Feature Img

Hasina-f1ভালো চাই, ভালো
ভালো নেবেন গো ভালো?
আরো ভালো…

আরো ভালোর পসরা নিয়ে কলম ধরেছেন অনেকে। যতই কাজ করেন, এদের এই শ্রেণীটার কিছুই ভালো লাগে না। তাদের বক্তব্য হল, “এই সরকার (আওয়ামী লীগ) কিছুই করছে না, মানুষের অনেক আশা ছিল কিন্তু তা পূরণ হচ্ছে না। মানুষ হতাশ হয়ে যাচ্ছে, দেশ একদম ভালো চলছে না। দেশের অবস্থা খুবই খারাপ।”

লেখালেখি, মধ্যরাতের টেলিভিশনে টক শো, গোল টেবিল, লম্বা টেবিল, চৌকো টেবিল, সেমিনার–কোথায় নেই তারা? তাদের এই সকল কথায় সাধারণ মানুষের মাঝে একটা প্রভাবও পড়ছে। বিভ্রান্ত হচ্ছে, অনেক সময় নিজের অজান্তে এই ডায়লগ বলে দিচ্ছে। যারা এটা করছে, তাদের এই “বলার” কথার ফুলঝুরি কি সব সময় অব্যাহত থাকে?

সব সরকারের আমলে? না, না, তা শোনা যায় না। যেমন ধরুন সামরিক সরকারগুলির সময় তাদের কলমের কালি বা রিফিল থাকে না। কলম চলে না। মুখে কথা থাকে না। তখন বাঘের গর্জন বিড়ালের মিঁউ মিঁউতে পরিণত হয়। এখন যাদের কথায় টেলিভিশনের পর্দা ফেটে মনে হচ্ছে বেরিয়ে পড়বেন লাফ দিয়ে এক্কেবারে সরকারের ঘাড়ের উপর। ‘সর্বনাশ’! পারলে এই মুহূর্তে সরকারের ঘাড়টাই ভেঙে দেবেন আরো ভালো কিছুর আশায়। এরাই আবার কখনও কখনও চুপ থাকে।

এদের ডায়লগ বা বাক্যবিন্যাস অথবা উপদেশ শোনা যায়নি ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের পর বা ৩রা নভেম্বর জেল হত্যা, একের পর এক মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা, সিপাই-জনতার বিপ্লবের নামে একটার পর একটা ক্যু, তাণ্ডব ও হত্যাকাণ্ড। অন্যায়ভাবে ফাঁসি বা ফায়ারিং স্কোয়াডে সামরিক অফিসার ও সৈনিকদের হত্যা, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্যাতন, রিমাণ্ড ও হত্যাকাণ্ড ঘটানোর সময় তারা চুপ থেকেছেন। তাদের বিবেক জাগ্রত হয় নাই ভালো না মন্দ তা দেখার জন্য। বরং ঘাপটি মেরে নিজেকে বাঁচিয়ে রেখেছেন বাতাস কোনদিকে যায় সেটা বুঝে নিয়ে সময়ের সুযোগে উদয় হবার জন্য।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ পর্যন্ত সময়ে তাদের সোচ্চার হবার একটা নির্দিষ্ট ক্ষণ ছিল সেটা হল মিলিটারি ডিক্টেটরদের রাজনীতি ও রাজনৈতিক নেতা কেনা-বেঁচার সময়। যারা নিজেদের উচ্চদরে বিক্রি করতে পারলেন তাদের এক ধরনের সুর। আর যারা কপালে কিছু জোটাতে পারলেন না তাদের সুর হল দৃষ্টি আকর্ষণীয়-অর্থাৎ “আমরাও আছি, ক্রয় করুন, সেল-এ পাবেন।” অর্থাৎ (‘use me’.)।

এরপর যারা অবশিষ্ট থেকে গেলেন তারা তখন বাতাস ঘোরার সাথে সাথে সুর পাল্টিয়ে বিপ্লবী হয়ে গেলেন। এটা আমি ১৯৫৮ সালের জেনারেল আইয়ুব খানের মার্শাল ল’ জারির পর দেখেছি, আমাদের কত রাজনৈতিক ‘চাচার’ দল। যারা আব্বা মন্ত্রী থাকা অবস্থায় নিজের বাড়িঘর সংসার ভুলে রাতদিন আমাদের বাড়িতে ঘুরে বেড়িয়েছেন আর প্রশংসার ফুলঝুরি উড়িয়েছেন তারাই কেমন ডিগবাজি খেয়েছেন। সুর পাল্টিয়েছেন তাও দেখেছি। ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৭৫, ১৯৮২, ১৯৯১ সালসহ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রূপ দেখার সৌভাগ্য বা দুর্ভাগ্য আমাদের হয়েছে।

১৯৯৬ সালে সরকার গঠনের পর যারা ভালো থেকে আরও ভালো, আ-রো ভা-লো-ও হয় না কে-নো বলে লেখা লেখি। মুখের বুলি আর কথার ফুলঝুরি ছড়িয়েছেন, সমালোচনায় জর্জরিত করেছেন তারাই সুর পাল্টিয়ে ফেলেছেন। যেমন একটা উদাহরণ দিচ্ছি–
১৯৯৬ সালে চল্লিশ লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্য ঘাটতি ছিল। খাদ্য উৎপাদন- এক কোটি নব্বই লক্ষ মেট্রিক টন ছিল। ২০০০ সালের মধ্যে ঘাটতি মিটিয়ে চাল উৎপাদন দুই কোটি ঊনসত্তর লক্ষ মেঃ টনে বৃদ্ধি করলাম। কী শুনেছি? “না, আরো একটু ভালো হতে পারত।”

পাঁচ বছরে আওয়ামী লীগ সরকার ঊনাশি লক্ষ মেঃ টনের বেশি অতিরিক্ত খাদ্য উৎপাদন বাড়ালো তারপরও শুনে যেতে হল, আরও একটু ভালো হতে পারত। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত চালের উৎপাদন কতটুকু বেড়েছিল? বিএনপি সরকারের পাঁচ বছরের মধ্যে চার বছর কোন উৎপাদন বাড়ে নাই, বরং হ্রাস পেয়েছিল। অর্থাৎ উৎপাদন ছিলো নেতিবাচক।

আর একটি উদাহরণ বিদ্যুতের ব্যাপারে। ১৯৯৬ সালে বিদ্যুৎ কম বেশি ১৬০০ মেঃ ওয়াট উৎপাদন হত। চরম বিদ্যুৎ ঘাটতি। সঞ্চালন লাইনগুলি জরাজীর্ণ ছিল। দ্রুত সরকারী ও প্রথমবারের মত করে বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় উৎপাদন বৃদ্ধি করলাম। সঞ্চালন লাইন উন্নত করার কাজ শুরু করলাম। চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্য রেখে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করার জন্য নীতিমালা গ্রহণ ও প্রকল্প প্রণয়ন করে গেলাম। ২০০১ সালের জুলাই মাসে আওয়ামী লীগ সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদ শেষে চার হাজার তিন শত মেঃ ওয়াট উৎপাদন বৃদ্ধি করলাম, তখন শুনেছি, “না, আরো ভালো করা যেতো।”

কোন তৃতীয় পক্ষের সাহায্য ছাড়া ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে গঙ্গা পানি চুক্তি করলাম। দীর্ঘদিনের একটা সমস্যার সমাধান হলো। দুই দশক ধরে চলা অশান্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যা সমাধান করে শান্তি চুক্তি করলাম। অথচ এক শ্রেণীর কাছ থেকে কখনও এ বিষয়ে ভালো কথা শুনি নি।

২০০১ সালের পহেলা অক্টোবর নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট ক্ষমতায় এলো। কতটুকু বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করেছিল পাঁচ বছরে? যে সকল প্রকল্পের কাজ শুরু করে গিয়েছিলাম তার কয়েকটা শেষ হয়েছিল; তাতে উৎপাদন যা বেড়েছিল তাও ধরে রাখতে পারে নাই।

২০০৭ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় ছিল, তারাও উৎপাদন বাড়াতে পারে নাই। আমরা এসে পেলাম কত? তিন হাজার এক শত মেঃ ওয়াট। যা রেখে গিয়েছিলাম তার থেকেও বারো শত মেঃ ওয়াট কম। পাঁচ বছর যারা ক্ষমতায় ছিল তারা যে কিছু করতে পারে নাই সে সম্পর্কে এই “ভালোর আশাবাদীরা” কী ভূমিকা পালন করেছিলেন? আরো ভালো করার জন্য ১/১১ র পর যারা উচ্চদরের ডিগ্রীসম্পন্ন ও ওজনদার ব্যক্তিবর্গ- তারাই বা কী উন্নতি করতে পেরেছিলেন?

সে কথায় পরে আসবো কারণ তারা তখন একথা বলে নাই যে আওয়ামী লীগ সরকার ভালো করেছিল, কাজেই নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসুক। তারা তখন আরো ভালো মানুষের সন্ধানে ব্যস্ত ছিল, সৎ মানুষের সন্ধানে সার্চ লাইট নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল গণতন্ত্রের সৎকার, অর্থাৎ কবর দেয়া।

এই ধরনের আরও অনেক দৃষ্টান্ত আমরা দিতে পারব। সব থেকে মজার কথা হল, এই আরো ভালোর সন্ধানকারীদের নিশ্চুপ থাকতে দেখেছি ২০০১ সালের নির্বাচনের উদ্দেশ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রথম দিন থেকেই প্রশাসনের তের জন সচিবের চাকুরী থেকে বের করে দেয়া নিয়ে যে শুরু তা সামরিক-বেসামরিক প্রতিষ্ঠানকেও কীভাবে প্রভাবিত করেছে ও ভীত সন্ত্রস্ত করেছিল তা তখনকার অবস্থা স্মরণ করলেই জানা যাবে। শপথ অনুষ্ঠান হল, বঙ্গভবনে সচিবরা উপস্থিত ছিলেন। ফিরে এসে আর নিজের অফিসে ঢুকতে পারলেন না, কারণ চাকুরী নাই। রেডিও টেলিভিশনের মাধ্যমেই তের সচিবসহ অনেক অফিসারের চাকুরী খেয়ে ফেলেছেন। শপথ নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা তার পরিষদ গঠন করেন নাই। দশ জন উপদেষ্টা নিয়োগ হয় নাই তখনও, অফিসেও বসেন নাই কারণ শপথ অনুষ্ঠান অফিস সময়সূচীর পরে হয়েছিল। তখনই কীভাবে চাকুরী থেকে অফিসারদের বরখাস্ত করে? এমনকি নিজের জিনিসপত্রগুলি গুছিয়েও আনার জন্য যে অফিসে যাবেন তারও সুযোগ দেয়া হয় নাই।

গণভবনের টেলিফোন লাইনও কেটে দেয়। আরো ভালোর ভক্তরা তখন এই অন্যায় কাজের প্রতিবাদ না করে বরং বাহবা দিয়েছিল।

প্রথম দিনের এই আচরণের মধ্য দিয়েই কিন্তু নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারিত হয়েছিল। অথচ বাংলাদেশের ইতিহাসে যতবার ক্ষমতা পরিবর্তন হয়েছে ততবারই রক্তপাত ও সংঘাতে মধ্য দিয়ে হয়েছে। সুষ্ঠুভাবে, শান্তিপূর্ণভাবে কখনও হয় নাই। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকার প্রথম পাঁচ বছর মেয়াদ শেষ করে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছিল। কিন্তু রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদ ও প্রধান উপদেষ্টা লতিফুর রহমান যে পক্ষপাতদুষ্ট ও অসহিষ্ণু আচরণ দেখিয়েছিলেন তাতে জাতি বিভ্রান্ত হয়েছিল। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যে গণতন্ত্রের প্রতি অবিচল নিষ্ঠা ও বিশ্বাস সে কারণেই গণতন্ত্রের স্বার্থে তখন আমরা নির্বাচন বয়কট করিনি। নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম। এত প্রতিকুল অবস্থার মধ্যেও ভোট পেয়েছিলাম সংখ্যার দিক থেকে বেশি কিন্তু সীট সংখ্যা কম ছিল।

আরও একটি কথা, সাহাবুদ্দীন ও লতিফুর রহমান দুইজনই প্রধান বিচারপতি ছিলেন। আইনের ব্যবসাও করেছেন জীবিকার জন্য, আবার জাস্টিস হয়ে আইনের রক্ষাও করেছিলেন। কিন্তু একটা প্রশ্নের উত্তর এখনও পেলাম না সেটা হল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের অর্থাৎ জীবিত দুই কন্যার নিরাপত্তা দেয়ার জন্য একটা আইন পার্লামেন্টে পাশ করেছিল। সেই আইন বলবত থাকা অবস্থায় এবং সদ্যবিদায়ী প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবনের ফোনের লাইন ও বিদ্যুতের লাইন কীভাবে কেটে দেয়? পানির লাইন কেটেছিল কি না বুঝতে পারি নাই, কারণ পানির ট্যাংক তো ভরা থাকত; শেষ হতে সময় লাগে। একজন সাধারণ সরকারী কর্মচারীও সরকারী বাড়ী ছাড়ার জন্য একটা নির্দিষ্ট সময় পায় কিন্তু আমাকে সে সময়টুকুও দেয়া হয় নাই কেন? বিবেকবান বা আরো ভালোর দল কে কে তখন এ অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছিলেন?

আমার নামে ছড়ানো হলো আমি গণভবন এক টাকা দিয়ে কিনে নিয়েছি- কিন্তু কেউ কি কোন প্রমাণ দেখাতে পেরেছিল? পারে নাই। কিন্তু মিথ্যা অপপ্রচারে ঠিকই মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চেয়েছিল। সত্যটা কিন্তু কেউ বলে নাই বা কোন ডকুমেন্টও দেখাতে পারে নাই। আমি পাঁচ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছি- এ পর্যন্ত কোন সরকারী প্লট নেই নাই।

২০০১ থেকে ২০০৬ বিএনপির ক্ষমতার আমল- ১৫ জুলাই ২০০১ সালে যে দিন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করল সেদিন থেকেই আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের উপর নেমে এল অমানবিক অত্যাচার। নির্বাচনের দিনে একদিকে বিএনপি ও জামায়াতের ক্যাডার দল অপরদিকে সামরিক বাহিনী ও পুলিশের নির্যাতনে নেতা-কর্মীরা ঘরে ঘুমাতে পারে নাই। রেহানার বাড়ি দখল করে যখন পুলিশ স্টেশন করা হল তখনও কারও কাছ থেকে এই অন্যায় কাজের প্রতিবাদ শোনা যায় নাই। অপারেশন ক্লিন হার্ট নামে যে তাণ্ডব সেনাবাহিনী নামিয়ে করা হয়েছিল এবং মানুষ হত্যা করা হয়েছিল তা নিশ্চয়ই মনে আছে। আওয়ামী লীগের রিসার্চ সেন্টার থেকে পনেরোটা কম্পিউটার, দশ হাজার বই, তিনশত ফাইল, এক লক্ষ ফরম, নগদ টাকা নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেন্টারটা তালাবন্ধ করে রাখা হয় পাঁচটা বছর। এটা কি গণতন্ত্র চর্চা? তাদের কাছ থেকে একটা প্রতিবাদও শুনি নাই। এরপরই শুরু হলো র‌্যাব গঠন ও ক্রস ফায়ার। তখন তো সকলে র‌্যাবের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। কেবল আমিই স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন তুলেছিলাম ও প্রতিবাদ করেছিলাম, তখন এই বিবেকবানরা আমার সমালোচনা করেছিল। কাজগুলি নাকি খুবই ভাল হচ্ছিল বলে মন্তব্য করেছিল। এখন অবশ্য উল্টোটা শুনি।

সাধারণ মানুষ আওয়ামী লীগকেই চায় কিন্তু তাদের ভোট দেবার উপায় নেই। ভোট কেন্দ্রের ধারে কাছেও যেতে পারে নাই। বিশেষ করে হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ যারা আওয়ামী লীগ বা নৌকায় ভোট দেয় তাদের উপর অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছিল ২০০১ এর নির্বাচন চলাকালে। তারপরও জনগণের ভোট আমরাই পাই কিন্তু সীট ঠিক গুনেই দেয়া হয়। সরকার গঠন করার আগে থেকেই বিএনপি ও জামাতের তাণ্ডব শুরু হলো। গ্যাং রেপ করেছে, ঠিক হানাদার পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী ১৯৭১ সালে যেভাবে নির্যাতন করেছিল ঠিক সেভাবেই নির্যাতন চলছিল। একটা সুখবর হল পূর্ণিমা ধর্ষণ কেসের আসামিরা সাজা পেয়েছে। সাধারণতঃ সামাজিক লজ্জার ভয়ে কোন পরিবার মামলা করতে চায় না। পূর্ণিমা সাহস করেছে বলেই বিচার পেয়েছে। আমার মনে হয় এই একটা দৃষ্টান্তই যথেষ্ট। হাড়ি-ভরা ভাত একটা টিপলেই তো বোঝা যায় সব ভাত সিদ্ধ হয়েছে কিনা। ঠিক তেমনি একটা মামলার রায়ই প্রমাণ করে কী ধরনের নির্যাতন বিএনপি ও জামাত দেশের মানুষের উপর করেছিল। আমি এর বিস্তারিত বিবরণ দিতে চাই না কারণ এত বেশি ঘটনা যে এখানে সব উল্লেখও করা যাবে না। শুধু এইটুকুই বলতে চাই, তখন দেখেছিলাম অনেক বিবেকবানরা চুপ করে আছেন। মুখে কথাও নেই।

কলমের জোরও নেই। এদের জোর বাড়ে শুধু আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে।

ঠিক স্বাধীনতার পর যখন যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ গড়তে সকলে ব্যস্ত, তখনও বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা, খাদ্য ঘাটতি, দেশে দেশে দুর্ভিক্ষ চলছে। আর বাংলাদেশে তো ‘মরার উপর খাঁড়ার ঘা’ যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ গড়া। দিনরাত পরিশ্রম করে শূন্যের উপর যাত্রা শুরু করে দেশকে গড়ে তুলতে ব্যস্ত তখন ‘আরো ভালোর’ দলের সমালোচনা শুনেছি। কিছু নাকি হচ্ছে না। তখনও দেখেছিলাম এদের কলম ও মুখের জোর। আর পরিণতি মার্শাল ল’ জারি এবং স্বাধীনতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধিদের পুনর্বাসন। স্বাধীনতার মূল চেতনা থেকে দেশকে পিছিয়ে নেয়া। ক্ষমতা দখলের ও ক্ষমতা নিষ্কণ্টক করার লক্ষ্যে মানুষ হত্যা। ১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত সামরিক বাহিনীতে উনিশটা ক্যু’ ও পাল্টা ক্যু হয়েছিল। দেশবাসীর অকল্যাণ হয়েছে, দেশ পিছিয়েছে। স্বাধীনতার চল্লিশ বছর পরও সেই ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তির প্রেতাত্মারা থেমে নাই। যতবার জনগণ তাদের পরাজিত করে ততবার আবার তারা পরগাছার মত বেড়ে ওঠে। এবারে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর এরা যেন মরিয়া হয়ে উঠে পড়ে লেগেছে।

১৯৯৬ সালে ১৫ই ফেব্রুয়ারি ভোটারবিহীন প্রহসনের নির্বাচন, ১৯-২০ মে সামরিক ক্যু’র অপচেষ্টা হয়। সাবেক প্রধান বিচারপতি হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সংঘটিত সামরিক ক্যু গণতন্ত্র ধ্বংসের চেষ্টা করেছিল। নির্বাচনের পর সরকার গঠন করতেও টালবাহানা করে আব্দুর রহমান বিশ্বাস। এসব কারা এবং কেন করেছিল– এসব কথা আমরা কেন বিস্মৃত হই?

দেশের অবস্থা কী? খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত আছে? ২০০১ সালে যে মোটা চাল মাত্র দশ টাকা ছিল (আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে), সেই চাল ২০০৮ সালে ৪০/৪৫ টাকা দাম হয়েছিল, তা কমিয়ে ১৮ টাকায় আনা হয়। কৃষকের খরচ পোষানো হয়। প্রতি কেজি চাল ৩২-৩৪ টাকায় ঢাকার বাজারে এবং ঢাকার বাইরে ২৬/২৭ টাকায়ও পাওয়া যায়। সরকার ৪০-৫২ টাকায় বিদেশ থেকে চাল কিনে এনে মাত্র ২৪ টাকায় খোলা বাজারে বিক্রি করছে। ফেয়ার প্রাইস কার্ড, রেশন কার্ড, ভিজিএফ, ভিজিডিসহ বিভিন্ন উপায়ে খাদ্য নিরাপত্তা দিচ্ছে। না খেয়ে কেউ কষ্ট পাচ্ছে না। ৩৬ টাকায় বিক্রি হওয়া আটা ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

• কাজেই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত আছে। আওয়ামী লীগ আমলে দেশে মঙ্গা হয় না।

• সামাজিক নিরাপত্তাও নিশ্চিত, মানুষ নানাভাবে সাহায্য পাচ্ছে। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধী, স্তন্যদানকারী মা, সন্তানসম্ভবা গরীব মা, স্কুলে গমনকারী গরীব শিশুর মাসহ এ ধরনের নানাভাবে সামাজিক নিরাপত্তা সৃষ্টিকারী আর্থিক অনুদান সরকার দিয়ে যাচ্ছে যা দারিদ্র্য বিমোচনে অবদান রাখছে। গরীব মানুষের কষ্ট লাঘব হচ্ছে। ১৯৯৮ বন্যার পর আওয়ামী লীগ সরকার নয় মাস দুই কোটি লোককে বিনা পয়সায় খাইয়েছে। ১৯৯৬ সাল থেকে এ সবই আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে করা। ইতোপূর্বে আর কোন সরকার এদিকে দৃষ্টি দেয় নাই।

• শিক্ষার হার, ভর্তির হার বৃদ্ধি পাচ্ছে, পাশের হার বাড়ছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের জন্য ২৩ কোটি ২২ লক্ষ বই বিনা পয়সায় বিতরণ করা হচ্ছে।

• বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে সরকার বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নিয়েছে। সরকারী ও বেসরকারীভাবে প্রায় ৭১টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হচ্ছে। দুই বছরেই ১৫০০ মেঃ ওয়াট বিদ্যুৎ অতিরিক্ত উৎপাদন হয়েছে।

• গ্যাস উৎপাদন বেড়েছে, আরও বৃদ্ধির কাজ চলছে।

আইন শৃঙ্খলা অবস্থার উন্নতি হয়েছে। প্রমাণ আইসিসি ওয়ার্ল্ড কাপ, হজ্জ্ব, ঈদ, পূজা, বড়দিন, পহেলা বৈশাখ, বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস, মাতৃভাষা দিবস শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে। সকলের বেতন ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে একদিকে, আর অপরদিকে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছি। মূল্যস্ফীতি ১১ ভাগ থেকে কমিয়ে ৬ ভাগে আনা হয়েছিল। এখন কিছুটা বেড়ে ৮ ভাগ হয়েছে। শ্রমিক ও দিন মজুরদের আয় বেড়েছে। সরকার সদা সচেষ্ট আছে এসব বিষয়ে। ১৫০০ টাকা যারা শ্রমের মূল্য পেত এখন তারা ৩০০০ টাকা পায়। ধান কাটার সময় ৩০০/৪০০ টাকা দিনে মজুরী পেয়েছে। রাস্তাঘাটের উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছে।

অনেক কাজ যা এই সরকার আসার আগে সাত বছরে হয় নাই তার থেকেও বেশি কাজ সরকার দুই বছরে করেছে এবং করে যাচ্ছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কাজও সুন্দরভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। ৪.৫০১টি ইউনিয়নে তথ্যকেন্দ্র খোলা হয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, টেন্ডার সর্বক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার পরিবেশ ফিরে এসেছে। কোন ঘটনা ঘটলে অপরাধী যেই হোক সরকার সঙ্গে সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে।

বিডিআর (BDR) হত্যা ও বিদ্রোহের বিচার চলছে। জঙ্গীবাদ দমনে সরকার তৎপর এবং সফল। যুদ্ধাপরাধীদেরও বিচার চলছে। সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এ পর্যন্ত কেউ করতে পারে নাই। বরং সরকার দুর্নীতি ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বদ্ধপরিকর। এবারে বোরো ফসল বাম্পার হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। দশ টাকায় ব্যাংক একাউন্টে ভর্তুকীর টাকা সরাসরি পাচ্ছে। ডিজেলে ২০% সাবসিডি পাচ্ছে। হাওড় এলাকায় ও এলাকা বিশেষে বিনামূল্যে সার ও বীজ দেয়া হয়েছে। ব্যাংক রিজার্ভ সর্বোচ্চ। রেমিটেন্স বেড়েছে। দুই বছরে নয় লক্ষ জন বিদেশে গিয়েছে। ফিরে এসেছে এক লক্ষ জন যা স্বাভাবিক।

সার্বিক অর্থনৈতিক অবস্থা বিশ্ব মন্দা সত্ত্বেও যথেষ্ট উন্নত হয়েছে। প্রবৃদ্ধি ৬ ভাগে ধরে রাখা হয়েছে। এবার বৃদ্ধি পেয়ে ৬.৭ ভাগে উন্নীত হয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে সরকার দক্ষতার সাথে দেশ পরিচালনা করছে।

