stethoscope-doctor-medical-blood-pressure-161489

বাংলাদেশে চিকিৎসকরা ক্রমাগত হামলা-মামলার শিকার হচ্ছেন। পত্রিকার পাতায় আজকাল মাঝেমধ্যেই চিকিৎসকদের মারধরের খবর বেরয়। আবার কিছু খবর জানা যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও। চিকিৎসক নিগ্রহের এই হার ইদানিং উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে।

কয়েক দিন আগে বগুড়া মেডিক্যাল কলেজে রোগীর সঙ্গে আগত এক দর্শনার্থী স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এলাকার লোক হওয়ায় আবার ক্ষমতার একটু বাড়তি মহড়াও দেখালেন। কর্মক্ষেত্রে চিকিৎসক নির্যাতনের সমস্যাটা ধীরে ধীরে বাড়লেও সমাধানে কার্যকরী উদ্যোগ নেই। উল্টো চিকিৎসক হয়রানির ষোলকলা পূরণের লক্ষ্যে ‘স্বাস্থ্যসেবা আইন ২০১৬’ প্রণয়ন প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। শেষমেষ ‘বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের’ (বিএমএ) হস্তক্ষেপে আপাতত ওই কালো আইনটি ঠেকানো গেছে।

কর্মক্ষেত্রে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এখন পর্যন্ত কোনো আইন প্রণয়নের উদ্যোগ দৃশ্যমান হচ্ছে না, বরং কোথাও কোনো সমস্যা হলে এডহক ভিত্তিতে একটা সমাধান করে মূল সমস্যা ধামাচাপা দেওয়া হচ্ছে। আখেরে যা কারও জন্যই মঙ্গল বয়ে আনছে না।

গত ১৮ জুন গ্রিন রোডের সেন্ট্রাল হাসপাতালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রথম বর্ষের একজন ছাত্রী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হাসপাতালে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। ভাঙচুরেই ঘটনা থেমে থাকেনি, দ্রুতগতিতে তা আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। অথচ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের কল্যাণে এখন মোটামুটি সবাই প্রকৃত ঘটনাটা জানে।

দূর থেকে সংবাদমাধ্যম এবং ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে যতটুকু জানতে পারলাম তাতে মনে হল, এখানে ভুল চিকিৎসা করার কোনো অবকাশই ছিল না। আগের দিন ১৭ জুন সকালে জ্বর, ত্বকে ফুসকুড়ি ও ভ্যাজাইনাল ব্লিডিংয়ের সমস্যা নিয়ে মেয়েটি সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল।

ঢাকায় এখন ডেঙ্গুর প্রকোপ চলছে, স্বভাবতই জ্বর আর ত্বকের ফুসকুড়ি দেখে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসক এটাকে ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ বলে ভাবতেই পারেন। পরবর্তীতে নিশ্চিত হওয়ার জন্য রক্তের কিছু পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার ফলাফলে রক্তের শ্বেত কণিকা ও অনুচক্রিকার মাত্রা ভীষণ অস্বাভাবিক দেখে একজন হেমাটোলজিস্টকে জরুরি ভিত্তিতে ডাকা হল।

 

Central-hospital02
মেয়েটির মৃত্যুতে তার বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠীরা চিকিৎসকদের বিরূদ্ধে ভুল চিকিৎসার অযৌক্তিক ও অসত্য অভিযোগ তুলে সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভাঙচুর করেছে

 

মেয়েটির শরীরে প্রতি কিউবিক মিটার রক্তে শ্বেত কণিকার পরিমাণ ছিল এক লাখ ৩৭ হাজার, স্বাভাবিকভাবে যা চার থেকে ১১ হাজারের মধ্যে থাকে। রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তাকারী অনুচক্রিকার পরিমাণ প্রতি কিউবিক মিটারে ন্যূনতম যেখানে দেড় লাখ থাকার কথা, সেখানে মেয়েটির রক্তে সেটা কমে মাত্র ১৬ হাজারে নেমে গিয়েছিল। রক্তে ডেঙ্গু-সংক্রান্ত পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ ছিল।

রক্তে আরও কিছুর মাত্রা দেখে মোটামুটি নিশ্চিত হওয়া গিয়েছিল যে, মেয়েটি রক্তের এক ধরনের ক্যানসারে আক্রান্ত। হয়তো অসুখটি আগে চিহ্নিত হয়নি এবং রক্তের ক্যানসারের অনেক রোগীই শুরুতে জ্বরের সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে আসে।

তবে হাসপাতালের ‘কেস হিস্ট্রি শিট’ থেকে জানা যায় যে, গত দু-তিন মাস ধরে মেয়েটির বিভিন্ন হাড়ে খুব ব্যথা হত এবং এই ব্যথা নিরসনে সে প্রায়ই ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করত। রক্তের ক্যানসার ও ধরন নিশ্চিত করার জন্য অস্থিমজ্জার একটি পরীক্ষা করতে হয়, যা সেই মুহূর্তে রোগীর শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নেওয়া সম্ভব ছিল না। হাসপাতালের চিকিৎসকরা তখন রোগীর অবস্থানুসারে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা প্রদান করেছেন। রোগীর অবস্থার ক্রমাবনতিতে এক পর্যায়ে তাকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে নেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে মেয়েটি একসময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

