Awami League - 2

আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বড় শক্র এ মুহূর্তে এক শ্রেণির আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর কার্যক্রম। দলের জেনারেল সেক্রেটারি বলেছেন, “আওয়ামী লীগে কাউয়া (কাক) ঢুকেছে, তারা এসব করছে।”

বাস্তবে যে কাউয়ারা ঢুকেছে তারা অনেক কিছু করছে, কিন্তু পুরনো অনেকেই কমতি যাচ্ছেন না।

প্রথমত, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গেলে যে সমস্যা হয় তা হল, শেখ হাসিনাসহ কয়েকজন নেতা ছাড়া অধিকাংশই তাদের পুরনো বা ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করেন না। এমনকি যে ব্যক্তি দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের চোঙা ফুকানো ছাড়া আর কিছু করেননি, তার ছেলের ভর্তির জন্যে কিছুদিন আগে তাঁর অতি আপনজন ছিলেন যে এমপি ওই এমপির দেখা সহজে পান না। দেখা পেলেও তিনি তার সামান্য সমস্যাটুকু সামান্য আর্থিক সাহায্যটুকুর কথা বলার সুযোগ পান না।

অথচ বঙ্গবন্ধুর সময় এ ধরনের ত্যাগী কর্মী যারা ছিলেন, বঙ্গবন্ধু নিজে তাদের খোঁজ নিতেন। তাঁর দেখাদেখি জেলার নেতারা সে কাজ করতেন। এখন বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঘটে তার উল্টো। আওয়ামী লীগের একজন ত্যাগী কর্মী যদি তার ছেলের একটি কাজ নিয়ে যান, ওই কাজের কোনো গুরুত্ব দেন না জেলার নেতারা। তারা বরং ব্যস্ত হয়ে পড়েন বিএনপি বা জামায়াতের কোনো ব্যক্তির কাজ করার জন্যে। কারণ ওই নেতা তার নিজের কর্মীর কাছে টাকা চাইতে পারবেন না। জামায়াত-বিএনপির কেউ হলে তাকে টাকা দেবে। তাই তাদের কাজ করার জন্যে তিনি ব্যস্ত হয়ে পড়েন।

যেসব এলাকায় এমন ঘটনা ঘটছে তার জন্যে মূল দায়ী কেন্দ্রীয় নেতারা। শেখ হাসিনা কেন্দ্রীয় নেতাদের ওপর দায়িত্ব দিয়েছেন সবসময় কাউন্সিল করে নেতৃত্ব গড়ে তোলার জন্যে– নেতৃত্বের জবাবদিহিতা আনার জন্যেও। কেন্দ্রীয় নেতারা কোনো এক অদৃশ্য কারণে অধিকাংশ জেলায় নেতৃত্ব বদল করেন না, আগের কমিটি রেখে আসেন। যদি প্রতি দুই বা তিন বছর পর পর প্রকৃত পদ্ধতিতে, অর্থাৎ কাজ, যোগ্যতা, সততা ও এলাকায় গ্রহণযোগ্যতার খোঁজ নিয়ে নেতৃত্ব তৈরি করা হত, তাহলে নেতৃত্বের জবাবদিহিতা থাকত। আজ স্থানীয় পর্যায়ে অনেক স্থানের নেতা যা করছেন সেটা সম্ভব হত না।

আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনার কারণে দুই বার পরপর (যা আওয়ামী লীগের ইতিহাসে প্রথম) ক্ষমতায় আসায় অনেক এলাকার নেতারা মনে করছেন, ওই এলাকা তাদের জমিদারি। তাছাড়া দেখা যায় ওইসব নেতাদের কেউ ৪০-৪৫ বছর ধরে সভাপতি আছেন ওই এলাকার। তাই তারা অতি ন্যায্য মনে করে কর আদায় করছেন নিজস্ব এলাকা থেকে। সত্যি বলতে কী, ১০ বছর আগেও যে নেতাকে এলাকার লোকেরা দেখেছেন এখন ওই নেতাকে এলাকার মানুষজন আর চিনতে পারেন না।

শুধু তাই নয়, এলাকার লোকজন চোখের সামনে দেখছেন কীভাবে ওইসব নেতা ও তাদের ছেলেমেয়েরা জামায়াত ও বিএনপির নেতাদের ছেলেমেয়েদের সঙ্গে ব্যবসা করছে। শুধু তাই নয়, জামায়াত-বিএনপির মাস্তানরা যোগ দিয়েছে বিভিন্ন এলাকার আওয়ামী লীগে। তাদের মাধ্যমে নেতারা নানাভাবে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছেন।

 

Awami League - 333

 

আওয়ামী লীগের লোকাল ওইসব নেতার একেকটি কাজ সাধারণ মানুষের কাছে ঢেকে দেয় শেখ হাসিনার হাজারটি উন্নয়ন। তারা তো সিংহকে দেখতে পায় না। তারা ইঁদুর, ভয় পায় বিড়ালকে। তাদের সামনে আওয়ামী লীগ মানে শেখ হাসিনা নয়, সামনের ওই বিড়াল। ওই ছোট আওয়ামী লীগ নেতাই তার কাছে শেখ হাসিনা। আর এভাবে শেখ হাসিনার গায়ে কালি লাগাচ্ছে ওইসব আওয়ামী লীগ নেতা। প্রতিদিন তারা কমাচ্ছে দলের ভোট।

আওয়ামী লীগ নেতাদের এসব কাজের ফলে সবচেয়ে বেশি হতাশ হয়েছে ওইসব এলাকার আওয়ামী লীগের ভদ্র সমর্থকরা। তারা কেউ আওয়ামী লীগের কর্মী নয়। তারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে তারা বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কাউকে ভোট দেন না। বাস্তবে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির কাছে এখন বাংলাদেশে আওয়ামী জোট ছাড়া অন্য কাউকে ভোট দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