চাকুরীজীবীরা সন্তুষ্ট মনে চাকুরী করে যাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা এত শান্তিতে কোনদিন ব্যবসা করতে পারেন নাই। একটু অতীতের দিকে তাকালে স্মরণ করতে পারবেন। একদিকে ছিল হাওয়া ভবনের কমিশন ও ভাগ দেয়া, অপরদিকে তত্ত্বাবধায়কের সময় ছিল আতঙ্ক, মামলা, দেশ ছাড়া। অন্তত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সে আতঙ্কের পরিবেশ নাই। মুক্ত পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে নির্বিঘ্নে ব্যবসা বাণিজ্য করতে পারছেন। রপ্তানি বাণিজ্যে যা টার্গেট ছিল তার থেকে বেশি রপ্তানি হচ্ছে। বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাচ্ছে, বরং জমির অভাবে জায়গা দেয়া যাচ্ছে না। কাজেই সার্বিক দিক থেকে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। মানুষের মনে স্বস্তি আছে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন, উপ-নির্বাচন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে।

এই সব প্রশ্নের উত্তরের পরও আরো ভালোর দল বলবে তারপরও দেশের অবস্থা ভালো নেই। এর কারণ কী? কারণ একটাই অগণতান্ত্রিক বা অসাংবিধানিক সরকার থাকলে এদের দাম থাকে। এই শ্রেণীটা জীবনে জনগণের মুখোমুখি হতে পারে না। ভোটে জিততে পারে না। কিন্তু ক্ষমতার লোভ ছাড়তে পারে না। তাই মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে কিন্তু অগণতান্ত্রিক বা অসাংবিধানিক সরকারের যে খোশামোদি, তোষামোদি ও চাটুকারের দলও প্রয়োজন হয়- এরা সেই দল। বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী ও চেতনায় বিশ্বাসীরা ক্ষমতায় থাকলে দেশের মানুষের উপকার হয়। আর দেশে মানুষ যদি দরিদ্র না থাকে তা হলে এই শ্রেণীর বাণিজ্য শেষ হয়ে যাবে কারণ দরিদ্র মানুষগুলিই তো এদের বড় পণ্য। যাদের নিয়ে এরা বাণিজ্য করে নিজেদের ভাগ্য গড়ে।

আমি বেঁচে থাকতে আমার দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে আর খেলতে দেব না।

২২.৫.২০১১
টরেন্টো, কানাডা

শেখ হাসিনা: প্রধানমন্ত্রী, গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

শেখ হাসিনাগণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী

২০৭ Responses -- “ভালোর পসরা”

  1. আলহাজ

    অনেক কিছু লেখার ইচ্ছে হয় কিন্তু জানি অনেক দেরি হয়েগেছে আমার। আমার লেখা পড়া ও দেখা কোনটাই হবেনা আপনার তাই ছোট্ট করেই লিখছি “ধন্যবাদ” “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা”

    Reply
  2. সেলিম

    ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। দেরিতে হলেও পড়লাম। আমার মনে হয় আবার লেখার সময় হয়েছে। আবার আপনার লেখা উচিত। দেশবাসীকে উন্নতির কথাগুলো জানানো উচিত। ভালো থাকবেন।

    Reply
    • মেঘবালিকা

      আমারও অনেক ভালো লাগল যদিও অনেক দেরিতে পড়লাম। প্রধানমন্ত্রী ম্যাম আপনাকে বলছি– আপনার ভালো কাজের হিসেব করে শেষ করা যাবে না। দেশের অনেক উন্নয়ন হয়েছে। যে অস্বীকার করবে তাকে অকৃতজ্ঞ ছাড়া আর কিছুই বলার নেই।

      মেধায় যে ভালো চাকরি হয় সেটা আপনার সরকার প্রমাণ করল। তবে চাকরির বয়সটা যদি ৩৫ করতেন অনেক ভালো হত ম্যাম। প্লিজ তাড়াতাড়ি এটা পাস করে দিন।

      অনেক চাকরিপ্রার্থীর জন্য এটা যে কত আনন্দের সংবাদ হবে সেটা বলে বোঝানো যাবে না।

      প্লিজ প্লিজ।

      Reply
      • মেঘবালিকা

        মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,

        জীবনে যদি একটিবার একটা পলকের জন্য আপনাকে দেখার সুযোগ করে দিতেন আমি যে নিজেকে ধন্য মনে করতাম। জানি না কখনও এই সুযোগ আমার জীবনে আসবে কিনা। তবুও স্বপ্ন দেখি অনেক।

    • মেঘবালিকা

      খুব ভালো লাগল ম্যাডাম। যদিও অনেক দেরিতে পড়লাম। আপনার সরকার অনেক ভালো কাজ করেছে ম্যাডাম। অনেক সমালোচনা হয়েছে কিছু কিছু ব্যক্তিবর্গের জন্য।

      তবে শেষ সময়ে কেন যে অগণিত চাকরিপ্রার্থীর প্রাণের চা্ওয়াটা এখনও পূরণ করছেন না। চাকরির বয়স ৩৫ বৎসর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে পাস হয়েও কেন যে ঘোষণা করলেন না। আমাদের পাশের দেশ ভারতেও ৩৫ বৎসর। তাই আমাদেরও করা উচিত।

      প্লিজ ম্যাডাম এটা পাস করেন।

      Reply
  3. abu eusuf mia

    আপা, লেখালেখির জগতে আপনাকে স্বাগতম। আশা করি শত ব্যস্ততার মধ্যে্ও আবার আমাদের জন্য লিখবেন….

    Reply
  4. Pangkoj

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

    আপনার সরকার দেশের অনেক উন্নয়ন করেছেন, তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু সে মূল্যায়ন তো মনে করি জনগণ করবেন। তাছাড়া অন্য কোনও দলের সঙ্গে আপনার ঐতিহ্যবাহী দলের তুলনা করা বাতুলতা। জনগণের প্রত্যাশা আপনার সরকারের কাছ থেকে আকাশছোঁয়া। দেশে বিদ্যমান আদিবাসীদের নাম নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার জন্য যে উদ্যোগ আপনারা নিয়েছেন, তাতে আওয়ামী লীগের ঘোর সমর্থক সারা দেশের আদিবাসীরা অত্যন্ত ব্যথিত হয়েছে। অথচ নির্বাচনী ইশতেহারে স্পষ্ট করে ‘আদিবাসী’ নামটি আপনারা ব্যবহার করেছেন। নির্বাচিত হওয়ার পর বোল পাল্টে গেল কেন? নির্বাচনের আগে মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আদিবাসী নেত্রীবৃন্দের সঙ্গে একাত্ম হয়ে আদিবাসীদের পক্ষে কথা বলতে দেখা গেছে, নির্বাচনের পর তার চেহারাও যেন পাল্টে গেল!

    শেষ ভরসা হিসেবে আদিবাসীরা আওয়ামী লীগকে কাছে পাবে ভেবেছিল। এখন তাদের ভুল ভেঙ্গে গেছে। এ পর্যন্ত কোনও সরকার আদিবাসী দিবস পালনের উপর হস্তক্ষেপ করেনি। এ বছর আপনার সরকার করল! বিগত বছরগুলোতে ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউট আদিবাসী দিবস পালনের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ বছর তা-ও দেওয়া হল না। গণমাধ্যমগুলো আদিবাসীদের হেরিটেজগুলো খুঁজে খুঁজে বের করে দেশের ও বিশ্বের কাছে তুলে ধরছে, সেখানে আপনার সরকার এ ধরনের আচরণ করছে কেন?

    Reply
  5. Rafiq

    ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
    দয়া করে একটু নমনীয় হন ।

    Reply
  6. Mortuza Khaled Milton

    মাননীয় প্রধাণমন্ত্রী
    সালাম নিবেন। অন্য দশটা সরকারের চেয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা অনেক বেশী থাকে। কারণ আওয়ামী লীগ আর কিছু দিতে পারুক বা না পারুক আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছে। আমাদেরকে বিশ্ববাসীর কাছে নতুন ও সম্মানিত করে পরিচিত করে দিয়েছে। আমরা নতুন প্রজন্মের হয়েও আওয়ামী লীগ এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এ অসামান্য অবদানকে কোনভাবেই অস্বীকার করিনা এবং করতেও পারিনা। বর্তমানেও আওয়ামী লীগ আপনার নেতৃত্বে ভালো ভাবেই দেশ পরিচালনা করছে। তবে আপনার সরকারের একটু হলেও ব্যর্থতা রয়েছে। আর তা হলো কিছু উশৃংখল ছাত্রলীগ কর্মীর উশৃংখলতা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। তাদের লাগাম টেনে ধরতে আপনার সরকার বা দল কেন যেন একটু ধীর গতিতে চলছে। গত ১১.১০.২০১১ তারিখ রোজ মঙ্গলবার আমার নিজের ছোট ভাই তানভীর রায়হান কিছু উশৃংখল ছাত্রলীগ কর্মীর দ্বারা লাঞ্চিত হয়েছে। তাকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যলয় ক্যাম্পাসের ভেতর সকলের সামনে অমানবিকভাবে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। তার আর্ত-চিৎকারে সহপাঠীরা তাকে উদ্ধার করে এবং তাকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করে। তার একটাই অপরাধ। সে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা করে। মাননীয়া প্রধাণমন্ত্রী, বিশ্বাস করুন, আজ আমার মা-বাবা আমার স্নেহের ভাইটির জন্য উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। না জানি কখন ওসব সন্ত্রাসীরা আমার ভাইকে মেরে ফেলবে!

    তানভীর রায়হান জঙ্গীবাদের মদদপুষ্ট কোন পত্রিকায় কাজ করেনা। সে কাজ করে দৈনিক সকালের খবর পত্রিকায়। পত্রিকাটি ইতিমধ্যে প্রগতিশীল পাঠকদের মধ্যে বেশ সফলতা পেয়েছে। এব্যাপারে থানায় মামলা করা হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করেনি। এখানে বলে রাখা দরকার যে, আমার বাবা সব সময় মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকেই লালন করে এসেছেন। আমরা সেই বাবারই একজন সন্তান আজ আপনারই দলের একটা অংগ সংগঠনের একদল উশৃংখল কর্মী কর্তৃক নির্যাতিত। এমন একটি অসহায় পরিস্থিতিতে আমাদের পাশে কেউ নেই। তাই আপনার কাছেই এ বিচারের ভার ছেড়ে দিলাম। আমাদের বিশ্বাস, অন্ততঃ আপনার সরকারের আমলে আমার ভাইকে কিছু ছাত্র নামধারী সন্ত্রাসীদের ভয়ে শিক্ষা জীবন নষ্ট করে বাড়ি ফিরে যেতে হবেনা। আমরা দ্রুতই এর ন্যায় বিচার পাবো।

    ধন্যবাদ
    মর্তুজা খালেদ মিল্টন
    ১৪.১০.২০১১

    Reply
  7. মেহেদী হাসান

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
    ১.লিমনের ঘটনায় জড়িতদের যথার্থ বিচার করুন।
    ২. কনকো ফিলিপসের সাথে করা চুক্তি ১০০% প্রকাশ করুন।
    ৩. শেয়ারবাজারে যারা ধ্বস নামিয়েছে , দয়া করে তাদের সাজা দিন।
    ৪. ধর্মনিরপেক্ষ প্রযুক্তিবান্ধব সংবিধান করুন।

    Reply
  8. towhid

    মন্ত্রীদের েদৗরাত্বের কাহিনী শুনতে আর ভালো লাগেনা। আইনের শাসন তথা সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাটা কি জরুরী নয়? প্রটোকল ছাড়া আপনার মন্ত্রীদের একটু ঢাকা শহরে চলতে বলেন, দেখেন ঢাকায় বসবাসকারীরা কতটা সুখে শান্তিতে বসবাস করছে। সরকারের ক্ষমতা ফখরুদ্দিনের মত করে দেখালে সমস্যা কোথায়?

    Reply
  9. রাশেদুল ইসলাম

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
    আপনি যেসব কথা বলেছেন সবি ঠিক । আর দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেশের মানুষের ভাল করা আপনার সরকারের প্রধান দায়িত্ত । আজকাল আমরা যা দেখছি সবি ঘটনা ঘটার পরে নেয়া পদক্ষেপ । কিন্তু দেশের মেরুদন্ড সোজা করার জন্য তো কোন পদক্ষেপ দেখছি না । যেমন ধরুন –
    – ভবিষ্যতের জন্য যোগ্য নেতা বানানো; ক্যাডার না । আপনার মন্ত্রি সভা তে কয়জন সৎ, যোগ্য নেতা (যেমন আপনি সারা জীবন আন্দোলন সংগ্রাম করে মানুষের জন্য রাজনীতি করা শিখেছেন) আছে যারা নিজের কথা বাদ দিয়ে দেশের কথা জন গনের কথা ভাবে ।
    – দেশের মেধাবী নাগরিকরা যেন বিদেশ পাড়ি না জমায়, সেটা রোধ করার জন্য কী করেছেন?
    – দেশের দুর্নীতি রোধ করার জন্য কী করেছেন ?
    – দেশের প্রতিটি নাগরিক যেন যার যার মত কাজ করতে পারে যোগ্যতার নিরিখে । বিএনপি বা আওয়ামী লীগ যেন মানদণ্ড হয়ে না দারায়, তার জন্য কী করেছেন?
    – দেশের টাক্সের টাকা যেন মন্ত্রি আমলারা লুটেপুটে না খায় তার জন্য কী করেছেন ?
    – একজন ঢাকা ইউনিভার্সিটি বা বুয়েটের ছাত্রকে গ্রাডুয়েট করতে হাজার হাজার টাকা সরকার খরচ করে । এই সব মেধাবী ছাত্রদের প্রশাসনে নেয়ার ব্যাপারে কী করেছেন ? এদের তো বিএনপি বা আওয়ামী লীগ বা ভুয়া ফ্রীডম ফাইটার সনদের দরকার নাই ।

    আপনি দেশের অভিভাবক আপনি চাইলে সবি করতে পারবেন ।

    Reply
  10. Shapla

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাকে ধন্যবাদ,আমরা আপনার পাশে আছি সব সময়।

    Reply
  11. মোস্তফা কামাল পাশা

    যারা বলে জনগণের মতের বিরুদ্ধে সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে তাদের কাছে প্রশ্ন- পার্লামেন্টে মেজরিটি দিয়ে কী বোঝায়? অধিকাংশ সদস্যের মতামত সংখ্যাগরিষ্ঠ বা অধিকাংশ জনগণের মত নয় ? যদি অধিকাংশ এমপি’র মতামতকে জনগণের মতামত হিসেবে মেনে নিতে না পারি তাহলে কোটি কোটি টাকা খরচ করে তাদের পার্লামেন্টে পাঠানো হলো কেন ?

    এমপিদের নির্বাচিত করে পাঠানো হয় পার্লামেন্টে গিয়ে কথা বলার জন্য, রাস্তায় গাড়ি ভেঙ্গে পুলিশের হাতে মার খেয়ে নিজের ভোটারেদর অপমানিত করতে নয়।হরতাল দিয়ে জনজীবনকে নিরাপত্তাহীন করার নাম গণতন্ত্র নয়।হরতাল দিয়ে জনগণকে ভয় না দেখিয়ে, পিকেটিং না করে দেখুন, জনগণ হরতাল মানে কি না।

    আমাদের ভাবতে কষ্ট হয় যে, আমাদের জনপ্রতিনিধিরা আইন ভাঙ্গে। আল্লাহ আপনাদের হেদায়েত করুন।

    Reply
  12. habib

    অসাধারন লেখা ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।আপনাকে লাল সালাম। বিরোধী দলীয় নেত্রীর কাছ থেকেও এমন লেখা চাই অবশ্য তার যদি তিনি লেখেন।

    Reply
  13. Mayeen Uddin Jahed

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! ভালোর পসরার সাথে সাথে যদি মন্দের খ্সড়াটা দিতেন -তাহলে আপনার বিচার বোধের উপর প্রশ্ন উঠ্তো না।

    Reply
  14. সালেহা বেগম রানী

    যারা ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের পর প্রতিবাদ করেছিল তাদেরকে তো আপনি দল থেকে বের করে দিচ্ছেন বা কোন ঠাসা করে রাখছেন। অনেকেই সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে কথা বলেছে, আপনি তাদের কথা ভুলে গেছেন।

    Reply
  15. মুকুট

    ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। এটা আসলেই চমৎকার একটা উদ্যোগ জনগনের কাছে আসার জন্য। আপনি যদি দলীয় কর্মকাণ্ডে থাকেন বা দেশ চালনায় থাকেন তখন আপনার আশেপাশের মানুষগুলি যতটা না আপনাকে দেশের সঠিক তথ্য উপাত্ত তুলে ধরবে তার চেয়ে আপনি বেশি প্রাঞ্জল এবং বাস্তব তথ্য পাবেন এভাবে যদি আপনি লেখেন। আমাদের দেশে সবসময় আমরা সাধারণ জনতা আপনাদের সীমার অনেক বাহিরে থাকি, মিথস্ক্রিয়া হয় না, ফলে একটা গ্যাপ তৈরি হয়ে যায়,এই উদ্যোগ আমাদেক সহজ করে তুলবে আপনার কাছে। আমরা বলতে পারবো আমাদের মনের কথা দ্বিধাহীনভাবে। নতুন এই উদ্যোগের জন্য আপনাকে সাধুবাদ।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিদেশের এই প্রবাস জীবনে প্রতিনিয়ত মন পড়ে থাকে দেশের জন্য, দৈনিক পেপারে চোখ বুলালেই প্রতিনিয়ত খারাপ খবর আর সহিংসতা দেখে মন খারাপ হয়ে যায়। প্রবাসে যেখানেই যাই, সেখানেই খুঁজি বাংলাদেশকে, তুলনা করি বাংলাদেশের সাথে। খুব খারাপ লাগে যখন দেখি বাংলাদেশের সমান কাতারের দেশ তরতর করে এগিয়ে যাচ্ছে, আর আমরা নিজেরা নিজেরা মারামারি করে পিছিয়ে দিচ্ছি আগামীর অগ্রসরতাকে।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার কাছে অনুরোধ, দেশের জনশক্তিকে সুষ্ঠভাবে বহিঃবিশ্বে ব্যবহারের জন্য দূতাবাসগুলিকে আন্তরিক হতে বাধ্য করুন। আমরা নিজেরাই বাংলাদেশের দূতাবাসের কাছে কোন সহায়তা পাই না।

    দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা তরান্বিত না করলে আমাদের মুক্তি নেই। বাস্তবমুখী কিছু সিদ্ধান্ত নিন। আমলাদের চেয়ে বরং অন্য যারা আছে স্বস্ব ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ তাদের জ্ঞানকে কাজে লাগান। কারণ সচিবরা হয়ত নিজের পজিশন ঠিক রাখতে অনেক কিছুই এড়িয়ে যাবে, কিন্তু আসল উন্নয়ন অথবা আমাদের দেশের জন্য কোনটা ১০০% উপযুক্ত তা শুধু তারাই বলতে পারবে যাদের ঐ ফিল্ডে বহুদিনের কাজের অভিজ্ঞতা আছে।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাপেক্স, পেট্রোবাংলাকে আরো শক্তিশালী করুন। কর্মীদের দক্ষতা বাড়াতে বিদেশে দরকার হলে ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করুন। আমাদের ছোট্ট এই দেশে খুব বেশি প্রাকৃতিক সম্পদ নেই, যা আছে তা যেন দেশীয় প্রযুক্তি আর জনবল দিয়ে উত্তোলিত অথবা দেশেই ব্যবহৃত হয় তা নিশ্চিত করুন। দেশীয় প্রযুক্তি আর জনবলে এখন না হোক পরবর্তীতে যেন আমাদের আগামী প্রজন্ম উত্তোলন করতে পারে, সেটাই নিশ্চিত করুন। এভাবে দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ অসম চুক্তির মাধ্যমে বিদেশীদের হাতে তুলে দিবেন না। আমরা আজ আছি কাল নেই, কিন্তু এখন না পারি আগামী প্রজন্মের জন্য তো অটুট রেখে দিতে পারি আমাদের সম্পদ, আমরা পারি নাই কিন্তু ওরা তো পারবে?

    আপনার কাছে যথাযথ সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি আমরা পুরা জাতি।
    শুভেচ্ছা এবং শুভকামনা।

    মুকুট
    জাপান

    Reply
  16. মোঃ জহিরুল ইসলাম

    ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী । “আমি বেঁচে থাকতে আমার দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে আর খেলতে দেব না।”-আপনার এ উক্তিটি আমার হৃদয় ছুঁয়ে গেলো । কিছুদিন আগে বাংলাদেশের এক অসহায় কিশোরী ফেলানীকে হত্যা করল বিএসএফ । ফেলানীর লাশের সাথে বাংলাদেশের সম্ভ্রম ঝুলে থাকল ভারতের সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ায় অথচ আপনার সরাষ্ট্রমন্ত্রী পুরো জাতির সাথে মশকরা করে বললেন ফেলানী নাকি আদতেই বাংলাদেশের নাগরিক ছিলনা! আশ্চর্য সেলুকাস! বড়ই বিচিত্র এই দেশ । হত্যা করা হল দরিদ্র বোনের মেধাবী ভাই আবু বকরকে, হল না কোন বিচার কিন্তু আপনার মন্ত্রী বিবৃতি দিয়ে বললেন বিচ্ছিন্ন ঘটনা । পরিশেষে আপনার সর্বাঙ্গীন মংগল কামনা করে শেষ করছি ।
    মোঃ জহিরুল ইসলাম
    ছাত্র ,বুয়েট

    Reply
  17. উজ্জল

    আপনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে কতটুকু জানেন..?
    আগে উনার সম্পর্কে ভালোভাবে জানুন… তারপর মন্তব্য করতে আসুন।

    Reply
  18. subbir

    নিজেকে ধন্য মনে করছি যে প্রধানমন্ত্রীর লেখার উপর মন্তব্য করছি।
    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার কাছে আমার কিছু জানতে চাওয়াঃ যদি আবার কখনও লেখেন তবে জবাব দিবেন
    ১. কেন বঙ্গবন্ধুর সব কটা খুনিকে শাস্তি দিতে পারেন নি?
    ২. আপনার নিজকে প্রশ্ন করে বলুনতো আপনি কি মনে করেন মাওলানা সাঈদী রাজাকার? আমার জানামতে আপনি ব্যক্তিগতভাবে তাকে শ্রদ্ধা করেন। তবে কেন তাকে অন্যায়ভাবে শাস্তি দিচ্ছেন।
    ৩. আপনি কেন ছাত্রলীগকে নিয়ন্ত্রন করতে পারছেন না?
    ৪. যুদ্ধাপরাধী বিচারের নামে এটা কি কোন বিচার না জামযাত ইসলামীকে দমনকরন?
    ৫. সরকার যদি জনগনের মঙ্গল চায় তবে কেন জনগনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে সংবিধান পাশ করল?
    ৬. ভারতে ট্রানজিট করে দিতে ভারতের কাছ থেকে উচ্চহারে ঋন নেয়ায় আপনার কী লাভ? যদি কোন লাভ না থাকে তবে কেন এই ক্ষতি মেনে নিচ্ছেন?

    আপনার জন্য কিছু পরামর্শ
    ১. জামায়াত ইসলামী আপনার আদর্শিক প্রতিদ্বন্ধী, রাজনৈতিক শত্রু না।
    ২. জনগনের মনে কোন কষ্ট দেবেন না, ইসলামের উপর আঘাত হানা জনগনের মনে আঘাত হানার সামিল। এটা আপনার জনপ্রিয়তা কমাবে।
    ৩. আপনার চারপাশে যারা এরাই আপনার পিতাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষ থেকে নিচু স্তরে নামিয়েছিল। এরা আপনাকে মোটেই ভালবাসে না শুধু তাদের স্বার্থ উদ্ধার এবং এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে।
    ৪. দূরের কোন শত্রু ক্ষতি করার চেয়ে কাছের বন্ধু নামের কু-পরামর্শদাতাদের ব্যাপারে সতর্ক হন।

    আপনার দীর্ঘায়ু কামানা করি
    আরো লেখেন বেশি বেশি জাতির জন্য।

    Reply
    • muhtadee

      মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর
      লেখার হাত অসাধারন।
      ব্রাদার subbir এর কথাগুলো একটু একা একা ভাবুন।

      Reply
    • সিয়াম

      সাব্বির ভাই, আপনি কি ইনসাইডার নাকি যে প্রধানমন্ত্রীর মনের কথা বুঝতে পারেন! আশা করি আপনি যা ভাবছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তা ভাববেন না। এ কারণেই উনি প্রধানমন্ত্রী।

      আপনার কমেন্ট দেখে মনে হচ্ছে আপনি জামায়াতভক্ত। ভালো কথা, অন্ধ ভক্ত না হয়ে সাঈদীর গুণগুলো উপলব্ধি করুন।

      আর হ্যাঁ, “জনগণের মনে কোনো কষ্ট দেবেন না, ইসলামের উপর আঘাত হানা জনগণের মনে আঘাত হানার সামিল। এটা আপনার জনপ্রিয়তা কমাবে।”______

      প্রধানমন্ত্রী কী করে ইসলামের উপর আঘাত হেনেছেন ভাই? আপনি কি নামাজ পড়তে যেতে পারেন না? পুলিশ আপনাকে বাধা দেয় নাকি রোযা রাখতে গেলে জোর করে এসে কোক খাইয়ে দিয়ে যায়? নাকি দাড়ি দেখলে নাপিত এসে দাড়ি কেটে দেয়?

