mask-38275

লিখতে বসে আজকাল অনেককিছু ভাবতে হয়। এটা লেখা ঠিক হবে তো? কোন লেখায় কার মধ্যে কী প্রতিক্রিয়া হয় তা নিয়ে কিছুটা ভয়ে ভয়ে থাকি। ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিতে তো রীতিমতো বুক কাঁপে। এমনিতেই আমি একটু ভীতু প্রকৃতির মানুষ।

ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে দেশে কম অশান্তি হয়নি। কক্সবাজারের রামুর ঘটনা নিশ্চয়ই আমাদের মনে আছে। বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের ওপর আদিম আক্রোশে হামলে পড়েছিল একদল মানুষ। বৌদ্ধদের উপাসনালয়, বুদ্ধমূর্তি, ধর্মগ্রন্থ কোনোকিছুই বাদ যায়নি; সবকিছু তছনছ করে দেওয়া হয়েছিল।

ভাবা যায়, কে একজন ফেসবুকে কী স্ট্যাটাস দিলে, সেটা সত্য না মিথ্যা, তা যাচাই না করেই একদল ধর্মরক্ষক অথবা ধর্মভীরু মানুষ যা করেছে তা বর্বরতা ছাড়া আর কিছুই নয়। এরপর নাসিরনগরের ঘটনা। ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করেই হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর চলল তাণ্ডব।

আবার নিছক গুজব ছড়িয়েও কম হাঙ্গামা হয়নি। চাঁদে সাঈদী নামের এক যুদ্ধাপরাধীর ছবি দেখা গেছে– এই গুজব ছড়িয়ে বগুড়ার বিভিন্ন জায়গায় কী নারকীয়তা চলেছিল, তা-ও ভুলতে পারি না।

সারা ক্ষণ ভয়, কী না কী হয়। নির্বাচনের কথা শুনলেই ভয় হয়। আবার বুঝি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর জুলুম-নির্যাতন শুরু হয়। গত কয়েকটি নির্বাচনের আগে-পরে বিভিন্ন জায়গায় হিন্দুদের ওপর যে অমানবিক নির্যাতন হয়েছে তার ভয়াবহতা ভুলতে পারি না। আবার নির্বাচনর কথাবার্তা শুনে বক্ষ দুরু দুরু করতে শুরু করেছে।

ভারতে মুসলমানদের ওপর কোনো সাম্প্রদায়িক আক্রমণ হয় কি না, তা নিয়েও শঙ্কায় থাকি। ভারতে হিন্দুরা মুসলিম-নিগ্রহ করছে, বাংলাদেশে তার বদলা নাও। এই যে গরু রক্ষার নামে উগ্রবাদী হিন্দুরা কোথাও কোথাও মুসলিম-নিধন শুরু করেছে তার বিরূপ হাওয়া এ দেশে বয়ে যাবে না তো– শুভবুদ্ধিসম্পন্ন সবাই সজাগ থাকতে? এই যে পাকিস্তানে মসজিদে নামাজরত মুসল্লিদের ওপর আরেকদল মুসলমান হামলা করছে, হত্যা করছে তার জন্য এ দেশে কেউ তো কারো ওপর হামলা করছে না।

খুব ভয়ে থাকি ‘ধর্মীয় অনুভূতি’ নিয়ে। একশ্রেণির মধ্যে আজকাল এটা প্রকট হয়ে উঠেছে। হিন্দুদের আর এই অনুভূতি থাকতে নেই! হিন্দুদের মন্দির ভাঙা যাবে। তাদের আরাধ্য দেবদেবীর প্রতিমা ভাঙা যাবে। কিন্তু হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগা চলবে না। কিন্তু কোনোভাবে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে ছোঁয়া দেওয়া যাবে না। কারণ, তারা সংখ্যাগুরু।

 

Ramu Shima Bihar - 111

 

আমার এই ভয় যাদের দূর করার কথা তারাও হয় ভয়ে নয়তো অন্য কোনো কারণে সংখ্যালঘুদের নিয়ে মাথা ঘামায় না। দেশের গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল শক্তি আগে সম্প্রীতি রক্ষায় সোচ্চার থাকত এখন তারা নিজেরাই অতি দুর্দশাগ্রস্ত। কারো বিপদে তার পাশে গিয়ে দাঁড়ানোর সক্ষমতা তাদের নেই।

