মোশাহিদা সুলতানা ঋতু

সন্ত্রাস, হীনম্মন্যতা ও সুশীলদের নোবেল রক্ষা

মার্চ ৯, ২০১১

Moshahida-f1আমরা যখন ব্যস্ত ড. ইউনূসকে নিয়ে, পুঁজিবাজারের সূচক উন্নয়ন নিয়ে, নারী দিবসে নারী উন্নয়ন নীতিমালা নিয়ে তখন আমাদের ছাত্ররা কীভাবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াচ্ছে তা রয়ে যাচ্ছে আমাদের দৃষ্টির অগোচরে | বিষয়টি যেন এমন – আমাদের ছাত্ররা রাজনীতি করে, রাজনীতি মানেই নোংরামী, তো যারা রাজনীতি করবে তারা তো মারামারিই করবে, তারা আহত হলে হবে, তারা নিহত হলেও হবে | এই সমাজ ব্যবস্থায় কতজন সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে রাজনীতি করে আর কতজন অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে রাজনীতি করে সেই প্রশ্ন হারিয়ে যায় কুৎসিত ও নৃশংস ঘটনার আধিক্যে | ছাত্রদের সাথে বিভিন্ন সময়ে কথা প্রসঙ্গে উঠে আসে কয়েকটি চরম সত্য | আর তা হলো জীবন ও জীবিকার তাগিদে তারা বাধ্য হয় বহু অন্যায় মেনে নিতে | আমাদের ছাত্ররা মাথা নিচু করে থাকে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের শিকার হবার ভয়ে | ভোগে হীনম্মন্যতায় | এর মধ্যেও যখন দেখি অকুতোভয় ছাত্র ছাত্রীরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ায় তখন তাদের চোখের দিকে তাকিয়ে আধমরা স্বপ্নগুলো মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে | আজকে এরকমই একটি দিন | মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার দিন |

ঢাকা মেডিকেল কলেজে দুইটা ভাঙ্গা হাত নিয়ে, পায়ে অসংখ্য আঘাত নিয়ে, মাথায় মারাত্মক জখম নিয়ে মৃত্যুর সাথে লড়ছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের বুয়েট শাখার আহবায়ক গৌতম কুমার দে | আহত হয়ে শুয়ে আছে সাধারণ সম্পাদক মামুন মোর্শেদ | ৩ দিন ধরে প্রতিদিন ছাত্র লীগের কর্মীদের আক্রমণে বিভিন্ন সময়ে আহত হয়েছে মুনিম বিন গনি, জয় ভট্টাচার্য, মেজবাউল হক রাজন, সৈয়দ নাজমুল আহসানসহ আরো অনেকে | রশীদ হল, নজরুল ইসলাম হল, ও সোহরাওয়ার্দি হলের বিভিন্ন রুমে অগ্নি সংযোগ, ভাংচুর থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত জিনিস লুটপাট করে ত্রাস তৈরি করেছে ছাত্রলীগ কর্মীরা | গুরুতরভাবে আহত হওয়া এই ছাত্রদের অপরাধ সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ | অপরাধ সন্ত্রাস বিরোধী দেয়াল লিখন ও লিফলেট বিতরণ|

বসন্তের এই ফাল্গুন মাসে যখন বিশ্ববিদ্যালয় রঙ্গীন হয়ে উঠেছে বসন্ত উৎসবে, স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবসে যখন মহাসমারোহে পালিত হচ্ছে ভ্যালেন্টাইনস ডে, যখন একুশে উদযাপনের আনুষ্ঠানিকতা উত্সব আকার ধারণ করেছে, তখন নিভৃতে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি-দখলদারিত্ব মুক্ত ক্যাম্পাসের দাবীতে কাজ করে চলছিল ছাত্রফ্রন্টের ছাত্ররা | কিন্তু কে চায় এই উত্সবমুখর ক্যাম্পাসে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবাদ শুনতে | এই প্রতিবাদ তো আনন্দের না | তাহলে এই আনন্দকে বিস্বাদ করে দেয় যেই প্রতিবাদ সেই প্রতিবাদ কে করবে? চারিদিকে অন্যায়, দুর্নীতি, আর ভোগান্তি দেখে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়া ছাত্র ছাত্রীরা মনের অশান্তি আর নিরানন্দকে জয় করতে দুই দন্ড শান্তির জন্য তাই ভেসে যায় আনন্দের স্রোতে | থাক না এই প্রতিবাদ | ঝামেলা করে লাভ কী ? তার চাইতে বেশি সুবিধা দুইদিনের জন্য সব ভুলে যাওয়া | যেন এই ভুলে যাওয়া সব ভুলিয়ে দিবে | কিন্তু এই আনন্দের মধ্যে আদর্শবাদী কিছু ছাত্র থামিয়ে দেয়নি লড়াই | আর তারা তাই শুয়ে আছে মেডিকেলে |