      Reply
  19. মোহাম্মদ আলী আকন্দ

    লেখার অনেক মন্তব্যের সাথে একমত না হলেও, এটা একটা সুখবর যে রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রীর লেখা পড়তে পারছি এবং সেই সংগে মন্তব্যও করতে পারছি। তথাকথিত বুদ্ধিজীবীদের (যাদের সাথে জনগনের কোন সম্পর্ক নাই) লেখা–পড়া আর না পড়া–একই কথা। তারা হয় প্রধানমন্ত্রীর চাটুকারিতা করে অথবা অবাস্তব কথা লেখে।

    শেখ হাসিনাকে অনুরোধ করবো, আপনি নিয়মিত যে কোন পত্রিকায় কলাম লেখেন (প্রধানমন্ত্রী থাকেন বা না থাকেন)।

    Reply
  20. Sylhety

    ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
    অবশেষে সমালোচনা সহ্য না করতে পেরে কলম ধরেছেন। তবে খুশি হতাম সমালোচকদের তিরস্কার না করে তাদের সমালোচনার বিষয়গুলোর সুনির্দিষ্ট জবাব দিলে। তবুও বলছি , দেশের বর্তমান অবস্থার চিত্র আপনার চারপাশের লোকরা হয়তো আপনার কাছে পৌছায় নি । যাই হোক লেখা যেহেতু শুরু করেছেন, দয়াকরে এটা চলমান রাখলে , জনগনই আপনাকে জানাবে তারা কেমন আছে।

    Reply
  21. বাংলার ছেলে

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
    আগের সরকার কী করছে সেটা আমরা জানতে চাচ্ছি না। আমরা চাই খেয়ে পড়ে সুন্দর করে বেঁচে থাকতে।

    কনাকোফিলিপসের সাথে চুক্তি না করে দেশীয় কম্পানি ও ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা গ্যাস অনুসন্ধানের ব্যবস্থা করুন, আমাদের অনেক ইঞ্জিনিয়ার বিদেশে অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে উপযুক্ত ভাতা দিয়ে গ্যাস উত্তলনে কাজে লাগান হোক।

    Reply
  22. ফারসীম

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
    একজন প্রধানমন্ত্রী হয়ে আপনি যে কলম ধরে মনের কথা লিখছেন এবং আমাদের জানাচ্ছেন, আর আমরাও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে সাধারণ মানুষ হয়ে মন্তব্য লিখতে পারছি, সেই সুযোগের ক্ষেত্র তৈরি হওয়া এক অভাবনীয় ব্যাপার। আপনার এই লেখা এক হাজারের মত অনলাইন শেয়ার হয়েছে এবং ১৬০টির বেশী মন্তব্য এসেছে, যেকোনো লেখকের জন্য এটা ঈর্ষার বিষয়।
    আপা, আপনি লিখেছেন “আমি বেঁচে থাকতে আমার দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে আর খেলতে দেব না।” – সাহসী বক্তব্য, সরকার-প্রধানের কাছ থেকে এটাই আশা করা যায়।
    আপা, আপনি বলেছেন “এদের জোর বাড়ে শুধু আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে।” এটা কি ভালো নয় যে আপনি সরকার-প্রধান থাকলে সমালোচনা করার সুযোগ পাওয়া যায়, যেটা অন্য কখনোই পাওয়া যায় না, বা গেলেও কেউ শোনে না, অন্তত আপনি তো শোনেন। আপনার সময়ে একটা ভালো কিছু অন্তত আশা করা যায়, সেটা অন্য সময় কি যায়? একজন লেখক যখন সরকার-প্রধান হন, তার থেকে সুখের ও আশাপ্রদ আর কিছুই হতে পারে না, হয় না। এটাই এই দেশের দুখী মানুষের সবচেয়ে বড় পাওয়া। রবীন্দ্রনাথের কথা নিশ্চয়ই আপনি জানেন, “নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো, যুগ-জনমের বন্ধু সে যে আঁধার ঘরের আলো”।

    Reply
    • saha

      আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে এদের জোর বাড়ে তাতে কোন সম্যসা নেই, সমস্যা হলো অনেকে নিজে না বুঝে এদের কথায় প্রভাবিত হয়। এটাই হলো সমস্যা।

      Reply
  23. দেখেযাই

    লেখায় ধার আছে, কবি হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদেরও ছিলো। সাহিত্য হলো সত্য-মিথ্যা ও কল্পনার মিশ্রন -কিছুটা পরাবাস্তব।

    Reply
  24. Partha

    দূর্ভাগ্য এই জাতির, যার সাথে আপনাকে দেশপ্রেমের প্রতিযোগিতায় নামতে হয় যিনি নিজে বহু বিষয়ে অকৃতকার্য।

    Reply
  25. Md. Abdul Hamid

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দয়া করে বলবেন কি কনাকোফিলিপসের সাথে যে চুক্তি করেছেন তাতে মোট উৎপাদনের কত শতাংশ বাংলাদেশ পাবে আর কত শতাংশ তারা পাবে? আর ঘরে ঘরে একজনকে চাকরী দেয়ারইবা কী হল?

    Reply
  26. হাসান

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিডিনিউজে আপনি লিখেছেন এজন্য আমি সত্যিই অভিভূত। অনেক বিষয জানতে ও বুঝতে পারলাম আপনার লেখা থেকে।
    তবে

    এই সুযোগে যে কথাটি আপনাকে বলতে চাই-

    ইদানিং প্রায়ই খালেদা জিয়াকে দেখা যায় দর্শক সারিতে বসে বিশেষজ্ঞদের কথা শুনতে। ক্ষমতার বাইরে থেকে বাস্তবতাকে যতটা উপলব্দি করা যায় ক্ষমতায় কেন্দ্রে থেকে চাটুকারবেষ্টিত অবস্থায় তার উল্টো চিত্রই বেশি চোখে পড়ে।

    খালেদা জিয়া কি সোনিয়া গান্ধীর পথে হাঁটতে পারবেন? বিএনপিতে মনমোহন সিং আছেন কি? ক্ষমতা পেলে দর্শক সারিতে থাকতে পারবেন কি? যদি পারেন তাহলে রাজনীতিতে একটি গুণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে সত্যিকার জনকল্যাণের পাশাপাশি যুগান্তকারী ভালো একটি ইতিহাসের রূপকার হয়ে থাকবেন।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকেও বলব সুযোগটি আপনিই আগে নিতে পারেন। রাজনীতি কিংবা দল ছাড়তে বলছি না। শুধু ক্ষমতার বাইরে এসে জনগনের কাতারে বসে পরাশক্তির ভয় দূর করে তাদের এজেন্টদের সরিয়ে দলের মধ্যেকার সত্যিকার রাজনীতিবিদদের দিয়ে দেশ চালান। তাহলে জনগণের পালস বুঝতে পারবেন। আনু মুহাম্মদের মত গুণী শিক্ষাবিদের ব্যাপারে আপনার মন্ত্রীর মন্তব্যের পরেও কি বুঝতে পারছেন না কাদেরকে নিয়ে দেশ চালাচ্ছেন? আনিসুর রহমান স্যার যিনি আনু মুহাম্মদ নামেই অধিক পরিচিত (আমার সৌভাগ্য হয়েছিল স্যারের ৭ বছরের সরাসরি ছাত্র হওয়ার: ৫ বছরের অনার্স-মাস্টার্স শেষ হতে ৭ লাগায়)। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বলব জনগণ থেকে আপনাকে চাটুকাররা কত বেশি দূরে নিয়ে গিয়েছে তা বুঝা যাবে দেশের স্বার্থে অত্যন্ত বিরল ও গুণী একজন অধ্যাপকের ব্যাপারে আপনার মন্ত্রী অশোভণ মন্তব্য থেকেই।

    পরাশক্তির আস্থা অর্জন নয়, জনগণের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করুন। আর ভরসাও পরাশক্তির ওপর নয়, মহান আল্লাহর ওপর রাখুন।

    পরিশেষে বলব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিংবা মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া অথবা যেই হোক না কেন আমরা চাই পরাশক্তির অস্বাভাবিক প্রভাব ও চাটুকার-দুর্ণীতিবাজদের কবল থেকে মুক্ত হয়ে আমাদের বিপুল সম্ভাবনাময় প্রিয় দেশটি সফলভাবে এগিয়ে যাক। মনে রাখতে হবে কোন একক দলের প্রতি দূর্বলতা নয় ক্ষমতাসীন দল তথা সরকার সফল হওয়ার মাধ্যমেই দেশ এগিয়ে যেতে পারে। এক্ষেত্রে ঐকমত্যের ভিত্তিতে দেশেকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসীনদের ভূমিকাই অধিক।

    Reply
  27. Monir khan

    প্রধানমন্ত্রী আপনার টেলিফোন.. পানির লাইন (যদিও সন্দেহ আপনার) কেটে দিয়েছিল যা অবশ্যই খারাপ কাজ হয়েছে। ওটা আপনার একার সমস্যা ছিল এবং যা ছিল রাজনৈতিক! আর যারা আমাদের সমস্ত দেশের পানি আট কিয়ে দেশকে মরুভমি করছে, বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানি ছেড়ে দেশকে ডুবিয়ে দিচ্ছে, যারা আমাদের দেশের মানুষেদেরকে পাখির মত মারছে, সব জায়গায় আমাদেরকে নাজেহাল করছে তাদের সাথে আপনার কী অবস্থান? যদি আপনি আমাদের দেশকে/এবং দেশের মানুষদেরকে ভালবাসেন তবে অবশ্যই ঐদেশের সাথে করা সব চুক্তি বাতিল করতে হবে, তারপর বলবেন আমি বাংলাদেশকে ভালবাসি।

    Reply
    • Khalid Hossain

      প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে চুক্তি থাকতেই পারে, জনগণের স্বার্থে চুক্তি করলে তাতে জনগন উপকৃত হবে। ঢালাওভাবে বাতিল করার কথা বলা বোধ করি ঠিক না।

      Reply
    • রকিব

      মনির খান, আপনি যে কথা বিকৃ্ত করেন সেটা প্রথম লাইনেই দৃশ্যমান। প্রধানমন্ত্রী টেলিফোন ও বিদ্যুৎএর লাইন কাটার কথা বললেও আপনি বিদ্যুৎ লাইনের কথা উহ্য করলেন কেন? কারন কি এই যে শুধুমাত্র টেলিফোনের কথা বললে পাঠক অপরাধটা হালকাভাবে অনুধাবন করবে। এজন্য!
      ঊনি তো লাইন কাটা নিয়ে সন্দেহ করেন নাই বরং নিশ্চিত ছিলেন তা এই লাইন থেকেই স্পষ্ট হয় – “সেই আইন বলবত থাকা অবস্থায় এবং সদ্যবিদায়ী প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবনের ফোনের লাইন ও বিদ্যুতের লাইন কীভাবে কেটে দেয়?”
      কথা বিকৃতির রাজনীতি বন্ধ না করে সমালোচক হওয়া উচিত না। এমন অনেক কথা বিকৃতির ইতিহাস আপনাদের আছে।
      ভারত আমাদের পানিতে ডুবিয়ে রাখে না মরুভুমি বানায় বিএনপি সরকার আমলে তো এর কিছুই করতে পারে নাই। বরং ভারতের সাথে ঝগড়া করে সম্পর্ক খারাপ করছে। আপনি যদি রাজনীতির ‘র’ও বুঝে থাকেন তবে নিশ্চয় বুঝবেন প্রতিবেশী এত বৃহৎ রাষ্ট্রের সাথে মান অভিমান বা প্রতিশোধের রাজনীতি করলে আমরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হব। আর যতই দেশ বেচার ধোয়া আপনারা তোলেন না কেন এখন পর্যন্ত আপনারা তা প্রমান করতে পারেননি।

      Reply
      • দেশের কথা

        বাংলাদেশ তো আর চালের বস্তা না যে ইন্ডিয়া চাইলেই সেটা কিনতে পারবে। আফটার অল এটা একটা দেশ। এটাকে একদিন এ বেচা বা কেনা সম্ভব নয়।
        আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন যে মহান কাজটুকু করে তা হল দেশ বেচার কাজ এক স্টেপ করে এগিয়ে নিয়ে যায় ।
        গতবার পানি চুক্তি আর এবার গ্যাস চুক্তি এই কথাগুলাই প্রমাণ করে। প্রতিবেশী দেশ ক্ষমতাধর হলেই যে তাদের পা চাটতে হবে এমন কোন কথা নেই।

  28. মহিব

    লেখার জন্য ধন্যবাদ। ভবিষ্যতে আরো লেখা চায় জনগণ।

    Reply
  29. অর্ণব

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার লেখার জন্য ধন্যবাদ। গত নির্বাচনে মূলত যাদের রায়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসল তারাই এখন সবচেয়ে অসহায় ও প্রতিকূল অবস্থার সম্মুখীন।

    বিশেষ করে সরকারী চাকুরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে চলছে নজিরবিহীন অনিয়ম। যেক্ষেত্রে অনেক বড় অংকের ঘুষ ছাড়া মেধাবীদেরও চাকুরি থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। সেখবরগুলো গোপন থাকছে না। সবার ধারণা হচ্ছে নেতিবাচক। প্রচার করা হচ্ছে আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কারো চাকরি হবে না। আওয়ামী সরকারের বিশেষ নির্দেশ।

    Reply
  30. রুবেল

    জাতি পরিসংখান বোঝে না -তারা চোখ কান অনুভূতি উপলদ্ধি দিয়ে বিচার করে। তাদের কাতারে নেমে বিচার করে দেখুন -সত্যিই কি তারা ভালো আছে? তৃনমূল পর্যায়ে দূর্নীতি আসন গেড়েছে, জাতি অসহায় জিম্মি হয়ে আছে মগের মুল্লুকে -কথার ফুলঝুরি না, অভিজ্ঞতা দিয়েই তারা মূল্যায়ন করে।

    Reply
  31. Md. Jalal Uddin

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
    আপনার বক্তব্য বলে দিচ্ছে আপনি কোন সমালোচনা সহ্য করতে পারেন না। আর নিজের কাজের বিচার নিজে করছেন–এটা ঠিক না। আর আপনার বক্তব্য অনেকখানি থিওরিটিক্যাল। তাছাড়া আপনি ১৯৭৫- ১৯৮১ সালের ঘটনা উল্লেখ করেছেন কিন্তু ১৯৭২-১৯৭৫ পর্যন্ত ঘটনাবলী উল্লেখ করেন নি। এই জন্য আপনার বক্তব্যটা একপেশে ও রাজনৈতিক মনে হলো। ব্রিটিশ সাংবাদিক রবার্ট ফিস্ক বলেছেন যে ১৯৭১ এর মুজিব এবং ১৯৭৫ এর মুজিবের মধ্যে অনেক পার্থক্য ছিল। ঠিক তেমনি আপনি ব্যক্তি হাসিনা এবং রাজনৈতিক হাসিনার মাঝে অনেক পার্থক্য আছে। আশা করি আপনি এই পার্থক্যটা বুঝবেন।

    Reply
    • আকাশের তারাগুলি

      এরকম অনেক সাংবাদিক বলেছেন বঙ্গবন্ধুর মত এমন ব্যক্তিত্বকে হত্যা করা যেতে পারে এটা বিশ্বাস হয় না। ১৯৭২-১৯৭৫ সালে কোন ক্যু হয় নাই। সদ্যবিধ্বস্ত দেশ বিনির্মানে সরকার কাজে করে যাচ্ছিলো নানান সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে।

      Reply
  32. romi

    ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আপনাকে একটা request, আপনি মালয়েশিয়ার মাহথিরকে নিয়ে study করুন। আপনার সৎ ইচ্ছা আছে। আপনি পারবেন।

    Reply
  33. বিডিদেশী মাহাথির

    নেতার লক্ষণ হল সে সবসময় আগের দিনের চেয়ে পরের দিন ভাল করতে চায় এবং অনুসারীদেরকেও তা করতে উৎসাহিত করে। সরকারের পারফর্মেন্স যেখানে দিন দিন খারাপ হচ্ছে, হারার ভয়ে সরকার ঢাকা সিটি কর্পোরেশনে নির্বাচন দিতে সাহস করছে না, সেখানে যারা সরকারকে ভাল করার পরামর্শ দিচ্ছে, তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ আর ব্যঙ্গাত্মক লিখা এক পরিহাস মাত্র। এরকম নেতৃতের কাছে কিছু আশা করে আশাহত না হওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

    Reply
  34. reza

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি প্রত্যেকবার দুর্নীতি-বিরোধী সংস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করেন কেন ?

    Reply
  35. আসাদুজ্জামান ইব্রাহিম

    দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের একজন মানুষের লেখা পড়ে অনেক ভালো লাগলো । আসলে আমাদের বাংলাদেশের রাজনীতি যে বিশ্বমানের হতে পারে , দেশের মানুষ যে তাদের মতামত প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত জানাতে পারে এটা তার শুভ সূচনা বলা চলে । শেখ হাসিনার মতো যদি সবাই এটা শুরু করে তাহলে এটা দেশের কল্যাণ বয়ে আনবে । মানুষ অনেক কিছু জানতে পারবে, মতামত দিতে পারবে । এতে সরকারি দল বা বিরোধী দলের অনেক ভুল বের হয়ে আসবে । আপা আর যাই করেন এবার বাংলাদেশ ছাত্রলীগের যেন যোগ্য নেতৃত্ব আসে, তা না হলে আমার স্বপ্নের ছাত্রলীগ ভালো থাকবে না ।

    Reply
  36. mamun

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, কী বলে যে আপনাকে ধন্যবাদ জানাবো, বুঝতে পারছি না। আপনার ব্যক্তিগত অনুভুতি জানতে পেরে সত্যিই আমি রোমাঞ্চিত। আপনার মত পোড়খাওয়া এবং কাছ থেকে দেখা অনেক ঘটনার সাক্ষীর কাছ থেকে আরো অনেক কিছু জানার অধিকার আমার মতো তরুণদের অবশ্যই আছে এবং আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি, এতে ব্যক্তি শেখ হাসিনা যেমন উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হবে তেমনি আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তাও অনেক গুন বাড়বে। সরকারের এতসব অর্জনের মধ্যে একমাত্র কালিমা শুধু শেয়ার বাজার। আমি নিশ্চিত, আপনি এ ব্যাপারে সাহসী সিদ্ধান্ত আগামীকাল হোক বা দুই দিন পরে হোক, ঠিকই নিবেন। পরবর্তী লেখার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল। অনেক অনেক ধন্যবাদ।

    Reply
  37. mesbah Aajad

    আমার মনে হয় এটি একটি ভাল দিক যে, আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী অনেক ব্যস্ততার মাঝেও তাঁর সরকারের সফলতার কথার পাশাপাশি- যারা দেশের ভাল চায় না, তাদের কথা লিখেছেন। তাও আবার অনলাইনে।
    ধন্যবাদ জানাবার পাশাপাশি অনুরোধ করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার চারপাশে অনেক চাটুকার আপনাকে দেশের আর দেশের মানুষের আসল অবস্থা আর অবস্থান বুঝতে দেবে না। এদের কাছ থেকে সতর্ক থাকুন। এরা সুযোগমত কতটা ক্ষতিকর আর হিংস্র হতে পারে সেটা আপনার চেয়ে ভাল কে জানে ? অতীত থেকে শিখুন। দেশের মানুষের একমাত্র ভরসাস্থল আপনি।
    এই দেশটাকে অনেক ভালোবাসি আমরা। ভালোবাসি আপনাকে। আমরা তেমন বেশি কিছু চাই না। শুধু :
    দুবেলা ভাত খেতে চাই /শান্তিতে ঘুমাতে চাই /স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই /আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম যাতে সুস্থভাবে বেড়ে ওঠে/ দূর্নীতিমুক্ত একটা দেশ চাই আমরা…খুব কি বেশি চাওয়া প্রিয় প্রধানমন্ত্রী !

    মেসবাহ য়াযাদ
    ২৮ জুন, ২০১১

    Reply
  38. আরিফিন

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, অনলাইন জগতে আপনাকে স্বাগতম ।

    Reply
  39. Tapan

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ দেশে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার সুযোগ দিন। পারিবারিক শাসনের আগল থেকে দেশকে মুক্তি দিন। আওয়ামী লিগই পারে দেশে এমন কিছু নজির সৃষ্টি করতে। আমাদের যতই সৎ উদ্দেশ্য থাকুক না কেন মেধাহীন রাজনীতি শত চেষ্টা করেও দেশের জন্য মঙ্গলজনক কিছু করতে পারবে না। সব গোলমাল পাকিয়ে ফেলবে। আমি সবসময় ভালকে ভাল আর মন্দকে মন্দ বলতে শিখেছি এবং তাই চেষ্টা করি। আশা করি আমার এই তোষামদী-বর্জিত লেখা ছাপানো হবে।

    Reply
  40. ডাঃ এস এম নিয়াজ মাওলা

    খুব ভালো লাগলো আপনার এই প্রয়াস দেখে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
    তবে আরও ভালো লাগতো যদি ব্যর্থতাগুলো নিয়েও লিখতেন, বিশেষ করে ছাত্রলীগ আর শেয়ার বাজার নিয়ে।

    ভালো থাকুন সতত।

    Reply
  41. ইমরান সামী

    ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমস্ত্রী

    ভালো চাই ভালা…
    তথাকথিত কলাম লেখক, বুদ্ধিজীবী, টকশোতে যারা কথার ফুলঝরি ছড়ায় আপনি তাদের সমালোচনা করেছেন এবং তাদের আরো ভালো চাওয়ার যে তৃষ্ঞা তার উদাহরণ দিতে গিয়ে বলেছেন-
    “১৯৯৬ সালে চল্লিশ লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্য ঘাটতি ছিল। খাদ্য উৎপাদন- এক কোটি নব্বই লক্ষ মেট্রিক টন ছিল। ২০০০ সালের মধ্যে ঘাটতি মিটিয়ে চাল উৎপাদন দুই কোটি ঊনসত্তর লক্ষ মে. টনে বৃদ্ধি করলাম। কী শুনেছি? “না, আরো একটু ভালো হতে পারত।”

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নি:সন্দেহে জনগনের চাহিদা উৎপাদনের চেয়ে বেশি ছিলো। ভালোর চেয়ে আরো ভালো চাওয়াতে আপনি আপনার সমালোচকদের দুষছেন সত্য কিন্তু আপনি নিজেও অস্বীকার করতে পারবেন না ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকাকালে আপনি এ দেশের মানুষের পুরোপুরিভাবে খাদ্যে চাহিদা মিটাতে পারেন নি। যার দরুন আপনাকে ২০০১ সালের নির্বাচনে পরাজয় বরন করতে হয়েছে।

    আবার ২০০৮ সালের নির্বাচনে চারদলীয় জোট সরকারের ব্যর্থ রাষ্ট পরিচালনার দরুন এবং আপনার তীব্র আন্দোলনের ফসল ক্ষমতার মসনদ ফিরে পেয়েছেন, ক্ষমতায় আসার পর থেকে অদ্যাবদি আজ পর্যন্ত দেশের উন্নয়নে যা করেছেন তা লক্ষনীয়-ছাত্র লীগের দায়িত্ব থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন,লাগাম ছাড়া করেছেন তাদের, বিনিময়ে এদেশের জনগন পেয়েছে কিছু লাশ আর আপনার মত মায়েদের আর্তনাদ, আপনি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার কথা দিয়ে জনগনের ভোট কুড়ালেও এখনও তা এ জাতির কাছে স্বপ্নই হয়ে আছে। বিদ্রোহের নামে পিলখানায় ষাটের অধিক সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়েছে কার নির্দেশে তা আজও পর্দার আড়ালে।

    এই যদি হয় ভালোর ভালো..মাননীয় প্রদানমন্ত্রী আমি আপনার বক্তব্যকে সমর্থন করে বলবো আমরা অল্পতেই তুষ্ট; আর ভালোর দরকার নেই আমাদের।

    Reply
  42. SAYED

    একপেশে লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
    সরকারের জনপ্রিয়তার নিম্নমুখিতার সূচক লেখালেখির মাধ্যমে উঠানোর একটি প্রচেষ্টা মাত্র।

    Reply
  43. Al - Jabir Mohammad

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,

    আপনাকে প্রথমেই অসংখ্য ধন্যবাদ এভাবে আমাদের সাধারণ জনগনের সাথে আপনার যোগাযোগের সুযোগ করে দেওয়ায়। অত্যন্ত ইতিবাচক ও পরিপক্ক রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির জন্যে আমি আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ। আপনি যে সময়টার কথা বললেন তখন আমি নেহায়েত শিশু এবং কিশোর। তাই সেদিকে মন্তব্য করবো না। তবে আপনার প্রতি আমাদের আশাটা একটু বেশিই থাকবে আপনার পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ডের কারণে।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,