দেশের রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার যেভাবে বাড়ছে তাতেও উদ্বিগ্ন না হয়ে পারি না। আগে আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহারের বিরোধী ছিল। ইদানীং এখানেও পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। আওয়ামী লীগও ‘ধর্মের কার্ড’ হাতে নিয়েছে।

হেফাজতে ইসলামের পরামর্শে পাঠ্যবইয়ে যেভাবে পরিবর্তন আনা হয়েছে তা খুব ছোট ঘটনা নয়। সমাজে এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী। হিন্দু-মুসলমান বিষয়টি পাকিস্তানি শাসকরা যেভাবে দেখত আবার সেই অবস্থা ফিরে আসছে কি?

বাংলা ভাষার ইসলামিকরণের যে অপচেষ্টা চলছিল আবার তা শুরু হবে না তো? পাকিস্তানি শাসকরা বাংলা ভাষার মুসলমানিকরণের উদ্দেশে শব্দ বদলের উদ্যোগ নিয়েছিল। কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা থেকেও কিছু শব্দ বদলানো হয়েছিল। ‘মহাশ্মশান’ হয়েছিল ‘গোরস্থান’, ‘সকাল’ হয়েছিল ‘ফজর’, ‘মন’-কে বানানো হয়েছিল ‘দিল’। পাকিস্তানি চেতনা ফিরে এলে বাংলা ভাষার ওপর আবার আক্রমণ শুরু হবে না তো?

আমার জন্ম ও বেড়ে ওঠা একটি বিশেষ কালপর্বে।। বায়ান্নর মহান ভাষা আন্দোলনের পর পর আমার জন্ম। ভাষা আন্দোলন বাঙালি জাতির মনোজগতে বিরাট নাড়া দিয়েছিল; অনেককিছু থেকেই তা বোঝা।

ভাষা আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন মোহাম্মদ সুলতান। তিনি ছাত্র ইউনিয়নের প্রথম সভাপতি ছিলেন। হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত একুশের প্রথম সংকলন ‘একুশে ফেব্রুয়ারী’র প্রকাশকও ছিলেন তিনি। তাঁর বাড়িও আমাদের পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার মাঝগ্রামে। ভাষা আন্দোলনের প্রভাবেই সম্ভবত ছেলের নাম রেখেছিলেন ‘সুব্রত চয়ন’ আর মেয়ের নাম ‘সুস্মিতা শম্পা’। ঠাকুরগাঁয়ের আরেক ভাষা-সংগ্রামী এফ এ মোহাম্মদ হোসেনের ছেলের নাম ‘প্রভাত সমির’। এখন এমন ভাবা যায়?

এক বিশেষ রাজনৈতিক সামাজিক পরিবেশে আমরা বেড়ে উঠেছিলাম। সেটা ছিল শেখ মুজিব এবং একইসঙ্গে বাম প্রগতিশীলদের বিকাশপর্ব। বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনা-প্রগতিবাদী চেতনা আমাদের মানসজগতে ঝড় তুলেছিল। গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা আমাদের প্রাণিত করেছিল। আজ আমরা কতকিছু মেনে নিচ্ছি, কতকিছুর সঙ্গে মানিয়ে চলছি। কিন্তু আজ আমাদের কাছ থেকে আমাদের অনেক অর্জন কেড়ে নেওয়া হয়েছে, হচ্ছে। আমরা নানা যুক্তিতে তা মেনেও নিচ্ছি।

আমরা কি পাকিস্তানের বিরুদ্ধাচরণ করেছিলাম পাকিস্তানি চেতনাসমৃদ্ধ আরেকটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য?

বড় ভয় হয়, ‘হিন্দুয়ানি’ শব্দ বাংলা ভাষা থেকে বাদ দেওয়ার কোনো হুজুগে আমরা কি আবারও বিভ্রান্তির পথে হাঁটব? যদি তেমন হয় তাহলে কেমন হবে বাংলা ভাষার শব্দাবলি? আমরা কি আর ‘আকাশ’ দেখব না, আমাদের হাতছানি দিয়ে ডাকবে ‘আসমান’? আমাদের কি আর কারও সঙ্গে ‘দেখা’ হবে না, হবে ‘মোলাকাত’? আমাদের ফুলের ‘গন্ধে’র বদলে শুঁকতে হবে ‘খুশবু’? আমরা ‘পাপে’র বদলে করব ‘গুনাহ’, ‘পুণ্যে’র বদলে হাসিল করতে হবে ‘ছওয়াব’? ‘আশীর্বাদ’ নয়, ‘দোয়া’ই কবুল? ‘অভিশাপ’ হবে ‘বদদোয়া’। ‘স্বর্গ-নরক’ হিন্দুদের জন্য সংরক্ষিত রেখে বাংলাদেশিদের জন্য হবে ‘বেহেস্ত’ আর ‘দোজখ’?