আমাদের নাগরিক সমাজের কাছে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের পরিণতি মানে কয়েকদিন মেডিকেলে শুয়ে থাকা, ব্যথায় কাতরানো, খবরের কাগজে ছোট্ট হেডিং হওয়া, এবং পরবর্তীতে বিস্মৃত হওয়া | এই সংগ্রাম করে কী হবে যেই সংগ্রামে বিস্মৃত হতে সময় লাগে খুব বেশি হলে এক মাস বা তার একটু বেশি ? তাই খুব বেশি মানুষ আর আজকাল অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয় না | আমরা গলা শুকিয়ে ফেলছি “মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীর শাস্তি চাই” | বিশেষভাবে সংজ্ঞায়িত এদেশের সুশীল সমাজের কেউ কেউ ড. ইউনূসের অপসারণকে মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিচ্ছেন | আমাদের সুশীল সমাজ উঠে দাড়িয়েছে ড. ইউনূস তথা দেশের সম্মান রক্ষার উদ্দেশ্যে | যেন নোবেল বিজয়ীর সম্মান এত শস্তা যে তাকে তার পদ থেকে অপসারণ করলে এক্ষুনি সব সম্মান ধুলিস্যাত হবে | এই জাতি যেন লজ্জায় কাতর – এটা কী হচ্ছে ? এই বিশেষ সময়ে ছাত্রদের অধিকার নিয়ে যে কেউ কথা বলতে গেলে মৌলিক সব প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে | কিন্তু এই মৌলিক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে চায় কে? কে জবাব দিবে “কেন সন্ত্রাস বিরাজ করে বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে?” এই সব প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে কেউ দিতে পারে না | বর্তমান সরকারও না, বিরোধী দলীয় সরকারও না | এই প্রশ্নের উত্তর যে দিতে যাবে তাকে যেতে হবে মেডিকেলে |

আর তাই খবরের কাগজের প্রথম পাতায় ড. ইউনূস এবং ভিতরের পাতায় গৌতম ও তার সঙ্গীরা | যেই সব ঘটনার সাথে আমাদের দেশের ছাত্র তথা জনগণের স্বার্থ জড়িত সেই সব ঘটনা তাই খবরের কাগজের ভিতরের পাতায় গভীর নিঃশ্বাস ফেলে |

একজন ছাত্র আমাকে সেদিন প্রশ্ন করেছিল “আমাদের দেশের ছেলে মেয়েরা বিদেশে যেয়ে কত ভালো রেজাল্ট করে অথচ আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো র্যাঙ্কিং এর দিক থেকে এত নিচে কেন? ” ছাত্রটির প্রশ্ন শুনে মনে হয়েছিল তার তো এই প্রশ্নটিই করার কথা | কারণ তার তো আসলে প্রয়োজন র্যাঙ্কিং বাড়ছে কিনা সেটা দেখা | তার তো দেখার উদ্দেশ্য নয় কোথায় কোন ছাত্র এই অর্থনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়ে, ক্যাম্পাসে অরাজকতার শিকার হয়ে মাথা তুলে দাড়াতে পারছে না | যেখানে মৌলিক প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেয়া যাচ্ছে না সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাঙ্কিং নিয়ে প্রশ্ন আমাদেরকে কতটা স্পর্শ করে ? যারা মৌলিক প্রশ্নের উত্তর দিতে যেয়ে ব্যর্থ হয়, কোনো দিকনির্দেশনা পায় না তারা র্যাঙ্কিং নিয়ে হীনম্মন্যতায় ভোগে | আমাদের দেশের সেই সব ছাত্ররা যারা এই হীনম্মন্যতাকে জয় করতে পেরেছে তারা র্যাঙ্কিং এর প্রশ্নের উর্ধ্বে উঠে যেয়ে সন্ত্রাসকে প্রশ্ন করতে শিখেছে | হীনম্মন্যতাকে জয় করতে পেরেছে বলে আজকে তারা মেডিকেলে, সাদা বিছানার চাদরে শুয়ে লড়াই করে মৃত্যুর সাথে |

যখন আলোচনা সভায় প্রশ্ন ওঠে তরুণদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ নিয়ে তখন সকলেই মনে করে সন্ত্রাস নির্মূল করতে হলে ও দখলদারিত্বের রাজনীতি নির্মূল করতে হলে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে | কিন্তু তার জন্য যেই চেষ্টাটুকু করতে হয় সেই চেষ্টাটুকু করতে ভয় পায় বেশিরভাগ ছাত্ররা | আমরা আদর্শবাদী ছাত্র দেখতে চাই, তাদের প্রশংসা করি, কিন্তু আদর্শবাদী ছাত্রদের পাশে দাড়াতে চাই না | এই সব ছেলেদের সম্মান নিয়ে আমরা ভাবি না, ভাবি ড. ইউনূসদের সম্মান নিয়ে | নোবেল বিজয়ের সম্মানে যখন হাত পা ছুঁড়ে উল্লাস করেন দেশের মানুষ তখন এই অকুতোভয় ছাত্ররা বিছানায় শুয়ে হাত পা ছুঁড়ে ব্যথায় কাতরায় | লোকে বলে দুইটা জায়গায় মানুষকে জীবনের কোনো না কোনো সময় যেতে হয় | একটা হচ্ছে ডাক্তারের কাছে, আরেকটা হচ্ছে উকিলের কাছে | আর তাই বুঝি আমাদের ছাত্ররা সমাজের অসুখ সারাতে যেয়ে নিজেরা পরে থাকে মেডিকেলে | আর আমাদের নোবেল বিজয়ী সমাজের অসুখ না সারিয়ে অসুখী মানুষকে ঋণ দেয়ার মাধ্যমে সাময়িক অর্থনৈতিক মুক্তি দিতে গিয়ে পুরস্কৃত হন এবং দাড়ান কাঠ গড়ায়|