মাত্র ১৯ বছরের একটি প্রাণবন্ত উচ্ছল মেধাবী তরুণীর মৃত্যু যে কারও পক্ষেই মেনে নেওয়া কষ্টের। ফেসবুকে হাসপাতালের শয্যায় মৃত তরুণীর মুখের ছবিটি দেখে আমার খুব মন খারাপ হয়েছে। সহপাঠীর মৃত্যুতে তার বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুদেরও নিশ্চয়ই অনেক কষ্ট হয়েছে। মেয়েটির বাবা-মা ও পরিবারের অন্যদের বেদনাও সহজে উপলব্ধি করা যায়।

এত অল্প বয়সের এমন একটা মৃত্যু মেনে নেওয়া কষ্টকর। কিন্তু এখানে ভুল চিকিৎসার অবকাশ কোথায় বুঝলাম না। শুরুতে কি ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল? আচ্ছা, ডেঙ্গু রোগের সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা কী? ডেঙ্গু ভাইরাস থেকে সৃষ্ট ডেঙ্গু জ্বরের কি কোনো সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা আছে? না, নেই। বরং রোগের বিভিন্ন লক্ষ্মণ দেখে সাপোর্টিং ট্রিটমেন্ট দেওয়া হয়। যেমন, জ্বর ও ব্যথা কমানোর ওষুধ কিংবা প্রয়োজনে রক্ত দিতে হতে পারে। তবে অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধ বিশেষ করে ১২ বছরের বাচ্চাদের দেওয়া উচিত নয়।

এবার আসি রক্তের ক্যানসারের চিকিৎসা প্রসঙ্গে। প্রাথমিকভাবে কারও রক্তের ক্যানসার নির্ণয়ের সঙ্গে সঙ্গে কি মূল চিকিৎসা শুরু করা হয়? রক্তের এই ক্যানসারের মূল চিকিৎসাই-বা কী? কেমোথেরাপি? রেডিওথেরাপি? অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন? অস্থিমজ্জার পরীক্ষাটা কি করা দরকার?

চিকিৎসা শুরু করার জন্য ক্যানসার কোন স্টেজে আছে, সেটা জানা দরকার।

রোগীর যে শারীরিক অবস্থা তাতে রক্তের অনুচক্রিকার সংখ্যা না বাড়িয়ে চাইলেও কি কেমোথেরাপি দেওয়া যায়? রোগীর বাবা-মা বা নিকটাত্মীয়দের আসার একটা ব্যাপার থাকে। আরও অনেক বিষয় বিবেচনা করতে হয়। কিন্তু আলোচ্য রোগীর শারীরিক অবস্থা এমন পর্যায়ে ছিল যে, জীবন বাঁচানোর লক্ষ্যে তাকে আসলে ‘সাপোর্টিং ট্রিটমেন্ট’ই দেওয়া হচ্ছিল। তবু তাকে বাঁচানো যায়নি।

মেয়েটির মৃত্যুতে তার বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠীরা চিকিৎসকদের বিরূদ্ধে ভুল চিকিৎসার অযৌক্তিক ও অসত্য অভিযোগ তুলে সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভাঙচুর করেছে।

ক্যানসারাক্রান্ত মেয়েটির মৃত্যু দুঃখজনক। তার চেয়ে হতাশাজনক হল মৃত্যু-পরবর্তী সন্ত্রাসী প্রতিক্রিয়া! এটি মেনে নেওয়া যায় না। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের কাছে এহেন আচরণ আদৌ প্রত্যাশিত নয়।

মৃত ছাত্রীর বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ঢাকায় তার পরিবারের কেউ না থাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক আমজাদ আলী সেন্ট্রাল হাসপাতালের নয়জন চিকিৎসক-সেবিকা-কর্মকর্তার বিরূদ্ধে মামলা করেছেন। মামলা প্রসঙ্গে বাদী অধ্যাপক আমজাদ আলী ‘বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম’কে বলেছেন:

“একটা পরিবারের স্বপ্ন যে ধ্বংস হল, স্বপ্নভঙ্গ হল কিছু ডাক্তারের ভুল চিকিৎসা ও গাফিলতির জন্য, এটার দায়দায়িত্ব তাদের নেওয়া উচিত। এরকম যারা সেবক থাকবে, তারা যদি সেবক না হয়ে ব্যবসায়ীর মতো আচরণ করে, তাহলে তাদের এটার জন্য শাস্তি পাওয়া উচিত।”

মামলার বাদী নিজে একজন অধ্যাপক হয়ে ঘটনার ব্যাপারে সামান্য কিছু না জেনে কীভাবে এমন একটি ভিত্তিহীন, মিথ্যে মামলা করলেন তা আদৌ বোধগম্য নয়। তিনি কী করে নিশ্চিত হলেন যে, ডাক্তারের ভুল চিকিৎসা ও গাফিলতির জন্য মেয়েটির মৃত্যু হয়েছে? তাছাড়া, এতই যখন সন্দেহ তখন কেন মেয়েটির লাশের ময়না তদন্ত করা হল না?

তিনি নিজে যেহেতু একজন অধ্যাপক, তাঁর কাছে তো যৌক্তিক আচরণ আমরা প্রত্যাশা করতে পারি।

এই মামলার অন্যতম আসামী অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ, সদ্যপ্রয়াত মেয়েটি যার তত্ত্বাবধানে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আব্দুল্লাহ চিকিৎসা ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের জন্য ‘একুশে পদক’ পেয়েছেন। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসকও। আন্তর্জাতিকভাবেও তাঁর খ্যাতি দেশে দেশে, তাঁর রচিত মেডিসিনের একাধিক বই অনেক দেশেই পড়ানো হয়। সঠিকভাবেই তিনি মেয়েটির চিকিৎসা করেছিলেন। তাঁর মতো এমন দক্ষ, গুণী, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন একজন চিকিৎসকেরও আজ রক্ষা নেই।

এই ঘটনায় বোঝা যায়, কর্মক্ষেত্রে ডাক্তারদের নিরাপত্তা আজ কতটা হুমকির মুখে। এর শেষ কোথায়? এভাবে আর কতকাল চলবে? এর মধ্য দিয়ে আমরা বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আসলে কোথায় নিয়ে যাচ্ছি?

