বিজন সরকার

বিএনপির মিথ্যাশ্রয়ী রাজনীতির নেপথ্যে

ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০১৫

Bijon Sarkerসাদা মিথ্যা বলতে আমরা ছোট আকারের সেই সব মিথ্যা বুঝি, যেগুলি অন্যের ক্ষতি করে না। আমরা অনেকেই বন্ধু-বান্ধব, পরিবার-পরিজন, এমনকি নিজের কর্মক্ষেত্রেও সহকর্মীদের সঙ্গে সাদা মিথ্যা ব্যবহার করে থাকি। উদাহরণস্বরূপ, ধরুন কেউ আপনাকে একটি উপহার দিল। কিন্তু উপহারটি আপনার পছন্দ হয়নি। তবু উপহারদাতাকে খুশি করার জন্য আপনি বললেন, “আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। উপহারটি আমার খুব পছন্দ হয়েছে।”

আরেকটি উদাহরণ দিই। আপনার বন্ধু আপনাকে একটি কাজ করতে দিয়েছে। কিন্তু আপনি কাজটি করেননি। আপনি আপনার বন্ধুকে বললেন, “গত রাতে অসুস্থ ছিলাম। তাই করতে পারিনি। আজ অবশ্যই করে দিব।”

সাদা মিথ্যা বলায় কারও তেমন ক্ষতি হয় না। আবার অবিরাম সাদা মিথ্যা বললে একটি বিরাট সমস্যা তৈরি হয়, এটি আচরণের অংশ হয়ে যায়। ফলে ব্যক্তি বিশেষের গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বস্ততা সন্দেহের মধ্যে পড়ে। এ ক্ষেত্রে ব্যক্তিটি যদি কোনো দলের প্রতিনিধি হয়ে অবিরাম সাদা মিথ্যার আশ্রয় নেয় এবং সেটি যদি জনগণের সামনে উন্মোচিত হয়ে পড়ে, তবে ফলাফল যে কত ভয়ানক হতে পারে তা বিএনপির বর্তমান অবস্থান থেকে বোঝা যায়।

ছয় কংগ্রেসম্যানের স্বাক্ষর নকল করে বিবৃতি জালিয়াতি, ভারতীয় জনতা পার্টির প্রধান অমিত শাহের সঙ্গে ফোনালাপের মিথ্যা দাবি এবং অতিসম্প্রতি আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুর পর বেগম খালেদা জিয়ার কথিত ইনজেকশনের দাবির ঘটনাগুলিতে ব্যক্তি বিশেষের তেমন ক্ষতি হয়নি। তাই আমরা সেগুলিকে সাদা মিথ্যা হিসেবে ধরে নিতে পারি। তবে মিথ্যাশ্রয়ী হওয়ার ফলে দল হিসেবে বিএনপির অনেক ক্ষতি হয়েছে। দলটির কর্মকাণ্ডের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অমিত শাহের সঙ্গে মিথ্যা ফোনালাপের ঘটনায় সারাবিশ্বে বিএনপিসহ বাংলাদেশের ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অমিত শাহের সঙ্গে মিথ্যা ফোনালাপের ঘটনায় সারাবিশ্বে বিএনপিসহ বাংলাদেশের ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে

অমিত শাহের সঙ্গে মিথ্যা ফোনালাপের ঘটনায় সারাবিশ্বে বিএনপিসহ বাংলাদেশের ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে

প্রশ্ন জাগে, বিএনপির এই মিথ্যাশ্রয়ী প্রবণতার পিছনে কি কেবল ক’জন ব্যক্তিই দায়ী? দল হিসেবে বিএনপির কি দায় নেই? অনেকেই হয়তো বলবেন, মাত্র ক’জন ব্যক্তিই এই মিথ্যাচারের জন্য দায়ী। দলের দায় নেই। তবে গত আড়াই দশক বিএনপির রাজনৈতিক ডিসকোর্স থেকে এর উত্তর স্পষ্ট হয়ে উঠে। কেবল ক’জন ব্যক্তি নয়, দল হিসেবে বিএনপি মিথ্যাশ্রয়ী হয়ে উঠছে। এই মিথ্যাচারের প্রকল্পে কিছু আছে ইতিহাস বিকৃত করার উদ্দেশ্য, আর কিছু আছে তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক সুবিধা লাভের আশা।

একটি পাল্টা বিতর্ক হয়তো আনা যাবে। কেবল বিএনপিই কি মিথ্যাচার করছে? আওয়ামী লীগ কি করছে না? অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলি, এমনকি ধর্মীয় দলগুলি কী করছে? আওয়ামী লীগ কিংবা অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলির নেতা-কর্মীরা একেবারেই যে সাধু-সন্ন্যাসী, তা নয়। কিন্তু দল হিসেবে বিএনপি যেভাবে মিথ্যাশ্রয়ী হয়ে উঠছে, সে নজির অন্য কোনো দল স্থাপন করতে পারেনি। রাজনৈতিক কৌশলের কারণে দলগুলির অবস্থান পরিবর্তন মিথ্যা হিসেবে গণ্য করা যাবে না।

বিশ্বব্যাপী রাজনীতিবিদেরা হরহামেশাই মিথ্যা কথা বলে থাকেন। আমরা যারা সাধারণ জনগণ, তারাও সত্য তেমন শুনতে চাই না। আমরা সেটিই শুনতে চাই, যেটি শুনতে পছন্দ করি। আবার নির্ভেজাল সত্য শুনতেও কর্কশ লাগে, রসহীন মনে হয়। সত্য শুনতে মানুষের তেমন আগ্রহও থাকে না। বিখ্যাত রচনাকার ফ্রান্সিস বেকন তাঁর বিখ্যাত রচনা ‘অব ট্রুথ’এ লিখেছেন: “সত্যানুসন্ধানে একটি জটিল বিষয় হচ্ছে মানুষ নিজের স্বার্থেই মিথ্যা লুফে নেয়; কারণ মানুষ মিথ্যা শুনে পরমানন্দ পায়।”

“. . men should love lies; where neither they make for pleasure, as with poets, nor for advantage, as with the merchant; but for the lies sake.”

ফ্রান্সিস বেকনের মতে, ‘‘মানুষ মূলত নির্জলা সত্যের চেয়ে সত্যের সহিত মিথ্যার মিশ্রণই অধিকতর পছন্দ করে। কারণ সত্য ততটা উৎসাহব্যঞ্জক নয়, যতটা সত্য-মিথ্যার মিশ্রণ।’’

“A mixture of a lie doth ever add pleasure.”

