Feature Img

Rainer Ebertআপনি কজন বাঙালিকে চেনেন যে সর্ষে ইলিশ ভালোবাসে না? কাচ্চি বিরিয়ানি অথবা গরুর রেজালা ছাড়া কোনো বাংলাদেশি বিয়ে কল্পনা করতে পারেন?

অনুমান করতে পারি আপনার উত্তর হবে, ‘খুব বেশি না’ অথবা ‘একেবারেই না’। যদিও বাংলাদেশ সম্পর্কে আমার জ্ঞান সীমিত, আমি এটুকু জানি, বাঙালি মাংস ভালোবাসে, মুসলমানেরা হিন্দুদের থেকে বেশি; আর সব বাঙালি মাছ ভালোবাসে। সে জন্য মনে হতে পারে বাংলাদেশে প্রাণিদের অধিকার নিয়ে কথা বলা বাতুলতা। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ বিপরীত।

আমি ২০০৯ সালে প্রথম বাংলাদেশ যাই, আর সেই থেকে প্রতি বছর একবার বা দুবার সেখানে যাওয়া হয়। আমার মনে হয় বাংলাদেশের সেরা সম্ভাবনা তার প্রাণোচ্ছ্বল শিক্ষার্থী সম্প্রদায়। আমাকে আন্তরিকভাবে তারা নিজেদের মাঝে গ্রহণ করেছে এবং আমার কাজ আর দর্শন আমাকে ঢাকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থাপন করার সুযোগ দিয়েছে; এ জন্য আমি কৃতজ্ঞ। শুরুতে আমার মনোযোগ ছিল জ্ঞানের বিজ্ঞান, মানবাধিকার আর মূল্যবোধের দর্শন বিষয়ে।

সাম্প্রতিককালে যে বিষয়ে আমার সবচেয়ে বেশি ভাবনাচিন্তা তা নিয়ে কথা বলা শুরু করেছি; বিষয়টি হল প্রাণিদের অধিকার ও নীতিমালা। আমি ভেবেছিলাম, যে দেশে আমিষ সবার এত প্রিয় খাবার, সেখানে মানুষ আর প্রাণির সম্পর্ক নিয়ে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করার আগ্রহ থাকবে সীমিত। আমি ভুল ভেবেছিলাম। বাংলাদেশে ছাত্র-শিক্ষক উভয়ই এই আলোচনায় আগ্রহী, আর আমরা যেভাবে প্রাণিদের রক্ষণাবেক্ষণ করি তার নৈতিক সমস্যা নিয়ে অবগত। জীবজগতের আর সব প্রাণির মতোই মানুষ এক বিশেষ সম্প্রদায়, যদিও কথাটি আমরা মনে রাখি না। আসলে তর্কের শুরুটা হয়তো এখান থেকেই।

মনে হতে পারে বাংলাদেশে প্রাণিদের অধিকার নিয়ে কথা বলা বাতুলতা, আমার অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ বিপরীত
মনে হতে পারে বাংলাদেশে প্রাণিদের অধিকার নিয়ে কথা বলা বাতুলতা, আমার অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ বিপরীত

আমরা যে সমস্ত প্রাণিদের খাবার হিসেবে বা অন্য যে কোনো ভাবে ব্যবহার করি তারা যে শুধু আমাদের মতো তাই নয় বরং আমরাও তাদেরই মতো এক বিশেষ শ্রেণির প্রাণি। এটা প্রাণিবিদ্যার শ্রেণিকরণ এবং নীতিগত দিক থেকে অত্যন্ত জরুরি এক তথ্য। প্রাণিজগতের সব সদস্য কষ্ট আর আনন্দ অনুভব করে, আর এই পৃথিবীতে এদের বিশেষ উপস্থিতি বিদ্যমান। তাদের সঙ্গে কেমন আচরণ করা হয়, সে সম্পর্কে তারা সজাগ। তাদের বিশ্বাস ও ইচ্ছা আছে। অনেক প্রাণিই আত্মসচেতন, ভাষার ব্যবহারে সক্ষম। অনেক প্রাণির বোধশক্তি মানবশিশু আর অপরিণত বুদ্ধির মানুষ থেকে পরিপক্ক।

মানবজাতি আর প্রাণিজগতের অন্যান্য প্রাণির মাঝে স্বকীয় পার্থক্য আসলে খুবই কম, আমরা আমাদের নৈতিক অবস্থানের উচ্চতা জাহির করার সুবিধার্থে যে পার্থক্যে বিশ্বাস করি। যদি সকল মানুষকে সমানভাবে সম্মান করা মানবধর্ম হয় তবে সকল প্রাণিকেও শ্রদ্ধা করা উচিত। আমি বিশ্বাস করি, প্রাণিকে খাবার ও বস্ত্রের প্রয়োজনে অথবা বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহার করা অন্যায়।

