদের কাতারে নিয়ে আসার পথে নানা প্রতিবন্ধকতা ও বিধিনিষেধ আরোপ করা হোক। এভাবে মূলতঃ সেক্যুলাররা শুধুই ইসলামবিদ্বেষী নয়, বরং তারা গরীব ও কৃষকের স্বার্থবিরোধীও।

    Reply
  10. Stupid-Buster

    ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ আর ১৯৭৫ থেকে ১৯৯০ সনের সময়ে ঐ দেশটা যত অপকর্ম করেছে ্বাংলাদেশের সাথে সেগুলো বুঝাতে যে সব বিশেষনের দরকার হবে তাদের (বিশেষন গুলোর) যোগফলে নুতন যেই বিশেষন টা দাঁড়াবে তা হলো “পাকিস্তান” ।

    Reply
  11. রাশেদ রাব্বি

    ভাই আপনার লেখা পড়লাম। আসাধারণ। এমন সুন্দর লেখার জন্য আপনাকে অভিনন্দন।

    Reply
  12. Anwar A. Khan

    There are some Bangla-speaking Pakistanis in Bangladesh and these devils are the real threat to us. These brutish creatures must be extirpated from the soil of Bangladesh to keept it away from their perils.

    My golden Bangladesh, I love you.

    Reply
  13. সরকার জাবেদ ইকবাল

    বেশি দূরে নয়। কোলকাতায় গিয়েছিলাম চিকিৎসার জন্য। এক প্রবীণ কোলকাতাবাসী সখেদে জানতে চাইলেন, “আপনি জয়বাংলার লোক?” উত্তর দিতে গর্বে আমার বুকটা ভরে গিয়েছিল। আমি হিন্দু নাকি মুসলমান এ প্রশ্নটি তার কাছে প্রাধান্য পায়নি! একটু অন্য রকম করে বলতে ইচ্ছে হচ্ছে, – হিন্দু আর মুসলমান বাহিরে কেবল, ভেতরে সবাই বাঙালি।

    Reply
  14. সোহানুর

    যারা পাকিস্তান কে সমর্থন করে তারা একটা অজুহাত দেয় যে মুসলমান দেশ আমরাও মুসলমান তাই একটু মনে গলে তো যাবেই। কিন্তু যখন শতকরা ৯৮ শতাংশের মুসলমানের দেশ আফগানিস্থান, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলে তখন তারা আবার অদ্ভূত ভাবেই পাকিস্তান কেই সমর্থন করে। তখন বোঝা যায় এদের সমর্থনের আসল কারণ ( রাজাকার) বাপ-দাদা করছে আমরা না করলে কেমন হয়।।।। ।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—