শামীমা বিনতে রহমান

দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনে টিআইবি কতটুকু অনুঘটক?

ডিসেম্বর ৩০, ২০১০

shamima-f1একটা অভিজ্ঞতা এবং তা থেকে ধারণা দিয়ে শুরু করি। এ বছরের এপ্রিল মাসে, যখন পঞ্চগড়ে বিডিআর বিদ্রোহ মামলার প্রথম রায়টি হয়, তখন দেশ টেলিভিশনের প্রতিবেদক হিসেবে ওই প্রতিবেদনের পাশাপাশি আরেকটা বিশেষ প্রতিবেদনও করি। সেটা হোল, পঞ্চগড়ের বোদা থানার অর্ন্তভূক্ত কাজলদিঘী ইউনিয়নে ধর্ষণের শিকার নবম শ্রেণীর এক মেয়ের ওপর। প্রতিবেদনে মেয়েটি ধর্ষকের নাম, প্রত্যক্ষদর্শীর নাম বলাসহ খুবই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল, ‘থানা পুলিশ করে কী হবে!’ প্রতিবেদনটি সম্প্রচারের পর বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা টেলিভিশনে সাক্ষাৎকার দিয়ে বলেছিলেন, ধর্ষণের শিকার মেয়েটি বা তার পরিবারের সদস্যরা যদি বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতনের ধারায় মামলা করে, তবে তারা মামলা নিতে প্রস্তুত।

বাড়ি বাড়ি ‘কাজের বেটি’ হিসেবে কাজ করা মেয়েটির দরিদ্র মা এতে উজ্জীবিত হয়েছিলেন, সাহস করে একটা মামলা করে ফেললেন। কয়েকবাড়ি পরেই থাকা ধর্ষক দুলালের বিরুদ্ধে। মামলা জেলা আদালতে গড়াল। মেয়েটির মা আরো উৎসাহিত হলেন, যখন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্রাকের লিগ্যাল এইড নিজ উদ্যোগে আইনী সহায়তা দেয়ার জন্য পাশে থাকার আশ্বাস দিলো। কয়েকবাড়ি পরে থাকা ধর্ষক দুলাল, যার বিরুদ্ধে আরো কয়েকটি ধর্ষণের অভিযোগ আছে এলাকাবাসীর; তার বাপও আইনজীবী নিয়োগ করে মামলা চালিয়ে যেতে লাগলেন। সাক্ষী হিসেবে এলাকার চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম লিখিত সাক্ষ্যে বলেছেন, তিনি প্রত্যক্ষদর্শীর কাছ থেকে ধর্ষণের ঘটনাটি শুনেছেন। প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে যার নাম ধর্ষণের শিকার নবম শ্রেণীর ছাত্রীটি বলেছিল, মামলা হওয়ার আগ পর্যন্ত যে নিজেও তাই দাবি করে আসছিল, সাক্ষ্য দিতে গিয়ে ইউনুস নিজেকে প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে অস্বীকার করে। ২০ ডিসেম্বর মামলার রায়ে ধর্ষক হিসেবে অভিযুক্ত দুলাল ধর্ষক নয় বলে  প্রমাণিত হয়। রায়ের পর ঢাকা থেকে ওই বাড়িতে গেলে, ধর্ষণের শিকার মেয়েটির মা, যিনি মামলার বাদী, বললেন, ‘বাবা, টাকার কাছে হাইরা গেছি। উকিলে দুলালের বাপের কাছ থেকে অনেক টাকা খাইছে। হাজার পঞ্জাশ তো হবেই।’ ‘টাকা খাইছে মনে হচ্ছে কেন আপনার?’ তাদের মামলার অভিজ্ঞতা শুনবার ফাঁকে এ প্রশ্ন করলে তিনি জবাব দেন, ‘দুলালের বাপে জমি বেচ্চে, গরু বেচ্চে, ক্যান বেচ্চে কন? সেই টাকা কারে দিছে? নিজেরদের উকিলের রুমে ঢুকতে পারতাম না। গেলেই দুর দুর করে তাড়ায়া দিয়া বলতো, অমুক দিন ডেইট পরছে, সকাল সকাল চইলা আইসো। কোন কথা শুনতে চাইতো না। ওই উকিলেই টাকা খাইছে। টাকার কাছে আমরা হাইরা গেছি।’

