শফিক রেহমান

নেড়িকুকুরের ইন্টারভিউ: বাংলাদেশে কুমির আগমনে লাভ কার

জুন ১৮, ২০১১

shafik-rehman211প্রকৃতিপ্রেমী ও পরিবেশবাদীরা লক্ষ্য করেন আজকের বাংলাদেশের আকাশে কদাচিৎ চিলকে ঘুরপাক খেতে দেখা যায়। বিশেষত রাজধানী ঢাকার আকাশ থেকে হারিয়ে গিয়েছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘুরপাকরত চিল। অতীতে বেকার যুবকরা মুখে শস্তা সিগারেট ধরিয়ে বিছানায় শুয়ে ওই চিল দেখে দিনটা কাটিয়ে দিতে পারতো। এখন তাদের সেই অবলম্বনটি হারিয়ে গিয়েছে। এখন আর আকাশ থেকে হঠাৎ স্থলে ডাইভ দিয়ে চিল কারো মুখের খাবার ছো মেরে নিয়ে যায় না।

বাংলাদেশে আকাশের সিনারি পরিপর্তিত হওয়ার সাথে সাথে স্থলের সিনারিও বদলে গিয়েছে। রাজধানীতে বেওয়ারিশ গরু ছাগল হাস মুরগি নিরুদ্দিষ্ট হয়েছে। তবে রাতের বেলায় প্রতিবেশী দেশ থেকে আমদানি করা গরুর পাল ট্রাকে অথবা পথে দেখা যায়। বিশেষত কোরবানির ঈদের আগে।

বৃটিশ ও পাকিস্তানি আমলে গোড়ার দিকে রাজধানীতে ঘোড়া দেখা যেত। চার চাকার কাঠের গাড়ির সামনে একটা বা দুটো ঘোড়া জুড়ে দেয়া হতো। শহর অঞ্চলে বিয়েতে ঘোড়ার গাড়ি চড়ে পাত্র-পাত্রীরা যেতেন। তখন ঢাকার রেস কোর্সে ঘোড়দৌড় হতো। টয়োটার যুগে এখন ঘোড়ার গাড়ি রিটায়ার করেছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও জিয়া শিশুপার্কের যুগে রেসিং ঘোড়া চিরবিদায় নিয়েছে।

শুধু আকাশে এবং মাটিতেই নয়, পানিতেও বিশেষত বুড়িগঙ্গায় অদৃশ্য হয়েছে ডলফিন এবং বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। জিকিউ অথবা ম্যাটাডর বলপয়েন্ট পেন নির্মাতারা হয়তো অদূরভবিষ্যতে বুড়িগঙ্গার পানিকে তাদের বলপয়েন্ট পেনের কালি হিসেবে ব্যবহার করবেন।

আকাশে, স্থলে ও জলে রাজধানীর এই অবস্থা দেখে যখন প্রকৃতিপ্রেমীরা হন ব্যথিত এবং পরিবশেবাদীরা হন দুশ্চিন্তাগ্রস্ত, তখন, আমি নেড়িকুকুর হই নিরুদ্বিগ্ন, নিশ্চিন্ত ও নির্ভয়।

কারণ আমি দেখি, ঢাকার পথে এখন দুপেয়ে মানুষ ছাড়া প্রাণী জগত থেকে অন্য কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী আমার নেই। খাবার ও আশ্রয়ের জন্য মানুষই এখন আমার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী। তবে মানুষের সংখ্যা অনেক অনেক বেশি। কুকুরের সংখ্যা কম। মানুষের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বেঁচে থাকার কিছু ফন্দিফিকির আমি আবিষ্কার করেছি। মানুষের সঙ্গে আমি সহ-অবস্থান করতে পারি।

শেখ হাসিনার কুমির তত্ত্ব
এই ছিল আমার অবস্থান মঙ্গলবার ১৪ জুন ২০১১ পর্যন্ত।
আমার এই অবস্থান বদলে যায় ওই কালো দিনে।
আমি জানতে পারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রশ্নে কোনো ফর্মুলা থাকলে তা সংসদে উপস্থাপনের জন্য বিরোধী দলের প্রতি আবার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘আমরা নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করবো। কিন্তু খাল কেটে কুমির আনার সুযোগ করে দেবেন না।’

শেখ হাসিনার এই উক্তিতে আমার নিরাপদ পৃথিবীটা বদলে গিয়েছে। আমি খুব দুশ্চিন্তা, দুর্ভাবনা ও দুঃসময়ে পড়েছি।
শেখ হাসিনার এই উক্তি আমি সত্য বলে বিবেচনা করেছি। বিশেষত সংবাদটির পরিবেশক যখন সরকারি সংবাদ সংস্থা বাসস।

কুমির ও কুকুর, মিল ও গরমিল
আমার শংকিত হবার বহু কারণ আছে।
প্রথমেই আমি দেখছি কুমির আসলে আমাকে শুধু দুপেয়ে মানুষের সঙ্গেই নয়– অদূর ভবিষ্যতে চার পেয়ে কুমিরের সঙ্গেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে। কিন্তু এই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আমি পেরে উঠবো কি? আমার মতো কুমিরেরও চার পা আছে।
মেরুদ- আছে। লেজও আছে।

ব্যাস। আমাদের মধ্যে ওইটুকুই শুধু মিল।
কিন্তু গরমিলগুলো আমাকে ভাবিয়ে তুলছে। কুকুরের তুলনায়। কুমিরের চোয়ালের শক্তি অনেক বেশি। কুমিরের কামড়ের চাপ হচ্ছে প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে প্রায় ২,২৭৩ কেজি।

আর একটা রটওয়েলার কুকুরের কামড়ের চাপ প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে মাত্র ১৫২ কেজি। আমার মতো বাংলাদেশি নেড়িকুকুরের কামড়ের চাপ তো আরো কম।

সুতরাং কুমির আসতে পারে জেনে কুকুরকুল তো বটেই, মনুষ্যকুলেরও দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হবার সঙ্গত কারণ আছে। সে জন্যই শেখ হাসিনা সতর্কবাণী দিয়েছেন।

কুমির মানুষ খেতে পারে। কুকুর জীবন্ত মানুষ খেতে পারে না। আমরা জীবন্ত মানুষকে শুধু কামড়াতেই পারি।
অন্য দিকে কুমির শুধু মানুষই নয়, সাপ, মাছ, হাঙ্গর, পাখি– এমনকি ছোট কুমিরও খায়।

তবে কুকুরের সঙ্গে কুমিরের একটি বড় মৌলিক পার্থক্য হচ্ছে কুকুর ডাঙ্গাতে থাকে। কিন্তু কুমির জলেও থাকতে পারে, স্থলেও থাকতে পারে। যদিও বাংলাদেশে একটা কথা চালু আছে, ডাঙ্গায় বাঘ জলে কুমির, আসলে কুমির উভচর। তবে জলে তার গতিবেগ বেশি হতে পারে।

সাধারণ কুমিররা শুধু স্থলে এবং জলেই থাকতে পারে। শেখ হাসিনা যে ধরনের বিপজ্জনক কুমিরের কথা বলেছেন, তারা অবশ্য স্থলে, জলে এবং আকাশেও থাকতে পারে। আর তাই হাসিনার মুখনিঃসৃত কুমির আসার ভবিষ্যদ্বাণীতে, অর্থাৎ স্থলে জলে এবং আকাশে মানুষখেকো কুমির আসার সম্ভাবনায়, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ এবং সাধারণ কুকুর, আমরা সবই আতংকিত ও ভীত।

রফতানি সম্ভাবনা
গত কয়েক দিন বিষয়টি নিয়ে আমি অনেক ভেবেছি। শেখ হাসিনা কেন খালেদা জিয়ার প্রতি এমন সতর্কবাণী দিলেন? খালেদা জিয়া কি কুমিরজাত কোনো পণ্য রফতানির সম্ভাবনা সম্প্রতি তার ইংল্যান্ড ও আমেরিকা সফরে পর্যালোচনা করেছেন? কুমিরের চামড়া দিয়ে পশ্চিমে দামি বৃফকেস, হ্যান্ডব্যাগ, মানিব্যাগ, পার্স, বেল্ট, হ্যাট, জুতা প্রভৃতি বানানো হয়। গুচচি, কৃশ্চিয়ান ডিওর, প্রাডার মতো ক্রোকোডাইল নামে দামি ব্যান্ড প্রডাক্টও আছে। সুতরাং বাংলাদেশে বড় সংখ্যায় কুমির আসলে হয়তো আমাদের রপ্তানি শিল্পে আরেকটি নতুন যুগের সূচনা হবে।

