hasina

একটি ছোট্ট সংবাদ আমার দীর্ঘ বিষণ্নতা অপসারিত করেছে; সংবাদটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়ক।

সেটির সংক্ষিপ্তসার হচ্ছে: আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটির সভার আলোচ্যসূচিতে একটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করেছেন। আলোচ্য বিষয়টি ছিল আওয়ামী লীগ সভাপতির জন্মদিন পালন প্রসঙ্গ। তিনি বলেছেন:

“কেন এটা দলের আলোচ্যসূচির মধ্যে থাকবে? আমার জন্মদিন এভাবে পালিত হবে কেন? আওয়ামী লীগ কেন আমার জন্মদিবস পালন করবে? আমি অনেকবার নিষেধ করেছি এসব করতে, কিন্তু কেন সেটা শোনা হচ্ছে না?”

তাঁর এই ভর্ৎসনার পর সবাই চুপসে গিয়েছিলেন এবং প্রসঙ্গটি আর উত্থাপিত হয়নি। সংবাদটি এটুকুই।

পাঠক নিঃসন্দেহে ভাবতে পারেন এই ছোট ঘটনায় আমার দীর্ঘ বিষণ্ন নীরবতা অকস্মাৎ অপসৃত হল কেন। কেউ কেউ ভাবতে পারেন এটাও যে একটা অজুহাতে কৌশলে ‘হাসিনাবন্দনা’ করে নিলাম। এটা বোধ হয় আমার ফরহাদ মজহার স্টাইলে নিজেকে আলোচিত করার প্রয়াস!

সুপ্রিয় পাঠক, তেমন বাসনা আমার নেই এবং কখনও ছিল না। আমি আপন মনে নিজের কাজ করেছি এবং আমার বিশ্বাসের সঙ্গে কখনও প্রতারণা করিনি।

পঞ্চাশের দশকের মধ্যভাগ থেকে বঙ্গবন্ধুর নিঃশব্দ উপাসক থেকেছি এবং এই পড়ন্ত কালেও সেখান থেকে বিচ্যুতি ঘটেনি। আমি আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলাম না কখনও এবং আওয়ামী লীগের অনেক চিন্তার সঙ্গে আমি একমত হইনি। কখনও নিজে ভেবে নিজের ভাবনা সংশোধন করেছি আবার কখনও দেখেছি আমার ভাবনা সঠিক এবং আওয়ামী লীগ সেটা রাজনৈতিকভাবেই সংশোধন করে নিয়েছে।

তবে আমার– পঞ্চাশ দশকের লিডার, ষাটের দশকের মুজিব ভাই, ষাটের শেষাংশের নেতা ও বঙ্গবন্ধু, সত্তরের দশকের জাতির পিতা– বঙ্গবন্ধুর ক্ষেত্রে প্রগাঢ় শ্রদ্ধার তিলমাত্র ব্যত্যয় ঘটেনি কিংবা তাঁর নিকটতম পরিবারের সদস্যদের প্রতি আমার স্নেহ কিংবা শ্রদ্ধায় এতটুকু অন্যথা হয়নি।

আমি আমার পেশাগত জীবনে বঙ্গবন্ধুর পথপরিক্রমণ অত্যন্ত গভীরভাবে দূর থেকে পর্যবেক্ষণ করেছি। কীভাবে তিনি দলনায়ক থেকে জননায়ক, জননায়ক থেকে দেশনায়ক, দেশনায়ক থেকে রাষ্ট্রনায়ক এবং রাষ্ট্রনায়ক থেকে বিশ্বনায়ক হলেন– সেটাও দেখার চেষ্টা করেছি গভীরভাবে। দেখেছি কীভাবে মানুষের ঢল নামে তাঁর যাত্রাপথে, দেখেছি তাঁর বার বার কারারুদ্ধ হওয়ার পর কীভাবে বাংলার মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়ে, সেসবের বিভিন্ন সময়ের সংবাদ এবং চিত্রাবলী।