এই জোটের বাইরে একমাত্র কমিউনিস্ট পার্টি আছে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ শক্তি হিসেবে। নেতৃত্বের ভুলে তারা অধিকাংশ সময় যে কাজ করে ওই কাজ জামায়াত বা বিএনপির একাউন্টে জমা হয়।

যাহোক, এই যে বিশাল জনগোষ্ঠী বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ব্যবহারে হতাশ, এরা এবারের ভোটে কী করবেন, এ-ও একটা বড় প্রশ্ন।

সত্য হল, তারা কেউ জঙ্গি-সমর্থক বিএনপিকে ভোট দেবেন না। তবে বেশিরভাগই ভোটকেন্দ্রে যাবেন না, অর্থাৎ ভোট দেবেন না। এমন প্রতিফলন ইতোমধ্যে দেখা গেছে কুমিল্লা পৌরসভা নির্বাচনে। এমনকি নেত্রকোনার একটি ছোট লোকাল গভার্মেন্ট নির্বাচনেও। সবখানে ভোটারের উপস্থিতি ছিল কম। কুমিল্লা পৌরসভায় দুই লাখের কিছু বেশি ভোটার, অথচ এক লাখের বেশি অনুপস্থিত। এই হতাশ ভোটারদের হতাশা কাটিয়ে আগামী দেড় বছরের ভেতর কীভাবে ভোটকেন্দ্রমুখী করা হবে তা রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ জানে। তবে এই হতাশা আগামী নির্বাচনে তাদের অনেক বড় শত্রু।

হতাশ এই আওয়ামী লীগ সমর্থকদের পরে রয়েছে ক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগ কর্মীরা। যাদের কথা শুরুতে উল্লেখ করেছি। দলের নেতাদের প্রতি, এমপির প্রতি, মন্ত্রীদের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে তারা এবার ভোটে আর প্রাণপাত করে কাজ করবে না, যেমনটি ঘটেছিল ’৯৬এর নির্বাচনে বিএনপির মন্ত্রীদের ক্ষেত্রে; পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি ও এলজিআরডি মন্ত্রী সালাম তালুকদারও হেরে গিয়েছিলেন। তাছাড়া হেরেছিলেন প্রায় অধিকাংশ মন্ত্রী। হেরেছিলেন স্পিকার রাজ্জাক আলী।

সালাম তালুকদার পরে একদিন ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় বলেছিলেন, একজন অতিসাধারণ মওলানার কাছে তাঁর হেরে যাওয়ার একমাত্র কারণ তাঁর ভাইপোরা। তারা এলাকার মানুষের সঙ্গে এতই খারাপ ব্যবহার করেছিল এবং সবকিছুতে দুর্নীতি করেছিল যা ছিল অসহনীয়। যার কারণে তিনি হেরে যান। এবারও আওয়ামী লীগের এই দশা নানা স্থানে। অনেক জেলা নেতার ও অনেক এমপি-মন্ত্রীর সন্তানই সেখানে নেতা বা এমপি, মন্ত্রী। অর্থাৎ তারাই ইঁদুরের সামনের বিড়ালটি। আর বিড়ালগুলো এতই বাছবিচার না করে মাছ খাচ্ছে যা ওই সালাম তালুকদারের ভাইপোদের মতো হয়ে যাচ্ছে।

এর পাশাপাশি দলে এক ধরনের নতুন নেতা হয়েছেন, তারা দলের কাঠামো গড়ে তোলার চেয়ে অর্থকে বড় মনে করছেন। তারা এখন মিছিল-মিটিং করছেন। টাকা দিচ্ছেন। টাকার বিনিময়ে আদর্শহীন লোকজন তাদের সব কাজ করে দিচ্ছে। এলাকায় বড় মিটিংও হচ্ছে। এদের ধারণা, নির্বাচনের সময়ও টাকার বিনিময় ওই সব লোকদের দিয়ে কাজ করানো যাবে। যখন কোনো নির্বাচন শুরু হয় তখন টাকার প্রতিযোগিতা চলে। আর এসব লোক তখন বারবনিতার মতো হয়ে যায়। যেদিন যে বেশি টাকা দেবে সেদিন সে তার জন্যে কাজ করবে।

অন্যদিকে আগেই জিতে যাওয়া ও কর্মীরা যদি ঠিকমতো ভোটার ভোট কেন্দ্রে নিয়ে না আসে তাহলে ফল কী হয় তা ১৯৯১তে দেখা গেছে। সেবার ঢাকা শহরের সবগুলো আসন হেরেছিল আওয়ামী লীগ। একজন রিপোর্টার হিসেবে, বিদেশি এক বড় সাংবাদিকের সঙ্গে সারা শহর ঘুরে ঘুরে সেদিন দেখেছিলাম, অধিকাংশ জায়গায় আওয়ামী লীগের কর্মী নেই। এমনকি আওয়ামী লীগকে ভোট দিতে এসে ভোটাররা তাদের স্লিপটি পর্যন্ত পাচ্ছিল না।

এর মূল কারণ ছিল আওয়ামী লীগের এক ধরনের আগে থেকে জিতে বসে থাকার ভাব। এবারও দুর্বল বিএনপিকে দেখে তাদের ভিতর এই ভাব জম্মে গেছে এখন থেকে। তারা মনে করছে, বিএনপি তো ছিন্নভিন্ন। কোথাও দাঁড়াতে পারছে না। তাছাড়া শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তার কাছাকাছি কোনো নেতা নেই। এ কথা সত্য এ মুহূর্তে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হলে শেখ হাসিনার কাছাকাছি কেউ ভোট পাবেন না। এমপি নির্বাচনে ওইভাবে ভোট আনা কষ্টকর। ১৯৭০এর নির্বাচনকে বঙ্গবন্ধু গণভোটে রূপান্তারিত করেছিলেন। এবারের ভোট গণভোটে রূপান্তরিত করা কি সম্ভব হবে শেখ হাসিনার পক্ষে?