বিচার বিভাগের তৃণমূল পর্যায়ের এই অভিজ্ঞতা লব্দ ধারণা বা পারসেপশনের সঙ্গে বার্লিন ভিত্তিক ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের ২৩ ডিসেম্বর প্রকাশিত ‘জাতীয় খানা জরিপ ২০১০’ এর বিচার ব্যাবস্থা সম্পর্কিত প্রতিবেদনের জরিপ ফলাফলের সঙ্গে বিরুদ্ধ অবস্থা নেয়া অসম্ভব। অন্যায়ের প্রতিকার চেয়ে বিচার পাওয়ার অধিকার মধ্যবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত পর্যন্ত সাধারণ মানুষের জন্য হয়রানী আর বিচারহীনতার অভিজ্ঞতা। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে তাদের নির্বাচন করা ১৩টি সেবা খাতের মধ্যে ‘বিচারবিভাগ সর্বাধিক দুর্নীতিগ্রস্থ’। শতকরা হারে এটি আটাশি শতাংশ। নারী ও পুরুষ পাঠক লক্ষ্য করুন, এ প্রতিবেদনটি সংবাদ সম্মেলন করে গণমাধ্যমে প্রকাশ ও প্রচারিত হবার পর দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে পেশাজীবী হিসেবে যুক্তরা ক্ষেপে উঠলেন, তারা মানহানির মামলা করলেন।  কুমিল্লার আইনজীবী তৌহিদুর রহমান টিআইবি’র প্রধান এম. হাফিজ উদ্দিন, নির্বাহি প্রধান ইফতেখারুজ্জামান এবং গবেষক ওয়াহিদ আলমকে আসামী করে মামলা করেন। গ্রেফতারি পরওয়ানা জারির নির্দেশের পর আবার মামলাটি একই দিনেই খারিজ করে দেয়া হয়। চট্টগ্রামেও মানহানির মামলা হয়, সেখানে আগামি বছরের জানুয়ারি মাসে ২টি তারিখ নির্দিষ্ট করে আদালতে হাজির হবারও নির্দেশ  হয়। সুপ্রীম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের (এসসিবিএ) আওয়ামীলীগপন্থী আইনজীবীরা প্রতিবেদনটিকে ‘অশুভ কৌশলের অংশ এবং বিচার বিভাগের ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ’ বলেন। ২৫ ডিসেম্বর ( ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম) ও ২৬ ডিসেম্বর ( দৈনিক সংবাদপত্র) প্রকাশিত  এসব খবরের পাশাপাশি, খেয়াল করুন পাঠক, বিদ্যুৎ গতিতে সরকারের মন্ত্রীরাও এমন সব মন্তব্য করেছেন যেন টিআইবি’র প্রতিবেদনে প্রকাশিত সবচেয়ে বেশি মাত্রায়  ‘ঘুষ খাওয়া’ অনিয়মধারী বিচার বিভাগের পেশাজীবীরা কোনভাবেই হতে পারেন না। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে  আইন মন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিবেদনটি বিভ্রান্তিকর এবং দেশের গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর।’ এর আগের দিন টিআইবি’র পরিবারভিত্তিক জরিপ ফলাফলকে আইন প্রতিমন্ত্রী ষড়যন্ত্র শব্দে অভিহিত করে বলেছিলেন, ‘বিচার বিভাগে নিম্ন বেতনভূক কিছু কর্মচারী থাকতে পারে, যারা হয়তো ফাইল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য পাঁচ, দশ বা কুড়ি টাকা উৎকোচ নিতে পারে।’ এখন মন্ত্রী ছাড়াও ক্ষমতাশীল রাজনৈতিক দলের রাজনীতির সঙ্গে পরিস্কারভাবে যুক্ত ব্যক্তিরা, বিরোধী রাজনৈতিক দলের সদস্যরা, প্রভাবশালী সাবেক আমলা, সুশীল সমাজ নামে পরিচিত নির্দিষ্টসংখ্যক গোষ্ঠীর সদস্যরা পক্ষে বিপক্ষে নানান মতামত দিয়ে যাচ্ছেন।

১৯৯৮ সাল থেকে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ চ্যাপ্টার যুক্ত করার পর টিআইবি এবার নিয়ে পরিবার ভিত্তিক জাতীয় খানা জরিপ করেছে ৫ বার। এরমধ্যে এবারই প্রথম বিচার বিভাগের দুর্নীতি, বিশেষ করে এই বিভাগটিতে ঘুষ নেয়ার দুর্নীতি ব্যাপকভাবে তুলে ধরেছে টিআইবি। ব্যাপারটা কি এরকম মনে হয় যে, বিচার বিভাগে দুর্নীতি এবারই ভয়াবহ রূপ নিয়েছে? এ পেশাজীবীরা এবারই ব্যাপকহারে ঘুষ খাওয়া শুরু করেছেন?

