Feature Img

ireen-fআমাদের বিউটি পারলার ভাবনা: যে কোন কারণেই হোক সৌন্দর্য্য চর্চার পুরো আলোচনা-সমালোচনা সব সময় নারী কেন্দ্রিক হয়ে যায়। তা সে পোষাক হোক, গয়না হোক আর রূপচর্চাই হোক না কেন। সম্ভবত নারী নিজেও পুরো আলোচনাটা নিজের গায়ে চাপিয়ে রাখতে আগ্রহী। আধুনিক নারীরা পার্লারমুখী বেশি হন বলেও একটা প্রচারণা আছে। পুরুষরাই মূলত এমন খোঁটা দিয়ে থাকেন, তবে যে সব নারীরা রূপচর্চা বিমুখ, তারা এই সুযোগে নিজেদের খানিক জাহির করে নেন- আমি বাপু ওসব পারলার-ফার্লারে যাই না! বলাবাহুল্য, নরসুন্দর, শীল, নাপিত এগুলো আজকের পেশা নয়। এবং এই পেশাজীবিরা কেবল নারীদের জন্যই নির্ধারিত ছিলেন না কোন কালে। রাজামহারাজদের হাত-পায়ের নখ্ কর্তন, চুল ছাঁটা, নাসিকা কেশ উৎপাঠন এ সবের জন্য রাজ-নাপিত নির্ধারিত থাকতো। রানীদের জন্য থাকতো বিশাল গোসলখানা। রাজাদের জন্যও। যদি ভাবা হয়, রূপচর্চা যুগে যুগে বিলাসীদের জন্যই, তবে আরেক বিভ্রান্তি ছড়ানো হবে। গাছের গায়ে একটা পেরেক ঠুকে আয়না ঝুলিয়ে যে নাপিত বসে, তার কাছেও চুল-দাঁড়ি কেটে নিতে যায় কোন দিনমজুর। ফুটপাতের উপরও দেখা যায়, একটা আয়না, একটা চেয়ার আর একটা ছাতা নিয়ে নরসুন্দরের পসার। গলির মোড়ের সেলুনগুলো দাঁড়ি-গোঁফ-চুল কেটে-ছেঁটে দেয়ার পাশাপাশি মাথা বানিয়েও দেয়। বুঝতেই পারছেন, ’রিলাক্মেশন’ চাহিদা সব শ্রেনীরই আছে। আজকাল তো শুনেছি, এলাকার সস্তা সেলুনগুলোতে বসে পুরুষেরা ফেসিয়ালও নিয়ে থাকেন। তথাপি পারলার প্রসংগ কোন এক অজ্ঞাত কারণে নারীকে ঘিরেই আবর্তিত!

কেউ কেউ বলছেন, নারীরা আধুনিক থেকে অত্যাধুনিক হতে গিয়ে পারলারে সময় ব্যয করে পয়সা উড়িয়ে আসেন। হালে পারসোনায় আপত্তিকর জায়গায় সিসি ক্যামেরা প্রাপ্তির ঘটনার পর ’স্পা’ শব্দটি অত্যধিক জনপ্রিয় হয়েছে অনলাইন কমিউনিটিতে। স্পা কী, কীভাবে হয়, এসব নিয়ে সবার ব্যাপক উৎসাহ। এরকম উৎসাহী কেউ কেউ নেট ঘেঁটে স্পা-সেবা নেয়া নারীর অর্ধ নগ্ন ছবি প্রকাশ করে চিৎকার করছেন, দেখেন! দেখেন! এই হলো স্পা! অতিশয় বিবেকবান কেউ কেউ বলছেন, দেশে কত মানুষ না খেয়ে আছে, আর এরা হাজার টাকা খরচ করে নগ্ন হয়ে শরীরচর্চা করছে! এসব আলোচনায় সার কথা বস্তুত কমই থাকে, এবং হিডেন ক্যামেরার মত হিডেন উদ্দেশ্য থাকে নারীর নগ্নতা নিয়ে দু’চারটে রসালো কথা বলে তাড়নাকে আন্দোলিত করা। নয়তো এদের কারো কিন্তু দামি জামা-জুতো-সানগ্লাস-পারফিউম-মোবাইল-ঘড়িতে অরুচি হবে না। রেস্টুরেন্টে চড়া দামে উদর পূর্তি করতে বাধবে না। মানুষ না খেয়ে আছে বলে কি শহরের পানশালায় হুইস্কি-বিয়ার পিপাসুদের ভিড় কমে গেছে?

নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই সেলুন-পারলার রয়েছে দেশ-বিদেশে। দেশের পারলারগুলোতে পুরুষদেরও যাতায়াত চোখে পড়ার মতই। পুরুষেরাও দামী পারলারে হাজার টাকার চুল ছাঁট দেন।ফেসিয়াল করেন। স্পাও করেন। সহজ কথায়, যার যার সামর্থানুয়ায়ী ফিটফাট থাকতে সব বয়সের সবা্ই চায় ।

পারসোনা ও কানিজ আলমাস: পারসোনায় সিসি ক্যামেরা প্রাপ্তির ঘটনার পর আমরা তাকিয়ে আছি প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে সন্তোষজনক ব্যবস্থা গ্রহণের দিকে। তবে কানিজ আলমাস বুঝতে পারছেন না, তার বক্তব্যের অমিল-গড়মিল সন্দেহ বাড়িয়ে যাচ্ছে। মানবজমিনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বেশ দাম্ভিকতা দেখিয়েছেন। বোঝাতে চেয়েছেন, কোন বিশেষ মহল তার সাফল্যে ইর্ষান্বিত হয়ে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। অপপ্রচার চালাচ্ছে। বিশেষ মহল তো বটেই। সচেতন মানুষ, সাধারণ গ্রাহকেরা অবশ্যই বিশেষ মহল। কানিজ আলমাস ’এলিট’ শ্রেণীর গ্রাহকদের নাম শুনিয়ে তার যোগাযোগ ক্ষমতার প্রচ্ছন্ন আভাস দিয়েছেন। যদিও দেরি করে হলেও সাধারণ শ্রেনীর গ্রাহকদের মনে পড়েছে তার। তাই সকলকে এসএমএস করে সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ দিয়েছেন। কিন্তু কানিজ আলমাসের পাশে যাওয়ার আগে গ্রাহক নিশ্চিত হতে চায়, তিনি সিসি ক্যামেরাগুলো পারলারের ব্যক্তিগত কক্ষগুলো থেকে সরিয়েছেন কিনা।

ক্যামেরার থাকা, ক্যামেরার ঘুরে যাওয়া নিয়েও কানিজ আলমাসের বক্তব্য এলোমেলো। চুরি যাওয়া ঠেকাতে স্পা-ফেসিয়াল কক্ষে, করিডোরে ক্যামেরা বসানো নিয়ে কানিজ আলমাসের বক্তব্য খুবই অগ্রহণযোগ্য। ক্যাশ কাউন্টার, মূল প্রবেশ পথ, রিসিপশন, ওয়েটিং এরিয়া এগুলোকে সিসি ক্যামেরার আওতায় রাখা যেতে পারে। কিন্তু স্পা-ফেসিয়াল কক্ষে নারী পোষাক পরিবর্তন করে, বিশেষ পোষাক পড়ে স্পা/ফেসিয়াল বেডে শুয়ে-বসে থাকে। একটি সেবা শেষে অন্য সেবা নিতে ওই পোষাকেই করিডোর দিয়ে চলাচল করতে হয়। নারীকে এ বিশেষ পোষাকে ধারণের পরও ’কোন প্রাইভেসি লংঘণ হচ্ছে না’ বলে কানিজ আলমাসের বক্তব্য রীতিমত আপত্তিকর।
গ্রাহকের মূল্যবান জিনিসপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কানিজ আলমাস কেন আলাদা লকার ব্যবস্থা করতে অনিচ্ছুক, সেটা স্পষ্ট নয়। তার প্রতিটি শাখাই সুবিস্তৃত পরিসর নিয়ে করা। লকার ব্যবস্থা রাখা হলে, স্পা-ফেসিয়াল কক্ষে ঢোকার আগে গ্রাহক লকারে তার জিনিসপত্র রাখতে পারেন। সেই লকারকে সিসিক্যামেরার আওতায় আনা যেতে পারে।কানিজ আলমাস কেন এই যৌক্তিক পথটি বেছে নিলেন না?

সিসিক্যামেরা নিয়ে গুগলে খোঁজ করলেই জানা যাবে, যারা ক্যামেরা মনিটর-অপারেট করে থাকেন, তারা তাদের ইচ্ছে মত ক্যামেরার লেন্স ঘুরিয়ে নিতে পারেন ডানে-বামে-উপরে-নীচে। এমনকি সিসিক্যামেরায় ধারণকৃত দৃশ্য ইন্টারনেটে বসে যে কোন জায়গা থেকে দেখা যাবে। স্মার্টফোন থেকেও এ ধরণের ক্যামেরা-ফুটেজ দেখা সম্ভব। যদি বলা হয়, টেকনিশিয়ানের ভুলে সিসিক্যামেরার ঘুরে যাওয়া নিয়ে কানিজ আলমাসের বক্তব্য একটি নির্জলা মিথ্যে, তবে তিনি নতুন কী ব্যাখ্যা দাঁড় করাবেন?