আবুল হাসনাৎ মিল্টনকবি ও চিকিৎসক: বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনারত

৩১ Responses -- “আবারও আক্রান্ত চিকিৎসক সমাজ: এর শেষ কোথায়?”

  1. মাহমুদ হোসেন

    মেডিসিন কম্পানির Representativeরা ডাক্তার দের চেম্বেরের বাইরে দারিয়ে থেকে রুগির Prescription এর ছবি তোলে ডাক্তার রা প্রতিবাদ করে না। কারন বোঝাই যায়। আত্তীয় ডাক্তার থাকলে প্রমান পাওয়া যায় অন্য ডাক্তাররা কত আপ্রোয়জনিও Test লেখে। রাজনিতিবিদ, Businessman, আমলা সবার দূর্নিতির বিচার হয় কিন্তু ডাক্তার দের দূর্নিতির বিচার হয় না, এমনকি তাদের টিকিটাও কেও ধরতে পারে না। সর্বপরি প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা দেশের বাইরে চলে যায় তাদের এহেন কাজের জন্য। কারন সঠিক Treatment এর জন্য প্রতি বছর অনেক রুগি বিদেশ চলে যায়।
    এর প্রতিকার চাই……।

    Reply
  2. Fahim Ahmed

    আগে আসল ঘটনা জানি তারপর মন্তব্য করি……….
    প্রেস ব্রিফিং
    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাণিবিদ্যা বিভাগে মেধাবী ছাত্রী আফিয়া জাহিন চৈতী এর অকালমৃত্যুর প্রতিবাদ জানাতে
    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন
    ২৩ মে, ২০১৭
    আফিয়া জাহিন চৈতী
    জন্ম: ০৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৮
    মৃত্যু: ১৮ মে ,২০১৭
    পিতা: মোঃ সেফাউর রহমান
    মাতা: মাধুরী বেগম
    পেশা: ছাত্রী, ১ম বর্ষ (সম্মান), প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
    চৈতী। আর দশটা সাধারণ মেয়ের মতো ভর্তি পরীক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে ভর্তি হয় স্বপ্নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ।
    পরিবার ছাড়া থাকতে হয় মেসের ছোট্ট একটা রুমে, যেখানে সে পায় নতুন এক পরিবার । স্বাভাবিক ভাবেই চলতে থাকে তার নতুন জীবন । ডিপার্টমেন্টের ক্লাস, ল্যাব, ক্লাস-টেস্টে ছিলো তার নিয়মিত উপস্থিতি।
    ১৭ মে সকাল ৭:৩০টা। জ্বর বেড়ে যাওয়ায় চৈতীকে দ্রুত ধানমন্ডির সেন্ট্রাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
    ভর্তির পরে রোগীর লক্ষণ দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডেঙ্গু হয়েছে ধারণা করে তার রক্ত পরীক্ষা সহ অন্যান্য পরীক্ষা করতে দেন। তাৎক্ষণিকভাবে জ্বর নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য স্যালাইন ও সাপোজিটরি দেন।
    দুপুর ২:৩০ এর দিকে চৈতীকে খাওয়ানোর পর স্থানান্তর করা হয় সাধারণ ওয়ার্ডে। যেখানে অবজারভেশন ওয়ার্ডেই চিকিৎসক পাওয়া যায়নি সেখানে সাধারণ ওয়ার্ডে পাওয়া যাবে না সেটাই স্বাভাবিক ছিল এবং হয়েছিলও তাই। কয়েকজন নার্স ছাড়া আর কেউই ছিল না সেখানে।
    সপ্তাহের মাঝে বুধবারে কেন চিকিৎসক এর এই আকাল?
    যাহোক, সাধারণ ওয়ার্ডে স্থানান্তরের পরপরই রোগীর রক্তক্ষরণ বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে শ্বাসকষ্টও শুরু হয় (আনুমানিক ৩:০০টার আগ দিয়ে)। অথচ সেখান থেকে রোগীকে অক্সিজেন সিলিন্ডার সংলগ্ন বেডে স্থানান্তর করতে বেজে যায় বিকেল ৪:০০টা।
    এসময়ও চিকিৎসা হিসেবে চলতে থাকে কেবল মাত্র স্যালাইন। এরপর রোগীর অবস্থা আরও খারাপ হলে ওষুধ আনতে তার ভাইকে পাঠানো হয় ৫:৩০ এর দিকে। এরপর সন্ধ্যা ৬:০০টার দিকে তাকে কর্তব্যরত নার্স একটি ইনজেকশন দেন, তা কিসের জন্য জানতে চাওয়া হলেও রোগীর স্বজনদের জানানো হয় নি।
