রিফাত হাসান

মিডিয়ায় বেআব্রু ‘নারী’: রাষ্ট্র ও অন্যান্য নিপীড়কবৃন্দ

নভেম্ভর ১৯, ২০১০

রিফাত হাসান; ছবি. জুনায়েদ ইকবাল

রিফাত হাসান; ছবি. সাদিয়া আফরিন

ভারতীয় উপমহাদেশে একটা ‘দেশ’-এর ধারণা আছে, যার ভাবচরিত্র হলো নারী, মা। এই ‘দেশ’ রাষ্ট্র নয়– যে রাষ্ট্র নাগরিক চুক্তি ও সম্মতির ভাব ধরে মূলত নিপীড়ণের মূলনীতির উপর গড়ে ওঠে। নিপীড়ণ এবং বলপ্রয়োগ। নারী-পুরুষ-নাগরিক নির্বিশেষে সবার উপর প্রতাপি পুরুষ যে। মূলত এই ‘দেশ’ হল মা। সেই নারী, যে তার বুকের ফসল দিয়ে সন্তানদের তিল তিল করে তৈরি করে, বাঁচায়। প্রতিপালন করে। রক্ষা করে। আশ্রয় দেয়। আলো দেয়। ব্রিটিশ শাসনের শেষদিকে ভারতীয় জাতীয়তাবাদীদের শ্লোগান ছিল ‘বন্দে মাতরম’। মানে, মা-এর বন্দেগী করি। মা-এর জয়গান গাই, এসো। এমন কি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের গৃহীত জাতীয় সংগীতের শেষ দিকে যে মায়ের কথা উচ্চারণ করেছেন রবীন্দ্রনাথ, তাও এই ‘দেশ’, রাষ্ট্র নয়–‘মা তোর বদনখানি মলিন হলে আমি নয়নজলে ভাসি।’

উর্ধ্বকমাভূক্ত এই দুটি লাইনেরই যদিও ভিন্ন রাজনৈতিক তাৎপর্য ও আলোচনা বিদ্যমান। তবুও এই আলোচনার জন্য দেশরূপ নারীর ধারণা অবদমিত হয় না। বরং দেশ ও নারীর শত্রুমিত্র ভেদ-জ্ঞান, রাষ্ট্র ও দেশ-এর অভেদমুহূর্ত, তার ভাষা ও বিভঙ্গসমূহ বোঝার জরুরত অনুভূত হয়।

তাহলে রাষ্ট্র এসে যখন দাঁড়ালো ‘দেশ’-এর সামনে, নারীর ভূখণ্ড বা শরীরের উপর, সে ও তার সন্তানদের শাসক হয়ে, তখন এই রাষ্ট্র ও নারী মুখোমুখি দাঁড়াবে, এই স্বাভাবিক। কারণ রাষ্ট্র নিপীড়ক, আর নিপীড়ণের বিরুদ্ধে নিপীড়িত মুখ তুলে দাঁড়াবে, সাহস ঘোষণা করবে। এখানে দেশ, নারী, সন্তান সমার্থক। বিপরীতে রাষ্ট্র নিপীড়ণের নানা উপায়ের উদ্ভাবক; ইভটিজার, ধর্ষক, খুনি হিসেবে এগিয়ে আসে। রাষ্ট্র দেশরূপ নারী ও তার সন্তানদের উপর নিয়ত নিয়ন্ত্রণ, নিপীড়ণ ও ফেমিসাইড ঘটায়। তাই রাষ্ট্র, তার সহযোগী ও স্বীকৃত সব প্রতিষ্ঠান, যেমন সরকার, মিডিয়া, আইএসপিআর, পুলিশ এইসব প্রপঞ্চ বর্তমান বাংলাদেশ রাষ্ট্রে নারীর প্রতি নিপীড়ণের জায়গা থেকে আমাদের পাঠ্য হতে পারে।

২.

এই পর্যায়ে আমরা আমাদের এই পাঠকে ১৪ নভেম্বর পড়ন্ত বিকালে সেনানিবাসে একজন নারী খালেদা জিয়ার বাসভবনের ঘটনাপঞ্জির সামনে দাঁড় করাতে চাই। খালেদা জিয়ার বাসভবনে এই সময়ে ঘটে যাওয়া নারীর প্রতি মিডিয়া, আইএসপিআর ও সরকারের অভূতপূর্ব ভূমিকার সামনে। তাঁর বাড়ি নিয়ে আইনি, দলীয় ও পাতি-রাজনৈতিক যেসব আলোচনা সম্ভব সেইসবের বাইরে থেকেই এই পাঠের চেষ্টা। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে একজন বিরোধী দলীয় নেত্রী নন খালেদা, রাষ্ট্রের তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী নন, বাংলাদেশের অসম্ভব জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বিএনপির চেয়ারপার্সন নন, এমন কি মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্ত্রীও নন। তিনি খালেদা জিয়া, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের একজন সামান্য নাগরিক, এবং নারী। যিনি সেইদিন উপরের ওইসব পরিচয়ের একটিরও কোন সুবিধা পান নাই রাষ্ট্রের কাছ থেকে, বরং স্রেফ একজন সাধারণ নাগরিক, বৃদ্ধ, অসহায়, নিঃসঙ্গ এক নারী হিসেবেই নির্যাতিত হয়েছিলেন, রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের সহযোগী মিডিয়া, আইএসপিআর, পুলিশ ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে।

এই পাঠের গুরুত্বপূর্ণ প্রপঞ্চ ও সাক্ষ্য হিসেবে সেদিন ও তার পরবর্তী দিনগুলোর কিছু ঘটনাপঞ্জিকে হাজির করা যেতে পারে। যেমন আইএসপিআর ও শাসক রাজনৈতিক দলের নেতাদের সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার সৌন্দর্যচর্চা নিয়ে কটাক্ষ (দীর্ঘক্ষণ ধরে রূপচর্চা ও প্রসাধনরত ছিলেন ইত্যাদি: আইএসপিআর-এর পরিচালক ও আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদকের সংবাদ সম্মেলন দ্রষ্টব্য), যা যে কোন নারীর প্রাত্যাহিক যাপন ও কাজকর্ম শুরুর প্রস্তুতির অংশ। তারপর মিডিয়া কর্মীদের নিয়ে গিয়ে খালেদা জিয়ার বেডরুম, সূচিতার ঘর ও অন্যান্য গোপনীয়তার স্থান ও সামগ্রীর বেআব্রু প্রদর্শন, ভিডিও এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াতে ফলাও করে প্রচারের ব্যবস্থা। যেমন, একটি জনপ্রিয় চ্যানেলে রিপোর্টের উপসংহার টানা হয়েছে খালেদা জিয়ার বেডরুমের অভ্যন্তরের দৃশ্যকে নেপথ্যে রেখে। লক্ষণীয়, খালেদা জিয়ার বাসা খালি করা বা ছেড়ে দিতে বলা আইনী প্রক্রিয়ার অংশ বা আইনের ভায়োলেশন হতে পারে, কিন্তু এটি করতে গিয়ে তার বাসার বেডরুম ভিডিও করে দেখানো–এটি স্রেফ আইনের ভায়োলেশনের প্রশ্নে বিচার্য নয়, বরং এই পাঠে বাংলাদেশে নারীর সামাজিক অবস্থান, সংস্কৃতি, আবেগ, অনুভূতি, গোপনীয়তা, আব্রুতা এইসবের লঙ্ঘন হিসেবেই প্রশ্ন তোলা জরুরী।