আবার এই মানুষকে দেখেছি গভীর মমতায় সাধারণ মানুষ থেকে বরেণ্য মানুষকে জয় করতে। আবার এই মানুষটিই বাঙালির স্বাধীন সত্তার স্বার্থে সামরিক শাসকের ফাঁসির রজ্জুর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করছেন, দেশ ও জাতিকে তৈরি করেছেন স্বাধীনতার জন্য প্রাণ বিসর্জন দিতে, তাও দেখেছি। দেখেছি সত্তরের ঘূর্ণিঝড়ে, নির্বাচনে, দেখেছি একাত্তরের ৭ মার্চের ইতিহাস তৈরি করতে, ২৫ মার্চের নারকীয় গণহত্যার মুহূর্তে নিজেকে নির্দ্বিধায় অনিবার্য প্রাণদণ্ডের হাতে সঁপে দিতে। দেখেছি বাহাত্তরের ১০ জানুয়ারিতে মহানায়কের আগমনের দৃশ্য।

 

Sheikh+Hasina

 

এবং দেখেছি ষড়যন্ত্রের বিচিত্র রূপ, চেনা মানুষের অচেনা হতে থাকার দৃশ্য। দেখেছি অনেক মুখ কীভাবে ধীরে ধীরে মুখোশের আড়ালে ঢাকা পড়ে যাচ্ছে। দেখেছি অপপ্রচারণার স্রোত, শুনেছি প্রশস্তির কারাগারে বন্দি নায়কের দীর্ঘশ্বাসের শব্দ, শুনেছি তাঁর অসহায় আর্তনাদ– ‘আমার চারদিকে শুধু চাটার দল’, দেখেছি কীভাবে ধীরে ধীরে তিনি মুখোশ পরিবেষ্টিত হয়ে চলেছেন, দেখেছি কীভাবে স্বাধীনতার দুশমনরা তলে তলে মহারাষ্ট্রীয় বিপর্যয় সংঘটনের জন্য জাল বিছাচ্ছে, সেই দৃশ্যও।

তারপর তো বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির অন্ধকার যুগের সূচনা। স্বাধীনতার মর্মবাণী পাল্টে দিয়ে পাকিস্তানের পুনর্বাসনের ক্লেদাক্ত প্রয়াস; পুতপবিত্র দেবচরিত্রকে দানব প্রমাণের নির্লজ্জ আয়োজন, স্বাধীনতার শত্রুদের প্রেতনৃত্য– সেসবও তো দেখতে হল আমার পেশাগত জীবনে। দেখেছি আমাদের সোনালি স্বপ্ন লুট করার বীভৎস মহোৎসব। দেখেছি মুখোশগুলো খসিয়ে দিয়ে কদাকার মুখাবয়বের দানবীয় উল্লাস। তখন এ দেশ আমার ছিল না, এই সবুজ বনাঞ্চল, এই নদী মেঘলা জনপদ বৃক্ষরাজি, এই পক্ষীকুলের কলকাকলি কিছুই আমার ছিল না।

মসিলিপ্ত অন্ধকার রজনীরও তো অবসান ঘটে, ঘটলও তাই। আবার উচ্চারিত হতে পারল জনকের নাম। আবার জাগল বাংলাদেশ জাগল মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আবার আমরা আত্মশক্তিকে শাণিত করে প্রস্তুত হলাম। শেখ হাসিনা দলীয় রাজনীতিকে সাজালেন হারিয়ে যাওয়া চেতনায়। আমরা আবার জাগলাম। আবার একুশ, নববর্ষ, লাল-সবুজ পতাকা, মুক্তিযোদ্ধা, বঙ্গবন্ধু জেগে উঠতে থাকল। কিন্তু এটাই তো শেষ নয়। ঈশান কোণে আবার জমল মেঘ। আবার গর্ত থেকে বেরিয়ে এল ধূর্ত শৃগাল। হিংস্র প্রাণীরা বেরিয়ে এল জনারণ্যে। উন্মত্ত দাপাদাপিতে বিপন্ন মানবতা। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তীকালের দ্বিতীয় রাক্ষুসী কাল। কিন্তু তা-ও তো দেখলাম এবং মুখোমুখিও হলাম।