শিক্ষাঙ্গনে সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষার জন্য ছাত্রদের এই লড়াইকে সম্মান জানিয়ে আমরা চাই সন্ত্রাসীদের শাস্তি ও বিচার | সারা দেশবাসীর প্রয়োজন এই সব অকুতোভয় ছাত্রদের পাশে দাড়ানো | চার দিন ধরে ঘটে যাওয়া সন্ত্রাসী তত্পরতার বিরুদ্ধে জোরালো অবস্থান না নিয়ে বুয়েট প্রশাসন যেই নির্লিপ্ততার নমুনা আমাদের সামনে হাজির করেছে তা আবারও প্রমাণ করে আমাদের ছাত্রদের মধ্যে হীনম্মন্যতার বীজ বপণ করার জন্য দায়ী আমাদের প্রশাসন এবং আমাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থা | আমাদের ক্যাম্পাসকে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি-দখলদারিত্ব মুক্ত করতে হলে নিষ্ক্রিয় প্রশাসনকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে বাধ্য করতে হবে | যতদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করবে ততদিন সারবে না সমাজের মধ্যেকার এই গভীর অসুখ – হীনম্মন্যতা।

মোশাহিদা সুলতানা ঋতু :ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেসন সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট এর অর্থনীতির প্রভাষক।

Tags: , ,

WARNING: Any unauthorised use or reproduction of bdnews24.com content for commercial purposes is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to legal action.
| | More
 -------------------------------------------------------------------------
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর নিজস্ব। bdnews24.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে bdnews24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)

-------------------------------------------------------------------------

৫০ প্রতিক্রিয়া - “ সন্ত্রাস, হীনম্মন্যতা ও সুশীলদের নোবেল রক্ষা ”

  1. Anwar Akash on সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৩ at ৮:৫১ অপরাহ্ণ

    মোশাহিদা,

    খুব ভালো লাগল আপনার লেখা পড়ে… আমাদের ছাত্রদের রক্ষা করতে হবে… রাজনৈতিক সন্ত্রাসের পথ ধরে প্রতিভা নিধন বন্ধ হোক… আমরা আর প্রতিভাবানদের হারাতে চাই না… আর কত বুদ্ধিজীবী নিধন। স্বাধীনতার তিন যুগ পরেও আমরা বুদ্ধিজীবী সংকটে আছি। অপরাধী যত ক্ষমতাবানই হোক না কেন, তাকে শাস্তি পেতেই হবে… আমাদের সমাজ থেকে সকল অন্যায় আর দুর্নীতির সমূলে উৎপাটন হয়তো সম্ভব নয়। তবে আপনার লেখার শক্তি চাই প্রতিটি প্রতিবাদী মানুষের মাঝে… জয় আমাদের সুনিশ্চিত…

  2. Raju nandi on মার্চ ১৩, ২০১১ at ১২:২৬ অপরাহ্ণ

    I appreciate your writing.You will be able to represent our actual scenery .Really thanks mam.

  3. fuadfaruq,usa on মার্চ ১২, ২০১১ at ৬:৩৩ অপরাহ্ণ

    This article smells the message of all neutral people and students and remind me deeply the situation of 1969-71.It would be more powerful if Dr.Yunus would be avoided.Thanks a lot.

  4. rajib on মার্চ ১২, ২০১১ at ৬:১২ অপরাহ্ণ

    The root of every evils is “our sick politics and corrupted politicians”.But we can not loose hope.

  5. mukta Sarawar on মার্চ ১২, ২০১১ at ২:৩৮ অপরাহ্ণ

    এটাকে ট্রেনিং বলে যাতে করে ভবিষ্যতে তারা আওয়ামী এবং বিএনপি সরকারের বড় নেতা/মন্ত্রী হতে পারে।

  6. Samaj on মার্চ ১১, ২০১১ at ১০:৫৬ অপরাহ্ণ

    অদ্ভুত,হাস্যকর এবং কুৎসিত তুলনা……

    নিজেদের মধ্যে অ-আদর্শিক,অমূলক এবং কুৎসিত মারামারির কারনে, ক’টা ছাত্র আহত হবার কারনে ডঃ ইউনূসের ঘটনাটা নিয়ে আলোচনা,সমালোচনা করার কোনও কারন থাকার মানে হয় না, তাইতো ম্যাডাম? তো এই রকম মারামারি খুনাখুনি তো গত দুই বছর ধরেই চলছে(এবার তো তাও খুনাখুনি হয় নাই),এতদিন কোথায় ছিলেন? কী কী পদক্ষেপ নিয়েছেন? কী কী কাজ করেছেন এই মারামারি বন্ধ করার জন্য? নোংরা ছাত্র রাজনীতির একটা প্রধান বাহক আপনারা, অস্বীকার করতে পারবেন? আপনাদের লাল,নিল হলুদ দলাদলির কারনে যে ছাত্ররা অসহায় বলির স্বীকার হয়,অস্বীকার করার ক্ষমতা আছে আপনাদের, নোংরা রাজনীতি না করে শিক্ষকতা করতে পারছেন? এটা বিশ্বাস করতে বলছেন? কটা ক্লাস নেন? কটা খেপ মারেন? পরীক্ষা নিতে মাসের পর মাস দেরি করেন কেন? রেজাল্ট দিতে বছর পার করেন কেন?…… অনেক কথা বলা যায়… রুচি হচ্ছে না…… এতই যদি দরদ ছাত্রদের প্রতি তাহলে নিজেদের কুৎসিত দলাদলিবাদ দিয়ে ছাত্রদের পাশে এশে দাঁড়ান,দেখি কত সাধু আপনি/আপনারা……

