Feature Img

pranab saha৫ জানুয়ারি দশম সংসদের ভোট গ্রহণের দিন ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের টক শোতে কেন নিবার্চনকে ‘কলঙ্কিত’ নিবার্চন বলেছিলাম, তার জন্য আমার সমালোচনা করেছিলেন তোফায়েল আহমেদ। সেই টক শোতে আমি একথাও বলেছিলাম যে, নিবার্চন করা ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। তিনি খারাপের মধ্যে সবচেয়ে কম খারাপটিকেই বেছে নিতে বাধ্য হয়েছিলেন।

আর যে কোনো উপায়েই হোক, যখন এইচ এম এরশাদের জাতীয় পার্টিকে পাওয়া গেল নিবার্চনে, তখন শেখ হাসিনার পেছানোর আর উপায় ছিল না। এ কথা তো মানতেই হবে যে, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নিবার্চন থেকে তো গুণগত মানে অপেক্ষাকৃত উন্নত ভোট হয়েছে দশম সংসদ নিবার্চনে।

লেখার সূচনায় এ কথাগুলো বললাম এই কারণে যে, দেশে দশম সংসদ নির্বাচন সমালোচিত হলেও, বিদেশে সেই নির্বাচনে বিজয়ী এমপিরাই বেশি প্রশংসিত হচ্ছেন। এক সপ্তাহের ব্যবধানে এই সংসদের স্পিকার এবং একজন সাংসদ যখন বিশ্বের দুটি সংসদীয় ফোরামের শীর্ষনেতা নির্বাচিত হয়েছেন, তখন আরও একবার নতুন করে দশম সংসদ নির্বাচনের মূল্যায়নের প্রশ্নটি সামনে চলে এসেছে।

বিশ্ব সংসদীয় অঙ্গনের নেতৃত্বে আসীন হয়েছেন বাংলাদেশের দুই সাংসদ। তারা ঢাকায় ফিরে এসেছেন ২১ অক্টোবর, ২০১৪। বিমানবন্দরে নেমে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন যে, তাঁদের এই বিজয় বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের বিজয়। বিশ্বের সংসদীয় দুটি ফোরামে বাংলাদেশ নজির স্থাপন করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করলেন। অন্যদিকে সাবের হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, বিশ্বে এখন ১৯২ দেশে নির্বাচিত সংসদ আছে। এর মধ্যে ১৮৫ দেশ সিপিএ এবং আইপিইউ-এর সদস্য। এর অর্থ হচ্ছে, নির্বাচিত সংসদগুলোর প্রতিনিধিরাই বাংলাদেশের দশম সংসদের দুজন নির্বাচিত সাংসদকে তাদের নেতা মেনেছেন।

সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেছিল ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচন নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে, জবাবে শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, “কোনো দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কে সংকট আছে বলে আমি মনে করি না। সংকট থাকলে বড় দুটি সংগঠনের নিবার্চনে জেতা সম্ভব হত না।’’

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, তাঁদের এই বিজয় বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের বিজয়
স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, তাঁদের এই বিজয় বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের বিজয়

তাঁর কথার প্রতিধ্বনি পেলাম বুধবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত দুই নেতার সংবর্ধনায় দেওয়া ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার সন্দ্বীপ চক্রবর্তীর কথায়। তিনি জানিয়েছেন যে, আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে অনেক দেশই ভারতকে অনুরোধ করেছিলেন বাংলাদেশকে বোঝাতে যে, কেন তারা দুটি আন্তর্জাতিক সংস্থা প্রধানের পদ চাইছে একই সঙ্গে। ভারতীয় এই কূটনীতিক বাংলায় দেওয়া বক্তব্যে পরিস্কার করে জানিয়েছেন যে, তারা বাংলাদেশের অবস্থান সমর্থন করেন এবং অন্য দেশগুলোকে একথাও বলেছেন যে, বাংলাদেশ ভোটে মোকাবেলা করবে। ভোটের ফলাফলও তারা মেনে নিবে। এতে বোঝা যায় যে, আইপিইউ এবং সিপিএ-এর শীর্ষপদে বাংলাদেশি দুই প্রতিনিধির বিজয় সহজ ব্যাপার ছিল না।