লক্ষ্য করুন, দেশের একমাত্র উচ্চতর আদালত হাইকোর্টে বিচারক হিসেবে আছেন মাত্র ৮০ জন। হাইকোর্টের রেজিস্টার বিভাগ সূত্র আরো জানাচ্ছে, আপিল বিভাগে বিচারকের সংখ্যা মাত্র ৪ জন। নিবন্ধিত আইনজীবী আছেন ৪ হাজার আর নিবন্ধিত নন, কিন্তু হাইকোর্টে প্র্যাক্টিস করে যাচ্ছেন এমন আইনজীবীর সংখ্যা ২০ হাজার। প্রায় ১৬ কোটি মানুষের দেশে অপরাধের অভিনব ধরণ আর হাজার হাজার পরিচিত অপরাধের বিচার করার জন্য উচ্চতর আদালতে বিচার কাজে নিয়োজিত এত কম সংখ্যক  পেশাজীবীরা কি যথেষ্ঠ? এটা কমন সেন্স থেকে প্রশ্ন। কমন সেন্সের প্রশ্নটি বিচার বিভাগের জনবলের যে ঘাটতিতে আশঙ্কা প্রকাশ করে, সেই ঘাটতি তো একই সঙ্গে এই বিভাগের ব্যবস্থাপনা এবং পদ্ধতিকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে। হাইকোর্ট থেকে আইন মন্ত্রণালয়ের জন্য প্রস্তুত করা এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০০৯ থেকে চলতি বছরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত সময়টুকুতেই জমি ও অন্যান্য অপরাধ সংক্রান্ত ঝুলন্ত মামলার সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৫ লাখ। হাইকোর্টের নিচতলার করিডোর, দোতলায়, এ্যানেক্স ভবনের বিভিন্ন কোর্টে যে কেউ শুধু একদিন হাইকোর্টের বাইরের স্থাপত্য সৌন্দর্য না দেখে ভেতরের চেহারা দেখতে গেলে দেখবেন, অসংখ্য অসহায়, ফ্যালফ্যালে চাহনি নিয়ে, দরিদ্র শরীর এবং পোশাকে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। বিচার পাবেন প্রত্যাশায়। অবশ্য প্রভাবশালীদেরও আপনি দেখবেন। তবে তাদের করিডরে নয়, আইনজীবীদের কক্ষে। এরাও বিচারের প্রত্যাশায় আসেন। এদের গা থেকে সুগন্ধি পারফিউম টের পাওয়া যায়। এরা হাসিমুখে আইনজীবীদের সঙ্গে হ্যান্ডশেইক করে, গাড়িতে চড়ে বেরিয়ে যান। এদের চোখে ফ্যালফ্যালে, ফ্যাকাশে, আশঙ্কাযুক্ত চাহনি দেখা যায় না। এদের বেশিরভাগই কিন্তু বিচার পান। মামলা নিস্পত্তি হয়। সাদাচোখে, ঘাটতিসহ জনবলের বিচারব্যাবস্থার পেশাজীবীদের প্রাধান্যের তালিকায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিত্তবান শ্রেণীই থাকছেন। কেন থাকেন? কেন জমি-জমা সংক্রান্ত ছোট্ট মামলার মীমাংসা করতে না পেরে ভিটেমাটি ছাড়া বাকি সব জমি বেচে মাসে কমপক্ষে দুই বার করে ১৭ বছর হাইকোর্টে ঝিনাইদাহ থেকে আসা যাওয়া করছেন আলাউদ্দিন? হাইকোর্টের নিচতলার করিডোরে ষাটোর্ধ্ব এই ব্যক্তিকে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়।

