hefajot

বাংলাদেশের ইতিহাসে ২০১৩ সাল সহজে ভোলা যাবে না। যুদ্ধাপরাধের দায়ে দণ্ডিত কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবন দণ্ড দেওয়ায় শাহবাগে মিলিত হয়েছিল গোটা বাংলাদেশ। টানা ১৭ দিন চলে সেই অবস্থান। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সময়ের বহু পরিবর্তনের অনুঘটক এই আন্দোলন।

এই আন্দোলনের সময়েই বিপরীত প্রতিক্রিয়ায় সক্রিয় হয় হেফাজতে ইসলাম। শাহবাগের আন্দোলনকারীদের ‘নাস্তিক’ আখ্যা দিয়ে মাঠে নামে তারা। ঘোষণা করে ১৩ দফা দাবি। এর মধ্যে অন্যতম একটি দাবি ছিল, ‘ঢাকাকে মূর্তির নগরে রূপান্তর এবং দেশব্যাপী রাস্তার মোড়ে ও কলেজ-ভার্সিটিতে ভাস্কর্যের নামে মূর্তি স্থাপন বন্ধ করা।’

নারীদের প্রকাশ্যে চলাচলের বিরুদ্ধেও অন্য এক দফায় বলা হয়, ব্যক্তি ও বাকস্বাধীনতার নামে সব বেহায়াপনা, অনাচার, ব্যভিচার, প্রকাশ্যে নারী-পুরুষের অবাধ বিচরণ বন্ধ করতে হবে।

শাহবাগ-হেফাজত বিরোধিতার মধ‌্যেই খুন হন গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী রাজিব হায়দার। মঞ্চকর্মীদের খুন হওয়ার ধারাবাহিকতা পরেও বজায় থাকে।

যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবি মাঠে গড়ালে নাস্তিক ইস্যু মাঠে গড়ানোর ইতিহাস এই দেশে নতুন নয়। নব্বইয়ের দশকে ‘ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে মাঠে নামলে গণআদালতের বিচারক আহমদ শরীফকে নাস্তিক আখ্যা দিয়ে ওই সময় মাঠে নেমেছিল একই ধরনের কয়েকটি দল।

২০১৩ সালের মে মাসে ১৩ দফা দাবিতে মতিঝিলে অবস্থান নেয় হেফাজতকর্মীরা। দিনভর সংঘাতের পর ৫ মে রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে মতিঝিল ছাড়তে হয় হেফাজতকে। ওই সময় আক্রান্ত হয় মতিঝিলের বলাকাও।

হেফাজতের ঢাকা ছাড়ার পর এই অধ্যায়ের মোটামুটি সমাপ্তি হয়েছে বলে মনে করা হলেও শিগগিরই তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়। সরকার থেকে হেফাজত আমিরের ছেলেকে নানা সুবিধা দেওয়ার খবর ছাপা হতে থাকে পত্রপত্রিকায়। পরাজিত হেফাজতের সঙ্গে সরকারের একটি মহল ‘নতজানু’ আচরণ করতে থাকে বলে অনেক মানুষ বলতে থাকে।

নারীর স্বাধীনতা ও ভাস্কর্যের বিরোধী অবস্থানে থাকা হেফাজত আবার ফিরে এসেছে। পৌঁছে গেছে উচ্চ আদালতেও; সেখানে স্থাপিত একটি ভাস্কর্য অপসারণের দাবি নিয়ে।

সুপ্রিম কোর্টের মূল ভবনের সামনে ‘লিলি ফোয়ারা’য় গত ডিসেম্বরে এই ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়। রোমান যুগের ন্যায়বিচারের প্রতীক ‘লেডি জাস্টিস’-এর আদলে এটি নির্মাণ করেছেন ভাস্কর মৃণাল হক।

ভাস্কর্যটিতে চোখে কাপড় বাঁধা এক নারীর ডান হাতে তলোয়ার, বাম হাতে দাঁড়িপাল্লা; তলোয়ারটি নিচের দিকে নামানো আর দাঁড়িপাল্লাটি পরিমাপ করছে– এমন ভঙ্গী প্রকাশ পেয়েছে।

বর্তমান বিশ্বে প্রচলিত আইনশাস্ত্রের গোড়াপত্তন হয় রোমান যুগে। বাংলাদেশেও আইনশাস্ত্রে রোমান আইন পড়ানো হয়ে থাকে। রোমানদের লেডি জাস্টিস গ্রিকদের কাছে পরিচিত ছিল ‘দেবী থেমিস’ হিসেবে।