 

PM - 5

 

শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তার একটি বড় অংশ পাবে এমপি প্রার্থীরা, তবে নিজেদের জনপ্রিয়তাহীনতায় সে পার্সেন্টেজ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা-ও চিন্তার বিষয়। চিন্তার বিষয় তাদের জন্যে,তারা কি কর্মীদের নামাতে পারবে সঠিকভাবে?

আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ বিএনপি। তাদের হাওয়া ভবন, দুর্নীতি এ সবই সত্য। তবে আওয়ামী লীগকে মনে রাখতে হবে সে সব দশ বছর আগের ঘটনা। বাঙালির মেমোরি খুব শর্ট। দ্রুতই ভুলে যায়। বরং তাদের এবারের নির্বাচনের সময় মনে পড়বে তার সামনে গত কয়েক বছর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা কী করেছে সেসব।

অন্যদিকে যে উন্নয়ন আওয়ামী লীগের মূল সম্পদ, যার ওপর ভিত্তি করে তাকে নির্বাচন করতে হবে, সে ক্ষেত্রে দুটি ঘটনা ঘটেছে। এক, লীগ নেতারা সাধারণ মানুষের কাছে সত্যি অর্থে এটা তুলে ধরতে পারেননি যে, শেখ হাসিনা দেশকে কোথায় নিয়ে গেছেন। এমনকি বিএনপি যে যুক্তি দিচ্ছে– উন্নয়ন দৈনন্দিন কাজ– সে কথারও তারা উত্তর দিতে পারছেন না সঠিকভাবে। তারা জনগনের কাছে ওই অর্থে তুলে ধরতে পারেনি যে, খালেদার নেতৃত্বে কখনও গুড গর্ভনেন্স এদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। আর সুশাসন না হবার কারণে খালেদার আমলে কোনো উন্নয়ন হয়নি।

আওয়ামী লীগ আগামী দেড় বছরে কীভাবে তাদের উন্নয়নকে সাধার মানুষের কাছে তুলে ধরবে তা তাদের বিষয়। এখনও পর্যন্ত বাস্তবতা হল উন্নয়নকে লীগ নেতাকর্মীরা মানুষের কাছে তুলে ধরতে পারছে না। এই না পারার সবচেয়ে বড় কারণ, তারা নিজেরাও বোঝে না দেশের কী উন্নয়ন হয়েছে। তেমনি আওয়ামী লীগ তাদের ছাত্র বা যুবকদের দিয়ে এমন কোনো গ্রুপ বা দল তৈরি করেনি যারা দেশের মানুষের কাছে উন্নয়নের বিষয়টি তুলে ধরবে। এই প্রচারের জন্যে কর্মীদের যে ট্রেনিং দরকার তা দল তার নেতাকর্মীদের দেয়নি।

এছাড়াও কোনো দেশে যখন বিশাল আকারে উন্নয়নযজ্ঞ শুরু হয় তখন কাজের অর্থনৈতিক ভল্যুম বেড়ে যায়। তার থেকে যা চুইয়ে পড়ে তা-ও অনেক বড়। ভারতে মনমোহন সিংএর দ্বিতীয় মেয়াদে তাই ঘটেছিল। সাধারণ মানুষের সামনে ওই চুইয়ে পড়া অংশ অনেক বড়, ওটাই বিজেপি তুলে ধরেছিল মানুষের কাছে। অন্যদিকে বিএনপিতে যদিও কোনো মোদি নেই, তারপরেও বিএনপি এবার বলবে তারা এ উন্নয়ন করবে, সে উন্নয়ন করবে। এটাও কিন্তু আরেক বিপদ।

দেশে যে উন্নয়ন হয়েছেম ওই উন্নয়নটা কী– এ যদি যে দল উন্নয়ন করেছে তার কর্মীরা সাধারণ মানুষকে বোঝাতে না পারে তাহলে মানুষ অনেক সময় উন্নয়ন হবে শুনে ভুল করে বসে। যেমনটি ভারতে লোকসভা নির্বাচনে বিহারের নীতিশের দলের ক্ষেত্রে হয়েছিল। সেখানে রব উঠে গেল যে, বিহারকে মোদি গুজরাট বানিয়ে দেবেন। কিন্তু নীতিশ যে মোদির থেকে ভালো করেছেন তা আর কেউ দেখল না, সবাই ছুটল মোদির পিছনে।

উন্নয়ন বিষয়টি যেহেতু সার্বিক, এ কারণে ব্যক্তি পর্যায়ে অর্থাৎ ভোটার পর্যায়ে এটি বোঝানো বেশ কঠিন কাজ। এই কাজ করার মত কর্মীবাহিনী আওয়ামী লীগ তৈরি করেছে বলে কোনো নমুনা কেউ পাচ্ছে না। অথচ উত্তর প্রদেশের প্রাদেশিক নির্বাচনের খোঁজ যারা আদি-অন্ত রাখেন তারা জানেন বিজেপির ওই নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেক্রেটারি ভুপেন্দ্র ইয়াদব কীভাবে কর্মীবাহিনী এক বছরেরও বেশি সময় আগে গড়ে তুলেছিলেন। কীভাবে তিনি তৈরি করেছিলেন পার্সোনাল কন্টাক্ট বাহিনী, সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপ, মিড়িয়ার কাছে খবর পৌঁছানো বা মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলা গ্রুপ।