বস্তুত, এখানেও কুমিরের সঙ্গে কুকুরের একটা বড় পার্থক্য আছে। কুকুরের চামড়া দিয়ে রফতানিযোগ্য কোনো পণ্যই বানানো হয় না।

খালেদা জিয়া কি ক্রোকোডাইল লেদার ইন্ডাস্টৃর কথা ভাবছেন? অথবা, অনাগত দুর্ভিক্ষের সময়ে কুমিরের মাংস দেশবাসীকে খাওয়ানোর কথা ভেবেছেন? পশ্চিমের কিছু দেশে কুমিরের মাংস ডেলিকেসি বা দুর্লভ ভালো খাবার বলে গণ্য হয়। এ ক্ষেত্রে অবশ্য আমরা দাবি করতে পারি চায়না ও কোরিয়াতে কুকুরের মাংসকে ডেলিকেসি গণ্য করা হয়।
বহু চিন্তাভাবনার পর আমি সিদ্ধান্তে এলাম যে ১৩ নভেম্বর ২০১০ পর্যন্ত যদিও খালেদা জিয়া কুমির অধ্যুষিত এলাকায় থাকতেন, তবুও অতীতে তিনি কুমির বিষয়ে খুব উৎসাহী ছিলেন না। সুতরাং এখনো কুমিরের চামড়া রফতানি অথবা মাংস ভক্ষণের চিন্তা তিনি নিশ্চয়ই করছেন না।

শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক
বরং আমি ভেবে দেখলাম কুমির জাতির সঙ্গে শেখ হাসিনার বরাবরই একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। সেজন্যই তিনি কুমিরের আগমন বিষয়ে আগাম আভাস দিতে পেরেছেন।

ভেবে দেখুন ২৪ মার্চ ১৯৮২-র কথা। সেই তখন থেকেই শেখ হাসিনা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করেছেন জনৈক কুমিরপ্রধানের সঙ্গে। ওই কুমিরপ্রধান আয়োজিত জুন ১৯৮৬-র নির্বাচনে শেখ হাসিনার নির্দেশে তার দল আওয়ামী লীগ অংশ নিয়েছিল। এর দশ বছর পরে ১৯৯৬-এ সেই একই কুমিরপ্রধানের সঙ্গে জোট বেধে শেখ হাসিনা তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করেছিলেন। নির্বাচনের পর ওই কুমিরপ্রধানের দলটির সঙ্গে জোট বেধে সরকার গঠন করেছিলেন। ফাস্ট ফরোয়ার্ড। সেই একই কুমিরপ্রধানের দলটির সঙ্গে মহাজোট করে শেখ হাসিনা ২০০৮-এর নির্বাচনে বিজয়ী হন এবং মন্ত্রিসভা গঠন করেন।

অন্যান্য কুমিরপ্রধানের সঙ্গেও শেখ হাসিনার ভালো সমঝোতা ছিল। মে ১৯৯৬-তে আরেক কুমিরপ্রধান যখন নড়াচড়া করেন, তখনো তার মুভমেন্ট ছিল আওয়ামী লীগের পক্ষে এবং বিএনপির বিপক্ষে। ঠিক একইভাবে ২০০৭-এ যখন আরো এক কুমিরপ্রধান (যিনি এখন আমেরিকায় চিকিৎসাধীন আছেন) সংবিধান মাড়িয়ে কিছু চাকরিজীবীকে সামনে রেখে ক্ষমতা দখল করেন, তখন তার সাথেও শেখ হাসিনার সুসম্পর্ক দেখা যায়। এই কুমিরপ্রধানের যোগসাজশে ২০০৭ এবং ২০০৮ সালে তিনি দুইবার আমেরিকা চলে যান। তখন হাসিনা দাবি করেন ওই কুমির সরকার তারই আন্দোলনের ফসল। অর্থাৎ তিনিই কুমির এনেছিলেন। ২০০৭-এ আমেরিকা যাবার আগে ঢাকা এয়ারপোর্টে শেখ হাসিনা বলে যান, পরবর্তী সময়ে দেশে ফিরে এসে ওই কুমির সরকারের সব কাজ ‘র‌্যাটিফাই’ করে দেবেন, অর্থাৎ বৈধতা দেবেন। এখন তিনি তা-ই করছেন।

যদিও শেখ হাসিনা কুমির অধ্যুষিত এলাকার বাইরে থেকেছেন, তবুও তিনটি কুমিরপ্রধানের সঙ্গে শেখ হাসিনার এই সুসম্পর্ক তাকে দিয়েছে কুমিরদের সম্পর্কে গভীর জ্ঞান।

সুতরাং পরবর্তী কুমির যুগ যদি শুরু হয়, তাতে শেখ হাসিনারই লাভবান হবার সম্ভাবনা বেশি। খালেদা জিয়ার আরো ক্ষতি হবার সম্ভাবনা বেশি। ২০০৭-পরবর্তী বর্ণচোরা কুমির যুগে খালেদার সংসার গিয়েছে ভেঙ্গে। তার পরিবারের নিকট সদস্যরা হয়েছেন দেশ থেকে নির্বাসিত। ২০০৮-এ কুমির সাজানো নির্বাচনে খালেদা হয়েছেন পরাজিত।

বিপদ বেশি : বিদেশি কুমিরের আগমন
এ তো গেল বাংলাদেশি কুমিরের কথা।
এবার খালেদা জিয়ার বিপদ আরো বেশি।
কারণ আমি দেখতে পাচ্ছি এবার বিদেশি কুমিরদের সাদরে ডেকে আনছেন শেখ হাসিনা।
ইনডিয়ার কুমিরপ্রধান তার দেশে দায়িত্ব নেন ৩১ মার্চ ২০১০-এ। এ দায়িত্ব নেয়ার আগে তিনি একবার বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন। বাংলাদেশে কুমিরবাহিনীতে সাধারণত বছরে দুটি পাসিং আউট প্যারেড হয়। জুন মাসের প্যারেডে সাধারণত স্থল, জল ও আকাশ কুমিরবাহিনীর একজন প্রধান অতিথি হিসাবে স্যালিউট নেন। ডিসেম্বরের পাসিং আডিট প্যারেডে স্যালিউট নেন প্রেসিডেন্ট (আগে যখন প্রেসিডেন্ট-শাসিত সরকার ছিল) বা প্রধানমন্ত্রী।

এই প্রথম ইনডিয়ান কুমিরপ্রধান জুন মাসে বাংলাদেশি কুমিরবাহিনীগুলোর স্যালিউট নেবেন। ইনডিয়ান দূতাবাসের জনৈক কুমির কর্মকর্তা বাংলাদেশে রয়েছেন ইনডিয়ান কুমিরপ্রধানের এই স্যালিউট গ্রহণ পর্বকে সম্পূর্ণ সফল করার জন্য।

বলা বাহুল্য, এই অপ্রত্যাশিত স্যালিউট ঘটনা বাংলাদেশি কুমিরকুলের মধ্যে বহু রকমের জল্পনা-কল্পনার সৃষ্টি করেছে। তাদের মনে পড়েছে, ২০০৭-০৮-এর বাংলাদেশি কুমিরপ্রধান দিল্লি গিয়ে ছয়টি ঘোড়া নিয়ে এসেছিলেন। এবার ঘোড়া নয়। স্বয়ং কুমিরপ্রধানই আসছেন! জানা গেছে, তিনি পাঁচ দিন থাকবেন। প্রশ্ন হচ্ছে, এত অল্প সময়ে কি বাংলাদেশি কুমিরদের মনমানসিকতা বদলে দেয়া সম্ভব হবে?