এই ভাস্কর্যকে ‘গ্রিক দেবীর মূর্তি’ আখ্যায়িত করে তা অপসারণের দাবিতে প্রধান বিচারপতি বরাবর স্মারকলিপি নিয়ে যায় হেফাজতের প্রতিনিধি দল। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের একান্ত সচিব আতিকুস সামাদ মাজার গেট থেকে এই স্মারকলিপি গ্রহণ করেন। এর আগেও এ ধরনের দু-একটি সংগঠন একই দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছে বলে জানান আতিকুস সামাদ।

স্মারকলিপি দেখেই মনে পড়ে গেল ২০১৩ সালের একটি স্মৃতি– যখন গণজাগরণ মঞ্চের প্রতিনিধিরা গিয়েছিল স্মারকলিপি নিয়ে। ওই প্রতিনিধিরা স্মারকলিপি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছাতে পারলেও তা গ্রহণ করেননি রেজিস্ট্রার। আদালত স্মারকলিপি গ্রহণ করতে পারেন না বলে তখন যুক্তি দেওয়া হয়েছিল।

গণজাগরণ মঞ্চের দাবি ছিল সুপ্রিম কোর্টে একটা ছুটি বাতিল-সংক্রান্ত। এই ছুটি ব্রিটিশ আমল থেকে চলে আসছে। লম্বা এই ছুটিতে ইউরোপীয় বিচারকরা সাগর পাড়ি দিয়ে স্বদেশে যেতেন।

সেই ছুটি পৌনে এক শতাব্দী পরও রয়েছে। এই ছুটি নিয়ে আদালতে কম বিতর্ক হয়নি। সর্বশেষ এই ছুটি কমানোর কথা এসেছে প্রধান বিচারপতির তরফ থেকেও।

যত দূর মনে পড়ে, সুপ্রিম কোর্টের এই ঘটনা ২০১৩ সালের অাগস্টের। গণজাগরণ মঞ্চ তখন ‘ভরা যৌবনে’। এর মধ‌্যেই সামনে এসে দাঁড়ায় সেই ছুটি।

ছুটিতে হাইকোর্টে অবকাশকালীন বেঞ্চ থাকলেও প্রায় দেড় মাস বসবে না আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চ। অন্য মামলার মতো বন্ধ থাকবে যুদ্ধাপরাধের আপিল শুনানিও।

যেখানে হাইকোর্টের বিচারকরাই যে কোনো সময় যে কোনো জায়গায় কোর্ট বসিয়ে দিতে পারেন, এমনকি দূর প্রবাসে বাংলাদেশ দূতাবাস, লাল-সবুজের পতাকাবাহী বিমান-জাহাজেও তাঁরা বসাতে পারেন কোর্ট, করতে পারেন বিচার– মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত এই রাষ্ট্র তাদের সেই অধিকার দিয়েছে। এমন এখতিয়ার থাকার পরও গণজাগরণ মঞ্চের নিয়ে যাওয়া স্মারকলিপি গ্রহণ করা হয়নি।

তবে সাড়ে তিন বছর পর ন্যায় বিচারের প্রতীকের একটি ভাস্কর্য সরাতে প্রধান বিচারপতিকে দেওয়া হেফাজতের স্মারকলিপির অনুলিপি গ্রহণ করেছেন আদালতের এক কর্মকর্তা।

সাম্প্রতিক সময়ে পাঠ্যপুস্তকে হেফাজতের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে পরিবর্তন আনার পর আমাদের আশঙ্কা, হয়তো মানা হবে তাদের এ দাবিও।

ভাস্কর্য ভাঙার জন্য নব্বইয়ের দশকে একটি প্রতাপশালী মৌলবাদী দলকে নিষিদ্ধ করেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সময় পাল্টেছে। এখন ভাস্কর্য নিষিদ্ধ হওয়ার সময়!

হয়তো এই সময় আমরাই এনেছি… ভুল সময়ের জনক-জননী হয়ে বেঁচে আছি আমরা। আরও কত ভুলের জন্ম দেব কে জানে!