এ কারণে আঠার বছর আগে আমি মাংস খাওয়া ছেড়ে দিই এবং নয় বছর আগে পরিপূর্ণ নিরামিষাশী হয়ে যাই– সমস্ত প্রাণিজ খাদ্য, যেমন মাংস, মাছ, ডিম, দুধ বর্জন করে। যেসব খামারে কারখানার মতো পশুপাখি প্রতিপালন হয়, সেই নিদারুণ দুঃখের জীবন আর ভয়াবহ মৃত্যু কারও কাম্য নয়। তবে আমাদের মতো প্রাণিদের এ রকম জীবনে ঠেলে দেবার প্রয়োজন কী? এক সময় আমিষ ছাড়া মানুষ বেঁচে থাকতে পারত না, সেই অবস্থার আজ পরিবর্তন হয়েছে। বাঙালি রান্নায় আছে নিরামিষের অনেক রকম পদ– সবজির তরকারি, ডাল, ভর্তার সমাহার।

প্রাণিকে খাবার ও বস্ত্রের প্রয়োজনে অথবা বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহার করা অন্যায়
প্রাণিকে খাবার ও বস্ত্রের প্রয়োজনে অথবা বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহার করা অন্যায়

প্রাণিঅধিকার বিষয়ে এটা নিতান্তই প্রাথমিক যুক্তি, আর এর সমর্থনে আরও বহু কথা বলার অবকাশ রয়েছে। কিন্তু আশা করি বিষয়টির গুরুত্ব অন্তত পরিষ্কার হয়েছে। আমাদের সঙ্গে প্রাণিদের সম্পর্ক নিয়ে নতুন ভাবনার প্রয়োজন আছে কিনা সেই তর্কের আজ সময় এসেছে, আর এ ব্যাপারটি পণ্ডিতদের উপর ছেড়ে না দিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা করাই ভালো। যে বিষয় সবচাইতে মনোযোগের দাবি রাখে তা হচ্ছে, প্রাণিজ কৃষি। কেননা এতে অনেক বেশি সংখ্যক প্রাণি জড়িত, আর এই প্রাণির ব্যবহারও অন্য যেভাবে আমরা সাধারণত করে থাকি তা থেকে ভিন্ন।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা অনুযায়ী মানুষ খাদ্যের জন্য প্রতি সেকেন্ডে দুই হাজার প্রাণি হত্যা করে, মাছ ও সামুদ্রিক প্রাণি বাদ দিয়ে। যদি প্রাণির অধিকার থাকে, তাহলে প্রাণিজ কৃষিবিদ্যা নৈতিক বিপর্যয় এবং এর সমাপ্তি অতি জরুরি। এছাড়াও আমিষ বর্জনের আরও অনেক যুক্তিযুক্ত কারণ আছে। আমি চারজন বাংলাদেশির সঙ্গে কথা বলেছি যারা আমিষ বর্জন করেছেন। এই বর্জনের কারণগুলো তাঁদের কথাতেই শুনে নিই।

একান্ন বছর বয়সী তাপস নিরামিষাশী হবার সিদ্ধান্ত নিলেন; কারণ তিনি প্রাণিদের প্রতি নিষ্ঠুরতার বিরুদ্ধে। তিনি একটি প্রামাণ্য চিত্র দেখেছিলেন, ‘আর্থলিংস’, যা সবার দেখা জরুরি। এই প্রামাণ্য চিত্র উনাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় মাংস, মাছ, ডিম, দুধের উৎপাদনে কতখানি নিষ্ঠুরতা জড়িত। ঊনি আমাকে বললেন যে, নিজের স্বাস্থ্য আর পৃথিবীর কল্যাণের কথা বিবেচনা করে উনি প্রাণিজ দ্রব্য ব্যবহার থেকে বিরত রয়েছেন। একটি সুষম উদ্ভিজ খাদ্যতালিকা ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, স্ট্রোক, কর্কট ইত্যাদি বিভিন্ন রোগের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। তাপস আর তার স্ত্রী বিয়াল্লিশ বছরের তনুশ্রী, দুজনেই নিরামিষাশী। তাঁরা দাবি করেন যে, তাঁরা শারীরিক, মানসিক আর আধ্যাত্মিকভাবে সুস্থ আছেন।

পঁয়তাল্লিশ বছরের মিল্টন একমত হলেন যে, ‘‘শারীরিকভাবে আমি অনেক ভালো আছি আর আমার শারীরিক অসুবিধাগুলো আমিষ ছেড়ে দেবার সঙ্গে সঙ্গে দূর হয়ে গেছে।’’