এই প্রশ্নের উত্তরটি শেখ হাসিনাকেই গভীরভাবে বিবেচনা করতে হবে। শেখ হাসিনার পিতা স্বদেশে কুমিরবাহিনীর সমান্তরাল আরেকটি বাহিনী করেছিলেন। সেই বাহিনী দেশে প্রচুর ক্ষোভের কারণ হয়েছিল। পরিণতিতে এক দল কুমিরের হাতে শেখ হাসিনার পিতা নিহত হয়েছিলেন। সুতরাং কুমির নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি ও ঘাটাঘাটি না করাই মঙ্গলজনক।
বন্যেরা বনে সুন্দর, কুমিররা কুমিরমেন্টে। অথচ আমি দেখতে পাচ্ছি গত কয়েক দিনে কুমিরবাহিনীর গোয়েন্দাপ্রধান হঠাৎ বদলি হয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানরত এক কুমির কর্মকর্তাকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। আমি নিশ্চিত, প্রধানমন্ত্রী বুঝেশুনে এসব পদক্ষেপ নিয়েছেন। তবুও, সাবধানের মার নেই বলে, আমি শেখ হাসিনাকে সতর্ক থাকতে অনুরোধ করছি।

পদ্মায় পানি দিলে…
এই প্রসঙ্গে বাংলাদেশি কুমিরদের মন জয় করার জন্য আমি একটা টিপস প্রধানমন্ত্রীকে দিতে চাই। ফারাক্কা পয়েন্টে ন্যায্য পানি না পাওয়ার কারণে বাংলাদেশের পশ্চিম সীমান্তে মরুকরণ শুরু হয়েছে। খাল কোথায় হবে? ওই দিক থেকে যদি ইনডিয়ান কুমির আনতে হয় তাহলে ইনডিয়ান কুমিরপ্রধানকে শেখ হাসিনা অনুরোধ করতে পারেন পদ্মায় পানি দেয়ার জন্য। যদিও ইনডিয়ান কুমিরপ্রধান আকাশপথেই আসবেন। তবুও পদ্মায় পর্যাপ্ত পানি থাকলে যে ইনডিয়ান কুমির আগমন সহজতর হবে সেটা তিনি নিশ্চয়ই বুঝবেন।

যা-ই হোক। শেখ হাসিনা কি সিদ্ধান্ত নেবেন সেটা তার ব্যাপার! আমি শুধু কয়েকটি সিদ্ধান্তে এসেছি :
এক. কুমির আনলে খালেদা জিয়ার কোনো লাভ নেই। কুমিরের হাতে তিনি হয়েছেন বন্দী। খালেদা জিয়ার পরিবারের নিকট সদস্যরা হয়েছেন নির্যাতিত ও নির্বাসিত। তাছাড়া ১৯৮১-তে কুমিরবাহিনীর বিপথগামী একটি অংশের হাতে তার স্বামী হয়েছিলেন নিহত।
দুই. কুমির আনলে শেখ হাসিনার লাভ হবে। প্রথমত তিনি ক্ষমতায় থেকে যেতে পারবেন ২০০৮-এর স্টাইলে। দ্বিতীয়ত, ক্ষমতায় ফেরার সম্ভাবনা না দেখলে কুমিরবাহিনীর হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে তিনি চলে যেতে পারবেন ২০০৭-এর স্টাইলে। অর্থাৎ কুমিরবাহিনীর যোগসাজশে বিএনপিকে ক্ষমতার বাইরে রাখতে পারবেন।
তিন. কুমিরবাহিনীর উচু পর্যায়ে এখন দেশি-বিদেশি কুমিরদের মধ্যে আলোচনা চলছে, যার ফসল শেখ হাসিনাই পাবেন বলে মনে করছেন।
চার. এ জন্যই শেখ হাসিনা দেশের রাজনীতিতে কুমির প্রসঙ্গ হঠাৎ তুলেছেন।

এর ফলে প্রকৃতিপ্রেমী ও পরিবেশবাদীরা খুশি হতে পারেন। তারা দেখবেন বাংলাদেশের স্থলে জলে দেশি-বিদেশি কুমির চরম আনন্দে বিচরণ করছে।

কিন্তু যারা গণতন্ত্রমনস্ক তারা হয়তো এই খবর পড়ে চুল ছিড়ছেন। তারা ভাবছেন কুমির আসলে গণতন্ত্রের কী হবে? পরবর্তী কুমির শাসন কতো দিন চলবে? ১৯৮২ থেকে ১৯৯০-এর মতো প্রায় নয় বছর? অথবা ২০০৭ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত প্রায় দুই বছর?

আমি নেড়িকুকুর। আমার গায়ে তো লোম নেই। আমি কী ছিড়বো?
১৮ জুন ২০১১

শফিক রেহমান: প্রবীণ সাংবাদিক ও জনপ্রিয়  টিভি অনুষ্ঠান উপস্থাপক।

Tags:

WARNING: Any unauthorised use or reproduction of bdnews24.com content for commercial purposes is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to legal action.
| | More
 -------------------------------------------------------------------------
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর নিজস্ব। bdnews24.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে bdnews24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)

-------------------------------------------------------------------------

৯৫ প্রতিক্রিয়া - “ নেড়িকুকুরের ইন্টারভিউ: বাংলাদেশে কুমির আগমনে লাভ কার ”

  1. joynal on জুন ২৫, ২০১১ at ১:১২ পুর্বাহ্ন

    ১৯৭৫-১৯৮২ সেটা বাংলার জনগন চেয়েছিলো।

  2. Shaheen on জুন ২৪, ২০১১ at ১১:২০ পুর্বাহ্ন

    আপনার তারূণ্যদীপ্ত আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিত্ব-পান্ডিত্যের কারণে শ্রদ্ধা করি,
    চমৎকারভাবে আপনি বিষয়টাকে উপস্থাপন করেছেন।

    ধন্যবাদ।

  3. minhaj on জুন ২১, ২০১১ at ৬:৪১ অপরাহ্ণ

    কি আর বলবো বলেন? সবাই তো সবার কথা বলল। আমার কথা কি শুনবে? না শুনার কথা। সেনাপ্রধান এলেন আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে নিয়ে ব্যস্ত দিন রাত। কিন্তু যারা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে তারা ব্যস্ত সিলেটের গোইনঘাট রক্ষা করার জন্য। আমাদের বিজেবি কোথায়? যারা নাকি অনেক সাহসী। ভয় পেল নাকি!
    আসুন আমরা সবাই বলি আমার চেয়ে কে বেশি দেশপ্রেমী হতে পারে, যে ভারতের জন্য ব্যস্ত থাকতে পারে। কারন ভারতে তো আমার আশ্রয় হয়।

  4. Aslam on জুন ২১, ২০১১ at ৪:৪৭ অপরাহ্ণ

    শফিক রেহমান,
    কুমিররা এবার বিএনপির হয়ে ভোট কারচুপি করে নাই বলে রাগ করছেন?

  5. Arif on জুন ২১, ২০১১ at ৪:২২ অপরাহ্ণ

    ki Safiq Vi, kumirer bacha 2tar kota kicu bollen na keno?

  6. habib on জুন ২১, ২০১১ at ৪:০৯ অপরাহ্ণ

    ভাল অর্টিকেল। রতনে রতন চেনে,………………. চেনে কুমির।

  7. Didu Miya on জুন ২১, ২০১১ at ৩:০৯ অপরাহ্ণ

    কিছুই বলার নাই… জনাব শফিক রহমান সবই বলে দিয়েছেন। সবচেয়ে বড় যে বিষয়টি তিনি বের করলেন সেটি হল:

    হাসিনার জন্য দুটো অপশন
    ক. কুমির বাহিনীর সহায়তায় ক্ষমতা পুনরায় করায়ত্ত করা
    খ. যদি কোন ভাবেই সম্ভব না হয়, তাইলে খালেদার চাইতেও কুমির বেশি আস্থাভাজন তার জন্য।

    তাই জয় হবে কুমিরের তাতেই হবে হাসিনার জয়।

  8. মোঃ খলিলুর রহমান on জুন ২১, ২০১১ at ১২:০০ অপরাহ্ণ

    kumir chaina.

  9. মোঃ খলিলুর রহমান on জুন ২১, ২০১১ at ১১:৫৫ পুর্বাহ্ন

    এ দেশে বার বার কুমির আসা দরকার। কুমির না আসলে আমাদের চরিত্র ঠিক হবে না। চরিত্র ঠিক হলে কুমিরের ভয় থাকবে না।

  10. জাভেদ on জুন ২১, ২০১১ at ৯:৪৮ পুর্বাহ্ন

    অনেক মানুষই অনেক কিছু শিখছে নেড়িকুকুরের কলাম পড়ে। আমার মনে হয়, কোনটা কুশিক্ষা আর কোনটা শিক্ষা- তা খেয়াল করে শিক্ষা নেয়াটাই ভালো।

  11. Mostafiz on জুন ২১, ২০১১ at ৯:০৭ পুর্বাহ্ন

    আমরা নিরপেক্ষ সমালোচনা চাই । একপেশে মন্তব্য জাতির জন্য ভাল নয় । এটা ঠিক ৯০ এর পূর্বের শফিক রেহমান এবং বর্তমানের শফিক রেহমানের মধ্যে অনেক পার্থক্য । ব্যক্তিগত মতাদর্শ সবারই থাকতে পারে তবে কলাম লেখার সময় তা প্রকাশ না করাই উত্তম ।