ফ্রান্সিস বেকনের মতে, মানুষ মূলত নির্জলা সত্যের চেয়ে সত্যের সহিত মিথ্যার মিশ্রণই অধিকতর পছন্দ করে

ফ্রান্সিস বেকনের মতে, মানুষ মূলত নির্জলা সত্যের চেয়ে সত্যের সহিত মিথ্যার মিশ্রণই অধিকতর পছন্দ করে

সত্য-মিথ্যার মিশ্রণের ফলে বক্তব্য বেশি গ্রহণযোগ্য হয় এবং সত্য থেকে মিথ্যা আলাদা করা কঠিন হয়ে পড়ে।

জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর বিএনপি বেশ কয়েকটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে বেকনের সত্য-মিথ্যা মিশ্রণ প্রণালী প্রয়োগ করেছে। এতে দলটি রাজনৈতিকভাবে অনেক লাভবানও হয়েছে। স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধু সরকারের সাধারণ ক্ষমার আওতার বাইরে সুনির্দিষ্ট চার প্রকারের অভিযোগ ছিল এগার হাজার ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এদের মধ্যে ৭৫২ জনকে বিভিন্ন মানের দণ্ড প্রদান করা হয় এবং এদের মধ্যে অন্তত ৩০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছিল।

১৯৭৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর জেনারেল জিয়াউর রহমান সমর্থিত বিচারপতি আবু সাদত মোহাম্মদ সায়েম দালাল আইন বাতিলকরণ অধ্যাদেশ জারি করেন। সকল যুদ্ধাপরাধীকে জেল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। অথচ দীর্ঘ তিন দশক ধরে বাংলাদেশে কয়েকটি প্রজন্ম বড় হয়েছে এটি জেনে যে, বঙ্গবন্ধু সরকার সকল যুদ্ধাপরাধীর সাধারণ ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। এমনকি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হওয়ার পরও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায় থেকে সাধারণ ক্ষমার বিষয়টিকে সত্য-মিথ্যার মিশ্রণে ফেলে ধোঁয়াশা সৃষ্টি করা হয়েছে।

অনুরূপভাবে, স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে বিএনপি একই পদ্ধতি ব্যবহার করছে। জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক দাবি করা হয়। কিন্তু সত্য হল, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠকদের অন্যতম এবং তিনি ঘোষণাপত্র পাঠ করেন ২৭ মার্চ।

জিয়াউর রহমান-উত্তর বিএনপি জ্ঞাতসারেই এ দুটি বিষয়ে মিথ্যাশ্রয়ী হয়ে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েছে। গত প্রায় তিন দশক ধরে আওয়ামী লীগবিরোধী গোষ্ঠীগুলির অভ্যন্তরীণ সম্পর্ক সুসংহত করার জন্য বিএনপি এই দুটি বিষয় পুঁজি করে উৎসাহ জুগিয়ে যাচ্ছে।

বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন নিয়েও নির্লজ্জের মতো একটি মিথ্যাচার বিএনপি করে থাকে। ১৯৯১ সালের পর থেকেই খালেদা জিয়া ১৫ আগস্ট জন্মদিন পালন করতে শুরু করেন। তাঁর একাডেমিক রেকর্ড এবং বিবাহের কাবিননামা অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন জন্ম তারিখের সন্ধান পাওয়া যায়। প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যার দিনে খালেদা জিয়ার ভুয়া জন্মদিন পালন মিথ্যাশ্রয়ী হওয়া ছাড়া আর কিছু নয়।

খালেদা জিয়ার এই বিতর্কিত জন্মদিন উৎযাপন করে বিএনপি হয়তো সরাসরি রাজনৈতিক সুবিধা পায় না। তবে এর একটি বিশাল প্রতীকী মূল্য আছে। এতে দলের ভিতরে এবং বাইরে থাকা ডানপন্থীদের প্রতি খালেদার একটি আদর্শিক বার্তা যায়। তাঁর প্রতি উগ্র ডানপন্থীদের বিশ্বস্ততা সুদৃঢ় হয়।

অতিসম্প্রতি বিএনপির জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের তথাকথিত ইতিহাস গবেষণা এবং কংগ্রেসম্যানদের স্বাক্ষর জালিয়াতি, অমিত শাহের মিথ্যা ফোনালাপ ও বেগম জিয়ার ইনজেকশন নেওয়ার ঘটনাগুলির মধ্যে একটি রাজনৈতিক সাদৃশ্য পাওয়া যায়। বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকায় তারেক রহমান তেমন আলোচনায় ছিলেন না। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগেই বিএনপির আন্দোলনের ফলাফল তারেক রহমান আন্দাজ করতে পেরেছিলেন। অনেকটা হতাশা থেকেই সাধারণ মানুষের আলোচনায় আসার জন্য ইতিহাস বিকৃত করার ভয়ংকর পদ্ধতি তিনি বেছে নেন। আর তারেকের এই আত্নঘাতী কর্মকাণ্ডে লন্ডনভিত্তিক জামাত-শিবিরের সকল থিংক ট্যাংক উৎসাহ জুগিয়ে গেছে।

বিতর্কিত জন্মদিন উৎযাপন করে বিএনপি সরাসরি রাজনৈতিক সুবিধা পায় না, তবে এতে ভিতরের বাইরের ডানপন্থীদের প্রতি একটি আদর্শিক বার্তা যায়

বিতর্কিত জন্মদিন উৎযাপন করে বিএনপি সরাসরি রাজনৈতিক সুবিধা পায় না, তবে এতে ভিতরের বাইরের ডানপন্থীদের প্রতি একটি আদর্শিক বার্তা যায়

বিএনপির সাম্প্রতিক মিথ্যাচার প্রকল্পগুলি দলটির সিনিয়র নেতাদের অজ্ঞাতসারে তারেক রহমান এবং তার অনুসারীদের ইচ্ছায় পরিচালিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কার কথায় খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে ঢুকতে দেওয়া হয়নি তা আর গোপন থাকেনি। তারেক রহমান বন্ধবন্ধুকে পাক-বন্ধু ও রাজাকার বলায় নিজের দলের ভিতরেই অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। তার কথাবার্তায় রাজনৈতিক শিষ্টাচার না থাকায় দলের নেতা মেজর আক্তারুজ্জামান তারেক রহমানকে ‘বেয়াদব’ বলে তিরস্কার পর্যন্ত করেছেন।

বিএনপি বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় দল। দলটি দীর্ঘদিন দেশ শাসন করেছে। মাঠ পর্যায়ে রয়েছে একটি বিশাল সাংগঠনিক কাঠামো। যখন রাজনৈতিক সুবিধার জন্য কংগ্রেসম্যানদের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া বিবৃতি দেওয়া দলটির জন্য প্রয়োজন হয়ে পড়ে, ভারতবিরোধী রাজনীতি করার পরও বিজেপি প্রধানের সঙ্গে খালেদা জিয়ার মিথ্যা ফোনালাপের প্রয়োজনীয়তা বিএনপির জন্য অপরিহার্য হল, কথিত ইনজেকশনের অজুহাতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়– তখন সহজেই প্রতীয়মান হয় যে, দলটির ভিতর রাজনৈতিক প্রজ্ঞার ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বড় ধরনের সমন্বয়হীনতা, অভ্যন্তরীণ অবিশ্বাস ও অনৈতিকতা দলটির উপর জেঁকে বসেছে।