ব্যক্তিগত ও গোপনীয় নোটপত্র ও ডকুমেন্টস সাংবাদিকদের কাছে হস্তান্তরের ঘটনাও ঘটেছে। যেমন, খালেদা জিয়ার কাছে লেখা শফিক রেহমানের গোপনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ নোট, একটি অনলাইন নিউজ এজেন্সিতে যার স্কেন-কপি প্রকাশিত। সর্বশেষ খালেদা জিয়ার বেডরুমের ড্রয়ার থেকে নতুন ঝকঝকে কয়েকটি আপত্তিকর ছবিসমৃদ্ধ ম্যাগাজিনের উদয় এবং তার ছবিসমেত প্রচারের ঘটনাটি নারীকে বেআব্রু শুধু নয়, পৌরাণিক কাহিনীর নারীদের ‘কলঙ্কিনী’ ও ‘চরিত্রহীন’ করার চেষ্টার মত বিশুদ্ধ পুরুষালী ও নিপীড়ক প্রয়াস হিসেবে বিচার্য। বাংলাদেশে নারীর উপরে নিপীড়ণের বেশির ভাগ ঘটনায় দেখা যায়–কিছু লোক, যারা নারীর নিপীড়ণে আগ্রাসী, তারাই অপরাধ করে নারীর উপর তার জন্য শাস্তিও চাপিয়ে দেয়। নারীকে কলঙ্কিনী উপাধি দিয়ে এই অপরাধে তাকে সমাজচ্যুত ও বাস্তুছাড়া করে। মনে রাখা দরকার, খালেদা জিয়ার ঘটনায় মূলত কোন সাবোটাজ হয়েছে কিনা–এই সত্য-মিথ্যা বিতর্কের আলোচনা এখানে নয়। বরং এই পাঠের অভিমুখ হলো ঘটনার ইনটেনশন ও নারীর প্রতি মনোগত নিপীড়ক অবস্থানকে নির্দেশ করা।

তবে, মনে রাখা দরকার, খালেদা জিয়া নিজেই এই নিপীড়ক রাষ্ট্রব্যবস্থার শাসকশ্রেণীর মানুষ। তিনি যখন প্রধানমন্ত্রী, তখন, এবং যখন বিরোধী দলীয় নেত্রী হিসেবে তৎপর হন, তখনও। এই বাস্তব অবস্থা মাথায় রেখেই এই আলোচনার সূত্রপাত করলাম, কারণ, শুধুমাত্র এই কারণেই নারী হিসেবে খালেদা জিয়ার উপর এই নির্যাতন উপেক্ষা করা যায় না। সাথে এই সম্ভাবনাও জারি আছে, খালেদা জিয়া নিজেই একদিন শাসনক্ষমতায় আসবেন এবং হয়তোবা এইভাবে বা ভিন্ন উপায়ে নারী, নাগরিক, দেশ এবং জন-ইচ্ছার উপর নিয়ন্ত্রক ও নিপীড়ক ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেন। এখানে দুইটি চমকপ্রদ বিষয় হাজির আছে, তা হল এই নিপীড়ক রাষ্ট্রের বর্তমান প্রধান নির্বাহীও একজন নারী। আবার যিনি রাষ্ট্রযন্ত্রের নির্যাতনের শিকার তিনিও নারী। এই কারণে কেউ যদি এটাকে নারীর বিরুদ্ধে নারীর নিপীড়ণ হিসেবে বিচার করতে বসেন, তাহলে ভুল করবেন অথবা ইচ্ছেকৃত ফ্যালাসিতে ভুগবেন। কারণ, যদিও রাষ্ট্রপ্রধান একজন নারী হয়ে থাকুন না কেন, নারীবাদি ইতিহাসপাঠ বলে যে, তিনি এই জায়গায় স্রেফ নিপীড়ক পুরুষের প্রতিনিধিত্ব করেন মাত্র। তাহলে, নারীর বিরুদ্ধে নারী নয়, মূলত নারী, দেশ, মানুষ, নাগরিকতা– এইসবের বিরুদ্ধে নিপীড়ক হিসেবেই রাষ্ট্রের এই ভূমিকাকে বিচার করতে হবে।

২১ নভেম্বর ২০১০, চট্টগ্রাম।


রিফাত হাসান:
আইন, ধর্ম, রাষ্ট্র ইত্যাদি নিয়ে লেখালেখি করেন।

Tags: , , , , , , , ,

WARNING: Any unauthorised use or reproduction of bdnews24.com content for commercial purposes is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to legal action.
| | More
 -------------------------------------------------------------------------
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর নিজস্ব। bdnews24.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে bdnews24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)

-------------------------------------------------------------------------

৫০ প্রতিক্রিয়া - “ মিডিয়ায় বেআব্রু ‘নারী’: রাষ্ট্র ও অন্যান্য নিপীড়কবৃন্দ ”

  1. abbu on নভেম্ভর ২২, ২০১০ at ৫:৪২ অপরাহ্ণ

    Rifat hasan valo likhen. khaleda ke nia tar a bisleson o ovinoba. thanks. kintoo rifat hocchen ses porjonta PROJAMAT-BNP.

    noile tini khaledar kannar bisoy ti o ullekh kore aro somridho lekha dar korate parten.

