Brahmanabria temple - 1

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ৩০ অক্টোবরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শতাধিক ঘরবাড়ি ভাঙচুর লুটপাট করা হয়েছে এবং পনেরটি মন্দির ভাঙা হয়েছে। এক কথায় তাণ্ডব চালানো হয়েছে। কালীপূজা এবং ভাতৃ-দ্বিতীয়ার উৎসবের আমেজের মধ্যে এই আসুরিক ঘটনা যে ঘটানো হল তা নিয়ে গণমাধ্যম যে খুব বেশি সোচ্চার হয়েছে তা-ও নয়।

রামুর ঘটনার মতেই এখানে পরিকল্পিতভাবে ফেসবুকের একটা ছবি কেন্দ্র করে এই ঘটনা সাজানো হয়েছে। যদি ধরে নেওয়া হয় যে, ফেসবুকে কেউ একজন একটি আপত্তিকর ছবি পোস্ট করেছে, তাহলেও হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির ও ঘরবাড়ি ভাঙচুর লুটপাট করতে হবে কেন?

কেউ যদি ফেসবুকের মাধ্যমে কোনো আপত্তিকর কিছু লিখে থাকে বা ছবি দেয় তাহলে সেটার বিচার হবে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে। বাড়িঘর লুটপাট, ভাঙচুর হবে কোন যুক্তিতে? যারা এই লুটপাট চালিয়েছে তারা কি মুসলমান? যদি সত্যিই তারা মুসলমান হত তাহলে তো তাদের জানার কথা যে বিদায় হজের ভাষণে হযরত মুহম্মদ(স.) স্পষ্ট বলেছেন যে, একজনের অপরাধে সেই ব্যক্তির পুরো সম্প্রদায়কে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না।

অন্যত্র হাদিসে রয়েছে, যুদ্ধরত নয় এমন বিধর্মীদের কোনো ক্ষতি করা চলবে না। বরং শান্তিপ্রিয় বিধর্মীকে নিরাপদে তার ঘরে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব একজন মুসলমানের উপরেই বর্তায়।

তবে এত কথা বলে কোনো লাভ নেই। কারণ ‘চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনি’। ‘আহলে সুন্নত ওয়াল জামাত’ নামে উগ্রবাদী ধর্মীয় শ্লোগান দিয়ে যারা নাসিরনগরে এই হামলা ও তাণ্ডব চালিয়েছে তারা ধর্মীয় লেবাসধারী শয়তান ছাড়া আর কিছুই নয়। এই ধরনের উগ্রবাদী দলগুলো নিজেদের ইসলামের রক্ষক বলে প্রচার করলেও ধর্মের নামে বিভ্রান্তি ছড়ানোই তাদের আসল কাজ। এদের মতো অমানুষদের কারণেই অন্য ধর্মের মানুষরা ইসলাম শব্দটি শুনলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। এরাই ইসলামের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে এবং ধর্মের শান্তিপূর্ণ ভাবমূর্তি বিনষ্ট করে। এরাই ‘ফ্যাসাদ’ সৃষ্টিকারী। তারা ধর্ম, মানবিকতা, আইন কিছুই মানে না। তারা জানে লুটপাট করে খুব সহজেই পার পাওয়া যাবে। কোনো একটা ছুতায় সংখ্যালঘুদের উপর হামলা চালিয়ে তাদের উপর লুটপাট চালানোই তাদের আসল উদ্দেশ্য। হয়তো ভয় দেখিয়ে ও হামলা চালিয়ে সংখ্যালঘুদের উচ্ছেদ করে তাদের জমি দখল করাও আসল উদ্দেশ্য।

কিন্তু আমার প্রশ্ন অন্য জায়গায়। যারা হামলা চালিয়েছে তারা সংখ্যায় কত জন আর নাসিরনগরে হামলাকারী ছাড়া মুসলমান কত জন? একদল গুণ্ডা ধর্মের নাম দিয়ে হামলা চালাচ্ছে তাহলে অন্যরা কেন এগিয়ে আসেনি হিন্দুদের রক্ষা করতে? একদল দুষ্কৃতিকারী যদি ইসলামের অবমাননা করে হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলা চালায় তাহলে অন্য মুসলমানদের কি কর্তব্য ছিল না ধর্মের ইমেজ বাঁচাতে এগিয়ে আসা?