বিএনপির এই পরিবর্তন হঠাৎ করে হয়নি। একটি চলমান পরিবর্তনশীল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই আজ মিথ্যাচারে মেতে উঠছে দলটি। যদি এখনও দলটি নিষ্ক্রিয় থাকা রাজনৈতিক প্রজ্ঞাবানদের গুরুত্ব না দেয়, সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় যুক্ত না করে, আগামীতে তাদের আরও ভয়ানকভাবে মিথ্যাশ্রয়ী হয়ে উঠবার আশঙ্কা রয়েছে।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপির একটি রমরমা বাজার রয়েছে। তথাকথিত জাতীয়তাবাদী চেতনার নামে বিএনপির রাজনীতির উত্থান হয়েছিল মূলত চারটি উৎস থেকে। প্রথমত, আওয়ামী লীগ ও ভারতবিরোধিতা; দ্বিতীয়ত, রাজনীতিতে ধর্মের কৌশলগত অপব্যবহার; তৃতীয়ত, স্বাধীনতাবিরোধীদের সুরক্ষা প্রকল্প এবং চতুর্থত, আওয়ামী লীগের বাইরে শক্তিশালী প্রগ্রেসিভ অল্টারনেটিভের অভাব।

বিএনপির জাতীয়তাবাদের শ্লোগানটি অনেকটা ‘সুগার কোটেড পিল’এর মতো। উপরিভাগে তথাকথিত জাতীয়তাবাদী চেতনা, ভিতরে রয়েছে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে উল্লিখিত চারটি উৎস থেকে রাজনৈতিক সুবিধা কোষাগারে জমানোর একটি বহুমুখী পদ্ধতি। সেই পদ্ধতি দলটি বেশ দক্ষতার সঙ্গে দু’দশক করে ব্যবহার করে আসছিল। ২০০১ সালের পর থেকেই দলটির ভিতরকার প্রতিনিধিত্বশীল কাঠামোতে মৌলিক পরিবর্তন এবং পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতির ফলে বিএনপির ক্ষমতায় আরোহণের মাল্টি-লেয়ার সিস্টেমে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে।

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৬৯ আসনের মধ্যে ১৬৭টি পেলেও আওয়ামী লীগবিরোধী ভোট পড়েছিল প্রায় ৩০ শতাংশ। বাংলাদেশে আজ বিএনপি যে ভোট পায়, তা তাদের নিজস্ব ভোট নয়। এই ভোটগুলি আওয়ামী লীগবিরোধী ভোট। বিগত জাতীয় নির্বাচনগুলি থেকে একটি ধারণা পাওয়া যায় যে, ভোটের পরিসংখ্যানে দল হিসেবে একক আওয়ামী লীগবিরোধী ভোট রয়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ। বলা যায়, ১৯৭০ সালের ৩০ শতাংশ থেকে বেড়ে তা আজ ৪০ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে। তাই বিএনপির জায়গায় অন্য কোনো দল যদি আওয়ামী লীগবিরোধী রাজনীতি করে, বিএনপির বর্তমান ভোট সে দলই পাবে।

বিএনপির গঠন-প্রক্রিয়া ও কাঠামোতে আওয়ামী লীগবিরোধী বিভিন্ন গোষ্ঠীর একটি ভারসাম্যপূর্ণ প্রতিনিধিত্বশীল ভূমিকা ও অংশীদারিত্ব ছিল। আওয়ামী লীগবিরোধী বিভিন্ন দল থেকে আগত রাজনীতিবিদের পাশাপাশি আওয়ামী লীগবিরোধী বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ দলটিতে ঠাঁই করে নেয়। জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পরও খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সেই আওয়ামী লীগবিরোধী গোষ্ঠীগুলি নিজস্ব প্রতিনিধিত্বশীলতা নিজেদের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দক্ষতা দিয়েই রক্ষা করেছিল।

দলটির সেই বহু-আদর্শিক প্রতিনিধিত্বশীল কাঠামোতে মূল সমস্যাটি ২০০১ সালের পর থেকে বড় আকারে দেখা দিলেও, সমস্যার সূত্রপাত হয় ১৯৯১ সালের পর পরই। আওয়ামী লীগবিরোধী গোষ্ঠীর পাশাপাশি একটি বিশাল সুবিধাবাদী ব্যবসায়ী শ্রেণিকে ‘সুগার কোটেড’ জাতীয়তাবাদী রাজনীতি করার সুযোগ করে দেয় বিএনপি। এই ব্যবসায়ী শ্রেণির অনেকেই ১৯৯১ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভ করে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেন। বিএনপির রাজনৈতিক সুবিধার কারণেই রাজনীতি পল্টন ময়দান থেকে মতিঝিল ব্যাংক পাড়ায় চলে যায়। এতে তারা দল হিসেবে যত ক্ষতির মুখে পড়েছে, দেশের রাজনীতির ক্ষতি হয়েছে তার চেয়েও বেশি। দেশের সক্রিয় রাজনৈতিক দলগুলির গুণগতমানে ঋণাত্নক পরিবর্তন সূচিত হয়েছে। রাজনীতিতে ব্যবসায়ী শ্রেণির দাপটের কুফলের চিত্র আমরা সবাই জানি।

২০০১ সালের পর থেকেই বিএনপির প্রতিনিধিত্বশীল কাঠামোতে ব্যাপক পরিবর্তন সূচিত হয়। দলটির ভিতরে থাকা উদার ও স্বাধীনতাপন্থী গোষ্ঠীগুলি আস্তে আস্তে প্রান্তিক পর্যায়ে চলে যায়। দলটির আদর্শিক অবস্থান আরও ডানে হেলে পড়ে। দলে উগ্র ডানপন্থী ও স্বাধীনতাবিরোধী গোষ্ঠীর প্রভাব বহুগুণে বেড়ে যায়। বিশেষ করে বিএনপির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব জামায়াতে ইসলামীর দিকে ঝুঁকে পড়ায় দলটির ভিতরের উদার গোষ্ঠীগুলি আর দলের কেন্দ্রে আসতে পারেনি।