  2. নিগার on নভেম্ভর ২১, ২০১০ at ৭:৫৬ অপরাহ্ণ

    অসাধারণ লিখেছেন! তবে নিপীড়নের পক্ষে করা মন্তব্যগুলো পড়ার পর এই টপিকে কি যে মন্তব্য করবো তা মাথায় আসে না। লজ্জাহীন একটা জাতির অংশ হিসাবে লজ্জিতও হতে পারছি না। মান মর্যাদাহীন একটা জাতির অংশ হিসাবে অপমানিতবোধও করতে পারছি না।

  3. V.P.Ahmudul on নভেম্ভর ২১, ২০১০ at ৭:৩২ অপরাহ্ণ

    যদিও আমি বিএনপির রাজনীতি পছন্দ করিনা, তারপরও বলি, এই বিষয়টা সকল নোংরামীর দাদা, যেটা বর্তমান সরকার করেছে।

  4. KABIR on নভেম্ভর ২১, ২০১০ at ৭:২৮ অপরাহ্ণ

    ভাই,আপনার লেখার হাত যথেষ্ট ভালো..সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের মূর্খতা আর চিলের কান নিয়ে যাওয়া সংক্রান্ত খবরে দেশ-জাতির গুষ্টি উদ্ধারের যে মানসিকতা,তা তুলে ধরবার জন্য ধন্যবাদ…

  5. মমিন on নভেম্ভর ২১, ২০১০ at ৭:২৫ অপরাহ্ণ

    ৬৫ বছর বয়স্কের একজন বৃদ্ধার ঘরে পর্ণো ম্যাগাজিন রাখা আছে এটা যারা বিশ্বাস করে তারা তাদের মার বিরুদ্ধে একই অভিযোগ করলে বিশ্বাস করে ফেলবে বলে মনে হচ্ছে!

    লেখককে স্যালুট।

  6. ND on নভেম্ভর ২১, ২০১০ at ৭:১৯ অপরাহ্ণ

    নারীর ঘরে নারীর আপত্তিকর ছবির ম্যগাজিন! আসলে ব্যাপারটা কি?

  7. klanto pothik on নভেম্ভর ২১, ২০১০ at ৬:৪৬ অপরাহ্ণ

    রিফাত হাসানের লেখাটি খুবই পাঠযোগ্য এতে কোনও সন্দেহ নেই। তবে কারো কাছে এটা গ্রহণযোগ আবার কারো কাছে অগ্রহণযোগ। আমি একজন অরাঝনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে বলতে চাই সেইদিন বেশি দুরে নয়, যেদিন কেবলমাত্র আমাদের এই দুই নেত্রীকে কেন্দ্র করে প্রতিদিনই ১০/২০ টা লাশ পড়বে রাস্তায়। এরা যখন আর পৃথিবীতে থাকবে না তখনো হয়তো তাদের নাম ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে। তবে সেটা থাকবে অন্যভাবে। যেমন বলা হয় ট্রয় নগরী ধ্বংস হয়েছিল হেলেন এর কারণে। তেমনি একদির সবাই বলবে বাংলাদেশে বহু লোক মারা গিয়েছিল এই দুজন নেত্রীর কারণে।
    যাক, আমি একটু অতীতের দিকে ফিরে তাকাতে চাই এবং আপনাদেরও তাকাতে বলি। ৯৬ যখন শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এলেন তখন তিনি গনভবণ নিজের জন্য বরাদ্দ নিয়েছিলেন মাত্র ১ টাকার বিনিময়ে। বিএনপি ক্ষমতায় এসে সেই লীজ বাতিল করে। অভিযোগ উঠেছিল তার সেই গনভবণ থেকে তখন অনেক ফেন্সিডিল পাওয়া গিয়েছিল। অর্থাত এটা প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছিল যে, শেখ হাসিনা ফেন্সিডিলে আসক্ত। কি লজ্জার কথা। এটা কারো বুঝতে বাকি ছিল না যে, এটা একটা অপপ্রচার। একইভাবে খালেদা জিয়াকে বাড়ি ছাড়ার পরে দেখানো হলো, তিনি মদ্যপায়ী। অরুচিকর ম্যাগাজিন পড়েন। এটাও হীনকাজ। লজ্জাকর। আমি বিশ্বাস করি দুজনেই বিবাদপ্রিয় হলেও এত নোংরা নন। সামান্য হলেও তাদের পারিবারিক ও সামাজিক মর্যাদা আছে।
    যারা রিফাত সাহেবের লেকা পড়ে বিভিন্ন ধরণের মন্তব্য করেছেন তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, সব ক্রিয়ারই প্রতিক্রিয়া আছে। সব ভালোর ভেতরেও খারাপ লুকিয়ে আছে, সব খারাপের পাশাপাশি ভালও আছে। একজন বলেছেন, বিদিশার নিয়তি হবার কথা। এটা সত্য যারা বিদিশার লেখা ‌‌’শক্রর সাথে বসবাস’ পড়েছেন তারাই কেবল অনুমান করতে পারবেন, একজন মহিলাকে নির্যাতনের কত কায়দা পশুরা জানে। তাকে যেভাবে অত্যাচার করা হয়েছে, আমার বিশ্বাস তার চেয়ে তাকে প্রকাশ্যে ধর্ষন করা হলেও বোধহয় এত কষ্ট তিনি পেতেন না। কিন্তু আমরা কি দেখছি এখন, বিদিশাকে নির্যাতনের পেছনে যে ব্যক্তি বড় ভূমিকা পালন করেছেন সেই এরশাদ কিন্তু এখন হাসিনার জোটের অন্যতম শরীক। তার মানে কি এখানে নারী বা নারী নির্যাতন বড় বিষয় না। বড় বিষয় হচ্ছে কে বেশি সমর্থন যোগাতে পারবে সরকারকে। সেই কেবল বন্ধু হতে পারে।
    মন্তব্য কলামে একজন উদাহরণ দিয়ে বলেছেন, খালেদা জিয়া মা হলে তিনি কি দেশ মাতৃকার সেবা করেছেন ? সেটা না করে তিনি দেশ বিরোধী বা স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে জোট করে আছেন। তাদের সাথেই তিনি চলাফেরা করছেন। আমি বলতে চাই শেখ হাসিনাও কিন্তু জামাতের সাথে জোট করেছিলেন। পরে সেই জোট ভেঙ্গে জামায়াত চলে যায় বিএনপির সাথে।
    আসলে আমরা কেউ ভাল না। সবাই স্বার্থের রাজনীতি করছি। এভাবেই দেশ চলবে।আমরাও ভোট দিয়ে যাবো।

  8. yousef on নভেম্ভর ২১, ২০১০ at ১১:৪৩ পুর্বাহ্ন

    BNP again proved that they are novice in political game in comparison to AL. The BNP policy makers should learn politics from AL. It is the failure of BNP not protecting the house of Khaleda.
    BNP should understand the geo-politics of the sub-continent. , BNP is just reducing it’s chance to come to power.

