CREATOR: gd-jpeg v1.0 (using IJG JPEG v62), default quality

১০ জানুয়ারি, ২০১৬ তারিখ বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সি মজুমদার মিলয়নায়তনে একটি সেমিনারে অংশ নিয়েছিলাম। মূল বক্তা ছিলেন জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন প্রতিবেদনের বর্তমান পরিচালক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক শিক্ষক ড. সেলিম জাহান। তিনি অনেক বছর ধরে দেশে থাকেন না, কর্মসূত্রে দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়ান, অথচ তাঁর পুরো বক্তব্যে একটি ইংরেজি শব্দও না বলে অত্যন্ত প্রাঞ্জল ভাষায় বাংলায় বক্তব্য রেখে গেলেন।

তিনি তাঁর বক্তব্যে ‘সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’এর বাংলা করেছিলেন ‘বজায়যোগ্য উন্নয়ন’ যাকে আমরা ‘টেকসই উন্নয়ন’ বলে জানি। তার কারণ হিসেবে তিনি মনে করেন, উন্নয়ন কখনও টেকসই হতে পারে না– এটা লোহা বা এ জাতীয় কোনো বস্তু নয় যা টেকসই হবে।

আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গত কয়েক মাস ধরে শিক্ষকদের সম্পর্কে একই ধারায় যে বক্তব্য রাখছেন, সে প্রেক্ষিতে আমার এ লেখায় ‘বজায়যোগ্য’ শব্দটি মনে হল তুলনীয়। ১১ জানুয়ারি, ২০১৬ তারিখেও তিনি যে বক্তব্য রেখেছেন তা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ করেছে। বিশ্বাস করতেও কষ্ট হয় যখন দেখি দেশের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন:

“যখন খাবারের টান থাকে, তখন পেটের খাবারের কথা চিন্তা থাকে। সেই পেটের খাবারের চিন্তা আমরা দূর করে দিয়েছি বলে, এখন প্রেস্টিজ নিয়ে টানাটানি– এটাই বাঙালির স্বভাব।”

“আর যদি সচিবের মর্যাদাই লাগে, চাকরি ছেড়ে দিয়ে নিজেরা সচিব হয়ে যান বা পিএসসিতে পরীক্ষা দিয়ে চাকরি নেন। তাহলে তো আর কোনো সমস্যা থাকে না।”

“তারা কি চান তাদের বয়স চাকরিজীবীদের মতো ৫৯এ নিয়ে আসি। তারা তো এখন ৬৫ বছর বয়সে অবসরে যাচ্ছেন। কথা ধরলে আসলে অনেক কিছুই ধরা যায়।”

প্রধানমন্ত্রীর শেষ বাক্যটির পুনরাবৃত্তি করি, আসলেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনেক কথাই ধরা যায়। তিনি গত বছর জাতিসংঘ অধিবেশন (সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সামিট) থেকে দেশে ফিরে সাংবাদিক সম্মেলনেও শিক্ষকদের নিয়ে একই ভাষায় বিষোদ্গার করেছিলেন যাকে সুবন্দনা বলে গণ্য করা যাবে না। জাতীয় বেতন কাঠামোতে শিক্ষকদের মর্যাদার অবনমনের প্রেক্ষিতে শিক্ষকরা যে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিলেন তার প্রেক্ষিতেই প্রধানমন্ত্রীর এ ‘বজায়যোগ্য’ (!) শিক্ষকবন্দনা। এ যেন বহমান এক প্রক্রিয়া!

সাধারণত আমরা বন্দনাকে সুবন্দনা হিসেবেই দেখি। প্রধানমন্ত্রীর বন্দনায় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ও অধ্যাপক রফিকের উদাহরণ ছাড়া আর কারও সুবন্দনা দেখিনি । শিক্ষকতা ও শিক্ষা ব্যবস্থায় অসঙ্গতি যে নেই তা বলা যাবে না। কীভাবে তা দূর করা যায় তা নিয়ে তিনি দিতে পারতেন সঠিক দিকনির্দেশনা। অর্থমন্ত্রীও শিক্ষকদের সম্পর্কে অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্য করেছিলেন। পরে অবশ্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন।কিন্তু প্রধানমন্ত্রীকে দুঃখ প্রকাশ করা তো দূরের কথা, অনুতপ্ত হতেও দেখিনি।