গঠনগত দিক দিয়ে বিএনপি বহু আদর্শের একটি সমন্বিত আদর্শিক প্ল্যাটফর্ম। যে কোনো সময় যে কোনো আদর্শিক গোষ্ঠী দলটির কেন্দ্রে এসে ড্রাইভিং সিটে বসতে পারে। প্রতিনিধিত্বশীল গোষ্ঠীগুলির মধ্যে যে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকে, সেই গোষ্ঠী ড্রাইভিং সিটে বসে। আজ বিএনপির ভবিষ্যৎ তারেক রহমানের হাতে, আর তারেক রহমান কট্টর আওয়ামীবিরোধী গোষ্ঠীর হাতে। কোকো মারা যাওয়ায় তারেক রহমানের প্রতি খালেদা জিয়ার নির্ভরশীলতা বহুগুণ বেড়ে যাবে, এটি অনুমানের বিষয় নয়। এটিই এখন নির্মম বাস্তবতা।

আজ বিএনপির ভবিষ্যৎ তারেক রহমানের হাতে, আর তারেক রহমান কট্টর আওয়ামীবিরোধী গোষ্ঠীর হাতে

আজ বিএনপির ভবিষ্যৎ তারেক রহমানের হাতে, আর তারেক রহমান কট্টর আওয়ামীবিরোধী গোষ্ঠীর হাতে

অদূর ভবিষ্যতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপিতে উগ্র ডানপন্থীদের অবস্থান আরও পাকাপোক্ত হবে। উদারমনা অভিজ্ঞরা ক্রমশ অন্ধকারের অতল গহ্বরে চলে যাবেন। বিএনপির এই দুরবস্থায় বীর মুক্তিযোদ্ধা তরিকুল ইসলামের মতো পোড় খাওয়া নেতারা স্বাধীনতাবিরোধীদের দাপটের কাছে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়বেন। জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বোঝাপড়ার সমস্যার কথা চিন্তা করে তাদের আর দায়িত্ব দেওয়া হবে না। তারেক রহমানের আস্থাভাজন শ্রমিক নেতা শিমুল বিশ্বাস, মারুফ কামাল খান সোহেল এবং আবাসিক নেতা রুহুল কবির রিজভির মতো যন্ত্রমনস্ক কিছু অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী মিথ্যাচারের মেশিন হিসেবে কাজ করে যাবেন।

বিএনপি এখন রাজনৈতিক যোগ্যতা ও প্রজ্ঞার অভাবেই মিথ্যাশ্রয়ী হয়ে উঠছে, যার সঙ্গে দলটির সিনিয়র নেতৃত্বের কোনো সম্পর্ক নেই। একই সঙ্গে এ মিথ্যাচার কেবল শিমুল বিশ্বাস, মারুফ কামাল এবং রিজভির সিদ্ধান্তে পরিচালিত হচ্ছে, তা ভাববার কারণ নেই। এ সব মিথ্যাচার প্রকল্প লন্ডন থেকে তারেক রহমানের নির্দেশনায় পরিচালিত হচ্ছে।

তারেক হয়তো ভাবতে পারছেন না যে, বাংলাদেশ কতদূর এগিয়ে গেছে। গ্রামে-গঞ্জে ইন্টারনেট ছড়িয়ে পড়ছে। তিনি অসুস্থতার অজুহাতে ফেরারি আসামি হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন; এমনকি হেফাজতের সমাবেশের হতাহতের ঘটনা নিয়ে তিনি কী ভুল তথ্য দিচ্ছেন; বন্ধবন্ধুকে নিয়ে কি মিথ্যাচার করছেন, তাও আজ দেশের মানুষ তৎক্ষণাৎ জানতে পারছে। মিথ্যাশ্রয়ী হয়ে দলীয় রাজনৈতিক সুবিধা ক্যাশ করার দিন শেষ।

এই নির্মোহ সত্য বিএনপি, বিশেষ করে তারেক রহমান যত আগে বুঝবেন, দলের জন্য, এমনকি দেশের জন্য ততই মঙ্গল।


বিজন সরকার:
গবেষক।

Tags: , , ,

WARNING: Any unauthorised use or reproduction of bdnews24.com content for commercial purposes is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to legal action.
| | More
 -------------------------------------------------------------------------
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর নিজস্ব। bdnews24.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে bdnews24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)

-------------------------------------------------------------------------

৩২ প্রতিক্রিয়া - “ বিএনপির মিথ্যাশ্রয়ী রাজনীতির নেপথ্যে ”

  1. anup on মার্চ ৯, ২০১৫ at ২:২৬ অপরাহ্ণ

    সুন্দর পোষ্টের জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।

  2. সৈয়দ আলি on মার্চ ২, ২০১৫ at ২:৫৭ পুর্বাহ্ন

    বিএনপির যেইই জালিয়াতি করে থাকুক এর সম্পূর্ণ দায় বিএনপিকেই নিতে হবে।

    এখন প্রশ্ন থাকে, জাতিসংঘে ফটো তোলার ঘটনাকে জাতিসংঘের মহাসচিবের সাথে পারস্পরিক বিষয়ের আলোচনা দাবী করলে জাতিসংঘ থেকে তা অস্বীকৃত হলে, সে দাবীটি কোন জাতের জালিয়াতি?

    বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর সাথে ফটো-অপকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আলোচনা বলে অভিহিত করার পরে ১০ নং ডাউনিং স্ট্রীট অফিসিয়ালি প্রতিবাদ করে একে ডাউন করলে, সেটি কোন কিসিমের জালিয়াতি? সেই জালিয়াতকে আমরা আমাদের অর্থে কেন প্রতিপালন করছি?

  3. সৈয়দ আলি on মার্চ ২, ২০১৫ at ২:৪০ পুর্বাহ্ন

    বিএনপি অবশ্যই জালিয়াতি করেছে, সে জালিয়াতি যেই করে থাকুক, এর দায় বিএনপির, কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু জাতিসংঘে পাঁচ মিনিটের ছবি তোলাকে যারা জাতিসংঘের মহাসচিবের সাথে ‘দীর্ঘ সময়’ আলোচনা করার দাবী করেছিলেন, তিনি কোন শ্রেণীর জালিয়াৎ? অথবা, বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর সাথে ফটো-অপকে ‘পারষ্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট’ আলোচনার দাবিকে ১০ ডাউনিং স্ট্রীট যখন অফিসিয়াল প্রতিবাদলিপি পাঠিয়ে ডাউন করে, তখন সে জালিয়াৎকে কেন আমরা আমাদের অর্থে পালন করবো?