শিরীন শারমিন চৌধুরী ও সাবের হোসেন চৌধুরী যেদিন ফিরেছেন সেদিনই কূটনীতির ক্ষেত্রে আরও একটি সাফল্যের খবর পেয়েছি আমরা। বাংলাদেশ জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ ‘ইউনাইটেড ন্যাশনস হিউম্যান রাইটস কাউন্সিল’এর (ইউএনএইচআরসি) সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে ২০১৫-২০১৭ মেয়াদের জন্য ১৪৯ ভোটে ভারত, ইন্দোনেশিয়া, কাতার ও থাইল্যান্ডকে হারিয়ে বাংলাদেশ ২০১৫-২০১৭ মেয়াদের দুই বছরের জন্য এই মানবাধিকার সংস্থার (ইউএনএইচআরসি) সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে এই ভোট অনুষ্ঠিত হয়।

আর এখন আমরা অপেক্ষায় আছি আরও একটি বিষয়ে। সেটি হল, তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে জাতিসংঘ অ্যাফিলিয়েটেড অপর আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন’– আইটিইউ’র কাউন্সিলে সদস্য হওয়া। কোরিয়ার বুসানে আইটিইউ প্রি-পোটেনশিয়ারি কনফারেন্সে এই নির্বাচন সম্পন্ন হবে। ২০ অক্টোবর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এই সম্মেলন।

বাংলাদেশের দুই সাংসদের এই দুই বিজয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি যে উজ্জল হয়েছে তা নিয়ে দ্বিমত প্রকাশের সুযোগ কম। দেশে ৫ জানুয়ারির নির্বাচন এবং সেই নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সংসদ নিয়ে যতই সমালোচনা থাকুক না কেন, সারাবিশ্বের পার্লামেন্টের সংগঠন ‘আইপিএ’ যে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের একজন এমপিকে তাদের নেতা নির্বাচিত করতে দ্বিধাবোধ করেনি, তার প্রমাণ ‘আইপিএ’-এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে সাবের হোসেন চৌধুরীর জয়। তিনি ৭৪ ভোটে পরাজিত করেছেন অস্ট্রেলিয়ার স্পিকার ব্রনউইন বিশপকে। সাবের চৌধুরী পেয়েছেন ১৬৯ ভোট আর ব্রনউইন বিশপ পেয়েছেন ৯৫ ভোট।

খবরটি পাওয়ার পরপরই জেনেভায় কথা হয়েছিল সাবের চৌধুরীর সঙ্গে। আনন্দের সঙ্গে তিনি জানালেন যে, ‘আইপিএ’-এর ১২৫ বছরের ইতিহাসে এত বেশি ব্যবধানে কেউ প্রেসিডেন্ট নিবার্চিত হননি। আমি তাঁকে মুখে অভিনন্দন জানাতে জানাতে ভাবছিলাম, এই যে ১৬৯ দেশের প্রতিনিধিরা আমাদের একজন সাংসদকে তাদের নেতা নির্বাচিত করল তারা কি এটা বিবেচনা করেছেন যে, সাবের চৌধুরী একটি বিতর্কিত নির্বাচনে বিজয়ী জনপ্রতিনিধি? তারা কি এটাও ভেবেছেন যে, যে নির্বাচনে ৩০০ প্রার্থীর মধ্যে ১৫৩ জনই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে সেই নির্বাচনে বিজয়ী একজনের হাতে আন্তঃসংসদ সমিতির নেতৃত্ব চলে যাচ্ছে?