  7. Onita Mehdi on মার্চ ১১, ২০১১ at ৮:৪৪ অপরাহ্ণ

    বাংলাদেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে রাজনীতিমুক্ত দেখতে চাই, কোন শিক্ষাঙ্গনে ক্ষমতার অপব্যবহার আমরা দেখতে চাই না। পড়ালেখার সুস্থ পরিবেশ চাই। এবং দেশের ভবিষ্যত কর্ণধার হিসেবে মুক্ত চিন্তার মানুষদেরকে পেতে চাই। আসুন সবাই সংগঠিত হয়ে প্রতিবাদ করি, এই নোংরা রাজনীতির বিরুদ্ধে।-অনিতা,ছাত্রী,বুয়েট(২য় বর্ষ)

  8. A.N.M. AFZAL HOSSAIN on মার্চ ১১, ২০১১ at ৮:১৭ অপরাহ্ণ

    ভাল লাগলো আপনার লিখাটি।

  9. mir afroz zaman on মার্চ ১১, ২০১১ at ৫:৫৩ অপরাহ্ণ

    Dr.yunus right now affected by bad politics and media santrash in bangladesh. . I don’t understand why did u bring yunus in this story?

  10. Rifat Rahman Shakil on মার্চ ১১, ২০১১ at ২:১৪ অপরাহ্ণ

    elomelo lekha. Ar ektu sajiye present korle bujhte subidha hoto.

  11. Joye on মার্চ ১১, ২০১১ at ১২:১৬ অপরাহ্ণ

    ভাল লাগল না ইউনুস প্রসংগ, খামাকাই তাকে টেনে এনেছেন যার দরকার ছিল না।

  12. sajib on মার্চ ১১, ২০১১ at ৮:২৭ পুর্বাহ্ন

    মুক্তিযুদ্ধকে যারা দুই কুকুরের লড়াই বলে , বঙ্গবন্ধুকে যারা অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে ,যারা সমাজতন্ত্রের কথা বলে দেশে ফ্রী সেক্সের অধিকার চায়, যারা হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর নামে আপত্তিকর মন্তব্য করে, সর্বোপরি যারা না মানে রাষ্ট্র, না মানে সমাজ, না মানে ধর্ম তাদের প্রতি আমার কোনো সহমর্মিতা নেই।

  13. rids.UK on মার্চ ১১, ২০১১ at ৭:১০ পুর্বাহ্ন

    Dr Yunus is a very honorable person in all over the world. There is no argument. I am very much upset the govt. of BD has removed him suddenly from the Grameen Bank. Gameen Bank is the role model of the poverty elevation of the whole world. Dr. Yunus is not only the Noblel laureate in our country but he has a big contribution to develop our rural economy. I know few people will not agree with me. If you calculate the benefit of the society you will agree with me. May be Grameen Bank is charging the high interest rate which is not good. But if you see how many people got job and changed their lives style. If you study in a profitable organisation, you will find few people always affected. Do you know in UK most of the Bank charges the customers high interest in business Banking and end of the day all of the directors and share holders are benefited. So this is the system of banking business. In Bangladesh Grameen Bank is a first Bank who started their business in rural areas and changed the life style of rural people where never gone govt. Bank or any financial institution to help rural people.

    So it is a big shame for Bangladesh to remove him from Grameen Bank. I know you will tell me about law. Everybody should respect the law so he should respect law. But every thing is exceptional. Some time law is considering or reviewing for the benefit of the society. It depends on reference frame, level of contribution.

    I think govt. should more concentrate other issues than the issue of Dr Yunus.
    I agreed with Rithu the teacher of DU. Thanks for her literature. It is very deep and truth.
    Govt should concentrate to restore the law and order in BD. If you read news paper of BD is terrible how many people are killed every day. This is only country where murder is a very easy thing because there is no punishment or law and order does not work there. In the modern govt. should concentrate to improve law and order and restore the present situation. It is very frightening situation those who are living in outside of the country. Because the amount of bad news published in the media every day is shocking for the Bangladeshis whole over the world. So my request to every one in Bangladesh please stop killing people. Please love them. You have lost 30 lacks people in Liberation time. So please practice to love people and make a friendly environment all over the country.

    The Noble laureate poet Rabindranath Tagore told in his poem

    ‘I came to your home as a stranger
    I stayed in your home as a guest
    I left your door as a friend.’