  4. ashraful islam on ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০১৫ at ৫:০৫ অপরাহ্ণ

    সত্য মিথ্যা নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি আপনি সমকালীন কিছু তথ্য সংযোজন করেছেন যা সবার পড়া উচিত, তবে আমি যেটা উদ্ধৃত করবঃ
    “বিশ্বব্যাপী রাজনীতিবিদেরা হরহামেশাই মিথ্যা কথা বলে থাকেন। আমরা যারা সাধারণ জনগণ, তারাও সত্য তেমন শুনতে চাই না। আমরা সেটিই শুনতে চাই, যেটি শুনতে পছন্দ করি। আবার নির্ভেজাল সত্য শুনতেও কর্কশ লাগে, রসহীন মনে হয়। সত্য শুনতে মানুষের তেমন আগ্রহও থাকে না। বিখ্যাত রচনাকার ফ্রান্সিস বেকন তাঁর বিখ্যাত রচনা ‘অব ট্রুথ’এ লিখেছেন: “সত্যানুসন্ধানে একটি জটিল বিষয় হচ্ছে মানুষ নিজের স্বার্থেই মিথ্যা লুফে নেয়; কারণ মানুষ মিথ্যা শুনে পরমানন্দ পায়।”

    “. . men should love lies; where neither they make for pleasure, as with poets, nor for advantage, as with the merchant; but for the lies sake.”

    ফ্রান্সিস বেকনের মতে, ‘‘মানুষ মূলত নির্জলা সত্যের চেয়ে সত্যের সহিত মিথ্যার মিশ্রণই অধিকতর পছন্দ করে। কারণ সত্য ততটা উৎসাহব্যঞ্জক নয়, যতটা সত্য-মিথ্যার মিশ্রণ।’’”
    আমার মন্তব্যঃ
    শাসক হিসেবে আওয়ামী লীগের মান খুব উচু কখনো ছিল না, এখনও আশা করার মত কিছু দেখি না, তবে বি এন পির মান সম্পর্কে কিছু বলার মত পাইনি। তবে বি এন পির সদুদ্দেশ্য কখনো দেখিনি, আমার প্রশ্নঃ
    শিক্ষা সঙ্কোচনের জন্য বিএনপি অনেক অপকর্ম করেছে কিন্তু আওয়ামী লীগ স্ব সময়েই শিক্ষা সহজলভ্য করেছে, স্বাস্থ্যে অবদান একই রকম। খাদ্য উৎপাদন বাড়িয়েছে, আর বি এন পি সারের দাবীকারীদের গুলি করে মেরেছে, প্রয়াত সাইফুর রহমান সংসদে বাজেট ভাষনেই বলেছিলেন খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ হলে বিদেশী সাহায্য পাওয়া যাবেনা। বন্ধ করে দেয়া হয় কয়েকশ কিলোমিটার রেললাইন। গ্যাস রফতানী করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। আর বার বার প্রকাশ্য জনসভায় বোমা হামলা করা হয় ক্ষমতায় থাকতেই। এ সব সত্যকে আড়াল করে বি এন পি হঠাত করে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করছে , মিথ্যচার করছে। এহেন অবস্থায় কথিত দাবি আদায় তথা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে অপছন্দসই আওয়ামী লীগ সরকারকে সরিয়ে অতীতের যতসব ভুল-অপশাসন সম্পর্কে কোন ব্যাখ্যা না দিয়ে অথবা শিক্ষা গ্রহন না করে জামাত-বিএনপিকে ক্ষমতায় এনে কি লাভটা হবে?

  5. সাইফুল ইসলাম on ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০১৫ at ২:৪৬ পুর্বাহ্ন

    ধন্যবাদ লিখককে অসাধারণ তথ্যবহুল লেখনির জন্য ‚ আশা থাকবে বিএনপি দেশের সার্থে নিজেদের সংশোধন করে নিবে ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিবে . মিথ্যা অপপ্রচার থেকে বেতিয়ে আসবে এতে দেশ ও দল হিসেবে বিএনপির মংলা হবে ‚ কঠিন সত্য ১৯৭৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের ক্ষমতা থাকা কালিন সময় বিচারপতি সায়েম মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরুধিতা কারী মানবতা বিরুধীদের ক্ষমা করে দিয়ে বিচার কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় ‚ বিচার বন্দরে ততকালীন সরকার কর্তৃক জারিকৃত কপির অনুলিপি আমার সংগ্রহে আছে .
    আশা থাকবে বিএনপি তাদের মিথ্যা ও মানুষ হত্যার অপরাজনীতি বন্ধ করে মানুষের কাতারে এসে আন্তরিক ভাবেই মানুষের জন্য রাজনীতি করবে .

  6. Fazlul Haq on ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০১৫ at ১:০০ পুর্বাহ্ন

    বি এন পির দ্বারা দেশের মঙ্গল আশা করা কল্পনার অতীত । কারণ যে চার শ্রেণীর একত্র যোগে বি এন পির জন্ম তাদের একমাত্র আদর্শ স্বীয় স্বার্থ । শাসন শোষণের স্বার্থে তারা রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলে রাখে । দেশের মঙ্গল ও জন কল্যাণ তাদের বক্তৃতার ভাষা ।
    বর্ত্মান বিশ্বের শাসক শোষক গোষ্ঠী দুই ধরণের সন্ত্রাস ও উগ্রবাদের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত । ধনতান্ত্রিক বিশ্বের আধিপত্যের বিরুদ্ধে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব ব্যবহৃত হয়ে সোভিয়েট ইউনিয়ন, চায়না ইত্যাদি রাষ্ট্রের উদ্ভব হয় এবং ধনতান্ত্রিক বিশ্ব ব্যবস্থা কোনঠাসা হয়ে পড়ে । সমাজতান্ত্রিক (স্টেট ক্যাপিটালিজম) ব্যবস্থার মোকাবেলা করতে আমেরিকার নেতৃত্বে ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসের সৃষ্টি করা হয়েছে । ইহুদীবাদ, ইসলামিক মোউলবাদ, হিন্দুত্ববাদ ইত্যাদি চরমপন্থী সন্ত্রাসীরা বিশ্ব সমাজকে আতঙ্কগ্রস্থ করছে । বাংলাদেশে ইসলামি সন্ত্রাসীরা নারকীয় কার্য চালাচ্ছে এবং বি এন পি জামাত যাদের আশ্রয়দাতা । শাসক শোষকরা তাদের শাসন শোষণের লক্ষ্যে উগ্রবাদী সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করে । কারণ এটা সামাজিকভাবে সুবিধাজনক ।

  7. raiyan on ফেব্রুয়ারী ২৭, ২০১৫ at ১০:৩৬ অপরাহ্ণ

    ভাল লেখা। আশা করি bdnews24 তাদের এখনকার বিএনপি বিরোধী অবস্থান সব সময় বজায় রাখবে।

    • selim on ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০১৫ at ২:০০ অপরাহ্ণ

      ভাই raiyan , এটা bdnews24 এর বিএনপি বিরোধী অবস্থান কেন মনে হছেচ আপনার ? bdnews24 লেখকের কতগোলি সতিই কথা তোলে ধরেছেন ।