সাবের চৌধুরী এবং ব্রনউইন বিশপ ছাড়াও আরও দুজন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন ‘আইপিএ’-এর প্রেসিডেন্ট পদে। এরা হলেন ইন্দোনেশিয়ার সাংসদ নূর হায়াত আলী আসিগাফ ও মালদ্বীপের সাবেক স্পিকার আবদুল্লাহ শহীদ।

একই সপ্তাহে দুটি আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের দুই সাংসদের নেতা নির্বাচিত হওয়ার বিষয়ে অনেকেই গুরুত্ব দিতে চাইবে না। আর দেশের মধ্যেই যারা বর্তমান সংসদ বাতিল করে নতুন নিবার্চন দেওয়ার দাবি করছেন তারা তো এমন দুটি ভালো খবর দেখেও না দেখার ভান করবেন। তবে গত নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করা বিএনপি তাদের অবস্থান থেকে একটু সরে এসেছে বলেই মনে হয়। কারণ মধ্যবর্তী নির্বাচনের বদলে তারা এখন বেশি করে বলছেন সংলাপের কথা। আর প্রধানমন্ত্রী সেই সংলাপের সম্ভাবনা নাকচও করছেন দৃঢ়তার সঙ্গেই।

আমার তো মনে হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যত বেশি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিবেন যত বেশি ওবামা, পুতিন, অ্যাঙ্গেলা বা ভারতের নতুন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তাঁর কথাবার্তা হবে, তত বেশি তিনি আত্মবিশ্বাসী হবেন যে, এবারের দশম সংসদের মেয়াদ পূরণ হওয়ার আগে মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে তাঁর মাথা ঘামানোর দরকার নেই। যদিও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন কিছুটা অস্বস্তিকর প্রসঙ্গ তুলেছিলেন শেখ হাসিনার সামনেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তারও একটি ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন লন্ডন থেকে ফিরে এসে সাংবাদিক সম্মেলনে। এ কথাও জানিয়েছিলেন যে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আমন্ত্রণেই তিনি লন্ডনের ‘কন্যা সম্মেলন’এ যোগ দিয়েছিলেন।

আইপিএ-এর ১২৫ বছরের ইতিহাসে এত বেশি ব্যবধানে কেউ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হননি
আইপিএ-এর ১২৫ বছরের ইতিহাসে এত বেশি ব্যবধানে কেউ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হননি

৫ জানুয়ারির নিবার্চনের পর আরও ৯ মাস চলে গেছে। নির্বাচন প্রতিহত করার জন্য বিএনপি-জামায়াত জোট গত নভেম্বর-ডিসেম্বরে সারাদেশে যে তাণ্ডব চালিয়েছে তাতে ভোটার উপস্থিতি কমানো গেছে। প্রশ্নবিদ্ধ করা গেছে নির্বাচন। কিন্তু তাতে শেখ হাসিনার তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হতে কোনো অসুবিধা হয়নি। এরপর আরও ৯ মাস চলে গেছে। ৫ জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে জনমনে যে অস্বস্তি তাও কি কিছুটা কমেছে? আমরা কি তারই কিছু আভাস পেলাম দুটি আর্ন্তজাতিক পার্লামেন্টারি সংস্থায় আমাদের দেশের দুজন সাংসদের অভাবনীয় সাফল্যে?

অবশ্যই এটি তাঁদের একান্ত ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; তারপরও সিপিএ এবং আইপিইউ-এর শীর্ষপদে শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং সাবের হোসেন চৌধুরীর নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে নিশ্চয়ই তাঁদের ব্যক্তিগত ক্লিন ইমেজ কাজ করেছে বলেই বিশ্বাস করি।

বিগত নিবার্চন নিয়ে যে প্রশ্নের উদ্ভব হয়েছে তা নিয়ে আমি নিজেও অস্বস্তিতে আছি এখনও। আমার বিশ্বাস সারাজীবন সংসদীয় গণতন্ত্র এবং একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যিনি সংগ্রাম করেছেন, সেই শেখ হাসিনা নিজেও আরও একটি ভালো মানের নির্বাচন করতে পারলে বেশি খুশি হতেন। হয়তো দেশের মধ্যে বিগত নিবার্চন নিয়ে এখনও যে প্রশ্ন বা সমালোচনা আছে তার অনেকটাই দূর হবে দুটি আন্তর্জাতিক সম্মানের মধ্য দিয়ে। আর দুটি নির্বাচনে শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং সাবের হোসেন চৌধুরীকে মনোনয়ন দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে দূরদৃষ্টির পরিচয় দিয়েছেন, তার জন্য তারা কি অভিনন্দন পাবেন না?