    আমি ব্যাক্তিগতভাবে কিছু জিনিস তুলে ধরার জন্যেই লিখতে বসেছি। আপনি নির্বাচনী ইশ্তেহারে উল্লেখ করেছেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে। বেশ খানিকটা সময় পেরিয়ে গেছে, প্রক্রিয়া চলছে, যাতে এদের ঠিক মত শাস্তি হয়, সেই কামনা করি। চার নেতার হত্যা মামলার পুনঃবিচার চাই। আমার সৌভাগ্য হয়েছিলো আহসানউল্লাহ মাষ্টারকে খুব কাছাকাছি দেখার। আমার স্বল্প অভিজ্ঞতায় আমি উনার মত নেতা দেখিনি। এমন একজন সুযোগ্য নেতা হত্যার যথাযথ বিচার যাতে হয় এই দাবী রইলো।

    আমাদের দেশে বাশের চেয়ে কঞ্চির জোর বেশি। আপনাকে খুশী করতে তোষামোদকারীদের অভাব নেই। কিন্তু সব কিছুর পরে আমাদের জনগনের কিছু চাহিদা থাকে, কিছু ত্যাগ থাকে। এই সব তোষামোদকারী থাকবেই আপনার পাশে, কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার প্রকৃত বন্ধু এই আমরা, সাধারন জনগন। আমাদের দিকটা আপনাকেই দেখতে হবে।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,

    এখনকার যুগকে অভিহিত করা হয় তথ্য-প্রযুক্তির যুগ হিসাবে। সেদিক দিয়ে আমরা অনেক পিছিয়ে আছি বাইরের দেশগুলো থেকে। দেশকে ডিজিটাল করতে হলে এই সুবিধা জনসাধারণের জন্যে পর্যাপ্ত করতে হবে। ইন্টারনেট সুবিধা পৌছে দিতে হবে দেশের সবখানে। ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথের দাম কমিয়ে দিতে হবে। শিক্ষানীতিতে কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা জরুরী।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,

    আমি পড়ালেখার জন্যে বাইরে থাকি। এবার বিশ্বকাপের সময় পর্যটনের করা বিজ্ঞাপনটি দেখে চোখের পানি চাপতে পারি নি। সত্যিই সোনার বাংলা আমাদের। কিন্তু যথাযথ পরিচর্চা ও যত্নের অভাবে আজকে ধ্বংসপ্রায়। এই খাতে আপনার মনযোগ দাবী করি। টুরিজ্যম হতে পারে আমাদের জাতীয় রেভিনিউয়ের একটি বড় উপায় যা দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে বলে আমি মনে করি। এছাড়াও আমাদের দেশের অনেক ঐতিহ্য ও কৃষ্টি বাইরের পৃথিবীর কাছে ফুটে উঠবে। ফুটে উঠবে–আমরা হেনরী কিসিঞ্জারের “তলাহীন” পাত্র নই। আমাদেরও দেওয়ার মত আছে।

    সর্বশেষে, আপনার সুস্থতা ও ভবিষ্যতে আরো লেখা কামনা করি।
    ধন্যবাদ।

    Reply
  44. Mohammad Alauddin

    ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। লেখা ভালো হয়েছে, সন্ত্রাস দমন করুন, দ্রব্যমূল্য মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার চেষ্টা করুন। চৌধুরী আলমের সন্ধান মিললে প্রশাসনিক অবকাঠামোর উন্নতি হয়েছে বলে ধরে নেয়া যেত।

    Reply
  45. হাসান শাহারিয়ার

    এটি নিঃসন্দেহে একটি আনন্দের ব্যাপার যে দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কোন ব্যাক্তির বক্তব্য/লিখার প্রতিক্রিয়া সরাসরি জানাতে পাড়ছি। ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার এই উদ্যোগের জন্য।

    Reply
  46. সুরাইয়া সুমি

    আপা লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। দেশের উন্নতি হয়তো হচ্ছে তবে আমার মতো বেকারদের কোন কিছুই হচ্ছে না কারণ আমার ঘুষ দেয়ার মত টাকা বা মামা কিছুই নাই।

    Reply
  47. alak

    আমি শেয়ার বাজার সম্পর্কে আপনার মন্তব্য আশা করেছিলাম।

    Reply
  48. Jamal Uddin

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
    আপনাকে ধন্যবাদ। আমরা এটা শুনতে চাইনা যে অতীতের সরকারগুলো কী নির্যাতন করল আর না করলো। আমরা একটা সুন্দর , হানাহানিমুক্ত বাংলাদেশ চাই। কিন্তু এখনো গণতান্ত্রিক সরকারের আমলে বিরোধী দলের সাধারণ মানুষদের গণতান্ত্রিক অধিকার উপেক্ষিত। সরকারি বাহিনী ও সরকারি দলের লোকদের দ্বারা তারা নির্যাতিত। গণতান্ত্রিক সরকারের আমলে বিরোধীদলের সাধারণ মানুষদের অধিকার আপনি নিশ্চিত করুন, আগের সরকারগুলির মতো এখনো যদি আমরা এই সংস্কৃতি বন্ধ না করি তাহলে আমরা এমন গণতন্ত্র চাইনা। আমরা আপনার কাছ থেকে এই বিষয়টা নিশ্চিত হওয়ার আশাবাদী। আবার আপনাকে ধন্যবাদ।

    Reply
  49. Mehedi Shishir

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার লেখাকে সাধুবাদ জানাই। আপনার সরকারের সফলতা অনেক, যার হিসাব কষা হয়তো কঠিন। কিন্তু ব্যর্থতাগুলোও চোখে পড়ার মতো।
    আমরা তাঁর কাছেই চাই যিনি আমাদের মনের আশা পূর্ণ করেন। আপনি আমাদের অনেক আশা পূর্ণ করেছেন তাই আপনার কাছে চাওয়াও বেশি।
    মিডিয়ায় আপনাকে আবারও স্বাগত জানাচ্ছি।
    আল্লাহ আপনার সহায় হোন।

    Reply
  50. obaidul islam

    ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে যুগোপযোগী লেখার জন্য। আপনার লেখা আগামীতেও পড়ার আশায় রইলাম।

    Reply
  51. Zakir Hossain

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনাকে ধন্যবাদ সুন্দর লেখার জন্য। প্রতিক্রিয়াগুলো আপনার পড়ার সময় হবে কিনা জানি না তারপরও আমি একটি ব্যাপারে আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি সেটা হল বর্তমান কোটা সিষ্টেম।
    বিসিএস-এর মত পরীক্ষায় ও মেধাবীদের জন্য মাত্র ৪৫% কোটা সংরক্ষিত যা নতুন করে কোটা পুনর্বিন্যাসের দাবী রাখে। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সবিনয় অনুরোধ জানাচ্ছি বর্তমান কোটা সিষ্টেমকে পুনর্বিন্যাস করার যাতে মেধাবীরা দেশকে সেবা করার সুযোগ পায়। আপনি ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরিকল্পে আরও এরকম যুক্তিগ্রাহ্য লেখা লিখে সাধারণ জনগণের সামনে আসবেন এই প্রত্যাশায়–

    Reply
  52. kipsan_20@yahoo.co.in

    ধন্যবাদ মাননীয় প্রধান মন্ত্রী একটি চমৎকার লেখা জনগণকে উপহার দেওয়ার জন্য। আশা করি এটা অব্যাহত রাখবেন। আপনার কাছ থেকে সরাসরি দেশের সঠিক চিত্র জানতে চাই।

    Reply
  53. jahangir

    ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
    আপনার লেখা আমার ভাল লেগেছে,কিন্তু আমরা সাধারণ জনগন নিচের বিষয়গুলো নিয়ে সত্যিই চিন্তিত:
    ১.আপনার বাণিজ্যমন্ত্রী দ্রব্যমুল্য নিয়ে যখনই কথা বলেন জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যায়।
    ২.বাজারে যে সকল খাদ্যদ্রব্য পাওয়া যায় তার বেশি অংশই ভেজাল বা কেমিক্যাল যুক্ত।
    ৩.যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল হলে আমাদের কর্মঘন্টা বেড়ে যেত। এ বিষয়ে আপনার পদক্ষেপও সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। কিছু নির্দিষ্ট পয়েন্টে মেরামত দ্রুত হলে অল্প খরচে অধিক সংখ্যক মানুষকে দূর্বিষহ যানজট থেকে নিরাপদ রাখা সম্ভব হত। তাই অনুরোধ বৃহত্তর কাজের পাশাপশি ষ্পর্শকাতর পয়েন্টগুলোর পুরোনো রাস্তা মেরামত দ্রূততর করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।
    আমরা সাধারণ জনগন আপনার কাছে বেশি ভাল চাইনা কেবল নাগরিক হিসেবে আমাদের ন্যায্য সুবিধাগুলো চাই।
    এজন্য আশা করি আপনি সঠিক পদক্ষেপ নিবেন, প্রয়োজনে আপনার নিজের মন্ত্রী সভার ও এমপিদের ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে কঠোর ব্যাবস্থা নিবেন।
    আবারও ধন্যবাদ।

    Reply
  54. রিয়াদ আহমেদ চেীধুরী

    মাননীয় প্রধানমন্রী

    আপনাকে ধন্যবাদ।

    Reply
  55. Rowshon

    ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আপনার সুন্দর এই লেখাটি পড়ে সত্যিই অনেক খুশী হলাম কিন্তু তার থেকেও বেশী খুশী হলাম যে আপনিও ইন্টারনেটে লেখা শুরু করলেন। এরকম কিছু একটা আমরা চেয়েছি অনেক আগে থেকেই। এবার আমাদের আশা পূর্ণ হলো। আশাকরি, আপনি আপনার এই ধরনের লেখা চালিয়ে যাবেন। আশাকরি, এবার আমাদের সবার স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া আর কেউ ঠেকাতে পারবেন না। ভালো থাকবেন।

    Reply
  56. syed Ariful Islam

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,সমালোচনা খারাপ কোন ব্যাপার নয় । সমালোচনার কারণগুলো সমাধান করুন, সমালোচককে দয়া করে শত্রু ভাববেন না । তারা আপনার আশে-পাশের বহু তোষামোদীদের চেয়ে ভাল। আবারও ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

    Reply
  57. মুনজির

    ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে দেশ ও দশের সম্পর্কে ধারণা রাখার জন্য এবং তা খোলামেলা বলার জন্য। আমরা জানি আপনি একজন মুসলমান, নিয়মিত নামাজ কালাম পড়েন, কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করেন, এমনকি গভীর রাতে তাহাজ্জুদও পড়েন। এদেশের মুসলমানরা এগুলোকে খুব ভালবাসে। যাদের ভোটে আপনি নির্বাচিত। তাই তাদের ধর্মীয় অধিকারগুলোর দিকে আরো ভালভাবে নজর দিলে এদেশের ৯৭ ভাগ মুসলমানরা আপনাকে বারবার স্বাগত জানাবে নি:সন্দেহে। এছাড়া যারা ভাল চাই চাই বলে সবসময় আপনার সমালোচনায় ব্যাস্ত থাকে তাদের খবর নিয়ে দেখবেন তারা অনেকে নামে মুসলমান হলেও সত্যিকারভাবে ধর্মকর্মও পালন করে না। এরা সবসময় সুযোগ সন্ধানী। ধর্ম ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।

    Reply
  58. Nurul Latif Rana

    ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি বেশি ভাল প্রত্যাশীদের সমালোচনার সহজ ভাষায় সুন্দর জবাব দিয়েছেন। আমার কিন্তু আপনার শেষ প্রত্যয়টি খুবই ভাল লেগেছে। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে কাউকে আপনি খেলতে দেবেন না- এমনকি আপনার দলের লোককেও না। কাজ শেষ করে যখন আপনার লেখাটি আমি পড়ছি,তখন বাংলাদেশে আর একটি দিনের সূচনা হচ্ছে। আপনিসহ যারা সত্যিকার মানুষের কল্যাণ করতে চায় সবাইকে সুপ্রভাত!!!
    দীর্ঘদিন ধরেই ভাবছিলাম আপনাকে একটি খোলা চিঠি লিখবো,কিন্তু লেখা হয়ে ওঠে না । না অলসতা নয়, হাজার কাজ/ শ্রমিকের জীবন। যেহেতু সুযোগটি পেয়েছি- হোক সে ন্যূনতম,সামান্য কয়েকটি বাক্য আজ লিখবো। যদিও আমার এখানে এখন মধ্যরাত। দেশের সাধারণ মানুষের সাথে যে যোগাযোগের সূচনা আপনি করেছেন,সেটি ধরে রাখুন। যাদেরকে আপনি আপনার প্রাণের চেয়েও বেশি ভালবাসেন, তাদের সাথে আপনার এমন সরাসরি যোগাযোগের বা কথা বলার সুযোগ প্লিজ আপনি হেলায় হারাবেন না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বাংলার কোটি কোটি মানুষ জানে, যে মানুষটির জন্ম না হলে আমরা লাল সবুজের পতাকা পেতাম না, শস্য-শ্যমলিমা বাংলাদেশ পেতাম না। আপনি সেই ইতিহাসের মহানায়ক, রাজনীতির মহাকবি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, বঙ্গবন্ধুর কন্যা। মানুষ তো আপনার কাছে,আপনার দলের কাছে বেশি চাইবে -এটাই তো স্বাভাবিক। ভালবাসার মানুষের কাছেই তো মানুষের প্রত্যাশা থাকবে। আর সেই প্রত্যাশা পূরন করার দায়িত্ব আপনার, আপনার দলের, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের। তাই আপনাকে ভুল করলে চলবে না, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভুল করা চলবে না। ভুল করার কোন সুযোগ নেই। আওয়ামী লীগ ব্যর্থ হলে পুরো বাংলাদেশ ব্যর্থ । প্রশ্ন করতে পারেন- কেন? উত্তর খুবই সহজ। যারা আপনাকে পছন্দ করে না, আপনার পিতাকে পছন্দ করে না, আওয়ামী লীগকে পছন্দ করে না, তারা সুযোগের অপেক্ষায় ওঁত পেতে আছে। কেননা, তারা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং বঙ্গবন্ধুর ‘পর দারুণভাবে গোস্যা/ক্ষ্যাপা, তাদের পেয়ারের পাকিস্তান ভেঙ্গে বাংলাদেশ হওয়ায়।
    ‘৭৫-এর রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরে রাতারাতি আমরা বাঙালী থেকে বাংলাদেশী,শতভাগ মানুষের মুখের স্লোগান জয়বাংলা হ’য়ে গেল জিন্দাবাদ। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রণীত সংবিধান সাম্প্রদায়িকতায় পূর্ণ হলো। আরো অনেক উদাহরণ দেওয়া যায়। যে তরুণ/তরুণীদের আপনি ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছেন, তাদেরকে আরো একবার বলুন, তোমরা যে স্নিগ্ধ সকাল দেখো, রুপালী চাঁদ দেখো, সবুজের সমাহার দেখো অথবা পলাশ, শিমূল, কৃষ্ণচূড়ার লাল রং দেখো, এর সাথে মিশে আছে ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের লাল রং। তারা যে বাংলাদেশের জন্য বুকের তাজা রক্তে সবুজ মাটি ভিজিয়েছিল- সেই রক্তের ঋণে তোমরাও ঋণী। এসো, আমরা সবাই মিলে তাদের সেই চাওয়া শোষণমুক্ত সমাজ এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ- পরবর্তী প্রজন্মের জন্য রেখে যাই। এত কিছু লেখার জায়গা অবশ্য এটা নয়। কিছু অপ্রাসঙ্গিক কথা বলার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভাল থাকুন,সুস্থ থাকুন।
    আজ,কাল,পরশু- প্রতিদিন,প্রতিক্ষন।

    Reply
  59. shaheed

    শুধু এটুকু বলবো মানুষের শেষ আশ্রয় বিচার বিভাগও দলীয় হয়ে গেছে। আমি লাইন বাই লাইন তুলে ধরে দেখাতে পারি। এখনি লেখা শুরু করবো।

    Reply
  60. ফারুক-ইকরাম

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
    শত ব্যস্ততার মাঝেও জানা-অজানা তথ্যগুলো আমাদের নিকট উপস্থাপনের জন্য আপনাকে জানাই উষ্ণ অভিনন্দন।

    বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা এবং আপনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন সফল হোক।

    Reply
  61. মুসতাফা কামাল

    মাননীয় প্রধানমনত্রী
    সরকারের ভাল দিকগুলো তো সবাই জানলাম, আপনি একটু খারাপ দিকগুলোতে নজর দেন। দোয়া করি আল্লাহ রব্বুল আলামিন আপনাকে সর্বদা হেফাজত করুক। এবং আমাদের আরও সেবা করার সুযোগ দিক। আমিন।

    Reply
  62. মুশফিকুর রহমান সুমিত

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
    নতুন দিগন্ত উন্মোচন করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। পৃথিবীর সবকিছুরই “ভালো-মন্দ” আছে। আজ আপনি “মতামত বিশ্লেষণ”-এ লিখে যে নজির তৈরি করলেন তা অনন্য। শুধু অনুরোধ করব, এই লেখালেখি বন্ধ করবেন না। আমরা সাধারণ মানুষ। বুঝি একটু কম, দেইও কম। কিন্তু চাই বেশি। কিন্তু আমাদের চাওয়াটা আপনার কাছে বলতে পারি না। আজকে প্রথম আপনার সাথে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ হল। আশা করছি এই সুযোগ এখন থেকে প্রায়ই পাব। অনেক কিছু বলার আছে। অনেক আলোচনা-সমালোচনা করার আছে। সুযোগ হলে মনের সব কথা আপনাকে জানাব। এইটুকু বলতে পারি, আমরা সাধারণ মানুষগুলো না ওই “গোল টেবিল, লম্বা টেবিল, চৌকো টেবিল”-এর মানুষগুলোর মত না। আমরা আপনার সাথে রাগ করি, আবার আপনাকে ভালোও বাসি। তাই আবারো অনুরোধ করছি। আমাদের সাথে থাকুন। দেখুন আমরা কী চাই। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা হয়তো সবসময় আমাদের মনের সব কথা আপনার কাছে পৌঁছে দিতে পারে না। আর আমরা তো ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে কাজ করছি। তাহলে আপনার সাথে আমাদের যোগাযোগটাও ডিজিটালই হোক। সরাসরি “ডিজিটাল মাধ্যম” থাকতে “মানব মাধ্যমের” কী প্রয়োজন আছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী? ভালো থাকুন। আবারও কথা হবে।

    Reply
  63. বাপ্পী

    ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আপনার সুন্দর এই লেখাটি পড়ে সত্যিই অনেক খুশী হলাম কিন্তু তার থেকেও বেশি খুশী হলাম যে আপনিও ইন্টারনেটে লেখা শুরু করলেন।এটা আমাদের সাথে আপনার সরাসরি যোগাযোর করার ক্ষেত্রে সহায়ক বলে বোধ করি। ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য এটা এক ধাপ অগ্রগতি।

    Reply
  64. kamruzzaman

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
    আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ্ । বাঙালি জাতি আপনার সাথে সবসময় আছে,থাক্ববে ।

    Reply
  65. বিপ্লবী

    প্রধান মন্ত্রি শেখ হাসিনা একটি লেখা প্রকাশ করেছেন।
    http://opinion.bdnews24.com/bangla/2011/06/26/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BE/
    উনি নাকি সমালোচনার জবাব দেবার জন্য কলম হাতে ধরেছেন। চলেন দেখি উনি কীভাবে তথ্য হাজির করছেন:

    “আর একটি উদাহরণ বিদ্যুতের ব্যাপারে। ১৯৯৬ সালে বিদ্যুৎ কম বেশি ১৬০০ মেঃ ওয়াট উৎপাদন হত। চরম বিদ্যুৎ ঘাটতি। সঞ্চালন লাইনগুলি জরাজীর্ণ ছিল। দ্রুত সরকারী ও প্রথমবারের মত করে বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় উৎপাদন বৃদ্ধি করলাম। সঞ্চালন লাইন উন্নত করার কাজ শুরু করলাম। চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্য রেখে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করার জন্য নীতিমালা গ্রহণ ও প্রকল্প প্রণয়ন করে গেলাম। ২০০১ সালের জুলাই মাসে আওয়ামী লীগ সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদ শেষে চার হাজার তিন শত মেঃ ওয়াট উৎপাদন বৃদ্ধি করলাম, তখন শুনেছি, “না, আরো ভালো করা যেতো।”

    প্রধান মন্ত্রি কি জানাবেন উনি কেন এসব বলছেন? উনারা ক্ষমতা গ্রহণের সময় উৎপাদন ছিল দুই হাজার যা উনারা তিন হাজারে নিয়েছেন এবং বিএনপি তা চার হাজার তিন শতে নিয়েছিল। আজ ঐ চার হাজার তিনশ উৎপাদন কিন্তু বৃদ্ধি পায় নি। বিএনপি ক্ষমতা ছেড়েছে পাঁচ বছর হতে চলছে।

    খাদ্য উৎপাদন নিয়ে উনি যে কথা বলেছেন তা নিচে তুলে ধরলাম:
    “পাঁচ বছরে আওয়ামী লীগ সরকার ঊনাশি লক্ষ মেঃ টনের বেশি অতিরিক্ত খাদ্য উৎপাদন বাড়ালো তারপরও শুনে যেতে হল, আরও একটু ভালো হতে পারত। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত চালের উৎপাদন কতটুকু বেড়েছিল? বিএনপি সরকারের পাঁচ বছরের মধ্যে চার বছর কোন উৎপাদন বাড়ে নাই, বরং হ্রাস পেয়েছিল। অর্থাৎ উৎপাদন ছিলো নেতিবাচক।”

    উনারা পাঁচ বছরে মাত্র ১৫% খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করেছিল। কিন্তু উনি দাবী করেছেন উনারা চার গুন খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করেছে।

    খাদ্য দ্রব্য নিয়ে শেখ হাসিনার আরও সুনিপুন বক্তব্য:
    “দেশের অবস্থা কী? খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত আছে? ২০০১ সালে যে মোটা চাল মাত্র দশ টাকা ছিল (আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে), সেই চাল ২০০৮ সালে ৪০/৪৫ টাকা দাম হয়েছিল, তা কমিয়ে ১৮ টাকায় আনা হয়। কৃষকের খরচ পোষানো হয়। প্রতি কেজি চাল ৩২-৩৪ টাকায় ঢাকার বাজারে এবং ঢাকার বাইরে ২৬/২৭ টাকায়ও পাওয়া যায়। সরকার ৪০-৫২ টাকায় বিদেশ থেকে চাল কিনে এনে মাত্র ২৪ টাকায় খোলা বাজারে বিক্রি করছে। ফেয়ার প্রাইস কার্ড, রেশন কার্ড, ভিজিএফ, ভিজিডিসহ বিভিন্ন উপায়ে খাদ্য নিরাপত্তা দিচ্ছে। না খেয়ে কেউ কষ্ট পাচ্ছে না। ৩৬ টাকায় বিক্রি হওয়া আটা ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।”

    ২০০১ সালে বাজারে ১৩-১৪ টাকা কেজির নিচে চাল পাওয়া যেত না। বিএনপি ক্ষমতা ছাড়ার সময় তা ১৭-১৮ টাকা কেজি ছিল। আওয়ামীরা ক্ষমতা নেবার সময় ছিল ২২ টাকা। স্বয়ং মুহিত বলেছিলেন সিন্ডিকেট ভেঙ্গে গেছে তাই চালের দাম কমে ২২ টাকা হয়েছে। কিন্তু এখন কেন তারা বাজারে ৫০ টাকা কেজিতে চাল বিক্রি করছে? ওসিম এর মাধ্যমে ২৪ টাকা কেজিতে চাল বিক্রি করছে যা পাওয়া দুষ্কর।

    Reply
  66. সজল

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ভালোর কোন শেষ নাই। আওয়ামী লীগ আমলে দেশের অনেক বেশি উন্নতি হয় এটা সত্য কথা, কিন্তু এমন অবস্থায় যায় না যে তাতে করে তৃপ্তির ঢেকুর তোলা যাবে। সুতরাং আপনি ভাল কাজ করছেন করে যান, কারো প্রশংসা পাওয়ার আশায় কেউ ভাল কাজ করে না। সুতরাং আপনিও কে কী বলল তার দিকে মনোনিবেশ করবেন না আশা করি।
    সত্যি বলতে কি, টকশো-ওয়ালাদের আমার মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে আপনার আসনে বসিয়ে দিতে। কারণ তারাই একমাত্র জানে এই দেশ কী করে ঠিক মত চালাতে হয়। তারা সবাই সব জান্তা শমসের।

    Reply
  67. Kazi Din Muhammed Bakul

    ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আপনার লেখার মান আমাকে মুগ্ধ করছে। যদিও আপনার লেখাটি একপেশে, তবুও এর অধিকাংশই সমর্থনযোগ্য। আমার মনে হয় দুটো ব্যাপারে আপনার সরকারের আরও নজর দেয়া দরকার, আইন শৃংখলা আর ছাত্রলীগ। খুবই হতাশ লাগছে ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে আপনার অবস্থান দেখে। আপনার লেখার কারণে আপনাকে অনেক কাছের মনে হচ্ছে। আশা করি আজীবন আপনি আমাদের কাছের মানুষ থাকবেন।