এই প্রসঙ্গে এই দেশেরই একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করি। ১৯৫০ সালে যখন পাকিস্তান সরকারের উস্কানিতে এদেশ থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে বিতাড়িত এবং তাদের সম্পত্তি দখল করার জন্য পরিকল্পিতভাবে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হয় তখন চকবাজারের শাহী জুমা মসজিদে জুমার নামাজের বিশাল সমাবেশে জ্ঞানতাপস ড.মুহম্মদ শহীদুল্লাহ একটি ভাষণ দেন। তিনি বলেন, “যদি কেউ ধর্মগ্রন্থ থেকে প্রমাণ করতে পারে যে শান্তিপ্রিয় বিধর্মীদের উপর হামলা করার নির্দেশ রয়েছে তাহলে আমি আমার নাম পালটে ফেলব। আমি আমার বাড়িতে হিন্দুদের আশ্রয় দিচ্ছি, আমার বাড়িতে আশ্রয়কেন্দ্র খুলেছি, কারও যদি সাহস থাকে তো পারলে এসে হামলা কর। আপনারা যদি নিজেকে প্রকৃত মুসলমান বলে মনে করেন তাহলে নিজের নিজের বাড়িতে হিন্দুদের আশ্রয় দিন এবং দাঙ্গাকারীদের প্রতিহত করুন, হিন্দুদের জান-মাল রক্ষা করুন।”

তাঁর এই সাহসী বক্তব্যের পর চকবাজার এলাকায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বন্ধ হয়ে যায়।

যদি সেদিন নাসির নগরে একজনও সাহসী মানুষ এমনভাবে এগিয়ে আসতে পারতেন তাহলে এই হামলাকারীরা পালাতে পথ পেত না। আমাদের গোটা সমাজেই পচন ধরেছে। আমরা মুখে আজকাল যতই প্রগতিশীল সাজি না কেন ভিতরে ভিতরে কাপুরুষ ও সুবিধাবাদী। কেন সংখ্যালঘুদের উপর হামলা হলে তাদের সম্প্রদায়ের মানুষেই প্রতিবাদ করতে হয়? কেন সংখ্যাগুরুরা তাদের পক্ষে মাঠে নামেন না? দাঙ্গাকারী হামলাকারী গুণ্ডা থাকে কত জন আর হামলাকারী নয় এমন মানুষ কত? নিশ্চয়ই হামলাকারীর সংখ্যা তুলনামুলকভাবে কম। তাহলে যারা চোখের সামনে এমন নির্যাতন হতে দেখে তারা কেন এগিয়ে আসে না তা প্রতিরোধে?

মন্দির ভাঙচুর, প্রতিমা ভাঙচুর করে কীভাবে এই দুস্কৃতিকারীরা পার পায়? এসব ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক সাজা কেন হয় না? পাহাড়ি ও সমতলবাসী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষদের জায়গা-জমি দখল, তাদের বসতি থেকে উচ্ছেদ চলছেই। তাদের উপর চলছে নির্যাতন, ধর্ষণ, খুন, গুম, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা। এগুলোর যেন কোনো বিচার নেই, প্রতিকার নেই। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে হামলা, মন্দির ভাঙচুরও চলছেই। এরও প্রতিকার নেই।

এই ধরনের প্রশ্ন উঠলেই কতিপয় শিয়ালপণ্ডিত আবার ভারতের তুলনা নিয়ে আসে। এই সুবিধাবাদী শিয়ালদের বলি, ওরে, এটা বাংলাদেশ। এটা ভারত নয়। আমরা আমাদের সংবিধান অনুযায়ী চলব। ভারতে কী হয় না হয়, ইউরোপে কী হয় না হয়, আমেরিকায় কেমন চলে সে প্রশ্ন অবান্তর। বাংলাদেশে কী হয় সেটা আগে চোখ মেলে দেখ, সেটার বিচার কর, তারপর অন্য দেশের উদাহরণ টেন।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হল, প্রশাসন এ ক্ষেত্রে কী করছে? যখনই সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশংকা থাকে তখনই ১৪৪ ধারা জারি করা হয় না কেন? নাসিরনগরে যখন উগ্র লোকজন সমাবেশ ও মিছিল করতে যাচ্ছে তখনই যদি প্রশাসন তৎপর হত, দ্রুত ব্যবস্থা নিত তাহলে তো আর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটতে পারত না।

বিশ্ব পরিস্থিতি, আইএস, দেশি জঙ্গিদের অশুভ তৎপরতা এসব মিলিয়ে এমনিতেই অবস্থা নাজুক। এখন যে কোনো মূল্যে বাংলাদেশের সামাজিক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে।

বাউল-বৈষ্ণব, সুফি, দরবেশের এই জনপদে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, মঠ এখানে পাশাপাশিই অবস্থান করে। জঙ্গীবাদ, উগ্র সাম্প্রদায়িকতা এদেশে বিষাক্ত ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়েছে বিগত কয়েক বছরে। এটাই অপসংস্কৃতি। এর মোকাবেলায় আমাদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণ প্রয়োজন। পাড়ায় মহল্লায় আগের মতো সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। অসাম্প্রদায়িক দেশীয় সংস্কৃতিকে জাগিয়ে তুলতে হবে। তাহলেই এমন উগ্রবাদী অপরাধীরা পরাজিত হবে।