    সবচেয়ে অবাক করা বিষয়, এই পুরোটা সময় জুড়ে কোন চিকিৎসক এর দেখাও পাওয়া যায়নি। সেই ভোরবেলার পর প্রায় ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় পর সন্ধ্যা ৭:০০টার দিকে চিকিৎসক আসেন। চিকিৎসক এসে রোগীর আরও কিছু পরীক্ষা দিয়ে যান। সন্ধ্যা ৭:৩০টা নাগাদ রোগীর বড় বোন নিহারিকা আফরোজ (শম্পা) আসলে তাকে মৌখিকভাবে জানানো হয় রোগী লিউকিমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত। একই সাথে তাকে বলা হয় চৈতীর যে কোন পরিণতির জন্য তারা যেন প্রস্তুত থাকে।
    ৭:৩০টায় চিকিৎসক এসে চলে যাওয়ার পর রাত ৯:০০টা অবধি আর কোন চিকিৎসক নেই। রাত ৯:০০টার দিকে একজন মহিলা চিকিৎসক চৈতীকে দেখতে আসেন এবং রোগীকে অন্য জায়গায় ট্রান্সফার করলে ভালো হয় বলে জানান। তখনই চৈতীর বড় বোন চিকিৎসক এবং কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞেস করেন তারা রোগীকে ডেলটা হাসপাতাল অথবা ঢাকা মেডিকেলে শিফট করাবেন কিনা। উত্তরে কর্তব্যরত নার্স তাকে শিফট করতে নিষেধ করেন এবং সকালে প্রফেসর আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলেন।
    রাত ১০:০০ টায় রোগী ওয়াশরুমে যেতে চাইলে নার্সরা বাধা দেন। তাঁরা বলেন, রোগীর কিছু হয়ে গেলে তারা কোন দায়ভার নিবেন না এবং একই সাথে জানান যে উপর থেকে নিষেধ আছে (ওয়াশরুমে যাওয়ার সাথে রোগীর কিছু হয়ে যাওয়ার কী সম্পর্ক? এখানে বাধা দেয়ার বা নিষেধ করারই বা কী আছে?) তারা কারণ হিসেবে দেখায়, সকালে রোগীকে ওয়াশরুমে নিয়ে যাওয়ার সময় মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল, তাই তাঁরা আর রিস্ক নেবেন না! কিন্তু এটা কি সত্যিই একটা স্বনামধন্য হাসপাতালের নার্সদের সহযোগী মনোভাব?
    রাত ১০:৩০ এর দিকে রোগীকে কিছু ওষুধ দেওয়া হয়। আগের মতোই কিসের জন্য ওষুধ জানতে চাইলেও বলা হয় নি। এরপর বাকি রাত রোগীকে স্যালাইনের উপর রাখা হয়। রোগীর উদ্বিগ্ন স্বজনেরা চিকিৎসক এবং কর্তৃপক্ষের কাছে রোগীর অবস্থা জানতে চাইলেও কোনো সদুত্তর দেওয়া হয়নি। রিপোর্ট অনুসারে রাত ১০:০০টার সময় জানানো হয় রোগীর জন্য ১৬ ব্যাগ রক্ত লাগবে পরের দিন। বারবার রক্তের গ্রুপ নিশ্চিত করার বিষয়টি জানতে চাওয়া হলেও কালক্ষেপণ করা হয় ব্লাড গ্রুপ নির্ণয়ে। দীর্ঘ তিন ঘণ্টা পর রোগীর ব্লাড স্যাম্পল সংগ্রহ করা হয় রাত ১:০০টার দিকে। এরই মধ্যে রাত ১১:০০টা এবং ৩:০০টার দিকে রোগীকে দু’বার কিছু ওষুধ এবং ইনজেকশন দেয়া হয়। এগুলো কিসের জন্য তা বারবার জিজ্ঞেস করা হলেও কোন উত্তর দেন নি তারা। সে সময় ভোর ৪:৩০টা পর্যন্ত বোনের সাথে স্বাভাবিক কথাবার্তা চলছিল চৈতীর। এরপর হঠাৎ করেই তার অবস্থার অবনতি হয় এবং তার মুখ দিয়ে ফেনা ও রক্ত বের হওয়া শুরু হয়। অবস্থা খারাপ হওয়ায় দ্রুত (ভোর ৪:৪৫টায়) তাকে আইসিইউ তে স্থানান্তর করা হয় এবং একই সাথে উপস্থিত স্বজন ও বন্ধুদের জানানো হয় তাৎক্ষণিক রক্তের ব্যবস্থা করতে। এ কথা শুনে আধা ঘণ্টার মাঝে (ভোর ৫:৩০ এর দিকে) রক্তদাতা জোগাড় করা হয়। কিন্তু কোনো এক অজ্ঞাত কারণে তাৎক্ষণিৎভাবে না নিয়ে সকাল ৮:০০টার দিকে রক্ত সংগ্রহ করা হয়।
    সকাল ৮:৩০ এর দিকে আইসিইউ তে অবস্থানরত চিকিৎসক ডা. ইউসুফ রাশেদ জানান চৈতীর ব্রেইন হাফ ড্যামেজড। তিনিই আবার ১০:০০টার দিকে রোগীর সাথে থাকা স্বজনদের জানান রোগী লিউকেমিয়া নয় ডেঙ্গুতে ভুগছিল। ওকে বাঁচানো সম্ভব হবেনা এবং রক্ত সংগ্রহের প্রয়োজন নেই। এরপর ডাঃ ইউসুফ সকাল ১১টার দিকে চৈতীকে ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’ ঘোষণা করেন।