পারসোনার বনানী শাখায় স্পা-ই নেই জানিয়ে কানিজ আলমাস পুরো ঘটনাটিকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিতে চাইছেন। কিন্তু বনানী শাখায় পুরুষদের স্পা সেবা উদ্বোধন নিয়ে বেশ জমকালো অনুষ্ঠান হয়েছিল। পুরুষদের স্পা কক্ষেও কী সিসিক্যামেরা বসানো আছে? সামাজিকভাবে সুবিধাপ্রাপ্ত হওয়ায় পুরুষদের অবশ্য এ ধরণের সংবেদনশীল বিষয়ে নারীর মত চট করে চিন্তিত হতে হয় না। তবুও তেমন হলে প্রাইভেসি লংঘনের অভিযোগ পুরুষও তুলতে পারেন। তাছাড়া নারীদের জন্য স্পা না থাকলেও বিশেষ বিশেষ ফেসিয়াল, বডি ম্যাসেজ, মেনিকিওর-পেডিকিওর আছে। এসবের জন্যও নারীকে সংক্ষিপ্ত পোষাক পড়তে হয়। তাই, নিরাপত্তার নামে সংবেদনশীল স্থানে সিসিক্যামেরা বসিয়ে নারীদের ভিডিও ফুটেজ ধারণের মত অনুচিৎ কাজের জন্য পারসোনা ও কানিজ আলমাসের যথাযথ জবাবদিহিতা ছাড়া দ্বিতীয় কোন পথ নেই।

সিসিক্যামেরা: বিষয়টা কেবল পারসোনার মধ্যে সীমাবদ্ধ করলে প্রকৃত সমাধান হবে না। আজকাল নারী শরীরচর্চার জন্য জিমনেসিয়াম যাচ্ছে, সাঁতার শিখতে যাচ্ছে, বড় বড় শপিং মলের ওয়াশরূমে যাচ্ছে, পোষাকের আউটলেটে কিংবা নামী টেইলরগুলোর চেইঞ্জ রূমে যাচ্ছে। বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোতে আজকাল সিসিক্যামেরা দেখা যায়ই। কিন্তু এর অবস্থান কতটুকু উচিৎ স্থানে হচ্ছে? আপত্তিকর স্থানে সিসিক্যামেরা রাখলে তার অপব্যবহার ঘটার আশংকাই বেশি। অন্যদিকে হিডেন ক্যামেরার আতংক তো আছেই।

আইন: পারসোনা প্রসংগে দৈনিক প্রথম আলোর প্রতিবেদনে জনৈক আইনজীবীর বক্তব্যে আইনি দুর্বলতা ফুটে উঠেছে। অন্তত ওই প্রতিবেদন পড়ে বোঝা যাচ্ছিল, আমাদের সকল সচেতন প্রতিবাদ অরণ্যে রোদনই হবে। তবে এটিএন চ্যনেলে প্রচারিত প্রতিবেদনে আরেক আইনজীবীর বক্তব্য থেকে গ্রাহক আস্থা ভঙ্গের দায়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া যায় এমন ধারনা পাওয়া গেছে। ওই প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, দণ্ডবিধির ২৯৯, ৪০৫, ৪০৯ ধারা অনুযায়ী কারো অজান্তে ভিডিও ফুটেজ ধারণ শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এসব ক্ষেত্রে কোন কারণে কেউ মামলা না করলেও পুলিশ নিজ উদ্যোগে মামলা করতে পারে। তাই সবাই পুলিশের তদন্তের দিকেই চেয়ে আছে।

হার্ডডিস্ক থেকে সমস্ত ফুটেজ মুছে দেয়ায় তদন্তরত পুলিশকে খাবি খেতে হবে না বলে সবাই বলছে। কারণ ডাটা রিকভার করা সম্ভব। আর সিসিক্যামেরা যে সফটওয়্যার দিয়ে মনিটর হতো সেটার ফিচারগুলো খতিয়ে দেখলে কোন দিকে ক্যামেরা ঘুরিয়ে, কী দেখা হচ্ছে তাও জানা যাবে। এছাড়াও সিসিক্যামেরা কোথায় কোথায় রয়েছে তার নির্দেশিকা না থাকায় পারসোনাকে জবাবদিহি করা জরুরী।

