pexels-photo - 999

সর্বশেষ খবর দিয়েই শুরু করি। টেলিযোগাযোগ খাতে নতুন আরও একটি রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি আসছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের পর এর সার্বিক তত্ত্বাবধান এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার প্রয়োজনে নতুন একটি কোম্পনি গঠনের উদ্যোগ। টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসি এ ব্যপারে কোম্পানির একটা খসড়া কাঠামো তৈরি করেছে। আশা করা যায়, খুব তাড়াতাড়ি কোম্পানির যাত্রা শুরু হবে। কারণ চলতি বছরের ১৬ ডিসেম্বরে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের কথা রয়েছে।

‘রাষ্ট্র উপকৃত হবে, জনগণ সেবা পাবে’– নতুন এই কোম্পানি গঠনের মূল উদ্দেশ্য নিশ্চয়ই এটি। কারণ এর আগে একই উদ্দেশ্য নিয়ে টেলিযোগাযোগ খাতে আরও পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি গঠন করা হয়েছিল। দুর্ভাগ্য হচ্ছে, টেলিযোগাযোগ খাতের পূর্বের পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির কোনোটি এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রের উপকারে লাগেনি। গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। বরং ওই পাঁচ কোম্পানি একদিকে রাষ্ট্রের অনেকটা বোঝা হিসেবে দৃশ্যমান হয়েছে; অন্যদিকে নানা অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগে বিতর্কিত হয়েছে বারবার। এমনকি দুয়েকটি কোম্পানির কর্মকাণ্ডে আর্ন্তজাতিকভাবেও দেশের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিকেম কোম্পানিগুলোর একটিতেও পেশাদার ব্যবস্থাপনা নেই। প্রতিটি কোম্পানিতে এমডি পদে নিয়োগ নিয়ে ধারাবাহিক অস্বচ্ছতা চলছে। বিটিসিএল এবং বিএসসিসিলের ক্ষেত্রে একাধিকার নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করা হলেও, প্রতিবারই মাঝপথে সেটি স্থগিত করে বিশেষ ব্যবস্থায় পূর্বের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বিএসসিসিএলের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালকের ক্ষেত্রে নজিরবিহীনভাবে চারবার চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। তাকে পদে রাখার জন্য বাড়ানো হয়েছে চাকরির বয়সসীমা। সর্বশেষ দশ মাসের জন্য বাড়ানো হয়েছে তার চুক্তির মেয়াদ।

বিটিসিএলের ক্ষেত্রেও ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের তদন্তে অনিয়মের জন্য চিহ্নিত ব্যক্তিকে বিশেষ ব্যবস্থায় এমডি পদে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

খুলনা কেবল শিল্প, টেলিটক এবং টেশিসে নিয়মিত ব্যবস্থাপনা পরিচালকই নেই। খুলনা কেবল শিল্পের ক্ষেত্রে পেশাদার ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগের জন্য ১১ জনের সাক্ষাৎকার নেওয়ার পর হুট করে সেই প্রক্রিয়া বন্ধ রেখে তৎকালীন কোম্পানি সচিবকে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়। সম্প্রতি এক চিঠিতে দেখা যায় যে, কোম্পানি সচিব বদল হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালকের চলতি দায়িত্বে আগের কোম্পানি সচিবই বহাল রয়ে গেছেন!

কোম্পানিগুলোর শীর্ষ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া অস্বচ্ছ থাকার কারণে স্বাভাবিকভাবে কোম্পানিগুলোর কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা থাকছে না। ফলে কোম্পানির কর্মকাণ্ডে অনিয়ম স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হচ্ছে। এতে সার্বিক ব্যবস্থাপনা দক্ষ হচ্ছে না। তাতে কোম্পানিগুলো ব্যবসায়িকভাবে সফল হচ্ছে না, আস্থা অর্জন করতে পারছে না গ্রাহকসেবার ক্ষেত্রেও। আশার কথা হচ্ছে যে, সম্প্রতি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকে টেশিসের এমডি পদে পূর্বের এমডিকে আগের মতো অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বিশেষ ব্যবস্থায় বহাল রাখার উদ্যেগ নেওয়া হলেও, সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় যোগ্য ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগদানের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের এ ধরনের পরামর্শ সত্যিই রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলোর ভবিষ্যত নিয়ে আশার সঞ্চার করেছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত একটি টেলিযোগাযোগ কোম্পনিকেও প্রকৃত অর্থে কোম্পানি বলা মুশকিল। পাঁচটি কোম্পানিরই বোর্ডের চেয়ারম্যান ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব। কোম্পানিগুলো ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীন, আবার বিভাগের সচিব নিজেই প্রত্যেক কোম্পানির বোর্ডের চেয়ারম্যান। একে কি ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’ বলা যায় না?

বোর্ড চেয়ারম্যান আর বিভাগের সচিব একই ব্যক্তি হলে, কোম্পানির বোর্ডের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে কীভাবে? নিদেনপক্ষে অন্য কোনো মন্ত্রণালয়ের সচিবকে একেকটা কে বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রাখার ব্যবস্থা থাকলেও এখনকার‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’ এড়ানো যেত।

আর্টিকেল অব অ্যাসোসিয়েশন অনুযায়ী বোর্ড ডিরেক্টরস গঠিত হওয়ার কথা থাকলেও একাধিক উদাহরণ রয়েছে যেখানে আর্টিকেল অব অ্যাসোসিয়েশন মানা হচ্ছে না। যেখানে বর্তমান অতিরিক্ত সচিবের দায়িত্বে থাকার কথা, সেখানে চার বছল আগে অবসরে যাওয়া অতিরিক্ত সচিবকে রাখা হয়েছে। যেখানে এফবিসিসিআইএর সহ-সভাপতি পদাধিকার বলে থাকার কথা, সেখানে তিন মেয়াদের পুরনো সহ-সভাপতিকে রাখা হয়েছে। অদ্ভুত বিষয় হচ্ছে, কোম্পানির ওয়েবসাইটে তাদের সেই আগের পরিচয় দেওয়া হয়েছে যেটা সরাসরি মিথ্যা তথ্য প্রকাশ্যে প্রদর্শন। পাঁচ কোম্পানির এক বোর্ড চেয়ারম্যানের পক্ষে কি আর এত ছোটখাট ত্রুটি নজরে রাখা সম্ভব!