মিল্টন ছয় বছর নিরামিষাশী ছিলেন কিন্তু পরিবারের চাপে সম্প্রতি মাছ খাওয়া শুরু করেছেন। অন্য অনেকের মতো মিল্টনের পরিবারের সদস্যরাও ভুলভাবে বিশ্বাস করেন যে, নিরামিষ আহার হিন্দু আচার, যদিও ইসলাম অন্যান্য ধর্মের মতো সকল প্রাণির প্রতি সদয় হতে নির্দেশ দিয়েছে। বলিউডের নায়ক আমির খান, যিনি মুসলিম, সম্প্রতি তাঁর ভক্তদের অবাক করে নিরামিষাশী হয়েছেন। তাঁর প্রেরণায় তাঁর স্ত্রী যিনি বহুদিন ধরেই নিরামিষাশী, তাঁকে উদ্ভিজ খাবারের স্বাস্থ্যগত উপকারিতার উপর একটি প্রামাণ্য চিত্র দেখান। আমির বলেন, “প্রামাণ্য চিত্রটি আমাকে একটি সুস্থ জীবনের উপায় দেখিয়েছে। একমাত্র দইবড়া ছাড়া আমি ভালো সময় পার করছি। ওজনের কথা চিন্তা না করে আমি সব কিছুই খেতে পারি।”

বলিউডের নায়ক আমির খান, যিনি মুসলিম, সম্প্রতি তাঁর ভক্তদের অবাক করে  নিরামিষাশী হয়েছেন
বলিউডের নায়ক আমির খান, যিনি মুসলিম, সম্প্রতি তাঁর ভক্তদের অবাক করে নিরামিষাশী হয়েছেন

“আমি যে কোনো প্রাণি বা পাখির প্রাণ হরণ না করেও যে বেঁচে থাকতে পারি, এটা মানসিকভাবে অত্যন্ত তৃপ্তিদায়ক’’– বললেন পঞ্চান্ন বছরের দীপেন যিনি মাছ ছাড়া আর কোনো প্রাণি আহার করেন না। তাপসের মতো উনি পরিবেশজনিত উপকারের কথা উল্লেখ করে জানালেন, মাংস উৎপাদনের জন্য প্রাণির খাদ্যের দাবি মেটাতে ভূমির ব্যবহার করতে হয়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এটি বিশেষ চিন্তার বিষয় যেহেতু দেশের ভূমিসম্পদ সীমিত। দুধ, ডিম, মাংসের, বিশেষ করে গরুর মাংসের উৎপাদন ভূমি ব্যবহারের দিক থেকে ভীষণ অদক্ষ। সয়াবিন, চাল, ভুট্টা, বিভিন্ন রকমের ডাল, গম প্রতি একর ভূমিতে অনেক বেশি প্রোটিন উৎপন্ন করে।

প্রাণির খাদ্যের জন্য কৃষিকাজ পানিদূষণের আর পানির অপচয়ের গুরুত্বপূর্ণ কারণ। এক বেলা খাবারের জন্য গরুর মাংস উৎপাদনে ৪,৬৬৪ লিটার পানির প্রয়োজন কিন্তু মাত্র ৩৭১ লিটার পানি ব্যবহার করে একবেলার নিরামিষ আহার উৎপাদন সম্ভব। প্রাণির জন্য কৃষি যে পরিমাণ গ্রিনহাঊজ গ্যাস উৎপাদন করে পরিবেশ দূষণ করে তা পরিবহন ক্ষেত্রে উৎপন্ন গ্যাস থেকে বেশি, আর বিশ্বে ক্ষুধার পরিমাণ বৃদ্ধি করে। কেননা যে পরিমাণ ক্যালরি প্রাণিদের খাওয়ানো হয়, তার অতি অল্পপরিমাণ মাংস, ডিম বা দুধজাতীয় খাবাররূপে ফেরত আসে। এ পরিমাণ ক্যালরি সরাসরি পেলে মানুষ বহুগুণ উপকৃত হত।

প্রাণিজ কৃষি, যা কিনা বাংলাদেশে বেড়েই চলেছে (যেহেতু আরও বেশি মানুষ এখন মাংস কেনার সামর্থ্য রাখেন), আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য, পরিবেশের জন্য, প্রাণিদের জন্য চরম ক্ষতিকর। এই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার সময় এসে গেছে।

আশা করি এই লেখা থেকে নিরামিষভোজী আর আমিষভোজী উভয় পক্ষই চিন্তার রসদ পেয়েছেন।

রেইনার এবার্ট: রাইস ইউনিভার্সিটির দর্শন বিভাগের পিএইচডি পদপ্রার্থী এবং অক্সফোর্ড প্রাণিনীতিশাস্ত্র সেন্টারের সহযোগী ফেলো।

অনুবাদ: মেহনাজ মোমেন।

রেইনার এবার্টরাইস ইউনিভার্সিটির দর্শন বিভাগের পিএইচডি পদপ্রার্থী এবং অক্সফোর্ড প্রাণিনীতিশাস্ত্র সেন্টারের সহযোগী ফেলো