সাধারণ মনস্তত্ব এবং সাধারণের জ্ঞান অনুযায়ি, এই ব্যাপক জনগোষ্ঠীর জন্য এই অতি অল্প সংখ্যক পেশাজীবী থাকা এবং স্বাধীন বিচারব্যবস্থার জন্য চিৎকারকারীরা নিজেদের মধ্যে দায়িত্বপালনের স্বাধীন সংস্কৃতি জারি না রাখার দীর্ঘ ধারাবাহিকতা বিচারবিভাগের পদ্ধতিগত অনিয়ম। এই পদ্ধতিগত অনিয়ম এমন পদ্ধতি মেনে, এত দীর্ঘ দিন ধরে চলছে, ঘুষ আইনজীবীর রুটি-রুজি’র ফিস এর মতোই অবধারিত হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ মানুষের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ অভিজ্ঞতা থেকে এটা বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত পেশাজীবীদের সম্পর্কে ‘পারসেপশন’ এ পরিনত হয়েছে। যেমনটা কাজলদিঘী ইউনিয়নের ধর্ষণের শিকার মেয়েটির মায়ের অভিজ্ঞতা। আপনার আমার চারপাশের মানুষের কাছেও পারসেপশন এমনই। এসব বলার অর্থ, টিআইবি নতুন কোন কথা বলে নি। টিআইবি, তাদের গবেষণায় যা বলেছে, তা বিদ্যমান বাস্তবতাই। এ নিয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের বড় ও ছোট মন্ত্রী এবং অন্যান্যরা যা বলছেন, তা ‘শাক দিয়ে মাছ ঢাকা’র মতোই। বিরোধীদলও বিষয়টিকে ক্যাপিটালাইজ করার চেষ্টা করছে, যেটা পুরোমাত্রায় হাস্যকর। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ১৯৯৬ সালে বার্লিনে প্রতিষ্ঠার পর ১৯৯৮ সাল থেকে বাংলাদেশে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনে অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে ঘোষণা দেয়া টিআইবি’র এবারের প্রতিবেদন নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় এতোটা প্রতিক্রয়াশীল আচরণ কেন আমরা দেখতে পাচ্ছি? প্রশ্ন হলো, তৃতীয় বিশ্বের আর কোন দেশে টিআই প্রতিষ্ঠানের হোস্টিং চ্যাপ্টার দেশে দুর্নীতির প্রতিবেদন নিয়ে এত হৈ চৈ হয়? হয় কী!

নিজস্ব ওয়েব সাইটে টিআইবি, তার কর্মপ্রক্রিয়ার ধরণ চিহ্ণিত করেছে এভাবে: ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনে অনুঘটক হিসেবে কাজ করা।’ গত বার বছরে প্রতিষ্ঠানটি ‘দুর্নীতিকে না বলুন’ বলে অনেকগুলো আনুষ্ঠানিকতা করেছে, সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে শুরু করে গুলশানের নানা মাঠে। রঙ্গীন ব্যানার, ফেষ্টুনসহ রেলি, কনসার্ট আয়োজনের ব্যাপকতা উপভোগ করেছেন অনেকেই। এটাও রাজধানীবাসীর অভিজ্ঞতায় আছে। কোন অনৈতিকতার বিরুদ্ধে উৎসাহিত করতে এই ধরণটা বেশ জনপ্রিয় হয়েছে সরকারে এবং বেসরকারে। কিন্তু যদি প্রশ্ন করি, টিআইবি’র এসব আয়োজন সেবা খাতসহ  অন্যান্য খাতে দুর্নীতি কমাতে এতটুকুও ভূমিকা রেখেছে কি? বরাবরই টিআইবি’র প্রতিবেদন গণমাধ্যমকে লিড, সেকেন্ড লিড বা ডিসি বক্স অথবা প্রাইম বুলেটিনের রান ডাউন গোছানোর কাজ সহজতরই করে গেছে কেবল নিউজ এডিটরদের। আর রাজনীতিবিদ, সুশীল সমাজের চোয়ালের ব্যবহারকে ব্যাপক করেছে।

টিআইবি’র এখন সময় এসেছে, তাদের এক দশকের যাত্রায় তাদের প্রতিবেদনগুলোতে সবচে দুর্নীতিগ্রস্থ খাত হিসেবে চিহ্ণিত হওয়া নির্দিষ্ট কোন একটি খাতে, তারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন উৎসাহিত করতে কতটুকু অনুঘটকের ভূমিকা পালন করেছে, তার নজির হাজির করা। জনবলের ব্যাপক ঘাটতিসহ, ঘুষ অনিয়ম, দুর্নীতির খাত হিসেবে বিচার বিভাগ নিয়ে পুরনো পাবলিক পারসেপশনকে সামনে দাঁড় করানো নিয়ে টিআইবি’র বিরুদ্ধে যদি সন্দেহের আঙ্গুল ওঠে, সে সন্দেহ উড়িয়ে দিয়ে চুপচাপ বসে থাকা যাবে না ততক্ষণ, যতক্ষণ টিআইবি তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ি অনুঘটকের ভূমিকা প্রমাণ করতে না পারে।