বর্তমান সরকারের প্রণীত ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০’এ শিক্ষকদের মর্যাদা, অধিকার ও দায়িত্ব (অধ্যায় ২৫) বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:

‘‘আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সকল স্তরের শিক্ষকদের জন্য পৃথক বেতন কাঠামো প্রণয়ন করা হবে।’’

একইভাবে বর্তমান সরকারপ্রধানের রাজনৈতিক দলের ২০১৪ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে ‘শিক্ষা ও মানব উন্নয়ন’এ বলা হয়েছে যে, অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বর্তমান শিক্ষানীতির পূর্ণ বাস্তবায়ন এবং শিক্ষাখাতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হবে । কিন্তু প্রশ্ন হল, কেন তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না?

আজকের প্রধানমন্ত্রীর বাবা, বঙ্গবন্ধু তাঁর দু’কন্যাকে এমন দুজন ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে দিয়েছিলেন যাদের একজন ছিলেন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী আর একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতে মুক্তবুদ্ধির চর্চা হয়, কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ যাতে বাধাগ্রস্ত না করে এখানকার শিক্ষার পরিবশে, তার জন্য তিনি ১৯৭৩এর অধ্যাদেশ প্রণয়ন করেছিলেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কি তা ভুলে গেছেন?

 

বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতে মুক্তবুদ্ধির চর্চা হয় সে জন্য বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩এর অধ্যাদেশ প্রণয়ন করেছিলেন

 

১৯৭৫এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার কথা ছিল। ঐ দিন তাঁর উদ্দেশ্যে যে মানপত্র লেখা হয়েছিল যা পরবর্তীতে আজকের প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রদান করেছিল। তিনি সেটি পড়ে চোখের জল ফেলেছেন। ফেলারই কথা। কিন্তু তিনি কি কখনও জানতে চেয়েছেন বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবদ্দশায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কী মর্যাদা দিতে চেয়েছিলেন?

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তিনি শিক্ষকদের সম্মান করেন। অথচ যখন মর্যাদা ও বেতন-ভাতা সংক্রান্ত বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আন্দোলন করে আসছিলেন, তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ ৫ কী ৬ বার প্রধানমন্ত্রী বরাবর পত্র দিয়ে সাক্ষাৎ চাইলেও তিনি একবারও তা দেননি। কেবল শিক্ষকরা যখন পূর্ণ কর্মবিরতিতে গেলেন, তখণ তিনি গণভবনে বিভিন্ন পেশাজীবীদের সন্মানে আয়োজিত পিঠা উৎসবে শিক্ষক নেতৃবৃন্দদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ক্লাসে ফিরে যাবার আহ্বান ও সমস্যার সমাধানে আশ্বাসবাণীও শুনিয়েছেন তাদের।

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানেই কিন্তু শিক্ষক নেতৃবৃন্দ আন্দোলন স্থগিত করে ক্লাসে ফিরে গিয়েছেন। কিন্তু দাবি বাস্তবায়ন না হলে ৩ ফেব্রুয়ারি সভা করে পরবর্তী কর্মসূচী প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। দাবি আদায়ে কতটুকু উন্নয়ন হয়েছে সে ব্যাপারে সাধারণ শিক্ষকরা অবহিত নন। তাছাড়া শিক্ষকদের ন্যায়সঙ্গত সকল দাবির যথাযথ বাস্তবায়ন হবে কি না সে বিষয়েও সংশয় রয়েছে।

আজকের প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী (তাঁরা যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না) এক সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাবে আসতেন শিক্ষকদের পরামর্শ নিতে। সময় পাল্টেছে। রাজনীতিতে পরিবর্তন এসেছে, এসেছে শিক্ষক রাজনীতিতেও। মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে অবস্থান করছে। কিন্তু তিনি কি কখনও নিজেকে জিজ্ঞেস করেছেন কেন তাঁর দেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ও পৃথিবীর ১০০, ২০০, ৩০০, এমনকি ৫০০ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় নেই? তিনি কি কখনও তাঁর অর্থমন্ত্রীর কাছে জানতে চেয়েছেন কেন দেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট বাজেটের ১ দশমিক ২ শতাংশ বরাদ্দ হয় গবেষণা খাতে?