    Riddik Chaudhury
    University of Birmingham
    England

  14. Mamun Murshed Khan on মার্চ ১১, ২০১১ at ১:৩৯ পুর্বাহ্ন

    ভেবেছিলাম আমাদের কষ্টের কথা কেউ কোনদিন হয়তো জানতে পারবে না। বুকের ভেতর যে বেদনা নিয়ে এই রাজনীতিতে এসেছিলাম, এই ঘুণে ধরা সমাজ আমাদের বুকে যে আর্তির বীজ বুনে দিয়েছে, তা হয়তো কোনদিন কেউ জানতে চাইবে না, জানাতে চাইবে না…
    গৌতমের নিথর দেহ থেকে যখন গলগল করে রক্তের ধারা বয়ে যাচ্ছিল, সমস্ত চরাচর যখন আমাকে চিৎকার করে বলছিল… কেউ দেখছে না… কেউ শুনছে না… কেউ কিছু বলছে না…
    তুমি অপরাধী… সবার চোখে, কারণ তুমি রাজনীতি কর, সমাজের গায়ে ধাক্কা দেবার সাহস দেখাও!
    চারপাশের সমস্ত মানুষকে মনে হচ্ছিল কী কৃতঘ্ন তারা…..
    আমি ভুল বুঝেছিলাম।
    আমি সবার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।
    এখনো ক্যাম্পাসে ফিরতে পারি নি।
    হায়েনারা ওঁত পেতে আছে, ছিঁড়ে খাবে কাছে পেলে।
    তবে আপনাদের কাছ থেকে পাওয়া সাহস আর মানসিক শক্তি নিয়ে ফিরে যাব ক্যাম্পাসে, পশুদের বিরুদ্ধে মনুষ্যত্ব রক্ষার আমাদের এই আন্দোলন একদিন স্ফুলিঙ্গ হয়ে ছড়িয়ে পড়বে সারা দেশে… এই আশা রাখি।
    -মামুন মোর্শেদ খান, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

  15. Mehdi Satter on মার্চ ১১, ২০১১ at ১২:২১ পুর্বাহ্ন

    আমারও একটা নোবেল পুরস্কার চাই। আমিও গরিব বান্ধব হব। দাতাদের কাছ থেকে বিনা সুদে টাকা নিব আর ৪০% সুদে (ইউনুসের ৩১%)গরিবদের ঋণ দেব। সুদে আসলে আদায় করবো। যতই গরিব হোক সুদ দিতে না পারলে ভিটা মাটি ছাড়া করবো। তলে তলে আমি হব তারেকের চেয়ে বড় ধনী। তাই আমার একটা নোবেল পুরস্কার চাই। আর সেটা পেলে আমিও হয়ে যাব বাঙালির ভাবমুর্তি উজ্জ্লকারি মহামানব। আমার সাত খুন হবে মাফ। সুশীল সমাজ আমার সব কর্ম আর অপকর্মের সহায়ক শক্তি হিসাবে থাকবে নিরন্তর আমার পাশে। কামাল হোসেনের মেয়েরা হবে আমার আইনজীবি।

  16. Laijunaher on মার্চ ১০, ২০১১ at ১১:০১ অপরাহ্ণ

    একেবারে পরম সত্যটা তুলে ধরেছেন!
    যারা সমাজকে আবর্জনা মুক্ত করার জন্য লড়ে তাদের পিছনে আমরা দাঁড়াই না!
    খুব ভাল লাগল লেখাটা!

  17. সায়েম চৌধুরী on মার্চ ১০, ২০১১ at ১০:৩৯ অপরাহ্ণ

    ছাত্রলীগ,শিবির, ছাত্রদল এরা ছাত্র রাজনীতিকে কলঙ্কিত করেছে, এদের জন্য অন্য কোন সংগঠনও করা যাবে না। যাবে না অন্যায়ের প্রতিবাদ করা ।

  18. Saiful Islam on মার্চ ১০, ২০১১ at ৯:৫৫ অপরাহ্ণ

    একটা কথা আছে না, কিসের মধ্যে কী, পান্তা ভাতে ঘি। ডক্টর ইউনূসের প্রসঙ্গ অনেক গুরুত্বপূর্ণ তাই সোনার ছেলেরা একটা সুযোগ নিল। তারা বুঝতে পারে পত্রিকা এতটা পচানোর সুযোগ পাবে না, সুযোগটা কাজে লাগাই। আপনি ডক্টর ইউনূস সম্পর্কে যে মূল্যায়ন করেছেন তা একপেশে। সোনার ছেলেদের দিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে পরিচিত করতে পারবেন না, যা ডক্টর ইউনূস দিয়ে পারবেন।খুব অবাক হই ডক্টর ইউনূসকে সম্পদ হিসাবে না দেখে দায় হিসাবে দেখার কারন কী।।

    • ManMad on মার্চ ১০, ২০১১ at ১১:৫২ অপরাহ্ণ

      “সোনার ছেলেদের দিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে পরিচিত করতে পারবেন না, যা ডক্টর ইউনূস দিয়ে পারবেন।” এই কথাটা চিন্তা করে বলেছেন, নাকি বলতে হয় তাই বলেছেন?