 

Brahmanabria temple - 1

 

কেউ কারো ‘সেবক’ থাকবে না, হবে ‘খেদমতগার’। আমরা ‘মাথা’র বদলে ‘শির’ উঁচু করতে অভ্যস্ত হব। সেই বহু পুরানা প্রশ্ন নতুন করে সামনে আসবে, আমাদের এত পরিচিত ‘কাকাতুয়া’ পাখির নাম কি হবে ‘চাচাতুয়া’?

ফুলকে পবিত্র বলা হয়। এরশাদ আমলে ঢাকার দেওয়ালে দেওয়ালে স্লোগান শোভা পেত: মাহমুদুল হাসানের চরিত্র ফুলের মতো পবিত্র! রাজনৈতিক নেতা-মন্ত্রীদের ফুলের মালা গলায় দিয়ে বরণ করা একটি জনপ্রিয় রীতি। কিন্তু হিন্দুরা যে ফুল দিয়ে পূজাপার্বণ করে থাকে? ফুল যদি হিন্দু-মুসলমান সবার কাছে পবিত্র হতে পারে তাহলে অন্যসব ক্ষেত্রে কেন মিলমিশ হতে পারে না?

তুলসী গাছ হিন্দুদের কাছে পবিত্র। তুলসী তলায় হিন্দুরা পূজাআর্চা করে, তুলসীর আবার ঔষধি গুণ আছে। কাঁশি হলে বা গলা খুসখুস করলে তুলসীপাতার রস তো মুসলমানরা পান করতে দ্বিধা করেন না।

যত সমস্যা হিন্দুর ‘মূর্তি’ নিয়ে। অথচ হিন্দুরা কিন্তু নিছক মূর্তি পূজা করে না, মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করে প্রতিমা পূজা করে।

ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার কথা বলা হলেও এ যুগের ধর্মানুসারীরা তা শুনতে ও মানতে নারাজ। ধর্ম নিয়ে বিশ্বজুড়ে যে উন্মত্ততা শুরু হয়েছে তার পরিণতি সভ্যতাকে কোথায় নিয়ে দাঁড় করাবে– কে বলতে পারে? মানুষের বিচারবুদ্ধিহীন হয়ে ওঠার প্রবণতা আমাদের কোথায় নিয়ে দাঁড় করাবে?

ভারতে গোরক্ষার নামে মুসলিম হত্যার যে উপলক্ষ তৈরি হচ্ছে তারও পরিণতি ভয়ঙ্কর হতে বাধ্য। গরুভক্তির নামে মানুষ খুন– এ কি ভাবা যায়? ধর্মোন্মাদরা বিবেকহীনতার পরিচয় দিচ্ছে।

অথচ ধর্ম তো মানুষকে ধারণ করেই। তাহলে ধর্ম নিয়ে পৃথিবী হিংসায় উন্মত্ত হয়ে উঠছে কেন? পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ধর্ম, শান্তির ধর্ম, মানবতার ধর্ম, আধুনিক ধর্মের যারা অনুসারী তাদের কেউ কেউ যখন বিচারবুদ্ধিহীন হয়ে ওঠেন, তখন আর হতাশ না হয়ে উপায় থাকে না।

চলার পথে যে বৃদ্ধা কাঁটা বিছিয়ে রাখতেন তাকেও করুণা করেছেন পরম দয়ালু নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। অথচ তাঁর কিছু অনুসারী আজ দেশে দেশে নিরপরাধ মানুষ হত্যায় দ্বিধা করছেন না। অন্য ধর্মানুসারীদের মধ্যেও হত্যাকারী-খারাপ মানুষ আছে। সব ধর্মের খারাপ অনুসারীদের নিয়ে আমার ভয়।