  12. Bangladeshi on জুন ২১, ২০১১ at ৬:২৮ পুর্বাহ্ন

    কলাম লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমি একটা জিনিষ বুঝি না যে, মন্তব্য করলে বা কিছু লিখলে মানুষ সেটাকে তার নিজিস্ব দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্তা করে বা ভাবে। এটা কি ঠিক? দেশের স্বার্থে একটু নিরপেক্ষ হওয়ার চেষ্টা করুন। স্বনামধন্য লেখকরা কি লিখলো তা নিরপেক্ষভাবে চিন্তা করুন। তাহলে সত্যটা প্রকাশ পাবে। প্রসঙ্গ‌ঃ যেহেতু প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে- সেটা অনুধাবন করুন। তারপর মন্তব্য করুন। আর সবাইকে অনুরোধ করছি নিরপেক্ষ ও ভদ্রতাপূর্ণ মন্তব্য করুন। ধন্যবাদ সবাইকে।

  13. নাসরীন on জুন ২১, ২০১১ at ২:০০ পুর্বাহ্ন

    অসম্ভব ভাল লাগলো।

  14. hasan jeddah k s a on জুন ২১, ২০১১ at ১২:৪৪ পুর্বাহ্ন

    মন দিয়ে পডেছি, ভালো লিখেছেন। THANK YOU.

  15. শংকর on জুন ২০, ২০১১ at ৮:৫৬ অপরাহ্ণ

    জনাব নেড়ি কুকুর ,আপনাকে ধন্যবাদ লেখাটির জন্য। কুমির বাহিনীর সঙ্গে আঁতাত করে সবাই ক্ষমতায় যেতে চায়। কুমির বাহিনীর প্রধান জিয়া কিন্তু দেশের গণতন্ত্র ধংসের স্থপতি। এটা আপনি অস্বীকার করতে পারবেন না।

  16. Engr. Md. Liakot Ali Khan on জুন ২০, ২০১১ at ৪:১৫ অপরাহ্ণ

    শেখ হাসিনা সব সময়ই বিচার মানেন, কিন্তু তালগাছের মালিকানা ছাড় দিতে রাজী হোন না কখনোই।

  17. Nurul Amin on জুন ২০, ২০১১ at ৩:১২ অপরাহ্ণ

    আমার মনে হয় আমাদের গর্বের সেনাবাহিনীকে,কুমিরবাহিনী আর সেনাপ্রধানকে,কুমিরপ্রধান বলে আখ্যা দিবার প্রয়োজন ছিল না। আমাদের সরাসরি কথা বলার সাহস থাকা উচিত।

    • jahid on জুন ২৯, ২০১১ at ৩:১৪ পুর্বাহ্ন

      শফিক রেহমানের কলামটা পড়লাম খুব হাসি পেলো। আসলে শফিক রেহমান কী চিজ বুযতে আর কারো বাকি নেই।

  18. Ripon on জুন ২০, ২০১১ at ১:৫৬ অপরাহ্ণ

    লেখাটি সুখপাঠ্য এবং আপনার স্টাইল গতানুগতিক। কিন্তু আপনার মত কাউকে কুকুর কুমির এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করে লেখতে দেখে আমার কেন জানি ভালো লাগলো না । কখনো কখনো কাউকে সন্মানিত মনে হলে অসন্মান করতে মন চায় না। ভাল থাকুন।

  19. Abir Hossain on জুন ২০, ২০১১ at ১:২৯ অপরাহ্ণ

    খুবই ভাল লেখা। তবে আর এক্ টু নিরপেক্ক হলে ভাল লাগ্ ত।

  20. Bipul on জুন ২০, ২০১১ at ১১:৫০ পুর্বাহ্ন

    আমরা যে যতই শিক্ষিত হইনা কেন আমরা কখনোই নিরপেক্ষ হতে পারি না। তার প্রমাণ আমাদের শিক্ষিত শ্রেণীর দুর্ভাগ্যজনক নিরপেক্ষহীনতা। আমরা শিক্ষিত শ্রেনীর ভদ্রবেশী মানুষরা যেখানে সত্যকে সত্য ও মিথ্যাকে মিথ্যা বলতে পারিনা সেখানে যে দেশের বেশিরভাগ মানুষই অশিক্ষিত তাদের কাছ থেকে আমরা কিইবা আশা করতে পারি।

    সৃষ্টিকর্তা আমাদের বিবেক জাগ্রত করার পথে সহায় হোন।

  21. রাইটার on জুন ২০, ২০১১ at ১০:১১ পুর্বাহ্ন

    প্রিয় রেহমান সাহেব

    আমাদের চিন্তাগুলোকে আপনি সামনে আনেন বলে আপনাকে ধন্যবাদ। বেগম জিয়ার স্বামী কুমির ছিলেন, একথা বললেও কোন ইতর বিশেষ হতো না। তবে কুমিরবাহিনী শেখ হাসিনার দেয়া এই নতুন নাম কীভাবে নেয়, সেটাই দেখার বিষয়। মনে হচ্ছে অনেক কুমির বেনামে আপনার লেখার বিরোধিতা করতে শুরু করেছে।

  22. prince on জুন ২০, ২০১১ at ৯:৫২ পুর্বাহ্ন

    অসাধারণ লজিকাল আর্টিকেল. তবে আমরা ভারত নামক এক বিশাল কুমিরের পাকচ্থলিতে দিন দিন হজম হতে চলেছি।

  23. Md Monir Hossain on জুন ২০, ২০১১ at ৯:২৪ পুর্বাহ্ন

    Sabas baper beta.

  24. নয়ন on জুন ২০, ২০১১ at ১:১৮ পুর্বাহ্ন

    একপেশে লেখা।

  25. zafrin on জুন ১৯, ২০১১ at ১০:৫২ অপরাহ্ণ

    আপনার মত লোকের কলমে এইসব মানায় না। দয়া করে কলমটা পরিস্কার করে নিন।

  26. engr moin on জুন ১৯, ২০১১ at ১০:২৬ অপরাহ্ণ

    মগের মুল্লুক শুনেছি কিন্ত দেখিনি । তবে মনে হচ্ছে বাঙলাদেশটাই মগের মুল্লুক ।
    যার যা ইচ্ছা তাই করছে দেশে । মূল্য বৃদ্ধি আর ও কত কী !

  27. libmon on জুন ১৯, ২০১১ at ১০:১৬ অপরাহ্ণ

    darun !!!

  28. libmon on জুন ১৯, ২০১১ at ৯:৫৯ অপরাহ্ণ

    kumir to sob somoyei active(soktishali) silo, ekhono ase. kokhono pordar arale, kokhono pisone. kumirment-e thakte tader valo lagena. Jader kaj juddher jonno toiri thaka ebong juddher somoy juddho kora tara kina se kaj ar posondo korse na. Khaleda-Hasina-dujonkei dekhesi tara kumir-der sathe sokkhota rekhe khomotai thakte chai.

  29. Rabbi on জুন ১৯, ২০১১ at ৯:৪৮ অপরাহ্ণ

    স্যার , অনেক ভালো লাগলো । কিন্তু ব্যাপারটা আপনি নিরপেক্ষভাবে উপস্থাপন করলে আরও ভাল লাগতো । কোন দলেই এখন ভরসা নেই । অনুগ্রহ করে আমাদের ব্যাপারটা একটু নজর দেন । আর না হলে কিন্তু বাংলাদেশ এও মিশর বা লিবিয়ার মত ঘটনা ঘটে যেতে পারে । ধন্যবাদ ।

  30. Taslima Alam on জুন ১৯, ২০১১ at ৯:৪৫ অপরাহ্ণ

    আপনার লেখার প্রতিক্রিয়ায় মন্তব্যগুলো আশা করি মন দিয়ে পড়বেন। অধুনা পাঠককূল যে কী দৃষ্টিতে দেখে তা নিশ্চয়ই অনুভব করতে পারছেন । Md. Anwarul Kabir আপনার লেখার প্রেক্ষিতে লিখেছেন, “যায় যায় দিন আমার মতোন সে সময়কার অনেককেই অনুপ্রাণিত করেছিল সামরিক শক্তির বিরূদ্ধে সোচ্চার হতে। আমার কিশোর বয়সের যাপিত জীবনে সে সময় ছিলেন সত্যি সত্যিই রোল মডেল। পরবর্তীতে এরশাদের দানবীয় শাসনামলে আমার মতোন অনেক যুবকেরই এরশাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় হতে প্রেরণা যোগাতো। মনে পড়ছে সে সময়েই আমি আপনাকে যায়যায়দিনে অপশক্তি জামাতের উপর একটি প্রতিবেদন লিখতে অনুরোধ করলে আপনি একটি পোষ্টকার্ডে জানিয়েছিলেন উক্ত বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের যায়যায় দিনের পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু শেষপর্যন্ত তা প্রকাশ হয়নি।