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রেক্ষিতে আরও কয়েকটি প্রশ্ন জেগেছে মনে:

এক, সরকারের কাছে সরকারি চাকরিজীবীদের (বিশেষ করে সচিবদের) তুলনায় শিক্ষকরা কতটুকু সম্মানীয় বা শ্রদ্ধেয়?

দুই, শিক্ষকদের সামাজিক অবস্থানই-বা কেমন?

তিন, ভবিষ্যতে পিতামাতারা কি তাদের সন্তানদের শিক্ষকতা পেশায় উৎসাহিত করবেন?

চার, সুশিক্ষা প্রদানে শিক্ষকরা কতটুকু দায়বদ্ধ?

পাঁচ, শিক্ষক সমিতি বা ফেডারেশনের হাতে কি যথার্থ ক্ষমতা রয়েছে?

শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষকের ভূমিকা অনস্বীকার্য। ফলে শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে ভালো ও অধিকতর মেধাবীদের শিক্ষকতা পেশায় উৎসাহিত করা জরুরি। ১০ জানুয়ারি, ২০১৬ তারিখের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দেখতে পেলাম, ৬০ জন শিক্ষক শিক্ষা ছুটি নিয়ে বিদেশ গিয়ে আর ফেরেননি। তাদের কেউ কেউ পদত্যাগ করেছেন। কাউকে কাউকে পদচ্যুত করা হয়েছে। তাদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের দেনা রয়েছে যা অচিরেই পরিশোধ করা উচিৎ। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন সেটাই স্বাভাবিক।

তবে আমি বিষয়টি একটু ভিন্নভাবে দেখতে চাই। যে কারণেই হোক, কিংবা যেভাবেই হোক, এই ৬০ জন মেধাবী শিক্ষককে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ধরে রাখতে পারেনি। দেশে যদি তাদের আকর্ষণীয় বেতন-ভাতা, গবেষণা সুবিধা দিতে পারা যেত তাহলে হয়তো তাঁরা বিদেশে থেকে যেতেন না।

এশিয়ার সিঙ্গাপুরে সবচেয়ে যোগ্য গ্রাজুয়েটদের মধ্যে থেকে শিক্ষক নিয়োগ করা হয়ে থাকে এবং সে সঙ্গে তাদেরকে আকর্ষণীয় বেতনও প্রদান করা হয়। সর্বশেষ কিউএস ওয়ার্ল্ড র‌্যাংকিংএ বিশ্বে ১২ ও ১৩ তম স্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুরের দুটি বিশ্ববিদ্যালয়।

চীনা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোরও হয়েছে বিস্ময়কর উত্থান। ২০১৩ সালে ‘বৈশ্বিক শিক্ষক মর্যাদা সূচক’ (গ্লোবাল টিচার্স স্ট্যাটাস ইনডেক্স) নামে একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছিল লন্ডন থেকে। যেখানে দেখা গিয়েছে বিশ্বের ২১ দেশের মধ্যে চীনেই শিক্ষকদের সম্মান ও মর্যাদা সবচেয়ে বেশি। উচ্চশিক্ষার জন্য চীনে ছিলাম প্রায় সাড়ে চার বছর। দেখেছি সাধারণ মানুষ এমনকি সরকার ও সরকারপ্রধান শিক্ষকদের কীভাবে সম্মান করেনে। চীন সরকার শিক্ষা ক্ষেত্রে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে। সেখানে গবেষণা খাতেও প্রচুর অর্থ বরাদ্দ রয়েছে।

সামাজিক মর্যাদা ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। আমাদের সমাজ ও সংস্কৃতিতে শিক্ষকের মর্যাদার পাশাপাশি সরকারের একটি গুরুদায়িত্ব হল, সবচেয়ে মেধাবীরা যেন শিক্ষকতা পেশায় ঢুকেন তার জন্য আকর্ষণীয় বেতনের পাশাপাশি শিক্ষাঙ্গনে সর্বাত্মক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা। সে জন্য রাজনৈতিক বিবেচনায় শিক্ষক ও প্রশাসক নিয়োগে প্রভাব বিস্তার বন্ধ করতে হবে।। গবেষণা খাতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করাও জরুরি।