এই উগ্রবাদী, ধর্মের লেবাশধারী দাঙ্গাকারীদের উদ্দেশ্যে রয়েছে একটাই কথা– তোরা ‘বাংলা ছাড়’।

শান্তা মারিয়ালেখক; সাংবাদিক।

৪৯ Responses -- “নাসিরনগরে হামলা: অধর্মই যখন ধর্ম”

  1. সালাউদ্দিন রাব্বী

    অন্যের ধর্মকে গালাগাল দিতে দিতে গা সহা হয়ে গেছে, এখন নিজের ধর্মকে কিছু বললে আর সহ্য হয়না।

    Reply
  2. মিজান

    আমি একজন মুসলিম। মুসলিম আইন আমি জানি। অনেকে বলেন ইসলাম শান্তির ধর্ম। একথা আমি 100% বিশ্বাস করি। ইসলামী আইনে প্রতি ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা দিতে হবে। প্রশ্ন হলো ইসলাম ও ধর্ম বলতে আমরা কি বুঝি। এর অর্থ বুঝতে হলে কুরআন ও হাদিস ভাল ভাবে পড়ুন। আল্লাহ প্রদত্ত আইনে শেষ নবীর বাতানো পদ্ধতিতে নিজ ও পারিবারিক জীবন গড়ে তুলুন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হিন্দুদের উপর যা ঘটেছে এই সব ঘটনা আর ঘটবে না। আল্লাহ ও নবীর বাতানো ইসলামী বিধি বিধান মোতাবেক জীবন গড়ে তুলুন। পৃথিবীর সমুদয় জাতী শান্তিতে বসবাস করবে। ইনশা-আল্লাহ।

    Reply
  3. নওশাদ আনসারী

    হেফাজতে ইসলাম নামে উগ্র সংগঠন সেদিন হঠাত “খাটি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত” এর ব্যানারে সভা সমাবেশ করে নিরীহদের উপর হামলা করেছে। আর যারা অহিংস সুফিবাদীতে বিশ্বাসী আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত তারাও সভা করেছে কিন্তু শান্তিপূর্ণভাবে। বরঞ্চ তারা এই হেফাজতের রোষানরে পড়ে আছে অহিংস হওয়ার কারনে।
    প্রশ্ন একটাই- হেফাজতে ইসলাম হটাত করে “খাটি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত” নাম ধারন করলো কেন?
    > এক ঢিলে দুই পাখি শিকার করার জন্য
    > যেমন, সুফিবাদী অহিংস আহলে সুন্নাতকে বদনাম করা
    > নিজেদের অপকর্ম দায় অন্যের উপর চাপানো (যেটাতে তারা অনেকটা সফলও হয়েছে)
    > অতীত রেকর্ড দেখুন, আহলে সুন্নাতের নামে এর আগে কি কেউ হিংস্র হওয়ার প্রমান দিতে পারবে না বরঞ্চ জঙ্গিবাদীদের বিরুুদ্ধে কথা বলায় তারাই হারিয়েছে চ্যানেল আই এর অহিংসা মাওলানা ফারুকীকে।
    কি কিছু বুঝলেন, জঙ্গিবাদীদের কৌশল????

    Reply
  4. মিজান

    আমি একজন মুসলিম। আমি জানি মুসলিম আইন। অনেকে কথায় কথায় বলে ইসলাম শান্তির ধর্ম। একথা আমি 100 শত ভাগ বিশ্বাস করি। আল্লাহ ও শেষ নবী প্রদত্ত ইসলামী আইন পরিপূর্ন ভাবে নিজ জীবনে মেনে চলুন। শান্তি আপনার দোর গোড়ায় বিচরন করবে। ইসলাম ও ধর্ম সমপর্কে ভাল ভাবে জেনে নিন। বিশ্ব শান্তি একমাত্র শেষ নবী প্রদত্ত ইসলামী আইন দ্বারা সম্ভব। তাই আসুন আল্লাহ আইন পরির্পূন মেনে চলি এবং বিশ্ব শান্তি গড়ে তুলি।

    Reply
    • Gowtom Kumar sikder

      Yes, i will support your comments. Where is our government. Where is Shaek Hasina. Today i have seen the expressions of Minister and UNO Nasir nagar there is almost communal.
      Gowtom kr. sikder
      Former GS and VP (elected)
      Jessore polytechnic institute, Bangladesh satraleg 98-99