বোঝা যাচ্ছে, দেশে সিসিক্যামেরার বহুল ব্যবহার সত্বেও সিসিক্যামেরা ব্যবহারবিধি নিয়ে আমাদের কোন নীতিমালা নেই। বস্তুত ডিজিটাল বাংলাদেশে আইসিটি ও সাইবার ল নিয়ে কার‌্যকরী কোন উদ্যোগ নেই, উদ্বেগও নেই! এতে করে কোন একটি অপ্রীতিকর ঘটনার মুখে পড়ে যথাযথ বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ভুক্তভোগীরা।

একটা ছোট্ট প্রসঙ্গেও সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেতে পারে এ্ই আলোচনায়। বিউটি পারলারগুলোতে প্রতিটি সেবামূল্য নির্ধারণে সরকারি কোন নির্দেশিকা আছে কিনা, জানা জরুরী। এখানে যে কোন সময় যে কোন সেবার দাম চড়ে যায়। সেটা কিসের ভিত্তিতে তা জানে না গ্রাহকেরা। অন্যদিকে সেবা মূল্য দেয়ার পর অর্থ রশিদের কোন গ্রাহক কপি দেয়া হয় না। মিষ্টির দোকানে গেলেও রশিদ পাওয়া যায়, এটা গ্রাহক অধিকার। পারসোনা বা অন্যান্য বিউটি পারলারগুলো এ্ই রশিদ না দিয়ে কোনভাবে সরকারকে ভ্যাট-ট্যাক্স ফাঁকি দিচ্ছে কিনা, সেটা সরকার নিজ প্রয়োজনেই খতিয়ে দেখবেন আশা করা যায়।

সচেতন প্রতিবাদ: পারসোনার ঘটনায় মূল ধারার গণমাধ্যম যতখানি হতাশ করেছে, ততখানি নির্ভরতা তৈরী করেছে বিকল্প গণমাধ্যম হিসেবে বাংলা ব্লগ, ফেসবুক। লেখালেখির মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া ব্যক্তকরণ চলছে এখনো। পারসোনার ইস্যু নিয়ে তদন্তের যতটুকু আশ্বাস পাওয়া গেছে তা হয়ত এ কারণেই। যদি এতেও ঘটনা যেনতেনভাবে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চলে, তবে বিকল্প পথ হিসেবে সচেতন সমাজের নাগরিকরা সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে নিশ্চিতভাবে একটা সমাবেশে, কিংবা একটা মানব বন্ধনে একত্রিত হতে বিন্দুমাত্র দেরি করবেন না ।

আইরিন সুলতানা : ব্লগার।

৩০ Responses -- “পারসোনা, সিসি ক্যামেরা ও আইন”

  1. Bosonto

    আমি একটু দ্বিধাগ্রস্ত এটা বলতে যে, আইরিন সুলতানা সম্ভত তার বক্তব্যের মাধ্যমে পাঠককে কনভিন্স করতে চাচ্ছেন।

    Reply
  2. Aamzaad Aahmaad

    আমাদের দেশের জনগণ খুবই সরল। এই সরলতার সুযোগ নিয়ে পারসোনা যে কাজ করেছে তা মোটেই কাম্য নয়।
    লেখিকাকে ধন্যবাদ।

    Reply
  3. নাই বললাম

    দেখুন,আমরা খারাপ কে খারাপ বলি আর ভালকে ভাল। যদি কেউ ব্যবসায় ভাল করে, নাম করে আমরা বাহবা দেই, এওয়ার্ড দেই। আমরা যারা নগ্ন ছবির দর্শক, তারা প্রতিনিয়ত নতুন ছবির খোঁজে থাকি, কারন পুরনো ছবি আর কতদিন? আমার স্বামী যখন ব্যবসায় ভাল করে, আমি পার্লারে যাই সুন্দরের পুজা করতে। যদি আমাদের অবস্থা এইরকম হয়, তাহলে এই রকম ঘটনা আরও ঘটবে অন্য ভাবে।
    আর গরিবরা গরিব বলে তাদের রূপচর্চা যে ভাল সেতা আমরা বলতে পারিনা। কারন মানুষ হিসাবে বড় আর ছোটলোক সবার চিন্তা ধারা একি, কিন্তু একটু ভিন্ন রকম ঢং এ।
    রূপচর্চা কোনও কালেই খারাপ নয়, আমরা খারাপ কে শুধু খারাপ বলি, অথচ ভালর ভিতর খারাপের খোঁজ করিনা।

    Reply
  4. Mohi

    নারী পুরুষ বিতর্ক দীর্ঘ, এখানে সেই বিতর্ক নিয়ে আসার কোন মানে নেই। যদিও প্রাসঙ্গিক হওয়াতে কিছুটা এখানে চলে আসছে, সচেতন নারী পুরুষের উচিত ওই পথ পরিহার করা।