এ সব কিছুর সত্যিকার প্রতিফলন যখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে ধারাবাহিকভাবে আসবে, তখনই হবে ‘বজায়যোগ্য’ সুবন্দনা।

মঈনুল ইসলামঅধ্যাপক, পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

২২ Responses -- “মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ‘বজায়যোগ্য’ (!) শিক্ষকবন্দনা ও মর্যাদার আন্দোলন”

  1. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন

    আপনাদের আলোচনা সমালোচনাগুলো আর ভদ্রতার মধ্যে থাকছেনা। সন্মান আর মর্যাদার কথ বার্তা এমন মর্যাদাহীন ঝগড়াটে হয়ে যাচ্ছে যে, আপনাদের কথা শুনে গ্রামের ছমির উদ্দিন করিম উদ্দিনেরাও লজ্জা পাবে। দোহাই আপনাদের, এই প্যাঁচাল থামান। আল্লাহ্‌ আমাদের সকলকে সুবুদ্ধি দান করুন।

    Reply
  2. Engineer Khoandkar Abdul Hannan

    The two daughters of Bangabandhu were married by two highly qualified teachers by their profession– it is a fact but the elder one’s marriage-occasion was during Bangabandhu’s lifetime and the younger one’s was after his tragic death.

    However we commemorate Bangabandhu’s very high regard and respect for the teachers.

    Engineer Khoandkar Abdul Hannan,
    Kuwait

    Reply
  3. মুকৗম

    এস এম হলের প্রাধ্যক্ষ গোলাম মোহাম্মদ ভূঁইয়া বলেন, ছাত্রলীগের গেস্টরুমের বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। হাফিজুরের বারান্দায় থাকার ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘নিউমোনিয়া বারান্দায় থাকলেও হতে পারে, রুমে থাকলেও হতে পারে। আর বারান্দায় তো অনেকেই থাকে। তাদের তো কিছু হয়নি। হতে পারে সে অসুস্থ হয়ে গিয়েছিল। বাড়ি চলে গেছে এবং সেখানে মারা গেছে।

    আপনি ও একই কথা বলবেন????

    Reply
  4. সাইফ

    শিক্ষকদের মর্যাদা ও বেশি বেতন দিতে সমস্যা কি আমাদের অর্থমন্ত্রী তো চার হাজার কোটি টাকাকে টাকাই মনে করে না সুতরাং ফালতু চোরদের পকেটে যাওয়ার চেয়ে শিক্ষকদের পকেটে যাক অসুবিধা তো নাই

    Reply
  5. আলম কবির

    আপনার লেখাটা কয়েকবার পড়লাম। একটু বলবেন কি, সর্বশেষ ঢাকা বিশ্ববিদ্রালয় থেকে জনস্বার্থে বা মানুষের কাজে লাগবে এমন গবেষণা পত্র প্রকাশ হয়েছে?? ঢাকা বিশ্ববিদ্রালয় থেকে যদি কোন একটা বিভাগ (ধরি, অর্থনীতি বিভাগ) আগামী ৫ বছরের বাংলাদেশের অর্থনীতির কোন কোন বিষয়গুলো জরুরী সেটা নিয়ে একটা গবেষনা করে সেটা আনুষ্ঠানিক ভাবে বিশ্ববিদ্রালয়ের পক্ষ থেকে তুলে ধরে কতটা উপকার হয়?? এতে করে যেমন সরকার সে বিষয়ে নজর দিতে পারে তেমনি ঢাকা বিশ্ববিদ্রালয় এটা করেছে বলে সাধারণ মানুষেরও একটা আস্থা জন্মে। এটা একটা উদাহরণ মাত্র। এমন কি হচ্ছে বা হয়? অনেক শ্রদ্ধেয় শিক্ষক কাজটা করছেন তবে সেটা নিজস্ব কোন প্রতিষ্ঠানের পক্ষে (বিশ্ববিদ্রালয়ের বাইরে তিনি যেখানে কাজ করেন) বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্রালয়ের পক্ষে বলেন বা বলেছেন এমন নজির অনেক খুঁজে পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ। সেখানে সাধারণ মানুষ হিসেবে আমরা কি ভাবতে পারি শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের বিষয়ে? বিশ্ববিদ্রালয় কি শুধুই শিক্ষার্থীদের পড়ানো, পরীক্ষা শেষ করে একটা ডিগ্রি দিয়ে দেওয়া শুধু?? এখনকার অবস্থা দেখে কিন্তু তাই মনে হচ্ছে!