    বেলা ১২টার পর প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান এর সাথে কথোপকথনে লিউকিমিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে ডাঃ ইউসুফ জানান, “যখন সে ICU তে এসেছিল তখনই তার ব্রেন ডেড ছিল। আমি সকালে আসার পর দেখলাম তার ডেঙ্গু ছিল”। লিউকিমিয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করায় তার উত্তরে ছিল, “Actually এই কমেন্টটা যারা করেছে এইভাবে করা উচিত ছিল যে, AML to be confirmed further, এবং এটাকে আরো access করতে হতো। হঠাৎ করে কিন্তু লিউকিমিয়া বলা যাবে না। She was suffering from dengue fever এবং এটা Dengue haemorrhagic এ turn নিয়েছে।”
    আসলেই কি ১৮মে সকাল ১১:০০ টায় তার মৃত্যু হয়েছিল?
    নাকি সেইদিন ভোরে (৫:০০-৫:৩০)! যখন রক্ত জোগাড় করার পরেও সাথে সাথে রক্ত দেয়া হয়নি তখন?
    ঘটনাটা আমাদের বোন বা বন্ধুকে হারানোর মধ্য দিয়েই শেষ হয়নি। তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক । চৈতীর মৃত্যুর একদিন পর অনলাইনে ভাইরাল হয় নতুন একটি সংবাদ – ফারহানা সীমা নামের একজন ডাক্তার সস্তা জনপ্রিয়তার লোভে কোনো রকম প্রমাণ ছাড়াই বলতে শুরু করেন মৃত্যুর তিন দিন আগে চৈতীর এম.আর.(অ্যাবরশন) করা হয়েছিল । এটি দেশের আইনে কি শাস্তিযোগ্য অপরাধ নয়?
    একই সাথে আমাদের মনে উদ্ভূত হয়েছে আরও কিছু প্রশ্ন,
    ১। ১৭মে সকাল ৭:৩০টায় নিউমোনিয়ার রোগী হিসেবে অবজারভেশন ওয়ার্ডে রাখার পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সারাদিন আর কোনো ডাক্তার কেন দেখেন নি? (সংযুক্তি ১)
    ২। ১৭মে বিকালে রক্তক্ষরণ ও শ্বাসকষ্ট বাড়লেও ডাক্তার দেখতে কেন কালক্ষেপণ করলেন?
    ৪টা থেকে ৬টা, ২ ঘণ্টা পর তাকে শুধু একটি ইনজেকশন দেওয়া হয়।
    ৩। ১২ ঘণ্টা পরে ক্যান্সারের কথা বলা হলো (সংযুক্তি ২) কিন্তু ক্যান্সারের চিকিৎসা কি হয়েছে?
    ৪। ক্যান্সারের মতো গুরুতর রোগীকে ক্যান্সার ইউনিট না থাকায় রোগীর স্বজনেরা রোগীকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করাতে চাইলেও কেন দেওয়া হলো না?
    ৫। স্বজনেরা জানতে চাইলেও কেন জানানো হলোনা কীসের চিকিৎসা চলছে? ক্যান্সারের না ডেঙ্গুর না নিউমোনিয়ার? যদি ক্যান্সার হয় তাহলে শুধু একবার টেস্ট করেই চিকিৎসা শুরু হয়েছিল?
    ৬। যেখানে ১৬ ব্যাগ রক্তের দরকার, ব্লাড গ্রুপ ক্রস ম্যাচের জন্য বারবার বলা হলেও তাঁরা রোগীর ব্লাড স্যাম্পল নেয় রাত ১টায় ।
    ৭। ব্রিফিং ছাড়াই দুইবার ওষুধ এবং ইনজেকশন দেওয়া হয় এবং দ্বিতীয়বার ওষুধ দেওয়ার ১ ঘণ্টার মধ্যেই রোগীর অবস্থার চূড়ান্ত অবনতি ঘটে। কী দেওয়া হয়েছিল?
    ৮। ১৮মে ভোর ৫:৩০টায় রক্তদাতা প্রস্তুত রাখা হলেও ৮:০০টায় কেন নেওয়া হলো?
    ৯।আইসিইউ এর ডাক্তার জানালেন তার(আফিয়ার)ডেঙ্গু হয়েছে।অথচ রিপোর্টে দেখাচ্ছে ডেঙ্গু নেগেটিভ (সংযুক্তি ৩)
    ১০। মৃত্যুর সময় কখন? আইসিইউতে নেওয়ার পরপরই? সকাল ১০টা না ১১টায়? ডেথ সার্টিফিকেটে লিখিত সময় ১৮.০৫.২০১৭ বিকাল ৫:১২ মিনিট (সংযুক্তি ৪)
    ১১। আমরা প্রথমে জানলাম নিউমোনিয়া, পরে জানলাম ক্যান্সার, শেষে জানলাম ডেঙ্গু ( যদিও রিপোর্টে ডেঙ্গু নেগেটিভ এসেছে)। ডেথ সার্টিফিকেটে লেখা আছে ডেঙ্গু এবং ক্যান্সার (সুনিশ্চিত নয়) । (সংযুক্তি ৪)
    আমাদের প্রশ্ন আফিয়াকে দেশের সেরা চিকিৎসকেরা সেবা দিয়েছেন, অথচ রোগ নির্ণয় হলো না!
    আসলে কি রোগ নির্ণয়ের চেষ্টা করা হয়েছিল? হাসপাতালে কি সে সুযোগ ছিল?
    আফিয়ার Ultrasonography Report এ সবকিছুই Normal আসে (সংযুক্তি ৫)।
    যাইহোক, ভাল থাকুক চৈতী
    ভাল থাকুক আমাদের বন্ধু
    ভাল থাকুক আমাদের বোন…
    আর কোন বোনকে যেন চিকিৎসার অবহেলায় আমাদের হারাতে না হয়। শুধু এইটুকুই আমাদের চাওয়া।