 

pexels-photo- 11111

 

সম্ভবত দুনিয়ার আর কোথাও এভাবে কোনো দেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানিকে আমলানির্ভর করে রাখা হয়নি। অধিকাংশ দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিকম কোম্পানি শুধু নিজের দেশে নয়, বিশ্বজুড়ে সফলভাবে ব্যবসা করছে। এগুলোর প্রত্যেকটিতে বেছে বেছে সেরা ব্যবস্থাপক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সরকার নিয়মিত নজরদারি রেখে ব্যবস্থাপকদের কাজের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করছে। ভারতের বিএসএনএল থেকে শুরু করে নরওয়ের টেলিনর পর্যন্ত সফল রাষ্ট্রীয় কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে এই উদাহরণ চোখের সামনেই আছে।

বিপরীতে আমাদের দেশে রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিকম কোম্পানি অনেক ক্ষেত্রে নূন্যতম গ্রাহকসেবাও নিশ্চিত করতে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে যদি বিটিসিএলের ফাইবার অপটিক কেবল কাটা যায়, তাহলেই সর্বনাশ! শুক্র-শনি বন্ধ। অতএব রোববারের আগে লাইনম্যান পাওয়া যাবে না। টানা ৫০-৬০ ঘণ্টা কেবল কাটা অবস্থায় থাকবে। একে কি ডিজিটাল যুগের উপযোগী কোম্পানি বলা যায়?

একসময়কার বিটিটিবি আর আজেকের বিটিসিএলএর মধ্যে চরিত্রগত পার্থক্য খুঁজে পাওয়া যায় না। বিটিসিএল গ্রাহক মাত্রই জানেন তাদের সেবা পাওয়া নিয়ে ভোগান্তি কতটা। কোম্পানির একটা গ্রাহক অভিযোগ কেন্দ্র থাকলেও সেখানে অভিযোগ দিয়ে কোনো ফল কখনও পাওয়া যায় না। লাইনে সমস্যা হলে কোনোবারই গ্রাহক সেবা কেন্দ্রে অভিযোগ জানিয়ে ফল পাওয়ার অভিজ্ঞতা আমার নিজেরও নেই। নিদেনপক্ষে পরিচালক মর্যাদার একজনকে সমস্যার কথা জানিয়ে অনুরোধ না করলে অতিসম্মানিত ‘লাইনম্যানের’ চেহারা দেখা যায় না। এই কোম্পানির পক্ষে কি বর্তমান ব্যবস্থাপনার ভেতরে থেকে ব্যবসায়িকভাবে সফল হওয়া সম্ভব?

রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিযোগাযোগ কোম্পানিগুলো দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কতটা ছেলেখেলা করতে পারে তার সর্বশেষ উদাহরণ দেখা গেছে ঢাকা-কুয়াকাটা দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের ট্রান্সমিশন লিংক স্থাপন কেন্দ্র করে। দ্বিতীয় সাবমেনির কেবল ল্যান্ডিং স্টেশন থেকে ব্যাকহলিংএর জন্য ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে ঢাকা-কুয়াকাটা, ঢাকা-আখাউড়া এবং ঢাকা-বেনাপোল ট্রান্সমিশন লিংক স্থাপনের জন্য বিটিসিএলএর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয় সাবমেরিন কেবল কোম্পানি। বিটিসিএল আর্ন্তজাতিক দরপত্র আহবান করে। প্রায় ছয় মাসের প্রক্রিয়ায় বিশ্বের এক নম্বর ট্রান্সমিশন যন্ত্রপাতি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সিয়েনার যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য তাদের এজেন্ট নেতাশ নামে একটি কোম্পানি যোগ্য দরদাতা নির্বাচিত হয়।

সব প্রক্রিয়া যখন শেষ, তখন হঠাৎ বিটিসিএলএর বোর্ড নিয়মতান্ত্রিক দরপত্র প্রক্রিয়া স্থগিত করে রাষ্ট্রায়ত্ত অপর টেলিযোগাযোগ কোম্পানি টেশিসের কাছ থেকে একটা আবেদন নেয়। যেখানে টেশিসকে যন্ত্রপাতি সরবরাহ করবে ভারতের তোজাশ নামে একটি কোম্পানি– গোটা দুনিয়ায় যাদের ১০০ জিবিপিএস সক্ষমতার ডিডব্লিউডিএম কার্ড সরবরাহের প্রমাণ পাওয়া যায় না। অথচ ১৫০০ জিবিপিএস সক্ষমতার দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের ব্যাকহল লিংকে নূন্যতম ১০০ জিবিপিএস সক্ষমতার যন্ত্রপাতি বসানোর বিকল্প নেই।

বিটিসিসিএল প্রথম দরপত্রে এই সক্ষমতাই চেয়েছিল। কারণ ১০ জিবিপিএস যন্ত্রপাতি দুনিয়ার আধুনিক লিংকগুলোতে এখন ব্যবহৃত হয় না। একই সঙ্গে ১০ জিবিপিএস কার্ডের চেয়ে ১০০ জিবিপিএসএর ডাটা পরিবহণ ক্ষমতা শুধু বেশি নয়, বিদ্যুত খরচও পাঁচ ভাগের এক ভাগ। অপটিক্যাল সিগন্যালের বিচারেও ১০০ জিবিপিএসকে ‘স্মার্ট ইনটেলিজেন্ট’ বলা হয়, ১০ জিবিপিএসকে নয়।