      ড.ইউনুসই কিন্তু এককালে বাংলাদেশের ছাত্র ছিল, এবং পরবর্তিতে উনিই বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবেই নোবেল জয় করেন।

  19. pappu on মার্চ ১০, ২০১১ at ৯:২৯ অপরাহ্ণ

    লেখার জন্য ধন্যবাদ,আপু । ইউনূসের নোবেল আমাদের এতোটাই মহিমান্বিত করেছে যে আমরা অন্ধ হয়ে গেছি । এ নিয়ে কিছু বলার নেই। বাংলাদেশ বলেই এটা সম্ভব । নোবেল প্রাপ্তির সাথে সাথে ব্যক্তিগত কর্মকান্ডও যে সব কিছুর উপরে চলে যায় সেটাও বাংলাদেশেই সম্ভব। আমেরিকায় হলে তারা ব্যক্তিকে ছাড় দিতো না, রাষ্ট্রপতি হলেও না। শেখ হাসিনা মানে সরকার নয়, বাংলাদেশ মানে ইউনূস নয় । আমরা পার্থক্যগুলো বোঝার প্রয়োজনও বোধ করি না ।

  20. saddam hossain on মার্চ ১০, ২০১১ at ৮:১৮ অপরাহ্ণ

    mam,it is obvious that among many corrupted youths,there are some who dreamed to involve in healthy ideological politics but our scared, corrupted seniors always try to dismiss these whatever may be the issue,whatever may be the political team.i like your writing .Dr.Yunus is a different issue,he achieved noble prize but one day society will be changed by all these kind of sacrificing youths,but they should search the right way.i always dream that.doa for the injured.

  21. priobhasini on মার্চ ১০, ২০১১ at ৮:১৬ অপরাহ্ণ

    ‘ক‍্যাম্পাসে সন্ত্রাস চাঁদাবাজি-দখলদারিত্ব মুক্ত করতে হলে নিষ্ক্রিয় প্রশাসনকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে বাধ‍্য করতে হবে।’ কে কীভাবে বাধ‍্য করবে?

  22. তায়েফ আহমাদ on মার্চ ১০, ২০১১ at ৭:২৫ অপরাহ্ণ

    মূলতঃ যে বিষয়ে কথা বলতে চেয়েছেন তা অনেক বেশি খাপছাড়া তথ্যের সমাবেশের কারনে কেঁচে গিয়েছে; বিশেষ করে ড. ইউনূসের প্রাসঙ্গিকতা বুঝতে পারি নি। তবে,ছাত্র রাজনীতি আর ছাত্রদের রাজনীতি নিয়ে সঠিক নির্দেশনামূলক পদক্ষেপ নেয়াটা সময়ের দাবী।

  23. জাহিদ সোহাগ on মার্চ ১০, ২০১১ at ৬:৩৫ অপরাহ্ণ

    যে পাঠকরা ড.ইউনূসকে নিয়ে চিন্তিত, অন্তত সাধারণ পাঠক(যারা এনজিও ও লুটপাটে যুক্ত নয়),তাদের ব্যাপারটা আমি বুঝতে পারছিনা। তারা এর সঙ্গে দেশের সম্মানকে এক করে ফেলেছেন। আমি সামান্য অনুসন্ধানে জেনেছি এর কারণ নোবেল প্রাইজ এবং তাকে মিডিয়া যেভাবে তৈরি করেছে তা তাদের মনে বাসা বেধেছে এবং এর বিপরীতে আমাদের ক্ষমতাসীন রাজনীতিকদের বাজে চরিত্রের বিকল্পে তারা তাকে সম্মানের চোখে দেখে কিছুটা সস্তি পেতে চান। তারা হয়ত নোবেল প্রাইজের পেছনের রাজনীতি এমনকি বাংলা একাডেমির পুরষ্কারের পেছনের কারণও জানেন না, তারা পুরষ্কারের দিকটাই দেখেন। এদের পক্ষে গ্রামীণ ব্যাংকের কাজকাম এবং বাংলাদেশে ড. সাহেব কী করতে চান তা নিয়ে মাথা ঘামাতে চান না। তারা মেন করেন, প্রথম আলো, প্রাণ, মেরিল, ড. ইউনূস ১০০ ভাগ বিশুদ্ধ।

    তবে এটাও মনে রাখা দরকার সরকারের উদ্দেশ্য ভালো নয়, কারণ তারা ড. সাহেবের মতই কাটা বিছিয়ে রেখেছেন এই জাতির সামনে। যা থেকে আমাদের মুক্তি নেই।

  24. Prince, Sydney, Australia on মার্চ ১০, ২০১১ at ৬:০৪ অপরাহ্ণ

    ছাত্র রাজনীতিতে সুস্থতা আসার সম্ভাবনা আমাদের দেশে খুবই কম। কারন নেতা নেত্রীদের ছেলে মেয়েরা বিদেশে পড়ে, আর উনারা আমাদের উপদেশ খয়রাত করে বেড়ান। যতদিন পর্যন্ত রাজনীতিতে গুনগত পরিবর্তন না আসবে, ততদিন ছাত্ররাজনীতি বন্ধ রাখা উচিত। কারন সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, খুন এগুলো রাজনৈতিক ছত্রছায়াই ঘটে। কই নটরডেম, লিক্রস, ভিকারুন্নিসা কলেজেতো ছাত্র রাজনীতি নেই? আবার সেখানে লেখা পড়াও ভালো হচ্হে।

  25. মোশাররফ on মার্চ ১০, ২০১১ at ৪:৩২ অপরাহ্ণ

    Thanks for the writing; a good try to make exposure of the so called intellectual who are creating chaos for Dr. Yunus.
    But i have astonished to see the criticism of some persons about the article. They may support Dr. Yunus. If they claim that Yunus was rightly chosen as Nobel Laureate for peace, they should utter their voice of protest against the Chattra League hooligans for their brutal attack on the activists of Chattra front in Buet. But as Dr. Younus have no contribution for peace in our beloved country or for the whole world so there lies a misconception or even a mockery in criticism about the writing.
    Hope the writer would continue her position for the peoples’ right.