      Reply
    • Gowtom Kumar sikder

      Yes, i will support your comments. Where is our government. Where is Shaek Hasina. Today i have seen a video (bd news 24) the expressions of Minister and UNO Nasir nagar there is almost communal.
      Gowtom kr. sikder
      Former GS and VP (elected)
      Jessore polytechnic institute, Bangladesh satraleg 98-99

      Reply
  5. পবিত্র কুমার বর্মন

    প্রশাসন আর রাজনৈতিক নেতারা কি করছে? রাস্ট্র কি দায়িত্ব নিতে পারবে এই সংখ্যালঘুদের?
    গানিতিক হিসাবটায় চোখ রাখার দরকার। ১০% যখন ১% হবে তখন দাঙ্গাটা কোথায় যাবে ……?

    Reply
  6. AR Khalil

    ভাই আমি কিছু নাস্তিকদের সাথে কথা বলতে চাই। আপনারা কত বড় বুদ্ধি মিনিষ্টার দেখতে চাই। ইসলাম নিয়ে কোথায় কোথায় আপনাদের চুলকানি, ভালো করতে চাই।

    Reply
    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      ধর্মের নামে আমাদের শান্তির ধর্ম ইসলামকে যারা কলঙ্কিত করছে তাদের আগে প্রতিরোধ করুন। কোনো নবীর আমলেই ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের উপর চড়াও হবার কথা শুনিনি। এরা কোন নবীর অনুসারী?

      Reply
  7. utpal roy

    শান্তি প্রচারের এই ধারাই যে পৃথিবীকে বর্বর যুগে নিয়ে চলেছে বীরদর্পে ! সেটা শান্তির বার্তা বাহকেরা হয়তো বুঝবেননা কিন্তু প্রকৃতি যে কাউকে ক্ষমা করেনা সেটা যেন অন্ধ বার্তা বাহকেরা ভুলে না যান ………ধিক সেই শান্তিকে, যে শান্তি শুধু অযুহাত খুঁজে পৃথিবীকে দিনের পর দিন অশান্তই করে চলেছে, ধর্ম হৃদয়ে ধারন করার ব্যাপার এটা নিছক উগ্রোগামিতা নয় , ধর্ম সেটাই যার আলো পশুকে মানুষ আর মনুষকে মহামানব করে গড়ে-তোলে, জানিনা সেটা কেমন ধর্ম যেটা কারনে অকারণে বিভিন্ন অযুহাতে মানব সমাজকে ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে পৌঁছে দেয় ……

    Reply
  8. Mr. Roy

    প্রায় ওয়াজ মাহফিলে যেভাবেন নিজ ধ্ম রেখে অন্য ধর্মকে গালাগাল,তিরস্কার করা হয় সেটা ঠিক না। এ ব্যাপারে সবার নজর দেওয়া দরকার। এটা বন্ধ না হলে সাধারন জনতা অন্য ধর্মকে সম্মান করা শিখবে কোথা থেকে?,

    Reply
  9. M. Rana

    আজও শুনি, শুনবো ইসলাম শান্তির ধর্ম , মনে প্রানে তা বিশ্বাস করে এসেছি হয়তো এরপরও জোর করে বা ভয় দেখিয়ে তা বিশ্বাস করাতে বাধ্যও করবে। কিন্তু আমার মনে যে বিষ আর ঘৃণা দিন দিন জন্মাচ্ছে তাকে তো আর বাধা দিয়ে থামানো যাবেনা।
    একটা ফেইসবুক কমেন্টের জন্য ( এমন ভয়ঙ্কর দেশে একটা হিন্দু ছেলে এমন সাহস করবে? তারও উপর কি কমেন্ট করেছিল তার উল্লেখও কোথাও নাই) , দুই দুইটা ইসলামি সংঘটন হাজারো মানুষ জড়ো করে প্রতিবাদ সভা করতে পারে , অথচ দু দুটো গ্রামের হিন্দুদের পবিত্র যায়গা, বাড়ি ঘর ভেঙ্গে, কয়েক শত হিন্দুদের আহত বা ঘর ছাড়া করার পরও কোন ইসলামি সঙ্গটন একটা প্রতিবাদের শব্দও বের করলোনা – কিভাবে বুঝবো ইসলাম শান্তির ধর্ম।।
    হায়রে, যেই ধর্ম এসেছিল, জংলী কে মানুষ করার জন্য, আজ সেই ধর্মই মানূষ কে জংলী বানাচ্ছে —

    Reply
  10. Mr. Roy

    প্রায় ওয়াজ মাহফিলে যেভাবেন নিজ ধ্ম রেখে অন্য ধর্মকে গালাগাল,তিরস্কার করা হয় সেটা ঠিক না। এ ব্যাপারে সবার নজর দেওয়া দরকার। এটা বন্ধ না হলে সাধারন জনতা অন্য ধর্মকে সম্মান করা শিখবে কোথা থেকে?