শামীমা বিনতে রহমান

Tags: , , , , , , , , , ,

WARNING: Any unauthorised use or reproduction of bdnews24.com content for commercial purposes is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to legal action.
| | More
 -------------------------------------------------------------------------
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর নিজস্ব। bdnews24.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে bdnews24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)

-------------------------------------------------------------------------

২৭ প্রতিক্রিয়া - “ দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনে টিআইবি কতটুকু অনুঘটক? ”

  1. Alim on জানুয়ারী ৬, ২০১১ at ১২:৪৭ পুর্বাহ্ন

    Bole othoba likha kono lav nai. Amra jara sa posa manus tader vaggo sara r karur upor vorsa kore lav nai. Tobe sob chea boro kotha holo amra kobe ekjon dedicated leader pabo? se asatei roilam.

    • Ershad Mazumder on জানুয়ারী ৬, ২০১১ at ৮:২১ অপরাহ্ণ

      ধন্যবাদ আলীম আপনার শুভ চিন্তার জন্যে। যেমন ভাল কাজের নিয়ত করলেই কাজটা অর্ধেক হয়ে যায়। আপনি একজন ভাল নেতার জন্যে অপেক্ষা না করে ১০০ জন ভাল সত্‍ শিক্ষিত নির্লোভ যুবককে সংগঠিত করুন। আমার বয়স ৭১ হলেও আমি আপনাদের সাথে থাকবো। আপনারা যেভাবে চাইবেন সেভাবেই থাকবো।
      প্রখ্যাত ফরাসী দার্শনিক রমাঁ রোলাঁ বলেছেন, ওহে যুবকরা তোমরা এগিয়ে আসো। বুড়োদের পায়ের তলায় পিষে মারো আর তোমাদের আগামীদিন গড়ে তোল।
      আলীম মনে রাখবেন, বাংলাদেশ খুবই ভাল একটি দেশ। ভাল নেতৃত্ব পেলে এদেশ সিংগাপুর মালয়েশিয়ার মতো হয়ে যাবে। আপনি একশ’জন যুবকের খোঁজ করুন। আমি অপেক্ষা করছি।

  2. Javed Kaiser on জানুয়ারী ৩, ২০১১ at ৮:৩৭ পুর্বাহ্ন

    valo lekha Shameema. Thank you

  3. s.alam on ডিসেম্বর ৩১, ২০১০ at ৯:৪১ অপরাহ্ণ

    thanks to shamima.this is the real things of our judicial sector.our state minister of law should know it very well.he is from that society.hope TIB will go ahead and continue their research.

  4. Twhidul Islam on ডিসেম্বর ৩১, ২০১০ at ৮:৩৫ অপরাহ্ণ

    Thanks………..Shamima

  5. Ripon on ডিসেম্বর ৩১, ২০১০ at ৭:৩৪ অপরাহ্ণ

    আপা যা লিখেছেন তা সবই ঠিক আছে , তার পরও ঘুষখোরদের কিছুই যায় আসে না। মন্ত্রী এমপিরা তাদের পাশে আছেন ।

  6. Jamil Hayder on ডিসেম্বর ৩১, ২০১০ at ৬:৫১ অপরাহ্ণ

    দুর্নীতি আমাদের সব জায়গায় আছে।এবার বিচার বিভাগ প্রথম পরে আর বাকিরা একে একে প্রথম হবে।এ নিয়ে এত হল্লা করার দরকার নেই।সবাই জ়ানে কে কত ভাল?লেখাটা খুবই ভাল লেগেছে, এই সত্য লেখার জ়ন্য আপনাকে ধন্যবাদ জ়ানাই।