    Reply
  6. Md. Golam Mostafa

    আমাদের চাওয়া এবং পাওয়ার ব্যবধানটা কখনও কখনও অনেক বড় হয়ে যায়.. ফলশ্রুতিতে নানাবিধ জটিলতা! শিক্ষকতো সবাই, প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্সদের জন্য সরকারের ঘোষিত নির্বাচনী ইস্তাহার এবং আইনানুগভাবে …শিক্ষানীতির বাস্তবায়ন হলেই সমাধান সহজ হয়। আসুন সহনশীল হই।

    Reply
  7. জামান

    শিক্ষকদের সাত জনমের ভাগ্য যে ক্ষমতায় শেখ হাসিনা আছে।অন্য কেও হলে মর্যাদাতো দুরের কথা,বেতন আরও কমাতো।গরিব দেশে বসে ৫০ হাজার টাকার উপরে বেতন + অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করেন শিক্ষক নামের কারিগর রা। স্বাধীনতার পর জন্ম নেয়া এই কারিগর রা সারাজীবন কাটান সার্টিফিকেট কামাইয়ের ধান্দায়, শিক্ষক হয়ে উনারা ৪০ বছরে কয়টা বই বাংলা ভাষায় লিখেছেন?কত গুলো গবেষণা করেছেন? শুধু প্রোমোশন এর জন্য একটা পিএইচডি আনেন,কিন্ত এই শিক্ষার কোন প্রয়োগ কি করেন?
    দেশের উচ্চশিক্ষাকে একদম পঙ্গু করে ফেলেছে আজকের এইসব শিক্ষক নামধারী মানুষ গুলো। ভার্সিটিতেও এখন মুখস্ত বিদ্যা চালু হয়ে গেছে।শিক্ষক রা কষ্ট হবে বলে মেধা যাচাইয়ের জন্যে কোন প্রশ্ন বানান না। আগের বছরের প্রশ্ন দিয়েই কাজ চালান।অবস্য উনাদের সময় কোথায়,সারাদিন তো প্রাইভেট ভার্সিটি গুলাতেই ক্লাস নিতে ব্যস্ত থাকেন। সবচেয়ে ঘৃণা লাগে যখন দেখি উনারা আন্দোলনের নাম করে সরকারী ভার্সিটিতে ক্লাস বন্ধ করে দিয়ে বেসরকারি গুলোতে ক্লাস নেন। এটা কি কোন নীতিবান মানুষের পক্ষে সম্ভব? সরকারী ভার্সিটিতে ক্লাস নেয়ার সময় শিক্ষক আর বেসরকারিতে ক্লাস নেয়ার সময় কি আমলা-কামলা ?কেন বেসরকারি গুলাতেও ক্লাস বন্ধ রইলো না? এর কি জবাব দিবেন আমাদের শিক্ষক সমাজ ?

    Reply
  8. রামারাও সিদ্ধা

    এই ধরনের লেখকদের জন্যই শিক্ষকদের মর্যাদা নিয়ে আজ টানাটানি। এই লেখা উনি শুরু করেছেন কোথায় কোন গুরুত্বপূর্ণ সেমিনারে অংশগ্রহণ করেছেন তা দিয়ে। সেই সেমিনার থেকে উনি একটি শব্দ (বজায়যোগ্য ) এখানে উড়িয়ে নিয়ে এসেছেন। এই বজায়যোগ্য শব্দের সাথে বর্তমান বিষয়ের সম্পর্ক কোথায় তা দেখাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়ে ফিরে গেছেন উনাদের নিয়ে কবে কোথায় কে কী বলেছেন।
    উনাদের সম্পর্কে কে কী বলেছেন ছাড়া আর কোন বিষয়ে উনারা লিখতে অপারগ। উনাদের দাবি কেন যুক্তিযুক্ত সে বিষয়ে একটি লাইনও লিখার প্রয়োজনীয়তা উনি বোধ করেননি।
    দুনিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে বাংলাদেশের তুলনা করলে তাতে হাতির সাথে বিড়ালের তুলনা করার মত দেখায়।