২১ Responses -- “নিরামিষ খাবার নিয়ে দুটি কথা”

  1. ডঃ মুনির উদ্দিন আহমেদ

    আচ্ছা, আমরা সবাই যদি ভেজিটেরিয়ান হয়ে যাই, তাহলে ত প্রাণীদের, যাদের জন্য আমাদের দরদ উথলে উঠছে, তাদের খাবারের ঘাটতি পড়বে।

    অন্য দিকে, এই সব গরু, ছাগল, ভেড়াতে দুনিয়া ভরে যাবে…… যদি ওরা খাবারের অভাবে মারা না যায় এবং যদি সব বেঁচে থাকে, তখন তাদের জন্য জায়গা করে দিতে গিয়ে মানুষদের এই পৃথিবী ছেড়ে যেতে হবে।

    ব্যাল্যান্স দরকার জনাব, ব্যাল্যান্স। আমিষেও ব্যাল্যান্স দরকার, উদ্ভিজ্য আর প্রাণীজ আমিষের ব্যাল্যান্স দরকার। প্রানীর প্রতি বেশী দরদ ভাল লক্ষণ না।

    Reply
  2. Milan Das

    Mr. Rainer Ebert,
    I am very happy to read your article. Plz can you give me any website links or your organization name address, so that I can get more information or connect myself.

    thank you.

    Reply
  3. ZRM

    Rubish. Protein demand of the world can not be mate without animal protein.This gentleman, Mr Reiner Abert is preaching a wrong msg to the people. Why this article before Eid-ul-Adha? Motive is clearly understood…

    Reply
    • Rainer Ebert

      Protein need not come from animals. There are many vegetables that are rich in protein, including beans, lentils and spinach. As I have argued in the article, the production of healthy vegan food requires much less resources than the production of meat, dairy, and eggs. A decrease in meat consumption would go a long way in fighting hunger.

      Eid al-Adha is in September, and was not the occasion for this article.

      Reply
  4. Mitra Das

    You have a dental structure like tigers so you will eat meat?
    Is it always better to use resources without thinking logically right or wrong? You have a dental structure like tigers so you will eat meat!!! You have deadly arms and you should use it to kill others!!! You have a penis and you should rape women where you found!!!
    Some rascal theory. God made us naked so we should walk in the street without clothes!!!
    No. God made us naked that does not mean we must have to eat meat. God has given you both type of teeth veg and nonveg. Now it is your decision what you should do. You can or can’t eat meat but you have to get result for your works.
    Although we have deadly arms and we do not to kill others!!! We have a penis and we don’t use it to rape women where we found. God made us naked that’s why it is not necessary to walk in the street without clothes. Because we are human we have to decide also about humanity. I can not think like a wild animal that I am stronger animal so I will eat others. A tiger can think like that, But if I also think like that then what is the difference between me and a tiger?
    We can not give examples of exceptional cases like deserts or any other places. Yes you can take meat there but why now is it exceptional condition now? Here you have all food material to eat. Why to animals.
    Decision have to be made from practical experience. You should get difference between a veg and non veg in their lifestyle, in their attitude, in their manner. Meat eating always sensitize you for more sexual desire, for more aggressiveness and for more war.