    Reply
  68. shafi mohaimen

    প্রিয় নেত্রি
    আপনার লেখা পড়ে অসম্ভব ভাল লাগলো। আপনার সাথে অন্যদের তফাতটা আবার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন।
    আমাদের খারাপ লাগে তখনি যখন চিন্তা করি কেন আওয়ামী লীগের মত আর ১টা দল নাই? তাহলে বোধ হয় আমাদের দেশটাকে এগিয়ে নেয়ার জন্য ২১বছর ,৭ বছর অপেক্ষা করতে হতো না।
    আমরা নুতন প্রজন্ম আপনাকে দেখেছি আর অন্য সরকার প্রধানও দেখেছি; আকাশ পাতাল তফাৎ।

    Reply
  69. সানি

    সময়োপযোগী লেখা। আপনার মত এত স্পষ্ট করে সত্য কথা কেউ বলে না। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

    Reply
  70. rased mehdi

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,জনগণের কাছে সরাসরি নিজেকে এভাবে উপস্থাপন সত্যিই প্রশংসার। নতুন একটা ধারা তৈরি হল দেশে। আপনি এর আগেও নতুন কিছু দিয়েছেন দেশের মানুষকে। আপনার লেখা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। কিন্তু সবিনয়ে বলতে চাই, সব বুদ্ধিজীবী আর সাংবাদিক এক নন। ২০০১ সালের নির্বাচনের পর বিএনপি-জামায়াত সরকারের তাণ্ডবের সেই ভয়ংকর দিনগুলোতে আমরা সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়েই রামশীল, কোটালিপাড়া, কোদালদহ,আগৈলঝড়া এলাকা ঘুরে সেই বিভিষীকা তুলে এনেছিলাম। শেফালী রাণীর অভিজ্ঞতা আমাদের মত সংবাদকর্মীদের কলমেই উঠে এসেছিল। বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিকরা জীবনের ঝূঁকি নিয়েই সেদিন পূর্ণিমার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। হোটেল অবকাশে পূর্ণিমাকে নিয়ে প্রথম সংবাদ সম্মেলন সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবীরাই করেছিলেন বিএনপি-জামায়াত সরকারের রক্ষচক্ষু, নির্যাতনের ভয় উপক্ষো করে। নাসিরউদ্দিন পিন্টুর সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লিখতে গিয়ে আমার মত একাধিক সংবাদ কর্মী হয়রানিমূলক মামলার শিকার হয়েছেন। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ও অনেক বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক আতংক, ভয় আর নির্যাতনের বিরুদ্ধে সাহসী কন্ঠে প্রতিবাদ করেছেন। আপনাকে, আপনার সরকারকে কেউ কেউ ভুলভাবে সমালোচনা করছে, এটা সত্য, কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এদেশে বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিকরা স্বাধীনতা সংগ্রামে, মুক্তিযুদ্ধে, গণতন্ত্রের সংগ্রামে জীবন দিয়েছেন, শহীদ হয়েছেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে এখনও অনেকে নিবেদিত আছেন সততার সাথেই, এই কথাটুকু দয়া করে ভুলে যাবেন না মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,এটা আমার মত অতি ক্ষুদ্র সংবাদকর্মীর বিনীত অনুরোধ। আপনার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু কামনা করি। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে,একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের সাহসী উদ্যেগ এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ উপহার দেওয়ার সংগ্রামে আপনি সফল হোন, আপনার সফলতার দিকেই আমরা সবাই তাকিয়ে আছি। কারন যত সমালোচনাই থাকুক, বাংলাদেশে উন্নতি, প্রগতি এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে আওয়ামীলীগ সরকারের বিকল্প নেই, এটাই সত্য।
    রাশেদ মেহেদী, সিনিয়র রিপোর্টার, দৈনিক সমকাল

    Reply
  71. shanti

    সমালোচনা ভাল জিনিস, সংসদ আকার্যকর তাই টিভি-মিডিয়া সেই কাজ করছে তাতে খারাপ কোথায়?

    Reply
  72. Zaman

    আমি কোন কিছু বলতে বা লিখতে দ্বিধা বোধ করছি । কারন, এখানে শুধু ভাল মন্তব্য গুলোই রাখা হচ্ছে বলে মনে করি । যা হোক, উদ্যোগটা প্রশংসনীয় । আমাদের প্রধানমন্ত্রী মহোদয়া’র প্রতিটা কথার একটা জবাব আছে এবং সেটা সহ্য করার মানসিকতার মধ্যে দেশের কল্যাণ নিহিত ।

    Reply
  73. সৌমিক

    সবসময় যা বলেন এখনও তাই বললেন। নতুন কিছু পেলাম না। তবু লেখা শুরু করার স্মার্ট সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই।
    গ্যাসচুক্তির মত বিষয়গুলি নিয়ে সবাইকে অস্পষ্টতার মধ্যে না রেখে খোলাসা করে জানিয়ে দিলেই তো আপনার ভাষায় এই ‘দেশবিরোধী’রা প্রপাগান্ডা ছড়াতে পারেনা।

    Reply
  74. Khalid Hossain

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয় প্রথমেই আপনাকে ধন্যবাদ জানাই সুন্দর লেখার জন্য। আপনি আপনার কাজের সফলতা তুলে ধরেছেন, যদিও ছোটখাটো ব্যর্থতা রয়েছে। আপনি আইন শৃঙ্খলার কথা বলেছেন এক্ষেত্রে একটু দ্বিমত পোষণ করছি। আমি বলছি না যে আইন শৃঙ্খলা ভাল নেই বা আগের তুলনায় ভাল আছে কি না সে পরিসংখ্যান আমার জানা নেই। কিন্তু আমি আপনার চাটুকারদের মত বলবো না যে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুব ভাল আছে। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতা যে রয়েছে এ ব্যাপারে আমার মনে হয় অনেকেই আমার সাথে একমত হবেন। তাই অনুরোধ কিছু একটা করুন। আমাদের অনেক ভরসা আপনার উপরে, আর তাই আমার বিশ্বাস সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিবেন। আর সঠিক সিদ্ধান্ত নিলে ইনশ’আল্লাহ আপনিই আবার প্রধানমন্ত্রী হবেন, এই প্রত্যাশায় …………।।

    Reply
  75. shopno

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার লেখার প্রতিক্রিয়া জানাতে পারছি এটাই আমার জন্য অনেক বড় একটা ব্যাপার …. কিন্তু আপনার সব কথার সাথে একমত পোষণ করতে পারলাম না বলে আমি দুঃখিত। কেননা যে আশা নিয়ে আমরা ভোট দিয়েছিলাম তা আসলেই আপনার সরকার এখন পর্যন্ত অর্জন করতে সক্ষম হয়নি। তবে শুভ কমনা রইল আপনার সরকারের জন্য ।

    Reply
  76. সিরাজুল হোসেন

    এক দেশে ছিল এক বিশাল নদী, নদীর চরে বাস করত মানুষ, আর তার পাড়ে ছিল এক ঘন জঙ্গল। মাঝে মাঝে জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আসত বাঘ, ভয়ে মানুষ নদীতে দিত ঝাপ, কিন্তু সেখানে কুমীর, হাঙ্গর। মানুষের যখন কোনই উপায় নাই তখনই দেখা দিল এক নৌকা। সবাই নৌকায় উঠে হাঁফ ছেড়ে বাঁচল, প্রাণ ফিরে পেল। বামপন্থী, ডানপন্থী, ব্যাবসায়ী, বুদ্ধিজীবি, মোল্লা পুরুত সবাই।

    কিছুদিন সুখে থাকতেই সবাই ভুলে গেল বাঘ আর কুমীরের কথা। উসখুস করা শুরু করল কিছু মানুষ; অভিযোগ, নৌকা ছোট, দৌড়ানো যায়না, নৌকা দোলে, রং কালো, নৌকায় স্বাধীনতা নাই, নৌকায় মশা ইত্যাদি ইত্যাদি। হাঙ্গরের দাঁতের চেয়ে মশার হুল তাদের কাছে বেশি অসহ্য মনে হতে লাগল। সমালোচনায় মুখর হয়ে উঠলো নৌকাখানি, উল্টে দিল তারা। ফিরে গেল তারা সেই চরে, কিন্তু এই কি শেষ?

    যতদিন সেই বাঘ, হাঙ্গর কুমির মানুষের বসতির চেয়ে অনেক দুরে না চলে যাচ্ছে, ততদিন নৌকায় মানুষকে উঠতেই হবে। ঐ সব সমালোচনাকারীর দল থাকবেই। শুধু মানুষকে বুঝতে হবে কার কথা শুনতে হবে আর কার কথা নয়। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ এখনও শেষ হয়ে যায় নি, ঐ হাঙ্গর কুমির এখনও সুযোগের অপেক্ষায়। তাই নৌকাই ভরসা।

    Reply
  77. shamrat

    ভালো লাগলো। এটা এক ধরনের জবাবদিহিতা যেটা আমাদের মধ্যে নেই। দেশের জন্য আরো একটু ভাবতে অনুরোধ করি।

    Reply
  78. salim

    ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে তার সময়োপযোগী লেখার জন্য। আসলে আমাদের নেতানেত্রীদের জন্য দেশবাসীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা ছিল, আছে ও থাকবে। তথাকথিত ১/১১ই তার প্রমাণ। দুই নেত্রীর প্রতি জনগণের অঢেল ভালবাসার কারণেই ১/১১’র সরকার তাদের আটকে রাখতে পারেনি। বিডি নিউজকেও ধন্যবাদ- মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর লেখায় মন্তব্য করার সুযোগ করে দেয়ার জন্য।
    মুল কথা হচ্ছে- প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতি সবারই সাপোর্ট আছে। সেই সঙ্গে গঠনমূলক সমালোচনাও করা যেতে পারে। উপরোক্ত মন্তব্যকারীদের কেউই তোষামোদ ছাড়া সমালোচনা করেন নি। তোষামোদের কারণেই কিন্তু আমাদের নেতা-নেত্রীরা দেশ ও জনগণের বাস্তব চিত্রটা বুঝতে সক্ষম হন না। সরকার নিঃসন্দেহে অনেক ভাল কাজ করছে। ভাল কাজ হাজারটা করলেও তার জন্য প্রসংশা পাওয়া যায় না। কারণ জনগণের কল্যাণে কাজ করাই হচ্ছে সরকারের মূল দায়িত্ব। এ কারণেই একটা নেতিবাচক কাজ করলেই তার জন্য হাজার সমালোচনা শুনতে হয়। বঙ্গবন্ধু তোষামোদ পছন্দ করতেন না। এ কারণেই তিনি বলতে পারছিলেন- আমার চারদিকে চোর। চাটারদল সব খেয়ে ফেলে। এগুলো এখন প্রবাদ হয়ে আছে। বর্তমানেও এ ধরনের তোষামোদকারী ও চাটার দল থাকতে পারে। তা নাহলে- ডিজিটাল সময়ের নামে ঘড়ির কাটা এক ঘন্টা এগিয়ে নেয়া আবার তা কমানো। দেশে বেশ কয়েকটি বিমানবন্দর থাকার পরও আড়িয়ল বিলে নতুন করে আরেকটি বিমানবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হতো না। এগুলো সরকারের ইমেজ কিছুটা হলেও ক্ষুন্ন করেছে। প্রতি পরিবারে একজনকে চাকরি দেয়ার নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণে সরকার এখনো অগ্রসর হতে পারছে না। এসব বিষয়ে সরকারের সাফল্য এখনো লক্ষ্য করা যায় নি। দ্রব্যমুল্য বাড়ছে। জনগণ এই বিষয়গুলো নিয়েই বেশি আলোচনা করছে। আশা করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এসব বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন।

    Reply
  79. Huq

    ঢাকা শহরটা ফাকা হবে কবে? বাংলাদেশের আধিকাংশ মানুষ ঢাকায় কেন? যাতায়ত ব্যবস্তার কোন উন্নতি নাই কেন? সরকার কেন বাজার ও বাড়িভাড়া নি্য়ন্ত্রন করতে পারছে না? স্বাস্হ্য ব্যবস্হা উন্নতি নেই এবং ব্যায়বহুল। আমার মতো চাকুরিজীবী সাধারণ মানু্যের জীবনে আজ শুধুই হতাশা। মনে হয় মুক্তিযোদ্বাদের যুদ্ব শেষ সেই আমার জন্মের আগে ১৯৭১-এ, আর আমার মত সাধারণ মানু্যের যুদ্ব চলে প্রতিদিন। আমাদের বাংলা বড়ই অভাগা। মমতার মতো একজন নেতা আবশ্যক। ভাল থাকুন। আল্লাহ হাফিজ।

    Reply
  80. Najmul-Kyoto University

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার লেখার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

    আমাদের সাধারণ জনগনের পক্ষ থেকে কয়েকটা দাবীঃ
    ১)ছাত্র রাজনীতির নামে ছাত্র কেডারনীতি বন্ধ করা দরকার।
    ২)উচ্চশিক্ষিত, দেশপ্রেমিক ও যোগ্যতম ব্যক্তিদের মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব প্রদান করা দরকার।
    ৩)পেশাজীবিদের দলীয় রাজনীতি বন্ধ করা দরকার।
    ৪)বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের পরামর্শে সেকটর ওয়াইজ দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্প্পনা গ্রহণ করা দরকার।
    ৫)দলীয় সকল স্তরে গনতান্রিক পন্থায় নেতা-কর্মী নির্বাচিত করা দরকার।

    যদিও কাজগুলো সকল রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য কঠিন তবুও বঙ্গবন্ধুর কন্যা হিসেবে আপনিই পারেন এই তথাকথিত অন্ধকার রাজনীতির নিশ্পেষন হতে দরিদ্র জনগনকে রক্ষা করতে।
    আল্লাহ আপনার সহায় হোন।

    Reply
  81. Md. Rashedur Rahman

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
    আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ একটি সুন্দর ও চমৎকার লেখার জন্য। এই লেখা থেকেই প্রমাণিত হয় যে আপনি আসলেই জনগনের নেত্রী। আপনার মনে জনগনের জন্য ভাল কিছু করার ইচ্ছা আছে ও সেই অনুযায়ী আপনি কাজ করে যাচ্ছেন।
    আমরা চাইব সামনে আপনি এই ধরনের লেখা আরো লিখবেন। তাতে করে আমরা আপনার উপলব্ধিটা বুঝতে পারব।
    ইন্টারনেটের এই সুযোগ নিয়ে আপনাকে একটা অনুরোধ করতে চাই, তা হলো- ছাত্র রাজনীতির বিষয়টা একটু ভেবে দেখবেন। আপনি দেখবেন মহান স্বাধীনতার আগে ও পরে ছাত্র রাজনীতির যে মূলনীতি ও আদর্শ ছিল এখনকার ছাত্রনেতারা সেটা থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। আশা করি আপনি বিষয়টা অনুধাবন করতে পারবেন।
    আপনাকে আবারো অনেক ধন্যবাদ।
    -রাশেদুর
    ফরিদপুর

    Reply
  82. Kawsarul Islam

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

    আপনাকে স্বাগতম । আমরা জনগন আপনাদের কাছ থেকে এইটুকু প্রত্যাশা করি। আরো খুশি হব যদি ফেইসবুকে বা অন্য কোন মাধ্যমে জনগনের মতামত জানার এবং আপনার বর্তমান ও ভবিষ্যত কর্মসুচীগুলো জানানোর সুযোগ করে দেন। তথাকথিত বুদ্ধিজীবিদের নিয়ে আপনি যে মন্তব্য করেছেন তা নিয়ে দ্বিমত পোষন করছি না। ওনারা আছেন বলেই হয়তো আমাদের আজকে এই অবস্থা। আমাদের বুদ্ধিজীবীরা নিজেকে নিরপেক্ষ রেখে বুদ্ধির চর্চা করতে পারেন না। উনারা সুবিধাবাদীদের দলে অর্ন্তভুক্ত হয়ে গিয়েছেন।
    আপনার লেখা প্রানবন্ত এবং খোলামেলা । খুবই ভালো লেগেছে। আইন শৃংখলা, কৃষি ও বিদ্যুৎখাতে আপনার সাফল্য আকাশচুম্বি। যে সাফল্যের ধারে কাছে অন্য কোন রাজনৈতিক দল যেতে পারবে না। কারণ আমরা জানি যে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে নতুন কোন বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বসানোর উদ্যেগ নেয়া হয়নি। যা বিগত বিএনপি সরকারের চরম ব্যর্থতার মধ্যে প্রধানতম।
    বিগত বিএনপি সরকারের সময় বোমা হামলার ভয়ে কোন জায়গায় যেতে ভয় করত।
    তবে এত সাফল্যের পাশাপাশি আমরা চাই দ্রব্যমুল্য নিয়ন্ত্রন। যা এখনো পর্যন্ত অনিয়ন্ত্রিত অবস্থায় রয়েছে। আশা করি আপনি এই ব্যাপারে ব্যবস্থা নিবেন। পাশাপাশি শেয়ারবাজারের পতন ঠেকিয়ে একটা স্থিতিশীল অবস্থায় নিয়ে যাবেন। কারণ এই বাজারে কমপক্ষে দশলক্ষ বিও একাউন্টের সাথে এককোটি মানুষ জড়িত। যাদেরকে ফটকাবাজী ব্যবসায়ী বলে উড়িয়ে দেয়াটা কোনভাবেই ঠিক হবে না।
    আমরা সাধারণ জনগন পুর্বের যে কোন সময়ের চাইতে অনেক সচেতন। তাই তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরাও আর আমাদের প্রভাবিত করতে পারে না। পূর্বের অসহযোগ আন্দোলন ও হরতালের সাথে গত কয়েকদিন পূর্বের ৩৬ ঘন্টার হরতালের তুলনা করলেই তা বুঝা যাবে। আমরা বেশিরভাগ জনগনই তা প্রত্যাখান করেছি।

    Reply
  83. আজাদী

    আসসালামুআলাইকুম।
    ধন্যবাদ মাননীয় প্র্রধানমন্ত্রী। আপনার লেখা পেয়ে আমরা আপনার মনের ভিতরের কথাটা জানলাম। এভাবে লিখলে আমরা আশান্বিত হই।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি আসলে খুব বেশী ভদ্র ভাষা ব্যবহার করেছেন তথা কথিক বুদ্ধিজীবিদের বিপরীতে।

    যাক আসলে ওরা আপনার কিছুই ক্ষতি করতে পারবেনা। কারণ সাধারণ জনতা ওদের কথা শোনে না, বা শোনার সময়ও নেই। কিন্তু আপনারা কী করেন, কী জনগনকে দিয়েছেন তা কিন্তু সাধারণ জনতা ঠিকই হিসাব রাখছে। তাই আপনার কাছে আমার বিশেষ অনুরোধ:

    ১। তত্তাবধায়ক ইস্যুটি বিরোধীদলের হাতিয়ার যেন না হয় এবং জনগন যেন ভোগান্তির শিকার না হয় সেটা দেখুন। কোন পদ্ধতিতে আপনরা ক্ষমতার পালাবদল করবেন, এতে সাধারণ জনতার তেমন কোন আগ্রহ নেই। তারা চায়, থাকা, খাওয়া, নিরাপত্তা ও স্বচ্ছল জীবন-যাপনের গ্যারান্টি।

    ২। দেশের প্রধান সমস্যা দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি, পারলে শক্ত হাতে একে প্রতিহত করুন, জনগন বড়ই খুশি হবে, শান্তি পাবে। মনে রাখবেন ব্যবসায়ীরা ১০ জন কিন্তু জনগন কোটি কোটি, এখন আপনিই ভেবে দেখুন কোন পক্ষ নেবেন।

    ৩। আপনার মন্ত্রী ও এমপিরা বেশী অ-প্রয়োজনীয় কথায় ওস্তাদ; তাদের সামলান, জনগন তাদের উপড় বড়ই বিরক্ত।

    ৪। দেশে, বিশেষ করে সংবিধান ও বিভিন্ন খনিজ সম্পদ আহরন-সংক্রান্ত চুক্তিতে সাধারণ জনগনের সরাসরি অংশগ্রহনের ব্যবস্থা করুন, এতে আপনার ও দলের গ্রহনযোগ্যতা বাড়বে বৈ কমবে না।

    পরিশেষে আবারও আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়ে শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ।

    Reply
  84. মিথুন

    আমার নাম মিথুন। আমি কমলাপুর এর অধিবাসী। আমি অনেক আশা করেছিলাম যে আওয়ামী লীগ এইবার দেশের জন্য কিছু করবে। কিন্তু কোন ফলাফল পেলাম না।আমি ছাত্র তাই রাজনীতি বুঝতে চাই না। কারন বাংলাদেশের রাজনীতি এখন এমন হয়েছে যে বলতেও লজ্জা লাগে। আমি এই সরকারের কাছে কিছু চাইলে পাব কি না তা জানি না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেহেতু মতামত প্রকাশের এই জায়গাটি করে দিয়েছেন তাই আমার দুঃখ প্রকাশ করলাম আপনার কাছে। “একটি দেশ চালাতে অনেক কষ্ট হয় সেটা আমি জানি কিন্তু চেষ্টা করলে পারা যাবে। আমার কিছু আবেদন:
    ১।ইন্টারনেট ৪০০ টাকা/১মেগা বাইট পার সেকেন্ড।
    ২।বাংলাদেশের বাঙ্কিং সুবিধা আর বারান(টাকা ট্রান্সফার অনলাইনে করার সকল সুবিধা)
    ৩।আমরা যারা অনলাইনে ব্যবসা করি তাদের জন্য বাঙ্কিং এবং ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংকিং-এর সকল সুবিধা খুবি কম খরচে করে দেন।
    ৪।বাংলাদেশ http://www.paypal.com(প্যাপাল অ্যাকাউন্ট) -এর সুবিধা করে দেন।
    আশা করি নিরাশ করবেন না।

    Reply
  85. মোহাম্মদ রাসেল

    আস-সালামু আলাইকুম,
    সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তা’লার যিনি জগতসমুহের প্রতিপালক।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,আমার খুব ভালো লাগছে প্রযুক্তির প্রতি আপনার ভালবাসা দেখে। এটা আমাদের মত প্রযুক্তিপ্রেমী মানুষদের জন্য অনেক বড় একটা পাওয়া যে দেশের প্রধানমন্ত্রী ইন্টারনেটের মাধ্যমে তার মতামত জনসাধারণের কাছে তুলে ধরছেন। অনেক অনেক খুশি হব,আমাদের মতো সাধারণ জনগণের যদি প্রধানমন্ত্রী’র সাথে নিয়মিত মতামতের আদান-প্রদান করা যায়। শুধু প্রধানমন্ত্রী’ই নন বরং সরকারের অন্যন্য মন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেত্রী, নেতারা যদি জনগনের সাথে নিয়মিত মতামতের আদান-প্রদানের ব্যবস্থা থাকতো তাহলে ইন্টারনেটেই প্রতিষ্ঠিত হতো “জনতার পার্লামেন্ট” জনগন তাদের মতামত,দাবী,সমস্যা সবকিছু তুলে ধরতে পারতেন।

    আল্লাহ তা’লা আপনাকে জনসাধারণের কাছাকাছি আসার তওফিক দান করুন,দীন ইসলামের খিদমত করার তওফিক দান করুন।আমিন।

    Reply
  86. Zahed Hasan Saimon

    আমরা সত্যি অভিভূত। দারুন লিখা এবং উপভোগ্য। স্পষ্টভাবে নিজের অবস্হান ব্যাখ্যা করার,এবং একই সাথে সাধারণ জনগনের প্রতিক্রিয়া জানানোর সুয়োগ করে দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। সব লিখারই পক্ষে-বিপক্ষে মতামত থাকতেই পারে, আমি সেই দিকে যাব না। একজন প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি জনসাধারণের নিকট তার অনুভুতি প্রকাশ করার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। আশা করছি অব্যাহত থাকবে এই ধারা।

    Reply
  87. প্রবাল

    ধন্যবাদ এভাবে আমাদেরকে আপনার কথা জানানোর জন্য! আশা করি এভাবে আপনার লেখা নিয়মিতই পাব!