১০০ জিবিপিএস কার্ড উৎপাদনের সক্ষমতা না থাকায় প্রথমদিকে সরাসরি তোজাশের আবেদন যোগ্যতার বিবেচনায় গ্রহণযোগ্য নয় বলেও জানিয়ে দিয়েছিল বিটিসিএলের কারিগরি কমিটি। অথচ এবার টেশিসের ঘাড়ে বন্দুক রেখে তেজাশকেই সে কাজ দেওয়া হল। দুর্ভাগ্য হচ্ছে, ৩১ জানুয়ারির মধ্যে লিংকের কাজ শেখ করার সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত ২০১১ সালে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের এডিপি পর্যালোচনা সভায় নেওয়া হলেও, এখন পর্যন্ত সেই লিংক বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ব্যান্ডউইথ সরবরাহের উপযোগী হয়নি।

র্সবশেষ ৩১ জুলাই লিংক বাদ দিয়ে শুধুমাত্র কুয়াকাটাস্থ ল্যান্ডিং স্টেশন উদ্বোধনের একটা উদ্যেগ নিয়েছিল ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। পরে সে উদ্বোধনও স্থগিত হয়ে গেছে। প্রশ্ন উঠছে, কেন এত অনিয়ম, অসত্য তথ্য দিয়ে এ ট্রান্সমিশন লিংক স্থাপনে অভিজ্ঞতা না থাকা টেশিসকে জড়ানো হল? কেন, কাদের ষড়যন্ত্রে আধুনিক স্মার্ট-ইনটেলিজেন্ট লিংক তৈরি থেকে বিটিসিএলকে বঞ্চিত করা হল? যে কর্মকর্তারা এসব কোম্পানি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন, তারা কি সত্যিই এসব কোম্পানির উন্নয়ন চান?

তাদের কাজেকর্ম সাক্ষ্য দেয়, তারা যে কোম্পানির দায়িত্বে আছেন, খোদ সেই কোম্পানির স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করছেন তারা। এসব কোম্পানির অভ্যন্তরে অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ার পরও ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগকে ব্যবস্থা নিতে দেখা যাচ্ছে না। বরং তদন্তে যারা অনিয়মের দায়ে চিহ্নিতরা ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকে সরাসরি প্রশ্রয় পাচ্ছে এমন একাধিক নজির সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গেছে। যেমন ঢাকা-কুয়াকাটা ট্রান্সমিশন লিংকের নিয়মতান্ত্রিক টেন্ডার বাতিল করা নিয়ে উচ্চ আদালতে আইনি লড়াইও হয়েছে। আদালতের রায়ে টেন্ডার বাতিল অনিয়মের মাধ্যমে হয়েছে উল্লেখ করে যোগ্য দরদাতা প্রতিষ্ঠান নেতাশকে দশ হাজার ডলার ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

 

pexels-photo- 12111

 

নিয়মানুযায়ী অনিয়মের দায়ে আদালত থেকে অভিযুক্ত হলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তা হয়নি। বরং অনিয়মের সঙ্গে যুক্তরা এখনও বিটিসিএল, সাবমেরিন কেবল কোম্পানি, টেশিসের গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়ে গেছেন।

বিএসসিএলএর অভ্যন্তরীন অনিয়ম, দুর্নীতি নিয়ে পত্রপত্রিকায় রিপোর্ট ছাপা হওয়ার পর সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ তদন্ত কমিটি গঠন করে গত জানুয়ারি মাসে। এপ্রিলে সেই কমিটি রিপোর্ট দিয়েছে। তাতে অনিয়মের জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করে সুনির্দিষ্টভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। কিন্তু রিপোর্ট জমা হওয়ার পর ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ একদম চুপ! বরং তদন্তে রিপোর্টে অনিয়মের দায়ে চিহ্নিত বিএসসিসিএলএর কর্মকর্তা বাদী হয়ে যেসব পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্টের কারণে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় তার বিরুদ্ধে মামলা করছেন, লিগ্যাল নোটিশ দিচ্ছেন।

সম্প্রতি বিএসসিসিএল সিঙ্গাপুরের এক অখ্যাত কোম্পানির সঙ্গে যৌথ ব্যবসায় নামার জন্য বোর্ড সভায় অনুমোদন নেয়। দেখা যায়, বোর্ড সভায় যুক্তরাজ্যের ব্লুবেরি কমিউনিকেশনের নামে অনুমোদন নেওয়া হয়েছে। অথচ সমঝোতা স্মারকের জন্য তৈরি খসড়ায় লেখা হয়েছে সিঙ্গাপুরের ব্লুবেরি টেলিকম গ্লোবাল নামে একটি কোম্পানির নাম। এটা সরাসরি জালিয়াতি।

এই জালিয়াতি পত্রিকার খবরে উঠে আসার পর এর বিরুদ্ধে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ব্যবস্থা নেয়নি। বরং জালিয়াতি তুলে ধরে রিপোর্ট করার কারণে তথাকথিত ‘সুনাম ক্ষুণ্নের অভিযোগে পত্রিকায় লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়ে দিলেন বিএসসিএলএর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। বিভাগের প্রশ্রয় না পেলে সরকারি তদন্তে রিপোর্টে অনিয়েমর দায়ে চিহ্নিত কর্মকর্তা বাদী হয়ে এভাবে প্রতিহিংসামূলক মামলা দায়ের ও লিগ্যাল নোটিশ দেওয়ার কথা নয়। অনিয়ম, জালিয়তাতিদের সঙ্গে যুক্তদের কীভাবে প্রশ্রয় দিয়ে রাখতে হয় তার একটা দৃষ্টান্ত হয়ে যাচ্ছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ!