সুলাইমান নিলয়বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ও আইন বিষয়ক প্রতিবেদক

৩১ Responses -- “‘গণজাগরণকে না, হেফাজতকে হ্যাঁ’”

  1. obaid

    যে বা যারা বিশেষ একটি ধর্ম বিশ্বাসকে আঘাত করে – যা দেশের সিংহভাগ মানুষের বিশ্বাস- আদালতের মত একটি সার্বজনীন প্রতিষ্ঠানে মূর্তি স্থাপন করে অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্কের জন্ম দেয় তারাই তো সাম্প্রদায়িক হওয়া উচিত।

    Reply
  2. মনিরুজ্জামান

    আজও ওহুদের যুদ্ধে শহীদদের নামের স্মৃতি ফলক সৌদিআরবে আছে বলে জেনেছি- যেখানে সবাই গিয়ে দোয়া দরুদ পাঠ করেন (এ ব্যপারে কারো বিস্তারিত জানতে চাই।

    Reply
  3. Asadul Huq

    সরকার যদি মনে করে হেফাজত তাদের পক্ষে ভোট দেবে তাহলে সেটা হবে মহা ভুল। বাংলাদেশকে যদি আফগানিস্থান বানাতে চান তবে হেফাজতের দাবী অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলুন।

    Reply
  4. হাসিবুর রহমান

    দেশে কার কথাকে হ্যাঁ বলতে হবে সেটা জনগণই নির্ধারন করবে। তারা হেফাজতই হোক আর গণজাগরণ মঞ্চই হোক।
    কিন্তু বিষয়টা নিরপেক্ষতার। সত্যই কতজন বাঙালি গণজাগরণকে মেনে নেয় এবং কতজন হেফাজতকে সেটার একটা সত্যাসত্য নির্ধারণ দরকার। মিডিয়ার সামনে 15 জনকে 15000 করে দেখানোটা সহজ কিন্তু সত্যটা সবার সামনে নিয়ে কাজ করাটাই সবচেয়ে কঠিন পদ্ধতি।

    Reply
  5. Azadi Hasnat

    তোমরা মোড়ে মোড়ে মূর্তির হাট বসাও। ফুটপাতের অসহায় ব্যবসায়ীদের রিজিকে হাত দাও। অসহায়দের মেরে নিজেরা পেট ভরে খাও। তোমাদের আকাশ জ্বলজ্বলে। এজন্য মানুষ বাচাবার চেয়ে মূর্তি তৈরির সাধ জাগে তোমাদের। তোমাদের ওপর খোদার লানত।

    Reply
  6. Fazlul Haq

    এইচ এম শাহদাত
    কিছু মনে করিনি। তবে আাপনার ইংরেজী বিদ্যার দৌড় বুঝা গেল। বাংলায় লিখলে কি বলতে চাচ্ছেন তা হয়তো পরিষ্কার হতো।

    Reply
  7. হাছান

    অষ্টাদশী রুপসী নারীর দেহকলা সর্বস্ব ভাস্কর্য ঢাকায় দেখতে চাই। ঢাকা ডেকে থাকবে ভাস্কর্যে বাকী সব দূঃখ কষ্ট ভুলে থাকার একটা উপায় অন্তত পেয়ে যাবো ।

    Reply
    • md zakir

      বাংলাদেশ মুসলিম দেশ তাই ভাস্কর্যের নামে কোন মুর্তি থাকতে পারবে না…কিছু নামধারী মুসলিম ভাইরা কিভাবে মুর্তিকে সমর্থন দেয় আবার নিজেকে মুসলিম দাবি করে…এ কেমন মুসলমান!!

      Reply
  8. সরকার জাবেদ ইকবাল

    বিষয়টি আমি যেভাবে বুঝি তা হলো – মূর্তি হলো ‘ইমেজ’ বা প্রতিরূপ। আর, প্রতীকী ব্যঞ্জনা নিয়ে কোন মূর্তি বা প্রতিরূপ যখন শিল্প-সুষমায় উন্নীত হয় তখন তা হয়ে যায় ভাস্কর্য। মূর্তি বলি আর প্রতিরূপ, এক্ষেত্রে কোনটির সঙ্গেই ধর্মীয় অর্থে পূজার কোন সম্পর্ক নেই। এগুলো পূজা করার জন্য নির্মাণ করা হয়নি। কাজেই, ভাস্কর্য সরিয়ে ফেলার দাবী অযৌক্তিক। শহীদ মিনার এবং স্মৃতিসৌধ সম্পর্কেও আমার একই অভিমত।

    Reply
  9. Saikot Roy

    দিনের শেষে সন্ধা নামে। জীবন সূর্য একদিন অস্তমিত হয়। আমাদের প্রিয় স্বদেশভূমির অবস্থাও এখন সাম্প্রদিকতা আর কুসংস্কারের বেড়াজালে আবদ্ধ এবং নিমজ্জিত। প্রভাতের সূর্যকিরণের ছোঁয়া আমাদের ভেতরকার সাম্প্রদিকতা আর কুসংস্কারের বেড়াজাল কবে ছিন্ন করবে তা এখন জাতির বিবেকের কাছে প্রশ্ন। আমরা কি আবার মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভাসিত হয়ে নতুন সাম্প্রদিকতা আর কুসংস্কারুপি এই শত্রুর বিরূদ্ধে লড়াই করতে পারবনা? দেশকে রক্ষা করার জন্য কি আরেকবার এক নতুন যুদ্ধ শুরু করতে পারবনা? জাতির বিবেক এবং দেশকে যারা সত্যিই মন থেকে ভালবাসে তাদের সবার কাছে আজ এই প্রশ্ন।