    Reply
  88. সাইদ

    ছাত্রলীগ সামলাতে না পারলে কোন ভাল কাজ আর ভাল থাকবে না।

    Reply
  89. সাঈদ, রিয়াদ, সৌদি আরব

    ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
    আপনার লেখাটি পড়ে খুব ভাল লাগল এবং আমি আপনার লেখার সাথে একমত। আমার বিশ্বাস আপনি অন্যের কথায় চলেন না। আপনি যদি ঠিক থাকেন “আরো ভালোর” দলেরা কিছুই করতে পারবে না। কারণ তারা জনগনের সাথে সম্পৃক্ত না।
    বিনয়ের সাথে একটি কথা বলতে চাই। আমরা যারা মধ্যপ্রাচ্যে আছি বিশেষ করে সৌদি আরবে তাদের জন্য যদি একটু খেয়াল(ডিটেইলস) করেন।

    আপনার কাছ থেকে আরো লেখা আশা করি যেটা দ্বারা নেতিবাচক সমালোচকদের জবাব দেয়া যায়।
    অনেক ধন্যবাদ।

    Reply
  90. Md. Sohidul Islam

    ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
    আপনার লেখা খুব ভাল লেগেছে, ইন্টারনেট ভূবনে আপনার আগমনকে স্বাগত জানাই। আশা করি আপনি ভবিষ্যতেও দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে আপনার মতামত জনগনের সাথে শেয়ার করবেন। আপনার লেখার প্রতিক্রিয়া (মন্তব্য) দেখেই আপনি সাধারণ মানুষের মনের কথা নিজেই বুঝতে পারবেন। আপনাকে আর চাটুকারদের উপর নির্ভর করতে হবে না। এতে আপনি নিজে, দেশ ও জনগন সকল পক্ষই উপকৃত হবে। তবে উল্লেখিত বুদ্ধিজীবীগণ একতরফা আপনার সরকারের সমালোচনা করলেও তাদের সমালোচনার মধ্যে কিন্ত সত্যতা আছে। হয়ত আপনার সমালোচনা করা নিরাপদ বলেই তারা করতে পারে। হয়ত অন্যের বেলায় তারা সমালোচনা করা নিরাপদ মনে করে না। আশা করি আপনার ইন্টারনেটে লেখা ও জনগনের সরাসরি প্রতিক্রিয়া জানানোর এই সুযোগ অব্যাহত রাখবেন।

    Reply
  91. Mohammad Mamun Mia

    দেশে যে গণতন্ত্র অব্যাহত রয়েছে, আজকের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার বাড়বাড়ন্ত দেখলেই তা বোঝা যায়। আপনার বিরুদ্ধে যে আপনার বিরোধীরা কথা বলতে পারছে, সেই কৃতিত্বও কিন্তু আপনারই। এটাই সুস্থ গণতন্ত্রের লক্ষণ। আপনাকে ধন্যবাদ এজন্য যে, আপনি সমালোচনাকারীদের জবাব দেবার জন্য কলম হাতে তুলে নিয়েছেন, তাদের পেছনে ডিজিএফআই লেলিয়ে দেননি। এভাবেই দেশ এগিয়ে যাবে উন্নতির পথে। আহমদ ছফা আওয়ামী লীগ সম্পর্কে বলেছেন,” আওয়ামী লীগ লাভবান হলে লাভবান হয় এর কতিপয় নেতা, আর আওয়ামী লীগ ক্ষতিগ্রস্ত হলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় পুরো দেশ।” তাঁর কথার প্রথম অংশটি ভুল প্রমাণ করার দায়িত্ব আপনার। আওয়ামী লীগ লাভবান হলে যেন পুরো দেশই লাভবান হয়। মনে রাখতে হবে, আপনার ব্যর্থ হওয়ার সুযোগ নেই, আপনাকে সফল এবং সার্থক হতেই হবে।

    Reply
  92. মারুফ

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ,এবার সত্যিই গর্ব করে বলতে পারব যে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের দিকে ভালোভাবেই এগিয়ে যাচ্ছি । আমাদের প্রধানমন্ত্রীও এখন একজন লেখক । অনুরোধ থাকলো গঠনমূলক সমালোচনার কন্ঠ রোধ করবেন না । ধন্যবাদ আপনাকে ।

    Reply
  93. Sumon Corraya

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
    ধন্যবাদ আপনার সুন্দর জবাব দেয়ার জন্য। সুবিধাবাদীরা সব সময়ই সুবিধা নেওয়ার ধান্দায় থাকে।
    আপনি সত্যি বলেছেন, জোট সরকারের আমলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় শান্তিতে থাকতে পারে নাই। এখন যথেষ্ট ভালো আছি। আপনার কাছে অনুরোধ, সরকারী চাকুরীসহ জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে সংখ্যালঘুদের আরো বেশি সুযোগ দিন। আমরা বঞ্চিত হতে চাই না। দেশ সব ধর্মের মানুষ মিলেই স্বাধীন করেছে। তাই সবাইকে সমান সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করি।
    শেষে, আপনার নিয়মিত আরো লেখা পড়তে চাই। এটা অনুরোধ।

    সুমন কোড়াইয়া, মনিপুড়ি পাড়া, ঢাকা

    Reply
  94. পারু

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সালাম ও শুভেচ্ছা রইল। ডিজিটাল বাংলাদেশের অভিযাত্রায় এই প্রথম দেশের প্রধানমন্ত্রীর লেখার উপর সরাসরি কোন মন্তব্য করতে পারছি বলে ভীষণ ভাল লাগছে।
    দ্রব্যমূল্য ও ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণ চাই।

    Reply
  95. সৈকত আরেফিন

    রাজনৈতিক নেতাদের এ ধরনের লেখালেখি বাংলাদেশের রাজনীতির মানকেই বাড়াবে বলে মনে হয়।
    শেখ হাসিনার এই লেখাটি উৎসাহব্যঞ্জক; মনে হয়, সরকারের যে সমালোচনাগুলো মিডিয়ায় হয়, এগুলো সরকারের প্রধানমন্ত্রী দেখেন, অন্তত তোষামুদেদের কাটিংস দেখেন না। সাধু।
    প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।

    Reply
  96. feyagullah

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ধন্যবাদ ভালো থাকুন, নিরাপদে থাকুন।
    আল্লাহ আপনার সহায় হোন।

    Reply
  97. saiful islam

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আশা করি আপনার এ ধরনের লেখা আরো পাঠকের মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক। আল্লাহ আপনার সহায়ক হোক।

    Reply
  98. বাংলার ছেলে

    আপনার লেখা পড়ে মনে হলো দেশে কোন দুর্নীতি নাই। এ দেশের ৯০% রাজনীতিবিদ দুর্নীতির সাথে যুক্ত। এখন আবার বলবেন না যে তারা সবাই BNP + রাজাকারের দলের লোক । আপনার দলের মধ্যেও দুর্নীতিবাজ আছে । আমি একজন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র,আমরা অনেক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। কেন এ দেশে ভাল স্কুল/কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয় বানান না?
    আর একটা কথা আপনি কঠোর হন,নিজের দল থেকে দুর্নীতিকে আগে সরান । আমরা আপনার পাশে আছি । আর আপনাকে এ দেশের মানুষ ভালবাসে কারণ তারা আপনার বাবাকে ভালোবাসতো । তার মত নেতা হবার চেষ্টা করুন ।

    Reply
  99. আবু রায়হান

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, প্রথমেই আপনাকে সাধুবাদ জনগণের কাছাকাছি আসার এই প্রয়াসের জন্য। ক্ষমতা হাতে পেলেই অনেক নেতা নেত্রী যেন ঈদের চাঁদ হয়ে যায়, জনগনের সামনে দাঁড়াতে যেন তারা ভয় পায়। যাই হোক, আপনার লেখাটা পড়ে খুবই ভাল লাগলো। বর্তমান সরকারের বেশ কিছু ইতিবাচক বিষয় আপনি তুলে ধরেছেন। একথা সত্যি যে দেশ চালানো বলাটা যত সহজ, দেশ চালানো ততটাই কঠিন। বর্তমান সরকার এদেশে যেমন অনেক ভাল কাজ করছে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে এ সরকারের ব্যর্থতাও স্বীকার করতে হবে, আর সেটাই একজন সফল দেশনেতার বৈশিষ্ট্য। আপনি দাবী করেছেন যে দেশের আইন শৃংখলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে ভাল। একথাটা মেনে নিতে পারলাম না। আপনি মানুন আর না-ই মানুন, দেশের আইন শৃংখলা পরিস্থিতির যথেষ্ঠ অবনতি হয়েছে। দেশের গ্যাস ও পানির সংকট এখন চরমে। ঢাকা শহর আজ বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে অথচ সরকারের তেমন কোন পদক্ষেপ দেখতে পাচ্ছি না। বরং ব্যক্তিগত ক্ষোভ মেটাতেই সরকার বেশি মনোযোগী মনে হচ্ছে। দু’টি বড় দলের কাছে শুধু একটাই অনুরোধ- দেশপ্রেম আর ক্ষমতাপ্রেমের দ্বন্দ্বে দেশপ্রেমকেই জয়ী করুন। যতদিন ক্ষমতাপ্রেমের জয় হবে ততদিন যতকিছুই করুন না কেন, সবই বৃথা।

    Reply
  100. আমিয়

    এই ধরনের একটা লেখার খুব দরকার ছিল। এই লেখার আরও বেশী সাফল্য পাবে যদি বিরোধী দলীয় নেত্রী স্বয়ং এতে কমেন্ট করে।

    Reply
  101. সায়েম চৌধুরী

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার কাছে আমরা কম কম আশা করেছিলাম, তাও করব না। আমরা জানি আপনার চেয়ে বড় দেশপ্রেমিক আর নেই। আপনি এই দেশকে সর্বাত্মকভাবে রক্ষা করে চলছেন। আপনাকে ধন্যবাদ জনতার সাথে এভাবে সম্পৃক্ত থাকার জন্য ।

    Reply
  102. M Dinar

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমাদের মতো সাধারণদের মাঝে আসার জন্য অভিনন্দন। আপনার কথাগুলোর বিপক্ষে যুক্তি দেখাতে যাচ্ছি না। তারপরেও বলছি নাম পরিবর্তনের যে জোয়ার বয়েছে তার পিছনে ব্যয়কৃত টাকাগুলো দিয়ে বাংলার দরিদ্রদের আবাসন গড়ে দিলে দেশ অনেক উপকৃত হতো। নিশ্চই নাম পরিবর্তনের টাকাগুলো কারো ব্যাক্তিগত নয়। যেহেতু সেগুলো জনগনের জন্যই, আমরা তার সঠিক ব্যবহার আশা করতেই পারি।। ধন্যবাদ আপনাকে।

    Reply
  103. তাফসীর

    পড়ে ভাল লাগল ভীষণ। তবে আমি বলতে চাই, আমরা কাদা ছোঁড়াছুড়ি করে অভ্যস্ত চিরকাল। এই দুঃখজনক অভ্যাসটি আমাদের পরিত্যাগ করা উচিত। একটি উদাহরণের মাধ্যমে আমার মতামত তুলে ধরতে চাই। উন্নত দেশগুলোর এগিয়ে যাওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে, প্রতিটি ক্ষেত্রে গবেষনা এবং ডেভলাপমেন্ট। এর মূলমন্ত্র হচ্ছে, সর্বদা সমস্যা তূলে ধরা এবং সে অনুযায়ী গবেষনা। সমস্যা না থাকলে ম্যানেজার নিয়োগ দেওয়ার দরকার ছিল না। একটি সমস্যার সমাধান করতে গিয়েই কিন্তু নতুন সম্ভাবনা উঁকি দেয়। এটাও ঠিক যে, যে দেশে গুনীর কদর নেই, সে দেশে গুনী জন্মাতে পারে না। তাই আমি মনে করি, যে কোনো এক পক্ষকে কথা সহ্য করে এগিয়ে যেতে হবে।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে সাধুবাদ জানাই। ভাল কাজের প্রশংসা আমরাই করব, আবার সমালোচনাও আমরা করব, কিন্তু আপনাকে এগিয়ে যেতে হবে।

    Reply
  104. albab siddiqi

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দেশের জন্য যা কিছু করছেন সেজন্য ধন্যবাদ । আরও ধন্যবাদ দিচ্ছি এজন্য যে তিনি বোঝেন যে তিনি ও তাঁর দল কী করছে তা জনগন জানতে চায়। তার দেয়া এই বিবরণীর সাথে যদি এও থাকত যে তিনি ও তাঁর সঙ্গীরা কী করতে পারেন নি, কী করতে ব্যর্থ হয়েছেন, কেন করতে পারেন নি, কেন ব্যর্থ হয়েছেন ইত্যাদি। “অমুকে পারেনি, আমি পেরেছি,” এ জাতীয় মানসিকতা থেকে আমাদের উত্তরণ হবে কবে ? বিশ্বনণ্দিত কোন রাজনৈতিক নেতার মুখে আপনারা কি কখনও শুনেছেন “”অমুকে পারেনি, আমি পেরেছি,”???

    Reply
  105. farid

    মাননীয় প্রধান মন্ত্রী,
    আপনাকে ধন্যবাদ যে আপনি সাধারণের কাছাকাছি আসার চেষ্টা করছেন। ভালো কিছু করার ব্যাপারে আপনার আন্তরিকতা নিয়ে আমাদের কোনো সন্দেহ নেই। এখনো অনেকটা সময় হাতে আছে, অগ্রাধিকার ঠিক করে এগিয়ে যান, সফল হওয়াটা কঠিন হবে না।

    Reply
  106. Nurul Amin

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কলাম লিখে সরাসরি জনগনের সাথে মতবিনিময়ের যে ধারা উন্মোচন করলেন তা একটি দৃষ্টান্ত । আমাদের সকলের এতে অংশগ্রহণ করা উচিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।

    Reply
  107. Enam

    আপনার লিখার জন্যে অনেক ধন্যবাদ। আপনার অনেক্গুলো জন্মদিন নাই। শিক্ষা সার্টিফিকেট নিয়ে কোনো জটিলতা নাই। আর এ কারণেই অন্য সবার চাইতে আমাদের আশা অনেক বেশি আপনার কাছে। মানুষের শিক্ষা, চেতনা ও ভাবনা সব কিছুর প্রসার ঘটেছে । বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। এটা পরম ও চরম প্রাপ্তি। কিন্তু মানুষ এখন একটা ভালো জীবন চায়। উন্নত জীবন চায়। তাই বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগের চাইতে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগের কাছে মানুষের চাওয়া অনেকগুন বেশি। আমরা সে আশা নিয়ে বসে আছি।

    Reply
  108. নভেল

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী…
    আপনার লিখাকে সাধুবাদ জানাই সাথে সাথে এও কামনা করি এই অনলাইন জগতে আপনাকে সবসময় পাশে পাব।
    ইন্টারনেট ব্যবহারের খরচ নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি।
    ধন্যবাদ।

    Reply
  109. Sayeeda Sultana

    আপনাকে প্রথমেই সাধুবাদ জানাই লেখার কারণে। এটা এমন একটা মিডিয়া যার ফলে জনগণের অনেক কাছে চলে আসবেন আপনি। তাই অনুরোধ রইল, এই লেখালেখি কন্টিনিঊ করবার।

    Reply
  110. Kaiser Chowdhury

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
    আপনার মনের এই অভিব্যক্তি এই প্রথম দেখতে পেয়ে আমি এবং আমার মত বাংলাদেশের কোটি জনগন অত্যন্ত খুশী হয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে আমি একজন সুইং ভোটার। তাই সবসময় নিরপেক্ষভাবে মন্তব্য করার সুযোগ পাই। বুদ্বিজীবিদের ব্যাপারে আপনার কথাগুলোর সাথে দ্বিমত করার কোন উপায় নেই। সমাজের তথাকথিত বুদ্বিজীবিদের যদি সামান্যতম বিবেক থাকত তবে স্বাধীন বাংলাদেশের গনতন্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে গনতন্ত্রের আদলে সামরিক শাসন জারি করার সময় তারা কোথায় গিয়েছিলেন? স্বাধীন বাংলাদেশে স্বাধীনতা বিরোধীদের গাড়ীতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উড়তে দেখে তারা কোথায় গিয়েছিলেন? স্বাধীনতার অনেক অনেক পরে আমার জম্ম তবুও তাদের গাড়ীতে বাংলাদেশের পতাকা উড়তে দেখে বুকের ভিতর কাঁটার মত খোঁচা দিত। সেদিনের সেই তথাকথিত বুদ্বিজীবিদের সাথে আজকের তরুণদের তফাত উল্লেখ করতে গিয়ে শুধু একটি কথাই বলতে চাই তা হল সেদিন গনতন্ত্রের কন্ঠ রোধ করে “জাগো দল” সফল হতে পেরেছে আর আজকে “জাগো বাংলাদেশ” মুখ থুবড়ে পড়ে বিদায় নিয়েছে।

    বাংলাদেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসাবে আপনার কাছে একটা দাবী হল, মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী ইতিহাস আমাদের কাছে এখনও অস্পষ্ট। তথাকথিত জাতির বিবেকগনের পক্ষপাতমূলক বক্তব্যে আমরা এখনও দ্ধিধাগ্রস্থ। আমি এব্যাপারে যতই জানার চেষ্টা করেছি ততই আরো বেশি প্রশ্নের জালে আবদ্ধ হয়েছি এবং এটাও বুঝতে পেরেছি যে, এই জায়গাটাতে একটি ধুম্রজাল আছে। যার কারণে অনেক রাজনৈতিক দল স্বার্থসিদ্ধি করতে পারছে। তাই আপনি বেঁচে থাকতে এব্যাপারে সমস্ত তথ্য-উপাত্ত জাতির সামনে তুলে ধরবেন এটাই আশা করি। আমরা বর্তমান শিক্ষিত তরুণ সমাজের এব্যাপারে অনেক কিছু জানার আছে।

    Reply
  111. ইমরান

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ এ কলামটির জন্য। তবে আমার মতে লেখাটির আক্রমণাত্মক এবং ব্যাঙ্গাত্মক টোন প্রধানমন্ত্রীর পদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

    Reply
  112. Jamal

    ধন্যবাদ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী লেখার জন্য।
    আমি খুবই খুশি হতাম যদি শেয়ারবাজার কেলেংকারি এবং লাখো মানুষের পুঁজি হারানো নিয়ে কিছু লিখতেন।
    আমাদের এলাকার রাস্তাঘাটের অবস্থা এত খারাপ যে বাসা থেকে বের হতে পারি না, জিনিসপত্রের দাম আকাশ ছোঁয়া। এক হালি ডিম ৩২ টাকা। ছাত্র ও শিক্ষক রাজনীতির কারণে শিক্ষা ব্যাহত হচ্ছে। এসব বিষয়ের সমাধান হবে বলে আশা করি। তবে আইন শৃংখলার উন্নতি হয়েছে, জঙ্গী তৎপড়তা কমেছে। আমরা সাধারণ মানুষ, ভাল থাকার আশা করি না; কোন রকম থাকতে পারলেই বেঁচে যাই।
    যাহোক, আমরা চাই আপনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাক। ভাল থাকবেন।

    Reply
  113. Tanvir Ahmed Khan

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,নিন্দুকেরা কী বললো সেটা ততক্ষণ পর্যন্ত কোন গুরুত্ব বহন করবে না যতক্ষণ আপনার সরকারের অব্যাহত উন্নয়নের নিরলস প্রয়াস জনগনের কাছে দৃশ্যমান থাকবে। আপনার এই লেখার প্রত্যেকটি কথার সাথে আমি বিনা বাক্যে সহমত পোষন করছি। কারণ আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জনগনের দল এবং একমাত্র আওয়ামী লীগই পারে দেশের আপামর জনগনের সত্যিকারের ভাগ্যোন্নয়ন করতে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি নির্ভীকভাবে এগিয়ে চলুন। জনগন আপনার সাথে আছে। আপনাদের কাজের সত্যিকারের মূল্যায়ন আর কেউ না হোক জনগনই করবে, যদি না আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপি হয়। সবশেষে, আপনার এই লেখার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। নিন্দুকেরা আপনাকে যতই জনবিচ্ছিন্ন বলে অপপ্রচার করুক না কেন; এই লেখার মাধ্যমে আপনি আরও একবার প্রমান করলেন যে, আপনি সব ব্যাপারেই ওয়াকিবহাল আছেন। সর্বশক্তিমান আপনার সহায় হোন।

    Reply
  114. আশাবাদী মানুষ

    অনেক ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আপনার লেখা খুবই সাবলীল এবং ঝরঝরে, বুঝতে খুবই সহজ। এত ব্যস্ততার মধ্যেও আপনি যে চমৎকার লেখা লিখে দেশবাশীকে আশার আলো দেখাতে পেরেছেন তার জন্য আমরা আশাবাদী।

    Reply
  115. সজল মাহ্মুদ

    আওয়ামী লীগ শাসনামল দুর্নীতিমুক্ত– একথা বলা যাবে না। কিন্তু যারা এক তরফাভাবে দুর্নীতি করে যেত কোন বাধা ছাড়াই, তাদের জন্য আওয়ামী আমল কিছুটা সমস্যার তো বটেই।

    বাংলা ভাইয়ের সময়কালে ঐ অঞ্চলের মানুষজন কী পরিমাণ সমস্যায় ছিল তা আমরা প্রায়ই ভুলে যাই। যে পরিমাণ হত্যা আর রেপের ঘটনা ঘটেছে তার সঠিক হিসাব নেই। আমরা কিন্তু তখনও এই সন্ত্রাসবাদের উত্থানের জন্য বিএনপিকে দোষারোপ করি না, মিডিয়া এর শিকার মানুষগুলোকে নিয়ে কোন রিভিউ করে না।

    নীলক্ষেতের ফটোকপি দোকানে যান। বিএনপি আমলে দিনে ৬ বার বিদ্যুৎ যেত, এখন ২-৩ বার যায়। গ্রামে আগে বিদ্যুৎ গেলে কখন আসবে তার কোন ঠিক ঠিকানা ছিল না।
    রাতে এগারটার পর শহরে যে পরিমাণ টহল দেখি তাতে ভীতি অনেক কম থাকে।

    আসলে ব্যাপারটা হয়ে গেছে অনেকটা ট্রাফিক পুলিশের মত। আমরা গালি দেই ওকে, জ্যাম বাধলে ও কোন গাড়ি আটকালে। কিন্তু ভুলে যাই, ঝড় বৃষ্টি রোদে ঐ লোকটা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকে। সারাক্ষণ কাজ করছে। ভুলে যাই, তাদের বেতন, তাদের জীবন যাপন, তারা কী খেয়ে বেঁচে থাকে। ভুলে যাই তাদেরও বউ বাচ্চা আছে, তাদেরও ঈদ-পূজা করা লাগে।

    অনেক কিছুই ভুলে যাই। কীভাবে ১৯৭৫-১৯৮১ সালে ২০০০ বিমানবাহিনীর সদস্যকে (এবং অধিকাংশ মুক্তিযোদ্ধা) হত্যা করা হয়েছে। ভুলে যাই ৯ মাসের সংক্ষিপ্ত কিন্তু বিধ্বংসী এবং রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে ৩ কোটি শরণার্থী এবং ৩০ লাখ শহীদ নিয়ে একটি দেশ ঘুরে দাঁড়ায়।

    এখন আবার এসব কথা মানুষের কাছে ফ্যাক্ট না হয়ে, হয়ে যায় ইমোশোনাল কথাবার্তা।

    প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ। তার লেখা পড়ে অনেক অনেক কথা মনে পড়ে গেল।
    আরো অনেক কিছু লেখার ছিল। এ জাতি কখনও দৃষ্টি প্রসারিত করে নি, কেন জানি করছেও না। লিখে তাই লাভও হয় না।

    Reply
  116. A K Azad

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, তথ্য প্রযৃক্তরি কল্যাণে জনগণের কাতারে আপনাকে স্ব্গতম, আশা করি আপনার সরকারের নেয়া সিদ্ধান্তের পক্ষে আপনার কলম চলমান থাকবে। মানুষের সমালোচনা করার অধিকার আছে,পরমতের প্রতি সহনশীলতা দেখান,গঠনমূলক হলে কারণটি দূর করুন এবং এটিই হবে আপনার সমুচিৎ জবাব। আবারও লিখুন, আমরা আপনার লেখা পড়তে চাই। ভাল থাকুন,ধন্যবাদ।

    Reply
  117. খালেদ

    বুঝলাম অনেক ভালো কাজ করছেন। কিন্তু এতো টাকা খরচ করে জিয়া বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন না করলে কি হতো না? আমাদের ট্যাক্সের টাকার এরকম অপচয় আমরা মানতে পারি না! যে কোন সরকারি দলকেই আরেকটু ধৈর্যশীল হতে হবে বিরোধী দলের প্রতি। নতুবা একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে সরকার বদল হলে এবং জনগনকেই ভুগতে হবে এর জন্য, আপনাদের নয়।

    Reply
  118. Laijunaher

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,

    অনলাইনে আপনাকে আন্তরিক স্বাগতম!
    আপনার কাছে দেশের মানুষের প্রত্যাশা অন্যদের চেয়ে বেশি, তাই হয়ত বেশি সমালোচনা করে।
    তার মানে আপনাকে অবমূল্যায়ন নয়।
    দেশের খাদ্যের মূল্য চড়া, দুধ, মাছ-মাংসের দাম আকাশচুম্বী– এগুলোর দাম অনুগ্রহ করে নিয়ন্ত্রণ করুন।
    দেখবেন আপনার জনপ্রিয়তা অনেক বেড়ে গেছে!
    আর দয়া করে দক্ষ,স্‌ৎ, যোগ্য লোককে যথাস্থানে নিয়োগ করুন।
    মোসাহেবীকে দূরে রাখুন!
    শেখ সাদীর বচন: প্রকৃত বন্ধুরাই সামনে সমালোচনা করে, শত্রুরা করে আড়ালে!
    ভাল থাকুন!