  8. Dr. Mamun on ফেব্রুয়ারী ২৭, ২০১৫ at ৩:৫৬ অপরাহ্ণ

    বিএনপি-জামাতের ভাড়াটে মন্তব্যকারীরা বিভিন্ন নামে একই ধরনের মতামত/মন্তব্য করে থাকে। একজনতো টুংগিপাড়া’কে টুংগিবাড়ি বলে জাতিকে ইতিহাস শিখতে বলেছেন।

  9. R Masud on ফেব্রুয়ারী ২৭, ২০১৫ at ৮:১০ পুর্বাহ্ন

    লিখাটি বি এন পি র জন্য অতি দরকারী এবং এই লিখাতে বাতিয়ে দেওয়া পয়েন্ট গুলো বি এন পি যদি শুধরিয়ে নিতে পারে তাহলে, শক্তিশালী রাজনৈতিক দল হিসাবে বি এন পি আবার মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারবে বলে মনে করি।
    মজার ব্যাপার হলো, আওয়ামী লীগের মাঝেও ধরন হয়তোবা ভিন্ন, সমমানের সমস্যা আছে।
    তাই লেখক কি বলছি, আপনার ধারালো লিখার স্টাইল দিয়ে আওয়ামীলীগ কে নিয়েও লিখুন।
    বাংলাদেশের রাজনৈতিক বর্বরতা হ্রাস পেলেও পেতে পারে—

  10. আরমান শাহারিয়ার on ফেব্রুয়ারী ২৭, ২০১৫ at ৫:৪৩ পুর্বাহ্ন

    সত্যি কথা বলতে আমরা সাধারণ মানুষেরা কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের প্রতি নিরপেক্ষ ও প্রাসঙ্গিক জ্ঞান রাখি না | এটা রাজনীতিবিদদের সাদা মিথ্যা থেকেও অতীব সহজ কথায় বলা যায় যে আমাদের ব্যক্তি নিরপেক্ষতার এতটাই অভাব যে রাজনীতিবিদরা এটাকে রীতিমত লুফে নেয় মাত্র

  11. sayeed h Khan on ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০১৫ at ১১:৪৬ অপরাহ্ণ

    বিএনপির মিথ্যাচার নুতুন কিছু নয়। মিথ্যা দিয়েই এই দলটির জন্ম। সবাই কম বেশী বিএনপির মিথ্যাচারর কথা জানে। তারপরেও তাদেরকেই ভোট দেয়। কেন ? সম্ভবত আপনার কথা অনুযায়ী মানুষ মিথ্যাকেই ভালবাসে ?

  12. কাশেম on ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০১৫ at ৮:৪০ অপরাহ্ণ

    লেখাটি অতীব তথ্য বহুল। বিএনপি তার মিথ্যাচারেই ধ্বংস হবে।

  13. Mahadi Hassan on ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০১৫ at ৮:০৯ অপরাহ্ণ

    Great writing..

  14. santu on ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০১৫ at ৬:২৬ অপরাহ্ণ

    আম্ রা নতুন কিচু কি পেতে পারি এ দুতি দল চারা ?????????

    • R Masud on ফেব্রুয়ারী ২৭, ২০১৫ at ৮:১১ পুর্বাহ্ন

      নুতুন কিছু এলে তা এই দুই দল থেকে ভাল হবে তা অপদার্থ লোকরাই বিশ্বাস করে।

      • পাভেল on ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০১৫ at ১১:৫৩ পুর্বাহ্ন

        পরিবর্তনকে যারা ভয় পায়, সন্দেহের চোখে দেখে তারা অথর্ব, কাপুরুষ, অপদার্থ ও প্রতিক্রিয়াশীল।

  15. শেখ নাসর উদ্দিন মিঠু on ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০১৫ at ৬:২৫ অপরাহ্ণ

    ধন্যবাদ তথ্যবহুল লেখাটির জন্য।

  16. পাভেল on ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০১৫ at ৪:৪৮ অপরাহ্ণ