অবশেষে সেটাও গেল। মনে হল শেখ হাসিনার বদৌলতে বাংলাদেশ আবার দেশে ফিরল! উন্নতি হচ্ছে, মানুষের ভাগ্য ফিরছে, ঘরে আলো জ্বলছে, হাঁড়িতে চাল ফুটছে, মাঠে ফসল ফলছে, কিন্তু তারপরেও অনেক কিন্তু কিন্তু কিন্তুর জন্ম হয়ে চলেছে। ফিরে ফিরে আসছে ষড়যন্ত্র সহস্র ফণা তুলে। পঁচাত্তরের মতো শত্রুদের লক্ষ্যমুখ তো একটাই। একটা মানুষ এবং একটা পরিবার। লক্ষ্য থাকে সুনির্দিষ্ট, ঠিক এইভাবে। যে লক্ষ্য ভেদ করলে বিদীর্ণ করা যায় মুক্তিযুদ্ধের প্রতীক।

যত দিন যাচ্ছিল আমি ততই ধীরে ধীরে বিপন্ন এবং বিষণ্ন হয়ে পড়ছিলাম। বাহাত্তর থেকে পঁচাত্তর পর্যন্ত যেভাবে স্বাধীনতাবিরোধীদের নেপথ্য পদচারণার শ্বাপদ গতি দেখেছি, এখন আবার যেন তারই পূর্বাভাস। সেই একই ধরনের কানে কানে ফিস ফিস, একই ধরনের স্তাবকতার স্তবক। তবে তফাৎ তো আছেই। তখন প্রযুক্তির এত আস্ফালন ছিল না, তখন প্রত্যক্ষ শত্রু ছিল নির্দিষ্ট, মুখোশের সংখ্যাও ছিল সীমিত। তখন বিশ্বাসে সতর্কতা স্বল্প থাকার কারণে ষড়যন্ত্রকারীদের গতিবিধি বেশ অবারিত ছিল।

কিন্তু এখন মুখোশের সংখ্যা বেড়েছে বহুগুণ, প্রযুক্তি হয়েছে বিপুলভাবে প্রসারিত। গুঞ্জন গুঞ্জরিত হওয়ার মাত্রাও বেড়েছে বহুগুণ। বিভ্রান্তি বিতরণকারীরা ব্রহ্মাস্ত্র নিয়ে সদাসক্রিয়। আমি বিষণ্ন হয়ে পড়ছিলাম, কারণ, দেখছিলাম মিথ্যাচারের সহস্রবাণ বর্ষণে মানুষের বিশ্বাস স্থাপনের ভিতটি জর্জরিত হচ্ছে, অর্জনের বাস্তব রূপটিকে আড়াল করছে অপপ্রচারের অন্ধকার নেকাব।

ক্রমাগত বিষণ্ন হচ্ছিলাম যখন দেখছিলাম মুক্তিযুদ্ধের সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানটিতে ছদ্মবেশীদের প্রাদুর্ভাব ঘটছে। দুর্নীতির বিশালকায় দানবটি যখন স্ফিতদেহী হতে হতে দলের প্রশাসনের বিভিন্ন স্তর অতিক্রম করে রাষ্ট্রকাঠামোর কেন্দ্রে এসে আঘাত করছে। প্রচণ্ড অসহায় বোধ করেছি। একাত্তরে শত্রুর মুখে পড়ে কিংবা পঁচাত্তরের পর, নব্বইয়ের পর, দুই হাজার একের পরও এতখানি বিপন্ন বোধ করিনি। মনে হয়েছে মিথ্যা, স্বার্থবাদিতা আর ভোগবাদিতার পাশাপাশি লোভ ও স্বার্থপরতার অশ্লীল বিস্তারে আমার নিঃশ্বাস রুদ্ধ হয়ে আসছে।