    Reply
  5. Abdullah

    আমার মতামত প্রকাশের আগে উপরের মন্তব্যকারী রাজিবুল আর ফরহাদের মন্তব্যের বিষয়ে কিছু বলতে চাই। তাঁদের মধ্যে রাজিবুল শালীনতার মধ্যেই থেকেছেন, আর ফরহাদ প্রকারান্তরে লেখককে ইডিয়ট এবং ষ্টুপিড অভিধায় ভূষিত করতে চেয়েছেন। কিন্তু দুজনের কেউই, যে সব প্রানীদের আমরা খাই, তাদের প্রতি আমরা নিষ্ঠুর আচরণ করি কি না সে বিষয়ে কোন কিছু বলেন নি। সম্ভবত নিষ্ঠুরতার বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন, এবং সেই নিষ্ঠুরতার পক্ষে কিছুটা সাফাই গাইতে চেয়েছেন। দুজনই বলতে চেয়েছেন- প্রাণী না খেয়ে উদ্ভিদ খেলে সেটাও তো নিষ্ঠুরতা, কারন গাছেরও তো প্রান আছে।
    গাছেরও যদি প্রান থেকে থাকে, সেও যদি নিষ্ঠুরতার স্বীকার হয় বলে মনে করে থাকেন, তাহলে তাহলে গাছ এবং তা থেকে জাত কিছুও খাওয়া বন্ধ করে দিন, সেটাই তো করা উচিৎ। তা না করে যেহেতু গাছ না খেয়ে বাঁচতে পারছি না, সেহেতু প্রাণী হত্যা করলে অসুবিধা কি? ব্যাপারটা কি অনেকটা এ রকম হয়ে গেল না যে, ঘুষ না খেয়ে যেহেতু জীবন ধারন করতে পারছি না, তাহলে ডাকাতি করলেই বা দোষের কি আছে? দুটোই তো পাপ।
    লেখাটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় প্রানীদের প্রতি নিষ্ঠুরতা। সভ্যতার ঊষালগ্ন থেকেই কিছু মানুষের চোখে বিষয়টি এ ভাবেই ধরা পড়েছে। বিদ্যায়, বুদ্ধিতে, নীতিতে, নৈতিকতায় অন্য সকল প্রাণী থেকে অনেক অগ্রগামী হয়েও মানুষ কেন প্রাণী প্রাণী হত্যা না করে থাকতে পারবে না, এ প্রশ্ন তাঁদের মনে উদিত হয়েছে। হাজার বছর আগে থেকেই কিছু মানুষ তাই প্রাণী ভক্ষণ থেকে বিরত থেকেছেন, সেটাকে ধর্মের অনুষঙ্গ করে নিয়েছেন, যেমন জৈন সম্প্রদায়, এবং আংশিক ভাবে বৌদ্ধ সম্প্রদায়। আধুনিক মানুষদের মধ্যেও অনেকে কোন ধর্মীয় প্রণোদনা ছাড়াই প্রাণীজাত খাদ্য গ্রহন থেকে বিরত থাকছেন। এখন হয়ত সম্ভব হচ্ছে না, কিন্তু বিজ্ঞান যে ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, সেদিন কি খুব বেশী দূরে, যেদিন বৃক্ষজাত খাবার গ্রহন না করেও মানুষ ভালভাবেই বেঁচে থাকতে পারবে?

    Reply
    • রাজিবুল ইসলাম

      অকারনে প্রাণী হত্যা যেমন নিষ্ঠুরতা ,তেমনি অকারনে গাছ হত্যাও নিষ্ঠুরতা…পরিবেশবাদীরা তাই বলবেন। আর আমি আমার আগের ব্যাখ্যায় এটাও বলেছি যে,প্রকৃতিগতভাবে আমাদের দাঁতের গঠন এমনভাবে করা হয়েছে যে আমরা আমিষ আর নিরামিষ দুটোই খেতে পারি,কিছু দাঁত চোখা আর কিছু সমান্তরাল, গরু আর বাঘের উদাহরন আগেই দিয়াছি। আর Ruhan Riaz এর বক্তব্য আমি বলব এক কথায় সুন্দর হয়েছে…

      Reply
  6. Ruhan Riaz

    কেউ মাছ-মাংশ খাবে নাকি নিরামিষ খাবে- সেটা যার যার ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং কোন কোন ক্ষেত্রে হয়তো ধর্মীয় বিষয় হতে পারে তবে এটা ইউনিভার্সাল বা সবার জন্য প্রযোজ্য হতে পারে না। কারন, মরুভূমি, জঙ্গল এবং বরফাচ্ছাদিত অঞ্চলে বসবাসরত মানুষদেরকে প্রানী হত্যা না করে নিরামিষভোজী হতে বলা মানেই হচ্ছে ওদেরকে না খেয়ে অপুষ্টিতে মরতে বলা। সারা দুনিয়াতে কোটি কোটি শিশু এবং গর্ভবতী মা অপুষ্টিতে ভুগছেন- তাদের সবার জন্য ‘নিরামিষ’ পুষ্টি যোগান দেওয়া বাস্তবে অসম্ভব। কাজেই, প্রাণী হত্যা না করে নিরামিষভোজী হওয়ার পরামর্শ সবার জন্য প্রযোজ্য নয়।

    আর যারা প্রাণীর অধিকার নিয়ে কথা বলেন, তাদের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রোখেই বলতে চাই যে, প্রাণীদের পূর্ণ অধিকার রক্ষা করতে হলে সব প্রাণীকেই স্বাধীন করে দিতে হবে- কোন প্রাণীকে পোষা যাবে না; বাস্তবে কি সেটা সম্ভব? প্রকৃতির নিয়মই হচ্ছে- শক্তিশালী মাংশাসী প্রাণী অপেক্ষাকৃত দূর্বল প্রাণীকে খেয়ে বেঁচে থাকবে- এটা মানুষের তৈরি কোন নিয়ম না- এটাই প্রকৃতির নিয়ম; এখানে উচিৎ বা অনুচিৎ বলে কিছু নেই- অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখাই হলো আসল কথা।