    যা হোক, এরশাদের পতনের পর আপনার চিন্তাচেতনার অভাবিত পরিবর্তনে আমার মতোন অনেকই ব্যথিত হয়েছে। আপনার প্রতি যে ভালবাসা, শ্রদ্ধা যুবসমাজের মাঝে ছিল তা ক্রমশ:ই বিলোপ হতে শুরু করে আপনার বিতর্কিত ভূমিকার কারণে। আমাদের আশা ছিল একাত্তরের ঘাতকদের বিরূদ্ধে আপনি সোচ্চার হবেন, তা হয়নি। আমাদের আশা ছিল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আপনি জনগণের পাশে থাকবেন, তা হয়নি। অন্তত: জাতির পরম শ্রদ্ধেয় শিক্ষক, সাইদুর রহমান স্যারের পুত্র হিসেবেও আপনার কাছে প্রত্যাশা ছিল প্রভূত।

    পরবর্তীতে যখন আমরা দেখি তথাকথিত হাওয়াভবনের দূর্ণীতিবাজ তুর্কীদের সাথে আপনার দহরমমহরম, তখন আমরা দু:খ পেয়েও অবাক হইনি।”

    সত্যিই ভদ্রলোক ঠিক কথাই বলেছেন।

  31. শরিফ on জুন ১৯, ২০১১ at ৯:৩৪ অপরাহ্ণ

    এই কুমিরপ্রধানের যোগসাজশে ২০০৭ এবং ২০০৮ সালে তিনি দুইবার আমেরিকা চলে যান। তখন হাসিনা দাবি করেন ওই কুমির সরকার তারই আন্দোলনের ফসল। অর্থাৎ তিনিই কুমির এনেছিলেন।

    এই অংশটা চমতকার হয়েছে…।

  32. raz on জুন ১৯, ২০১১ at ৯:২৯ অপরাহ্ণ

    excellent lekha, valo legese. aro valo likhun.

  33. Sharif on জুন ১৯, ২০১১ at ৯:২৪ অপরাহ্ণ

    শফিক রেহমানের লেখাটির বিপরীতে কিশোর চৌধুরীর প্রতিক্রিয়া পড়ে হতাশ হলাম। বাংলাদেশে কোন দলের গায়ে কিসের গন্ধ জানি না, তবে কিশোর চৌধুরীর পছন্দের দল আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড সবসময়ই কুমিরদের পক্ষে গেছে। বাংলাদেশের কুমিরদের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর কুমির এরশাদের আগমনের সময় তিনি খুশীতে গদগদ হয়ে বলেছিলেন: আই অ্যাম নট আনহ্যাপি। শফিক রেহমানই উল্লেখ করেছেন যে, হাসিনা মঈন ইউ আহমেদের যাবতীয় অপকর্ম জায়েজ করার আগাম ঘোষণা দিয়ে রেখেছিলেন। কাজেই কুমির প্রশ্নে আপনার আওয়ামী লীগ কীভাবে বিএনপি-র চেয়ে বেশি নিরাপদ হল? বিএনপি অন্তত আর যাই করুক, এক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের মত উঠতে বসতে ভণ্ডামী করে না। মনে পড়ে, ১৯৯১-এর নির্বাচনের আগে শেখ হাসিনা বলেছিলেন, বিএনপি ১০টির বেশি সিট পাবে না এবং জামাত নাকি আওয়ামী লীগের পরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সিট পাবে। আর ১৯৯১-৯৫’এ জামাতকে পাশে নিয়ে আন্দোলনের কাহিনীতো পুরো বিশ্ব জানে। তখন বোধ হয় হাসিনার মনে ছিল না যে জামাত যুদ্ধাপরাধী। অবশ্য কিশোর চৌধুরীরা থাকতে হাজার ভণ্ডামী করেও সমস্যা হবে না। তাঁরাতো জাতির মুখপাত্রের দায়িত্ব নিয়েই নিয়েছেন!

  34. Harun on জুন ১৯, ২০১১ at ৯:১১ অপরাহ্ণ

    @ Amjonota, Dekhun Mr. Shafiq Rehman ebong tar neta ziaur rahman ebong tar netri khaleda zia tu astay pistay comirment. “Janen to bhai krishno korlay lila Khela ar amra korlay showtany”. Oner netrier ta lila khela kinto sk. Hasina korlay shawtany.

  35. Syed Hasan Zobair on জুন ১৯, ২০১১ at ৭:৫৯ অপরাহ্ণ

    আপনি আপনার রাজনৈতিক বিশ্বাস থেকে কোনো দলকে সমর্থন দিতেই পারেন এবং আপনার লেখায় তার প্রতিফলন থাকাটাও দোষের নয়, কারন এমনটি উন্নত বিশ্বসহ সব দেশেই রয়েছে। তবে আপনার বিশেষত্ব হলো আপনি কোনো ভুল তথ্য দেননা এবং আপনার লেথা সবসময় তথ্যবহুল। একজন দেখলাম লিখেছেন যে, খালেদা জিয়ার দলটি কুমিরমেন্ট এ জন্মেছে। তথ্যটি বিকৃত তথ্য। কারন কুমিরমেন্ট থেকে বের হয়ে মানুষের কাতারে দলের জন্ম হয়েছে এবং তিনি কুমিরমেন্ট এর বাসায় অবস্থান করলেও এই কুমিররাই কিন্ত তাকে বাসা থেকে বের করে দিয়েছেন আর তারাই হাসিনাকে ক্ষমতায় বসিয়েছেন। বাকিটুকু আপনি বর্ণনা দিয়েছেন।

  36. asif iqbal on জুন ১৯, ২০১১ at ৭:২০ অপরাহ্ণ

    সুন্দর লেখা। তবে, কেন যে আপনি দলীয় চিন্তার উপরে উঠতে পারেন না, সেটাই বুঝে উঠতে পারি না।

  37. mehedy hasan on জুন ১৯, ২০১১ at ৭:১৮ অপরাহ্ণ

    শফিক রেহমানের লেখা পেলেই আমি সময় নিয়ে আয়েশ করে পড়তে বসে যাই। সকালে দ্রুত অফিসে বের হবার তাড়া না থাকলে বালিশে হেলান দিয়ে আয়েশ করে পড়তে শুরু করি এবং আশপাশের লোকজনের সাথে শেয়ার করি। কি দারুন তার উপস্থাপনা। সে কি নাটকীয়তা। আনন্দের জন্য পড়া বলতে যা বোঝায় তা আসলে তার লেখাতেই পাই। একই সাথে আনন্দ, তথ্য, জ্ঞান এবং রস লাভের সুযোগ। ধন্যবাদ মি. শফিক রেহমান চমৎকার সব আইডিয়া নিয়ে নাটকীয় লেখা লিখে আমাদের আনন্দদান আর দেশসেবার জন্য। আপনি দীর্ঘজীবী হউন।

  38. Mahin on জুন ১৯, ২০১১ at ৬:৪১ অপরাহ্ণ

    বরাবরের মতোই অসাধারণ লেখা! বাংলাদেশের ইতিহাসের এযাবতকালের প্রায় সকল দূর্যোগই ঘটিয়েছে এই কুমিরেরা। অথচ, অবাক লাগে – কুমিরদের নিয়ে কিছু বলতে গেলেই একশ্রেণীর ‘পরিবেশবাদী’রা ঘেউ ঘেউ করে উঠে!