অথচ আমরা জানি বর্তমান সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন শুধু দেখায়নি, সারাদেশে ইউনিয়ন পরিষদ তথ্য কেন্দ্র স্থাপন, স্কুলে মাল্ডিমিডিয়া ক্লাসরুম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তৃণমূলে ছড়িয়ে দিয়ে তার দৃঢ় বাস্তবায়ন দেখিয়েছে। ডিজিটাল সেবায় দক্ষ জনবল তৈরি করে বিশ্বের প্রযুক্তির বাজারে অবস্থান তৈরি করা, ফোর-জি চালুসহ শাক্তিশালী নেটওয়ার্ক অবকাঠামো গড়ে তুলতেও সরকার পরিকল্পনা নিয়েছে। দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলে যোগ দেওয়া ছিল ডিজিটাল স্বপ্নের পথে অনেকখানি এগিয়ে যাওয়া। কিন্তু সেই কেবলের ব্যাকহল লিংক স্থাপন নিয়ে এ ধরনের ছেলেখেলার উদ্দেশ্য কি এটাই যে, সরকারের শুভ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের পথে অন্তরায় সৃষ্টি করা?

বিএনপি-জামায়াত আমলে অত্যন্ত অনুগত হিসেবে পরিচতিরা এখনও একাধিক রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিযোগাযোগ কোম্পানির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন। তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বর্তমান সরকারকে বিব্রত করতে এমন খেলায় মেতেছেন, এমন আশংকা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

সরকারের নীতিনির্ধারকেদের কাছে অনুরোধ, অনেক সম্ভাবনার রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিকম কোম্পানিগুলো বাঁচানোর যথাযথ উদ্যেগ নিন। এসব প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে অনিয়ম ও জালিয়াতির জন্য চিহ্নিতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিয়ে প্রতিটিতে স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় পেশাদার ব্যবস্থাপক নিয়োগ করুন। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের যারা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের প্রশ্রয় দিয়েছেন, তদন্ত করে তাদেরকেও দায়িত্ব থেকে সরিয়ে সত্যিকারের পেশাদার মনোভাবাপন্ন সৎ, যোগ্যদের নিয়ে আসুন।

একই সঙ্গে আশা করব যে, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কোম্পানি গঠনের ক্ষেত্রে পুরনো পাঁচ কোম্পানির মতো ব্যবস্থাপক নিয়োগের ক্ষেত্রে আইন ও বিধির ব্যত্যয় ঘটিয়ে কোনো ধরনের ‘বিশেষ ব্যবস্থা’ গ্রহণ করা হবে না।

রাশেদ মেহেদিসাংবাদিক

৫৩ Responses -- “রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিযোগাযোগ কোম্পানিগুলো কি এভাবেই চলবে?”

  1. সকাল আহম্মদ

    বিএসসিএলএর অভ্যন্তরীন অনিয়ম, দুর্নীতি নিয়ে পত্রপত্রিকায় রিপোর্ট ছাপা হওয়ার পর সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ তদন্ত কমিটি গঠন করে গত জানুয়ারি মাসে। এপ্রিলে সেই কমিটি রিপোর্ট দিয়েছে। তাতে অনিয়মের জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করে সুনির্দিষ্টভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। কিন্তু রিপোর্ট জমা হওয়ার পর ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ একদম চুপ!

    ভাই চুপ কেন সেইটাতো দিনের মতন পরিষ্কার…!

    Reply
  2. Shusanto

    টেলিযোগাযোগ খাত নিয়ে এখন পর্যন্ত আমি যেসব মতামত লেখা পড়েছি, তার মধ্যে এই আর্টিকেলটিকেই আমার সবচেয়ে বেশী ভাল লেগেছে। লেখক রাষ্ট্রায়াত্ত টেলিকম খাত সম্পর্কে খুব স্পষ্ট ধারনা যেমন রাখেন, তেমিন চমৎকার যুক্তিপূর্ণ বিশ্লেষণও করেছেন।……আমি এর আগে দেশের কিছু পত্র-পত্রিকায় বিএসসিসিএল নিয়ে রিপোর্ট দেখেছিলাম, যেখানে বিএনপি-জামায়াতপন্থী কর্মকর্তারা কিভাবে এ সরকারের আমলেও অনিয়ম, দূর্নীতি করে যাচ্ছেন, তার তথ্য-প্রমাণ দেওয়া হয়েছিল। একটা তদন্ত কমিটি সেই তথ্য প্রমাণ দিয়েছিল। জানিনা, কেন সরকার বিএনপি-জামায়াতপন্থীদের এখনও এত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রেখে দিচ্ছেন..?..এখানে কয়েকজনের মতামত দেখেও এটা বেশ বুঝতে পারছি এরা বিএসসিসিএল এর অনিয়য়ের সঙ্গে জড়িত বিএনপি-জামায়াতপন্থী সেই দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কিংবা তাদের সুহৃদরাই হবেন, কারন এরা লেখককে যুক্তিহীনভাবে আক্রমণ করে শুধুমাত্র বিএসসিসিএলের এমডিকে মহান প্রমাণের চেষ্টায় ব্রত হয়েছেন এবং কেন লেখক বিএসসিসিএল এর অন্যায়, অনিয়রে প্রসঙ্গ তুললেন, তা নিয়েই তাদের গাত্রদাহ…..লেখকে তো সরকারি তদন্ত রিপোর্ট উল্লেখ করে তথ্য দিয়েছেন, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের কথা বলে বিশ্লেষণ করেছেন……আমি খুব জোর দিয়ে বলতে পারি শুধুমাত্র দূর্নীতিবাজদেরই এই লেখা পছন্দ হবে না, এ বাদে টেলিযোগাযোগ খাত নিয়ে যারা ইতিবাচকভাবে ভাবেন, তারা সবার সামনেই এই আর্টিকেল একটা মাইলস্টোন হয়ে থাকবে।

    Reply
    • প্রকাশ

      দাদা আপনি খুব সুন্দর বলেছেন। ধ্যবাদ, তবে বিগত দিনে আর্টিকেল আরো অনেক ছাপা হয়েছে।

      “শুধুমাত্র দূর্নীতিবাজদেরই এই লেখা পছন্দ হবে না, এ বাদে টেলিযোগাযোগ খাত নিয়ে যারা ইতিবাচকভাবে ভাবেন, তারা সবার সামনেই এই আর্টিকেল একটা মাইলস্টোন হয়ে থাকবে।”