  9. Rain on নভেম্ভর ২১, ২০১০ at ১০:০৫ পুর্বাহ্ন

    Keep it up bro, u r successful as ur writing is accepted and criticized at the same time. I appreciate ur writing.

  10. Advocate Kaiyum on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ৯:২৯ অপরাহ্ণ

    রিফাত আপনাকে ধন্যবাদ।
    আপিল বিভাগ যেহেতু পিটিশন গ্রহন করেছে সেহেতু এটি বিচারাধীন বিষয়।আপিল বিভাগ এর আদেশ পর্যন্ত কি সরকার ওয়াইট করতে পারত না? এতে সরকারের ইন্টেনশন মানুষ বুজতে পেরেছে।আমি একজন নাগরিক হিসেবে সরকার কে ধন্যবাদ দিতে পারি না।আমার মনে হয়,সরকারের অগনতান্রিক আচরনে খালেদা জিয়ার প্রতি জনগনের ভালবাসা আরো বাড়বে।বিচার,মামলা ছাড়া সরকার জনগনের জন্য কি কোন কাজ করেছে?প্রখ্যাত সাংবাদিক শফিক রেহমান যথাথই বলেছেন, সরকার বাংলাদেশ কে মামলাদেশে পরিনত করে ফেলেছে।
    খুন,রাহাজানি,ছিন্তাই,ইভটিজিং সহ সামাজিক নিরাপত্তা আজ কোথায়? সবজি কিনতে হয় ৬০/= কেজি। সস্তা (১০/=কেজি চাল কই?cng, রিকশা ভাড়া শুনলে মাথা গরম হয়ে যায়।সরকারী দল বিরোধী দল বুজতে চাই না,কম দামে খেতে চাই। সরকারের কাছে অনুরোধ,কাল চশমা খুলে জনগ্ নের সেন্টিমেন্ট বুজার চেস্টা করুন।

  11. onamika on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ৮:৫৪ অপরাহ্ণ

    বিষয়টি নিয়ে লেখার আদৌ কোন প্রয়োজন ছিল কি? এগুলোতো ক্ষমতাসীনদের সৃষ্টিশীল কার্যক্রমেরই একটি ধারাবাহীক অংশমাএ। এবার আওয়ামীলীগের আনন্দঘন সময় চলছে আগামীতে অন্য কোন দলের পর্ব আসেবে…. অনেকটা ভারতীয় ডেইলিসোপের মত(বউ শশুড়রি ক্ষমতার প্রতিযোগীতা)……..:-)))) এ আর নতুন কি……রাজনীিতবিদদের সৃষ্টিশীলতার জবাব নেই! এ দেশে প্রকৃতপক্ষেই যারা নির্যাতিত হচ্ছে তাদের নিয়ে আরো বুদ্ধিদীপ্ত ও দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের পথ নিয়ে আলোচনা সমালোচনা আশা করি আপনার মত তরুন সৃষ্টিশীল লেখকদের কাছ থেকে।

  12. মামুন on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ৮:৩৩ অপরাহ্ণ

    লেখকের লিখাটি বাস্তবসম্মত হয়েছে বলে মনে হয়। কারণ রাষ্ট্র এখানে নিপিড়কের ভুমিকা নিয়েছে। তদুপরি একজন নারীর প্রতি রাষ্ট্রযন্ত্রের এহেন নিপিড়ণ কতটুকু যথার্থ হয়েছে তা অনেকের মতো আমার কাছেও বোধগম্য নয়। এছাড়া সাম্প্রতিক নারী ঘঠিত/নারী নির্যাতনের সকল সংবাদই আমাদের দেখিয়ে দিচ্ছে রাষ্ট্রের নৈতিকতা কতটুকু।

  13. Jamil on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ৭:২৪ অপরাহ্ণ

    লেখাটা পড়লাম। বুঝতে খুব কঠিন মনে হলো।আমি কোন দল করি না কিন্তু নানা জনের লেখা পড়ে সত্য মিথ্যা কোনটি বুঝতে পারছি না।তবে এটা বুঝতে পারলাম দেশের সব লোকের গায়ে যেন BNP, ALW ও জামাতের তকমা লেগে গেছে তাই দল করেন আর নাই করেন । সত্য্ কে সত্য্ বলার ও নিরপেক্ষ কথা বলার ক্ষমতা সবার হোক এই কামনা করি ।

  14. InsideLove on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ৭:১১ অপরাহ্ণ

    Mr. Refat explores his love to Khaleda. She has two more houses (36 Katha) and can stay in anyone of those houses.

  15. Motiar on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ৬:৫১ অপরাহ্ণ

    আপত্তিকর ছবিসমৃদ্ধ ম্যাগাজিনের কথা বলছেন! এরা যে খালেদার বেডরুমে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী রেখে তারপর সাংবাদিক ডাকে নি, সে কারণে সরকারের প্রতি বিএনপির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিৎ।

    • আজাদ on নভেম্ভর ২১, ২০১০ at ১:২০ পুর্বাহ্ন

      ৬৬ বছর বয়সে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী? আপনার কল্পলোক আরো সমৃদ্ধ হোক । ২ টা পুত্র দিয়েই যেভাবে বাংলাদেশ খালি করেছে আরো সন্তান থাকলে না জানি কি দশা হতো !

      • Fahmida on নভেম্ভর ২১, ২০১০ at ৬:৫৯ অপরাহ্ণ

        যারা নারীর ঘরে নারীর নগ্ন ছবির পর্ণো ম্যাগাজিন রাখতে পারে তাদের পক্ষে ৬৬ বছর বয়সের মার ঘরেও জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী রাখা সম্ভব।

  16. মতিন on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ৬:৩২ অপরাহ্ণ

    মন্তব্যকারীদের মধ্যে দেখছি নিপীড়কের সংখ্যাই বেশি। এ আর বিচিত্র কি? এরা যে সেঞ্চুরিয়ান মানিকের দলের সমর্থক। সবসময় এটা মনে রাখতে হবে যে আওয়ামীলীগ মানে বাংলাদেশ। যে আওয়ামীলীগ করে না, তার বাংলাদেশে থাকার কোন অধিকার নেই। কিন্তু আওয়ামীলীগ একটি উদার ও সহনশীল সংগঠন। তারা এতটাই উদার যে এখনও আওয়ামীলীগ করেন না এমন বহু মানুষ নিপীড়ন বা নির্যাতনের শিকার হন নি।এ উদারতাকে দূর্বলতা ভাবা ঠিক না।