  26. bashar bhuiyan on মার্চ ১০, ২০১১ at ৩:০৪ অপরাহ্ণ

    শুরুতেই ধন্যবাদ লেখাটির জন্য । ড:ইউনূস সাহেবকে এখানে না আনলেই ভালো হত । নিজেকে ফোকাস করার জন্য আপনি ইউনূস সাহেবকে এখানে এনেছেন এটা মোটেই ঠিক হয়নি । আপনি ছাত্ররাজনীতি নিয়ে লিখেছেন সেটাতেই থাকলেই ভালো হত । ছাত্র লীগের কর্মীরা ছাত্র ফ্রন্টের উপর আক্রমণ করেছে সে ব্যাপারে আপনার কোন সমালোচনা দেখিনি । তবে একটা কথা হলপ করে বলতে পারি , আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় গুলো থেকে ছাত্ররাজনীতি তুলে দিতে পারলেই আমাদের শিক্ষার মান বহুগুনে বেড়ে যাবে । অবশেষে বলবো শিক্ষাঙ্গন থেকে বাকশালীরা নিপাত যাক সাধারন ছাত্ররা মুক্তি পাক । ছাত্র লীগের সন্ত্রাসীদের শাস্তি ও বিচার কামনা করে বিদায় নিচ্ছি ।

  27. Umar Faruk, on মার্চ ১০, ২০১১ at ২:১৩ অপরাহ্ণ

    মিস্টার শফিক রেহমান আপনার উচিত আপুর এই লেখাটা পড়া।

  28. Rokon Rehan on মার্চ ১০, ২০১১ at ১:১৯ অপরাহ্ণ

    Okay,Let us do a campaign against this torture with all front line political leader. becasue of base less all educated, gayan papi, shartho papi and fokinnira like to work under these leader.That’s why they have courage to say wrong word,show selfishness,and misguide us.

  29. রাব্বী,একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেসন সিস্টেমস বিভাগ,১৬ তম ব্যাচ,ঢাকা বিশবিদ্যালয় on মার্চ ১০, ২০১১ at ১১:৫১ পুর্বাহ্ন

    আপনার লেখা বরাবরের মত এই লেখাটি অত্যন্ত সময়োপযোগী। আমাদের রাজনীতিবিদদের চরম অসাধু মনোভাবের মধ্য দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে।

  30. অগ্নি on মার্চ ১০, ২০১১ at ১১:৪৪ পুর্বাহ্ন

    বিশ্বের কাছে সম্মান একটা সুচিন্তিত ফাঁদ ছাড়া আর কিছুই না। নিজেদের দিকে তাকানো থেকে বিরত রেখে পঙ্গু করা আর হীনম্মন্যতা তৈরি করাই হচ্ছে যার মৌলিক উদ্দেশ্য। বিশ্ব ফাঁদ থেকে বেরিয়ে এসে আমাদের মৌলিক প্রশ্নের মুখোমুখি হতেই হবে আজ অথবা কাল।

  31. "Deeply Hurt" on মার্চ ১০, ২০১১ at ১১:৩৬ পুর্বাহ্ন

    It is time for all — general people & general students (but not the so-called conscience-less ‘intellectuals’!) to have a soul-searching: Why these evil acts have re-surfaced so forcefully during the last 2 years or so? Time is running out: it’s time to soul-search & unitedly act!

  32. azmal on মার্চ ১০, ২০১১ at ১০:০৯ পুর্বাহ্ন

    দারুণ লেখা হয়েছে। তবে ড. ইউনূসকে নিয়ে কথাগুলো ভাল লাগে নাই।

  33. শাহিদ on মার্চ ১০, ২০১১ at ৭:১৬ পুর্বাহ্ন

    আপনার আগের ২ টা লেখা পরে মনে করেছিলাম আর একজন ভালো লেখিকার দেখা পেলাম, কিন্তু এইলেখাটার জন্য একবারেই complement দিতে পারছিনা.

  34. Altaf on মার্চ ১০, ২০১১ at ৫:০৪ পুর্বাহ্ন

    Excellent writing.

  35. Mostofa on মার্চ ১০, ২০১১ at ৩:৩৩ পুর্বাহ্ন

    Apni shikkhangon theke chatro rajniti shoranor pokkhe ki na seta porishkar korun? Chatro rajniti na thakle sontrash o thakbe na! shudhu chatroder kotha keno bolchen? apni to Dhaka University te professor, amar khub janote icche kore Dhaka University te koijon shikkhok rajnoitik chotrochaya chara dhukte pare? Apni ar ek doler hoye shikkhok rajniti koren na ba karo somorthok noy ei kothar kono proman ache. amader desher chatro rajniti pochar age shkkhokera poche geche!!