      Reply
  3. Abir Prodhan

    বিটিসিএলের ট্রান্সমিসশন লিঙ্কের সাথে বিএসসিসিএল কে যে পর্যায় থেকেই জড়ানো হোক না কেন সেটা ঘটনার মোড় অন্যদিকে ঘোরানোর অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই না। আর এই বিটিসিএল, ফাইবার এট হোম বা সামিটের ট্রান্সমিশন লিঙ্ক তৈরী করার বিলম্বের পেছনে সেসব কোম্পানির অদক্ষতা, অদূরদর্শিতা, কাজে গাফিলতি বা বিএসসিসিএলের উপর ব্যবসায়িক চাপ তৈরির চেষ্টা (কারণ তিনটি কোম্পানিই আইটিসি লাইসেন্সধারী, সিমিউইফাইভ চালু হলে ভারতীয় বিশাল দূরত্বের লিঙ্কের চাহিদা শূন্যের কোঠায় নেমে আসার কথা) ইত্যাদি সম্ভাবনার কোনটির কথা বিবেচনা না করে বিএসসিএলএর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের অদূরদর্শিতার কথা বলাটা আপনার একচোখা দৃষ্টিভঙ্গি ও টেলিযোগাযোগ ব্যবসা সম্পর্কিত ধারণার অপরিপক্কতারই জলন্ত প্রমাণ।

    Reply
  4. Abir Prodhan

    অনিয়ম কী আর্থিক না পদ্ধতিগত সেটার খোঁজ নিন। তবে আপনি খোঁজ করে যাই পান না কেন লেখা বা বলার সময় সবই ব্যবস্থাপনা পরিচালকের উপরেই চালান করবেন বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে।

    Reply
    • Abdul Wahhab

      আমার লেখক ভাইয়ের কথায় এটাই প্রতীয়মান হয় যে, উনি মনে হয় বিএসসিসিএল এর অনিয়মের কথা জানেন, না হলে অনিয়ম কি ধরণের তা জোর গলায় বলতে পারতেন না।
      যা হোক অনিয়ম অনিয়মই…এর জন্য এই বাংলার মাটিতে দোষীদের শাস্তি হওয়া অবশ্যই উচিত এবং কোম্পানীর প্রধান হিসাবে ব্যবস্থাপনা পরিচালক তার দায় এড়াতে পারে না।

      Reply
    • প্রকাশ

      ভাই আবির প্রধান

      যাইহোক ব্যবস্থাপনা পরিচালককে বলেন নিজেকে নির্দোষ প্রমান করতে।

      Reply
      • বিকাশ

        আমরা সবাই লক্ষ্মী ভালো, তোমরা ভারী বিশ্রী …
        তোমরা খাবে নিমের পাঁচন, আমরা খাবো মিশ্রী …

    • প্রকাশ

      বিএসসিএলএর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন নিশ্চয় পত্রিকাওালারা করেনি সরকার করেছে তদন্ত প্রতিবেদন তাও সরকার দিয়েছে। তার দোষ পাওয়া গিয়েছে কি যায়নি বিষয়টা নির্ভর করছে তার উপর।
      যদি দোষ পাওয়া যায় তাহলে সে দোষী, দোষ পাওয়া না গেলে পত্রিকাওালারা দোষী। তখন আপনি বলতে পারেন “আপনার দৃষ্টিভঙ্গি একচোখা”

      সমকাল পত্রিকায় ১৫ জানুয়ারি ২০১৭, তারিখে “বিএসসিসিএলের দুর্অনীতি তদন্তে কমিটি” শিরোনামে সংবাদ ছাপা হয় দেখে নেবেন প্লিজ

      প্রথম আলো পত্রিকায় ১৭ জানুয়ারি ২০১৭, তারিখে “বিএসসিসিএলের অনিয়ম তদন্তে কমিটি গঠন” শিরোনামে সংবাদ ছাপা হয় দেখে নেবেন প্লিজ

      আরো আছে ভাই…!

      Reply
    • প্রকাশ

      আবির ভাই, অনিয়ম কী আর্থিক না পদ্ধতিগত সেটা নিচের নিউজটা পড়লেই বুঝবেন যদি বুঝতে চান…!

      প্রথম আলো পত্রিকায় ২৩ মে ২০১৭, তারিখে “এমডি ও প্রকল্প পরিচালক নিয়োগে অনিয়ম হয়েছে” শিরোনামে সংবাদ ছাপা হয় দেখে নেবেন প্লিজ

      Reply
  5. karim

    “…নিদেনপক্ষে অন্য কোনো মন্ত্রণালয়ের সচিবকে একেকটা কে বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রাখার ব্যবস্থা থাকলেও এখনকার‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’ এড়ানো যেত।….”

    আপনি কিভাবে নিশ্চিত হলেন সেটা? ঐ ক্ষেত্রেও কি কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট থাকতে পারে না বা আরও বাড়তে পারে না ? সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আরও সময় লাগতে পারে না?

    “অপটিক্যাল সিগন্যালের বিচারেও ১০০ জিবিপিএসকে ‘স্মার্ট ইনটেলিজেন্ট’ বলা হয়, ১০ জিবিপিএসকে নয়।”

    স্মার্ট – ইনটেলিজেন্ট নেটওয়ার্ক ১০ জিবিপিএস এ হয় না, এটা ঠিক না।

    “বিএনপি-জামায়াত আমলে অত্যন্ত অনুগত হিসেবে পরিচতিরা এখনও একাধিক রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিযোগাযোগ কোম্পানির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন। তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বর্তমান সরকারকে বিব্রত করতে এমন খেলায় মেতেছেন, এমন আশংকা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।”

    তাই, না? এখন আপনি যে সরকারকে বিব্রত করার বৃহত্তর ষড়যন্ত্রে জড়িত নন সে আশংকাও তো উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

    Reply
  6. karim

    “…নিদেনপক্ষে অন্য কোনো মন্ত্রণালয়ের সচিবকে একেকটা কে বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রাখার ব্যবস্থা থাকলেও এখনকার‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’ এড়ানো যেত।….”