    এই মতামন বিশ্লেষণটাকেই আমার ‘সাদা মিথ্যা’ মনে হচ্ছে। খুবই অবলীলায় মনগড়া কিছু বিশ্লেষণ জাতিও যুক্তি দিয়ে একটা গোষ্ঠীকে ছোট করার প্রবণতা। আরাফাত রহমান নামের এক তথাকথিত নব্য আওয়ামী বুদ্ধিজীবীকে দেখি বিভিন্ন টিভি টকশোটে এই জাতিও বিভ্রান্তি মুলুক মনগড়া তথ্য উপাত্ত দিতে। আমি ধারনা করছি এই লেখকও আওয়ামী আরাফাত ঘরনার লেখক। আমি সব সমায় মনে করেছি এবং জেনেছি যে তরুণদের কাছেই সততা, সত্যনিষ্ঠ বুদ্ধিবৃত্তি, ন্যায় নিষ্ঠ সাহসী আর দুর্বলের পাশে থাকবে এটা আশা করা যায়। সেটাই আমরা দেখেছি সব আন্দোলন সংগ্রামে। আমরা দেখেছি ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে, স্বাধীনটার পর মুজিবের অপশাসনের বিরুদ্ধে,স্বৈর শাসকদের বিরুদ্ধে, খালেদার বিরুদ্ধে, হাসিনার বিরুদ্ধে অর্থাৎ সব অপশাসনের বিরুদ্ধেই তরুণরা সোচ্চার ছিল। কিন্তু পরিতাপের বিষয় এখন ঠিক উল্টোটাই দেখা যাচ্ছে। তরুনরা শাসক শ্রেণীর তোষামোদিতে ব্যস্ত। এটা আমাদের জাতির দুর্ভাগ্য যে যখন যে ক্ষয়তায় থাকে তারা তাদের মত মনগড়া ইতিহাস রচনা করতে চায়। এই লেখাটাকে তারই একটা চেষ্টা বলে মনে হচ্ছে।
    বিজন সরকার- আপনাকে কে বলেছে যে ‘বিচারপতি আবু সাদত মোহাম্মদ সায়েম এর সময় সকল যুদ্ধাপরাধীকে জেল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়? কে, এম আমিনুল হক নামের এক আলবদর কমান্ডার ‘আমি আলবদর বলছি’ শিরোনামে একটা বই লিখেছে আবার টা নিজেই প্রকাশ করেছে ১৯৮৮ সনে (কি আমাদের দুর্ভাগ্য, একজন স্বাধীনতা বিরোধী, একজন যুদ্ধ অপরাধী তার পক্ষে সাফাই গেয়ে বই লিখে আবার তা প্রকাশ করার সাহসও রাখে)ক’বছর আগে পুরান বইয়ের দোকান থেকে বইটি আমি কিনেছি। যেখানা সে উল্লেখ করেছে যুদ্ধের সময় বিভিন্ন অপরাধে যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে তার সাজা হয় এবং পুর সাজা খেটে এরশাদের শাহনামলে সে জেল থেকে মুক্তি পায় (সনটা আমার মনে পরছে না)। সঠিক তথ্য না জেনে, মানুষকে বিন্রান্ত করবেন না।
    এবার আসা যাক আপনাদের ভোটের হিসাবে। আপনি বলতে চাইছেন বিএনপি যে ভোট গুল পায় তা আসলে বিএনপির ভোট না। ওগুলো আওয়ামী বিরোধী ভোট। আমি আপনাদের ভুল ভাঙ্গানোর জন্য বিষয়টিকে একটু ভিন্নভাবে বলি- বাংলাদেশের স্থপতি, যার নামে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। মানুষ যার কথায় মরার জন্য প্রস্তুত ছিল। দেশের মানুষের যিনি এত আপন মনে করতেন। আবেগে যিনি সাধারনত তুই করে বলতেন। এমনকি যিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে কখনই চিন্তা করেননি। সেই শেখ সাহেব নির্মম ভাবে নিহত হওয়ার পর (কাদের সিদ্দিক এর মত দুই এক জন ছাড়া) কে তখন এর প্রতিবাদ করেছে? কজন মানুষ তার জন্য কেদেছে? উপরন্ত কিছু দুষ্ট লোক সেই সময় টুঙ্গিবাড়িতে তার বাড়িও লুট করতে গিয়েছে বলে আমি পড়েছি। অর্থাৎ আমি বুঝাতে চাইছি জনপ্রিয়তা, গ্রহণযোগ্যতা কোন ঠিকাদারি বা চিরস্থায়ী বিষয় নই। যে একবার আপনার নামে সিল মেরেছি তো সারা জীবনের জন্য আপনার গোলাম হয়ে গেলাম। দেখুন স্বাধীনতার পরথেকে ১৯৯১ এর আগে পর্যন্ত যে কটি ইলেকশন হয়েছে সব গুলই হয়েছে দলীয় সরকারের অধীনে। আর সব গুলোই বিতর্কিত। প্রথম বারের মত বাংলাদেশের মানুষ কোন দলীয় প্রভাব ছাড়া স্ব ইচ্ছায় তাদের ভোট দিতে পেরেছে। অর্থাৎ সেই ভোটে মানুষের প্রকৃত ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটেছে আমরা বলতে পারি। সেই ইলেকশনে কে জিতেছে? বিএনপি। ১৯৯১ এ মানুষ নিরেপক্ষ পরিবেশে, প্রভাব মুক্ত হয়ে বিএনপি কে বেছে নিয়েছে। আওয়ামী লীগকে নয়। পরবর্তীতে বিএনপি র দুঃশাসনে বিরক্ত হয়ে ১৯৯৬ তে আওয়ামীলীগকে বেছে নেয়। অর্থাৎ আওয়ামীলীগ যে ভোট পেয়েছে তা মুলত বিএনপি বিরোধী ভোট। এমনকি ২০০৮এ ও একই ভাবে আওয়ামীলীগ বিএনপি বিরোধী ভোটেই ক্ষমতায় এসেছে। আর এটা আওয়ামীলীগ ভাল করেই বুঝে বলেই বাংলার মানুষের আজ এই দুরদশা। সর্বশেষ, আমার মন্তব্য পরে মনে হতে পারে আমি হয়ত বিএনপি সমর্থক। আমি কিরা খেয়ে বলছি আমি কিন্তু মোটেই তা নই। তবে অবশ্যই আমি কুশাসক ও কুশাসনের বিরুদ্ধে। আর আপনি যদি শাসকের বিরুদ্ধে বলেন তো যারা বিরোধীতে থাকে সেটা কিছুটা হলেও তাদের পক্ষেই যায়।

    • Forhad on ফেব্রুয়ারী ২৭, ২০১৫ at ১১:১৮ অপরাহ্ণ

      ১৯৯১ সনের ইলেকশনে বিএনপি পেয়েছিল ৩৩% আর আওয়ামি লিগ পেয়েছিল ৩৭%। ৯৬ সনেও ভোটের হিসেবের খুব ইতর বিশেষ হ্য় নি। ২০০১ সনে আওয়ামী লীগ একক ভাবে ৪১% আর বিএনপির চার দ্লীয় জোট পেয়ে্ছিল ৪৪%। বিএনপির ৩৩% ,জামাতের ৭%, জাতীয় পারটির ২%, ইসলামি দলগুলির ২%। ২০০৮ সনে আওয়ামি লীগ জোট পেয়েছিল ৬০% ,বিএনপি জোট ৩৬%। দেখা যায় ১৯৯১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের ভোট ক্রমাগত বাড়লেও বিএনপির ভোট ক্রমাগত কমেছে।

      • পাভেল on ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০১৫ at ১১:১১ পুর্বাহ্ন

        Mr.Forhad আপনি কথাই পেলেন এই সব তথ্য? আপনিও দেখছি তথা কথিত বুদ্ধিজীবীদের মত সূক্ষ্ম তথ্য কারচুপি করার চেষ্টা করছেন। আপনার সুবিধার জন্য সঠিক তথ্য গুল নিচে দিলাম। এগুলো কিন্তু আমার বানানো নয়, নির্বাচন কমিশন থেকে প্রাপ্ত।

        ১৯৯১ সনের ইলেকশনে বিএনপি পেয়েছিল ৩০.৮% আর আওয়ামি লিগ পেয়েছিল ৩০.১%। ৯৬ সনেও ভোটের হিসেবের খুব ইতর বিশেষ হ্য় নি।। ২০০১ সনে আওয়ামী লীগ একক ভাবে ৪০% আর বিএনপির পেয়ে্ছিল ৪১%। ২০০৮ সনে আওয়ামি লীগ পেয়েছিল ৪৯% ,বিএনপি ৩৩%। দেখা যায় ১৯৯১ থেকে ২০০১ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি মোটামুটি খুব কাছাকাছি ভোট পেয়ে কেউ জিতেছে কেউ হেরেছে।

        তাহলে প্রশ্ন থাকে যায় ২০০৮ সনে কি এমন হল? হা হয়ছে পূর্ববর্তী ইলেকশন গুলতে যেখানে ৭৪%, ৭৫% ভোট পরেছে সেখানে ২০০৮ সনে ভোট পরেছে ৮৫%। প্রশ্ন করা যেতে পারে সত্যি সত্যি এত ভোটার কেন্দ্রে এসেছে অথবা দেখানো হয়েছে। আমাদের দেশে তো সবই সম্ভব। কোন রকম লজ্জা না পেয়ে, রাখ ঢাক না করেই ৫% ভোটকে ৪০% করে দেয়া যায়।