    • Apan on মার্চ ১০, ২০১১ at ১:২৮ অপরাহ্ণ

      Mostofa, please read the article again. I think, you are missing the point.

  36. Bashir on মার্চ ১০, ২০১১ at ৩:১২ পুর্বাহ্ন

    Escellent writing. I appreciate you encourage and good feeling. Please take care yourself as we living in a ruined society . Government can make your life hell for this writing.

  37. shaheed on মার্চ ১০, ২০১১ at ২:৪৩ পুর্বাহ্ন

    MADAM,biraler golate gonta badbe ke?

    • apu ashas on মার্চ ১০, ২০১১ at ৭:৪০ পুর্বাহ্ন

      keno, apni bose bose ki korcen?..sudu bose acen onno keu am parbe r apni bose bose khaben.

    • b4 on মার্চ ১০, ২০১১ at ৫:৩৩ অপরাহ্ণ

      sei souvaggo ba durvaggo sobar hoi na.

  38. zillur on মার্চ ১০, ২০১১ at ২:৪২ পুর্বাহ্ন

    Excellent Article. I want to say one thing “We r helpless for dirty politics”

  39. বাঙ্গালী on মার্চ ১০, ২০১১ at ২:২২ পুর্বাহ্ন

    হুম, সস্তা পপুলারিজম, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের নেক নজরে পড়ার চেষ্টা। সারা বিশ্বে ইউনূস সাহেবের সম্মান ঢাকার অন্ধ চিপাগলি থেকে মাপা আপনার পক্ষে কতটা দুরূহ তা লিখা পড়ে বোঝা যাচ্ছে।

    • aony on মার্চ ১০, ২০১১ at ১১:১৩ পুর্বাহ্ন

      আপনার জাতীয়তাবাদের প্রশংসা করতে হয়। মানুষের মৌলিক অধিকার ‌যেখানে প্রতিদিন নষ্ট হয় সেখানে আপনি ইউনূসের সম্মান নিয়ে পড়ে থাকেন। আবার ম্যাডামরে বলেন শস্তা পপুলারিজমের জন্য লিখেছে।

    • RUMON on মার্চ ১০, ২০১১ at ৩:৩৮ অপরাহ্ণ

      সুদখোর মহাজনের জন্য মায়াকান্না অনেক বিরাট ব্যাপার, তাইনা? আমেরিকার নবাবরা তো খুব ভালো মানুষের ওকালতি করেন, তাই না?? নোবেলে না ভুলে, আসল চিত্র দেখেন। মহিলাদেরর সুদের বিনিময়ে টাকা দিয়ে কী সেবাটা ইউনুস করছে আল্লাহ আর আপনারাই জানেন।

  40. Mohammad Nur Nobi on মার্চ ১০, ২০১১ at ১:৫০ পুর্বাহ্ন

    Truely speaking it is a good writing.Moreover, she boldly discovered the true fact of indirect encouragement of administration to the terrorism and bad politics in University level.
    We oftenly observe the same situation in every university in our country.How long it will continue?
    Who will be the pioneer to stop this dirty things in universities? will our students think of their better future rather than dirty politics and terrorism?
    In addition Dr. Younus and Nobel prize!! Din Bodol na hoye DIN BALAD hoye gelo.
    Thank you Mrs.Moshaida for hitting on right track.

  41. nur on মার্চ ১০, ২০১১ at ১:৪০ পুর্বাহ্ন

    Thanks a lot for nice articles.

  42. sadat on মার্চ ১০, ২০১১ at ১২:৫২ পুর্বাহ্ন

    আমরা আদর্শবাদী ছাত্র দেখতে চাই, তাদের প্রশংসা করি, কিন্তু আদর্শবাদী ছাত্রদের পাশে দাড়াতে চাই না।
    চমৎকার হয়েছে লেখাটা।

  43. মাসুদ on মার্চ ৯, ২০১১ at ১১:৫৭ অপরাহ্ণ

    madam, thanks for ur good discussion and opinion. I wanna ask you one question, suppose you are acting PROCTOR OF BUET/DU. Do you able to protest this kind of nasty activities or try to stop this activities or take any action against those criminals? U are a university teacher. Do you able to give the answer ” Whats the position in case of morality of BD university teacher”? So worst then political activist. Politician do like that bcz they are politician but why our teacher do like that? So, try start from yourself then start from others……………………

    • Golam Morshed Sonnet on মার্চ ১০, ২০১১ at ৮:৪৪ অপরাহ্ণ

      Really good questions Mr. Masud. I also like to ask the same question. Not only me, I hope all the sensed person should ask the same questions.

      But the reality is, whether she can do it or not, doesn’t matter at this moment. What we need is to make everyone understand about this situation and her writing is capable of doing that. That’s why you have asked that question. I hope we can increase sensed person like you by these types of writings.

      So, thank you to ask the question as the writing makes you to understand the situation. Also thanks to Prof Moshahida to write this. We need more as we have to go a long way.

      Thanks,

      Ex BUET

মন্তব্য করুন

প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

Get Adobe Flash playerPlugin by wpburn.com wordpress themes

ফেসবুক লিংক

ট্যাগ

আর্কাইভ