তবে মনে রাখতে হবে এটাও যে, অন্যসব ধর্মকে কিন্তু ‘শ্রেষ্ঠ’ ধর্ম বলা হয় না! তারপরও ধর্মানুসারী নয়, ধর্ম উন্মাদের সংখ্যা দেশে দেশে বেড়ে যাওয়ায় আমার বড় ভয়।

বিভুরঞ্জন সরকারসাংবাদিক ও কলামিস্ট।

১১ Responses -- “‘আমার ভয়’”

  1. Mahbubur Rahman

    It seems that those who have less knowledge on religion, they always try to say something, for which general people have to suffer. For example, recently at West Bengal Mir (celebrity) post such a comment in face book on Eid day and many so called religion leaders demand Mir’s punishment. But no one realized that it was quite ignorance of Mir on religion. My question, if a mad sleeps in Mosque, shall we punish him or try to remove him?

    Reply
  2. সরকার জাবেদ ইকবাল

    ধর্মীয় স্বাধীনতায় যারা হস্তক্ষেপ করে তারা আর যাই হোক আমার বিচারে ধার্মিক নয়। পাকিস্তান আমলে আমাকেও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়তে হয়েছিল ‘রাজা আয়া, টমটম লায়া’। বাংলা ভাষাকে হিন্দুদের ভাষা ধরে নিয়ে তাকে ‘মুসলমান’ বানানোর যে পায়তারা শুরু হয়েছিল তা পুনরুজ্জীবিত হোক এটা কখনও মেনে নেয়া যায় না।

    Reply
  3. সিম্পলগার্ল

    মুসলমানরা যদি নিজেদের সন্তানের নাম ভাষা আন্দোলনে উদ্ভুদ্ধ হয়ে ‘সুব্রত চয়ন’ ‘সুস্মিতা শম্পা’ ‘প্রভাত সমির’ রাখতে পারেন তাহলে আপনার পিতা-মাতা কেন আপনার নাম, আপনার সন্তান, নাতি-নাতনিদের নাম শেখ মুজিবুর রহমান, হাসিনা আকতার ইত্যাদি রাখতে পারলেন না?
    ‘জল’কে ভুলেও কখনো ‘পানি’ বলতে পেরেছিলেন? পানি কি সাম্প্রদায়িক শব্দ? মাংস না বলে কখনো গোস্ত বলতে পেরেছেন? এসব সাম্প্রদায়িক শব্দ? ইসলামী শব্দ শুনলেই কেন আপনাদের ভয় লাগে? এটা কি বিশেষ ধর্মের প্রতি আপনার ঘৃণার বহিঃপ্রকাশ নয়?
    কয়বার ভারতীয় হিন্দুদের গো রক্ষার নামে মুসলমান হত্যার প্রতিবাদ হয়েছে? একবারও চোখে পরেনি। আলাদা কোন কলাম দেখিনি। অথছ বিশ্বের ২য় প্রধান গরুর মাংস রপ্তানীকারক দেশ ভারত এবং হিন্দু বড় বড় ব্যবসায়ীরা এসব রপ্তানীকারক। নিজেরা গরু হত্যা করে বিদেশে রপ্তানী করলে ধর্মের ক্ষতি হয় না, অথচ মুসলমানা গরু জবাই তো দূরে গরুর মাংস খেলে বা বহন করলেও হত্যার মতো অপরাধী! এসব নিয়ে একবারও কিছু বলেছেন?

    Reply
    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      আপনি পুরো বিষয়টিকে গুলিয়ে ফেলেছেন। একজন হিন্দু কেন ইসলামী নাম রাখতে যাবেন? তারা বাঙালি হিসেবে বরাবর বাংলা শব্দে নাম রেখে যাচ্ছেন। আমরা মুসলমান বাঙালিরাই বরং তা অনুসরণ করছি না। আর, আরবি-ফারসি শব্দে নাম রাখতে গিয়ে আমরা অর্থগত দিক থেকে এমনসব উদ্ভট নাম রাখছি তা দেখে আরবিয়রা আড়ালে হাসাহাসি করে। তার চেয়ে বাংলায় নাম রাখাই কি শ্রেয় নয়?