  17. yousef on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ৪:০৮ অপরাহ্ণ

    Similar incident we saw when Khaleda was in power. We witnessed how police force entered into the bed room of Bidisha and draged her out. She was crying mentioning khaleda as her mother and asked her forgiveness. She was not spared.
    If we believe the law of KARMA, what happened to khaleda is just another karmic reaction.
    Now this cycle of revenge should be stopped. Now the million dollar qestion is HOW and by WHO

  18. Siddique on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ৩:৩৭ অপরাহ্ণ

    বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে একজন বিরোধী দলীয় নেত্রী নন খালেদা, রাষ্ট্রের তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী নন, বাংলাদেশের অসম্ভব জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বিএনপির চেয়ারপার্সন নন, এমন কি মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্ত্রীও নন।- নন কেন?
    এসব তিনি অবশ্যই, নইলে আইনের বাস্তবায়ন করতে গিয়ে একটি অন্যায়ের মুখোমুখি এত নাকাল হতে হচ্ছে কেন রাষ্ট্রের এতগুলো প্রতিষ্ঠানকে।

    বাংলাদেশ যতখানি রাষ্ট্র, তার চাইতে অনেক বেশি দেশ। যেই যেই কারণে এই বাংলাদেশ ‘দেশ’ এই লেখক তাঁর আগের একটি লেখাতে সেগুলোর সম্পর্কে আজেবাজে অনেক কথা লিখেছিলেন, সেই ব্যপারগুলোকে সমালোচনা করেছিলেন, হাজির করেছিলেন অনেক অপতত্ত্ব-যে তত্ত্বগুলোর প্রেক্ষিত বুঝতে তিনি ব্যর্থ হয়েছিলেন বলে প্রতিভাত হয়েছিল। ফলে বিডিনিউজে ও অন্যান্য বিভিন্ন জায়গায় সৎ ও বিবেচনাবোধসম্পন্ন মানুষেরা লেখাটির যথাযথ মূল্যায়ন করার প্রয়াস পেয়েছিল। আর এই লেখাতে, তিনি যাকে বাংলা মায়ের প্রতিভূ আকারে হাজির করছেন, যিনি বাংলা মায়ের প্রবল শত্র“দের সঙ্গে জোট বেঁধে কী রকম অনাচার করেছেন, তা কারোরই অজানা নয়। সবচেয়ে বড় বিষয়, এখানে নারীবাদ অপ্রাসঙ্গিক, এখানে তিনি সম্পত্তি সংক্রান্ত আইন নিয়ে কথা বললে ভাল করতেন। অবশ্য সেটি নিয়ে ইনি কথা বলবেন না, কারণ আদালতে এ সম্পর্কিত রায়ে বিষয়টি পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল। আমার মত হচ্ছে, উনি যেহেতু আকস্মিকভাবে এ নিয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছেন, উনি নারী-পুরুষের সম্পত্তি বন্টনের বিদ্যমান ব্যবস্থাগুলোর উপর একটি আলোচনা করলেই পারেন। ‘মিডিয়ায় বেআব্র“ নারী’ শিরোনামটিতে ভয়াবহ সঙ্কট রয়েছে, অভিসন্ধি রয়েছে, মিডিয়ায় ঘটনাপ্রবাহ উন্মোচিত হয়েছে, ব্যক্তিবিশেষের সম্পত্তির ভোগদখলের আকাঙখা উন্মোচিত হয়েছে, এত সব কিছু তার চোখ এড়িয়ে গেল, উনি কেবল নারীকেই দেখলেন। তাহলে তো দেখছি, বাড়ি দখলের আন্দোলন বিরাট নারীবাদী আন্দোলনের ছদ্মবেশ নেবে দেখছি। এটি আইনি ব্যাপার স্যাপার, এ নিয়ে জলঘোলা যারা করতে চায়, রাষ্ট্রাচারকে যারা বাঁধাগ্রস্ত করতে চায়, হুজ্জৎ বাঁধিয়ে বাঙালির অগ্রযাত্রা রোধ করতে চায় এনিয়ে তারা কথা বলুক, আমরা আর এ ব্যপারে কথা বলতে অনীহাবোধ করছি।

  19. Salim on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ২:১৪ অপরাহ্ণ

    ব্যক্তি যখন প্রতিষ্ঠান হয়ে ওঠে তখন তার আদ্যপান্ত জানার অধিকার সবার আছে। খালেদা জিয়া একজন মা, তিনি কেমন মা তা তার সন্তানদের আচরন দেখে বুঝা যায়। আমরা অবশ্যই ১/১১ এর পরের ঘটনাগুলো ভুলে যাই নাই। যে মা সন্তানকে লোভ থেকে ফেরাতে পারে না, পারে তিনি প্রধানমন্ত্রী থাকাবস্থায় নিজ সন্তানকে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুণ্ঠনের প্রতিযোগিতা থেকে ফেরাতে, যে মা অন্য সন্তানকে নেশার জগত থেকে ফেরাতে ব্যর্থ হন, সেই মায়ের মাতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যেতেই পারে। রিফাত সাহেব কি এসব বুঝে লিখেছেন, নাকি অন্যের মাকে খুশি করে নিজে ওই মায়ের সন্তানদের মত সুযোগ সুবিধা নেবার জন্য লিখেছেন। বেগম খালেদা জিয়া একজন নারী। তিনি সেই নারী যে শাসনামলে দেশের প্রধান বিরোধীদলের নেতার জনসভায় বোমা হামলায় মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয়, দেশের বর্তমান রষ্ট্রপতির স্ত্রী নিহত হন সেই বোমা হামলায়। বর্তমান সরকার যদি প্রতিহিংসা নিয়ে বাড়ীটি খালি করতো তাহলে আগেই করতে পারতো। যিনি কয়েকবারের প্রধানমন্ত্রী তিনি অবশ্যই আইন জানেন। তাই তিনি এটাও জানেন ওই বাড়িটিতে তিনি বৈধভাবে থেকেছেন না অবৈধভাবে থেকেছেন। রিফাত সাহেব কি লিখেছেন আবার পড়েন, একবার পাঠক হন, তহালেই বুঝবনে।

  20. Probashi Bangladeshi on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ১০:২২ পুর্বাহ্ন

    Inquisitive asking to the mentors…

    It’s not where they’re been – it’s indeed a question where they’re going…!!??

  21. ATR on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ১০:২০ পুর্বাহ্ন

    Khaleda Zia is not a private person but a public figure. People want more genuine and authentic informations about her and her lifestyle for voting decisions. I see nothing wrong and violations of privacy in the video except the exposure of hypocrisy.