    Conflict of Interest erano jeto ei jojba kothay pailen? oi khetreo conflict of interest thakto. sidhanto bastomayone dirghosutrita barte parto. apni ojotha vonita na kore prostab korte paren: rashed mehedi k company gulir chairman banano hok, amra comments kore okuntho somorthon debo …

    Reply
  7. কুশল

    ভাই তার চেয়ে বলে ফেলেন, টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় নিলামে দিন…

    Reply
  8. কুশল

    নেতাশই কি সর্বনিম্ন দরদাতা ছিল? কেন তারা কাজ পেল না? তেজাশের বিরুদ্ধে নেতাশের পক্ষে ওকালতি এই প্রতিবেদনের উদ্দেশ্য কি না?

    Reply
  9. সুষম

    একদিকে আমলাতন্ত্রের সমালোচনা করছেন, আরেক দিকে আমলাদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারার প্রেস ক্রিপ্সন দিচ্ছেন!!!

    Reply
  10. সুষম

    এই প্রতিবেদক ইনিয়ে বিনিয়ে আসলে কি বলতে চাচ্ছেন তা পরিষ্কার নয়। তাঁর কথাগুলির মধ্যে অনেক স্ববিরোধীতা আছে।

    Reply
  11. Abir Prodhan

    বিটিসিএল থেকে বের করে বিএসসিসিএল প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এটি একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও সুনাম আছে কোম্পানিটির, সাফল্যের সাথে দুটি সাবমেরিন কেবল্‌ তারা পরিচালনা করছে, প্রতিবছর শেয়ার হোল্ডারদের ডিভিডেন্ড দিচ্ছে, এতসব সাফল্য নিশ্চয় তাদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা কর্মকর্তাদেরকে বাদ দিয়ে আসেনি। বরং বিটিসিএল এর ট্রান্সমিশন লিঙ্কের সাথে বিএসসিসিএলকে জড়ানো এবং বিভিন্ন আইনী জটিলতার মাধ্যমে একটি স্থিতিশীল কোম্পানিকে বিতর্কিত করে ব্যবসায়িক সুনাম বিনষ্ট করার একটি অপচেষ্টা গত কয়েক মাস থেকেই লক্ষ্য করছি।

    Reply
    • Abdul Wahhab

      “বিটিসিএল থেকে বের করে বিএসসিসিএল প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এটি একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান”- বিএসসিসিএল প্রথম থেকে Monopoly ব্যবসা করে আসছে কারণ সাবমেরিন কেবল্‌ অন্যকোন প্রতিষ্ঠানের নাই, তাই প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এটি একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান কতটা যৌক্তিক তা ভেবে দেখা দরকার।

      “আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও সুনাম আছে কোম্পানিটির” – এতো সুনাম থাকার পরও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্যবসা করতে পারেনি, এইটা কি ব্যর্থতারই নামান্তর নয় কি! আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও সুনাম আছে বলেই সিঙ্গাপুরের এক অখ্যাত কোম্পানির সঙ্গে যৌথ ব্যবসায় নামার জন্য বোর্ড সভায় অনুমোদন নেয়।

      “সাফল্যের সাথে দুটি সাবমেরিন কেবল্‌ তারা পরিচালনা করছে” – SMW-5 সাবমেরিন কেবল্‌ এখনো চালু করতে পারেনি অথচ কনসোটিয়াম চাজ এবং আইডিবি ইণ্টারেস্ট চাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে, যার ফলে সামনে কোম্পানিটি বড় ধরনের লোকসানে পড়তে যাচ্ছে।

      “প্রতিবছর শেয়ার হোল্ডারদের ডিভিডেন্ড দিচ্ছে” – কোম্পানির পোটফলিও অনুসারে ডিভিডেন্ড আরও বেশী হওয়া উচিত কিন্তু দুর্নীতিবাজ ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কারণে কোম্পানির মুনাফা কমে যাওয়ায় তা দিতে পারছে না।

      Reply
      • Abir Prodhan

        বিএসসিসিএল তো SMW-5 কেবল অনেক আগেই চালু করছে; এর সাথের ট্রান্সমিশন লিঙ্ক চালুর দায়িত্ব কী তাদেরই? এনটিটিএন লাইসেন্স তো তাদের নাই। উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপায়ে আর কত দিন?

      • Abir Prodhan

        কোম্পানির পোর্টফলিও অনুসারে ডিভিডেন্ড আরও বেশী হওয়া উচিত, এই ডিভিডেন্ড কী শুধু ব্যবস্থাপনা পরিচালকই সিদ্ধান্ত নেয়? নাকী বোর্ড মন্ত্রণালয় সবাই মিলে নেয়? ধরে নিলাম বিএসসিসিএল সরকারি সিদ্ধান্ত কম ডিভিডেন্ড দিলো, তাতে কী, টাকাতো এই রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির তহবিলেই থাকবে। শেয়ার বাজারে থাকার কারণে নিয়মিত অডিট ও হবার কথা। এখনো বিএসসিসিএল-এর কোনো দেশী বা আন্তর্জাতিক আর্থিক অনিয়মের খবর তো পেলাম না। কাউকে দেখতে না পারলে বা কোন অন্যায় সুবিধা না পেলে এভাবেই বোধহয় আজাইরা প্যাচ খোঁজে পানি ঘোলা করতে থাকে মানুষজন।

      • Abdul Wahhab

        বিএসসিসিএল-এর কোনো আর্থিক অনিয়ম না থাকলে দুদক এমনি এমনি ব্যবস্থাপনা পরিচালককে চিঠি পাঠাতো না আর টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করতো না ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ।