  7. Nurul Latif Rana on ডিসেম্বর ৩১, ২০১০ at ৬:১৯ অপরাহ্ণ

    শামিমা, আপনার লেখায় ভিক্টিমের মায়ের আক্ষেপ আমাদের নাড়া দিয়ে যায়। আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় সেই কিশোরী বোনটির দুঃখ/লজ্জা-আমাদেরও লজ্জা।অপকামের হোতারা আমাদের সমাজেরই অংশ,তাদের কারো
    কারো বোন/মা আমাদের সমাজেই বাস করেন।তাদের এই অপকর্মের দায়ভার আমার,আপনার, আমাদের সকলের। কেননা, পরিবার,বিদ্যালয়,বিশ্ববিদ্যালয় এবং সর্বপরি পরিবেশগত শিক্ষায় আমরা তাদেরকে গড়ে তুলতে পারিনি।তবে আপনার সাথে আমি শতভাগ একমত “চোয়াল বাজদের”দায়-দায়িত্বই বেশী।টিআইবি’র
    প্রতিবেদনের প্রয়োজন হয় না, আমরা যারা ভুক্তভোগী-সবাই জানি,শুধুমাত্র সেবাখাত নয়,বাংলাদেশের প্রতিটি খাতে অনিয়ম,দুর্নীতি বাসা বেধেছে।আপনার লেখায় যে সব পেশাজীবিদের কথা উঠে এসেছে,তারা ধান্দাবাজও বটে।নীতি নৈতিকতার বালাই নেই,অর্থ আয়ই মূখ্য।মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে আমাদের বিনীত
    নিবেদন যে সব মন্ত্রী/মিনিস্টার সব কিছুতে চক্রান্ত দেখতে পান,যুক্তিহীন বেশী কথা বলেন,বাস্তবতা অস্বীকার
    করেন-তাদের গুডবাই বলুন।

  8. reja on ডিসেম্বর ৩১, ২০১০ at ৫:৫৩ অপরাহ্ণ

    কি আর লিখবো……..শেষে যদি ফেসে যাই. তার চেয়ে ঢ়েড়ভালো থলে নিয়ে বাজারে যাই। তবে তোমার লেখাটা ভাল ছিল। ধরে রাখো………..

  9. Dr Ajit Ghosh on ডিসেম্বর ৩১, ২০১০ at ৫:৩৮ অপরাহ্ণ

    Thanks Shamima. It is really a nice documentation against corruption of our society. Everyone should accept their shortfalls honestly.But the action of the Lawyer of Comilla Court made a big Question for others!!It was a shame for all of us!!

  10. Dr M A Obaydullah on ডিসেম্বর ৩১, ২০১০ at ২:০৯ অপরাহ্ণ

    কে কী বললো না বললো তাতে কিছু আসে যায় না। আমরা ঠিকই জানি কে দুর্নীতিবাজ আর কে সাধু। ধন্যবাদ শামীমা।

  11. aminul on ডিসেম্বর ৩১, ২০১০ at ৮:২৫ পুর্বাহ্ন

    Thank you for throughtful writing.

  12. Muhammad Akhtar Husain on ডিসেম্বর ৩১, ২০১০ at ৬:৪০ পুর্বাহ্ন

    It is fact. I’ve the bitter experience for 12 years continuously in one single civil case. I spent triple amount for my property.
    Shame on our justice system, SHAME!

  13. robi on ডিসেম্বর ৩১, ২০১০ at ৩:৫১ পুর্বাহ্ন

    Nice write up! Thanks.
    With due respect…did you see the Statistical Survey of TIB??

    I think we should be positive and try to have positive change! Nobody works honestly…..
    Let’s try to correct ourselves!

  14. Rishad on ডিসেম্বর ৩১, ২০১০ at ৩:৩০ পুর্বাহ্ন

    I got some important information from the writing.

  15. chomon on ডিসেম্বর ৩১, ২০১০ at ৩:০৭ পুর্বাহ্ন

    thanks for your writing.
    we are facing corruption as a major problem.

  16. joy on ডিসেম্বর ৩১, ২০১০ at ২:৫২ পুর্বাহ্ন

    বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ দুর্নীতি গ্রস্ত। আইনজীবিদের দেখলে মানুষ ভয় পেয়ে ঘৃনা করে দুরে সরে থাকে। বিচারকগণ কত টাকা বেতন পান? হাই কোর্ট এর বিচারকদের রাজনৈতিক পরিচয়ে নিয়োগ দেয়া হয়।

    • Md.Rasel on ডিসেম্বর ৩১, ২০১০ at ৮:২৭ অপরাহ্ণ

      বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ দুর্নীতি গ্রস্ত।একমত

  17. M. S Tarif on ডিসেম্বর ৩১, ২০১০ at ১২:০২ পুর্বাহ্ন

    Valo likhechen. aro likhen sobai eder corruption sommonde. sobai januk. era somajer kotobaro kalsap.