ঠিক এই সময়ে ওই এক টুকরো সংবাদ আমাকে নতুন প্রণোদনা এবং বিশ্বাস স্থাপনের নতুন শক্তি সঞ্চারিত করেছে। বঙ্গবন্ধুতনয়ার ওই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার ভেতর দিয়ে আমি অন্তত এই বার্তা আত্মস্থ করেছি: তাঁর চতুষ্পার্শ্বে যে অদৃশ্য প্রাচীর সুকৌশলে গড়ে তোলা হয়েছে সেটা বিচূর্ণ করার জন্য তিনি পা বাড়াচ্ছেন।

এখন তোষামোদপ্রিয় নেতা, ভোগমন্ত্রে দীক্ষিত পাত্র-মিত্র-অমাত্য-উজির-নাজির-সেনাপতি-কোটাল প্রত্যেকেই শঙ্কিত হয়ে ভাববেন, সবার কর্মের হিসাব সংগৃহীত আছে বঙ্গবন্ধুদুহিতার মস্তিষ্কের করোটিতে।

তাই আমি আশ্বস্ত।

আবেদ খানসম্পাদক, দৈনিক জাগরণ

১৫ Responses -- “জীয়নকাঠির ছোঁয়ায়”

  1. Dr.Abdul Baten

    Thanks Abed Bhai to write up true current problem. Bangladesh made remarkable development and is a bright star in the world arena under the leadership of Honorable Prime Minister Sheik Hasina. Few persons in the name of party ruining the goodwill/achievements of the AL/ Govt. She is our light house, we trust on her judgments. God bless her.

    Reply
  2. মোঃ কামাল উদ্দিন

    সত্যি বলেছেন আবেদ ভাই চাটুকারের দল আবারো ঘিরে ফেলেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চারপাশ, তাহার প্রচেষ্টা ওখান থেকে বেরিয়ে আসার। ধন্যবাদ আপনাকে এই সুন্দর লেখার জন্য।

    Reply
  3. মোঃ কামাল উদ্দিন

    সত্যি বলেছেন আবেদ ভাই, আমরাও আশায় বুক বেধেছি আবারো ফিরে পাবার।

    Reply
  4. Firoz Uddin

    The idea of Jabed vai is excellent. These are the three common weapons to make unpopular the sitting party among the local people. Few persons in the name of party ruining the goodwill/achievements of the Govt/AL.

    Reply
  5. সুখিয়া

    ‘সূর্য পূবে উদিত হয় আর পশ্চিমে অস্ত যায়’ – একটি চিরন্তন মিথ্যে বাক্য। সূর্য কখনও উদিত কিংবা অস্তমিত হয়না। সূর্য স্থির। স্থিরতাই তার ধর্ম। আর গ্রহগুলোর ধর্ম হচ্ছে নিয়ম মেনে আবর্তন করে সূর্যদেবকে পুজো করা। বোধকরি সূর্যদেবও তোষামোদপ্রিয়।

    Reply
  6. মাইনুল শাহিদ

    মানুষ প্রাকৃতিগতভাবে তোষামোদপ্রিয় ও স্বার্থপর। কাকে খুশি বা তোষামোদ করলে তার কার্য সিদ্ধি হবে। এ ব্যাপারে সে খুবই সচেতন।

    Reply
  7. aslam

    আপনি বিবেক থেকে সবসময় লিখে থাকেন বলেছেন।
    কিন্তু আপনার লেখার কোথাও বঙ্গবন্ধু কর্তৃক বাকশাল গঠন ও সব সংবাদপত্র নিষিদ্ধের বিষয়ে কিছুই বলেননি। আপনি এড়িয়ে গেছেন- ৫ জানুয়ারীর ভোটারবিহীন নির্বাচনের কথা। যে নির্বাচনে ১৫৩ জন এমপি বিনাভোটে নির্বাচিত হয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে। আপনি এ সাকরের আমলের শেয়ার বাজার লুট, চালের দাম তিনগুণ হওয়া, ব্যাংক ডাকাতির ঘটনাগুলো এড়িয়ে গিয়ে মুলত একজন সরকরী দলের এমপি প্রার্থীর মতোই নিজেকে উপস্থাপন করেছেন! অথচ আপনার মতো একজন সনামখ্যাত সাংবাদিকের কাছ থেকে জাতির প্রত্যাশা অনেক বেশী।