      • Abdul Wahhab

        SMW-5 সাবমেরিন কেবল্‌ প্রজেক্ট এর দায়িত্ব ছিল বিএসসিএলএর…যেহেতু এতে সরকারের অর্থ এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন জরিত তাই সাবমেরিন কেবল্‌ তৈরী করে বসে থাকতে পারে না বরং প্রাপ্ত ব্যন্ডউইডথ বাংলাদেশের মানুষের ব্যবহারের উপযোগী করতে পরোক্ষও ভূমিকা হিসাবে ট্রান্সমিশন লিঙ্ক প্রভাইডারের (বিটিসিএল) সাথে দুর্নীতিতে না জড়িয়ে লিঙ্ক তৈরীতে মনযোগী হওয়া উচিত ছিল। এক বিটিসিএল এর উপর নিরভর না করে বাংলাদেশের অন্য ট্রান্সমিশন লিঙ্ক প্রোভাইডারের (ফাইবার আট হোম এবং সামিট) এর সাথে লিঙ্ক তৈরীতে দৃশ্যত কোন পদক্ষেপ না নেওয়া বিএসসিএলএর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের অদূরদশীরতার প্রমাণ।

  12. কবির

    রাজা যায় রাজা আসে, রাণীরা আসে যায়… কিন্তু সচিব যায় সচিব আসে, এই সব দুর্নীতিবাজ ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা রয়ে যায়…।

    Reply
    • আলম

      টাইম মেশিন আছে বিএসসিসিএল এমডির…!
      টুকুত কইরে বাড়ায় ফেলে…!

      Reply
  13. মির্জা রাকিব

    দেশের ও জনগণের সম্পদ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলে তাদের বিরুদ্ধে প্রসাশন নিরব কেন !!!! জবাব চাই…দিতে হবে…

    Reply
  14. Zobair

    এই সব দুর্নীতিবাজ ব্যবস্থাপনা পরিচালকগণদের রুখবার কি কেউ নাই……আমরা কি আসলে এতো অসহায় !!!!

    Reply
  15. সাকিব

    সম্প্রতি বিএসসিসিএল সিঙ্গাপুরের এক অখ্যাত কোম্পানির সঙ্গে যৌথ ব্যবসায় নামার জন্য বোর্ড সভায় অনুমোদন নেয়। দেখা যায়, বোর্ড সভায় যুক্তরাজ্যের ব্লুবেরি কমিউনিকেশনের নামে অনুমোদন নেওয়া হয়েছে। অথচ সমঝোতা স্মারকের জন্য তৈরি খসড়ায় লেখা হয়েছে সিঙ্গাপুরের ব্লুবেরি টেলিকম গ্লোবাল নামে একটি কোম্পানির নাম। এটা সরাসরি জালিয়াতি।

    তাইতো বলি দেশের টাকা বিদেশে পাচার হয় কেমতে..!
    মাননীয় মন্ত্রী তারানা হালিম, সচিব মহোদয় এবং এমডিকে প্রশ্ন করা হোক।

    Reply
    • Eshrak

      রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিযোগাযোগ খাত এবং Dhaka Stock Exchange ও Chittagong Stock Exchange এর তালিকা ভুক্ত কোম্পানি, বিএসসিসিল এতো বড় জালিয়াতি করে কিভাবে পার পেয়ে যায় তা আসলে বিশ্ময়।

      Reply
  16. সেলিম পরামানিক

    বিএনপি-জামায়াত আমলে অত্যন্ত অনুগত হিসেবে পরিচতিরা এখনও একাধিক রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিযোগাযোগ কোম্পানির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন। তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বর্তমান সরকারকে বিব্রত করতে এমন খেলায় মেতেছেন, এমন আশংকা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

    সরকার কি হাল ছেড়ে দিয়েছে..?
    এদের ক্ষমতা কি সরকারের চাইতে বেশী..?!

    Reply
  17. বাদল শেখ

    বিএসসিএলএর অভ্যন্তরীন অনিয়ম, দুর্নীতি নিয়ে পত্রপত্রিকায় রিপোর্ট ছাপা হওয়ার পর সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ তদন্ত কমিটি গঠন করে গত জানুয়ারি মাসে। এপ্রিলে সেই কমিটি রিপোর্ট দিয়েছে। তাতে অনিয়মের জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করে সুনির্দিষ্টভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। কিন্তু রিপোর্ট জমা হওয়ার পর ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ একদম চুপ! বরং তদন্তে রিপোর্টে অনিয়মের দায়ে চিহ্নিত বিএসসিসিএলএর কর্মকর্তা বাদী হয়ে যেসব পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্টের কারণে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় তার বিরুদ্ধে মামলা করছেন, লিগ্যাল নোটিশ দিচ্ছেন।

    চোরের মায়ের বড় গলা একেই বলা হয়..! তারানা হালিম আপনার সুদৃষ্টি আশা করছি।

    Reply
  18. বারেক মিয়া

    তাদের কাজেকর্ম সাক্ষ্য দেয়, তারা যে কোম্পানির দায়িত্বে আছেন, খোদ সেই কোম্পানির স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করছেন তারা। এসব কোম্পানির অভ্যন্তরে অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ার পরও ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগকে ব্যবস্থা নিতে দেখা যাচ্ছে না। বরং তদন্তে যারা অনিয়মের দায়ে চিহ্নিতরা ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকে সরাসরি প্রশ্রয় পাচ্ছে…!

    আহা কি সুন্দর কথা…লজ্জা এ জাতির..!