    Reply
  11. Kintukitarkabagish

    ধর্ম এত ঠুন্কো যে কেউ কিছু বল্লেই অবমাননা হয়ে যায়! ধর্ম উছ্ছন্নে যায়। অমন ধর্ম নাই পালন করলাম!!! ধর্মান্ধ মুর্খের দলে দেশ ভরে গেছে। অশিক্ষিত ও কুশিক্ষিতগুলোএখন সমাজের মাথা। এদের ইসলাম নামে মাত্র । এরাই ইসলামের অবমাননা করে ! কোনো ফেইসবুক পোস্ট নয়…

    Reply
  12. ওয়াহিদ হাসান

    একজন লোকের কারনে একটি পরিবার বা একটি সমাজ তো দায়ী হতে পারেনা।প্রত্যেকের আবেগ আছে তা ঠিক।আমি নিজেও মুসলিম।কিন্তু এটা বুঝার সক্ষমতাও কি আমদের নেই,যে অবমাননার করেছে,এটাশুধু মাত্রই তার দোষ।আর আজ যারা দলবল নিয়ে এই কাজ করল।এরা কি মুসলমান? মুসলমান তো এমন না।আল্লাহর কাবা ঘরে তো নাপাক মুর্তি ছিল,আর তা রাসুল সহ সবাই যান্তেন।মক্কা বিজয়ের পর তিনি আগে সেই মুর্তি অপসারণ করেন।এর মানে কি।আমরা কি মুহাম্মাদ (স) এর চেয়ে বড় মুসলিম,আমরা কি উনার চেয়ে বড়?

    Reply
  13. হুসাইন আহমাদ

    মুসলমানদের স্বরলতাকে আজ অমুসলীমরা দুর্বলতা মনে করে, তা কিন্তু ঠিক নয় ৯০% মুসলমানের দেশে
    অমুসলিম লোকদের এমন নিরাপদ চলাফেরাই তার প্রমান করে। যার উল্টা পার্শবর্তী দেশ গুলুতেই তাকালে বুঝা যায়। যে আমরা অর্থাৎ মুসলমানেরা কতটুকু স্বরল, আবেগপ্রবন, ও ধর্মপরায়ণ, যেই অাচারন সংখ্যালুগু মুসলমানের দেশে অমুসলীমদের থেকে পাওয়া যায়না।

    Reply
  14. মোঃ এনামুল হক

    সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার মত কোন কাজ করা কারোরই উচিৎ নয় সে রাসরাজই হোক কিম্বা আব্দুল্লাহই হোক । ধর্মীয় নেতাদের উচিৎ ছিল – ইদ্ফায়ু বিল্লাতি হিয়া আহসান অর্থাৎ তোমরা উত্তম পন্থায় প্রতিবাদ প্রতিরোধ করো -পবিত্র কোরআনে বর্ণিত এ বাণীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে উত্তেজিত জনতাকে প্রশমিত করা এবং এ ক্ষেত্রে প্রশাসনেরও দায়িত্ববান ভূমিকা পালনের প্রয়োজন ছিল । লেখিকার অনেক বক্তবের সাথে আমরাও একমত । তবে উত্তেজিতজনতা বা পাষন্ডদেরকে তিনি বাংলা ছাড়ার কথা বলে তিনিও কি তাদের মত একই সমতলে নিজের অবস্থান তৈরী করলেন না ?!
    আমাদের সবারই উচিৎ মন্তব্য করতে গিয়ে সীমা অতিক্রম না করা । যে কোন পরিস্থিতিতে কোন সুযোগসন্ধানী যেন ঘোলাজলে মাছ শিকার করতে না পারে সে জন্য সকল বিবেকবান মানুষকে সব সময় সচেতন থাকতে হবে !

    Reply
  15. ফাহিম শিশির

    কাজটি অবশ্যই ইসলাম সাপোর্ট করেনা।
    কিন্তু,
    পত্রিকায় নিউজ এসেছে “তখন পুলিশ নিরব ছিল” তাহলে আমরা কি বুঝে নেব? এটা কারা করেছে? পুলিশ কেন নিরব ছিল?
    ,
    আচ্ছা ম্যাডাম, কিছুদিন আগে কুমিল্লাতে সংখ্যাগুরু মুসলিমদের মসজিদে হামলা করে কে বা কাহারা কুরআন ছিড়ে ফেলে! মসজিদে মলত্যাগ করার মত জগন্য কাজ করে। কিন্তু কোন পত্রিকায় রিপোর্ট ও আসেনি। এই বিষয়ে আপনাদের কোন মন্তব্য দেখিনা কেন?
    এর আগে গেন্ডারিয়ায় মসজিদে হামলা হয়। কই তখন তো আপনাদের কোন কথা শুনিনা।
    আপনাদের আসল পরিচয় দিবেন কি?