    সব শ্রেণীর নারীর বিরুদ্ধে সমালোচনা হচ্ছে না। বলা যায় একটা শ্রেণীর ভিতরের একটা গোষ্ঠীর নারীর বিরুদ্ধে এই সমালোচনা হচ্ছে। সমালোচনাটা যে ধরনে হচ্ছে, সেটা নারীর বর্তমান সামাজিক অবস্থানের কারনে হচ্ছে, অবশ্যই নারী সমাজে নির্যাতিত।

    পয়সার গরমের যে সমালোচনা হচ্ছে সেটার বিশাল অংকের মালিক পুরুষ, এই শ্রেণীর পুরুষের এই বিশাল অংকের টাকা খরচে কোন কার্পণ্য নেই নারীকে রমণীয় রুপে পেতে । আবার বহু নারী নিজের পয়সা দিয়েই নিজেকে রমণীয় করে তুলছেন পুরুষের জন্য। সমাজে পয়সা যাদের আছে তাদের একটা অংশ এটা করছেন এবং করতেও থাকবেন। শুধু রুপ চর্চ্চা কেন, কতকিছুই তো তারা করছেন! নারী হিসাবে কানিজ অথবা নারীরা এর জন্য ততটা দ্বায়ী নন, যতটা দায়ী পুরুষেরা। এই যে কত সব প্রভাবশালী পত্র-পত্রিকা টেলিভিশন চ্যানেল ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান এর নাম চলে আসছে কানিজের প্রমোটার হিসাবে, কানিজ এখন পর্যন্ত যাদের দম্ভে সব কিছুকে থোড়াই কেয়ার করছেন, তারা কতজন নারী?

    অন্যদিকে আর একটা ব্যাপার হচ্ছে, এটি তো কোনভাবে সাধারণ মানুষের বিষয় নয়। কোন সঠিক পরিসংখ্যান হয়তো এই মুহূর্তে আমার হাতে নেই: সমাজের কোন অংশের কত লোকে এই সব স্পা, ফেসিয়াল, বডি-ম্যাসেজ, মেনিকিওর, পেডিকিওর ইত্যাদির সুখ উপভোগ করেন–তা খোলা চোখের অনুমানেও পরিমাণটা আন্দাজ করা কঠিন কিছু নয়। সাধারণ মানুষের চুল দাড়ি পরিস্কার করার জন্য গাছের সাথে অথবা ফুঠপাতের দেয়ালে আয়না ঝোলানো ক্ষৌরকার আর কানিজ আলমাস ও ইউনিলিভারের মত সৌন্দর্য্য ব্যাবসায়ীদের ক্ষৌরকর্ম তো এক জিনিস নয়। আমি একটু দ্বিধাগ্রস্ত এটা বলতে যে, আইরিন সুলতানা সম্ভত তার বক্তব্যের মাধ্যমে পাঠককে কনভিন্স করতে চাচ্ছেন যে প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষৌরকর্ম আর প্রাতিষ্ঠানিক সৌন্দর্য্য ব্যাবসা একই জিনিস! কানিজ আলমাসরা ক্ষৌরকর্মের সাথে আরো অনেক কিছুর সংযোজন করে চলেছেন সৃষ্টিশীলতার সাথে (সৃষ্টিশীল মনিষীগণ), সমাজের একশ্রেণীর সুখি মানুষের সুখ উপভোগের জন্য, এখানে সুখটাই আসল, পয়সা কোন ব্যাপারই নয়, সুখটা এখানে খুবই দামী পণ্য। সাধারণ মানুষের সেই পয়সা এবং সময় দুটোরই বড় অভাব এই ধরনের সুখ ক্রয় করার বাজারে যাওয়ার জন্য!

    নারী পুরুষের ব্যাপার তো নয়ই, প্রয়োজনীয় ক্ষৌরকর্মেরও কোন ব্যাপার নেই এই বিতর্কের সাথে। আসল ব্যাপার হচ্ছে ক্ষৌর কর্মের আড়ালে কানিজ অথবা কানিজকে দিয়ে এখানে কোন অনৈতিক কর্মকান্ডের ব্যাবসা চলছে কি না। এই সাধারণ স্পষ্ট বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতা ছেড়ে অথবা পাশ কাটিয়ে নারী পুরুষ ও ক্ষৌরকর্মের মত বিষয়ের অবতারণা করলে তো ব্যাপারটা উদ্দেশ্যমূলক হয়ে যেতে পারে। পয়সা থাকলে বর্তমান সমাজে সুখ ক্রয় করতে আইনে, ধর্মে, নীতিতে, কোথাও কোন বাধা নেই।
    মূল প্রশ্ন হচ্ছে কানিজ ও তার সাঙ্গো-পাঙ্গোরা সেই রকম কিছু করছে কি না, যা ইঙ্গিত করছেন হাজার হাজার ব্লগার এবং ব্যাক্তিবর্গগণ নানান মাধ্যমে।