    সবচেয়ে বড় কথা হলো- প্রাণী লালন-পালন, প্রাণী হত্যা এবং প্রাণীর প্রতি মানবিক মমত্বের মধ্যে একটা সমন্বয় ও ব্যলেন্স মেইনটেইন করা, যেনো একজন বিবেকবান মানুষ হিসেবে আমরা নিজেদের বিবেকের কাছে জবাবদিহি করতে পারি।

    Reply
  7. bhanu chakraborty

    আসলে বেঁচে থাকাটাই আসল কথা। যে খাবার আমাদের মন মানসিকতা আরো উন্নত করে, ধীর স্থির ও গ্রহনক্ষম করে তোলে, যা সহজে হজম হয় তাই খাবার হিসাবে খাওয়া উচিত। যে খাবার আমাদের হিংস্র করে তোলে সে খাবার যত ভালই হউক না কেন তা গ্রহন করা থেকে বিরত থাকাই ভাল নয়কি? বাঘ যেমন মাংস খায় তেমনি তার হিংস্রতা বেশী। আর কেউ যদি মনে করে নিরামিষ খাবার খেলে শক্তি পাব কোথা থেকে? তাদের জন্য উত্তর একটাই হতে পারে আর তা হলো শক্তির পরিমাপক হিসাবে কিন্তু হরস পাওয়ার হিসাবে নেয়া হয়। সেই ঘোড়া কিন্তু নিরামিষ খাবার খায়।
    আসুন হিংস্রতা পরিহার করি। নিরামিষ আহার কে উৎসাহিত করি। কারণ খাবারই আমাদের মানসিকতা গড়ে দিতে পারে। এত যে হিংস্রতা কেউ কি ভাবে কেন এগুলো হচ্ছে? আমাদের অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাষই এর জন্য দায়ী মনে হয় আমার । যে মদ খায় সে একটু হলেও মাতাল হবে।
    তাই খাবার আগে আরেকবার ভাবুন কি খেলে কি হয।

    Reply
  8. redwad

    সম্ভবত একই কথা নিয়ে এটা আপনার তৃতীয় আর্টিকেল। আমিও তৃতীয় বারের মতো বলছি – আমাদের মতো গাছের ও প্রাণ আছে বন্ধু।

    This is the third time you wrote such an article. I am also saying for the third time – tree has life. I hope you can understand this now. Thanks.

    Reply
    • Rainer Ebert

      I understand that trees are living organisms. However, I think there is a morally important difference between conscious life and life that isn’t conscious. I argue that it’s directly morally wrong to kill conscious organisms, such as humans and certain other animals, but not to kill non-conscious organisms.

      Reply
  9. জয়

    মুর্খরা বুঝবে কী করে নিরামিশের কত গুন। লেখক নিরামিশের ব্যাপারে হিন্দু ধর্মীয় ব্যাখ্যাগুলো আরো ডিটেইলস লিখলে পাঠকগণ ভালো বুঝতো। আমি শুধু দু একটা কথা বলছি। নিরামিশ আহারীর গড় আয়ু দ্বিগুন। নিরামিশ খেলে শরীরের উত্তেজনা কম থাকে। ক্রোধ কম থাকে। পেটের অশুখ থাকে না। পায়খানা, প্রশ্রাব, গায়ের গন্ধ, বায়ু ত্যাগের গন্ধ অনেক কম থাকে ইত্যাদি। আরো অনেক ধমীয় ব্যাখ্যা আছে।

    Reply
  10. রাজিবুল ইসলাম

    আপনার লিখা পড়লাম,এখন আমি সহজ ভাষায়ে কিছু বলি, আমাদের দাঁতের গঠন এমনভাবে করা হয়েছে যে, আমরা আমিষ আর নিরামিষ দুটাই খেতে পারি, গরুর সব দাঁতের গঠন একরকম তাই তারা শুধু লতাপাতা খেতে পারে মাংস না, আবার বাঘ এর ক্ষেত্রে সেটা ঠিক উল্টো,আপনি বলছেন আমিষ খাব না কারন প্রানি হত্যা করা হয়,তাহলে তো নিরামিষও খাওয়া যাবে না, কারন লতা, গুল্ম, বৃক্ষ এদেরও জীবন আছে। আর আমির খান বা শাহিদ কাপুর নিরামিষ খান তাই আমাদেরও খেতে হবে কেন? এখনও পৃথিবীতে ৮০% এর উপর মানুষ আছে যারা অনেকেই বিখ্যাত এবং আমিষ খান। “যেসব খামারে কারখানার মতো পশুপাখি প্রতিপালন হয়, সেই নিদারুণ দুঃখের জীবন আর ভয়াবহ মৃত্যু কারও কাম্য নয়”- এটার বেপারে বলি,গাছ, লতা বা গুল্ম তাদের জীবন আছে, কিন্তু তারা কথা বা অভিবক্তি প্রকাশ করতে পারে না তাই তারা যে প্রানিদের মতো দুঃখে নাই সেটা কিভাবে বুঝবো?- আপনার কাছ থেকে গ্রহণযোগ্য উত্তর আশা করছি। ধন্যবাদ।

    Reply
  11. Farhad

    Such an idiotic and stupid article.