    আমি শেখ হাসিনার সাথে একমত, যার যেখানে পছন্দ সে সেখানে চাকুরী করবে। সচিব হবার লোভ থাকলে বিসিএস দেন, আপনাকে কেউ জোড় করে ধরে এনে তো শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ দেয়নি।

    রামারাও সিদ্ধা

    Reply
    • আলমগীর হোসেন

      মিঃ রামারাও,

      অন্যের বক্তব্যকে আমার বক্তব্য বলছেন কেন? দয়া করে জনাব মীর হোসেন এবং আমার বক্তব্য আবার পড়ুন।

      ১-আমি জনাব মির হোসেন’এর সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে তাঁর ভাষায়”তেনা পেচানো”কে অর্থাৎ সমালোচনাকে উৎসাহিত করেছি(আবার পড়ে দেখুন)-

      ২-আমি শিক্ষক সমিতি ভিন্ন অন্য কোনও এজেন্সী না থাকার এবং প্রয়োজন না থাকার কথাই বলেছি(আবার পড়ে দেখুন)-

      ৩-“একজন মানুষ পরীক্ষায় ভাল ফল না করেও মেধাবী হয়।” এটা দ্বারা কি তাহলে ভাল ফল জরুরী নয় বলতে চান? অথবা নিরুৎসাহিত করতে চান? বাস্তব জীবনে খারাপ ফল করে কিভাবে চাকুরীতে উন্নতি সম্ভব? অবশ্যই বড় বৈজ্ঞানিক-সাহিত্যিক বা সফল ব্যবসায়ীদের অনেকেই আছেন , কিন্তু যখন আপনি কাউকে গাইড করবেন তাঁকে কি খারাপ ফল করতে বলবেন? না কি খারাপ ফল ওয়ালাদের অবৈধ নিয়োগ-প্রমোশন জায়েজ করতে এসব লিখছেন?

      ৪-আমার লেখাটি আবার পড়ে দেখুনঃ আমি লিখেছি রিটায়ারের পরে উপার্জনের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও আমলারা চাকুরী বাড়ানোর (এক্সটেনশন/অবসরের বয়স) স্বপ্নই দেখেন, অথচ এর ফলে তরুন প্রজন্মের আরও কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা নষ্ট হয় – যদি তাঁরা ব্যবসা করতেন(চীন সরকারের নতুন প্রকল্প অনুসরনে) তাহলে অনেক নতুন চাকুরী সৃষ্টি হত। আমলারা চাকুরীর কারণে পথ-ঘাট চিনে ফেলে তাই একাজটি আমলাদের জন্য সবচেয়ে সহজ (বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা ততটা পারঙ্গম হবেন না)

      Reply
    • আলমগীর হোসেন

      আপনি লিখেছেনঃ “সচিব হবার লোভ থাকলে বিসিএস দেন, আপনাকে কেউ জোড় করে ধরে এনে তো শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ দেয়নি।”
      এটা কেন লিখলেন? শিক্ষকতার সুযোগ পাবার পরেও অনেক বিসিএস দিয়ে সচিব হয়েছে আবার অনেকে সেদিকে যায়নি এবং যারা যায় নি তাঁরা তো সচিব হতে চাননা, এখনও দাবী করেন না। আপনি মেয়েলী ঝগড়ার মত আবার কেন এসব বলছেন?

      আপনি লিখেছেনঃ”দুনিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে বাংলাদেশের তুলনা করলে তাতে হাতির সাথে বিড়ালের তুলনা করার মত দেখায়।”
      শিক্ষা মন্ত্রণালয় চালায় আমলারা , তাঁরা কি করছেন?

      Reply
    • বিজন বিহারী শর্মা

      এই দল বেশি দিন সরকারে থাকলে রামারাও সিদ্ধার শিক্ষামন্ত্রী হবার সম্ভাবনা আছে ।

      Reply
    • রাজা মনসুর

      সচিবরাই এক্সটেনশন আর অবসরের বয়সবৃদ্ধির খেলাটি চালু করে তরুণ প্রজন্মের চাকুরী পাওয়ার সুযোগ কমিয়ে দিচ্ছেন বারবার – –
      অস্বীকার করবেন কিভাবে?