        • Forhad on ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০১৫ at ১০:৪২ অপরাহ্ণ

          নির্বাচন কমিশনের ডাটা পড়েছেন, হিসেব করেন নি। ১৯৯১ সনে আওয়ামী লীগ জোটবদ্ধ নির্বাচন করে।আওয়ামী লীগ ২৬০টি আসন এবং ন্যাপ,কম্যুনিস্ট পার্টি, বাকশাল ৪০ আসনে নির্বাচন করে। ৩৭% মোট জোটের ভোট। ১৯৯১ সনে বিএনপি জামাতের সঙ্গে গোপন জোট করে, জামাত প্রথমে ৩০০ আসনে প্রার্থী দিয়ে ৯০ আসনে বিএনপির সমর্থনে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে।ফলত বিএনির সমর্থনে জামাতের ১৭ জন নির্বাচিত হয় এবং জামাতের সমর্থনে বিএনপি ১৪০ আসন পায়।জামাতের ১৭ জনের সমর্থন নিয়ে বিএনপি সরকার গঠন করে।বিনিময়ে জামাতকে আরো ২টি মহিলা আসন প্রদান করে। যার মধ্যে একজন ছিল মিসেস নীজামী। ১৯৯৬সনে জোট ছাড়াই নির্বাচন হয়, ফলত জামাতের আসন মাত্র ২টিতে নেমে আসে। ২০০১ বিএনপির ৪৬% জোটের ভোট। যেমন ২০০৮ সনের মহাজোটের ভোট প্রায় ৬০%। যার মধ্যে আওয়ামী লীগ যে কয়টি আসনে নির্বাচন করে,তাতে একাই ৪৯% ভোট পায়।সুতরাং দেখা যায় ১৯৯১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের ভোট ক্রমাগত বেড়েছে, যা আমি আগে উল্লেখ করেছি।

    • সৈয়দ আলি on মার্চ ২, ২০১৫ at ২:৩৩ পুর্বাহ্ন

      পাভেল, আপনার বক্তব্যের কিছু তথ্যের সাথে যোগ করতে চাই:

      দালাল আইনের সংশোধন করে ১৯৭৩ সালের ২২ নভেম্বর (এ বিএম মুসার স্মৃতিকথা) ১১,০০০ পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর সহযোগীকে ছেড়ে দেয়া হয়। বাকি ১৮,০০০ কে জিয়ার শাসনামলে মুক্তি দেয়া হয়। শেখ মুজিবের এই ‘উদারতায়’ পান্না কায়সার যে তীব্রভাষায় প্রেসক্লাবে সংবাদ সন্মেলনে শেখ মুজিবকে আক্রমন করেন, তার রেকর্ড তৎকালীন পত্র-পত্রিকায় পাওয়া যাবে।

  17. Faruk on ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০১৫ at ২:৫৮ অপরাহ্ণ

    গুলশানের গুহায় ছয় কংগ্রেসম্যানের স্বাক্ষর নকল করে বিবৃতি জালিয়াতি, ভারতীয় জনতা পার্টির প্রধান অমিত শাহের সঙ্গে ফোনালাপের মিথ্যা দাবি ইত্যাদি করার পরও এ্ইসব চালবাজদের পক্ষেই কিছু সুশীল ভেকধারী সংলাপের জিগির তোলে। ডিস, মোবাইল, বিদু্‌্যত বন্ধর জন্য হায় আফসোস করতে থাকে। কিন্ত একবারও আফসোস করেনা পেট্রলের আগুনে নিরীহ জনগণ, বাস পুড়ানো বা রেলের সম্পদ নস্ট করার জন্য। দেশের অধ্যয়নরত ছাত্র সমাজ বা সার্বিক আর্থিক ক্ষতির জন্য। অতি সম্প্রতি এক সুশীলের ভেক খসে পড়েছে। মহান আল্লাহ আপনি এইসব ভেক এবং চালবাজদের খপ্পর থেকে এই দেশকে হেফাজত করুন, আমিন।

  18. মুনির আহমেদ জেদ্দা হইতে on ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০১৫ at ২:৪৪ অপরাহ্ণ

    বেগম খালেদা জিয়া অর্থাৎ বি এন পির নেত্রী আপনিই বলেছেন সাদা মিথ্যা কথা বলে। কিন্তু বর্তমান সরকারের অবৈধ প্রধানমন্ত্রী হারহামেশা ডাহা মিথ্যা কথা বলেন, মিথ্যা অভিনয় করেন। জনগণকে মিথ্যা আশ্বাস দেন। আল্লাহ তায়ালার বন্দেগীর ক্ষেত্রে ও মিথ্যা বলেন। উনার সকাল বেলা শুরু হয় মিথ্যা দিয়ে, এ আমাদের সাধারণ জনগনের জন্য মারাত্মক।

  19. Anwar A. Khan on ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০১৫ at ২:৩৬ অপরাহ্ণ

    A highly deceptive coloured politician Mahmudur rahman Manna has been caught red handed because of his grave misdeeds. The government must take stern action against him. The government should also find out such wicked and dangerous serpents in the arenas of politics and other fields to infict them due punishment to stop all ongoing deadly violences being made to the general people.

    In no time Ghoseti Begum should be arrested, put her into strong remand by police and other concerned agencies to expose all conspiracies which she and her gangsters so far committed to the general public and prosecute them as per law of the land to award them the appropriate punishment to bring peace back in the country. Remember the old proverb : “Jest with an ass, and he will flap you in the face with his tail”. So, make haste so that it does not happen.

  20. khokon on ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০১৫ at ২:২২ অপরাহ্ণ

    Very good write up by Bijon Sarker. I am not the right person to talk about politics but I enjoyed your writing.

  21. khokon on ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০১৫ at ২:২১ অপরাহ্ণ

    Very good write up by Bijon Sarker. I am not the writ person about politics but I enjoyed your writing

  22. syed on ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০১৫ at ১:৪৪ অপরাহ্ণ

    অসাধারণ লেখা ।

  23. syed on ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০১৫ at ১:৪১ অপরাহ্ণ

    thank you sir,
    i hope write more and more.

  24. সুস্থির সরকার on ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০১৫ at ১১:২২ পুর্বাহ্ন

    তথ্যবহুল অসাধারণ লেখা। আশা করি লেখাটি পড়ে অনেক কিছু জানতে পারবে।

    • alamee on ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০১৫ at ১:১৬ অপরাহ্ণ

      Bnpr ta likhlen awamiliguer mithacarer kotha to likhbenna

মন্তব্য করুন

প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

Get Adobe Flash playerPlugin by wpburn.com wordpress themes

ফেসবুক লিংক

ট্যাগ

আর্কাইভ