    Reply
    • কালের কন্ঠ

      জিয়ার হাঁ না ভোট যদি বৈধ হয়ে থাকে, তাহলে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনও বৈধ। দেশের মানুষ দেখেছে- ঘৃণিত রাজাকার এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকরা মিলে পুরো দেশটাকে কীভাবে অগ্নীকুন্ডে পরিণতঃ করেছিলো। আর বেশী সময় দিলে ওরা দেশকে একাত্তরের বধ্যভূমি বানিয়ে ছাড়তো। ইতিহাসে যখন হাওয়া ভবন সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছিলো, যখন প্রতিক্রীয়াশীল চক্র বিরুদ্ধবাদের আড়ালে দেশে ধ্বংশলিলা চালানোর উপক্রম করেছিলো, তখন বাকশাল গঠনটা যথোপুযুক্ত ছিলো।
      আপনারা কি করে ভুলে যান ছেঁড়া গেঞ্জী আর ভাঙা সুটকেস কি করে বাংলাদেশের অন্যতম ধনী পরিবারে পরিণতঃ হয়েছিলো।
      ২০১৪ সালে প্রতিক্রীয়াশীলদের হটিয়ে সরকার প্রতিষ্ঠা ছিলো বাংলাদেশের দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ। আরেকটি মুক্তিযুদ্ধ প্রয়োজন যেটি হবে একটি বিপ্লবী সরকার। সে সরকারের প্রথম এবং প্রধান কাজ হবে স্বাধীনতা বিরোধীদের দেশকে সমুলে উৎপাটন করা। তানাহলে ওদের যে ক্ষূধা, তারা পুরো বাংলাদেশকে খেয়ে ফেলবে। ২০৪১ এর উন্নত বাংলাদেশ আর কেউ দেখবেনা।

      Reply
  8. Hasan Mahmud

    রক্ত কথা বলে ! হতে পারে নিঃশব্দ নিথরে, নিস্পন্দ নীরবে – কিন্তু রক্ত ঠিকই কথা বলে আবেদ ভাই – সেকথা ঠিক কানটা থাকলে শোনা যায়, ঠিক চোখটা থাকলে দেখাও যায় !

    মাভৈ !!

    Reply
  9. সিম্পলগার্ল

    তোষামোদকারী আধিক্য, প্রতিটি কর্মকান্ডকে জ্বি হুজুর জ্বি হুজুর করার মতো বুদ্ধিজীবি যখন বেড়ে যাবে তখন বুঝতে হবে বাস্তবে ওই নেতা ও দলের পতন অতি সন্নিকটে।

    Reply
  10. nijashim

    বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ।”
    তোষামোদী আর চাটুকারিতার সংস্কৃতি বন্ধ হোক।

    Reply
  11. সরকার জাবেদ ইকবাল

    বিষয়টি আমার জানা ছিল না। শেখ হাসিনার এই ধমক দল এবং দেশের জন্য সত্যিই একটি সুলক্ষণ। তাহলে দলের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা আর ব্যক্তি-প্রচারের মোহে আবিষ্ট থাকতে পারবে না। ফলে, ব্যক্তির চেয়ে দেশ বড় হয়ে উঠবে। কেননা, বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ।”

    তোষামোদী আর চাটুকারিতার সংস্কৃতি বন্ধ হোক। এক্ষেত্রে প্রাথমিক পর্যায়ে তিনটি উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে, – (১) জনসভা উপলক্ষ্যে পথে পথে গেইট বানানো বন্ধ করা, (২) বিশাল আকারে ব্যানার বানানো বন্ধ করা এবং (৩) নেতা-নেত্রীর ছবির পাশে নিজের ছবিটিও ছাপিয়ে দেয়া বন্ধ করা।

    Reply
      • সরকার জাবেদ ইকবাল

        Thanks Dablu Bhai. Also keeping children standing hours and hours under sun to receive political leaders should be stopped.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—