    Reply
  16. রনি চক্রবর্তি

    কেনযেন মনেহচ্ছে মানুষের মুখুশে সব অমানুষে ভরেগেছে দেশটা। সবেই এখন বাইরে (পোশাকে) ধর্মকে ধারণ করে, অন্তরে নয়। সবাই এখন শুনে শুনে ধার্মিক, ধর্মগ্রন্থ পড়ে নয়। তাই এতবেশি অসহিষ্ঞু। বস্তুত কি ঘটেছে, কেন ঘটেছে, কিভাবে ঘটেছে তা কউই জানার প্রয়োজনবোধ করেনা। অবশ্য একশ্রেণীর মানুষ তৈরি হয়েছে যারা সংবাদপত্রেরমত যেকোন সংবাদ নিজের একাউন্টে পোস্ট/শেয়ার করতে পছন্দ করে, আর এ ক্ষেত্রে কিছু বিতর্কিত অনলাইন পত্রিকা এবং ফেসবুক একাউন্ট আছে যাদের বিরুদ্ধে এখনো কোন ব্যস্থাই গ্রগণ করা হয়নি। সর্বপরি ৭১এর পরাজিত শত্রুরা এবং তাদের সেই নোংরা রক্ত এখনো আমাদের দেশের আলো – বাতাসে বড়হচ্ছে এবং তাদের পূর্বপুরুষদের সেই ব্যর্থ স্বপ্নকে সফলতার রূপদিতে কাজকরেযাচ্ছে।

    Reply
  17. সাইফুল আজম

    প্রশাসনের উচিত প্রকৃত দোষীকে খুঁজে বের করে যথাযথ উপায়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা, যাতে করে- ভবিষ্যতে আর কেউ অন্য কারও ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত করার সুযোগ না পায়। ধন্যবাদ

    Reply
  18. হাসান

    বাংলাদেশ আগেত এরকম ছিলনা। আগে কথায় কথায় এরকম দাঙ্গা হত না। তাহলে এখন কেন এরকম হচ্ছে? কারন মানুষের মনে এখন দিন দিন খূবের জন্ম হচ্ছে। দেখা যায় যে প্রতিটি দাঙ্গা র সৃষ্টি হচ্ছে ফেসবুকের পোষ্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে। বাংলাদেশে এখন প্রচুর মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করছে। আর ফেসবুকে যাচ্ছে তাই ভাবে ধর্ম অবমাননা হচ্ছে। কিন্তু তার জন্য সরকার কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা। যা মানুষের মনে খোব সৃষ্টি করচ্ছে। সরকারের প্রতি আস্থা হীনতা থেকে মানুষ আক্রমণাত্মক হয়ে উঠছে। সুবিধাভোগী রা মানুষকে আক্রমণাত্মক করে তোলছে। আমি হত্যা কান্ডকে সমর্থন করিনা। যারা ধর্ম অবমাননা করে তাদের বিচার হওয়া উচিত। কিন্তু ধর্ম বিদ্বেষী অনেক নাস্তিকের প্রতি অনেক বুদ্ধিজীবী র সমর্থন আগুনে ঘি ডালার মত।

    Reply
  19. মুহাম্মাদ পাভেল।।

    apni to sob somosshar somadhan kore dilen..bichar bohirvoto ray..j বাংলা ছাড়।।
    কিছু মনে করবেন না। হিন্দুরা যে ভাবে ধরম পালন করেন এভাবে কি আপনাদের ধরম গ্রন্থে লেখা আছে?
    যার কোন ভিত্তি নাই তা কেন করেন।।
    একটু ফারাক হইলে ভিন্ন কথা পুরাই উলটা।।

    Reply
    • Noyon Mazumder

      কে কিভাবে ধর্ম পালন করবে এইটা সম্পূর্ণ তার বেপার। আপনি নিজেরটা পালন করুন অন্যেরটা নিয়ে আপনার মাথা না ঘামালেও চলবে।

      Reply
  20. সালাম

    আপনি আহলে সুন্নাত জামাতকে শয়তান বলেছেন। যানিনা আপনার ধর্মটা কি? আপনাারাতো ঐনারির গোষ্ঠী, যারা আজান নিয়ে বাজে কথা বলে। তবে আপনাদের মত চামচিকাকে এই জমিন থেকে দুর করা হবে ইনসাআল্লাহ