  39. Rafiq on জুন ১৯, ২০১১ at ৬:০৪ অপরাহ্ণ

    আপনার নেত্রী যে একজন কুমির প্রধানের বউ তা তো একবারও বললেন না।

  40. kishor chaudhury on জুন ১৯, ২০১১ at ৫:৪০ অপরাহ্ণ

    বেগম খালেদা জিয়ার স্বামী জিয়াউর রহমানও কিন্তু কুমির প্রধান ছিলেন। আপনার ভাষায় কুমিরমেন্টেই বিএনপি’র জন্ম দিয়েছিলেন। বেগম জিয়াও দীর্ঘদিন কুমিরমেন্টেই ছিলেন। সে প্রসঙ্গে কিছু বললেন না যে! শেখ হাসিনা সেই পিতার সন্তান যিনি র্দীর্ঘ ২৪ বছর কুমির শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিলেন। শেখ হাসিনা তারই উত্তরাধিকার। বেগম খালেদা জিয়ার স্বামী কুমির প্রধান ছিলেন এবং তার দল ও তিনি সেই কুমিরমেন্টের উত্তরাধিকার। এখন বলেন, আপনার এই বিস্তৃত কুমিরতত্ত্ব কেমনে বিশ্বাস করি? বাংলাদেশের মানুষ কথনই কুমির শাসন চায়না। এ কারনে বিএনপি সব সময় সাধারন মানুষের সন্দেহের চোখেই থাকে। আওয়ামীলীগও কুমিরঘেঁষা নীতি নিলে দেশের মানুষ তা ভালভাবে নেবে না। কিন্তু কুমির প্রশ্নে বিএনপি আওয়ামীলীগের চেয়ে নিরাপদ, এটা মেনে সাধারন বুদ্ধির মানুষের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। কারন বিএনপি’র সর্বাঙ্গেই কুমিরের আবরণ, গন্ধ। কিন্তু আপনার লেথা পড়ে মনে হল, নেড়ি কুকুড় এথন এক চোথে দেথে।আপনার এক চোথ অন্ধ হলে বলুন, আমরা সবাই কিছু করে দিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করি।

    • kasem, on জুন ১৯, ২০১১ at ১০:২১ অপরাহ্ণ

      খুব ভাল জবাব।

      • Md. Mahfujur Rahaman Chy. on জুন ২০, ২০১১ at ৩:২০ অপরাহ্ণ

        Mr.Kishor chaudhury, democracy r liberty’r symbol amra to dekhtei paschi! BAL-er pokkhe safai geye lav ki! Hortal-e mobile court boshano ebong shimante protinioto hottakando tar boro proman noi ki??? Ami ajo banglar akashe FELANI’R chitkar shunte pai!!!

      • শ্রাবন on জুন ২০, ২০১১ at ৩:২২ অপরাহ্ণ

        জযতু …………
        কমেন্টটা লাইক করলাম।

    • এফ কে এস on জুন ১৯, ২০১১ at ১১:২৪ অপরাহ্ণ

      আপনি তো গৎবাধা একটা ধারনা থেকে এই কমেন্ট করলেন। শফিক রেহমান সাহেব যে যুক্তির মাধ্যমে তার অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন সেইভাবে যুক্তির বিরোধিতা করেন। জিয়া কুমির প্রধান ছিলেন বলে তো কোন সমস্যা হয়নি। বরং তার জানাজায় বিশাল মানূষের সমারোহ কুমিরের প্রতি মানূষের ভালোবাসারই প্রতিচ্ছবি বলেই মনে করা যায় নাকি? আপনার কথা মতো বি এন পিকে মানুষ সব সময় সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখে, তা আপনি মানুষ বলতে আসলে কাদের বোঝাচ্ছেন জানালে ভালো হতো কারন এই বি এন পিকে মানূষ ১৯৯১ সালে স্মরনকালের নিরপেক্ষ নির্বাচনে নির্বাচিত করেছে যখন আপাতদৃষ্টিতে বি এন পি এর আসার কোন কারন ছিলোনা। এখানে কি বি এন পি এর কোন কুমিরপ্রীতির লিঙ্ক পাওয়া যায় তা জানালে ভালো লাগবে।

      • Shuvro on জুন ২০, ২০১১ at ৪:০১ অপরাহ্ণ

        ম্যাডাম এতদিন কুমিরমেন্ট ছাড়তে চান নাই কেন ??
        শফিক রেহমান তো এই ব্যাপারে কিছু কইলেন না, আপ্নিও কিছু কইলেন না ।।

        • এফ কে এস on জুন ২১, ২০১১ at ৩:৫৮ অপরাহ্ণ

          তার আগে আপনি বলেন মানূষগুলা জানে যে সাইক্লোন এলে বা নদী ভাংলেই তার বাড়ি-ঘর ভেসে যাবে তারপরও দুর্যোগের সময় ছেড়ে যায়না কেনো?

      • মাসুদ মঞ্জুর on জুন ২২, ২০১১ at ১১:৪৩ পুর্বাহ্ন

        দাদা, ভালো লাগলো আপনার কমেন্ট পড়ে। তবে কি জানেন, একজন আমরণ সংগ্রাম করেছে কুমির থেকে মানুষ হওয়ার আর আওয়ামী মানুষ থেকে কুমির হতে চেয়েছে সারা জীবন। আপনি দেখবেন, জিয়া কুমির হওয়ার পরও বহুদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে, খালেদা এরশাদ বিরোধী আন্দোলন করেছে। আর আওয়ামী লীগ মানুষ হয়েও বাকশাল কায়েম করেছে, হাসিনা এরশাদের সঙ্গে আঁতাত করেছে।

    • জাহানুর হাসান। on জুন ১৯, ২০১১ at ১১:৫৫ অপরাহ্ণ

      ভাই আপনি চরম কথা কইসেন।

    • মাসুদ মঞ্জুর on জুন ২০, ২০১১ at ১২:৫৯ পুর্বাহ্ন

      দাদা, ভালো লাগলো আপনার কথা পড়ে। তবে কি জানেন, একজন আমরণ সংগ্রাম করেছে কুমির থেকে মানুষ হওয়ার আর আওয়ামী মানুষ থেকে কুমির হতে চেয়েছে সারা জীবন। আপনি দেখবেন, জিয়া কুমির হওয়ার পরও বহুদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে, খালেদা এরশাদ বিরোধী আন্দোলন করেছে। আর আওয়ামী লীগ মানুষ হয়েও বাকশাল কায়েম করেছে, হাসিনা এরশাদের সঙ্গে আঁতাত করেছে।

      • tanvir on জুন ২১, ২০১১ at ৩:৪২ অপরাহ্ণ

        josh.

    • Adonis on জুন ২০, ২০১১ at ১:০৯ অপরাহ্ণ

      vai apni hoito janen na jara Kumirder sathei 71 e sararat PM howar jonne meeting krlo, 81 e sorojontro korlo, Kumirer sathe election korlo, Kumirer sathe jout kore andolon korlo, Kumirder deke anlo, and shesh mesh Ek Kumir prodhanke sohochor baniye niye arek kumirer sajano electin e pash korlo.tarai naki abar Kumir ke voi pai….hashi pai amader…..

      • kishor chaudhury on জুন ২০, ২০১১ at ৭:১৭ অপরাহ্ণ

        ভাই এখানে ‌৭১ কেন টেনে আনলেন? বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য পাকিস্তানী সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন, এ তত্ত্ব তো গোলাম আযম, নিজামীদের মত রাজকারদের। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানী কুমিরদের বিরুদ্ধে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ২৪ বছর আন্দোলন করেছেন, ৭ ই মার্চের ভাষণও দিয়েছেন, আলোচনাও করেছেন,জেলেও গেছেন। পৃথিবীর সব জাতীয় নেতাদেরই এই ইতিহাস আছে। আর গোলাম আযম, নিজামীরা পাকিস্তানী কুমিরদের চাকর-বাকর হিসেবে কাজ করেছে, বাঙালী হত্যা করেছে। তাদের একান্ত অনুগত না হলে তাদের তত্ত্ব মেনে নেওয়া সম্ভব না। আপনি তাদের অনুগত হলে আর কি বলার আছে? স্বাধীন দেশে যখন জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়া রাজাকার, আল বদরদের সঙ্গে নিয়ে ক্ষমতা দখল করতে চেয়েছে, তখন হয়ত আওয়ামীলীগ রাজনৈতিক কৌশল হিসেবেই সাবেক কুমির প্রধানের সঙ্গে জোট বেঁধেছেন। এটা ভাল তা বলা যাবে না, কিন্তু আওয়ামীলীগের সামনে হয়ত বিকল্প ছিল না। বিএনপি কুমির তোষণ করেনি, শুধু(অব:) কুমিরদের পাইকাড়ি হারে রাজনীতিতে এনে পুরো রাজনীতিই কুমিরময় করার চেষ্টা করেছে, নানা আবরণে সিভিল প্রশাসনে কুমিরবাহিনীর সার্বক্ষণিক শাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে। সমস্যা হচ্ছে, বিএনপি নতুন নতুন অপকর্মের জন্ম দিচ্ছে, আর আওয়মীলীগও সেই অপকর্মের পাঁকচক্রে জড়িয়ে পড়ছে,এটাই জাতির জন্য দুর্ভাগ্য। হরতালে মোবাইল কোর্ট, বিচার বর্হিভূত হত্যাকান্ড কখনই কোন সুস্থ, বিবেকবান মানুষ সমর্থন করে না। শফিক রেহমান কিন্তু কখনই বিচার বর্হিভূত হত্যাকান্ড সহ মানবাধিকার লংঘনের ঘটনায় কলম ধরেননি। বরং শামসুন্নাহার হলে পুলিশী অভিযানের পর এই শফিক রহমান নির্যাতিত ছাত্রীদের বিরুদ্ধে এবং নির্যাতক পুলিশের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন।