    Reply
  3. MONIRUL

    SOBKISU NOSTODER AUDHIKARE GECHE
    MOSJID,MONDIR,GIRJA,PAGODA
    DHANKHET,NODIRE PAGOL KORA VATIALI GAN,KHORER GOMBUJ,HOSPITAL,SONGSHOD,COURT
    AMAR BOYES EKHON 40.
    SHUDHO EKJON DOCTOR AMAR MAYER KAS THEHE VISIT NEYNE.
    SHUDHO EKDIN AK CNG DRIVER AMAKE NAJJAVARAI NEYCE.
    SHUDHO EKJON TEACHER AMAR KAS THEKE TAKA NEYNE.
    AMAR BOYES EKHON 40.
    SOBKISU NOSTODER AUDHIKARE JAWAR AR EKTU BAKI ASE.
    AMI INDIA JETE PARBONA. AMAR ATO ORTHO NEYE.
    AMI EKHON KE CHAYE JANEN?
    MARA JAWAR AGE JENO OGGAN HOYE JAI.
    KEU JENO AMAKE HOSPITAL A NA NEY. AR JODIO NEY AMAR RELATIVE RA JENO HOSPITAL VANGCHUR NA KORE.
    MOSJID MONDIR JARA VANGE AMI TADER SUPPORT KORE NA.
    AMI JENO GHUMER MODDHE MARA JAI.
    THE SUN WILL SHINE UPON ME OR THE MOON
    THE WIND WILL BLOW
    AND SOME ONE WILL RECITE THE HOLY QURAN & ESTABLISH JUSTICE.
    I WILL TELL MY SON [6 YEARS]
    BEG RATHER THAN BLOODSHED.
    BE A TEACHER OF PHILOSOPHY.
    DO NOT TRY TO GIVE YEARS TO THE LIFE OF THE SICK
    JUST HELP THEM AND GIVE VALUE TO LIFE.

    Reply
  4. সবুজ

    ১)উপরে মিঃ জাহিদ বলেছেন ২-৫ মিনিট রোগী দেখা নিয়ে।বাংলাদেশে গড়ে কতজন মানুষের জন্য একজন ডাক্তার জানেন কি?রেফারেল সিস্টেম না থাকায় জ্বর হল, ইচ্ছে হল এফসিপিএস,এমডি, এমএস এর বিশেষজ্ঞের কাছে চলে গেলাম।সেখানে সিরিয়ালে পড়ল ৫০ জন।তিন ঘন্টায় তারা কত মিনিট আপনার জন্য বরাদ্দ করবেন একটু বলেন।
    বিদেশে কেউ থাকলে জানবেন সেখানে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানর ঝামেলা কেমন, খরচ কেমন।
    ২)উনি ইনভেস্টিগেশন নিয়ে উনার আপত্তির কথা জানান।ভাই ইনভেস্টিগেশন এ যদি সমস্যাই থাকে তবে হোমিওপ্যাথিক বা কবিরাজ দেখালেই তো পারেন।উনারা এগুলো দেননা।এলপ্যাথিতে আসলে এটা লাগবেই।পরীক্ষাই এলপ্যাথির ভিত্তি।অনেকেই দেশের পরীক্ষা ও ব্যয় নিয়ে আপত্তি তোলেন তাদেরকে বিদেশের চিকিৎসা খরচ এবং কয়টা করে ইনভেস্টিগেশন করতে হয় একটু যদি খোজ নেন।
    ৩)মিঃ আলামিন আইসিইউ নিয়ে বলেছেন মৃত ব্যক্তি নিয়ে ব্যবসার কথা।হ্যা ভাই হাসপাতালে এনে তাহলে ব্যবসার সুযোগ কেন দেন?ম্যালেরিয়া হলে ঘরে বসে থাকবেন।কপালে থাকলে হায়াত থাকলে বাঁঁচবেন নাহলে মরবেন।আইসিইউ এর কাজই মোস্ট ক্রিটিকাল কেস নিয়ে,সেখান থেকে অনেকেই ফিরতে পারেনা,কেউ কেউ রিকভারি করে।
    ৪)আমি এবং আমার পরিবারও নানা পেশাজীবী থেকে নানা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি।তাই বলে তাদের উপর বিনা বিচারে হামলা সমর্থন দেব?
    ৫)হুমায়ুন আহমেদ একপ্রকার ভুল চিকিৎসার স্বীকার হয়ে বিশ্বসেরা আমেরিকান হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।স্কয়ার হাসপাতালের প্রেক্ষাপটে বললাম। ভারতে গিয়ে নিশ্চয় কেউ ওদের সরকারী হাসপাতালে যান না।সেখানে একটু গিয়ে দেখতে পারেন।বাই দা ওয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বাস্থ্যসূচকে দক্ষিণ এশিয়ার কোন দেশের অবস্থান কত একটু কষ্ট করে জানবেন।

    Reply
  5. মুখতার

    “এক দর্শনার্থী স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এলাকার লোক হওয়ায় আবার ক্ষমতার একটু বাড়তি মহড়াও দেখালেন।”
    স্যার ঐ দর্শনার্থীর অসহায় সজনদের সাথে শিক্ষানবিষ কসাইরা(? ) কি ব্যবহার করেছে তা বেমালুম ভুলে গেলেন?