তার সঙ্গে হিসাব করে আওয়ামী লীগকে দেখলে অসহায় মনে হয় দলটিকে। বর্তমানে কিছু কিছু নেতা এমন বেফাঁস কথা বলছেন মাঝে মাঝে যার ফলে বিএনপির আর প্রয়োজন পড়ছে না। চৌদ্দ দলেরও মুখপত্র হিসেবে কোন বুদ্ধিমান ও চৌকষ ব্যক্তি নেই। সেখান থেকেও যে সব কথা বলা হয়, তা মূলত অর্থহীন। তাছাড়া আগে শেখ হাসিনার বাইরে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলার মতো সৈয়দ আশরাফ ছিলেন, তিনিও এখন নিশ্চুপ। তিনি দলের সেক্রেটারি থাকুন বা থাকুন সেটা বড় কথা নয়, আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বড় বেল্ট গ্রেটার ময়মনসিংহ এলাকা নিয়েও তিনি কাজ করছেন না।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগের আরও বড় ব্যর্থতা হল, তারা দেশের মানুষের কাছে সত্যি অর্থে তুলে ধরতে পারেনি খালেদা জিয়ার পেট্রোল বোমার সন্ত্রাস। মানুষ পুড়িয়ে মারার সেই জঘন্য অপরাধ। ঘরে ঘরে সে ডকুমেন্টারি তারা পৌঁছাতে পারেনি।

সর্বোপরি কোনো দেশে প্রথমবারের মতো বড় মাপের উন্নয়ন হলে আরেকটি বিপদ হয়, মানুষের তখন চাহিদা বেড়ে যায়। গ্রামে বসে সে যখন তার খাবারের সব চাহিদা মেটাতে পারে তখন সে মনে করে এবার মনে হয় তার শহরে যাবার সময় হয়েছে। সে শহরে চলে আসে। গ্রামের কাজটি ফেলে এখানে এসে শহরের চাকুরি চায়। অত চাকুরি তো কোনো সরকারের পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। তাই এ ধরনের উন্নয়ন হলে গ্রামের লোক যাতে গ্রামে থাকে, শহরমুখী না হয়, তাকে সেভাবেই মোটিভেট করতে হয়।

কংগ্রেস সে কাজ ভারতে করেনি। এখানে আওয়ামী লীগও তা করছে না।

স্বদেশ রায়সাংবাদিক

৩১ Responses -- “আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের শক্র”

  1. ইমাম

    আমরা স্বাধীন কারণ আমাদের একটি মানচিত্র আছে। আমরা স্বাধীন আমাদের একটি পতাকা আছে। কিন্তু এই মানচিত্র আর পতাকার মধ্যে বসবাসকারী দোপেয়ে জীবগুলো তারা কেমন আছে এই প্রশ্নের উত্তর এদেশের মানচিত্র আর পতাকা দিতে পারেনা। বছরের পর বছর পেরিয়েছে। স্বাধীনতার সেই মরা-কাষ্ঠে পিঠ ঘষতে ঘষতে আমরা এখনো ধুকে মরছি। আর ধিক্কার দিচ্ছি নিজেদের ভাগ্যকে। ব্রিটিশ শোষণের বেড়াজাল ছিরে আমরা ফিরেছি স্বাধীন বাংলার স্বপ্নে। আজ চল্লিশ বছরে পা দিয়েও আমার কি অর্জন করেছি তা কি একবারের তরেও ভেবে দেখার অবকাশ পান আমাদের রাজনীতিবিদগণ। দেশে বাকিরা হবে নীরব দর্শক। কর্তায় ইচ্ছেয় কর্ম, মানবতা এ কোন অধর্ম, আমরা বুঝি না তার মর্ম। জোর করে নাম জাহির করা, নির্দিষ্ট আদর্শ ভিত্তিক স্বার্থান্বেষী মহলের দৌরাত্ব, ইচ্ছা-খুশি বাকিদের ডাণ্ডা-পেটা করার বৈধতা। আজব এই প্রথা। এর নাম নাকি আবার গণতন্ত্র!!!! চলছে ক্ষমতা বদলের একটা মিউক্যাল চেয়ারের গেম শো। যার হাতে ক্ষমতার ঝাণ্ডা সেই কুশীলব। স্বাধীনতার চারটি দশক পার করার পরেও রাজনৈতিক দলগুলো তাদের অবস্থান পরিষ্কার করতে পারেনি। নিজেদের একটি শক্ত আদর্শিক কাঠামোতে দাঁড় করাতে পারেনি। বাংলার ত্রিশ লক্ষ শহীদ তাজা রক্তের বিনিময়ে পাকিস্তানি তস্করদের হাত থেকে বিজয় ছিনিয়ে পরিচিতি দিয়েছিলেন স্বাধীন দেশ হিসেবে। তাঁরা যে ভূখণ্ডের জন্য এই ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন তার কোন মূল্যই দেয়নি। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো। ঘুরে ফিরে একটা রজ্জু আবদ্ধ চতুষ্পদের মতোই কেবলই ঘুরপাক খেয়েছে এবং আজও খাচ্ছে, একটি নির্দিষ্ট দলীয় ফ্রেমওয়ার্ক বা গণ্ডির মধ্যে।