    Reply
  10. sayeed

    আপনার লেখা প্রকাশ করার মধ্যেও হেফাজত তোষণ রয়েছে। হেফাজতের বিপুল জমায়েতের ছবিটা হাইলাইট করেছেন কিন্তু যে ভাস্কর্যটির বর্ণনা দিয়েছেন তার ছবিটি দেননি। তবে, কি আপনারাও হেফাজতের মত মূর্তির ছবি দেখাতে চাননা??????????

    Reply
  11. kazi harunar rashid

    In our court systems already have scale why now we need additional symbol of Goddess Themis. Our country is not in Europe or not have long time any established sculpture culture exists with men or women .I think setting up lady justice is not a wise decision.

    Reply
  12. H. M. Shahadat

    Don’t mind mr. mithun chowdhury , Sulaiman niloy and Fazlul haq,.
    Some people like you who are ladies, don’t understand about religious demand. who are expecting a lot of opportunity to done many sin like free sex, economic corruption and pushing to hell of people. An standard quality, Ideal, Model and others adventure behavior of people have been created from religion called Islam. if you don’t belief this, nothing to say. I will only say, you have lost the best way, but don’t damage others.

    Reply
  13. মিঠুন চৌধুরী

    আজ ভাস্কর্য তাই সবাই চুপ। তারপর চারিদিকে চুপ চুপ চুপ। তারপর শহীদ মিনার, তারপর জাতীয় স্মৃতিসৌধ। তারপর আর কোনো ভাস্কর্য, স্থাপত্য, ভবন আর কিছুই থাকবে না। তখন সবই স্বাভাবিক মনে হবে। বৃক্ষ ছায়াতলে বসে চলবে বিচার-শিক্ষাসহ সব কাজ।

    Reply
  14. Fazlul Haq

    হেপাজতের মত ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর কাছে দেশ ও সমাজের দখল ছেড়ে দিলে তা হবে বাংলাদেশের জন্য এক চরম বিপর্যয়। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় মধ্যযুগে ইউরোপে ধর্মান্ধ গোষ্ঠী ডায়নি অপবাদ প্রচার করে নারীদের হত্যা করতো; বাইবেলের কথা বলে বিজ্ঞানীদের মৃত্যুদন্ড দিত; ভারতবর্ষে সতীদাহ প্রথার মাধ্যমে বিধবা নারীদের নৃশংসভাবে হত্যা করা হতো; এখন ও জেনার অপবাদ দিয়ে দোররা মারা ও অনার কিলিং করা হয়। হেপাজত তাদেরই অনুসারি। এদরকে প্রতিহত না করলে সমাজ অন্ধকারে ঢেকে যাবে। এরা ধর্মের আলো ও জ্ঞানের দিক দেখে না। এরা ধর্মকে অপব্যবহার করে কুসংস্কারের দিকে ধাবিত হয়।

    Reply
      • হাসান

        ভাই আল্লাহ কে একটু ভয় করেন, পরকাল বলতে কিছু আছে এটা আমরা মুসলমান রা মনে প্রাণে মানি, আর আপনার ওই মাটির পুতুল গুলা ঐদিন আপনার কোনো উপকারে আসবে না।

    • হাসিবুর রহমান

      ধর্ম কাউকে হত্যা করায় না। হত্যা করায় তারা যাদের অনুকরণ করে মূর্তিস্থাপন করা হয়। তারা কিছুসংখ্যক মানুষদের কিনে ধর্মের দোহায় দিয়ে নতুনত্বের আগমনের গান শোনায়। মধ্যপ্রাচ্যের অবস্থা দেখে আমাদের শেখা উচিত। আল কায়দা, আইসিস কি নির্মমতা আমাদের উপহার দিচ্ছে এগুলো কাদের তৈরি??

      Reply
      • ibn sultan

        এটা মুসলমানের দেশ হেফাজতে ইসলাম আছে থাকবে
        গ্রীক দেবীর মুর্তি থাকবেনা আর তা সময়ই বলে দিবে ৷ইনশা আল্লাহ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—