    Reply
  119. সৌরভ আবিদ রহমান

    আপনার আশেপাশের চাটুকারদেরকে ছাঁটাই করে দেন । ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করুন । সচিবালয়ের আমলাদের আমলাতন্ত্র দেখেছি অনেক । আপনার পাশে সাবেক আমলাগুলোকে দেখলে সেই কথা আবার মনে পড়ে । সরকারের জন্য শুভ কামনা । আর দয়া করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করুন । লেখার জন্য অশেষ ধন্যবাদ ।

    Reply
  120. আবুল হাসান খান

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,

    বিদ্যুৎ ব্যাবস্থার উন্নতি যতটা আপনি দাবী করছেন, অন্ততঃ আমি বলতে পারি আমার এলাকা শনিরআখরাতে পাইনি। ড্রেইনেজ ব্যাবস্থা প্রায় ভেঙ্গে পড়েছে, এই বর্ষাতে খাল খননের কাজ শুরু হল। এলাকার ভেতরের প্রত্যেকটা রাস্তা ভাঙা। জনমুখে শুনতে পাই, এলাকার এমপির কাছে জনগন গিয়েছিলেন রাস্তার সংস্কারের জন্য, তিনি নাকি বলে দিয়েছেন আমি কি আপনাদের কাছে গিয়ে ভোট চাইছিলাম নাকি যে আমাকে ভোট দেন। এলাকার আইন শৃঙ্খলা আগের চাইতে ভালো। আপনারা অনেক উন্নয়নের কথা বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কিন্তু আমরা যারা সাধারণ জনগন আছি তারা যদি সেই সুবিধা না পায়, তাহলে আপনাদের সব অর্জন বিফলে যাবে। আমি একজন আওয়ামী সমর্থক হিসেবেই বলছি, যদি আপনারা প্রান্তিক জনগনের কাছে আপনাদের উন্নয়ন না নিয়ে যেতে পারেন, পরে প্রান্তিক জনগনের কাছে ভোট চাইতে গেলে তারা বিরক্ত হবে।

    অবশ্যই আপনাকে ধন্যবাদ, এই ধরনের একটা প্রক্রিয়ায় অংশ নেবার জন্য, আপনিই বোধহয় বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি এভাবে জনগনের মূল্যায়ন গ্রহনের সাহস দেখালেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

    Reply
  121. Bayezid Hossain

    …সমালোচনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে চলুন। সরকারের ব্যর্থতাগুলোও আমলে নিন। সর্বোপরি ধন্যবাদ, উন্মুক্ত মাধ্যমে আসার জন্য।

    Reply
  122. মেহেদী ইসলাম

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
    আপনি সাধারণ মানুষের সাথে যোগাযোগের জন্য এই অসাধারণ উদ্যোগটি নিয়েছেন দেখে মনে মনে বেশ আশান্বিত এবং খুশি হলাম এই ভেবে যে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলার প্রয়োজনীয়তা আপনি বা আপনার দল অনুভব করে। অন্য সবাই আপনাকে অনুসরণ করলে আরো খুশি হতাম।

    আমি বিশ্বাস করি আপনি অবশ্যই ছাত্রলীগের বেহায়াপনা আর বেয়াদবির লিস্ট সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। কিন্তু কাগজে কলমে তাদের শাস্তি দেয়ার কথা বললেও এবং ক্ষেত্রবিশেষে শাস্তি হলেও তা কার্যকর হয়নি। তার চাক্ষুষ প্রমাণ হল, ঢাবির মেধাবী মুখ বকর হত্যায় জড়িত থাকার অপরাধে ১০ জন ছাত্র আজীবন বহিষ্কৃত হয়, কিন্তু তাদের কাউকেই প্রকৃতপক্ষে কোন শাস্তি ভোগ করতে হয়নি। আপনি বিষয়টা খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন। বুয়েটের মত জায়গায় সাধারণ ছাত্রদের জিম্মি করে পরীক্ষা পেছানো থেকে শুরু করে মারামারি বা নারী উত্যক্ত করা-সব ধরণের আকাম কুকাম করার পরও তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থার কথা শুনিনি। ঢাকা মেডিকেলে দালাললের সাথে ছাত্রলীগের নেতাদের আঁতাত এবং সাধারণ মানুষের হয়রানির কথা প্রত্যেকটা সাধারণ ছাত্রছাত্রীর কাছে জানতে পারবেন।

    আমি দেশের সেরা তিনটা জায়গার সামান্য একটা চিত্র তুলে ধরলাম, কিন্তু পুরো দেশের অবস্থা হয়ত এর চেয়েও খারাপ। আপনি আপনার চারপাশের কোন চাটুকার কিংবা ছাত্রলীগের কোন মহান নেতার কাছে নয়,একেবারে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের/এলাকাবাসীর কাছ থেকে প্রকৃত ঘটনা জানার চেষ্টা করুন প্লিজ। আমরা যারা আমাদের ‘প্রথম’ ভোটটা আপনাকে দিয়েছিলাম, তারা যেন দ্বিতীয়বার আবার ভোট দিতে যাবার আগ্রহ পাই কিংবা আরেকবার আপনার দলকে ভোট দেয়ার মত আস্থা পাই,সেই অবস্থাটা এই লোকগুলোর জন্য নষ্ট হতে দিবেন না প্লিজ।

    -মেহেদী ইসলাম
    ছাত্র,বুয়েট

    Reply
    • otondroprohori

      চমৎকার ভাই! আমিও একমত আপনার সাথে!! আমিও বিনীত ভাবে বলতে চাই ………….মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,””আমরা যারা আমাদের ‘প্রথম’ ভোটটা আপনাকে দিয়েছিলাম, তারা যেন দ্বিতীয়বার আবার ভোট দিতে যাবার আগ্রহ পাই কিংবা আরেকবার আপনার দলকে ভোট দেয়ার মত আস্থা পাই,সেই অবস্থাটা ‘কোনভাবেই’ নষ্ট হতে দিবেন না প্লিজ।””

      Reply
    • Tapan

      চিন্ত করবেন না। ভোট আসার আগে ঠিকই মূলা ঝুলিয়ে দেয়া হবে। আপনি তখন এমনিতেই ভোট দিবেন।

      Reply
  123. Sohail Rashid

    শেখ হাসিনাকে অনেক ধন্যবাদ। তরুণদের মতামত শুনুন, কারণ আপনার ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রত্যাশা তারাই এগিয়ে নিতে পারবে।
    আপনি ভাল থাকুন, আবারও লিখুন, আমরা আপনার লেখা পড়তে চাই। ধন্যবাদ।

    Reply
  124. মীর আমিন উদ্দিন

    ধন্যবাদ, জনগণের প্রতিক্রিয়া গ্রহণের মানসিক দৃঢ়তা প্রদর্শনের জন্য। আশা করি, গঠনমূলক সমালোচনার কাছাকাছি থাকবেন।

    শত সীমাবদ্ধতা এবং প্রতিকূলতা সত্ত্বেও দেশ অগ্রসর হচ্ছে/হয়েছে। আমরা প্রত্যেকে যার যার অবস্থান থেকে দেশের জন্য অবদান রাখি – এই কামনা রইল। ভবিষ্যতেও আরো লেখা নিয়ে জনগণের সম্পৃক্ততায় থাকুন এই আশা রাখি।

    Reply
  125. আশীফ এন্তাজ রবি

    প্রধানমন্ত্রী, বলুন তো বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ আপনার কাছে কী চায়? তারা মাছ, মাংস, ঘি, পোলাও চায় না। তারা তাদের শুকনো ভাতে একটুখানি লবণ চায়। ব্যাস এতটুকুই। এবং প্রধানমন্ত্রী আপনি, আপনার পূর্বসূরী বেগম খালেদা জিয়া এবং তার পূর্বসূরী এরশাদ এবং তাদেরও পূর্বসূরীরা, সাধারণ মানুষের ছোটখাটো অতি সাদাসিধে চাহিদা পূরণে কতখানি সফল হয়েছেন, বলুন তো? আপনি একবার দয়া করে ঢাকার যেকোন সাধারণ গলিতে ঢুকুন। সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তাঘাটের কী ভয়াবহ অবস্থা। কোন গর্ভবতী মা এই রাস্তা দিয়ে যেকোনো বাহনে গেলে তার গর্ভপাত হয়ে যাবে। গ্রামীণ ব্যাংকের পেছনের যে রাস্তাটা আছে, সেই রাস্তা ধরে, আপনি যদি মিনিট পাঁচেক যেতে পারেন, তাহলে আমার বাকী জীবন ধরে আমি ব্লগ, ফেসবুক এবং পত্রিকায় আপনার প্রশস্তি রচনা করে কাটিয়ে দেবো। আজ দীর্ঘ আড়াই বছরে আপনারা রাস্তা ঠিক করেন নি। আপনি কি করেছেন? নানা কাণ্ড করে গ্রামীন ব্যাংক থেকে ইউনূসকে হটিয়েছেন। এই কাজ করতে গিয়ে আপনার টীম যে সময়, মেধার অপচয় করেছেন, তার এক শতাংশ দিয়ে গ্রামীন ব্যাংকের পেছনের রাস্তার মতো ঢাকার সমস্ত রাস্তা মেরামত করে ফেলা সম্ভব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, গ্রামীন ব্যাংক থেকে ইউনূস হটানো হয়তো জরুরী বিষয়। কিন্তু তারচে অনেক বেশি জরুরী বিষয় রাস্তাগুলো মেরামত করা।
    মানুষের চাওয়া সামান্য। তারা চায়, তাদের গলিটা যেন ঠিক থাকে। একটা আধুনিক বিমানবন্দরের চেয়ে যার যার রাস্তাটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে যানজট কমানো। বিগত বছরে আমরা কী দেখলাম? আপনি ঝাপিয়ে পড়লেন, আরেকটি আধুনিক বিমানবন্দর নির্মাণের কাজে। তারও আগে অনেক আয়োজন করে জিয়া বিমানবন্দরের নাম বদলে ফেললেন। সেই বিমানবন্দরের নাম বদলাতে কত টাকা খরচ হয়েছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
    প্রিয় প্রধানমন্ত্রী, বাজারে এক হালি ডিমের দাম কতো, সেটি জিজ্ঞাসা করার ধৃষ্টতা আমার নেই। আমি বরং আপনাকে একটা ডিমের গল্প করতে পারি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করা আমার এক ছোটভাই গত সপ্তাহে ফোন দিয়ে আমাকে বলল, ভাই, একটা নিউজ করেন, একটা ডিমের দাম ৭ টাকা। আমি খামু কী?
    ছেলেটার নাম জাকির। চাকরি এখনো জোগাড় করে উঠতে পারেনি, প্রাইভেট টিউশনিই ভরসা। দিনে একবেলা সে ডিম দিয়ে ভাত খায়। যেদিন ফোন দিয়েছিলো, সেদিন থেকে সেই ডিমটিও তার সাধ্যের বাইরে চলে গেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি লিখেছেন, জাতীয় প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৬.৭ হয়েছে। তা আপনি যেহেতু বলেছেন, হয়তো হয়েছে। এতো জ্ঞানীগুণী, স্যুটটাই পড়া আপনার উপদেষ্টামন্ত্রীদের কথা তো মিথ্যা হতে পারেনা। কিন্তু আমাদের জাকির জাতীয় প্রবৃদ্ধি বোঝে না। সে দিনে অন্তত একবেলা ডিম দিয়ে ভাত খেতে চায়। জাতীয় প্রবৃদ্ধি বেড়ে আকাশ ফুড়ে মহাকাশে চলে যাক , তাতে জাকিরের কিছুই আসে যায় না। আমাদেরও কিছুই আসে যায় না। পরিসংখ্যান দিয়ে জীবন চলে না মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। জাতীয় গ্রিডে উৎপাদন বেড়েছে, প্রবৃদ্ধি বেড়েছে , কোটি কোটি মেট্রিক টন খাদ্য উৎপাদন হয়েছে , বাজেটের স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বেড়েছে, এইসব কথা শুনতে আর ভালো লাগে না মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
    স্বাস্থ্যখাত নিয়ে আরেকটা ছোট্ট ঘটনা বলি? গত বৃহস্পতিবার বারডেম হাসপাতালের দোতলায় দুপুর তিনটা থেকে রাত সাড়ে দশটা পর্যন্ত উচ্চ শব্দে কনসার্ট এবং উদ্দাম নাচগান হয়েছে। কর্মচারী ইউনিয়ন এই কাণ্ডটি করেছে। জ্বী, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এটি হয়েছে একটি হাসপাতালে, ডায়বেটিক রোগীদের একমাত্র আশ্রয়স্থলে। বিজয়ী কর্মচারী গাননাচের মাঝখানে জয় বাংলাসহ আপনার নামে স্লোগান দিচ্ছিলেন। যেসব ভুক্তভোগী রোগীরা হাসপালাতের বিছানায় শুয়ে দিনভর এই যন্ত্রণা সহ্য করেছেন এবং আপনার নামে স্লোগান শুনেছেন, তারা কোনদিন আপনাকে ভোট দেবে না, এটি আমি মোটামুটি নিশ্চিত। কাজেই, গণমাধ্যমসহ নানা জায়গায় যারা আপনার সমালোচনা করে, তারা আপনার শত্রু নয়। বরং যারা আপনার নামে যত্রতত্র আকাশফাটিয়ে এখন স্লোগান দিচ্ছে, তারা আপনার কতখানি উপকার করছে, একটু ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখবেন।

    সবশেষে আপনাকে ধন্যবাদ, আপনি লিখেছেন বলে। দুই বছর আগে আপনাকে উদ্দেশ্য করে আমি একটি ব্লগ লিখেছিলাম , যার মূল বাণী ছিল, আসুন প্রধানমন্ত্রী ব্লগিং করি। ডিজিটাল বাংলাদেশে স্বপ্নদ্রষ্টা যিনি , তিনি তো ইচ্ছে করলেই মাঝে মাঝে এভাবে লিখতে পারেন। তাতে কিছু মানুষের সাথে মিথষ্ক্রিয়া তো হয়। আবারো ধন্যবাদ।

    Reply
  126. Tanveer

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনাকে অন্তর থেকে ধন্যবাদ জানাই ব্যস্ততার মাঝেও কলম ধরেছেন বলে। একটি দেশের এত বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রত্যাশার চাপ এবং দেশ চালানোর মত দুরুহ কর্মকাণ্ডের মাঝেও এ ধরনের অবকাশ আরও আসুক, আন্তরিকভাবে কামনা করি।
    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, গণমানুষের মনের কথাগুলো শোনার জন্য আপনার অবকাশ খুব খুব প্রয়োজন। একটি দেশের সরকারের এবং একটি রাজনৈতিক দল পরিচালনার শত ব্যস্ততার মাঝেও যাতে সময় থাকে–এই আশা করি। সেই সাথে আপনার কাছে বিনীতভাবে বলতে চাই, দলীয় রাজনীতির বাইরেই এদেশের এক বিপুল সংখ্যক মানুষ আছে যার মাঝে আমিও একজন। আমরা আপনার কাছ থেকে ভবিষ্যতের দিক-নির্দেশনা চাই, বাংলাদেশকে নিয়ে আপনার স্বপ্নটি যেন অন্তর্জালের( internet) মারফতে ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। যার যার সীমাবদ্ধতা নিয়ে যারা আছে, থাকুক… কিন্তু আপনার কাছ থেকে অমূল্য সময়ের দামে যে কথামালা আমরা পাই কিংবা ভবিষ্যতে পাবো, তার সবটুকু জুড়ে থাকুক আশা এবং আনন্দের কথা, স্বপ্ন এবং সাহসের কথা!
    এ দেশে আজ ইতিবাচক এবং প্রোএকটিভ কথা খুব একটা বড় শুনতে পাই না! দেশের অভিভাবক হিসেবে, আপনার কাছেই তাই এ কামনাটি রইলো।

    Reply
  127. দেবাশীষ

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
    আপনাকে ধন্যবাদ জনগনের সামনে আসার জন্য। এতে আপনি সরাসরি জনগণের অভাব অভিযোগ সম্পর্কে জানতে পারবেন ও ব্যবস্থা নিতে পারবেন। এই প্রথম কোন প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি দিতে পেরে আমি যারপরনাই পুলকিত। আপনি ভালো থাকুন এবং দেশের মঙ্গলের জন্য কাজ করে যান এটাই দেখতে চাই। আপনাকে জনগণের জন্য কাজ করতে হবে। ছাত্রলীগের বিপথগামী অংশকে দমন করুন, বিপক্ষ শিবিরের লোকেরা অনেক সুযোগ পায় এদের কারণে। জাতীর পিতাকে কেউ কেউ অবজ্ঞা করে। আমি উনাকে বাঙালী জাতীর স্বপ্নদৃষ্টা বলেই জানি। ইতিহাসই সে সাক্ষ্য দিবে। ছোট বেলায় যখন ধানমন্ডী ৩২ এ যাই, বঙ্গবন্ধুর ছবিকে নিজের অজান্তেই প্রণাম করতাম। তখনও জানতাম না জাতির পিতা কাকে বলা হয়। যাই হোক, সবাইকে সন্তুষ্ট করা যায় না। আপনি জাতীয় সমস্যাগুলো কমিয়ে আনুন তাতেই ক্ষমতা নিশ্চিত হবে। জনগণকে বাদ দিয়ে কেউ কিছু করতে পারেনা, পারবেও না। আমাদের সাথে থাকুন, আমরাই আপনার কাজের প্রতিবিম্ব হব।

    ইতি
    আপনার একান্ত শুভাকান্খী
    দেবাশীষ

    Reply
  128. ইউসুফ

    প্রধানমন্ত্রী আপনার কথা মেনে নিলাম গভীর শ্রদ্ধাভরে। কিন্তু একথা তো সত্য যে কয়েকজন খুবই সার্থক মন্ত্রী আছে আপনার যেমন….শিক্ষামন্ত্রী, কৃষি মন্ত্রী, সমবায় প্রতিমন্তী । তবে কয়েকজন মন্ত্রীকে বাদ দিলে আগামীতে পাশ করা সহজ হবে।

    Reply
  129. Mohammad Kazi Mamun

    প্রিয় প্রধানমন্ত্রী,

    বিদ্যুত, যোগাযোগ, তথ্য্ প্রযুক্তি, কৃষি, সংবিধান সংস্কার এবং শিক্ষায় বর্তমান সরকার যে যুগান্তকারী পদক্ষপে নিয়েছে, তা বুঝতে যে দূরদৃষ্টি প্রয়োজন,তার অভাব রয়েছে আমাদের মাঝে । তাছাড়া আমাদের ধৈর্য খুবই কম । তাই আমার মত হলো, আপনার কাজ আপনি করে যান । এমনকি পরবর্তী নির্বাচনে জয়লাভ না করলেও চলবে । ইতিহাসে আপনার কাজ অক্ষয় হয়ে থাকবে ।

    Reply
  130. মোঃমাহবুব আলাম প্রদীপ

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
    আপনাকে ধন্যবাদ। এটা ভেবে খুব ভাল লাগছে যে, আমাদের মত সাধারণ মানুষ আপনার লেখার প্রতিক্রিয়া জানাতে পারছি। সাধারণত, আপনার কাছে আমাদের চাওয়া-পাওয়া অনেক বেশি, তাই প্রত্যাশা অনুযায়ী কিছু কম পেলে আমরা কষ্ট পাই। আপনি ভাল কাজ করার জন্য চেষ্টা করছেন তা আমরা জানি। আমরা এও জানি যে, আপনার কাজ করার পথ এত সহজ নয়। দেশবিরোধী চক্র সদা সক্রিয়। তাই তাদের মোকাবেলা করার জন্য সাবধানে এগোতে হবে।
    অসীম সমস্যা সসীম সম্পদ দিয়ে পূরণ করা সত্যিই কঠিন। তবে আন্তরিকতার সাথে চেষ্টা করলে সমস্যার সমাধান অবশ্যই সম্ভব।
    বিনয়ের সাথে আপনার নিকট একটি অনুরোধ জানাতে চাই, আমরা যারা শিক্ষকতা করছি(প্রাইমারি-বিশ্ববিদ্যালয়)তাদের প্রকৃত অবস্থা সত্যিকার অর্থে ভাল নয়। আশা করি বিষয়টি যথাযথ গুরত্বের সাথে শীঘ্রই বিবেচনা করবেন।

    Reply
  131. তায়েফ আহমাদ

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।
    লেখা নিয়ে চাইলেই অনেক দ্বিমত পোষন করা যায়- তর্কের সূচনা করা যায়। সেদিকে না গিয়ে শুধু যেটি বলতে চাই, সেটি হল, এই যে, সরাসরি জনগনের সাথে উন্মুক্তভাবে কথা বলার পরিবেশ তৈরি হল- এটা একটি দারুণ পদক্ষেপ; গণতন্ত্রের জন্য, সুশাসনের জন্য। ভবিষ্যতেও এমনভাবে আপনি মনের কথা জণগনের সামনে তুলে ধরবেন আর জনগন রাজনৈতিক ভেদাভেদের বাইরে দাঁড়িয়ে নির্ভয়ে সে লেখার ভাল-মন্দ সমালোচনা করার সুযোগ পাবেন- এটাই প্রত্যাশা।

    Reply
  132. zafrin

    আপনার কথাগুলো একদম সঠিক। যারা টকশো এবং কলাম লিখছেন তারা এখন ভাত পায় না তো তাই ভিক্ষা করে খান। আপনি এগিয়ে যান আমরা সবাই আপনার সাথে আছি। এরা সংখ্যায় খুবই নগন্য। আপনি সাধারণ মানুষ নিয়ে ভাবেন। আমরা আপনাকে খুব ভালবাসি।

    Reply
  133. Sumon Khan

    ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আপনার সুন্দর এই লেখাটি পড়ে সত্যিই অনেক খুশী হলাম কিন্তু তার থেকেও বেশী খুশী হলাম যে আপনিও ইন্টারনেটে লেখা শুরু করলেন। এরকম কিছু একটা আমরা চেয়েছি অনেক আগে থেকেই। এবার আমাদের আশা পূর্ণ হলো। আশাকরি, আপনি আপনার এই ধরনের লেখা চালিয়ে যাবেন। আশাকরি, এবার আমাদের সবার স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া আর কেউ ঠেকাতে পারবেন না। ভালো থাকবেন।

    Reply
  134. Nhrayhan

    অনেক ভালো লাগল । অন্য সবাই অনুপ্রাণিত হলে সামনে শুভ দিন।

    Reply
  135. রনি পারভেজ

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ইন্টারনেটে লেখা আরম্ভ করার জন্য। ইন্টারনেট জগতে আপনাকে স্বাগতম। দেশের জনগনের সুখ-দুঃখের কথা শোনার জন্য ইন্টারনেটই সবচেয়ে ভাল মাধ্যম। আশা করি আপনি এদেশের খেটে খাওয়া মানুষের সুখ-দুঃখের কথা শোনার জন্য ইন্টারনেটে আরও এক্টিভ হবেন। ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন। অনেক অনেক দোয়া ও শুভকামনা রইলো আপনার প্রতি।

    Reply
  136. Mustafa Jamil

    আপনি যদি এইবার ব্যর্থ হন, তবে শুধু আপনি নন চিরতরে পুরো দেশ এবং মুক্তির চেতনা অদৃশ্য হয়ে আমাদের সোনার বাংলার সোনা শেষ হবে। আপনি আমাদের শেষ আশা। আমাদের অন্ধকারে ফেরার আর সুযোগ নেই। আমরা যে আলোর পথযাত্রী।

    Reply
  137. Joydeb das

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এমন সুন্দর একটি লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
    যে ভালো প্রত্যাশীদের কথা বললেন আপনি তারা আসলে ভালো প্রত্যাশী নয়। এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী। কিছু দিন আগে আপনার যে উক্তি ছিলো ‘আমার চেয়ে বড় দেশ প্রেমীক কে’ তখন কোন ‘আতেলকে’ খুঁজে পাওয়া যায়নি সৎসাহস নিয়ে তার কোন মৃদু প্রতিবাদ করারও। কলম এখন আর তার নিজের মত চলে না। চলে ব্যবসায়ীদের কথা মত। এরা ভালো প্রত্যাশী বলে শুধু ভান করে। একটি গোষ্ঠী এজেন্ডা দেয় আর তার জন্যই মাঠে নামে আমাদের আতেলরা। দেশের জন্য নয় আসলে নিজের পকেটের চিন্তা করে এরা। পকেটে কিছু মাল-পানি (ডলার,পাউন্ড বা টাকা) পরলেই তারা শান্ত। মুক্তাঙ্গনে আমেরিকাকে গালি দেয়। দেখেন, তারাই আবার দূতাবাসের সামনে গিয়ে ভিসার জন্য লাইন ধরে। যারা ৩ জুলাই হরতাল ডেকেছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, তাদের ডেকে আপনি দায়িত্ব দিয়ে দেন। দেখি তার কী করে গ্যাস (?) উত্তোলন করে। যত সব নিধিরাম সর্দারের দল।
    শ্রেনী কক্ষে পাঠ দান করা আর মানুষ পরিচালনা করা যে এক জিনিস নয় তারা তা অনুধাবন করতে পারেন না। এবার রাজধানীতে কোন পানি সংকট ছিলো না, কোথাও কোন কলসি মিছিল হয়নি– এই প্রসঙ্গে আতেলদের আজ পযর্ন্ত কোন মন্তব্য দেখিনি।

    ধন্যবাদ।

    Reply
  138. আশরাফ

    আপনার কর্মকাণ্ড দেখলে বুঝা যায় আপনি সত্যিকার অর্থেই দেশের জন্য কিছু করতে চান,আপনার এই True Intention এর জন্য সাধুবাদ। আওয়ামী লীগের কাছে দেশের মানুষের প্রত্যাশা বরাবরই বেশি,এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। জনগণকে আপনাদের আপডেট জানান,আপনারা কী করতে যাচ্ছেন,কেন করতে যাচ্ছেন। সংবাদপত্রের প্রেস নিউজ না, আমরা সরাসরি আপনার কাছ থেকে এভাবে সাদামাটাভাবে শুনতে চাই। জনগনের সাথে বিভিন্ন ইস্যুতে এভাবে সরাসরি কম্যুনিকেট করলে কিন্তু সুযোগসন্ধানী হায়েনারা আর নষ্ট খেলায় মেতে উঠতে পারে না। আর একটা কথা,ছাত্রলীগ নিয়ে আপনি কিছু বললে ভালো হতো। জনগণ আপনাদের ক্ষমতায় আনে, জনগনই তো আপনাদের শক্তি। অভিভাবকত্ব থেকে অব্যাহতি নেয়া কোনো সমাধান হতে পারে না। আপনাকে খুব আপনজন মনে করেই একটা কথা বলছি – ছাত্র রাজনীতি চিরতরে বন্ধ করে দিন, সত্যিকার ছাত্রদের পড়াশুনার পরিবেশ সৃষ্টি করে দিন – দেখুন আপনাদের জনপ্রিয়তা কোথায় যায়!