    Reply
  2. হাসান

    আমাদের মধ্য-বিত্তদের মাঝে নতুন এক সম্প্রদায় তৈরি হয়েছে, তা হলো রাজনীতি বিমুখ কিন্তু রাজনৈতিক টপিকে আগ্রহী –“হোম মেইড সুশীল” সমাজ! যাদের মতে, নতুন নেতৃত্ব না এলে, দেশের রাজনীতি নিয়ে কিছু বলা যাবে না, কিছু চিন্তা করা যাবে না! আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি ২টা দলই খারাপ, উনারা তাই এদের নিয়ে ভাবতেই রাজি না। কোন কথাও খরচ করতে আগ্রহী না। যেহেতু বিএনপি-আওয়ামী লীগই বর্তমান রাজনীতির কেন্দ্র, তাই এদের নিয়ে কেউ কিছু বললে, “হোম মেইড সুশীলরা” সেখানে এসে বেশ ধমক-ধামক দিয়ে যান। বলে, আপনি দুর্নীতি-গ্রন্থ রাজনীতিবিদদের কথা বলেন, আপনি ভালো না, আপনি পঁচা! এদের দেখলে বেশ লাগে! মনে হয়, হুমম এইতো সঠিক লোক উইথ বিবেক! নিশ্চয়ই এরাই আগামীকাল এমন কিছু করবে যা সবকিছু বদলে দিবে! এরাই হবে পরিবর্তনের কাণ্ডারি!
    কিন্তু কিসের কি, এরা প্রতিদিন একই কাজ করে, খায়, ঘুমায়, টয়লেটে যায় এবং ফ্ল্যাশ করে বেরিয়ে আসে। প্রতিদিন রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলো নিজেদের কাঁধে বয়ে বেড়ায়, মাথা নিচু করে, মুখ বুজে সহ্য করে আর রাতের বেলায় ডাইনিং টেবিলে ঘুষি মেরে বলে, কেউই যোগ্য না, সব পঁচা, পঁচা, পঁচা! এরপর ঘুমাতে যায়! আমার মতে এরা হচ্ছে প্রচণ্ড ক্ষতিকর! হ্যাঁ, এই হোম-মেইড সুশীল দ্বারা যদিও অন্য কারো স্বার্থ নষ্ট হচ্ছে না, কিন্তু এরা ক্ষতিকর কারণ এরা হচ্ছে মরিচা! একবার বসে গেলে লোহা পর্যন্ত অকেজো করে ফেলে। এদের নেতিবাচক এবং অবাস্তব চিন্তা এবং অকর্মণ্যতা ভাইরাসের বেগে অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে সবাইকে অকেজো করে ফেলে। আওয়ামী লীগ বা বিএনপি ছাড়া তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক ক্ষমতা অন্য কারো নেই। এরশাদ ১০ বছর ক্ষমতায় থেকেও দেশব্যাপী সাংগঠনিক জাল বিস্তার করতে পারে নাই। বাম দলগুলা. জামাত, বিএনপি তো বিলুপ্ত হবার পথে। আওয়ামী লীগ বা বিএনপি’র যদি পতন ঘটে তবে যেই “পাওয়ার ভ্যাকুয়াম” http://en.wikipedia.org/wiki/Power_vacuum ) তৈরি হবে, সেটা ফিল-আপ সংক্রান্ত যেই জটিলতা এবং হুমকি দেখা দিবে তা বহন করার ক্ষমতা এবং সময় বাংলাদেশের নাই। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের ভাল চাইলে গণতান্ত্রিক এবং তুলনামূলক শান্তিপূর্ণ “স্ট্যাটাস কো” (http://en.wikipedia.org/wiki/Status_quo) ধরে রেখে, শিক্ষা ও অর্থনীতিতে উন্নতি করার সাথে সাথে বর্তমানে যা আছে তার মাঝেই সংস্কারের বিকল্প নাই। আলোচনা না হইলে সংস্কারের টেবিলে পৌঁছানোর কোন রাস্তা নাই।
    এজন্যই বাংলাদেশের রাজনীতিতে অবাস্তব এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিবর্তন আশা না করে বর্তমান ব্যবস্থার মাঝে সংস্কার আশা করি। তৃতীয় শক্তির ধারনার সাথে বাস্তবতার পার্থক্য অগ্রাহ্য করে, রাজনৈতিক আলোচনার প্রতি নেতিবাচক মন্তব্য করে সেটা নিরুৎসাহিত করার পর লেপমুড়ি দিয়ে ঘুমিয়ে যাওয়া কোন কাজের না! বরং বর্তমান শক্তিগুলো নিয়েই ভাবনা-চিন্তা করা দরকার, কারণ এটাই বাস্তবতা!