  18. পার্থ সারথী on ডিসেম্বর ৩০, ২০১০ at ১০:৩৫ অপরাহ্ণ

    তাৎপর্যপূর্ন লেখা

  19. Mominul Kabir on ডিসেম্বর ৩০, ২০১০ at ১০:২৩ অপরাহ্ণ

    এক কথায় বলবো দারুণ হয়েছে লিখাটা। আর সত্যকথা হলো, শামীমা আপনার এই লেখার জন্য আপনার চৌদ্দ গোষ্ঠীর বারোটা বাজাবে সরকারি দল তা কি একবার ভেবেছেন!!! ভালো থাকবেন ও সবসময় এমনি ভালো লিখবেন। দয়া করে কখনো দলবাজী করবেন না। -মোমিনুল কবীর।

  20. গৌতম on ডিসেম্বর ৩০, ২০১০ at ৯:৫২ অপরাহ্ণ

    আপনি লিখেছেন, “বিচার বিভাগের তৃণমূল পর্যায়ের এই অভিজ্ঞতা লব্দ ধারণা বা পারসেপশনের সঙ্গে বার্লিন ভিত্তিক ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের ২৩ ডিসেম্বর প্রকাশিত ‘জাতীয় খানা জরিপ ২০১০’ এর বিচার ব্যাবস্থা সম্পর্কিত প্রতিবেদনের জরিপ ফলাফলের সঙ্গে বিরুদ্ধ অবস্থা নেয়া অসম্ভব”।

    টিআইবির এই গবেষণা কিন্তু পারসেপশনভিত্তিক নয়। সুনির্দিষ্ট ফ্যাক্টসকে কেন্দ্র করে এই গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করা হয়েছে। এই গবেষণায় ‘আপনি কি মনে করেন’ ধরনের প্রশ্ন না করে বরং তাদের অভিজ্ঞতা সন্নিবেশিত করা হয়েছে।

  21. Kamal on ডিসেম্বর ৩০, ২০১০ at ৯:২৩ অপরাহ্ণ

    Thanks for this thoughtful article. A huge portion of Bangladeshi population are afraid of expressing their real opinion because they are afraid of harrassment by those “Chapar Jorer” politicians and civil society members. The issue that TIB brought forward is lifetime experience of most of the general people. We can cite a lot of example same as you higlighted here but the filp side of this act would be to face the charge of “Aadaloth Obomanona”. We all know that what most of the politicians are and how they become politicians and what their depth and bredth of knowledge except “Chapar Jor”. When they back someone to become a justice then outcome would be like this…..

  22. Ershad Mazumder on ডিসেম্বর ৩০, ২০১০ at ৮:১৯ অপরাহ্ণ

    দুর্নীতির বিষয়ে আপনাদের লেখা পড়ে আমি খুব একটা অনুপ্রাণিত বা সামাজিক আন্দোলনে উত্‍সাহিত বোধ করতে পারছিনা। বিগত ৫০ বছর ধরে আমি মিডিয়ার সাথে জড়িত। প্রচুর লিখেছি, এখনও লিখে চলেছি। প্রিয় শামীমা, আপনি তো মিডিয়ায় কাজ করছেন। মিডিয়া যদি এটা ব্যবসা হয় তাহলে এটা খুবই ভাল ব্যবসা। অল্প সময়ে পুরো মূলধন উঠে আসে। আর কোথাও এমন হয়না।
    টিআইবি আনুস্ঠানিকভাবে দুর্নীতির কথা বলেছেন। দেশের মানুষ ভাল করেই জানে দুর্নীতিবাজ কারা। পত্রিকাতেও দুর্নীতির কথা টুকটাক ছাপা হয়। দুর্নীতি বা অবিচার নিয়ে কান্নাকাটি করে লাভ নেই। কে এই দুর্নীতি দুর করবে? দুর্নীতি দমন কমিশন? তারা তো সরকারী কর্মচারী। সরকার যা বলবেন তারা সেভাবে চলবেন। যিনি ক্ষমতায় থাকেন তিনি তো আর দুর্নীতি করেন না। ক্ষমতা থাকা অবস্থায় তার বিরুদ্ধে কে দুর্নীতির অভিযোগ আনবে? দেখুন না, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আনীত সব অভি্যোগ বিনা বিচারেই মিথ্যা প্রমানিত হয়ে গেছে। খালেদা জিয়া ও তার ছেলেদের মামলা রয়ে গেছে। আবার তিনি ক্ষমতায় গেলে তার মামলাগুলো চলে যাবে। শেখ হাসিনার মামলাগুলো চালু হবে। শেখ হাসিনার ছেলে জয়ের বিরুদ্ধে লেখার কারণে মাহমুদুর রহমানের কী হালত হয়েছে দেখতে পাচ্ছেন না?
    আমাদের সময় পত্রিকা বা মিডিয়ার মালিক ছিলেন রাজনীতিক উকিল সমাজকর্মী। এখন মালিক হচ্ছেন শিল্পপতি আর ব্যবসায়ীরা। ভাল করে চোখ কান খুলে দেখুন এইসব মালিকরা ২০ বছর আগে কী ছিলেন?
    পাঁচ হাজার বছর আগেও সমাজে দুর্নীতি ছিল। তখন ১০ হাজার লোকের ভিতর একজন দুর্নীতিবাজ পাওয়া যেত না। এখনকার কথা শামীমা আপনিই বলুন।