    Reply
  6. জাহিদ

    ১.আজকাল ডাক্তার এর কাছে রোগী গেলে, ডাক্তার রোগীর নাম শোনামাত্র তার প্রেসক্রিপশন লিখে শেষ করে ফেলে একজন রোগীকে ২-৫ মিনিটে দেখা শেষ করে।

    ২. ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনেও যে আকারের টেস্ট এবং ‍ওষুধের নামের সংখ্যা এবং বাহার দেখা যায়………….।

    উপরোক্ত লাইন দুটি ডাক্তার এবং বিজ্ঞ ব্যক্তি গণ মনে হয় না রোগীর রোগ সারাবার স্বার্থে করে তবে তারা কিসের স্বার্থে করে তা বুঝতে বেশী পড়া লেখা বা জ্ঞানী না হইলেও চলে……………………..

    Reply
  7. M H

    You are straight way supporting your Dr. Abdullah which may have some inner relation with you or you are trying to build your future prospect since he is powerful one. One of my friend’s father has also got wrong treatment from this doctor. I cant support you and him.

    Reply
  8. Akhteruzzaman Chowdhury

    Our doctors are not good so this year about 180,000 people will seek treatment in India and spend over 5000 crore taka. Our doctors treat us like goats and the Indian doctor treat us like human beings.

    Reply
  9. SK RIAZ

    A LIFE IS GONE DUE DUE TO MISTAKE OF DOCTOR. THATS IT,
    DAY BY DAY THE NUMBER DEATH IS INCREASING . SHOULD CANCEL HIS MEDICAL CERTIFICATE.

    Reply
  10. শাহিন

    ডাক্তাররা কসাই থেকে যদি মানুষ হত তবে মানুষ ও সভ্য হত, ডাক্তারদের অমানবিকতা কিংবদন্তীতুল্য হয়ে গেছে। মানুষের দুর্বলতা কে যারা ব্যবসার পন্য বানায়, তারা কিভাবে জনগনকে Manner শিখায়!

    Reply
  11. F.Rahman

    Still the no body has got the right for rampaging any hospital, it is simply uncivilized manner, we don’t expect this type of behavior from an institution like Dhaka University.

    Reply
  12. Nazmul

    Dr Milton lives in Australia. I ask him to compare The the way doctors pay their services. It is silly to blame others when the doctors in BD themselves are ruining their own profession!

    Reply
    • Rojoni

      Mr Nazmul ,where do you live in ? think twice before saying anything against doctors in BD. You may create a situation here against a hospital or a doctor only from listening a rumor and nobody will case a report against you . i bet you dare not to raise your voice against a health professional in any western country , and if you by mistake touch his collar ,you may have to save your ass for the rest of your life in prison.
      be thankful for everything you have been receiving so cheaply in BD and try to respect doctors.

      Reply
      • Monjad Hossain

        In this year about 180,000 people has gone to India for treatment and spend over 5000 crore taka.

        Can you tell me why people go to India for better treatment than bangladesh ??????

      • Nazmul

        I will ask you to read all the comments. This may well be the voice of the nation regarding the services that the Doctors are providing. Do not forget the doctors are not , no matter what, gives free services. There are millions of cases where these doctors had made severe mistakes taking lives. In western countries doctors carry their profession under accountability where in BD there is none. How many times these BD doctors diagnosis wrong and gave wrong treatment until found in other countries? Open your eyes and talk with those victim people before supporting a group who has lack of humanity.

  13. goutam p shome

    This reflexive destruction is rampant in Bangladesh not an isolated incidence! Sad that our collective head is being slowly made dysfunctional. Need reason and ask question at every level! This not what thousands of years our Bengali culture and history have taught us!

    Reply
  14. সৈয়দ আলি

    ‘ তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসকও।’ এই লাইনটির জন্যই আব্দুল্লাহর পক্ষে অতো সওয়াল। ছোট বাংলাদেশের আরো ছোট ঢাকার পেশাদার সমাজে সবাই সবাইকে চেনে। তাই আব্দুল্লাহকে অতো মহান করার চেষ্টা করে লাভ হবেনা।

    Reply
    • ম রহমান

      জেনে শুনে , আজাইরা , পেচল পারেন কে ? মানুষ, মহান হয় তার কাজে । আপনি শত্রু না মিত্পোর । তাকে আপনার অপছন্দ নাকি তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী, নিজেকে মনে করেন । নাকি ভারতের হাসপাতালের দালাল.।। বুজতে হবে ?

      Reply
    • ম রহমান

      এতই যখন সন্দেহ তখন কেন মেয়েটির লাশের ময়না তদন্ত করা হল না?