    Reply
  5. rahma

    প্রথম আলোর সম্পাদক ও কানিজ আসলাম এর বড় ধরনের গোপন হাত আছে।তাই সত্য গোপন রেখেছেন। এ ধরনের প্রতিষ্টান চিরদিনের বন্দ হক। আমাদের মা বোনের ইজ্জত রক্ষা হক।

    Reply
  6. পারভেজ খাঁন

    রূপচর্চা বিলাসী মানুষদের জন্যই।মানুষের সব কিছুর মুলেই রয়েছে সুন্দর মন, যার মন সুন্দর তার সব কিছুই সুন্দর,আর সিসিক্যামেরা এটা ব্যাক্তিগত বিষয় ছাড়া আর সবকিছু করলে ভাল হয়।

    Reply
  7. কুদ্দুস

    বেশ ভালো লেখা। পড়ে ভালো লাগলো। আবারও লিখবেন আশা করি। আমি দেশের বাইরে থাকি, এখানেও ক্যামেরা ব্যাবহার হয় বলাই বাহুল্য, ক্যামেরার জন্য গাড়ীটাও ঠিক মত চালাতে পারিনা, কিন্তু ক্যামেরার অপব্যাবহার কমই হয়। ধন্যবাদ লেখককে।

    Reply
  8. নন্দিনী

    খুব সুন্দর একটি লেখার জন্য লেখিকাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি প্রথমেই, কিন্তু আর সবার মতোই আমারও একই জিজ্ঞাসা, এতোকিছুর পরেও কতৃপক্ষের টনক নড়বে কি? বিদেশের কোন রাষ্ট্রেও এমন নজির নেই যেখানে নিরাপত্তার নামে নারী অথবা পুরুষের পোষাক পরিবর্তনের স্থানে অথবা যেখানে নারী স্বল্পপোষাকে চলাফেরা করছেন কোন ব্যক্তিগত কারনে সেখানে গোপন ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। এমন ঘটনা আজ আমেরিকা কিংবা ইংল্যান্ডের কোন পার্লারে ঘটলে সাথে সাথে তা সিজ করে দেয়া হতো আদালতে সবকিছু নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত। আর এই দেশে ঘটলো উল্টোটা, পারসোনা কর্তৃপক্ষের ক্রমাগত হুমকিতেই নাকি অভিযোগকারীনির স্বামীপ্রবর নিজেই দুঃখপ্রকাশ করে মামলা করা থেকে বিরত থাকলেন! হায়রে আমার দেশ!

    Reply
  9. Rana

    ম্যাডাম আপনি দারুন লিখেছেন। একজন নারী হিসেবে আপনার এই প্রতিক্রিয়াকে ধন্যবাদ জানাই।

    Reply
  10. Fojle Rabbi

    কানিজ আলমাসরা সমাজের জঘন্যতম অপরাধী, ওয়েব সাইটগুলোতে বাংলাদেশী মেয়েদের নগ্ন ছবিতে ভরে গেছে, এখন বোঝা যাচ্ছে এ সব কাদের কাজ।

    Reply
  11. মানুষ

    কোথাও সিসিটিভি লাগানো থাকলে সেখানে একটা নোটিশ ঝুলিয়ে রাখাটাই নিয়ম বলে জানি। বাংলাদেশেও এ ধরণের কোন নিয়ম থাকা উচিৎ।

    পারসোনার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রুপচর্চার দিকে আঙুল তুলে অনলাইনে অনেকের করা মন্তব্য সত্যিই বিরক্তিকর। কারো কারো মন্তব্য পড়ে মনে হল যেন তারা বলতে চাই মেয়েদের বোরকা পরে তার উপর লিপস্টিক মাখা উচিৎ।

    Reply
  12. Matin

    আইরিন সুলতানার এই লেখার জন্য তাকে ধন্যবাদ । লেখাটা ভাল এবং সময় উপযোগী হয়েছে। সকল পার্লার থেকে সিসি ক্যামেরা খুলে ফেলতে হাইকোর্টের নির্দেশনা অবশ্যই মানতে হবে।