    Reply
    • শান্তা মারিয়া

      আমার ধর্ম জানতে চান? আমার ধর্ম ইসলাম। সেই ইসলাম যার প্রবর্তক হলেন হযরত মুহম্মদ(স.)। আমি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি, ৩০ রোজা রাখি। আমার নবী কখনও ভিন্ন ধর্মের মানুষের উপর(যারা যুদ্ধরত নয়) হামলা করার আদেশ দেননি। তিনি মদিনায় ভিন্ন ধর্মের মানুষদের সুরক্ষা দিয়েছিলেন। নবীর নাম ধারণ করে যারা তাঁর আদর্শর অপমান করে এবং অন্য ধর্মের মানুষের উপর অযথা হামলা করে তারা অবশ্যই শয়তান।আর আমাকে আমার দেশ থেকে বিতাড়িত করার আপনি কে?

      Reply
      • M. Rana

        জনাবা শান্তা মারিয়া,
        বাদ দিন এইসব জেগে জেগে গুমানো লোকদের কমেণ্টের জবাব দেওয়া থেকে।
        আমাদের নবীও যদি স্বর্গ থেকে এসে বলেন তোমারা এসব করোনা এইব করা পাপ, এরা নবীকে তখন মুরতাদ বলে ঘোষনা করবে।
        ফেইস বুকের একটা কমেন্টের জন্য এত বড় অন্যায় করার পরও যেইসব পশু তার পক্ষে কথা বলে তাদের কে হিসাবের খাতা থেকে বাদ দিন, পচন ধরা জিনিস এমনিতেই ঝরে পড়ে–

  21. ahsanul parvez

    আসলে আমরা সমাধান খুঁজি যে কোন নাটকের ২য় পর্ব থেকে।

    প্রথমেই বলে রাখা ভাল ধর্ম একটি সেন্সেটিভ বিষয়। কার ধর্ম একমাত্র সঠিক সে বিচারে যাচ্ছি না। কোন ব্যাক্তির পক্ষেই অপর কোন ধর্ম সহজেই গ্রহন করা সম্ভব নয়।তাহলে যার যার ধর্ম তার তার কাছে অন্তত সঠিক এবং বড় একটা সম্মানের বস্তু।
    আমরা নাটকের ১ম পর্বে বাক স্বাধীনতার ধোয়া তুলে ধর্মের যাতে অবমাননা হয় তা যে ধর্মই হোক, এমন পরিবেশ তৈরি করছি।
    এর নজির মেলে একের পর এক ধর্মের অবমাননার খতিয়ান দেখে।
    এর পরে আগাচ্ছি ধরো মারো ছাড়ো পদ্ধতি প্রয়োগের দিকে।

    Reply
  22. সন্দ্বীপ মন্ডল

    আপনার ভাবনা, উপলদ্ধি, অনুভূতি এবং দৃঢ়তার সাথে সত্য প্রকাশের সাহসি লেখার জন্য ধন্যবাদ।

    Reply
  23. মাহমুদুল করিম

    রামুর ঘটনায় যদি ফেসবুকে ছবি আফলোডকারি সেই উওম বড়ুয়া শাস্তি পেত,তাহলে আর একটি এমন দিন আসত না।

    Reply
  24. মিজান

    পুরা, লিখাটা পড়লাম, ভাল
    লাগলো, আপনিতো একবার
    বললেন না ইসলাম ধর্ম,সহ
    কোন ধর্ম নিয়া কোন বিরুপ মন্ত
    ব্য করা ঠিক না। মুল সমস্যা এখানে

    Reply
    • রিফাত কনক

      আমি সকল ধর্ম কে সন্মান করি ৷ প্রকৃত মুসলিম কারা খুব জানতে ইচ্ছা হয় ? নাসিরনগরে ঘটে যাওয়া ঘটনা উভয় দিক থেকেই উদ্বেকজনক । শুধু এ টুকু বলতে চাই ” নিজের আত্মার শান্তির জন্য ,অন্যের শান্তি কেড়ে নিয়ে আপনি আরামদায়ক ঘুম আশা করতে পারেন না “

      Reply
      • M. Rana

        ফেইসবুকের একটা কমেন্ট আর শত শত বাড়ী পুড়ানো, শত শত মানূষ কে আহত করাকে আপনি একই পাল্লায় ফেলে সমান সমান বলতে চান?
        হায়রে ধর্ম – কোথায় নামালে আমাদের জ্ঞানবোধ!!