  22. Mona Pagla on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ৯:৩৪ পুর্বাহ্ন

    বেশী বত্সর আগে নয়, মাত্র ছয় বত্সর আগে দেখে ছিলাম এক বিভীষকাময় দৃশ্য- যে একদল নারী রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পরে আছে, এর মধ্যে বর্তমান রাষ্ট্রপতির স্ত্রীও ছিলেন, তখণ আরেক নারী ষ্কমতায়। কী সুন্দর দৃশ্য তখন আমরা দেখেছি- ক্ষমতাবান নারী তার সমস্ত প্রশাসনযন্ত্র ব্যবহার করেছেন খুনীদের পালিয়ে যাওয়ার। আজকে সেই ক্ষমতাবান নারী তার পায়ে সেন্ডেল নাই বলে কান্না করছেন, তাও আবার আদালতে লজ্জাজনকভাবে হেরে গিয়ে। লজ্জায় আমার মাথা হেট হয়ে যায়, ইনি ছিলেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী, আমাদের দেশের চালক, আবার ভবিষ্যতে হয়তো হবেন। লেখক নারী নিয়ে লিখলেন কেন?? সামান্য অবৈধ সহানুভুতির জন্য নাকি এই বাংলার সহজ সরল মানুষ মনস্ত্বাতিক প্রতারণার জন্য। অবৈধ দখল উচ্ছেদ করাই রাষ্ট্রে কাজ, আর এটার জন্যই জনগন তাদের দায়িত্ব দিয়েছে। তানা হলে মানুষ দেশে থাকতে পারবে না। অবৈধ দখলে থাকা খাল উদ্ধার হবে না, নদী উদ্ধার হবে না, রাস্তা প্রশস্ত হবে না। যারা ক্ষমতাবান তারা সব দখল করে নিবে। আমার মতে খালেদা জিয়ার গুলশানের বাড়ীও ছেড়ে দেওয়া উচিত, ওনার আর্থিক অনস্থা এখন আর দান নেওয়া যায়গায় নাই, দান দেওয়ার যায়গায়। আপনি যদি ভোগবাদী নেত্রী হতে চান, দয়া কনে আপনি চলে যান, আজকের এই তথ্য প্রযুক্তির যুগে মানুষকে বেশীক্ষন বোকা বানাতে পারবেন না, আপনার ভবিষ্যত আরো বেশী অন্ধকার ও গ্লানিময় হবে।

  23. ডাঃ কামরুল on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ৮:৫৩ পুর্বাহ্ন

    একটু পেছনের কথা লিখলে ভালো হতো। বোমা মেরে শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা, আঈভী রহমানকে
    হত্যা, বিদিশাকে নিয়ে নির্লজ্জ টানাহেঁচড়া; এগুলো এখনো জাতি ভুলে যায় নাই, মাননীয়। তখন আপনার নারীপ্রীতি কোথায় ছিল? সাহিত্যের আবরণে দালালী করবেন না প্লীজ।

    • ঘোড়ার ডিম on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ৮:১৭ অপরাহ্ণ

      ভাই ঠিক বলেছেন। লিখতে শিখেছে, এখন যা ইচ্ছা তাই লিখছে। এদেরকেই বলে জ্ঞানপাপী।

  24. UCHIT KOTHA on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ৪:৪৯ পুর্বাহ্ন

    Bangladeshi so called “”BUDDHIJIBIES” is always biased and one sided. They are proud to write against own religion even they never read about ISLAM.

  25. এম চৌধুরী on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ১:৩৪ পুর্বাহ্ন

    আপনার লেখনীতে কিছুটা সমস্যা আছে। পাঠককে ধরে রাখারা জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী না।
    খালেদা জিয়ার বাড়ি বিষয়ে আসলে কথা বলার কোন দরকার নেই। তিনি একজন নারী। তিনি হয়তো নির্যাতিত হয়েছেন। কিন্তু দেশের অসংখ্য নারীর অগুণিত সমস্যা আর জটিলতার তুলনায় তার সমস্যা কিংবা নির্যাতন কিছুই না।
    এ দেশে গণতন্ত্রের নামে ‘অকার্যকর’ পরিবারতন্ত্র বিদ্যমান। পাশাপাশি বিদ্যমান প্রোতিশোধস্পৃহা নামক বিচিত্র সমস্যা। যেহেতু শাসনকার্যে দুটা দল ছাড়া আর কোন দল আসার সমস্যা খুব একটা নেই, তাই এ দুটো দলও বেশ ভাল করে জানে কিভাবে নিজেদের স্বার্থ সংরক্ষণ করে টিকে থাকা যায়।
    তাই আলোচনার বিষয়টাও অনেকটা অর্থহীন মনে হল।

  26. পার্থ সারথী on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ১:২৯ পুর্বাহ্ন

    ভালই বলেছেন। মাতৃসমা।
    আমার মায়ের বয়সও তার সম।

    খালেদা নিজেইতো সাজে, মা’ভেবে এই বাংলাকে কতটা সাজিয়েছে?
    ৭১’এর মতো এখনোতো মা’য়ের শত্রুদের সাথেই সংসার করছে।

  27. Mona Pagla on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ১:০৫ পুর্বাহ্ন

    আপনারা অনেক কথা লিখতে পারেন, কিন্তু কোন কথাই প্রতিষ্ঠিত হবে না যতক্ষণ না লেখার মধ্যে নিরপেক্ষতা থাকে। খালেদা জিয়া তিন তিন বার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন আর এক দলের প্রধান, তাকে একজন শুধু ণারী হিসাবে দেখার কোন অবকাশ নাই, সে একজন প্রতিষ্ঠান, সে আইন প্রনোয়ন করে আর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার (যদি লোক দেখানো না হয়) রাজনীতি করে। এই মিডিয়াই একদিন তাকে অতি দরিদ্র হিসাবে জনগনের সামনে উপস্থাপন করেছিল, যার বদৌলতে অতি নেক্কারজনক ভাবে রাষ্ট্রপতি তার সকল সাংবিধানিক শপথ ভঙ্গ করে অনুরাগের বশবর্তী হয়ে বাড়ী দিয়ে দিলেন। খালেদা প্রধানমন্ত্রী হলেন, উনার অনেক টাকা পয়সা হলো, (যার সামান্য ‌প্রমান তার দুই ছেলেকে দুই বছরের অধিক অতি উন্নত দেশে চিকিত্ষা ব্যয় চালানো)। উনারতো উচিত্ ছিলো অবৈধ ভাবে পাওয়া দানের বাড়ীটি ছেড়ে দিয়ে নিজের টাকায় কেনা একটা বাড়ীতে উঠা। আমার জানা মতে অনেকে এক সময় যাকাত নিত, আর্থিক পরিবর্তণের কারনে এখন যাকাত দেয়। উনার ও তাই করা উচিত ছিলো। আজকে খালেদা জিয়া যে ভাবে দেশ ও সারা বিশ্বে অপমানিত হয়েছেন তার জন্য তার চারপাশের লোভী চাটুকাররা দায়ী। এটা যদি চলতে থাকে তাকে ভবিষ্যতে আরও অপমানিত হতে হবে। খালেদা জিয়া আপনাকে মনে রাখতে হবে অবৈধ কাজের জবাবদিহি শতবত্সর পরে হলেও করতে হবে, ইতিহাস কখনও কাউকে ক্ষমা করে নাই আর করবেও না। চাটুকারদের মিষ্টি মিষ্টি মায়াভরা কথায় নিজেকে আর দেশবাসির কাছে সম্পর্তি লোভী হিসাবে উপস্থাপন করবেন না।