    Do not you eat Rice, Wheat and Potato? You have to cut the plant to get these crops, right?

    Do you know that plants have life too?

    Or you are that naive that you do not know that?

    What will be your logic here? I will wait for your response.

    Reply
    • Rainer Ebert

      It is true that both plants and animals are alive. But so are Salmonella bacteria, and yet that doesn’t seem to imply that it is morally wrong to kill them. The crucial difference between plants and “higher” animals is the fact that the latter are conscious and capable of feeling pain. Plants lack the brains and central nervous systems that allow us and certain other animals to experience pain. They also lack the ability to move away from sources of stress, an evolutionary trait linked with the ability to feel pain. Unlike “higher” animals, plants don’t have a point of view. There is “nobody at home” in a plant. Hence, nobody (no “sombody”) is killed when a plant is being destroyed.

      Reply
      • রাজিবুল ইসলাম

        sorry for interruption Mr.Ebert, but you have to read these very carefully

        Questions Commonly Asked by Non-Muslims – V : Eating non-Vegetarian Food
        By Dr. Zakir Naik

        There are many non-Muslims who have studied Islam. Most of them have only read books on Islam written by biased critics of Islam. These non-Muslims have a different set of twenty common misconceptions about Islam. For instance, they claim to have found contradictions in the Qur’an, they contend that the Qur’an is unscientific etc. In this issue I shall deal with Eating non-Vegetarian Food.

        Question: Killing an animal is a ruthless act. Why then do Muslims consume non-vegetarian food?

        Answer: ‘Vegetarianism’ is now a movement the world over. Many even associate it with animal rights. Indeed, a large number of people consider the consumption of meat and other non-vegetarian products as a violation of animal rights.

        Islam enjoins mercy and compassion for all living creatures. At the same time Islam maintains that Allah has created the earth and its wondrous flora and fauna for the benefit of mankind. It is upto mankind to use every resource in this world judiciously, as a ‘niyamat’ ( Divine blessing ) and ‘amanat’ ( trust ) from Allah.

        Let us look at various other aspects of this argument.
        1. A Muslim can be a pure vegetarian

        A Muslim can be a very good Muslim despite being a pure vegetarian. It is not compulsory for a Muslim to have non-vegetarian food.
        2. Qur’an permits Muslims to have non-veg

        The Qur’an, however permits a Muslim to have non-vegetarian food. The following Qur’anic verses are proof of this fact:

        a. “O ye who believe! Fulfil (all) obligations. Lawful unto you (for food) are all four-footed animals with the exceptions named.” [Al-Qur’an 5:1]

        b. “And cattle He has created for you (men): from them Ye derive warmth, and numerous benefits, And of their (meat) ye eat.” [Al-Qur’an 16:5]

        c. “And in cattle (too) ye have an instructive example: From within their bodies We produce (milk) for you To drink; there are, in them, (Besides), numerous (other) Benefits for you; and of their (meat) ye eat” [Al-Qur’an 23:21]
        3. Meat is nutritious

        Meat is rich in protein, iron, vitamin B1 and niacin. Non-vegetarian food is a good source of excellent protein.
        4. Humans have Omnivorous set of teeth

        If you observe the teeth of herbivorous animals like the cow, goat and sheep, you will find something strikingly similar in all of them. All these animals have a flat set of teeth i.e. suited for herbivorous diet. If you observe the set of teeth of the carnivorous animals like the lion or tiger, they all have a pointed set of teeth i.e. suited for a carnivorous diet. If you analyze the set of teeth of humans, you find that they have flat teeth as well as pointed teeth. Thus they have teeth suited for both herbivorous as well as carnivorous food i.e. they are omnivorous. One may ask, if Almighty Allah wanted humans to have only vegetables, why did He provide us also with pointed teeth? It is logical that He expected us to have both vegetarian as well as non-vegetarian food.
        5. Human beings can digest both vegetarian and non-vegetarian foods

        The digestive system of herbivorous animals can digest only vegetables. The digestive system of carnivorous animals can digest only meat. But the digestive system of humans can digest both vegetarian and non-vegetarian food. If Almighty Allah wanted us to have only vegetables then why did He give us a digestive system that can digest both vegetarian as well as non-vegetarian foods?
        6. Hindu scriptures give permission to have non-veg

        a. There are many Hindus who are strictly vegetarian. They think that it is against their religion to consume non-vegetarian food. In fact the Hindu scriptures permit a person to have meat. The scriptures mention Hindu sages and saints consuming non-vegetarian foods.