  25. nazer alam

    Media প্রায় সময়ই একপেশে খবর প্রচার করে থাকে ৷ যেটা মুসলমানদের বিপক্ষে যায় ৷ এখানেও দেখছি একই রকম ৷ ক্কাবা ঘরের উপরে শিবের মূর্তি স্থাপন করে রাস রাজ যেই অন্যায় করেছে ৷ সেইটাকে তারা পাশ কাটিয়ে ,শুধু হিন্দুদের বাড়িতে সাম্প্রদায়িক হামলা চালিয়েছে মুসলমানরা ৷ সেইটাকে হাইলাইট করছে ৷

    Reply
  26. rasel ahmed

    শেষ পর্যন্ত দেশের জাতীয় পত্রিকায় স্থান পেলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সংবাদটি। অথচ জাতীয় পত্রিকার কোথায় “হিন্দু যুবক রসরাজ দাস কর্তৃক পবিত্র কাবা ঘরে শিবমূর্তি স্থাপন করে ফেইসবুকে ষ্ট্যাটাস দেয়ার” কথার কোন উল্লেখ নেই! কোন উল্লেখ নেই অপরাধীর নাম, পরিচয় বা অপরাধের ! উপরন্তু এটা এখন হিন্দুদের উপর আক্রমণের সংবাদ হিসেবেই রুপান্তরিত হয়ে গেলো ! কিন্তু ঘটনার মূল কারন কি, মূল হোতা কে – এব্যাপারে কোন কথা নেই !

    Reply
  27. সরকার জাবেদ ইকবাল

    আমি লেখিকার সঙ্গে সহমত পোষণ করছি। এগুলো কোন ইসলামী আচরণ নয়। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এখানে দাঙ্গাহাঙ্গামার কোন সুযোগ নেই। লেখিকাকে একটি সংশোধনী দিতে চাই – ‘বিধর্মী’ বললে ইসলাম ব্যতিত অন্যান্য ধর্মের মানুষকে অসম্মান করা হয়; ‘ভিন্ন ধর্মাবলম্বী’ বলা যেতে পারে।

    Reply
  28. Nurul Haque

    এমরান এইচ সরকার বলে গতকাল মন্দিরে হামলা ও শিশু পূজার ধর্ষন নাকি বাংলাদেশ থেকে হিন্দুদের তাড়ানোর লক্ষন। আমি বলতে চাই বাংলাদেশে কি আর কোন মুসলমান মেয়ে ধর্ষিত হয় নাই।তনু ধর্ষিত হয়েছে,খাদিজা আহত হয়েছে, পরিমল দ্বারা স্কুলের মেয়ে ধর্ষিত হয়েছে। তখন ত বলেনি বাংলাদেশ থেকে মুসলমানদের তাড়ানোর লক্ষন। ধর্ষকের কোনো ধর্ম নাই। আমরা সমস্ত ধর্ষক কারীদের বিচার চাই সে হিন্দু অথবা মুসলমান হোক। রসরাজ যদি মক্কা শরীফ নিয়ে অবমাননা না করত তাহলে আজ এই হামলা হতো না। শ্যামল কান্তির বিচার টা যদি সঠিক ভাবে হইত তাহলে আজ আর একই ভুল রসরাজ করতে পারত না। তাহলে হিন্দুদের ওপর হামলা ও হইত না। সরকারের কাছে আমার একটা দাবি, এমন একটা আইন করা হক যে, কোন ধর্মকে অবমাননা করবে তার যাতে কটোর বিচার হয়। সে হিন্দু বা মুসলমান হোক ।

    Reply
  29. ইবনে মুরতাযা

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হিন্দুদের উপর যা হয়েছে তা নিন্দনীয়, এর দায় আমাদের সবার। কিন্তু হরিপুর গ্রামের রসরাজ দাস কোন আশায় কাবা ঘরের উপরে শিবের ছবি দেয়, সেটা জানতে চাই, নাকি এই প্রস্ন করার জন্য আবার শিয়াল পণ্ডিত বানাবেন?

    Reply
    • শান্তা মারিয়া

      কাবা ঘরের উপর শিবের ছবি দিলে তার শাস্তি আইন অনুসারে হোক। কিন্তু কোথাকার কোন রসরাজের দোষে নিরপরাধ মানুষদের বাড়িঘরে হামলা চালানোর কথা কখনও কোনো ধর্মের নির্দেশ নয়।

      Reply
  30. Muktar Hossain Monir

    এটা বাংলাদেশ যেখানে হিন্দু মুসলিমের সমাবেশ। ভেতরের দুর্গন্ধ দূর করেন। দেশ স্বাধীন হবার পর কেউ একথা বলতে শুনি নাই যে,বাংলা ছাড়।

    Reply
  31. সাইফুল

    আসলে সবাই যদি সবকিছু একচোখার মত দেখি, তাহলে তো হবে না। নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে হবে। সত্যিকারের অপরাধীকে চিহ্নিত করতে হবে।কাদা ছোড়াছুড়ি করলে আর যাই হোক সমাধান তো হবেনা।।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—