  28. dia on নভেম্ভর ১৯, ২০১০ at ১১:৪১ অপরাহ্ণ

    Bangladesh is a very complicated country. Two women leaders got enough chance to prove their leadership. They failed. If they don’t try to understand this truth – they will be disobeyed in future more and more. one day media tries to make fun of them, the other day media says they are the synonimas of democracy.
    As a woman, woman is goddess, woman is mother – this sounds so irritating and disgusting.

    • আদনান ফারুক on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ১০:১৮ পুর্বাহ্ন

      dia, আপনার কথা সুন্দর। সত্যও। তবে এজন্য মিডিয়া আর সরকার খালেদা জিয়ার উপরে যা করেছে তার বৈধতা দেওয়া যায় নাকি?

  29. আরিফুর রহমান on নভেম্ভর ১৯, ২০১০ at ১১:৩৬ অপরাহ্ণ

    অকারনে খালেদা জিয়াকে ‘নারী’ বানিয়ে সেন্টিমেন্টাল সুরসুরি দেবার বিএনপি পলিটিক্সের সাথে রিফাতও যে একাত্ম হবেন, তাতে আশ্চর্যের কিছু নেই।

    ম্যাচুরিটির অভাব আমাদের এখনো সঠিক পলিটিক্স করা শেখায় নি। স্বামী কর্তৃক উদ্ভাবিত ‘রাজনীতিবিদদের জন্য পলিটিক্স কঠিন করে দেয়া’ নীতিরই বহুমূখী খেলা দেখা গেলো আমাদের চোখের সামনে।

    রিফাত আমজনতার সামনে খন্দকার দেলোয়ারের মায়াকান্না’র স্যুডো-একাডেমিক সংস্করন নিয়ে হাজির হয়েছেন।

    বিশেষতঃ বিনোদিত হয়েছি..
    “রাষ্ট্র এসে যখন দাঁড়ালো ‘দেশ’ এর সামনে, নারীর ভূখণ্ড বা শরীরের উপর, সে ও তার সন্তানদের শাসক হয়ে, তখন এই রাষ্ট্র ও নারী মুখোমুখি দাঁড়াবে, এই স্বাভাবিক। ” এই অংশটুকু পড়ে।

    রিফাত নিজেও কি বুঝতে পেরেছেন এই লাইনটার অর্থ?

    • মগ্নতা on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ১০:২৩ পুর্বাহ্ন

      আরিফুর, খালেদা জিয়ারে আপনের অকারণ ‘নারী’ মনে করার কারণ কী? আপনের পুরা মন্তব্যকে প্রলাপ মনে হয়েছে আমার।

    • Tussar Khan on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ১০:৫০ পুর্বাহ্ন

      thanks for writing this article.

    • Tuni on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ৬:৪০ অপরাহ্ণ

      এই লাইন কটার অর্থ বুঝতে হলে শিক্ষিত হতে হয়। ধর্ষক নিপীড়ক আর তাদের সমর্থকদের এই ভাষা বোঝার ক্ষমতা নেই।

  30. অরণ্যক on নভেম্ভর ১৯, ২০১০ at ১০:৪৯ অপরাহ্ণ

    দারুণ একটা লেখা পড়লাম। রিফাত হাসানকে ধন্যবাদ তার এই বিষ্লেশনের জন্য। রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের সহযোগি মিডিয়া, আইএসপিআর, পুলিশ ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে খালেদা জিয়া যে নির্যাতনের শিকার হলেন তা সত্যিই এই বাংলাদেশে প্রথম। আইএসপিআর এবং মিডিয়ার যোগ সাজসে যা হল তাতে মনে হতে পারে খালেদা জিয়া যেন একটা নিষিদ্ধ নাম। সরকার চাইছে খালেদা জিয়াকে মুছে ফেলতে।

  31. বুলবুল আহমেদ on নভেম্ভর ১৯, ২০১০ at ১০:৪০ অপরাহ্ণ

    বিদিশার কথা মনে আছে । পাপ বাপকেও ছাড়েনা । বিদিশার উপর অন্যায়ের সাজা পেলেন মহামান্য বেগম জিয়া । আমি নিশ্চিত আগামিতে শেখ হাসিনাকেও এই রকম অপমান বরন করতে হতে পারে।

  32. Md Sahid Ullah on নভেম্ভর ১৯, ২০১০ at ১০:১৬ অপরাহ্ণ

    Actually, I think that it was intentionally but not considering women or men.. Women and men doesn’t matter. Politics can do anything against anyone.

    • সৈয়দ আলি on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ১২:৩০ পুর্বাহ্ন

      অশুদ্ধ ইংরেজি না লিখে বাংলায় লিখলে অসুবিধা কি? আর আপনি যে এই নিবন্ধের মর্ম আদৌ বুঝেন নি, তাতো আমরা সমঝে নিয়েছি।

  33. মাঈন উদ্দিন জাহেদ on নভেম্ভর ১৯, ২০১০ at ১০:১৬ অপরাহ্ণ

    নারীকে এ প র্যন্ত কেউ এভাবে তুলে আনেনি। এ দেখার মাঝে এক ধরনের দার্শিকতা আছে,আছে নির্মম সত্যের উন্মোচণ।

  34. kibolibo ar on নভেম্ভর ১৯, ২০১০ at ৯:১৮ অপরাহ্ণ

    excellent likhesen. many thanks. i always think how heavy vindictive leader the country is carrying now!!!

  35. harry on নভেম্ভর ১৯, ২০১০ at ৯:০৯ অপরাহ্ণ

    t don’t just write column for the sake of column. Write it for some sense. Because in BD, there is no value of life (one misplaced word or one honest action can cause your death). Both madam and apa can send trained(rab/police/army) or untrained(kata-bonduk)party to kill you at any time. Lets keep our mouth shut. If that cause your blood to clot in the heart, leave the country. That’s what we did.