প্রণব সাহা: এডিটর, আউটপুট, এটিএন নিউজ।

প্রণব সাহাসাংবাদিক

Responses -- “সারাবিশ্বে নন্দিত দেশে নিন্দিত (!)”

  1. তামিম চৌধুরী

    আমার কেন যেন মনে হচ্ছে যে, বাংলাদেশকে এ রকম একটা বড় বিজয় পাইয়ে দেওয়ার পিছনে বিশেষ এবং সুদূরপ্রসারী একটা উদ্দেশ্য আছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গন চাচ্ছে, আগামীতে যখন বাংলাদেশে কোনো সরকার নির্বাচন করবে তখন যেন তারা প্রকৃত গণতান্ত্রিক পন্থায় নির্বাচনী প্রক্রিয়ার আয়োজন করে।

    এখন যারা সরকারপ্রধান আছেন, যেহেতু তারা শেষ নির্বাচনটি নিঃসন্দেহে কোনো গণতান্ত্রিক পন্থায় আয়োজন করেননি এবং নিজেরাও অগণতান্ত্রিক পন্থায় নির্বাচিত হয়ে জোরপূর্বক সরকারপ্রধান হয়ে বসে আছেন, তারা যখন আগামীতে আবার নির্বাচন করবেন তখন যেন বিশ্ব সংসদীয় অঙ্গনের নেতৃত্বের দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হয়ে, দেশে প্রকৃত গণতান্ত্রিক পন্থায় নির্বাচনের আয়োজন করেন।

    Reply
  2. Muzibur Rahman Chy

    ৫ জানুয়ারির নির্বাচন করা ছাড়া আওয়ামী লীগের বিকল্প ছিল না। গণতন্ত্রের স্বার্থে এবং আরও একটি অগণতান্ত্রিক সরকারের ক্ষমতায় আসীন হওয়া ঠেকানোর জন্যই নির্বাচন জরুরি ছিল।

    আমি যদি এ সরকারের নির্বাচন সমর্থন করি তাহলে আমাকে হতে হবে ‘দালাল’, আর যদি সমর্থন না করি তাহলে হতে হবে ‘দেশদ্রোহী’। গণতন্ত্রের স্বার্থে এ নির্বাচন অবশ্যই দরকার ছিল।

    দেশে নিন্দিত তাদের কাছে যারা একটি দলকে সমর্থন করে।

    Reply
  3. Aminul Islam Babu

    বিশ্বের তথাকথিত উন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলো যে কতটুকু গণতান্ত্রিক সেটা তাদের কাজেকর্মে অতিসাধারণ মানুষও বুঝতে পারে। বর্তমানে যে গণতন্ত্র আমাদের দেশ ও উন্নত বিশ্বে প্রচলিত রয়েছে, তাতে গণতন্ত্রের মূল কথা বা সংজ্ঞা আবার নতুন করে তৈরি করা ছাড়া অন্য উপায় আছে বলে আমার মনে হয় না।

    দেশের সাধারণ মানুষ প্রত্যক্ষ ভোট দিয়ে যাদের নির্বাচিত করেনি, তাদেরকেই বিশ্বের তথাকথিত গণতান্ত্রিক দেশগুলো নির্বাচিত করল?

    হায় সেলুকাস, বিচিত্র এ বিশ্ব! বেঁচে থাকলে জীবনে আরও কত বিচিত্র কিছু দেখব, এটা ভেবেই দিন পার করছি।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—