        b. It is mentioned in Ayodhya Khandam, verses 20,26 and 94 that when Rama was sent for Banavas he told his mother that he would have to sacrifice his tasty meat dishes. If Rama had to sacrifice his tasty meat dishes it meant that Rama had likeness for meat. If Rama can have meat, why can’t the Hindus have meat?
        7 Hinduism was influenced by other religions

        Though Hindu Scriptures permit its followers to have non-veg foods, many Hindus adopted the vegetarian system because they were influenced by other religions like Jainism.
        8 Even plants have life

        Certain religions have adopted pure vegetarianism because they are totally against the killing of living creatures. If a person can survive without killing any living creature, I would be the first person to adopt such a way of life. In the past people thought plants were lifeless. Today it is a well established universal fact that even plants have life. Thus their logic of not killing living creatures is not fulfilled even by being a pure vegetarian.
        9 Even plants can feel pain

        They further argue that plants cannot feel pain, therefore killing a plant is a lesser crime when compared to killing an animal. Today science tells us that even plants can feel pain. But the cry of the plant cannot be heard by the human being. This is due to the inability of the human ear to hear sounds that are not in the audible range i.e. 20 Hertz to 20,000 Hertz.

        Anything below and above this range cannot be heard by a human being. A dog can hear up to 40,000 Hertz. Thus there are silent dog whistles that have a frequency of more than 20,000 Hertz and less than 40,000 Hertz. These whistles are only heard by dogs and not by human beings. The dog recognizes the master’s whistle and comes to the master. There was research done by a farmer who invented an instrument which converted the cry of the plant so that it could be heard by human being. He was able to realize immediately when the plant itself cried for water.

        10 Killing a living creature with 2 senses less is not a lesser crime. Once a vegetarian argues his case by saying that plants only have two or three senses while the animals have five senses. Therefore killing a plant is a lesser crime than killing an animal.

        Suppose your brother is born deaf and dumb and has two senses less as compared to other human beings. He becomes mature and someone murders him. Would you ask the law to give the murderer a lesser punishment because your brother has two senses less? In fact you would say that he has killed a ‘masoom’, an innocent person and you should give the murderer a greater punishment. Islam is not based on such logic.

        In fact the Qur’an says: “O ye people! Eat of what is on earth, lawful and good” [Al-Qur’an 2:168]
        11 Over population of cattle

        If every human being was a vegetarian, it would lead to overpopulation of cattle in the world, since their reproduction and multiplication is very swift. Allah (SWT) in His Divine Wisdom knows how to maintain the balance of His creation appropriately. No wonder He has permitted us to have the meat of the cattle.
        12 Cost of meat is reasonable since all aren’t non-vegetarian

        I do not mind if some people are pure vegetarian. However they should not condemn non-vegetarians as ruthless. In fact if all Indians become non-vegetarians then personally I would be a loser since the prices of meat would rise.

        ( The author is the president of Islamic Research Foundation, Mumbai, Email: islam@irf.net, http://www.irf.net)

      • redwan

        I agree with one of your points – The way people grow chicken (and similar animals) is cruel, that is also true in our country.

        But where I disagree is – ‘Plants do not feel pain’. Please show all the evidence that plants has no reaction to pain. “Jagdish Chandra Basu” proved many issues on plants, that may help you to understand what you are actually saying (I read some of them and that is why I disagree). Those may help you to correct your thoughts. PLEASE DO NOT TRY PUBLISH YOUR OWN THOUGHTS OR OWN PHILOSOPHY UPON THE READERS. IF YOU COME WITH REFERENCES WE WOULD REPLY YOU TOO.

        This is your third article in here (as I have read). Another important question – Do you have any motif that you always publish article around “Eid ul-Adha” ? (ঠিক ঈদুল আযহা এর কয়েক মাস আগে এ ধরনের আর্টিকেল লেখার উদ্দেশ্য পরিষ্কার করে বলুন! )

      • Rainer Ebert

        Thank you for your comment.

        You are right when you say that plants react to external stimuli, such as sound or touch. But you must be careful to distinguish a mere reaction from an intentional/conscious reaction. Your mobile phone too reacts to touch, but that doesn’t mean it’s conscious. Consciousness and the ability to feel pain are very complex natural phenomena, and to the best of our current scientific knowledge these phenomena don’t occur without the presence of a sophisticated nervous system, which plants don’t have.

        Eid al-Adha is many weeks away, and I can assure you that it wasn’t the occasion for this article.

    • Deen Hash

      আপনি কি বলতে চান যে, আপনি নিজে, গরু, মুরগি, পাখি বা অন্য স্তন্যপায়ীরা যেমন ব্যথা পান সে রকম উদ্ভিদও পায়? আপনার ইগনোরেন্ট অ্যানসার শুনে বিরক্ত লাগে। যে গুহা থেকে এসেছেন সেখানে ফিরে যান!

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—