      Reply
    • Nazmul Islam

      Ei Birral marka protishthan thekei to ber hoia azker amla hoisen. R nijerao oi birral jatio kisu hoisen, Baagh hobar joggota nai, thakle chokher shamne bivinno oshongoti dekhe OSD ba job haranor voy a chup kore thakten na……

      Reply
    • আবুল হোসেন

      জনাব রামারাও সিদ্ধা,
      সব আমলেই সচিবরা সুবিধা নিয়েছে – – কারণঃ
      সরকারের টিকে থাকার জন্য তাদের দরকার, কিন্তু-
      অন্যদেরও দরকার আছে- যেমন
      ১-রাস্তাঘাট সচল রাখার জন্য ট্রাফিক পুলিশ এবং প্রকৌশলী
      ২-চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য ডাক্তার
      ৩-আইন শৃঙ্খলার জন্য পুলিশ

      আর যদি সরকার চিন্তা করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে কর্ম উপযোগী নীতি পরায়ন সুনাগরিক হিসাবে গড়তে হবে তাহলে শিক্ষক

      আপনি শিক্ষকদের কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি তুলে ধরেছেন, খুব ভাল কথা ; কিন্তু আপনার দেওয়া কয়েকটি মন্তব্যই এখানে প্রকাশিত হয়েছে এবং লক্ষ্য করছি আপনি ত্রুটি দেখিয়ে শিক্ষকদের সন্মান খাটো করতেই ব্যস্ত

      Reply
  9. মীর হোসেন

    এসব হা হুতাশের গল্প শুনতে শুনতে কান ঝালাপালা। সচিব এ বলেছে, মন্ত্রী সে বলেছে। প্রধানমন্ত্রী বকেছে। ঐখানে ঐ দেখেছি, সেখানে সে দেখেছি। অমুক দেশে ডালাভরা বেতন দেয়। তমুক দেশে মালকোঁচা ভরে সম্মান দেয়। আমদের দেশে শুধু গালি দেয়। তেনা পেচাঁনোর দেশে আপনারা এসব লেখেন আর পত্রিকাগুলো পেচাঁনো তেনা ভালবাসে। এসব থেকে বেরুনোর উপায় কি? সে সব প্রস্তাবনা লেখেন। সরকারের কাছে পলিসি দেন। কোন পলিসিতে শিক্ষাখাতে অগ্রসর হতে হবে তা লিখেন। সরাকেরে কি কি দেয়া উচিত। বিনিময়ে আপনারা দেশকে কি দিবেন তা লিখেন। সচিব বানাই। কারিগর। মেরুদন্ড এসব সেকেলে কথাবার্তা ছাড়ুন। মান অভিমান করে লাভ নেই। আমরা আবেগের উপর ভর করে চলি। তোষামোদি- খোশামোদি আমাদের স্বভাব। এসব বাদ দিয়ে স্পষ্ট করে বলুন, আপনারা কি চান? শুধু কি উচ্চবেতন ও মর্যাদা, না শিক্ষাখাতের ও দেশের উন্নয়ন? শিক্ষকদের নাকি কান্না আর ভাল্লাগেনা।