    Reply
  13. শামীম সুলতান

    পারসোনা বিউটিপাল্লারে যে হার্ড ডিক্স ব্যবহার করা হয়েছে এবং যে ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষন করা হয়েছে, উক্ত ভিডিওটি ডিলিট করে কোন লাভ হবেনা। কারণ, হার্ড ডিক্সটি রিকাভারি করলে পূনরায় সকল ডাটা ফিরে আসবে। তাই পারসোনা বিউটিপাল্লার এর সকল কম্পিউটারের হার্ড ডিক্স জব্দ করে নিতে হবে।

    Reply
  14. মুকুট

    চমৎকার তথ্যমূলক লেখার জন্য ধন্যবাদ। আড়ালে অনেক কিছুই ঘটছে তা বোঝা যাচ্ছে কারন মাছরাঙ্গা-সময় টিভির সাক্ষাতকারে যেখানে সেবাগ্রহীতার স্বামী জানিয়েছিলেন ভিডিওতে সবকিছুই রেকর্ড ছিলো, সেই উনিই কদিন পর ভুল বোঝাবুঝি বলে যৌথ বিবৃতি দিলেন। ক্ষমতা-টাকা-প্রভাব দিয়ে অপরাধীরা এভাবেই যদি পার পেয়ে যায়, ভুক্তভোগী সাধারন মানুষ সুবিচার পাবে কোথায়? দেশের প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী–সবাই নারী তারপরেও এদেশে বারবার নারীদের উপড় ঘটছে নানা সব ঘটনা, কিন্তু একটারও সুবিচার হয়েছে কি? আইন নাকি সবার জন্য, তাহলে সমাজের উপড় তলার এসব অপরাধীরা কার ছত্রছায়ার পার পেয়ে যাচ্ছে? আশা করি প্রশাসন এই স্পর্শকাতর ব্যাপারটার একটা নিরপেক্ষ তদন্ত করে যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা করবেন। শুধু একবার যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা হোক, শুধু একবার দরকার যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা এবং প্রয়োগ……তাহলেই এভাবে সমাজের সব স্তরে নারীর উপড় যেকোন নেতিবাচক কাজ কমে যাবে। কিন্তু বিড়ালের গলায় ঘন্টি বাঁধবে কে? যারাই অপরাধ করে, তারাই জোড় গলায় বক্তব্য দেয়, অভিযুক্তরাই থাকে কোনঠাসা হয়ে………

    আশা করি সরকার এই ঘটনাকে দিয়েই সুষ্ঠ বিচার এবং শাস্তির ধারা শুরু করবেন, এটাই জনগনের প্রত্যাশা।

    Reply
  15. সৈয়দ আলী

    ভালো লেখা, যদিও “এসব আলোচনায় সার কথা বস্তুত কমই থাকে, এবং হিডেন ক্যামেরার মত হিডেন উদ্দেশ্য থাকে নারীর নগ্নতা নিয়ে দু’চারটে রসালো কথা বলে তাড়নাকে আন্দোলিত করা।” বলে খোঁচাটা না মারলেও চলতো। গয়রহ সকল পুরুষেরই নারী নিয়ে মন্তব্যের পেছনে হিডেন মতলব থাকে, এটি ভাবা বোধ করি অবসেসিভ। স্বীকার করি, এই অবসেসন হঠাৎ সৃষ্টি হয়নি। তবুও যত দ্রুত নারী গা ঝাড়া দিয়ে অবসেসন ছেড়ে উঠে দাঁড়াবে, ততই সমাজের মঙ্গল। ধন্যবাদ।

    Reply
  16. মহিবুব জামান

    আপনার লেখায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে । কিন্তু সব কথার শেষ কথা বিড়ালের গলায় ঘন্টাটা কে পরাবে?

    Reply
  17. গীতি আরা নাসরীন

    এ প্রসঙ্গে দরকারী অনেকগুলো দিকে আলোকপাত করার জন্য লেখককে ধন্যবাদ। বিষয়টি নিয়ে নিশ্চুপ থাকা যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি নয় দুশ্চিন্তা প্রকাশের নামে নারীকে নতুন করে হেনস্থা, বা বিষয়টির ব্যাখ্যা দেবার নামে নিজস্ব শরীরী কল্পনা প্রকাশ। সৌন্দর্য-চর্চার বিষয়টি সব সংস্কৃতিতেই নারী-পুরুষের জন্য কমবেশি রযেছে, সব শ্রেনিতে, যেমনটি লেখক বলেছেন। রাজা-রানি ছাড়াও বাঙলার মধ্যবিত্ত ঘরে যে নাপতানি যেতেন – দৈনন্দিন আলতা পরানো, বা সাজানোর পাশাপাশি নিজস্ব ধরণে গানের ঘরানা ছিল তাদের, সেটি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে বরঞ্চ পরবর্তীতে ইংরেজী ধরনে গড়ে ওঠা ‘ভদ্রমহিলা’সংস্কৃতির চেয়ে শক্তিশালী প্রকাশ মনে হয়েছে। বর্তমানে সৌন্দর্য চর্চার বাধ্যবাধকতা, নারী-পুরুষের পণ্যায়ন, সৌন্দর্য ইন্ড্রাষ্টির আগ্রাসী প্রসার, সেখানে ক্রেতা-কর্মী সম্পর্ক ইত্যাদি অবশ্যই আলোচনা হতে পারে। সেইসাথে আলোচনা ও পদক্ষেপ হতে হবে সিসিটিভি বা সেলফোনের ক্যামেরার মতো প্রযুক্তির বর্তমান ব্যবহার এবং এ সংক্রান্ত নীতিমালা প্রশ্নে। কেননা, এগুলো নতুন হয়রানীর ক্ষেত্র তৈরি করছে।