      Reply
  4. মাহবুবুল আলম কবীর

    অন্যগুলোর কথা জানি না, তবে ‘মহাশ্মশান’কে কবি নজরুল নিজেই ‘গোরস্থান’ লিখেছিলেন। তিনি অল্প সময়ের ব্যবধানে দুইটি পত্রিকায় দুরকম শব্দ লিখেছিলেন। আব্দুল মান্নান সৈয়দের একটি লেখায় পেয়েছিলাম বছর দশেক আগে।

    তবে এটাও আশঙ্কার কথা -ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার কথা বলা হলেও এ যুগের ধর্মানুসারীরা তা শুনতে ও মানতে নারাজ। ধর্ম চলে যাচ্ছে শয়তানের দখলে !

    Reply
  5. Sumitendra Mazumdar

    As I have commented before, behind every conflict between groups, based on “religion”, language or ethnicity, – follow the money trail to find who is responsible. Ordinary people do not have time to worry about differences, they are provoked. If some poor Muslim is lynched in India, go and investigate and you will find that some local goon gained votes or money by provoking the riot. Same has to be true in Bangladesh, if a slum is burnt down there must be a promoter behind it who wants to kick out the poor to build a highrise. Just yesterday it came out in Indian newspapers that the sister of the chief minister of a state collected more than Rs 8 crores to “protect cows”!
    Replacing Bengali words with Urdu in the Pakistani period had the same goal – to divert the attention of Pakistanis from then urgently needed land reform. To date, many parts of Pakistan are effectively ruled by large jagirdars. The motivation behind replacing textbooks in BD must be the same, to divert the attention of people. Who gains from this?

    Reply
  6. আলম সাজ্জী

    শহর বদলে যাচ্ছে এটা ষাট দশকের নয়
    সত্তর দশকও নয়, এটা নয় একাত্তর, নয় মুক্তিযুদ্ধের সময়।

    শহরে ধর্মঘট, কে কাকে নিষিদ্ধ করে জানে শুধু কাক ও কুকুর
    আর সম্ভবত জানে অলস হরতালের দিনে চিৎ হয়ে শুয়ে থাকা বিষণ্ণ দুপুর !

    … … …

    Reply
  7. সৈয়দ আলি

    বর্তমান বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তক থেকে হিন্দু কবিদের কবিতা সরিয়ে দেয়াটি কার অনুমোদনে হচ্ছে, জানতে ইচ্ছুক। লেখক এ বিষয়ে দয়া করে আলোকপাত করবেন কি?

    Reply
    • সিম্পলগার্ল

      যার অনুমোদন ও নির্দেশনায় হচ্ছে তিনি নাকি এদেশের সবচেয়ে “অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, মুক্তমণা” ইত্যাদি এবং তিনি বিভুরঞ্জন বাবুদের একান্ত আপনজন।

      Reply
  8. Stupid Buster

    যত সুস্বাদু /দামী খাবারই হোকনা কেন, তা সময় যাবার সাথে সাথে শুধু স্বাদই বদলায়না, একসময় পচনও ধরে। সেই পচার মানে হল সুস্বাদু খাবারটা একসময় বিষ হয়ে যায়।
    যেই খাবার প্রান বাঁচানোর জন্য রান্না করা হয়েছিল, তা প্রান নাশের কারন হয়ে যায়. পচে যাওয়া খাবার যদি কাউকে, ভুলিয়ে, জোর করে, মাইন্ড কন্ট্রোল করে খাওয়ানো হয় তাহলে সেই জন মরে যেতে পারে, আর কিছু নাহোক কম করে হলেও হসপিটালে যেতে হতে পারে —
    উপরের প্যারাতে খাবারের জায়গায় “ধর্ম” শব্দটা ব্যবহার করলে, যেই অর্থ দাঁড়াবে , তাহাই হলো বিভুরঞ্জন বাবুর লিখার বিপরীতে আমার কমেন্ট।
    ধর্ম প্রচার করে যাওয়া সেই মহা পুরুষদের বানী একদল শয়তান নিজেদের ইচ্ছা মত বদলিয়ে সমস্যায় ভরা যেই সমাজ বানিয়েছে আমাদের জন্য, সেই সমস্যা গুলোই শুধু বিভুরঞ্জন বাবু তুলে ধরেছেন।

    এই সমস্যায় আজ ইসলাম যেমন জর্জরিত, তেমনি ভাবে একই পথ ধরে হিন্দু ধর্মও তা হতে চলেছে এই মোদিজির জমানায় — অন্য ভাবে বলা যায়, হিন্দু ধর্মের সুপ্ত থাকা বিষ গুলো মোদিজি জাগিয়ে তুলেছেন খালি —

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—