    Reply
    • আলমগীর হোসেন

      জনাব মীর হোসেন, আমি আপনার সাথে একমত, তবে ভিন্ন কিছু কথা আছেঃ
      ১-আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি আন্তর্জাতিক মানে পিছিয়ে পড়ার দুটি মাত্র কারণ সবাই জানেন এবং মানেন — সেশন জটে বিলম্বে গ্রাজুয়েশন এবং
      উচ্চশিক্ষা (এমফিল ডক্টরেট ইত্যাদি) ও গবেষণা কম হওয়া;
      আর সেশন জট হচ্ছে রাজনৈতিক বাড়াবাড়ি (অতীতে ছাত্র রাজনীতি বেশী ক্ষতি করলেও বর্তমানে হরতাল-অবরোধ ইত্যাদি) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ফল প্রকাশে অহেতুক দেরী করা;
      ২-আপনি সমালোচনাকে ‘তেনা পেচানো’ বলছেন কেন? সমালোচনা, আত্মসমালোচনা যত বেশী হবে তত ভুল-ত্রুটি প্রকাশ হবে নিরসন হবে
      ৩-শিক্ষক নেতৃত্ব ফেডারেশনের মাধ্যমে সন্মান রক্ষার আন্দোলন করছেন, অসুবিধা কি? এ কাজটি করার জন্য আর কোন সংগঠন বা এজেন্সী থাকলে তো হত!
      ৪-সন্মান না পেলে মেধাবীরা এ পেশায় ভবিষ্যতে আসবেন কি? তাহলে তো মান আরও কমবে , আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা কেউ দেশে বা বিদেশে ভাল চাকরী পাবে কিভাবে?
      ৫-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের দাবীর সাথে পরোক্ষভাবে কলেজ বা স্কুলের শিক্ষকেরা জড়িত কারণ বেতন বা সন্মান একই অনুপাতে বাড়বে। আর বিমুখ হলে সবচেয়ে বেশী ক্ষতি হবে ক্ষমতা আকাঙ্খী রাজনৈতিক দলগুলোর, কারণ সারাদেশে ভোটের দিন পোলিং-প্রিজাইডিং অফিসার হয় এঁরাই।
      ৬-আমলারা রিটায়ারের পর অনেক বড় কিছু করার সুযোগ পান (খুব বড়রা এনজিও বা বিশ্বব্যাঙ্কে বড় চাকুরী পান , পথঘাট চিনে ফেলায় ছোট-মাঝারী আমলারা ব্যবসায় সফল হন) , আহাম্মকগুলোই এক্সটেনশন বা মেয়াদ বাড়ানোর (এখন চাচ্ছেন ৬১ বছর) চিন্তা করে;
      ৭-এক এক জন সরকারী চাকুরেকে যদি মোট পেনশন বন্ধক রেখে বিনা সুদে(বা স্বল্প লাভে) ব্যাঙ্ক ঋণ দেয়ার নিয়ম করে সরকার তাহলে কয়েক কোটি টকার এক-একটি শিল্প হতে পারে দেশে এবং একজন অবসরভোগীর কারণে দশজনের কর্ম সংস্তনা হতে পারে — চীন যা করেছে ৫০ বছর বয়সে আগাম অবসর নিলে চীনে এ সুযোগ সবাইকে দেয়া হচ্ছে এবং চমৎকার ফল পাওয়া যাচ্ছে — লক্ষ লক্ষ নতুন কোম্পানী জন্ম নিচ্ছে এবং কোটি কোটি বেকার চাকুরী পাচ্ছে

      Reply
      • রামারাও সিদ্ধা

        আলমগীর হোসেন, আপনার সাথে মোটই একমত হওয়া যাচ্ছে না।

        ১। আপনি বলেছেন সমালোচনা, আত্মসমালোচনার কথা। লেখকের লেখায় একটা লাইন দেখান যেখানে “আত্মসমালোচনা” করে কোন কিছু লেখা হয়েছে।
        তালগাছটা আমার ধরে বিচার হয় না সর্বজনাব।

        ২। আন্দোলনের জন্য এজেন্সী- একবার গভীরভাবে চিন্তা করে দেখেন আপনার কথা কতটা হাস্যকর।

        ৩। মূল সমস্যাটা এইখানেই। কাজের উদ্দেশ্য যখন সম্মান আর টাকা হয় তখন আর ‘কাজ’ হয় না। সালাম আর পকেটের দিকেই নজর ঝুকে পরে। নিজের ভাললাগা থেকে কাজ করে সাফল্য পেলে সম্মান আর টাকা এমনিতেই ধরা দেবে। পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করাকেই মেধাবী বলে আপনার টানেল ভিষণের প্রমান দিলেন। একজন মানুষ পরীক্ষায় ভাল ফল না করেও মেধাবী হয়। একটু মনযোগ সহকারে চিন্তা করে চারপাশ দেখুন, অনেক উদাহরণ খুঁজে পাবেন।

        ৪। সচিবেরা রাস্তাঘাট চিনে ফেলায় চাকুরীর পরে এখানে যেখানে চাকুরীর সুযোগ নিয়ে হা হুতাস করলেন। একটু বারও বললেন না, কাজের প্রমান দিতে পারলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদেরও দুনিয়ায় কাজের অভাব নাই। নিজের কাজ না করে, ত্যানা প্যাচাতে থাকলে দিন শেষে আপনার সম্ভল শুধু ঐ ত্যানাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—