    Reply
  3. রিয়াদুল হাসান

    সব যেন ভাগ্যবদলের চাকায় বন্দী। দলকে ঢেলে সাজাতে কেন্দ্র থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে দফায় দফায়। কেন্দ্র থেকে বারবার জেলা পর্যায়ে সম্মেলনের তাগিদ দেওয়া হলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন নেই। দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম মাঠপর্যায়ে হতাশার চিত্র। কেন্দ্র থেকে তৃণমূল। সর্বত্রই দ্ব›দ্ধ, সংঘাত আর কোন্দলে ডুবে আছে ঐতিহ্যবাহী এই দলটি। কোন্দল নিরসনে কেন্দ্রের সাংগঠনিক সম্পাদকদের ভূমিকা বরাবরই ব্যর্থ। নীতিনির্ধারণী ফোরাম প্রেসিডিয়াম সদস্যদের কোনো কাজ নেই। সাংগঠনিক সফর তো দূরে থাক, রাজধানীভিত্তিক দলীয় কর্মসূচিতেও ঘুরেফিরে কয়েক প্রেসিডিয়ামের চেনা মুখ। বছরে দু-একবার প্রেসিডিয়ামের বৈঠকে উপস্থিত হওয়া আর দলের বিশেষ দিনের কর্মসূচিতে চেহারা দেখানোই যেন প্রেসিডিয়াম সদস্যদের পদ বাঁচানোর হাতিয়ার। এমনকি প্রেসিডিয়ামের দু-একজন সদস্য আছেন তৃণমূলের নেতাদের কাছে এখনো অপরিচিত মুখ। কেন্দ্রের অন্য গুরুত্বপূর্ণ নেতারাও যতটা না দলীয় কাজে ব্যস্ত, তারচেয়ে বেশি সক্রিয় নিজেদের ব্যবসা-বাণিজ্যে। টানা দুবার দল ক্ষমতায় আসাতে কেন্দ্রীয় নেতাদের অনেকেই চলেন দাম্ভিকতায়। কর্মিবান্ধব নেতার সংখ্যা কমলেও হাইব্রিড আর সুবিধাবাদী নেতার পাল্লা ক্রমেই বাড়ছে।
    টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক স্থবিরতা এতটাই প্রবল যে, সরকারের মন্ত্রী ও দলীয় নেতাদের বক্তব্য রাখার প্লাটফর্ম এখন হঠাৎ গজিয়ে ওঠা কয়েকটি সংগঠন। রাজনীতির মাঠে দলীয় কর্মসূচি না থাকায় প্রতিদিন সরকারের প্রভাবশালী একাধিক মন্ত্রী ও দলের সিনিয়র নেতারা ছুটে যান এসব সংগঠনের আলোচনায় অতিথি হয়ে। সাংগঠনিক কাজে খবর নেই। আওয়ামী লীগ নেতারা ব্যস্ত নিজেদের ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে। কেন্দ্র থেকে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে একই অবস্থা। শুধু দলই নয়, সহযোগী সংগঠনের নেতারাও বাণিজ্যে ব্যস্ত। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীও নিজেদের ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িয়েছেন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম। কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে দলের।
    পুলিশ কোনো অপরাধের তদন্ত নিয়ে কাজ করলেই পদে পদে বাধা। দলীয় লোক হলে তো কথাই নেই। খোদ এমপি কিংবা দলের কোনো প্রভাবশালী নেতার ফোন। তাদের কথা অনুযায়ী কাজ না করলে মুহূর্তেই ওই অফিসারকে জামায়াত-শিবির কালিমা দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে কার্যকর বিরোধী দল নেই বলে সরকারের সঙ্গে বিরোধী দলের দ্ব›দ্ধ সেভাবে নেই। দ্ব›দ্ধটা আসলে শিফট করেছে সরকারের অভ্যন্তরে অর্থাৎ সরকারে যারা আছেন, তারাই পরস্পর দ্ব›েদ্ধ লিপ্ত হয়েছেন। আর অস্থিরতার জন্ম সেই গর্ভেই।

    Reply
  4. Aoyami league Vokto

    স্বদেশ রায় দাদার কথা একদম সত্য। এত সবের পরেও একটি কথা সত্য যে, যারা পাকিস্তান আমল দেখেছে, যারা মুম্তিযুদ্ধ দেখেছে, যারা প্রকৃত পক্ষে বিবেকবান তারা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত শেখ মুজিব কে ভুলতে পারবেনা। সত্য কথা বলতে কি, আমিও একসমঢ ছাত্রলীগের রাজনীতি করেছিলাম। কারণ আমার দাদা আওয়ামীলীগ ছিল, বাবা আওয়ামীলীগ, নানা আওয়ামীলীগ , আমার মা আওয়ামীলীগ, এক কথায় আমার প্রাথমিক জীবনে আমি আমার উত্তরসূরী হয়ে ভালোমন্দ না বিবেচনা করে আওয়ামীলীগ রাজণীতি করেছিলাম।(বস্তুত এ যুগের রাজনীতি উত্তরসুরী আর স্বার্থধারারই) কিন্তু এখন বর্তমান অবস্থা বিবেচনা করে পবিত্র রাজনীতি কে এখন ঘৃনা হয় এই সব নেতাদের জন্য। আমি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কোন স্বচ্ছ, জন-কল্যাণ কামী নেতা দেখিনা। তাই রাজনীতি নষ্ট হয়ে গেছে। ভালো নেতার সন্তান যে ভালো নেতা হবে এমন বাধ্যবাধকতা নেই যদি তাই হতো তবে হাজীর ছেলে সন্ত্রাস হতোনা। জনগনের উপকার করত যে নেতা, স্বদেশের- মাটি ও মানুষের প্রতি যার অকৃত্তিম ভালোবাসা তার মেয়ে/ছেলে/বউ সেই মানুষকে ঠকিয়ে নিজেদের ঝলা ভর্তি করতে ব্যাস্ত থাকতনা। তবে এ দেশে এক সময় নেতা ছিল যারা আমার আদর্শ হয়ে থাকবে চিরকাল।যেমন-

    শেখ মুজিব –আমার আদর্শ।
    জিয়াউর রহমান –আমার আদর্শ।
    আমার আদর্শ- ফখরুদ্দিন।
    আমার আদর্শ- জওহর লাল নেহেরু (স্বাধীনতা পূর্ব)
    আমার আদর্শ-হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।

    Reply
    • fuad

      বঙ্গবন্ধু ও জিয়াউর রহমান এক জনের আদর্শ হয় কি ভাবে।তারা দুজন ছিলেন সম্পুর্ন বিপরিত আদর্শের।

      Reply
  5. R. Masud

    As per the Stellar Science , a star like our sun die when it reached to a situation that no more it can keep its materials/stuff together. It means, its gravity force get smaller and started expanding.
    Any thing is destroyed when its size goes above its capacity to control.
    Awamileague has to started thinking this point very carefully, becasus lots of illegal acts are doing by its members , opportunist from other parties are regularly entering in to its core part, etc ,can be a good explanation of its possible near collapse.

    Reply
  6. zhir

    agami election e Sheikh Hasina k amul change korte hobe nomination list. Dokholbaj, tenderbaj r chadabajder nomination dewa cholbena.