    Reply
  18. অরূপ সারোয়ার

    ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার লেখায় দুটি গূরত্বপূর্ণ বিষয়ের অবতারনা করেছেন। প্রথমত, সিসি ক্যামেরা নীতিমালা ও আইনি কাঠামো। দ্বিতীয়ত, পালার্রগুলোর সেবামূল্য সহ ট্যাক্স বিষয়টি। কানিজের কর্ম নিয়ে বহু ‍হৈ-চৈ হচ্ছে, হবে। কিন্তু এই দুই বিষয় নিয়ে আলোচনা কম। চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে। এই দুই দিক নিয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের বুদ্ধি ঘাটতি চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেবার পরও যদি রাষ্ট্র যন্ত্রের জেগে জেগে ঘুমানো না ভাঙ্গে তবে একটা ঝাঁকুনি দিতে হবে। আর তা কিন্তু করতে হবে আপনার-আমার সকলকেই।

    Reply
  19. Mahamuda Sinha

    অহেতুক আর অযৌক্তিক কথা শুনে পড়ে পড়ে যখন এই হৃদয় মনের ত্রাহি মধুসুদন অবস্থা তখন আইরিন সুলতানার এই লেখা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে।

    Reply
  20. শর্মা-ই-আযম

    আমি আমার নানা বাড়িতে দেখেছিলাম, কিছুদিন পরপর সে গ্রামে নরসুন্দর এসে সবার চুল-দাঁড়ি সাফ করে যেত। আর বছরে একটা নির্দিষ্ট সময়ে সবার বাড়ি থেকে ধান দিতে হত। এই ব্যবস্থা ছিল প্রাচীন ব্যবস্থার অনুকরণে, তখন পর্যন্ত চলে আসছিল। অনেক জায়গায় থাকলেও সেখানে বিলুপ্ত হয়েছে- তা হয়তো মাত্র বছর দশেক হবে।

    রূপচর্চার বিষয়ে কারও দিকে আঙ্গুল তোলাকে আমি যৌক্তিক মনে করি না। নারী-পুরুষ উভয়েই এই রাজসিক চর্চা করে থাকেন।

    গোপন দৃশ্য ধারণ অবশ্যই অপরাধ। সংবেদনশীল জায়গায় ক্যামেরা বসানোও অপরাধ। তা পুরুষের ছবি তোলা হোক আর নারীর ছবি তোলা হোক।

    যুগের তালে তাল মিলিয়ে আমাদের অনেক আইন নেই, এগুলোর দিকেও বিচার বিভাগ তথা আইন বিভাগকে নজর দিতে হবে।

    Reply
  21. না

    লেখাটা ভাল হয়েছে। বেশি একাডেমিক ভাষা।
    পারসোনা নিয়ে যা হয়েছে; স্যোশ্যাল নেটওয়ার্কিং-এর মাধ্যমে মানুষ বুঝে গেছে, কিছু যে গড়বর ছিল। এইটা হল প্রযুক্তির আশির্বাদ।
    যা হোক, সৌন্দর্য চর্চা হোক, আর শপিং মলের চেঞ্জ রুম হোক; প্রযুক্তির অগ্রগতির সাথে কিছু মাথা ব্যাথাও বাই প্রোডাক্ট হিসেবে এসে গেছে, তার একটা উদাহরণ হল এই হিডেন ক্যামেরা।
    আসলে এগুলো থেকে রেহায় পেতে সচেতনতা সৃষ্টি করাই সর্বাপেক্ষা উত্তম রাস্তা।

    Reply
    • নাম

      আজকে খবরে অবশ্য দেখলাম, সকল পার্লার থেকে সিসি ক্যামেরা খুলে ফেলতে হাইকোর্টের নির্দেশ।

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—