  36. দ্রুবইননি on নভেম্ভর ১৯, ২০১০ at ৯:০৪ অপরাহ্ণ

    যদি বর্তমান সরকার পুরষের ভুমিকায় থাকেন – সমগ্র লেখার সারাঙশ সত্যি বলে ধরে নিলে – আমার প্রশ্ন করতে ইচ্ছা করে – বিএনপি-জামায়াত শাসনামলে বর্তমান বিরোধীদলীয় নেত্রীর আচরণ যেমন – হাসিনার গার্ড পরিবর্তন, বোমা এনে তাকে জনসভায় প্রকাশে বোমা মেরে মারার চেষ্টা যাতে রাষ্ট্রযন্ত্রের সর্বস্তরের যোগাযোগ ছিলো। রেহানার বাড়ীর হলো পুলিশ ষ্টেশন- এটার একটা যুতসই সঙগা জানতে ইচ্ছা করে? এছাড়াও ততকালীন আইন পরিস্থিতি আগামী ৫০ বছরেও মুছে যাবে না। তারেক,কোকো, বাবর, জমির, দেলোয়ার, পবন, আইজি, আইন মন্ত্রী, এবং এমন কোন শাখা খুজে পাওয়া যাবে না যেখানে আস্থার কোন স্থান ছিলো। এগুলিতো কোন মা প্রসব করেন নাই? – একটা যুতসই সংগা দরকার। একটা কথা সত্য হলো এই যে আজকে আপনারা যারাই বুদ্ধিজীবি লেখা লেখি করেন – এই স্বাধীনতাটাও বাঙলাদেশ জন্মের পরে এই সরকারই দিয়েছে-একটু সস্মৃতি রোমন্থন করুন! খালেদার বাড়ী দরকার – অবশ্যই দরকার সবার দরকার। আইন সমান্তরাল হোক হাসিনা যা পেয়েছে সেও তাই পাবে। যত দুনম্বরী যুক্তি তর্ক দিয়ে সত্য ঢেকে রাখা যাবে না। বিএনপি যদি পিছু ফিরে শিক্ষা না নেয় আগামী দিনগুলো সুন্দর হবে না। হবে যদি তারা আগের চেয়ে আরো বড় মহিরূহ হয়ে আসে। সেই ভাবনা আগামীর জন্য রইলো।

    • Esha Khan on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ১২:৩০ পুর্বাহ্ন

      Bhai, it is better always to talk about ruling party and their activities. If you compare present govt bad things with last govt bad things then only BAD wins and it proves that you do not love country, you love your party.

    • সৈয়দ আলি on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ১২:৩৩ পুর্বাহ্ন

      ভালো, একটি অন্যায় কাজকে আরেকটি অন্যায় কাজ দিয়ে জাষ্টিফাই করা খুব নিরপেক্ষ মনের পরিচয় বটে!!

      • newage on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ৩:১৪ পুর্বাহ্ন

        বুঝতে পারলাম যে বি এন পি খুব খারাপ তো তাই বলে কি আপনি ভাল হবেন না? আপনারা নিজেদের এত ভাল বলেন। আমরা ভাল তোমরা খারাপ এটা এত প্রচারের কি দরকার… কোনটা ভাল কোনটা খারাপ কিছুটা হলেও ত আমরা বুঝি। ভাল হলে ভাল কিন্তু আসলে কত টা ভাল আওয়ামিলীগ?

    • zakia on নভেম্ভর ২০, ২০১০ at ৮:২৪ অপরাহ্ণ

      tara nijera boma mere onnoke dosh dey. tobe ei din din noy r o din ache..

  37. আলীমুসসান on নভেম্ভর ১৯, ২০১০ at ৮:০৩ অপরাহ্ণ

    লেখাটি পড়লাম। আসলে আপনি যে বিষয়টি নিয়ে লিখেছেন সেটি আমাদের সংস্কৃতির অংশ। অর্থাত আমাদের রক্তের সাথে মিশে আছে। আমরা ছিলাম প্যাগান (যৌন পুজারী)। আর্য আমলের মূর্তিগুলো দেখলেই প্রমাণ পাবেন। এশিল্পগুলো সে সত্যই ঘোষণা করে আসছে। এগুলো দেখে যেমন আমাদের ইন্দ্রীয় তৃপ্ত হয়, তেমনি তৃপ্তি পাই অন্যকে দেখিয়েও। তাইতো গাছের গুঁড়ি বা পাথরের কলাম দেখে আমরা পুরুষের বিশেষ অংগের মিল খুঁজি; তেমনি মসজিদের গম্বুজ দেখে নারীদেহের গোপন সৌন্দর্যের সন্ধান পায়।
    পুলিশ দিয়ে জাতীয় নেতা-নেত্রীদের এমনকি তাঁদের পরিবারের নারী সদস্যদের পেটাতেও দিধা করেন না।
    এর ফলে আমাদের নেত্রীবৃন্দ সম্পর্কে সাধারণের মনে একটি নেতিবাচক মনোভাব জন্ম নিচ্ছে। এধরণের অপংস্কৃতি রাজনীতিতে ভিতরের ও বাহিরের অপশক্তির হস্তক্ষেপের সুযোগকে সম্প্রসারিত করে। আমাদের রাজনীতিবীদদেরকে চাটুকারদের চাটুকারিতায় প্রভাবিত না হয়ে নিজের মাথা দিয়ে চিন্তা করার অভ্যেস গড়ে তুলতে হবে। অতীতে চাটুকাররা কিন্তু অপশক্তির সাথে হাত মিলিয়ে রাজনীতিবীদদেরই সর্বনাশ ডেকে এনেছে। এ ক্যান্সারকে দূর করতেই হবে। একজন রাজনীতিবীদের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট হচ্ছে, শরীরের ক্যান্সার আক্রান্ত অংশকে কেটে ফেলার মত দৃঢ় মানষিকতা। অন্যথায় পরিণতির দায়ভার ১০০% রাজনীতিবীদদের ঘাড়ে বর্তাবে। দুঃসময়ে চাটুকাররা কেটে পড়বে।

  38. priobhasini on নভেম্ভর ১৯, ২০১০ at ৭:৩২ অপরাহ্ণ

    এক কোথায় অসাধারণ লেখা ! অসংখ্য ধন্যবাদ লেখককে |

মন্তব্য করুন

প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

Get Adobe Flash playerPlugin by wpburn.com wordpress themes

ফেসবুক লিংক

ট্যাগ

সর্বশেষ মন্তব্য

আর্কাইভ