    Reply
  7. sheikhsumonislamkutub17@gmail.com

    “ক্ষমতা ভোগের বস্তু নয়, ক্ষমতা দায়িত্ব
    পালনের। প্রতিটি ঘণ্টা, প্রতিটি মিনিট, প্রতিটি
    সেকেন্ড দায়িত্ব পালন করতে হবে। জনগণের
    কল্যাণে কাজ করে যেতে হবে।”

    -দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

    Reply
  8. sheikhsumonislamkutub17@gmail.com

    “ক্ষমতা ভোগের বস্তু নয়, ক্ষমতা দায়িত্ব
    পালনের। প্রতিটি ঘণ্টা, প্রতিটি মিনিট, প্রতিটি
    সেকেন্ড দায়িত্ব পালন করতে হবে।
    জনগণের কল্যাণে কাজ করে যেতে হবে।”

    -দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

    Reply
  9. খালিকুজ্জামান

    আমি ছাএলীগ করি কিন্তু আমাদের কোনু দাম নাই,আপনার কথা সাতে আমি এক মত,

    Reply
  10. সিম্পলগার্ল

    “তাছাড়া শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তার কাছাকাছি কোনো নেতা নেই। এ কথা সত্য এ মুহূর্তে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হলে শেখ হাসিনার কাছাকাছি কেউ ভোট পাবেন না।” পুরো লেখাতে হাসিনার অনেক গুণগান তো গাইলেন। আপনার কথা মতো হাসিনার কাছাকাছি কেউ ভোট পাবেন না- তাই যদি হয়, ছোট্ট একটি চ্যালেঞ্জ- নিরপেক্ষ প্রশাসন ও সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দেয়ার দুঃসাহস তার আছে কিনা তা একবার একান্তে জিজ্ঞেস করে দেখুন তো।

    Reply
  11. সিম্পলগার্ল

    ১। বর্তমান বা আগামী যে কোন নির্বাচনে আওয়ামী সবচেয়ে বড় ভয় সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচন ও জনগণ। পুলিশ ও অন্যান্য প্রশাসন সামান্যতম নিরপেক্ষ আচরণ করলে আওয়ামী লীগের শীর্ষ থেকে নিয়ে নিম্ম পর্যন্ত অন্তত৯০% কে খুঁজেও পাওয়া যাবে না, এমন ভাবে তারা পালাবে। এটা শেখ হাসিনাও জানেন। মুখ ফসকে কথাটি ওবায়দুল কাদের কিছুদিন আগে বলেও ফেলেছেন। তাই সুষ্ঠু নির্বাচনের এত বড় দুঃসাহস আওয়ামী লীগ দেখাবে না।
    ২। ক্ষমতার প্রটেকশান না থাকলে বর্তমান অটো এমপিদের দ্বারা গঠিত আওয়ামী লীগ সরকারের অধিকাংশ এমপি-মন্ত্রী এলাকায় গিয়ে জনগণের কাছে ভোট চাইতে যাবেই না। যেমনটি যাওয়ার সাহস করেনি ২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারীর তথাকথিত নির্বাচনের আগে। তাই শেখ হাসিনা বাধ্য হয়ে ঢাকায় বসে ১৫৩ জনকে অটো ভাবে নির্বাচিত করতে হয়েছে। বাকী যারা ভোট করেছে তারাও সাহস করে ভোট চাইতে পর্যন্ত এলাকায় যাননি। এমনই ‘সাহসী’ ও ‘জনবান্ধব’ আওয়ামী এমপি-নেতারা।
    ৩। এ অবস্থায় আওয়ামী লীগ সর্বশেষ চেষ্ঠাও করে যাবে ২০১৪ সালের মতোই ‘ভিনদেশের’ সাপোর্ট নিয়ে আরেকটি অটো নির্বাচন করার। যদি তাতে সফল না হয় তখন এমন পরিবেশ তৈরি করবে তাতে নির্বাচন ছাড়াই সংবিধানের দোহাই দিয়ে ক্ষমতা হাতে রেখে দেয়া যায়।কারণ জনগণের উপর এমন ভাবে নীপিড়ন আওয়ামীরা চালিয়েছে, চালাচ্ছে, এত বেশি লুটপাট করে যাচ্ছে তাতে ক্ষমতা নামের বাঘের পিঠ থেকে নামার এত দুঃসাহস তাদের নেই।

    Reply
  12. kabir

    মিঃ স্বদেশ রায় আপনার লেখাটা একদম রাজনৈতিক নেতার মত হয়েছে।আপনি সাংবাদিক না হয়ে নেতা হলেই ভাল করতেন।আপনাকে বলছি শেখ হাসিনাকে একবার নিরপেক্ষ নির্বাচন দিয়ে দেখতে বলেন তারপর দেখেন আওয়ামীলীগ কোথায় আছে।

    Reply
    • R. Masud

      what does the neutral electtion means?
      who will take care of that election, where from those Feresta like people come to execute fareer election then today’s ?
      Which election was fare!! 2009 election? Parliament members of 2009 election had まmade the Constitutional changed as per the correct rules, but you bloody people didn’t accept that. If so, then what is the puroses of election in Bangladesh?
      It seems you moron people are expecting an election that was planned by Hawabhaban!! shame, Bullshit!!

      Reply
      • Rakib

        কার বেশী নিরপেক্ষ হওয়ার সম্ভাবনা? নিরবাচনকালীন সরকার প্রধান হিসাবে হাসিনার না তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান হিসাবে দুই দলই মেনে নেয় অতীতের মত এমন কেউ? আওয়ামীলীগ নিরপেক্ষ সরকারের পথে এগুবে না- ভরাডুবির ভয়ে। নিজে সরকার প্রধান থাকলে সব সম্ভবের দেশে সব কিছুই করা সম্ভব।

  13. Sarah

    “তাছাড়া আগে শেখ হাসিনার বাইরে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলার মতো সৈয়দ আশরাফ ছিলেন”

    – surely you must be joking Swadesh Roy.