    Reply
  19. Babu

    আওয়ামী লীগ সরকার এবং আমাদের তথ্য উপদেষ্টা সাহেবের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দেশ যখন ডিজিটাল সুপার হাইওয়েতে উঠার পথে, তখন এই সব দুর্নীতিবাজ ব্যবস্থাপনা পরিচালকগণদের কারণে বার বার তা হোঁচট খাচ্ছে… তাই সরকার ও তথ্য উপদেষ্টা সাহেবের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

    Reply
  20. Mostofa

    এই সব দুর্নীতিবাজ ব্যবস্থাপনা পরিচালকগণদের কারণে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া কখোনই সম্ভব নয়।

    Reply
  21. Abir Prodhan

    আর্ন্তজাতিকভাবে ১০০ জিবিপিএস বা এখন আরও বেশি রেটের লাইন সিগনাল ব্যবহার হলেও ক্লায়েন্ট সিগনাল হিসেবে সারা বিশ্বে এখন ১০ জিবিপিএসই সবচেয়ে জনপ্রিয়। এছাড়া এখন বাংলাদেশে কোন কোম্পানির ৪০/১০০ জিবিপিএস পোর্ট এর রাউটার আছে বলে আমার জানা নেই, কিন্তু গত কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশের বিভিন্ন কোম্পানি ডিডব্লিউডিএম লাইন সিগনাল হিসেবে এসব হুয়াওই, সিয়েনা, তেজাস, সিসকোর ১০০ জিবিপিএসই ব্যবহার করে আসছে। তাই ক্লায়েন্ট বা লাইন সিগনাল এর কথা উল্লেখ না করে ১০০/১০ জিবিপিএস নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ানোই সমীচীন হবে বলে আমি মনে করি।

    Reply
  22. Parvez

    সত্যি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকগণের খুঁটির জোর অনেক বেশী…। আমি নিশ্চিত সরকার পরিবর্তন হলেও উনারা বহাল তবিয়তে থাকবেন।

    Reply
  23. Abdul Wahhab

    রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিযোগাযোগ খাতের কোম্পানির অভ্যন্তরীন অনিয়ম, দুর্নীতির জন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিবকে অন্য মন্ত্রণালয়ে বদলী করা হলেও দুর্নীতিগ্রস্ত কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকগণ বহাল তবিয়তে আছেন…… হায় সেলুকাস !!!! কী বিচিত্র এই দেশ !!!

    Reply
  24. আলম

    বিএসসিসিএলের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালকের ক্ষেত্রে নজিরবিহীনভাবে চারবার চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। তাকে পদে রাখার জন্য বাড়ানো হয়েছে চাকরির বয়সসীমা। সর্বশেষ দশ মাসের জন্য বাড়ানো হয়েছে তার চুক্তির মেয়াদ।

    বিটিসিএলের ক্ষেত্রেও ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের তদন্তে অনিয়মের জন্য চিহ্নিত ব্যক্তিকে বিশেষ ব্যবস্থায় এমডি পদে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

    এমডিদের অন্যায়কে সাপোর্ট করছেন যারা তাদেরও শাস্তি চাই..!

    Reply
  25. আসলাম

    রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিকেম কোম্পানিগুলোর একটিতেও পেশাদার ব্যবস্থাপনা নেই।
    এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকও নেই। পত্রিকা খুললেই বিএসসিসিএল, টেলিটক আর বিটিআরসির দূর্নীতি..!

    এজন্য পত্রিকা পড়া বন্ধ করে দিছি হা হা হা।

    Reply
  26. আমান

    দুর্ভাগ্য হচ্ছে, টেলিযোগাযোগ খাতের পূর্বের পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির কোনোটি এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রের উপকারে লাগেনি। গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। বরং ওই পাঁচ কোম্পানি একদিকে রাষ্ট্রের অনেকটা বোঝা হিসেবে দৃশ্যমান হয়েছে; অন্যদিকে নানা অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগে বিতর্কিত হয়েছে বারবার। এমনকি দুয়েকটি কোম্পানির কর্মকাণ্ডে আর্ন্তজাতিকভাবেও দেশের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

    বিশেষ করে বিএসসিসিএল দুর্নীতির শীর্ষে..!

    Reply
  27. আফসান সরকার

    আমার মনের কষ্ট কেউ বোঝেনারে। দেশ কোন দিকে যাচ্ছে। সরকার এমডিদের দিয়ে কি বানিজ্য করাচ্ছে কিছুই বুঝতে পারতাছি না সব মাথার উপর দিয়া যাইতাছে…!

    Reply
  28. poth

    আর কত রিপোর্ট পত্রিকাতে ছাপা হলে সরকার ব্যবস্থা নেবে। সরকার কেন বুঝতে চাচ্ছেনা তাদের ভাবমূর্তি নষ্ট করবার অপচেষ্টা মাত্র। সরকারের সতর্ক হবার এখনি সময়।

    Reply
  29. দেশ

    এমডি যারা আছেন তারা সরকারের প্রতিনিধি। তাহলে কি আমরা ধরে নেব সরকারের চাওয়াই তার পূরন করছেন। আর যদি তা না হয় তাহলে এত দূর্নীতির পরও কিভাবে এরা পার পেয়ে যায়।

    Reply
  30. Jasim Uddin

    এই ভাবে আর কতদিন……। সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি……………।

    Reply
  31. onlynoman420@gmail.com

    একটি দেশের উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্হার সার্বিক উন্নয়ন। তন্মধ্যে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্হাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এই টেলিযোগাযোগ ব্যবস্হাটাই যদি দুর্নীতিপরায়ণদের অভয়ারণ্য হয় তবে উন্নয়ন তো দূরে থাক চলমান পরিস্থিতিই দিনে দিনে আরো অনেক খারাপের দিকে যাবে। অতি শীঘ্রই যদি সরকারের পক্ষ থেকে উপযুক্ত কোন ব্যবস্হা না নেওয়া হয় তবে এদেশ কস্মিনকালেও উন্নতির মুখ দেখবে না।

    Reply
  32. shohel mamun

    I just share a issue with you that I have searched Teletalk sim around 15 shops at Moghbazar and Sukrabad area but didn’t found. but private operator’s sim is available in each of the shop. May be you are right corruption and negligence is shutting down the organization.

    Reply
  33. সোহানুর

    এসব পড়লে ভবিষ্যৎ নিয়ে আর ভাবতে পারি না। এই আশাবাদী মানুষ টাও হতাশ হয়ে যাই। আদৌ কি আমাদের কোন আশা আছে।।।।। 🙁

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—