    ভাল থাকুন, আবারও লিখুন, আমরা আপনার লেখা পড়তে চাই। ধন্যবাদ।

    Reply
  139. মোহাম্মদ জহিরুদ্দিন বাবর

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সালাম ও শুভেচ্ছা রইল। ডিজিটাল বাংলাদেশের অভিযাত্রায় এই প্রথম দেশের প্রধানমন্ত্রীর লেখার উপর সরাসরি কোন মন্তব্য করতে পারছি বলে ভীষণ ভাল লাগছে।
    এই সুযোগে আরও কয়েকটি দাবী জানাচ্ছি –
    ধর্ম নিরপেক্ষ ৭২ এর সংবিধান চাই।
    দ্রব্যমূল্য ও ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণ চাই।

    Reply
  140. মুহম্মদ জাহাঙ্গীর

    পড়ে ভাল লাগলো – পরিষ্কার লেখা। প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতা নিয়ে জনগণের সন্দেহ নেই। আমলাতান্ত্রিক জতিলতা ও অপরাধ বন্ধ করে সিম্পল পলিসি দাঁড় করতে পাড়লে উন্নয়নের হার হবে ১৩.৪%।
    দেশ-বিদেশে কাজে অভিজ্ঞ লোক দিয়ে ‘সিম্পল পলিসি কমিশন’ গঠন ও দ্রুত কাজ করতে পারলে ডাবল ডিজিট উন্নয়ন ঠেকানো যাবে না। আমলাতান্ত্রিক জতিলতা উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ করছে।

    Reply
  141. prince

    ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার লেখার জন্য। আপনার হাতেই এ দেশের ভবিষ্যত অনেকখানি নির্ভর করে। আপনাকে এদেশের মানুষ সবচেয়ে বেশি ভালবাসে তাই আপনার কাছে আমাদের আশাও একটু বেশি বেশি। তাই সব কিছু দলীয় বিবেচনায় না এনে দেশকে একটা শক্তিশালী অর্থনীতির উপর দাঁড় করানোর চেষ্টা করেন , এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

    Reply
  142. dr. kanak sarwar

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার লেখার জন্য ধন্যবাদ।

    আপনি অনেক ভালো লেখেন, এবং নিয়মিতভাবে লিখলে আমরা আপনার অনেক ভাবনার সঙ্গে সরাসরি আরো অনেক বেশি পরিচিত হতে পারবো।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, একজন সংবাদকর্মী হিসেবে আমি দাবী করতে পারি বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা এবং ওয়ান ইলেভেনের নায়কদের অনেক পরিকল্পনাই বাস্তবায়িত হয়নি সাংবাদিকদের জন্য, বেশ কিছু টেলিভিশন এবং সংবাদপত্রের সাহসী ভূমিকার জন্য।

    সেই সময়ে আমরা যারা মাঠে কাজ করেছি , সেনা শাসকদের নানা চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে কাজ করেছি, তারা বর্তমান সময়ে উচ্চকিত কন্ঠ- বহু রাজনৈতিক নেতা এবং বুদ্ধিজীবীদের টিকিরও দেখা পাইনি।

    কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের এরা আবারো তাদের কথিত‘মহান’ ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন, নেতারা আবারো কথিত ‘দেশদরদী’ ‘জনদরদী’ নেতা হিসেবে আর্বিভূত হয়েছেন।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী , ওয়ান ইলেভেনের পর আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে যে পরিবর্তন আমরা আশা করেছিলাম তার কিছুই সেভাবে হয়নি।

    দেশ আবারো অনেকটাই অস্থিতিশীলতার দিকে , মনে হচ্ছে আবারো কোন পক্ষ সুযোগ নিতে চায়।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী , আপনার মনোযোগ আকর্ষন করছি , কারণ আপনি জানেন , আপনারই দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি……

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাকে ধন্যবাদ।

    ড. কনক সরওয়ার

    Reply
    • এহেছান লেনিন

      ড. কনক সারওয়ার,
      আপনার বিশ্লেষণধর্মী মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। তবে সব অংশের সঙ্গে একমত হতে পারলাম না।

      সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে সাংবাদিকদের ভূমিকার কথা আপনি খুব সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। ব্যক্তিগতভাবে নিজেও একই পেশার সঙ্গে যুক্ত।

      আপনি লিখেছেন, ‌’সেই সময়ে আমরা যারা মাঠে কাজ করেছি, সেনা শাসকদের নানা চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে কাজ করেছি, তারা বর্তমান সময়ে উচ্চকিত কন্ঠ- বহু রাজনৈতিক নেতা এবং বুদ্ধিজীবীদের টিকিরও দেখা পাইনি।’

      আমার আপত্তিটা এখানেই।

      মি. সারওয়ার, সংবাদকর্মীরা কারো ‌’টিকির’ দেখার অপেক্ষা করে না। এটা পেশা। নিজেদের এতো মহান ভাবার অবকাশ নেই। অনেকক্ষেত্রে এর সঙ্গে ডেডিকেশন থাকতে পারে। তবে এর অর্থ এই নয়, সাংবাদিকরাই সব উদ্ধার করবে। সব উদ্ধারের জন্য সরকার আছে। ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেছিলেন, ভাষা প্রতি মাইল পরপর পরিবর্তন হয়ে যায়। আর এখন দেখা যায়, সংবাদ প্রতি চ্যানেলে চ্যানেলে কিংবা পত্রিকায় পত্রিকায় পরিবর্তন হয়ে যায়। রাজনীতিবিদরাও।

      তবে আপনার অনুষ্ঠান দেখি। সেখানে সাধারণ মানুষগুলো অন্যকে সাধারণভাবে সত্য বলছে। আপনি তা তুলে আনছেন– এ জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

      Reply
      • জামিল হায়দার

        “ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেছিলেন, ভাষা প্রতি মাইল পরপর পরিবর্তন হয়ে যায়। আর এখন দেখা যায়, সংবাদ প্রতি চ্যানেলে চ্যানেলে কিংবা পত্রিকায় পত্রিকায় পরিবর্তন হয়ে যায়। রাজনীতিবিদরাও।”

        একমত।

      • kanak sarwar

        জনাব লেলিন , আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

        আপনি কী করেন আমি জানি না । ওয়ান ইলেভেনের সময় আপনি কোথায় ছিলেন বা কতটুকু কাছে থেকে সে সময়কার অবস্থা দেখেছেন তাও জানি না।
        আপনি লিখেছেন, নিজেদের এতো মহান ভাবার অবকাশ নেই। অনেক ক্ষেত্রে এর সঙ্গে ডেডিকেশন থাকতে পারে। তবে এর অর্থ এই নয়, সাংবাদিকরাই সব উদ্ধার করবে। সব উদ্ধারের জন্য সরকার আছে।
        সাংবাদিকরা মহান কি মহান নয় সে বিতর্কে যেতে চাই না তবে বিগত ৪০ বছর ধরে এদেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় একমাত্র মিডিয়াই কাজ করেছে আপোষহীনভাবে। আজ যদি আপনি কোন অন্যায় বা অবিচারের শিকার হন, সে সময় দেখবেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর চেয়ে মিডিয়া এবং সংবাদকর্মীরাই আপনার জন্য লড়ছে।
        কারণ এদেশে এখনো আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়নি। সরকার সবকিছু উদ্ধার করে না। বলা চলে , সব সরকারই মুখে যাই বলুক তারা নিজেদেরই উদ্ধারে ব্যস্ত ।
        তবে জনাব লেলিন, মিডিয়া যদি বর্তমানে সাহসী এবং কার্যকর ভূমিকায় থাকে তবে অবশ্যই একদিন সরকার জনগনের সবকিছুই উদ্ধার করবে।
        আর বহু রাজনৈতিক নেতা এবং বুদ্ধিজীবীদের টিকিরও দেখা পাইনি।’ এর মানে হলো ওয়ান ইলেভেনের সেই ভয়াল পরিবেশে আমাদের পাশে দাঁড়ানোর মতো বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক নেতাদের অনেককেই পাইনি , যারা এখন আবার জাতির বিবেক বা মহান নেতা হিসেবে আর্বিভূত হয়েছেন।
        জনাব লেলিন, সংবাদ পরিবর্তন হয় না, সব চ্যানেলেই মূল সংবাদ পরিবর্তনের কোন সূযোগ নেই, তবে সংবাদের ব্যাখ্যা বা বিশেষ রিপোর্ট বা সংবাদ আলোচনা হতে পারে সংবাদপত্র বা টেলিভিশনের নীতি অনুযায়ী।
        তবে আপনার মতো সচেতন পাঠক-দর্শকরা যেখানে আছেন সেখানে আমাদের সুদিন আসতে আর খুব বেশি নেই।
        আপনাকে আবারও ধন্যবাদ এহেছান লেনিন।

      • rased mehdi

        এহসান লেলিনকে অনুরোধ করব, বাংলাদেশে মিডিয়ার ভূমিকা সচেতনভাবে খেয়াল করতে। বাংলাদেশে রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ নানা সময়েই নানাভাবে আপোষ করেছেন, নিজেদের পথ মত পরিবর্তন করে গণ মানুষের অধিকারের বিরুদ্ধেও দাঁড়িয়েছেন। সাংবাদিকদের মধ্যেও কেউ কেউ এ দলে আছেন। কিন্তু টোটাল মিডিয়া কখনও কি কারও সঙ্গে আপেষ করেছে? সেই এরশাদের স্বৈরশাসনের সময় রাষ্ট্রিয় মালিকানার দৈনিক বাংলা, বিচিত্রাও কি এরশাদকে ছাড় দিয়েছে? দেয় নি, বরং এরশাদের দোর্দন্প প্রতাপের সময়ও বিচিত্রাতেই এরশাদকে স্বৈরাচার বিশেষণসহ উল্লেখ করে সংবাদ বিশ্লেষণ ছাপা হয়েছে। ওয়ান ইলেভেনের নায়কদের কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিবাদের ভাষা মিডিয়া থেকেই এসেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্যাতনের ঘটনায় মিডিয়াই রুখে দাঁড়িয়েছে। ড.কনক সরওয়ার নিজেও ওয়ান ইভেনের নায়কদের রক্তচক্ষু, ধমক উপেক্ষা করেও আদালতে দাঁড়িয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সমর্থনে সাক্ষ্য দিয়েছেন।
        সাংবাদিকরা কেউ নিজেদের মহান ভাবে না, ভাবার দরকারও হয় না। সাংবাদিকদের অবদান এই দেশে স্বীকৃতিও পায় না। প্রয়োজনের সময় সাংবাদিকরা সবার প্রিয় থাকেন, প্রয়োজন ফুরোলে কেউ মনে রাখেন না। বিরোধী দলে গেলে সাংবাদিকরা মহান আর সরকারি দলে গেলে তাদের ‌অসৎ ব্যবসায়ীর চেয়েও খারাপ’ মনে করেন মন্ত্রী সাহেবরা।
        সাংবাদিকরা স্বীকৃতির জন্য কাজ করেন না বলে কে স্বীকৃতি দিল, না দিল তা আমলেও নেন না। কিন্তু নিজেদের কাজের দু’একটা উদাহরণ তো দিতেই পারেন। কনক সরওয়ার ওয়ান ইলেভেন প্রসঙ্গে সেটাই করেছেন।

    • zafrin

      কনক ভাই আপনাকে চিনতে পারি তখন থেকে, যখন থেকে দেখতে পাই আপনি একদম গ্রামের সাধারণ মানুষদের নিয়ে অনুষ্ঠান করা শুরু করেন। আপনার লেখার সব অংশের সাথে একমত হতে না পারার কারণে এই লিখা। যদি আপনি আমার লিখাটি পড়েন তাহলে দয়া করে সাংবাদিক হিসেবে দেশবাসীকে জানাবেন কি কারা কী কারণে অস্থিতিশীলতার দিকে দেশটাকে নিয়ে যাচ্ছে। কারণ তাদের কাছ থেকে আমাদেরকে সাবধান হতে হবে। আমি আশা করি দেশকে ভালবাসলে আপনি তা প্রকাশ করবেন।

      Reply
  143. Mostafiz

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর লেখা পড়ে বোঝা যাচ্ছে যে তিনি কলাম লেখকদের লেখা পড়েন এবং টক শো দেখেন । এটা ভাল লক্ষণ । সব সরকারেরই ব্যর্থতা-সফলতা থাকে ।

    Reply
  144. ইফ্‌তেখার মোহাম্মদ

    টক শো, সেমিনার, খবরের কাগজে যেসব সুশীলেরা বক্তৃতা কপচায় তাদের বক্তব্যের বিন্দুমাত্র প্রভাব গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে নেই। প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কিছু করার পরও যারা বলে আরও হলে ভালো হতো, তাদেরকে আমি মনে করি নৈরাশ্যবাদী। নৈরাশ্যবাদীদের কথায় হতাশ না হয়ে আমাদের প্রগতি ও উন্নয়নের পথে চলতে হবে। দেশের আপামর জনতা সব সময়ই আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও দিবে। আওয়ামী লীগ সব সময়ই সংখ্যাগরিষ্ঠ জনতার রায় পাবে। আপনার সুযোগ্য নেতৃত্বে দল আরও সুসংহত ও সংগঠিত হোক সেই কামনা করি।

    Reply
  145. Mannaf

    ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। সমালোচনার কারণগুলো সমাধান করুন, সমালোচককে দয়া করে শত্রু ভাববেন না ।

    Reply
  146. swapan

    বিশ্বনিন্দুকদের সমালোচনার জবাব লিথার ব্যাপারটি খুবই ইতিবাচক। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।

    Reply
  147. সবাক

    আপনার এভাবে লেখালেখি করে যাওয়া আসলেই চমৎকার। একজন নাগরিক হিসেবে বিষয়টি ইতিবাচকভাবে নেয়ার মতো। আমরা ধরে নিচ্ছি রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য এগুলো একেকটি ধাপ। আপনি দাবি করেছেন, আপনার সময়ে সবাই কলমে ধার দিয়ে সমালোচনা করতে পারে। এটাতো খারাপ কিছু না। আপনি যদি মনে করেন এটা সত্য, তাহলেতো গর্ব করার মতো বিষয়। কলম ভাঙার মতো কাজ আপনি করছেন না! সমালোচনায় রাগ করার কিছু নেই। হয়তো আপনাকে আপনভাবে বলেই সমালোচনা করে!

    Reply
  148. Mehmud

    কে কী করতে পারলো তা বড় কথা নয়, আমি কী করছি সেটাই হল আসল কথা। পুরান কথা ঘাটাঘাটি করে বাংলাদেশিদের বোকা বানানোর রাজনীতি আমাদের দেশেই চলে।

    Reply
  149. উজ্জল

    ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
    আপনার কাছ থেকে এরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ লেখা চাই।

    Reply
  150. রনি শিকদার

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
    আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ তথাকথিত বুদ্ধিজীবী ও টকশো অতিথির কথার ফুলঝুরির বিরুদ্ধে আপনার এই লেখার জন্য। আপনার দল ক্ষমতায় থাকাকালীন দেশে বাকস্বাধীনতা বেশী থাকে–এটাআপনার লেখায় স্পস্ট ফুটে উঠেছে। এটা খুবই সত্য কথা। কিন্তু এই ব‍াকস্বাধীনতা আপনার ভালো লাগছে না বলে মনে হচ্ছে আপনার এই লেখায়। কিন্তু তারপরও আপনি অসংখ্য টিভি চ্যানেল, কমিনিউটি রেডিও এবং দৈনিক পত্রিকার অনুমোদন দিচ্ছেন। তাতে মনে হয় আপনি সংবাদ-পিপাসু এবং স্বাধীন গনমাধ্যম-বান্ধব সরকার।

    ইয়োলো কথাবার্তার যে সমালোচনা আপনি করেছেন তার জন্য আপনাকে সাধূবাদ জানাই। কিন্তু সবাই এধরণের কথাবার্তা বলেন না। ১/১১ সময় আপনি নিশ্চয়ই দেখেছেন, দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকদের একটি সভার কারণে ষড়যন্ত্রকারীদের ভিত নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল।

    আমার বিশ্বাস ব্যক্তি শেখ হাসিনার সমালোচনা কেউ কখনো করতে পারবেন না। কারণ আপনি গতন্ত্রের মানসকন্যা। তবে ষোল কোটি মানুষের দেশের প্রধানমন্ত্রী আপনি, এখানে আপনার সরকারের সমালোচনা হবেই। তা ধৈর্য্য ধরে হজম করে সমাধান করতে পারলে, দেশ ও জাতির মঙ্গল হবে।

    Reply
  151. রিপনচন্দ্র মল্লিক

    ধন্যবাদ শেখ হাসিনা।

    এভাবে আপনাদের মতো প্রধান ব্যক্তিদের কাছ থেকে গণমাধ্যমে মন্তব্য পড়তে পেরে সত্যিই আমি আনন্দিত। এভাবে নিয়মিত বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে লিখে সারা বিশ্বের বাঙালী পাঠকসহ অন্যান্য ভাষাভাষীদের কাছে নিজের মতামত পৌঁছে দেবেন। আমরা তাহলে আপনাদের লেখা পড়ে অনেক ভুল বোঝা থেকে বিরত থাকতে পারবো।

    বিডিনিউজ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি, মাঝেমাঝে বিডিনিউজে যে রকম শেখ হাসিনার কলাম পড়তে পারছি সেই রকমভাবে খালেদা জিয়া, এরশাদ, গুরুত্বপূর্ণ জামায়াত নেতা, কমুনিষ্ট নেতাদের কলামও প্রকাশ করবেন। তাতে বিডিনিউজের প্রতি সর্বদলীয় পাঠকগোষ্ঠীর কাছে আরো বেশি গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠবে।

    ধন্যবাদ
    বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এবং শেখ হাসিনা।

    রিপনচন্দ্র মল্লিক
    মাদারীপুর

    Reply
  152. আকাশের তারাগুলি

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
    অসংখ্য ধন্যবাদ, আবারো লিখেছেন বলে। আমি চাই এই লেখালিখির কাজটাও চাই আপনি অব্যাহত রাখুন। কেউ কেউ হয়তো বিষয়ভিত্তিক লেখেন। কিন্তু সরকারের সমালোচনাগুলির জবাব দেন না, যা ইচ্ছে করলেই দিতে পারেন। কিন্তু দেন না, সম্ভবত সবকূল রক্ষায় ব্যতিব্যস্ত। সরকার যে পুরোপুরি সফল একথা আমার মতো আপনিও বিশ্বাস করেন না। কোন সরকারই পুরোপুরি সফল হয় না, শুধু বাংলাদেশে কেন, কোন দেশেই নয়। কিন্তু সরকার যে নির্দ্দিষ্ট একটা লক্ষ্য নির্ধারন করেন তার দিকে পৌঁছানোর ব্যপারটাই আসল কথা। গত আড়াই বছরে সফলতার পাল্লাই সবচেয়ে ভারী। কিন্তু জানেন তো ভালো যারা করে তাদের খারাপ থাকলে তা সবার আগে ছড়ায়। এটাই নিয়ম। খারাপ মানুষ অপকর্ম করলে এটা সংবাদ হয় না, কিন্ত ভালোমানুষের দোষ হটনিউজ হয়। কিন্ত সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের উচিত এটাকে সঠিকভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে এর জবাব দেয়া যা আপনি সঠিকভাবেই করেছেন। এবং এভাবে জনগনের কাছাকাছি থাকাকে আমি সাধুবাদ জানাই।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

    এ ছাড়া আপাতত উল্লেখ করার মত যেসব ব্যর্থতার কথা বলা হয় তা আসলে রাজনৈতিক।

    পরিশেষে বলতে হয় মাননীয় মন্ত্রীদের বলুন স্পেসিফিক কথা বলতে। অল্প নলেজ নিয়ে কোন কথা না বলে তাতে হিতে বিপরীত হয়। যার যার ডিপার্টমেন্টের কথা তাকেই বলতে বলেন। অন্য কেউ যেন না বলে, অহেতুক বিতর্ক হয় এবং বিব্রত হতে হয়।

    আরেকটা অনুরোধ থাকবে, শিশু খাদ্যের মুল্য অত্যন্ত চড়া। এব্যাপারে আপনার এবং সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। অহেতুক শিশুখাদ্যের দাম বাড়ানোর মত আমানবিক আর কী হতে পারে! শিশুখাদ্যের মুল্য বেশি হওয়ায় ব্যবসায়ীরাই লাভবান হয়। সরকার এবং শিশুদের কোন কাজে লাগেনা বলেই আমার মত।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
    আপনার পরের লেখা পাওয়ার অপেক্ষায় আছি।

    মাসে একটা লিখা ছোট হলেও চাই, সরকারের অবস্থান নিয়ে হলে সবচেয়ে ভালো হয়।

    ভালো থাকুন, নিরাপদে থাকুন।
    আল্লাহ আপনার সহায় হোন।

    Reply
  153. Kamruzzaman

    আমার মনে হয় তিনি এক তরফাভাবে কথাগুলো বলেছেন । তাঁর মতো সবাই দেশকে ভালবাসে । সমালোচনা খারাপ কোন ব্যাপার নয় । পরমতের প্রতি সহনশীলতা দেখানো দরকার । তাঁর সফলতাকেও স্বগত জানাই। আসুন, আত্মঅহংকার ভুলে সবাই সবার কথা শুনি । সবাই বলি আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি……..

    Reply
  154. এহেছান লেনিন

    কোনো সরকারের কাছে ‌’জনগণের প্রত্যাশা’ থাকা ঠিক কিনা জানি না। সাধারণত কম বুদ্ধির মানুষেরই প্রত্যাশা বেশি থাকে! খারাপ পরীক্ষা দিয়ে ভালো রেজাল্ট প্রত্যাশা করা যেমন বোকামী, তেমনি ভোট দেওয়ার পর এর বিনিময়ে কিছু পাওয়ার প্রত্যাশা আরো মূর্খতা।

    সব কিছুর পরও বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার কাছে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা অনেক।

    একজন মূর্খ মানুষ হিসেবে আমার মনে হয়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে সেই সাধারণ মানুষদের আবেগ স্পর্শ করলেও তিনি ‌’অসাধারণদের’ চাপে তা করতে পারছেন না। বাংলাদেশে ৩১ দশমিক ৫ শতাংশ দরিদ্র। অসততার সুযোগ না পেয়ে এরাই সবচেয়ে সৎ। অন্তত এই সৎ মানুষগুলোর কথা চিন্তা করতে হবে। ভোটের কথা নয়।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাকে ধন্যবাদ।

    Reply
  155. Rifat Rahman Shakil

    ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া ঘটানোর অন্যতম উপায় হলো লেখালেখি করা, আপনি সেটা করেছেন বলে আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। গনতান্ত্রিক দেশে স্বাধীনভাবে সবার মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকা উচিৎ। আমরা বিরোধীদলীয় নেতার কাছেও লেখার মাধ্যমে মতামত জানার প্রত্যাশা করছি। সব তর্ক-বিতর্ক হোক কলম দিয়ে, হরতাল দিয়ে নয়। আরও ভাল হতো যদি আপনি আপনার ই-মেইল আইডি সাধারণ পাঠকদের জন্য ওপেন রাখতেন। আপনি নতুন প্রজন্মের মতামতকে দয়া করে অবহেলা করবেন না। যে ডিজিটাল বাংলাদেশের উদ্দেশ্য নিয়ে দেশ শাসন করছেন সে দেশে আপনার কাছে একজন সাধারণ মানুষ আপনার সঙ্গে ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার প্রত্যাশা করতেই পারে। জনগনের সব প্রত্যাশা আপনি ৫ বছরের মধ্যে পূরণ করতে পারবেন না সেটা আমরা অনেক ভাল জানি। তবে ভাল করার চেষ্টাটা যদি অব্যাহত রাখেন সেটা কিন্তু কেউ ভুলে যাবে না। আমরা আপনার চেষ্টাটাই দেখতে চাই। ভাল থাকুন, আবারও লিখুন, আমরা আপনার লেখা পড়তে চাই। ধন্যবাদ।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—