    Reply
    • সৈয়দ আলি

      আহা সৈয়দ আশরাফ দলীয় পদে না থাকলেও স্বদেশ রায়দের উপকার করার জন্যতো এখনো মন্ত্রী আছেন। দু’চারটি ভালো কথা লিখে আশরাফ ভাইকে দেখালে কি তিনি প্রীত হবেন না? আপনারা না, সব বিম্পি-জামাত। আম্মো।

      Reply
  14. হাছান

    আওয়ামী লীগক্ষমতায় আছে থাকবে। বেশী কথা বললে ইলিয়াছ আলী ।

    Reply
  15. মজিবর রহমান

    এর জন্য দলীয়নেত্রী কম দায়ী নন। হাইব্রীড দের নমিনেশন কেন দেওয়া হয়? আর ক্ষমতায় থেকে জোর করে অন্যদলের নেতাদের ভাগিয়ে দলীয় নেতাদের দূরে ভেলে দেন। মনে হয় এরায় দলের মুল শক্তি। অথচ ভোট দিলেই অনেকে দলছুট। যেমন, বরিশাল মেয়র আহসান হাবিব পূর্বে যখন ক্ষমতায় ছিল তখন সে নৈকা এবং ধানের শীস ঝুলিয়ে জনাব আব্দুল্লাকে পরে মুলা দেখিয়ে বি.এন.পিতে থেকে গেলেন। তাই জোর করে কাউকে না এনে নীতি আদরশে আনুন। নইলে বাদ দিন।

    Reply
    • সৈয়দ আলি

      মজিবর রহমান, ‘হাইব্রীড দের নমিনেশন কেন দেওয়া হয়?’ – কেন দেয়া হয় জানেন না? কেন এমপি পদের জন্য বিড হয়, জানেন না? কেন শোনা যায় অমুক দেশে অতোগুলি, তমুক দেশে অতোগুলি এমপি পদ চাওয়া হয়, জানেন না? ছাতকের এমপি সাহসী বীরের মতো বলেছেন, ‘ ট্যাখা দিয়া এমপি অইছি’।

      Reply
      • মজিবর রহমান

        ঠিক বলেছেন টাকা দিয়া নমিনেশন কিঞ্ছি তখন টাকা তুলতে হবে ৫০০%।

  16. সৈয়দ আলি

    “শুধু তাই নয়, এলাকার লোকজন চোখের সামনে দেখছেন কীভাবে ওইসব নেতা ও তাদের ছেলেমেয়েরা জামায়াত ও বিএনপির নেতাদের ছেলেমেয়েদের সঙ্গে ব্যবসা করছে। ” শুধু ব্যবসা কেন? ১৯৭১ সালের প্রমানিত দালাল ও যুদ্ধাপরাধীদের সাথে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের আত্মীয়তার কথাটা বাঁউলি কেটে এড়িয়ে গেলেন কেন? খোদ দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রীইতো তাঁর ফুফু বেগম সাজেদা চৌধুরীর দাবী মোতাবেক ফরিদপুরের প্রমানিত দালালের পরিবারকে আত্মীয়তার বন্ধনে আবদ্ধ করেছেন।
    স্বদেশ রায়, অর্ধসত্যের চেয়ে বিপজ্জনক আর কোন মতামত হয়না।

    Reply
  17. Poor Anayet

    সিংহ, ইঁদুর, বিড়াল —– a beautiful, practical and great example. What an abstract symbolism ………

    Reply
  18. সরকার জাবেদ ইকবাল

    মতামতগুলোকে ফিডব্যাক হিসেবে গ্রহণ করলে আওয়ামী লীগ উপকৃত হবে। তবে শত্রু-মিত্র চিনতে আওয়ামী লীগ প্রায়ই ভুল করে থাকে যার ফলে দলে ঘুনপোকার অনুপ্রবেশ বেড়ে যায়। এটা বন্ধ করতে হবে। কথায় আছে, ‘অজানা বন্ধুর চেয়ে চিহ্নিত শত্রু ভাল’। অর্থাৎ, অজানা বন্ধু কবে কিভাবে উপকার করবে সেই আশায় বসে না থেকে আওয়ামী লীগের জন্য জরুরি হবে শত্রুকে ভাল করে চিনে নেয়া যাতে তাদের অনুপ্রবেশ বন্ধ করা যায় এবং তাদের সম্ভাব্য আক্রমণ প্রতিহত করা যায়।

    Reply
  19. Sohel Rana

    It is not development. It has become our need proportionally with time. Do some thing like evolution and then say Bangladesh aowamelueaue has developed our country like Malayasia.

    Reply
    • Shofiul Azam

      Why BNP can not do any development in their regime? Why they put electric pole without electricity? Why they make a shadow government lead by Tareq Zia and continue corruption? “Our need proportionally with time” does not work with BNP. Shame!!!!!

      Reply
  20. Maruf

    অজয় দাশগুপ্ত, বিজন রায় এরপর স্বদেশ রায়। বিডিনিউজ২৪.কম এর মতামত পাতাটি একটি বিশেষ ঘরানার লেখকদের পাতা হয়ে উঠেছে।

    Reply
    • সৈয়দ আলি

      Maruf, হবেনা? সালমান রহমানের মালিকানায়, যুবরাজের নিজ রেফারেন্সের বাংলা না-জানা সম্পাদক, একদল মস্কোপন্থী-টার্নড-ঘোর আওয়ামী লীগার কর্মী, কিছু ভুল ইতিহাস পড়ানো নবীন সাংবাদিক নিয়ে বিডিনিউজ২৪.কম। ঘরানা তো প্রথম ‘ সা’ উচ্চারণ থেকেই জানা যায়। ভুল বানানে অদ্ভূত বাক্যগঠনের বাংলায় আওয়ামী লীগ স্তুতির মন্তব্য ছাপা হয়, আওয়ামী বিরোধিতার সামান্য গন্ধ পেলেই আর সে মন্তব্য ছাপা হবেনা।

      Reply
      • Zahid

        You are absolutely right. So many of my comments were not published because it went against Awami League. Although, I was just replying R Masud’s comments. This opinion forum is not neutral at all!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—