    • Arif on জুন ২০, ২০১১ at ২:২২ অপরাহ্ণ

      মি. কিশোর আপনি ঠিকই বলেছেন। বি.এন.পি’র জন্ম হয়েছে কুমির প্রধানের মাধ্যমে। কিন্তু শফিক রেহমান যে ইনফরমেশংুলো দিয়েছেন সেগুলো কিভাবে আপনি ভুল বলেন? ১৯৮৬,১৯৯৬ এবং ২০০৭ সালের আওয়ামী লীগের কুমিরের সাথে আতাত কিভাবে ভুলে যাবো? এই ইনফ্রমেশংুলো যদি ভুল হয় প্লিজ আমাদেরকে বলুন।

    • বিডিদেশি মাহাথির on জুন ২০, ২০১১ at ৪:২৬ অপরাহ্ণ

      জিয়া কুমির প্রধান ছিলেন কোন সন্দেহ নাই কিন্তু ব্যতিক্রম। তাই অন্য সব কুমিরের সাথে তাকে তুলনা করা যায় না। জিয়ার মতো কুমির প্রধান ক্ষমতায় না আসলে কি দেশে আজ এত পত্রিকা থাকত, আওয়ামিলিগের পুনর্জন্ম হত?

      • fazlul on জুন ২০, ২০১১ at ৭:৫৬ অপরাহ্ণ

        valo bolasen.

    • Saif on জুন ২০, ২০১১ at ৫:০০ অপরাহ্ণ

      খুব খুব খুব ভাল জবাব।

  41. sohel on জুন ১৯, ২০১১ at ৫:০৫ অপরাহ্ণ

    ভাল।

  42. Farid A Reza on জুন ১৯, ২০১১ at ৪:৫০ অপরাহ্ণ

    চমৎকার! আপনার ভাষা এবং কল্পণাশক্তি অসাধারণ। ধন্যবাদ।

  43. আলী হাসান on জুন ১৯, ২০১১ at ৪:৩৯ অপরাহ্ণ

    অসাধারণ!

  44. Jamshed on জুন ১৯, ২০১১ at ৪:১৯ অপরাহ্ণ

    Excellent but why did the writer (a wise man) not mention that
    খালেদা জিয়ার স্বামীও একজন কুমিরপ্রধান।

  45. joy on জুন ১৯, ২০১১ at ৪:০২ অপরাহ্ণ

    হাসতে হাসতে পেটে খিল ঢরে গেছে।

  46. Md. Anwarul Kabir on জুন ১৯, ২০১১ at ৩:৫৮ অপরাহ্ণ

    শ্রদ্ধেয় শফিক রেহমান,

    আপনার সুললীত ভাষায় কুমির/কুকুর সমাচার পড়িয়া বরাবরকার মতোনই আমোদিত হইলাম।

    যায় যায় দিন আমার মতোন সে সময়কার অনেককেই অনুপ্রাণিত করেছিল সামরিক শক্তির বিরূদ্ধে সোচ্চার হতে। আমার কিশোর বয়সের যাপিত জীবনে সে সময় ছিলেন সত্যি সত্যিই রোল মডেল। পরবর্তীতে এরশাদের দানবীয় শাসনামলে আমার মতোন অনেক যুবকেরই এরশাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় হতে প্রেরণা যোগাতো। মনে পড়ছে সে সময়েই আমি আপনাকে যায়যায়দিনে অপশক্তি জামাতের উপর একটি প্রতিবেদন লিখতে অনুরোধ করলে আপনি একটি পোষ্টকার্ডে জানিয়েছিলেন উক্ত বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের যায়যায় দিনের পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু শেষপর্যন্ত তা প্রকাশ হয়নি।

    যা হোক, এরশাদের পতনের পর আপনার চিন্তাচেতনার অভাবিত পরিবর্তনে আমার মতোন অনেকই ব্যথিত হয়েছে। আপনার প্রতি যে ভালবাসা, শ্রদ্ধা যুবসমাজের মাঝে ছিল তা ক্রমশ:ই বিলোপ হতে শুরু করে আপনার বিতর্কিত ভূমিকার কারণে। আমাদের আশা ছিল একাত্তরের ঘাতকদের বিরূদ্ধে আপনি সোচ্চার হবেন, তা হয়নি। আমাদের আশা ছিল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আপনি জনগণের পাশে থাকবেন, তা হয়নি। অন্তত: জাতির পরম শ্রদ্ধেয় শিক্ষক, সাইদুর রহমান স্যারের পুত্র হিসেবেও আপনার কাছে প্রত্যাশা ছিল প্রভূত।

    পরবর্তীতে যখন আমরা দেখি তথাকথিত হাওয়াভবনের দূর্ণীতিবাজ তুর্কীদের সাথে আপনার দহরমমহরম, তখন আমরা দু:খ পেয়েও অবাক হইনি।

    যাহোক, বর্তমান রাজনীতির প্রেক্ষাপটে এখন আপনি বিরোধীদলীয় নেত্রীর অলিখিত উপদেষ্টা। ওনার পক্ষে আপনার শাণিত কলম যে সোচ্চার থাকবে তা তো স্বাভাবিকই।

    • Nagorik on জুন ২০, ২০১১ at ২:৪০ অপরাহ্ণ

      অনেকেই শফিক রেহমানের বর্তমান ভূমিকা নিয়ে ব্যথিত হন। বিশেষত যারা তাকে আইডল মনে করেন। আপনার মতো আমিও তাকে অনেক পছন্দ করি। আমি শফিক রেহমানকে এই পরিবর্তনের কথা জিগ্ঙেস করেছিলাম। তিনি আমাকে বলেছেন, ১৯৯১ সালের আগে ছিলো সামরিক সরকার। কিন্তু এরপর গণতান্ত্রিক সরকার। তাদেরকে আমাদের হেল্প করতে হবে যাতে দেশটা সামনের দিকে এগিয়ে যায়। তিনি বিশ্বাস করেন রাজনীতিতে ভালো ভালো লোক আসা দরকার। এটা আওয়ামী লীগ হতে পারে আবার বি.এন.পিও হতে পারে। সবাইকে শুধু একই দল করতে হবে এমন নয়। তাহলেই ভালো গণতন্ত্র চর্চা হবে।
      লক্ষ্য করুন, দুই দলেই ভালো লোকের খুব অভাব। যদি দলগুলোতে ভালো লোক থাকতো তাহলে আমাদের দেশটার আরো উন্নতি হতো। শফিক রেহমান বি.এন.পি করেন। ভালো কথা। তাতে আমাদের সমস্যা কোথায়। এটা তার অধিকার আছে। আর তিনি যদি বি.এন.পিকে দিয়ে ভালো একটি কাজ দেশের জন্য করাতে পারেন সেটাতো আমাদের জন্য খুবই ভালো। আশাকরি ভেবে দেখবেন।

  47. Atiqur Rahman on জুন ১৯, ২০১১ at ৩:৪৭ অপরাহ্ণ

    Excellent…!! যতই শফিক রেহমানের লেখা পরছি ততই নতুন নতুন বিষয় জানতে পারছি..! Lot of thanks to Shafik Rehman.

  48. hijol koroch on জুন ১৯, ২০১১ at ৩:১৫ অপরাহ্ণ

    ধন্যবাদ শফিক রেহমান সুন্দর একটি কলামের জন্য। আমি আপনাকে শ্রদ্ধা করি কারণ আপনি সাংবাদিকতাকে পুঁজি করে বা দালালি করে কোন সুবিধা নেন না এই কারণে। যতটুকু জানি কোন সুবিধা না নেয়া আপনি আপনার রাজনৈতিক বিশ্বাস থেকেই বিএনপির পক্ষে লিখেন। তবে আপনার মতো একজন ঝানু সাংবাদিকের কাছে এরকম পক্ষপাতিত্বমূলক লেখা পড়ে মাঝে মাঝে হতাশ হই। তবে আপনার তারূণ্যদীপ্ত আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিত্ব-পান্ডিত্যের কারণে শ্রদ্ধা করি, ঈর্ষা করি!!! আপনার কাছে এরকম লেখা চাই প্রতিনিয়ত।

  49. হাবলু on জুন ১৯, ২০১১ at ২:৫১ অপরাহ্ণ

    ভালই লিখছেন ,আরও লিখবেন ।

  50. Shahoshi on জুন ১৯, ২০১১ at ২:০৯ অপরাহ্ণ

    Excelent article!