    • Abdullah tuhin on ডিসেম্বর ৩১, ২০১০ at ২:২২ পুর্বাহ্ন

      এরশাদ ভাই আপনার বিচক্ষণ মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আপনার বক্তব্যের সাথে আমি একমত। তবে শামিমা বিনতে রহমানের কথা তথ্য এবং যুক্তিকে অস্বীকার করা যায়না। উচ্চ আদালত বলেন আর নিম্ন আদালত বলেন, চিত্র একই রকম। যেটা শামীমা’র লেখায় উঠে এসেছে। মনে করতে পারছিনা,কোথায় যেন শুনেছিলাম,বিচার ব্যবস্থাকে তুলনা করা হয়েছে মাকড়শার জালের সাথে। যেখানে ঢিল ছুড়লে ছোট ও হালকা জিনিস আটকে যায় আর বড় কিছুতে জাল ছিড়ে যায়।

      • Ershad Mazumder on ডিসেম্বর ৩১, ২০১০ at ১১:১০ অপরাহ্ণ

        ধন্যবাদ প্রিয় তুহিন।দেশের যারা এক নম্বর তারা যদি নিজেরা দূর্ণীতি ত্যাগ করেন তাহলে দেশ ৮০ ভাগ দুর্ণীতি মুক্ত হবে। দেশের সাধারন মানুষ দুর্ণীতি করেনা বা তাদের দুর্ণীতি করার সুযোগ নেই। মাওলানা ভাসানীর ঢাকায় কোন বাড়ি ছিলনা। দুনিয়া থেকে বিদায় নেবার সময় তার কোন সম্পদ ছিলনা। এমন কি শেরে বাংলার পুরণো ঢাকায় একটা বড়ি ছিল যা তিনি কোলকাতার বাড়ির সাথে বিনিময় করেছিলেন।তিনি একজন বড় আইনজীবী ছিলেন।
        এখন কেউ একবার মন্ত্রী বা এমপি হলে তাকে সারাজীবন আর কিছু করতে হয়না। এখন ছাত্র নেতাদেরই বাড়ি আড়ি থাকে।
        একবার মালয়েশিয়ার মহাথির আর সিংগাপুরের লী কুয়াংয়ের কথা ভাবুন। তাদের বিরুদ্ধে আজও কোন দূর্ণীতির কোন অভিযোগ আসেনি। আমাদের রাজনীতিকরা একবার কিছু হলেই খুব কমদামে প্লট বরাদ্দ পান। ডিউটি ফ্রি দামী গাড়ি পান।

    • mh munna on ডিসেম্বর ৩১, ২০১০ at ৪:৫১ অপরাহ্ণ

      শামীমা বিনতে রহমান আপু ,
      আপনি যে লেখা লিখেছেন .আমার মনে হয়, আপনার কলম ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ মুক্তি কামি মানুষের রাইফেল ,এ লেখা পড়ে হয়তো অনেক ভূয়া মুক্তিযুদ্ধদের মন চূলকাবে
      তারা আবার আপনাকে ভাল থাকতে দিবেনা। ইতিহাস যখন বিকৃত
      করে রাজনীতিকরা তখন খুব খারাপ লাগে। আমরা সাধারন মানুষেরা কার কথা বিশ্বাস করব ?

মন্তব্য করুন

প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

Get Adobe Flash playerPlugin by wpburn.com wordpress themes

ফেসবুক লিংক

ট্যাগ

সর্বশেষ মন্তব্য

আর্কাইভ