      Reply
  15. Samaresh Das

    চিকিৎসকরা এখন নিজের জীবনের নিরাপত্তার জন্য ঝুকি নেবে না। নিজের জীবনই যদি আক্রান্ত হয় তবে কাকে চিকিৎসা দেবে। অনেকেই বিদেশে পাড়ি জমাবে। রাষ্ট্র যদি তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা না করে তাহলে পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে যাবে, যে কোন হাসপাতাল ভাংচুর, চিকিৎসককে মারধর করলে অজামিনযোগ্য ৫ বছরের কারাদণ্ডের ব্যবস্থা করা উচিত। চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে বিএমডিসিতে অভিযোগ করা উচিত।

    Reply
    • আল আমিন

      বিএমডিসি কি কোন মানুষ চালায়??? আমার জানামতে ডাক্তারি পেশাটি এখন ডাকাতির চেয়েও ভয়াবহ। এরা মৃত মানুষ কে বাচিয়ে রাখার নাটক করেও ব্যবসা করতে দ্বিধা বোধ করেনা। তাছাড়া বিএমডিসি আজ পর্যন্ত কোন তদন্ত সঠিক ভাবে করে নায়।

      Reply
      • Rojoni

        “এরা মৃত মানুষ কে বাচিয়ে রাখার নাটক করেও ব্যবসা করতে দ্বিধা বোধ করেনা”……
        একজন ডাক্তার কখনোই এই ব্যবসায় নামেনা। রোগী বাচলে বা মরলে কোনোটাতেই ডাক্তার এক পয়সা বেশী বেতন পায়না। পয়সা যা দেন আপনারা তার পুরোটাই যায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ঝুলিতে। ডাক্তাররা ওদের হাতে জিম্মি

      • ম রহমান

        this case is different , be careful about comment , first know real story, ask your any friend if available in CH.

      • Tahmina

        ডাক্তাররা হাসপাতালের হাতে জিম্মি!! কোনদিন কেউ প্রতিবাদ করেছে শুনিনি

    • Sayeed

      Agree. For unintentional treatment, the doctor should compensate the patient as needed. For incompetence, the doctor should do 50 years in jail.

      Reply
  16. লতিফ

    আরও অনেক পেশার মতো ডাক্তারদের বিষয়ে সমাজে যে পারসেপশন সেটা একদিনে তৈরী হয়নি। এই পেশার সাথে যুক্ত ডাক্তার ও ল্যাবরেটরি যুগের পর যুগ ধরে মানব সেবার মতো অতি প্রয়োজনীয় বিষয়টিকে উপেক্ষা করেছে এবং তার পরিবর্তে মানুষের জীবন নিয়ে ব্যবসা করাটা তাদের কাছে অনেক বড় হয়ে উঠেছে। মানুষ যখন ডাক্তারদের উপর মারমুখী হয়, তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তখন মানুষকে দোষ না দিয়ে ডাক্তারদের উচিত আয়নায় নিজেদের চেহারাটা ভালো করে দেখে নেয়া। মূর্খের নৈতিকতার দায় আর জ্ঞানীদের নৈতিকতার দায় এক না। ডাক্তারগণ সমাজে জ্ঞানীদের পর্যায়ভূক্ত, সেজন্য তাদের অনৈতিক কাজের মূল্যও অনেক চড়া। আইন করে পুলিশ প্রটেকশন নেওয়া যেতেই পারে, তবে ওই ডাক্তারের কাছে কোনো রোগি যাবে না।

    Reply
    • মোঃ হারুন অর রশিদ

      লতিফ ভাই এর মন্তব্যের সাথে আমিও একমত পোষন করি। বর্তমানে ডাক্তারগণ রোগীদের সাথে যে অমানবিক আচরন করেন তা ডাক্তারগণের চোখে পড়ে না, তারা তখন অন্ধ থাকে। বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞ ডাক্তারগণ রোগীর কাছ থেকে ৫ মিনিট সময়ে ভিজিট বাবদ ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা নিচ্ছেন সাথে রোগীকে বিভিন্ন পরীক্ষার লিষ্ট ধরিয়ে দিয়ে ডায়াগনষ্টিক সেন্টার থেকে কমিশন নিচ্ছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেই যদি রোগ সনাক্ত করতে হয় তাহলে তিনি অভিজ্ঞ কিসে? এটা প্রতারনা ছাড়া কিছুই না। সিজার ডেলিভারির কত পার্সেন্ট যোক্তিক একজন ডাক্তার বুকে হাত দিয়ে বলেন সত্য কথা। বেশিরভাগ ডাক্তারের নৈতিকতা বলতে কিছু নাই। যে পেষার লোক সরাসরী মানব সেবা করে তাদের নৈতিকতা না থাকলে মানুষ তাদের সম্মান করবে কি করে? কয় বছর আগেও ডাক্তারদের কে মানুষ অনেক সম্মান করত এখন কেন করছে না, ডাক্তারগন বিবেচনা করলেই বুঝতে পারবেন, আগে এত অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা সিজার করা লাগতোনা যা সাধারণ মানুষ বুঝতে পারে কিন্তু ডাক্তাররা বুঝে না।

      Reply
  17. Mijanur Rahman

    Please don’t pretend that you guys are ‘dhoya tulsi pata’, every sector in healthcare is corrupted in Bangladesh, from top to bottom. You guys even don’t watch at your patients when prescribing them.
    We don’t have any choice but must need to visit a doctor when we are sick, but you people clearly take advantage of that, making crores in a day, and protect yourself through political org. like BMA. I can give a minimum of five examples in my own life where me or my family got badly humiliated by so called famous doctors.
    Govt should be much more strict on you guys while giving ‘doctor’ salutation, you dont know what a ‘doctor’ is. Need to make money? Go and beg, suits you better.

    Reply
    • mamunkvafsu

      Thanks Mr. Mizanur for your nice comment.

      I think the world “Doctor should be renamed as ” Butcher” for Bangladeshi doctors.

      I was diagnosed HLAB27(+)ve 4 years back, I went in Square Hospital, one rheumatologist gave me 11 tablets per day. Soon i feel senseless in my hands and legs. Then He (Butcher) was pushing me to take 3 injections which cost 3 lakh tk. Then I came India and I got proper treatment, I’m fine Alhamdulilah.

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—