  51. কৄষান on জুন ১৯, ২০১১ at ১২:৫১ অপরাহ্ণ

    আমাদের দেশ আজ প্রভুদের পা চাটা নেরিকুত্তার দল আর কুমিরের মত পশুতে ভরে গেছে,এই সব পশুদের নিজেদের মধ্যে কামড়া কামড়িতে আমরা যারা এখন মানুষ আছি তাদের প্রাণ ওষ্ঠাগত।

  52. ইউসুফ on জুন ১৯, ২০১১ at ১১:৪৪ পুর্বাহ্ন

    চমৎকারভাবে আপনি বিষয়টাকে উপস্থাপন করেছেন।

  53. swapan on জুন ১৯, ২০১১ at ১১:২৬ পুর্বাহ্ন

    আপনার দলীয় সেন্টিমেন্ট থেকে লেখা কলামটি পড়লাম। আপনার লেখায় দল নিরপেক্ষ, নির্মোহ বিশ্লেষন থাকবে এটা এখন আর আশাও করা উচিত হবেনা। কারণ আপনি এখন চিহ্নিত দলীয় লোক। আপনারা কেউ আওয়ামীলীগের , কেউ বিএনপির, কেউ অন্য কোন দলের।

  54. alapcharita on জুন ১৯, ২০১১ at ১১:০৫ পুর্বাহ্ন

    এই ইন্ডিয়ান কুমিরের caste বা জাত কী? ব্রাহ্মন নাকি ম্লেচ্ছ?

  55. Monjurul Islam on জুন ১৯, ২০১১ at ১০:৫৭ পুর্বাহ্ন

    excellent!

  56. সালেহ জামান on জুন ১৯, ২০১১ at ৯:৫৫ পুর্বাহ্ন

    শফিক রেহমানের লেখা সব সময়ই সুখপাঠ্য। তবে একপেশে লেখা। অর্ধেক সত্য।

  57. Dr Moshiul Alam Bhuyain on জুন ১৯, ২০১১ at ৯:২৮ পুর্বাহ্ন

    Sir, apnar e sahosh ke sadubad janai…apnar likha jodi bangladesh er sokol nagorik peto tahole onek upokrito hoto…tara bujte parto fasibadi e desh e kibabe andolon korte hoi….
    thank you sir, e probashe boseo apnar likha pore ektu holeo santy pai..

  58. mesbah on জুন ১৯, ২০১১ at ৮:৪০ পুর্বাহ্ন

    Excellent. Carry on MR Shafiq Rehman.

  59. Mir Arif Billah on জুন ১৯, ২০১১ at ৬:৩০ পুর্বাহ্ন

    Wonderful satire!

  60. fazlul on জুন ১৯, ২০১১ at ৬:১৮ পুর্বাহ্ন

    very funny.great satire.more writings from u,sir.best of luck.

  61. Ami musalman on জুন ১৯, ২০১১ at ৫:৫৩ পুর্বাহ্ন

    ধন্যবাদ এই লেখাটির জন্য। সমস্যা কী জানেন যাদের হাতে কলম থাকে তারা দূরবীন দিয়ে সব দেখে। কিন্তু কিছুই করতে পারে না। আর যারা কুমির কুমির খেলে তারা মনে করে অন্যকে ভয় দেখিয়ে নিজে লাভবান হবো,কিন্তু কুমির তো আর কুকুর নয়, যে প্রভুভক্ত হবে, সে শত্রু-মিত্র চিনে না, সে চিনে মাংস। তাই সুযোগ পেলে বিপক্ষ নয়, পক্ষের মানুষকেও হামলা করতে সে দ্বিধা করে না। অতীত ইতিহাস তাই বলে। তাই কাউকে খাল কেটে কুমির আনতে মানা করে নিজেও যেন নৌকায় করে কিংবা ট্রানজিট দিয়ে কুমির না আনি। তাহলে ভবিষ্যত খুবই ভয়াবহ হবে।

  62. Aktar on জুন ১৯, ২০১১ at ৪:৪৪ পুর্বাহ্ন

    What about 1975-81?

  63. ZF on জুন ১৯, ২০১১ at ৪:১৭ পুর্বাহ্ন

    কুমিরের পেট থেকেই যে দল ও নেতার জন্ম এবং কুমিরমেন্টে যাদের বেশিরভাগ জীবন কেটেছে তাদের আবার কুমিরের ভয় কি!

  64. MN Reza on জুন ১৯, ২০১১ at ৩:৩৬ পুর্বাহ্ন

    “১৯৮২ থেকে ১৯৯০-এর মতো প্রায় নয় বছর। অথবা ২০০৭ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত প্রায় দুই বছর।”
    বুঝলাম…।
    কিন্তু ১৯৭৫ থেকে ১৯৮১- এই কয়বছর এর কথা বেমালুম চেপে গেলেন যে…??

    • baul on জুন ২১, ২০১১ at ১২:৪৩ অপরাহ্ণ

      ভাসুরের নাম মুখে আনতে নাই।

      • মাসুদ মঞ্জুর on জুন ২২, ২০১১ at ১১:৩৫ পুর্বাহ্ন

        আপনার জন্ম কবে? ভালো করে ইতিহাস ঘাটুন। জানতে পারবেন একজন কুমির কিভাবে মানুষে পরিণত হয়েছিল।

        • তমাল on জুন ২৪, ২০১১ at ২:৩৬ অপরাহ্ণ

          চমৎকার।

    • naimul on জুন ২১, ২০১১ at ৩:২৮ অপরাহ্ণ

      good question, M N Reza.

  65. Sultan Khan on জুন ১৯, ২০১১ at ৩:১৭ পুর্বাহ্ন

    বেগম জিয়ার স্বামী বিপথগামী কুমিরদলের হাতে নিহত হয়েছিলেন। আর বঙ্গবন্ধু (শেখ হাসিনার পিতা) যে কুমিরদলের হাতে নিহত হয়েছিলেন, তারা বিপথগামী ছিলনা? নাকি তারা ভালো কুমির???

  66. jalal on জুন ১৯, ২০১১ at ২:২১ পুর্বাহ্ন

    ha ha.. but sob e ekpeshe. But excellent…..

  67. Khalid Hossain on জুন ১৯, ২০১১ at ১:৪৩ পুর্বাহ্ন

    যথার্থই মিল রয়েছে আপনার এবং উল্লেখিত প্রাণীটির।

    • Zularbine Kamal on জুন ২১, ২০১১ at ১২:১৭ পুর্বাহ্ন

      hahahaha.. bepok moja pailam.. ekdom moner kotha :D

    • naimul on জুন ২১, ২০১১ at ৩:২৭ অপরাহ্ণ

      you are right, khalid.

      • Khalid Hossain on জুন ২৪, ২০১১ at ৩:২৯ পুর্বাহ্ন

        ধন্যবাদ, আমিও শফিক সাহেবের খুব ভক্ত ছিলাম কিন্তু ইদানিং উনি বিএনপির অন্ধভক্ত হয়েছেন যা কিনা উনার মত বুদ্ধিজীবির মানায় না। আমরা উনাদের মত লোকের কাছে সত্য এবং গঠনমূলক সমালোচনা পছন্দ করি।

  68. JAJABOR on জুন ১৯, ২০১১ at ১২:৪৭ পুর্বাহ্ন

    chomotkar lekha sir..amn rupok lekha r o chai…bt sir..banglar manush k kumir diya shahon korano jay na..banglar manush k manush e shashon korbe..eta barbar proman hoyeche..vobisshot e o hbe..so kumir er voy dekiye luv hobe na…

  69. Faisal on জুন ১৯, ২০১১ at ১২:৩৩ পুর্বাহ্ন

    Assala mualaikum sir!
    apnar column jokhon porte boshi..tokhon bar bar vabi ajke jeno column ta onek boro hoy!..keno jani ei tuku pore tripti pai na..coz apnar column pore onek kichu shikhi ami..

    awesome satire! thanx..

  70. Insan on জুন ১৯, ২০১১ at ১২:০২ পুর্বাহ্ন

    excellent!!!

মন্তব্য করুন

প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

Get Adobe Flash playerPlugin by wpburn.com wordpress themes

ফেসবুক লিংক

ট্যাগ

আর্কাইভ